Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Nitish Kumar: মোদি সরকারের অন্তর্বর্তী বাজেটকে ‘ইতিবাচক’ আখ্যা দিলেন নীতীশ কুমার

    Nitish Kumar: মোদি সরকারের অন্তর্বর্তী বাজেটকে ‘ইতিবাচক’ আখ্যা দিলেন নীতীশ কুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল বৃহস্পতিবারই সংসদে অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট পেশ করেছে মোদি সরকার। আর এ নিয়েই প্রশংসা শোনা গেল বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের (Nitish Kumar) কন্ঠে। তিনি এই বাজেটকে ইতিবাচক বলে মন্তব্য করেছেন। প্রসঙ্গত, রবিবারই আরজেডি জোট ছেড়ে এনডিএ শিবিরে ভিড়েছেন নীতীশ। তারপরেই মোদি সরকারের অন্তর্বর্তী বাজেট ছিল এদিন।

    নীতীশের ট্যুইট

    বিহারের মুখ্যমন্ত্রী (Nitish Kumar) এদিন নিজের এক্স হ্যান্ডেলে অন্তর্বর্তী বাজেটের নানা বিষয় তুলে ধরেন এবং সবদিক থেকে বাজেট ইতিবাচক হয়েছে তাও বলেন। উচ্চশিক্ষায় লোনের পরিমাণ এবং নতুন তিনটে রেলওয়ে ইকোনমিক করিডরের সূচনাকে তিনি প্রশংসা করেন। জানান, এর ফলে দেশের প্রভূত অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটবে।

    বাজেটের প্রশংসায় নীতীশ

    মধ্যবিত্ত শ্রেণীর জন্য কেন্দ্র সরকারের স্পেশাল হাউসিং স্কিম বেশ লাভজনক হবে বলে জানিয়েছেন নীতীশ (Nitish Kumar)। পাশাপাশি যাঁরা ভাড়া বাড়িতে থাকেন অথবা বস্তিতে থাকেন তারাও এবার লাভ নিতে পারবেন বলে মত দেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি আরও জানিয়েছেন, ১০০ দিনের কাজে বরাদ্দ বৃদ্ধির ফলে গ্রামীণ মানুষদের আরও কর্মসংস্থানের সুযোগ ঘটবে। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার সকালেই নির্মলা সীতারমণ সংসদে অন্তবর্তী বাজেট পেশ করেন। কৃষক, মহিলা, যুব এবং গরিবদের দিকে বিশেষ জোর দেওয়া হয় এই বাজেটে।

    আরও পড়ুন: ২ লক্ষ কোটি টাকার হিসেব কোথায়? ক্যাগের রিপোর্ট দেখিয়ে প্রশ্ন সুকান্তর

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Champai Soren: আজই শপথ চম্পাই সোরেনের, ১০ দিনের মধ্যে প্রমাণ করতে হবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা

    Champai Soren: আজই শপথ চম্পাই সোরেনের, ১০ দিনের মধ্যে প্রমাণ করতে হবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল সিপি রাধাকৃষ্ণন বৃহস্পতিবার চম্পাই সোরেনকে (Champai Soren) সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করেছেন এবং তাঁকে শপথ গ্রহণের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। জানা গিয়েছে, আজই শপথ নিতে চলেছেন চম্পাই সোরেন। প্রসঙ্গত, হেমন্ত সোরেনের গ্রেফতারির পরেই চম্পাই সোরেন ঝাড়খন্ড মুক্তি মোর্চার পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে নির্বাচিত হন। এরপরেই সরকার গঠনের জন্য চম্পাই সোরেন (Champai Soren) রাজ্যপালের কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন।

    কী বলছে ঝাড়খণ্ডের রাজভবন?

    রাজ্যপালের প্রধান সচিব নীতিন মদন কুলকরনি এ বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন যে চম্পাই সোরেনকে (Champai Soren) আহ্বান জানানো হয়েছে রাজভবনের তরফ থেকে শপথ গ্রহণ করার জন্য। এরপরে তাঁরাই স্থির করবেন যে কখন তাঁরা এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। জানা গিয়েছে, চম্পাই সোরেনকে ১০ দিনের সময়সীমা দেওয়া হয়েছে, আস্থা ভোটে তাঁর সরকারের সংখ্যা গরিষ্ঠতা প্রমাণের জন্য। প্রসঙ্গত কংগ্রেসও এই জোটের অন্যতম শরিক হিসেবে রয়েছে। গতকালের খবর ভেসে যায় যে ৬ জন কংগ্রেস বিধায়ক নিখোঁজ রয়েছেন, তাঁদের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। সে সময় প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, ঝাড়খন্ড মুক্তি মোর্চার জোট সরকারের কি পতন হবে জোটের নেতারা তাঁদের বিধায়কদের হায়দ্রাবাদের এক হোটেলে পাঠিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু সে সময়ে তাদেরকে পাঠানো সম্ভব হয়নি কারণ ঘন কুয়াশায় বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দু’ঘণ্টা ধরে বিধায়করা এয়ারপোর্টে বসেছিলেন। পরে তাঁরা পুনরায় সার্কিট হাউসে ফিরে আসেন।

    বুধবার গ্রেফতার হন হেমন্ত সোরেন

    প্রসঙ্গত, বুধবার জমি দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। দীর্ঘ ৭ ঘণ্টা ধরে তাঁর বাড়িতে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। গ্রেফতারির আগে অবশ্য তিনি রাজ্যপালের কাছে গিয়ে পদত্যাগ পত্র জমা করেন। ৪৮ বছর বয়সী নেতা হেমন্ত সোরেন ইতিমধ্যে সুপ্রিম কোর্টে তাঁর গ্রেফতারিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন। এ বিষয়ে আজ শুক্রবারে শুনানি রয়েছে শীর্ষ আদালতে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hemant Soren arrested: ইডির হাতে গ্রেফতার ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন

    Hemant Soren arrested: ইডির হাতে গ্রেফতার ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জমি দুর্নীতিকাণ্ডে ইডি-র হাতে গ্রেফতার হলেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। জানা গিয়েছে ইতিমধ্যে পদত্যাগও করেছেন তিনি। তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ঝাড়খণ্ডের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন চম্পাই সোরেন। জানা গিয়েছে ইতিমধ্যে হেমন্ত সোরেনের বাড়ির আশেপাশে ১৪৪ ধারা জারি করে দেওয়া হয়েছে। যে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে কাউকে ভিড়ও করতে দেওয়া হচ্ছে না। এবং ওই এলাকাটি ঘিরে রয়েছেন কেন্দ্রীয় জওয়ানরা। চলছে ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি। ইন্ডি জোটের অন্যতম মুখ ছিলেন ঝাড়খণ্ডের হেমন্ত সোরেন। দুর্নীতির দায়ে তিনি গ্রেফতার হলেন বুধবার। অন্যদিকে রবিবারই ইন্ডি জোটের অন্যতম কারিগর নীতীশ কুমার ফিরেছেন তাঁর পুরনো শিবিরে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারনা, লোকসভা নির্বাচনের আগে যথেষ্ঠ ব্যাকফুটে ইন্ডি জোট।

    বাড়ি থেকেই গ্রেফতার

    প্রসঙ্গত, জমি দুর্নীতিকাণ্ডে হেমন্ত সোরেনকে (Hemant Soren arrested) একাধিক বার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। বিগত কয়েক দিন ধরে দুর্নীতির দায়ে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার এই শীর্ষ নেতাকে গ্রেফতারের সম্ভাবন ক্রমশই বাড়ছিল। বাজেয়াপ্ত করা হয় তাঁর বহুমূল্যের গাড়িও। দিল্লির বাড়িতে চলে তল্লাশি। দু দিন কার্যত আত্মগোপন করে ছিলেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী। এর পর এ দিন সকালে তাঁর খোঁজ মিলতেই হেমন্ত সোরেনের বাড়িতে যায় ইডি-র সাত সদস্যের একটি দল। আরও এক দফা জিজ্ঞাসাবাদের পর শেষ পর্যন্ত গ্রেফতারের সিদ্ধান্ত নেন ইডি কর্তারা।

    মুখ্যমন্ত্রীর ইস্তফা

    গ্রেফতার হতে হবে জানতে পেরে রাজভবনে গিয়ে নিজের ইস্তফাপত্র জমা দেন হেমন্ত সোরেন (Hemant Soren arrested)। এর পরই তাঁকে হেফাজতে নেয় ইডি। ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা এবং জোট শরিক কংগ্রেসের পক্ষ থেকে চম্পাই সোরেনের নাম পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে রাজ্যপালের কাছে জমা দেওয়া হয়। কোনও কোনও মহল থেকে ভাবা হয়েছিল স্ত্রী কল্পনা সোরেনকে হয়তো মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসাবেন হেমন্ত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পরিবহণ মন্ত্রী চম্পাই সোরেনকে নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেওয়া হল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

  • ECI: লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে সিআরপিএফের নিয়ন্ত্রণে, সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    ECI: লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে সিআরপিএফের নিয়ন্ত্রণে, সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাতে গোনা আর মাত্র ক’টা দিন। তারপরেই আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের বাজনা বেজে যাবে। ইতিমধ্যেই জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI) বেশ কিছু নজরকাড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তবে উল্লেখযোগ্যভাবে নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশ হওয়ার আগেই নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, প্রত্যেক বুথেই থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। যদিও ২০১৯ এবং ২০২১ সালে এই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হলেও তাকে সম্পূর্ণভাবে মনিটর করেছে বিএসএফ। কিন্তু এবার আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সব কিছুই মনিটর করবে সিআরপিএফ। শাসক থেকে বিরোধী, সকলেই বিএসএফের দিকে বিভিন্ন সময়ে আঙুল তুলেছে। আর সব কিছু পর্যালোচনা করেই জাতীয় নির্বাচন কমিশন এবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর, জেলা নির্বাচনী আধিকারিক বা রিটার্নিং অফিসার থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় বাহিনী যেখানে যেখানে মোতায়েন হবে, তার সব কিছুই মনিটার করবে একমাত্র সিআরপিএফ।

    যোগাযোগ রক্ষার কাজও করবে সিআরপিএফ (ECI)

    পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনী সংক্রান্ত সব বিষয়ে কমিশন এবং মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার কাজ করবে সিআরপিএফ। নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশ হওয়ার আগে থেকেই সব দিকের সব কাজ আগে থাকতেই শেষ করে রাখতে চাইছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গতিবিধি এবং অতি সক্রিয়তা নিয়ে বারবার প্রশ্ন করেছিল রাজ্যের শাসক দল। অন্যদিকে রাজ্যের শাসক তথা বিরোধী তর্জার মাঝেই জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI) জানিয়ে দিয়েছে, আসন্ন ২০২৪’ এর লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মোতায়েন করা থেকে শুরু করে সব কিছুই এবার মনিটর করবে সিআরপিএফ।

    আশায় বুক বাঁধছে মানুষ (ECI)

    এখন দেখার বিষয় একটাই, সম্প্রতি রাজ্যের শেষ হওয়া পঞ্চায়েত ভোটে মানুষের মধ্যে যে ছবি এখনও ঢুকে রয়েছে, সেই আতঙ্ককে দূর করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিজস্ব যে ভূমিকা তা যথাযথ ভাবে পালন করে আদপে সিআরপিএফ কতটা সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে পারে এবং আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (ECI) গরিমাকে ধরে রাখতে কতটা তৎপর হতে পারে। তবে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের যে ভূমিকা এখন থেকেই সাধারণ মানুষ দেখছে, তাতে আশায় বুক বাঁধছে মানুষ, হয়তো বা এবার রাজ্যে অবাধ, শান্তিপূর্ণ এবং রক্তপাতহীন লোকসভা নির্বাচন সম্পন্ন হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Rahul Gandhi: মালদায় রাহুল গান্ধীর গাড়িতে পড়ল ইট, ভেঙে চুরমার পিছনের কাচ

    Rahul Gandhi: মালদায় রাহুল গান্ধীর গাড়িতে পড়ল ইট, ভেঙে চুরমার পিছনের কাচ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রায় বিহার থেকে মালদায় প্রবেশ করছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। বুধবার হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় দেওয়ানগঞ্জে জনরোষের মধ্যে পড়েন তিনি। এরপরই তাঁর গাড়িতে পড়ল ইট, ভেঙে চুরমার করা হল পিছনের কাচ। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। এই ঘটনার সমালোচনা করে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী বলেন, “বুঝে নিন কে ভাঙতে পারে?”। অপর দিকে আজই মালদায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশেষ সভা রয়েছে। তাই মোদি-বিরোধী ‘ইন্ডি’ জোট কতটা সুরক্ষিত এই রাজ্যে, তা নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হল। আরও একবার প্রশ্ন উঠল, জোটের ভবিষ্যৎ কী?

    কী বললেন অধীররঞ্জন (Rahul Gandhi)?

    ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা প্রসঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরি আগে থেকেই মমতার বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। ৩১ জানুয়ারিতেই রাহুলের মধ্যাহ্ন ভোজনের জন্য ভালুকা রোডের গেস্ট হাউস চেয়েছিলেন। কিন্তু রাজ্য প্রশাসন অনুমতি দেয়নি। আজ গাড়ির উইন্ড স্ক্রিন পুরোটাই ভেঙে গিয়েছে ইটের আঘাতে। রাহুল গান্ধীর কালো গাড়িতে সঙ্গী ছিলেন অধীরও। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “কে ইট মেরে গাড়ির কাচ ভাঙতে পারে, তা বুঝে নিন। বাংলায় রাহুলের (Rahul Gandhi) ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা কর্মসূচি প্রবেশের পর থেকেই নানান বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। এই রাজ্যের শাসক দল যত রকমের বিরোধিতা করা যায়, তা করে চলেছে। কোচবিহার থেকেই এই অসহযোগিতা চলছে।” তাঁর এই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য যে তৃণমূলকেই লক্ষ্য করে, তা রাজনৈতিক মহলের একাংশের মানুষ মনে করছেন।

    তৃণমূলের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ

    রাহুলের (Rahul Gandhi) ন্যায় যাত্রাকে ঘিরে রাজ্যের তৃণমূলকে কাঠগড়ায় তুলে নানা অভিযোগ বঙ্গ কংগ্রেসের মুখে। রাজ্যের জেলায় জেলায় সরকারি একাধিক অতথিশালায় প্রশাসনের অধিকারিকরা সরকারি অনুষ্ঠানের জন্য রয়েছেন। কোথাও কোনও অতিথিশালা, স্টেডিয়াম দেওয়া হচ্ছে না রাহুলের জন্য। মুর্শিদাবাদে যাওয়ার পর যে স্টেডিয়ামের মধ্যে রাত্রিবাসের জন্য অনুমতি চাওয়া হয়েছে, তা এখনও মমতার সরকার অনুমতি দেয়নি। আগেও রাহুলের নামে পোস্টার, ফ্লেক্স, ব্যানার ছেঁড়া হয়েছে এই রাজ্যে। সবটা মিলিয়ে তৃণমূল এবং কংগ্রেসের সংঘাত যে লোকসভার ভোটে মোদি বিরোধী জোটে প্রত্যক্ষ প্রভাব ফেলতে চলেছে, তা রাজনীতির বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন। এই অবস্থায় আসন সমঝোতা এবং সমন্বয় সম্ভব কিনা, তা রাহুলের গাড়ির কাচ ভাঙার পর থেকে আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়ল। উল্লেখ্য কংগ্রেসের মুখপাত্র জয়রাম রমেশ কিছুক্ষণের জন্য সাংবাদিক বৈঠক করলেও চুপ ছিলেন গাড়ির কাচ ভাঙার প্রসঙ্গে।  

       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Female Pension: নয়া নিয়ম কেন্দ্রের, কর্মরত মহিলারা পেনশনে নমিনি করতে পারবেন ছেলে বা মেয়েকে 

    Female Pension: নয়া নিয়ম কেন্দ্রের, কর্মরত মহিলারা পেনশনে নমিনি করতে পারবেন ছেলে বা মেয়েকে 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে কর্মরত মহিলা কর্মচারীরা তাঁদের ছেলে ও মেয়েকে পারিবারিক পেনশনের জন্য মনোনীত করতে পারবেন।  কেন্দ্রের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সরকারি মহিলা কর্মচারীরা চাইলে নিজেদের পেনশনের ‘নমিনি’ করতে পারবেন নিজের সন্তান-সন্ততিকেও। নমিনি শুধু স্বামীকে করতে হবে এমনটা নয়। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং এই ঘোষণা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, পেনশন সংক্রান্ত বিধি ‘সেন্ট্রাল সিভিল সার্ভিস রুলস ২০২১’-এ সোমবারই এই নতুন সংশোধন আনা হয়েছে। আর সংশোধনটি এনেছে পেনশন এবং পেনশন প্রাপক কল্যাণ সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় দফতর (ডিওপিপিডব্লিউ)।

    কী বলা হয়েছে?

    সরকারি বিবৃতি অনুসারে, কেন্দ্র মহিলা কর্মীদের তাঁদের স্বামীর পরিবর্তে পারিবারিক পেনশনের জন্য তাদের ছেলে বা মেয়েকে মনোনীত করার অনুমতি দিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, আগে মৃত সরকারি কর্মচারী বা পেনশনভোগীর স্বামী অথবা স্ত্রীকে পারিবারিক পেনশন দেওয়া হত। তাঁর মৃত্যুর পর পরিবারের অন্যান্য যোগ্য সদস্য পেনশন পেতে পারতেন। কিন্তু, এবার মহিলা কর্মীরা স্বামীর বদলে সন্তানকেও পেনশনের জন্য মনোনীত করতে পারবেন। তবে যেখানে দাম্পত্য কলহ চলছে, বিবাহ-বিচ্ছেদের মামলা চলছে বা গার্হস্থ্য সহিংসতা আইন, যৌতুক নিষেধাজ্ঞা আইন বা ভারতীয় দণ্ডবিধির মতো আইনের অধীনে মামলা চলছে, সেই পরিস্থিতিতেই এটা করা যাবে। সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মহিলা পেনশন প্রাপক বা সরকারি মহিলা কর্মচারীদের এ জন্য একটি লিখিত অনুরোধ করতে হবে তাঁর অফিসের সর্বোচ্চ প্রধানকে। 

    আরও পড়ুন: সুরের মূর্চ্ছনা! মিশরীয় কন্যার দেশাত্মবোধক গানের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    কেন এই সংশোধন?

    মহিলাদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যেই কেন্দ্রের এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় কর্মী প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। তিনি জানান, এই সংশোধনীটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীদের যথাযথ এবং বৈধ অধিকার দেওয়ার নীতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। এব্যাপারে মহিলা কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছিলেন। সেই দাবি মেনে নিল কেন্দ্র। মঙ্গলবার নতুন ঘোষণা করার পরে জিতেন্দ্র বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী মোদির সরকার মহিলাদের সমানাধিকার দেওয়ার নীতিতে চলে। তাই দীর্ঘ দিন ধরে চলে আসা এই নিয়মে সংশোধন আনা হল।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandigarh Mayor Election: ধরাশায়ী ইন্ডি জোট, চণ্ডীগড়ের মেয়র নির্বাচনে জিতল বিজেপি

    Chandigarh Mayor Election: ধরাশায়ী ইন্ডি জোট, চণ্ডীগড়ের মেয়র নির্বাচনে জিতল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চণ্ডীগড়ের মেয়র নির্বাচনে (Chandigarh Mayor Election) জয় পেল বিজেপি। আম আদমি পার্টির কুলদীপ কুমারকে পরাস্ত করলেন বিজেপি প্রার্থী মনোজ সোনকর। প্রসঙ্গত, আম আদমি পার্টির মেয়র নির্বাচনে জোট হয় কংগ্রেসেরও। প্রসঙ্গত, গতবছর থেকেই শুরু হয় ইন্ডি জোটের ভাবনা। তাতে আকারও দেন দেশের আঞ্চলিক দলগুলির নেতা নেত্রীরাও। সম্পন্ন হয় একাধিক বৈঠক। কিন্তু ইন্ডি জোট বিজেপি বিরোধী লড়াইয়ে প্রথমবার অবতীর্ণ হয় চণ্ডীগড়ের পুরনিগমের নির্বাচনে। এখানেও তারা মুখ থুবড়ে পড়ল।

    ভোটের ফলাফল

    প্রথমবার ইন্ডি জোটের (Chandigarh Mayor Election) সঙ্গে সরাসরি মোকাবিলা হয় বিজেপির। এবং তাতেই জয় পেলেন বিজেপি প্রার্থী। বিজেপি প্রার্থী মনোজ সোনকর ১৬ ভোট পান এবং আপ প্রার্থী কুলদীপ কুমারের ঝুলিতে যায় ১২ ভোট। প্রসঙ্গত, চণ্ডীগড়ে বিজেপির রয়েছে ১৪ জন কাউন্সিলর। আম আদমি পার্টির রয়েছে ১৩ জন কাউন্সিলর। কংগ্রেসের রয়েছে ৭ জন কাউন্সিলর। এদিন নির্বাচনে ৮টি ভোটকে বাতিল ঘোষণা করা হয়। বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে ভোট দেন চণ্ডীগড়ের বিজেপি সাংসদ তথা প্রাক্তন পুর প্রতিনিধি কিরণ খেরও।

    মুখ থুবড়ে পড়ল ইন্ডি জোট

    ইন্ডি জোটের ভরাডুবির সংকেত (Chandigarh Mayor Election) যেন রবিবার থেকেই মিলছে। জোটের প্রধান কারিগর ছিলেন নীতীশ কুমার। রবিবার তিনি মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে জোট ছাড়েন। যোগ দেন গেরুয়া শিবিরে। অন্যদিকে রাহুল গান্ধীর কর্মসূচি ঘিরেও অনৈক্য-এর ছবিটা স্পষ্ট হয়েছে। বর্তমানে কংগ্রেস নেতা পশ্চিমবঙ্গে থাকলেও, তাঁর পাশে দেখা যায়নি জোট শরিক কোনও তৃণমূল নেতাকে। এছাড়াও রাজ্যের কংগ্রেস ও তৃণমূল নেতারা একে অপরের বিরুদ্ধে বিবৃতি দিয়েই চলেছেন। রাজ্যে যে জোট হবে না তা ইতিমধ্যে স্পষ্ট করে দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর মাঝেই বিজেপিকে রুখতে চণ্ডীগড়ে হাত মিলিয়ে লড়ার সিদ্ধান্ত নেয় ইন্ডি জোট। পাটিগণিতের বিচারে তারা আশাবাদী ছিল। ইন্ডি জোট এও দাবি করতে থাকে আট বছর পরে চণ্ডীগড়ের পৌর নিগম (Chandigarh Mayor Election) বিজেপির হাতছাড়া হতে চলেছে। তবে সব হিসেব নিকেশ উল্টে জিতল বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Death Sentence: ১৫ পিএফআই সদস্যকে ফাঁসির সাজা, বিজেপি নেতা খুনের মামলায় কঠোর কেরলের আদালত

    Death Sentence: ১৫ পিএফআই সদস্যকে ফাঁসির সাজা, বিজেপি নেতা খুনের মামলায় কঠোর কেরলের আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলের বিজেপি নেতাকে খুনের মামলায় ১৫ জনকে ফাঁসির সাজা শোনাল সে রাজ্যের একটি আদালত। ত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামীরা প্রত্যেকেই নিষিদ্ধ সংগঠন ‘পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া’ বা পিএফআইয়ের সদস্য। ২০২১ সালের ১৯ ডিসেম্বর কেরল বিজেপির ওবিসি শাখার তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক রঞ্জিত শ্রীনিবাসন বাড়িতেই খুন হয়ে যান। পরিবারের সদস্যদের সামনেই তাঁকে মারধর করে হত্যা করা হয়।

    আদালতের রায়

    আলাপুঝার ভেল্লাকিনারে থাকতেন রঞ্জিত শ্রীনিবাসন। ২০২১-এর ১৯ ডিসেম্বর রাতে, তার বাড়িতে হামলা চালিয়েছিল আসামীরা। শ্রীনিবাসনের মা, স্ত্রী এবং কন্যার সামনেই হামলাকারীরা তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল। সেই হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে এই ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ২০ জানুয়ারি, ১৫ জনকেই দোষী সাব্যস্ত করেছিল মাভেলিকারার অতিরিক্ত দায়রা আদালত। মঙ্গলবার মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি শোনালেন অতিরিক্ত জেলা জজ ভিজি শ্রীদেবী। আদালত জানিয়েছে, আসামীদের মধ্যে আটজন সরাসরি হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিল। বাকি আসামীদের এই অপরাধের ষড়যন্ত্রে সামিল থাকার জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়। সাজাপ্রাপ্ত এই আটজন হল – নিজাম, আজমল, অনুপ, মহম্মদ আসলাম, সালাম, আব্দুল কালাম, সফরউদ্দিন, মুনশাদ, জাজিব, নওয়াজ, শেমির, নাজির, জাকির হুসেন, শাজি এবং শামনাজ। 

    আরও পড়ুন: “বাড়িতে ঢুকলে বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুকে চেপে ধরবেন”, উস্কানি দিলেন তৃণমূল নেত্রী অর্পিতা

    ঘটনার তদন্ত

    আলাপুঝার সহকারী পুলিশ সুপার এনআর জয়রাজ এই ঘটনার তদন্ত করেন। ১,০০০টিরও বেশি নথি এবং ১০০টিরও বেশি অন্যান্য প্রমাণ-সহ চার্জশিট দাখিল করে তাঁর নেতৃত্বাধীন তদন্তকারী দল। সেই সব প্রমাণের মধ্যে ছিল আঙ্গুলের ছাপ, ফরেন্সিক অনুসন্ধান রিপোর্ট, সিসিটিভি ফুটেজ এবং গুগল ম্যাপের সাহায্য নিয়ে অপরাধীদের গতিবিধির মানচিত্র ইত্যাদি। পিএফআই-এর মূল সংগঠন এসডিপিআই-এর রাজ্য সম্পাদক কেএস শানের হত্যার প্রতিশোধ হিসেবেই এই হত্যা বলে দাবি পুলিশের। ঘটনাটি বিরলের মধ্যে বিরলতম অপরাধের সমান বলে আদালতে সওয়াল জবাবে জানিয়েছিল পুলিশ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Gyanvapi Case: সিল খোলা হোক জ্ঞানবাপীর ওজুখানার, উঠল এএসআই সমীক্ষার দাবিও

    Gyanvapi Case: সিল খোলা হোক জ্ঞানবাপীর ওজুখানার, উঠল এএসআই সমীক্ষার দাবিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্মাণ হয়েছে অযোধ্যার রাম মন্দির। প্রাণপ্রতিষ্ঠাও হয়েছে বিগ্রহের। এবার ফের জ্ঞানবাপী মসজিদের (Gyanvapi Case) ওজুখানার সিল খুলে দেওয়ার দাবি হিন্দু পক্ষের। সোমবার এই দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে তারা।

    ওজুখানায় ‘শিবলিঙ্গ’

    ওজুখানায় ‘শিবলিঙ্গে’র অস্তিত্ব মেলার পর ২০২২ সালে সেটি সিল করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল বারাণসীর নিম্ন আদালত। সেই সিলই ফের খুলে দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে হিন্দু পক্ষের তরফে। ওজুখানার সিল খুলে দেওয়ার পাশাপাশি এএসআইকে সেখানে সমীক্ষা চালানোর অনুমতি দেওয়ার দাবিও জানিয়েছে হিন্দু পক্ষ। হিন্দু পক্ষের দাবি, বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদের (Gyanvapi Case) কাঠামোর নীচে বড় হিন্দু মন্দিরের অস্তিত্ব ছিল। বারাণসী জেলা আদালতে জমা দেওয়া এএসআই রিপোর্টে এমনই দাবি করা হয়েছে বলে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের দাবি।

    এএসআইয়ের রিপোর্ট!

    এএসআইয়ের রিপোর্ট উদ্ধৃত করে হিন্দু পক্ষের আরও দাবি, আওরঙ্গজেব ১৬১৯ সালের ২ নভেম্বর মন্দির ভেঙে জ্ঞানবাপী মসজিদ নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছিলেন। হিন্দু পক্ষের আইনজীবী বিষ্ণুশঙ্কর জৈন জানান, এএসআইয়ের রিপোর্টে হিন্দু মন্দিরের অস্তিত্ব সম্পর্কে এ ধরনের মোট ৩২টি প্রামাণ মিলেছে। তিনি বলেন, “এএসআইয়ের রিপোর্ট বলছে, মসজিদ তৈরির সময় কাঠামোয় কিছু বদল আনা হয়েছিল। সামান্য বদল এনে মন্দিরের স্তম্ভ এবং অন্যান্য অংশ ব্যবহার করা হয়েছে। নতুন কাঠামো তৈরি করতে হিন্দু মন্দিরের পিলারের চরিত্রে সামান্য বদল আনা হয়েছিল।” আইনজীবীর এহেন দাবির পরে পরেই ওজুখানার সিল খুলে দেওয়ার দাবি জানাল হিন্দু পক্ষ। জানানো হল এএসআইয়ের সমীক্ষার দাবিও।

    আরও পড়ুুন: “দয়া করে পাকিস্তানে চলে যান”, বললেন ফতোয়া পাওয়া সেই ইমাম

    প্রসঙ্গত, কিছু দিন আগেই ওজুখানার ‘শিবলিঙ্গ’ পুজোর অধিকার চেয়েছিল হিন্দু পক্ষ। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আন্তর্জাতিক কার্যনির্বাহী সভাপতি অলোক কুমার বলেন, “এএসআই কর্তৃক সংগ্রহীত প্রমাণ ও অনুসন্ধানগুলি প্রমাণ করে যে, এই উপাসনালয়ের ধর্মীয় চরিত্রটি ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট বিদ্যমান ছিল। বর্তমানে এটি একটি হিন্দু মন্দিরের আকারে রয়েছে। তাই উপাসনা স্থান আইন অনুসারে কাঠামোটিকে হিন্দু মন্দির ঘোষণা করা (Gyanvapi Case) উচিত।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Hemant Soren: ইডির ভয়ে লুকিয়ে থাকা হেমন্ত সোরেনের সন্ধান দিলেই পুরস্কার, ঘোষণা বাবুলাল মারান্ডির

    Hemant Soren: ইডির ভয়ে লুকিয়ে থাকা হেমন্ত সোরেনের সন্ধান দিলেই পুরস্কার, ঘোষণা বাবুলাল মারান্ডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার সকাল থেকেই ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের (Hemant Soren) দিল্লির বাড়িতে তল্লাশি শুরু করে ইডি। বাজেয়াপ্ত হয় বহু গুরুত্বপূর্ণ নথি। তবে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত দেখা মেলেনি হেমন্তর। ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী প্রায় ৪০ ঘণ্টা ধরে বেপাত্তা। এ নিয়েই কটাক্ষ শোনা গেল ঝাড়খণ্ড বিজেপির সভাপতি বাবুলাল মারান্ডির ট্যুইটে। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে হেমন্ত সোরেনের ছবি পোস্ট করে তাঁকে নিখোঁজ ঘোষণা করেছেন বাবুলাল মারান্ডি। এর পাশাপাশি যে বা যাঁরা মুখ্যমন্ত্রীর সন্ধান দিতে পারবেন, তাঁদেরকে নগদ ১১ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    বাবুলাল মারান্ডির ট্যুইট

    নিজের টুইটে বাবুলাল মারান্ডি লিখছেন, ‘‘ঝাড়খণ্ডের জনগণের প্রতি আন্তরিক আবেদন যে আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় এজেন্সির ভয়ে বিগত ৪০ ঘণ্টা ধরে বেপাত্তা। তিনি নিখোঁজ হয়ে রয়েছেন এবং লুকিয়ে বেড়াচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর নিরুদ্দেশ হওয়ার সঙ্গে তাঁর নিরাপত্তাও জড়িত। সাড়ে তিন কোটি ঝাড়খণ্ডবাসীর মর্যাদার প্রশ্নও এক্ষেত্রে জড়িত।

    ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার জরুরি বৈঠক

    জানা গিয়েছি, ইতিমধ্যে হেমন্ত সোরেনের (Hemant Soren) দল ঝাড়খন্ড মুক্তি মোর্চার বিধায়কদেরকে রাঁচি না ছাড়তে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এবং সেখানে রাজ্যের উদ্ভূত রাজনৈতিক সংকট নিয়ে আলোচনা করতে বলা হয়েছে। এ কথা জানিয়েছেন ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার  সাধারণ সম্পাদক তথা মুখপাত্র বিনোদ কুমার সিং। প্রসঙ্গত, বর্তমানে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা, কংগ্রেস এবং রাষ্ট্রীয় জনতা দলের মিলিত জোট সে রাজ্যের ক্ষমতায় রয়েছে। এবং আজ মঙ্গলবারই তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ঠিক করার জন্য বৈঠক করবে তারা।

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share