Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Hospital scam: তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার দিল্লির বিশিষ্ট হাসপাতালের দুই কার্ডিওলজিস্ট সহ নয় কর্মী

    Hospital scam: তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার দিল্লির বিশিষ্ট হাসপাতালের দুই কার্ডিওলজিস্ট সহ নয় কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোটা হাসপাতালই যেন দুর্নীতির আখড়া। চিকিৎসক, ল্যাব বিভাগ, হাসপাতালের কর্মচারি থেকে চিকিৎসা সরঞ্জাম সররাহকারী সংস্থার কর্মী। সকলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির (Hospital scam) অভিযোগ। এমনই দুর্নীতির মাকড়জাল সামনে এল। দিল্লির রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতাল থেকে দুই চিকিৎসক সহ মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করল সেন্ট্রাল বিউরো অফ ইনভেস্টিগেশন। বুধবার হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে এদের গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের আদালতে তোলা হলে ১৪ই মে পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    গ্রেপ্তার কার্ডিওলজি বিভাগের দুই চিকিৎসক (Hospital scam)

    জানা গিয়েছে গ্রেফতার হওয়া ৯ জনের মধ্যে দুজন কার্ডিওলজি বিভাগের নাম করা চিকিৎসক। তাদের নাম অজয় রাজ এবং পার্বতাগৌড়া চেনাপ্পাগৌড়া। এছাড়াও ভুবল জয়সওয়াল (ক্লার্ক), সঞ্জয় কুমার (ক্লার্ক), রজনীশ কুমার (ক্যাথ ল্যাব ইঞ্চার্জ), বিকাশ কুমার(দালাল), নরেশ নাগপাল (চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহকারী), ভরত সিং ((চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহকারী), আবরার আহমদকে (চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহকারী) গ্রেফতার করা হয়েছে। সিবিআই সূত্রে খবর মোট ১১ জন ব্যক্তি ও চারটি সংস্থার নামে এফআইআর হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন ৬ জন হাসপাতালে কর্মী, একজন মধ্যস্থতাকারী ও চারজন চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহকারী। এরা সকলের হাসপাতালে তোলাবাজির (Hospital scam) রাজত্ব কায়েম করেছিলেন বলে অভিযোগ। চিকিৎসকরা ও হাসপাতালের ল্যাব বিভাগের কর্মীরা ওষুধ ও  চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহকারীদয়ের কাছ থেকে অনৈতিক উপায়ে টাকা আদায় করছিলেন বলে অভিযোগ। অন্যদিকে হাসপাতালের কর্মীরা রোগীদের কাছ থেকে বিভিন্ন সুবিধে পাইয়ে দেওয়ার নাম করে তোলা আদায় থেকে শুরু করে অনেকক্ষেত্রে ভয় দেখিয়ে টাকা তুলছিলেন বলে অভিযোগ। এক্ষেত্রে নার্সদেরও যুক্ত থাকার অভিযোগ পেয়েছে সিবিআইয়ের তদন্তকারীরা।

    ৫০ বছর পর মথুরার গোবর্ধন পাহাড়ে ফের খনন শুরু এএসআই-এর, কেন জানেন?

    ইউরোপ টুরে যাওয়ার আগে দিয়ে ঘুষ দেওয়ার অনুরোধ করেন চিকিৎসক 

    অজয় রাজ এবং পার্বতাগৌড়া বিরুদ্ধে অভিযোগ যে তিনি স্টেন্ট সরবরাহ সংস্থার কাছ থেকে টাকা নিয়ে নির্দিষ্ট কোম্পানির স্টেন্ট কেনার জন্য রোগীদের পরিবারের উপর চাপ সৃষ্টি করতেন। হৃদরোগে অস্ত্রোপচারে স্টেন্টের প্রয়োজন হয়। প্রসঙ্গত সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় হৃদরোগে আক্রন্ত হলে তাঁর হৃদযন্ত্রে স্টেন্ট বসানো হয়েছিল। অভিযুক্ত দুই হৃদরোগ বিষেষজ্ঞ চিকিৎসক ঘুষ নিয়ে নির্দিষ্ট কোম্পানির সরঞ্জাম ব্যবহার করার জন্য রোগীর পরিবারের উপর চাপ দিতেন।  সিবিআই সূত্রে খবর পার্বতাগৌড়া আহমেদ নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে চলতি বছরের ২৩ এপ্রিল ঘুষ বাবদ ২লক্ষ ৪৮ হাজার টাকা প্রদেয় অর্থ গরমের ছুটিতে ইউরোপ টুরে যাওয়ার আগে দিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। এর আগে আহমেদ নামে ঐ ব্যক্তি ওই চিকিৎসকের পিতা বসন্ত গৌড়ার কাছে ১ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা নগদ দিয়েছিল। এফআইআরে কথা উল্লেখ আছে যে কার্ডিয়োলজিস্ট অজয় রাজকে ভারতী মেডিকেল টেকনোলজিস্ট এর তরফ থেকে ভরত সিং দালাল বেশ কয়েক দফায় লক্ষ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন। এমনকি হাসপাতালের কেরানি সঞ্জয় কুমারের  বিরুদ্ধে অভিযোগ যে সে ভুয়ো মেডিকেল সার্টিফিকেট বিক্রি করত। বিভিন্ন সংস্থায় ছুটির আবেদন কিংবা অফিসিয়াল দরকারে যাদের মেডিকেল সার্টিফিকেট প্রয়োজন হত তাঁদের কাছ টাকা থেকে ভুয়ো মেডিকেল সার্টিফিকেট দেওয়া হত। প্রয়োজন বুঝে মোতা টাকাও আদায় হত বলে অভিযোগ। এভাবে বাজার থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা সঞ্জয় তুলেছিল।

    রোগীদের কাছ থেকে চলত তোলা আদায় (Hospital scam)

    শুধু তাই নয় রোগীদেরকে ভয় দেখিয়েও রীতিমত চলত তোলা আদায়(Hospital scam) । জানা গিয়েছে ভুবল জয়সওয়াল নামে এক কেরানি এবং শালু নামে এক নার্সও তোলাবাজির ঘটনায় (Hospital scam) জড়িত বলে অভিযোগ। তাঁরা এক অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ও তাঁর স্বামীকে ভয় দেখিয়ে ২০ হাজার টাকা আদায় করেছিল অভিযোগ ওঠে ওই ব্যক্তিকে ভয় দেখানো হয় যদি কুড়ি হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। ওই ব্যক্তিকে বলা হয় টাকা না দিলে তাঁর স্ত্রীকে হাসপাতাল থেকে ছুঁড়ে ফেলা হবে। ভয় পেয়ে ওই ব্যক্তি অনলাইনের মাধ্যমে ভুবলকে কুড়ি হাজার টাকায় ইউপিআই পেমেন্ট করেন। এছাড়াও তাঁর বিরুদ্ধে চিকিৎসকদের অ্যাপয়েন্টমেন্ট এবং অতিরিক্ত সুবিধায় পাইয়ে দেওয়ার নাম করে তোলা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। হাসপাতালে দুর্নীতি এখানেই সীমিত ছিল না হাসপাতালে ল্যাবরেটরি বিভাগের রজনিশ কুমার এবং আব্রার আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারা বেশ কয়েকটি কোম্পানির সরঞ্জাম রোগীদের সুপারিশ করার নাম করে ঘুষ নিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Air India: গণ ‘সিক লিভে’র শাস্তি! ৩০ জন কেবিন ক্রু-কে একসঙ্গে ছাঁটাই এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের

    Air India: গণ ‘সিক লিভে’র শাস্তি! ৩০ জন কেবিন ক্রু-কে একসঙ্গে ছাঁটাই এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি কর্মীসঙ্কটের জেরে বিপাকে পড়েছিল এয়ার ইন্ডিয়া (Air India Flights) এক্সপ্রেস। একসঙ্গে প্রায় ৩০০ কেবিন ক্রু আচমকাই ছুটি নিয়েছিলেন। ফলে কর্মীসঙ্কটের জেরে বাধ্য হয়ে ৭০টির বেশি এয়ার ইন্ডিয়া (Air India) এক্সপ্রেস বিমান বাতিল (Flights Cancelled) করতে বাধ্য হয়েছিল বিমান সংস্থা। আর এবার কর্মীদের এমন আচরণের পাল্টা পদক্ষেপ নিল এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস। এক চিঠিতে একসঙ্গে চাকরি গেল কমপক্ষে ৩০ জন কেবিন ক্রু-র।

    ঠিক কী কারনে এই সিদ্ধান্ত? (Air India) 

    সম্প্রতি শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ছুটি নিয়েছিল প্রায় ৩০০ কেবিন ক্রু। তারা নিজেদের মোবাইলও অফ করে দেন যাতে যোগাযোগ করা না যায়। সূত্রের খবর টাটা গোষ্ঠীর সংস্থাটিতে চাকরির নতুন যে শর্ত দেওয়া হয়েছিল তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদেই এই ঘটনা (Flights Cancelled)ঘটেছে। নয়া নিয়োগ পদ্ধতি নিয়ে কয়েক দিন ধরেই অসন্তোষ দেখা দিচ্ছিল কর্মীদের মধ্যে। আর কর্মী অসন্তোষের জেরে এবার চটে লাল এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস। বিক্ষুব্ধ কর্মচারিদের একাংশকে বিনা নোটিশে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে দিল টাটা গোষ্ঠীর এই উড়ান সংস্থা। যদিও এয়ার ইন্ডিয়ার বিক্ষোভকারী কেবিন ক্রুদের দাবি, অসুস্থতার কারণে ছুটি চেয়েছিলেন তাঁরা। যা না মেলায় মঙ্গলবার কাজে যোগ দেননি এদের একটা বড় অংশ। 

    উড়ান সংস্থার বক্তব্য 

    অন্যদিকে বুধবার, 8 মে একগুচ্ছ বিক্ষোভকারীর হাতে টার্মিনেশন লেটার বা চাকরি থেকে বরখাস্তের চিঠি ধরিয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া (Air India) এক্সপ্রেস। চিঠিতে উড়ান সংস্থাটি বলেছে, ‘যে ভাবে একসঙ্গে কেবিন ক্রুরা অসুস্থতার রিপোর্ট করেছে, তা সন্দেহজনক। এটি পূর্ব পরিকল্পিত বলেই মনে করা হচ্ছে। তাঁদের উদ্দেশ্য স্পষ্ট। তাঁরা সম্মিলিতভাবে কাজ থেকে বিরতি নিতে চাইছেন। যা কোনভাবেই বরদাস্ত করা সম্ভব নয়।’ তবে এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) এই সিদ্ধান্ত পরিস্থিতি আরও জটিল করতে পারে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের। হঠাৎ করে একসঙ্গে এতজন কর্মীদের ছুটি নেওয়ায় বিমানবন্দররে যে অব্যবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল, তার জেরেই শাস্তি স্বরূপ ৩০ জন কর্মীকে ছাঁটাই করে দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে নীতি বিরুদ্ধ আচরণের জন্য আরও কর্মীকে ছাঁটাই করা হতে পারে।

    আরও পড়ুন: মোদির নির্দেশের পরই বড় সিদ্ধান্ত, যোগ্য শিক্ষকদের জন্য চালু বিশেষ পোর্টাল

    এ প্রসঙ্গে উড়ান সংস্থাটির সিইও (CEO) অলোক সিং জানিয়েছেন, “মঙ্গলবার উড়ান টেক অফের মুখে প্রায় ৩০০ কেবিন ক্রু অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ছুটি চেয়েছিলেন। যা অনৈতিক।” হঠাৎ করে এই পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার জেরে যাত্রী পরিষেবা স্বাভাবিক রাখা যায়নি বলে জানিয়েছেন তিনি।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Russia Relation: ‘লোকসভা ভোটের মধ্যেই ভারতে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চাইছে আমেরিকা’, অভিযোগ রাশিয়ার

    India Russia Relation: ‘লোকসভা ভোটের মধ্যেই ভারতে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চাইছে আমেরিকা’, অভিযোগ রাশিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘লোকসভা নির্বাচন চলাকালীন ভারতে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চাইছে আমেরিকা।’ কথাগুলি বলল রাশিয়ার (India Russia Relation) বিদেশমন্ত্রক। ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘিত হচ্ছে বলে রিপোর্ট দিয়েছে মার্কিন ফেডারেল কমিশন। সেই প্রেক্ষিতেই এমন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করল রাশিয়া।

    কী বলছে রাশিয়া? (India Russia Relation)

    রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র মারিয়া জ্যাকারোভা বলেন, “ভারতের জাতীয় মানসিকতা এবং ইতিহাস বোঝার ক্ষমতা নেই ওয়াশিংটনের। তাই ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে না জেনেই দোষারোপ করে চলেছে তারা। লোকসভা নির্বাচনের সময় এভাবে তারা অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চাইছে ভারতে।” তিনি বলেন, “এটা দেশ হিসেবে ভারতের প্রতি অশ্রদ্ধার পরিণতি। এর কারণ হল ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েছে। তাই সাধারণ নির্বাচন জটিল হয়ে উঠছে। এই আবহে ওয়াশিংটনের পদক্ষেপ ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানোর শামিল।”

    কী বলা হয়েছে মার্কিন রিপোর্টে?

    প্রতি (India Russia Relation) বছর একটি করে রিপোর্ট প্রকাশ করে ইউনাইটেড স্টেটস কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম। এই রিপোর্টেই দাবি করা হয়েছে, ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘিত হচ্ছে। ভারতে এ নিয়ে যে উদ্বেগ রয়েছে, তাও জানানো হয়েছে কমিশনের তরফে। জাতীয় রাজনীতিতে কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপি যে বৈষম্য করছে, তাও উল্লেখ করা হয়েছে ওই রিপোর্টে। ইউএপিএ, ফরেন কনট্রিবিউশন অ্যাক্ট, সিএএ, অ্যান্টি-কনভার্সান এবং গোহত্যা আইনেরও উল্লেখ করা হয়েছে। এই আইনগুলির মাধ্যমে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের টার্গেট করা হচ্ছে বলেও অনুযোগ করা হয়েছে রিপোর্টে। আরও বলা হয়েছে, সংবাদ মাধ্যম এবং এনজিওগুলি ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিয়ে রিপোর্ট করছে। তারা বলছে, এফসিআরএ রেগুলেশনের অধীনে তাঁদের (ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের) ওপর কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে। মার্কিন রিপোর্টের কড়া সমালোচনা করেছে ভারতও। বিদেশমন্ত্রকের তরফে এই রিপোর্টকে দেশের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার বলেও অভিহিত করা হয়েছে।

    বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল গত সপ্তাহেই বলেছিলেন, “ইউনাইটেড স্টেটস কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম রাজনৈতিক অ্যাজেন্ডা নিয়ে পক্ষপাতিত্বমূলক রিপোর্ট পেশ করে।” তিনি বলেন, “ইউনাইটেড স্টেটস কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম যে রাজনৈতিক বিভিন্ন অ্যাজেন্ডা নিয়ে পক্ষপাতমূলক আচরণ করে, তা সবাই জানে। ভারতের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার করতেই তারা এই জাতীয় রিপোর্ট প্রকাশ করে।” তিনি বলেন, “ভারতের বৈচিত্র, বহুত্ববাদ এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিয়ে ওদের রিপোর্টে কী বলা হয়েছে, তা আমরা থোড়াই কেয়ার করি (India Russia Relation)।”

    আরও পড়ুুন: পাকিস্তানের হাতে সিয়াচেন তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন সোনিয়া গান্ধী?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • West Nile fever: ওয়েস্ট নাইল ফিভারে কাবু কেরল! কীভাবে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ? জানুন এই রোগের লক্ষণ

    West Nile fever: ওয়েস্ট নাইল ফিভারে কাবু কেরল! কীভাবে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ? জানুন এই রোগের লক্ষণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি এক ভাইরাল জ্বরের (West Nile fever) ভাইরাস কাবু করেছে দক্ষিণ ভারতের কেরালার বেশ কিছু মানুষজনকে। তবে মশার কামড়ে সৃষ্ট এই রোগ পরিচিত ডেঙ্গি বা ম্যালেরিয়া নয়। জানা গিয়েছে, ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস থেকে সৃষ্ট এই রোগ বিশেষত দেখা গিয়েছে কেরলের কোঝিকোড়, ত্রিশূর এবং মালাপ্পুরাম এলাকায়। 

    ইতিমধ্যেই কেরলে (Kerala) ওয়েস্ট নাইল ফিভারের (West Nile fever) একাধিক কেস রিপোর্ট করা হয়েছে। এই রোগে সংক্রমিত ব্যক্তিদের পরীক্ষার নমুনাগুলি পুনের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজিতে পাঠানো হয়েছিল। সেখানে পরীক্ষা নিরীক্ষার পর বর্তমানে সকলেই চিকিৎসার পরে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।  

    ওয়েস্ট নাইল ফিভার আসলে কী? (West Nile fever)

    ওয়েস্ট নাইল ফিভার হল ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস (West Nile virus) দ্বারা সৃষ্ট একটি রোগ। ভাইরাসটি সাধারণত আফ্রিকা, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য,‌ উত্তর আমেরিকা এবং পশ্চিম এশিয়ার পাওয়া যায়। কেরালা রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগের মতে ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস মানুষের মধ্যে একটি মারাত্মক স্নায়বিক রোগের সৃষ্টি করে। বেশিরভাগ সময়ে এই রোগের কোন উপসর্গ দেখা যায় না।  

    ওয়েস্ট নাইল ফিভারের উৎপত্তি 

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ওয়েস্ট নাইল ভাইরাসটি ফ্ল্যাভিভাইরাস গোষ্ঠীর সদস্য এবং এটি ফ্ল্যাভিভিরিডি পরিবারের জাপানিজ এনসেফালাইটিস অ্যান্টিজেনিক কমপ্লেক্সের অন্তর্গত। ১৯৩৭ সালে প্রথম এই ভাইরাস উগান্ডায় পাওয়া যায়। এরপর ২০১১ সালে কেরলে (Kerala) ওয়েস্ট নাইল ফিভারের (West Nile fever)  প্রথম কেস রিপোর্ট করা হয়েছিল। ২০১৯ সালে, মালাপুররামের একটি ছয় বছর বয়সী একটি ছেলে এই রোগে মারা গিয়েছিল। ২০২২ সালে, ত্রিশুর জেলার একজন ৪৭ বছর বয়সী ব্যক্তিও এই ভাইরাস থেকে মারা গিয়েছিলেন।

    ওয়েস্ট নাইল ফিভারের লক্ষণ

    এই ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত বেশিরভাগ মানুষই উপসর্গবিহীন। অনেক ক্ষেত্রে সংক্রামিত মশার কামড় থেকে এই ভাইরাস ছড়ায়। ওয়েস্ট নাইল ফিভারের (West Nile fever) লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে জ্বর, মাথাব্যথা, ক্লান্তি, শরীরে ব্যথা, বমিভাব, মাঝে মাঝে ত্বকে ফুসকুড়ি দেখা দেওয়া। তবে এই ভাইরাসে সংক্রমণ গুরুতর হলে উচ্চ জ্বর, ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, কোমা, কম্পন, খিঁচুনি, পেশী দুর্বলতা এবং পক্ষাঘাতের লক্ষণ দেখা দেয়। লক্ষণগুলি সাধারণত ৩ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে স্থায়ী হয়। 

    আরও পড়ুন: জাল আধার কার্ড বানিয়ে কেরলে রয়েছে ৫০ হাজার অনুপ্রবেশকারী!

    ওয়েস্ট নাইল ফিভারের চিকিৎসা

    এই ভাইরাসে সংক্রমণ ঘটলে যে কোনও বয়সের মানুষের মধ্যে গুরুতর অসুস্থতা দেখা দিতে পারে। বিশেষত ৫০ বছরের বেশি বয়স্কদের ক্ষেত্রে এই জ্বরে আক্রান্ত হলে গুরুতরভাবে অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তবে ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস (West Nile virus) দ্বারা সৃষ্ট সংক্রমণের জন্য কোনও ভ্যাকসিন এখনও তৈরি হয়নি। এই রোগে হাসপাতালে ভর্তি হলে রোগীকে মূলত স্যালাইন, অক্সিজেন দিয়েই প্রাথমিক চিকিৎসা হয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Fake Aadhaar Cards: জাল আধার কার্ড বানিয়ে কেরলে রয়েছে ৫০ হাজার অনুপ্রবেশকারী!

    Fake Aadhaar Cards: জাল আধার কার্ড বানিয়ে কেরলে রয়েছে ৫০ হাজার অনুপ্রবেশকারী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যটি বাম শাসিত। সেখানেই রমরমা কারবার জাল আধারকার্ডের (Fake Aadhaar Cards)। অনুপ্রবেশকারীদের স্বর্গরাজ্য বললেও অত্যুক্তি হয় না। কারণ ছোট্ট রাজ্যটিতে অনুপ্রবেশকারী রয়েছেন ৫০ হাজারেরও বেশি। এঁরা সবাই এসেছেন বাংলাদেশ, মায়ানমার এবং শ্রীলঙ্কা থেকে।

    জাল আধারকার্ড (Fake Aadhaar Cards)

    গোয়েন্দা সূত্রে খবর, এই অনুপ্রবেশকারীরা জাল আধারকার্ড বানিয়ে নিয়ে কেরলে রয়েছে বহাল তবিয়তে। গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছে, অসমের মধুপুর এবং নাগাঁও, পশ্চিমবঙ্গের কালিম্পং, উত্তর দিনাজপুর ও নদিয়া এবং কেরলের পেরামবাভুরে রমরমিয়ে চলছে জাল আধারাকার্ড তৈরির চক্র। এসব জায়গা থেকেই নকল আধারকার্ড সংগ্রহ করে কেরলে ঘাঁটি গেড়েছে এই অনুপ্রবেশকারীরা। কেবল অনুপ্রবেশকারীরাই নয়, অনেক ভারতীয়ও এই সব কেন্দ্র থেকে বানিয়ে নিচ্ছে নকল আধার কার্ড (Fake Aadhaar Cards)। এদেশে দুষ্কর্ম করে অনায়াসে পালিয়ে যাচ্ছে অন্যত্র। জাল আধারকার্ডের ভিত্তিতে যখন পুলিশ অভিযুক্তদের খুঁজছে, ততক্ষণে দুষ্কৃতীরা পগার পার।

    হ্যাকারদের হানা

    অথচ অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তে রয়েছে বিএসএফের কড়া নজরদারি। উপকূলীয় রাজ্য কেরলের ওপর বিশেষ নজরদারি চালাচ্ছে ইন্ডিয়ান কোস্ট গার্ডও। তার পরেও বন্ধ হয়নি অনুপ্রবেশ। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টেও বলা হয়েছে, ভিনদেশিরা এদেশে ঢুকছে জাল আধারকার্ড সংগ্রহ করেই। জানা গিয়েছে, কেরল, পশ্চিমবঙ্গ এবং ঝাড়খণ্ডের একটি ইন্টারনেট সিস্টেমে হানা দিয়েছে হ্যাকাররা। সেখান থেকেই তথ্য জোগাড় করছে তারা। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই তৈরি করা হচ্ছে আধারকার্ড। নকল আধারাকার্ড তৈরি হচ্ছে পেরামবাভুরের ‘ভাই মার্কেটে’র একটি দোকানেও। কেরলে পা রেখেই এই এলাকায় ভিড় করেন অস্থায়ী শ্রমিকরা। জানা গিয়েছে, এই দোকানটিতে আধারকার্ডে ব্যবহার করা হচ্ছে একই ছবি, যদিও বদলে দেওয়া হচ্ছে নাম-ঠিকানা।

    আরও পড়ুুন: ৫০ বছর পর মথুরার গোবর্ধন পাহাড়ে ফের খনন শুরু এএসআই-এর, কেন জানেন?

    কেরল পুলিশের সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী ইউনিট দিন কয়েক বেশ কিছু জাল আধারকার্ডের সন্ধান পেয়েছে। জাল আধারকার্ড তৈরি কিংবা এর অপব্যবহার রুখতে দেশে রয়েছে আধারকার্ড অ্যাক্ট, ২০১৬। ধরা পড়লে ১০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা দিতে হয়। তিন বছর ধরে খাটতে হয় জেলও। তার পরেও চলছে জাল আধারকার্ডের রমরমা কারবার। যে কার্ড জোগাড় করে ভিন দেশিও রাতারাতি হয়ে যাচ্ছে খাঁটি দেশি (Fake Aadhaar Cards)!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Govardhan Hill: ৫০ বছর পর মথুরার গোবর্ধন পাহাড়ে ফের খনন শুরু এএসআই-এর, কেন জানেন?

    Govardhan Hill: ৫০ বছর পর মথুরার গোবর্ধন পাহাড়ে ফের খনন শুরু এএসআই-এর, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঝে পাঁচ দশকের বিরতি। এবার ফের মথুরার গোবর্ধন পাহাড়ে (Govardhan Hill) খননকাজ শুরু করেছে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ বা এএসআই। পুরাণখ্যাত এই স্থানে এক সময় খোঁড়াখুঁড়ি হয়েছিল। পরে বন্ধ হয়ে যায়। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের লীলাক্ষেত্রে এবার ফের সেই কাজই শুরু করেছে এএসআই।

    কৃষ্ণময় ভূমি (Govardhan Hill)

    মথুরা, ব্রজধাম, বৃন্দাবন – এ সবের সঙ্গেই জড়িয়ে রয়েছে শ্রীকৃষ্ণের নাম। তিনি দেবতা না মানব, সে প্রশ্ন আলাদা। তবে তিনি যে ছিলেন, তা নিয়ে কোনও প্রশ্নই ওঠে না বলে অভিমত পুরাণবিদদের একাংশের। এঁদের অনেকেই মনে করেন, ক্ষুরধার বুদ্ধির অধিকারী ছিলেন কৃষ্ণ। তাই সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি উন্নীত হয়েছেন দেবত্বে। এই কৃষ্ণের সঙ্গেই জড়িয়ে রয়েছে গোবর্ধন পর্বত (Govardhan Hill)। কথিত আছে, একবার হঠাৎ করে ঘোর বৃষ্টি চলে এলে সহ-রাখাল ও তাঁদের গোরুদের বাঁচাতে গোবর্ধন পাহাড় আঙুলে করে তুলে ধরেন কৃষ্ণ। যার জেরে বৃষ্টিভেজার হাত থেকে রক্ষা পান কৃষ্ণ, তাঁর সঙ্গীরা এবং তাঁদের গোরুগুলি।

    গোবর্ধন পাহাড়

    গোবর্ধন পাহাড়টির অবস্থান উত্তরপ্রদেশ সীমান্ত লাগোয়া রাজস্থানের ডিগ জেলার বাহজ গ্রামে। এলাকাটি জাঠ অধ্যুষিত। প্রত্নধন পাওয়ার আশায় এক সময় খোঁড়াখুঁড়ি করা হয়েছিল এই পাহাড়ে। সেই কাজই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এএসআইয়ের জয়পুর সার্কেলের সুপারিনটেডিং প্রত্নতাত্বিক বিনয়কুমার গুপ্ত বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হল মথুরার প্রাচীন অতীত ও আশপাশের এলাকাগুলিতে অনুসন্ধান কাজ চালানো। ভারতীয় সংস্কৃতিতে ব্রজধামের গুরুত্ব রয়েছে। হিন্দু দেবতাদের উপাসনা পদ্ধতি ও ভাস্কর্য শিল্পের ওপর এর প্রভাবও রয়েছে।” প্রাচীন সংস্কৃতির খোঁজে ২০২২-২৩ সালে এএসআই দেশজুড়ে ৫১টি জায়গায় খননকার্য চালানোর অনুমোদন দেয়। সেই কাজ শুরু হতেই মিলছে একের পর এক চমকপ্রদ প্রত্ন-রত্ন। রাজস্থানের সিকারের বেনওয়া গ্রামে আবিষ্কৃত হয়েছে সম্ভবত প্রাথমিক হরপ্পা সভ্যতার মৃৎশিল্প। গোবর্ধন পাহাড়ে খোঁড়াখুঁড়ি শুরু হতেই মিলেছে শুঙ্গ যুগের হাড়ের সরঞ্জাম, মৌর্য যুগের প্রত্নধন। মৌর্য যুগের পোড়া ইটও মিলেছে।

    উদ্যোগী মোদি

    ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই প্রাচীন ভারতের ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক জায়গাগুলির অতীত খুঁজে বের করতে উদ্যোগী হয় নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার। তার জেরেই প্রত্নরত্নের সন্ধানে জোরকদমে দেশের বিভিন্ন জায়গায় খননকাজ করছে এএসআই। বর্ষীয়ান প্রত্নতাত্ত্বিক বিবি লালের মতে, দিল্লির পুরাণ কিলা কমপ্লেক্সে মহাভারত যুগের নিদর্শন খুঁজে বের করাই খনন কার্যের উদ্দেশ্য। এখানে যেসব প্রাচীন জিনিসের খোঁজ মিলেছে, তারই একটি হল প্রাকৃতিক বালিতে ভরা ছোট্ট একটি পাত্র। ভারতীয় পুরাতাত্ত্বিক খননে এর আগে এমন পাত্রের খোঁজ মেলেনি। মাটির বিভিন্ন স্তরে মিলেছে এমন পাত্র। যা থেকে প্রমাণিত হয়, এই অঞ্চলের বাসিন্দারা মাটির পাত্র তৈরি করতেন। খোঁড়াখুঁড়িতেই মিলেছে শয়ে শয়ে ছোট ছোট পুঁতি। যার জেরে বোঝা যায়, এই অঞ্চলের মানুষ পুঁতির কাজ করতেন, পুঁতির ব্যবসাও ছিল। এই পুঁতি তৈরির কাঁচামাল আসত গুজরাট থেকে। গুপ্তর মতে, এক সময় যে দেশের অন্যান্য অংশের সঙ্গে গুজরাটের ব্যবসায়িক যোগাযোগ ছিল। এ তারই প্রমাণ। বাহাজ গ্রামে এএসআই খোঁড়াখুঁড়ি শুরু করতেই স্থানীয়দের উৎসাহের অন্ত নেই। খননকার্য চাক্ষুষ করতে দলে দলে ভিড় করছেন তাঁরা। স্থানীয়দের উৎসাহের জেরে মথুরার অতীত খুঁজে বের করতে (Govardhan Hill) মরিয়া এএসআই। 

    গোবর্ধন’ শব্দের অর্থ

    ‘গোবর্ধন’ শব্দের দুটি অর্থ। একটি অর্থে, ‘গো’ মানে গোরু, এবং ‘বর্ধন’ শব্দের অর্থ হল আশ্রয় স্থল। এই অর্থ ধরলে, এই পাহাড় অঞ্চলে এক সময় ব্যাপকভাবে গো-ধন পালিত হত। আর একটি অর্থ হল, ‘গো’ মানে ইন্দ্রিয় এবং ‘বর্ধন’ মানে নিয়ন্ত্রণ করা। এই অর্থ ধরলে, গোবর্ধন শব্দের অর্থ দাঁড়ায়, এটি এমন একটি জায়গা যেখানে মানুষ তাঁর লাগামহীন ইন্দ্রিয়কে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন, সংযত রাখতে পারেন।

    ‘গোবর্ধন’ শব্দের অর্থ যা-ই হোক না কেন, পাহাড়টি রয়েছে বৃন্দাবন থেকে ২২ কিলোমিটার দূরে। ভাগবত গীতায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং বলেছেন, “গোবর্ধন পর্বত আমার থেকে আদালা নয়। তাই আমার উপাসকরা যেমন আমার মূর্তি পুজো করে, তেমনি তাঁরা যেন গোবর্ধন পাহাড়কেও পুজো করে।” জানা গিয়েছে, পাহাড়টি বেলেপাথর দিয়ে গঠিত। কৃষ্ণভক্তদের কাছে গোবর্ধন পাহাড়ের গুরুত্ব অপরিসীম। গুরুপূর্ণিমা, গোবর্ধন পুজো, জন্মাষ্টমী সহ কষ্ণ-সম্পৃক্ত নানা অনুষ্ঠানে ভক্তরা খালি পায়ে এই গোবর্ধন পাহাড় পরিক্রমা করেন। পুরো পথটির দৈর্ঘ ২৩ কিলোমিটার। পায়ে হেঁটে ঘুরতে সময় লাগে ৬-৮ ঘণ্টা। ভক্তদের বিশ্বাস, গোবর্ধন পাহাড় (Govardhan Hill) পরিক্রমা করলে ভক্তরা আধ্যাত্মিক জ্ঞান ও চিত্তশুদ্ধি লাভ করতে পারেন।

    আরও পড়ুুন: কংগ্রেসের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন পিত্রোদা, কেন জানেন?

    এহেন গুরুত্বপূর্ণ একটি পাহাড়ে ফের খননকার্য শুরু করেছে এএসআই। ব্রজ অঞ্চলের প্রাচীন কোনও সংস্কৃতির নিদর্শন মেলে কিনা, সেই আশায়। যদি পুরাণযুগের কোনও প্রত্নরত্নের খোঁজ মেলে, তাহলে তা যেমন একদিকে মথুরার সমৃদ্ধশালী অতীত গৌরবের হদিশ দেবে, তেমনি ফেরাবে কৃষ্ণ-অবিশ্বাসীদের বিশ্বাস। তখন আর কবিকেও কেঁদে কেঁদে বলতে হবে না, “আমি শুধাই ব্রজের ঘরে ঘরে কৃষ্ণ কোথায় বল…।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Supreme Court: রাজ্যে সিবিআই তদন্তের অনুমতি সংক্রান্ত মামলার রায়দান স্থগিত রাখল সুপ্রিম কোর্ট

    Supreme Court: রাজ্যে সিবিআই তদন্তের অনুমতি সংক্রান্ত মামলার রায়দান স্থগিত রাখল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় সিবিআইকে বিনা বাধায় তদন্ত করতে দেওয়ার অনুমতি প্রত্যাহার করে নিয়েছিল রাজ্য সরকার। তবে অনুমতি ছাড়াই বাংলায় পরপর মামলায় তদন্ত করে চলেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই নিয়ে সুপ্রিম দুয়ারে কড়া নেড়েছিল রাজ্য। সেই সংক্রান্ত মামলার শুনানি বুধবার শেষ হয়েছে। তবে রায়দান স্থগিত রেখেছে শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। 

    সুপ্রিম দুয়ারে শুনানি

    ২০১৮ সালের নভেম্বরে সিবিআইয়ের অবাধে তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে অনুমতি প্রত্যাহার করেছিল রাজ্য সরকার। তারপর কেটে গেছিল ২ বছরের বেশি। কিন্তু এফআইআর করে সিবিআই তদন্ত থামেনি। একের পর এক মামলায় তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সেই প্রেক্ষিতেই ২০২১ সালে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) মামলা করে রাজ্য। গত তিন বছর ধরে সেই মামলা অমীমাংসিত হয়ে পড়েছিল শীর্ষ আদালতে। সম্প্রতি এই শুনানি দ্রুত শেষ করার জন্য কেন্দ্রকে কিছুটা তাড়া দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। ১৯ মে আদালতে গ্রীষ্মাবকাশ শুরুর আগেই মামলাটি নিষ্পত্তির করার কথা বলেছিল তারা। অবশেষে বুধবার মামলাটির শুনানি শেষ হল। বিচারপতি বিআর গভাই এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চে শুনানি চলছিল এই মামলার। 

    আরও পড়ুুন: “গায়ের রংয়ের ভিত্তিতে অপমান হজম করব না”, পিত্রোদার মন্তব্যকে কটাক্ষ মোদির

    রায়দান স্থগিত

    রাজ্যের পক্ষে সিবিআই-সংক্রান্ত মামলায় (Supreme Court) সওয়াল করেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। অন্য দিকে কেন্দ্রের তরফে হাজির ছিলেন, সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা।  সিব্বল বলেন, রাজ্যের হাতে পুলিশ যেমন থাকে, কেন্দ্রের কাছে থাকে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা। রাজ্যের অনুমতি না থাকলে কেন্দ্রও গোয়েন্দা সংস্থাকে নির্দিষ্ট রাজ্যে প্রবেশের অনুমতি দিতে পারে না। কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল অবশ্য পাল্টা যুক্তি দিয়ে বলেছেন, সিবিআই একটি স্বাধীন সংস্থা। কেন্দ্র তাদের নিয়ন্ত্রণও করে না, আর কেন্দ্র কোনও এফআইআর দায়েরও করে না। তিনি অবশ্য এও বলেছেন, আসলে মামলাটি নাকি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে করা হয়েছে। দুই পক্ষের সওয়াল জবাব শোনার পর মামলায় রায়দান আপাতত স্থগিত রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sam Pitroda: কংগ্রেসের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন পিত্রোদা, কেন জানেন?

    Sam Pitroda: কংগ্রেসের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন পিত্রোদা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ণবাদের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে ঘরে বাইরে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন কংগ্রেসের ওভারসিজ চেয়ারম্যান স্যাম পিত্রোদা (Sam Pitroda)। তার জেরে বুধবার পদত্যাগ করলেন গান্ধী পরিবারের ঘনিষ্ঠ এই নেতা। এই মুহূর্তে দেশে চলছে অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন। তার মধ্যেই পিত্রোদার মতো ওজনদার এক নেতা পদত্যাগ করায় বিপাকে কংগ্রেস। রবিবারই কংগ্রেস ছেড়েছিলেন এআইসিসির মুখপাত্র রাধিকা খের। পরের দিনই দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কার্যত তোপ দেগেছিলেন রাধিকা। সেই ঘা শুকনোর আগেই পিত্রোদার বিতর্কিত মন্তব্য। এবং তারই জেরে পদত্যাগ কংগ্রেসের এই ওভারসিজ নেতার।

    কী বলেছিলেন পিত্রোদা? (Sam Pitroda)

    প্রসঙ্গত, দিন দুয়েক আগে পিত্রোদা বলেছিলেন উত্তর-পূর্ব ভারতের বাসিন্দারা চিনাদের মতো দেখতে, পশ্চিমের লোকেরা আরবদের মতো দেখতে, আর দক্ষিণ ভারতের বাসিন্দারা দেখতে আফ্রিকানদের মতো। বর্ণবাদের মতো একটি সংবেদনশীল বিষয়ে মন্তব্য করে নিজে তো বটেই, দলকেও বিপাকে ফেলে দেন পিত্রোদা (Sam Pitroda)। কংগ্রেস-বিরোধীরা যাতে এর ফায়দা তুলতে না পারে, তাই পিত্রোদার মন্তব্য যে তাঁরই, কংগ্রেসের নয়, ফলাও করে তা বলতে হয় গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টিকে।

    পিত্রোদার পদত্যাগ 

    পিত্রোদার মন্তব্যের পরে পরেই কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ বলেছিলেন, “ভারতের বৈচিত্র্যকে চিত্রিত করার জন্য মিঃ স্যাম পিত্রোদা একটি পডকাস্টে যে সাদৃশ্যগুলি এঁকেছেন, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং অগ্রহণযোগ্য। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস এই উপমা থেকে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে।” রাজনৈতিক মহলের মতে, বিভিন্ন দিক থেকে চাপের মুখে পড়ে গিয়ে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন পিত্রোদা। কংগ্রেসের তরফে এদিন সেই জয়রাম রমেশই বলেন, “মিঃ স্যাম পিত্রোদা নিজের ইচ্ছায় ইন্ডিয়ান ওভারসিজ কংগ্রেসের চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কংগ্রেস সভাপতি তাঁর সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন।”

    আরও পড়ুুন: “গায়ের রংয়ের ভিত্তিতে অপমান হজম করব না”, পিত্রোদার মন্তব্যকে কটাক্ষ মোদির

    পিত্রোদার মন্তব্যের পরে পরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁকে নিশানা করেছিলেন। বুধবারই সকালে তিনি বলেছিলেন, “আমি আজ ভীষণ রেগে রয়েছি। কেউ আমায় গালি দিলে আমি রাগ করি না। আমি সহ্য করে নিই। কিন্তু শাহজাদার (রাহুল গান্ধী) মার্কিন প্রবাসী দার্শনিক ও গাইড কাকু যে মন্তব্য করেছেন, তাতে আমার রাগ চরমে উঠেছে।” তাঁর প্রশ্ন, “মানুষের ক্ষমতা এবং যোগ্যতা কি (Sam Pitroda) তার গায়ের রং দিয়ে বিচার করা যায়?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • ECI: ‘ঋতু ভরসা’ প্রকল্পে টাকা বিলি বন্ধ রাখুন, তেলঙ্গনা সরকারকে নির্দেশ কমিশনের

    ECI: ‘ঋতু ভরসা’ প্রকল্পে টাকা বিলি বন্ধ রাখুন, তেলঙ্গনা সরকারকে নির্দেশ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলছে লোকসভা নির্বাচন। এহেন আবহে ‘ঋতু ভরসা’ প্রকল্পে টাকা বিলি করার কথা ঘোষণা করে বিপাকে তেলঙ্গনা সরকার। সে খবর কানে যায় জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (ECI)। নির্বাচন কমিশনের তরফে তেলঙ্গনা সরকারকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, এই প্রকল্পে রাজ্য সরকার কৃষকদের যে অর্থ দিচ্ছে, তা বন্ধ রাখতে হবে। ৯ মে-র মধ্যে সমস্ত অর্থ দিয়ে দেওয়া হবে আশ্বাস দিয়ে নির্বাচনী আদর্শ আচরণ বিধি ভেঙেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

    ১৩ মে ভোট (ECI)

    তেলঙ্গনায় ভোটগ্রহণ (ECI) হবে ১৩ মে। নির্বাচন কমিশনের তরফে রাজ্য সরকারকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ততদিন পর্যন্ত এই প্রকল্পে অনুদান দেওয়া বন্ধ রাখতে হবে। তেলঙ্গনার মুখ্যমন্ত্রী এ রেভেনাথ রেড্ডি। তাঁর বিবৃতির প্রেক্ষিতেই তেলঙ্গনার মুখ্য নির্বাচনী কার্যালয়ে অভিযোগ জমা হয়েছে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনার আবার এ বিষয়ে রিপোর্ট পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে। মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি রেড্ডি আবার তেলঙ্গনা কংগ্রেসের প্রেসিডেন্টও। সেই তিনিই রাজ্যের কোথাকোটায় ৪ মে একটি রোড-শো চলাকালীন ৯ মে-র মধ্যে ওই প্রকল্পে টাকা দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেছিলেন। এটি নির্বাচনী আদর্শ আচরণ বিধি লঙ্ঘন। প্রসঙ্গত, রবি মরশুমে বীজ বপনের জন্য সরকার কৃষকদের একর প্রতি পাঁচ হাজার করে টাকা দিচ্ছে। সেই টাকা বিলিই আপাতত স্থগিত রাখার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন।

    আরও পড়ুুন: “গায়ের রংয়ের ভিত্তিতে অপমান হজম করব না”, পিত্রোদার মন্তব্যকে কটাক্ষ মোদির

    কী বলছে কমিশন

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, কমিশন প্রথমে তেলঙ্গনা সরকারকে ওই প্রকল্পে টাকা বিলির জন্য পাঁচটি শর্ত আরোপ করেছিল। অভিযোগ, সেই শর্ত না মেনেই ‘ঋতু ভরসা’ প্রকল্পে টাকা বিলির কথা প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছেন কংগ্রেসের প্রতীকে নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী। এভাবে নির্বাচনী আদর্শ আচরণ বিধি লঙ্ঘন করেছেন। কমিশনের এক আধিকারিক বলেন, “এই প্রকল্পে টাকা দেওয়া হয় বীজবপনের জন্য। সেটা দেওয়ার কথা নভেম্বর-ডিসেম্বরে। সরকারি প্রকল্প নিয়ে রাজনীতি করতে গিয়ে সেই প্রকল্পেই টাকা বিলির কথা ঘোষণা করা হয়েছে যখন আক্ষরিক অর্থেই দুয়ারে লোকসভা নির্বাচন। সরকারের এই জাতীয় ভোটারদের প্রভাবিত করার শামিল।” গত বছরের নভেম্বরে হয়েছে তেলঙ্গনা বিধানসভার নির্বাচন। ‘ঋতু ভরসা’ প্রকল্পে সেই সময়ও টাকা বিলি করার সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করায় নির্বাচনী আদর্শ আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছিল তৎকালীন অর্থমন্ত্রীর বিরুদ্ধে (ECI)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Congress Treachery Exposed: পাকিস্তানের হাতে সিয়াচেন তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন সোনিয়া গান্ধী?

    Congress Treachery Exposed: পাকিস্তানের হাতে সিয়াচেন তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন সোনিয়া গান্ধী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বোমা ফাটালেন প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেজে সিং। তাঁর দাবি, ইউপিএ সরকার সিয়াচেন হিমবাহ তুলে দিতে চেয়েছিল পাকিস্তানের হাতে (Congress Treachery Exposed)। ভারতীয় সেনার ওপর আস্থা না রেখেই এহেন সংবেদনশীল একটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত প্রায় নিয়েই ফেলেছিল কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন তৎকালীন ইউপিএ সরকার।

    প্রাক্তন সেনা প্রধানের অভিযোগ (Congress Treachery Exposed)

    জেনারেল সিং জানান, ২০০৬ সালে কেন্দ্রের ক্ষমতায় ছিল ইউপিএ সরকার। প্রধানমন্ত্রী ছিলেন মনমোহন সিং। সেই সময় ভারতীয় সেনা ও ভারতীয় গোয়েন্দাদের ওপর ভরসা করতে পারেনি সরকার। জেনারেল সিংয়ের কথা যে নিছক গল্পকথা নয়, তার প্রমাণ প্রায় একই দাবি করেছেন প্রাক্তন বিদেশ সচিবও। তিনিও জানিয়েছিলেন, ২০০৬ সালে দুই দেশের পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে দুই দেশই সিয়াচেন থেকে সেনা প্রত্যাহারের প্রস্তাব নিয়ে ভাবনা-চিন্তা করছিল।

    কাঠগড়ায় ইউপিএ সরকার

    নানা দিক থেকে সিয়াচেন ভারতের কাছে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। সেই কারণে ঝড়-বৃষ্টি-তুষারপাত উপেক্ষা করে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকেন ভারতীয় সেনার জওয়ানরা। এই সিয়াচেনকে রক্ষা করতেই হয়েছিল অপারেশন ‘মেঘদূত’। সেই অভিযানে প্রাণ হারিয়েছিলেন আটশোরও বেশি জওয়ান। সেই সিয়াচেনকেই পাকিস্তানের হাতে তুলে দিতে চেয়েছিলেন ইউপিএ সরকার প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেসের মনমোহন সিং। জানা গিয়েছে (Congress Treachery Exposed), জম্মু-কাশ্মীরে লাগাতার পাক জঙ্গিদের সন্ত্রাস কড়া হাতে সামলাতে ব্যর্থ মনমোহন চেয়েছিলেন সীমান্ত সমস্যায় জর্জরিত সিয়াচেনকে পাকিস্তানের হাতে তুলে দিয়ে ভূস্বর্গে শান্তি ফিরিয়ে আনতে। এর পুরো কৃতিত্ব কংগ্রেস নেত্রী তথা ইউপিএ চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধীকে দিয়ে তাঁর ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে চেয়েছিলেন ইউপিএর শরিক দলের নেতারা। তবে তৎকালীন সেনা প্রধান ও সশস্ত্র বাহিনীর আধিকারিকদের তীব্র বিরোধিতায় স্বপ্ন সফল হয়নি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউপিএ সরকারের ওই স্বপ্ন সফল হলে আর সুরক্ষিত থাকত না ভারতের সীমান্ত। কারগিল যুদ্ধের সময় পাক সেনা যেভাবে সিয়াচেন দখল করতে চেয়েছিল, সেই ঘটনারই পুনরাবৃত্তি হতে পারত ২০০৬ সালেই। সেক্ষেত্র গোটা কাশ্মীরের রাশ চলে যেত পাকিস্তানের হাতে।

    বড় প্রশ্ন

    ভারতীয় সেনার (Congress Treachery Exposed) ভূতপূর্ব জেনারেল বলেন, “প্রশ্নটা হল, যে সিয়াচেন রক্ষা করতে গিয়ে শহিদ হচ্ছেন জওয়ানরা, সেই সেনাই যখন সরকারকে পিছু হটার পরামর্শ দেয়নি, তখন কীসের ভিত্তিতে তৎকালীন সরকার এই সিদ্ধান্ত নিতে গিয়েছিল? এরকম ক্ষেত্রে সরকারের এই জাতীয় কাজ দেশের প্রত্যেক নাগরিককে বিস্মিত করেছিল।” তিনি বলেন, “সিয়াচেনে ভারত যে সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে, তার চেয়ে ঢের বেশি সমস্যার সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছে পাকিস্তান। কারণ হাই অলটিটিউডে যুদ্ধ করার অভিজ্ঞতা ভারতীয় সেনার রয়েছে। যা তাদের প্রতিবেশী দেশগুলির সেনাদের নেই।” প্রাক্তন সেনা প্রধান বলেন, “ভারত সরকার এই প্রস্তাব (সিয়াচেন হিমবাহকে পাকিস্তানের হাতে তুলে দেওয়া) বিবেচনা করতে শুরু করলেও, আমার সঙ্গে একবারও কথা বলেননি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী।” তাঁর অভিযোগ, পুরু বরফের চাদরে মোড়া সিয়াচেন রক্ষা করতে গিয়ে যেসব জওয়ান প্রাণ দিয়েছেন, কংগ্রেস সেই সব শহিদদের অপমান করার চেষ্টা করেছিল।

    বিশ্বের উচ্চতম রণাঙ্গন সিয়াচেন

    মনে রাখতে হবে, বিশ্বের উচ্চতম রণাঙ্গন হল সিয়াচেন। এই হিমবাহ প্রহরায় থাকা সেনা জওয়ানদের সব চেয়ে বড় শত্রু হল প্রতিকূল আবহাওয়া। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা ৫ হাজার মিটারেরও বেশি। কখনও কখনও তাপমাত্রা পৌঁছে যায় মাইনাস ৬০ ডিগ্রিতে। এখানে অক্সিজেনের মাত্র সমতলের প্রায় ১০ শতাংশ। তাই ৭৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এই হিমবাহে পৌঁছলেই কমতে থাকে ওজন। বমি হতে থাকে। খিদে থাকেই না। সিয়াচেনে প্রায়ই ঘণ্টায় একশো মাইল বেগে ঝড় ওঠে। কখনও কখনও এই ঝড় টানা তিন সপ্তাহ পর্যন্ত চলে। এহেন প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বেঁচে থাকাটাই কঠিন নয়, কঠিনতম। সেসব বাধা-বিপত্তি-প্রতিকূলতা উপেক্ষা করেই বছরভর ঠায় দাঁড়িয়ে থাকেন দেশপ্রেমিক ভারতীয় জওয়ানরা।

    আরও পড়ুুন: “গায়ের রংয়ের ভিত্তিতে অপমান হজম করব না”, পিত্রোদার মন্তব্যকে কটাক্ষ মোদির

    সারা বছরে সিয়াচেনে বরফ পড়ে ৩০-৪০ ফুট উঁচু। মাসের পর মাস স্নান না করেই থাকেন জওয়ানরা। কারণ স্নান করলেই বিপদ। দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়া একপ্রকার নিশ্চিত। অক্সিজেন কম থাকায় অনেক জওয়ান হারিয়ে ফেলেন স্মৃতি। শরীরে থাবা বসায় তুষারক্ষত। এই ক্ষতের জেরে হাত-পা-আঙুল খোয়ানোর নজিরও রয়েছে। বিশেষ হেলিকপ্টারে করে এখানে থাকা সেনাদের পৌঁছে দেওয়া হয় রসদ। সেই কাজটাও করতে হয় ৩০ সেকেন্ডেরও কম সময়ে। কারণ না হলেই পাক গোলায় ধ্বংস হয়ে যাবে হেলিকপ্টারটিই।

    প্রাক্তন সেনাপ্রধান বলেন (Congress Treachery Exposed), “দেশের সীমান্তের প্রতিটি ইঞ্চি রক্ষা করতে আত্মবলিদান দিচ্ছেন সেনারা। কিন্তু দুঃখের কথা কী জানেন, কংগ্রেস সরকার এটা ভুলে গিয়েছে। সিয়াচেনের অছিলায় ভারতের এই ভূখণ্ডটিকে পাকিস্তানকে উপহার দিতে প্রস্তুত ছিল তারা। সিয়াচেন হিমবাহ থেকে সেনা প্রত্যাহারের কথাও ভেবেছিল কংগ্রেস সরকার। শান্তি ফেরাতেই এটা করতে চেয়েছিল তারা। তবে এর চেয়ে বোকা বোকা সিদ্ধান্ত আর কিছুই হতে পারে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share