Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Emergency: ‘‘গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল জরুরি অবস্থা’’, মত প্রধানমন্ত্রীর

    Emergency: ‘‘গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল জরুরি অবস্থা’’, মত প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৫ জুন ১৯৭৫, কংগ্রেস শাসনের স্বৈরতান্ত্রিকতার চরম নজির সেদিন দেখেছিলেন ভারতবাসী। দেশে জরুরি অবস্থা (Emergency) জারি করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী, যা চলেছিল ২১ মার্চ, ১৯৭৭ পর্যন্ত। অভিযোগ, এই সময়ে গোটা দেশকে কার্যত কারাগারে পরিণত করেছিল কংগ্রেস সরকার। রবিবার জরুরি অবস্থা ঘোষণার ৪৮ তম বর্ষপূর্তি। মিশর সফরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী, এদিন সেই অন্ধকারময় দিনগুলির কথা ফের একবার মনে করিয়ে দিলেন মোদি।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    এ দিন নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইতিহাসের অবিস্মরণীয় সময় ছিল জরুরি অবস্থার (Emergency) দিনগুলি।”

    তাঁর আরও সংযোজন, “জরুরি অবস্থার যারা বিরোধিতা করেছিলেন এবং আমাদের গণতন্ত্রের অন্তরাত্মাকে ধরে রাখতে লড়াই করেছিলেন, সেই সমস্ত সাহসী ব্যক্তিত্বদের প্রতি আমি শ্রদ্ধা জানাই। জরুরি অবস্থার অন্ধকারময় দিনগুলি ইতিহাসের অবিস্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে। এটা আমাদের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সম্পূর্ণ বিপরীত।”

    বিজেপি নেতৃত্বেরও একাধিক পোস্ট এদিন সামনে আসে

    বিজেপির একাধিক নেতৃত্ব জরুরি অবস্থার (Emergency) ৪৮ তম বর্ষপূর্তিতে নিন্দা করেন কংগ্রেস স্বৈরতান্ত্রিকতার।

    কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি এদিন একটি ভিডিও পোস্ট করে বলেন, “গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করা হয়েছিল। বিচার ব্যবস্থার হাত কেটে নেওয়া হয়েছিল। অত্যাচার, গ্রেফতার, খুন- ১৯৭৫ সালের ২৫ জুন দিনটি এই সমস্ত শব্দের সমার্থক। জরুরি অবস্থার অন্ধকারময় দিনগুলি ভুলবেন না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Emergency: ১৯৭৫ সালের ২৫ জুন, স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে কালো দিন!

    Emergency: ১৯৭৫ সালের ২৫ জুন, স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে কালো দিন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  ২৫ জুন ১৯৭৫, কংগ্রেস শাসনের স্বৈরতান্ত্রিকতার চরম নজির সেদিন দেখেছিলেন ভারতবাসী। দেশে জরুরি অবস্থা (Emergency) জারি করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী, যা চলেছিল ২১ মার্চ, ১৯৭৭ পর্যন্ত। অভিযোগ, এই সময়ে গোটা দেশকে কার্যত কারাগারে পরিণত করেছিল কংগ্রেস সরকার। গণতন্ত্র এবং মানুষের মৌলিক অধিকার দুটোই সেদিন কেড়ে নেয় গান্ধী পরিবারের শাসন। সরকার চাইলে যে কোনও ব্যক্তিকে যতদিন খুশি জেলে ভরে রাখতে পারত। সব থেকে বড় কথা, কোনও রকমের শুনানি ছাড়াই কয়েক হাজার সরকার বিরোধী ব্যক্তি জেলে ছিলেন। তাঁদের জামিনের আবেদন করার অধিকারও ছিল না। সংবাদপত্রগুলির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করে সরকার। তালিকায় ছিল ৩,৮০১ সংবাদপত্র। আরও অভিযোগ, দেশে যখন এই কালো অধ্যায় চলছে, বিরোধী সমস্ত নেতা যখন জেলের ভিতর, তখনই এক প্রকার গায়ের জোরে ১৯৭৬ সালে ৪২তম সংবিধান সংশোধনী এনে প্রস্তাবনায় জোড়া হয় ‘সেকুলার’ শব্দ। বন্ধ হয় দেশে সমস্ত ধরনের নির্বাচন। 
    কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী সম্প্রতি ব্রিটেনে গিয়ে বলেছেন, “মোদি জমানায় দেশে গণতন্ত্র নেই।” অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, জরুরি অবস্থার সময় যাঁর পূর্বসূরীরা লোকতন্ত্রকে জেলের ভিতরে রেখেছিলেন, তাঁর মুখে গণতন্ত্র বিপন্নতার কথা মানায় কি? এবার জরুরি অবস্থার প্রেক্ষাপট, ঘটনাক্রম, গণতন্ত্র হরণ নিয়ে এই প্রতিবেদনে আলোকপাত করা হল।

    জরুরি অবস্থা (Emergency) ঘোষণার কথা জানতো না মন্ত্রিসভাও!

    রাত তখন ৩ টে হবে। দিল্লিতে ইন্দিরা গান্ধীর বাসভবনে উপস্থিত তৎকালীন কংগ্রেস সভাপতি দেবকান্ত বড়ুয়া, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থশঙ্কর রায় এবং প্রধানমন্ত্রী নিজে। ইতিমধ্যে ২৫ জুন মধ্যরাতে জরুরি অবস্থা জারি হয়ে গিয়েছে। সই করেছেন রাষ্ট্রপতি ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ। ওই রাতেই গ্রেফতার করা হয় লোকনায়ক জয়প্রকাশ নারায়ণকে। সূর্য ওঠার আগেই দেশের প্রথমসারির সংবাদপত্রগুলির অফিসের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় সরকার।
    ইন্দিরা গান্ধীর জরুরি অবস্থা ঘোষণার কথা মন্ত্রিসভাও জানত না। ২৬ জুন সকাল ৬টার ক্যাবিনেট মিটিংয়ে উপস্থিত ১৫ জনেরও বেশি মন্ত্রী প্রথমবারের জন্য জানতে পারলেন, জরুরি অবস্থা জারি হয়েছে দেশে। তৎকালীন বিশিষ্ট সাংবাদিক ইন্দ্র মলহোত্রা ক্যাবিনেটে উপস্থিত সকল মন্ত্রীদের সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলেন। সাংবাদিকের অভিমত, “মন্ত্রীরা সেদিনের ক্যাবিনেট মিটিংয়ে অসম্ভব রকমের আতঙ্কের মধ্যে ছিলেন।” এরপরই আকাশবাণীর বেতার ভাষণে জরুরি অবস্থা জারির কথা ঘোষণা করেন ইন্দিরা গান্ধী। ক্যাবিনেট মিটিংয়ের পরেই রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত সকল অধ্যাপকদের তালিকা শিক্ষামন্ত্রী নুরুল হাসানের কাছে চেয়ে নেন সঞ্জয় গান্ধী। অন্যদিকে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ইন্দ্রকুমার গুজরালকে নির্দেশ দেন ইন্দিরা, সমস্ত সংবাদপত্রের খবর আগে প্রধানমন্ত্রীর অফিসে আসবে! তারপর কোন খবর ছাপা হবে তা সরকার ঠিক করবে।

    কেমন ছিল জরুরি অবস্থার দিনগুলি?

    ২৮ বছর ধরে তখন দেশ শাসন করছিল কংগ্রেস। কংগ্রেস বললে ভুল হবে। গান্ধী-নেহরু পরিবারের বাবা ও মেয়ের হাতেই ছিল ক্ষমতা। ভারতীয় রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য নাম জর্জ ফার্নান্ডেজ। জরুরি অবস্থায় তাঁকে গ্রেফতার করে ইন্দিরা সরকার। হাতে পায়ে শিকল বাঁধা হয় জর্জ সমেত তাঁর ২৪ সহযোগীকে। সেই অবস্থায় তাঁদের রাস্তা দিয়ে হাঁটানো হত। পরিসংখ্যান বলছে, সেসময় মোট রাজনৈতিক গ্রেফতারির সংখ্যা ১,১০,৮০৬। বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাদের কোমরে দড়ি পরিয়ে পুলিশ জিপের সঙ্গে বেঁধে রাস্তায় হাঁটিয়ে নিয়ে যাওয়া হত। আর থানার লক আপে পুলিশি অত্যাচার! জরুরি অবস্থায় কেরলের কালিকট ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছাত্র রাজেনের মৃত্যু ঘটে পুলিশ হেফাজতে। অকথ্য অত্যাচার করা তাঁর উপর উপর। সদ্য ২০ পার হওয়া ছাত্রের জীবন সেদিন কেড়ে নেয় ইন্দিরা সরকার। তারপর দেহ লোপাট করে ফেলে পুলিশ। শোনা যায়, এরপর থেকেই রাজেনের মা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। এমন অজস্র ঘটনা ঘটতে থাকে দেশে। বেঁচে থাকার অধিকার মানুষের মৌলিক অধিকার। সেটাই তখন ছিল কংগ্রেস সরকারের কুক্ষিগত। অন্যদিকে বিহারের ১৬ বছরের কিশোর দিলীপ শর্মা। যাকে ১১ মাস ধরে বন্দি রাখে ইন্দিরা সরকার। অপরাধ তো একটাই ইন্দিরার স্বৈরতান্ত্রিকতার বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলা। সেসময় জনসঙ্ঘ এবং আরএসএস-এর বহু প্রচারক কার্যকর্তা গ্রেফতার হয়ে কারাবরণ করেন।

    ১২ জুন ১৯৭৫, কেন ক্ষমতা হারানোর ভয় পেলেন ইন্দিরা?

    ১৯৭১ সালের লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশের রায়বেরিলি কেন্দ্র থেকে জয়ী হন ইন্দিরা গান্ধী। বিপক্ষ প্রার্থী ছিলেন সংযুক্ত সোশ্যালিস্ট পার্টির রাজনারায়ণ। এই ভোটে ইন্দিরা গান্ধীর বিরুদ্ধে কারচুপি করে জেতার অভিযোগ আনেন রাজনারায়ণ। সোশ্যালিস্ট পার্টির এই নেতা দ্বারস্থ হন এলাহাবাদ হাইকোর্টের। তাঁর দায়ের করা মামলায় রাজনারায়ণ ইন্দিরার বিরুদ্ধে ৬ টি অভিযোগ আনেন। রাজনারায়ণের অভিযোগগুলি ছিল
    ১) ভোটে ইন্দিরা গান্ধী অসাংবিধানিকভাবে ভারত সরকারের এক আধিকারিক  যশপাল কাপুরকে নির্বাচনী এজেন্ট করেন। কাপুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতি গ্রহণ করেননি, তারপরেও তাঁকে নির্বাচনী এজেন্ট করেন ইন্দিরা।

    ২) রায়বেরিলি থেকে ভোট লড়ার জন্য ইন্দিরা গান্ধী, স্বামী অদ্বৈতানন্দ নামের একজনকে নগদ ৫০ হাজার টাকা দেন, যাতে রাজনারায়ণের ভোট কাটা যায়। 

    ৩) নির্বাচনী প্রচারে ইন্দিরা গান্ধী বায়ুসেনার বিমানগুলির যথেষ্ট অপব্যবহার করেন।

    ৪) ভোটে জিততে এলাহাবাদের পুলিশ সুপার এবং জেলা শাসকের সাহায্য নেন ইন্দিরা, যা বেআইনি।

    ৫) ভোটারদের প্রভাবিত করতে ইন্দিরা গান্ধী আগের রাতে কম্বল এবং মদ বিলি করেন।

    ৬) নির্বাচন কমিশনের বেঁধে দেওয়া খরচের বাইরে অতিরিক্ত অর্থ বিলি করেন ইন্দিরা।

    ১২ জুন ১৯৭৫ সালে এই মামলার রায় দেন এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি জগমোহনলাল সিনহা। ইন্দিরার বিরুদ্ধে সরকারি ব্যবস্থাকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচন জেতার অভিযোগ প্রমাণিত হয়। ইন্দিরা গান্ধীর সাংসদ পদ তো খারিজ হয়, পাশাপাশি ওই রায়ে ৬ বছর পর্যন্ত তিনি কোনও ভোটে লড়তে পারবেন না বলেও জানিয়ে দেন বিচারপতি সিনহা। এই অবস্থায় তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়তেই হতো। ক্ষমতা হারানোর ভয়ে ইন্দিরা তখন দিশাহারা, দ্বারস্থ হলেন সুপ্রিম কোর্টের। ২৩ জুন, ১৯৭৫ সালে মামলা দায়ের হল সুপ্রিম কোর্টে। ২৪ জুন বিচারপতি আইয়ার নির্দেশ দিলেন, যতক্ষণ না চূড়ান্ত রায় আসছে, ইন্দিরা গান্ধী প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন। তবে সাংসদ হিসেবে কাজ চালাতে পারবেন না। সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের পর বিরোধীরা বলতে শুরু করেন, “চূড়ান্ত রায় না আসা পর্যন্ত ইন্দিরা প্রধানমন্ত্রী থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন।” অন্যদিকে ইন্দিরার পদত্যাগের দাবিতে তখন দেশজুড়ে প্রবল আন্দোলন শুরু করেন জয়প্রকাশ নারায়ণ। ক্ষমতা হারানোর ভয় তাড়া করে কংগ্রেসি প্রধানমন্ত্রীকে। সুপ্রিম কোর্টের রায় ঘোষণার ১ দিন পরেই জারি হয় জরুরি অবস্থা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • E Passport: খুব শীঘ্রই চালু হবে ই-পাসপোর্ট! বড় ঘোষণা বিদেশমন্ত্রীর

    E Passport: খুব শীঘ্রই চালু হবে ই-পাসপোর্ট! বড় ঘোষণা বিদেশমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদেশযাত্রা আগামীদিনে আরও সহজ হতে চলেছে। জানা গিয়েছে, খুব শীঘ্রই চালু হতে চলেছে ই-পাসপোর্ট (E-Passport)। শনিবার ২৪ জুন ছিল পাসপোর্ট সেবা দিবস। এদিনই নয়াদিল্লিতে আয়োজিত পাসপোর্ট সেবা প্রোগ্রামে এমনই ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

    কী বললেন বিদেশমন্ত্রী?

    এদিন বিদেশমন্ত্রী বলেন, “ভারত শীঘ্রই ‘পাসপোর্ট সেবা কর্মসূচি’র (PSP-সংস্করণ ২.০) দ্বিতীয় ধাপে যাত্রা শুরু করবে। যার মধ্যে নতুন এবং আপগ্রেড করা ই-পাসপোর্ট রয়েছে।” এদিন পাসপোর্ট সেবা দিবসে বিদেশমন্ত্রী ভারত ও বিদেশে পাসপোর্ট ইস্যুকারী কর্তৃপক্ষকে জনগণকে ‘সময়মতো, নির্ভরযোগ্য, স্বচ্ছ এবং দক্ষ পরিষেবা’ দেওয়ার অঙ্গীকার করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

    নাগরিকদের জীবনযাত্রা সহজ করার লক্ষ্যে ‘EASE’ নামক বিশেষ উদ্যোগ

    এদিন বিদেশমন্ত্রী আরও বলেন, “নাগরিকদের জীবনযাত্রা সহজ করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ‘EASE’ নামক এক বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন। যার অর্থ হল, E: ডিজিটাল ইকো-সিস্টেম ব্যবহার করে নাগরিকদের পাসপোর্ট পরিষেবা উন্নত করা। A: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-চালিত পরিষেবা সরবরাহ। S: চিপ-নির্ভর ই-পাসপোর্ট ব্যবহার করে বিদেশ ভ্রমণ সহজ করা এবং E: ​​উন্নত ডেটা নিরাপত্তা।”

    বিদেশ সচিবের ট্যুইট

    এদিনই ই পাসপোর্ট (E-Passport) নিয়ে ট্যুইট করেন বিদেশ সচিব অরিন্দম বাগচি।

    ৭ গুণ বেড়েছে পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্র

    ভারতকে ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ‘পাসপোর্ট সেবা কর্মসূচি’ একটি বড় পদক্ষেপ বলেও জানান এস জয়শঙ্কর। সমস্ত রাজ্যের পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্রগুলিতে এই পরিষেবা চালু হয়েছে কিনা জানতে তিনি স্বয়ং পরিদর্শনে যাবেন বলেও জানিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী। তিনি আরও জানান, ২০১৪ সালে দেশে ৭৭টি পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্র (PSK) ছিল। এই সংখ্যা ৭ গুণ বেড়েছে বর্তমানে ৫২৩ হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • All Party Meeting: মণিপুর ইস্যুতে সর্বদলীয় বৈঠক অমিত শাহের! কী সিদ্ধান্ত হল?

    All Party Meeting: মণিপুর ইস্যুতে সর্বদলীয় বৈঠক অমিত শাহের! কী সিদ্ধান্ত হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরে শান্তি ফেরানোর লক্ষ্যে এদিন সর্বদলীয় বৈঠক (All Party Meeting) ডাকেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সূত্রের খবর, সেখানে সর্বদলীয় প্রতিনিধি দল পাঠানোর ব্যাপারে সবাই একমত হয়েছে। বৈঠকের মধ্যে রাষ্ট্রপতি শাসনেরও দাবি জানিয়েছে কোনও কোনও দল, এমনটাই জানা গিয়েছে। 

    চলতি বছরের ৩ মে থেকে অশান্তি চলছে মণিপুরে 

    এদিন সংসদের লাইব্রেরি হলে অনুষ্ঠিত হয় ওই বৈঠক (All Party Meeting)। প্রসঙ্গত, রাজ্যের ৭০ শতাংশ জনগোষ্ঠী হল মেইতেই। কিন্তু উপজাতি সম্প্রদায়ভুক্ত না হওয়ায় রাজ্যের মাত্র দশ শতাংশ জমির উপর অধিকার পায় এই জনগোষ্ঠী। বাকি পাহাড়ে, জঙ্গলের সংরক্ষিত জমিতে বসবাস করার অধিকার রয়েছে একমাত্র আদিবাসী কুকি সম্প্রদায়ের। ৩ মে এক মিছিলকে কেন্দ্র করে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয় মণিপুর জুড়ে। এখনও অবধি এই হিংসায় ১৪০ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কেন্দ্র ইতিমধ্যে সেখানে ১০১ কোটি টাকার ত্রাণ প্যাকেজ ঘোষণা করেছে।

    কোন কোন দল এদিন উপস্থিত ছিল?

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ডাকা এই বৈঠকে (All Party Meeting) এদিন হাজির হাজির ছিল কমবেশি সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিই। ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির প্রধান শরদ পওয়ার এই বৈঠকে যোগ দিতে পারবেন না বলে আগেই জানিয়েছিল। তবে তাঁর বদলে এদিন হাজির ছিলেন এনসিপির সাধারণ সম্পাদক নরেন্দ্র ভর্মা ও মণিপুরে এনসিপি প্রধান সোরান ইবোয়াইমা সিং। অন্যদিকে, তৃণমূলের তরফে ডেরেক ও’ব্রায়েন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ডাকা এই বৈঠকে যোগ দেন। কংগ্রেসের তরফে উপস্থিত ছিলেন ইবোবি সিং, বিআরএসের বিনোদ কুমার, আরজেডির মনোজ ঝা, শিবসেনা (উবিটি)-র প্রিয়ঙ্কা চতুর্বেদী, শিবসেনার একনাথ শিন্ডে। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই। প্রত্যেক দলের প্রতিনিধিকে ১০ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: হিন্দু ভাবাবেগে আঘাত ‘আদিপুরুষে’র! শাহকে চিঠি অল ইন্ডিয়ান সিনে ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশনের

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: মোদি জমানায় নির্মাণ হচ্ছে রাম মন্দির! প্রাচীন ভারতীয় ঐতিহ্য নতুন উচ্চতায়

    PM Modi: মোদি জমানায় নির্মাণ হচ্ছে রাম মন্দির! প্রাচীন ভারতীয় ঐতিহ্য নতুন উচ্চতায়

    ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্লোগান ছিল ‘আচ্ছে দিন আসছে’। বিগত ৯ বছরে ৪ কোটি মানুষ মাথার উপর ছাদ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায়, ১১ কোটি মানুষ পেয়েছেন শৌচালয়। উজ্জ্বলা যোজনা আসার পর কাউকে আর উনুনে রাঁধতে হচ্ছে না। চলছে স্কিল ইন্ডিয়া, মেক-ইন-ইন্ডিয়ার মতো অজস্র প্রকল্প। সন্ত্রাসী হামলার প্রত্যুত্তর হিসেবে এদেশ সাক্ষী থেকেছে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের। নিরাপত্তা হোক বা কৃষি, কর্মসংস্থান হোক বা দারিদ্রতা দূরীকরণ-বিগত ৯ বছরে কীভাবে এল সেই ‘আচ্ছে দিন’? তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন ।

    ‘সাফল্যের ৯ বছর’-১৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাচীন ভারতীয় সভ্যতা, পাঁচ হাজার বছরের পুরনো সংস্কৃতিকে পুনরায় বিশ্বের দরবারে তুলে ধরার কাজ বিগত ৯ বছর ধরে করে চলেছে মোদি সরকার (PM Modi)। স্বাধীনতা পরবর্তী ৭০ বছরে ভারতবর্ষের সভ্যতা, সংস্কৃতি, প্রাচীন ঐতিহ্য এবং পরম্পরাকে অবহেলা করা হত কংগ্রেস জমানায়। অভিযোগ, শুধুমাত্র অবহেলা নয়, ভারতবর্ষের প্রাচীন গৌরবকে লুকিয়েও রাখা হত তোষণের কারণে। প্রচার করা হত শুধুমাত্র মধ্যযুগীয় ইসলামি শাসনকে। কিন্তু মোদি জমানায় সে সব কিছুরই পরিবর্তন হয়েছে। সনাতন সংস্কৃতির প্রচার এখন বিশ্বজুড়ে। কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের করিডর নির্মাণ করা হয়েছে এবং আরও নানা রকমের প্রকল্পের দ্বারা বারাণসী নগরীর ধাঁচ বদলে দেওয়া হয়েছে। নতুন এই বারাণসী নগরকে দেখলে যেন চেনাই যায় না। রাস্তাঘাট, অলিগলি সব কিছুরই খোলনলচে বদলানো হয়েছে।

    একই কথা প্রযোজ্য মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়নীর ক্ষেত্রেও। সেখানে নেওয়া হয়েছে মহাকাল লোক প্রকল্প। অসমের মা কামাখ্যা মন্দিরের করিডর একই ভাবে নতুন ভাবে সেজে উঠেছে। সেখানে আগত ভক্তদের জন্য বিশ্বমানের ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে, যা পর্যটন শিল্পেরও উন্নতি সাধন ঘটিয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতিরও বিকাশ ঘটেছে। ৯০০ কিলোমিটার চারধাম সড়ক যোজনার নির্মাণ কাজ চলছে, যা যে কোনও বিরূপ আবহাওয়াতেও অক্ষত থাকবে। এই প্রকল্পে জুড়বে চারটি ধাম। প্রধানমন্ত্রী মোদি ব্যক্তিগতভাবে কেদারনাথ মন্দিরের পুনর্গঠন দেখাশোনা করছেন। মন্দির সংলগ্ন স্থানে স্থাপিত হয়েছে ভগবান আদি শংকরাচার্যের মূর্তি, যা ভারতের শাশ্বত সংস্কৃতির প্রতীক।

    ২০২০ সালের অগাস্টে প্রধানমন্ত্রী মোদি রাম মন্দিরের ভূমি পূজন করেন। আধুনিক ভারতের ইতিহাসে যা এক স্মরণীয় ঘটনা। ঔপনিবেশিক পরাধীনতার প্রতীককে দেশ থেকে মুছে দিতে প্রধানমন্ত্রী রাজপথের নামকরণ করেন কর্তব্যপথ, যা ভারতীয় জনগণের ক্ষমতায়নের প্রতীক। দেশের হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যকে পুনরায় অগ্রাধিকার দেওয়ার কাজ মোদি সরকারের আমলে পরিলক্ষিত হচ্ছে। ভারত থেকে চুরি যাওয়া তথা পাচার হওয়া নানা রকমের মূর্তি পুনরায় আনার ব্যাপারে উদ্যোগী হয়েছে মোদি সরকার। এ নিয়ে বিশ্বের নানা দেশের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি গত ৯ বছরে অমূল্য অনেক কিছুই দেশে ফেরত এসেছে।

    মোদি সরকারের প্রাথমিক নীতিগুলির মধ্যে অন্যতম হল জাতির পুনর্গঠন। গুজরাটে সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলের মূর্তি তৈরি হয়েছে মোদির আমলে, যা পরিচিত স্ট্যাচু অফ ইউনিটি নামে। এটি বিশ্বের সব থেকে উঁচু স্ট্যাচু। বিগত ৯ বছরে মোদি সরকার দেশের সমস্ত বীরদের সম্মান এবং মর্যাদা দিয়েছে। কংগ্রেস জমানায় গান্ধী-নেহরু পরিবারকেই শুধুমাত্র দেশের হিরো বানানো হয়েছিল। কিন্তু নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তি ইন্ডিয়া গেটে স্থাপন করেছেন নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। প্রধানমন্ত্রী সংগ্রহালয়ে দেশের বীরদের অবদান এবং কৃতিত্বের ইতিহাসকে সংরক্ষিত করে রাখা হয়েছে। ২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উদ্বোধন করেন জাতীয় যুদ্ধ মেমোরিয়াল। দেশের জন্য চরম আত্মত্যাগ করেছেন যাঁরা, তাঁদের জীবনী সংরক্ষিত রয়েছে এখানে।

    একনজরে দেখে নেওয়া যাক, দেশের প্রাচীন গৌরবকে তুলে ধরতে মোদি সরকারের গত ৯ বছরের প্রয়াসগুলি

    ১) কাশী বিশ্বনাথ মন্দির এবং উজ্জয়নীর মহাকাল প্রকল্পকে বিশ্বমানের করে তোলা হয়েছে, যা তীর্থযাত্রীদের কাছে নতুন আকর্ষণ।

    ২) প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি রাম মন্দিরের ভূমি পূজন করেন ২০২০ সালের ৫ অগাস্ট। ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে রাম মন্দিরের উদ্বোধন হওয়ার কথা।

    ৩) ২৩১ টি চুরি যাওয়া এবং বিদেশে পাচার হওয়া মূল্যবান জিনিস দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে বিগত ৯ বছরে। ২০১৪ সাল পর্যন্ত মাত্র ১৩টি জিনিস ফিরিয়ে আনতে পেরেছিল ইউপিএ সরকার।

    ৪) কেদারনাথ মন্দিরকে নতুন ভাবে গড়ে তোলার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ২০৭.৩০ কোটি টাকা।

    ৫) চারধাম যাত্রা সংযোগকারী সড়ক যোজনা নেওয়া হয়েছে।

    ৬) গুজরাটের সোমনাথ মন্দিরকে নতুনভাবে গড়ে তোলা হয়েছে। খরচ হয়েছে ৩.৫ কোটি টাকা। 

    ৭) ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়াল তৈরি করা হয়েছে।

    ৮) বারোটি ঐতিহ্যগত হেরিটেজ সাইটের উন্নয়ন করা হয়েছে।

    ৯) হৃদয় প্রকল্পের মাধ্যমে তফশিলি জাতি এবং উপজাতি যোদ্ধাদের জন্য দশটি মিউজিয়াম তৈরি করা হয়েছে। খরচ হয়েছে ১৫৮৬ কোটি টাকা।
     
    ১০) শিখ তীর্থযাত্রীদের কথা মাথায় রেখে তৈরি হয়েছে কর্তারপুর সাহিব করিডর।

     

    আরও পড়ুন: ৯ বছরে ৭টি বিমানবন্দর, ১২টি মেডিক্যাল কলেজ! মোদি জমানায় এগিয়েছে উত্তর-পূর্ব ভারত

    আরও পড়ুন: প্রতি জিবি ডেটা ৩০৮ থেকে কমে ১০ টাকারও নিচে! প্রযুক্তি ক্ষেত্রে সাফল্য মোদি সরকারের

    আরও পড়ুন: ৩.২৮ লক্ষ কিমি গ্রামীণ রাস্তা থেকে চেনাব ব্রিজ! মোদি জমানায় বদলে গেছে দেশ

    আরও পড়ুন: মোদি জমানায় ব্যবসার আদর্শ পরিবেশ দেশে! ৯ বছরে স্টার্টআপ বেড়েছে ২৬০ গুণ

    আরও পড়ুন: মোদি জমানায় মজবুত অর্থনীতি, বছরে ৩১ কোটি মোবাইল উৎপাদন!

    আরও পড়ুন: ৯ বছরের মোদি জমানায় সফল বিদেশ ও সুরক্ষা নীতি, কাশ্মীরে বিলোপ ৩৭০ ধারা!

    আরও পড়ুন: মোদি সরকারের ৯ বছরে ১৫ টি নতুন এইমস, ৩৭ কোটি মানুষের স্বাস্থ্য বিমা!

  • Sikkim Landslide: সিকিমে ভূমি ধস! আটকে পড়া ৩৫০ পর্যটককে উদ্ধার করল সেনা

    Sikkim Landslide: সিকিমে ভূমি ধস! আটকে পড়া ৩৫০ পর্যটককে উদ্ধার করল সেনা

    মাধ্যম নিউড ডেস্ক: অতি ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে ভয়াবহ ধস নামল সিকিমে (Sikkim Landslide)। ভূমিধসের কারণে বহু স্থানীয় পর্যটক আটকে পড়েন। জানা গিয়েছে, ৩০০ পর্যটককে উদ্ধার করা গেছে রবিবার। এর আগের দিন, শনিবার প্রায় ৩,৫০০ আটকে পড়া পর্যটককে উদ্ধার করে সেনা। উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন সেনার ত্রিশক্তি কোর এবং স্ট্রাইকিং লায়ন ডিভিশনের কর্মীরা। উদ্ধার করা পর্যটকদের খাবার, প্রাথমিক চিকিৎসা সমেত অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের ব্যবস্থাও করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সেনা আধিকারিক লেফটেন্যান্ট মহেন্দ্র রাওয়াত।

    কী বলছে সেনা?

    এদিন সেনার তরফে মহেন্দ্র রাওয়াত বলেন, ‘‘পর্যটকদের উদ্ধার করে খাবার ও ওষুধ দেওয়া হয়েছে। উদ্ধারের সময় সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েছিলেন এক ব্যক্তি। তাঁকে অ্যাম্বুল্যান্সে সেনা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল।’’

    রাস্তা ভেসে যায় ভারী বৃষ্টিতে…..

    জানা গিয়েছে, ভারী বৃষ্টির কারণে সিকিমের চুংথাংয়ের কাছে রাস্তা ভেসে যায়। এর ফলে উত্তর সিকিমে আটকে পড়েন ৩ হাজারের বেশি পর্যটক। পর্যটকদের উদ্ধারকাজে হাত লাগায় সেনা। রাতভর রাস্তা পরিষ্কারের কাজ চলে। শনিবার বিকেলে ৩৫০০ পর্যটককে নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ত্রিশক্তি কর্পস, ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং সীমান্ত সড়ক সংস্থার কর্মীরা পর্যটকদের উদ্ধার করে। রাতভর ওই এলাকায় একটি অস্থায়ী ক্রসিং তৈরির কাজ করে। পর্যটকদের নদী পার করানো হয়। দেওয়া হয় গরম খাবার। প্রাথমিক চিকিৎসার বন্দোবস্ত করা হয়।

     

    আরও পড়ুন: মণিপুরে শান্তি ফেরাতে আবেদন সঙ্ঘের! গৃহহারা প্রায় ৫০ হাজার মানুষকে সাহায্য

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • RSS: মণিপুরে শান্তি ফেরাতে আবেদন সঙ্ঘের! গৃহহারা প্রায় ৫০ হাজার মানুষকে সাহায্য

    RSS: মণিপুরে শান্তি ফেরাতে আবেদন সঙ্ঘের! গৃহহারা প্রায় ৫০ হাজার মানুষকে সাহায্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরে চলা হিংসার ঘটনায় নিন্দা জানাল আরএসএস (RSS)। পাশাপাশি সে রাজ্যের প্রশাসন, নিরাপত্তা আধিকারিক সমেত রাজ্য সরকারের কাছে শান্তি স্থাপনের উদ্দেশে যাবতীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার অনুরোধও জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘ। আর্ত এবং দুর্গতদের মধ্যে সেবাকাজও শুরু করেছে সঙ্ঘ (RSS)। প্রসঙ্গত,সেখানকার মেইতেই এবং কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে হিংসায় অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে মণিপুর। হিংসায় প্রায় ১০০ এর বেশি মানুষ নিহত হন। ১১টি জেলাতে জারি করতে হয় কার্ফু। বন্ধ রাখতে হয় ইন্টারনেট পরিষেবা। সেখানে  শান্তি স্থাপনের উদ্দেশে দিন কয়েক আগেই পা রাখেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ঘোষণা করেন ১০১ কোটি টাকার কেন্দ্রীয় প্যাকেজ।

    আরএসএস-এর প্রেস বিবৃতি…  

    রবিবার এক প্রেস বিবৃতিতে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের সর কার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে জানান, বাস্তুচ্যুত মানুষদের জন্য ইতিমধ্যে সমস্ত প্রয়োজনীয় সামগ্রীর ব্যবস্থা করেছে সঙ্ঘ। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় পারস্পরিক ঘৃণা এবং হিংসার কোনও স্থান নেই। কুকি এবং মেইতেই  দু’পক্ষের মধ্যে সমঝোতার জন্য পারস্পরিক আলোচনার আবেদনও জানিয়েছে সঙ্ঘ। মণিপুরের সাধারণ নাগরিক, বিশিষ্ট নাগরিক, রাজনৈতিক দলগুলির কাছেও সঙ্ঘ আর্জি জানিয়েছে শান্তি ফেরাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের। ওই প্রেস বিবৃতি অনুযায়ী মণিপুরে এখনও পর্যন্ত প্রায় পঞ্চাশ হাজারের বেশি দুর্গত মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছে সঙ্ঘ। সঙ্ঘ নেতা দত্তাত্রেয় হোসাবলে বলেন, বিগত ৪৫ দিন ধরে মণিপুরে যা চলছে তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সেখানে শান্তি স্থাপন করতে হবে।

    গত সপ্তাহের শুক্রবার থেকে ফের শুরু হয়েছে হিংসা

    শুক্রবার রাত থেকে আবারও অশান্তির আগুন জ্বলেছে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়। দফায় দফায় হয়েছে সংঘর্ষ। লাগানো হয়েছে আগুন। গুলি চালানোর খবরও মিলেছে। জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে কাওয়াকতা ও কাঙ্গভাইয়ে গুলি চলে। আজ, শনিবার ভোর পর্যন্ত দফায় দফায় গুলি চলেছে বলে পুলিশ ও সেনা সূত্রে খবর। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় চালানো হয়েছে ভাঙচুর, লাগানো হয়েছে আগুন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Netaji: ‘‘নেতাজি থাকলে এদেশ কখনও ভাগ হত না’’, মত অজিত ডোভালের

    Netaji: ‘‘নেতাজি থাকলে এদেশ কখনও ভাগ হত না’’, মত অজিত ডোভালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেতাজি (Netaji) থাকলে এ দেশ কখনও ভাগ হত না। শনিবার দিল্লিতে সুভাষ বোস স্মারক বক্তৃতায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথা বলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল।

    কী বললেন ডোভাল? 

    এদিন দিল্লিতে ডোভাল বলেন, ‘‘নেতাজি (Netaji) সুভাষচন্দ্র বসু দেশের স্বাধীনতার অতন্দ্র প্রহরী ছিলেন। দেশের স্বাধীনতার জন্য প্রাণপণ লড়াই করেছিলেন। আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন করেছিলেন। কিন্তু, স্বাধীনতা প্রাপ্তি তিনি দেখে যেতে পারেননি। নেতাজি থাকলে ভারত ভাগ হত না।’’ তাঁর এদিনের বক্তব্য উঠে আসে গান্ধী-সুভাষ দ্বৈরথের কথাও। তাঁর মতে, ‘‘নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মহাত্মা গান্ধীকে চ্যালেঞ্জ করারও স্পর্ধা ছিল।’’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘আমি ভালো বা খারাপ বলছি না। ভারতীয় ইতিহাসে খুব কম জন ছিলেন স্রোতের বিপরীতে যেতে পারতেন। নেতাজি ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধ করেছিলেন। তিনি মনে করতেন, ভিক্ষায় কখনও স্বাধীনতা আসে না। জিন্নাও বলেছিলেন আমি একমাত্র সুভাষ বোসের কথাই শুনব।’’

    নেতাজির অন্তর্ধান… 

    অজিত দোভাল আরও বলেন, ‘‘নেতাজি (Netaji) পূর্ণ স্বাধীনতায় বিশ্বাস রাখতেন। তিনি শুধু রাজনৈতিক ক্ষমতা বদলের স্বাধীনতা চাননি। মানুষের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মানসিকতার পরিবর্তনও চেয়েছিলেন। যাতে তাঁরা আকাশে মুক্ত পাখির মতো বিচরণ করতে পারেন।’’ নেতাজির অন্তর্ধান নিয়ে তিনি বলেন, ‘‘১৯৪৫ সালের ১৮ অগাস্ট তিনি নিঁখোজ হয়ে যান। তাঁর মৃত্যু রহস্যে বহু কমিশন তৈরি হলেও, আজও বিতর্ক রয়ে গেছে তাইহোকু বিমান দুর্ঘটনার বিষয়ে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Assam Flood: অসমে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ! ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৩৮ হাজার মানুষ

    Assam Flood: অসমে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ! ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৩৮ হাজার মানুষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসমের বন্যা (Assam Flood) পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। ব্রহ্মপুত্র-সহ অসম দিয়ে প্রবাহিত প্রায় সমস্ত নদীর জলস্তর ক্রমাগত বাড়ছে। বেশ কয়েকটি জায়গায় নদীবাঁধ ভেঙে পড়ারও খবর মিলেছে। কয়েকটি অঞ্চলে ভেসে গিয়েছে গ্রামের পর গ্রাম। অসমের সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, বন্যার জেরে ইতিমধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন অসমের ১০ জেলার অন্তত ৩৮ হাজার মানুষ। এই মরসুমের ফসলও নষ্ট হয়েছে বিঘার পর বিঘা।

    আরও পড়ুন: ‘বিপর্যয়’-ধ্বস্ত গুজরাট ঘুরে দেখলেন শাহ, দুর্গতদের দিলেন সাহায্যের আশ্বাস

    কী বলছে কেন্দ্রীয় জল আয়োগ?

    কেন্দ্রীয় জল আয়োগ (সিডব্লুসি) সূত্রে খবর, কয়েকটি জেলায় জলস্তর বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। যেমন, জোরহাট জেলার নেমাতিঘাটে ব্রহ্মপুত্র নদ বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। কামপুরে কোপিলি এবং কামরূপে পুটিমারি নদী বিপদসীমা পেরিয়েছে। অসমের অন্যান্য নদীও দু’কুল ছাপিয়ে গিয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে অসমে অতি ভারী বৃষ্টিপাত চলছে। তার ফলেই বেশির ভাগ নদী ফুলেফেঁপে উঠেছে। জানা গিয়েছে, সবচেয়ে বিপজ্জনক অবস্থা ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার। অসমের বিভিন্ন জেলায় একাধিক রাস্তা ভেঙে পড়েছে জলের তোড়ে। ভেঙেছে নদীর উপরের সেতু। জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে বহু স্কুলও।

    কী বলছে বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর?

    অসমের (Assam Flood) বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের এক আধিকারিক বলেন, ‘‘এখনও পর্যন্ত রাজ্যের ১০ জেলার ৩৭,৫৩৫ জন মানুষ বন্যার জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। গুয়াহাটিতে জমি ধসে মৃত্যু হয়েছে এক জনের। তবে বন্যার জেরে এখনও পর্যন্ত কারও মৃত্যুর খবর আসেনি।’’ জানা গিয়েছে, অসমের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলি হল বিশ্বনাথ, দারাং, ধেমাজি, ডিব্রুগড়, লখিমপুর, তামুলপুর এবং উদালগিরি। অসম সরকারের তরফে রাজ্যে মোট ১১টি ত্রাণশিবির খোলা হয়েছে। তার মধ্যে ৮টি ত্রাণশিবির চলছে লখিমপুরে এবং উদালগিরিতে দু’টি।

    আরও পড়ুুন: বিজেপি প্রার্থীদের বাড়ি ভাঙচুর, আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে প্রাণনাশের হুমকি, অভিযুক্ত তৃণমূল

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Pod Taxi: দেশে খুব শীঘ্রই চালু হতে চলেছে চালকহীন ‘পড ট্যাক্সি’! কী এর বিশেষত্ব?

    Pod Taxi: দেশে খুব শীঘ্রই চালু হতে চলেছে চালকহীন ‘পড ট্যাক্সি’! কী এর বিশেষত্ব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ফিউচার টেকনোলজি’র প্রয়োগে হাত আরও বাড়িয়ে দিল ভারত। ভারতবর্ষে প্রথম চালু হতে চলেছে চালকহীন “পড ট্যাক্সি” (pod taxi)। প্রথমবারের মতো এই গাড়ি ছুটতে চলেছে নয়ডার জেওয়ার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। এটিই হতে চলেছে ভারতের সর্বপ্রথম পড ট্যাক্সি পরিষেবা। দিল্লির নয়ডাতে এই নতুন বিমান বন্দরটি নির্মাণ হচ্ছে, যার কাজ অনেকটাই শেষের পথে। বাকি অনেক বিমান বন্দরের থেকে বেশি আধুনিক পরিষেবা প্রদানকারী বিমান বন্দরের তকমা পেতে চলেছে এটি। এই  বিমান বন্দরটি নির্মাণের পর দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী বিমানবন্দরের অনেকটাই চাপ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    কী এই পড ট্যাক্সি (pod taxi)?

    এই পড ট্যাক্সি হল একটি চালকবিহীন বৈদ্যুতিক যান। এই গাড়িগুলি (pod taxi) সাধারণত ছোট আকৃতির এবং কম সংখ্যক যাত্রী পরিবহণ করতে সক্ষম। এটি দেখতে অনেকটা ছোট ট্রাম বা ট্রেনের মতো।  একটি নির্দিষ্ট ট্র্যাকের ওপর দিয়ে এটি চলাচল করে, আর এটি চালাতে প্রয়োজন হয় বিদ্যুতের। বর্তমানের মেট্রো রেলের মতো ট্র্যাকেই বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থা থাকে, যার সাহায্যে এটি চলতে পারে।

    কেন এটি (pod taxi) অন্যান্য যানবাহনের থেকে আলাদা? 

    সাধারণত চলাচলের মাধ্যমটিই একে অন্যান্য যানবাহনের থেকে আলাদা করে। এটি এক বিশেষ ট্র্যাকের মাধ্যমে চলে, সে তো আগেই বলা হয়েছে।
    তাছাড়াও যে সব সুবিধা পাওয়া যায়, সেগুলি হল:

    ১) এটি (pod taxi)একটি দূষণ মুক্ত যানবাহন। দিল্লির মতো দূষণ প্রবণ এলাকায় এই গাড়ি কিছুটা হলেও পরিবেশ বান্ধব পরিষেবা প্রদান করবে।
    ২) এটি রাস্তায় চলাকালীন অন্যান্য যানবাহনের রাস্তা আটকাবে না, যানজটের ঝামেলা থেকে মুক্ত রাখবে শহরকে।
    ৩) খুব কম সময়ের মধ্যে মানুষ সরাসরি বিমান বন্দরে পৌঁছে যেতে পারবেন। 

    কোথায় এই পরিষেবা (pod taxi) মিলবে?

    এখনও পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী এই পড ট্যাক্সি পরিষেবা (pod taxi) মিলবে ১৪.১ কিলোমিটার পথের মধ্যে। এই পুরো প্রজেক্টটি করতে খরচ হচ্ছে প্রায় ৮১০ কোটি টাকা। গৌতম বুদ্ধ নগর জেলার ২৮, ২৯, ২১ এবং ৩২ নম্বর সেক্টরের মধ্যে এই পড ট্যাক্সির পরিষেবা মিলবে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share