Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Chandrayaan 3: হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণা করা হোক চাঁদকে, রাজধানী হোক শিবশক্তি, দাবি হিন্দু মহাসভার নেতার

    Chandrayaan 3: হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণা করা হোক চাঁদকে, রাজধানী হোক শিবশক্তি, দাবি হিন্দু মহাসভার নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঁদকে ঘোষণা করা হোক হিন্দুরাষ্ট্র এবং রাজধানীর নাম হোক শিবশক্তি। এবার এমনই দাবি করতে শোনা গেল হিন্দু মহাসভার সভাপতি স্বামী চক্রপাণিকে। ২৩ অগাস্ট বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে প্রথম কোনও দেশ হিসেবে অবতরণ (Chandrayaan 3) করে ভারতের বিক্রম ল্যান্ডার। ইসরোর সদর দফতরে গিয়ে অবতরণ স্থানের নাম ‘শিবশক্তি পয়েন্ট’ রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পাশাপাশি ঘোষণা করেন, এবার থেকে ২৩ অগাস্ট জাতীয় মহাকাশ দিবস হিসাবে পালিত হবে। ধর্মগুরু স্বামী চক্রপাণি মহারাজ ভারত সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন, অন্য কোনও ধর্ম চাঁদের (Chandrayaan 3) উপর মালিকানা ঘোষণা করার আগেই যেন ভারতীয় সংসদ হিন্দু রাষ্ট্র বলে ঘোষণা করে চাঁদকে।

    কী বললেন হিন্দু মহাসভার সভাপতি?

    নিজের একটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও শেয়ার করেছেন স্বামী চক্রপাণি মহারাজ। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘‘সংসদের তরফে চাঁদকে হিন্দু সনাতন রাষ্ট্র হিসাবে ঘোষণা করা হোক। যেখানে চন্দ্রযান-৩ অবতরণ করেছে, সেই শিবশক্তি পয়েন্টকে (Chandrayaan 3) রাজধানী হিসাবে ঘোষণা করা হোক, যাতে কোনও জিহাদি মানসিকতা সেখানে পৌঁছতে না পারে। ভারত সরকারের দ্রুত পদক্ষেপ করা উচিত, যাতে কোনও জঙ্গি সেখানে পৌঁছতে না পারে।’’ তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে ভিডিও পোস্ট করেই ক্ষান্ত হননি এই ধর্মগুরু। তাঁর দাবি, তিনি এ নিয়ে চিঠিও লিখবেন। ধর্মগুরু বলেন, ‘‘হিন্দু মহাসভা এবং সন্ত মহাসভার তরফে এই চিঠি লিখব। আমরা দাবি জানাবো দ্রুত চাঁদকে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণা করার। চাঁদে (Chandrayaan 3) যাতায়াত শুরু হলেই শিবশক্তি পয়েন্টে আমরা ভগবান শিব, মাতা পার্বতী এবং ভগবান গণেশের একটি মন্দির তৈরি করব।’’

    শিবশক্তি পয়েন্ট নামকরণে রাজনৈতিক তরজা

    চন্দ্রযান-১, ২০০৮ সালে যেখানে ভেঙে পড়েছিল, সেই স্থানের নামকরণ কংগ্রেস সরকার করেছিল জওহর। অর্থাৎ দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রীর নামে। এই নিয়ে কংগ্রেসকে তোপ দাগেন বিজেপি নেতারা। কংগ্রেসের পরিবারতন্ত্রের কথাই তুলে ধরেন বিজেপি নেতারা। অন্যদিকে শিবশক্তি পয়েন্ট (Chandrayaan 3) নামকরণের বিরোধিতা করেছে কংগ্রেস। এনিয়ে বিজেপির জবাব,  ‘‘কংগ্রেস সরকার ক্ষমতায় থাকলে চাঁদে (Chandrayaan 3) বিভিন্ন পয়েন্টের নাম রাখা হতো ইন্দিরা পয়েন্ট, রাজীব পয়েন্ট ইত্যাদি।’’ অন্যদিকে অবতরণস্থানের নামকরণ নিয়ে মুখ খুলেছেন ইসরো প্রধান এস সোমনাথও। তাঁর বক্তব্য, ‘‘শিবশক্তি পয়েন্ট নামকরণে কোনও সমস্যাই নেই। কোনও মহাকাশযানের অবতরণ স্থানের (Chandrayaan 3) নামকরণ করা স্বাভাবিক বিষয় এবং সেটা যে কোনও দেশের ট্রাডিশন।  শিবশক্তি পয়েন্ট একটি ভারতীয় নাম। অতএব এতে কোনও সমস্যা নেই।’’ 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3: গুটিগুটি পায়ে ঘুরছে প্রজ্ঞান, ভিডিও প্রকাশ করল ইসরো

    Chandrayaan 3: গুটিগুটি পায়ে ঘুরছে প্রজ্ঞান, ভিডিও প্রকাশ করল ইসরো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রজ্ঞান রোভারের  নতুন ভিডিও পোস্ট করল ইসরো এবং সেখানে দেখা যাচ্ছে শিবশক্তি পয়েন্টের আশেপাশেই ঘুরে চলেছে রোভারটি (Chandrayaan 3)। প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চন্দ্রপৃষ্ঠের দক্ষিণ মেরুতে ল্যান্ডার বিক্রম যেখানে অবতরণ করে সেই স্থানের নামকরণ করেছেন শিবশক্তি পয়েন্ট। শনিবার প্রজ্ঞান রোভারের গতিবিধি নিয়ে দিন ৪০ সেকেন্ডের একটি ভিডিও (Chandrayaan 3) পোস্ট করে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা।

    ভিডিও প্রকাশ ইসরোর (Chandrayaan 3)

    এর আগে বিক্রম ল্যান্ডারের থেকে রোভারের বেরিয়ে আসার ভিডিও প্রকাশ করেছিল ইসরো। এবার তিন দিনের মাথায় আরও একটি নতুন ভিডিও সামনে এলো। নতুন ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, কিভাবে গুটিগুটি পায়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে প্রজ্ঞান রোভার। জানা গিয়েছে ১৪ দিন চাঁদে ঘুরে ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করবে প্রজ্ঞান রোভার। চাঁদের (Chandrayaan 3) বায়ুমন্ডলের গঠন কেমন? চাঁদের মাটির রাসায়নিক গঠন কেমন? এ সমস্ত কিছুই  জানাবে রোভার। এই সময়টাতে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে (Chandrayaan 3) সূর্যের আলো থাকে এবং সেখান থেকে প্রয়োজনীয় শক্তি সংগ্রহ করবে রোভার। শনিবার ইসরোর পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে প্রজ্ঞানের চাকার ছাপ পড়ছে চাঁদের মাটিতে। প্রসঙ্গত, প্রজ্ঞানের চাকাতে রয়েছে অশোক স্তম্ভ এবং ইসরোর লোগো। অর্থাৎ যতদূর পর্যন্ত প্রজ্ঞান যাবে ততদূর পর্যন্ত ভারতের জাতীয় প্রতীকের ছাপও উঠবে।

    ইসরোর দফতরে প্রধানমন্ত্রী 

    চন্দ্রাভিযানের (Chandrayaan 3) দিন দক্ষিণ আফ্রিকায় ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখান থেকে তিনি দেশে ফেরার পরে শনিবারে যান ইসরো সদর দফতরে। ইসরোর দফতর থেকেই প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা, ল্যান্ডার বিক্রম যেখানে অবতরণ করেছে সেই স্থানের নাম দেওয়া হল শিবশক্তি পয়েন্ট। অন্যদিকে ২০১৯ সালে চন্দ্রযান-২ যেখানে ভেঙে পড়েছিল সেই স্থানটির নাম দেওয়া হল তেরঙ্গা। এরই সঙ্গে ২৩ অগাস্ট দিনটিকে জাতীয় মহাকাশ দিবস হিসেবে (Chandrayaan 3) পালন করার কথাও ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ISRO: দক্ষিণ মেরুতে সফল অবতরণের পরে ‘চন্দ্রযান-৪’ মিশনের প্রস্তুতি শুরু ইসরোর

    ISRO: দক্ষিণ মেরুতে সফল অবতরণের পরে ‘চন্দ্রযান-৪’ মিশনের প্রস্তুতি শুরু ইসরোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে ইসরোর (ISRO) চন্দ্রযান-৩ মিশন (ISRO)। এবার ভারতীয় মহাকাশ গবেষণার সংস্থার ভাবনা চন্দ্রযান-৪ নিয়ে। বুধবারই সন্ধ্যায় পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করেছে ল্যান্ডার বিক্রম। খুশিতে মেতে ওঠে গোটা দেশ। এরপরেই বিক্রম ল্যান্ডারের পেটের ভিতর থেকে রোভার প্রজ্ঞান বেরিয়ে আসে। বিক্রমের পেট থেকে রোভারকে বের করে আনতে কিছুটা সময় নিয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। কারণ চাঁদের মাটিতে ধুলো ঝড় হয়েছিল বুধবার। তাই ধুলো লেগে ক্যামেরা বা যন্ত্রাংশের কোনও যাতে ক্ষতি না হয়, তাই এই সতর্কতা অবলম্বন করেন বিজ্ঞানীরা। প্রত্যাশা মতোই সেদিন গুটিগুটি পায়ে ল্যান্ডার বিক্রমের পেট থেকে বেরিয়ে আসে রোভার প্রজ্ঞান। চন্দ্রপৃষ্ঠের গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে এই রোভার। চাঁদের বায়ুমণ্ডলের মৌলিক গঠন সহ একাধিক বিষয়ে তথ্য পাঠাচ্ছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থাকে। ভারতের চন্দ্র জয়ের এই সাফল্যে বিশ্বনেতাদেরও শুভেচ্ছা পেয়েছে ইসরো (ISRO)। বিভিন্ন দেশের সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছে শুধুই ভারতের চন্দ্রাভিযানের সাফল্য নিয়ে। এরই মধ্যে ইসরো শুরু করে দিল চন্দ্রযান-৪ মিশনের প্রস্তুতি।

    ইসরোর (ISRO) মিশন চন্দ্রযান-৪

    এবারে চন্দ্রাভিযানকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যেতে পরিকল্পনা শুরু করল ইসরো (ISRO)। জানা গিয়েছে জাপানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জাক্সা বা জাপান এরোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সির সঙ্গে কাজ করবে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। ইতিমধ্যে এ বিষয়ে নাকি একটি চূড়ান্ত চুক্তিও সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে।

    মিশনের নাম হবে লুপেক্স

    চন্দ্রযান-৪ মিশন ভারত এবং জাপানের যৌথ উদ্যোগের সম্পন্ন হবে। এই অভিযানের নাম হবে লুপেক্স অর্থাৎ লুনার পোলার এক্সপ্লোরেশন মিশন। এই মিশনে চাঁদের মাটি, ভৌগোলিক গঠন নিয়ে বিশ্লেষণ করবে দুই দেশের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। খুঁজে দেখা হবে চাঁদে কি সত্যিই জল আছে! তবে এই মিশন শুরু হতো এখনো তিন বছর বাকি বলেই জানা গিয়েছে। ২০২৬ সালের মধ্যে ইসরো (ISRO) এবং জাক্সার এই যৌথ মিশন সম্পন্ন হবেবলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • G-20: দিল্লিতে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে আসছেন না পুতিন, কী কারণ জানাল রাশিয়া?

    G-20: দিল্লিতে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে আসছেন না পুতিন, কী কারণ জানাল রাশিয়া?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে জি-২০ (G-20) শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন না রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। রুশ প্রেসিডেন্ট যে ভারতে আসছেন না তা পুতিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকাভ স্পষ্ট করে দিয়েছেন। কিন্তু কেন আসছেন না পুতিন? সে কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে পুতিনের মুখপাত্র বলেন, ‘‘জরুরি সামরিক সক্রিয়তার কারণেই প্রেসিডেন্ট পুতিন শারীরিকভাবে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে (G-20) হাজির থাকতে পারবেন না।’’ 

    কী বলছে বিশেষজ্ঞ মহল?

    যদিও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মত হল যে ইউক্রেনের যুদ্ধে সে দেশে ধ্বংসলীলা, গণহত্যার কারণে পুতিনের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক আদালতে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। সে কারণেই ব্রিকসের গোষ্ঠীভুক্ত (G-20) দেশ হওয়া সত্ত্বেও পুতিন দক্ষিণ আফ্রিকার সম্মেলনে হাজির থাকেননি। একই কারণে তিনি ভারতীয় আসছেন না। প্রসঙ্গত, আগামী ৯ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে বসছে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন (G-20)। কূটনৈতিক মহলের আরও একটি অংশের মত হল, ‘‘ঠান্ডা লড়াই-এর সময় থেকেই রাশিয়ার সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক খুব একটা ভালো নয়। তার মধ্যে  ওয়াগনার গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা প্রিগোজিনের মৃত্যুতে সরাসরি রাশিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে আমেরিকা। জো বাইডেন এই ঘটনার জন্য পুতিনকে দায়ী করেছেন। তাই কূটনৈতিক মহল মনে করছে যে বাইডেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ (G-20) এড়াতেই পুতিনের এমন সিদ্ধান্ত।

    আরও পড়ুুন: গ্রিসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী, কেন জানেন?

    ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হয় রাশিয়ার

     প্রসঙ্গত, আগামী মাসের ৯ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে জি-২০ (G-20) সম্মেলনে যোগ দিতে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হয় রাশিয়ার। তারপর থেকে দেশের সীমানা পেরননি পুতিন। ২০২২ সালের নভেম্বরে বালিতে সম্পন্ন হয়েছিল জি-২০ (G-20) সম্মেলনের বৈঠক। সেখানেও হাজির থাকেননি পুতিন। একমাত্র ২০১৯ সালে জাপানের জি-২০ (G-20) সম্মেলনের বৈঠকে পুতিন হাজির ছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3: চন্দ্রপৃষ্ঠে অশোক স্তম্ভ আঁকছে প্রজ্ঞান, পুঁতবে জাতীয় পতাকাও, কীভাবে সম্ভব হচ্ছে?

    Chandrayaan 3: চন্দ্রপৃষ্ঠে অশোক স্তম্ভ আঁকছে প্রজ্ঞান, পুঁতবে জাতীয় পতাকাও, কীভাবে সম্ভব হচ্ছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ ৪০ দিনের যাত্রার পরে বুধবার সন্ধ্যায় চাঁদের দেশে অবতরণ করেছে ভারতের বিক্রম (Chandrayaan 3)। অবতরণের পরেই ছবি পাঠাতে শুরু করে বিক্রম। বিক্রমের পেট থেকে বেরিয়ে আসে রোভার প্রজ্ঞান (Chandrayaan 3)। চাঁদের মাটিতে ভারতীয় সংস্কৃতির ছাপ, ভারতীয়ত্বের প্রতীক অশোক স্তম্ভ আঁকছে প্রজ্ঞান (Chandrayaan 3)। ভারতবর্ষের অস্মিতার প্রতীক হয়ে উঠেছে প্রজ্ঞান।

    চাঁদের মাটিতে এঁকে দিচ্ছে অশোক স্তম্ভর ছাপ

    চাঁদের মাটিতে যতই এগিয়ে চলেছে ততই এঁকে দিচ্ছে অশোক স্তম্ভর ছাপ এবং ইসরোর প্রতীক। রোভার প্রজ্ঞানের (Chandrayaan 3) মোট ছ’টি চাকা রয়েছে। যার মধ্যে একটিতে রয়েছে অশোক স্তম্ভের চিহ্ন, অন্যটিতে রয়েছে ইসরোর লোগো। তবে শুধুমাত্র অশোকস্তম্ভের প্রতীক খোদাই করে আসা নয়, চাঁদের মাটিতে ভারতের জাতীয় পতাকাও পুঁতবে প্রজ্ঞান (Chandrayaan 3)। অবতরণের পরপরেই ধুলো ঝড়ের সম্মুখীন হতে হয় চন্দ্রযানকে। তাই সতর্ক বিজ্ঞানীরা কিছুটা সময় নিয়েই বের করেন রোভার প্রজ্ঞানকে।

    চাঁদের মাটিতে নানা রকমের তথ্য সংগ্রহ করবে প্রজ্ঞান

    চাঁদের মাটিতে (Chandrayaan 3) নানা রকমের তথ্য সংগ্রহ করবে প্রজ্ঞান। সংগৃহীত তথ্য পাঠাবে ইসরোর সদর দফতরে। সেখানকার বায়ুমণ্ডলের গঠন কেমন, মাটির উপাদান কী কী, কোন কোন রাসায়নিক মিশে রয়েছে চন্দ্রপৃষ্ঠে-এসবই জানাবে আমাদের। আজ সকালে এক সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে ইসরো জানিয়েছে, প্রজ্ঞানের মুন ওয়ার্ক শুরু হয়ে গেছে। প্রজ্ঞান প্রতি এক সেকেন্ডে এক সেন্টিমিটার এগোতে পারে। ইসরোর সূত্রে জানা গিয়েছে আগামী ১৪ দিন প্রজ্ঞান (Chandrayaan 3) চাঁদের দক্ষিণ মেরুর আশেপাশে ঘুরে কাজ করবে। এই ১৪ দিন টানা দক্ষিণ মেরুতে সূর্যের আলো থাকবে এবং সূর্যের আলো থেকেই শক্তি সংগ্রহ করবে প্রজ্ঞান। এরপর দক্ষিণ মেরুতে সূর্য যখন আর থাকবে না, তখন প্রজ্ঞানের শক্তি অবশিষ্ট থাকবে না। প্রজ্ঞানের (Chandrayaan 3) সঙ্গে জোড়া রয়েছে একাধিক স্বয়ংক্রিয় ক্যামেরা। যেগুলি প্রতি মুহূর্তের ছবি পাঠাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Aadhaar Update: আধারের তথ্য বিনিময়ে হতে পারে প্রতারণা! বিপদ এড়াতে কী করবেন?

    Aadhaar Update: আধারের তথ্য বিনিময়ে হতে পারে প্রতারণা! বিপদ এড়াতে কী করবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আধার কার্ড (Aadhaar Update) সংক্রান্ত তথ্য বিনিময় করা নিয়ে ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অফ ইন্ডিয়া নাগরিকদের বিশেষ সতর্কবার্তা দিয়েছে। তারা জানিয়েছে, সাইবার চোরাকারবারিরা হোয়াটসঅ্যাপ বা ই-মেলে নানা রকম বার্তা পাঠিয়ে তথ্য জানতে চায়। আর সেই তথ্য যাচাই করতে গিয়েই নাগরিক সমাজকে বিপদের মুখে পড়তে হতে পারে। তাই আধার-দুর্নীতি নিয়ে সতর্ক করল আধার আপডেট সংস্থা ইউআইডিএআই।

    কীভাবে হয় প্রতারণা (Aadhaar Update)?

    আধারের (Aadhaar Update) ক্ষেত্রে নাগরিকরা সংশোধনের বিষয় নিয়ে আবেদন করেই থাকেন। আর এই সংশোধনের ফাঁকেই চোরাকারবারিরা বিভিন্ন রকমের ফাঁদ পেতে থাকে। তাই এই সাইবার চোরাকারবারিদের থেকে নাগরিকদের বাঁচাতে বিশেষ সতর্কতা জারি করল ইউআইডিএআই।

    ইউআইডিএআই-এর বক্তব্য

    আধার (Aadhaar Update) সংস্থা ইউআইডিএআই থেকে জানানো হয়েছে, তারা কখনই এমন ভাবে ই-মেলে বা মেসেজ করে আপডেট করার পিআইও PIO বা POA চায় না। তাই গ্রাহকদের এই সংক্রান্ত যে কোনও বার্তা উপেক্ষা করতে হবে। এই সংস্থা থেকে আরও বলা হয়, প্রয়োজন হলে মাইআধার ওয়েবসাইটে গিয়ে গ্রাহক নিজের আধার আপডেট করতে পারেন। এছাড়াও নিকটবর্তী আধার কেন্দ্রে গিয়ে এই আপডেটের কাজ করাতে পারেন। অপরিচিত কোনও ব্যক্তি বা সংস্থা থেকে কোনও প্রকার মেসেজ এলে, তাকে উপেক্ষা করাটাই একমাত্র কাজ। আধার সংস্থা আরও জানিয়েছে, আধার ডকুমেন্ট আপডেট করার সময় ১৪ই সেপ্টেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

    বিনামূল্যে আধার আপডেট কীভাবে?

    প্রথমে আধার (Aadhaar Update) নম্বর দিয়ে https://myaadhaar.uidai.govt.in লগ ইন করতে হবে। এরপর ‘প্রসিড টু আপডেট অ্যাড্রেস’-এ ক্লিক করতে হবে। এরপরে নথিভুক্ত মোবাইল নম্বরে একটা ওটিপি চাইবে। সেটা হলে ডকুমেন্ট আপলোড করে তথ্য দিতে হবে। এবার তথ্যগুলি যাচাইয়ের পর হাইপার লিঙ্কে ক্লিক করতে হবে। এরপর নিজের পরিচয় এবং ঠিকানাগুলিকে ঠিক করতে হবে। এরপর ঠিকানার তথ্য সংক্রান্ত প্রমাণপত্র আপলোড করে সাবমিট বাটনে ক্লিক করতে হবে। তারপরই আবেদন গ্রহণ করে সংস্থা থেকে ১৪ সংখার একটি আবেদন নম্বর প্রদান করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3: ‘‘আমরা পৃথিবীতে সংকল্প নিয়েছি, আর চাঁদে তা সফল করেছি’’, বললেন মোদি

    Chandrayaan 3: ‘‘আমরা পৃথিবীতে সংকল্প নিয়েছি, আর চাঁদে তা সফল করেছি’’, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ ৪০ দিনের যাত্রা শেষে বুধবারই চাঁদের দেশে পৌঁছেছে ল্যান্ডার বিক্রম (Chandrayaan 3)। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে প্রথম দেশ হিসেবে অবতরণের এই কৃতিত্ব অর্জন করল ভারত। এদিন সন্ধ্যা ৬টা ০৪ মিনিটে অবতরণ করে চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan 3)। দেশজুড়ে শুরু হয়েছে উদযাপন। চারিদিকে উৎসবের মেজাজ। এদিন দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan 3) এর অবতরণ দেখেন প্রধানমন্ত্রী। তার সঙ্গে দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণও দেন। এদিন মোদির বক্তব্যে উঠে আসে সূর্য মিশনের কথাও। এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে মোদি বলেন, ‘‘ইসরো শীঘ্রই আদিত্য-এল১ মিশন ও গগনযান মিশন চালু করবে।’’

    কী বললেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী?

    এদিন দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমার পরিবার, আমরা দেখলাম ইতিহাস তৈরি হতে। জীবন ধন্য হয়ে গেল। এমন ঐতিহাসিক ঘটনা গোটা জীবনের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এই ঘটনা নয়া ভারতের প্রমাণ, এই ঘটনা সমস্যার মহাসাগর পার করার মতো, এই মুহূর্ত ভারতের উদীয়মাণ ক্ষমতার প্রমাণ। আমরা পৃথিবীতে সংকল্প নিয়েছি, আর চাঁদে (Chandrayaan 3) আমরা তা সফল করেছি।’’ প্রধানমন্ত্রীর আরও মোদি বলেন, ‘‘আগে বলা হত যে চাঁদমামা (Chandrayaan 3) অনেক দূরে আছে। শিশুরা বলত যে চাঁদমামা অনেক দূরে আছে। এবার এমন একটি দিন আসবে, যখন শিশুরা বলবে যে চাঁদমামা (Chandrayaan 3) একটি ট্যুরের দূরে আছে।’’ প্রধানমন্ত্রীর আরও সংযোজন, ‘‘ভারত এখন চাঁদে পৌঁছে গিয়েছে। এবার চন্দ্রপথে হাঁটার সময়।’’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘আমরা নয়া ভারতের নয়া উড়ান প্রত্যক্ষ করতে চলেছি। নয়া ইতিহাস রচিত হয়েছে।’’

    ট্যুইট রাষ্ট্রপতির   

    ইসরোর এই সাফল্যে দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এদিন রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘‘আমি ইসরো এবং চন্দ্রযান (Chandrayaan 3) মিশনের সঙ্গে জড়িত সবাই অভিনন্দন জানাই। তাদের আরও বড় সাফল্য কামনা করি। চন্দ্রপৃষ্ঠে চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan 3) যেভাবে অবতরণ করল, তাতে বিজ্ঞানীরা ইতিহাস করেছেন। ভারতকে গর্বিত করেছেন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ABSS: মোদির অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পে পশ্চিমবঙ্গ কী কী সুবিধা পেতে চলেছে?

    ABSS: মোদির অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পে পশ্চিমবঙ্গ কী কী সুবিধা পেতে চলেছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২২ সালে স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে সমগ্র ভারতবর্ষ জুড়ে অমৃত মহোৎসব কর্মসূচি (ABSS) শুরু হয়। তারই প্রতিফলন হিসাবে উঠে আসে অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্প। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ভারতের ২৭ টি রাজ্যের মোট ৫০৮ টি রেল স্টেশনের আমূল পরিবর্তন এবং আধুনিকীকরণ ঘটাতে ২৪ হাজার ৪৭০ কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দ করেছে কেন্দ্র সরকার। এই প্রকল্পের মাধ্যমে রেল স্টেশনগুলিকে অত্যাধুনিক মানের হিসাবে গড়ে তোলা হবে।

    কী এই অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্প (ABSS)?

    অমৃত ভারত প্রকল্প (ABSS) হল ভারতীয় রেল মন্ত্রকের উদ্যোগে দেশের ৫০৮ টি স্টেশনকে অত্যাধুনিক রূপ দেওয়া, যা হবে বিশ্বমানের। বলা যেতে পারে রেল স্টেশনগুলির আধুনিকীকরণের এক নতুন নীতি এটি। এই প্রকল্পের মাধ্যমে স্টেশনের চাহিদা অনুসারে একটি দীর্ঘমেয়াদী মাস্টার প্ল্যান তৈরি করা হবে এবং তা বাস্তবায়নের চেষ্টা চলবে।

    পশ্চিমবঙ্গের ক’টি স্টেশন এই অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের (ABSS) সুবিধা পাবে?

    ভারতে ২৭টি রাজ্যের ৫০৮টি স্টেশন এই অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের (ABSS) সুবিধা পেতে চলেছে। যার মধ্যে সব রাজ্যের অনেক স্টেশনে ইতিমধ্যে কাজও শুরু হয়েছে। আর আমাদের পশ্চিমবঙ্গের ৯৪ টি স্টেশন এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে চলছে। তার মধ্যে শিয়ালদা, বর্ধমান, রামপুরহাট, আসানসোল, অন্ডাল, সিউড়ি, নিউ কোচবিহার, খড়্গপুর, নিউ আলিপুরদুয়ার প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

    এই প্রকল্পের (ABSS) মূল লক্ষ্যগুলি কী?

    প্রত্যেকটি স্টেশনকে আধুনিকীকরণ ও অত্যাধুনিক মানের গড়ে তোলার পাশাপাশি কতকগুলি লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে যেমন:-

    ১) প্রকল্পের অধীনে থাকা প্রত্যেকটি স্টেশনে যাত্রী প্রতীক্ষালয়গুলিকে অত্যাধুনিক মানের তৈরি করা হবে এবং সেগুলিতে থাকবে ক্যাফেটেরিয়া ও অন্যান্য পণ্যের দোকান। 
    ২) স্টেশনমুখী বা স্টেশন লাগোয়া সমস্ত রাস্তাকে চওড়া করা হবে এবং রাস্তার পাশে থাকা অবৈধ নির্মাণগুলিকে সরিয়ে ফেলা হবে, যাতে সহজেই যাত্রীরা স্টেশনে পৌঁছাতে পারেন এবং স্টেশন থেকে বের হতে পারেন। তার সঙ্গে থাকবে দিক নির্দেশনার ব্যবস্থা।
    ৩) স্টেশনগুলিকে আগের থেকে উঁচু করে নির্মাণ করা হবে, ৬৭০ থেকে ৮১০ মিলি উঁচু করা হবে। 
    ৪) স্টেশন সংলগ্ন সমস্ত রাস্তা বিশেষ আলোর মাধ্যমে আলোকিত করা হবে।
    ৫) নিত্যযাত্রীদের স্টেশন চত্বরে পার্কিং ব্যবস্থা সুলভ করার জন্য বিশেষ পার্কিং প্লেস তৈরি করা হবে। 
    ৬) মহিলা এবং বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের জন্য আধুনিক টয়লেট তৈরি করা হবে।  
    ৭) তহবিল অনুযায়ী সমগ্র ভারতবর্ষে অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের (ABSS) অধীনে থাকা স্টেশনগুলিকে পরিবেশ বান্ধব স্টেশন হিসাবে নির্মাণ করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Digital India: জার্মান মন্ত্রীর পর বিল গেটস, ভারতের ডিজিটাল ব্যবস্থায় মুগ্ধ ধনকুবের

    Digital India: জার্মান মন্ত্রীর পর বিল গেটস, ভারতের ডিজিটাল ব্যবস্থায় মুগ্ধ ধনকুবের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের মার্চ মাসেই ভারত সফরে এসেছিলেন বিশ্বের ধনুকুবের বিল গেটস। সপ্তাহ খানেক তিনি এদেশে ছিলেন। বিভিন্ন মহলের সঙ্গে আলাপচারিতায় অংশগ্রহণ করেন বিল গেটস। সম্প্রতি তাঁর ভারত সফরের অভিজ্ঞতার একটি ছবি তিনি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করেছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘‘সম্প্রতি ভারতে গিয়েছিলাম, সেখানে কুসুমার সঙ্গে দেখা হল। তিনি স্থানীয় পোস্ট অফিসে চাকরিজীবী, খুব ভালো কাজ করছেন। গ্রাহকদের স্মার্ট ফোন এবং বায়োমেট্রিক্স ব্যবহার করে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা প্রদান করেন কুসুমা।’’ ভারতের ডিজিটাল ব্যবস্থার (Digital India) উন্নয়নের ফলে দেশ কিভাবে এগিয়ে চলেছে, সে কাহিনিই তুলে ধরেছেন বিল গেটস। প্রসঙ্গত ২ দিন আগেই বেঙ্গালুরুতে ফুটপাত থেকে সবজি কিনে ডিজিটাল পেমেন্ট করেন জার্মানির তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী। ভারতের সহজ ডিজিটাল ব্যবস্থায় (Digital India) মুগ্ধ হন জার্মান মন্ত্রী।

    বিল গেটসের পোস্ট শেয়ার করলেন অশ্বিনী বৈষ্ণব

    বিল গেটসের ২১ অগাস্টের ওই সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট শেয়ার করেছেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। মোদি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ এই মন্ত্রী ক্যাপশনে লেখেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দূরদর্শিতার কারণেই এই সফলতা।

    বিল গেটসের পোস্ট

    তাঁর ওই সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ধনকুবের আরও লিখছেন যে ভারতীয়রা স্মার্ট ফোন এবং বায়োমেট্রিক্স (Digital India) ব্যবহার করে ব্যাঙ্কিং-এর পরিষেবা পান। এর ফলে পরিষেবা দেওয়ার কাজও যেমন সহজ হয়েছে তেমনি আর্থিকভাবে ক্ষমতায়ন সম্ভব হয়েছে। তাঁর পোস্ট নেটিজনদের প্রশংসা কুড়িয়েছে এবং আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে এই পোস্টটি। অনেক নেটিজেন বিল গেটসের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। বিল গেটসের ওই পোস্টে জনৈক নেটিজেন লিখছেন, কুসুমার মতো আরও অনেকেই স্মার্ট ফোন ব্যবহার করে টাকা জমা করা, টাকা তোলা, টাকা পাঠানো বা বিল পেমেন্টের মতো ব্যাঙ্কিং পরিষেবা পান।  প্রসঙ্গত বিভিন্ন সরকারি আর্থিক এবং সামাজিক প্রকল্পগুলির সুবিধা যাতে খুব সহজেই জনগণের কাছে পৌঁছে যায়, সেজন্য ডিজিটাল ব্যবস্থায় (Digital India) সবথেকে বেশি জোর দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি। ২০১৫ সাল থেকে শুরু হয় ডিজিটাল ইন্ডিয়ার প্রচার এবং কাজ। ডিজিটাল ব্যবস্থায় উন্নয়নের ফলে আগের থেকে অনেক কম সময় লাগে এবং সরাসরি উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে চলে যায় টাকা।  ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার (Digital India) তৈরির ক্ষেত্রে গোটা বিশ্বের মধ্যে এগিয়ে রয়েছে ভারতবর্ষ, তা শোনা গেল বিল গেটসের মুখে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bihar: ‘‘আমি বেঁচে আছি’’! শেষকৃত্যের পর ‘মৃত’ মেয়ের ভিডিও কল বাবাকে! চাঞ্চল্য বিহারে

    Bihar: ‘‘আমি বেঁচে আছি’’! শেষকৃত্যের পর ‘মৃত’ মেয়ের ভিডিও কল বাবাকে! চাঞ্চল্য বিহারে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারের (Bihar) পাটনার তরুণী অংশু নিখোঁজ ছিলেন এক মাস ধরে। তার পরে স্থানীয় খাল থেকে গত সপ্তাহেই একটি মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ (Bihar)। অংশুর বাবা ভেবে নেন ওই মৃতদেহ তাঁর মেয়ের। সেই মতো শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয় ওই দেহের। গোটা পরিবারে শোকের ছায়া নেমে আসে।

    পোশাক দেখে সনাক্ত

    ওই মৃতদেহের মুখ চেনার কোনও উপায় ছিল না, তাই পরনের পোশাক দেখেই সনাক্ত করা হয়। মেয়ের শোকে বাবা বিনোদ মণ্ডল এতটাই বিহ্বল হয়ে পড়েছিলেন যে, শ্মশানে যেতে পর্যন্ত পারেননি। পারলৌকিক ক্রিয়াকর্ম পালন করেছিলেন অংশু কুমারের ঠাকুর্দা। অংশু মারা গেছেন, এই খবর আগুনের গতিতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর রটতে রটতে তা এক সময় যায় অংশুর কাছেও (Bihar)। এর পরেই নিজের বাবাকে ভিডিও কল করার সিদ্ধান্ত নেন অংশু। শেষকৃত্য সম্পন্ন হওয়ার এক দিন পরে ‘মৃত মেয়ে’ই ভিডিও কলে কথা বললেন বাবার সঙ্গে। এই গোটা ঘটনায় সারা বিহারে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। ফোন পেয়ে বাবা নিজেও অস্থির। তিনি বুঝতে পারছেন না মেয়ে বলে যাঁর দেহ তিনি দাহ করলেন, সে আসলে কে?

    অংশু নিখোঁজ হয়ে গেলেন কীভাবে?

    কিন্তু হঠাৎ অংশু নিখোঁজ হয়ে গেলেন কী করে? জানা গিয়েছে, বাড়ির কাউকে না জানিয়ে তিনি নিজের (Bihar) প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁদের সম্পর্কের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে বাড়ি, এই আশঙ্কায় বাড়ির কাউকে কিছু না বলেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। পরে নিজের প্রেমিকের সঙ্গে বিয়েও সেরে ফেলেন অংশু। জানা যাচ্ছে, বর্তমানে (Bihar) নিজের স্বামীর সঙ্গে বিহারের জানকীনগর এলাকায় সুখে সংসার করছেন তিনি।

    অংশু ভেবে কার দেহ দাহ করা হল? 

    কিন্তু অংশু (Bihar) ভেবে যাকে দাহ করা হল সেটা কে? পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে কোনও অনার কিলিং-এর কারণেই এই মেয়েটিকে খুন করা হয়েছে। যদিও তাকে এখন আর দেখে বোঝার কোনও উপায় নেই। কারণ সেই দেহের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ওই মৃত্যুরহস্যের কিনারা করতে পেরেছে পুলিশ। সন্ধান পাওয়া গিয়েছে মেয়ের বাড়ির। তবে বাবা-মা দুজনেই পলাতক (Bihar)। এতেই সন্দেহ দানা বাঁধছে অনার কিলিং-এর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share