Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Amit Shah: নিজের মাতৃভাষা কখনও ভুলোনা, তরুণদের বার্তা অমিত শাহের  

    Amit Shah: নিজের মাতৃভাষা কখনও ভুলোনা, তরুণদের বার্তা অমিত শাহের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জীবনে যাই করো, নিজের মাতৃভাষা কখনও ভুলোনা। বক্তা অমিত শাহ। এদিন গুজরাটের মহারাজা সয়াজীরাও বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি অনুষ্ঠানে যোগ গিয়ে একথা বলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী। ইতিমধ্যে মাতৃভাষায় ডাক্তারি থেকে উচ্চশিক্ষায় যেকোনও বিষয় পড়া যাবে এমন ভাবনা চিন্তা শুরু করেছে কেন্দ্র। উত্তরাখণ্ড সরকার তা শুরুও করেছে। এদিনের অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন শিক্ষানীতি নিয়েও বক্তব্য রাখেন তিনি।

    আরও পড়ুন: ‘যারা গদিতে ঘুমোয়, তারা ভাবুক, কী হবে’, বললেন কম্বলকাণ্ডে ধৃত জিতেন্দ্র

    কী বললেন অমিত শাহ

    এদিন অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, জীবনে যাই করুন, কিন্তু কখনও নিজের মাতৃভাষাকে অবহেলা করবেন না। বর্তমান সমাজে ইংরেজি জানলে অগ্রাধিকার পাওয়া যায়, এমন ধারণাকেও একহাত নিয়ে তিনি বলেন, কখনও ভাববেন না, একটি নির্দিষ্ট ভাষা আপনার গ্রহণযোগ্যতা বাড়াবে। তিনি আরও বলেন, ভাষা একটি অভিব্যক্তি কোনও বস্তু নয়। একজন ব্যক্তি মাতৃভাষায় গবেষণা করলে তার বিশ্লেষণ ক্ষমতা আরও বেড়ে যায়। যেকোনও মানুষের ব্যক্তিত্বের বিকাশে মাতৃভাষা খুব কার্যকরী বলেও মনে করেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আমাদের দেশের ভাষাগুলির রয়েছে অফুরন্ত শব্দভাণ্ডার এবং ব্যাকরণ। ভারতীয় ভাষাগুলির রয়েছে একটি ইতিহাস, অজস্র সাহিত্য তৈরি করতে পেরেছে আমাদের দেশের ভাষাগুলি। এদিন সকল পড়ুয়াকে জাতীয় শিক্ষানীতি অধ্যয়ন করার কথাও বলেন তিনি। এদিন শিক্ষার উদ্দেশ্য ব্যাখা করে তিনি বলেন, শুধুমাত্র চাকরি পাওয়া বা সহজ সুন্দর জীবনযাত্রা লাভ করা শিক্ষার উদ্দেশ্য হতে পারেনা। শিক্ষার উদ্দেশ্য সম্পূর্ণভাবে মানুষ তৈরি করা বলেও জানা তিনি। জাতীয় শিক্ষানীতি বিষয়ের পাশাপাশি তাঁর মুখে ভারতীয় সংবিধানের কথাও শোনা যায়, তিনি বলেন, আমাদের সংবিধান পৃথিবীর মধ্যে অন্যতম সেরা, বিআর আম্বেদকর এর স্থপতি। প্রসঙ্গত, মহারাজা সয়াজীরাও বৃত্তি পেতেন ভীমরাও আম্বেদকর।

    আরও পড়ুন: এভারেস্টে বরফের নীচে চাপা পড়ে আছে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া, দাবি বিজ্ঞানীদের

     

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Amritpal Singh: ধৃত খলিস্তানপন্থী নেতা অমৃতপাল সিংহের পিছনে পাক যোগ?

    Amritpal Singh: ধৃত খলিস্তানপন্থী নেতা অমৃতপাল সিংহের পিছনে পাক যোগ?

    মাধ্যম নিউজ: বিচ্ছিন্নতাবাদী খলিস্তানি নেতা অমৃতপাল সিংহের (Amritpal Singh) পিছনে মদত রয়েছে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর। এমনটাই দাবি সরকারি আধিকারিকদের। জানা গিয়েছে ৩০ বছর বয়সী অমৃতপাল সিংহ (Amritpal Singh) একজন ট্রাক ড্রাইভারের কাজ করতেন দুবাইতে। সেখান থেকে পরিকল্পনামাফিক আইএসআই তাঁকে ভারতে পাঠিয়েছে বলে অভিযোগ। পাঞ্জাবকে আবারও অস্থির করতে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে খবর। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত সিংকে উদ্দেশ্য করে একাধিকবার তোপ দেগেছেন অমৃতপাল সিংহ (Amritpal Singh)। শনিবার তাঁকে গ্রেফতার করে পাঞ্জাব পুলিশ।

    শনিবারই গ্রেফতার হন এই নেতা

    শনিবার বিকেলের দিকে অমৃতপাল সিংহকে (Amritpal Singh) জলন্ধর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে খবর। রাজ্যের পরিস্থিতি কেমন সেই বিষয়ে সময়ে সময়ে খবর নিচ্ছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। শনিবার সকাল থেকেই তাঁকে এবং তাঁর সহযোগীদেরও  গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে খুঁজছিল পাঞ্জাব পুলিশ। সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থার রিপোর্ট বলছে, সকাল থেকে অমৃতপাল সিংহ (Amritpal Singh) পলাতক। তাঁর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। কট্টরপন্থী শিখ নেতা এবং খলিস্তানি সহানুভূতিশীল অমৃতপাল সিংহকে নিয়ে পাঞ্জাবের রাজ্য-রাজনীতি এখন উত্তাল। গতমাসে অমৃতের সমর্থকরা অমৃতসররের উপকণ্ঠে অবস্থিত অঞ্জালা পুলিশ স্টেশনে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছিল। অমৃতের এক সহযোগীকে মুক্তির দাবি নিয়ে তাঁরা থানায় গিয়েছিলেন। সেই সময়ই ওই ঘটনা ঘটায় অমৃতের সমর্থকরা। এক সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুসারে, শনিবার জলন্ধরে  অমৃতের ছয় সহযোগীকে আটক করেছে পুলিশ। 

    অমৃতপাল সিংহের পরিচয়

    বিতর্কিত শিখ নেতা অমৃতপাল সিং হলেন ওয়ারিশ পাঞ্জাবে দে সংস্থার প্রধান। এই সংস্থার তৈরি করেছিলেন দীপ সিধু । ২০২২ সালে তিনি দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন। 
    ৩০ বছরের অমৃতপাল ব্লুস্টার অপারেশনের সময় নিহত ভিন্দ্রনওয়ালের মতোই পোশাক-আশাক পরেন বলে, সমর্থকরা তাঁকে ভিন্দ্রনওয়ালে ২.০ বলেন।
    অমৃতপাল সিং ভারতে এসেছেন ২০২২ সালে, এখানে তাঁর দেশে আসা ওয়ারিশ পাঞ্জাবে দে-র দায়িত্ব নেওয়ার জন্যই। এর আগে তিনি দুবাইতে কাজ করতেন। 
    অমৃতপাল সিং অনুগামীর সংখ্যা প্রচুর। রাস্তাঘাটে তাঁকে অস্ত্রশস্ত্র সহ ঘুরে-বেড়াতে দেখা যায়, তাঁর সঙ্গে সবসময় সমর্থকরা থাকেন (আটক হওয়ার আগে পর্যন্ত)। 
    অমৃতপাল অমৃতসর জেলার বাবা বাকালা শহরের  অন্তর্গত জল্লু-পুর খইরা গ্রামের বাসিন্দা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Aadhaar Pan link: শেষ তারিখ ৩১ মার্চ! এখনই করিয়ে ফেলুন আধার প্যান লিঙ্ক

    Aadhaar Pan link: শেষ তারিখ ৩১ মার্চ! এখনই করিয়ে ফেলুন আধার প্যান লিঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাতে কমে আসছে সময়। বাকি মাত্র ১২ দিন। এখনও যদি আধার কার্ডের সঙ্গে প্যান (PAN) না জুড়ে থাকেন, তাহলে বড়সড় সমস্যায় পড়বেন আপনি, এমনটাই বলছে আয়কর দফতর। আধারের সঙ্গে প্যান কার্ডের সংযুক্তকরণ বাধ্যতামূলক করছে কেন্দ্র। এপ্রিল থেকে শুরু হবে নতুন অর্থবর্ষ। আর তার আগে আধার-প্যান লিঙ্ক করা বাধ্যতামূলক। ইতিমধ্যেই ওই কাজ সেরে ফেলার শেষ তারিখও ঘোষণা করে দিয়েছে আয়কর দফতর। চলতি মাসের ৩১ তারিখেই শেষ হচ্ছে সেই মেয়াদ। তার পরেও যেসব প্যানকার্ড আধারকার্ডের সঙ্গে সংযুক্ত হবে না, সেগুলিকে বাতিল ঘোষণা করবে আয়কর দফতর। ওই সব প্যানকার্ড দিয়ে আর কোনও কাজই করা যাবে না। কার্যত অকেজো হয়ে পড়বে ওই প্যানকার্ডগুলি। দেরিতে আধার ও প্যান সংযুক্তিকরণের জন্য এখনই ১০০০ টাকা করে জরিমানা দিতে হচ্ছে। ৩১ মার্চ পর্যন্ত ওই টাকা জরিমানা করানো যাবে। নতুবা ১ এপ্রিল থেকে অকেজো হয়ে যাবে ওই প্যান কার্ড। আয়কর দফতর ও কেন্দ্র সরকারের তরফে বারবার নাাগরিকদের কাছে আবেদন করা হয়েছে, যত শীঘ্র সম্ভব ওই কাজ সেরে ফেলার জন্য। ইনকাম ট্যাক্স অব ইন্ডিয়ার তরফে টুইট করে সে কথা ফের জানানো হয়েছে সম্প্রতি। 

    ঘরে বসেই অনলাইনে কীভাবে আবেদন করবেন

        প্রথমেই চলে যান Income Tax e-filing website-এ। কিংবা ওয়েবসাইটে গিয়ে ক্লিক করুন www.incometax.gov.in -এ।
        এবার সেখানে লগইন তথ্য দিতে হবে, আর তার পরেই ইনকাম ট্যাক্স পোর্টালে লগ-ইন সম্ভব হবে।
        এই কাজটি করলেই সেখানে একটি পপ-আপ উইনডো আসার কথা। আর তা যদি না আসে, সেক্ষেত্রে প্রোফাইল থেকে সেটিংয়ে গিয়ে মেনু বারে গিয়ে Link Aadhaar অপশনে ক্লিক করতে হবে আপনাকে
        এরপরেই একটি নতুন উইনডো পাবেন, সেখানে আপনার PAN number, Aadhaar-এর সমস্ত তথ্য, নাম এবং রেজিস্টারর্ড মোবাইল নম্বর দিতে হবে আপনাকে।
        এবার সমস্ত ইনফরমেশন ভ্যালিডেটিং করতে হবে, সে কাজ হয়ে গেলে ‘I agree to validate my Aadhaar details’ অপশনটিতে গিয়ে ক্লিক করতে করতে হবে আপনাকে।
        এরপর সোজা ‘Continue’ বটনে ক্লিক করে ফেলুন।
        আর তারপরেই আপনার রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বরে একটি ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড অর্থাৎ OTP চলে আসবে।
        এবার সেই OTP-টি পুট করে ‘Validate’ বটনটিতে গিয়ে ক্লিক করতে হবে।
        আর এরপর পেনাল্টি বাবদ ১০০০ টাকা পেমেন্ট করতে হবে আপনাকে। নেটব্যাঙ্কিং বা UPI অ্যাপের মাধ্যমেও সেরে ফেলতে পারবেন ওই কাজটি।
     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Mount Everest: এভারেস্টে বরফের নীচে চাপা পড়ে আছে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া, দাবি বিজ্ঞানীদের

    Mount Everest: এভারেস্টে বরফের নীচে চাপা পড়ে আছে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া, দাবি বিজ্ঞানীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঞ্চল্যকর দাবি গবেষকদের! মাউন্ট এভারেস্টে (Mount Everest) বরফের নীচে চাপা পড়ে আছে কোটি কোটি ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়া । নতুন গবেষণায় এমনটাই দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা। গবেষকদের দাবি, পর্বতারোহীদের হাঁচি-কাশি থেকে ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়া ছড়িয়েছে পাহাড়েও। এইসব জীবাণু বরফের নীচে বহু বছর ধরে চাপা পড়ে রয়েছে। বরফের মধ্যে কম তাপমাত্রায় থাকায় এইসব ভাইরাসের জিন এখনও সক্রিয় রয়েছে। এরা যদি ফের জেগে ওঠে, তাহলে কিন্তু মানব সভ্যতার জন্য তা  বিপজ্জনক।

    ২০০৭ সালে আন্টার্কটিকার বরফে চাপা পড়ে থাকা ৮০ লক্ষ বছর পুরনো এক ব্যাকটেরিয়ার হদিশ মিলেছিল

    গবেষণা চালিয়ে বিজ্ঞানীরা বরফের নীচে চাপা পড়ে থাকা একাধিক প্রাণঘাতী জীবাণুর খোঁজ পেয়েছেন। যেমন ২০০৫ সালে নাসার বিজ্ঞানীরা আলাস্কার একটি বরফ হ্রদ থেকে ৩২ হাজার বছরের পুরনো এক ব্যাকটেরিয়ার খোঁজ পেয়েছিলেন। ২০০৭ সালে আন্টার্কটিকার বরফে চাপা পড়ে থাকা ৮০ লক্ষ বছর পুরনো এক ব্যাকটেরিয়ার হদিশও পেয়েছিলেন গবেষকরা।

    নতুন গবেষণা কী বলছে

    নতুন গবেষণা বলছে, মাউন্ট এভারেস্ট (Mount Everest), আল্পসের মতো পৃথিবীর উচ্চতম পর্বতমালাগুলিতে এমন লক্ষ কোটি জীবাণু বরফের নীচে ঘুমিয়ে আছে। পর্বতারোহীদের হাঁচি-কাশি থেকে, অথবা বরফে চাপা পড়ে থাকা মৃতদেহ থেকে জীবাণু ছড়াচ্ছে পর্বতশৃঙ্গেও। তাছাড়া এখন পাহাড়েও দূষণ বাড়ছে। পর্বতারোহীদের বর্জ্য, খাবার, ফেলে দেওয়া প্যাকেট থেকে সংক্রামক জীবাণুরা জন্মাচ্ছে। তারা বরফের মধ্যেই চাপা পড়ে থাকছে। 
    বিজ্ঞানীরা বলছেন, সাধারণত কম তাপমাত্রায় ভাইরাস বা যে কোনও অণুজীব দীর্ঘ সময় বেঁচে থাকতে পারে। আর বরফের আধার হলে ভাইরাসদের জীবনীকাল অনেকটাই বেড়ে যায়। এইসব ভাইরাস কতটা সংক্রমণ ছড়াতে পারে তা এখনও জানা যায়নি। বেশিরভাগের নাম ও বৈশিষ্ট্যই জানা নেই বিজ্ঞানীদের। জলবায়ু বদলের প্রভাব ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার ওপর কতটা পড়ে তা জানার জন্যই এদের জিনোম সিকুয়েন্স বা জিনের গঠন বিন্যাস বের করা শুরু করেছেন গবেষকরা। হিমশীতল তাপমাত্রা থেকে উষ্ণ পরিবেশে নিয়ে এলে, ভাইরাসদের মধ্যে কোনও বদল হয় কিনা সেটা দেখাও লক্ষ্য গবেষকদের।
    মাইক্রোবিয়াল লাইফ বা অণুজীবদের নিয়ে বিশ্বজুড়েই গবেষণা চলছে। বিশেষ করে করোনাভাইরাসের মহামারীর পরে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়াদের নতুন গোষ্ঠীর খোঁজ পাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এর আগে জাপানের বিজ্ঞানীরা প্রাগৈতিহাসিক যুগের অণুজীবদের খোঁজ পেয়েছিলেন প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সমুদ্রের গভীরে।। দেখা গিয়েছিল, সমুদ্রের একেবারে তলদেশে যেখানে খাবার, অক্সিজেনের অভাব সেখানে কোটি কোটি বছর ধরে বেঁচে ছিল আণুবীক্ষণিক জীবেরা। কেউ মৃত নয়, শুধু সুপ্ত হয়ে ছিল সমুদ্রের গভীরে। নিষ্ক্রিয় হয়ে ছিল। তুলে আনতেই ফের সক্রিয় হয়ে ওঠে।

    কী ধরনের ব্যাকটেরিয়া আর ছত্রাক পাওয়া গিয়েছে?

    জানা গিয়েছে, গবেষকদের একটি দল এভারেস্টের ৭৯০০ ফুট উচ্চতায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ব্যাকটেরিয়া-ছত্রাক খুঁজে পেয়েছেন। সাধারণত হাঁচি ও গলা থেকে বেরিয়ে আসা ব্যাকটেরিয়া-ছত্রাক গরম আবহাওয়ার খোঁজ করে। যেমন স্ট্যাফাইলোকক্কাস এবং স্ট্রেপ্টোকক্কাস। কিন্তু শুষ্ক, কঠিন এবং ঠান্ডা আবহাওয়াতেও নিজেদের টিকিয়ে রাখতে পেরেছে। স্ট্যাফাইলোকক্কাস এবং স্ট্রেপ্টোকক্কাস সাধারণত মাটিতে পাওয়া যায়। কিন্তু এগুলি আমাদের ত্বক এবং মুখের ভিতরে বসবাসকারী ব্যাকটেরিয়া। এটি পর্বতের গোড়া থেকে ৮,০০০ ফুট উচ্চতাতেও অনেক সংখ্যায় পাওয়া গিয়েছে। নিকোলাসের দু’টি দল এই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। একটি দল দীর্ঘদিন ধরে শুধু এভারেস্টের (Mount Everest) চূড়ার বরফ নিয়ে গবেষণা করছে। আর একটি দল হিমালয় এবং অ্যান্টার্কটিকাকে কেন্দ্র করে গবেষণা চালাচ্ছে। এই দ্বিতীয় দলটি যখন এভারেস্টে থাকা ব্যাকটেরিয়া-ছত্রাক নিয়ে গবেষণা করে, তখন তারা সেই স্ট্যাফাইলোকক্কাস এবং স্ট্রেপ্টোকক্কাস জীবাণুর খোঁজ পান।

    বিজ্ঞানীরা কী বলছেন 

    বিজ্ঞানীরা উদ্বেগ প্রকাশ করে জানাচ্ছেন, যদি এই জীবাণুগুলির বিনাশ না ঘটানো যায়, তাহলে কয়েক বছরের মধ্য়েই মাউন্ট এভারেস্টে বরফের তুলনায় এদের পরিমাণ বেশি হয়ে যাবে। তখন সবথেকে বেশি সমস্যায় পড়বেন পর্বতারোহীরা। জলবায়ুর পরিবর্তন চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে আরও বড় কোনও প্রলয়ের সাক্ষী হতে হবে মানুষকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Dayananda Saraswati: দয়ানন্দ সরস্বতীর ২০০ তম জন্মবার্ষিকীকে সামনে রেখে নানা কর্মসূচি নেবে সঙ্ঘ

    Dayananda Saraswati: দয়ানন্দ সরস্বতীর ২০০ তম জন্মবার্ষিকীকে সামনে রেখে নানা কর্মসূচি নেবে সঙ্ঘ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহর্ষি দয়ানন্দ সরস্বতীর (Dayananda Saraswati) ২০০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দেশজুড়ে একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ করতে চলেছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ। পানিপথে আরএসএস-এর সদ্য সমাপ্ত অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভার বৈঠকে এবিষয়ে সবিস্তারে আলোচনা হয়েছে। সঙ্ঘের সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলের বক্তব্যের লিখিত বিবৃতি সামনে এসেছে। সেখানে বলা হচ্ছে, মহর্ষি দয়ানন্দের (Dayananda Saraswati) ২০০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ তাঁকে শ্রদ্ধা জানাবে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এবং দেশের প্রতিটি প্রান্তের স্বয়ংসেবকরা মহর্ষি দয়ানন্দ সরস্বতীর (Dayananda Saraswati) আদর্শ ছড়িয়ে দেবে সমাজের মধ্যে।  প্রসঙ্গত, সঙ্ঘ প্রতিষ্ঠাতা কেশব বলিরাম হেডগেওয়ার বাংলার অনুশীলন সমিতি এবং মহর্ষি দয়ানন্দ সরস্বতী (Dayananda Saraswati) প্রতিষ্ঠিত আর্য সমাজের কাজের দ্বারা খুবই প্রভাবিত ছিলেন। 

    কী বললেন দত্তাত্রেয় হোসাবলে

    সরকার্যবাহের ওই বিবৃতিতে উঠে এসেছে মহর্ষির গো রক্ষা আন্দোলনের কথাও। দয়ানন্দ সরস্বতীর জীবনভর গো হত্যার বিরুদ্ধে আন্দোলনকে উল্লেখ করে বলা হয়েছে, তিনি গো নির্ভর কৃষি ব্যবস্থা এবং গোরু প্রতিপালনের কথা বলতেন, যা বর্তমানকালে আর্যসমাজের বিভিন্ন কাজের মধ্যেও প্রতিফলিত হয়। বিবৃতিতে উঠে এসেছে মহর্ষির স্বদেশীয়ানার প্রসঙ্গও। তাঁর লিখিত গ্রন্থ সত্যার্থ প্রকাশকে উল্লেখ করে বলা হয়েছে, মহর্ষির (Dayananda Saraswati) ধারণা ছিল স্বদেশী, স্বভাষা, স্ববোধ ছাড়া স্বরাজ আসতে উঠতে পারেনা। অস্পৃশ্যতার বিরুদ্ধে সামাজিক পরিবেশ গড়ে তুলতে মহর্ষি দয়ানন্দকে প্রয়োজন বলে মনে করে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ। ওই বিবৃতিতে বলা হচ্ছে,  জাতিভেদ প্রথার বিরুদ্ধে মহর্ষির ভাবনাকে দেশজুড়ে ছড়িয়ে দেবে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ। সরকার্যবাহের ওই বিবৃতিতে আরও বলা হচ্ছে, ভারতীয় সংস্কৃতি এবং সভ্যতার উপর মহর্ষির গভীর আস্থা ও শ্রদ্ধা ছিল, তিনি বলতেন, বেদের যুগে ফিরে চলো। নেশামুক্ত, কুসংস্কারমুক্ত দেশ গড়তে প্রতিটি স্বয়ংসেবক মহর্ষি দয়ানন্দের ২০০ তম জন্মবার্ষিকী পালন করবে বলেও জানানো হয়েছে ওই বিবৃতিতে।

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

     

  • RSS: জাতিভিত্তিক জনগণনা নিয়ে কী বললেন আরএসএস নেতা দত্তাত্রেয় হোসাবালে?

    RSS: জাতিভিত্তিক জনগণনা নিয়ে কী বললেন আরএসএস নেতা দত্তাত্রেয় হোসাবালে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতিভিত্তিক জনগণনা নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট বলেছে এবিষয়ে কেন্দ্র সিদ্ধান্ত নিতে পারে যে এর প্রয়োজন আছে কি নেই! মঙ্গলবার হরিয়ানার পানিপথে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই মন্তব্য করলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে। প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত তাঁর বক্তব্যে বলেন, জাতিভেদ প্রথা শুরু করেছে ব্রাহ্মণরা, তা  ভগবানের সৃষ্টি নয়। সেই প্রসঙ্গ উত্থাপন করে এদিন এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন দত্তাত্রেয় হোসাবলেকে। এপ্রসঙ্গে সঙ্ঘের সরকার্যবাহ আরও জানিয়েছেন, জাতিভিত্তিক জনগণনা এর আগেও হয়েছে। তবে তা কখনও প্রকাশিত হয়নি। হতে পারে নির্দিষ্ট কিছু কারণ ছিল হয়তো এর পিছনে। সঙ্ঘের সামাজিক কার্যপদ্ধতিরও উল্লেখ করে তিনি এবং বলেন, সঙ্ঘের কার্যকর্তারা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করে চলেছেন। নাগরিক কর্তব্য, সঙ্ঘের কাজে মহিলাদের যোগদান করানো প্রভৃতি নানা বিষয় উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে। প্রসঙ্গত, ১২ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে সঙ্ঘের সর্বভারতীয় প্রতিনিধি সভার বৈঠক। দেশের নানা প্রান্ত থেকে প্রায় ১৪০০ এর বেশি প্রতিনিধি হাজির হয়েছেন এই বৈঠকে।

    আরও পড়ুন: ‘এবার থেকে সঙ্ঘের শাখা চালাতে পারবেন মহিলারাও! জানুন বিস্তারিত

    ২০২৫ সালে শতবর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে নানা কর্মসূচি নিচ্ছে আরএসএস (RSS)

    ১৯২৫ সালে প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) শতবর্ষ পূর্ণ হবে ২০২৫ সালে। শতবর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে নানান কর্মসূচি নিচ্ছে তারা। জানা গেছে ৩,০০০ জন বাছাই করা স্বয়ংসেবক (RSS) নিয়ে তৈরি করা হচ্ছে ‘শতাব্দী বর্ষ বিস্তারক’, যারা দেশের প্রতিটি প্রান্তে পৌঁছে দেবে সঙ্ঘের ভাবনা এবং আদর্শকে। ইতিমধ্যে এই পরিকল্পনায় ১৩০০ স্বয়ংসেবককে বিভিন্ন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, আরও ১৫০০ স্বয়ংসেবককে খুব শীঘ্রই বাছা হবে বলে জানা গেছে সঙ্ঘ সূত্রে।

    আরও পড়ুন: ‘‘ভারত হিন্দুরাষ্ট্রই, পৃথক ঘোষণার দরকার নেই’’, বললেন সঙ্ঘনেতা দত্তাত্রেয় হোসাবলে

    আরও পড়ুন: ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে ইসলামিক দেশ বানানোর ষড়যন্ত্র করছিল পিএফআই, চার্জশিটে এনআইএ

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • RSS: ভারতের উত্থান অনেকের কাছে বিপদ! মোদি সরকারের দিশাকে সিলমোহর সঙ্ঘের

    RSS: ভারতের উত্থান অনেকের কাছে বিপদ! মোদি সরকারের দিশাকে সিলমোহর সঙ্ঘের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন ভারতের উত্থানে বিপদ সংকেত দেখছেন অনেকে। দেশের ভিতরের একাংশের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কিছু বৈদেশিক শক্তি। পানিপথে তিনদিন ধরে চলা সঙ্ঘের সর্বভারতীয় বৈঠকের গৃহীত প্রস্তাবে উঠে এল এমনই কথা। পাশাপাশি সঙ্ঘের প্রস্তাবে মোদির লালকেল্লার পাঁচ পণের কথাও বলা হয়েছে। যার অর্থ মোদী সরকারের অভিমুখে সিলমোহর দিল সঙ্ঘ (RSS)।  প্রসঙ্গত, বেশ কয়েকদিন আগে গুজরাট হিংসার উপর তৈরি হওয়া বিবিসির তথ্যচিত্র নিয়ে দানা বেধেছে বিতর্ক। ওই তথ্য চিত্রকে অতিরঞ্জিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন খোদ ব্রিটেনেরই এক সাংসদ। দেশের বদনাম করতে সক্রিয় বেশ বেশকিছু শক্তি! এমন কথা শোনা গেছে প্রধানমন্ত্রীরও মুখে। সঙ্ঘের (RSS) প্রস্তাবে তারই প্রতিফলন হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ।

    প্রস্তাবে ঠিক কী বলা হল

    অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভার ওই গৃহীত প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিশ্বের অনেক দেশের সঙ্গেই ভারতের সুসম্পর্ক এবং এবং সদ্ভাব বজায় রয়েছে। কিন্তু অনেক দেশই নতুন ভারতের উত্থানকে মেনে নিতে পারছেনা। ভারতবিরোধী এই বৈদেশিক শক্তিগুলির সঙ্গে হাত মিলিয়েছে দেশের কিছু আভ্যন্তরীন শক্তি। এই শক্তিগুলি সমাজে অবিশ্বাসের বাতাবরণ তৈরি করছে। পারস্পরিক ভেদাভেদ নিয়ে আসছে। দেশের সামাজিক ব্যবস্থা ভাঙার কাজে সর্বদাই লিপ্ত রয়েছে এই দেশবিরোধী শক্তিগুলি। সঙ্ঘের ওই প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, এই সমস্ত অশুভ আঁতাতের মোকাবিলা আমাদের করতে হবে। এদের ষড়যন্ত্রকে যেকোনও মূল্যে রুখতে হবে।

    প্রস্তাবে উল্লেখ মোদি সরকারের পঞ্চ পণের কথাও

    গত বছরের স্বাধীনতা দিবসের দিন লালকেল্লার ভাষণে পঞ্চ পণের কথা উল্লেখ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এই পাঁচটি সংকল্প হল উন্নত ভারত নির্মাম, সব অর্থেই গোলামি বন্ধ করা, পূর্ণ স্বাধীনতা, নিজেদের ঐতিহ্য এবং অতীত নিয়ে গর্ব বোধ করা, একতা এবং নাগরিকদের কর্তব্য পালন৷ পানিপথে চলা সঙ্ঘের অখিল ভারতীয় বৈঠকে উঠে এল পঞ্চপণের প্রসঙ্গ। গৃহীত প্রস্তাবে বলা হয়েছে উন্নততর ভারত গড়তে সমাজের সব শ্রেণির সক্রিয়তা খুব জরুরি এবং এই কাজ করতে প্রধানমন্ত্রীর পঞ্চপণের কথাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। গৃহীত প্রস্তাবে মোদি সরকারের পঞ্চ পণের উল্লেখ আসলে সরকারি নীতিতে সঙ্ঘের সিলমোহর বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

     

            

  • RSS: উন্নততর ভারত গড়তে সমাজের সব অংশকেই প্রয়োজন, বিশ্বাস আরএসএস-এর

    RSS: উন্নততর ভারত গড়তে সমাজের সব অংশকেই প্রয়োজন, বিশ্বাস আরএসএস-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ গঠনের কাজে সমাজের সব অংশকেই সক্রিয়ভাবে প্রয়োজন বলে মনে করে আরএসএস। পানিপথে শুরু হওয়া তিন দিনের অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভার বৈঠকে গৃহীত প্রস্তাবে সে কথা উল্লেখ করেছে সঙ্ঘ।। এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পসমন্দা মুসলিম থেকে মৎসজীবীদের বিজেপির কাজের সঙ্গে আরও বেশি করে জোড়ার প্রস্তাব রেখেছেন। সঙ্ঘপ্রধানও মুসলিম সমাজের বিভিন্ন ব্যক্তিত্বের সঙ্গে বার্তালাভ করেছেন। সঙ্ঘের প্রস্তাবে তারই প্রতিফলন হয়েছে বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ।

    উন্নত ও সমৃদ্ধশালী দেশ গড়তে সমাজের সব অংশকেই প্রয়োজন বলে মনে করে আরএসএস (RSS)

    দলিত সমাজ বা অন্যান্য পিছিয়ে পড়া জাতি, দেশগঠনের কাজে সবাইকেই সমানভাবে দরকারী বলে মনে করে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (RSS)। প্রত্যেক শ্রেণির আবশ্যকতা রয়েছে উন্নততর দেশগঠনে এমনটাই বলছে আরএসএস (RSS)। তাদের প্রস্তাবে স্পষ্টভাবে বলা হচ্ছে, সুসংগঠিত, আধুনিক এবং সমৃদ্ধশালী দেশগঠনের লক্ষ্যে সমাজের প্রত্যেক জাতির অংশগ্রহণ প্রয়োজন।  এবং এটাও লক্ষ্য রাখা দরকার যে বিভিন্ন ধরনের বুনিয়াদি সুবিধা সব শ্রেণির কাছে সমানভাবে পৌঁছাচ্ছে কিনা। সমাজের সব অংশের সামগ্রিক উন্নয়নের কথাও বলা হয়েছে ওই প্রস্তাবে। প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই মহারাষ্ট্রের পিছিয়ে পড়া একটি যাযাবর শ্রেণিকে নিয়ে মহাকুম্ভের আয়োজন করেছিল সঙ্ঘ। সেখানে কমবেশি ওই শ্রেণির ১০ লক্ষ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। যাযাবর সমাজের সর্বাঙ্গীণ উন্নতির জন্য বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনাও চলে ওই সম্মেলনে। বিভিন্ন মহলের ধারণা, দেশ গড়তে সমাজের সব অংশের সমান সহযোগিতার কথা আসলে ঐক্যবদ্ধ ভারত তৈরির প্রচেষ্টা। সঙ্ঘের ওই প্রস্তাবেও উল্লেখ রয়েছে বারবার সংগঠিত ভারত শব্দটি। সঙ্ঘ মনে করে, এই কাজে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জও আসবে, তবে সবকিছুকে প্রতিহত করে আধুনিক প্রযুক্তির ভরপুর ব্যবহার এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের মাধ্যমেই সম্পন্ন হবে উন্নততর ভারত গঠনের কাজ।

    প্রসঙ্গত, ১২ মার্চ থেকে হরিয়ানার পানিপথে শুরু হয়েছে সঙ্ঘের প্রতিনিধি বৈঠক চলবে ১৪ মার্চ অবধি। সারাদেশ থেকে প্রায় ১৪০০ এর বেশি প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেছেন এই বৈঠকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Indian Army: পূর্ব সিকিমে তুষারপাতে আটকে ছিলেন ৪০০ পর্যটক, উদ্ধার করে গ্যাংটকে পাঠাল সেনা

    Indian Army: পূর্ব সিকিমে তুষারপাতে আটকে ছিলেন ৪০০ পর্যটক, উদ্ধার করে গ্যাংটকে পাঠাল সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল তুষারপাতে সিকিমে আটকে পড়েছিলেন প্রায় চারশো পর্যটক। ভারতীয় সেনার (Indian Army) ‘অপারেশন হিমরাহত’-এর দৌলতে নিরাপদে প্রত্যেকেই ফিরলেন গ্যাংটকে। পূর্ব সিকিমের চিন সীমান্তে পাহারারত ভারতীয় সেনা (Indian Army) খবর পায় পর্যটকরা আটকে পড়েছেন তুষারপাতের কারণে। ঘণ্টাখানেকের মধ্যে ‘অপারেশন হিমরাহত’ গঠন করে পর্যটকদের উদ্ধারের কাজে কয়েকশো সেনাকে নামিয়ে দেওয়া হয়।

    সিকিমের কোথায় আটকে ছিলেন পর্যটকরা

    সেনা জওয়ানদের টানা ২৪ ঘণ্টার অক্লান্ত চেষ্টার ফলে রবিবার বিকেলে গ্যাংটকে নিরাপদে ফিরেছেন পর্যটকেরা। তাঁদের মধ্যে ১৭৮ জন পুরুষ, ১৪২ জন মহিলা এবং ৫০টি শিশু রয়েছে। সিকিম রাজ্য প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে শনিবার বিকেলে পূর্ব সিকিমের নাথু লা, ছাঙ্গু, জুলুক সমেত বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রবল তুষারপাত হয়। তার জেরে আটকে পড়েন পর্যটকেরা। শনিবার দিনভর ঘুরে এঁদের কেউ তখন নাথু লা, কেউ বাবা মন্দির, কেউ আবার ছাঙ্গু থেকে গ্যাংটক ফেরার তোড়জোড় করছিলেন। কিন্তু তুষারপাত শুরু হয়ে যাওয়ায় গাড়ির চালকেরা রাজি হননি। কারণ তুষারপাতের সময়ে পাহাড়ি রাস্তায় যানবাহন চালানো কার্যত অসম্ভব। চাকার তলায় বরফ ঢুকে গেলে গাড়ি পিছলে খাদে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    সেনা ছাউনিতে পর্যটকদের রাত্রিবাসের ব্যবস্থা করে জওয়ানরা

    গাড়ির চালকরা রাজি না হওয়ায় পর্যটকদের পক্ষে গ্যাংটকে ফেরা কার্যত অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। এ দিকে, প্রবল ঠান্ডার মধ্যে রাত্রিবাসের অনিশ্চয়তা সংকট আরও বাড়ায়। রাতে তাপমাত্রা আরও নীচে নামতে পারে ভেবে সকলেই তখন উদ্বেগের প্রহর গুণছেন। সিকিম রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেই খবর পৌঁছয় ভারতীয় সেনার (Indian Army) কাছে। সঙ্গে সঙ্গে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তাঁরা। শুরু হয় উদ্ধার কার্য। আটকে পড়া গাড়ি থেকে নামিয়ে আনা হয় পর্যটকদের। এর পর সেনা ছাউনিতে আশ্রয় দেওয়া হয় তাঁদের। প্রত্যেকের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা হয়। রাতের খাবারও দেওয়া হয় উদ্ধার হওয়া প্রত্যেক পর্যটককে। এর পর মেলে রাত পার করার মতো নিশ্চিত আশ্রয়। তুষারপাতের মধ্যে তা তখন রীতিমতো জীবনদায়ী। পর্যটকদের উদ্ধার করার পরই সেনাদের ইঞ্জিনিয়ারিং সংস্থাকেও সতর্ক করে দিয়েছিলেন জওয়ানরা। রবিবার ভোরের মধ্যেই ছাঙ্গু থেকে গ্যাংটকে ফেরার রাস্তা পরিষ্কার করে দেন সেনাদের ইঞ্জিনিয়ারিং শাখার কর্মীরা। অবশেষে সকলেই নিরাপদে ফিরে আসেন গ্যাংটকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • RSS: এবার থেকে সঙ্ঘের শাখা চালাতে পারবেন মহিলারাও! জানুন বিস্তারিত

    RSS: এবার থেকে সঙ্ঘের শাখা চালাতে পারবেন মহিলারাও! জানুন বিস্তারিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  এবার থেকে মহিলারাও সক্রিয়ভাবে পরিচালনা করতে পারবেন সঙ্ঘের শাখা! রবিবার একথা বলেন আরএসএস-এর সহ সরকার্যবাহ মনমোহন বৈদ্য। তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) শাখাতে মহিলাদের সক্রিয়তা কীভাবে বাড়ানো যায়, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। প্রসঙ্গত, পানিপথে আজ থেকে শুরু হয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) সর্বভারতীয় প্রতিনিধি বৈঠক। চলবে ১৪ মার্চ অবধি। বর্তমানে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) মহিলা শাখা চলে রাষ্ট্রীয় সেবিকা সমিতির নামে। মনমোহন বৈদ্য এদিন আরও বলেন, সমাজের জাগরণ এবং পরিবর্তনের জন্য মহিলাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়। তাই সঙ্ঘে আরও বেশি করে মহিলাদের কীভাবে অংশগ্রহণ করানো যায়, তা এই বৈঠকে আলোচিত হবে।

    ২০২৫ সালে শতবর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে নানা কর্মসূচি নিচ্ছে আরএসএস (RSS)

    ১৯২৫ সালে প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) শতবর্ষ পূর্ণ হবে ২০২৫ সালে। শতবর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে নানান কর্মসূচি নিচ্ছে তারা। জানা গেছে ৩,০০০ জন বাছাই করা স্বয়ংসেবক (RSS) নিয়ে তৈরি করা হচ্ছে ‘শতাব্দী বর্ষ বিস্তারক’, যারা দেশের প্রতিটি প্রান্তে পৌঁছে দেবে সঙ্ঘের ভাবনা এবং আদর্শকে। ইতিমধ্যে এই পরিকল্পনায় ১৩০০ স্বয়ংসেবককে বিভিন্ন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, আরও ১৫০০ স্বয়ংসেবককে খুব শীঘ্রই বাছা হবে বলে জানিয়েছেন সঙ্ঘ নেতা মনমোহন বৈদ্য। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মনমোহন বৈদ্য আরও বলেন,  দৈনিক শাখার সংখ্যা ১ লক্ষ করার লক্ষ্যমাত্রা নিচ্ছে সঙ্ঘ (RSS)। এর পাশাপাশি পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি বলেন, ২০১৭ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে ৭ লক্ষের বেশি যুবক সঙ্ঘের সঙ্গে জুড়েছেন যাদের প্রত্যেকেরই গড় বয়স ২০-২৫।

    এদিনের বৈঠকের শুরুতে সঙ্ঘের সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে গত ১ বছরে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে সমস্ত বিশিষ্টজনরা গত হয়েছেন তাঁদের নাম উল্লেখ করেন। সমাজবাদী পার্টি নেতা মুলায়ম সিংহ যাদব, আইনজীবী শান্তিভূষণ, আরজেডি নেতা শরদ যাদব, প্রধানমন্ত্রীর মা হীরাবেন প্রমুখদের স্মরন করা হয়।

    আরও পড়ুন: সাহিত্য অ্যাকাডেমি পেল প্রথম মহিলা সহ সভাপতি! নির্বাচিত হলেন কুমুদ শর্মা

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

LinkedIn
Share