Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Jihadi Tactics Decoded: দীর্ঘদিন ধরে চলে ফাঁদ পাতার কাজ! হিন্দু মহিলাদের কীভাবে টার্গেট করছে জেহাদিরা?

    Jihadi Tactics Decoded: দীর্ঘদিন ধরে চলে ফাঁদ পাতার কাজ! হিন্দু মহিলাদের কীভাবে টার্গেট করছে জেহাদিরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেহাদিদের (Jihadi Tactics Decoded) হাতে হিন্দু জনগোষ্ঠী যখন আক্রান্ত হয় তখন তারা হতবাক হয়ে যায়। ভাবতে থাকে যে কীভাবে এত সংগঠিত আঘাত জেহাদিরা হানতে পারে! আসলে জেহাদী আক্রমণ কোনও প্রতিক্রিয়া স্বরূপ হয় না, বরং তা দীর্ঘদিনের পরিকল্পনারই ফসল। মাসের পর মাস নিখুঁতভাবে এই পরিকল্পনা চলে। তারপরে দক্ষতার সঙ্গেই এটাকে তারা প্রয়োগ করে। তার আগে তারা হিন্দু জনগোষ্ঠীর ইকো-সিস্টেমটাকে ভালোমতো অনুধাবন করে। সেটাকে বিশ্লেষণ করে। এছাড়া সেই ইকো-সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে হিন্দুদের মানসিকভাবে প্রথম থেকেই আঘাত করা, জেহাদি আক্রমণের একটা গুরুত্বপূর্ণ দিক। জেহাদিদের এই আক্রমণ সংঘটিত হয় বেশ কতগুলি ধাপে। ইসলামিক রীতি-নিয়মকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য জেহাদীদের এই আক্রমণ হয়ে থাকে। এই আক্রমণের পদ্ধতি জানা আমাদের দরকার।

    আবর্জনা সংগ্রহকারী সেজে জেহাদিরা 

    প্রথমেই জেহাদিরা (Jihadi Tactics Decoded) হিন্দু জনগোষ্ঠীর অঞ্চলগুলিতে প্রবেশ করে আবর্জনা সংগ্রহকারী সেজে। এর মাধ্যমে ওই অঞ্চলের হিন্দু জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক অবস্থা, তাদের গতিবিধি- এই সমস্ত কিছুই নখদর্পণে নিতে থাকে আবর্জনা সংগ্রহকারী বেশে থাকা জেহাদিরা। জেহাদীদের কাছে এটা একটা বড় সুযোগ হয়। তার কারণ, তারা এই ভাবেই প্রথমে হিন্দু জনগোষ্ঠীর একেবারে বাড়িতেও পৌঁছে যেতে পারে। হিন্দুদের সামাজিক সদ্ভাবনার বাস্তব চিত্র, আর্থিক অবস্থা, ওই নির্দিষ্ট অঞ্চলে হিন্দু জনগোষ্ঠীর মধ্যে একতা, এই সবকিছুই অনুধাবন করতে থাকে জেহাদিরা। সেই মতো তথ্য সরবরাহ করতে থাকে তারা। এর পাশাপাশি ওই অঞ্চলে থাকা হিন্দু মহিলাদের গতিবিধিও অনুসরণের কাজ চালাতে থাকে এই আবর্জন সংগ্রহকারীরা।

    সুফি ভিখারির বেশে জেহাদিরা

    পরবর্তীকালে জেহাদিদের (Jihadi Tactics Decoded) বেশে হিন্দু অঞ্চলে প্রবেশ করে সুফি ভিখারিরা। নিজেদের গায়ে সবুজ চাদর জড়িয়ে তারা হিন্দু বাড়িতে প্রবেশ করে এবং তাদের (হিন্দু) কোনওরকমের সমস্যা রয়েছে কিনা তা জানার চেষ্টা করে। যদি থাকে তাহলে সেই মতো ঝাড়ফুক করতে থাকে তারা। এতে কী হয় অনেক কুসংস্কারগ্রস্থ হিন্দু ওই সুফিদের কথায় বিশ্বাস করে নেয় এবং নিজেদের সমস্যার কথাগুলি জানাতে থাকে। এই ভাবেই হিন্দুরা জেহাদিদের ফাঁদে পা দেয়।

    লাভ জেহাদ সবচেয়ে বড় আঘাত

    জেহাদিদের (Jihadi Tactics Decoded) আক্রমণের সব থেকে বড় পদ্ধতি হল লাভ জেহাদ। হিন্দু মহিলাদের তারা সব থেকে বেশি টার্গেট করে। এ নিয়ে বিভিন্ন তথ্য সামনে এসেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, মৌলবীরা হিন্দু মহিলাদের বর্ণ অনুযায়ী তাদের সেরকম মূল্য নির্ধারণ করে দিচ্ছে। হিন্দু জনগোষ্ঠী অঞ্চলে জেহাদিরা বিভিন্ন ধরনের দোকান খুলতে শুরু করে। যেমন টেলারিং দোকান, বিউটি পার্লার ইত্যাদি। যার ফলে সেগুলিতে হিন্দু মহিলাদের আনাগোনা শুরু হয় এবং সহজেই তারা ফাঁদে পা দিতে থাকে। এভাবেই শুরু হয় লাভ জেহাদ। লাভ জেহাদের এই পদ্ধতি খুবই ধীরগতিতে চলে কিন্তু তার প্রভাব অনেকটা বেশি। লাভ জেহাদের করুণ পরিণতি ইতিমধ্যেই আমাদের সামনে এসেছে একাধিক ঘটনায়। গত বছরে শ্রদ্ধা ওয়ালকরের পরিণতি সকলের জানা। সম্প্রতি কর্নাটকে কংগ্রেস নেতার কন্যাকেও চরম মূল্য দিতে হয় লাভ জেহাদের।

    কমমূল্যে জিনিসপত্র বিক্রি, ধ্বংস হয় হিন্দু অর্থনীতি

    জেহাদের (Jihadi Tactics Decoded) অন্যতম পদ্ধতি হল বেআইনিভাবে জায়গা দখল করে সেখানে দোকান দেওয়া এবং অত্যন্ত কম মূল্যে জিনিসপত্র বিক্রি করা। যাতে হিন্দুদের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে ভেঙে ফেলা যায়। হিন্দু জনগোষ্ঠী ক্রমশই কম দামে জিনিস নেওয়ার প্রলোভনে পা দিয়ে ওই মুসলিম জেহাদিদের দোকানগুলি থেকে জিনিসপত্র কিনতে শুরু করে, যার ফলে হিন্দু দোকানদাররা মার খায় এবং হিন্দু অর্থনীতি ভেঙে পড়ে ওই অঞ্চলের।

    হিন্দু এলাকায় বাড়ি তৈরি

    এটাও দেখা গিয়েছে যে হালাল দোকানগুলি থেকে যে অর্থ লাভ হয় সেগুলি সন্ত্রাসে ফান্ডিং-এর কাজে লাগে। হিন্দুরাও হালাল মাংস কেনে এবং পরোক্ষভাবে তাদের টাকায় জেহাদীদের সন্ত্রাসের ফান্ডিং-এর কাজে লাগে। এর পাশাপাশি জেহাদিরা হিন্দু জনগোষ্ঠীর অঞ্চলে বাড়ি তৈরি করে অথবা ভাড়াতে থাকতে শুরু করে হিন্দুদের গতিবিধি লক্ষ্য করার জন্য।

    জেহাদিরা হিন্দু ছেলেদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে

    জেহাদিরা হিন্দু ছেলেদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে এবং এর মাধ্যমে তাদের বাড়িতে যাতায়ত শুরু করে। যার করুণ পরিণতি হয় সেই বাড়িতে থাকা হিন্দু নাবালিকারা ওই জেহাদীদের লাভ জেহাদে ফেঁসে যায়। ওই হিন্দু নাবালিকাদের তারা বোঝাতে থাকে ইসলামের উদ্দেশ্য আদর্শ। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলে কি কি সুবিধা মিলবে সে বিষয়েও বোঝাতে থাকে জেহাদিরা। এর পাশাপাশি অন্যান্য দিকও দেখা গিয়েছে যে বাড়িতে প্রবেশ করার পরেই ওই হিন্দু নাবালিকার ছবি তুলে ফটোশপের মাধ্যমে তাকে ব্ল্যাকমেলিং করা শুরু হয়। অনেক ক্ষেত্রে এতটা মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে হিন্দু মেয়েরা আত্মহত্যা করে।

    হিন্দু এলাকায় কবরস্থান

    জেহাদিদের (Jihadi Tactics Decoded) পরের পদক্ষেপ হল তারা ছোটখাটো কবরস্থান তৈরি করতে থাকে হিন্দু অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে। সাধারণ মানুষকে তারা বোঝাতে থাকে সেখানে এলে তারা ঠিক কতটা শান্তি পাবে। এভাবে হিন্দুরা সেই সমস্ত স্থান পরিদর্শন করতে থাকে। যখনই তারা বুঝতে পারে যে এই সমাধিস্থল সত্যিই ভালো, তখন তারা মানে জেহাদিরা আরো বড় রকমের অনুষ্ঠান সেখানে চালাতে থাকে। যা ওই হিন্দু জনগোষ্ঠীর অঞ্চলে একটি বড় রকমের সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সম্প্রতি এরকম একটি ঘটনা সামনে এসেছে ছত্তিশগড়ে। রাজ্যের ১২৫টি ঘর বেআইনিভাবে নেয় মুসলিম জনগোষ্ঠী। এই ঘরগুলি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনাতে বানানো এবং এর সবগুলিতেই প্রথমে সমাধিস্থল চালু করা হয়। পরবর্তীকালে তা মসজিদে রূপান্তরিত করা হয়। এই মসজিদগুলিতে হিন্দু মেয়েদের ছবি পাওয়া যায়। যে ছবিগুলির উপরে ক্রস চিহ্ন এবং সার্কেল করা ছিল। এরাই হল জেহাদীদের টার্গেট।

    জেহাদি আক্রমণ

    যখনই উপরিউক্ত সমস্ত জালে জড়িয়ে পড়ে হিন্দুরা, তখনই জেহাদিরা হিন্দুদেরকে নানাভাবে হেনস্তা করার প্রয়াস চালাতে শুরু করে। হিন্দুদের যেকোনও ধরনের অনুষ্ঠানে রামনবমী হোক, জন্মাষ্টমী হোক অথবা যে কোন শোভাযাত্রাতে পরবর্তীকালে হিংসাত্মক আক্রমণ দেখা যায়। বিগত বছরগুলি সমেত চলতি বছরেও পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জায়গায় এ ধরনের ঘটনা সামনে এসেছে। হিন্দুদের শোভাযাত্রার উপর হামলার ঘটনা দেখা গিয়েছে। সম্ভাজিনগরে, গুজরাটের ভদোদরাতে সেই একই ছবি দেখা গিয়েছে। এই হামলার বেশিরভাগটাই সংঘটিত হয়েছে যখন হিন্দুদের ওই শোভাযাত্রা মসজিদকে অতিক্রম করেছে।

    সতর্ক থাকা উচিত 

    এই ধরনের বিভিন্ন জেহাদি (Jihadi Tactics Decoded) কার্যকলাপ যা হিন্দুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত হয় তা থেকে হিন্দু জনগোষ্ঠীকে সদা সতর্ক থাকতে হবে এবং কারণ খুঁজে বার করতে হবে। বর্তমানে তারা উপরের বলা কোন স্তরে রয়েছে, এছাড়া জেহাদিরা কীভাবে তাদের ওপরে, তাদের অঞ্চলে রেইকি করে চলেছে এবং সেই মতো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Love Jihad: ফের ‘কেরালা স্টোরি’র গল্প! বিহার, কর্নাটকে ‘লাভ জিহাদে’র ফাঁদে হিন্দু তরুণীরা

    Love Jihad: ফের ‘কেরালা স্টোরি’র গল্প! বিহার, কর্নাটকে ‘লাভ জিহাদে’র ফাঁদে হিন্দু তরুণীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন আরও এক ‘কেরালা স্টোরি’র গল্প! ‘লাভ জিহাদে’র ফাঁদে আরও এক হিন্দু তরুণী। এবারের ঘটনাস্থল বিহার। এখানকার এক দলিত হিন্দু তরুণীকে বিয়ে করে নেপালে বিক্রির চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে সমীর আলম নামে এক বিবাহিত যুবককে (Love Jihad)।

    লাভ জিহাদ (Love Jihad)

    জানা গিয়েছে, বিহারের নারকাটিয়াগঞ্জের বছর ছাব্বিশের সমীর মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে বাড়িতে ডেকে নিয়ে গিয়ে জোর করে সিঁদুর পরিয়ে দেয় বছর সতেরোর মেয়েটির সিঁথিতে। পরে নাবালিকা বুঝতে পারে, পরিচয় গোপন করে তার সঙ্গে প্রতারণা করেছে সমীর। এরপর সমীর মেয়েটিকে কার্যত ঘরবন্দি করে রাখে। বার দুয়েক পালানোর চেষ্টা করলেও, সফল হয়নি সে (Love Jihad)। এর পরেই মেয়েটিকে নেপালে বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সমীর। সেই মতো মেয়েটিকে নিয়ে সে রওনা দেয় নেপালের উদ্দেশে। সীমান্তে সমীরকে জেরা করেন সশস্ত্র সীমা বলের জওয়ানরা।

    পাচারে যুক্ত অভিযুক্ত আলম!

    এই প্রথম নয়, সমীর আগেও মিথ্যা পরিচয় দিয়ে হিন্দু তরুণীদের বিয়ে করে ধর্মান্তরিত করে নেপালে বিক্রি করে দিয়েছে বলে অভিযোগ। সমীর এবং ওই মেয়েটিকে নিয়ে থানায় যান সশস্ত্র সীমা বলের জওয়ানরা। সেখানেই গ্রেফতার করা হয় সমীরকে। তদন্ত চালাতে গিয়ে পুলিশ সমীরের মোবাইল থেকে আপত্তিকর কিছু ভিডিও এবং ছবিও উদ্ধার করেছে। সমীর যে নারী পাচারে যুক্ত, তাও জেনেছেন তদন্তকারীরা। ২০২২ সালের ১১ মে-ও এক হিন্দু দলিত মেয়েকে পাচারের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুুন: “শেষ জীবনেও মুখ্যমন্ত্রীকে চোর চোর শুনতে হবে”, কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের

    হিন্দু মহিলাকে জোরপূর্বক ধর্মান্তরণ কর্নাটকে

    এদিকে, বছর আঠাশের এক বিবাহিত মহিলাকে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরণ করার অভিযোগ উঠল তাঁর স্বামী-সহ সাতজনের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থল কর্নাটক। ওই মহিলার অভিযোগ, রফিক নামের এক ব্যক্তির খপ্পরে পড়েন তিনি। নিজের স্ত্রীর সামনেই রফিক তাঁকে ধর্ষণ করে। তাঁকে বোরখা পরতেও বাধ্য করে। নিষেধ করা হয় সিঁদুর পরতেও। এমনকী, রফিকের স্ত্রী ওই মহিলাকে রফিকের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে উৎসাহ দেয়। পরে ওই মহিলার ছবি তুলে তাঁকে ব্ল্যাকমেল করতে শুরু করে রফিক। সিঁদুর পরতে না দেওয়ার পাশাপাশি তাঁকে পাঁচ ওয়াক্ত নমাজ আদায় করতেও বলে রফিক। ইসলামে ধর্মান্তরিত হতেও দেওয়া হয় চাপ। গ্রেফতার করা হয়েছে রফিককে (Love Jihad)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Aligarh Muslim University: ভাঙল ১০০ বছরের ইতিহাস! আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় পেল প্রথম মহিলা উপাচার্য

    Aligarh Muslim University: ভাঙল ১০০ বছরের ইতিহাস! আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় পেল প্রথম মহিলা উপাচার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহিলা উপাচার্য পেল আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় (AMU)। ১০০ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার কোনও মহিলা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ আসনে বসলেন। এএমইউ-এর (Aligarh Muslim University) উপাচার্য হিসাবে নিযুক্ত হলেন অধ্যাপিকা নাইমা খাতুন। আগামী পাঁচ বছর তিনিই এই পদে থাকবেন। শিক্ষা মন্ত্রকের অনুমোদনের পরই রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু নতুন উপাচার্যের নিয়োগপত্রে সই করেন। নিয়োগপত্র পেয়ে সোমবার সন্ধ্যায় এএমইউ একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। সেই বিজ্ঞপ্তিতে নাইমা খাতুনকে আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (woman Vice-Chancellor) হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের বক্তব্য

    কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের তরফে বিশ্ববিদ্যালয়কে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, “ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিদর্শক হিসাবে তাঁর ক্ষমতায়, আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাইমা খাতুনকে পাঁচ বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসাবে নিয়োগ করেছেন।” ভোট চলাকালীন যেহেতু এখন নির্বাচনের আদর্শ আচরণবিধি রয়েছে, তাই এই নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনেরও (ECI) অনুমতি নেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে কমিশন শর্ত আরোপ করে জানিয়েছে, “এই নিয়োগ নিয়ে কোনও প্রচার হবে না এবং এর থেকে কোনও রাজনৈতিক ফায়দা তোলা যাবে না।”

    আরও পড়ুনঃ শতাব্দীর ওপর ক্ষোভ জানিয়ে তিনশো সংখ্যালঘু পরিবার যোগ দিল বিজেপিতে

    এই বিশ্ববিদ্যালয়েরই ছাত্রী ছিলেন নাইমা

    উল্লেখ্য, আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়েরই ছাত্রী ছিলেন নাইমা (Naima Khatoon), এখান থেকে সাইকোলজিতে পিএইচডি করেন তিনি। ১৯৮৮ সালে সেই বিভাগেই লেকচারার হিসাবে যোগ দেন। ২০০৬ সালে প্রফেসর হন। এরপর ২০১৪ সালে ওমেন্স কলেজের প্রিন্সিপাল হিসাবে যোগ দেন। প্রসঙ্গত এর আগে ১৯২০ সালে এএমইউ-তে আচার্য হিসাবে যোগ দিয়েছিলেন বেগম সুলতান জাহান। সেই সময় তিনি ছিলেন একমাত্র মহিলা আচার্য। আর এবার প্রথম মহিলা উপাচার্য হিসাবে নিয়োগ হলেন অধ্যাপিকা নাইমা খাতুন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ঝাঁঝাঁ রোদ! ভোট দেবেন কী ভাবে? বৈঠক নির্বাচন কমিশনের

    Lok Sabha Election 2024: ঝাঁঝাঁ রোদ! ভোট দেবেন কী ভাবে? বৈঠক নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ জুড়ে চলছে তাপপ্রবাহ। এর মধ্যেই চলছে লোকসভা নির্বাচন (Loksabha Election 2024)। প্রথম দফা ভোট মিটলেও এখনও বাকি ছয় দফা। এর মাঝেই আবহাওয়া দফতরের (IMD) তরফে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে আগামী দিনগুলিতে দেশের বিভিন্ন জায়গায় স্বাভাবিকের থেকে বেশি হবে তাপমাত্রা। এই অসহনীয় গরমে কীভাবে ভোট দেবেন তা ভেবেই নাজেহাল বাসিন্দারা। ব্যবস্থা করছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। 

    বৈঠকে কমিশন

    গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ভোট আয়োজনের জন্য সোমবার আবহাওয়া দফতর সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসল নির্বাচন (Loksabha Election 2024) কমিশন। মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার রাজীব কুমারের সঙ্গে অন্য দুই নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ও সুখবীর সিং সান্ধু এই বৈঠকটি পরিচালনা করেন। এই গরমে কীভাবে পরিস্থিতির মোকাবিলা করে সুষ্ঠুভাবে পুরো নির্বাচনটি সম্পন্ন করা যাবে? তাপপ্রবাহ থেকে কীভাবে রক্ষা করা যাবে ভোটারদের? এর উত্তর খুঁজতে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের কর্তাদের পাশাপাশি হাজির ছিলেন ভারতীয় আবহাওয়া দফতর, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষ, স্বাস্থ্য মন্ত্রক এবং পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের আধিকারিকরা।

    কী বলছে আবহাওয়া দফতর

    এপ্রসঙ্গে ভারতীয় আবহাওয়া দফতরের ডিজি মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র বলেন, “আবহাওয়া দফতরের তরফে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সর্বক্ষণ যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। ঋতু অনুযায়ী পূর্বাভাস দেওয়ার পাশাপাশি আমরা মাসিক, সাপ্তাহিক ও প্রতিদিনের পূর্বাভাস দিচ্ছি এবং তাদের তাপপ্রবাহ এবং আর্দ্রতা সম্পর্কেও পূর্বাভাস দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন দফায় যেখানে যেখান ভোটগ্রহণ হবে সেই এলাকাগুলি সম্পর্কেও কমিশনকে তথ্য ও পূর্বাভাস পৌঁছে দিচ্ছি আমরা।” উল্লেখ্য, গত ১১ এপ্রিল তাপপ্রবাহের এই মরশুমে নির্বাচন নিয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত তা নিয়ে একটি বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে নেতৃত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাতে কীভাবে এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করা যাবে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছিল। বৈঠকে লোকসভা নির্বাচনের (Loksabha Election 2024) সময় তাপপ্রবাহের কারণে ঝুঁকি কমানোর ব্যবস্থা নিয়ে আলোচন হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Spice Brands: ক্ষতিকারক! ২ দেশে নিষিদ্ধ ভারতের ২ মশলা ব্র্যান্ড, নমুনা সংগ্রহের নির্দেশ কেন্দ্রের

    Indian Spice Brands: ক্ষতিকারক! ২ দেশে নিষিদ্ধ ভারতের ২ মশলা ব্র্যান্ড, নমুনা সংগ্রহের নির্দেশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকার ফুড কমিশনারদের নির্দেশ দিয়েছে, দেশের সমস্ত মশলা কোম্পানির নমুনা সংগ্রহ করার জন্য। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, হংকং এবং সিঙ্গাপুরে ভারতের দুটি মশলাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই দুটি হল প্রভূত জনপ্রিয় এমডিএইচ এবং এভারেস্ট (Indian Spice Brands)। এই দুটি মশলা কোম্পানির প্রোডাক্টে ক্যান্সারের উপাদান পাওয়া গিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলিতে তা নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    ৩-৪ দিনের ভিতর নমুনা সংগ্রহ

    এ নিয়ে দেশের সমস্ত ফুড কমিশনারকে সতর্ক করা হয়েছে। ভারতীয় মশলা কোম্পানিগুলির নমুনা সংগ্রহ করারও কাজ শুরু  হয়েছে। ইতিমধ্যে এ বিষয়ে নির্দেশে জারি করা হয়েছে। আগামী তিন চার দিনের ভেতরে সমস্ত মশলা কোম্পানির নমুনা সংগ্রহ করা (Indian Spice Brands) সম্পন্ন হবে বলে কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে। শুধুমাত্র এমডিএইচ অথবা এভারেস্ট কোম্পানিরই নয়, বিভিন্ন অন্যান্য মশলা কোম্পানিরও নমুনা সংগ্রহ করার কাজ শুরু হয়েছে। এই মশলার নমুমা গুলির রিপোর্ট কুড়ি দিনের মধ্যে পাওয়া যাবে বলে জানা গিয়েছে।

    হংকং এবং সিঙ্গাপুরের প্রশাসন সেদেশের মানুষজনকে সতর্ক করেছে

    প্রসঙ্গত, হংকং এবং সিঙ্গাপুরের প্রশাসন সেদেশের মানুষজনকে সতর্ক করেছে এমডিএইচ এবং এভারেস্টের ব্র্যান্ড যেন ব্যবহার না করা হয়। কারণ হিসেবে তারা বলেছেন, এখানে রয়েছে ইথিলিন অক্সাইড এর উপাদান যা ক্যান্সারের প্রবণতাকে বাড়িয়ে (Indian Spice Brands) দিতে পারে। হংকং এর ‘সেন্টার ফর সেফটি ফুড’ এই মর্মে বিবৃতি দিয়েছে চলতি মাসের ৫ তারিখে। অন্যদিকে ‘সিঙ্গাপুর ফুড এজেন্সি’ একই নির্দেশ দিয়েছে।

    ইথিলিন অক্সাইড ভারতে নিষিদ্ধ রয়েছে

    প্রসঙ্গত, ইথিলিন অক্সাইড ভারতে নিষিদ্ধ রয়েছে। এই ক্ষতিকারক উপাদান যদি দেখা যায় এমডিএইচ এবং এভারেস্টে ব্যবহার করা হচ্ছে তাহলে অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে ইতিমধ্যে মশলা বোর্ডের কাছে আবেদন (Indian Spice Brands) জানানো হয়েছে এই মর্মে। ভারতীয় শিল্প-বাণিজ্য মন্ত্রকের অধীনে পড়ে মশলা বোর্ড। মশলা বোর্ডকে সচেতনতা ছড়াতে বলা হয়েছে, যাতে কোনও ক্ষতিকারক উপাদান ব্যবহার করা না হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chittagong : জালালাবাদের মুক্তি যুদ্ধ, ভারতের ইতিহাসে এক প্রেরণা ২২শে এপ্রিল ১৯৩০

    Chittagong : জালালাবাদের মুক্তি যুদ্ধ, ভারতের ইতিহাসে এক প্রেরণা ২২শে এপ্রিল ১৯৩০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলে মাস্টারদার সঙ্গী ছিল চারটি বই। গীতা, চণ্ডী, মহাভারত আর রবীন্দ্রনাথের ‘চয়নিকা’। খুব ভোরে উঠে ব্রহ্মসঙ্গীত গাইতেন বা স্তোত্রপাঠ করতেন। সকাল কেটে যেত গীতা পাঠে, দুপুরে পড়তেন মহাভারত। গীতা থেকেই রাজনীতির পাঠ নিতেন মাস্টারদা সূর্য সেন। গীতাই তাঁকে শিখিয়েছিল বিশ্বাস, সততা আর জেদকে সঙ্গী করে কীভাবে মুক্তির স্বপ্ন দেখা যায়। নিজের অধিকারের লড়াই লড়া যায়। সেই জেদকে সঙ্গী করেই একদল বাঙালি বিপ্লবীকে নিয়ে ব্রিটিশদের বৃহৎ সৈন্যদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন মাস্টারদা। দিনটি ছিল ২২ এপ্রিল ১৯৩০

    জালালাবাদের পাহাড়ে মুক্তিযুদ্ধ

    ১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিল চট্টগ্রামে হল সশস্ত্র অভ্যুত্থান। ২২শে এপ্রিল ১৯৩০। জালালাবাদ যুদ্ধ। মাস্টারদা পুরো দলবলসহ এসে পৌঁছলেন জালালাবাদ পাহাড়ের নিচে। সিদ্ধান্ত হল পাহাড়ে চড়ার। ১৮ থেকে ২২ এপ্রিল, চারটে দিন পাহাড়েই কেটেছিল বিপ্লবীদের। খাবারও জোটেনি কিছু। বিপ্লবী লোকনাথ বল জানিয়েছিলেন মাঝে মাঝে পাহাড়ের কাঁচা আম, তেঁতুল পাতা, দু একটা চুরি করে আনা বিস্কুট, একবেলা সামান্য খিচুড়ি আর ঘোলা জল খেয়ে এই চার দিন কাটিয়েছিলেন তাঁরা। সূর্য সেন, নির্মল সেন, অম্বিকা চক্রবর্তী ও লোকনাথ বল ছিলেন বিপ্লবী দলটির নেতা। তাঁদের সঙ্গী ছিলেন ৬৩ জন মুক্তি-পাগল কিশোর, ছাত্র ও তরুণ বিপ্লবীরা। সর্ব কনিষ্ঠ বিপ্লবীর বয়স ছিল ১৪ কি ১৫ বছর। 

    পাহাড় থেকে লড়াই

    ২২ এপ্রিল, ১৯৩০ ওইদিন সবাই যখন ভোরবেলা মাস্টারদার নেতৃত্বে পাহাড়ে চড়েছেন সেইদিন বিকেল চারটের সময় চট্টগ্রাম নাজিরহাট শাখা রেল লাইনের ‘ঝরঝরিয়া বটতলা’ মসজিদের পাশে এসে থামল একটি ট্রেন। রেলগাড়ি থেকে নেমে এল ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলস ও সুর্মা ভ্যালি লাইট ইনফ্যান্ট্রির সশস্ত্র সেনাবাহিনীর দল। তারা রওনা হল জালালাবাদ পাহাড়ের উদ্দেশ্যে। পাহাড়ের দুদিকে অন্য দুটো উঁচু পাহাড়ের মাথায় বসানো হল মেশিনগান। ইতিমধ্যে বিপ্লবী লোকনাথ বলের নির্দেশে আটভাগে বিপ্লবীদের বাহিনীকে পাহাড়ের চারপাশে সাজানো হল। কিছুক্ষণ পর দেখা গেল জালালাবাদ পাহাড়ের দুই দিক দিয়ে বহুসংখ্যক শত্রুপক্ষের সৈন্য ওপরে উঠে আসবার চেষ্টা করছে। তারা যখন পাহাড়ের প্রায় অর্ধেকটা উঠে এসেছে, এমন সময় লোকনাথ বলের আদেশে বিদ্রোহী বাহিনী বীর বিক্রমে তাদের ওপরে প্রচন্ডভাবে গুলিবর্ষণ আরম্ভ করল। তাদের অনেকেই প্রাণ হারিয়ে গড়িয়ে নিচে পড়ে গেল এবং অনেকেই গুরুতরভাবে আহত হয়ে পড়ে রইল। বাকি সকলেই পেছনে ফিরে ছুটে পালিয়ে গিয়ে দূরে একটি গভীর নালার মধ্যে আশ্রয় নিল। কয়েক মিনিট পরে তারা আবার বেপরোয়া হয়ে পাহাড়ে উঠবার চেষ্টা করল। কিন্তু এবার তারা পাহাড়ের অর্ধেকটুকুও উঠতে পারল না। ওপরের বিপ্লবীদের প্রচন্ড গুলিবর্ষণে তাদের অনেকেই পূর্বের ন্যায় নিহত ও আহত হল এবং কয়েক সেকেন্ড পরে তারা আবার পালিয়ে গেল। তারপর অকস্মাৎ জালালাবাদ পাহাড়টির দুদিকের দুটি উচ্চতর পাহাড় থেকে জালালাবাদ পাহাড়ের ওপর মেশিনগানের গুলিবর্ষণ আরম্ভ হল। বিপ্লবীদের পক্ষ থেকেও প্রচন্ডভাবে প্রত্যুত্তর দেওয়া হল। কিন্তু শত্রুপক্ষের মেশিনগানের গুলিতে হরিগোপাল বল, নির্মল লালা, প্রভাস বল, পুলিন ঘোষ, মধুসূদন দত্ত, জিতেন দাশগুপ্ত, নরেশ রায়, বিধু ভট্টাচার্য, ত্রিপুরা সেন, শশাঙ্ক দত্ত এবং মতি কানুনগো প্রাণ হারিয়ে শহিদের অমরত্ব লাভ করেন। 

    বাঙালি বিপ্লবীদের বীর গাথা

    সে যুদ্ধে প্রথম শহীদ হয়েছিলেন লোকনাথ বলের ছোট ভাই ১৬ কি ১৭ বছরের বিপ্লবী হরিগোপাল (টেগরা) বল। ১২জন বিপ্লবী বীরের মৃত্যু বরণ করলেন। কিন্তু হার মানলেন না। রাতের অন্ধকারে যুদ্ধ-বিরতি নিতে বাধ্য হল ব্রিটিশ সেনারা। রাতের অন্ধকারেই একটা একটা করে দেহ নিয়ে আসা হল মাস্টারদার কাছে। মাস্টারদা শহিদদের নিথর বুকের ওপর কান রেখে বসে থাকেন কিছুক্ষণ, যদি হৃদপিণ্ডের স্পন্দন শোনা যায়! যদি প্রাণ থাকে, যদি বাঁচানো যায়। নির্মল লালার মুখে যেন তখনও হাসি লেগে আছে। ওর মাথাটা নিজের কোলে তুলে নিয়ে অনেকক্ষণ চেয়ে থাকেন সর্বকনিষ্ঠ এই শহিদের মুখের দিকে। তারপর নির্মলের মাথাটা অতি যত্নে মাটিতে নামিয়ে রেখে উঠে দাঁড়ালেন তিনি। সামরিক কায়দায় অভিবাদন জানিয়ে ধীরে ধীরে বললেন, চলো এবার সবাই। জালালাবাদ পাহাড়ে শহিদদের স্যালুট দিয়ে জীবিত বিপ্লবীরা ছড়িয়ে পড়লেন এ দিক-ও দিক। আহত যে সব সঙ্গীরা চলার ক্ষমতা হারিয়েছিলেন তাঁদেরকে বহন করে এনেছিলেন অন্যেরা। 

    আরও পড়ুনঃ প্রথমবার পেট্রাপোল পেরিয়ে বাংলাদেশে পৌঁছালেন মহিলা ট্রাকচালক

    মাস্টারদার আত্মত্যাগ

    যুদ্ধের পর সূর্য সেন, নির্মল সেন, লোকনাথ বল প্রমুখদের আশ্রয় দিয়েছিলেন কোয়াপাড়া গ্রামের বিনয় সেন। সূর্য সেন ছোট ছোট দলে বিভক্ত করে তার লোকজনকে পার্শ্ববর্তী গ্রামে লুকিয়ে রাখেন এবং বিপ্লবীরা পালাতে সক্ষম হয়। কলকাতা পালিয়ে যাওয়ার সময় কয়েকজন গ্রেফতার হয়। কয়েকজন বিপ্লবী পুনরায় সংগঠিত হয়। ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৩২ সালে প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের নেতৃত্বে আবারও আন্দোলন সংগঠিত করেন। মাস্টারদা-কে ধরার জন্য ব্রিটিশ সরকার ৫০০০ টাকার পরিবর্তে ১০,০০০ পুরস্কার ঘোষণা করে। ১৯৩৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ধরা পড়েন সূর্য সেন। ১৯৩৪ সালের ১১ জানুয়ারি ফাঁসি হয় সূর্য সেনের। এক চিঠিতে মাস্টারদা লিখেছেন, ‘গীতায় শ্রীকৃষ্ণ বলছেন, মানুষ যেমন জীর্ণবস্ত্র পরিত্যাগ করে নূতন বস্ত্র গ্রহণ করে, সেরূপ আত্মা জীর্ণ শরীর ত্যাগ করে অন্য নূতন দেহ ধারণ করে।’ এই উপলব্ধি থেকেই হয়ত মৃত্যুভয় না করেই মাস্টার দা ও তাঁর শিষ্যরা লড়াই করে গিয়েছেন আজীবন। তাঁদের ছিল একটাই স্বপ্ন স্বাধীন ভারতের স্বপ্ন, উন্নত ভারতের স্বপ্ন, ভারতের অমৃতকালের স্বপ্ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Election 2024: সুরাট লোকসভা কেন্দ্রে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতল বিজেপি

    Loksabha Election 2024: সুরাট লোকসভা কেন্দ্রে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে (Loksabha Election 2024) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় গেরুয়া শিবিরের। মোদি-শাহের রাজ্য গুজরাটের সুরাট আসনটি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতল বিজেপি। ওই আসন থেকে ভোটের আগেই সাংসদ নির্বাচিত হয়ে গেলেন বিজেপি প্রার্থী মুকেশ দালাল। রবিবারই দক্ষিণ গুজরাতের এই কেন্দ্রের আসনে কংগ্রেস প্রার্থী নীলেশ কুম্ভনির মনোনয়ন বাতিল হয়ে যায়। সোমবার ওই আসনে বাকি ৮ জন বিরোধী প্রার্থী নিজেরাই মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। যার ফলে এদিনই ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে (Loksabha Election 2024) প্রথম সাংসদ হয়ে গেলেন মুকেশ দালাল।

    ৭ মে গুজরাটের ২৬ আসনেই এক দফাতে ভোট

    প্রসঙ্গত, চলতি মাসেই অরুণাচল প্রদেশে বিধানসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় সেখানেও ৭ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় (Loksabha Election 2024) যেতেন বিজেপি প্রার্থীরা, যার মধ্যে ছিলেন ঐ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নিজেও। আগামী ৭ মে গুজরাটের ২৬ আসনেই এক দফাতে ভোট হতে চলেছে এবং সোমবারই ছিল মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। জানা গিয়েছে ওই কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থীর প্রস্তাবকদের যে সই ছিল সেখানেই গরমিল ধরা পড়ে। তারসঙ্গে ওই কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী নীলেশের মনোনয়ন বাতিল করেন রিটার্নিং অফিসার।

    আরও পড়ুন: কেজরিওয়ালের জামিন চেয়ে জনস্বার্থ মামলা খারিজ দিল্লি হাইকোর্টে

    কী বলছেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    দালালের জয়ে উল্লসিত গুজরাত বিজেপির সভাপতি সিআর পাটিল সোমবার এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘‘সুরাত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে প্রথম ‘পদ্ম’ উপহার দিল। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার জন্য সুরাত লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী মুকেশভাই দালালকে অভিনন্দন।” প্রসঙ্গত, এর আগে ১৯৮০ সালের লোকসভা ভোটে (Loksabha Election 2024) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতা জম্মু-কাশ্মীরে শ্রীনগর থেকে জয়ী হয়েছিলেন ন্যাশনাল কনফারেন্সের ফারুক আবদুল্লা। ২০১২ সালে উত্তরপ্রদেশে লোকসভার উপ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছিলেন সমাজবাদী পার্টির ডিম্পল যাদব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rajnath Singh: “সিয়াচেন ভারতের বীরত্ব ও সাহসের রাজধানী”, বললেন রাজনাথ সিং

    Rajnath Singh: “সিয়াচেন ভারতের বীরত্ব ও সাহসের রাজধানী”, বললেন রাজনাথ সিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সিয়াচেন (Siachen) ভারতের বীরত্ব ও সাহসের রাজধানী”, বলে মন্তব্য করলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। বিশ্বের সর্বোচ্চ যুদ্ধক্ষেত্র সিয়াচেন পরিদর্শনে গিয়ে এমনই বললেন, প্রতিরক্ষামন্ত্রী (Defence Ministar)। সোমবার সকালেই দিল্লি থেকে সিয়াচেনের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি। সিয়াচেনে পৌঁছে তিনি বেস ক্যাম্পে (Siachen base camp) বীর সৈনিকদের স্মৃতিসৌধে পুস্তস্তবক অর্পণ করে সাহসী বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    কী বললেন রাজনাথ?

    রাজনাথ সিং পৌঁছতেই জওয়ানরা ‘ভারত মাতা কি জয়’ প্রতিধ্বনিতে সিয়াচেন মুখরিত করে তোলেন। এরপর সেখানকার বীর যোদ্ধাদের সঙ্গে সময় কাটান প্রতিরক্ষা মন্ত্রী। সিয়াচেন হিমবাহের কুমার পোস্টে মোতায়েন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করে মিষ্টিমুখও করেন তিনি। এরপর রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) বলেন, “বিশ্বের সর্বোচ্চ যুদ্ধক্ষেত্র সিয়াচেন হিমবাহে আপনারা যেভাবে দেশকে রক্ষা করেছেন, তার জন্য আমি আপনাদের অভিনন্দন জানাই। সিয়াচেন কোনও সাধারণ জায়গা নয়। এটি দেশের সার্বভৌমত্ব ও অধ্যাবসার প্রতীক। আমাদের জাতীয় সংকল্পের প্রতিনিধিত্ব করে সিয়াচেন। আমাদের রাজধানী দিল্লি, মুম্বই আমাদের অর্থনৈতিক রাজধানী, আমাদের প্রযুক্তির রাজধানী বেঙ্গালুরু, কিন্তু সিয়াচেন বীরত্ব ও সাহসের রাজধানী।”

    আরও পড়ুনঃহাইকোর্টের রায়ে বিপাকে নির্বাচন কমিশন, ভোটের ডিউটি করবেন কারা?

    ৪০ বছর পূর্ণ ‘অপারেশন মেঘদূত’

    জানা গেছে, এই অঞ্চলের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ পান্ডের সাথে এদিন সাক্ষাত করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। প্রসঙ্গত, ১৯৮৪ সালের ১৩ এপ্রিল ভারতীয় সেনাবাহিনীরা পাকিস্তানকে পরাজিত করে সিয়াচেনকে রক্ষা করে ‘অপারেশন মেঘদূত’ মিশনের মাধ্যমে। ১৩ এপ্রিল, ২০২৪ সালে ‘অপারেশন মেঘদূত’ ৪০ বছর পূর্ণ করেছে। সেই স্মৃতির উদযাপনেই প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর সিয়াচেন পরিদর্শন। উল্লেখ্য, প্রায় ২০ হাজার ফুট উচ্চতায় কারাকোরাম পর্বতমালায় অবস্থিত। সিয়াচেন হিমবাহ বিশ্বের সর্বোচ্চ সামরিক অঞ্চল হিসাবে পরিচিত, যেখানে সৈন্যদের তুষারপাত (snowfall) এবং প্রবল ঝড়ের সাথে প্রতিনিয়ত লড়াই করে দেশকে রক্ষা করতে টিকে থাকতে হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arunachal Pradesh: ফের ভোট অরুণাচলে! ৮টি বুথে হবে পুনর্নির্বাচন, জানাল কমিশন

    Arunachal Pradesh: ফের ভোট অরুণাচলে! ৮টি বুথে হবে পুনর্নির্বাচন, জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশের ৮টি বুথে ফের পুনর্নির্বাচন হবে। অরুণাচলের (Arunachal Pradesh) মুখ্যনির্বাচনী অধিকারী লিকেন কোয়ু সোমবার জানিয়েছেন, “আগামী ২৪ এপ্রিল বুধবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত ওই বুথগুলিতে ফের ভোট গ্রহণ করা হবে। প্রসঙ্গত শুক্রবার ভোট গ্রহণে অনিয়ম, হিংসা ও ইভিএম মেশিনে গোলযোগের কারণে পুনর্নির্বাচনে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।” উল্লেখ্য উত্তরপূর্ব অঞ্চলের মধ্যে মণিপুরে কিছু কেন্দ্রে আরও একবার ভোট নেওয়ার কথা কমিশন আগেই জানিয়েছে।  

    কোন কোন বুথে পুনর্নির্বাচন (Arunachal Pradesh)?

    অরুণাচলের (Arunachal Pradesh) যে বুথগুলিতে পুনর্নির্বাচন হবে তার মধ্যে রয়েছে, তার মধ্যে হল, পূর্ব কামেং জেলার বামেং বিধানসভা কেন্দ্রের সারিও, কুরুং কুমেয়ের নিয়াপিন বিধানসভা আসনের লংটে লথ, ডিংসের, বগিয়া সিয়ুম, জিম্বারি এবং আপার সুবনসিরি জেলার নাচো বিধানসভা কেন্দ্রের অধীনে লেঙ্গি ভোটকেন্দ্র। এছাড়া সিয়াং জেলার রামগং বিধানসভা কেন্দ্রের বোগনে এবং মোলোম বুথেও পুনর্নির্বাচন হবে।

    আরও পড়ুনঃ অঙ্কিতা-ববিতার পর এবার চাকরি গেল অনামিকারও, হতাশ হলেও লড়াই ছাড়তে নারাজ

    ২০১৯ সালে নিরঙ্কুশ জয় পায় বিজেপি

    শুক্রবার অরুণাচল (Arunachal Pradesh) প্রদেশের দুটি লোকসভা আসনের পাশাপাশি বিধানসভার ভোটগ্রহণ হয়েছে। এই রাজ্যের ৬০টি বিধানসভার (Assembly election) মধ্যে ইতিমধ্যেই সাতটিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে গিয়েছে শাসক দল ভারতীয় জনতা পার্টি। কংগ্রেস ২০১৪ সালে বিধানসভা ভোটে জিতে অরুণাচল প্রদেশের সরকার গঠন করলেও পরবর্তী সময়ে অধিকাংশ বিধায়ককে নিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন পেমা খাংডু। এরপর তিনি সেখানে বিজেপির (BJP) হয়ে মুখ্যমন্ত্রী হন। ২০১৯ সালের ভোটে সেখানে নিরঙ্কুশ জয় পায় বিজেপি। এবার ময়দানে কংগ্রেস (congress), এনপিপি সহ একাধিক দল থাকলেও সেখানে বিজেপির ক্ষমতা ফিরে আসার বিষয় কার্যত নিশ্চিত বলে মনে করা হচ্ছে। লোকসভার ভোটের গণনা দেশ জুড়ে ৪ জুন হলেও অরুণাচলের বিধানসভার ভোটের গণনা হবে ২ জুন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: কেজরিওয়ালের জামিন চেয়ে জনস্বার্থ মামলা খারিজ দিল্লি হাইকোর্টে

    Arvind Kejriwal: কেজরিওয়ালের জামিন চেয়ে জনস্বার্থ মামলা খারিজ দিল্লি হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) Extraordinary Bail চেয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল দিল্লি হাইকোর্টে। সোমবারই তা খারিজ হয়ে গেল। ওই আর্জিতে বলা হয়েছিল, কেজরিওয়ালের মুখ্যমন্ত্রীর মেয়াদ পূর্ণ হওয়া এবং যতক্ষণ না সমস্ত মামলার বিচার প্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত যেন জামিন মঞ্জুর করা হয়। দিল্লি হাইকোর্টের অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি মনমোহন এবং বিচারপতি মনমিত মিত্র প্রীতম সিং-এর ডিভিশন বেঞ্চ আবেদনকারীর আর্জি খারিজ করে দেয় এবং এর পাশাপাশি আবেদনকারীকে ৭৫ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।

    ভিত্তিহীন আর্জি

    এর কারণ হিসেবে দিল্লি হাইকোর্ট জানিয়েছে আর্জি একেবারেই ভিত্তিহীন। এর স্বপক্ষে কোনও কারণ নেই। এমনকি এই জনস্বার্থ আবেদনের জন্য অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) আবেদনকারীকে কোনও পাওয়ার অফ অ্যাটর্নিও দেননি। দিল্লি হাইকোর্টেবল সাফ জানিয়েছে, আম আদমি পার্টির নেতা বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন আদালতেরই নির্দেশে। জানা গিয়েছে, এই জনস্বার্থ মামলাটি দায়ের করেন ‘উই দা পিপল অফ ইন্ডিয়া’ নামে আইন বিষয়ের চতুর্থ বর্ষের এক ছাত্র। আদালতের আরও মন্তব্য একজন উচ্চ সরকারি পদে থাকা ব্যক্তিকে এ ধরনের Extraordinary Bail দেওয়া যায় না।

    আবেদনকারীর বক্তব্য

    ওই আবেদনকারী আরও জানিয়েছেন, তাঁর আবেদন যে তিহার জেলে অসংখ্য দাগী অপরাধী সাজা কাটছে। তাদের মধ্যে বোম বিস্ফোরণ, ধর্ষণ খুন ডাকাতি এই সমস্ত মামলার অপরাধীরা রয়েছে। এরকম একটি পরিবেশে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) প্রাণ সংশয়ের আশঙ্কা রয়েছে। এ নিয়ে অস্থায়ী বিচারপতি মনমোহন আবেদনকারীর উদ্দেশে বলেন, আপনি কি রোজ আইনের ক্লাসে উপস্থিত থাকেন? আমার তো মনে হয় না! তার কারণ আপনি আইনের মূলনীতি আদর্শের কিছুই বোঝেন না।

    কেজরিওয়ালের আইনজীবীও এই জনস্বার্থ মামলার বিরোধী

    আদালত এদিন আরও বিস্ময় প্রকাশ করে জানিয়েছে, আবেদনকারী পার্সোনাল বন্ডে কেজরিওয়ালের মুক্তির দাবি জানিয়েছেন। এর পাশাপাশি তদন্তে মুখ্যমন্ত্রী কোনও প্রভাব খাটাবেন না বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ওই আবেদনকারী। ঘটনাক্রমে কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) হয়ে মামলা লড়ছেন যিনি রাহুল মেহেরা, তিনিও এই পিটিশনের বিরোধ করেছেন। এটিকে তিনি বলেছেন যে পাবলিসিটির জন্য এ ধরনের পিটিশন দাখিল করা হয়েছে। প্রসঙ্গত আবগারি দুর্নীতি মামলায় মার্চের ২১ তারিখে গ্রেফতার হন অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share