Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Bangladeshi Arrest: বাংলায় জাল নথি বানিয়ে হিন্দু ‘সেজে’ বাস অনুপ্রবেশকারীর, গ্রেফতার বাংলাদেশি

    Bangladeshi Arrest: বাংলায় জাল নথি বানিয়ে হিন্দু ‘সেজে’ বাস অনুপ্রবেশকারীর, গ্রেফতার বাংলাদেশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুরাটে বাংলাদেশি মুসলমান গ্রেফতারে (Bangladeshi Arrest) বঙ্গ যোগ! পশ্চিমবঙ্গ থেকে জাল নথি বানিয়ে বাংলাদেশি মুসলমান হিন্দু ‘সেজে’ দিব্যি বাস করছিল গুজরাটের সুরাটে। ধরা পড়তেই ফাঁস বাংলার কেলেঙ্কারির পর্দা।

    বাংলায় জাল নথির রমরমা কারবার! (Bangladeshi Arrest)

    সীমান্তে নিরাপত্তার ফাঁক গলে বাংলাদেশ থেকে ঢুকে পড়ছে ভারতে। পরে হিন্দু সেজে দিব্যি বসবাস করছে এ দেশে। ধরা পড়ার পরে জানা যায়, তারা আদতে বাংলাদেশি, ধর্মে মুসলমান। দিন কয়েক আগে এমন খবর প্রকাশ করেছিল মাধ্যম। ফের প্রকাশ্যে এল এমন একটি খবর। এবার ঘটনাস্থল গুজরাটের সুরাট। এখানকারই এক হিন্দু এলাকায় হিন্দু পরিচয়ে বাস করছিল বাংলাদেশি এই মুসলমান। রবিবার তাকে গ্রেফতার করে সুরাট পুলিশ। ভারতে পুলিশের চোখে ধুলো দিতে সে জাল নথিপত্রও বানিয়ে নিয়েছিল (Bangladeshi Arrest)। সেই নথি দেখিয়েই বাস করছিল সুরাট শহরে। প্রশাসন সূত্রে খবর, তার কাছে উদ্ধার হওয়া নথিপত্রগুলির মধ্যে রয়েছে ভারতীয় পাসপোর্ট, আধার কার্ড, পশ্চিমবঙ্গের একটি স্কুললিভিং সার্টিফিকেট, কাতার রেসিডেন্সি পারমিট এবং বাংলাদেশি পরিচয়পত্র সংক্রান্ত কাগজপত্র।

    মুসলমান হয়েও হিন্দু নাম!

    পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তে জানা গিয়েছে, ধৃতের আসল নাম মিনার হেমায়েত সর্দার। ২০২০ সালে সে ভারতে অনুপ্রবেশ করে। ভারতে চলে আসার পর একাধিক জাল নথিপত্র তৈরি করে সে। মুসলমান পরিচয় লুকিয়ে সে নাম নিয়েছিল শুভ দাস। জাল নথিগুলো সে বানিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গে। বঙ্গেরই নদিয়া জেলা থেকে নকল পাসপোর্ট জোগাড় করেছিল এই সব জাল নথি দেখিয়ে। তদন্তকারীরা জেনেছেন, জাল পাসপোর্ট বানিয়েই ২০২১ সালে মিনার ঘুরে এসেছে দোহা, কাতার। ২০২৩ সাল পর্যন্ত সেখানেই সে কাজ করত শ্রমিক হিসেবে। চলতি বছর সে ফিরে আসে সুরাটে। এখানেই নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিল সে। মিনারকে জেরা করছে পুলিশ।

    পুলিশের দাবি, জেরায় অপরাধ কবুল করেছে সে। তাকে জেরা করে এই জাল নথিপত্র বানানোর চক্রের হদিশ পেতে চাইছে পুলিশ। গুজরাটের পুলিশ প্রতিমন্ত্রী হর্ষ সাংভি এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “বাংলাদেশি মুসলমান এক ব্যক্তি তার মুসলিম পরিচয় গোপন করে পশ্চিমবঙ্গ সরকার সাহায্যপ্রাপ্ত মাদ্রাসার সাহায্যে হিন্দু নামে জাল সার্টিফিকেট বানিয়েছিল।” ঘটনার কড়া সমালোচনা করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “বাংলাদেশি মুসলিমদের হিন্দু করার নথিপত্রের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে বাংলার মাদ্রাসাগুলিকে। মাদ্রাসাগুলির জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ৫ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা বাজেট অনুমোদন নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এতে কি তাহলে রাজ্য সরকারের সমর্থন রয়েছে (Bangladeshi Arrest)?”

    আর পড়ুন: ‘‘হিন্দুরা নয়, শুধুমাত্র একটি ধর্মই সাম্প্রদায়িকতা ছড়ায়’’, তোপ হিমন্তের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uttar Pradesh: প্রশ্ন ফাঁস থেকে শিক্ষা! কড়া আইন আনছে যোগী সরকার

    Uttar Pradesh: প্রশ্ন ফাঁস থেকে শিক্ষা! কড়া আইন আনছে যোগী সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘নিট’ এবং ‘নেট’ পরীক্ষা নিয়ে বিতর্ক চরমে। উঠছে জালিয়াতির অভিযোগ এবং প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ। কেন্দ্রীয় শিক্ষা দফতরের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ আনছে বিরোধীরা। এমতাবস্থায় উত্তরপ্রদেশ সরকার একটি নতুন আইন আনতে চলেছে। পরীক্ষার আগে প্রশ্ন ফাঁস রুখতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে যোগী সরকারের তরফে।  

    প্রশ্ন ফাঁস রুখতে যোগী রাজ্যে আসছে আইন

    জানা গিয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকার প্রশ্ন ফাঁস রুখতে এমন একটি কড়া আইন আনতে চলেছে, যেখানে থাকছে কঠিন শাস্তির বিধান। থাকবে মোটা অংকের জরিমানা থেকে জেলের ব্যবস্থা। এমনকি বুলডোজার দিয়ে বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার বিধানও থাকতে পারে। সূত্রের খবর ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি ‘নেট’ এবং ‘নিট’ পরীক্ষা বাতিল ঘোষণা করতেই উত্তরপ্রদেশ সরকার এ বিষয়ে কঠোর আইন আনতে তৎপর হয়েছে। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আলাদা প্রিন্টার থেকে ছাপানো হবে দুটি সেটে প্রশ্নপত্র।  এমনকি উত্তর পত্রে কোডিং-এর ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা ব্যবস্থা থাকবে। পরীক্ষার কেন্দ্র হবে একমাত্র সরকারি স্কুল ডিগ্রী কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, পলিটেকনিক এবং ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, কিংবা মেডিকেল কলেজ। তাও আবার যে সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের রেকর্ড ভালো সেগুলিকে সেন্টার হিসেবে বেছে নেওয়া হবে। প্রত্যেকটি সেন্টারে সিসিটিভি থাকবে। চারটি ভিন্ন এজেন্সি নিয়োগ করা হবে যারা পরীক্ষার যাবতীয় দায়িত্বে থাকবে। বাড়ির কাছে পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা বন্ধ করার পরিকল্পনা নিয়েছে উত্তর প্রদেশ সরকার। পরীক্ষা কেন্দ্র হোম ডিভিশনের বাইরে থাকবে। তবে বিশেষভাবে সক্ষম ও মহিলাদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। কিন্তু এই নিয়মের ফাঁক গলে কেউ যাতে টুকলি না করে তার জন্য সুরক্ষা ব্যবস্থা কড়া রাখা হবে।

    আইনে থাকছে কড়া শাস্তির বিধান

    যদি কোন ক্ষেত্রে ৪ লক্ষের বেশি পরীক্ষার্থী হয়, তাহলে দুই ভাগে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করতে করা হবে। রেজাল্টে যাতে কোন অনিয়ম না থাকে, তার জন্য কমিশন ও বোর্ড ও এমআর শিট স্ক্যান করার দায়িত্বে থাকবে। প্রশ্নপত্রে থাকবে সিক্রেট কোড। পাশাপাশি ইউনিক বারকোড, কিউআর কোড এবং সিরিয়াল নম্বরও থাকবে । প্রশ্নপত্র ট্যাম্পার প্রুফ, মাল্টিলেয়ার প্যাকেজিং করে

    আরও পড়ুন: ‘‘হিন্দুরা নয়, শুধুমাত্র একটি ধর্মই সাম্প্রদায়িকতা ছড়ায়’’, তোপ হিমন্তের

    বহন করে নিয়ে যাওয়া হবে। এছাড়াও পরীক্ষা কেন্দ্রে কোন স্মার্টফোন কিংবা ক্যামেরা নিয়ে ঢোকা যাবে না। প্রিন্টিং প্রেসেও স্মার্টফোন এবং ক্যামেরা নিয়ে প্রবেশ নিষেধ থাকবে। প্রেস চত্বরে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো থাকবে। এবং সেই রেকর্ডিং এক বছরের জন্য সংরক্ষণ করে রাখা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: দেশে বন্যা মোকাবিলায় উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ

    Amit Shah: দেশে বন্যা মোকাবিলায় উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিবছর বর্ষাকালে দেশের একাধিক রাজ্য বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটে জীবন হানি। ঘরছাড়া হয় মানুষ। চলতি বছরেও ইতিমধ্যে বন্যা দেখা দিয়েছে অসমে। রবিবার দেশে বন্যা মোকাবিলার জন্য এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। প্রসঙ্গত, বিহার, অসম, উত্তরাখণ্ড, কেরল, তামিলনাড়ু ও জম্মু-কাশ্মীর প্রতিবছর বর্ষাতেই খবরের শিরোনামে থাকে বন্যার কারণে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এক আধিকারিক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, অমিত শাহ উচ্চ পর্যায়ের এই বৈঠকটি পরিচালনা করেছেন এবং দেশে বন্যা মোকাবিলার সামগ্রিক প্রস্তুতিও পর্যালোচনা করেছেন।

    কারা হাজির ছিলেন উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে 

    প্রসঙ্গত, বন্যার পাশাপাশি প্রবল বর্ষণে উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশ ও সিকিমের মতো পার্বত্য রাজ্যে ধস নামতেও দেখা যায়। যেখানে জীবন হানিও ঘটে। এগুলি নিয়েও আলোচনা হয়েছে বৈঠকে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর (Amit Shah) সভাপতিত্বে হওয়া এই বৈঠকে এদিন হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রী সি আর পাতিল, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই, স্বরাষ্ট্র, জলসম্পদ, নদী উন্নয়ন, পরিবেশ ও সড়ক পরিবহন দফতরের আধিকারিকরা, রেলওয়ে বোর্ডের চেয়ারম্যান ও অন্যান্য মন্ত্রকের সচিবরা।

    বন্যায় বিপর্যস্ত অসম

    প্রসঙ্গত, বর্তমানে অসমের বেশ কয়েকটি জেলা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত। দশটি জেলায় ১ লাখ ১৭ হাজারেরও বেশি মানুষ বন্যার জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ইতিমধ্যে এ নিয়ে সামনে এসেছে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার একটি ট্যুইটও। যেখানে তিনি জানিয়েছেন, অসমের ৯৬৮টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বর্তমানে অসমে ১৩৪টি ত্রাণ শিবির চলছে বলে জানা গিয়েছে। এই শিবির গুলিতে আশ্রয় নিয়েছেন ১৭ হাজার ৬৬১ জন মানুষ। জানা গিয়েছে, অসমের কুশিয়ারা নদী বর্তমানে বিপদসীমার উপরে বইছে। তবে শনিবারই অসমে বন্যার পরিস্থিতি আগের চেয়ে কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে, কারণ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা কমেছে। এমনটাই জানিয়েছে অসমের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর। জানা গিয়েছে, বন্যার জেরে অসমে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ২,২০, ৫৪৬টি প্রাণী। যার মধ্যে রয়েছে ৪৭ হাজার ৭৯৫টি পোলট্রি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chhattisgarh News: ছত্তিশগড়ে মাওবাদীদের ঘাঁটিতে মিলল জাল নোট ও তৈরির সরঞ্জাম

    Chhattisgarh News: ছত্তিশগড়ে মাওবাদীদের ঘাঁটিতে মিলল জাল নোট ও তৈরির সরঞ্জাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ে (Chhattisgarh News) অভিযান চালিয়ে বড়সড় সাফল্য পেল বাহিনী। মাওবাদী বিরোধী অভিযানে উদ্ধার হল জাল নোট এবং তা তৈরীর সরঞ্জাম। এতেই প্রমাণ হচ্ছে মাওবাদীরা গুলি-বন্দুকের লড়াইয়ের পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে দেশকে পঙ্গু করতে জাল নোটের কারবারও চালাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অর্থের অভাবে ধুঁকছে মাওবাদীরা। জাল নোটের কারবার তাদের সেই সমস্যা থেকেও মুক্তি দিচ্ছে। তবে যৌথ বাহিনীর অভিযানে তাদের নয়া কৌশল অনেকটাই পিছিয়ে পড়ল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। প্রসঙ্গত, প্রথমবার কোনও মাওবাদী বিরোধী অভিযানে এমন জাল নোট ছাপানোর সরঞ্জাম খুঁজে পেল বাহিনী।

    করাজগুরার জঙ্গলে অভিযানে নামে সুকমা পুলিশ ও সিআরপিএফের যৌথ বাহিনী

    নিরাপত্তা বাহিনীর আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, জাল নোটের এমন কারবারে স্থানীয় অর্থনীতি পঙ্গু হয়ে যেতে পারে। প্রসঙ্গত, গতকালই ছত্তিশগড় রাজ্যের করাজগুরার জঙ্গলে (Chhattisgarh News) অভিযানে নামে সুকমা পুলিশ ও সিআরপিএফের যৌথ বাহিনী। সেখানেই মেলে জাল নোট ও তা তৈরি করার সরঞ্জাম। ছত্তিশগড় পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিক কিরণ চৌহান সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, গোপন সূত্রে খবর পেয়েই তাঁরা এই অভিযানে নামেন। গোয়েন্দারা তাঁদের আগে থাকতেই খবর দিয়েছিল যে মাওবাদীরা জাল নোটের কারবার শুরু করেছে। যদিও যৌথ বাহিনী সেখানে পৌঁছানোর আগেই মাওবাদীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। কিন্তু তাদের গোপন ডেরায় মেলে নোট ছাপানোর মেশিন, কালি, টেমপ্লেট সমেত ৫০ টাকা, ১০০ টাকা, ২০০ টাকা ও ৫০০ টাকার জাল নোট। এর পাশাপাশি উদ্ধার হয়েছে একটি বন্দুক, একটি ওয়ারলেস সেট এবং বিপুল পরিমাণে বিস্ফোরকও।

    জাল-মুদ্রার ব্যবহার স্থানীয় অর্থনীতিকেও দুর্বল করে দিতে পারে

    প্রশাসনের আধিকারিকদের মতে, যেভাবে মাওবাদীরা নোট ছাপাতে শুরু করেছে, এতে বোঝা যাচ্ছে যে তারা আর্থিকভাবে ঘাটতির সম্মুখীন হচ্ছে। সাধারণভাবে ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh News) জঙ্গল অধ্যুষিত স্থানীয় বাজারগুলি থেকেই তারা তাদের প্রয়োজনীয় রসদ কেনে। গোয়েন্দাদের ভাবাচ্ছে, লেনদেনে এই জাল-মুদ্রার ব্যবহার স্থানীয় অর্থনীতিকেও দুর্বল করে দিতে পারে। জাল নোটের কারবারের মোকাবিলার জন্য গ্রামে গ্রামে সচেতনতামূলক প্রচার চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী এবং বাসিন্দাদের সতর্ক করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি সন্দেহজনক যেকোনও টাকা নিতে বারণ করা হচ্ছে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, মাওবাদীরা এই কারবার শুরু করে ২০২২ সাল থেকে এবং সংগঠনে যেভাবে আর্থিক ঘাটতি হচ্ছে তা মোকাবিলা করার জন্যই তারা এই কৌশলকে অবলম্বন করে। স্থানীয় এলাকাভিত্তিক যে কমিটি রয়েছে মাওবাদীদের, সেখানকার একজন সদস্যকে জাল নোট তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে বলেও গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ

  • Himanta Sarma: ‘‘হিন্দুরা নয়, শুধুমাত্র একটি ধর্মই সাম্প্রদায়িকতা ছড়ায়’’, তোপ হিমন্তের

    Himanta Sarma: ‘‘হিন্দুরা নয়, শুধুমাত্র একটি ধর্মই সাম্প্রদায়িকতা ছড়ায়’’, তোপ হিমন্তের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘হিন্দুরা নয়, শুধুমাত্র একটি ধর্মই সাম্প্রদায়িকতা ছড়ায়’’, শনিবার এমনই দাবি করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Sarma)। তাঁর আরও দাবি, বাংলাদেশের সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের মানুষেরা যারা ঘাঁটি গেড়েছে অসমে তারা লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসকে বিপুল ভোট দিয়েছে। কেন্দ্র ও রাজ্যের বিজেপি সরকারের একাধিক সুবিধা নেওয়ার পরেও তারা এই কাজ করেছে বলে তোপ দাগেন হিমন্ত।

    বিজেপি জোট অসমের মোট ভোটের ৪৭ শতাংশ পেয়েছে 

    প্রসঙ্গত, শনিবার অসমের দলের রাজ্য দফতরে বিজেপি এবং জোট সঙ্গী বিজয়ী সাংসদদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ছিল। সেখানেই বক্তব্য রাখেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তিনি বলেন, ‘‘বিজেপি জোট অসমের মোট ভোটের ৪৭ শতাংশ পেয়েছে। যেখানে কংগ্রেস ও তার জোট সঙ্গীরা মাত্র ৩৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে।’’ প্রসঙ্গত ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ১৪টি লোকসভা আসনের মধ্যে ১১টিতেই জিতেছে বিজেপি ও তার সহযোগী দলগুলি। অন্যদিকে, মাত্র তিনটি আসনে জয়লাভ করেছে কংগ্রেস। এ দিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Sarma) আরও বলেন, ‘‘যদি আমরা কংগ্রেসের ৩৯ শতাংশ ভোটকে বিশ্লেষণ করে তবে দেখব যে সারা রাজ্য জুড়ে তারা এই ভোট পায়নি। মাত্র ৫০ শতাংশ সংখ্যালঘু অধ্যুষিত ২১টি বিধানসভাতেই এই ভোট তারা পেয়েছে। এই সংখ্যালঘু অধ্যুষিত অঞ্চলগুলিতে বিজেপি মাত্র ৩ শতাংশ ভোট পেয়েছে।’’

    কেন্দ্রের সুবিধা নিয়ে কংগ্রেসকে ভোট

    এরপরই তিনি তোপ দেগে বলেন, ‘‘করিমগঞ্জ ছাড়া বাকি বাংলাদেশী মুসলিম অধ্যুষিত কেন্দ্রগুলিকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে যে সেখানে ৯৯ শতাংশ ভোটই কংগ্রেসের কাছে গিয়েছে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ে ওই মানুষগুলি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দেওয়া বাড়িতে বসবাস করছেন, মোদিজীর দেওয়া বিদ্যুৎ এবং শৌচাগারের সুবিধা নিচ্ছেন। কিন্তু যখন তাঁরা ভোট দিতে যাচ্ছেন তখন কংগ্রেসকেই দিয়ে দিচ্ছেন।’’

    ১২৬টি বিধানসভার মধ্যে ৯২টিতে জিতে রয়েছে বিজেপি জোট

    তিনি আরও অভিযোগ করেছেন, ‘‘রাজ্যের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যরা লক্ষ্মীপুরের একটি থানায় আক্রমণ করেছিল। কোকরাঝোড়ে জমি দখলেরও চেষ্টা করেছিল। এই ঘটনাগুলি ঠিক তখনই ঘটে যখন রাজ্যে আদর্শ নির্বাচনবিধি লাগু হয়ে যায়।’’ এরপরই তিনি বলেন, ‘‘যখন বিজেপি সরকার থাকবে না অসমে, তখন এমন কত হামলা হবে তা কল্পনা করা যায় না।’’ তিনি আরও জানিয়েছেন, লোকসভা ভিত্তিক ফলাফলে দেখা যাচ্ছে অসমে ১২৬টি বিধানসভার মধ্যে ৯২টিতে জিতে রয়েছে বিজেপি জোট। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পঞ্চাশ শতাংশ ভোট পাওয়ার কথাও বলেছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Sarma)।

     

      দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NEET UG Scam: নিট কেলেঙ্কারির শেকড়ে পৌঁছতে এবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ

    NEET UG Scam: নিট কেলেঙ্কারির শেকড়ে পৌঁছতে এবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট কেলেঙ্কারির (NEET UG Scam) শেকড়ে পৌঁছতে এবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ কেন্দ্রের। শনিবার কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে তদন্তভার। মোদি সরকারের নির্দেশ, নিট-ইউজি নিয়ে এখনও পর্যন্ত যত অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে, তার তদন্ত করবে কেন্দ্রীয় এই সংস্থা। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছিল কিনা, চক্রের চাঁই কে, এসবেরই তদন্ত করবে সিবিআই। জানা গিয়েছে, পরীক্ষা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই সিবিআই তদন্তের নির্দেশ।

    কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের বিবৃতি (NEET UG Scam)

    শনিবার কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে (NEET UG Scam), “নিট পরীক্ষা নিয়ে নির্দিষ্ট কিছু অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। পরীক্ষাকেন্দ্রে টুকলি করা, এক জনের হয়ে অন্য জনের পরীক্ষা দেওয়া, অসৎ উপায় অবলম্বন করা ইত্যাদি অভিযোগ রয়েছে। শিক্ষামন্ত্রক বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। পরীক্ষা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সিবিআইয়ের হাতে এর তদন্তভার তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।” বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “পরীক্ষার্থীদের স্বার্থরক্ষা ও পরীক্ষা পদ্ধতির স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর। এই ধরনের অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে, যে বা যারা এর সঙ্গে যুক্ত, তাদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।”

    পরীক্ষায় কেলেঙ্কারি

    প্রসঙ্গত,  গত ৫ মে হয় নিট-ইউজি পরীক্ষা। দেশজুড়ে ৪ হাজার ৭৫০টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা হয়েছিল। পরীক্ষা দিয়েছিলেন ২৪ লাখের কাছাকাছি পরীক্ষার্থী। এই পরীক্ষায় ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ৬৭ জন ৭২০ নম্বরের পরীক্ষায় ফুল মার্কস পেয়েছেন। গ্রেস নম্বর দেওয়া হয়েছে ১ হাজার ৫৬৩জনকে। অনিয়মের অভিযোগে পরীক্ষা নিয়ামক সংস্থা এনটিএকে ভর্ৎসনা করেছে সুপ্রিম কোর্ট। নিটকাণ্ডে গ্রেফতারও করা হয়েছে ১৯ জনকে। এদের মধ্যে মাস্টারমাইন্ড রবি অত্রিও রয়েছে। তবে আর এক অভিযুক্ত অতুল বৎসের খোঁজ এখনও মেলেনি। ধৃতেরা স্বীকারও করে নিয়েছে, টাকার বিনিময়ে পরীক্ষার আগের দিনই বিক্রি করা হয়েছিল প্রশ্ন।

    আর পড়ুন: বায়োমেট্রিক-নির্ভর আধার যাচাই চালুর সিদ্ধান্ত, জিএসটি বৈঠক শেষে জানালেন নির্মলা

    এদিকে, শনিবার (NEET UG Scam) অপসারণ করা হয়েছে এনটিএর ডিজি সুবোধ কুমার সিংকে। এই সংস্থাই নিয়েছিল পরীক্ষা। সুবোধের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন আইএএস অফিসার প্রদীপ সিং খারোলা। বর্তমানে তিনি ইন্ডিয়া ট্রেড প্রমোশন অর্গানাইজেশনের চেয়ারম্যান এবং ম্যানেজিং এডিটর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Gst Council Meeting: বায়োমেট্রিক-নির্ভর আধার যাচাই চালুর সিদ্ধান্ত, জিএসটি বৈঠক শেষে জানালেন নির্মলা

    Gst Council Meeting: বায়োমেট্রিক-নির্ভর আধার যাচাই চালুর সিদ্ধান্ত, জিএসটি বৈঠক শেষে জানালেন নির্মলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভুয়ো ইনভয়েসের মাধ্যমে আধার যাচাই করা হত। তাতে রাশ টানতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে গোটা দেশে বায়োমেট্রিক-নির্ভর আধার কার্ড যাচাই প্রক্রিয়া চালুর।” শনিবার নয়াদিল্লিতে জিএসটি কাউন্সিলের ৫৩তম বৈঠকের (Gst Council Meeting) পর কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ। এদিনের বৈঠকে একাধিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    জিএসটি ছাড়ের সিদ্ধান্ত (Gst Council Meeting)

    রেল ক্ষেত্রে বেশ কিছু পরিষেবায় জিএসটি ছাড়ের কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। হস্টেল খরচ কমানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। সীতারামণ জানান, দেশজুড়ে বায়োমেট্রিক-নির্ভর আধার কার্ড যাচাই প্রক্রিয়া চালু করা হবে। গুজরাট ও পুদুচেরিতে এই প্রক্রিয়া পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছিল। তা সফল হয়েছে। এবার দেশজুড়ে ধাপে ধাপে তা বাস্তবায়িত করা হবে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জানান, ভারতীয় রেল সাধারণ যাত্রীদের যে পরিষেবাগুলি দেয়, সেগুলিকে জিএসটির (Gst Council Meeting) আওতার বাইরে রাখা হবে।

    হস্টেলে জিএসটি নয়!

    কাউন্সিলের দেওয়া প্রস্তাব অনুযায়ী, রেলের বেশ কিছু পরিষেবায় জিএসটি ছাড় দেওয়া হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে প্লাটফর্ম টিকিট, ওয়েটিং রুম, রিটায়ারিং রুম এবং ব্যাটারিচালিত গাড়ি পরিষেবা। এর পাশাপাশি প্রস্তাবে বলা হয়েছে, যাঁরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাইরের হস্টেলে থাকেন বা ভবিষ্যতে থাকার কথা ভাববেন, তাঁদের জন্য জিএসটি ধার্য করা হবে না। এতদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাইরে হস্টেলে থাকলে জিএসটি দিতে হত আবাসিকদের। নয়া প্রস্তাব গৃহীত হলে, তা আর গুণতে হবে না। কিছু ক্ষেত্রে জিএসটির পরিমাণ কমানোর প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, সোলার কুকারের মতো পণ্যও। এতদিন সোলার কুকারের ক্ষেত্রে জিএসটি দিতে হত ১৮ শতাংশ। এই হার কমিয়ে ১২ শতাংশ করার কথা বলা হয়েছে। কার্টন বক্সের ওপরও জিএসটির হার কমানোর প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।

    আর পড়ুন: কাঁকসায় তৃণমূল সমর্থকের ছেলে জঙ্গি! গ্রেফতার করল এসটিএফ

    সীতারামণ বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার চায় পেট্রল-ডিজেলকে জিএসটির আওতায় আনতে।” তবে এনিয়ে এদিন যে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি, তাও জানিয়ে দেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, “জিএসটি কাউন্সিলের ফিটমেন্ট কমিটি কো-ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়ামের কাছ থেকে ফরমাল রিকোয়েস্ট পেয়েছে। যদিও এ বিষয়ে এদিনের বৈঠকে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। পরবর্তী বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হতে পারে (Gst Council Meeting)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • NEET Scam: অপসারিত এনটিএ-র ডিজি, নয়া ডিজি হলেন প্রদীপ সিংহ খারোলা

    NEET Scam: অপসারিত এনটিএ-র ডিজি, নয়া ডিজি হলেন প্রদীপ সিংহ খারোলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির (NTA) ডিরেক্টর জেনারেল সুবোধ কুমার সিংকে অপসারিত করা হল। প্রবল ‘নিট প্রশ্ন ফাঁস’ (NEET Scam) বিতর্কের জেরে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। ডিজি পদে আসীন হয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত আইএএস আধিকারিক প্রদীপ সিংহ খারোলা। শনিবার কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি নতুন উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে এনটিএ-তে যাতে অবাধ এবং স্বচ্ছ পরীক্ষা নিতে পারে ওই সংস্থা। এবিষয় খতিয়ে দেখবে সদ্যনিযুক্ত ওই কমিটি।

    কম্পালসারি ওয়েটিং-এ এনটিএ-র ডিজি সুবোধ কুমার সিং

    জানা গিয়েছে সুবোধ কুমার সিংকে পার্সোনেল এন্ড ট্রেনিং বিভাগে কম্পালসারি ওয়েটিং-এ পাঠানো হয়েছে। দেশজুড়ে প্রবল আন্দোলনের মধ্যেই এই নয়া সিদ্ধান্ত এসেছে কেন্দ্র সরকারের তরফে। এমনকি নিট পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ২০২৪ পরীক্ষা যা ২৩ জুন হওয়ার কথা ছিল সেটিকে রদ করে দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত নিট (NEET UG) পরীক্ষায় ৬৭ জন পরীক্ষার্থী ফুল মার্ক্স ৭২০ পাওয়ার পরেই গোটা বিষয়টি সন্দেহের আওতায় আসে। এমনকি কিছু পরীক্ষার্থী এমন নম্বর পান যার নিটের বিধানেই নেই। প্রায় দেড় হাজার পড়ুয়াকে গ্রেস মার্কস দেওয়া হয়। তারপরেই (NEET Scam) সন্দেহ জোরালো হতেই ধীরে ধীরে এই ঘটনার এক একটি পরত সামনে আসে।

    প্রাক্তন ইসরো প্রধানের নেতৃত্বে কমিটি গঠন

    ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA) ইউজিসি নেট (UGC NET) পরীক্ষাও বাতিল করেছে। ১৮ জুন ওই পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ৯ লক্ষ পরীক্ষার্থী নিয়েছিলেন। সেই প্রশ্নপত্র ডার্কওয়েবে ফাঁস হয়ে যায়। ফলে যারা ভবিষ্যতে গবেষণা করবেন ভেবেছিলেন তাঁদের ভাগ্যও প্রশ্নফাঁস বিতর্কের জেরে ঝুলে রয়েছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেছেন (NEET Scam) এই ঘটনা ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির সাংগঠনিক দুর্বলতার জেরে হয়েছে। প্রসঙ্গত এনটিএ দেশের বড় মাপের প্রবেশিকা পরীক্ষাগুলি পরিচালনা করে। ডাক্তারির সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষায় যে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে তার জেরে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির মান ও কর্ম্পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এমতাবস্থায় শনিবার সরকার ইসরোর প্রাক্তন প্রধান ডক্টর কে আর রাধাকৃষ্ণের নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের

    আরও পড়ুন: নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসে গ্রেফতার মাস্টারমাইন্ড রবি, অতুল কোথায়?

    কমিটি গঠন করেছে যা এনটিএ-র কর্মপদ্ধতিতে কোথায় গলদ হয়েছে তা খতিয়ে দেখবে। সাত সদস্যের ওই কমিটি পরীক্ষা নেওয়ার পদ্ধতি, প্রশ্নপত্র তৈরি করার পদ্ধতি, তথ্যের সুরক্ষা এবং সংস্থার কর্মপদ্ধতি খতিয়ে দেখবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করবে। এই কমিটিকে দু মাসের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।

    সিবিআইকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রক (NEET Scam)

    অন্যদিকে সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যতদিন না পর্যন্ত পরবর্তী নির্দেশ আসছে ততদিনই ততদিন প্রদীপ খারোলা এনটিএর দায়িত্ব সামলাবেন। এখন অবধি নিট কেলেঙ্কারি (NEET Scam) মামলায় ১৯ জন গ্রেফতার হয়েছেন। এমনকি এই অনিয়মের তদন্তভার সিবিআইকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NEET Scam: নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসে গ্রেফতার মাস্টারমাইন্ড রবি, অতুল কোথায়?

    NEET Scam: নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসে গ্রেফতার মাস্টারমাইন্ড রবি, অতুল কোথায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসে (NEET Scam) গ্রেফতার মাস্টারমাইন্ড রবি অত্রি। শনিবার গ্রেটার নয়ডার নিমকা গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স। তদন্তে নেমে পুলিশ জেনেছে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের নেপথ্যে রয়েছে ‘সলভার গ্যাং’। এই গ্যাংয়েরই অন্যতম মাথা রবি। সব মিলিয়ে শনিবার সন্ধে পর্যন্ত প্রশ্ন ফাঁস কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার ১৯।

    অতুল কোথায়? (NEET Scam)

    শুক্রবারই ঝাড়খণ্ডের দেওঘর থেকে সিকন্দার যাদবেন্দ্র নামে এক সন্দেহভাজন সহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তার আগে গ্রেফতার করা হয়েছিল আরও ১৩ জনকে। তদন্তকারীরা জেনেছেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসে নিজের সলভার গ্যাংকে কাজে লাগিয়েছিল রবি। ওই কেলেঙ্কারিতে অতুল বৎস, সিকন্দর যাদবেন্দ্র, সঞ্জীব মুখিয়ার পাশাপাশি উঠে এসেছিল রবির নামও। সিকন্দর, সঞ্জীব এবং রবিকে গ্রেফতার করা গেলেও, এদিন সন্ধে পর্যন্তও নাগাল পাওয়া যায়নি অতুলকে।

    রবির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে আগেও

    এই প্রথম নয়, রবির বিরুদ্ধে প্রশ্নফাঁসের (NEET Scam) অভিযোগ উঠেছে আগেও। ২০১২ সালেই মেডিক্যালের প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাকে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিজ্ঞতা রয়েছে অতুল এবং সঞ্জীবেরও। তারা বিহারের পাটনা ও নালন্দায় প্রশ্নপত্র ফাঁস করেছিল বলে দাবি পুলিশের।

    মেডিক্যালের প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে ২০০৭ সালে রাজস্থানের কোটায় গিয়েছিল রবি। পরীক্ষা প্রস্তুতি নেওয়ার সময়ই ‘সলভার গ্যাং’য়ের সংস্পর্শে আসে সে। ২০১২ সালে নিট পাশ করে সে ভর্তি হয়েছিল হরিয়ানার রোহতক পিজিআইতে। মাঝপথে পড়া ছেড়ে দিয়ে সে অন্যের হয়ে পরীক্ষায় বসতে শুরু করে বলে অভিযোগ। পরে জড়িয়ে পড়ে প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রে। তার পর থেকে ক্রমেই দুর্নীতির জাল বিস্তার করেছিল সে।

    আর পড়ুন: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা পদ্ধতি সংস্কারে প্রাক্তন ইসরো প্রধানের নেতৃত্বে কমিটি

    পুলিশ জানিয়েছে, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র আগাম পেয়ে যেত রবির গ্যাং। পরে প্রশ্নগুলির উত্তর লিখে আপলোড করা হত সোশ্যাল মিডিয়ায়। এজন্য যে নেটওয়ার্ক রবি তৈরি করেছিল, তারই নাম ‘সলভার গ্যাং’।প্রসঙ্গত, এবার নিট পরীক্ষায় ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ৬৭ জন ৭২০ নম্বরের পরীক্ষায় ফুল মার্কস পেয়েছেন। গ্রেস নম্বর দেওয়া হয়েছে ১ হাজার ৫৬৩জনকে। অনিয়মের অভিযোগে পরীক্ষা নিয়ামক সংস্থা এনটিএকে ভর্ৎসনা করেছে সুপ্রিম কোর্ট (NEET Scam)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NEET NET Row: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা পদ্ধতি সংস্কারে প্রাক্তন ইসরো প্রধানের নেতৃত্বে কমিটি

    NEET NET Row: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা পদ্ধতি সংস্কারে প্রাক্তন ইসরো প্রধানের নেতৃত্বে কমিটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোটি কোটি টাকার বিনিময়ে ফাঁস করা হয়েছে প্রশ্নপত্র। নিট কিংবা নেট (NEET NET Row) পরীক্ষাকে ঘিরে গুচ্ছের অভিযোগ। এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে কড়া দাওয়াইয়ের পথে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার। সাফ জানিয়ে দিয়েছে, দেশের বিভিন্ন প্রবেশিকা ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়ম ও প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে নয়া আইন কার্যকর করবে সরকার।

    অনিয়ম রুখতে কমিটি

    গত ফেব্রুয়ারি মাসেই সংসদে পাশ হয়েছিল পাবলিক এগজামিনেশন (প্রিভেনশন অফ আনফেয়ার মিনস) অ্যাক্ট, ২০২৪ (NEET NET Row)। পরে তা আইনেও পরিণত হয়। সেই আইনই লাগু করা হয়েছে। এর পাশাপাশি পরীক্ষা নেওয়ার পদ্ধতিতেও সংস্কার ঘটাতে উদ্যোগী হয়েছে কেন্দ্র। পরীক্ষা পদ্ধতি সংস্কার করতে গড়া হয়েছে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি। পরীক্ষা নেওয়ার পদ্ধতিতে কী কী সংস্কার ঘটানো যেতে পারে তা নিয়ে মতামত জানাবে ওই কমিটি। দু’মাসের মধ্যে জমা দেবে রিপোর্ট।

    কারা রয়েছেন কমিটিতে

    কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান কে রাধাকৃষ্ণণ। রাধাকৃষ্ণণ আইআইটি কানপুরের বোর্ড অফ গভর্নর্সের চেয়ারপার্সনও। কমিটির সদস্যরা হলেন, এইমসের প্রাক্তন ডিরেক্টর রণদীপ গুরেরিয়া, সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অফ হায়দ্রাবাদের উপাচার্য বিজে রাও, আইআইটি দিল্লির ডিন অফ স্টুডেন্টস  অ্যাফেয়ার্স আদিত্য মিত্তল, আইআইটি মাদ্রাজের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রাক্তন অধ্যাপক রামামূর্তি কে, শিক্ষামন্ত্রকের যুগ্মসচিব গোবিন্দ জয়সওয়াল এবং কর্মযোগী ভারতের বোর্ড সদস্য পঙ্কজ বনসল। ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির কর্মপদ্ধতিতে সংশোধন ঘটাতে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠনের কথা বৃহস্পতিবারই জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। সেই মতো গড়া হয়েছে কমিটি।

    আর পড়ুন: বাম দুর্গেও ফুটল পদ্ম, কেরল পদ্মময় হতে কত দেরি?

    শনিবারই কমিটির সদস্যদের নাম প্রকাশ করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। এনটিএ পরীক্ষা নেওয়ার পদ্ধতিতে কী কী সংশোধন ঘটানো যায়, তথ্য সংক্রান্ত নিরাপত্তা, পরীক্ষার সমগ্র পরিকাঠামোয় কী কী পরিবর্তন আনা যায়, তা নিয়ে রিপোর্ট দেবে ওই কমিটি। প্রসঙ্গত, পাবলিক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়ম ও দুর্নীতি রুখতে পাবলিক এগজামিনেশন (প্রিভেনশন অফ আনফেয়ার মিনস) অ্যাক্ট, ২০২৪ লাগু করে কেন্দ্র। এই আইনের আওতায় দোষী ব্যক্তির ১০ বছরের জেলের পাশাপাশি এক কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। দুর্নীতি রুখতে তিন থেকে পাঁচ বছরের সাজার বিধানও রয়েছে আইনে। সংগঠিতভাবে নকল করার অপরাধে যুক্ত থাকলে হতে পারে পাঁচ থেকে ১০ বছরের জেল এবং ন্যূনতম ১ কোটি টাকা জরিমানা (NEET NET Row)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share