Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Indian Economy: ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে পৃথিবীর মধ্যে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি ভারতের, প্রকাশ রিপোর্টে

    Indian Economy: ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে পৃথিবীর মধ্যে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি ভারতের, প্রকাশ রিপোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে পৃথিবীর মধ্যে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি (Indian Economy) হতে যাচ্ছে ভারতের। এমনটাই প্রকাশ পেয়েছে অর্থ মন্ত্রকের এক রিপোর্টে। গত ২৩ অক্টোবর এই রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। সম্প্রতি সেপ্টেম্বরের অর্থনীতির বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে যে পৃথিবীব্যাপী এক অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে অর্থনীতিতে এবং এই মুহূর্তে তেলের দামও বাড়তে চলেছে। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০২৪ আর্থিক বছরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্টক মার্কেটের ব্যাপক পতনের সম্ভাবনা রয়েছে। যদি এমনটা হয় তবে সে ক্ষেত্রে তার প্রভাব বিশ্বব্যাপী পড়বে।  

    দ্রুত বর্ধনশীল ভারতের অর্থনীতি

    এর পাশাপাশি ওই রিপোর্টের জোর দেওয়া হয়েছে যে ভারতের ম্যাক্রো-অর্থনীতি ২০২৩-২০২৪ ফিসক্যাল বছরে ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেতে চলেছে।  এর পাশাপাশি ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে যে ভারতবর্ষে এরকম অবস্থায় বিনিয়োগের চাহিদাও যথেষ্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ আর্থিক বছরে (Indian Economy) শিল্পের বিকাশ এবং আগামী রবিশস্যের সময় ভালো ফলনেরও কথা বলা হয়েছে।

    অর্থমন্ত্রকের বিবৃতি

    ইন্টারন্যাশনাল মনিটারি ফান্ড ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছে যে ভারত পৃথিবীর মধ্যে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি (Indian Economy) হতে চলেছে ২০২৪ সালে। আইএমএফ-এর এই রিপোর্টও উল্লেখ করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। ইন্টারন্যাশনাল মনিটারি ফান্ড এর ২০টি বিন্দু মাপকাঠি থাকে যার দ্বারা অর্থনীতির বিকাশকে পরিমাপ করা হয়। দেখা যাচ্ছে ২০২৪ এই অর্থনৈতিক বছরে পৃথিবীব্যাপী অর্থনীতির বৃদ্ধি ৩ শতাংশেই অপরিবর্তিত থাকছে। সেখানে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধি হচ্ছে চলতি অক্টোবরে ৬.৩ শতাংশ। অর্থমন্ত্রকের তরফ থেকে ইতিমধ্যে বিবৃতি জারি করে বলা হয়েছে,‘‘ এই রিপোর্টের দ্বারাই বোঝা যাচ্ছে ভারতের অর্থনীতি কীভাবে শক্তিশালী হচ্ছে পৃথিবীর নিরিখে। ভূ-রাজনৈতিক বিভিন্ন চ্যালেঞ্জকে মোকাবিলা করতেও সক্ষম হচ্ছে ভারতের অর্থনীতি।’’

    মোদি জমানায় বাড়ছে অর্থনীতি

    দেখা যাচ্ছে করোনাকালীন সময়ে এবং তার পরবর্তীকালে ভারতের অর্থনীতি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২১-২২ সাল নাগাদ এই বৃদ্ধি শুরু হয়েছে। ২০২৩ সালেও এই ধারা বজায় রয়েছে। চলতি আর্থিক বছর শেষ হবে ২০২৪ সালের মার্চ মাসে। এই সময়ের মধ্যে ভারতের জিডিপির পরিমাণ অনেকটাই বাড়তে চলেছে বলে খবর। সেই পরিমাণ হতে চলেছে ৬.২ থেকে ৬.৩ শতাংশ পর্যন্ত। ২০২২ সালে ভারতের (Indian Economy) জিডিপির পরিমাণ ব্রিটেন এবং ফ্রান্সের থেকে অনেকটাই বেড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Ram Mandir: ২২ জানুয়ারি রামমন্দিরে মূর্তি প্রতিষ্ঠা, আমন্ত্রণ মোদিকে, ‘‘আমি ধন্য’’, ট্যুইট প্রধানমন্ত্রীর

    Ram Mandir: ২২ জানুয়ারি রামমন্দিরে মূর্তি প্রতিষ্ঠা, আমন্ত্রণ মোদিকে, ‘‘আমি ধন্য’’, ট্যুইট প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২২ জানুয়ারি রামমন্দিরে (Ram Mandir) বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করা হবে। বুধবার ‘শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’-এর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানানো হল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাড়িতে ‘শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’-এর সদস্যরা হাজির হন আমন্ত্রণপত্র নিয়ে। যা নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্টও করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

    এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট প্রধানমন্ত্রীর

    রামমন্দিরের (Ram Mandir) বিগ্রহ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেয়ে অভিভূত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “জয় সিয়ারাম! আজ খুবই আবেগঘন দিন। শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের আধিকারিক আমার বাসভবনে এসে আমার সঙ্গে দেখা করেন। তিনি অযোধ্যায় শ্রী রাম মন্দিরে (Ram Mandir) বিগ্রহ অধিষ্ঠানের অনুষ্ঠানে আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আমি নিজেকে খুব আশীর্বাদধন্য মনে করছি। এটা আমার সারাজীবনের সৌভাগ্য যে, এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে আমি সাক্ষ্য থাকব।”

    প্রসঙ্গ রামমন্দির

    প্রসঙ্গত, গত ২১ অক্টোবর রামজন্মভূমি (Ram Mandir) প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। ওই দিন তিনি নির্মাণকার্য তত্ত্বাবধান করেন। সেখানেই যোগী আদিত্যনাথ বলেন, ‘‘জানুয়ারি মাসে মন্দির নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে। আমরা এই মন্দির নির্মাণের সবকিছু দীপাবলির আগেই শেষ করতে চেষ্টা করছি। দেশবাসীর জন্য গর্বের মুহূর্ত আসতে চলেছে ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে।’’ ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রামমন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধন করবেন বলেও জানান যোগী আদিত্যনাথ। প্রসঙ্গত, চলতি বছরেই ত্রিপুরা রাজ্যে ভোট প্রচারে গিয়ে অমিত শাহ ঘোষণা করেছিলেন, অযোধ্যার রামমন্দির (Ram Mandir) নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হবে ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারির মধ্যে। ২০১৯ সালের নভেম্বরে রামমন্দির নির্মাণের পক্ষে রায় দেয় সুপ্রিম কোর্ট। ২০২০ সালের ৫ অগাস্ট রামমন্দিরের ভূমি পুজো করেন প্রধানমন্ত্রী। এবার ২০২৪ সালে দরজা খুলে যাচ্ছে মন্দিরের।

    মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের অনুরোধ মোদিকে

    জানুয়ারি মাসেই রামমন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অন্যদিকে ওই দিনই অযোধ্যাতে মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানাল মুসলিম পক্ষ। প্রসঙ্গত, অযোধ্যার ধন্নিপুরে তৈরি হবে ওই মসজিদ। রাম মন্দির থেকে মসজিদের দূরত্ব হবে ২০ কিলোমিটার। এ প্রসঙ্গে ভারতীয় মুসলিম লিগের সভাপতি মহম্মদ ইসমাইল আনসারি বলেন, ‘‘অযোধ্যায় একটি শুভ অনুষ্ঠান উপলক্ষে আসছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। সেই কারণে ওই দিনই মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে তাঁকে অনুরোধ জানিয়েছি, এটাই আমাদের আন্তরিক ইচ্ছা।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Siachen Mobile Connectivity: বিশ্বের সর্বোচ্চ যুদ্ধক্ষেত্রে মিলবে মোবাইল পরিষেবা, সিয়াচেনে বসল টাওয়ার

    Siachen Mobile Connectivity: বিশ্বের সর্বোচ্চ যুদ্ধক্ষেত্রে মিলবে মোবাইল পরিষেবা, সিয়াচেনে বসল টাওয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৫ হাজার ফুট উচ্চতায় মাইনাস ৪০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে সিয়াচেনে (Siachen Mobile Connectivity) বেশ কয়েক বছর আগেও মোবাইল পরিষেবা কার্যত অসম্ভব মনে হত। মোদি জমানায় সেই অসম্ভবই সম্ভব হল। সিয়াচেনে বসল মোবাইল টাওয়ার। বিশ্বের সর্বোচ্চ যুদ্ধক্ষেত্র সিয়াচেনের কর্মরত জওয়ান এবং অফিসাররা মোবাইলের মাধ্যমে কথা বলতে পারবেন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে এবং ভারতীয় সেনার বেস ক্যাম্পে। মোবাইল পরিষেবার (Siachen Mobile Connectivity) মাধ্যমে সীমান্তে সেনাবাহিনীর মধ্যে সমন্বয় এবং যোগাযোগ বাড়ানোর ক্ষেত্রে এই পরিষেবা অপরিহার্য বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। চিন এবং পাকিস্তানের সঙ্গে সীমান্ত সংঘাত কমবেশি সারা বছর ধরেই লেগে থাকে। সেই আবহে সীমান্তের মোবাইল পরিষেবা চালু অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

    সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৫ হাজার ফুট উচ্চতায় প্রথম মোবাইল টাওয়ার

    গত ৬ অক্টোবর সীমান্তে সিয়াচেনে মোবাইল ফোন পরিষেবা চালু করে ভারতীয় সেনা। জানা গিয়েছে, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৫ হাজার ফুট উচ্চতায় প্রথম মোবাইল টাওয়ার (Siachen Mobile Connectivity) ও বেস ট্রান্সিভার স্টেশন (বিটিএস) বসিয়েছেন ভারতীয় জওয়ানরা। মোবাইল পরিষেবা চালুর ক্ষেত্রে ভারতীয় সেনাকে সাহায্য করেছে বিএসএনএল। জানা গিয়েছে, সিয়াচেনের এক অংশে ল্যান্ডমাইন পুঁতে রেখেছিল ভারতীয় সেনা। শত্রুরা যাতে কোনওভাবেই সিয়াচেন দখল করতে না পারে, সেজন্যই এই ব্যবস্থা। সেই ল্যান্ডমাইনের স্থানকে পরিষ্কার করে মোবাইল ফোনের টাওয়ার বসানো হয়েছে। তবে মোবাইল টাওয়ার বসলেও সতর্কই থাকতে চাইছে ভারতীয় সেনা। কারণ বিশেষজ্ঞদের মতে, মোবাইল ফোন হ্যাকও করতে পারে পাক ও  চিনা হ্যাকাররা।

    এক্স হ্যান্ডেলে সেনার পোস্ট 

    ইতিমধ্যে সামনে এসেছে ভারতীয় সেনার ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি কোরের এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডেলের একটি পোস্ট। সেখানে লেখা হয়েছে, ‘‘৬ অক্টোবর বিএসএনএল-র সাহায্যে সিয়াচেনের যোদ্ধারা বিশ্বের সর্বোচ্চ যুদ্ধক্ষেত্রের ফরওয়ার্ড পোস্টে বিটিএস তৈরি করেছেন। এর জেরে সাড়ে ১৫ হাজার ফুটের বেশি উচ্চতায় মোতায়েন থাকা সৈনিকরা মোবাইল (Siachen Mobile Connectivity) ফোন পরিষেবা ব্যবহার করতে পারবেন।’’ 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Economy: ২০২৭ সালে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হবে ভারত, ৫০ বছরে ছাপিয়ে যাবে আমেরিকাকেও!

    Indian Economy: ২০২৭ সালে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হবে ভারত, ৫০ বছরে ছাপিয়ে যাবে আমেরিকাকেও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি জমানায় বিশ্বের পঞ্চম শক্তিশালী অর্থনীতি হিসেবে উঠে এসেছে ভারতীয় অর্থনীতি। সম্প্রতি বিশ্ববন্দিত মূল্যায়ন সংস্থা এস অ্যান্ড পি গ্লোবাল মার্কেটের দাবি, অর্থনীতির দিক থেকে ভারত, জাপান এবং জার্মানিকেও ছাড়িয়ে যাবে। ২০২৭ সালের মধ্যে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম (Indian Economy) অর্থনীতিতে পরিণত হবে ভারত। আবার আরেকটি আন্তর্জাতিক মূল্যায়ন সংস্থা গোল্ডম্যান স্যাক্স-এর সাম্প্রতিক একটি রিপোর্টে বলা হচ্ছে, আজ থেকে অর্ধশতক পর অর্থাৎ ৫০ বছর পরে ২০৭৫ সালের মধ্যে ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় অর্থনীতিতে পরিণত হবে। তখন ভারত হবে ৫২.২ লাখ কোটি ডলারের দেশ। অর্থাৎ বর্তমান জিডিপির তুলনায় ৫০ বছর পরে ভারতের জিডিপি হতে চলেছে ১৫ গুণ বেশি। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই সংসদে একটি আর্থিক সমীক্ষার রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়। এখানে বলা হয় যে মার্চের মধ্যেই ভারতের অর্থনীতি হবে ৩.৫ লাখ কোটি ডলার। সংসদের সেই আর্থিক সমীক্ষার রিপোর্ট ইতিমধ্যে সঠিক বলে প্রমাণিত হয়েছে।

    ২০২৭ সালেই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম (Indian Economy) অর্থনীতি

    ইন্টারন্যাশনাল মনিটারি ফান্ড-এর রিপোর্ট বলছে, ২০২৭ সালের মধ্যে ভারত জাপান এবং জার্মানিকে পিছনে ফেলে তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হবে। ওই রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, ২০২৭ সালে জাপানের অর্থনীতি হবে ৫.২ লাখ কোটি ডলার। জার্মানির অর্থনীতি (Indian Economy) হবে ৪.৯ লাখ কোটি ডলার। ভারতের অর্থনীতি ততদিনে দাঁড়াবে ৫.৪ লাখ কোটি ডলারে।  অর্থাৎ আজ থেকে চার বছর পরে ভারতের থেকে অর্থনীতিতে এগিয়ে থাকবে শুধুমাত্র দুটি দেশ আমেরিকা এবং চিন। ইন্টারন্যাশনাল মনিটারি ফান্ড-এর ওই রিপোর্ট বলছে, ২০২৭ সালে চিনের অর্থনীতি দাঁড়াবে ২৬.৪৪ লাখ কোটি ডলার, আমেরিকার অর্থনীতির পরিমাণ হবে ৩০.২ লাখ কোটি ডলার।

    মোদি জমানায় বাড়ছে অর্থনীতি

    দেখা যাচ্ছে করোনাকালীন সময়ে এবং তার পরবর্তীকালে ভারতের অর্থনীতি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২১-২২ সাল নাগাদ এই বৃদ্ধি শুরু হয়েছে। ২০২৩ সালেও এই ধারা বজায় রয়েছে। চলতি আর্থিক বছর শেষ হবে ২০২৪ সালের মার্চ মাসে। এই সময়ের মধ্যে ভারতের জিডিপির পরিমাণ অনেকটাই বাড়তে চলেছে বলে খবর। সেই পরিমাণ হতে চলেছে ৬.২ থেকে ৬.৩ শতাংশ পর্যন্ত। ২০২২ সালে ভারতের (Indian Economy) জিডিপির পরিমাণ ব্রিটেন এবং ফ্রান্সের থেকে অনেকটাই বেড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Ram Mandir: ‘‘অযোধ্যায় রামের মূর্তি স্থাপিত হবে আগামী ২২ জানুয়ারি’’, বড় ঘোষণা সঙ্ঘ প্রধানের

    Ram Mandir: ‘‘অযোধ্যায় রামের মূর্তি স্থাপিত হবে আগামী ২২ জানুয়ারি’’, বড় ঘোষণা সঙ্ঘ প্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের বিজয়া সম্মেলন থেকে বড় ঘোষণা করলেন সর-সঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত। আগামী বছরের জানুয়ারি মাসের ২২ তারিখে রামমন্দিরে মূর্তি স্থাপিত হবে রামলালার (Ram Mandir)। প্রসঙ্গত, কয়েকমাস আগেই ত্রিপুরাতে গিয়ে অমিত শাহ মন্তব্য করেছিলেন অযোধ্যার মন্দিরর কাজ সম্পূর্ণভাবে শেষ হবে ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারির মধ্যে। এবার মোহন ভাগবতের কণ্ঠেও শোনা গেল একই কথা। তাৎপর্যপূর্ণভাবে গতকাল দিল্লির রামলীলা ময়দানে রাবণ দহন উৎসবে একই রকমের ঘোষণা করতে শোনা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও।

    নাগপুরে সঙ্ঘের বিজয়া সম্মেলন

    বিজয়া দশমীতে সঙ্ঘের বিজয়া সম্মেলনের এক অনুষ্ঠানে মঙ্গলবার নাগপুরে উপস্থিত ছিলেন মোহন ভাগবত। বিশ্বের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মানচিত্রে যে ভারতের গুরুত্ব ক্রমশই বাড়ছে, একথাও এদিন বলেন সঙ্ঘ প্রধান। তাঁর বক্তব্যে এরপরই উঠে আসে রামমন্দির (Ram Mandir) প্রসঙ্গ। মোহন ভাগবত বলেন, ‘‘রাম মন্দির তৈরি হচ্ছে অযোধ্যাতে। রামলালার মূর্তি সেখানে স্থাপিত হবে আগামী বছরের ২২ জানুয়ারি। ঐদিন আমরা আমাদের ছোটখাট মন্দিরগুলিতে উৎসবের আয়োজন করতেই পারি।’’

    ২১ অক্টোবর রামজন্মভূমি পরিদর্শন যোগী আদিত্যনাথের

    প্রসঙ্গত, গত ২১ অক্টোবর রামজন্মভূমি (Ram Mandir) প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। ওই দিন তিনি নির্মাণকার্য তত্ত্বাবধান করেন। সেখানেই যোগী আদিত্যনাথ বলেন, ‘‘জানুয়ারি মাসে মন্দির নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে। আমরা এই মন্দির নির্মাণের যাবতীয় সবকিছু দীপাবলীর আগেই শেষ করতে চেষ্টা করছি। দেশবাসীর জন্য গর্বের মুহূর্ত আসতে চলেছে ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে।’’ ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রামমন্দিরের উদ্বোধন করবেন বলেও জানান যোগী আদিত্যনাথ। প্রসঙ্গত, চলতি বছরেই ত্রিপুরা রাজ্যে ভোট প্রচারে গিয়ে অমিত শাহ ঘোষণা করেছিলেন, অযোধ্যার রাম মন্দির নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হবে ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারির মধ্যে।  ২০১৯ সালের নভেম্বরে রামমন্দির নির্মাণের পক্ষে রায় দেয় সুপ্রিম কোর্ট। ২০২০ সালের ৫ অগাস্ট রামমন্দিরের ভূমি পুজো করেন প্রধানমন্ত্রী। এবার ২০২৪ সালে দরজা খুলে যাচ্ছে মন্দিরের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Mahua Moitra: ‘‘২ কোটি টাকা ঘুষ নিয়েছেন মহুয়া, রয়েছে প্রমাণ’’, লোকপালকে চিঠি বিজেপি সাংসদের

    Mahua Moitra: ‘‘২ কোটি টাকা ঘুষ নিয়েছেন মহুয়া, রয়েছে প্রমাণ’’, লোকপালকে চিঠি বিজেপি সাংসদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বস্তি নেই তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের (Mahua Moitra)। এবার কৃষ্ণনগরের সাংসদের বিরুদ্ধে তদন্ত চেয়ে লোকপালকে চিঠি দিলেন সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। বিজেপি সাংসদদের অভিযোগ, ব্যবসায়ী দর্শন হিরানন্দানির কাছ থেকে নগদ ২ কোটি টাকা ঘুষ নিয়েছেন মহুয়া মৈত্র। প্রসঙ্গত, টাকার বিনিময়ে লোকসভায় মহুয়া মৈত্র প্রশ্ন করেছেন, এই বিতর্কে জোর শোরগোল পড়ে যায় দেশের রাজনৈতিক মহলে। শুধুমাত্র তাই নয়, সাংসদের লগ-ইন আইডিও ব্যবহার করতেন ব্যবসায়ী হীরারনন্দানি। নিজের হলফনামাতেই তা স্বীকার করেছেন দুবাইয়ের এই ব্যবসায়ী।

    মহুয়ার বিরুদ্ধে তদন্ত চেয়ে লোকপালকে চিঠি

    এরপর থেকেই নতুন নতুন তথ্য সামনে আসতে শুরু করে মহুয়ার (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে। এবার ২ কোটি টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ তুললেন বিজেপি সাংসদ। প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জয় অনন্ত দেহদ্রাইয়ের কাছ থেকে একটি চিঠি পেয়েছেন নিশিকান্ত দুবে। বিজেপি সাংসদের দাবি, ওই চিঠিতে যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে সেখানেই মিলেছে মহুয়ার বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার প্রমাণ। লোকপালকে পাঠানো চিঠিতে দুবে লিখেছেন, ‘‘সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শ্রী দেহদ্রাই একটা বিশেষ বিবরণ দিয়েছেন এবং তাতে রয়েছে, কীভাবে, কখন এবং কোথায় সাংসদ মহুয়া মৈত্র দর্শন হিরানন্দানির কাছ থেকে ঘুষ নিয়েছেন। ওখানে উল্লেখ রয়েছে, নগদ ২ কোটি টাকা পেয়েছেন মহুয়া (Mahua Moitra)। সংসদে প্রশ্ন করার জন্য। ভারতীয় এবং বিদেশি মুদ্রায় নেওয়া হয়েছে ওই টাকা।’’

    মহুয়ার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ হিরানন্দানির?

    প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেই ব্যবসায়ী দর্শন হিরানন্দানি একাধিক অভিযোগ এনেছেন মহুয়ার বিরুদ্ধে। তাঁর দাবি, মহুয়া (Mahua Moitra) অত্যন্ত উচ্চাকাঙ্ক্ষী। দ্রুত নাম করতে চেয়েছিলেন। সে জন্যই নরেন্দ্র মোদিকে ক্ষুরধার আক্রমণ করাকেই সহজ রাস্তা হিসাবে বেছে নিয়েছিলেন মহুয়া। মোদিকে নিশানা করার জন্যই গৌতম আদানি ও আদানি শিল্পগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ‘হাত ধুয়ে’ লেগে পড়েন মহুয়া। স্বাক্ষর করা ‘হলফনামা’য় হিরানন্দানি কার্যত মহুয়া ও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ মেনে নিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Akshardham Temple: বিশ্বশান্তির লক্ষ্যে দিল্লিতে মহাযজ্ঞ, ১১১টি কুণ্ডে আহুতি দিলেন ১,৪০০ ভক্ত

    Akshardham Temple: বিশ্বশান্তির লক্ষ্যে দিল্লিতে মহাযজ্ঞ, ১১১টি কুণ্ডে আহুতি দিলেন ১,৪০০ ভক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে দিল্লির অক্ষরধাম মন্দিরে বিজয়া দশমীতে সম্পন্ন হল এক মহাযজ্ঞ (Akshardham Temple)। মোট ১১১টি যজ্ঞকুণ্ডে প্রায় ১,৪০০ ভক্ত একসঙ্গে আহুতি দিলেন বিশ্ববাসীর মঙ্গল কামনায়। ২০২২ সালে শুরু হয়েছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। সেই যুদ্ধের রেশ কাটতে না কাটতেই সম্প্রতি হামাস-ইজরায়েলের যুদ্ধে অশান্তি ছড়িয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে। এর পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদী হামলা তো রয়েছেই। সারা বিশ্বের এই অশান্তির আবহে প্রাণ যাচ্ছে সাধারণ মানুষের। গোটা বিশ্বের মানুষ যেন শান্তিতে থাকেন, তাঁদের মঙ্গল কামনায় তাই অক্ষরধাম মন্দিরে আয়োজন করা হয় এই বড়সড় যজ্ঞের।

    সম্প্রতি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এসেছিলেন মন্দিরে

    প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালেই স্বামী মহারাজ এই স্বামীনারায়ণ অক্ষরধাম মন্দিরের (Akshardham Temple) উদ্বোধন করেছিলেন বলে জানা যায়। ধর্মচর্চা তথা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম পবিত্র তীর্থস্থান হিসেবে অক্ষরধাম মন্দিরের খ্যাতি রয়েছে সারা বিশ্বজুড়েই। সম্প্রতি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক জি২০ সম্মেলনে ভারতে যোগ দিতে এলে অক্ষরধাম মন্দির দর্শনে আসেন। অক্ষরধাম মন্দিরের নতুন একটি শাখা সম্প্রতি নির্মিত হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও।

    ভোর থেকেই শুরু হয় মহাযজ্ঞ

    বিজয়া দশমীর ভোর থেকেই বিশ্বশান্তি যজ্ঞকে কেন্দ্র করে অক্ষরধাম মন্দিরে সাজো সাজো রব পড়ে যায়। ভোর থেকে ভক্তরা সমবেত হতে থাকেন মন্দির প্রাজ্ঞণে। সন্ন্যাসীদের নির্দেশে ভক্তরা বিজয়া দশমীর দিন ত্রিদেব অর্থাৎ ব্রহ্মা-বিষ্ণু মহেশ্বর ছাড়াও পার্বতী নন্দন গণেশকেও আরাধনা করেন। পবিত্র বৈদিক মন্ত্র উচ্চারণের মধ্য দিয়ে চলতে থাকে যজ্ঞ। জানা গিয়েছে মোট ৩১৫টি শ্লোক উচ্চারণের মধ্য দিয়ে যজ্ঞে (Akshardham Temple) আহুতি দেওয়া হয়। 

    বিজয় দশমীর আয়োজিত এই যজ্ঞে ১,৪০০ ভক্তকে স্বস্তিকার আকারে বসে থাকতে দেখা যায়। মহাযজ্ঞের ঠিক পরেই অক্ষরধাম মন্দিরের এক সন্ন্যাসী বলেন, ‘‘উপনিষদ অনুসারে যজ্ঞ হল ভক্তির এক বিশেষ অনুষ্ঠান। এটা উৎসর্গের প্রতীক। এই আচারের সময় পবিত্র অগ্নিকে আহ্বান করা হয় এবং বিভিন্ন নৈবেদ্য তৈরি করা হয়। আমরা যা পেয়েছি সেই পরম সত্তাকে নিবেদন করা হয়। যজ্ঞ হল ব্যক্তিকেন্দ্রিক, অন্যদিকে মহাযজ্ঞ হল সমাজ কেন্দ্রিক।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dussehra: ‘‘মাতৃভূমি রক্ষার জন্যই আমাদের অস্ত্র পুজো, অন্য দেশ দখল করতে নয়’’, দশেরার ভাষণে বললেন মোদি

    Dussehra: ‘‘মাতৃভূমি রক্ষার জন্যই আমাদের অস্ত্র পুজো, অন্য দেশ দখল করতে নয়’’, দশেরার ভাষণে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দশেরা উপলক্ষে দিল্লির রামলীলা ময়দানে রাবণ দহন অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘‘ভারতবর্ষের চিরাচরিত প্রথা রয়েছে অস্ত্রকে পুজো করার। ভারতীয়রা অস্ত্রকে পুজো করে নিজেদের ভূমিকে রক্ষা করার জন্য। অন্য কোনও দেশকে দখল (Dussehra) করার জন্য নয়।’’ পাশাপাশি তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘আমাদের শক্তি পুজো শুধুমাত্র আমাদের মঙ্গলের জন্য নয়, উপরন্তু সারা পৃথিবীর মঙ্গল কামনায় আমরা করে থাকি।’’ 

    ইজরায়েল এবং হামাস যুদ্ধের আবহে মোদির এই মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ

    চলতি ইজরায়েল এবং হামাস যুদ্ধের আবহে নরেন্দ্র মোদির এই মন্তব্যকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেই একই ধরনের মন্তব্য করেছিলেন সঙ্ঘপ্রধান মোহন ভাগবত। তিনি বলেন, ‘‘সারা পৃথিবী আমাদের দিকে তাকিয়ে রয়েছে কারণ ভারত ভূমি (Dussehra) একটা উদাহরণ তৈরি করতে পেরেছে। এখানে কখনও হিন্দুরা অন্য ধর্মকে আক্রমণ করেনি। হিন্দুদের পরধর্ম সহিষ্ণুতার কারণেই ইজরায়েল-হামাস দ্বন্দ্বের মত কোনও রকমের যুদ্ধ ভারতবর্ষে হয়নি।

    প্রসঙ্গ রামমন্দির

    দিল্লির রামলীলা ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বক্তব্যে উঠে আসে রাম মন্দির প্রসঙ্গও। প্রসঙ্গত, আগামী বছরের ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হতে চলেছে রাম মন্দিরের। দরজা খুলে যাবে সাধারণ ভক্তদের জন্য। এদিন প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘‘আমরা সৌভাগ্যবান যে রাম মন্দির নির্মাণেকে আমরা প্রত্যক্ষ করতে পারছি।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘আর মাত্র কয়েক মাসের অপেক্ষা। তারপরেই ভগবান রাম, মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত হবেন।’’ প্রসঙ্গত ২০১৯ সালের নভেম্বরের রাম মন্দির-বাবরি মসজিদ বিতর্কের অবসান ঘটায় সুপ্রিম কোর্ট এবং অযোধ্যায় রাম মন্দির তৈরি নির্দেশ দেয় আদালত। পরবর্তীকালে ২০২০ সালের অগাস্ট মাসের ৫ তারিখে রাম মন্দিরের ভূমি পূজন করেন প্রধানমন্ত্রী।

    বিজয়া দশমীতে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    মঙ্গলবার সকালে দেশবাসীকে বিজয় দশমী এবং দশেরার (Dussehra) শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘‘বিজয়া দশমীতে দেশ জুড়ে আমার পরিবারের সকল সদস্যদের শুভেচ্ছা জানাই।’’ 

     প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি এদিন বিজয় দশমীর শুভেচ্ছা জানাতে দেখা যায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকেও। তিনি তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “সকলকে বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা। অধর্মের অন্ধকার যতই গাঢ় হোক না কেন, সত্যের উপরে ভিত্তি করে ন্যায়ের আলোর জয় চিরন্তন। পাপের উপরে পুণ্যের জয়ের প্রতীক বিজয়া দশমী হল এমন একটি উৎসব যা আমাদের সত্য ও ন্যায়ের পথে চলার শিক্ষা দেয়। শ্রী রাম সকলকে আশীর্বাদ করুক। জয় শ্রী রাম!”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Narendra Modi: লক্ষ্য মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি, ইজরায়েল-হামাস দ্বন্দ্বে জর্ডনের রাজার সঙ্গে কথা মোদির

    Narendra Modi: লক্ষ্য মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি, ইজরায়েল-হামাস দ্বন্দ্বে জর্ডনের রাজার সঙ্গে কথা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েল-হামাস চলতি যুদ্ধের মাঝে জর্ডনের রাজা আবদুল্লা-২ এর সঙ্গে রবিবার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। প্রসঙ্গত এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে জর্ডনও। লেবাননের জঙ্গি সংগঠন হেজবুল্লাহ গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযোগ যে জর্ডনের মাটিকে ব্যবহার করেই ইজরায়েলের দিকে তারা মিসাইল ছুড়ছে। ইজরায়েল-হামাস দ্বন্দ্বের মাঝেই মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি এবং রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা নিতে দেখা যাচ্ছে ভারতকে। ৭ অক্টোবর ইজরায়েলের ওপর হামাসের হামলায় ১,৪০০ নিরীহ ইজারায়েলের নাগরিকের প্রাণ যায়। এই হামলার কড়া নিন্দা করে মোদি সরকার এবং ইজরায়েলের পাশে দাঁড়ায় ভারত। এর পাশাপাশি সাধারণ প্যালেস্তাইনবাসীর জন্য ২ দিন আগেই ত্রাণ পাঠায় ভারত। এর আগে প্যালেস্তাইনের রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে ফোনে কথাও হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi)। এবার কথা হল জর্ডনের রাজার সঙ্গে। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে জর্ডনের রাজা সঙ্গে আলোচনার বিষয়টি পোস্টও করেছেন নরেন্দ্র মোদি।

    এক্স-হ্যান্ডেলে কী লিখলেন মোদি?

    নিজের এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) জর্ডনের রাজার সঙ্গে কথা বলার বিষয়টি নিয়ে লিখেছেন, ‘‘সন্ত্রাসবাদ, হিংসা এবং যুদ্ধের আবহে সাধারণ নাগরিকদের প্রাণহানির বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এইরকম পরিস্থিতিতে মানবতাকে রক্ষা করতে পদক্ষেপ নেওয়া খুবই জরুরি।’’

    ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধে জর্ডন কেন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে?

    প্রসঙ্গত, ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধের আবহের মাঝেই গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে একটি বৈঠকের পরিকল্পনা করেন জর্ডনের রাজা। ওই বৈঠকে মিশর এবং প্যালেস্তাইনের নেতাদেরও উপস্থিত থাকার কথা ছিল। আচমকাই গাজার হাসপাতালে বোমা বিস্ফোরণে কয়েকশো মানুষের মৃত্যু হয়। এই ঘটনার জন্য ইজরায়েলকে দায়ী করে জর্ডন। বাইডেনের সঙ্গে সেই প্রস্তাবিত বৈঠক বাতিল করেন জর্ডনের রাজা। সে সময়ে ইজরায়েল এবং জর্ডন দুই দেশের সফরের কথা থাকলেও জো বাইডেন শুধুমাত্র ইসরায়েলেই যান। জর্ডনের সঙ্গে ইজরায়েলের ১৯৯৪ সালে একটি শান্তি চুক্তি সম্পন্ন হয়। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, চলতি ইজরায়েল-হামাস দ্বন্দ্বের মাঝে জর্ডনের ভূমিকা তাই খুব উল্লেখযোগ্য। আবার জেরুজালেমে স্থিত আল-আকসা মসজিদ রয়েছে জর্ডনের তত্ত্বাবধানেই। এই জেরুজালেমকে নিয়েই ইজরায়েল-প্যালেস্তাইনের মূল বিবাদ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • RSS: ‘‘সবক্ষেত্রেই এগিয়ে চলেছে দেশ’’, মোদি সরকারের ভূয়সী প্রশংসা সঙ্ঘ প্রধানের ভাষণে

    RSS: ‘‘সবক্ষেত্রেই এগিয়ে চলেছে দেশ’’, মোদি সরকারের ভূয়সী প্রশংসা সঙ্ঘ প্রধানের ভাষণে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘সবক্ষেত্রেই এগিয়ে চলেছে দেশ, আমরা সৌভাগ্যবান যারা দেশের এই অমৃতকাল দেখার সুযোগ পেয়েছি। এটা সম্ভব হয়েছে আমাদের বলিষ্ঠ নেতৃত্বের জন্যই’’, মঙ্গলবার সকালে ঠিক এই ভাষাতেই মোদি সরকারে প্রশংসা শোনা গেল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) সর সঙ্ঘচালক মোহন ভাগবতের ভাষণে। দশমীতে সঙ্ঘের বিজয়া সম্মেলনের এক অনুষ্ঠানে এদিন নাগপুরে উপস্থিত ছিলেন মোহন ভাগবত। বিশ্বের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মানচিত্রে যে ভারতের গুরুত্ব ক্রমশই বাড়ছে, একথাও এদিন বলেন সঙ্ঘ প্রধান।

    কী বললেন সঙ্ঘ প্রধান?

    এদিনের বক্তব্যে মোহন ভাগবত বলেন, ‘‘প্রতিবছরই জি২০ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। তবে প্রথমবার তা আমাদের দেশে অনুষ্ঠিত হল। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা হাজির হন ভারতে। জি২০ সম্মলেনে সারা বিশ্ব ভারতের আতিথেয়তার প্রশংসা (RSS) করেছে। এটা আমাদের বড় পাওনা। বিবিধতার মাঝে থাকা মহান ভারতীয় সংস্কৃতির তাঁরা উপলব্ধি করেছে রাষ্ট্র নেতারা। ভারতের অগ্রগতি সারা বিশ্ব প্রত্যক্ষ করছে। সারা বিশ্বে ভারতের স্থান প্রথম সারিতে চলে এসেছে। আমরা আগে অর্থনীতিতে অনেক পিছিয়ে ছিলাম কিন্তু বর্তমানে আমরা ৫ নম্বরে উঠে এসেছি।’’ এশিয়ান গেমসে ভারতের ১০৭টি পদক জয়ের কথাও নিজের ভাষণে উল্লেখ করেন মোহন ভাগবত। ডিজিটাল ইন্ডিয়া প্রকল্পের জন্যই কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি গরিব মানুষের কাছ পর্যন্ত যে পৌঁছাচ্ছে সেকথাও বলেন সঙ্ঘপ্রধান (RSS)।

    গানের ভাষায় সঙ্ঘের কাজ বোঝালেন শঙ্কর মহাদেবন 

    এদিনের বিজয়া সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে হাজির ছিলেন জনপ্রিয় গায়ক শঙ্কর মহাদেবনও। তিনি বলেন, ‘‘আমেরিকা, ব্রিটেন সমেত সমগ্র ইউরোপ আমি দিনকয়েক আগেই ঘুরে এলাম। প্রত্যক্ষ করলাম আগের থেকে ভারতীয়দের সম্মান অনেক বেশি বেড়েছে।’’ দেশগঠনে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেব সঙ্ঘের ভূমিকা ঠিক কী? তা নিজের গানের ভাষাতেই বোঝান জনপ্রিয় এই গায়ক। তিনি বলেন, ‘‘স্বরলিপি যেমন গানের ভিত্তি হয়, যেকোনও গানকে তৈরি করে, তেমনই স্বয়ংসেবকরাও (RSS) হলেন দেশগঠনের ভিত্তি। যখনই দেশ বিপদে পড়েছে তখনই স্বয়ংসেবকরা এগিয়ে এসেছেন। অতীতে এমনটা বারবার দেখা গিয়েছে।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

LinkedIn
Share