Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • PM Modi: জগন্নাথ মন্দিরের রত্নভান্ডারের চাবি কোথায়? নবীনকে নিশানা মোদির

    PM Modi: জগন্নাথ মন্দিরের রত্নভান্ডারের চাবি কোথায়? নবীনকে নিশানা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে পুজো দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সোমবার নির্বাচনী প্রচারের ফাঁকে জগন্নাথধামে গেলেন তিনি। আর পুজো দিয়ে বেরিয়েই জগন্নাথ মন্দিরের (Puri Temple) রত্নভান্ডারের চাবি হারিয়ে যাওয়া নিয়ে নবীন পট্টনায়কের নেতৃত্বাধীন সরকারকে তোপ দাগলেন মোদি। তাঁর কথায় বিজেডি শাসনে নিরাপদ নয় পুরীর ঐতিহাসিক মন্দির।

    মোদির নিশানায় রত্নভান্ডারের ‘চাবি রহস্য’ (PM Modi)

    সোমবার পুরীতে পৌঁছে দলীয় প্রার্থীদের হয়ে প্রচার করেন মোদি। আর প্রচারের ফাঁকেই জগন্নাথধামে পুজো দিয়ে বেরিয়ে মন্দিরের রত্ন ভান্ডারের চাবি নিয়ে রাজ্যের শাসক দলের দিকে প্রশ্ন ছুড়লেন মোদি। পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রত্নভান্ডারের চাবি হারানোর ঘটনাকেও এ বার ভোটপ্রচারের হাতিয়ার করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পুরীর মন্দিরের (Puri Temple) সামনেই গ্রান্ড রোড ধরে রোড শো করার সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রশ্ন তোলেন চাবি নিখোঁজ কেন? তিনি বলেন, “১২ শতাব্দীর এই পবিত্র জগন্নাথধাম বিজেডি সরকারের হাতে নিরাপদ নয়। বিজেডির শাসনকালে পুরীর এই জগন্নাথ মন্দির নিরাপদে নেই। রত্ন ভান্ডারের চাবি গত ছয় বছর ধরে পাওয়া যায়নি। মহাপ্রভু জগন্নাথের মন্দিরে পুজো দিলাম। তাঁর আশীর্বাদ যেন সর্বদা আমাদের সকলের মাথার উপর থাকে। তিনি যেন আমাদের জীবনে চলার পথে উন্নতির দিকে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেন।”

    জগন্নাথ মন্দিরের রত্নভান্ডার

    ওড়িশার জগন্নাথ মন্দিরের (Puri Temple) ধর্মীয় তাৎপর্য কারও অজানা নয়। এই রত্নভান্ডারে বিগ্রহের জন্য নিবেদিত বহু মূল্যবান অলঙ্কার রয়েছে। জগন্নাথ, বলরাম এবং সুভদ্রার উদ্দেশ্যে এই অলঙ্কারগুলি নিবেদিত। এসব আজকের কথা নয়, যুগ-যুগ ধরে ভক্তকূল এবং একসময়ে রাজা-মহারাজারাও এই রত্ন ভান্ডারে অবদান করেছেন। শেষবার ১৪ জুলাই, ১৯৮৫ সালে খোলা হয়েছিল এই ভান্ডার।    

    আরও পড়ুন: ২ বছরে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্ক থাকবে ভারতে! দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে ওড়িশা হাইকোর্ট সরকারকে মন্দিরের (Puri Temple) রত্নভান্ডার খোলার নির্দেশ দেয়। যদিও রত্নভান্ডারের চাবি পাওয়া যায়নি বলে তা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনায় রাজ্যবাসী ক্ষুব্ধ হয়। আগামী শনিবার ষষ্ঠ দফায় ২৫ মে পুরী, কটক, ভুবনেশ্বর-সহ ওড়িশার একাংশে ভোট রয়েছে। আর তার আগেই ভোটের মধ্যে রত্নভান্ডারের চাবি প্রসঙ্গকে আরও একবার সামনে আনলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ladakh: লাদাখ যাওয়ার সব-ঋতুতে ব্যবহারযোগ্য তৃতীয় গিরিপথ নির্মাণ করছে কেন্দ্র

    Ladakh: লাদাখ যাওয়ার সব-ঋতুতে ব্যবহারযোগ্য তৃতীয় গিরিপথ নির্মাণ করছে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার লাদাখ পৌঁছনো হবে আরও সহজ। লাদাখে (Ladakh) পৌঁছনোর জন্য নয়া গিরিপথ খনন করতে চলছে বর্ডার রোড অর্গানাইজেশন (বিআরও)। এই গিরিপথটি নিম্মু-পদুম-দারচা (NPD) রুটের সঙ্গে সংযুক্ত হবে। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে শিনকু লা পাসের (Shinku-La Pass Ladakh) নীচে একটি টানেল নির্মাণ শুরু করবে বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন (BRO)। এই গিরিপথ নির্মাণ হলে লাদাখ যাওয়ার জন্য সব ঋতুতে ব্যবহৃত তৃতীয় সড়ক হবে এটি। এর ফলে দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জেরদার হবে। একই সঙ্গে লাদাখের পর্যটন ব্যবসাও উন্নত হবে।

    চিনকে টেক্কা

    নিম্মু-পদ্মম-দরচা (Ladakh) রাস্তাটির কৌশলগত দিক থেকেও গুরুত্ব রয়েছে। নয়া এই রাস্তা খুলে গেলে লাদাখের আবহাওয়ার খবরও দ্রুত মিলবে। এই রাস্তা প্রতিরক্ষা প্রস্তুতিকে শক্তিশালী করবে এবং ওই উপত্যকায় অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকাও নেবে। এই টানেল তৈরি হলে সহজ হয়ে যাবে অনেক কিছুই। শিনকু লা পাসের (Shinku-La Pass Ladakh) নীচে এই গিরিপথ তৈরি হলে মানালি থেকে লেহ্ যাওয়ার সময় পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা কমে যাবে। ৪.১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই গিরিপথটি ১৬ হাজার ৬১৫ ফুট উচ্চতায় শিনকু লা পাসের নীচে ১৫ হাজার ৮০০ ফুট উঁচুতে খনন করা হবে। এই গিরিপথ নির্মাণ হলে এটি হবে বিশ্বের সর্বোচ্চ টানেল হয়ে উঠবে। এটি ১৫ হাজার ৫৯০ ফুট উঁচুতে চিনের মিলা টানেলকেও ছাড়িয়ে যাবে।

    আরও পড়ুন: কপ্টার দুর্ঘটনায় মৃত ইরানের প্রেসিডেন্ট রাইসি, সেদেশের বিদেশমন্ত্রীও

    সহজ হবে যোগাযোগ

    লাদাখে (Ladakh) যাওয়ার অন্য দুটি রুট হল শ্রীনগর-দ্রাস-কারগিল এনএইচ-১ডি হাইওয়ে, যা ১১,৫৭৫ ফুট উঁচু জোজি-লা পাসের উপর দিয়ে যায় এবং মানালি-সারচু-লেহ হাইওয়ে। ভারী তুষারপাত এবং তুষারপাতের কারণে এই দুটি রুট সাধারণত প্রতি শীতে প্রায় ছয় মাস অবরুদ্ধ থাকে। নতুন এই সুড়ঙ্গপথ সারা বছরই খোলা রাখার মতো রে তৈরি করা হচ্ছে। হিমালয়ের বুক চিড়ে এই সুড়ঙ্গ পথটি জুড়বে লাদাখের (Ladakh) কার্গিল এবং মানালিকে (Shinku-La Pass Ladakh)। এই সুড়ঙ্গটি তৈরি করতে ভারতকে বহু প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হবে। এই সুড়ঙ্গের পরিকল্পিত দৈর্ঘ্য ৪.১ কিলোমিটার। পাহাড় ফাটিয়ে ওই উচ্চতায় গিরিপথ তৈরি করতে কোটি কোটি টাকা খরচ হবে। এত উঁচুতে পাহাড় কাটা মুখের কথা নয়। এর জন্য টলাতে হবে সাড়ে চার কোটি বছরের পুরনো পাথরকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hardeep Puri:  ২ বছরে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্ক থাকবে ভারতে! দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    Hardeep Puri: ২ বছরে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্ক থাকবে ভারতে! দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী দু’বছরের মধ্যে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মেট্রো ব্যবস্থা থাকবে ভারতে, জানালেন হরদীপ সিং পুরী (Hardeep Puri)। বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি মানুষ মেট্রোতে চড়েন। এই ১ কোটি মানুষের মধ্যে প্রায় ৭৩ লক্ষ যাত্রী দিল্লির অধিবাসী। আর প্রতিনিয়ত যেভাবে শহরগুলিতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে তার ওপর ভিত্তি করে এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী বলেন,”আজ আমাদের দেশে (India) ৯৪৫ কিলোমিটার মেট্রো সিস্টেম কাজ করছে, এবং আমাদের আরও ১,০০০টি সিস্টেম নির্মীয়মান। ফলে আশা করা যায় আগামী দুই থেকে আড়াই বছরের মধ্যে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগর পরিবহণ মেট্রো থাকবে আমাদের দেশে।” কারণ জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মানুষ শহুরে জীবনযাত্রা ও শহুরে পরিবহণের ওপর বেশি করে নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে।

    হরদীপ পুরীর বক্তব্য (Hardeep Puri)

    দিল্লি-গাজিয়াবাদ-মিরাট আরআরটিএস করিডোর নিয়ে কথা বলতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “এটি শহরগুলির মধ্যে একটি উচ্চ-গতির সংযোগ। বর্তমান ট্র্যাফিক পরিস্থিতিতে দিল্লি এবং মিরাটের মধ্যে দূরত্ব সাধারণত ৩ ঘণ্টার মধ্যে কভার করা যায়। তবে এই মেট্রো সিস্টেম প্রস্তুত হলে, এই দুরত্ব ৫০-৫৫ মিনিটের মধ্যে পৌঁছনো যাবে। যা পরবর্তীকালে একটি খুব বড় উন্নয়নের দিক প্রশস্ত করবে।” একই সঙ্গে তিনি আরও জানান যে, অর্থনৈতিক বৃদ্ধির সাথে সাথে শহরের স্থান এবং খাতে প্রাপ্ত বিনিয়োগও বাড়বে।

    আরও পড়ুন: ঘুচল কানাডিয়ান পরিচয়! দেশের নাগরিক হিসেবে প্রথম ভোটদান অক্ষয়ের

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী (Hardeep Puri) জানিয়েছেন, গত ১০ বছরে তৈরি হওয়া উন্নয়ন এবং দেশে (India) মেট্রো সিস্টেমের সম্প্রসারণের বিষয়টি সারা দেশে ছাড়িয়ে গেছে। ফলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তৃতীয় মেয়াদে ভবিষ্যতে কী কী নতুন উদ্যোগ নেওয়া উচিত সে সম্পর্কে তথ্যপূর্ণ পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RBI: বিপুল পরিমাণ রোজগার, কেন্দ্রকে এবার আরবিআই কত টাকা দিচ্ছে জানেন?

    RBI: বিপুল পরিমাণ রোজগার, কেন্দ্রকে এবার আরবিআই কত টাকা দিচ্ছে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাল ফিরছে দেশের অর্থনীতির। নরেন্দ্র মোদির গত দশ বছরের জমানায় দেশ জায়গা করে নিয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকার পাঁচ নম্বরে। ২০১৪ সালেও যে দেশের জায়গা ছিল ওই তালিকার দশ নম্বরে, সেই দেশই ব্রিটেনকে সরিয়ে দখল করে নিয়ে নিয়েছে তালিকার পঞ্চম স্থান। দেশের অর্থনীতির হাল ফেরার ছাপ স্পষ্ট রিজার্ভ ব্যাঙ্কের (RBI) সরকারকে অনুদান দেওয়ার সিদ্ধান্তের বহর দেখে।

    লাভের কড়ি (RBI)

    জানা গিয়েছে, দেশের শীর্ষ ব্যাঙ্কের তরফে কেন্দ্রকে দেওয়া হবে লভ্যাংশের প্রায় ১ লাখ কোটি টাকা। গত বছর রিজার্ভ ব্যাঙ্ক কেন্দ্রকে যে পরিমাণ টাকা দিয়েছিল, এটা তার চেয়ে ঢের বেশি। সম্প্রতি সরকারি কোষাগারে অর্থ প্রদান সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট করে ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। সেখানেই বলা হয়েছে, দেশের শীর্ষ ব্যাঙ্ক (RBI) কেন্দ্রকে এক লাখ কোটি টাকা দিতে পারে। চলতি অর্থবর্ষেই এই বিপুল পরিমাণ টাকা জমা হতে পারে রাজকোষাগারে। দেশের শীর্ষ ব্যাঙ্ক সরকারকে যে টাকাটা দেবে, তা আদতে লাভের কড়ি। রিপোর্ট অনুযায়ী, এবছর এই লাভের কড়ির পরিমাণ হতে চলেছে রেকর্ড। তবে শেষতক তা কত লাখ কোটি টাকায় গিয়ে দাঁড়াবে, তা স্পষ্ট নয়।

    গত অর্থবর্ষে প্রদেয় টাকা

    গত অর্থবর্ষে কেন্দ্রীয় কোষাগারে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক জমা দিয়েছিল ৮৭ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট পেশ করে কেন্দ্র। সেখানে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে আরবিআই বিভিন্ন সরকারি ব্যাঙ্ক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া লভ্যাংশ বাবদ ১ লাখ ২০ কোটি টাকা জমা করবে বলে জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ।

    আর পড়ুন: “হিন্দুদের ওপর আক্রমণ হলে বসে থাকতে পারি না”, মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা কার্তিক মহারাজের

    ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার অর্থনৈতিক উপদেষ্টা কণিকা পশরিচা বলেন, “আমরা আশা করি, ২০২৫ অর্থবর্ষে আরবিআই এবার লভ্যাংশের ১ লাখ কোটি টাকা তুলে দেবে রাজকোষাগারে। আরবিআইয়ের ডিভিডেন্ড ক্যালকুলেশনের বিভিন্ন রকম মুভিং পার্ট থাকলেও, আমাদের অ্যাসেসমেন্ট বলছে দেশের শীর্ষ ব্যাঙ্ক সম্ভবত স্ট্রং ডিভিডেন্ড নম্বর রিপিট করবে।” মনে রাখতে হবে, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের (RBI) আয়ের মূল উৎস সুদ এবং বৈদেশিক মুদ্রা। ব্যালেন্সশিট থেকে জানা যাচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রা ও সরকারি বন্ড রয়েছে ৭০:২০ অনুপাতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Akshay Kumar: ঘুচল কানাডিয়ান পরিচয়! দেশের নাগরিক হিসেবে প্রথম ভোটদান অক্ষয়ের

    Akshay Kumar: ঘুচল কানাডিয়ান পরিচয়! দেশের নাগরিক হিসেবে প্রথম ভোটদান অক্ষয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে ঘুচল কানাডিয়ান পরিচয়। দেশের নাগরিক হিসেবে এই প্রথম ভোট দিলেন অক্ষয় কুমার (Akshay Kumar)। শুধু তাই নয়, একেবারে আমজনতার মতোই পাঁচ-ছয়শো লোকের ভিড়ে বুথে লাইন দিয়ে ভোট দিতে দেখা গেল তাঁকে। সোমবার ২০ মে পঞ্চম দফায় দেশের অন্যান্য রাজ্যের সঙ্গে মুম্বইয়ের ১৩টি আসনেও ভোটগ্রহণ (Lok Sabha elections 2024) প্রক্রিয়া চলছে। আর এরই মধ্যে সকাল সকাল জুহুর একটি বুথে গিয়ে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে নিজের প্রথম ভোট দিলেন অক্ষয়। 

    আম জনতার সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ

    রীতিমতো লাইন দিয়ে ভোট (Lok Sabha elections 2024) দিতে দেখা যায় অক্ষয় কুমারকে (Akshay Kumar)। তিনি বলেন, “বুথ খুলতেই সকাল ৭টার সময় চলে আসি আমি। তখনই দেখলাম বুথের বাইরে প্রায় ৫০০-৬০০ মানুষ দাঁড়িয়ে।” এরপর অক্ষয়কে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, তাঁকেও কি ভোটদানের জন্য লাইন দিতে হয়েছে? উত্তরে হেসে অভিনেতার জবাব, “নয়তো আর কী করব? লাইন ভেঙে এগিয়ে যেতাম নাকি?”  

    গণতন্ত্রের উৎসবে যোগ দিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত অক্ষয়। বুথ থেকে বেরনোর সময়ে তাঁর মুখের হাসি দেখেই বোঝা গেল সেটা। ভোটদানের পর সংবাদমাধ্যমকে অভিনেতা বলেন, “আমি (Akshay Kumar) চাই আমার দেশ আরও শক্তিশালী হোক। সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই ভোট দিয়েছি। ভোট দিতে পেরে আমার খুব ভালো লেগেছে। খুব ভালো বোধ করছি।” একই সঙ্গে আঙুলে ভোটের কালি ছাপ দেখিয়ে বেশ গর্বই অনুভব করেন তিনি।

    আরও পড়ুন: কীভাবে এক পর্তুগিজ নাবিক জলপথে প্রথম ভারতের সন্ধান পেলেন?

    ঘুচল কানাডিয়ান পরিচয়

    এতদিন কানাডার নাগরিক ছিলেন অক্ষয় (Akshay Kumar)। ২০১৯ সালে ভারতের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেছিলেন বলিউড অভিনেতা। এরপর ২০২৩ সালে স্বাধীন ভারতের নাগরিকত্ব পেয়েছিলেন তিনি। তবে ভারতীয় ছবিতে অভিনয় করলেও, ১৯৯০ সালে কানাডার নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেছিলেন তিনি। তাই এতদিন কানাডার নাগরিক ছিলেন বলে ভোট (Lok Sabha elections 2024) দিতেন না অভিনেতা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “গত ৬-৭ বছরে দেশে ৬ কোটি কর্মসংস্থান হয়েছে”, দাবি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

    PM Modi: “গত ৬-৭ বছরে দেশে ৬ কোটি কর্মসংস্থান হয়েছে”, দাবি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিগত ছয় থেকে সাত বছরে ৬ কোটি কর্মসংস্থান হয়েছে, দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পরিবারতান্ত্রিক বিরোধী দলগুলি দেশের কর্মসংস্থান নিয়ে যে অভিযোগ এনেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। দেশে যে পরিমাণ পরিকাঠামগত উন্নয়ন হয়েছে তাতে প্রচুর কর্মসংস্থান হয়েছে। সরকারি চাকরির পাশাপাশি  দেশে যে পরিবেশ তৈরি হয়েছে, সে ক্ষেত্রে চাকরির পাশাপাশি ব্যবসার ক্ষেত্রে উন্নতি হয়েছে। ২০১৪ সালের আগে দেশে হাতেগোনা স্টার্টআপ ছিল। বর্তমানে ১ লক্ষ ২৫ হাজার স্টার্টআপ কোম্পানি ভারতবর্ষে রয়েছে। বেশিরভাগই স্ট্যাটাস লাভজনক অবস্থায় আছে। শতাধিক স্টার্টআপ সংস্থা বর্তমানে বার্ষিক ৮ লক্ষ কোটি টাকার বেশি ব্যবসা করছে। স্টার্টআপ কোম্পানি খোলার ক্ষেত্রে এখন যুবকরা বেশি এগিয়ে এসেছে।”

    বিনোদনমূলক অর্থনীতি থেকে সৃজনশীল অর্থনীতি

    বর্তমানে দেশের যুব প্রজন্মের হাতে স্মার্ট ফোন রয়েছে। মোবাইলে শুধু তারা গেম খেলে এমন নয়। বর্তমানে যারা গেম তৈরি করছে তাদের বেশিরভাগই যুবক। এক একটি গেম তৈরি করে তাঁরা কত টাকা রোজগার করছে তা এখন ভাবনার উর্ধ্বে। বিনোদনমূলক অর্থনীতি থেকে সৃজনশীল অর্থনীতিতে পরিবর্তন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “বিনোদনমূলক অর্থনীতির দুনিয়ায় ভারত বিশ্বে প্রথম সারির দেশ গুলির মধ্যে রয়েছে। আগে দেশে শুধুমাত্র ৭০ বিমানবন্দর ছিল। এখন তা বেড়ে হয়েছে ১৫০টি। আগে ভারতবর্ষে ৬০০ থেকে ৭০০ বিমান ওঠানামা করত। এখন ১ হাজার নতুন বিমানের বরাত দেওয়া হয়েছে। ফলে বিমান পরিষেবা সেক্টরেও প্রচুর কর্মসংস্থান হয়েছে। কিন্তু এগুলি বিরোধীরা চেপে যাওয়ার চেষ্টা করে। তাঁরা দেশজুড়ে একটা নেতিবাচক ন্যারেটিভ তৈরি করার চেষ্টা করছে।” দাবি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির।

    পিরিয়ডিক লেবার ফোর্স সার্ভের তথ্য

    প্রধানমন্ত্রী নিজের দাবির স্বপক্ষে পিরিয়ডিক লেবার ফোর্স সার্ভের তথ্য সামনে আনেন। এই সমীক্ষা বলছে বিগত ছয়-সাত বছরে দেশে ছয় কোটি নতুন কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর দাবি এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন যে তথ্য দিয়েছে তাতেও একই কথা মিলে যাচ্ছে। তাঁর যুক্তি দেশে প্রতি বছর ৫ কোটি ব্যক্তিবর্ষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে।

    আরও পড়ুন: মুসলিম কট্টরপন্থীদের চাপে এবং ভোট পেতেই সাধুদের অপমান করছেন মমতা, তোপ মোদির

    প্রসঙ্গত সারাদেশে লোকসভা নির্বাচন চলছে। বিজেপি একার দমে এবার ৩৭০ এবং জোট হিসেবে ৪০০ লোকসভা আসনে জয়ী হবে বলে দাবি করেছে। অন্যদিকে বিরোধীরাও যে ক্ষমতায় আসবেন তাঁরা সেই দাবি তুলে ধরতে পারছেন না। এমতাবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) এই বক্তব্য খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “এটা ভারতের সময়, এ সুযোগ হাতছাড়া করা উচিত নয়”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “এটা ভারতের সময়, এ সুযোগ হাতছাড়া করা উচিত নয়”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আপনি যদি বড় কিছু পেতে চান, তাহলে আপনার চিন্তাভাবনাটাও বড় করতে হবে।” সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর মতে, এমন পরিকল্পনা করতে হবে যা হাজার বছর পরেও লোকে মনে রাখে। তিনি বলেন, “এটা ভারতের সুসময়। এ সুযোগ হেলায় হারানো উচিত হবে না।” এ প্রসঙ্গে তিনি স্বাধীনতার পরে ভারতের একশো বছরের পরিকল্পনার প্রসঙ্গও টানেন। তাঁর মতে, এটা ভারতের ভিত পোক্ত করে দিতে পারে।

    হাজার বছর…(PM Modi)

    উদাহরণ স্বরূপ তিনি উল্লেখ করেন দেশের আমলাতন্ত্রের প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, “কেবল প্রমোশনই লক্ষ্য হতে পারে না। নিয়োগের প্রয়োজনীয়তা এবং অফিসারদের প্রশিক্ষণে বদল জরুরি। তাঁদের জানা উচিত, তাঁদের জীবনের উদ্দেশ্য কী।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ আমি আবারও বলছি, জীবনে কিছু ঘটনা ঘটে, যেগুলি আমাদের বেঁচে থাকতে বাধ্য করে আগামী হাজার বছর। আজ যা কিছু করা হচ্ছে, সেটা ভারতকে আগামী হাজার বছর ধরে একটা উজ্জ্বলতর ভবিষ্যৎ উপহার দেবে। এটা ভারতের সময়। তাই সুযোগ হাতছাড়া করা আমাদের উচিত হবে না।” তিনি বলেন, “মানুষের জীবনেও যেমন টার্নিং পয়েন্ট থাকে, তেমনি থাকে রাষ্ট্রের জীবনেও। আমি মনে করি, এটাকে কাজে লাগাতে হবে।”

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আমরা একটা বড় কাজ করছি, একটা বড় বুদ্ধিমত্তার অনুশীলন করছি। আমি এটা দীর্ঘদিন ধরে করছি। এবং সেই সব আধিকারিক, যাঁরা এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাঁরা অবসর নিয়েছেন। আমরা মন্ত্রী, সচিব এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়েছি।” তিনি বলেন, “লক্ষ্যে পৌঁছতে আমি বিভিন্ন ধাপ অনুযায়ী লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছি – ২৫ বছর, ৫ বছর, ১ বছর এবং ১০০ দিন। এর সঙ্গে আরও যুক্ত কিছু হবে, এক-দু’টো বাদও যেতে পারে। কিন্তু আমাদের সামনে একটা বড় পরিকল্পনা ছকা রয়েছে।” তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পঁচাত্তর বছরে আমরা পরিকল্পনা করতে শুরু করেছি। দেশের বয়স যখন একশো হবে, তখন পর্যন্ত তা কার্যকরী হবে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি স্বাধীনতার পঁচাত্তর বছরের কথা ভাবছি না, ভাবছি একশো বছরের কথা। আমি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, দেশের বয়স একশো হলে আপনারা কী করবেন? আপনাদের প্রতিষ্ঠান থাকবে কোথায়? রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার নব্বই বছরের পরিকল্পনা রয়েছে। আমি বলেছিলেন, ঠিক আছে, তবে দেশের বয়স একশো হলে আপনারা কী করবেন?”

    যুবশক্তির সদ্ব্যবহার করা

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি ছোট ছোট করে ভাবি না। মিডিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্যও আমি কাজ করি না। আগামিদিনে আমি জোর দিতে চাই কীভাবে যুবকদের সঙ্গে আমি যোগাযোগ করতে পারি, তাঁদের মধ্যে কীভাবে বড় কোনও স্বপ্নের বীজ বপন করতে পারি এবং সেই স্বপ্ন সফল করতে তাঁদের অভ্যাসে কী ধরণের পরিবর্তন আনা প্রয়োজন, তা তাঁদের বোঝাতে পারি। আমি বিশ্বাস করি (PM Modi), এই সব প্রচেষ্টা ফলপ্রসূ হবে।”

    দুয়ারে জয়

    ২০ মে, সোমবার দেশের ৪৯টি লোকসভা কেন্দ্রে চলছে নির্বাচন। অষ্টাদশতম লোকসভার নির্বাচন হবে সাত দফায়। এদিন চলছে পঞ্চম দফার নির্বাচন। তার আগে সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়েও তৃতীয়বার জয়ের বিষয়ে প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “এবার ৪০০ আসনে জিতে রেকর্ড গড়বে এনডিএ।” চারশো আসন পেলে এনডিএ সরকার সংবিধান বদলে দেবে বলে বিরোধীরা যা প্রচার করছেন, তা মিথ্যা বলেও দাবি প্রধানমন্ত্রীর।

    আর পড়ুন: “হিন্দুদের ওপর আক্রমণ হলে বসে থাকতে পারি না”, মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা কার্তিক মহারাজের

    তিনি বলেন, “চারশো আসন পাওয়ার সঙ্গে সংবিধান বদলে দেওয়ার ভাবনাটা বোকা বোকা। ওরা আসলে এসব ইস্যুতে গোলমাল পাকিয়ে হাউসের কাজকর্ম বন্ধ করে দেবে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা ৪০০ আসন পাবই। ২০১৯ থেকে ২০২৪ এই পাঁচ বছর বিজেপির নেতৃত্বে সরকার চলছে। গত নির্বাচনে এনডিএ জিতেছিল ৩৬০টি আসন। আর এবার চারশোর বেশি আসন পেয়ে ক্ষমতায় ফিরব আমরা (PM Modi)।” প্রসঙ্গত, সাত দফার লোকসভা নির্বাচন শুরু হয়েছিল ১৯ এপ্রিল। শেষ দফার নির্বাচন হবে ১ জুন। ফল ঘোষণা হবে ৪ জুন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vasco da Gama: কীভাবে ভাস্কো দা গামা জলপথে প্রথম ভারতের সন্ধান পেয়েছিলেন? ফিরে দেখা ইতিহাস

    Vasco da Gama: কীভাবে ভাস্কো দা গামা জলপথে প্রথম ভারতের সন্ধান পেয়েছিলেন? ফিরে দেখা ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ইতিহাস বলতে প্রথমেই মাথায় আসে ভাস্কো দা গামার (Vasco da Gama) নাম। ভাস্কো দা গামা-এই নামটির সঙ্গে পরিচিত নন এমন মানুষ ভারতীয় উপমহাদেশে খুঁজে পাওয়া কঠিন। ভাস্কো দা গামা ছিলেন একজন পর্তুগিজ নাবিক। যিনি পঞ্চদশ শতাব্দীতে সমুদ্রপথে ভারতে আসেন। পর্তুগালের রাজধানী লিসবন থেকে আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিয়ে আফ্রিকা মহাদেশে এসে পৌঁছান এবং পুরো আফ্রিকা মহাদেশ ঘুরে দক্ষিণ দিক থেকে তিনি ১৪৯৮ সালের আজকেরই দিনে অর্থাৎ ২০ মে তাঁর জাহাজ নিয়ে দক্ষিণ ভারতে (India) কালিকটের কাছে কাপ্পাডুতে পা রাখেন। 

    ইতিহাস

    কলম্বাস যখন ভারতের খোঁজে বেরিয়ে আমেরিকায় পৌঁছে গেলেন, তখন পর্তুগালের রাজা জন ভারতে পৌঁছানোর জন্য নতুন সমুদ্রপথ খুঁজতে শুরু করেছিলেন। একই সঙ্গে তিনি তিনটি বড় জাহাজ তৈরিরও নির্দেশ দেন। কিন্তু সেই সময়েই অসুস্থ হয়ে পড়েন রাজা জন। ভারতে পৌঁছানোর সে ইচ্ছা পূরণ হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়। তবে তার উত্তরাধিকারী এমানুয়েলের মনেও ভারতে পৌঁছানোর দৃঢ় সংকল্প ছিল। সেই যাত্রার কমান্ডার হিসাবে তিনি ভাস্কো দা গামাকে (Vasco da Gama) বেছে নিয়েছিলেন।

    কীভাবে পৌঁছলেন ভারতে? (Vasco da Gama) 

    ২৫ মার্চ ১৪৯৭ সাল, রবিবার সকালবেলায় লিসবনের রাস্তা লোকে লোকারণ্য হয়ে গিয়েছিল। সবাই বুঝতে পারছিলেন সেদিন একটা বড় ঘটনা হতে চলেছে। এরপর শুরু হল যাত্রা। ভাস্কো দা গামা রওনা হলেন তার ৩টি জাহাজ ও সহযাত্রীদের নিয়ে। কিন্তু মাঝপথে জাহাজ যখন কনারি দ্বীপ ছাড়ালো, তখনই তাঁরা মুখমুখি হল এক ভয়াবহ ঝড়ের। সেই ঝড় কাটিয়ে এরপর বেশ কয়েক মাস ধরে চলার পরে ভাস্কো দা গামা আর তার সহযাত্রীরা সেন্ট হেলেনায় পৌঁছলেন। প্রবল ঝড়ে জাহাজের প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। দিন দশেক পরে ভাস্কো দা গামার দল জাহাজগুলি নিয়ে একটা বড় নদীর মোহনায় পৌঁছান। সেখানেই তিনি নোঙর করার সিদ্ধান্ত নেন। এরপর মার্চ মাসের শেষ নাগাদ ভাস্কো দা গামা আফ্রিকার মোজাম্বিক বন্দরে পৌঁছান। সেখান থেকে সমুদ্র তীর ধরে চলতে চলতে পৌঁছান মালিন্ডির উপকূলে। এরপর ৬ অগাস্ট ভাস্কো দা গামা মালিন্ডি থেকে রওনা হয়েছিলেন। এর প্রায় ১৯ দিন পরে অবশেষে ভারতের তটরেখা দেখতে পান তাঁরা। 

    আরও পড়ুন: কীভাবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে হস্তক্ষেপ করেছিলেন মোদি? মনে করালেন জয়শঙ্কর

    এই দিনটির গুরুত্ব

    উল্লেখ্য তিনিই (Vasco da Gama) প্ৰথম ইউরোপীয় যিনি সাগর পথ পাড়ি দিয়ে আজকের এই দিনে ভারতে (India) এসে উপস্থিত হন। তাঁর এ ভ্ৰমণ এশিয়া ও ইউরোপকে সংযোগ করার পাশাপাশি আটলান্টিক মহাসাগর এবং ভারত মহাসাগরের মাঝে সেতুবন্ধনের কাজ করেছিল। এ দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে পাশ্চাত্য দুনিয়ার সংযোগ স্থাপনের অন্যতম কারিগর হিসেবে তাঁকে স্বীকৃতি দেওয়া যেতে পারে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Russia Ukraine War: কীভাবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে হস্তক্ষেপ করেছিলেন মোদি? মনে করালেন জয়শঙ্কর

    Russia Ukraine War: কীভাবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে হস্তক্ষেপ করেছিলেন মোদি? মনে করালেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে (Russia Ukraine War) ভারতের ভূমিকা স্মরণ করালেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এই যুদ্ধে হস্তক্ষেপ করে যুদ্ধের ভয়াবহতা শুধু কমাননি ভারতীয় নাগরিক ও ছাত্রদের সুরক্ষিত ফিরিয়ে এনেছিলেন দেশে। যে তৎপরতার সঙ্গে ছাত্রদের ওই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে দেশে ফিরিয়ে আনা হয় তা ছিল চ্যালেঞ্জের। কিন্তু মোদি জমানার কূটনৈতিক সাফল্যের ফল ছিল এটি”, বললেন এস জয়শঙ্কর।

    কূটনীতির পক্ষে কথা বলেন মোদি 

    প্রসঙ্গত ভ্লাদিমির পুতিন (Putin) ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন আক্রমণ শুরু করার পর থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চলমান ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাতে (Russia Ukraine War) সংলাপ এবং কূটনীতির পক্ষে কথা বলেন। যুদ্ধ-বিধ্বস্ত ভারতীয়দের জন্য নিরাপদ পথ নিশ্চিত করতে তিনি পুতিন এবং ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে কথা বলেছিলেন। ইউক্রেন-রাশিয়া সঙ্কটে প্রধানমন্ত্রী মোদির হস্তক্ষেপের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, “ খারকিভে গোলাবর্ষণ শুরু হলে প্রধানমন্ত্রী রুশ রাষ্ট্রপতি পুতিনের সঙ্গে কথোপকথন করেছিলেন এবং তাঁকে যুদ্ধ বন্ধ করতে বলেছিলেন। এবিষয়ে মোদিজির স্পষ্ট বক্তব্য ছিল ভারত এই যুদ্ধে সমর্থন করছে না।  ভারতীয়দের বের না করা পর্যন্ত কিন্তু রাশিয়ান গোলাবর্ষণ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।”

    প্রত্যেক ভারতীয়কে ফিরিয়ে আনা হয় 

    কয়েক হাজার ভারতীয় ছাত্র এবং কয়েকশো ভারতীয় নাগরিক ইউক্রেনে এবং রাশিয়ার যুদ্ধবিধ্বস্ত আটকে পড়েছিলেন। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে ভারতীয়দের ফিরিয়ে এনেছিলেন। ভারতীয় পতাকা গর্বের সঙ্গে উঁচু করে ভারতীয় ছাত্ররা যুদ্ধের ময়দানে সুরক্ষিত স্থানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। সেই সময় ভারতীয় পতাকা ছিল তাদের গর্বের কারণ। ভারতীয়রা যেখানে যাচ্ছিল তাদের পথ করে দেওয়া হচ্ছিল। এমনকি সেই সময় পাকিস্তানি ছাত্ররা ও ভারতীয় পতাকা নিয়ে সুরক্ষিত স্থানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল, এমন দৃশ্য দেখতে পাওয়া যায়। এই দৃশ্য ভারতের কূটনৈতিক জয় বলে মনে করেন বিদেশমন্ত্রী। ভারতীয়দের প্রত্যেককে সুরক্ষিতভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।  

    রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে ভারতের শিক্ষা

    এছাড়াও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ভয়াবহতা কমাতে ভারত যথেষ্ট উদ্যোগী হয়েছিল। একইসঙ্গে এই যুদ্ধের ফলে ভারত অত্যন্ত কম দামে তেল কিন্তু সক্ষম হয়। যার প্রভাব পড়ে ভারতীয় অর্থনীতিতে। ভারত এখন কম দামে তেল কিনে দেশীয় বাজারে পেট্রোপণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সক্ষম হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলিকেও পরিশোধিত তেল বিক্রি করে যথেষ্ট মুনাফা অর্জন করছে ভারত। এমনকি আন্তর্জাতিক বাজারেও বেশ কয়েকটি দেশ ভারতীয় তেল ক্রয় করছে। এর লাভ পেয়েছে ভারতীয় অর্থনীতি।

    আরও পড়ুন: ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে’, বলছে কিরঘিজ সরকার, ভারতীয় পড়ুয়াদের ঘরবন্দি থাকার নির্দেশ

    শুধু তাই নয় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ (Russia Ukraine War) থেকে ভারতীয় সামরিক বাহিনীও শিক্ষা নিয়েছে। বিশেষ করে যুদ্ধগত কৌশলের ক্ষেত্রে। বর্তমানে যুদ্ধের পরিস্থিতি কীভাবে বদল হয়। যুদ্ধক্ষেত্রের রণকৌশলের আধুনিকীকরণ সহ বেশ এই যুদ্ধ থেকে কয়েকটি সামরিক বিষয়ে শিক্ষা নিয়েছে ভারত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ভোটদানের নিরিখে নয়া রেকর্ড গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী মোদির

    Lok Sabha Election 2024: ভোটদানের নিরিখে নয়া রেকর্ড গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) পঞ্চম দফায় আজ, সোমবার আট রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল মিলিয়ে মোট ৪৯টি আসনে ভোট শুরু হয়েছে ৷ তার আগে পাঁচ ভাষায় ট্যুইট করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)৷ বাংলাতেও ট্যুইট করেছেন মোদি৷ এদিন রাজ্যে মোট ৭টি আসনে ভোটগ্রহণ চলছে।কেন্দ্রগুলি হল-হুগলি, আরামবাগ, শ্রীরামপুর, হাওড়া, উলুবেড়িয়া, বনগাঁ ও বারাকপুর। এদিন, মহিলা ও তরুণ ভোটেরদের উদ্দেশেও ভোটদানের আর্জি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী৷ গত চার দফার নির্বাচনেও সকলকে ভোটে অংশগ্রহণ করার আর্জি জানিয়েছেন তিনি। এদিনও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

    মোদির আহ্বান

    পঞ্চম দফার ভোটে (Lok Sabha Election 2024) বিশেষত মহিলা এবং যুব সম্প্রদায়কে শামিল হওয়ার আর্জি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সকাল সকাল সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তাঁর বক্তব্য, “পঞ্চম দফায় আট রাজ্যের ৪৯টি আসনে লোকসভা নির্বাচন। আমি ভোটারদের অনুরোধ করব সকলে ভোট দিন। ভোটদানের নিরিখে নয়া রেকর্ড গড়ুন। বিশেষত মহিলা এবং যুব সম্প্রদায়কে অনুরোধ করব গণতন্ত্রের উৎসবে অংশ নিন।” 

    শাহের বার্তা

    ভোট গ্রহণের (Lok Sabha Election 2024) দিন সকালে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও (Amit Shah) এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে লেখেন, “আজ লোকসভা নির্বাচনের পঞ্চম দফার ভোটে আমি জনগণকে আহ্বান জানাই বিপুল সংখ্যক ভোট দিয়ে এমন একটি সরকার নির্বাচন করুন, যারা আপনাকে দুর্নীতি মুক্ত শাসন, নিরাপদ পরিবেশ এবং আপনার নাগরিকত্বের অধিকার সুনিশ্চিত করার সঙ্গে সঙ্গে অনুপ্রবেশ রোধ করবে। এটি সব ভোটারদের জন্য এমন একটি সরকার বেছে নেওয়ার একটি সুবর্ণ সুযোগ, যা সর্বাত্মক উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেবে এবং আমাদের বিকশিত ভারত গড়ার স্বপ্নকে ত্বরান্বিত করবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share