Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • BJP: ‘সংরক্ষণ বিল পেশে ব্যর্থ হলে কর্নাটক ফুঁসবে’, কংগ্রেসকে হুঁশিয়ারি পদ্মের

    BJP: ‘সংরক্ষণ বিল পেশে ব্যর্থ হলে কর্নাটক ফুঁসবে’, কংগ্রেসকে হুঁশিয়ারি পদ্মের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বেসরকারি সংস্থায় কন্নড়ভাষীদের নিয়োগ সংরক্ষণের বিল (Job Reservation Bill) বিধানসভায় পেশ করতে ব্যর্থ হলে কর্নাটকবাসীর ক্রোধের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে রাজ্যের কংগ্রেস সরকারকে।” বৃহস্পতিবার এমনই হুঁশিয়ারি দিয়েছে সে রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি (BJP)। শিল্প, কারখানা এবং অন্যান্য সংস্থান বিল, ২০২৪-এ স্থানীয় প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার ক্ষেত্রে ইউ-টার্ন নেওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী কংগ্রেসের সিদ্দারামাইয়ার তীব্র সমালোচনা করে পদ্ম শিবির।

    বেসরকারি চাকরিতে কন্নড়ভাষীদের জন্য সংরক্ষণ! (BJP)

    বেসরকারি চাকরিতে কন্নড়ভাষীদের সংরক্ষণের জন্য নয়া আইন চালুর ইঙ্গিত দিয়েছিল কর্নাটক সরকার। বুধবারই এক্স হ্যান্ডেলে মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া এ সংক্রান্ত একটি পোস্টও করেছিলেন। লিখেছিলেন, “কর্নাটকে ‘সি’ এবং ‘ডি’ গ্রুপের একশো শতাংশ সরকারি চাকরিই কন্নড়ভাষীদের জন্য সংক্ষরণ করা হবে। মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার পরে পরেই বেসরকারি চাকরিতে স্থানীয়দের সংরক্ষণের জন্য নয়া আইন চালুর ইঙ্গিত দেন সে রাজ্যের শ্রমমন্ত্রী সন্তোষ লাড। তিনি জানিয়েছিলেন, প্রস্তাবিত বিলে বেসরকারি সংস্থাগুলির জন্য ৭০ শতাংশ কর্মী ও ৫০ শতাংশ আধিকারিকের পদ কন্নড়ভাষীদের জন্য সংরক্ষিত রাখা বাধ্যতামূলক করা হবে। শ্রমমন্ত্রী বলেছিলেন, “মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই প্রস্তাব পাশ হয়েছে। বিলটি শীঘ্রই পেশ করা হবে বিধানসভায়।”

    পিছু হটল রাজ্য সরকার 

    মুখ্যমন্ত্রীর এই পোস্ট এবং পরে শ্রমমন্ত্রীর এই ঘোষণার পরেই শোরগোল শুরু (BJP) হয় রাজ্যে। কর্নাটকের উত্তর-পশ্চিম প্রান্তের মারাঠিভাষী অঞ্চল এবং পূর্বের তেলগুপ্রধান অঞ্চল থেকে আসে বিক্ষোভের খবর। আপত্তি তোলেন কর্পোরেট সংস্থার কর্তারা। তার জেরেই পিছু হটে রাজ্য সরকার। তড়িঘড়ি পোস্টটি মুছে দেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্য সরকারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, বিধানসভায় পেশ করার আগে আরও একবার বিলটি নিয়ে পর্যালোচনা করবে রাজ্য সরকার।

    আরও পড়ুন: বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা নেই টাস্ক ফোর্সের, কবুল ‘নিধিরাম’দের

    কংগ্রেস সরকার পিছু হটায় হাত শিবিরকে নিশানা করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি বিওয়াই বিজয়েন্দ্র। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “কন্নড়ভাষীদের চাকরি দিতে কেন বিলটি নিয়ে এসেছিলেন? কেনই বা সেটি স্থগিত করে দিলেন? কন্নড়ভাষীদের জীবন নিয়ে কেন ছিনিমিনি খেলছেন? কন্নড়ভাষীদের অপমান করার কোনও প্রয়োজন কি ছিল? সরকার কন্নড়ভাষীদের জন্য সংরক্ষণ সংক্রান্ত বিলটি পেশ করুক। বিলটি নিয়ে গ্রামাঞ্চলে লাখ লাখ কর্মপ্রার্থী আশায় বুক বেঁধেছিলেন। যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তাঁরা চাকরি পাননি। তাই বিলটি পেশ না করা হলে জনগণের ক্রোধের মুখোমুখি হতে হবে রাজ্য সরকারকে।” বিল স্থগিত করে দেওয়ার বিষয়টিকে ‘কাপুরুষোচিত’ বলেও উল্লেখ করেন এই পদ্ম-নেতা। বিষয়টিকে (Job Reservation Bill) ‘নাটকবাজি’ বলে উল্লেখ করেছেন বিজেপি (BJP) নেতা সিটি রবি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu-Kashmir: ফের ভূস্বর্গে গুলির লড়াই! জঙ্গি সংঘর্ষে ডোডায় আহত দুই জওয়ান

    Jammu-Kashmir: ফের ভূস্বর্গে গুলির লড়াই! জঙ্গি সংঘর্ষে ডোডায় আহত দুই জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ। বৃহস্পতিবার জম্মু-কাশ্মীরের ডোডা জেলায় জঙ্গিদের সঙ্গে যুদ্ধে গুরুতর আহত হয়েছেন দুই সেনা। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি সেনার উপর জঙ্গিদের হামলার পর বিশাল সংখ্যায় সেনা মোতায়েন করা হয়েছিল ওই অঞ্চলে। জঙ্গিদের নিকেশ করতে গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে চিরুনি তল্লাশি শুরু করেছিল সেনাবাহিনী। আর সেই তল্লাশি অভিযানেই জঙ্গিদের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত হলেন দুই সেনা।   

    ঠিক কী ঘটেছিল? 

    জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার জম্মু-কাশ্মীরের ডোডা জেলার কাস্তিগড় এলাকার জদ্দন বাটা গ্রামে রাত ২টোর দিকে এনকাউন্টার শুরু হয়। ঘটনার আগে ওই জেলার একটি সরকারি স্কুলে প্রতিষ্ঠিত একটি অস্থায়ী নিরাপত্তা শিবিরে গুলি চালায় জঙ্গিরা। এরপর নিরাপত্তা বাহিনী পাল্টা জবাব দেয় এবং দুই পক্ষের মধ্যে এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে গুলি বিনিময় চলে। সে সময়েই জঙ্গিদের গুলিতে দুই সৈন্য সামান্য আহত হয়েছেন। এ প্রসঙ্গে কর্মকর্তারা বলেছেন, ”জঙ্গিদের তাড়ানোর চেষ্টা চলছে। তাই নিরাপত্তা বাহিনী, জম্মু কাশ্মীর পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা এলাকায় ব্যাপক তল্লাশি চালাচ্ছে।”
    উল্লেখ্য, এর আগে সোমবার ও মঙ্গলবার মাঝরাতে জঙ্গিদের গুলিতে একজন ক্যাপ্টেনসহ চার সেনা সদস্য নিহত হওয়ার পর দেশ ও পার্শ্ববর্তী বনাঞ্চলে এই তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। বৃহস্পতিবার চতুর্থ দিনেও অভিযান চলে। আর তখনই ঘটে এই ঘটনা।    

    আরও পড়ুন: প্রায় ২০০ বন্যপ্রাণীর মৃত্যুর আশঙ্কা! বন্যায় বিপর্যস্ত কাজিরাঙা

    জঙ্গি নিকেশে চলছে একের পর এক অভিযান  

    নিরাপত্তা বাহিনী এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ জঙ্গিদের নির্মূল করার জন্য একের পর এক যৌথ অভিযান পরিচালনা করছে। পুলিশের মতে এই জঙ্গিরা সীমান্তের ওপার থেকে অনুপ্রবেশ করে উধমপুর, ডোডা এবং কিশতওয়ার জেলায় একের পর এক হামলা চালাচ্ছে। এখনও পর্যন্ত সব মিলিয়ে এই বছরের শুরু থেকে জম্মু প্রদেশের ছয়টি জেলায় জঙ্গি হামলায় ১১ জন নিরাপত্তা কর্মী, একজন গ্রাম প্রতিরক্ষা রক্ষী এবং পাঁচ জঙ্গি সহ মোট ২৭ জন নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে রিয়াসি জেলার শিব খোরি মন্দির থেকে ফিরে আসা সাতজন তীর্থযাত্রীও রয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Assam Flood: প্রায় ২০০ বন্যপ্রাণীর মৃত্যুর আশঙ্কা! বন্যায় বিপর্যস্ত কাজিরাঙা

    Assam Flood: প্রায় ২০০ বন্যপ্রাণীর মৃত্যুর আশঙ্কা! বন্যায় বিপর্যস্ত কাজিরাঙা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্যায় (Assam Flood) বিপর্যস্ত অসম। ভাসছে কাজিরাঙা ন্যাশনাল পার্ক। কাজিরাঙার একটা বড় অংশই এখন জলমগ্ন। ডুবেছে ৩৭ নম্বর জাতীয় সড়কের একাংশও। ইতিমধ্যেই গন্ডার, বুনো মহিষ, বিভিন্ন প্রজাতির হরিণ-সহ অন্তত ২০০ বন্যপ্রাণীর মৃত্যু (Wild Animals Died) হয়েছে বলে সরকারি সূত্রের খবর। তাদের মধ্যে অন্তত ১০টি একশৃঙ্গ গন্ডার রয়েছে।

    বনদফতর সূত্রে খবর (Wild Animals Died) 

    সোমবার বনদফতর একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, বন্যায় (Assam Flood) ১৯৮টি বন্যপ্রাণীর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১০টি একশৃঙ্গ গণ্ডার, ১৭৯টি বিলুপ্তপ্রায় প্যারা হরিণ, বারশিঙ্গা হরিণ, একটি ম্যাকাও, দুটি অন্য প্রজাতির পাখি, একটি পেঁচা এবং ২টি সাম্বর হরিণ। তবে জানা গিয়েছে, ২টি বরা হরিণের মৃত্যু জলে ডুবে হয়নি। বন্যার কবল থেকে বাঁচার জন্য জঙ্গলঘেঁষা জাতীয় সড়ক পার হওয়ার সময় গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু হয়েছে। প্রতি বারই এমন পরিস্থিতিতে জাতীয় উদ্যানের বন্যাপ্লাবিত অঞ্চল থেকে কার্বি পাহাড় পাড়ি দেয় বন্যপ্রাণীরা। তাদের অনেকে জাতীয় সড়কে গাড়ির ধাক্কায় প্রাণ হারায়। অন্যদিকে বন্যপ্রাণীদের উদ্ধারে অসমের বিভিন্ন বন্যপ্রাণপ্রেমী সংস্থার স্বেচ্ছাসেবকেরা ইতিমধ্যেই হাজির হয়েছেন কাজিরাঙায়।

    আরও পড়ুন: বিশ্বেমঞ্চে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র জয়জয়কার, সাফল্যকে স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    বন্যায় ঘরছাড়া বহু পশু (Assam Flood) 

    ১৯৮টি বন্যপ্রাণীর মৃত্যুর পাশাপাশি ঘরছাড়া বহু পশু। প্রতি বছরই নিয়ম করে বন্যায় ওলটপালট হয়ে যায় অসমের কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যানের ‘জীবনচক্র’। এ বারের বর্ষাতেও তার ব্যতিক্রম হল না। দুকূল ছাপিয়ে চলে আসা ব্রহ্মপুত্রের জলে ডুবেছে জঙ্গলের বিস্তীর্ণ এলাকা (Assam Flood)। কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যান ও ব্যাঘ্রপ্রকল্প কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, গত দুদিনে বন্যা পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হয়েছে। তবে বনকর্মীদের ৪৬টি ক্যাম্প এখনও জলের তলায়। ১৩০০ বর্গ কিলোমিটারের কাজিরাঙা বিশ্বে একশৃঙ্গ গন্ডারের সবচেয়ে বড় আবাসভূমি। সংখ্যায় তারা আড়াই হাজারেরও বেশি। সেই সঙ্গে ১৩৫টি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারও রয়েছে অসমের এই অরণ্যে। বন্যায় তাদের অনেকেই ঘরছাড়া।

    অন্যদিকে, বন্যার (Assam Flood) ফলে ব্রহ্মপুত্রের পাশাপাশি রাজ্যের একাধিক নদীতে বাড়ছে জলস্তর। এর ফলে নতুন করে প্লাবিত হয়েছে একাধিক এলাকা। বিপদ সীমার উপর দিয়ে বইছে কাছাড়ের বরাক নদী। সব মিলিয়ে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অসমের ২৯টি জেলা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: বিশ্বেমঞ্চে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র জয়জয়কার, সাফল্যকে স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: বিশ্বেমঞ্চে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র জয়জয়কার, সাফল্যকে স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র (Make In India) আওয়াজ তুলেছিলেন তিনিই। তারপর যমুনা দিয়ে বয়ে গিয়েছে অনেক জল। সাফল্যের মুখ দেখেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগ। আন্তর্জাতিক মঞ্চেও ভারতীয় অর্থনীতির জয়গাথা গাইছে এই ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’। প্রত্যাশিতভাবেই যারপরনাই খুশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক্স হ্যান্ডেলে তাঁর একটি পোস্ট রিপোস্ট করেছে ‘মাইগভইন্ডিয়া’। তাতে বলা হয়েছে, কীভাবে ভারতে তৈরি হস্তশিল্প প্রভাব ফেলছে তামাম বিশ্বে।

    ‘মাইগভইন্ডিয়া’র পোস্ট (PM Modi)

    বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদন তুলে ধরে ‘মাইগভইন্ডিয়া’র পোস্টে লেখা হয়েছে, “ফ্রম লোকাল ক্র্যাফ্ট টু গ্লোবাল ইমপ্যাক্ট: দ্য মেড ইন ইন্ডিয়া সাকসেস স্টোরি। মেড ইন ইন্ডিয়ার উদ্যোগ দেখিয়ে দিচ্ছে ভারতে তৈরি বিভিন্ন প্রোডাক্টের ব্যাপক সাফল্য। ভারতীয় সাইকেল থেকে ডিজিটাল পেমেন্ট, ভারত তার প্রোডাক্ট দিয়ে বিশ্বে ঝড় তুলেছে। মেড ইন্ডিয়ার যাত্রা সম্পর্কে জানুন। কারণ এটি আন্তর্জাতিক বাজার ধরে ফেলেছে, আকর্ষণ করেছে বিশ্বের নজর।”

    আমূলের জনপ্রিয়তা

    সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্ট তুলে ধরে ‘মাইগভইন্ডিয়া’ জানাচ্ছে, রাশিয়ান সৈনরা ব্যবহার করছেন মেড ইন্ডিয়া বুট। বিশ্বে (PM Modi) কাশ্মীরি উইলো ব্যাটের কী বিপুল জনপ্রিয়তা, তারও উল্লেখ করা হয়েছে। ভারতের প্রথম কো-অপারেটিভ সোশ্যাইটি কীভাবে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে, তা-ও জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, ‘আমূল ভারতের ইউনিক ফ্লেভার তুলে ধরেছে বিশ্বে। তারা আমেরিকায়ও প্রোডাক্ট লঞ্চ করছে। এই যে আন্তর্জাতিক প্রসার, এটা প্রমাণ করে ভারতীয় ডেয়ারি প্রোডাক্টের বিশ্বজনীন আবেদন। বিশ্বজুড়ে ভারতের স্বাদ ছড়িয়ে দিতে উদ্যোগী হয়েছে আমূল।’

    আরও পড়ুন: প্যারিস অলিম্পিক্সের সুরক্ষায় ভারতের সারমেয়কুল, কেন জানেন?

    ইউনিফায়েড পেমেন্ট সিস্টেমেরও জয়গান গাওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, ‘ইউপিআই সিস্টেম বর্তমানে একটি বৈশ্বিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি ব্যবহার করে বিভিন্ন দেশে চলছে ডিজিটাল লেনদেন।’ প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর লঞ্চ হয় মেক ইন ইন্ডিয়া উদ্যোগ। বিনিয়োগ, আবিষ্কার, উন্নত পরিকাঠামো গড়ে তোলার পাশাপাশি ভারতকে একটি ম্যানুফ্যাকচারিং, ডিজাইন এবং ইননোভেশন হাবে পরিণত করাই ছিল এর উদ্দেশ্য।

    ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র সাফল্যগাথার কথা শোনা গিয়েছিল মার্কিন সংস্থা ব্লুমবার্গ নিউজেও। তারা জানিয়েছিল, মার্কিন কোম্পানি অ্যাপলের প্রতি সাতটা আইফোনের মধ্যে একটি তৈরি হচ্ছে ভারতেই (Make In India)। উল্লেখ্য যে, বর্তমানে অ্যাপলের আইফোন ১২ থেকে আইফোন ১৫ মডেল তৈরি হচ্ছে ভারতেই (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Paris Olympics 2024: প্যারিস পৌঁছল ‘কে-৯’ স্কোয়াড, অলিম্পিক্সের সুরক্ষায় ভারতের সারমেয়রা

    Paris Olympics 2024: প্যারিস পৌঁছল ‘কে-৯’ স্কোয়াড, অলিম্পিক্সের সুরক্ষায় ভারতের সারমেয়রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছর প্যারিস অলিম্পিক্সে (Paris Olympics 2024) সুরক্ষার দায়িত্বে থাকছে ভারতের কমান্ডো বাহিনীর ‘কে-৯’ স্কোয়াডের ১০টি কুকুর (Special Dogs)। অলিম্পিক্সে জঙ্গি হামলা রুখতেই পাঠানো হয়েছে এই সারমেয় টিমকে। টিমে রয়েছে বেলজিয়ান শেফার্ড ম্যালিনোইস প্রজাতির কুকুর। এই প্রজাতিরই কুকুর হদিশ দিয়েছিল আল কায়দার প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন লাদেনের। এই প্রজাতির কুকুর ব্যবহার করে মার্কিন সেনা বাহিনীও।

    ফরাসি শেখানো হয়েছে কুকুরদের (Paris Olympics 2024)

    ভারতের এই কমান্ডো কুকুরদের সচরাচর বোমা ও আইইডি শনাক্ত করার কাজে লাগানো হয়। নকশাল-বিরোধী অভিযানেও শামিল হয় এই সারমেয়কুল। প্রবল ঘ্রাণশক্তির জন্য তামাম বিশ্বেই ভীষণ জনপ্রিয় এই প্রজাতির কুকুর। ইতিমধ্যেই তারা পৌঁছে গিয়েছে ফ্রান্সের রাজধানীতে। এই দলের দায়িত্বে থাকা এক আধিকারিক জানান, অলিম্পিক্সের জন্য এই কুকুরদের আলাদা করে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে (Paris Olympics 2024)। তারা যাতে ফরাসি ভাষা বুঝতে পারে, সেই প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে। এই সারমেয় দলে রয়েছে ভাস্ট এবং ডেনবি-ও। সিআরপিএফের বেঙ্গালুরুর প্রশিক্ষণ স্কুল থেকে বেছে নেওয়া হয়েছে এই দুই কুকুরকে।

    লাদেনকে ধরিয়ে দিয়েছিল এই কুকুরই

    প্রসঙ্গত, প্যারিস অলিম্পিক্সে ভারতীয় জওয়ান ও কুকুরদের কাজে লাগানোর অনুরোধ জানিয়েছিল ফরাসি সরকার। সেই কারণেই ভারত থেকে গিয়েছে এই বিশেষ দল। সুরক্ষার দায়িত্বে থাকছে ভারতের আধা সামরিক বাহিনীর ১০টি বিশেষ দলও। প্রতিযোগিতার সময় স্টেডিয়ামগুলিতে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে তারা। ২০১১ সালে পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদের একটি ঘরে লুকিয়ে ছিল লাদেন। মার্কিন সেনাকে তার সন্ধান দিয়েছিল বেলজিয়ান শেফার্ড ম্যালিনোইস প্রজাতির কুকুরই। এদের বৈশিষ্ট্য হল, সন্দেহপ্রবণ কাউকে দেখলে এরা চিৎকার করে না। মাথা নেড়ে ইঙ্গিত দেয় নিরাপত্তারক্ষীদের। তাই সন্দেহজনক ব্যক্তিটি যে নিরাপত্তারক্ষীদের টার্গেট হয়ে গিয়েছে, তা ঘূণাক্ষরেও টের পায় না তারা। তাই পালিয়েও যেতে পারে না। ফলে তাদের ধরে ফেলাটা সহজ হয় নিরাপত্তারক্ষীদের পক্ষে।

    আরও পড়ুন: ভোটে জিতেই নবান্নে যাবে বিজেপি, সাফ জানালেন শুভেন্দু

    চলতি বছর প্যারিস অলিম্পিক্স শুরু হবে ২৬ জুলাই। শেষ হবে অগাস্টের ১১ তারিখে। এই দিনগুলিতে স্টেডিয়াম প্রহরায় থাকবে ভারতের এই সারমেয়কুল। ভাস্ট এবং ডেনবির প্রশংসায় পঞ্চমুখ সিআরপিএফ। তারা জানিয়েছে, প্যারিস পাঠানোর আগে তাদের প্রায় ১০ সপ্তাহের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। সেখানে তাদের (Special Dogs) কী কাজ করতে হবে, তা-ও শিখিয়ে পড়িয়ে নেওয়া হয়েছে (Paris Olympics 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Niti Aayog: নীতি আয়োগের পুনর্গঠন, এনডিএ সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করা হল

    Niti Aayog: নীতি আয়োগের পুনর্গঠন, এনডিএ সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করা হল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্র সরকারের (Central Govt) তরফের নীতি আয়োগের (Niti Aayog) পুনর্গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান রয়েছেন সুমন বেরি। লোকসভা নির্বাচন ২০২৪ শেষ হওয়ার দেড় মাসের মধ্যে নয়া সরকার মন্ত্রীপরিষদের বেশ কয়েকজন মন্ত্রীকে নীতি আয়োগে অন্তর্ভুক্ত করেছে। অন্যদিকে সদস্যদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে নীতি আয়োগের। নয়া কমিটিতে যদিও এই নীতি আয়োগের পূর্ণ সদস্যে কোনও রদবদল হয়নি।

    নীতি আয়োগে জন ১৫ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা বিশেষ আমন্ত্রিত সদস্য এবং গ্রামীণ বিকাশ মন্ত্রী শিবরাজ সিং (Niti Aayog) বিশেষ আমন্ত্রিত নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়াও প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর রাজনাথ সিং, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন নীতি আয়োগের সদস্য হিসেবে শামিল হয়েছেন। কমিটির পূর্ণকালীন সদস্য হয়েছেন ভিকে সারস্বত, প্রফেসর রমেশ চন্দ্র, ডক্টর বিকে পাল এবং অরবিন্দর বিরমানি।

    আরও পড়ুন: এবার খোলা হবে পুরী জগন্নাথ মন্দিরের ‘ভিতর রত্নভান্ডার’, ঘোষিত হল দিনক্ষণ

    মন্ত্রী নিতিন গড়করি, এইচডি কুমারস্বামী, জিতেন রাম মাজি, রাজীব রঞ্জন সিং, ডক্টর বীরেন্দ্র কুমার, রামমোহন নায়ডু, জুয়েল ওরাম, অন্নপূর্ণা দেবী, চিরাগ পাসওয়ান, রাও ইন্দ্রজিৎকে (Central Govt) নীতি আয়োগে বিশেষ আমন্ত্রিত সদস্য করা হয়েছে।

    ২০১৫ সালে নীতি আয়োগের আত্মপ্রকাশ

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নীতি আয়োগের নতুন কমিটিকে সিলমোহর দিয়েছেন। নীতি আয়োগে এবার এনডিএ সদস্যদের প্রচুর সংখ্যায় যুক্ত করা হয়েছে। প্রসঙ্গত পরিকল্পনা কমিশনের নাম বদল করে ২০১৫ সালে নীতি আয়োগ (Niti Aayog) রাখা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uttar Pradesh: শিশু শ্রমিক উদ্ধারের ঘটনায় সমস্ত কসাইখানা পরিদর্শনের নির্দেশ যোগী সরকারের

    Uttar Pradesh: শিশু শ্রমিক উদ্ধারের ঘটনায় সমস্ত কসাইখানা পরিদর্শনের নির্দেশ যোগী সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে শিশু শ্রম র‌্যাকেটের পর্দা ফাঁসের ঘটনায় এবার কড়া পদক্ষেপ করল উত্তরপ্রদেশ সরকার (Uttar Pradesh)। সম্পতি নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে রাজ্যের সমস্ত কসাইখানা পরিদর্শন করে এক সপ্তাহের মধ্যে সরকারের কাছে একটি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ জারি করেছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। 

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Child Labourers Issue) 

    গত ২৯ মে গাজিয়াবাদে ন্যাশনাল কমিশন ফর প্রোটেকশন অফ চাইল্ড রাইটস (NCPCR) উত্তরপ্রদেশ পুলিশের (Uttar Pradesh) সঙ্গে যৌথ অভিযানে একটি শিশু শ্রম র‌্যাকেটের পর্দা ফাঁস করেছিল। সেই অভিযানে ৫৭ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছিল। যার মধ্যে ৩১ জন মেয়ে এবং ২৬ জন ছেলে রয়েছে। যাদের মধ্যে অনেকেই প্রতিবন্ধী। জানা গিয়েছে, এই ঘটনাটি গাজিয়াবাদে ইয়াসিন কুরেশির মালিকানাধীন একটি কসাইখানায় ঘটেছে। সেখানেই বেয়াইনিভাবে শ্রমিক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছিল ওই ৫৭ জন শিশুকে। খবর অনুযায়ী, উদ্ধার করা নাবালকদের গাজিয়াবাদে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ইউপি, বিহার এবং পশ্চিমবঙ্গ থেকে নিয়ে আসা হত। এরপর তাদের মতের বিরুদ্ধে গিয়ে কসাইখানায় তাদের দিতে অমানবিক কাজ (Child Labourers Issue) করানো হত। মূলত পশু জবাই ও প্যাকিংয়ের কাজেই তাদের নিয়োগ করা হত। দৈনিক ৩০০ টাকার বিনিময়ে তাদের দিয়ে এই কাজ করানো হত। 

    আরও পড়ুন: এবার খোলা হবে পুরী জগন্নাথ মন্দিরের ‘ভিতর রত্নভান্ডার’, ঘোষিত হল দিনক্ষণ

    প্রিয়াঙ্ক কানুনগোর মন্তব্য 

    এ প্রসঙ্গে, এনসিপিসিআরের চেয়ারপার্সন প্রিয়াঙ্ক কানুনগো বলেছেন যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে এই বিষয়ে খবর পাচ্ছিলেন। তবে নিশ্চিত খবর না পাওয়ায় এতদিন কোনও ব্যবস্থা নিতে পারেনি। তবে সম্প্রতি গাজিয়াবাদের মুসৌরি এলাকায় ইন্টারন্যাশনাল এগ্রো ফুড কসাইখানায় উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh) পুলিশের সঙ্গে যৌথ অভিযান চালিয়ে এই র‍্যাকেটের পর্দা ফাঁস করা হয়। জানা গিয়েছে, এই গোটা ঘটনায় ইয়াসিন কোরেশি নামে একজন ব্যক্তি জড়িত, যিনি এই চক্রের মূল মাথা। আসলে ইসলামিক রীতি অনুযায়ী কঠোরভাবে পশু জবাই করার নিয়ম রয়েছে। পশ্চিম আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য, মিশর, দক্ষিণ এশিয়া এবং সুদূর পূর্বের দেশগুলি সহ বেশিরভাগ দেশেই বিশ্বব্যাপী এই মাংস পণ্য হিসেবে রপ্তানি করা হয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Puri Ratna Bhandar: এবার খোলা হবে পুরী জগন্নাথ মন্দিরের ‘ভিতর রত্নভান্ডার’, ঘোষিত হল দিনক্ষণ

    Puri Ratna Bhandar: এবার খোলা হবে পুরী জগন্নাথ মন্দিরের ‘ভিতর রত্নভান্ডার’, ঘোষিত হল দিনক্ষণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের খোলা হবে পুরীর রত্নভান্ডার। বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই পুরীর রত্নভান্ডার পুনরায় খোলা হবে। পুরীর রত্নভান্ডারের (Jagannath Mandir) তদারকিতে থাকা উচ্চ পর্যায়ের কমিটির চেয়ারম্যান বিশ্বনাথ রথ জানান, ওই দিন পুরী জগন্নাথ মন্দিরের ‘ভিতর রত্নভান্ডার’ খোলা হবে। সকাল ৯টা ৫১ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটের মধ্যে এই সময় রত্নভান্ডার (Puri Ratna Bhandar) খোলার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সমস্ত আলমারি ও সিন্দুক সরানো সম্ভব নয়। কারণ এর জন্য প্রচুর মানুষ ও সময়ের প্রয়োজন। শুধুমাত্র মূল্যবান সামগ্রী সিন্দুক সহ অস্থায়ী রত্নভান্ডারে সরানো হবে বলে জানা গিয়েছে।

    রত্নভান্ডারের নজরদারিতে সিসিটিভি ক্যামেরা (Puri Ratna Bhandar)

    ইতিমধ্যেই অস্থায়ী রত্নভান্ডারে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। যাতে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। অস্থায়ী রত্নভান্ডারে সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। আরও জানা গেছে, প্রথম দিন রত্নভান্ডার খোলার জন্য যে চাবি দেওয়া হয়েছিল তা কাজ করেনি। রত্নভান্ডারে তিনটি তালা দেওয়া হয়েছিল। তার মধ্যে একটি সিল করা ছিল দুটি সিল ছিল না। যার ফলে পুরনো তালা গুলি ভেঙে ফেলা হয় এবং নতুন তালা লাগানো হয়। নতুন চাবি গুলি ট্রেজারিতে রেখে দেওয়া হয়।

    জগন্নাথ মন্দির পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু হচ্ছে (Jagannath Mandir)  

    ওড়িশার আইন মন্ত্রী পৃথ্বীরাজ হরিচন্দন জানান, “রত্নভান্ডার (Puri Ratna Bhandar) খোলার প্রক্রিয়াকে তিন ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। প্রথমে ‘বহিঃরত্ন ভান্ডারে’ থাকা সমস্ত মূল্যবান সামগ্রী বের করে অস্থায়ী রত্ন ভান্ডারে রাখা হবে। এরপর ‘ভিতর রত্ন ভান্ডার’ খোলা হবে এবং সেখানকার মূল্যবান সামগ্রী অস্থায়ী রত্ন ভান্ডারে রাখা হবে। এরপর আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (Jagannath Mandir)  পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু করবে। প্রসঙ্গত ১৪ জুলাই ৪৬ বছর পর রত্নভান্ডার খোলা হয়। তালা গুলি ভেঙে ১১ দলের সদস্য সিন্দুক এবং আলমারি থেকে মূল্যবান সামগ্রী বের করে নিয়ে আসেন। তবে সিন্দুক গুলি একেবারে তুলে নিয়ে এসে অস্থায়ী রত্ন ভান্ডারে রাখা হয়। তবে ‘বহুধা যাত্রা’ এবং ‘সুনা বেশ’ থাকায় এখনও সিন্দুক থেকে মূল্যবান সামগ্রির মূল্যায়নের কাজ শুরু হয়নি।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Meri Maati Mera Desh Campaign: ঘোষণা করেছিলেন মোদি, ‘মেরি মাটি মেরা দেশ’ কর্মসূচিতে ব্যাপক সাড়া

    Meri Maati Mera Desh Campaign: ঘোষণা করেছিলেন মোদি, ‘মেরি মাটি মেরা দেশ’ কর্মসূচিতে ব্যাপক সাড়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছর স্বাধীনতা দিবসের আগেই ‘মেরি মাটি মেরা দেশ’ (Meri Maati Mera Desh Campaign) কর্মসূচি চালুর ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেই সময় তিনি জানিয়েছিলেন, এই কর্মসূচির আওতায় সম্মান জানানো হবে দেশের বীর শহিদ ও বীরাঙ্গনাদের। সেই কারণে ‘অমৃত কলস যাত্রা’রও ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    ‘অমৃত কলস যাত্রা’ (Meri Maati Mera Desh Campaign)

    তিনি জানিয়েছিলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মাটি এবং গাছ নিয়ে নয়াদিল্লির উদ্দেশে শুরু হবে ‘অমৃত কলস যাত্রা’। তিনি এ-ও জানিয়েছিলেন, এই মাটি ও গাছ দিয়ে জাতীয় যুদ্ধ স্মৃতিসৌধে অমৃত বটিকা গড়ে তোলা হবে। যা হয়ে উঠবে ‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারতে’র প্রতীক। প্রধানমন্ত্রীর ওই কর্মসূচি ঘোষণার পরে পরেই ব্যাপক সাড়া পড়ে যায় দেশে। বস্তুত, দেশপ্রেমের জোয়ারে ভাসতে থাকেন দেশবাসী। তারপর থেকে দেশের ৩৬টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে তৈরি হয় ২.৩৩ লাখ শিলাফলকম। প্রায় ৪ কোটি পঞ্চপ্রাণ প্রিলজ সেলফি আপলোড করা হয় ওয়েবসাইটে। দেশজুড়ে দু’লাখ সাহসীকে সংবর্ধনাও দেওয়া হয়। ‘বসুধা বন্দন’ থিমের অধীনে দেশজুড়ে লাগানো হয় ২.৩৬ কোটিরও বেশি গাছের চারা। তৈরি করা হয়েছিল ২.৬৩ লাখ ‘অমৃত বটিকা’ও।

    দ্বিতীয় দফার প্রচারেও ব্যাপক সাড়া

    এই কর্মসূচিরই দ্বিতীয় দফার প্রচার শুরু হয়েছে। দেশজুড়ে অমৃত কলস যাত্রার পরিকল্পনাও হয়েছে। ‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারতে’র যে (Meri Maati Mera Desh Campaign) আওয়াজ প্রধানমন্ত্রী তুলেছিলেন, তার রেশ পৌঁছেছে ভারতবাসীর দোরে দোরে। মাটি এবং চাল সংগ্রহ করা হয়েছে ৬ লাখ গ্রাম ও শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে। গ্রামীণ এলাকায় প্রতি ব্লকে কলস তৈরি করা হবে। রাজ্য থেকে বিদায় নেওয়ার পর এই কলসগুলি নিয়ে আসা হবে দিল্লিতে, ন্যাশনাল প্রোগ্রামের জন্য।

    আরও পড়ুন: মাতৃভাষায় মিলবে পড়াশোনার রসদ, ‘অস্মিতা’ প্রকল্প চালু ইউজিসি-র

    শহরাঞ্চলে মাটি সংগ্রহ করা হয়েছে প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে। সেগুলিও পাঠানো হয়েছে দিল্লিতে। এতেও ব্যাপক সাড়া মিলেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মাটি এসেছে ৮ হাজার ৫০০-রও বেশি কলস। এই মাটিই রাখা হবে ‘অমৃত বটিকা’য় এবং ‘অমৃত মেমরিয়ালে’। এভাবেই (PM Modi) উদযাপিত হবে ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসবে’র (Meri Maati Mera Desh Campaign)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Budget 2024: অর্থমন্ত্রকের হালুয়া উৎসবে যোগ দিলেন সীতারামন, জানুন এই বিশেষ প্রথার তাৎপর্য

    Budget 2024: অর্থমন্ত্রকের হালুয়া উৎসবে যোগ দিলেন সীতারামন, জানুন এই বিশেষ প্রথার তাৎপর্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের বাজেট (Budget 2024) পেশ হবে ২৩ জুলাই। তাই মঙ্গলবার রীতি মেনে হয়ে গেল ‘হালুয়া অনুষ্ঠান’ (Halwa Ceremony)। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের জন্য বাজেট প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত পর্যায়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এদিন লোহার একটি বড় কড়াই থেকে অর্থমন্ত্রকের কর্মীদের হালুয়া বিতরণ করেন অর্থমন্ত্রী। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী-সহ সচিব, আধিকারিক এবং বাজেট প্রস্তুতি প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত কর্মচারীরা।

    হালুয়া অনুষ্ঠান কী? (Budget 2024)

    প্রশ্ন হল, হালুয়া অনুষ্ঠান কী? হালুয়া অনুষ্ঠান হল একটি প্রথাগত অনুষ্ঠান যা বাজেট প্রস্তুতির ‘লক-ইন’ প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার প্রায় এক সপ্তাহ আগে অনুষ্ঠিত হয়। এদিন অর্থমন্ত্রকের রান্নাঘরে অতিকায় এক কড়াইয়ে তৈরি করা হয় হালুয়া। এই হালুয়াই বিলি করা হয় বাজেট তৈরি প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত সকলের মধ্যে। গুরুত্বপূর্ণ কিংবা বিশেষ কোনও কাজ শুরু করার আগে মিষ্টিমুখ করানোটা ভারতীয় ঐতিহ্য। বাজেট প্রণয়নের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি দেওয়ার অঙ্গ হিসেবেও দেখা হয় এই অনুষ্ঠানকে। হালুয়া অনুষ্ঠান শেষে অর্থমন্ত্রী সংসদে বাজেট পেশ না করা পর্যন্ত কর্মকর্তারা থাকেন অর্থমন্ত্রকেই। সেজন্য হালুয়া অনুষ্ঠানকে কর্মকর্তাদের ‘বিদায়’ অনুষ্ঠানও বলা যেতে পারে।

    ‘লক-ইন’ প্রক্রিয়া

    পেশের আগেই যাতে বাজেট ফাঁস না হয়ে যায়, তা-ই শুরু হয়েছিল ‘লক-ইন’ প্রক্রিয়া। সরকারের কোনও আর্থিক নীতি যাতে ফাঁস না হয়, গোপনীয়তাও যাতে ভঙ্গ না হয়, তাই এই রীতিই চলে আসছে দীর্ঘকাল। বাজেট (Budget 2024) চূড়ান্ত হওয়ার পর তা পাঠানো হয় প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য। তাঁর অনুমোদন মিললেই ছাপানো হয় বাজেট। বাজেটের গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে গোয়েন্দা ব্যুরো প্রধান নিত্য হানা দেন নর্থ ব্লকের বেসমেন্টে প্রিন্টিং প্রেস এলাকায়।

    আরও পড়ুন: ‘স্যুইফট’ থেকে বহিষ্কার করলেও পরোয়া করে না ভারত, আমেরিকাকে বোঝালেন মোদি

    জানা গিয়েছে, এবারও পেপারলেস বাজেট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। এর আগের তিনটি বাজেট এবং চলতি (Halwa Ceremony) বছর ‘ভোট অন অ্যাকাউন্ট’ও পেশ হয়েছিল ডিজিটালি। বাজেট অ্যাক্সেস মিলবে ‘ইউনিয়ন বাজেট’ মোবাইল অ্যাপে (Budget 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।  

LinkedIn
Share