Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Amarnath Yatra: অমরনাথ যাত্রায় প্রাণ গেল ২ তীর্থযাত্রীর! এখনও পর্যন্ত মোট মৃত ৩৬

    Amarnath Yatra: অমরনাথ যাত্রায় প্রাণ গেল ২ তীর্থযাত্রীর! এখনও পর্যন্ত মোট মৃত ৩৬

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অমরনাথ যাত্রায় (Amarnath Yatra) শনিবার আরও ২ তীর্থ যাত্রীর মৃত্যুর খবর মিলেছে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, অমরনাথ গুহায় মৃত্যু হয়েছে একজনের। আর গুহায় ওঠার আগে বেসক্যাম্পে মৃত্যু হয়েছে অন্যজনের। শনিবার জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসনের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে বিবৃতি দিয়ে ২ অমরনাথ (Amarnath Yatra) যাত্রীর মৃত্যুর খবর জানানো হয়েছে। প্রশাসনের তরফে এও জানানো হয়েছে, চলতি বছরের অমরনাথ যাত্রায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩৬।

    মৃতদের পরিচয়…

    প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ২ অমরনাথ যাত্রীর (Amarnath Yatra) নাম ফতেহ লাল মানারিয়া এবং মাঙ্গি লাল। দুজনেরই বয়স ৬০ বছর এবং তাঁরা রাজস্থান থেকে এসেছিলেন।  প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য অনুযায়ী, ফতেহ লাল মানারিয়া এদিনই অমরনাথ গুহা পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিলেন। কিন্তু, ৩,৮৮৮ মিটার উচ্চতায় অবস্থান অমরনাথ গুহার (Amarnath Yatra)। এর ফলে গুহা চত্বরে বাতাসে অক্সিজেনের পরিমাণ সাধারণত কম থাকে। ফলে গুহায় পৌঁছনোর পর শ্বাসকষ্ট শুরু হয় ফতেহ লালের। প্রয়োজনীয় অক্সিজেন না পেয়েই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে জেরে গুহা চত্বরে মৃত্যু হয় তাঁর। অন্যদিকে, এদিন বালতাল বেস ক্যাম্পে মৃত্যু হয় মাঙ্গি লালের। তাঁর মৃত্যুর কারণ এখনও জানা যায়নি।

    আরও পড়ুন: “বাংলায়ও অত্যাচার হচ্ছে, সবাই মূক হয়ে গিয়েছেন”, মণিপুরকাণ্ডে মমতাকে নিশানা অনুরাগের

    ১ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে অমরনাথ যাত্রা (Amarnath Yatra)

    প্রসঙ্গত, চলতি বছর ১ জুলাই থেকে অমরনাথ যাত্রা শুরু হয়েছে এবং চলবে ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত। ৬২ দিন ধরে এই যাত্রা চলার কথা থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকবার বন্ধ হয়েছে অমরযাত্রা। এবার যাত্রা শুরুর ৭ দিন পর থেকেই বৃষ্টি, ধস শুরু হয়। বন্যা পরিস্থিতিও তৈরি হয় কোথাও কোথাও। রীতিমতো বিজ্ঞপ্তি জারি করে যাত্রা বন্ধের ঘোষণা করে প্রশাসন। তবে পরিসংখ্যান বলছে, ৩ লাখের বেশি পুণ্যার্থী গুহা দর্শন করেছেন।

     

    আরও পড়ুুন: জ্ঞানবাপী মসজিদে সমীক্ষার নির্দেশ এএসআইকে, কোন শর্তে জানেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur: মণিপুরে দুই মহিলাকে বিবস্ত্র করে হাঁটানো ও গণধর্ষণ! গ্রেফতার ষষ্ঠ অভিযুক্ত

    Manipur: মণিপুরে দুই মহিলাকে বিবস্ত্র করে হাঁটানো ও গণধর্ষণ! গ্রেফতার ষষ্ঠ অভিযুক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ৪ মে মণিপুরে (Manipur) দুই কুকি মহিলাকে বিবস্ত্র করে হাঁটানোর ২৬ সেকেন্ডের ভিডিও সামনে আসে। দুই মহিলাকে গণধর্ষণও করা হয় বলে অভিযোগ। গত বুধবারই এই ভিডিও প্রথম সামনে আসে। যদিও তার সত্যতা পরীক্ষা করেনি মাধ্যম। এরপরই নড়েচড়ে বসে মণিপুর প্রশাসন। দোষীদের কড়া শাস্তি হবে বলে ঘোষণা করেন খোদ প্রধানমন্ত্রী মোদি। তারপরেই গ্রেফতার করা হয় পাঁচ অভিযুক্তকে। শনিবার এই  ঘটনায় ষষ্ঠ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃত নাবালক বলে জানা গিয়েছে। থৌবল জেলার এই ঘটনায় নিন্দার ঝড় ওঠে সব মহল থেকেই। বিবস্ত্র করা এক মহিলার বাবা ও ভাইকে খুন করার অভিযোগও উঠেছে।

    পুলিশের মামলা…

    পুলিশের তরফ থেকে করা মামলা অনুযায়ী, ‘‘৮০০-১০০০ সংখ্যার একটি ভিড় থৌবল জেলায় স্থানীয় গ্রামে আক্রমণ করে ৪ মে। এর পরে সেখানকার বাড়ি ঘরে অগ্নিসংযোগ করা হতে  থাকে। ওই ভিড়ের বেশ কয়েক জনের কাছে ছিল আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র।’’ এফআইআর-এ আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বিবস্ত্র করা মহিলাকে গণধর্ষণের হাত থেকে বাঁচাতে গেলে তাঁর ভাইকেও হত্যা করে আক্রমণকারীরা। তবে থৌবলের মতো আরও নারী নির্যাতন হয়েছে মণিপুর (Manipur) জুড়ে। যা প্রকাশ্যে আসছে ক্রমশ। জানা গিয়েছে, সাইকুল জেলায় ২১ বছর বয়সী এক মহিলা এবং তাঁর ২৪ বছরের বান্ধবীকেও একই ভাবে গণধর্ষণ করা হয়।

    আড়াই মাস ধরে উত্তপ্ত মণিপুর (Manipur)

    প্রসঙ্গত, বিগত আড়াই মাস ধরে উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে মণিপুর। একাধিক জেলায় বন্ধ ইন্টারনেট। কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যে ১০১ কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণাও করেছে। হিংসার সূত্রপাত গত ৩ মে ছাত্র সংগঠন ‘অল ট্রাইবাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ মণিপুর (Manipur)’ (এটিএসইউএম)-এর কর্মসূচি ঘিরে। ওই রাত থেকেই বিভিন্ন এলাকায় জনজাতি গোষ্ঠীভুক্ত কুকিদের সঙ্গে মেইতেইদের সংঘর্ষ শুরু হয়। বাড়িঘর লুঠ, অগ্নিসংযোগ, হত্যা চলতে থাকে। দুই সম্প্রদায়েরই বহু মহিলা নির্যাতনের শিকার হতে থাকেন। সরকারি হিসেব অনুযায়ী, গত ৩ মে থেকে মণিপুরে চলা হিংসায় এখনও পর্যন্ত ১৬০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tomato: ‘‘টমেটোর দাম শীঘ্রই কমবে’’, রাজ্যসভায় বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী চৌবে

    Tomato: ‘‘টমেটোর দাম শীঘ্রই কমবে’’, রাজ্যসভায় বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী চৌবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খুচরো বাজারে যোগান না থাকার কারণেই দাম বাড়ছে টমেটোর (Tomato), এমনটাই মনে করছেন উপভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রী অশ্বিনী কুমার চৌবে। তবে এর সমাধানও বাতলে দিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘মহারাষ্ট্র এবং মধ্যপ্রদেশ থেকে আমদানি করা হচ্ছে নতুন টমেটো, তা দেশের খুচরো বাজারে দেওয়া হবে।’’

    আরও পড়ুুন: মমতার ভাষণে ২১ জুলাইয়ের কোনও কথাই নেই, শুধুই মণিপুর আর ১০০ দিনের বকেয়া!

    রাজ্যসভার সাংসদের প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে কী বললেন মন্ত্রী?

    রাজ্যসভায় শুক্রবার নির্দল সাংসদ কার্তিকেয় শর্মা টমেটোর দাম বৃদ্ধির প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন। তিনি জানিয়েছিলেন দিল্লি পাঞ্জাব চন্ডিগড় আন্দামান-নিকোবরে টমেটোর (Tomato) দাম ১৫০ টাকা ছুঁয়েছে। দিল্লিতে টমেটোর দাম ১৩০ টাকা প্রতি কিলো। সেই অবস্থায় সাধারণ মানুষ সমস্যার মধ্যে পড়ছেন। এদিন কার্তিকেয় শর্মার প্রশ্নের জবাবে বিবৃতি দেন উপভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রী। এদিন উপভোক্তা মন্ত্রী বলেন, ‘‘সরকারের নজর রয়েছে গোটা পরিস্থিতির ওপরে। এবং কীভাবে টমেটো ন্যায্য মূল্যে জনগণকে দেওয়া যায়, তার চিন্তাভাবনা চলছে। ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে টমেটো সংগ্রহের কাজও।’’ মন্ত্রীর আরও সংযোজন, ‘‘অন্ধ্রপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক থেকে টমেটো সংগ্রহ করে তা, দিল্লি, বিহার সমেত একাধিক রাজ্যের খুচরো বাজারে পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে।’’

    অশ্বিনী চৌবের আরও বক্তব্য

    মন্ত্রীর আরও বক্তব্য, টমেটোর (Tomato) দাম ৯০ টাকা/কেজি থেকে কমে ৮০ টাকা/কেজি হয় চলতি মাসের ১৬ তারিখে, পরে ২০ জুলাই তা আরও কমে হয় ৭০ টাকা/কেজি। এছাড়াও টমেটোর ফলন কম হওয়ার পেছনে একাধিক পয়েন্ট উল্লেখ করেছেন মন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন টমেটো মূলত মরসুমি ফসল। মন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, কর্নাটকের কোলার টমেটো উৎপাদনে দেশের মধ্যে উল্লেখযোগ্য স্থান দখল করে। কিন্তু চলতি বছরে, সাদা মাছির উপদ্রব বেড়েছিল। পাশাপাশি হরিয়ানা এবং হিমাচল প্রদেশে প্রচন্ড বৃষ্টির কারণে টমেটোর ফলন সেভাবে হয়নি। এই সমস্ত কারণের জন্যই টমেটোর দাম হু হু করে বাড়তে থাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • UCC: দেশে একটাই দেওয়ানি বিধি থাকুক, চাইছেন অধিকাংশ মুসলিম মহিলাই! উঠে এল সমীক্ষায়

    UCC: দেশে একটাই দেওয়ানি বিধি থাকুক, চাইছেন অধিকাংশ মুসলিম মহিলাই! উঠে এল সমীক্ষায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে একটাই দেওয়ানি বিধি (UCC) থাকুক। অন্তত এমনটাই চান এ দেশের সিংহভাগ মুসলমান মহিলা। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায়ই উঠে এসেছে এই তথ্য। জানা গিয়েছে, দেশের ৬৭ শতাংশ মুসলমান মহিলা চান গোটা দেশের জন্য একটাই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি থাকুক। যাঁরা এই মত পোষণ করেছেন, তাঁদের মধ্যে ৬৮ শতাংশ মহিলাই গ্র্যাজুয়েট কিংবা তারও বেশি ডিগ্রিধারী।

    বহু বিবাহ সমর্থনযোগ্য নয় 

    ৭৬ শতাংশ মুসলমান মহিলা বহু বিবাহের সঙ্গে সহমত পোষণ করেন না। মুসলমান পুরুষদের চারটি বিয়ে করার অধিকারও থাকা উচিত নয় বলেই মনে করেন তাঁরা। যাঁরা এমন মত ব্যক্ত করেন, তাঁদের মধ্যে গ্র্যাজুয়েট কিংবা তারও বেশি শিক্ষাগত যোগত্যার অধিকারী ৭৯ শতাংশ মহিলা। সমীক্ষায় যাঁরা যোগ দিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে ৭৪ শতাংশ মহিলা মনে করেন বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যাওয়া নারী এবং পুরুষের দ্বিতীয়বার বিয়ে করার অনুমতি দেওয়া প্রয়োজন। কোনওরকম বিধিনিষেধ (UCC) ছাড়াই এটা হতে দেওয়া দরকার বলে মনে করেন ওই মুসলিম মহিলারা। দত্তক নেওয়ার পক্ষেও সায় দিয়েছেন সিংহভাগ মুসলিম মহিলা।

    বিয়ের বয়স 

    ৬৯ শতাংশ মুসলিম মহিলা মনে করেন যাঁরা প্রবীণ হয়েছেন, তাঁরা তাঁদের সম্পত্তি ইচ্ছে মতো দান করতে পারেন। এ মতের স্বপক্ষে যাঁরা সায় দিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে ৭৩ শতাংশ মহিলাই গ্র্যাজুয়েট কিংবা তারও বেশি শিক্ষাগত যোগ্যতার অধিকারী। বিয়ের বয়স মহিলা এবং পুরুষ উভয় ক্ষেত্রেই ২১ হওয়া প্রয়োজন বলেও মনে করেন সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ৭৯ শতাংশ মুসলিম মহিলা। এঁদের মধ্যে গ্র্যাজুয়েট কিংবা তারও বেশি শিক্ষিতের হার ৮২ শতাংশ।

    আরও পড়ুুন: ‘কালীঘাটের কাকু’র কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষা করতে ইডি-কে অনুমতি হাইকোর্টের

    সমীক্ষায় প্রাপ্ত তথ্য থেকে একথা স্পষ্ট যে, ভারতের সিংহভাগ মুসলমান মহিলাই চাইছেন, অবিলম্বে চালু হোক অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC) । এই বিধি লাগু হলে বিবাহ বিচ্ছেদ সহ নানা ক্ষেত্রে জাতি-ধর্ম-নির্বিশেষে একটাই আইন চালু হবে। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পক্ষে সওয়াল করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। দিল্লির এক বিজেপি নেতার দাবি, সংসদের বাদল অধিবেশনেই আসতে পারে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Cricket World Cup 2023: বিশ্বকাপের ভিডিও প্রকাশ করল আইসিসি! প্রচারে শাহরুখ সমেত ক্রিকেট মহারথীরা

    Cricket World Cup 2023: বিশ্বকাপের ভিডিও প্রকাশ করল আইসিসি! প্রচারে শাহরুখ সমেত ক্রিকেট মহারথীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১১ সালের পর ফের ক্রিকেট বিশ্বকাপ (Cricket World Cup 2023) ভারতে। বিশ্ব ক্রিকেটের মহাযুদ্ধ শুরু হতে বাকি আর মাত্র ৭৭ দিন। বৃহস্পতিবারই তার প্রচার শুরু হল। আইসিসির তরফে বিশ্বকাপের প্রচারে মুখ্য ভূমিকায় রয়েছেন বলিউড বাদশা শাহরুখ খান। এ ছাড়া প্রাক্তন এবং বর্তমান ক্রিকেটারদেরও দেখা যাচ্ছে বিশ্বকাপের প্রচারে। ২০১১ সালে ধোনির নেতৃত্বে বিশ্বকাপ এসেছিল ভারতের ড্রেসিং রুমে, এবার কি হবে? জানতে মুখিয়ে রয়েছেন ক্রিকেটপ্রেমী মানুষ। বৃহস্পতিবার আইসিসির পক্ষ থেকে ২ মিনিট ১৩ সেকেন্ডের এক ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। 

    প্রচারের নাম ‘ইট টেক্‌স ওয়ান ডে’

    ২০২৩ বিশ্বকাপ (Cricket World Cup 2023) প্রচারের নাম ‘ইট টেক্‌স ওয়ান ডে’। জানা গিয়েছে, পৃথিবীজুড়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের একটি সূত্রে গাঁথার কারণেই এমন নাম দেওয়া হয়েছে। শাহরুখ ছাড়াও বিশ্বকাপের প্রচারে দেখা যাচ্ছে প্রাক্তন ক্রিকেটার জেপি ডুমিনি, দীনেশ কার্তিক, শুভমন গিল, গত বারের বিশ্বজয়ী অধিনায়ক অইন মর্গ্যান, মুথাইয়া মুরলীধরন, জন্টি রোডস এবং জেমাইমা রদ্রিগেসের মতো মহারথীদের। গত বিশ্বকাপের বিভিন্ন মুহূর্তও দেখানো হয়েছে একটি ভিডিও-এর মাধ্যমে। আইসিসির দাবি, ক্রিকেট খেলা দেখার সময় সমর্থকদের মধ্যে যন্ত্রণা, সাহস, মহিমা, আনন্দ, আবেগ, শক্তি, গর্ব, সমীহ এবং বিস্ময়— এই নয় ধরনের অনুভূতি কাজ করে। পোশাকি নাম দেওয়া হয়েছে নবরস।

    কী বলছেন আইসিসির সিইও?

    আইসিসির সিইও জিওফ অ্যালার্ডাইস বলেন, “এক দিনের ক্রিকেটের (Cricket World Cup 2023) সাহায্যে সত্যিকারের আনন্দকে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশেই এই প্রচার। সমর্থকই হোন বা ক্রিকেটার, প্রত্যেকেরই ম্যাচের সময় ন’রকমের অনুভূতি হয়। তাই নবরসকে তুলে ধরেছি আমরা। পাশাপাশি, ক্রিকেট এবং সিনেমার ভারতের মানুষের হৃদয়ে। তাই দু’টিকে মিলিয়ে দিয়ে আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছতে চাই আমরা।”

    কী বলছেন বিসিসিআই সচিব জয় শাহ?

    বিসিসিআইয়ের সচিব জয় শাহ বলেছেন, “এক দিনের ফরম্যাটের তাৎপর্য রয়েছে। দুর্দান্ত মুহূর্ত, হাড্ডাহাড্ডি লড়াই এবং অপ্রত্যাশিত ফলাফল উপহার দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে যা গোটা বিশ্বের সমর্থকেরা উপভোগ করে। বিশ্বমানের একটা প্রতিযোগিতা উপহার দিতে চাই আমরা, যেখান থেকে আগামী প্রজন্মের নায়কেরা উঠে আসবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jammu And Kashmir: কাশ্মীরে সেনার গুলিতে খতম দুই জঙ্গি! উপত্যকায় হানা এনআইএ-এর

    Jammu And Kashmir: কাশ্মীরে সেনার গুলিতে খতম দুই জঙ্গি! উপত্যকায় হানা এনআইএ-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু কাশ্মীরে (Jammu And Kashmir) নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে খতম দুই সন্ত্রাসবাদী। জম্মু-কাশ্মীরের কুপওয়ারা জেলায় এই অপারেশন চালায় সেনা। বুধবার সাত সকালেই পুলওয়ামায় বন দফতরের এক আধিকারিককে গুলি হত্যা করে জঙ্গিরা। এরপরেই পাল্টা লড়াই শুরু করে সেনা। জম্মু কাশ্মীরের পুলিশ, বিএসএফ এর একটি দল এই অপারেশন চালায় বলে জানা গিয়েছে। সেনার এই সাফল্যে বড়সড় কোনও নাশকতার ছকও বানচাল হল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    কী কী উদ্ধার হল মৃত জঙ্গিদের কাছ থেকে?

    মৃত দুই জঙ্গির পরিচয় প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জানা যায়নি। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা গিয়েছে ৪টি একে-৪৭ রাইফেল, ৬টি গ্রেনেড, এবং ৯টি ম্যাগাজিন। এছাড়াও উদ্ধার হয়েছে আরও যুদ্ধ সরঞ্জাম। মঙ্গলবারই উপত্যকার পুঞ্চ জেলায় ৪ জন জঙ্গির আত্মসমর্পণের খবর মেলে। ঠিক তার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই সেনা-জঙ্গির গুলির লড়াইয়ের খবর পাওয়া গেল। জানা গিয়েছে অনুপ্রবেশের পরেই জঙ্গিরা হামলা চালায় পুলওয়ামা বন বিভাগের (Jammu And Kashmir) একটি চেক পোস্টে। তাদের ছোড়া গুলিতে জখম হন দুই কর্মী ইমরান ইউসুফ এবং জাহাঙ্গির আহমেদ। দুজনেই এখন সুস্থ আছেন বলে জাান গিয়েছে।

    জম্মু কাশ্মীরে (Jammu And Kashmir) চলছে এনআইএ হানা

    জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu And Kashmir) বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের সদস্যদের খোঁজ চালাচ্ছে এনআইএ। সূত্রের খবর গত সপ্তাহ থেকেই এই অভিযান চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। গত সপ্তাহের বুধ ও বৃহস্পতিবার সোপিয়ান, অবন্তীপোরা ও পুলওয়ামায় জেলায় তল্লাশি চালায় এনআইএ। ইতিমধ্যে বেশকিছু জঙ্গি সংগঠনের নাম উঠে এসেছে। একনজরে সেগুলি দেখে নেব।

    ১) দ্য রেসিস্ট্যান্ট ফ্রন্ট

    ২) ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট জম্মু ও কাশ্মীর

    ৩) মুজাহিদিন গজবা-উল-হিন্দ

    ৪) জম্মু ও কাশ্মীর ফ্রিডম ফাইটার্স

    ৫) কাশ্মীর টাইগার্স

    এনআইএ সূত্রে খবর, এই সংগঠনগুলিকে সাহায্য করছে পাকিস্তানের মদতপুষ্ট নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তইবা, জইশ-ই-মহম্মদ হিজাবুল মুজাহিদিন, আল-বদর ও আল-কায়েদা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Seema Haider: গ্রামীণ ভারতীয় মহিলার মতো সাজতে প্রশিক্ষণ নেন সীমা! দাবি গোয়েন্দাদের

    Seema Haider: গ্রামীণ ভারতীয় মহিলার মতো সাজতে প্রশিক্ষণ নেন সীমা! দাবি গোয়েন্দাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমার (Seema Haider) আদব-কায়দা এবং সাজপোশাক দেখে মনে হতেই পারে একেবার প্রান্তিক ভারতীয় মহিলা। তবে গোয়েন্দারা জানাচ্ছেন, ঠিক এমনভাবে সাজতে পেশাদার পোশাকশিল্পীদের সাহায্য নিয়েছিলেন সীমা হায়দার! ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা সূত্র মারফত আরও খবর মিলেছে, ভারতীয় প্রান্তিক মহিলাদের পোশাক, বডি ল্যাঙ্গুয়েজ নিয়ে একেবারেই ওয়াকিবহাল ছিলেন না সীমা (Seema Haider)। আর সেই কারণেই তাঁকে মেক-আপ নিতে হয়। শুধু তাই নয়, চার সন্তানের ড্রেস কোড কেমন, হবে তা ঠিক করেন পাবজি প্রেমিকা। গোয়েন্দারা আরও জানিয়েছেন, নেপাল সীমান্তে মানবপাচারের কাজে যুক্ত থাকা অনেক মহিলা এক বিশেষ পোশাক পরেন। সীমা সে সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। আবার গোয়েন্দাদের ভাবাচ্ছে বিভিন্ন ভাষার ওপর সীমার দক্ষতা। নিজেকে ফাইভ পাশ পরিচয় দিলেও সীমা গড়গড় করে ইংরেজি বলছেন।

    ২০১৯ থেকে সীমা-সচিনের পরিচয় 

    সীমার (Seema Haider) দাবি অনুযায়ী, অনলাইন গেম পাবজি খেলার সময় ২০১৯ সালে সচিনের সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর। সেখান থেকেই নাকি প্রেম। ২২ বছরের সচিনের প্রেমে পড়ে পাকিস্তান থেকে ছুটে আসেন ৩০ বছরের সীমা। তাঁর সঙ্গে আসে চার সন্তান, যাদের সবার বয়সই সাত বছরের কম। ভিসা ছাড়া নেপাল হয়ে বেআইনি ভাবে ভারতে প্রবেশ করেন সীমা। এই অভিযোগে ৪ জুলাই গ্রেফতার হন সীমা। তাঁকে আশ্রয় দিয়ে গ্রেফতার হন সচিন এবং তাঁর বাবা নেত্রপাল। পরে জামিনে ছাড়াও পান তাঁরা।

    কাঠমাণ্ডুর হোটেলে থাকেন তাঁরা ভারতে আসার আগে

    গোয়েন্দারা আরও জানাচ্ছেন, ভারতে আসার আগে সীমা (Seema Haider) ও সচিন দু’জনেই বেনামে হোটেল ঘর বুক করে এক সপ্তাহ ছিলেন কাঠমাণ্ডুতে। স্থানীয় ‘নিউ বিনায়ক হোটেল’-এর ২০৪ নম্বর রুমে ছিলেন সীমা-সচিন। তবে এই হোটেলের রেজিস্টার থেকে যুগলের নাম কোথাও পাওয়া যাবে না। কারণ, বেনামে হোটেল বুক করেছিলেন এই দম্পতি। জানা গিয়েছে হোটেলের এক কর্মী গণেশ রোকামগারের ছেলেমেয়েদের সঙ্গে ইনস্টাগ্রামে রিল শ্যুট করেছিলেন সচিন ও সীমা! আর সেটাই প্রমাণ ওই হোটেলে তাঁদের উপস্থিতির। হোটেল কর্মী বলছেন, ‘‘সচিন একাই এসে প্রথমে রুম বুক করেছিলেন। বলেছিলেন, তাঁর স্ত্রী পরে আসবেন। হোটেল বুক করার সময় কোনও আইডি কার্ড জমা দেননি তাঁরা। শুধুমাত্র নিজেদের নাম রেজিস্টার খাতায় লিখে দিয়েছিলেন। যদিও সেটা নকল ছিল।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarakhand: উত্তরাখণ্ডে বিস্ফোরণ ‘নমামি গঙ্গে’ প্রকল্পের ট্রান্সফর্মারে, মৃত ১৬

    Uttarakhand: উত্তরাখণ্ডে বিস্ফোরণ ‘নমামি গঙ্গে’ প্রকল্পের ট্রান্সফর্মারে, মৃত ১৬

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্যা বিপর্যস্ত উত্তরাখণ্ডে (Uttarakhand) নতুন বিপদ। অলকানন্দা নদীর ধারে তীব্র বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় মঙ্গলবার রাতে। ফেটে যায় ‘নমামি গঙ্গে’ প্রকল্পের ট্রান্সফর্মার। আর তাতেই কম করে ঝরে গেল অন্তত ১৬টি প্রাণ। জানা গিয়েছে, মৃতদের অধিকাংশই শ্রমিক। এই ঘটনায় আহত কমপক্ষে ২১ জন। দুর্ঘটনায় এক পুলিশকর্মীরও মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মৃতদের সকলেই কোনও না কোনওভাবে ‘নমামি গঙ্গে’ প্রকল্পের কাজে যুক্ত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। ট্রান্সফর্মার বিস্ফোরণ ঘটার সঙ্গে সঙ্গে একটি গোটা সেতু বিদ্যুৎবাহী (ইলেক্ট্রিফায়েড) হয়ে যায়। জানা গিয়েছে, সেতুটি নমামি গঙ্গা প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত ছিল। গোটা সেতুটি বিদ্যুৎবাহী হয়ে যাওয়ায় সেই সেতুর উপরে কর্মরত প্রত্যকেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যান। তাদের মধ্যে বেশিরভাগ জনই মারা গিয়েছেন বলে খবর। ঠিক কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে চামেলি জেলা প্রশাসন।

    কী বলছে চামোলি জেলা প্রশাসন?

    সূত্রের খবর মঙ্গলবার গভীর রাতে ‘নমামি গঙ্গে’ প্রকল্পের কাজ চলছিল। তখনই দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়েই তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ, আসে উদ্ধারকারী দলও। চামেলি পুলিশের এসপি পরমেন্দ্র ডোভাল নিজে ঘটনাস্থলের তদারকি করছেন। তিনি জানিয়েছেন, আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। তবে বেশিরভাগজনেরই অবস্থা আশঙ্কাজনক।

    কী বলছেন মুখ্যমন্ত্রী?

    উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিংহ ধামি ইতিমধ্যে এই ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘ঘটনাটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। উদ্ধারকাজ চলছে। আহতদের হেলিকপ্টারে করে ঋষিকেশ এইমসে স্থানান্তরিত করা হচ্ছে। আমি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছি।’’ এদিনের ঘটনাস্থলের বেশ কিছু ছবি এবং ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Assam Flood: বন্যায় বিপর্যস্ত অসম! জীবন বাঁচাতে বন্য প্রাণীরা লোকালয়ে, আতঙ্কিত বাসিন্দারা

    Assam Flood: বন্যায় বিপর্যস্ত অসম! জীবন বাঁচাতে বন্য প্রাণীরা লোকালয়ে, আতঙ্কিত বাসিন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্যায় অসম (Assam Flood) সম্পূর্ণভাবে বিপর্যস্ত। সরকারি হিসেব বলছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন কমপক্ষে এক লক্ষ মানুষ। এখানেই শেষ নয়, প্রতিনিয়ত বাড়ছে সংখ্যা। ত্রাণ শিবিরে সংকুলান হচ্ছে না জায়গা। কিন্তু শুধুমাত্র মানুষ নয়। বন্যায় একই ভাবে দুর্গত হয়ে পড়েছে বন্য প্রাণীও। সড়ক পথে প্রাণ ভয়ে আশ্রয় নিতে দেখা যাচ্ছে, সাপ, হরিণ ইত্যাদিকে। বিপদসীমা তো কবেই পার হয়েছে, আপাতত ফুঁসছে ব্রহ্মপুত্র। ব্রহ্মপুত্রের দাপটে জলোচ্ছ্বাস (Assam Flood) দেখা গিয়েছে কাজিরাঙার অভয়ারণ্যের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত সেখানকার বন্য জীবন। অরণ্যের বাইরে লোকালয়ে তাদের দেখা মিলছে। বন্যা কবলিত অসমে কাজিরাঙার অন্যতম বড় আকর্ষণ আগোরাতলি রেঞ্জও জলের তলায়। ফি বছর এখানে উপচে পড়ে পর্যটকদের ভিড়। কয়েক জায়গায় তো জলস্তরের উচ্চতা সাত ফুট ছুঁয়েছে। ফলে সেই এলাকায় যে বন্য জন্তু-জানোয়ারের বসবাস, তাদের প্রাণ বাঁচাতে জায়গা ছাড়তে হচ্ছে। কিন্তু যাওয়ার তো জায়গা নেই, তাই ঢুকে পড়ছে লোকালয়ে।

    লোকালয়ে বন্য প্রাণী, আতঙ্কে বাসিন্দারা

    লোকালয়ে বন্য প্রাণী ঢুকলে তা নিশ্চিতভাবেই আতঙ্কের কারণ। বিভিন্ন উঁচু জায়গায় আশ্রয় নেওয়া বাসিন্দারা বলছেন, ‘‘আমরা সঙ্গে নিয়ে এসেছি গোরু, মহিষ এবং গবাদি পশুগুলিকেও। কারণ এইগুলিই আমাদের আয়ের উৎস। ভয় লাগছে এই গবাদি পশুগুলিকেও আক্রমণ করতে পারে বন্য প্রাণীরা। কারণ চিতা, বন্য শূকর এবং অন্যান্য প্রাণী আমাদের ক্যাম্পের কাছে চলে আসছে। তাই স্বেচ্ছাসেবকরা এখন রাতে মশাল জ্বালিয়ে ওই প্রাণীগুলিকে দূরে রাখার চেষ্টা করছে।’’

    চোরা শিকারিদের উৎপাত বাড়তে পারে এইসময়

    সরকারি হিসেব অনুযায়ী, ৬৮টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জঙ্গল ক্যাম্প আপাতত জলের তলায় (Assam Flood)। অরণ্যে বসবাসকারী পশুরা প্রাণ বাঁচাতে জঙ্গল ছেড়ে উঠে পড়েছে অপেক্ষাকৃত উঁচু জায়গায়। আবার কিছু পশুকে ৩৭ নম্বর জাতীয় সড়ক পার হতেও দেখা যাচ্ছে। বিগত বছরগুলিতে চোরাশিকারিদের উৎপাত বন্ধ করা গেছে সরকারি কড়া পদক্ষেপে। বন্য জন্তুদের প্রাণ বাঁচাতে বিজেপি সরকারের এমন উদ্যোগ দেশ বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে। তবে বন্যার (Assam Flood) এমন পরিস্থিতিতে তাদের উৎপাত ফের বাড়তে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। পর্যবেক্ষকরা বলছেন,  এই সময়েরই অপেক্ষায় থাকে চোরাশিকারিরা। কারণ, এই সময় পশুরা বিভ্রান্ত থাকে। ফলে তাদের ফাঁদে ফেলে মেরে দেওয়া অপেক্ষাকৃত সহজ। বন দফতরের কর্মীদের সে দিকে খেয়াল রাখতে হচ্ছে। এছাড়া ৩৭ নম্বর জাতীয় সড়ক পার হতে গিয়ে দুর্ঘটনাতেও প্রাণ যাচ্ছে বন্য জন্তুদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rhea Chakraborty: সুশান্ত সিং মৃত্যু মামলা! রিয়ার জামিনের বিরোধিতা প্রত্যাহার করল সিবিআই

    Rhea Chakraborty: সুশান্ত সিং মৃত্যু মামলা! রিয়ার জামিনের বিরোধিতা প্রত্যাহার করল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২০ সালের ১৪ জুন সুশান্ত সিং রাজপুতের ঝুলন্ত অবস্থায় মৃতদেহ উদ্ধার হয়, তাঁরই ফ্ল্যাট থেকে। রাজপুতের মৃত্যুর পরেই আঙুল ওঠে তাঁর প্রেমিকা রিয়া চক্রবর্তীর (Rhea Chakraborty) দিকে। তদন্তকারী সংস্থার হাতে গ্রেফতারও হন রিয়া। হাজতবাসও করতে হয় রিয়াকে। রিয়ার গ্রেফতারির চারদিন আগে অ্যারেস্ট করা হয় তাঁর ভাই সৌভিককে। পরে অবশ্য দুজনেরই জামিন মেলে। এক লক্ষ টাকার বন্ড দিয়ে জামিন নেন রিয়া। কিন্তু মামলা চলতে থাকে। এরপরের বছরগুলিতে সেভাবে দেখা পাওয়া যায়নি রিয়ার। সম্প্রতি ‘রোডিস’ নামের একটি টিভি শোতে মেন্টরের ভূমিকা দেখা যাচ্ছে তাঁকে। স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে রিয়ার জীবন! ছাড়ছে তাঁর বিরুদ্ধে হওয়া মামলার আইনি জটও। 

    স্বস্তি পেলেন রিয়া (Rhea Chakraborty)…

    সুশান্ত সিংহ রাজপুতের মৃত্যুর পর মাদক মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল রিয়াকে। জানা গিয়েছে, রিয়া (Rhea Chakraborty) জামিন পেলে, ২০২০ সালের অক্টোবরে সেই বেল-এর বিরোধিতা করেছিল সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন। এ বার সিবিআইয়ের তরফে তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হল। বোম্বে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এনডিপিএস আইনের ধারা ২৭এ অনুসারে (অবৈধ ভাবে অর্জিত অর্থ, তার অনৈতিক লেনদেন এবং অপরাধীকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য একজনকে সর্বোচ্চ ২০ বছরের জন্য জেল হতে পারে) একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য রিয়ার বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগটি তুলে নেওয়া হল।

    সুশান্তর সঙ্গে ভিডিও পোস্ট রিয়ার

    তবে ফি বছর সুশান্তর জন্মদিন অথবা মৃত্যুদিনে তাঁকে নিয়ে পোস্ট করেন রিয়া (Rhea Chakraborty)। চলতি বছরের জুন মাসেছিল সুশান্তের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী। এইসময় রিয়া সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করেন একটি আদুরে ভিডিও। তাতে দেখা যাচ্ছে, লাদাখের পাহাড়ি পরিবেশে পরস্পরকে আগলে বসে রয়েছেন রিয়া-সুশান্ত। দুজনকে হাসতে আর আলিঙ্গন করতেও দেখা গিয়েছে। সূত্রের খবর, ২০১৯ সালে লাদাখ ঘুরতে গিয়েছিলেন দুজনে, খুব সম্ভবত সেই সময়ের ভিডিও এটি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share