Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Lok Sabha Election 2024: প্রথম চার দফায় দেশে ভোটের হার কত? জানাল কমিশন

    Lok Sabha Election 2024: প্রথম চার দফায় দেশে ভোটের হার কত? জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) চতুর্থ দফা ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। আগামী ২০ ও ২৫ মে হবে পঞ্চম ও ষষ্ঠ দফার ভোট। সপ্তম দফার ভোট হবে ১লা জুন। কিন্তু তার আগে প্রথম চার দফার ভোটের শেষে দেশে কত শতাংশ ভোট পড়েছে তা জানাল ভারতের নির্বাচন কমিশন। কমিশন জানিয়েছে লোকসভা নির্বাচনের প্রথম চার দফায় (First 4 phases) ৬৬.৯৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। অর্থাৎ লোকসভা নির্বাচনের প্রথম চার ধাপে চারশো পঞ্চাশ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ ভোট দিয়েছেন।  

    কোন দফায় কত ভোট? (Lok Sabha Election 2024) 

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ৪৫ কোটি ১০ লাখের বেশি ভোটার ভোট দিয়েছেন। লোকসভা নির্বাচনের প্রথম চার ধাপে (First 4 phases) ভোটারের উপস্থিতি ৬৬.৯৫ শতাংশ, যা ২০১৯ সালের ৬৭.৪ শতাংশের তুলনায় সামান্য পিছিয়ে। জানা গিয়েছে প্রথম ধাপে ভোটদানের ব্যবধান ২০১৯ সালের তুলনায় ৩.৭৫ শতাংশ পিছিয়ে ছিল, দ্বিতীয় ধাপে তা ২.৯৩ শতাংশ হয় এবং তৃতীয় ধাপে তা কমে ১.৩২-শতাংশে নেমে এসেছে। ২০১৯ সালের তুলনায় এবছর প্রথম তিন দফায় ভোটদানের হার কমেছে। চতুর্থ দফার ভোটের (Lok Sabha Election 2024) চূড়ান্ত পরিসংখ্যান এখনও প্রকাশ করতে পারেনি কমিশন। তবে চতুর্থ পর্বে ভোটদান গতবারের চেয়ে বেশি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।  

    আরও পড়ুন: শহরের এক ডজন জায়গায় আয়কর হানা! ভোটের আবহে উদ্ধার টাকার পাহাড়

    নির্বাচন কমিশনারের বক্তব্য 

    নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার বলেছেন যে, ” যত বেশি ভোটারের উপস্থিতি বাড়বে “ভারতীয় গণতন্ত্রের শক্তি” সম্পর্কে বিশ্ব এক অন্য বার্তা পাবে।” পাশাপাশি আইপিএল ম্যাচ, বিমানবন্দর, রেলস্টেশন, টেলিকম এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ইত্যাদিতে ভোটার সচেতনতা প্রচারের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন,”কমিশন দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে অংশীদারিত্ব এবং সহযোগিতা ভোটার সচেতনতা কর্মসূচির অপরিহার্য স্তম্ভ।  এটা সত্যিই আনন্দের যে কমিশনের অনুরোধে, বিভিন্ন প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠানগুলি ভোটারদের ভোটদানে (Lok Sabha Election 2024) উৎসাহিত করতে সক্ষম হয়েছে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ED: মামলা চললে পিএমএলএতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা যাবে না, ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ

    ED: মামলা চললে পিএমএলএতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা যাবে না, ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডির (ED) পায়ে বেড়ি পরাল সুপ্রিম কোর্ট। বৃহস্পতিবার শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, বিশেষ আদালতে বিচারাধীন বেআইনি আর্থিক লেনদেন প্রতিরোধ আইন মামলার ১৯ নম্বর ধারায় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পারবে না ইডি। তেমন কোনও অভিযু্ক্তকে হেফাজতে রাখতে চাইলে সংশ্লিষ্ট বিশেষ আদালতে আবেদন করতে হবে ইডিকে।

    ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ (ED)

    এদিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি অভয় এস ওকা এবং উজ্জ্বল ভুঁইয়ার ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, ‘যদি একজন অভিযুক্ত সমনে সাড়া দিয়ে আদালতে হাজির হন, তবে তাঁকে গ্রেফতার করতে হলে ইডিকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট আদালতেই আবেদন করতে হবে। আদালতের অনুমতি ছাড়া হাজিরা দেওয়া অভিযুক্তকে হেফাজতে নিতে পারবে না ইডি (ED)’। ডিভিশন বেঞ্চের আরও নির্দেশ, পিএমএলএ মামলায় অভিযুক্ত যদি সমন মেনে আদালতে হাজিরা দেন, তবে তাঁর আদালাভাবে জামিনের আবেদন করার কোনও প্রয়োজন নেই।

    কী বলল আদালত?

    আদালত জানিয়েছে, এই আইনের ৪৫ নম্বর ধারা অনুযায়ী জামিন পাওয়া অত্যন্ত কঠিন। কারণ এক্ষেত্রে বিচারককে ধরে নিতে হয়, অভিযুক্ত এই অপরাধ করেননি এবং ভবিষ্যতেও এই ধরনের অপরাধ করবেন না। যা অত্যন্ত কঠিন একটি বিষয়। প্রসঙ্গত, জনৈক তারসেম লাল বনাম ইডি মামলায় এমন রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।

    আর পড়ুন: ‘‘এমন নেতার প্রয়োজন’’, মোদিকে সমর্থন উত্তরাখণ্ডের ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যানের

    রায়ে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট আইনের ৪৪ নম্বর ধারায় কোনও একটি অভিযোগের ভিত্তিতে পিএমএলএ-র ধারা ৪ এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধের স্বীকৃতি নেওয়ার পরে অভিযুক্ত হিসেবে দেখানো ব্যক্তিকে ১৯ নম্বর ধারায় গ্রেফতার করার ক্ষমতা ইডির নেই। শীর্ষ আদালত আরও জানিয়েছে, অভিযোগ দায়ের না হওয়া পর্যন্ত ইডি যদি অভিযুক্তকে গ্রেফতার না করে থাকে, তবে বিশেষ আদালত মামলায় স্বীকৃতি নেওয়ার সময় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সমন জারি করতে পারবে, ওয়ারেন্ট নয়। আসামি জামিনে থাকলেও, সমন জারি করতে হবে (ED)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Medicine Price: দাম কমছে অ্যান্টিবায়োটিক-ভিটামিন ওষুধের? স্বস্তিতে ডায়াবেটিস, হার্ট, সুগারের রোগীরা

    Medicine Price: দাম কমছে অ্যান্টিবায়োটিক-ভিটামিন ওষুধের? স্বস্তিতে ডায়াবেটিস, হার্ট, সুগারের রোগীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের মধ্য়েই বেশ কিছু রোগের প্রতিষেধক হিসেবে ব্যবহৃত ওষুধের দাম (Medicine Price) কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত সরকার। কেন্দ্র সরকার মোট ৪১টি ওষুধ ও ৬টি ফর্মুলেশনের দাম বেঁধে দিয়েছে।  যার মধ্যে রয়েছে ডায়াবেটিস, হৃদযন্ত্র, লিভার, ছোঁয়াচে রোগ, অ্যালার্জি, অ্যান্টাসিড, অ্য়ান্টিবায়োটিক ও মাল্টিভিটামিন মেডিসিন। এছাড়াও দাম কমবে বেশ কিছু পেইন কিলার বা ব্যথা উপশমের ওষুধের।

    কী সিদ্ধান্ত  নেওয়া হয়েছে

    ন্যাশনাল ফার্মাসিইউটিক্যাল প্রাইসিং অথরিটির ১৪৩তম বৈঠকে ওষুধের দাম (Medicine Price) কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সারা ভারতে ওষুধের দাম (Medicine Rate Cut) নিয়ন্ত্রণ করে থাকে সরকারের অধীনস্থ এই সংস্থা। তাদের বৈঠকে ৪১টি ওষুধ ও ৬টি ফর্মুলার দাম বেঁধে দেওয়া হয়েছে।  এই মর্মে একটি গেজেট বিজ্ঞপ্তিও দেওয়া হয়েছে এনপিপিএ-র (NPPA)তরফে। সেখানে ওষুধ প্রস্তুতকারী কোম্পানিগুলিকে অবিলম্বে ডিলারদের এই সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য় দিতে বলা হয়েছে। এছাড়াও ওষুধের দামের উপর জিএসটি নিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে কড়া নির্দেশ দিয়েছে এনপিপিএ। বলা হয়েছে, ফার্মা কোম্পানি ওষুধের দামের উপর জিএসটি তখনই নিতে পারবে যদি সংস্থাটি এই কর সম্পূর্ণভাবে পরিশোধ করে থাকে। সেটা না হলে ক্রেতাকে জিএসটিতে ছাড় দিতে হবে তাঁদের।

    আরও পড়ুন: যুবভারতীতে শেষ ম্যাচ, আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর ঘোষণা অধিনায়ক সুনীল ছেত্রীর

    কাদের স্বস্তি

    সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে ইনসুলিন সহ অন্যান্য ওষুধের দাম ((Medicine Price) কমায়, স্বস্তি পাবেন সাধারণ মানুষ। জীবনদায়ী এইসব ওষুধ এবার সস্তায় মিলবে। এখন সারা দেশে ১০ কোটিরও বেশি ডায়াবেটিসের রোগী আছেন। ওষুধ সস্তা হওয়ায় তাঁরা একটু নিস্তার পাবেন। এই বছর ফেব্রুয়ারি মাসেও ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল প্রাইসিং অথরিটি বেশ কিছু ওষুধের দাম কমিয়েছিল। ডায়াবেটিস এবং হাইপারটেনশন সহ ৬৯টি ওষুধের দাম (Medicine Rate Cut) কমানো হয়েছিল। এমনকী এই সমস্ত ৬৯টি ওষুধের ফর্মুলেশনের দামও বেঁধে দিয়েছিল সরকারের অধীনস্থ এই সংস্থা। এছাড়াও আরও ৩১টি ফর্মুলেশনের দাম কমিয়েছিল সরকার। এবার এই তালিকায় জুড়ে গেল আরও ৪১টি ওষুধের নাম। আম জনতার একটা বড় অংশকে নিত্যদিন খেতে হয় মাল্টিভিটামিন, অ্য়ান্টিবায়োটিক, অ্যালার্জি, ইনফেকশান, সুগার, কোলেস্টরেল, লিভার, হার্ট ও পেইন কিলারের মতো ওষুধ। এই আবহে ওষুধের দাম কমায় মধ্যবিত্তর মুখে হাসি ফুটেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sikkim History: ১৯৭৫ সালে আজকের দিনে ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল সিকিম, এর নেপথ্যে ছিল যে কারণ…

    Sikkim History: ১৯৭৫ সালে আজকের দিনে ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল সিকিম, এর নেপথ্যে ছিল যে কারণ…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৭৫ সালের ১৬ মে রাজনৈতিক টানপোড়েনের শেষে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যটি ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয়। চিনের আক্রমণ থেকে রাজ্যবাসীকে বাঁচাতে সিকিমের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ভারতের অন্তর্ভুক্তি প্রার্থনা করে। সংবিধানে সংশোধন এনে সিকিমকে (Sikkim) ভারতের ২২তম রাজ্যে পরিণত করা হয়। কিন্তু কীভাবে সিকিম ভারতের (Sikkim History) অন্তর্ভুক্ত হল দেখে নিন এক নজরে।

    সিকিমের ইতিহাস (Sikkim History)

    অতীতে সিকিমে নামগ্যাল পরিবারের শাসক ছিল। স্থানীয় রাজাকে সিকিমে চোগিয়াল বলা হত। সিকিমে সাংস্কৃতিকভাবে তিব্বতি বৌদ্ধ ধারার প্রভাব ছিল। একসময় সিকিমের লড়াকু চোগিয়ালরা নেপাল ও তিব্বতের কিছু অংশ দখল করে নিয়েছিল। তাঁদের রাজত্ব ছিল চুম্বি ভ্যালি পর্যন্ত। কিন্তু ব্রিটিশরা (East India Company) তাঁদের ক্ষমতা খর্ব করে দেয়। ১৮ শতকের মাঝামাঝি প্রায় এক লক্ষ আশি হাজার নেপালি সিকিমে চলে আসে। ব্যাপক অনুপ্রবেশের ফলে সিকিমে নেপালের প্রভাব বিস্তার হয়। নেপালের আক্রমণের ফলে সিকিমের রাজ্য অনেকটা ছোট হয়ে যায়। ব্রিটিশদের সঙ্গে নরমে গরমে সম্পর্ক ছিল সিকিমের রাজাদের। তেতালিয়া চুক্তির পর ব্রিটিশদের দার্জিলিং হস্তান্তর করে দেওয়ায় তাঁদের সম্পর্কে স্থিতাবস্থা আসে।

    স্বাধীনতার পর ভারত-সিকিম সম্পর্ক

    সিকিম ছিল ব্রিটিশদের প্রটেক্টরেট রাজ্য। ব্রিটিশরা ভারত ছেড়ে চলে যাওয়ার পর সেই দায়িত্ব স্বাধীন ভারত সরকারের কাঁধে বর্তায়। চিনের তিব্বত দখল ও ভারতের উপর আক্রমণের পর সিকিম বুঝতে পারে এবার তাঁদের পালা। ষাটের দশকে সিকিমে রাজতন্ত্র বিরোধী আন্দোলন শুরু হয়। স্থানীয় জনতা গণতন্ত্রের দাবি তোলে। এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন সেখানকার প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা কাজি লেন্দুপ দর্জি। ১৯৬৩ সালে স্থানীয় রাজা থাসি নামগেয়ালের মৃত্যুর পর রাজা হন পলডেন নামগেয়াল। এর দশ বছর পর ১৯৭৩ সালে সিকিমে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সেই নির্বাচনে রাজ পরিবার বিপুল ভোটে জয়যুক্ত হয়। কিন্তু আন্দোলনকারিরা দাবি করে রাজ পরিবার ভোটে কারচুপি করেছে। ১৯৭৪ সালের সিকিমে পুনরায় ভোটাভুটি হয়। এই নির্বাচনে লেন্দুপ দর্জির দল জয়যুক্ত হয়। সিকিমের প্রধানমন্ত্রী হন তিনি।

    সিকিমের ভারতে বিলয়

    সিকিমের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর লেন্দুপ দর্জি বুঝেছিলেন সিকিমকে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করে তুলতে গেলে ভারতের অন্তর্ভুক্তি প্রয়োজন। সেই সময় লাল ফৌজের নজর ছিল ভারতের পূর্ব প্রান্তের রাজ্যগুলির দিকে। তিনি সংসদে সিকিমকে ভারতের রাজ্যে পরিণত করার আবেদন করেন। এমতাবস্থায় সংবিধানের ৩৬ তম সংশোধন সংশোধন এনে সিকিমকে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: দ্রুত বদলে যাচ্ছে তিস্তা নদীর গতিপথ, চিন্তার ভাঁজ সেচ দফতরে!

    সিকিমের বলয়ে চিনের গোঁসা

    চিন সিকিমকে (Sikkim History) দীর্ঘদিন ভারতের রাজ্য হিসেবে মর্যাদা দেয়নি। ভারতের অন্তর্ভুক্তির অনেক পর ২০০৩ সালে ভারতের রাজ্যের মর্যাদা দেয় চিনা প্রশাসন। সীমান্তে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতি সাধনের লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করে চিনা প্রশাসন। অবশ্য এর পরেও বেশ কয়েকবার সিকিম সীমান্তে ভারত ও চিনা সেনাবাহিনী ছোটখাটো সংঘাতের সম্মুখীন হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SBI FD: ফিক্সড ডিপোজিটে ফের সুদের হার বাড়াল স্টেট ব্যাঙ্ক, কত হল জানেন?

    SBI FD: ফিক্সড ডিপোজিটে ফের সুদের হার বাড়াল স্টেট ব্যাঙ্ক, কত হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্থায়ী আমানতে ফের সুদের হার বাড়াল স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (SBI FD)। ২ কোটি টাকা পর্যন্ত যাঁরা আমানত করবেন এবং তার চেয়েও বেশি পরিমাণ যাঁরা আমানত করবেন দুই ক্ষেত্রেই কয়েকটি প্রকল্পে সুদের হার বাড়ানো হয়েছে ৭৫ বেসিস পয়েন্ট। বুধবার থেকেই কার্যকর হয়েছে নয়া সুদের হার। স্টেট ব্যাঙ্ক সুদের হার বাড়ালেও, এখনও অন্য ব্যাঙ্কগুলি তা করেনি। উল্লখ্য যে, সাম্প্রতিক অতীতে স্টেট ব্যাঙ্ক ঋণের ক্ষেত্রে সুদের হার যতটা বাড়িয়েছে, আমানতের ক্ষেত্রে বাড়ানো হয়নি সেই হারে। এহেন আবহে মিলল খানিক স্বস্তির খবর। স্থায়ী আমানতে বাড়ল সুদের হার।

    স্থায়ী আমানত কী? (SBI FD)

    স্থায়ী আমানত হল, কোনও একজন ব্যক্তি একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ব্যাঙ্কে যত পরিমাণ টাকা জমা রাখেন। মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে এই টাকা তোলা যায় না। স্থায়ী আমানতের মেয়াদ কিছু দিনের জন্য হতে পারে, আবার বেশ কয়েক বছরের জন্যও হতে পারে। রেগুলার সেভিংস অ্যাকান্টের চেয়ে সচরাচর স্থায়ী আমানতে সুদের হার বেশি হয়ে থাকে (SBI FD)। চড়া হারে সুদ পাওয়ার আশায় মানুষ স্থায়ী আমানত করেন। এতে বাজারগত ঝুঁকি প্রায় নেই বললেই চলে।

    কোথায়, কত বাড়ল সুদ

    ২ কোটি টাকা পর্যন্ত যাঁরা আমানত করবেন, তাঁরা যদি ৪৬ থেকে ১৭৯ দিনের মেয়াদে টাকা জমা রাখেন, সেক্ষেত্রে সুদের হার ৪.৭৫ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৫.৫ শতাংশ। ১৮০ থেকে ২১০ দিনের স্থায়ী আমানতে সুদ ২৫ বেসিস পয়েন্ট বেড়ে হয়েছে ৬ শতাংশ। ২১১ দিন থেকে এক বছরের কম মেয়াদে সুদ বেড়েছে ২৫ বেসিস পয়েন্ট। নয়া সুদের হার দাঁড়াল ৬.২৫ শতাংশ। অবশ্য এর বেশি মেয়াদের আমানতি প্রকল্পগুলিতে সুদের হার রয়েছে একই।

    আর পড়ুন: ‘‘ওরা চাঁদে পৌঁছে গেল, সেখানে আমরা…’’, পাক সাংসদের মন্তব্য ভাইরাল

    ২ কোটি টাকার ওপর যাঁরা আমানত করবেন, তাঁদের ক্ষেত্রে ৭ থেকে ৪৫ দিনের জন্য সুদ পাবেন ৫.২৫ শতাংশ হারে (SBI FD)। ৪৬ থেকে ১৭৯ মেয়াদি আমানত প্রকল্পে যাঁরা টাকা রাখবেন, তাঁরা সুদ পাবেন ৬.২৫ শতাংশ হারে। ১৮০ থেকে ২১০ দিনের মেয়াদি আমানতে সুদের হার বেড়ে হয়েছে ৬.৬ শতাংশ। এক বছর থেকে দু’বছরের কম মেয়াদের আমানতে সুদের হার মিলবে ৭ শতাংশ হারে। আর দু’বছর থেকে তিন বছরের কম সময়ের মেয়াদি আমানতেও সুদের হার ৭ শতাংশ। প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রবীণ আমানতকারীরা সুদ পাবেন অতিরিক্ত .৫ শতাংশ (SBI FD)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Archaeological Marvels Discovered: রাজস্থানে উদ্ধার মহাভারত ও মৌর্য যুগের অবশিষ্টাংশ

    Archaeological Marvels Discovered: রাজস্থানে উদ্ধার মহাভারত ও মৌর্য যুগের অবশিষ্টাংশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের মাটি থেকে আবারও উদ্ধার ঐতিহাসিক সম্পদ। সম্প্রতি রাজস্থানের (Rajasthan) দৌসা জেলার ভেঝা গ্রামের একটি ঢিবির উপর খননের সময় ২,৫০০ বছরেরও বেশি পুরনো প্রত্নবস্তু আবিষ্কার (Archaeological Marvels Discovered) হয়েছে। জানা গেছে এই বস্তু গুলি মহাভারত ও মৌর্য যুগের অবশিষ্টাংশ। স্বাভাবিকভাবেই হটাৎ করে এই প্রত্নতাত্ত্বিক বুস্তুগুলির আবিষ্কারে হইচই পড়ে গিয়েছে এলাকায়। 

    কী কী পাওয়া গিয়েছে? (Archaeological Marvels Discovered) 

    আবিষ্কৃত হওয়া বুস্তু গুলির মধ্যে রয়েছে ব্রোঞ্জের হাতিয়ার, মুদ্রা, মৌর্য যুগের একটি মূর্তির মাথা, শুঙ্গ যুগের অশ্বিনী কুমারদের ভাস্কর্য এবং হাড় দিয়ে তৈরি বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রপাতি। এছাড়াও মহাভারতের সময়কার মৃৎশিল্পের টুকরো এবং অন্যান্য প্রত্নবস্তুও খনন প্রক্রিয়ার সময় আবিষ্কৃত হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার হল শুঙ্গ যুগের হাড়ের সরঞ্জাম। এছাড়াও একটি মাটির সীল উদ্ধার হয়েছে, যার মধ্যে দেবতাদের হাতির উপর চড়ার চিত্র আঁকা রয়েছে। এছাড়াও উদ্ধার হওয়া বস্তু গুলির মধ্যে রয়েছে সিন্ধু সভ্যতার (১১০০ এবং ৮০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) সময়কার একটি ধূসর মাটির পাত্র, মৌর্য যুগের একটি বিরল পোড়ামাটির পাইপ এবং মাতৃদেবীর একটি পোড়ামাটির মূর্তি। পাশাপাশি প্রাচীরের ৪৫-ডিগ্রি কোণে পাওয়া পোড়া ইটগুলি, সম্ভবত মৌর্য যুগের বলে জানিয়েছেন প্রত্নতাত্ত্ববিদরা।     
    জানা গিয়েছে রাজস্থানের ওই এলাকার ঢিবি খননের সময় দুটি ৩০ ফুট গভীর কুয়োর সন্ধান পাওয়ার পরেই সেখান থেকে প্রাচীন ইটের দেয়াল এবং মৃৎপাত্রের টুকরো আবিষ্কৃত হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: আর্থিক তছরূপ মামলায় ইডির জালে আলমগির আলম

    মন্দিরের অস্তিত্ব 

    অন্যদিকে খনন কার্যের ফলে মধ্যপ্রদেশের ধারে আবিষ্কৃত  ভোজশালাটিরও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক তাৎপর্য রয়েছে। জানা গিয়েছে প্রাচীনকালে এখানে সরস্বতী মন্দির ছিল। যা রাজা ভোজের সময় নির্মিত হয়েছিল। খনন কার্যের (Archaeological Marvels Discovered) পর বহু বছর ধরে গবেষণার পরে মন্দিরের ধ্বংসাবশেষের অস্তিত্ব নিশ্চিত করেছে প্রত্নতত্ত্ববিদরা। বর্তমানে প্রফেসর অলোক ত্রিপাঠির নির্দেশনায় এবং প্রত্নতাত্ত্বিকদের একটি দল, ভোজশালার প্রকৃত প্রাচীনত্ব এবং পরিচয় উন্মোচনের জন্য শিলালিপি এবং বৈজ্ঞানিক খননগুলির পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা চালাচ্ছে৷  
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “দু’-তিন বছরের মধ্যেই দেশ নকশাল মুক্ত হবে”, বললেন শাহ

    Amit Shah: “দু’-তিন বছরের মধ্যেই দেশ নকশাল মুক্ত হবে”, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “নকশাল দমনে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে মোদি সরকার। আগামী দু’-তিন বছরের মধ্যেই দেশ নকশাল-মুক্ত হবে।” কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার দরিদ্র এবং উপজাতি অধ্যুষিত এলাকায় কল্যাণমূলক কাজের সুফল পৌঁছে দিয়েছে। সেই কারণেই নকশালরা জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে।”

    নকশাল-মুক্ত ৭ রাজ্য (Amit Shah)

    তিনি জানান, ঝাড়খণ্ড, বিহার, তেলঙ্গনা, ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ এবং মহারাষ্ট্র পুরোপুরি নকশাল-মুক্ত। ছত্তিশগড়ের তিন-চারটি জেলায় অবশ্য সমস্যটা রয়ে গিয়েছে। এর পরেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) বলেন, “আমার মনে হয় আগামী দু’তিন বছরের মধ্যেই দেশ পুরোপুরি নকশাল-মুক্ত হয়ে যাবে। ছত্তিশগড়ে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর চার-পাঁচ মাসে ১১২ জন মাওবাদী নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে, ৩৭৫ জনের মতো আত্মসমর্পণ করেছে এবং গ্রেফতার করা হয়েছে ১৫৩জনকে। এদিকে কংগ্রেস বলছে ভুয়ো এনকাউন্টার হচ্ছে।” এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, চতুর্থ দফার নির্বাচনের মধ্যে যতগুলি আসনে ভোট হয়েছে, তাতে ২৭০টি আসন পাবে বিজেপি।

    ‘এই নির্বাচন ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ’

    তিনি বলেন, “এই নির্বাচন এবং তার ফলের বিরাট গুরুত্ব রয়েছে।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক না কেন, তার উচিত দেশের প্রতিটি অংশ থেকে সমর্থন পাওয়া। সরকারকে স্থায়ী হতে হবে। তাকে সংখ্যাগরিষ্ঠ হতে হবে।” তিনি বলেন, “বিরোধীরা ‘৪০০ পার’ স্লোগানের অপব্যাখ্যা করছে। দূরদৃষ্টির অভাবের জন্যই তারা এটা করছে। একটা স্থায়ী সরকার দেশকে শক্তি দিতে পারে, কঠোর পদক্ষেপ করতে সাহায্য করতে পারে, জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দিতে পারে গরিবের দুয়ারে, সন্ত্রাসবাদ, নকশালের উপদ্রবের মতো সমস্যার সমাধানও করতে পারে। এই সরকারই পারে দেশের পক্ষে কল্যাণকর সিদ্ধান্ত নিতে, দেশকে জগৎ সভায় শ্রেষ্ঠ আসনে বসাতে।”

    আর পড়ুন: প্রবাসেও বিপন্ন ভারতীয়দের পাশে সরকার, আক্ষরিক অর্থেই সঙ্কটমোচক মোদি

    বিজেপির ‘৪০০ পার’ স্লোগানের অপব্যাখ্য করায় এদিন শাহ নিশানা করেন বিরোধী নেতাদেরও। তিনি বলেন, “সংরক্ষণ তুলে দেওয়াই যদি আমাদের লক্ষ্য হত, তাহলে ১০ বছরের মধ্যেই তা করতে পারতাম। কারণ আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। আমরা তো তা করিনি। আমি আপনাদের স্পষ্ট করে দিতে চাই এই বলে যে, ধর্মের ভিত্তিতে কোনও সংরক্ষণ এদেশে হবে না। কারণ এটা সংবিধান বিরোধী (Amit Shah)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Jharkhand minister arrested: আর্থিক তছরুপ মামলায় ইডির জালে আলমগির আলম

    Jharkhand minister arrested: আর্থিক তছরুপ মামলায় ইডির জালে আলমগির আলম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের মধ্যেই এবার ইডির জালে ঝাড়খণ্ডের গ্রামীণ উন্নয়ন মন্ত্রী (Jharkhand minister arrested) তথা কংগ্রেস নেতা আলমগির আলম (Alamgir Alam)৷ ইডি সূত্রে খবর, গ্রামোন্নয়ন দফতরে কিছু অনিয়মের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছিল। সেই তদন্তের ভিত্তিতেই আর্থিক কেলেঙ্কারির বিষয়টি স্পষ্ট হয়। সোমবার সকাল থেকে ইডির তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছিল। এরপর মঙ্গলবার, ইডি তাঁকে প্রায় নয় ঘণ্টা জেরা করে ৷ বুধবারও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। আর জিজ্ঞাসাবাদে অসঙ্গতি মিলতেই গ্রেফতার করা হয় ঝাড়খণ্ডের এই মন্ত্রীকে৷ 

    আগে কী ঘটেছিল? (Jharkhand minister arrested)

    সোমবার ইডির তল্লাশি অভিযান শুরু হতেই তদন্তকারী সংস্থার সাতটি দল বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালায়। এর মধ্যে রয়েছে আলমগিরের আপ্তসহায়ক সঞ্জীব লাল ও তাঁর পরিচারক জাহাঙ্গির আলমের ঠিকানা। এদিন ইডির তল্লাশিতে জাহাঙ্গিরের রাঁচীর বাড়ি থেকেই সব মিলিয়ে ৩৫.২৩ কোটি টাকা উদ্ধার হয়। ঘটনায় গ্রেফতার হয় মন্ত্রীর আপ্তসহায়ক ও তাঁর পরিচারক। ফলে আর্থিক তছরূপের তদন্তে নেমে রাজ্য গ্রামীণ উন্নয়ন দফতরে অনিয়ম এবং ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ উঠে আসে৷ এর পরেই বুধবার রাঁচির আঞ্চলিক অফিসে তলব করা হয় আলমগিরকে (Alamgir Alam)। তাঁর বয়ান সংগ্রহ করার জন্যই তাঁকে ডেকেছিল ইডি। কিন্তু তাঁর বয়ানে বেশ কিছু অসঙ্গতি ধরা পড়ায় তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, ইডির বক্তব্য, এই মামলায় আরও কয়েক জন আমলা ও রাজনীতিকের নামও উঠে এসেছে। বর্তমানে সেই সব কিছুর তদন্ত হচ্ছে। 

    আরও পড়ুন: মোদি জমানায় দেশে বিপুল কর্মসংস্থান, সংখ্যা শুনলে চোখ কপালে উঠবে

    ইডি হেফাজতে আলমগির 

    বুধবার আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ (PMLA) আইনের অধীনে ৭০ বছর বয়সি এই মন্ত্রীকে নিজেদের হেফাজতে নেয় ইডি৷ গ্রেফতার হওয়ার পর আলমগির (Jharkhand minister arrested) বলেন, ‘‘ভোট চলছে। ইডি তদন্ত করছে। গ্রামোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী বলে তারা আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই পারে। আমি এখনই এই বিষয়টি নিয়ে কিছু বলতে চাইছি না। মানুষ সব বুঝছেন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • 10 years of Modi: মোদি জমানায় দেশে বিপুল কর্মসংস্থান, সংখ্যা শুনলে চোখ কপালে উঠবে

    10 years of Modi: মোদি জমানায় দেশে বিপুল কর্মসংস্থান, সংখ্যা শুনলে চোখ কপালে উঠবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্বতন কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারের চেয়ে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার যে নানা দিক থেকে এগিয়ে, তা স্পষ্ট হয়েছে বিভিন্ন সমীক্ষার রিপোর্টে। এবার জানা গেল, কর্মসংস্থানেও আগের সরকারের চেয়ে কয়েক যোজন এগিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার (10 years of Modi)।

    কী বলছে ‘স্কচগ্রুপের রিপোর্ট?

    স্কচ (SKOCH) নামের এক সংস্থার করা রিপোর্টে জানা গিয়েছে, ২০১৪ থেকে ২০২৪ সালের (নরেন্দ্র মোদির প্রধানমন্ত্রিত্বের ১০ বছর (10 years of Modi)) মধ্যে কংর্মসংস্থান হয়েছে ৫১.৪ কোটি। এর মধ্যে ১৯.৭৯ কোটি কর্মসংস্থান হয়েছে গভর্নেন্স লেড ইন্টারভেনশনের মাধ্যমে। বাকি ৩১.৬১ কোটি কর্মসংস্থান হয়েছে ক্রেডিট-লেড ইন্টারভেনশনের মাধ্যমে। সোমবারই স্কচের তরফে প্রকাশ করা হয়েছে রিপোর্টটি। তাতেই উঠে এসেছে মোদি (10 years of Modi) জমানায় ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির কথা।

    পার্সন-ইয়ার কী?

    একজন ব্যক্তি এক বছরে যত সময় ধরে কাজ করেন, তাকে যদি ঘণ্টায় প্রকাশ করা হয়, এই সময় পরিমাপের একক হল ওয়ান পার্সন-ইয়ার, অর্থাৎ এক ব্যক্তি-বর্ষ। স্কচ গ্রুপ তাদের সমীক্ষায় ২৬০ ব্যক্তি-দিবসকে এক ব্যক্তি-বর্ষ হিসেবে ধরেছে। অর্থাৎ, একজন ব্যক্তি এক বছরে ২৬০ দিন কাজ করলে, তা এক ব্যক্তি-বর্ষ হিসেবে গণ্য হবে। মোদি (10 years of Modi) জমানার দশ বছরে এমন ৫১.৪ কোটি পার্সন-ইয়ার তৈরি হয়েছে। রিপোর্টটি তৈরি করা হয়েছে ৮০টি কেস স্টাডির ভিত্তিতে। এঁরা প্রত্যেকেই ঋণ গ্রহীতা। বিভিন্ন সময় ঋণ নিয়েছিলেন। সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের খতিয়ান থেকেও উঠে এসেছে এই তথ্য। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “২০১৪-২৪ সালের মধ্যে মোট ৫১.৪ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে ১৯.৭০ কোটি কর্মসংস্থান হয়েছে গভর্ন্যান্স-লেড ইন্টারভেনশনের মাধ্যমে আর বাকি ৩১.৬১ কোটি কর্মসংস্থান হয়েছে ক্রেডিট-লেড ইন্টারভেনশনের মাধ্যমে।” উল্লেখ্য যে, স্কচ গ্রুপ হল ভারতের থিঙ্কট্যাঙ্ক। ১৯৯৭ সাল থেকে এই সংস্থা আর্থ-সমাজিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে কাজ করছে। দেশের উন্নতির ওপরও আলোকপাত করছে।

    আর পড়ুন: প্রবাসেও বিপন্ন ভারতীয়দের পাশে সরকার, আক্ষরিক অর্থেই সঙ্কটমোচক মোদি

    এই সংস্থা কেন্দ্রীয় সরকারের (10 years of Modi) ১২টি প্রকল্পের ওপর স্টাডি করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ‘মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ্যারান্টি স্কিম’, ‘আত্মনির্ভর ভারত রোজগার যোজনা’, ‘প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনা’ এবং ‘প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক যোজনা’ও। এখান থেকেই দেখা গিয়েছে গত ৯ বছরে ক্রেডিট গ্যাপ কমে হয়েছে ১২.১ শতাংশ। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে ক্রেডিট গ্যাপ হ্রাস, মাল্টিমেন্সনাল পভার্টি হ্রাসের সঙ্গে ইতিবাচক সমন্বয় রয়েছে। রাষ্ট্রের নেট ডোমেস্টিক প্রোডাক্টও (NDP) বৃদ্ধি পেয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • CAA: ভোটের মধ্যেই সিএএ-র অধীনে প্রথমবার নাগরিকত্ব পেলেন ১৪ আবেদনকারী

    CAA: ভোটের মধ্যেই সিএএ-র অধীনে প্রথমবার নাগরিকত্ব পেলেন ১৪ আবেদনকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনেরের অধীনে আবেদনকারীদের হাতে প্রথমবার সিএএ শংসাপত্র তুলে দিল কেন্দ্রীয় সরকার। লোকসভা ভোট চলাকালীনই বুধবার, ১৫ মে ১৪ জনের হাতে নাগরিকত্বের শংসাপত্র তুলে দেওয়া হল। এদিন, নয়াদিল্লিতে এই ১৪ জন আবেদনকারীর হাতে নাগরিকত্বের শংসাপত্র তুলে দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব, অজয় কুমার ভাল্লা। উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার জেনারেল অব ইন্ডিয়া, ডাক বিভাগের সচিব, ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর ডিরেক্টর-সহ পদস্থ কর্তারা।

    কারা আবেদন করতে পারবেন

    নাগরিকত্ব (সংশোধনী) আইনের বিধি জারি করার প্রায় দুই মাস পর, এদিন এই আইনের অধীনে প্রথমবারের জন্য ভারতীয় নাগরিকত্বের শংসা পেলেন ১৪ জন। নয়া আইনে, নাগরিকত্বের আবেদনের যোগ্যতার জন্য ভারতে থাকার সময়কাল ১১ বছর থেকে কমিয়ে ৫ বছর করা হয়েছে। ২০১৪-র ৩১ ডিসেম্বরের আগে, পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হয়ে যে সকল অমুসলিম উদ্বাস্তু ভারতে এসেছিলেন, তাঁরাই এই আইনের অধীনে নাগরিকত্বের আবেদন করতে পারেন। এই সকল শর্ত মেনেই এই ১৪ জন ভারতীয় নাগরিকত্বের আবেদন করেছিলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বারবার স্পষ্ট করেছেন,  সিএএ-র ফলে কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হবে না। বরং, প্রতিবেশী দেশগুলিতে ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হওয়া অমুসলিম সংখ্যালঘু ব্যক্তিরা ভারতের নাগরিকত্ব পাবেন। এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    আরও পড়ুন: আইএমএফ-এর কাছে ঋণ চায় পাকিস্তান, দুবাইয়ে বিপুল সম্পত্তি দেশের মন্ত্রী-আমলাদের

    তৈরি হল ইতিহাস

    ২০২৪-এর ক্যালেন্ডারে এই দিনটি ইতিহাস তৈরি করল। বহু লড়াই ও আবেদনের পর ভারতীয় নাগরিকত্ব লাভ করলেন এই ১৪ জন। সরকারি মুখপাত্রের কথায়, “এই নিয়মগুলি অনুসরণ করে, পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান থেকে হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্সি এবং খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ব্যক্তিদের কাছ থেকে আবেদন গৃহীত হয়েছে, যারা ধর্ম বা এই ধরনের নিপীড়নের কারণে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারতে প্রবেশ করেছেন৷” ওই মুথপাত্র জানান, যাচাই-বাছাইয়ের পর, সেন্সাস অপারেশনের ডিরেক্টরের নেতৃত্বাধীন কমিটি, এই ১৪ জন আবেদনকারীকে সিএএ-র অধীনে নাগরিকত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share