Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Seema Haider: সীমা কি পাক-গুপ্তচর? চলছে জেরা, বেশ কিছু প্রশ্ন ভাবাচ্ছে গোয়েন্দাদের

    Seema Haider: সীমা কি পাক-গুপ্তচর? চলছে জেরা, বেশ কিছু প্রশ্ন ভাবাচ্ছে গোয়েন্দাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমা হায়দার (Seema Haider) কি পাক গুপ্তচর? তার সঙ্গে পাকিস্তানি সেনার যোগ রয়েছে? তথ্য পাচার করতেই কি তার দেশে আসা? আপাতত এই প্রশ্নগুলির উত্তর খুঁজছে যোগী রাজ্যের পুলিশের এটিএস। বর্তমানে উত্তরপ্রদেশ এটিএস পাকিস্তানি নাগরিক সীমাকে হেফাজতে নিয়েছে। তাঁকে গোপন ডেরায় রেখে জেরা করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। পাবজি খেলতে প্রেমে পড়েন উত্তরপ্রদেশের সচিনের। প্রেমের টানেই ভারতে আসা, এমনটাই দাবি করেছিলেন সীমা। চলতি সপ্তাহের সোমবার থেকে হঠাৎই উধাও হয়ে গিয়েছিলেন সীমা এবং তাঁর বর্তমান স্বামী নয়ডার রবুপুরার সচিন মীণা। কিন্তু পরে জানতে পারা যায়, তাঁদের দুজনকে হেফাজতে নিয়েছে উত্তরপ্রদেশে এটিএস। যোগী পুলিশের একটি সূত্র অবশ্য দাবি করছে, এখনও পর্যন্ত সীমাকে জেরা করে জানা গিয়েছে, তাঁর কাকা পাকিস্তান সেনার সুবেদার ছিলেন। সীমার ভাই পাক সেনায় কর্মরত রয়েছে বর্তমানে। তাই সীমার পাক-সেনা যোগ আরও জোরালো হচ্ছে। সীমার কাছে মিলেছে নেপাল এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির পাসপোর্ট। নেপালের কাঠমাণ্ডুতে চলতি বছরের মার্চে দেখা করেন সচিন ও সীমা। সেখানে তাঁরা যে হোটেলে ছিলেন সে বিষয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছেন গোয়েন্দারা।

    জেরায় কী কী তথ্য উঠে এল? 

    জানা গিয়েছে, সীমার (Seema Haider) পাসপোর্ট, মোবাইল ফোনের তথ্য, এসব কিছুই খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে। সোমবার রাত ১২টা পর্যন্ত জেরা করার পর রবুপুরার বাড়িতে ফের ছেড়ে দেওয়া হয় সীমাকে। মঙ্গলবার সকালে আবার এটিএস পৌঁছায় সচিনের বাড়িতে। এরপর গোটা পরিবারকে নিয়ে যাওয়া হয় জেরার জন্য। জানা গিয়েছে, সীমা সত্যি কথা বলছেন নাকি মিথ্যা! তা খতিয়ে দেখতে পলিগ্রাফ টেস্টও হবে। নেপাল সীমান্ত দিয়ে ভারতে এসেছেন বলে দাবি সীমার। পুলিশকে ভাবাচ্ছে, কী ভাবে গ্রেটার নয়ডায় কোনও রকম বাধা ছাড়াই ঢুকে পড়লেন সীমা? উঠছে আরও বেশ কিছু প্রশ্ন, কেন ওই সময় সীমার কোনও নথি বা কাগজ পরীক্ষা করা হল না? নথি পরীক্ষার দায়িত্বে যাঁরা ছিলেন,তাঁরা কী করছিলেন? সব খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জানা গিয়েছে শুধু উত্তরপ্রদেশ এটিএস-ই নয়, দেশের অন্যান্য তদন্তকারী সংস্থারও জেরার মুখে বসতে হতে পারে সীমাকে। তাঁর হোয়াট্‌সঅ্যাপ কথোপকথন এবং ফোন কল ডিটেলও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    কী বলছেন সীমার (Seema Haider) পাকিস্তানি স্বামী?

    এদিকে সীমার (Seema Haider) স্বামী পাকিস্তানি গুলাম হায়দর সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, তাঁর স্ত্রী, সন্তানদের পাকিস্তানে ফেরৎ পাঠানো হোক। কিন্তু অন্যদিকে সীমার পরিবার অবশ্য মেয়েকে আর চান না। তাঁদের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, সীমা থাকুন ভারতে। কিন্তু সীমার সন্তানদের পাকিস্তানে ফেরৎ পাঠানোর দাবি জানিয়েছে সীমার বাপের বাড়ি। অন্যদিকে, সীমাকে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে মুম্বই পুলিশের কাছে হুমকি ফোন এল। হুমকিতে বলা হয়েছে, সীমাকে পাকিস্তানে না ফেরালে আবার ২৬/১১-র মতো হামলা হতে পারে। সীমার ঘটনা নিয়ে পাকিস্তানের রাজনীতিতেও শোরগোল চলছে। সে দেশের সিন্ধ প্রদেশের বিধানসভায় সীমার বিষয়টি উত্থাপন করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North India Flood: বর্ষায় হিমাচলে মৃত ১২০, দিল্লিতে নামছে যমুনার জল, বিপর্যস্ত উত্তরাখণ্ড

    North India Flood: বর্ষায় হিমাচলে মৃত ১২০, দিল্লিতে নামছে যমুনার জল, বিপর্যস্ত উত্তরাখণ্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমগ্র উত্তর ভারত জুড়ে বন্যা (North India Flood) পরিস্থিতির কারণে বিপর্যস্ত জনজীবন। ত্রাণ শিবিরগুলিতে দুর্গতদের ভিড়। উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে এনডিআরএফ, সেনা, পুলিশ।   দিল্লি, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ডের পরিস্থিতি খারাপ। পরিসংখ্যান বলছে, শুধু হিমাচল প্রদেশেই বর্ষার কারণে ১২০-র বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

    হিমাচলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

    পাহাড়ে অনবরত ধস নামছেই, যার জেরে বন্ধ করা হয়েছে রাজ্যের ছোট বড় সাতশো রাস্তা। এর পাশাপাশি চলছে মেঘ ভাঙা বৃষ্টি (North India Flood) এবং হড়পা বানের দাপট। জনজীবন সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত। সোমবার কুলুতে মেঘভাঙা বৃষ্টির ফলে একজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। রাজ্যের নানা প্রান্তে রাস্তাঘাট, সেতু এবং বাড়িঘর চলাচল এবম বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠেছে। হাওয়া অফিস বলছে, ২৪ জুন হিমাচল প্রদেশে বর্ষা প্রবেশ করেছিল। অর্থাৎ একমাসও হয়নি। বর্ষার কারণে রাজ্যে মোট ৪,৬৩৬ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    বিপর্যস্ত উত্তরাখণ্ড

    হিমাচল প্রদেশ এবং দিল্লির মতোই বর্ষায় উত্তরাখণ্ডের পরিস্থিতিও ভয়াবহ। একনাগাড়ে বৃষ্টিতে (North India Flood) সেখানে গঙ্গার জল অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। গঙ্গা ছাড়াও বাকি পাহাড়ি নদীগুলি বিপদসীমার ওপর দিয়েই বইছে বলে জানা গিয়েছে। দেবপ্রয়াগ এবং হরিদ্বারে গঙ্গার জলস্তরের ব্যাপক বৃদ্ধি হয়েছে। গঙ্গার জলস্তর পৌঁছেছে ৪৬৩.২০ মিটারে। হরিদ্বারে গঙ্গার জলস্তর পৌঁছেছে ২৯৩.১৫ মিটারে।প্রসঙ্গত বিপদসীমা হল ২৯৩ মিটার।

    দিল্লিতে একটু একটু করে নামছে যমুনার জল

    লাগাতার বৃষ্টিতে (North India Flood) ভেসে গিয়েছিল দিল্লির বিস্তীর্ন এলাকা। যমুনার জলেসদিল্লির ৬ জেলা প্লাবিত হয়েছিল।পরিসংখ্যান বলছে, এমন বন্যা দিল্লিতে হয়েছিল ১৯৭১ সালে। লালকেল্লা, কাশ্মীরি গেট, এমনকী সুপ্রিম কোর্ট চত্বরেও জলোচ্ছ্বাস দেখা গিয়েছিল। বন্যাদুর্গতদের উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। আশার কথা,  রবিবার থেকেই একটু একটু নামছিল যমুনার জল। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, খুব শিগগিরই বিপদসীমার নীচে নেমে যাবে জলস্তর।

    পূর্ব ভারতের অসমে বন্যা পরিস্থিতি

    শুধু উত্তর ভারত নয়, অসমে বন্যা (North India Flood) পরিস্থিতি এখনও স্বাভাবিক হয়নি বলেই জানা গিয়েছে। অসমের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর বলছে, সেখানের ১০টি জেলা এখনও বন্যা কবলিত। এর জেরে দুর্ভোগে পড়েছেন প্রায় ১ লাখ মানুষ। জানা গিয়েছে, বন্যায় সব থেকে ক্ষতি হয়েছে গোলাঘাট এবং ধেমাজি জেলায়। গোলাঘাট এলাকায় প্রায় ২৯ হাজার জন, ধেমাজি জেলার প্রায় ২৮ হাজার জন এবং শিবসাগরের প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার বাসিন্দা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। ব্রহ্মপুত্র এখনও কিছু জেলায় বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • UCC: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে এত বিতর্ক কেন? কী আছে এতে?

    UCC: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে এত বিতর্ক কেন? কী আছে এতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমগ্র ভারতবর্ষে এখন একটি বিষয় নিয়ে সব থেকে বেশি চর্চা ও সমালোচনা চলছে। আর সেটি হল UCC বা ইউনিফর্ম সিভিল কোড, যাকে বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধিও বলা হয়। এই আইন বাস্তবায়ন করার জন্য অনেক বিতর্কের সৃষ্টি হচ্ছে সমগ্র ভারতবর্ষ জুড়ে। আসলে এই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি অনুযায়ী ধর্ম, জাতি, বর্ণ নির্বিশেষে ভারতবর্ষের সমস্ত নাগরিককে একটি অভিন্ন আইনের ছত্রচ্ছায়ায় আনা হবে। প্রত্যেক ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গের জন্য একই আইন প্রণয়ন হবে। আর এই সিভিল কোড যদি একবার কার্যকর হয়, তাহলে বিবাহ, বিবাহ বিচ্ছেদ, সন্তান দত্তক, সম্পত্তি ভাগ প্রভৃতি বিষয়ে সকল নাগরিকদের জন্য একই নিয়ম কার্যকর হবে। সংবিধানের ৪৪ নং ধারায় এই আইন নিয়ে স্পষ্ট আলোচনা করা হয়েছে। এই ৪৪ নং ধারায় বলা হয়েছে “রাষ্ট্র ভারতের সমগ্র অঞ্চল জুড়ে নাগরিকদের জন্য একটি অভিন্ন দেওয়ানি বিধি সুরক্ষিত করার চেষ্টা করবে।”

    ভারতীয় ইতিহাসে অভিন্ন নাগরিক আইন (UCC) সম্পর্কিত কিছু মামলা

    ভারতের সর্বপ্রথম ১৯৮৫ সালে মহম্মদ আহমেদ খান বনাম শাহবানু বেগমের মামলায় সুপ্রিম কোর্ট সংসদকে এই অভিন্ন নাগরিক আইন গঠনের উপদেশ দেয়। এই মামলাটি ছিল ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৫ ধারা অনুযায়ী তিন তালাক পাওয়ার পর স্বামীর কাছে থেকে ভরণপোষণের সমস্ত অধিকার পাওয়া সংক্রান্ত। কিন্তু ১৯৮৬ সালে মুসলিম মহিলা আইন নিয়ে এসেই এই সুপ্রিম কোর্টের মামলাটিকে সম্পূর্ণ রূপে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। এই আইন অনুসারে একজন মুসলিম মহিলা তালাক পাওয়ার পর তাঁর কোনও ভরণপোষণের দায়িত্ব চাওয়ার অধিকার ছিল না। অবশেষে ২০১৭ সালে তিন তালাক বা তালাক-ই-বিদাতকে অসাংবিধানিক বা আইন-বিরুদ্ধ বলে ঘোষণা করা হয়। আবার আরেকটি মামলা চর্চায় এসেছিল ১৯৯৫ সালে, যা হল সরলা মুদ্গাল মামলা। এটি ব্যক্তিগত আইনের মধ্যে দ্বি-বিবাহ ও বিবাহ সম্পর্কিত মতবিরোধের বিষয়গুলিকে সামনে নিয়ে এসেছিল।

    UCC -র পক্ষে যুক্তি কী?

    আমাদের ভারতবর্ষ এক বৈচিত্র্যময় দেশ এবং এখানে অনেক ধর্ম ও জাতির মানুষ বসবাস করে এবং প্রত্যেকের ব্যক্তিগত আচার আচরণ ভিন্ন ভিন্ন। এর ফলে অভিন্ন নাগরিক আইন বা ইউনিফর্ম সিভিল কোড (UCC) সমগ্র দেশকে একত্রিত করতে সাহায্য করবে। স্বাধীনতার সময় এই একত্রিত করার কাজ অনেকটা সম্পূর্ণ হলেও UCC এর মাধ্যমে এই একতা আরও বেশি জোরালো হবে বলে ধারণা। সমগ্র ভারতবর্ষের বিভিন্ন ধর্ম, জাতি ও বর্ণের মানুষকে এক ছাদের তলায় নিয়ে আসার জন্য এই ইউনিফর্ম সিভিল কোড যথাযথ। কোনও বৈষম্য ছাড়াই সমতার ধারণা আরও শক্তিশালী করা অর্থাৎ সকলকে এক করা এর উদ্দেশ্য। মানব জাতিকে আরও শক্তিশালী করে তোলা সম্ভব এই আইনের মাধ্যমে।

    UCC বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বাধা কোথায়?

    ধর্ম, বর্ণ, ঐতিহ্য প্রথা সমগ্র ভারতে অঞ্চল অনুসারে ভিন্ন। অনেক ধর্মীয় সংখ্যালঘু মনে করেন যে এতে তাঁদের ব্যক্তিগত ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর সীমারেখা টানা হচ্ছে। ফলে এটি (UCC) ধর্মের স্বাধীনতাকে লঙ্ঘন করছে। ভারতবর্ষে এই নিয়ে ইতিমধ্যে অনেক বিতর্কে সৃষ্টি হয়েছে। ইউনিফর্ম সিভিল কোডের মাধ্যমে ভারতের সমগ্র জাতি, বর্ণ ও ধর্মের মানুষকে একত্রিত করা সম্ভব। কিন্তু অপরদিকে বেশ কিছু মৌলিক অধিকারের সঙ্গে এর কয়েকটি অমিল রয়েছে। সংবিধানের ২৫ নম্বর ধারায় বিচারবুদ্ধির স্বাধীনতা, ধর্মীয় বিশ্বাস প্রকাশ্যে তুলে ধরার স্বাধীনতা, ধর্মীয় রীতি পালন করার স্বাধীনতা, ধর্মের প্রচারের অধিকার প্রভৃতিকে লঙ্ঘন করছে এই আইন, এমনটাই বলছেন এর বিরোধীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North India Flood: মেঘভাঙা বৃষ্টিতে হিমাচলে মৃত ১! বন্যায় বিপর্যস্ত উত্তরাখণ্ড

    North India Flood: মেঘভাঙা বৃষ্টিতে হিমাচলে মৃত ১! বন্যায় বিপর্যস্ত উত্তরাখণ্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্যা পরিস্থিতির (North India Flood) কারণে জনজীবন সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত উত্তর ভারতে। রবিবার পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৮৯ ছুঁয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সোমবার হিমাচলে একজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। অর্থাৎ মোট মৃত ৯০। হিমাচল, জম্মু কাশ্মীর, হরিয়ানা, দিল্লি সর্বত্র স্বাভাবিক জীবনে বিপর্যয় নেমে এসেছে। গত কয়েক দিন ধরে একটানা প্রবল বৃষ্টিতে দিল্লির জনজীবন কার্যত বিপর্যস্ত। বন্যা পরিস্থিতি (North India Flood) এতটাই ভয়ঙ্কর যে লালকেল্লার দেওয়ালেও যমুনার জলোচ্ছ্বাস দেখা গিয়েছে। গোটা রাজধানী যেন নেমে এসেছে ত্রাণশিবিরে। অন্যদিকে, টানা বৃষ্টির কারণে উত্তরাখণ্ডেও ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। ইতিমধ্যে সে রাজ্যের ১৩টি জেলাতেই ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। রবিবারই চার রাজ্যে বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। হিমাচল, উত্তরাখণ্ডের পাশাপাশি তালিকায় রয়েছে ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ডও।

    মেঘভাঙা বৃষ্টিতে হিমাচলে মৃত ১

    সূত্রের খবর, সোমবার মেঘভাঙা বৃষ্টিতে কুলুতে মারা গিয়েছেন এক জন। জানা গিয়েছে, কুলুর কাইস এব‌ং নিয়োলি এলাকায় মেঘভাঙা বৃষ্টি হয় এদিন সকালে। এর জেরে দু’জন আহত বলে জানা গিয়েছে। মেঘভাঙা বৃষ্টির (North India Flood) দাপটে ভেঙে পড়েছে দু’টি বাড়ি। ইতিমধ্যে হিমাচলের চার জেলায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে প্রশাসনের তরফ থেকে। এবিষয়ে জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, ‘‘কুলুর কিয়াস গ্রামে মেঘভাঙা বৃষ্টিতে মারা গিয়েছেন এক জন। আহত তিন জন। ন’টি যান ভেঙে গিয়েছে।’’

    যমুনার জলস্তর নামছে দিল্লিতে

    অন্যদিকে সোমবার সকালের শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ধীরে ধীরে যমুনার জলস্তর নামছে দিল্লিতে। জানা গিয়েছে, যমুনার জল আগের তুলনায় সামান্য সামান্য বৃদ্ধি পেলেও এখন তা বিপদসীমার নীচেই রয়েছে। তবে বৃষ্টির কারণে দিল্লির বন্যা (North India Flood) হয়নি বলেই জানা গিয়েছে। হরিয়ানায় জল ছাড়ার কারণেই ফুঁসছে যমুনা। তথ্য বলছে, সোমবার সকাল ৭টায় যমুনার জলস্তর ছিল ২০৫.৪৮ মিটার। ভোর চারটেয় যমুনার জলস্তর ছিল ২০৫.৪৫ মিটার। কেন্দ্রীয় জল কমিশন অনুমান করছে পরিস্থিতি উন্নত হবে।

    বিপর্যস্ত উত্তরাখণ্ড

    বৃষ্টিতে এখনও বিপর্যস্ত উত্তরাখণ্ড। ধসের কারণে বন্ধ হয়েছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। জানা গিয়েছে, দেবভূমির দেবপ্রয়াগে বিপদসীমা অতিক্রম করেছে গঙ্গা। হরিদ্বারেও জলস্তরের ব্যাপক বৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এনিয়ে সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন। জানা গিয়েছে, রবিবার গঙ্গার জলস্তর ছিল ২৯৩.৫ মিটার। বিপদসীমার মাপকাঠি ২৯৩ মিটার। এক নাগাড়ে ভারী বৃষ্টিতে হরিদ্বার তহসিল, লাকসার, রুরকি ইত্যাদি স্থানের ৭১ টি গ্রাম ভেসে গিয়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ৩,৭৫৬টি পরিবার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এরমধ্যে ৮১টি পরিবার আশ্রয় নিয়েছে বিভিন্ন ত্রাণ শিবিরে। সাতটি বাড়ি পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে বন্যা পরিস্থিতির (North India Flood) কারণে। হরিদ্বারে ভারী বৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৯টি সেতু, ১৭টি রাস্তা। জাতীয় এবং রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, সেনা, পুলিশ উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Vande Bharat: মধ্যপ্রদেশে বন্দে ভারতের কোচে আগুন! হতাহতের কোনও খবর নেই 

    Vande Bharat: মধ্যপ্রদেশে বন্দে ভারতের কোচে আগুন! হতাহতের কোনও খবর নেই 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের (Vande Bharat) একটি কোচে আগুন! যা নিয়ে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জানা গিয়েছে, সোমবার সকালে ভোপাল থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা হয়েছিল বন্দে ভারত। কিছুক্ষণ পরেই মধ্যপ্রদেশের কুড়ওয়াই কেথোরা এলাকায় হঠাৎ ট্রেনের একটি কোচে আগুন ধরে যায় বলে খবর। এর জেরে যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ওড়িশায় ট্রেন দুর্ঘটনার স্মৃতি এখনও তরতাজা। এর মাঝেই অগ্নিকাণ্ডে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন যাত্রীরা। রেল সূত্রে খবর, আগুন লাগার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছন দমকল কর্মীরা। কোচের যাত্রীদের নিরাপদে বাইরে বার করে আনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর মেলেনি।

    কীভাবে লাগল আগুন?

    রেলের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, প্রথমে আগুন দেখা যায় ব্যাটারি বক্সে। প্রসঙ্গত, আগুন লাগার ঘটনা সামনে আসতেই রেল একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের (Vande Bharat) তলায় থাকা ব্যাটারির বাক্সে আগুন দেখা দিয়েছে। দমকল বিভাগের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন এবং আগুন নিভিয়েছেন। যদিও ব্যাটারি বক্সে আগুন কীভাবে লাগল তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। রেল অবশ্য বলছে, আগুন লাগার প্রকৃত কারণ নিয়ে তদন্ত চলছে। ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়াতে কোচে (Vande Bharat) আগুন লাগার ভিডিও ভাইরাল হয়ে পড়েছে।

    সকাল ৮টায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটে

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন ভোর ৫:৪০ নাগাদ মধ্যপ্রদেশের ভোপালের রানি কমলাপতি স্টেশন থেকে ট্রেনটি (Vande Bharat) রওনা হয়। এরপর ৮টা নাগাদ আগুন লাগার ঘটনা সামনে আসে। জানা গিয়েছে, এক্ষেত্রেও এগিয়ে আসেন স্থানীয়রা। তাঁরা দমকল কর্মীদের সঙ্গে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান। ভোপাল-দিল্লিগামী এই বন্দে ভারত ট্রেনটি সাড়ে সাত ঘণ্টায় ৭০১ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করে। ট্রেনটি দিল্লির হজরত নিজামউদ্দিন স্টেশনে পৌঁছয় ভোপাল থেকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Railways: জেনারেল বগির যাত্রীদের জন্য ২০ টাকার ‘ইকোনমি মিল’ চালু রেলের

    Indian Railways: জেনারেল বগির যাত্রীদের জন্য ২০ টাকার ‘ইকোনমি মিল’ চালু রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় রেল (Indian Railways) হল দেশের লাইফ লাইন। উড়ানের খরচ অনেকাংশে কমলেও রেলের গুরুত্ব অটুট থেকেছে। প্রতিদিন দেশের লাখ লাখ নিত্যযাত্রী ট্রেনে করে যাতায়াত করেন। কেউ অফিস, তো কেউ গন্তব্যস্থলে যান। ভ্রমণের জন্য রেল বেশ পছন্দের। বাইরের দৃশ্য, জানলার ধার, সঙ্গে ট্রেনের খাবার। তথ্য বলছে, দেশের বহু ট্রেনেই প্যান্ট্রি কারের ব্যবস্থা আছে। এর ফলে দূরপাল্লার যাত্রীরা খাবার পান ট্রেনেই। কিন্তু জেনারেল কামরার জন্য নেই এই সুবিধা। সুবিধা মেলে শুধুমাত্র এসি এবং স্লিপার কোচের যাত্রীদের জন্য। জেনারেল কোচের যাত্রীদের জংশন স্টেশনে নেমে খুঁজতে হয় মিল। তবে আর খুঁজতে হবে না! ট্রেনের জেনারেল কামরায় ‘ইকোনমি মিল’ দিতে শুরু করেছে রেল (Indian Railways)।

    মাত্র ২০ টাকায় মিলবে খাবার

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ট্রেনের এই নতুন ব্যবস্থায় জেনারেল কোচের যাত্রীরা ২০ টাকায় খাবার পাবেন। জল কোথায় পাবেন? না স্টেশনে নেমে ভরতে হবে না। ২০০ মিলি জলও মিলবে মাত্র ৩ টাকায়। পকেট সাশ্রয়ী এই জল পেয়ে খুশি হবেন যাত্রীরা। কারণ এক বোতল এতদিন ২০ টাকায় কিনে খেতে হত। ফলে কিছুটা খরচ বাঁচবে জেনারেল কামরার যাত্রীদের। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে উত্তর-পশ্চিম রেলের (Indian Railways) উদয়পুর, আজমির এবং আবু রোড স্টেশনে এই খাবার মিলছে। এই তিনটি স্টেশনের এক নম্বর প্ল্যাটফর্মেই এই খাবার পাওয়া যাচ্ছে। রেলের আধিকারিকদের মতে, উদয়পুর, আজমির এবং আবু রোড স্টেশনের যেখানে জেনারেল বগি থামে, ঠিক তার সামনেই রয়েছে কাউন্টার।

    ২০ টাকার ডিশে থাকছে কী কী পদ?

    জেনারেল বগির যাত্রীদের জন্য আপ্যায়নে ত্রুটি রাখতে চাইছে না রেল। জানা গিয়েছে, ২০ টাকার এই প্লেটে থাকবে ৭টি পুরি, আলু-সবজি ও আচার। তবে ভবিষ্যতে এই স্টলে স্ন্যাকস/কম্বো খাবারও পাওয়া যাবে, যার জন্য গুনতে হবে ৫০ টাকা। রাজমা-চাল, খিচুড়ি, ছোলা-বাটুরে, ধোসা ইত্যাদি পাওয়া যাবে কম্বো খাবারে। ওয়াকিবহাল মহল বলছে, দূরপাল্লার ট্রেনে জেনারেল কামরার যাত্রীদের খাবার নিয়ে নানা সমস্যায় পড়তে হয়। তাই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। কারণ, জেনারেল কামরা ভিড়ে ঠাসা থাকে। কোথাও ট্রেন থামলে খাবার কিনতে গিয়ে তাড়াহুড়ো করেন যাত্রীরা, যার জেরে দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • North India Flood: অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি চার রাজ্যে! উত্তর ভারতে বন্যায় মৃত ৮৯

    North India Flood: অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি চার রাজ্যে! উত্তর ভারতে বন্যায় মৃত ৮৯

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্যা পরিস্থিতির (North India Flood) কারণে জনজীবন সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত উত্তর ভারতে, মৃতের সংখ্যা ৮৯। হিমাচল, জম্মু কাশ্মীর, হরিয়ানা, দিল্লি সর্বত্র স্বাভাবিক জীবনে বিপর্যয় নেমে এসেছে। গত কয়েক দিন ধরে একটানা প্রবল বৃষ্টিতে দিল্লির জনজীবন কার্যত বিপর্যস্ত। যমুনার জল বিপদসীমা অতিক্রম করেছে আগেই। বন্যা পরিস্থিতি (North India Flood) এতটাই ভয়ঙ্কর যে লালকেল্লার দেওয়ালেও যমুনার জলোচ্ছ্বাস দেখা গিয়েছে। গোটা রাজধানী যেন নেমে এসেছে ত্রাণশিবিরে। দুর্যোগ কবলিত অনেককে উদ্ধার করে সেখানে ঠাঁই দেওয়া হয়েছে। তবে, এখনও আশার বাণী শোনাতে পারেননি হাওয়া অফিসের আধিকারিকরা। আবারও বৃষ্টি হবে বলে সতর্কবার্তা জারি করেই চলেছে মৌসম ভবন।

    কী বলছে হাওয়া অফিস?

    ইতিমধ্যে চারটি রাজ্যে কমলা সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। পূর্ব ভারতের ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ড রয়েছে তালিকায়। উত্তর ভারতের হিমাচল এবং উত্তরাখণ্ডেও ১৭ জুলাই ভারী বৃষ্টি হবে বলেই জানিয়েছে মৌসম ভবন। হাওয়া অফিস এও বলছে, ১৮ তারিখ থেকে বৃষ্টি অবশ্য কিছুটা কমবে। কিন্তু উত্তরাখণ্ডের দেরাদুন, তেহরি সমেত বেশ কিছু স্থানে লাল সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন। ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির কারণে বেশিরভাগ রাস্তাই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। প্রবল ধস দেখা গিয়েছে বেশ কিছু জায়গায়। জানা গিয়েছে, ভারী বৃষ্টির (North India Flood) জেরে হিমাচলে সাতশোর বেশি রাস্তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। রবিবারই পিথোরগড় জেলার সীমান্ত এলাকার জাতীয় সড়ক বন্ধ হয়েছে বৃষ্টির কারণে। শনিবারই যমুনেত্রী হাইওয়ে বন্ধের খবর মিলেছে।

    এনডিআরএফ-এর উদ্ধারকাজ

    বন্যা পরিস্থিতি (North India Flood) মোকাবিলায় দুর্গতদের উদ্ধারের কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েছে এনডিআরএফ। পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরাখণ্ড, দিল্লি সর্বত্র চলছে উদ্ধার কাজ। প্রত্যেক রাজ্যেই খোলা হয়েছে ত্রাণ শিবির। সেখানেও কাজ চালাচ্ছে উদ্ধার কর্মীরা। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট ৫৮টি টিম কাজ করছে এনডিআরএফ-এর। যার মধ্যে ১৬টি টিম মোতায়েন করা হয়েছে দিল্লিতে। ১১টি করে টিম কাজ চালাচ্ছে উত্তরাখণ্ডে এবং ১০টি করে টিম কাজ করছে পাঞ্জাব এবং হরিয়ানায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ‘‘ছাত্র জীবনে অসম্ভব মেধাবী ছিলেন মোদি’’, মত এমএ ক্লাসের সহপাঠীর

    PM Modi: ‘‘ছাত্র জীবনে অসম্ভব মেধাবী ছিলেন মোদি’’, মত এমএ ক্লাসের সহপাঠীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনৈতিক ভাবে মোকাবিলা না করতে পেরে প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi) বিরুদ্ধে ব্যক্তি কুৎসায় নেমেছে বিরোধী দলগুলি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কি আদৌ বিএ, এমএ পাশ করেছেন? সব জেনেও এমন প্রশ্ন বিরোধীরা করেই থাকে। এনিয়ে গুজরাট এবং দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় আনুষ্ঠানিকভাবে বিবৃতি দিলেও বিরোধীদের থামার লক্ষণ নেই। কারণ, উদ্দেশ্য খুব পরিষ্কার। যে কোনও মূল্যে প্রধানমন্ত্রীকে খাটো করা। প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, তিনি ১৯৭৮ সালে গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ পাশ করেন। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স পাশ করে বেরোন ১৯৮৩ সালে। এবার এনিয়ে মুখ খুললেন প্রখ্যাত সাংবাদিক শীলা ভাট। তাঁর দাবি, মাস্টার্সে তিনি মোদির (PM Modi) সহপাঠী ছিলেন।

    কী বললেন মোদির (PM Modi) সহপাঠী?

    সাংবাদিক শীলা ভাট তাঁর এক বিবৃতিতে ‘ছাত্র’ মোদিকে নিয়ে বলেন, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীন মোদি অসম্ভব মেধাবী, পরিশ্রমী এবং মনোযোগী ছাত্র ছিলেন। বর্ষীয়ান সাংবাদিক এদিন ছাত্র মোদির (PM Modi) ভূয়সী প্রশংসা করেন। প্রসঙ্গত, দেশের অন্যতম নামকরা সাংবাদিক শীলা ভাট পলাতক গ্যাংস্টার দাউদ ইব্রাহিমের একাধিক সাক্ষাৎকার নিয়েছেন। বর্ষীয়ান সাংবাদিকের কথায়, ১৯৮১ সালে মোদির সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎ হয় তাঁর। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে মোদি তখন স্নাতকোত্তরে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। অধ্যাপক প্রবীণ শেঠ তাঁর মতো মোদিরও মেন্টর ছিলেন বলে দাবি করেছেন এই সাংবাদিক। বর্ষীয়ান এই সাংবাদিকের আরও দাবি, তাঁদের আর এক সহপাঠী বর্তমানে নামকরা আইনজীবী। আপ, কংগ্রেসের মতো বিরোধীরা যখন বারবার মোদির শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে কটাক্ষ করছিল, তখন তিনি ওই আইনজীবীকে মুখ খোলারও কথা বলেছিলেন বলে জানিয়েছেন শীলা। 

    কেজরিকে ২৫ হাজার টাকার জরিমানা

    প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi) ডিগ্রি চেয়ে তথ্য কমিশনের দ্বারস্থ হয় কেজরিওয়াল। উল্টে কেজরিকে খেতে হয় কোর্টের গুঁতো। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করে গুজরাট হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ জানিয়েছিল, প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রির কপি প্রকাশ করতে বাধ্য নয় পিএমও বা সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়। ওয়াকিবহাল মহল বলছে, এতদিন যে উত্তর পেতে তথ্য কমিশনের কাছে গিয়েছিল কেজরিওয়াল, তা পাওয়া গেল শীলা ভাটের কথায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • NDA: শক্তিবৃদ্ধি এনডিএ-র! সমাজবাদী পার্টির পুরনো সহযোগী ধরল মোদির হাত

    NDA: শক্তিবৃদ্ধি এনডিএ-র! সমাজবাদী পার্টির পুরনো সহযোগী ধরল মোদির হাত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষরা বলছেন, তৃতীয়বারও মসনদ দখলের পথে প্রধানমন্ত্রী মোদি। বিরোধীদের জোটে অনৈক্যর বাতাবরণ। নেই কোনও মুখ। ঠিক এমন আবহে ফের শক্তি বৃদ্ধি হল শাসক এনডিএ (NDA) জোটের। উত্তরপ্রদেশে একদা সমাজবাদী পার্টির জোটসঙ্গী ছিল সুহেলদেব ভারতীয় সমাজ পার্টি। তারাই শক্তি বাড়াল ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স বা এনডিএ-র। শনিবারই এই দলের প্রধান ওপি রাজভর দেখা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে। তাঁর এই সাক্ষাতের পরই এনডিএ (NDA) জোটে এই দলের আনুষ্ঠানিক প্রবেশ হয়। 

    ট্যুইট অমিত শাহের

    রবিবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ট্যুইটার হ্যান্ডেলে ওপি রাজভরের সঙ্গে সাক্ষাতের ছবিও পোস্ট করেন। ছবির ক্যাপশনে লেখেন, “রাজভরজির আগমনে উত্তরপ্রদেশে এনডিএ আরও শক্তিশালী হবে।”

    সুহেলদেব ভারতীয় সমাজ পার্টির প্রধানের ট্যুইট

    এদিন এনডিএ-তে (NDA) আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিয়ে ট্যুইট করেন রাজভর। তিনি লেখেন, ‘‘সামাজিক ন্যায়, দেশের সুরক্ষা, পিছিয়ে পড়া জাতির উন্নয়নের স্বার্থে এনডিএ-এর সহযোগী হলাম।’’

    প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টির সঙ্গেই ছিল এই দল। যদিও ২০১৭ সালে প্রথমবার যোগী সরকার ক্ষমতায় আসার পর এনডিএ শিবিরেই ছিল ভারতীয় সমাজ পার্টি। তাদের দলের তরফে মন্ত্রীও ছিল উত্তরপ্রদেশ সরকারে। পরে মন্ত্রিসভা থেকে বেরিয়ে এসে পুনরায় অখিলেশের হাত ধরে তারা। শনিবার আবার সুহেলদেব ভারতীয় সমাজ পার্টি ফিরল তার পুরনো জায়গায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Flood In Delhi: দেশে ফিরেই দিল্লির বন্যা পরিস্থিতির খোঁজ নিলেন মোদি! তলব উপ রাজ্যপালকে

    Flood In Delhi: দেশে ফিরেই দিল্লির বন্যা পরিস্থিতির খোঁজ নিলেন মোদি! তলব উপ রাজ্যপালকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির বন্যা (Flood In Delhi) পরিস্থিতি ক্রমশই ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এনিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত কেন্দ্রের মোদি সরকার। প্রসঙ্গত, ফ্রান্স এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহি সফর শেষে শনিবার রাতেই দিল্লি ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী। বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রী ফ্রান্স থেকেই ফোনে খবর নিয়েছিলেন বলে সূত্রের খবর। আবার এদিন দেশে ফিরেই দিল্লির উপ রাজ্যপাল তথা লেফটেন্যান্ট গভর্নর ভিকে সাক্সেনাকে ডেকে পাঠান মোদি। রাজধানীর বন্যা (Flood In Delhi) পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয় দুজনের মধ্যে। দিল্লিতে বন্যা পরিস্থিতি কেমন, দুর্গতদের উদ্ধারকাজ এবং দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য সরকারের তরফে উদ্যোগ, এসবই খতিয়ে দেখছেন প্রধানমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, বিদেশ সফর শেষে ফিরে কালবিলম্ব করেননি মোদি। তড়িঘড়ি সাক্সেনাকে তলব করেন।

    প্রসঙ্গত, গত কয়েক দিন ধরে একটানা প্রবল বৃষ্টিতে দিল্লির জনজীবন কার্যত বিপর্যস্ত। যমুনার জল বিপদসীমা অতিক্রম করেছে আগেই। বন্যা পরিস্থিতি এতটাই ভয়ঙ্কর যে লালকেল্লার দেওয়ালেও যমুনার জলোচ্ছ্বাস দেখা গিয়েছে। গোটা রাজধানী যেন নেমে এসেছে ত্রাণশিবিরে। দুর্যোগ কবলিত অনেককে উদ্ধার করে সেখানে ঠাঁই দেওয়া হয়েছে। এরই মাঝে বানভাসি দিল্লিতে অগ্নিকাণ্ডের খবর মিলেছে। রাজধানীর কনট প্লেসের একটি বহুতলে শনিবার আগুন লাগে। হতাহতের কোনও খবর এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

    ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি দিল্লিতে (Flood In Delhi)

    একনাগাড়ে বৃষ্টি চলছেই দিল্লিতে। থামার কোনও লক্ষণই নেই। সূত্রের খবর, একমাত্র বৃষ্টিই দিল্লি বন্যার (Flood In Delhi) জন্য দায়ী নয়। হরিয়ানার হাথনি থেকে রেকর্ড পরিমাণে জল ছাড়ার ফলেই এই সমস্যা তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই কারণেই বিপদসীমা অতিক্রম করেছে যমুনা। রবিবার সকালেও দেখা গিয়েছে, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতে জল জমেছে। রাজঘাট সুপ্রিম কোর্ট চত্বরেও পৌঁছেছে যমুনার জল। প্রশাসন বলছে, উদ্ধার কর্মীরা সারারাত ধরে দিল্লিতে জল সরানোর কাজ করেই চলেছে। রবিবার সকালেও বিপদসীমার ওপরেই বইছে যমুনা। জানা গিয়েছে, জলস্তর  এখন ২০৬.১৪ মিটার। প্রসঙ্গত, বিগত সপ্তাহ থেকেই যমুনা বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে। শেষবারের মতো এমন পরিস্থিতি হয়েছিল ১৯৭৮ সালে। তখন যমুনার জলস্তর হয়েছিল ২০৭.৪৯ মিটার। নিম্ন অঞ্চলের বাসিন্দাদের ইতিমধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে। সারা রাজধানী জুড়েই খোলা হয়েছে ত্রাণ শিবির। বন্যা দুর্গতদের খাবার এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছে সরকার।

    এখনই থামবে না বৃষ্টি

    বন্যায় (Flood In Delhi) গাড়িগুলি যেন খেলনার মতো ভেসে যাচ্ছে এদিক সেদিক। চলাচলের অযোগ্য হয়েছে কম বেশি সব রাস্তাই। যমুনার জলে ভেসে গিয়েছে দিল্লির একাধিক এলাকা। প্রতিনিয়ত ফুঁসছে যমুনা। রেহাই মিলবে কবে? এই প্রশ্নে কোনও সুখবর শোনাতে পারল না মৌসম ভবন। উপরন্তু উদ্বেগ বাড়িয়ে হাওয়া অফিস বলছে, দিল্লিতে (Flood In Delhi) আগামী পাঁচদিন বৃষ্টি থামার কোনও লক্ষণই নেই। হাওয়া অফিসের এক আধিকারিক বলেন, ‘‘আগামী পাঁচদিন দিল্লি, হরিয়ানা এবং সংলগ্ন এলাকাগুলিকে হতে পারে বৃষ্টিপাত। ১৭ এবং ১৮ তারিখ সামান্য বাড়তে পারে বৃষ্টি। তবে দিল্লির পরিস্থিতি স্থানীয় বৃষ্টিপাতের জন্য হয়নি। যমুনা নদী ফুঁসে ওঠার কারণে হয়েছে।’’ প্রসঙ্গত, হরিয়ানা সমেত হিমাচলে জল ছাড়ার কারণেই এই বন্যা পরিস্থিতি বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share