Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Kedarnath Yatra: ফের ধস কেদারনাথ যাত্রাপথে, চাপা পড়েছে দোকানপাট, কমপক্ষে ১২ জন নিখোঁজ

    Kedarnath Yatra: ফের ধস কেদারনাথ যাত্রাপথে, চাপা পড়েছে দোকানপাট, কমপক্ষে ১২ জন নিখোঁজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেদারনাথ যাত্রাপথে (Kedarnath Yatra) ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে বিরাট ধস নেমেছে। রুদ্রপ্রয়াগ জেলার কেদারনাথ যাওয়ার পথে গৌরীকুণ্ডে ব্যাপক ধস নামার খবর জানা গেছে। ধসের ফলে তলিয়ে গেছে রাস্তার পাশের বহু দোকান। চাপা পড়েছেন অন্তত ১২ জন। উদ্ধার কাজে নামানো হয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী।

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Kedarnath Yatra)?

    গতকাল বৃহস্পতিবার রাত থেকেই উত্তরাখণ্ডে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে ভোরের দিকে কেদারনাথের পথে (Kedarnath Yatra) ধসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। রুদ্রপ্রয়াগ জেলার গৌরীকুণ্ডের দাঁতপুলিয়া এলাকায় ধস নেমেছে। উল্লেখ্য কেদারনাথ যাত্রায় গৌরীকুণ্ড হল একটি বিশেষ বেস ক্যাম্প। সমস্ত কেদারনাথ পুণ্যার্থীরা এই পথেই পৌঁছান কেদারনাথ ধামে। তাই ধসের কারণে আপাতত বন্ধ কেদারনাথ যাত্রা। রাস্তার পাশে থাকা বেশ কিছু দোকান বড় পাথরের নিচে চাপা পড়েছে।

    বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর বক্তব্য

    রুদ্রপ্রয়াগ বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর অফিসার দলিপ সিং রাজওয়ার জানিয়েছেন, বৃষ্টির কারণে ধস (Kedarnath Yatra) নেমেছে। অন্তত ১০ থেকে ১২ জন মানুষ চাপা পড়ে আছেন বলে জানা গেছে। নিখোঁজদের এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি। ধসের কারণে বেশ কিছু দোকানও চাপা পড়েছে। এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দ্রুত উদ্ধার কাজ শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিপর্যয় বাহিনীর অফিসার। রুদ্রপ্রয়াগ পুলিশ সুপারের বক্তব্য, নিখোঁজ ব্যক্তিদের খুঁজে বার করতে অভিযান শুরু হয়েছে। এলাকায় অনেক বাড়ি ধসে গিয়েছে।

    কতটা সুরক্ষিত কেদারনাথ যাত্রা?

    উল্লেখ্য গত বছর জুলাই মাসেও প্রবল বৃষ্টিপাত হয় সোনপ্রয়াগ, গৌরীকুণ্ডতে। সেই সময় সাময়িক ভাবে অতি বৃষ্টিপাতের কারণে কেদারনাথ যাত্রা (Kedarnath Yatra) বন্ধ রাখতে হয়েছিল। ৬ মাস বন্ধ রাখার পর, এই বছর এপ্রিলে আবার খোলা হয় কেদারনাথ ধাম। এই ধস এবং অতি ভারী বর্ষণের ফলে গঙ্গোত্রী, যমুনোত্রী এবং বদ্রীনাথ যাত্রা কতটা সুরক্ষিত হবে, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। উল্লেখ্য গত ২০১৩ সালেও অধিক বৃষ্টিপাতের ফলে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ব্যাপক ভাবে ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছিল উত্তরাখণ্ড।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: স্বস্তি রাহুলের, ২ বছরের জেল হাজতের সাজার ওপর স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

    Rahul Gandhi: স্বস্তি রাহুলের, ২ বছরের জেল হাজতের সাজার ওপর স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি পদবী মামলায় বড়সড় স্বস্তি পেলেন কংগ্রেস নেতার রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। সুপ্রিম কোর্টে এদিন বিচারপতি আরএস গাভাই এবং বিচারপতি পিকে মিশ্রের বেঞ্চ তাঁর দু বছরে জেল হাজতের সাজার উপর স্থগিতাদেশ জারি করে দিয়েছেন। প্রসঙ্গত, গুজরাটের সুরাট আদালতে রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) মোদি পদবী অবমাননা মামলায় দু বছরের শাস্তি ঘোষণা করেছিল। 

    মামলার ঘটনাক্রম 

    চলতি বছরের মার্চ মাসের ২৩ তারিখে সুরাতে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই সাজা ঘোষণা হয়। এই সাজার উপর স্থগিতাদেশ চেয়ে  রাহুল গান্ধীর আবেদন গত ৭ জুলাই খারিজ করে দিয়েছিল গুজরাট হাইকোর্টের বিচারপতি হেমন্ত প্রচ্ছকের একক বেঞ্চ। গুজরাট হাইকোর্টের আগে সুরাতের দায়রা আদালতও একই সাজা বহাল রেখেছিল। এই পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের ১৭ জুলাই রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন। এদিন রাহুল গান্ধীর সাজার ওপর স্থগিতাদেশ জারি হল সুপ্রিম কোর্টে।

    রাহুল গান্ধীর মন্তব্য

     ২০১৯ সালে লোকসভা ভোট প্রচার চলছিল। সে সময়ে কর্নাটকে মোদি পদবি তুলে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। তিনি বলেছিলেন যে সব চোরদের পদবী মোদি কেন হয়!  এ নিয়ে সেইসময় মামলা দায়ের করেন গুজরাটের প্রাক্তন মন্ত্রী পূর্ণেশ মোদি। তাঁদের দাবি ছিল রাহুল গান্ধী এভাবে সব চোরেদের মোদি কেন হয়, মন্তব্যের মাধ্যমে গোটা তেলি সমাজকে অপমান করেছেন। প্রসঙ্গত, মোদি পদবী তেলি সমাজের অন্তর্ভুক্ত। তেলি সমাজের পক্ষ থেকে ব্যাপক আন্দোলনও শুরু হয় এই সময়।  সুরাতের ম্যাজিস্ট্রেট রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) সাজা ঘোষণা করার পরেই, চলতি বছরের ২৪ মার্চ লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, ভারতীয় সংবিধানের ১০২(১)-ই এবং জনপ্রতিনিধিত্ব আইন (১৯৫১) ৮(৩) নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাহুল গান্ধীর সাংসদ পদ খারিজ করেন।  আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ২০২৪ সালে নির্বাচনে রাহুল গান্ধী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন কারণ শুক্রবার রায়ের পরে তাঁর সে পথ অনেকটাই প্রশস্ত হয়ে গেল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rajasthan: রাজস্থানে ইঁটভাটায় পড়ে কিশোরীর দগ্ধ দেহ! গণধর্ষণের পর খুন, অনুমান পুলিশের

    Rajasthan: রাজস্থানে ইঁটভাটায় পড়ে কিশোরীর দগ্ধ দেহ! গণধর্ষণের পর খুন, অনুমান পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইটভাটা থেকে উদ্ধার কিশোরীর দগ্ধ দেহ। এ নিয়ে রীতিমতো তোলপাড় শুরু হয়েছে তোলপাড়। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাজস্থানের (Rajasthan) ভিলওয়াড়া জেলার একটি ইটভাটা থেকে উদ্ধার হয় কিশোরীর দেহ। ১৪ বছরের ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে বলেই পুলিশের অনুমান। প্রমাণ লোপাট করতেই ধর্ষণের পর পুড়িয়ে মারা হয় কিশোরীকে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে নারী নিরাপত্তার ইস্যুতে সরব বিজেপি।

    ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ 

    পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার ভোররাতে ওই কিশোরী ছাগল চরাতে যায়। সঙ্গে অবশ্য কিশোরীর মাও ছিলেন। কিন্তু হঠাৎই কিশোরীর মা লক্ষ্য করেন, আশেপাশে কোথাও তাঁর মেয়ে নেই। অনেকক্ষণ ধরে তন্নতন্ন করে খুঁজেও কিশোরীর সন্ধান পাননি তাঁর মা। এরপরে  গ্রামবাসীরাও ওই মহিলার সঙ্গে খোঁজা শুরু করেন, কিন্তু হদিশ মেলেনা কিশোরীর। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার ভোরে স্থানীয় একটি ইটভাটা থেকে কিশোরীর দগ্ধ দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাস্থলে পুলিশের দল পৌঁছালে দেখতে পায়, কিশোরীর হাড়গোড়, রুপোর তোড়া ও এক পাটি জুতো পড়ে রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে (Rajasthan) জানা গিয়েছে, পুলিশ যখন ঘটনাস্থলে পৌঁছয়, তখনও নাকি কিশোরীর দেহ আগুনে পুড়ছিল। গণধর্ষণের পরেই খুন বলে অনুমান পুলিশের। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই ইটভাটা থেকে তিনজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তাদের জেরা করা হচ্ছে বলে খবর।

    বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের

    জানা গিয়েছে, কিশোরীর দগ্ধ দেহ উদ্ধারের পরই শতাধিক গ্রামবাসী ইটভাটায় বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারির দাবি জানাতে থাকেন তাঁরা। তাঁদের অভিযোগ, বুধবারই ওই কিশোরী নিখোঁজ বলে থানায় অভিযোগ জানাতে যান তাঁরা। কিন্তু পুলিশ সেই অভিযোগ গ্রহণ করতে নানা টালবাহানা করে। অন্যদিকে, এই দেহ উদ্ধারকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজাও চলছে রাজস্থানে (Rajasthan)। বিরোধী দল বিজেপির নেতৃত্ব ঘটনাস্থলে গিয়ে বিক্ষোভে যোগ দিয়েছেনবলে জানা গিয়েছে। বিজেপি নেতা বিক্রম গৌড়ে এনিয়ে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন কংগ্রেসকে। তিনি বলেন, কংগ্রেস জমানায় রাজস্থানে (Rajasthan) মহিলাদের নিরাপত্তা প্রহসন ছাড়া কিছু নয়। প্রসঙ্গত, এর আগেও বাবার সহকর্মীদের হাতে রাজস্থানে ধর্ষিতা হতে হয় ১৩ ও ১৫ বছর বয়সী দুই বোনকে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Seema Haider: নামী প্রযোজক সংস্থার তরফে অভিনয়ের প্রস্তাব সীমাকে! পেলেন চাকরির অফারও

    Seema Haider: নামী প্রযোজক সংস্থার তরফে অভিনয়ের প্রস্তাব সীমাকে! পেলেন চাকরির অফারও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রেমের টানে পাকিস্তান থেকে ভারতে এসেছিলেন সীমা হায়দার (Seema Haider)। যদিও তাঁর গতিবিধির সন্দেহের ঊর্ধ্বে নয় বলেই মনে করেছে উত্তরপ্রদেশের সন্ত্রাস দমন শাখা। এখনও চলছে লাগাতার জিজ্ঞাসাবাদ। কিন্তু পাক রহস্যময়ী ভারতের মাটিতে পা রাখার পর থেকেই যেন তাঁর কপাল খুলতে শুরু করেছে। প্রতিমাসে একলাখি চাকরির অফার যেমন পেয়েছেন এই দম্পতি, ঠিক তেমনি আসছে অভিনয়ের কাজের সুযোগও। সামান্য মধ্যবিত্ত পরিবারের সচিনের আর্থিক অবস্থা মোটেও ভালো নয়। কিন্তু এবার আসতে শুরু করেছে একের পর এক রোজগারের সন্ধান। 

    প্রতিমাসে একলাখি বেতনের চাকরির অফার পেয়েছে সীমা-সচিন (Seema Haider)

    চলতি সপ্তাহের গ্রেটার নয়ডার রাব্বুপুর গ্রামে সচিনের বসত বাড়িতে একটি চিঠি আসে। সে চিঠি ঘিরে পরিবারের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়। সুরক্ষা স্বার্থে নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে চিঠির বিষয়ে জানায়। মেলে চিঠি খোলার অনুমতি!  চিঠি খুলতেই বোঝা যায় এযেন রত্নের খনি! দেখা যায় সচিন এবং সীমা উভয়কেই কাজের অফার দিয়েছেন এক গুজরাটি ব্যবসায়ী। প্রতিজনের মাসে বেতন পঞ্চাশ হাজার টাকা করে ঠিক করেছেন ওই ব্যবসায়ী। এতো গেল চাকরির সুযোগ! পাশাপাশি অভিনয়ের প্রস্তাবও দেওয়া হচ্ছে পাকবধূ সীমা হায়দারকে (Seema Haider)। 

    অভিনয়ের অডিশনও দিয়েছেন সীমা (Seema Haider)

    বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে সীমা (Seema Haider) নাকি ছবির অডিশনও ইতিমধ্যে দিয়ে ফেলেছেন। তাঁর অডিশন নিতে রব্বুপুর গ্রামে হাজির হয়েছিলেন দুই পরিচালক। জানা গিয়েছে ‘ফায়ারফক্স প্রোডাকশন হাউসের’ সদস্যরা সচিন-সীমার বাড়িতেও আসেন।  ‘আ টেলার মার্ডার স্টোরি’ নামের ওই ছবিতে নাকি ইতিমধ্যে অডিশনও দিয়েছেন পাবজি প্রেমিকা সীমা। সেখানে তাঁকে দেখা যেতে পারে ভারতীয় গুপ্তচর সংস্থা ‘র’-এজেন্টের ভূমিকায়। তবে সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে যে এখনও পর্যন্ত সীমা সম্মতি দেননি। কারণ উত্তরপ্রদেশের সন্ত্রাস দমন শাখা এখনও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ এবং জেরা চালিয়ে যাচ্ছে। এসব থেকে মুক্তি পেলেই তিনি অভিনয়ে নামবেন বলে জানিয়েছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Allahabad High Court: ‘অপ্রাপ্তবয়স্কদের লিভ-ইন সম্পর্ক অনৈতিক ও বেআইনি’, মত এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    Allahabad High Court: ‘অপ্রাপ্তবয়স্কদের লিভ-ইন সম্পর্ক অনৈতিক ও বেআইনি’, মত এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের পছন্দের সঙ্গী বা সঙ্গিনীর সঙ্গে একত্রবাস করতে পারেনা নাবালক নাবালিকারা। ১৮ বছরের কম বয়সীদের একত্রবাস শুধু অনৈতিক নয় এবং তা বেআইনিও বটে। একটি লিভ-ইন মামলার শুনানি চলাকালীন এমনটাই পর্যবেক্ষণ এলাহাবাদ হাইকোর্টের (Allahabad High Court)।

    মামলার বিস্তারিত বিবরণ

    একসঙ্গে থাকার অনুমতি চেয়ে এলাহাবাদ হাইকোর্টে (Allahabad High Court) মামলা দায়ের করেছিল ১৭ বছর বয়সী আলি আব্বাস এবং তার ১৯ বছর বয়সী লিভ-ইন পার্টনার সালোনি যাদব।  সেই মামলাটির শুনানি এতদিন চলছিল এলাহাবাদ হাইকোর্টের(Allahabad High Court) বিচারপতি বিবেক কুমার বিড়লা এবং বিচারপতি রাজেন্দ্র কুমারের ডিভিশন বেঞ্চে। মামলার শুনানি চলাকালীন আব্বাস আলী এবং সালোনির এই আবেদন খারিজ করে দেয় এলাহাবাদ হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। প্রসঙ্গত ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৬৩ এবং ৩৬৬ ধারায় এই মামলা দায়ের করেছিল ওই দুই লিভ-ইন পার্টনার।

    আরও পড়ুন: ‘‘নন্দীগ্রামে শীঘ্রই শুরু হবে রেল প্রকল্পের কাজ’’, বললেন দক্ষিণ-পূর্ব রেলের জিএম

    কী বলল ডিভিশন বেঞ্চ?

    ডিভিশন বেঞ্চ (Allahabad High Court) এদিন বলে, একত্রবাসের বেশ কয়েকটি শর্ত রয়েছে। দুই বিচারপতির ডিভিশন জানিয়েছে, কোনও যুগল যদি একসঙ্গে থাকতে চায় তাহলে তাদের দুজনকে প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে। তাদের যদি বিয়ের বয়স নাও হয় তাহলে অন্তত তাদের আঠারো বছর বয়স হতে হবে। একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলে ও মেয়ে একসঙ্গে থাকা বৈআইনি এবং অনৈতিক বলে পর্যবেক্ষণ করেছে আদালত (Allahabad High Court)। আদালত আরও জানিয়েছে ১৮ বছরের কম বয়সীদের নাবালক বা নাবালিকা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এবং তাদের একত্রবাসে থাকার অনুমতি দেওয়া যায় না। পাশাপাশি আলি আব্বাসের বয়স ১৮ এর নিচে হওয়াতে আদালতের এটাও পর্যবেক্ষণ যে পক্সো আইন শুধুমাত্র মেয়েদের ওপর যৌন শোষণের ক্ষেত্রেই বিচার্য নয়, এটি লিঙ্গ নিরপেক্ষ আইন। তাই স্বাভাবিকভাবে নাবালক নাবালিকা একসঙ্গে থাকলে তা পক্সো আইনের ধারায় মামলাযোগ্য।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Startup Festival: চলতি মাসে বেঙ্গালুরুতে স্টার্টআপ ফেস্টিভ্যাল! লক্ষ্য গ্রামীণ ভারতের উন্নয়ন

    Startup Festival: চলতি মাসে বেঙ্গালুরুতে স্টার্টআপ ফেস্টিভ্যাল! লক্ষ্য গ্রামীণ ভারতের উন্নয়ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি মাসের ১০ থেকে ১২ তারিখ বেঙ্গালুরুতে হতে চলেছে স্টার্টআপ ফেস্টিভ্যাল (Startup Festival)। তিনদিনের এই ফেস্টিভ্যালে অংশগ্রহণ করবেন বিভিন্ন স্টার্টআপের প্রতিষ্ঠাতারা। এবং তাঁরা সুযোগ পাবেন বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার। এই ফেস্টিভ্যালের আয়োজন করছে ইন্ডিয়ান স্টার্টআপ ফাউন্ডেশন (Startup Festival)। প্রসঙ্গত এই সংস্থা একটি এনজিও কোম্পানি যেটি ভারতের স্টার্টআপ ইকো সিস্টেমের উন্নয়নের উপর কাজ করে।  জানা গিয়েছে, দশ হাজারের উপর স্টার্টআপ সংস্থা এই ফেস্টিভ্যালে অংশগ্রহণ করবে, শুধুমাত্র ভারতীয় স্টার্টআপ সংস্থাই নয়। এর পাশাপাশি ব্রিটেন এবং জাপান সমেত অন্যান্য বিদেশি স্টার্টআপ সংস্থাগুলিকে অংশগ্রহণ করতে দেখা যাবে এই ফেস্টিভ্যালে। ৫০০ এর বেশি বিনিয়োগকারীকে এখানে দেখা যাবে।

    স্টার্টআপ ফেস্টিভ্যালের উদ্দেশ্য (Startup Festival)

    ইন্ডিয়ান স্টার্টআপ ফাউন্ডেশনের কনভেনার এবং চেয়ারম্যান জে এ চৌধুরী বলেন, ‘‘এই ফেস্টিভ্যাল (Startup Festival) হতে চলেছে একটি ভাইব্রান্ট হাব। যেখানে সমস্ত স্টার্ট আপ কমিউনিটি নিজেদের জন্য বিপুল শক্তি সংগ্রহ করতে পারবে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘একশোর উপর স্টার্টআপ সংস্থাকে বাছাই করা হয়েছে। তাদেরকে একটা মূলমঞ্চে স্থান দেওয়া হবে। যাদের মধ্যে থেকে শীর্ষস্থান অধিকারকারী দশটি সংস্থাকে ক্যাশ অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হবে।’’

     আইএসএফ সংস্থার চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘‘আমাদের মূল উদ্দেশ্য হল গ্রামীণ ভারতে যে সমস্ত বাধা গুলি রয়েছে সেগুলিকে কাটিয়ে তোলা এবং কৃষি, খাদ্য প্রভৃতি ক্ষেত্রে গ্রামীণ উদ্যোগপতি তৈরি করা। ভারতের মতো দেশে স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে গ্রাম পর্যন্ত নিয়ে যেতেই হবে এবং নতুন নতুন সুযোগ এবং কর্মসংস্থান তৈরি করতে হবে।’’

    কারা হাজির থাকবেন এই ফেস্টিভ্যালে? 

    প্রসঙ্গত ইন্ডিয়ান স্টার্টআপ ফাউন্ডেশনের (Startup Festival) এমন উদ্যোগ গত বছরই নেওয়া হয়েছিল। এবং সেই ফেস্টিভ্যালে ২ হাজারের উপর স্টার্টআপ সংস্থা অংশগ্রহণ করেছিল বলে জানা গিয়েছে। চলতি অগাস্ট মাসে কর্নাটকের এই ফেস্টিভ্যালে অংশগ্রহণ করতে দেখা যাবে, সত্য সাঁই ইউনিভার্সিটি ফর হিউম্যান এক্সেলেন্সের প্রতিষ্ঠাতা মধুসূদন সাঁইকে।  কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মীনাক্ষী লেখি এখানে হাজির থাকবেন। কর্নাটকের ক্যাবিনেট মন্ত্রী প্রিয়ঙ্ক খাড়্গে এখানে উপস্থিত থাকবেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birth Certificate: এবার থেকে জন্ম শংসাপত্রেই মিলবে সব নাগরিক পরিষেবা! বিল পাশ সংসদে

    Birth Certificate: এবার থেকে জন্ম শংসাপত্রেই মিলবে সব নাগরিক পরিষেবা! বিল পাশ সংসদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি অধিবেশনে সংসদে পাশ হল ‘রেজিস্ট্রেশন অফ বার্থ অ্যান্ড ডেথ (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৩’। জানা গিয়েছে, এবার থেকে বার্থ সার্টিফিকেটের (Birth Certificate) মাধ্যমেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভরতি হওয়া, ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করা, ভোটার তালিকায় নাম তোলা, আধার কার্ড পাওয়া, বিয়ের রেজিস্ট্রেশন, সরকারি চাকরিতে যোগ, পেনশনের আবেদন করা, আইটি ফাইল প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা যাবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিলটি আইনে পরিণত হলে অনেক সুবিধা পাবেন সাধারণ মানুষ। পাসপোর্ট থেকে আধারের আবেদন করার ক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নথি হবে এই বার্থ সার্টিফিকেট। প্রসঙ্গত এর আগে, জন্মের তারিখ এবং জন্মের স্থান প্রমাণ করার ক্ষেত্রে একাধিক নথি পেশ করতে হত। নয়া বিলে সেই সমস্যা থেকে মুক্তির কথা বলা হয়েছে।

    জাতীয় ও রাজ্য-স্তরে নিবন্ধিত জন্ম ও মৃত্যুর ডেটাবেস  তৈরি করতে সাহায্য করবে এই বিল 

    জানা গিয়েছে এই বিল জাতীয় ও রাজ্য-স্তরে নিবন্ধিত জন্ম ও মৃত্যুর ডেটাবেস তৈরি করতে সাহায্য করবে। এরফলে সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে সহজেই পৌঁছে যাবে। এর ফলে ডিজিটাল নিবন্ধনের প্রক্রিয়া (Birth Certificate) আরও স্বচ্ছ হবে বলে মনে করছেন ওয়াকিহবহাল মহলের একাংশ। এই বিলটি গত মাসের ২৬ তারিখ সংসদে পেশ করা হয়েছিল। ১ অগাস্ট সেটি পাশ হয় সংসদের নিম্নকক্ষে। 

    কী বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী?

    ‘রেজিস্ট্রেশন অফ বার্থ অ্যান্ড ডেথ (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৩’ পেশ করেছিলেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই। তাঁর মতে, ‘‘রেজিস্ট্রেশন অফ বার্থ অ্যান্ড ডেথ অ্যাক্ট’, ১৯৬৯-কে সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তা সংশোধন করা হয়নি। তবে প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সঙ্গে খাপ খাইয়ে এই পরিষেবাকে আরও নাগরিক বান্ধব করে তুলতে সংশোধন প্রয়োজন। তাই এই বিল (Birth Certificate) আনা হয়েছে।’’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘বিভিন্ন রাজ্য সরকার, সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেই এই আইন সংশোধন করার জন্য বিল পেশ করা হয়েছে। এই নয়া বিলে ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশনের বিধান যুক্ত হয়েছে। আবার অনলাইনেই বার্থ সার্টিফিকেট ডেলিভার করার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।’’ 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: ড্রাগের আন্তর্জাতিক চোরাচালানে কোপ পড়তেই শুরু মণিপুরকে অশান্ত করার ‘খেলা’!

    Manipur Violence: ড্রাগের আন্তর্জাতিক চোরাচালানে কোপ পড়তেই শুরু মণিপুরকে অশান্ত করার ‘খেলা’!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্তির আগুনে জ্বলছে মণিপুর (Manipur Violence)। বলা হচ্ছে, এটা নাকি জাতি সংঘর্ষেরই ভয়ঙ্কর পরিণতি। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, সত্যিই কি তাই? নাকি এর পিছনে রয়েছে আরও বড় ষড়যন্ত্র, এবং বিজেপি সরকারকে ফেলে দিয়ে নিজেদের আধিপত্য কায়েম করার নোংরা রাজনীতি? যত দিন যাচ্ছে, এটা জলের মতো পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে, ড্রাগ বা মাদকের আন্তর্জাতিক চোরাকারবার, বেআইনি অস্ত্র ব্যবসা এবং সর্বোপরি বিদেশি শক্তি, বিশেষত চিনের অঙ্গুলি হেলনেই এখানকার পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে।

    হাইকোর্টের রায় দেখেই তেলেবেগুনে জ্বলে ওঠে (Manipur Violence) বিক্ষোভকারীরা

    মণিপুরের ভৌগোলিক যা অবস্থান, তাতে ৯০ শতাংশ হল পাহাড়ি এলাকা, ঘন জঙ্গল এবং চিন, মায়ানমারের সীমান্ত। সবদিক থেকে আফিম চাষের আদর্শ জায়গা। তাই একদিকে আফিমের চাষ যেমন রমরম করে হয়ে আসছে, তেমনি সীমান্ত দিয়ে এর চোরাচালানের কারবারও ফুলে-ফেঁপে উঠেছে। কোটি কোটি টাকার কারবার চলছে দিনের পর দিন। ড্রাগ মাফিয়াদের কাছে এটা হল গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল। আর ঠিক এই জায়গাতেই আঘাত হানতে উঠেপড়ে লেগেছে বিজেপি শাসিত সেখানকার সরকার। নিজেদের বেআইনি সাম্রাজ্যে কোপ পড়তেই গোটা মণিপুরকে অশান্ত করার নোংরা খেলায় (Manipur Violence) নেমে পড়ে বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তিগুলি। এই রকম একটা অবস্থায় আগুনে ঘি পড়েছে সেখানকার হাইকোর্টের সাম্প্রতিক একটি রায়ে।

    কী বলা হয়েছে হাইকোর্টের রায়ে?

    এই রাজ্যে বাস করেন প্রায় ৩৪ টি জনজাতি সমাজের মানুষ। এঁদের মধ্যে নাগা, কুকি, মিজো, মেইতি উল্লেখযোগ্য। কিন্তু সবথেকে বেশি হলেন মেইতি গোষ্ঠীর, যাঁরা মূলত সমতল অঞ্চলে বসবাস করেন। এই মেইতিরা মণিপুরের মোট যা এলাকা, তার ১০ শতাংশ অঞ্চলে বসবাস করেন। মণিপুরে বহুদিন ধরেই তাঁরা তফশিলি উপজাতির (ST) স্বীকৃতির দাবি করে আসছিলেন। আর এ ব্যাপারে হাইকোর্টের নির্দেশ আসতেই সিঁদুরে মেঘ দেখতে শুরু করে মেইতি-বিরোধী আদিবাসীরা। গত এপ্রিল মাসে মণিপুর হাইকোর্ট মেইতিদের তফশিলি উপজাতির মর্যাদা দেওয়ার জন্য সেখানকার রাজ্য সরকারকে সদর্থক ভাবনাচিন্তা করার নির্দেশ দেয়। একদিকে কালো কারবারে সরকারের থাবা, অন্যদিকে নিজেদের বসবাসের এলাকাতেও আধিপত্য খর্ব হওয়ার আতঙ্ক, এই দুটি কারণে তারা হইহই করে মাঠে নেমে পড়ে। ৩ মে অল ট্রাইবাল স্টুডেন্ট ইউনিয়ন অফ মণিপুর নামে সংগঠন আন্দোলনের ডাক দেয়। তাতে নেতৃত্ব দেন কুকি এবং নাগা জনগোষ্ঠীর নেতারা। এই সংগঠনের পক্ষ থেকে মণিপুরের চুরাচাঁদপুরের কাছে তোরবুং এলাকায় প্রতিবাদী মিছিলের আয়োজন করা হয়। ধীরে ধীরে আগ্নিগর্ভ হতে শুরু করে মণিপুর। একে একে তোরবুং, গোবিন্দপুর, সাবাল মানিং, মামাং লেইকাই, কাংভাই, ফুবাকচাওতে বাড়িঘরে আগুন দেয় দুষ্কৃতীরা। এরপর শুরু হয় গোষ্ঠী সংঘর্ষ। মণিপুরে যে ব্যাপক হিংসা (Manipur Violence) হয়েছে, তাতে এখনও পর্যন্ত বহু মানুষের প্রাণ গেছে। ৪৫ হাজারের বেশি মানুষ প্রত্যক্ষ ভাবে হিংসার দ্বারা প্রভাবিত হয়েছেন। মিজোরামের একটি রিপোর্টে বলা হয়, মণিপুর থেকে মোট ৬৫০০ মানুষ নিজের বাড়িঘর ছেড়ে মিজোরামে এসে আশ্রয় নিয়েছেন।

    সংরক্ষণ কেন চান মেইতিরা (Manipur) আর কেন ক্ষুব্ধ (Manipur Violence) কুকিরা?

    মেইতিদের কাছে একটি স্পষ্ট তত্ত্ব হল, জনসংখ্যার তত্ত্ব। ১৯৫১ সালে মণিপুরে মেইতিদের জনসংখ্যার অনুপাত ছিল ৫৯ শতাংশ। আর ২০১১ সালে সেই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৪ শতাংশে। ফলে মণিপুরের জনজাতি হিসাবে কুকিরা তাঁদের জল-জঙ্গল-জমি দখল করছে বলেই মেইতিদের সংখ্যা ক্রমশ কমছে, এমনটাই দাবি তাঁদের। তাই মেইতিরা তাঁদের সংস্কৃতির সংরক্ষণ এবং জনজাতির পদমর্যাদা চান। অন্যদিকে, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং এবং বিজেপি সরকারকে মেইতি সমাজের প্রত্যক্ষ সমর্থক বলে অভিযোগ করছেন কুকিরা। এমনকী কুকি সমাজের এক রাজনৈতিক নেতা বলেন, মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী কুকি বিরোধী! তাই আমাদের আন্দোলন চলবে। কারণ তাঁদের আশঙ্কা, শুধু জল-জঙ্গল-জমি নয়, সংরক্ষণের কারণে পুলিশ-প্রশাসনে তাঁরা যে সব সুবিধা ভোগ করে আসছেন, তাতেও ভাগ বসাবে মেইতিরা। মেইতিরা ধীরে ধীরে আরও ক্ষমতাবান হয়ে উঠবে। পাশাপাশি মেইতি জনগোষ্ঠীর মানুষ পাল্টা কুকিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলেন, সমস্ত হিংসার পিছনে কুকিদের অস্ত্র কারবার, চোরাকারবার, মাদক পাচার, মাফিয়া, দুষ্কৃতী এবং রাজনৈতিক নেতাদের প্রত্যক্ষ মদত রয়েছে। ফলে দুই গোষ্ঠীর দাবি-পাল্টা দাবি ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত আগে থেকেই।

    মাদক চক্র কতটা প্রভাবশালী (Manipur Violence)?

    মণিপুরের এই অশান্তির (Manipur Violence) পিছনে সেখানকার মাদক চোরাচালান, অনুপ্রবেশ, আন্তর্জাতিক চোরাকারবারের প্রত্যক্ষ প্রভাব আছে বলে বিশেষজ্ঞ মহলও মনে করছে। মণিপুর (Manipur) সরকারের সূত্র অনুসারে, ২০১৭ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ১৮৬৬৪ একরের বেশি আফিম চাষ ধ্বংস করেছে বিজেপি শাসিত সরকারের পুলিশ। এর বেশির ভাগটাই করা হত পার্বত্য জেলায়। আবার ২০১৩ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে ১৮৮৯ একর আফিম চাষ ধ্বংস করেছিল তৎকালীন কংগ্রেস সরকার। মণিপুরের এই মাদক চক্র শুধু ভারতেই নয়, মায়ানমার হয়ে লাওস, থাইল্যান্ড, দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশগুলিতে আন্তর্জাতিক মাদক চক্র হিসাবে কাজ করছে। তাই মণিপুরে মাদক চাষ বন্ধ হলে এর ব্যাপক প্রভাব পড়বে চিন সহ দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার মাদক চোরাচালানে। আর সেই কারণেই সাময়িক ভাবে হিংসার বাতাবরণ তৈরি করা হয়েছে বলে অনেকে মনে করছেন। মণিপুরের আগের সরকারগুলি, বিশেষ করে কংগ্রেস সরকারের আমলে আইন হলেও, নারকোটিক ড্রাগস অ্যান্ড সাইকোট্রপিক সাবস্ট্যান্সেস অ্যাক্ট ১৯৮৫, মাদক চোরাচালান রোধে তেমন কার্যকর হয়নি। ফলে আন্তর্জাতিক মাদক পাচারকারী এবং কংগ্রেসের নেতাদের আর্থিক লাভে ভাটা পড়েনি। বর্তমানে বিজেপি সরকার এই অবৈধ মাদক চাষ এবং চোরাচালান রোধে কঠোর মনোভাব নিতেই গোষ্ঠী সংঘর্ষের আড়ালে সক্রিয় হয়ে পরিস্থিতিকে ভয়ঙ্কর করে তোলা হচ্ছে। মণিপুর ট্রাইবাল ফোরাম দিল্লিও (MTFD) মণিপুরের হিংসা নিয়ে একটি প্রতিবেদনে বলেছে, আন্তর্জাতিক মাদক মাফিয়ারা অতি সক্রিয় হয়েছে এখানে। 

    উল্লেখ্য মণিপুরে সাসপেনশন অফ অপারেশন এগ্রিমেন্ট (SoO) স্বাক্ষরিত হওয়ার ফলে কুকিদের সশস্ত্র জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে মণিপুর এবং ভারতের যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এই কুকি সশস্ত্র জঙ্গি গোষ্ঠীরাই মেইতিদের মন্দির, ধর্মস্থলে হিংসাত্মক আক্রমণ করেছিল। অসম রাইফেল এই ঘটনায় বিশেষ অপারেশনও করেছিল। অভিযোগ আরও ওঠে যে এই কুকির সশস্ত্র জঙ্গি গোষ্ঠীরা বাংলাদেশ, মায়ানমার এবং মিজোরাম থেকে অবৈধ আফিম, গাঁজা, কোকেন, হেরোইন, ইয়াবা মাদক চোরাচালানের কাজ করে থাকে। এছাড়াও অবৈধ অনুপ্রবেশকারী পাচারের মোটা অর্থ কুকিদের এই জঙ্গি সংগঠনকে সতেজ রাখে। সেই রসদে ভাটা পড়তেই বিক্ষোভ, হিংসাত্মক আন্দোলন।

    আসলে বিজেপি সরকারকে সরিয়ে পাহাড় এবং মাদকের কারবারের রাশ পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনাই যা আন্দোলনকারীদের মূল লক্ষ্য, তা এখন অনেকের কাছেই পরিষ্কার। চিনের হাত মাথায় থাকায় এই কাজে বিক্ষোভকারীরা দ্বিগুণ উৎসাহ নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। তথ্য বলছে, চোরাকারবারের কিং পিন যারা, তারা আসলে মায়ানমার থেকে অনুপ্রবেশকারী। মণিপুর এবং মিজোরামে কাজ করা চায়না ন্যাশনাল আর্মি (সি এন এ) এবং জোমি রিভলিউশনারি আর্মির (জেড আর এ) সঙ্গে এদের প্রত্যক্ষ যোগাযোগ রয়েছে। এদের কাছ থেকে অস্ত্র এবং অর্থ পেয়ে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে কুকি ন্যাশনাল আর্মি (কে এন এ)।  

    প্রাক্তন সেনা প্রধানের বক্তব্য (Manipur Violence)

    অপর দিকে দেশের প্রাক্তন সেনা প্রধান এমএম নরভানেও দিল্লিতে ইন্ডিয়ান ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বলেছেন যে মণিপুরের হিংসার (Manipur Violence) পিছনে বহিরাগত চিনের বিশেষ শক্তি মদত দিচ্ছে। বিভিন্ন প্রতিবাদী সংগঠনকে পরিচালনা করছে বাইরের শক্তি। তিনি আরও বলেন, প্রতিবেশী দেশের অস্থিরতা যেমন একটা বড় সমস্যা, তেমনি আমাদের দেশের অভ্যন্তরে কোনও সীমান্তবর্তী এলাকার সমস্যাও আমাদের জন্য আরও খারাপ। দেশের জাতীয় সুরক্ষা নীতিকে সুরক্ষিত রাখা একান্ত প্রয়োজন। বাইরের শত্রুর সঙ্গে সেনা লড়াই করছে, কিন্তু ভিতরের শত্রুর সঙ্গে নাগরিকদের লড়াই করতে হবে। অভ্যন্তরীণ সুরক্ষা ভীষণ প্রয়োজন।

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • 2000 Notes: ২ হাজার টাকার নোটের ৮৮ শতাংশই ব্যাঙ্কে ফেরত এসেছে, জানাল আরবিআই

    2000 Notes: ২ হাজার টাকার নোটের ৮৮ শতাংশই ব্যাঙ্কে ফেরত এসেছে, জানাল আরবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রিজার্ভ ব্যাঙ্ক জানিয়েছে বাজারে থাকা দু হাজার টাকার নোটের মোট ৮৮ শতাংশই তাদের কাছে ফিরে এসেছে। যার মূল্য ৩ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১৯ মে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ভারতের সর্বোচ্চ ব্যাঙ্ক। এবং সেখানে বলা হয় যে বাজার থেকে ২,০০০ টাকার নোট (2000 Notes) তুলে নেওয়া হবে। সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয় চলতি বছরে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে ২,০০০ টাকার (2000 Notes) নোটগুলি ব্যাঙ্কে এসে হয় বদল করে নিতে হবে অথবা অ্যাকাউন্টে জমা দিতে হবে।

    নোট বদলের থেকে জমা করার প্রবণতা বেশি

    সবে অগাস্ট মাস শুরু হয়েছে। সে দিক থেকে দেখতে গেলে এখনও পর্যন্ত দুই মাস বাকি রয়েছে নোট জমা বা বদলের জন্য।  অথচ তারই মধ্যে ৮৮ শতাংশ নোট ফিরে চলে এসেছে। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের হিসাব বলছে, ১৯ মে পর্যন্ত বাজারে ৩ লক্ষ ৬২ হাজার কোটি টাকার মূল্যের ২,০০০ টাকার (2000 Notes) নোট চালু ছিল। যার মধ্যে তাদের কাছে ফিরে এসেছে  ৩ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা। ব্যাঙ্কে এসে নোট বদল করার চেয়েও জমা করার প্রবণতা বেশি দেখা গিয়েছে। ব্যাঙ্কে নোট জমা করার প্রবণতা বেশি হওয়ায় অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন,‘‘এর ফলে ব্যাঙ্কের কাছে নগদের যে সমস্যা তৈরি হচ্ছিল, তা অনেকটাই কাটবে এবং দেশের মানুষের নোট জমা করার প্রবণতার ফলে দেশের ব্যাঙ্কগুলিতে বাড়তে থাকবে ডিপোজিট।’’

    ৩০ সেপ্টেম্বরের পরেও অবৈধ হবেনা ২,০০০ টাকার নোট (2000 Notes)

    প্রসঙ্গত, গত জুন মাসের ৮ তারিখে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস জানিয়েছিলেন যে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যেও নোট জমা না পড়লে তা অবৈধ হয়ে যাবে না। ২,০০০ টাকার (2000 Notes) নোট বদল করা বা জমা করার প্রক্রিয়ার অগ্রগতি সম্পর্কে জানাতে গিয়ে সে সময় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর বলেন, ‘‘বিভিন্ন ব্যাঙ্ক থেকে আমাদের কাছে যে তথ্য এসেছে তা বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, প্রায় ৮০ শতাংশ টাকা গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে।’’ অর্থাৎ কিনা নোট বদল করার থেকেও জমা করার প্রবণতা বেশি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Betla Forest: অরণ্য দর্শন বা জঙ্গল সাফারির আদর্শ ডেস্টিনেশন ‘বেতলা’

    Betla Forest: অরণ্য দর্শন বা জঙ্গল সাফারির আদর্শ ডেস্টিনেশন ‘বেতলা’

    মাধ্যম বাংলা নিউজ: পশ্চিমবঙ্গের একদম প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ড। এই রাজ্যেরই এক অত্যন্ত জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র হল লাতেহার জেলার বেতল। পোশাকি নাম যদিও বা “পালামৌ”, কিন্তু অরণ্য প্রেমিক পর্যটকদের কাছে এর পরিচিতি “বেতলা” (Betla Forest) নামেই। সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সহোদর সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উক্তি “বন্যরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে ” এই পালামৌকে কেন্দ্র করেই লেখা। বিখ্যাত সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহর বিভিন্ন উপন্যাসে অতীব সুন্দর ও সাবলীল ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে এই লাতেহার জেলার বেতলা, কেচকি, মহুয়াডার, ছিপাদোহর, কেড়, গাড়ু-র অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, এখানকার সহজ, সরল আদিবাসী মানুষের জীবনের কথা।

    যাবেন কীভাবে (Betla Forest)?

    কলকাতা থেকে সরাসরি যাওয়ার জন্য চেপে বসতে হবে হাওড়া-ভূপাল এক্সপ্রেস অথবা শক্তিপুঞ্জ এক্সপ্রেসে। নামতে হবে ডাল্টনগঞ্জ অথবা তার আগের স্টেশন বারাওডি-তে। এই দুই জায়গা থেকেই গাড়িতে যেতে হবে বেতলা। দূরত্ব ডালটনগঞ্জ ২৪ এবং বারাওডি ১৬ কিমি।

    কোথায় থাকবেন (Betla Forest)?

    বেতলায় (Betla Forest) থাকা খাওয়ার জন্য রয়েছে ঝাড়খণ্ড ট্যুরিজম বা জেটিডিসি-র হোটেল বনবিহার (কলকাতা অফিস: ঊষা কিরণ বিল্ডিং, ১২/ এ , ক্যামাক স্ট্রিট , কলকাতা ১৭ )। এছাড়া বেতলা, মারুমাড় প্রভৃতি স্থানে রয়েছে ট্রি হাউস, বন বাংলো প্রভৃতি। এগুলি বুকিং করার জন্য যোগাযোগ করতে হবে এই ঠিকানায়- ডিএফও, ডালটনগঞ্জ (দঃ) ফরেস্ট ডিভিশন, ডালটনগঞ্জ টাইগার প্রোজেক্ট, পালামৌ ন্যাশনাল পার্ক, ডালটনগঞ্জ ৮২২১০১। অথবা ফোন করা যেতে পারে ০৯৯৫৫৫২৭৩৭১ নম্বরে।

    কী কী দেখবেন (Betla Forest)?

    বেতলা ভ্রমণের মূল কারণই হল অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দর্শন এবং অবশ্যই অরণ্য দর্শন বা জঙ্গল সাফারি। ১৯৮৬ সালে জাতীয় উদ্যান বা ন্যাশনাল পার্কের শিরোপা লাভ করে বেতলা।ভারতের ৯ টি জাতীয় উদ্যান এবং ব্যাঘ্র প্রকল্পের অন্যতম এই অরণ্য (Betla Forest)। ১০২৬ বর্গ কিমি আয়তন বিশিষ্ট এই জাতীয় উদ্যানের ২১৩ বর্গ কিমি অঞ্চল কোর এরিয়া। বাকিটা বাফার জোন। মূলত পলাশ, মহুয়া, বাঁশ, করৌঞ্জিয়া গাছের নিবিড় অরণ্যে বাস চিতল হরিন, শম্বর, গউর, বাইসন, বার্কিং ডিয়ার, বন্য শূকর, জংলি কুকুর, বন বিড়াল, আর দামাল হাতির পাল। বাঘও আছে এই ব্যাঘ্র প্রকল্পে। তবে শারদুল মহারাজের দর্শন লাভ কিন্ত কপাল ভালো থাকলে তবেই সম্ভব। প্রসঙ্গত জানিয়ে রাখি, ১৯৩২ সালে এই অরণ্যেই হয় ভারতের প্রথম ব্যাঘ্র গণনা।
    এছাড়াও এখানে দেখা মেলে হরেক রঙের, হরেক কিসিমের পাখির, যার মধ্যে রয়েছে ময়ূর, হর্নবিল, বনমোরগ, কোয়েল, বিরল প্রজাতির ঈগল প্রভৃতি। এখানে জঙ্গল সাফারির জন্য ফোন করতে পারেন ০৬২০৬২২০৩১৪ নম্বরে।

    জঙ্গল সাফারি শেষ করে চলে আসুন মাত্র ৫ কিমি দূরে আর এক অপূর্ব সুন্দর স্থানে “কেচকি”। দূরে দূরে ঢেউ খেলানো পাহাড়ের সারি, ইতস্তত বিক্ষিপ্ত গাছ গাছালির সারি, আর মাঝে কিশোরীর উচ্ছলতায় বয়ে চলেছে কোয়েল নদী। প্রসঙ্গত জানিয়ে রাখি, এই কেচকিতেই শ্যুটিং হয়েছিল বিশ্ব বরেণ্য পরিচালক সত্যজিৎ রায়ের বিশ্ব বন্দিত ছবি, আর এক যশস্বী সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা কাহিনী অবলম্বনে নির্মিত ছবি “অরণ্যে  দিনরাত্রি”। একই সঙ্গে দেখে নিন প্রায় ৪-৫ কিমি দূরে চেরো রাজা মেদিনী রায়ের দূর্গের ভগ্নাবশেষ, বড়াডিহার শিবমন্দির, কেচকির খুব কাছেই কোয়েল এবং ঔরঙগা নদীর সঙ্গম, বাসুদেব মনডল ড্যাম, সেভেন রিভার পয়েন্ট, কোয়েল ভিউ পয়েন্ট, কুসুম বন বাংলো প্রভৃতি। আর বেতলা থেকে নেতারহাট যাওয়ার পথেই পড়বে দুটি অনন্য সুন্দর স্পষ্ট, লোধ ফলস এবং সুগা বাঁধ। ঘন অরণ্যের মাঝে অবস্থিত এই লোধ ফলস মহুয়াডার থেকে প্রায ১৪ কিমি দূরে। বুরহা নদীর জলধারা থেকে সৃষ্ট এই লোধ ফলস ঝাড়খণ্ড রাজ্যের উচ্চতম এবং ভারতের ২১ তম উচ্চতম ফলস। প্রায় ১৪৩ মিটার উচ্চতা থেকে পাথরের বুকে ধাক্কা খেতে খেতে নেমে আসছে জলধারা। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অসাধারণ। আর মারুমার থেকে ২০ কিমি দূরে বারেসাদ। এখানে রয়েছে সুগা বাঁধ। এই দুটি স্পট দেখে এই পথেই চলে যেতে পারেন নেতারহাট। ফেরার পথে ইচ্ছে হলে চলে যাওয়া যায় রাঁচি। প্রয়োজনে রাঁচি থেকেই ট্রেন ধরে ফিরে আসা যায় কলকাতায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

LinkedIn
Share