Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Sanatan Dharma: এবার সনাতন ধর্মকে কুষ্ঠের সঙ্গে তুলনা প্রাক্তন ইউপিএ মন্ত্রীর, কড়া প্রতিক্রিয়া অনুরাগ ঠাকুরের

    Sanatan Dharma: এবার সনাতন ধর্মকে কুষ্ঠের সঙ্গে তুলনা প্রাক্তন ইউপিএ মন্ত্রীর, কড়া প্রতিক্রিয়া অনুরাগ ঠাকুরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন ধর্মকে (Sanatan Dharma) ডেঙ্গি এবং ম্যালেরিয়ার সঙ্গে তুলনা করেছিলেন স্ট্যালিন পুত্র উদয়নিধি। এবার তাঁর দলেরই এক লোকসভার সাংসদ এবং প্রাক্তন ইউপিএ সরকারের মন্ত্রী এ রাজা সেসব ছাপিয়ে গেলেন। সনাতন ধর্মকে (Sanatan Dharma) তিনি কুষ্ঠ এবং এইচআইভির সঙ্গে তুলনা করলেন। বুধবারই এ রাজা মন্তব্য করেন, ‘‘একটা সময় ছিল যখন কুষ্ঠ এবং এইচআইভি একটি কলঙ্ক হিসাবে বিবেচিত করা হত। বর্তমানে এটিকেও (সনাতন ধর্ম) (Sanatan Dharma) এইচআইভি এবং কুষ্ঠরোগের মতো বিবেচনা করা উচিৎ যা একটি সামাজিক কলঙ্ক রূপে বিবেচিত হত।’’ 

    কড়া প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    সনাতন ধর্ম (Sanatan Dharma) সম্পর্কে এমন অপমানজনক মন্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া দিতে শোনা গিয়েছে বিজেপি নেতৃত্বকে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর বলেন, ‘‘রাহুল গান্ধীর এই ‘নফরত কী দুকান’-এ ‘ঘামান্ডিয়া’ জোটের সদস্যরা ‘নফরত কা সামান’ বিক্রি করছেন।’’

    উত্তরের পাপ্পু রাহুল দক্ষিণের পাপ্পু উদয়নিধি মন্তব্য তামিলনাড়ুর বিজেপির সভাপতির

    অন্যদিকে সনাতন ধর্ম (Sanatan Dharma) সম্পর্কে স্টালিন পুত্র উদয়নিধির এই মন্তব্যকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তামিলনাড়ুর বিজেপি সভাপতি কে আন্নামালাই। রাহুল গান্ধী ও উদয়নিধি স্ট্যালিনকে এক সারিতে এনে তামিলনাড়ুর রাজ্য সভাপতি মন্তব্য, উত্তরের পাপ্পু রাহুল গান্ধী দক্ষিণের পাপ্পু উদয়নিধি। তামিলনাড়ুর বিজেপি সভাপতির আরও দাবি, ৬ বছর ধরে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে গিয়েছে ডিএমকে সরকার। তারা সামাজিক ন্যায় বিচার (Sanatan Dharma) দিতে পারেনি তামিলনাড়ুর মানুষকে অথচ এখন তারাই সামাজিক ন্যায় বিচারের প্রশ্ন তুলছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament of India: উদ্বোধনের পর চলতি মাসেই প্রথম অধিবেশন বসছে নয়া সংসদ ভবনে, কবে জানেন?

    Parliament of India: উদ্বোধনের পর চলতি মাসেই প্রথম অধিবেশন বসছে নয়া সংসদ ভবনে, কবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের (Parliament of India) বিশেষ অধিবেশন শুরু হচ্ছে আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে। পুরনো সংসদ ভবনে এই অধিবেশন শুরু হলেও তা শেষ হবে নতুন সংসদ ভবনে (Parliament of India)। সূত্রের খবর, আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর রয়েছে গণেশ চতুর্থী এবং সেই দিনই সংসদের নতুন ভবনে অধিবেশন স্থানান্তরিত হবে বলে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে আগামী ১৮ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পাঁচ দিনের জন্য সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছে। চলতি বছরের ২৮ মে নতুন সংসদ ভবনের উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তারপর থেকেই শুরু হয়েছিল জোর চর্চা, যে কবে বসবে নতুন সংসদে (Parliament of India) অধিবেশন? অবশেষে তা গণেশ চতুর্থীর শুভক্ষণেই বসতে চলেছে।

     সংসদের বিশেষ অধিবেশনে কোন কোন বিষয়ে আলোচনা হতে পারে?  

    বাদল অধিবেশন (Parliament of India) শেষ হওয়ার পরে ফের একবার বিশেষ অধিবেশন কেন ডাকা হল তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চলছে গুঞ্জন। সাধারণভাবে বিশেষ কোনও সিদ্ধান্ত নিতেই সরকারপক্ষ এমন অধিবেশন ডাকে। আবার ওয়াকিবহল মহলের ধারনা, বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাশ করাতেই হয়তো ডাকা হচ্ছে এই অধিবেশন (Parliament of India)। সূত্রের খবর, বেশ কতগুলি ইস্যু রয়েছে যা উঠতে পারে সংসদের বিশেষ অধিবেশনে। যার মধ্যে অন্যতম হল, ‘এক দেশ এক ভোট’ ইতিমধ্যে এ নিয়ে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির রামনাথ কোবিন্দের নেতৃত্বে কমিটিও গঠন করেছে কেন্দ্র। অন্যদিকে দেশজুড়ে এখন আলোচনা চলছে, ‘ভারত বনাম ইন্ডিয়া’ বিষয়ে। ইতিমধ্যে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের আমন্ত্রণ পত্রে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর নামের নিচে লেখা হয়েছে ‘প্রেসিডেন্ট অফ ভারত’।  

    সোনিয়া গান্ধীর চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে প্রহ্লাদ জোশীর প্রতিক্রিয়া 

    এদিকে বুধবারই সংসদের (Parliament of India) বিশেষ অধিবেশনে কী নিয়ে আলোচনা হবে তা জানতে চেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দেন সোনিয়া গান্ধী।  ওই চিঠিতে তিনি জানিয়েছেন যে বিরোধী দলগুলিকে না জানিয়ে সরকার সংসদের (Parliament of India) অধিবেশন ডেকেছে। যানিয়ে শুরু হয়েছে বিজেপি কংগ্রেসের মধ্যে রাজনৈতিক লড়াই। সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশি ইতিমধ্যে সোনিয়া গান্ধীর এই বক্তব্যকে খণ্ডন করে বলেছেন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিতর্ক তৈরি করতে চাইছে কংগ্রেস। তাঁর আরও অভিযোগ,গণতন্ত্রের মন্দিরকে নিয়ে রাজনীতি করছেন সোনিয়া গান্ধী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mohan Bhagwat: ‘‘অখণ্ড ভারতের ভাবনাও আগামী দিনে সত্যি হবে’’, মন্তব্য সঙ্ঘ প্রধানের

    Mohan Bhagwat: ‘‘অখণ্ড ভারতের ভাবনাও আগামী দিনে সত্যি হবে’’, মন্তব্য সঙ্ঘ প্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অখণ্ড ভারতের ভাবনাও আগামী দিনে সত্যি হবে, বুধবার এমনই মন্তব্য করলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সর সঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। সঙ্ঘ প্রধানের দাবি, অখণ্ড ভারতের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে আগামী দিনেই। প্রসঙ্গত, নাগপুরে এদিন সঙ্ঘ প্রধান হাজির ছিলেন একটি অনুষ্ঠানে। যেখানে তাঁকে অখণ্ড ভারতের বিষয়ে প্রশ্ন করে একজন ছাত্র। সে বিষয়ে উত্তর দিতে গিয়েই সঙ্ঘ প্রধান অখণ্ড ভারত কবে হবে, তার ব্যাখ্যা দেন।

    কী বললেন সঙ্ঘ প্রধান (Mohan Bhagwat)?

    বুধবার মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, ‘‘আমি বলতে পারব না সঠিক কবে অখণ্ড ভারতের নির্মাণ হবে, তবে ভবিষ্যতে তা নিশ্চয়ই হবে। যদি কাজে লেগে থাকা হয়, তাহলে আমরা বৃদ্ধ হওয়ার আগেই স্বপ্নপূরণের সাক্ষী থাকতে পারবো। অখণ্ড ভারতের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হওয়ার অন্যতম যুক্তি হল যে যারা আমাদের থেকে পৃথক হয়েছিল, তারা এখন উপলব্ধি করছে যে সেটা ভুল ছিল এবং তাদের উপলব্ধি এটাও যে আমাদের ভারতের সঙ্গে পুনরায় থাকা উচিত।’’

    গুয়াহাটিতে দিন কয়েক আগেই সর্বত্র ‘ভারত’ ব্যবহার করতে বলেন মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) 

    প্রসঙ্গত দিন কয়েক আগেই সঙ্ঘ প্রধান (Mohan Bhagwat) মন্তব্য করেছিলেন, ইন্ডিয়ার বদলে আমরা সব জায়গায় ভারত ব্যবহার করব। তাঁর এই বক্তব্যকে নিজের এক্স হ্যান্ডেল থেকে শেয়ারও করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। দিল্লিতে বসতে চলেছে জি-২০ এর শীর্ষ সম্মেলন, সেখানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর নামের নিচে লেখা হয়েছে ‘প্রেসিডেন্ট অফ ভারত’। বিশেষজ্ঞ মহল অবশ্য সঙ্ঘ প্রধানের (Mohan Bhagwat) ভাবনাতেই সিলমোহর দিচ্ছে। তাঁদের যুক্তি, ‘‘ভারত এই নামকরণ অতীতে বিভিন্ন হিন্দু পুরাণে যেমন উল্লেখ রয়েছে, তেমনই ভারতবর্ষের ভাষার বৈচিত্রের মধ্যেও এই নামটা বদলায়নি এবং অনেক প্রাচীন যুগ থেকেই ভারত নামটি প্রচলিত রয়েছে।’’ প্রসঙ্গত দেশের সমস্ত দাসত্বের চিহ্ন মুছে ফেলতে সক্রিয় হতে দেখা গিয়েছে মোদি সরকারকে। এবার দেখার  ইন্ডিয়া নাম সরকারিভাবে বদলায় কিনা!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Pralhad Joshi: ‘‘গণতন্ত্রের মন্দিরকে নিয়ে রাজনীতি করছেন সোনিয়া’’, অভিযোগ প্রহ্লাদ জোশীর

    Pralhad Joshi: ‘‘গণতন্ত্রের মন্দিরকে নিয়ে রাজনীতি করছেন সোনিয়া’’, অভিযোগ প্রহ্লাদ জোশীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস সংসদীয় দলের তরফ থেকে সোনিয়া গান্ধী চিঠি লিখেছিলেন নরেন্দ্র মোদিকে। সেখানে সোনিয়া গান্ধী অভিযোগ করেন, বিরোধীদের না জানিয়ে সংসদের অধিবেশন ডেকেছে সরকারপক্ষ এবং ‘ইন্ডিয়া বনাম ভারত’ সহ আরও ন’টি বিষয়ে আলোচনা করার আর্জিও জানিয়েছিলেন সোনিয়া গান্ধী। বুধবার সকালে সোনিয়া গান্ধীর এই প্রশ্নের জবাব সন্ধ্যাতেই খোলা চিঠির মাধ্যমে দিলেন কেন্দ্রীয় সংসদীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী (Pralhad Joshi)। 

    খোলা চিঠিতে সোনিয়া গান্ধীকে কী বলেছেন প্রহ্লাদ?

    প্রহ্লাদ জোশী (Pralhad Joshi) জানিয়েছেন, আগামী ১৮ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর সংসদের বিশেষ অধিবেশনে কোনও আলোচ্যসূচি স্থির করেনি সরকার। পাশাপাশি সংসদের কাজকে রাজনীতিকরণ করছেন সোনিয়া, এমন অভিযোগও তুলেছেন প্রহ্লাদ জোশী (Pralhad Joshi)। সংসদীয় মন্ত্রীর মতে, অহেতুক বিতর্ক তৈরি করতে চাইছেন কংগ্রেস নেত্রী। সোনিয়া গান্ধীর চিঠিকে দুর্ভাগ্যপূর্ণ বলেও মন্তব্য করেছেন সংসদীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী (Pralhad Joshi)। গণতন্ত্রের মন্দিরকে নিয়ে রাজনীতি করতে চাইছেন সোনিয়া গান্ধী, এমন অভিযোগও শোনা যায় সংসদীয় মন্ত্রীর গলায়।

    সোনিয়াকে সংসদীয় নিয়ম মনে করালেন কেন্দ্রীয় সংসদীয় মন্ত্রী

    “আপনি জানেন, সাংবিধানের ৮৫ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নিয়মিত সংসদের অধিবেশন হয়। সময়ে সময়ে সংসদের প্রতিটি কক্ষে তাঁর উপযুক্ত সময়ে এবং স্থানে বক্তব্য রাখেন রাষ্ট্রপতি। নিয়ম অনুযায়ী, দুটি অধিবেশনের মধ্যে ছয় মাসের বেশি ব্যবধান রাখা যায় না। আমাদের সরকার সর্বদা যে কোনও বিষয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত। আপনি যে সমস্ত বিষয়ের উল্লেখ করেছেন, সদ্য সমাপ্ত বাদল অধিবেশনে অনাস্থা প্রস্তাবের উপর আলোচনার সময় সেগুলি তোলা হয়েছিল। সরকার সেগুলির জবাবও দিয়েছে। অধিবেশনের আলোচ্যসূচি, রীতি মেনে উপযুক্ত সময়ে প্রকাশ করা হবে। আমি (Pralhad Joshi) আবারও জানাতে চাই, সরকারে যে দলই থাকুক না কেন, আজ পর্যন্ত সংসদীয় অধিবেশন ডাকার সময় আগে থেকে এজেন্ডা প্রকাশ করা হয়নি।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nitin Godse: সবজি বিক্রেতা থেকে প্রতিষ্ঠিত শিল্পপতি! নিতিন গডসের যাত্রাপথ কেমন ছিল?

    Nitin Godse: সবজি বিক্রেতা থেকে প্রতিষ্ঠিত শিল্পপতি! নিতিন গডসের যাত্রাপথ কেমন ছিল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  নিতিন গডসে (Nitin Godse) হলেন একজন প্রথম প্রজন্মের একজন বিনিয়োগকারী। তিনি এক্সেল গ্যাস অ্যান্ড ইকুইপমেন্টস-এর এমডি। পরিশ্রম দিয়ে নিজেকে সমাজের সামনে উপস্থাপন করছেন। সবজি বিক্রেতা থেকে আজ দেশের বড় মাপের একজন ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন তিনি। স্বনির্ভর হতে গেলে কীভাবে পরিশ্রম করতে হয়, তা তাঁকে দেখেই জানা যায়।

    প্রথম জীবন (Nitin Godse) কেটেছে কীভাবে?

    নিতিন (Nitin Godse) একজন সাধারণ গরিব পরিবারের ছেলে ছিলেন। মহারাষ্ট্রের আহমেদনগরের আকোলে গ্রামে তাঁর বসবাস ছিল। বাবা একটি সংস্থায় মাসে ৪০০ টাকার বেতনে কাজ করতেন। নিতিন পড়াশুনার জন্য নিজেই সবজি বিক্রি করে আয় করতেন। জীবনের শুরুটা করছেন খুব ছোট থেকে। স্নাতক স্তরের পড়াশুনা করে তিনি একটি কারখানায় সুপারভাইজার হিসাবে প্রথম জীবনে চাকরি করেন। এক বছর কাজ করে নিতিন টেকনোভা ইমেজিং সিস্টেমে যোগ দেন। এরপর অনুভব করেন পড়াশুনা ভালো করে না করলে উন্নতি সম্ভব নয়। এরপর তিনি পুণে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ পাশ করেন ১৯৯৪-৯৬ সালে। এরপর তিনি বিষ্ণুপ্রিয়া আরগো শিল্পকারখানায় তাজা শাকসবজির মার্কেটিং-এর উপর কাজে মন দেন। নিজে ব্যবসা করতে গেলে টাকার সমস্যা ছিল। সেই সময় এক পরিচিত ব্যক্তি ৫ লাখ টাকা ধার দিয়ে ব্যবসা করার জন্য সহযোগিতা করেন। এরপর আর পিছনে তাকাতে হয়নি তাঁকে। অত্যন্ত পরিশ্রম করে সবজি বাজারে এনে, পরিষ্কার করে নিজের মার্কেটিং করতেন। প্রথম প্রথম সেভাবে লাভের মুখই দেখতে পেতেন না বললেই চলে।

    সাফল্যের শিখরে পৌঁছালেন কীভাবে?

    ১৯৯৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর নিতিন (Nitin Godse) নিজে এক্সেল গ্যাস অ্যান্ড ইকুইপমেন্টস প্রাইভেট কোম্পানির সূচনা করেন। অল্প কিছু দিনের মধ্যে বিরাট সাফল্য পেলেন। এই কোম্পানির বর্তমানে বার্ষিক টার্নওভার দাঁড়িয়েছে ২৫ কোটি টাকা। বর্তমানে তাঁর সংস্থায় কর্মচারী রয়েছেন প্রায় ১৫০ জন। গত ১৩ বছরে এক্সেল গ্যাস কোম্পানি বাজারে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে। তাঁর বাজার শুধু ভারতেই সীমাবদ্ধ নয়, ইতিমধ্যে মধ্যেপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি ইতিমধ্যে সৌদি আরব, আফ্রিকা এবং দুবাইতে একটি অফিস স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর কোম্পানির উৎপাদন এবং তার গুণমানের পরিষেবা প্রদানের জন্য এক্সেল গ্যাস ২০১৬-১৭ সালের মধ্যে ১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। ভারতের ৫ টি শহরে প্রায় ২০টি গ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপন করার পরিকল্পনা করেছেন তিনি৷ এছাড়াও ২০১৭-১৮ সালে, তাঁর কোম্পানি গুজরাটে একটি সীমলেস টিউব উৎপাদন কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা করছে। এই ভাবেই একজন সবজি বিক্রেতা থেকে প্রথম সারির বিনিয়োগপতি হয়েছেন নিতিন গডসে।

    নিতিন গডসের প্রতিক্রিয়া

    নিতিন (Nitin Godse)  নিজের জীবনের সাফল্যের কথা বলতে গিয়ে বলেন, আমার স্পষ্ট মনে রয়েছে যে দিন আমি ব্যবসা শুরু করি, সেদিন আমার বড় ছেলের জন্ম হয়েছিল। আমার ছোট বেলা থেকেই স্বপ্ন ছিল, আমি ব্যবসা করে স্বনির্ভর হবো। তিনি আরও বলেন, পরিশ্রমের কারণে আজ আমাদের কোম্পানি আইএসও সার্টিফিকেট অর্জন করেছে। তাঁদের বাজার এখন ভারত ছাপিয়ে মধ্যপ্রাচ্য পর্যন্ত পৌঁছে গেছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Heart Attack: হার্ট অ্যাটাকে ভারতীয় কোভিড ভ্যাকসিনের কোনও প্রভাব নেই, জানিয়ে দিল গবেষণা

    Heart Attack: হার্ট অ্যাটাকে ভারতীয় কোভিড ভ্যাকসিনের কোনও প্রভাব নেই, জানিয়ে দিল গবেষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের কোভিড ভ্যাকসিনের কার্যকারিতার সঙ্গে হার্ট অ্যাটাকের (Heart Attack) কোনও সম্পর্ক নেই। সম্প্রতি পিএলওএস ওয়ান নামক একটি গবেষণপত্রে বলা হয়েছে, হার্ট অ্যাটাকের ক্ষেত্রে ভারতীয় কোভিড ১৯ ভ্যাকসিনের কোনও প্রভাব নেই। গবেষণায় আরও জানা গেছে, ভারতীয় কোভ্যাক্সিন এবং কোভিশিল্ড অনেক বেশি করোনা নিয়ন্ত্রণে সক্ষম। হৃদরোগের সম্ভাবনাকে কোনও ভাবেই বাড়িয়ে তোলে না এই টিকা। সম্প্রতি একটি খবর সামজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে যে, করোনা সংক্রমণ এবং পরবর্তীকালে কোভিড ভ্যাকসিনের প্রভাবে হৃদরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকেই। এই রোগ আচমকা হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতাকে বৃদ্ধি করছিল বলে জানা গিয়েছিল। করোনা টিকা হৃদরোগকে বাড়িয়ে তোলে-ভারতীয় এই গবেষণা ওই মতকে ভুল বলে জানিয়ে দিয়েছে। তারা পরিষ্কার বলেছে, ভারতীয় ভ্যাকসিন পুরোপুরি নিরাপদ।

    হার্ট অ্যাটাক নিয়ে কী বলছেন ডাক্তাররা, যা নিয়ে উদ্বেগ?

    হার্ট অ্যাটাকের (Heart Attack) যে ঘটনাগুলির কথা সামনে এসেছে, তাতে সেই সব রোগীদের অধিকাংশরই ইসিজিতে এস এবং টি বিন্দু দু’টি নাকি খানিকটা উঁচু। আরও জানা গেছে, এই সব রোগীরা মূলত মধ্য এবং কম বয়সের। উল্লেখ্য, যাঁদের আগে কোনও রোগ ছিল না, এমন কেসও পাওয়া গেছে। এম পি বিড়লা হাসপাতালের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অঞ্জন সিওটিয়া বলেন, গত তিন মাসে স্টেমি রোগীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। ৪০ থেকে ৭০ বয়সের সংখ্যা অনেক বেশি। তিনি আরও বলেন, প্রত্যেক রোগীই হৃদপেশিতে রক্ত সঞ্চালন ঠিকঠাক না হওয়ার কারণে মারাত্মক চাপ, যন্ত্রণা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। আবার কল্যাণী গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতালের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অর্ণব রায় বলেন, স্টেমি আগেও পাওয়া যেত, তবে এখন অনেকটা বেড়ে গেছে। পূর্ব লক্ষণ ছাড়াই হার্টের রোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে অনেক বেশি। অতিমারির পর থেকে এই সমস্যার প্রবণতা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।  

    গবেষণা নিয়ে ডাক্তাররা কী বলছেন (Heart Attack)?

    যদিও দিল্লির জি বি পন্ত হাসপাতালের ডাক্তার এবং বিশিষ্ট গবেষক মোহিত গুপ্ত বলেন, আমাদের সমীক্ষায় দেখা গেছে, ভারতে ব্যবহৃত ভ্যাকসিন নিরাপদ। ভারতে করোনার টিকা দেওয়ার সঙ্গে হার্ট অ্যাটাকের (Heart Attack) কোনও সম্পর্ক নেই। প্রকৃতপক্ষে সমীক্ষায় দেখা গেছে, টিকা দেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের পরে মৃত্যুর সম্ভাবনা কম হয়ে দাঁড়িয়েছে। যাঁরা হার্ট অ্যাটাকের সঙ্গে ভারতীয় কোভিড ভ্যাকসিনের সম্পর্ক নিয়ে মন্তব্য করছেন, তাঁদের তথ্য ভুল। তিনি আরও বলেন, ভ্যাকসিনের প্রতিকূল প্রভাব বেশিরভাগইটাই হাল্কা, ক্ষণস্থায়ী। তাই হৃদরোগ এবং মৃত্যুর সঙ্গে এর তেমন সম্পর্ক নেই। ভ্যাকসিনগুলির কার্ডিওভাসকুলার বিরূপ প্রভাব সম্পর্কে উদ্বেগজনক কথা বলে বিভ্রান্তি তৈরি করা হচ্ছে। গবেষকরা আরও বলেন, আমাদের গবেষণার ফলাফলগুলি দেখিয়েছে, টিকাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে মৃত্যুর সম্ভাবনা অনেক কম হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nuclear Power Plant: দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত প্রথম পরমাণু চুল্লি কাজ শুরু করল, শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

    Nuclear Power Plant: দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত প্রথম পরমাণু চুল্লি কাজ শুরু করল, শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি (Nuclear Power Plant) কাজ শুরু করল। ভারতের মুকুটে এই নয়া পালক যুক্ত হওয়ায় ওই পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের (Nuclear Power Plant) সমস্ত কর্মী এবং বিজ্ঞানীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে এই শুভেচ্ছা বার্তা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত ৭০০ মেগাওয়াটের এই পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র (Nuclear Power Plant) গড়ে উঠেছে গুজরাটের কাকরারপাড়ে।

    নিজের এক্স হ্যান্ডেলে এ নিয়ে কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি?

    দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত এই পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের (Nuclear Power Plant) সমস্ত কর্মী এবং বিজ্ঞানীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নিজের এক্স হ্যান্ডেলে এবং তিনি লিখছেন, ‘‘ভারত আরেকটি মাইলফলক অর্জন করেছে। গুজরাটে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইউনিট-৩ (Nuclear Power Plant) তাদের উৎপাদন শুরু করেছে। এ জন্য আমাদের বিজ্ঞানী ও কর্মীদের অভিনন্দন জানাই।’’ 

    ৩০ জুন থেকেই এই পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে (Nuclear Power Plant) বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজ শুরু হয়

    জানা গিয়েছে, ৩০ জুন থেকেই বিদ্যুৎ উৎপাদনের (Nuclear Power Plant) কাজ শুরু হয় দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত এই পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে। জুলাই মাসে এই কাজ পৌঁছায় ৯০ শতাংশে। আরও জানা গিয়েছে, কাকরারপাড়ের নতুন এই পারমাণবিক ইউনিট ছাড়াও আরও দুটি ইউনিট সেখানে রয়েছে এবং অন্য দুটি ইউনিট (Nuclear Power Plant) থেকে মোট ২২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়।

    আরও পড়ুন: লোকসভার ভোট কি এগিয়ে আসবে! “এক দেশ এক নির্বাচন” নিয়ে অনুরাগ ঠাকুর কী বললেন?

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের নায়ক অমৃত সঞ্জেনবামের হাতে মণিপুরের দায়িত্ব

    Manipur Violence: সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের নায়ক অমৃত সঞ্জেনবামের হাতে মণিপুরের দায়িত্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৫ সালের মায়ানমারের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের কথা হয়তো মনে আছে। এই অপারেশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অমৃত সঞ্জেনবাম। এবার তাঁকেই দায়িত্ব দেওয়া হল অগ্নিগর্ভ মণিপুরকে (Manipur Violence) শান্ত করার। অবসরপ্রাপ্ত এই কর্নেল শৌর্য চক্র এবং কীর্তি চক্র সমেত একাধিক মেডেল পেয়েছেন। এবার তাঁরই হাতে মণিপুরের (Manipur Violence) ভার তুলে দিল এন বীরেন সিং সরকার। আগামী পাঁচ বছরের জন্য মণিপুর পুলিশ বিভাগের সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট কমব্যাট পদে দায়িত্বভার সামলাবেন তিনি। মণিপুর অশান্ত হওয়ার পরপরই গত ১২ জুনের মন্ত্রিসভার বৈঠকে অমৃত সঞ্জনবামকে নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ২৮ অগাস্ট মণিপুরের (Manipur Violence) জয়েন্ট সেক্রেটারির এক বিবৃতিতে একথা সামনে আসে।

    বীরত্ব এবং সাহসী পদক্ষেপে অমৃত সঞ্জেনবানের জুড়ি মেলা ভার

    ২০১৫ সালে ধারাবাহিকভাবে মায়ানমারের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের প্রধান ভূমিকায় দেখা গিয়েছিল অমৃত সঞ্জনবামকে। সে সময়ে বীরত্বের দ্বিতীয় এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান লাভ করেন এই সেনা আধিকারিক। জানা গিয়েছে মণিপুরের (Manipur Violence) বর্তমান পরিস্থিতিতে শান্তি ফেরানোর কাজে তাঁকেই সবথেকে দক্ষ অফিসার বলে মনে করেছে সরকার। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় সরকার যখন তাঁকে শৌর্যচক্র দেয়, সে সময় অমৃত সঞ্জেনবাম সম্পর্কে সরকারের বিবৃতি ছিল ঠিক এরকম, ‘‘সবথেকে চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতিতে অত্যন্ত সূক্ষ্ম পরিকল্পনা রচনায়, অনুকরণীয় বীরত্ব প্রদর্শনে এবং সাহসী পদক্ষেপ নিতে পারদর্শী।’’

    চলতি বছরে  ৩মে থেকে মণিপুরের (Manipur Violence) পরিস্থিতি অশান্ত হয়

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ৩ মে থেকে মণিপুরের (Manipur Violence) পরিস্থিতি অশান্ত হয়। এখনও পর্যন্ত উত্তর-পূর্ব ভারতের এই রাজ্যের হিংসায় মারা গিয়েছেন ১৭০ জন মানুষ। এছাড়াও ভিটে মাটি হারা হয়েছেন আরও বহু মানুষ। হিংসার পাশাপাশি নারী নির্যাতনের খবরও শিরোনামে এসেছে। গত পাঁচ দিনেও সে রাজ্যে ১২ জন মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। পাশাপাশি গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন ৩০ জন মানুষ। উপত্যকার অধিবাসী মেইতিদের সঙ্গে পাহাড়ের অধিবাসী কুকিদের এই সংঘর্ষ চলছেই (Manipur Violence)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kedarnath: কেদারনাথ মন্দির চত্বরে তুষারধস, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিও

    Kedarnath: কেদারনাথ মন্দির চত্বরে তুষারধস, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডে প্রাকৃতিক বিপর্যয় চলছেই। এবার তুষারধস দেখা গেল কেদারনাথ মন্দির (Kedarnath) চত্বরে। রবিবারই সামনে আসে এই তুষারধস। এদিন হঠাৎই কেদারনাথ মন্দিরের (Kedarnath) পিছনের পাহাড়ে তুষারধস নামে। মুহূর্তের মধ্যে তুষারধসের সেই ছবি ভাইরাল হয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়াতে। প্রসঙ্গত বর্ষা নামার পর থেকেই জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে ওঠে হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডের। হিমালয়ের কোলে থাকা এই দুই পার্বত্য রাজ্যের কয়েকশো রাস্তা বন্ধ করতে হয় ধসের কারণে। গৃহহীন হতে হয় বহু মানুষকে। অতি ভারী বৃষ্টির জেরে হড়পাবান মেঘভাঙা বৃষ্টি-এ সমস্ত কিছু প্রাণও কেড়ে নেয় অসংখ্য মানুষের। এবার কেদারনাথ মন্দিরেই (Kedarnath) ঘটল ভয়াবহ তুষারধসের ঘটনা। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভয়ঙ্কর এই তুষারধসে কেউ হতাহত হননি।

    কেদারনাথে তুষারধস

    কেদারনাথ মন্দিরের (Kedarnath) পিছনের তুষারধসের ভিডিও ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে পাহাড়ের গায়ে ধোঁয়ার মতো নেমে আসছে সাদা বরফ। জানা গিয়েছে, রবিবার সকাল ৭টা নাগাদ কেদারনাথ মন্দিরের (Kedarnath) ঠিক পিছনে সুমেরু পাহাড়ে ভয়াবহ তুষারধস নামতে দেখা যায়। এর ফলে সেভাবে কোনও বড় বিপদ ঘটেনি। উত্তরাখণ্ড পুলিশের ডিজিপি অশোক কুমার জানিয়েছেন, তুষারধসে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনও ঘটনা ঘটেনি। এই কারণে সরস্বতী নদীর জলস্তর বাড়েনি। কেদারনাথ মন্দিরের (Kedarnath) পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিজিপি।

    ২৫ এপ্রিল দ্বার খোলা হয় কেদারনাথের (Kedarnath)

    প্রসঙ্গত, গত ২৫ এপ্রিল থেকে এই কেদারনাথ মন্দিরের (Kedarnath) দ্বার খোলা হয়েছে। চলতি বছরে বহু তীর্থযাত্রী এবং ভক্ত মন্দির দর্শন করেছেন। মাঝখানে বর্ষার কারণে বেশ কয়েকবার কেদারনাথ (Kedarnath) যাত্রা বন্ধ হয়েছে। বর্ষার অতি ভারী বৃষ্টিতে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি উত্তরাখণ্ডে হলেও বেশ কয়েকদিন হল বৃষ্টি বন্ধ হয়েছে। তারই মধ্যে ঘটল কেদারনাথের তুষারধসের মতো ঘটনা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IED found: জম্মু-পুঞ্চ জাতীয় সড়কে উদ্ধার বিস্ফোরক ভর্তি টিফিন বাক্স! তীব্র চাঞ্চল্য উপত্যকায়

    IED found: জম্মু-পুঞ্চ জাতীয় সড়কে উদ্ধার বিস্ফোরক ভর্তি টিফিন বাক্স! তীব্র চাঞ্চল্য উপত্যকায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-পাঞ্চ জাতীয় সড়কের উপর থেকে আইইডি (IED found) ভর্তি টিফিন বাক্স উদ্ধার করল সেনা। কোনও নাশকতা মূলক উদ্দেশ্যে এই বোমা রাখা হিয়েছিল কি না, সেই বিষয়ে তদন্ত শুরু করছে সেনা-পুলিশ। জাতীয় সড়কের উপর এই বোমা উদ্ধারে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে উপত্যকায়।

    ঘটনা কী ঘটেছে (IED found)?

    ব্যস্ততম জম্মু-পুঞ্চ জাতীয় সড়ক থেকে প্রচুর বিস্ফোরক (IED found) ভর্তি টিফিন বাক্স উদ্ধার হয়েছে। রবিবার ভোরে জম্মু-কাশ্মীরের রাজৌরি জেলায় এই ঘটনা ঘটেছে। ভারতীয় সেনাদের টহল দেওয়ার সময়, জাতীয় সড়কের এক কালভাট থেকে উদ্ধার করা হয় এই বিস্ফোরক। এই বিস্ফোরকের মধ্যে ছিল আইইডি। বিস্ফোরণের আগেই উদ্ধার হওয়ার জন্য বড় রকমের নাশকতার হাত থেকে রক্ষা পেল বলে মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা। এই ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত সন্দেহ প্রবন একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

    সেনার বক্তব্য

    ভারতীয় সেনা বাহিনীর তরফ থেকে বলা হয় যে রবিবার ভোর ৫ টা নাগাদ রাজৌরি জেলার সাংপুর গ্রামের কাছেই টহল দেওয়ার কাজ করছিল একটি সেনাবাহিনীর দল। সেই সময় সড়কের পাশে একটি টিফিন বাক্স পড়ে থাকতে দেখা যায়। এরপর টিফিন বাক্স খুললে দেখা যায় বাক্সেরর মধ্যে পচুর আইইডি (IED found) বিস্ফোরক। জম্মুর প্রতিরক্ষার বাহিনীর জনসংযোগ আধিকারিক বলেন, সংবাদ পেয়ে কাছের ক্যাম্প থেকে তিনটি দল এই ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ এবং বোম ডিসপোজাল বাহিনী ঘটনা স্থলে পৌঁছে বোমা নিষ্ক্রিয় করার কাজ শুরু করেছে। সকাল ৮ টায় এই বিস্ফোরক গুলিকে নিষ্ক্রিয় করার কাজ শেষ হয়েছে বলে সেনা সূত্রে জানা গেছে। আরও জানা গেছে, বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয় করার সময় হাল্কা বিস্ফোরণ হয়। তবে সেভাবে কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। এই ঘটনার দায়ভার নিয়ে এখনও কোনও জঙ্গি সংগঠন এর দায় স্বীকার করেনি। পুলিশ প্রাথমিক ভাবে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। সন্দেহের তালিকায় সকলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share