Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Climate Change: তীব্র তাপপ্রবাহে ২২০ কোটি মানুষ পড়বে সঙ্কটে, খরার পরিস্থিতি ভারত-পাকিস্তানে

    Climate Change: তীব্র তাপপ্রবাহে ২২০ কোটি মানুষ পড়বে সঙ্কটে, খরার পরিস্থিতি ভারত-পাকিস্তানে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২২০ কোটি মানুষ পড়তে পারে খরার কবলে। ভারত-পাকিস্তানে তীব্র তাপপ্রবাহ চলবে। জলবায়ু পরিবর্তনে (Climate Change) ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি! আবহবিদদের কপালে রীতিমতো চিন্তার ভাঁজ সৃষ্টি হয়েছে। একটি গবেষণায় প্রসিডিংস অফ ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সেস (পিএনএএস) জার্নাল থেকে জানা গেছে, বিশ্বের তাপমাত্রা, বর্তমান মাত্রার চেয়ে ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেলে, প্রতি বছর কোটি কোটি মানুষ তাপপ্রবাহ এবং আদ্রর্তার শিকার হবে। এমনকী আরও বলা হয়, চরম তাপমাত্রার প্রভাবে, মানুষ স্বাভাবিক ভাবে ঠান্ডা হতেও পারবে না।

    গবেষণায় কী বলা হয়েছে (Climate Change)?

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেন স্টেট কলেজ অফ হেলথ অ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট, পারডু ইউনিভার্সিটি কলেজ অফ সায়েন্সেস এবং পারডু ইনস্টিটিউট ফর এ সাসটেইনেবল ফিউচারের গবেষকরা দেখেছেন যে সারা বিশ্বে, শিল্পায়ন হওয়ার আগের তাপমাত্রার (Climate Change) স্তর থেকে ১.৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেট তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে মানুষের স্বাস্থ্যের উপর দারুণ প্রভাব পড়েছে। হিট স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক রোগের প্রভাব অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্বের ২২০ কোটি মানুষকে জলবায়ুর এই ব্যাপক পরিবর্তনের জন্য তাপ প্রবাহ এবং খরাকে সহ্য করতে হবে। এমনকি তাপপ্রবাহে মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

    প্রভাব পড়বে ভারতে

    ভারতের এমন কিছু অঞ্চল রয়েছে যে তাপমাত্রা (Climate Change) এমন পর্যায়ে পৌঁছাবে যে এলাকার মানুষ কোনও ভাবেই, এই তাপমাত্রাকে সহ্য করতে পারবে না। ফলে তীব্র খরা পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে। ফসল উৎপাদন এবং দৈনন্দিন জীবনে ব্যাপক প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও রাষ্ট্র সঙ্ঘ এবং রেড ক্রস সোসাইটির সম্মিলিত রিপোর্টে বলা হয়, এই উষ্ণায়নের কারণে দক্ষিণ এশিয়া সহ আরও বিশ্বের বেশ কিছু অঞ্চল তাপপ্রবাহের কবলে আচ্ছন্ন হবে। তার মধ্যে ভারত-পাকিস্তানে চরম প্রভাব পড়বে। 

    আবহাওয়া বিজ্ঞানীদের বক্তব্য

    আবহাওয়া বিজ্ঞানীদের বক্তব্য, বিশ্বে প্রচুর পরিমাণে নগরায়ন, বৃক্ষ ছেদন, বেশিপরিমাণে তেজস্ক্রিয় বিকিরণ জনিত কারণে ঋতুর উপর ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। ছয় ঋতু আর চোখে পড়ছে না। ২০২৪ সালে ‘এল নিনো’ আবার ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এমনকী প্রসান্ত মহাসাগরের চিলি, পেরু উপকুল এবং মহাসাগরের মধ্যাঞ্চলের ‘এল নিনো’ তৈরি হলে, ভারতে বর্ষার মরসুমের উপর ব্যাপক প্রভাব পড়বে। আশঙ্কা করা হচ্ছে কমে যাবে বৃষ্টিপাত। ২০১৫ সালে ‘এল নিনো’র প্রভাবে পড়েছিল ভারতে। বহু এলাকা বৃষ্টিপাত না হওয়ার কারণে প্রচণ্ড খরার প্রাদুর্ভাব দেখা গিয়েছিল। ২০০৯ সালেও নিনোর প্রভাব পড়েছিল দেশে।

    নগরউন্নয়ন হল কলকাতা শহরের খামখেয়ালি আবহের (Climate Change) একটি প্রধান কারণ। গবেষকরা জানিয়েছেন, কলকাতা এখন হিট-আই ল্যান্ডে পরিণত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ে এখনই যদি না ভাবা হয়, তাহলে আগামী দিন আরও ভয়ঙ্কর হতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ajit Doval: ‘‘সন্ত্রাসবাদ ও মাদক পাচার আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ক্ষেত্রে বড় বাধা’’, বললেন ডোভাল

    Ajit Doval: ‘‘সন্ত্রাসবাদ ও মাদক পাচার আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ক্ষেত্রে বড় বাধা’’, বললেন ডোভাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদ, মাদক পাচারের মতো গুরুতর সমস্যাগুলির সমাধানে নয়া কূটনৈতিক চাল অজিত অজিত ডোভালের। চলতি সপ্তাহের, মঙ্গলবার কাজাকাস্থানে এক উচ্চপর্যায়ের জরুরি বৈঠকে বসেন ভারত ও মধ্যএশিয়ার দেশগুলির নিরাপত্তার আধিকারিকরা। সূত্রের খবর, সেখানেই অজিত ডোভাল (Ajit Doval) তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘‘ভারত এবং মধ্য এশিয়ার প্রায় কম-বেশি প্রত্যেকটি দেশই নিরাপত্তা জনিত সমস্যায় বর্তমানে ভুগছে। এর কারণ সন্ত্রাসবাদ, মাদক পাচার সমেত সাইবার হামলা। এই সমস্যাগুলির সমাধানের জন্য যৌথ নেটওয়ার্ক তৈরির প্রয়োজন।’’

    আলোচনার মাধ্যমেই বিবাদ মেটানো সম্ভব

    এর পাশাপাশি কূটনীতির উপরেও জোর দিতে দেখা গিয়েছে দেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাকে (Ajit Doval)। তাঁর মতে, ‘‘বর্তমান সময়ে অনেকগুলি চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে সারা দুনিয়া। এক দেশের সঙ্গে অপর দেশের মতপার্থক্যের জন্যই বিবাদ সৃষ্টি হচ্ছে।’’ এই বিবাদগুলি আলোচনার মাধ্যমেই মিটিয়ে ফেলা সম্ভব বলেও জানিয়েছেন অজিত ডোভাল। মধ্য এশিয়ার সঙ্গে একটি ইতিবাচক সম্পর্ক তৈরি করতে ভারত আগ্রহী বলেও জানিয়েছে ডোভাল। 

    নিশানা পাকিস্তানকে

    সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে অজিত ডোভালের (Ajit Doval) আরও  মন্তব্য, ‘‘বর্তমান আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সন্ত্রাসবাদই সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ এবং এটিকে এড়িয়ে যাওয়া বা অবহেলা করা কখনও সম্ভব নয়। এর পাশাপাশি মাদক পাচারকেও বন্ধ করতে হবে। কারণেই চোরা চালানোর মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদ মজবুত হচ্ছে।’’ প্রসঙ্গত, উচ্চ পর্যায়ের এই নিরাপত্তা আধিকারিকদের বৈঠকে অজিত ডোভাল (Ajit Doval) সব থেকে বেশি জোর দিয়েছেন সন্ত্রাসবাদ এবং মাদক পাচারকে রোখার বিষয়ে। মাদক পাচারের অর্থেই যে সন্ত্রাসবাদের ফান্ডিং হয় এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না। দীর্ঘদিন ধরে তালিবান জঙ্গিদের আফিম চাষের মাধ্যমেই নিজেদের ফান্ডিং মজবুত করতে দেখা গিয়েছে।  পাকিস্তানকে নিশানা করে ডোভাল বলেন, ‘‘মধ্য এশিয়া এবং ভারতের মধ্যে সরাসরি সংযোগ না থাকাটা খুবই বিস্ময়ের। একটি বিশেষ দেশের ক্রমাগত নীতিগত বাধার কারণে এই সংযোগ এতদিনেও গড়ে ওঠেনি। এই বাধাদানে শুধুমাত্র ওই দেশটিই যে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তা নয়, সামগ্রিক ভাবে এই অঞ্চলের লোকসান হচ্ছে।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: বিদেশি অনুদান পাওয়ার ক্ষেত্রে ছাড়পত্র পেল রাম মন্দির কর্তৃপক্ষ

    Ram Mandir: বিদেশি অনুদান পাওয়ার ক্ষেত্রে ছাড়পত্র পেল রাম মন্দির কর্তৃপক্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছরের জানুয়ারি মাসেই ভক্তদের জন্য খুলে যাচ্ছে রাম মন্দিরের (Ram Mandir) দরজা। তার আগেই, ২০১০ বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন সংক্রান্ত লাইসেন্স রাম মন্দির কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে বিদেশি কোনও অনুদান পেতে রাম মন্দির কর্তৃপক্ষের আর বাধা রইল না বলে মনে করা হচ্ছে। বুধবার বিদেশি অনুদানের লাইসেন্স পাওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই।

    কী বলছে রামজন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট

    এ বিষয়ে রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই বলেন, ‘‘বিদেশি অনুদান দিল্লির স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার মূল শাখায় রাম মন্দির ট্রাস্টের ব্যাঙ্ক অকাউন্টে পাঠাতে হবে।’’ প্রসঙ্গত, বিদেশে বসবাসকারী বহু প্রবাসী ভারতীয় হিন্দুর রাম মন্দির নির্মাণ প্রকল্পে অনুদানকে নিশ্চয়তা দিতেই সরকারের এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। 

    আগামী বছরেই খুলে যাচ্ছে রাম মন্দিরের দরজা

    ২০১৯ সালে নভেম্বরের সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয় রাম মন্দির (Ram Mandir) নির্মাণের পক্ষে। এরপরেই তোড়জোড় শুরু হয় মন্দির নির্মাণের। ২০২০ সালের ৫ অগাস্ট মন্দিরের ভূমি পূজন করেন প্রধানমন্ত্রী। তারপর থেকেই আগ্রহ এবং কৌতূহল দুটোই বাড়ছিল যে কবে উদ্বোধন হবে রাম মন্দিরের! এবার নির্মিত রাম মন্দিরের উদ্বোধনের দিনক্ষণও স্থির হয়ে গেল। রাম মন্দির (Ram Mandir) কনস্ট্রাকশন কমিটির চেয়ারপার্সন নৃপেন্দ্র মিশ্র জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরের উদ্বোধন হবে এবং রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিতর্কের অবসান আগেই করেছিল সুপ্রিম কোর্ট, রাম মন্দির নির্মাণের পক্ষে রায়দানের মাধ্যমে, এবার মন্দির উদ্বোধন হলে পূর্ণতা পাবে সুপ্রিম কোর্টের রায়, এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রসঙ্গত, রাম মন্দির তৈরি হচ্ছে আড়াই একর জমির উপরে। মন্দির প্রাঙ্গণে রয়েছে প্রায় আট একর জায়গায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Israel-Hamas War: পঞ্চম বিমানে ইজরায়েল থেকে ফিরলেন ২৮৬ জন, এরমধ্যে ১৮ জন নেপালি নাগরিক

    Israel-Hamas War: পঞ্চম বিমানে ইজরায়েল থেকে ফিরলেন ২৮৬ জন, এরমধ্যে ১৮ জন নেপালি নাগরিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েল-হামাস (Israel-Hamas War) যুদ্ধের আবহে সে দেশে বসবাসকারী ভারতীয় নাগরিকদের ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে মোদি সরকার। ইতিমধ্যে অপারেশন অজয়-এর মাধ্যমে পঞ্চম বিমান দিল্লিতে অবতরণ করেছে। এই বিমানে ২৮৬ জন ভারতীয় নাগরিক ইজরায়েল থেকে ফেরেন। এরমধ্যে ১৮ জন নেপালি নাগরিক। প্রতিবেশী রাষ্ট্র নেপালের ১৮ জন নাগরিককে উদ্ধার করার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভূয়সী প্রশংসা করতে শোনা গিয়েছে নেপালি নাগরিকদের। এছাড়াও ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন ভারতে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত। এদিন বিমানবন্দরে ইজরায়েল থেকে আসা ভারতীয়দের স্বাগত জানান তথ্য ও সম্প্রচার দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী এল মুরুগান। 

    কী বললেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী

    সাংবাদিকদের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, ‘‘যখনই ভারতীয়রা বিপদে পড়ে, তখনই আমাদের প্রধান নীতি থাকে যে তাঁদেরকে দেশে ফিরিয়ে আনা। এই কাজে আমরা সম্পূর্ণভাবে সফল হয়েছি। এর আগে অপারেশন গঙ্গা, অপারেশন কাবেরী যেমন সফলভাবে করতে পেরেছি, তেমন বর্তমানে আমরা অপারেশন অজয়ও চালু করতে পেরেছি। এটা আমাদের পঞ্চম বিমান দেশে ফিরল। মোট ১,১৮০ জনকে আমরা ইজরায়েল (Israel-Hamas War) থেকে দেশে ফিরিয়ে আনতে পেরেছি, যার মধ্যে অনেক নেপালি নাগরিকও রয়েছেন।

    কী বলছেন দেশে ফেরা নাগরিকরা

    জনৈক এক ভারতীয় নাগরিক বলেন, ‘‘আমি ইজরায়েল (Israel-Hamas War) থেকে ফিরলাম, সেখানে আমাদেরকে ভারতীয় দূতাবাস অভূতপূর্ব সাহায্য করেছে। আমরা তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞ।’’ অন্যদিকে আরেক ভারতীয় নাগরিক রমেশ বলেন, ‘‘আমরা সবেমাত্র ফিরলাম ইজরায়েল থেকে। যেভাবে ভারতীয় দূতাবাস আমাদের সাহায্য করেছে তার জন্য আমাদের সত্যি খুব ভালো লাগছে।’’  অন্যদিকে নেপালের এক মহিলা নাগরিক বলেন, ‘‘ ভয়ঙ্কর রকমের বিস্ফোরণ ঘটছিল আশেপাশে। আমরা ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জানাই আমাদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য।’’ সূত্রের খবর, সাড়ে চার হাজার এরও বেশি নেপালি নাগরিক বর্তমানে রয়েছেন ইজরায়েলে। যাদের মধ্যে ৪০০ জনকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে এবং নেপাল সরকারও প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তাদের নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য। জানা গিয়েছে, ইজরায়েলে (Israel-Hamas War) থাকা ভারতীয় নাগরিকদের জন্য সে দেশের দূতাবাস ২৪ ঘণ্টার জন্য কন্ট্রোল রুম খুলেছে যে কোনও ধরনের সাহায্যের জন্য।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ISRO: ২০৪০ সালের মধ্যে চাঁদে মানুষ পাঠাবে ভারত? ইসরোকে লক্ষ্য বেঁধে দিলেন নরেন্দ্র মোদি

    ISRO: ২০৪০ সালের মধ্যে চাঁদে মানুষ পাঠাবে ভারত? ইসরোকে লক্ষ্য বেঁধে দিলেন নরেন্দ্র মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০৪০ সালের মধ্যে চাঁদে মানুষ পাঠাতে চলেছে ইসরো (ISRO)! অন্তত ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থাকে সেরকমই সময়সীমা বেঁধে দিলেন নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার গগনযান মিশন নিয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে এমন মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। 

    ২০৩৫ সালের মধ্যে মহাকাশে ভারতে নিজস্ব স্পেস স্টেশন

    সেখানেই বিজ্ঞানীদের জানান তিনি, ২০৪০ সালের মধ্যে চাঁদে মানুষ পাঠানোর লক্ষ্য নিতে হবে। তবে ঠিক তার ৫ বছর আগে ২০৩৫ সালের মধ্যে মহাকাশে ভারতে নিজস্ব স্পেস স্টেশন (ISRO) স্থাপন করার লক্ষ্যও নিতে বলেন প্রধানমন্ত্রী। ভারতের স্পেস স্টেশনের নামকরণও মঙ্গলবার  ঠিক করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী  স্পেস স্টেশনটর নাম হবে ‘ভারতীয় অন্তরীক্ষ স্টেশন’। জানা গিয়েছে, এদিনের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মঙ্গল ও শুক্র অভিযান নিয়ে যাবতীয় কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

    ইসরোর আগামী মিশনগুলি

    আগামীতে ইসরোর (ISRO) বেশ কতগুলো মিশন রয়েছে। যেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য, গগনযান-১, গগনযান-২, গগনযান-৩, শুক্রযান-১, মঙ্গলযান-২, লুনার পোলার এক্সপ্লোরেশন মিশন বা লুপেক্স। এর মধ্যে পরীক্ষামূলকভাবেই উড়ে যাবে গগনযান-১, প্রথম ধাপে কোনও মানুষ অবশ্য থাকবে না গগনযানে। এটি পরীক্ষামূলক মিশন হবে। গগনযান-২ এর ক্ষেত্রে মহাকাশযানে একটি রোবটকে পাঠানো হবে। অবশেষে গগনযান-৩ তিনজন মহাকাশচারীকে পাঠানো হবে। গগনযান-১ পরীক্ষামূলকভাবে উড়ে যাবে অবশ্য দুর্গাপুজোর সপ্তমীর দিনই। ২১ অক্টোবর পাড়ি দেবে গগনযান-১। মহাকাশ থেকে পরে তা অবতরণ বঙ্গোপসাগরে। সেই মতো প্রস্তুত ভারতীয় নৌবাহিনীও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Coal Mines death: ফের কয়লা খনিতে ধস, রানীগঞ্জের পর ধানবাদে মৃত্যু ২, কাঠগড়ায় ইসিএল

    Coal Mines death: ফের কয়লা খনিতে ধস, রানীগঞ্জের পর ধানবাদে মৃত্যু ২, কাঠগড়ায় ইসিএল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রানীগঞ্জে কয়লা খনিতে ধসের ঘটনার পর, এবার ফের ধানবাদের কয়লা খনিতে ধসে চাপা পড়ে মৃত্যু (Coal Mines death) হয়েছে ২ জনের। সোমবার ধানবাদের ইসিএলের কয়লা খনিতে এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এলাকার মুগমা এরিয়ার কাপাসারা খোলামুখ খনিতে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। সেই সঙ্গে আরও জানা গেছে, মৃতদের মধ্যে একজনের নাম যমুনা রাজবংশী। বাকিদের পরিচয় এখনও জানা যায় নি। আশঙ্কা করা হচ্ছে আরও কিছু মানুষ হয়তো নিচে চাপা পড়ে রয়েছেন। এই ঘটনায় ইসিএল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে এলাকার মানুষ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। কর্তব্যে গাফলতির অভিযোগে তুলে এলাকার মানুষ, মৃতদের পরিবারে জন্য ক্ষতিপূরণের দাবি করেছেন ইসিএলের কাছে। উল্লেখ্য গত জুন মাসেও নিরসাতে বিসিসিএলের খোলামুখ কয়লা খনিতে পাঁচজন মানুষের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল। 

    ধস নেমেছিল রানীগঞ্জেও (Coal Mines death)

    গত বুধবার, রানীগঞ্জের ইসিএল কুনুস্তরিয়া এলাকার নারায়ণকুড়ি এলাকায় ধস নেমেছিল বলে জানা গিয়েছে। বেশ কিছু মানুষ সেখানে চাপা পড়ে মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছিল। পরে সেখান থেকে মোট তিন জনের মৃতদেহ (Coal Mines death) উদ্ধার হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছিল, খনির দেওয়াল ফুটো করে কয়লা সংগ্রহ করতে গিয়ে চাপা পড়ে এই বিপত্তি ঘটে। এরপর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌঁছান বিজেপি বিধায়ক আগ্নিমিত্রা পাল। তিনিও প্রশাসনের অব্যবস্থার দিকে আঙুল তোলেন। এই ঘটনার রেস কাটতে না কাটতেই ফের বিপত্তি ঘটল ধানবাদে।

    প্রশাসনের ভূমিকা?

    এই ইসিএলের খোলামুখ খনিটি ঝাড়খণ্ড পুলিশ প্রশাসনের অধীনে। ধসের পর উদ্ধার কাজের জন্য, ইসিএল কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশ প্রশাসন দ্রুত উদ্ধার কাজে এগিয়ে আসেনি বলে, অভিযোগ করেন বিজেপি বিধায়ক অপর্ণা সেনগুপ্ত। এই খনিকে প্রশাসন পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে দিয়েছিল বহুদিন। এখানে কোনও নিরাপত্তা ছিল না, আর তার ফলেই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে (Coal Mine death)। অপর দিকে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চাও এই মৃত্যুর জন্য কাঠগাড়ায় তুলেছেন ইসিএল কর্তৃপক্ষকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nithari Case: শিশু-কিশোরীদের ধর্ষণ-খুন করে মাংস ভক্ষণ! নিঠারিকাণ্ডে দুই আসামিরই ফাঁসি রদ

    Nithari Case: শিশু-কিশোরীদের ধর্ষণ-খুন করে মাংস ভক্ষণ! নিঠারিকাণ্ডে দুই আসামিরই ফাঁসি রদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০০৬ সালে নিঠারি হত্যা মামলা (Nithari Case) নিয়ে সারাদেশ তোলপাড় হয়েছিল। মনীন্দ্র সিং পান্ধের এবং তার পরিচারক  সুরেন্দ্র কোহলির বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, যুবতী ও কিশোরীদের ধর্ষণ করে বাড়িতে তাদেরকে হত্যা করার। এরকম ১৯টি নরকঙ্কাল উদ্ধার হয় উত্তরপ্রদেশের নয়ডায় ব্যবসায়ী মনীন্দ্র পান্ধেরের বাড়ি থেকে। এই মামলায় নিম্ন আদালতেররায়ে তাদের ফাঁসি সাজা ঘোষণা হলেও, এলাহাবাদ হাইকোর্ট এদিন দুইজনেরই ফাঁসির সাজা রদ করল। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, সুরেন্দ্রকে বারটি মামলা এবং মনিন্দ্রকে দুটি মামলায় (Nithari Case) বেকসুর ঘোষণা করেছে উচ্চ আদালত। তাতেই তাদের ফাঁসির সাজা রদ হল।

    খুন-ধর্ষণের পরে প্রেসার কুকারে মৃতদেহ সেদ্ধ করে খেয়ে ফেলত অভিযুক্তরা

    ২০০৫-২০০৬ সাল নাগাদ একের পর এক যুবতী,কিশোরী নিখোঁজ হতে শুরু করে নিঠারিতে। মনীন্দ্রর বাড়ির সামনে ড্রেন থেকে উদ্ধার হয় মাথার খুলি। এরপরেই তদন্তে নামে পুলিশ। ২০০৬ সালের ২৯ ডিসেম্বর মনীন্দ্রর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ১৯টি নরকঙ্কাল। তদন্তে উঠে আসে যে এই সমস্ত শিশু এবং কিশোরীদের হত্যা করার পর তাদেরকে ধর্ষণ করে মণীন্দ্র পান্ধের এবং সুরেন্দ্র কোহলি। শুধু তাই নয় আরও মারাত্মক অভিযোগ, সমস্ত প্রমাণ লোপাটের জন্য হত্যার পরে মৃতদেহ প্রেসার কুকারে সেদ্ধ করে খেয়েও ফেলেছিল তারা। এই হত্যা মামলায় (Nithari Case) বাঙালি তরুণী পিঙ্কি সরকারেরও কঙ্কাল উদ্ধার হয়। ওই বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করতেন পিঙ্কি এবং তাঁকেও যৌন নির্যাতনের পর খুন করে মনীন্দ্র এবং কোহলি।

    ১৯টি মামলা দায়ের হয় মনীন্দ্র ও কোহলির বিরুদ্ধে

    মোট ১৯ টি মামলার মধ্যে তিনটি মামলা খারিজ হয়ে যায় প্রমাণের অভাবে। কিন্তু বাকি ১৬টি মামলার মধ্যে ৭টিতে ফাঁসির সাজা দেওয়া হয় সুরেন্দ্র কোহলিকে। মণীন্দ্র পান্ধের অবশ্য জামিনে ছাড়া পেয়েছিল। পরে পিঙ্কি খুনের মামলায় (Nithari Case) তাকেও মৃত্যুদণ্ড দেয় আদালত। তদন্তকারী সংস্থার এও দাবি যে দুই অভিযুক্ত নিজেরাই স্বীকার করেছে যে তারা শিশুদের ধর্ষণ ও খুন করে তাদের মাংস সেদ্ধ করে খেয়েছিল প্রেসার কুকারে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mount Kailash: আর দুর্গম পথে হাঁটতে হবে না, এবার সরাসরি  সড়ক পথে গাড়ি পৌঁছাবে কৈলাসে

    Mount Kailash: আর দুর্গম পথে হাঁটতে হবে না, এবার সরাসরি সড়ক পথে গাড়ি পৌঁছাবে কৈলাসে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৈলাসে (Mount Kailash) যাওয়ার নতুন রাস্তা চালু হল। দুর্গম পথে আর পায়ে হেঁটে যেতে হবে না পুণ্যার্থীদের। এবার থেকে সরাসরি গাড়ি পৌঁছে যাবে কৈলাস পর্বতে। হিন্দুদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় স্থান হল উত্তরাখণ্ডের আদি কৈলাস মন্দির। পুরাণে রয়েছে কৈলাসে সমাধিস্থ হওয়ার আগে ভগবান শিব এবং মা পার্বতী এখানেই কিছুটা সময় অতিবাহিত করেন। এখানেই মা পার্বতীর মন্দির রয়েছে। পৌরাণিক মতে মা পার্বতী স্নান করেন এই মন্দিরের কুণ্ডে।  

    সরাসরি গাড়ি পৌঁছে যাবে কৈলাসে (Mount Kailash)

    কৈলাস (Mount Kailash) মন্দিরে পুণ্যার্থীদের আগে পায়ে হেঁটে যাত্রা করতে হতো। দিনের পর দিন লেগে যেতো, দুর্গম পথ অতিক্রম করে মন্দির দর্শন করতে। কিন্তু এবার লেপুলেখ পর্যন্ত সড়ক পথ নির্মিত হওয়ার ফলে, এই ধর্মস্থলের যাত্রাপথ অনেক সহজ হয়ে গেছে। উল্লেখ্য লেপুলেখের পাশেই ইন্দো-নেপাল-তিব্বত সীমান্ত। সীমান্তের পাশে থেকে দেখা যায় মাউণ্ট কৈলাস। ধরাচুল থেকে তাওয়াঘাট পর্যন্ত গাড়ি চলাচল করে। এর পরের স্থান থেকে কৈলাস মন্দির পর্যন্ত পথ, পায়ে হেঁটে ভক্তদের যেতে হতো। প্রায় ১০ দিনের বেশী সময় লাগতো ভক্তদের মন্দিরস্থলে পৌঁছাতে। এই এলাকার মানুষের একটা বড় আয়ের উৎস হল পুণ্যার্থীদের আদি কৈলাস ভ্রমণ।

    ৫ হাজার ৯৪৫ মিটার উচু আদি কৈলাস পর্বত

    উত্তরাখণ্ডের পিথোরগড়ে অবস্থিত এই আদি কৈলাস পর্বত (Mount Kailash), যার উচ্চতা ৫৯৪৫ মিটার। ধরচুল থেকে যাত্রা করে যাওয়া যায় কৈলাস সরোবর এবং আদি কৈলাস মন্দিরে। তবে আদি কৈলাস ভারত সীমান্তের মধ্যে হলেও কৈলাস সরোবর, আবার তিব্বত সীমান্তের মধ্যে অবস্থিত। যদিও এই অংশকে চিন নিজের বলে দাবি করে থাকে। সীমান্ত জটিলতার কারণে এই কৈলাস সরোবরে পুণ্যার্থীদের প্রবেশাধিকার সাময়িক ভাবে বন্ধ রয়েছে। এই আদি কৈলাসের কাছে জলিকংয়ে রয়েছে ভারতীয় সেনার আইটিবিপি বেস ক্যাম্প। এখান থেকে মাত্র ৪০ কিমি দূরে ভারত-নেপাল-তিব্বত বর্ডার। ভক্তরা এই স্থান পর্যন্তই পরিদর্শন করতে যেতে পারেন।

    মোদির আদি কৈলাস যাত্রা

    সম্প্রতি নরেন্দ্র মোদি দেবভূমি আদি কৈলাসে (Mount Kailash) পুজো দিতে গিয়েছিলেন। দেশের মানুষের জন্য মঙ্গল কামনা করেন তিনি। স্থানীয় গুঞ্জি নামক গ্রামে যান প্রধানমন্ত্রী। এরপর উত্তরাখণ্ডের জন্য একগুচ্ছ নতুন প্রকল্প ঘোষণা করেন। রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নের জন্য কেন্দ্র সরকারের প্রতিশ্রুর কথা মনে করিয়ে দেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Vaishno Devi Temple: পুরীর পর বৈষ্ণোদেবী, অশালীন পোশাক পরে প্রবেশ নিষেধ মন্দিরে

    Vaishno Devi Temple: পুরীর পর বৈষ্ণোদেবী, অশালীন পোশাক পরে প্রবেশ নিষেধ মন্দিরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে অশালীন পোশাক পরে প্রবেশ আগেই নিষিদ্ধ হয়েছে। এবার জম্মু-কাশ্মীরের বৈষ্ণোদেবী মন্দিরেও (Vaishno Devi Temple) একই নিয়ম জারি করল সরকার। বর্তমানে শুরু হয়েছে বৈষ্ণোদেবী দর্শনের ভিড়। নেমেছে ভক্তদের ঢল। আর ঠিক এই সময়ে নতুন নিয়মবিধি লাগু করল সরকার। জারি হয়েছে নতুন ড্রেস কোড। সরকারের তরফ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই সমস্ত নিয়ম পালন করতে হবে অন্যথায় ভক্তদেরকে মন্দিরে ঢুকতে দেওয়া হবে না।  

    রবিবার ১৫ অক্টোবর থেকে জারি হচ্ছে নতুন নিয়মবিধি

    প্রসঙ্গত, রবিবার ১৫ অক্টোবর থেকেই এই নয়া নিয়মবিধি চালু হতে চলেছে বলে জানা গিয়েছে। সরকারের তরফ থেকে জারি করা নয়া পোশাক বিধিতে জানানো হয়েছে যে টি-শার্ট কিংবা বারমুডা, শর্ট প্যান্ট পরে কোনওভাবেই মন্দিরের প্রবেশ করতে পারবেন না ভক্তরা। চলবে না স্কিন ফিট পোশাকও। এই পোশাক পরে কেউ মন্দিরে প্রবেশ করতে চাইলে তাঁকে গেট থেকে ফিরে যেতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। শালীন পোশাক পরেই মন্দিরে প্রবেশ করতে হবে, এসংক্রান্ত নির্দেশিকা ইতিমধ্যেই সাইন বোর্ড আকারে টাঙানোও হয়েছে। মাতা বৈষ্ণোদেবী মন্দির (Vaishno Devi Temple) চত্বরের বাইরেও দেখা যাচ্ছে এই সাইনবোর্ড। মন্দিরে যাওয়ার রাস্তাতেও একাধিক এলাকায় ভক্তদের সুবিধার্থে সাইন বোর্ড টাঙানো (Vaishno Devi Temple) হয়েছে। এ ছাড়াও পুণ্যার্থীদের জন্য মাইকে পোশাকবিধি নিয়ে প্রচারও করা হচ্ছে।

    জগন্নাথ মন্দিরে আগেই লাগু ড্রেস কোড

    পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে আগেই চালু হয়েছে ড্রেস কোড। ছেঁড়াফাটা জিন্সের প্যান্ট পরে কোনও ভক্তকে আর জগন্নাথ দর্শনের অনুমতি দেওয়া হয় না। দিনকয়েক আগেই এরকম পোশাক বিধি চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জগন্নাথ টেম্পেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন। তবে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের নয়া পোশাক বিধি চালু হতে চলেছে আগামী ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে। জগন্নাথ মন্দির প্রশাসনের বক্তব্য, ‘‘ধর্মীয় ভাবাবেগ এবং পবিত্র মন নিয়ে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে দেশ-বিদেশ থেকে বহু পুণ্যার্থী আসেন। ফলে কোনওভাবেই মন্দিরের পবিত্রতা রক্ষা নষ্ট করতে দেওয়া যাবে না।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India-Sri Lanka: ৪০ বছর পরে ভারত-শ্রীলঙ্কা ফেরি পরিষেবা চালু, উদ্বোধন করলেন মোদি

    India-Sri Lanka: ৪০ বছর পরে ভারত-শ্রীলঙ্কা ফেরি পরিষেবা চালু, উদ্বোধন করলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৪০ বছর পরে মোদি জমানায় চালু হল ভারত শ্রীলঙ্কার ফেরি পরিষেবা (India-Sri Lanka)। ভ্রমণ পিপাসু  পর্যটকদের কাছে এ যেন এক বড় উপহার। এর ফলে সহজেই ঘুরে চলে আসা যাবে শ্রীলঙ্কা থেকে। পর্যটকরা দেখতে পাবেন এককালে রাবণের লঙ্কা, অশোক বাটিকা সমেত একাধিক দর্শনীয় স্থান। 

    ফেরি পরিষেবা সূচনা করে কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    শনিবার ভারত শ্রীলঙ্কা ফেরি সার্ভিসের (India-Sri Lanka) সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তামিলনাড়ুর নাগাপট্টিনম থেকে শ্রীলঙ্কার কাঙ্কেসান্থুরাইয়ের জাফনার মধ্যে চালু হয় এই পরিষেবা। নিজের বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই সংযোগ কেবল দুটি শহরকে কাছকাছি আনছে না, এটা আমাদের দেশ, আমাদের জনগণকেও কাছাকাছি আনছে এবং আমাদের হৃদয় সংযোগও গভীর হচ্ছে।”
    এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর আরও সংযোজন, “দুই দেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হল। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক দৃঢ় করার ক্ষেত্রে এটি দুই দেশের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ মাইলস্টোন।” প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, এই ফেরি পরিষেবা সমস্ত ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক সংযোগকে আরও জীবন্ত করে তুলবে। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, ব্যবসা পর্যটন সমেত সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের এক নতুন দিকের উন্মোচন করল এই নয়া ফেরি পরিষেবা।

    ‘চেরিয়াপানি’ নৌকার মাধ্যমে চালু ফেরি পরিষেবা

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাশাপাশি এদিনের ফেরি পরিষেবা অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ও শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রম সিংহ। নিজের বক্তব্যে ভারতের বিদেশমন্ত্রী জানান, এই ফেরি পরিষেবা সত্যিকারের বড় পদক্ষেপ। এর পাশাপাশি বিদেশমন্ত্রী জানান, শ্রীলঙ্কার সঙ্গে আগামী দিনে পাইপলাইন এবং অর্থনৈতিক করিডরের দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে।  প্রসঙ্গত এদিন ‘চেরিয়াপানি’ নামের একটি নৌকার মাধ্যমে এই ফেরি পরিষেবা চালু হল। এই নৌকাটিতে দেড়শো জন যাত্রী ধারণ ক্ষমতা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ভারত থেকে শ্রীলঙ্কা পৌঁছাতে সময় নেবে প্রায় সাড়ে তিন ঘন্টা। প্রতিদিনই দুই দেশের মধ্যে যাতায়াত করবে এই নৌকা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share