Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • One Nation One Election: লোকসভার ভোট কি এগিয়ে আসবে! “এক দেশ এক নির্বাচন” নিয়ে অনুরাগ ঠাকুর কী বললেন?

    One Nation One Election: লোকসভার ভোট কি এগিয়ে আসবে! “এক দেশ এক নির্বাচন” নিয়ে অনুরাগ ঠাকুর কী বললেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক দেশ এক নির্বাচন (One Nation One Election) প্রসঙ্গ নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর খুব চর্চা বহুল প্রশ্নের উত্তর দিলেন। বিধানসভা নির্বাচন কি পিছিয়ে যাবে! নাকি লোকসভা ভোট এগিয়ে আসবে! এই নিয়ে প্রশ্ন উঠলে কেন্দ্রীয় নীতির কার্যকারিতা নিয়ে অনেক প্রশ্নের উত্তর দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (One Nation One Election)?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, কেন্দ্র দেশে, এক দেশ এক নির্বাচন (One Nation One Election) কার্যকর করতে ৮ জনের একটি বিশেষ কমিটি তৈরি করছেন। এই কমিটির সভাপতিত্ব করবেন দেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। এই কমিটি পর্যালোচনা করে, নীতিকে বাস্তবায়িত করবে বলে জানান অনুরাগ ঠাকুর। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, এই নীতি কার্যকর হলে দেশে নির্বাচন সংক্রান্ত অনেক সমস্যার সমাধান হবে।

    আসন্ন বিধানসভা এবং লোকসভা নিয়ে কী বললেন?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর এক দেশ এক নির্বাচন (One Nation One Election) প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আসন্ন লোকসভা এবং বিধানসভা নিয়ে বললেন যে, দেশে বিধানসভার নির্বাচনগুলি ঠিক করে রাজ্য। বিধানসভার নির্বাচন নিয়ে কেন্দ্র কিছু বলে না। যে সব রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় রয়েছে সেখানকার মুখ্যমন্ত্রীরা এখনও নির্বাচন নিয়ে কিছু বলেননি। সব কিছুতেই কেন্দ্রের উপর দায় চাপানো যাবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    কেন এক দেশ এক নির্বাচন প্রয়োজন?

    এক দেশ এক নির্বাচন (One Nation One Election) কার্যকর হলে কতটা লাভ জনক হবে এই নিয়ে মোদি সরকার স্পষ্ট বক্তব্য দিয়েছেন। সারা দেশ জুড়ে এই যে এত নির্বাচনে খরচ, তাকে কম করা একান্ত প্রয়োজন। একটি ভোটার তালিকা থেকে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে পরিচালনা করলে সরকারি কর্মীদের তালিকা প্রস্তুত করার জটিলতা অনেক কমে যাবে। এই নীতিকে নীতি আয়োগ, আইন কমিশন এবং নির্বাচন কমিশন বিশেষ ভাবে সমর্থন করেছেন। যদিও বিরোধী দলগুলি এই নীতিকে মানতে চাইছেন না। তাঁদের দাবি, মোদি সরকার ঘুর পথে অ্যামেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ব্যবস্থাকে চালু করতে চাইছেন বলে বিশেষ অভিযোগ তুলেছেন।   

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: সনাতন ধর্মকে ডেঙ্গির সঙ্গে তুলনা স্ট্যালিন পুত্র উদয়নিধির, তীব্র প্রতিক্রিয়া শাহের

    Amit Shah: সনাতন ধর্মকে ডেঙ্গির সঙ্গে তুলনা স্ট্যালিন পুত্র উদয়নিধির, তীব্র প্রতিক্রিয়া শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন ধর্মকে ম্যালেরিয়া এবং ডেঙ্গির সঙ্গে তুলনা করেছিলেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনের পুত্র উদয়নিধি স্ট্যালিনের। এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কড়া প্রতিক্রিয়া জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। প্রসঙ্গত তামিলনাড়ু সরকারের মন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিনের মন্তব্য ছিল, ‘‘কিছু জিনিসের প্রতিবাদ করা যায় না। সেগুলির অবলুপ্ত ঘটানো দরকার। আমরা ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া কিংবা করোনার বিরোধিতা করতে পারি না। আমরা সেটা নির্মূল করি। ঠিক সেভাবেই আমাদের সনাতন ধর্মকে নির্মূল করতে হবে।’’ জুনিয়র স্ট্যালিনের আরও দাবি ছিল যে সামাজিক ন্যায় এবং সাম্যের বিরুদ্ধে রয়েছে সনাতন ধর্ম। তাই সমাজ থেকে যেকোনও মূল্যে এই ধর্মকে উপড়ে ফেলতে হবে।

    সনাতন ধর্ম বিরোধী এই মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া অমিত শাহের (Amit Shah)

    ইন্ডিয়া জোটের অন্যতম শরিক ডিএমকে নেতার এই মন্তব্যে তোপ দাগলেন অমিত শাহ (Amit Shah)। রাজস্থানে বিজেপির সাংগঠনিক কর্মসূচি পরিবর্তন যাত্রার অনুষ্ঠানে রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেই অনুষ্ঠান থেকেই উদয়নিধি স্ট্যালিনের মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করে তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘উদয় নিধি স্ট্যালিন যে কথা বলেছেন তা আসলে ইন্ডিয়া জোটের প্রত্যেক শরিকের মনের কথা।’’ অমিত শাহের (Amit Shah) আরও সংযোজন, ‘‘ওই জোট হিন্দু ধর্মের বিরোধী এবং হিন্দুত্বকে ঘৃণা করে।’’ জুনিয়র স্ট্যালিনের এই মন্তব্য যে সনাতন ভারতীয় ঐতিহ্যকে আঘাত করেছে তাও এদিন স্পষ্ট করে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।  অমিত শাহের (Amit Shah) আরও সংযোজন, ‘‘উদয়নিধি স্ট্যালিনের মন্তব্য লস্কর-ই-তৈবার থেকেও ভয়ঙ্কর।’’

    কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকেও একহাত নেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    এদিন কংগ্রেস নেতার রাহুল গান্ধীকেও এক হাত নেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) এবং তিনি বলেন, ‘‘বিরোধীদের এই জোট সাম্প্রদায়িক তোষণের রাজনীতি করছে।’’ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর (Amit Shah) আরও সংযোজন, ‘‘জোটের নেতারা বলছেন মোদি পুনরায় ক্ষমতায় এলে সনাতন ধর্মের রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে। তাদের জানা উচিত সনাতন ধর্ম মানুষের হৃদয়ে রয়েছে। কেউ সেটাকে সরাতে পারবে না। প্রসঙ্গত বিজেপি নেতা অমিত মালব্য উদয়নিধি স্ট্যালিনের এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেছেন। অমিত মালব্যর, দাবি স্ট্যালিন পুত্র গণহত্যারও ডাক দিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Aditya L-1: রবিবার সফলভাবে কক্ষপথ বদল করল আদিত্য এল-১, বাড়ল গতি

    Aditya L-1: রবিবার সফলভাবে কক্ষপথ বদল করল আদিত্য এল-১, বাড়ল গতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবারই মহাকাশের উদ্দেশ্যে পাড়ি দেয় সৌরযান আদিত্য এল-১ (Aditya L-1)। রবিবার সৌরযানের (Aditya L-1) সফলভাবে কক্ষপথ পরিবর্তন সফলভাবেই পরিববর্তন করানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (Aditya L-1)। রবিবার ঠিক দুপুর পৌনে বারোটা নাগাদ সফলভাবে কক্ষপথ পরিবর্তন করানো হয়েছে সৌরযানের যা ইতিমধ্যে ট্যুইট করে জানিয়ে  দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

    ট্যুইট করে কী জানাল ইসরো (Aditya L-1)  

    এদিন ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ট্য়ুইটে লেখে, ‘‘ঠিকঠাকই কাজ করছে ভারতের কৃত্রিম উপগ্রহ আদিত্য এল-১ (Aditya L-1)। কোথাও কোনও সমস্যা নেই। বেঙ্গালুরু থেকে আদিত্য এল-১ (Aditya L-1) এর কক্ষপথ সফলভাবে পরিবর্তন করানো হয়েছে।

    পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি পার হতে মহাকাশযানেকে এখনও ২২ হাজার ৪৫৯ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হবে

    জানা গিয়েছে, পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি পাড় হতে মহাকাশযানেকে এখনও ২২ হাজার ৪৫৯ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হবে। মহাকাশযানটি (Aditya L-1) দ্বিতীয়বারের জন্য কক্ষপথ বদলাবে ৫ সেপ্টেম্বর বিকাল ৩টা নাগাদ। জানা গিয়েছে গন্তব্যে পৌঁছানোর আগে এমন ৫ বার কক্ষপথ বদলানো হতে পারে। যতবারই কক্ষপথ বদল করবে মহাকাশযান (Aditya L-1) ততই তার গতিও বাড়বে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। মোট পাঁচটি ধাপ পরিবর্তনের পরে তা পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ ক্ষেত্রে পেরিয়ে যাবে। এই পুরো প্রক্রিয়াটিতে সময় লাগতে পারে ১৫ থেকে ১৬ দিন তারপরে গন্তব্যে পৌঁছাতে লাগবে আরও ১১০ দিন সময় লাগবে। প্রসঙ্গত পৃথিবী থেকে ১৫ লাখ কিলোমিটার দূরে স্থাপিত হবে আদিত্য এল-১ (Aditya L-1)।

    সৌর অভিযানের জন্য খরচ কত হল

    ইসরোর সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতের এই সূর্য অভিযানে (Aditya L-1) খরচ হয়েছে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা। স্বল্প বাজেটের এই মিশনে ভারত পৃথিবীর সেই সমস্ত দেশগুলির সারিতে চলে এল, যারা সূর্য অভিযান (Aditya L-1) করতে পেরেছে। সফলভাবে ল্যাগরেঞ্জ পয়েন্টে পৌঁছানোর পর সূর্যের বায়ুমণ্ডল সমেত সৃষ্টির আদিতে সূর্য কেমন ছিল, ভবিষ্যতে সূর্য কেমন হবে এই সমস্ত একাধিক বিষয়ে গবেষণা চালাবে আদিত্য এল-১ (Aditya L-1)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rajasthan Woman Stripped Case: আদিবাসী মহিলাকে বিবস্ত্র করে ঘোরানোর ঘটনায় প্রবল চাপে রাজস্থানের গেহলট সরকার

    Rajasthan Woman Stripped Case: আদিবাসী মহিলাকে বিবস্ত্র করে ঘোরানোর ঘটনায় প্রবল চাপে রাজস্থানের গেহলট সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদিবাসী মহিলাকে বিবস্ত্র করে ঘোরানোর ঘটনায় তোলপাড় রাজস্থান (Rajasthan Woman Stripped Case)। এই বর্বরোচিত ঘটনায় কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি জগত প্রকাশ নাড্ডা। সমানেই রাজস্থানের বিধানসভা নির্বাচন। আর তাই এই নারী নির্যাতনের ঘটনায় তীব্র চাপে পড়েছে রাজস্থান কংগ্রেসের গেহলট সরকার। তড়িঘড়ি তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট।

    ঘটনা কী ঘটেছ (Rajasthan Woman Stripped Case)?

    রাজস্থানের প্রাতপগড় এলাকার শ্বশুরবাড়ির পরিবার, এক বিবাহিতা আদিবাসী মহিলাকে নগ্ন (Rajasthan Woman Stripped Case) করে ঘোরানোর ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই ঘটনায় কংগ্রেস এবং বিজেপির মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা। ঘটনাকে নিন্দা জানিয়ে কংগ্রেস চালিত সরকারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক হয়েছে বিজেপি। রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা এবং নারী সুরক্ষার বিষয় নিয়ে বারবার গেহলট সরকারকে কাঠগড়ায় তুলছে বিজেপি। পাশাপাশি সমানেই রাজস্থান বিধানসভা নির্বাচন, তাই নির্বাচনে নারী সুরক্ষার বিষয় প্রাধান্য পাবে বলে মনে করছেন অনেকেই।

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা রাজস্থানের সরকারকে তীব্র সমালচনা করে বলেন, রাজস্থান সরকার কেবল মাত্র দিল্লির এক বিশেষ পরিবারকে খুশি করতেই ব্যস্ত। সাধারণ মানুষ এবং জনজীবনের কোনও মূল্য নেই গেহলট সরকারের কাছে। মহিলা নিরাপত্তা নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত নন তাঁরা। তিনি এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, রাজস্থানের কোনও আদিবাসী পরিবারের মা বোনেরা সুরক্ষিত নন (Rajasthan Woman Stripped Case)। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে কড়া জবাব দেবে রাজস্থানের সাধারণ মানুষ। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত বলেন, রাজস্থান সরকার ভণ্ডামি করছে। তিনি আরও বলেন, মণিপুরের ঘটনা নিয়ে রাহুল গান্ধী সোচ্চার হলেও রাজস্থানের মা বোনেদের উপর অত্যাচার নিয়ে মৌন রয়েছেন। তাঁর মতে, মণিপুরের মতো রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ চাওয়া উচিত।

    চাপে পড়ে কঠোর কংগ্রেস সরকার

    ঘটনা জানাজানি হতেই রাজস্থান কংগ্রেস সরকার বিষয়টি নিয়ে কড়া মনোভাব নিয়েছে। মুখ্যন্ত্রী অশোক গেহলট তীব্র নিন্দা করছেন। পুলিশের ডিজিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয় সম্পর্কে দ্রুত ভূমিকা পালনের কথা বলেছেন। ঘটনার সঙ্গে যুক্ত এবং অভিযুক্তদের দ্রুত চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তি দেওয়ার কথা বলেন। স্থানীয় কংগ্রেস বিধায়ক নাগরাজ মীনা জে্শাতহোসক এবং পুলিশ সুপারের সঙ্গে বেশ কয়েকবার বৈঠক করেন। ঘটনায় আদিবাসী মহিলার (Rajasthan Woman Stripped Case) স্বামী সহ আরও সাতজনকে ইতি মধ্যেই পুলিশ গ্রেফতার করছে বলে জানা গেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bharat Mandapam: দিল্লির প্রগতি ময়দানে ভারত মণ্ডপমে হবে জি ২০ সম্মেলন, প্রস্তুতি তুঙ্গে

    Bharat Mandapam: দিল্লির প্রগতি ময়দানে ভারত মণ্ডপমে হবে জি ২০ সম্মেলন, প্রস্তুতি তুঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির প্রগতি ময়দানে তৈরি করা হয়েছে ভারত মণ্ডপম (Bharat Mandapam)। ১২৩ একর জমিতে তৈরি করা হয়েছে এই সম্মেলন কক্ষ। আগামী ৯ এবং ১০ সেপ্টেম্বর এখানেই অনুষ্ঠিত হতে চলেছে জি ২০ সম্মেলন। এই সম্মেলনে যোগদান করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সেই সঙ্গে আরও প্রায় ২৫ টি দেশের রাষ্ট্র প্রধানরা এই সম্মেলনে যোগদান করবেন। দেশের রাজধানী দিল্লিতে এই সম্মেলনে দেশ-বিদেশ থেকে আগত সকল প্রতিনিধিদের ভারত সম্পর্কে নানা অনুভূতির স্বাদ জ্ঞাপক বিষয় দিয়ে অভ্যর্থনা জানানো হবে বলে জানা গেছে। ভারত মণ্ডপমের প্রত্যেক দেওয়াল এবং কক্ষে ভারতের সংস্কৃতির পরিচয় বাহক নানা বিষয় দিয়ে সুসজ্জিত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে রয়েছে অত্যাধুনিক ব্যবস্থা।

    ভারত মণ্ডপমে কী কী রয়েছে (Bharat Mandapam)?

    নবনির্মিত ভারত মণ্ডপমে (Bharat Mandapam) ১৮ তম জি ২০ সম্মেলনের শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। দিল্লি তাই বিশ্ববাসীর কাছে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। ২০২৩ সালের জুলাই মাসেই দেশের প্রধানমন্ত্রী এই সম্মেলন কক্ষ ভারত মণ্ডপমের উদ্বোধন করেছিলেন। জি ২০ মুদ্রা এবং স্ট্যাম্পের উন্মোচন করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। আনুমানিক প্রায় ২৭০০ কোটি টাকা খরচ করে নির্মাণ হয়েছে এই ভারত মণ্ডপম কেন্দ্র। এই মণ্ডপ হল বর্তমানে দেশের বৃহত্তম সম্মেলন এবং প্রদর্শনীর কেন্দ্র। এখানে রয়েছে কনভেনশন সেন্টার, অ্যাম্ফিথিয়েটার, ১৬ টি ভাষার দোভাষী কক্ষ, ভিডিও স্ক্রিনিং করার বিশাল দেওয়াল। এছাড়াও রয়েছে অকুপেন্সি সেন্সর সহ লাইট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, ডেটা কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কের আধুনিক ব্যবস্থা। ভারতের জি ২০ সভাপতিত্বের সব থেকে বড় অনুষ্ঠান হতে চলেছে এই ভারত মণ্ডপম কেন্দ্রে।

    দিল্লির যাতায়াত ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রিত থাকবে

    জি ২০ (Bharat Mandapam) সম্মেলনে আগত প্রতিনিধির সংখ্যা কয়েক হাজার। রাজধানীতে প্রতিনিধিদের যাতায়াতের ব্যবস্থা সচল রাখার জন্য, প্রয়োজন ছাড়া সাধারণ পরিবহণ ব্যবস্থার উপর নিয়ন্ত্রণ রাখা হবে বলে জানা গেছে। ৮ই সেপ্টেম্বর থেকে দিল্লির বেশিরভাগ শপিং মল, রেস্তোরা, বাজার, হোটেল বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে। স্কুলকলেজ এবং অফিসগুলিকে যতটা সম্ভব বাড়ি থেকেই চালানোর কথা বলা হয়েছে। কেবল মাত্র দিল্লির বাসিন্দাদের প্রবেশ এবং বহির্গমনে বাধানিষেধ থাকছে না। তবে দিল্লির বাইরের বাসিন্দাদের উপর বিধিনিষেধ আরোপ থাকছে। প্রয়োজনে আগে থেকে পাশ নিয়ে কাজ করতে বলা হয়েছে। দিল্লির বাস, মেট্রো পরিষেবা চালু থাকলেও তা সীমিত ভাবে চালানোর কথা বলা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: বিরোধী জোট শোচনীয় ভাবে পরাস্ত হবে লোকসভা ভোটে, তোপ বিজেপির

    BJP: বিরোধী জোট শোচনীয় ভাবে পরাস্ত হবে লোকসভা ভোটে, তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বইয়ে বিরোধী জোটের বৈঠককে তীব্র আক্রমণ শানাল বিজেপি (BJP)। সাংবাদিক সম্মেলনে বিজেপির (BJP) দাবি, লোকসভা ভোটে শোচনীয়ভাবে পরাস্ত হবে তথাকথিত বিরোধী জোট। বিজেপির (BJP) সদর দফতরে সাংবাদিক সম্মেলনে দলের নেতা রবি শঙ্কর প্রসাদ তোপ দাগেন বিরোধী জোটের বৈঠককে এবং তিনি বলেন, ‘‘তথাকথিত বিরোধীদের বৈঠকে আলোচনায় উঠে আসেনি কৃষক, মহিলা এবং শিশুদের নিয়ে কোনও প্রসঙ্গ। তাদের কোনও রকমের নীতি দেখা যায়নি ভারতের সার্বিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে, কোনও রকমের রূপরেখা তারা তৈরি করেনি দারিদ্র উন্নয়নের ক্ষেত্রে।’’ 

    জগাখিচুড়ি জোট পরস্পরবিরোধী দলে ভর্তি

    রবি শঙ্কর প্রসাদের আরও দাবি, মুম্বইয়ের তথাকথিত বিরোধী জোটের তৃতীয় বৈঠকে সন্ত্রাসবাদ, মৌলবাদ এ সমস্ত কিছু নিয়েও কোনও রকমের আলোচনা হয়নি। বিজেপির (BJP) আরও কটাক্ষ, ‘‘তিন তিনটে বৈঠক হয়ে যাওয়ার পরেও বিরোধী জোটের কোনওরকমের কনভেনার ঘোষণা করা হল না। কোনও কমিটিও তৈরি করা হল না।’’ প্রসঙ্গত, ওয়াকিবহাল মহলের মতে পরস্পর বিরোধী দলগুলি একত্রিত হয়েছে বটে কিন্তু  রাজ্যে রাজ্যে তাদের মধ্যে কোনও রকমের জোট হওয়ার সম্ভাবনা নেই। যেমন ইতিমধ্যে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি জানিয়ে দিয়েছে যে কেরলে তাদের সরাসরি লড়াই কংগ্রেসের সঙ্গে হবে। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে তৃণমূলের সঙ্গে কংগ্রেস এবং সিপিএমের জোটের সম্ভাবনা নেই। আবার দিল্লির আম আদমি পার্টির সঙ্গে কংগ্রেসের লোকসভা ভোটে কোনও রকমে জোটের সম্ভাবনা নেই। অর্থাৎ এই জগাখিচুড়ি জোট লোকসভায় কতটা দাগ কাটতে পারবে তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।

    জোটে দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদের ভিড়

    এদিন রবিশঙ্কর প্রসাদ আরও বলেন, ‘‘নরেন্দ্র মোদি (BJP) হলেন বিশ্বের সবথেকে জনপ্রিয় নেতা। যিনি তাঁর দূরদর্শিতা এবং নীতির মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন। জনমুখী বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে উন্নয়ন হচ্ছে দেশে। অন্যদিকে বিরোধী জোটের নেতা-নেত্রীদের না আছে কোন নীতি না আছে কোন দূরদর্শিতা।’’ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত বিরোধী জোটের নেতাদেরও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি রবিশঙ্কর প্রসাদ। তাঁর মতে, ২জি স্ক্যাম, কয়লা কেলেঙ্কারি এ সমস্ত কিছুতে অভিযুক্ত কংগ্রেস। অন্যদিকে, পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির পরে আরজেডি সুপ্রিমো লালু প্রসাদ যাদবকেও সেখানে দেখা যাচ্ছে (BJP)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • G-20: জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে ভারতে আসছেন বাইডেন, দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হতে পারে মোদির সঙ্গে

    G-20: জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে ভারতে আসছেন বাইডেন, দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হতে পারে মোদির সঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জি-২০ (G-20) শীর্ষ সম্মেলনের যোগ দিতে ভারতে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এদেশে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক পার্শ্ব বৈঠকও করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। শনিবার একটি বিবৃতিতে হোয়াইট হাউসের তরফে এ কথা জানা গিয়েছে। ওই বৈঠকে (G-20) ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়ে আলোচনা যেমন হবে তেমনি আরও অন্যান্য ইস্যুতেও আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। চলতি বছরে জুন মাসের পরে ফের একবার মুখোমুখি হতে চলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট। জুন মাসেই মার্কিন সফরে গিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি।

    কবে ভারতে পা রাখছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?

    জানা গিয়েছে, ৭ সেপ্টেম্বর ভারতের উদ্দেশে রওনা দেবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি এদেশে এসে পৌঁছাবেন, ৮ সেপ্টেম্বর। প্রসঙ্গত জি-২০ সম্মেলনে (G-20) আসছেন না রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এছাড়াও চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আসতে পারবেন না বলেই জানা গিয়েছে। গত বছরের জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন (G-20) বালিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেখানে অবশ্য হাজির থাকতে দেখা গিয়েছিল রাশিয়া ও চিনের প্রেসিডেন্টকে। 

    জি-২০ সম্মেলনে (G-20) কী কী বিষয় আলোচনা হবে?

    সূত্রের খবর, জি-২০ সম্মেলনে (G-20) জলবায়ু পরিবর্তন থেকে শুরু করে সন্ত্রাসবাদ এই সমস্ত বিষয় নিয়েই আলোচনা হবে। ভারত-মার্কিন সম্পর্ক বিগত দিনে অর্থাৎ ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই গভীর এবং উন্নত হয়েছে। বেশ কয়েকবার মার্কিন সফর করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এবারে আসছেন জো বাইডেন। চলতি জি-২০ সম্মেলনে ভারতে ১১০টি দেশ থেকে ১২,৩০০ প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন। জি-২০ হল কুড়িটি দেশের একটি ফোরাম (G-20)। এখানে ভারত ছাড়া অন্যান্য দেশগুলি হল আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চিন, ফ্রান্স, জার্মানি, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, মেক্সিকো, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক, ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন। অন্যদিকে অতিথি দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ, মিশর, মরিশাস, নেদারল্যান্ডস, নাইজেরিয়া, ওমান, সিঙ্গাপুর, স্পেন ও সংযুক্ত আমিরশাহি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • One Nation One Election committee: “এক দেশ এক ভোট” নিয়ে মোট ৮ জনের কমিটি গড়ল কেন্দ্র

    One Nation One Election committee: “এক দেশ এক ভোট” নিয়ে মোট ৮ জনের কমিটি গড়ল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক দেশ এক ভোট অর্থাৎ ওয়ান নেশন ওয়ান ইলেকশন (One Nation One Election committee) নীতিকে বাস্তবায়িত করতে কেন্দ্র সরকার বিশেষ কমিটি গঠন করল। এই কমিটির প্রধান নেতৃত্বে রয়েছেন, দেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। শনিবার এই কমিটির মধ্যে আরও ৭ জনের নাম ঘোষণা করে, এক দেশ এক ভোটকে বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা শুরু করা হয়েছে, বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ।

    কমিটিতে কে কে আছেন (One Nation One Election committee)?

    এই এক দেশ এক ভোটের (One Nation One Election committee) কথা, কেন্দ্রের মোদি সরকার অনেকদিন আগে থেকেই বলে আসছিলেন। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই এই নীতি নিয়ে কথা শুরু হয়েছে। প্রথমে একজন সদস্য হিসাবে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের কথা হলেও আজ আরও সাতজনকে এই কমিটির মধ্যে নাম ঘোষণা করা হয়। এই কমিটিতে প্রথমে সদস্য সংখ্যা ছিল ১। এখন আরও ৭ জনের নাম যুক্ত হওয়ায় মোট কমিটির সদস্য সংখ্যা দাঁড়ালো ৮। এই কমিটির মধ্যে রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ, লোকসভার বিরোধী দল নেতা অধীর রঞ্জন চৌধরি এছাড়াও থাকছেন গোলাম নবী আজাদ, এনকে সিংহ, সুভাষ সি কাশ্যপ, হরিশ সালবে এবং সঞ্জয় কোঠারী।

    সংসদের বিশেষ অধিবেশন

    ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগেই কেন্দ্র সরকার চাইছেন দেশে এক দেশ এক ভোট (One Nation One Election committee) ব্যবস্থা কার্যকর হোক। সারা দেশে এতও নির্বাচন এবং এত সময় অপচয়ের কথা মাথায় রেখে, অতিরিক্ত খরচের বোঝা থেকে দেশকে মুক্ত করতে এই এক দেশ এক নির্বাচন। কেন্দ্রীয় আইন বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশি সাংবাদিক সম্মেলন করে সংসদের বিশেষ অধিবেশনের কথা ঘোষণা করছেন। এই অধিবেশন হবে আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে টানা ৫ দিন। এই অধিবেশনে সরকার পক্ষ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিল পাশ করানোর কথা ভাবছেন বলে মনে করছেন ওয়াকিবহল মহল। যদিও এই অধিবেশনে কী কী বিষয় থাকবে তা এখনও সরকার স্থির করে কিছুই বলেননি।

    হতে পারে বেশ কিছু অনুচ্ছেদের বদল

    এক দেশ এক ভোট (One Nation One Election committee) কার্যকর হলে দেশের বিধানসভা গুলিতে আঞ্চলিক দল গুলির অস্তিত্ব হারিয়ে যেতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন। একই কথা বিরোধীদের মহাজোটের মুম্বাই বৈঠকে ইঙ্গিত মিলেছে। কিন্তু সেই সঙ্গে বিধানসভা, লোকসভার বেশ কিছু অনুচ্ছেদের বদল ঘটতেও পারে। ৮৩ নম্বর ধরায় যেমন সংসদের উভয় কক্ষের মেয়াদের কথা বলা হয়েছে। আবার ৮৫ নম্বর ধারায় লোকসভা ভেঙে দেওয়ার কথা বলা রয়েছে। ১৭২ নম্বর ধারায় রাজ্যের বিধানসভার কথা যেমন রয়েছে তেমনি আবার ১৭৪ নম্বর ধারায় বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সর্বপরি ৩৫৬ নম্বর ধারায় রাষ্ট্রপতি শাসনের কথা বলা হয়েছে। ফলে জনপ্রতিনিধি আইনের সংশোধনের প্রয়োজন হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • G-20: পুতিনের পর জিনপিং, জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে আসছেন না চিনের প্রেসিডেন্ট

    G-20: পুতিনের পর জিনপিং, জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে আসছেন না চিনের প্রেসিডেন্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভ্লাদিমির পুতিনের পর শি-জিনপিং, চলতি মাসের জি-২০ (G-20) শীর্ষ সম্মেলনে আসছেন না চিনের রাষ্ট্রপতি। ইতিমধ্যেই এই খবর আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে ভারত এবং চিন দুই দেশের তরফ থেকেই। প্রসঙ্গত, ৯ এবং ১০ সেপ্টেম্বর নয়া দিল্লিতে বসতে চলেছে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন। এই সম্মেলনে (G-20) যোগ দেওয়ার কথা ছিল চিনা প্রেসিডেন্টের। কূটনৈতিক মহলের একটি অংশ মনে করছে, চলতি বছরে চিন যে মানচিত্র প্রকাশ করেছে সেখানে অরুণাচল প্রদেশ এবং আকসাই চিনকে তাদের দেশের অংশ বলে দেখানো হয়েছিল। এরপরে এই ভারত-চিন সম্পর্কের অবনতি হয়। তখন থেকে শি-জিনপিং এর ভারতে আসা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়। আবার অন্য একটি কূটনৈতিক মহলের ধারনা, চিনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক গালওয়ান পরবর্তী সময় থেকেই খারাপ হতে থাকে।

    ৯ এবং ১০ সেপ্টেম্বর নয়া দিল্লিতে বসছে জি-২০ সম্মেলন (G-20)

    প্রসঙ্গত, এবছরের শীর্ষ সম্মেলনে (G-20) সভাপতিত্ব করছে ভারত। ৯-১০ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে হাজির থাকবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন থেকে শুরু করে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল ম্যাক্রঁ, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, এখানে আসার কথা ছিল ভ্লাদিমির পুতিনেরও এবং কিন্তু জানা যাচ্ছে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের বদলে সেদেশের বিদেশ মন্ত্রী সার্গেই লাভরভ প্রতিনিধিত্ব (G-20) করবেন। অন্যদিকে চীনের তরফে সম্মেলনে (G-20) যোগ দিতে পারেন চিনা প্রিমিয়ার লি কিউয়াং।

    ব্রিকস সম্মেলনে মোদি জিনপিং বৈঠক

    প্রসঙ্গত, সারা বিশ্বের তাবড় দেশের নজর থাকে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের। গত বছর বালিতে জি-২০ (G-20) সম্মেলন হয়েছিল। সে সময়ে চিনের প্রেসিডেন্ট এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট মুখোমুখি হয়েছিলেন। তারপর থেকে মনে করা হয়েছিল ভারতেও (G-20) বিশ্বের তাবড় রাষ্ট্র নেতারা মিলিত হবেন। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট এলেও আসছেন না রাশিয়া এবং চিনের প্রেসিডেন্ট। অগাস্ট মাসে ব্রিকস সম্মেলনের বৈঠক বসেছিল দক্ষিণ আফ্রিকাতে। সেখানে সদস্য দেশ হিসেবে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত ও চিন। সূত্রের খবর, সেখানে চিনা প্রেসিডেন্টকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন লাদাখে শান্তি ফেরাতে দুই দেশকেই তৎপর(G-20) হতে হবে। শান্তি ফেরাতে চিনের ভূমিকা ঠিক কী হতে পারে সেটাও বুঝিয়ে দেন নরেন্দ্র মোদি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • RJD: জোড়া খুনের মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড আরজেডির প্রাক্তন সাংসদ প্রভুনাথের, রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট

    RJD: জোড়া খুনের মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড আরজেডির প্রাক্তন সাংসদ প্রভুনাথের, রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জোড়া খুনের মামলায় সাজা ঘোষণা হল রাষ্ট্রীয় জনতা দলের প্রাক্তন সাংসদ (RJD) রঘুনাথ সিংহের। তিন দশকের পুরনো এই জোড়া খুনের মামলায় তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এর পাশাপাশি ১৯৯৫ সালের মার্চ মাসে হওয়া এই খুনের ঘটনায় নিহত দুই ব্যক্তির পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য করার জন্য প্রভুনাথকে(RJD) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরই সঙ্গে ওই ঘটনায় গুরুতরভাবে জখম হয়েছিলেন একজন, তাঁকে ৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত (RJD)। 

    সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, ‘‘এমন মামলা আগে কখনও দেখা যায়নি’’

    প্রভুনাথ সিংহকে (RJD) ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি বিহার সরকারকেও ওই একই অংকের টাকার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। এই ঘটনায় সাজা ঘোষণা করতে গিয়ে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, ‘‘এমন মামলা আগে কখনও দেখা যায়নি।’’ এদিন এই মামলার রায় ঘোষণা করেন বিচারপতি সঞ্জয় কিষান কৌল, বিচারপতি অভয় এস ওকা এবং বিচারপতি বিক্রম নাথের ডিভিশন বেঞ্চ। এ দিনের রায়দানের প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ বলে, ‘‘এই মামলায় দুটি শাস্তি হতে পারে, এক, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা মৃত্যুদন্ড।’’

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল?

    বিহারের মহারাজগঞ্জ লোকসভা আসন থেকে চারবারের সাংসদ ছিলেন প্রভুনাথ (RJD)। জেডিইউ-এর থেকে তিনবার এবং আরজেডি (RJD) থেকে একবার সাংসদ হয়েছিলেন তিনি। প্রভুনাথের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, ১৯৯৫ সালে বিহারে বিধানসভা ভোট চলাকালীন ৪৭ বছর বয়সী দারোগা রায় এবং ১৮ বছর বয়সী রাজেন্দ্র রায়কে নৃশংসভাবে খুন করেন তিনি। জানা গিয়েছে, রঘুনাথ সিংহের ঠিক করে দেওয়া প্রার্থীকে (RJD) ভোট দেননি এই দুইজন। তাই তাঁদেরকে খুন করা হয়। প্রথমে নিম্ন আদালত তারপরে পাটনা হাইকোর্টে পৌঁছায় এই মামলা। প্রভাবশালী সাংসদের (RJD) বিরুদ্ধে কোনও রকম প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই প্রমাণের অভাবে পাটনা হাইকোর্ট বেকসুর খালাস করে প্রভুনাথকে। মামলার জল গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। অন্যদিকে, ১৯৯৫ সালে জনতা দলের বিধায়ক অশোক সিংহকে খুনের মামলাতেও দোষী সাব্যস্ত করা হয় প্রভুনাথকে। সেই মামলায় ২০১৭ সালেই যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দণ্ডিত হন প্রভুনাথ(RJD)। বর্তমানে তিনি জেলেই রয়েছেন। প্রসঙ্গত, ১৯৯৫ সালে বিহারের বিধানসভা ভোটে প্রভুনাথ অশোক সিংহের কাছে হেরে যান।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share