Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Kumud Sharma: সাহিত্য অ্যাকাডেমি পেল প্রথম মহিলা সহ সভাপতি! নির্বাচিত হলেন কুমুদ শর্মা 

    Kumud Sharma: সাহিত্য অ্যাকাডেমি পেল প্রথম মহিলা সহ সভাপতি! নির্বাচিত হলেন কুমুদ শর্মা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার ১১ মার্চ ছিল সাহিত্য অ্যাকাডেমির নির্বাচন। দিল্লির রবীন্দ্রভবনে এই নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত হলেন মাধব কৌশিক। এবং অ্যাকাডেমির ইতিহাসে প্রথমবারের জন্য কোনও মহিলা সহ সভাপতি নির্বাচিত হলেন। তিনি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপিকা কুমুদ শর্মা (Kumud Sharma)।

    আরও পড়ুন: সিমকার্ড বেচে দিন কাটত শান্তনুর! সেখান থেকে বাগানবাড়ি, রেস্তোরাঁ, ধাবা কীভাবে?

    প্রথম মহিলা সহ সভাপতি কুমুদ শর্মার (Kumud Sharma) সংক্ষিপ্ত পরিচয়

    অ্যাকাডেমি প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকে এই প্রথমবার সহ সভাপতি হলেন কোনও মহিলা। বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকার যখন বারবার নারী সশক্তিকরণের কথা বলছে, ঠিক সেই আবহে অ্যাকাডেমিতে প্রথম মহিলা সহ সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার ঘটনা যথেষ্ঠ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল। নব নির্বাচিত সহ সভাপতি কুমুদ শর্মার (Kumud Sharma) জন্ম ৩০ মার্চ ১৯৬০। জানা গেছে, বর্তমানে তিনি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপনার কাজে যুক্ত। বিভিন্ন সরকারি সংস্থা এবং প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকেছেন তিনি। প্রসার ভারতীর কোর কমিটির সদস্য থেকে এনসিইআরটির পরামর্শদাতার ভূমিকাতেও দেখা গেছে তাঁকে। মহাত্মা গান্ধী আন্তর্জাতিক হিন্দি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলেও ছিলেন তিনি। সাহিত্যিক হিসেবে কুমুদ শর্মার ঝুলিতে গেছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার। যেমন, ভারতেন্দু হরিশচন্দ্র পুরস্কার,বালমুকুন্দ গুপ্ত পত্রকারিতা পুরস্কার, দামোদর চতুর্বেদী স্মৃতি সম্মান, সাহিত্যশ্রী ইত্যাদি সম্মানও তিনি পেয়েছেন।

    আরও পড়ুন: চলে গেলেন ‘ক্যালেন্ডার’! হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত বলিউড অভিনেতা সতীশ কৌশিক

    কী বললেন নির্বাচনের দায়িত্ব প্রাপ্ত সচিব

    সভাপতি পদে মাধব কৌশিক ছাড়াও দৌড়ে ছিলেন মল্লপুরম ভেঙ্কটেশ এবং রঙ্গনাথ পাঠারে। অন্যদিকে সহ সভাপতি পদে কুমুদ শর্মার প্রতিদ্বন্দী ছিলেন রাধাকৃষ্ণান। এদিন নির্বাচনের ফল ঘোষণা করার সময় অ্যাকাডেমির সচিব শ্রীনিবাস রাও বলেন, অ্যাকাডেমির প্রত্যেক সদস্যই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। বর্তমানে মোট ৯৯ জন সদস্য রয়েছেন।

     

    আরও পড়ুন: জমির বিনিময়ে চাকরি কেলেঙ্কারিতে যাদবদের দুর্নীতির পরিমাণ ৬০০ কোটি, দাবি ইডি-র 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • BBC: বিবিসি ছাঁটাই করল বিখ্যাত ফুটবলারকে! সমালোচনায় সরব ভারত

    BBC: বিবিসি ছাঁটাই করল বিখ্যাত ফুটবলারকে! সমালোচনায় সরব ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবার বিবিসি বিতর্ক। প্রাক্তন ফুটবলার গ্যারি লিনেকারের বরখাস্ত করায় বিবিসির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। তাঁর অভিযোগ, লিনেকারের ছাঁটাই বিবিসির (BBC) দ্বিচারিতা প্রকাশ্যে এনে দিল।

    ঘটনাটা ঠিক কী

    সম্প্রতি ব্রিটিশ সরকারের একটি নীতির সমালোচনা ট্যুইট করেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ফুটবলার। ব্রিটিশ সরকারের প্রস্তাবিত নয়া শরণার্থী আইনের বিরোধিতা করেছিলেন লিনেকার। একটি ট্যুইটে যে ভাষায় নতুন এই আইনের খসড়া তৈরি হয়েছে, তার বিরোধিতা করেন লিনেকার। শরণার্থীদের সম্পর্কে ব্রিটিশ আইন প্রণেতাদের ভাষার তুলনা তিনি টেনেছেন নাৎসি জার্মানির সঙ্গে। আর তাতেই খাপ্পা বিবিসি (BBC) কর্তৃপক্ষ। লিনেকারের মতামতকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মনে করছে চ্যানেলটি। তাই লিনেকারকে সাময়িক ভাবে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিখ্যাত ‘শো ম্যাচ অফ দ্য ডে’ সঞ্চালনা করা থেকেও বরখাস্ত করা হয়েছে প্রাক্তন ফুটবলারকে

    লিনেকারকে এভাবে সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্রিটেনেই বিতর্ক চরমে উঠেছে। বহু প্রাক্তন ফুটবলার বিবিসির (BBC) এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করেছে। এমনকী বিক্ষোভের আঁচ মিলেছে বিবিসির (BBC) অন্দরেই। বিবিসির একাধিক সঞ্চালক লিনেকারের পাশে দাঁড়িয়ে অনুষ্ঠান করতে আপত্তি জানিয়েছেন। তালিকায় রয়েছে ইয়ান রাইট, অ্যালান শিয়েরারদের নামও।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী 

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর ট্যুইট করে বলে দিচ্ছেন, বিবিসি (BBC) নিজেদের স্বাধীন এবং নিরপেক্ষ সংবাদমাধ্যম বলে বড়াই করে। অথচ, সামান্য একটা সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের জন্য এ হেন বিখ্যাত ফুটবলারকে বরখাস্ত করে দিল। এটা দ্বিচারিত ছাড়া কিছুই নয়। অনুরাগ বলছেন, ভুয়ো প্রচার আর নীতিগত সাংবাদিকতা পরস্পর বিরোধী। যারা ভুয়ো তথ্য সাজিয়ে অপপ্রচার করে তাদের কাছে অবশ্য কোনও নীতিগত অবস্থান বা নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশন আশা করাই যায় না।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • H3N2: এইচথ্রিএনটু-র আবহেই বাড়ছে করোনার দাপট, রাজ্যগুলিকে সতর্ক করল কেন্দ্র

    H3N2: এইচথ্রিএনটু-র আবহেই বাড়ছে করোনার দাপট, রাজ্যগুলিকে সতর্ক করল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে ক্রমেই বাড়ছে এইচথ্রিএনটু (H3N2) ইনফ্লুয়ে়ঞ্জার দাপট। এটি হংকং ফ্লু নামেও পরিচিত। এই আবহে দেশের কয়েকটি রাজ্যে বাড়ছে মারণ ভাইরাস করোনার (Covid 19) দাপটও। শনিবার এ ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কেন্দ্র। জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে ওই রাজ্যগুলিকে। এদিন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ (Rajesh Bhushan) দেশের সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে ইনফ্লুয়েঞ্জা-লাইক ইলনেস কিংবা শ্বাসকষ্টজনিত সংক্রমণের ব্যাপারে কড়া নজরদারি চালানোর অনুরোধও করেছেন চিঠি লিখে।

    এইচথ্রিএনটু (H3N2) ইনফ্লুয়ে়ঞ্জার দাপট…

    শুধু তাই নয়, হাসপাতালগুলিতে যাতে প্রয়োজনীয় ওষুধ, মেডিক্যাল অক্সিজেন মজুত থাকে, সেই ব্যবস্থাও করতে বলা হয়েছে। কোভিড ১৯ এবং ইনফ্লুয়েঞ্জার টিকাকরণ করানোর অনুরোধও করা হয়েছে। রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে পাঠানো ওই চিঠিতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব জানিয়েছেন, যখন কোভিড ১৯ এর প্রদুর্ভাব কমছে, তখন গত কয়েক মাসে করোনা পরীক্ষায় কিছু রাজ্যে পজিটিভ রিপোর্ট মিলেছে। তাই জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। যদিও নতুন করে সংক্রমিতের (H3N2) সংখ্যা খুবই কম, এবং হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যাও কম, তা সত্ত্বেও টিকাকরণের ওপর জোর দিতে হবে বলে জানান রাজেশ ভূষণ। টেস্ট, ট্র্যাক, ট্রিটের মতো ফাইভ ফোল্ড স্ট্র্যাটেজির ওপরও জোর দিতে বলা হয়েছে।

    প্রেস বিবৃতিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দাবি, অল্পবয়সি শিশু ও কো-মর্বিডিটি থাকা বয়স্কদের মরশুমি জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। মরশুমি জ্বর বেশ কয়েক মাস ধরেই ছড়াচ্ছে। ভারত প্রতি বছর মরশুমি জ্বরের দুটো পর্যায় দেখতে পায়। প্রথমটি জানুয়ারি থেকে মার্চ ও দ্বিতীয়টি বর্ষা পরবর্তী মরশুমে। সেক্ষেত্রে মার্চের পর মরশুমি ইনফ্লুয়েঞ্জা (H3N2) সংক্রমণের হার কমবে বলেই আশা করা হচ্ছে। পরিস্থিতির মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট দফতরগুলিকে নিয়ে সম্প্রতি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকও হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: বরাদ্দ প্রায় ৯০ হাজার কোটি টাকা, তার পরেও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ?

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিবের চিঠিতে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, এইচওয়ানএনওয়ান, এইচথ্রিএনটু এবং অ্যাডিনো ভাইরাসের কথা। কেন্দ্রের পর্যবেক্ষণ, এই সব ভাইরাসে শিশু এবং বয়স্করা বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। জ্বর, সর্দি-কাশি ছাড়াও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছেন। এসব ক্ষেত্রে হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা করার যথাযথ পরিকাঠামো রয়েছে কি না, সমস্ত রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে সেদিকে বিশেষ নজর দিতে বলা হয়েছে স্বাস্থ্যসচিবের পাঠানো ওই চিঠিতে। এই জাতীয় ইনফ্লুয়েঞ্জা প্রতিরোধে জোর দেওয়া হয়েছে জনসেচতনতা বাড়ানোর ওপরও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Coal Mines: বাণিজ্যিক উদ্দেশে ২৯টি কয়লা খনির নিলাম করছে কেন্দ্র, খুশি শিল্পমহল 

    Coal Mines: বাণিজ্যিক উদ্দেশে ২৯টি কয়লা খনির নিলাম করছে কেন্দ্র, খুশি শিল্পমহল 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশি-বিদেশি লগ্নি টানতে এবার ২৯টি কয়লা খনিকে (Coal Mines) নিলাম করল কেন্দ্র। জানা গেছে, এখন থেকে যে কোনও সংস্থাই কয়লা খননের কাজ চালাতে পারবে। খুব শীঘ্রই কয়লা ক্ষেত্রের এই সংস্কারের জন্য আইন সংশোধন করতে অধ্যাদেশ জারি করতে চলেছে মোদি সরকার। আজ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা এই সিদ্ধান্তে সিলমোহর বসিয়েছে।  মোদি সরকার আশা করছে, বিধিনিষেধ উঠে যাওয়ার ফলে গ্লেনকোর, অ্যাংলো আমেরিকান, বিএইচপি গ্রুপ, রিও টিন্টো, পিবডি এনার্জি গ্রুপ এ দেশে কয়লা খনির নিলামে অংশ নেবে।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় কয়লা মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশি

    কয়লামন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশি এবিষয়ে বলেন, ‘‘কোল ইন্ডিয়াকে আরও মজবুত করা হবে। আজকের সিদ্ধান্তের ফলে ২০২৩-২৪ সালের মধ্যে দেশে ১০০০ মিলিয়ন টন কয়লা উৎপাদনের লক্ষ্যে পৌঁছনো যাবে। ওই বছর দেশে কয়লার চাহিদা ১৪০০ মিলিয়ন টনে দাঁড়াবে। এত দিন কোল ইন্ডিয়ার উপরেই ১০০০ মিলিয়ন টন উৎপাদনের দায় ছিল। এ বার বেসরকারি ক্ষেত্র, বিদেশি লগ্নি সেই অভাব পূরণ করবে। তবে কোল ইন্ডিয়ার কাছে যথেষ্ট খনি (Coal Mines) রয়েছে। কোল ইন্ডিয়া এই ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।’’

    কয়লা মন্ত্রক সূত্রে জানা গেছে, কয়লার ভাণ্ডারের নিরিখে ভারত গোটা বিশ্বে চতুর্থ স্থানে রয়েছে। তা সত্ত্বেও গত বছর বিদেশ থেকে ২৩৫ মিলিয়ন টন কয়লা আমদানি করতে হয়েছে। এর মধ্যে ১৩৫ মিলিয়ন টনের প্রয়োজন এ দেশের খনি থেকেই মেটানো যেত। তা হলে ১.৭৫ লক্ষ কোটি টাকা সাশ্রয় হত। কয়লা ক্ষেত্রে সংস্কারের জন্য এই অধ্যাদেশে ১৯৫৭ সালের খনি-খনিজ উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ আইন ও ২০১৫-এর কয়লা খনি বিশেষ ব্যবস্থা আইনে সংশোধন আসতে চলেছে।

    খুশি শিল্প মহল

    আজকের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে শিল্প মহল। শিল্পপতি সজ্জন জিন্দালের মতে, ‘‘এই সিদ্ধান্তে দীর্ঘমেয়াদে কয়লা আমদানির উপর নির্ভরতা কমবে। যার জন্য বছরে ১৫০০ কোটি ডলার খরচ হয়। আজকের দিনে যখন তেলের দাম নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে, তখন এই সিদ্ধান্ত জ্বালানি ক্ষেত্রে দেশকে স্বনির্ভর হতে সাহায্য করবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CBI: আরও ১৪ দিন তিহার জেলে থাকতে হবে কেজরির ডেপুটি মণীশ সিসোদিয়াকে 

    CBI: আরও ১৪ দিন তিহার জেলে থাকতে হবে কেজরির ডেপুটি মণীশ সিসোদিয়াকে 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়াকে আরও ১৪ দিন থাকতে হবে তিহার জেলে। এদিন দিল্লির রাউস অ্যভিনিউ কোর্ট তাঁকে ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে। উল্লেখ্য, দিল্লির আবগারী দুর্নীতির অভিযোগে দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টির নেতাকে কয়েকদিন আগেই গ্রেফতার করে সিবিআই (CBI)। তারপরই দিল্লির রাউস অ্যভিনিউ কোর্ট তাঁকে ৪ মার্চ পর্যন্ত হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয়। পরে সেই হেফাজতের মেয়াদ ২ দিন বাড়ানো হয়। এরপর আসে সোমবারের নির্দেশ। তাতে দেখা যাচ্ছে, হোলিতেও মণীশ সিসোদিয়াকে থাকতে হবে জেলবন্দি।

    ঘটনার গতি প্রকৃতি

    এর আগে, ২৮ ফেব্রুয়ারি আবগারী দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের হাতে ধৃত মণীশ সিসোদিয়া দিল্লির মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দেন। তারও আগে, মণীশের জামিনের আবেদনের মামলা খারিজ করে সুপ্রিম কোর্ট। দিল্লির কেজরিওয়াল সরকারের আওতাধীন আবগারী দপ্তর অনৈতিকভাবে কিছু ব্যবসায়ীকে সুবিধে পাইয়ে দিয়েছিল বলে অভিযোগ। সেই অভিযোগে মণীশ সমেত ১৪ জন আম আদমি পার্টির নেতা মন্ত্রীরা ছিলেন সিবিআই স্ক্যানারে। তদন্তে নেমে সিবিআই পর পর জিজ্ঞাসাবাদ করে। অন্যদিকে, আর্থিক কেলেঙ্কারির মামলায় তদন্তে আলাদা করে নামে ইডি। সব মিলিয়ে কার্যত তোলপাড় হয়ে যায় দিল্লির রাজনীতি।

    সিবিআই (CBI) কী বলল

    এদিকে, কোর্টে সিবিআই জানিয়েছে, এই মামলায় সম্ভবত তারা সিসোদিয়ার পুলিস হেফাজতের আবেদন করতে পারে তদন্তের গতিপ্রকৃতি অনুযায়ী। তদন্ত এগোলে তারা সেই আবেদনের পথে হাঁটতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছে সিবিআই। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রবিবার মণীশ সিসোদিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দিল্লির সিবিআই দফতরে ডাকা হয়। সেই দিনই টানা ৮ ঘণ্টার জেরার পর তাঁকে গ্রেফতার করে সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা জানায়, তাঁরা মণীশের থেকে যোগ্য সহযোগিতা না পাওয়ায় তাঁকে গ্রেফতার করতে বাধ্য হয়। সিবিআই হেফাজতে না চাওয়ায় এদিন জেল হাজত হল মণীশের।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nirmala Sitaraman: রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বেচে দেওয়ার জন্য উন্মাদের মতো ছুটছে না কেন্দ্র, বললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী

    Nirmala Sitaraman: রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বেচে দেওয়ার জন্য উন্মাদের মতো ছুটছে না কেন্দ্র, বললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সব রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বেচে দেওয়ার জন্য উন্মাদের মতো ছুটছে না কেন্দ্র। যেখানে প্রয়োজন হবে, সেখানে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা চালানো হবে। এমনই মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitaraman)। তিনি আরও বলেন, প্রতিরক্ষা, টেলিকম-সহ চারটি বৃহত্তর ক্ষেত্রে সরকারের মালিকাধীন পেশাদারি সংস্থার উপস্থিতি থাকবে।

    শনিবার ‘রাইসিনা ডায়লগ’-এ একথা বলেন তিনি

    শনিবার ‘রাইসিনা ডায়লগ’-এ তিনি বক্তব্য রাখছিলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা সংক্রান্ত নীতি অনুযায়ী চার বৃহত্তর ক্ষেত্রে সরকারের মালিকাধীন পেশাদারি সংস্থা থাকবে। অর্থাৎ ওই ক্ষেত্রগুলিতে সব রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বিলগ্নিকরণের পথে হাঁটবে না কেন্দ্রীয় সরকার। ওই চারটি ক্ষেত্র হল – পারমাণবিক শক্তি, মহাকাশ ও প্রতিরক্ষা; পরিবহণ ও টেলিযোগাযোগ; শক্তি, পেট্রোলিয়াম, কয়লা ও অন্যান্য খনিজ সম্পদ এবং ব্যাঙ্কিং, বিমা ও আর্থিক পরিষেবা।

    নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitaraman) এদিন আরও বলেন, ‘রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা সংক্রান্ত নীতিতে বলা হয়নি যে পিন তৈরি থেকে শস্য- সব ব্যবসা চালাবে সরকার। তাই যে ক্ষেত্রে সরকারের (ব্যবসা চালানোর) প্রয়োজন নেই, সেখানে চালাবে না। কিন্তু কৌশলগত স্বার্থে যেখানে সরকারকে (রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা) চালাতে হবে, সেখানে চালাতে হবে। যেমন টেলিকমের ক্ষেত্রে (সরকার ব্যবসা চালিয়ে যাবে)।’ সঙ্গে তিনি যোগ করেন, ‘একটি টেলিকম সংস্থা (বিএসএনএল যেমন আছে) থাকবে, যে সংস্থার মালিক হবে সরকার এবং সেই সংস্থাকে পেশাদারিত্বের সঙ্গে চালানো হবে।’

    বিষয়টি আরও ব্যাখ্যা করে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জানান, যে প্রতিষ্ঠানগুলি বড় এবং নিজেদের ক্ষমতায় চলতে পারবে, সেই রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলি চলতে থাকবে। কিন্তু যে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলি ছোটো, অলাভজনক এবং আখেরে কোনও লাভের মুখ দেখাচ্ছে না, সেগুলিকে সম্ভব হলে বড় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। যাতে ওই সংস্থাগুলি নিজেদের পায়ের উপর দাঁড়িয়ে থাকতে পারে এবং নিজের প্রয়োজনীয়তা পূরণ করতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

     

     

  • Goutam Adani: আদানির প্রশংসায় পঞ্চমুখ অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী

    Goutam Adani: আদানির প্রশংসায় পঞ্চমুখ অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী টনি অ্যাবট এদিন ভূয়সী প্রশংসা করলেন আদানি গোষ্ঠীর (Goutam Adani)। তিনি বলেন, অস্ট্রেলিয়ার মানুষ বিনিয়োগের কারণে আদানির (Goutam Adani) প্রতি তিনি চিরকৃতজ্ঞ থাকবে। অস্ট্রেলিয়ার সার্বিক উন্নয়নে আদানিদের অবদান রয়েছে বলেও জানিয়েছেন অ্যাবট।

    একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে এদিন সাক্ষাৎকার দেন অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী

    একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এদিন আদানিকে সমর্থন করে অ্যাবট বলেন, ‘‘অভিযোগ করা খুব সহজ। কোনও একটা অভিযোগ করা হয়েছে বলেই তা সত্যি হয়ে যায় না। আমি যত দূর জানি, দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় না।’’

     তিনি আরও বলেন, ‘‘যদি সত্যিই কোথাও কিছু গোলমাল থেকে থাকে, তা নিশ্চয়ই কর্তৃপক্ষ খতিয়ে দেখবেন। তবে আমি আদানিদের (Goutam Adani) প্রতি কৃতজ্ঞ। ওঁরা অস্ট্রেলিয়ার উপর যে ভাবে ভরসা রেখেছেন, তাতে আমাদের দেশের অনেক উপকার হয়েছে।’’

     

    অস্ট্রেলিয়াতে কোটি কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে আদানি গোষ্ঠীর

    প্রসঙ্গত, অস্ট্রেলিয়ায় আদানি (Goutam Adani) গোষ্ঠীর কোটি কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে। অ্যাবট জানিয়েছেন, আদানিদের ওই বিনিয়োগের ফলে তাঁদের দেশে কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে, দেশের সম্পদ বৃদ্ধি পেয়েছে।  গত বছর অস্ট্রেলিয়া সরকারের সঙ্গে আদানিদের একটি চুক্তি হয়। যার মাধ্যমে সে দেশের কয়লা আদানিদের হাত ধরে ভারতে এসে প্রত্যন্ত এলাকায় বিদ্যুতের ঘাটতি মেটাবে।

    আমেরিকার লগ্নি সংক্রান্ত গবেষণা সংস্থা হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কারচুপির অভিযোগ এনে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে চলতি বছরের জানুয়ারিতে

    জানুয়ারি মাসের শেষ দিকে আমেরিকার লগ্নি সংক্রান্ত গবেষণা সংস্থা হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কারচুপির অভিযোগ এনে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে। এমন আবহে অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এই ভারতীয় শিল্পগোষ্ঠীকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে এটা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

     

     

  • Bamboo Crash Barrier: দেশে প্রথম বাঁশের রোড ব্যারিয়ার চালু হল মহারাষ্ট্রে

    Bamboo Crash Barrier: দেশে প্রথম বাঁশের রোড ব্যারিয়ার চালু হল মহারাষ্ট্রে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সড়কপথের পাশে রোড ব্যারিয়ার সকলেই লক্ষ্য করে থাকি। যা সাধারণত স্টিলের হয়ে থাকে, এবার দেশে প্রথম বাঁশের রোড ব্যারিয়ার দেখা গেল মহারাষ্ট্রে চন্দ্রপুর থেকে যাবাতমল অবধি। ২০০ মিটারের এই বাঁশের তৈরি ব্যারিয়ার ইতিমধ্যে ‘বাহুবলী’ নামের তকমাও পেয়েছে।

    আরও পড়ুন: বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে যোগ ব্যায়াম শেখানোর পরিকল্পনা নিচ্ছে সৌদি আরব

    কী বললেন সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী

    ভারতবর্ষে এমন বাঁশের রোড ব্যারিয়ার এই প্রথম বলে এদিন ট্যুইটও করেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী। তিনি বলেন, এই প্রকল্প এককথায় পরিবেশ বান্ধব। স্টিলের বিকল্পও বটে, আত্মনির্ভর ভারতের দিকে ধীরে ধীরে এগিয়ে চলেছি আমরা। তাঁর আরও সংযোজন, গ্রামীণ ভারতের কুটিরশিল্পের অন্যতম উপাদান হল বাঁশ। বাঁশের তৈরি নানা সরঞ্জামের চাহিদাও রয়েছে। তাই এই কুটির শিল্পের সঙ্গে যুক্ত যাঁরা রয়েছেন তাঁরা উপকৃত হবেন বলেই আশা করছি।

    জানা যাচ্ছে, ব্যারিয়ার তৈরির আগে বাঁশগুলির উপরে রীতিমতো পরীক্ষা নিরীক্ষা চলানো হয় National Automotive Test Tracks (NATRAX) এ। তারপরেই ছাড়পত্র মেলে রোড ব্যারিয়ার তৈরির।

    আরও পড়ুন: এয়ার ইন্ডিয়ার ঘটনার পুনরাবৃত্তি, বিমানের সহযাত্রীর গায়ে মূত্রত্যাগ মদ্যপ পড়ুয়ার! 

     

    আরও পড়ুন: হোলি খেলতে ভালো লাগলেও রাসায়নিককে ভয়? বাড়িতেই বানিয়ে নিন ভেষজ রং

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

     

     

  • Environment Recycling: দেশের প্রথম ‘কার্বন-নেগেটিভ’ শৌচাগার তৈরি করলেন অষ্টাদশী! বিশেষত্ব জানেন?

    Environment Recycling: দেশের প্রথম ‘কার্বন-নেগেটিভ’ শৌচাগার তৈরি করলেন অষ্টাদশী! বিশেষত্ব জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  প্রথম দর্শনে মনে হবে কোনও ইগলু! বোঝার বিন্দুমাত্র উপায় নেই যে এটি কোনও শৌচাগার। আর এই অভিনব নকশার টয়লেটের নির্মাণেও রয়েছে অভিনবত্বের ছোঁয়া। কারণ, এটি সুলভ-এর মতো আর পাঁচটা সাধারণ শৌচাগার নয়। এটি দেশের প্রথম কার্বন-নেগেটিভ টয়লেট। এই টয়লেট তৈরি করেছেন এক অষ্টাদশী।  যার দৌলতে গোটা দেশে আলোড়ন ফেলে দিয়েছেন ওই তরুণী। পাঞ্জাবের ১৮ বছরের তরুণী রুহানি ভার্মা ছোটবেলা থেকেই একজন পরিবেশপ্রেমী। প্লাস্টিক বর্জ্য পুনর্ব্যবহারের (Environment Recycling) প্রতি ছোট থেকেই আগ্রহ তাঁর। এরপর রুহানি হাইস্কুলে ওঠামাত্রই পরিবেশ বান্ধব কিছু প্রজেক্ট করার বিষয়ে উদ্যোগী হয়ে ওঠেন। তিনি তখন মনে করতেন, যেকোনও নির্মাণই পরিবেশের (Environment Recycling) উপর বিরুপ প্রভাব ফেলে। জলের অপচয়, বায়ু দূষণ ইত্যাদি।  তাঁর নিজের কথায়, “আমি ইউটিউবে ভিডিও দেখে এবং ইন্টারনেটে নিবন্ধ পড়ে পরিবেশ বান্ধব ইট নিয়ে গবেষণা শুরু করি। আমি তখন জানতে পারি ব্রিটেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনেক লোক বিভিন্ন প্রকল্পে এই ইটগুলি ব্যবহার করছে।  কিন্তু এখানকার বেশিরভাগ লোকই এবিষয়ে সম্পূর্ণ অনভিজ্ঞ। পরিবেশ বান্ধব প্রকল্প শুরু করতে, তিনি  প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবহার করার চিন্তা ভাবনা শুরু করেন। একাজে সাহায্য পান তাঁর পিতামাতা, এবং বিভিন্ন পেশাদারের। 

    কীভাবে বাস্তবায়িত হল এমন পরিবেশ বান্ধব প্রকল্প (Environment Recycling)

     রুহানির সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিল শ্রী ধর রাও এর। শ্রী ধর রাও একজন ইঞ্জিনিয়ার। এই কাজে ব্যবহার করা হয় ফাউন্ড্রি ধুলো এবং প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে তৈরি, সিলিকা প্লাস্টিক ব্লক বা SPB, একটি টেকসই এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য ইঁট। এরপর পরিবেশ বান্ধব এই প্রকল্পটির বাস্তবায়নের জন্য তৈরি করা হয় একটি টিম, ওই টিমের সদস্যরা হলেন শিখা ডুগার, রানা সরকার, জুনিয়র আর্কিটেক্ট হিসাবে মানবী দীক্ষিত এবং গ্রাফিক্স বিভাগে ছিলেন অভিষেক সিং। শুরু হয় কার্বন নেগেটিভ পরিবেশ বান্ধব টয়লেট ডিজাইনের কাজ। এরপর রুহানি বিভিন্ন জায়গা থেকে প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করতে শুরু করেন। এরপর ওই প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি করা হয় হয় ইঁট। আরও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম যেমন,  এমএস অ্যাঙ্গেল, পিভিসি পাইপ, এইচডিএইচএমআর বোর্ড, ধাতু, ঢেউতোলা শীট, ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। যা সবই ছিল পুনর্ব্যবহারযোগ্য (Environment Recycling)। রুহানি জানান, এটি ছিল পুনর্ব্যবহারযোগ্য পাবলিক টয়লেট,  ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে চালু হয়। মোট ৪ লক্ষ প্লাস্টিক ব্যাগ দিয়ে এটা তৈরি করা হয়েছে।
    রুহানি বলেন, পাবলিক টয়লেট সাধারণত নোংরা দেখায়। তাই আমরা ভেবেছিলাম এই টয়লেটগুলো যেন বাকি জায়গার মতো নোংরা হয়না। এবং গঠনমূলকভাবে এটাকে আকর্ষণীয় করে তুলতে চেয়েছিলাম।
    প্রকল্পের রুপায়নকারী সংস্থা বলে, এটি আমাদের প্রথম প্রকল্প ছিল, এটি তৈরি করতে আমাদের প্রায় দুই মাস সময় লেগেছিল, কিন্তু ভবিষ্যতের প্রকল্পগুলি  আমরা দুই সপ্তাহের মধ্যে সম্পূর্ণ করত পারব বলে মনে হয়। অমৃতসর বিমানবন্দরের এই কাঠামোটি কমপক্ষে পাঁচ বছর স্থায়ী হবে। রুহানি বলেন, এই প্রকল্পটি আমরা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে হস্তান্তর করেছি। বর্তমানে এটি স্বচ্ছভারত মিশনের অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। আমরা এটিকে প্রতিনিয়ত দেখভাল করছি। 

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Sikhs for Justice: দিল্লি বিমানবন্দরে ওড়ানো হবে খালিস্তানি ঝান্ডা, হুমকি নিষিদ্ধ শিখ সংগঠনের

    Sikhs for Justice: দিল্লি বিমানবন্দরে ওড়ানো হবে খালিস্তানি ঝান্ডা, হুমকি নিষিদ্ধ শিখ সংগঠনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে ফের মাথাচাড়া দিচ্ছে খালিস্তান সমস্যা। খালিস্তানপন্থী সংগঠন শিখস ফর জাস্টিস (Sikhs for Justice) নিষিদ্ধ করা হয়েছে অনেক আগেই। সোমবার এই সংগঠনেরই প্রতিষ্ঠাতা গুরপন্তওয়ান্ত সিং পান্নুন (Gurpatwant Singh Pannun) হুমকি দিয়েছেন, জি-২০’র বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনের সময় হামলা করা হবে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। ওড়ানো হবে খালিস্তানের ঝান্ডা। 

    শিখস ফর জাস্টিস (Sikhs for Justice)…

    সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, পঞ্জাব (Punjab) ভারত নয় স্লোগান লেখা হয়েছে এসডিও অফিস কমপ্লেক্সে। পঞ্জাবের মোগা জেলার রোড ভিলেজে বাঘাপূর্ণা অ্যান্ড গভর্নমেন্ট পলিটেকনিক কলেজের দেওয়ালেও লেখা হয়েছে ওই স্লোগান। শিখস ফর জাস্টিসের তরফে দাবি করা হয়েছে দেওয়ালের ওই স্লোগান লিখেছে তারাই। উল্লেখ্য যে, খালিস্তানি সন্ত্রাসবাদী জার্নেল সিং ভিন্দ্রেওয়ালা এই রোড ভিলেজেরই বাসিন্দা ছিলেন।

    পান্নুন (Sikhs for Justice) বলেন, এই বার্তা দেওয়া হয়েছে জি-২০’র বিদেশমন্ত্রীদের। পঞ্জাব ভারত নয়। শিখস ফর জাস্টিস নিউ দিল্লি এয়ারপোর্ট আক্রমণ করবে। সেখানে উড়িয়ে দেবে খালিস্তানি ঝান্ডা। তিনি বলেন, এই হচ্ছে সময় যখন আপনারা (জি-২০-র বিদেশমন্ত্রীরা) আমাদের খালিস্তানের দাবি সমর্থন করবেন। শিখদের আত্মনিয়ন্ত্রণের দাবিকে আপনারা সমর্থন করবেন। ভারত ভূখণ্ডকে আপনারা চিনতে পারবেন না। কারণ ভারত কোনও দেশ নয়, শর্তসাপেক্ষে কতগুলো রাজ্যের ইউনিয়ন। তিনি বলেন, যদি মানুষ এই ইউনিয়নে থাকতে না চায়, তাহলে তাদের ভোটের অধিকার রয়েছে।

    আরও পড়ুুন: রাজার হালে ইতি, এখন থেকে জেলের মেঝেতে শুয়েই রাত কাটাবেন পার্থ!

    শিখস ফর জাস্টিসের (Sikhs for Justice) ভারত-বিরোধী কাজকর্ম প্রকাশ্যে এসেছে দীর্ঘদিন। প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন লালকেল্লায় খালিস্তানি পতাকা ওড়াতে পারলে আড়াই লক্ষ মার্কিন ডলার পুরস্কার দেওয়ার কথা তারা ঘোষণা করেছিল ২০২১ সালে। তখন পান্নুন বলেছিলেন, ২৬ জানুয়ারি আসছে। লালকেল্লায় ভারতের তিরঙ্গা পতাকা উড়বে। ২৬ জানুয়ারি ওই পতাকা সরিয়ে টাঙিয়ে দাও খালিস্তানি পতাকা। দিন কয়েক আগে আর এক খালিস্তানপন্থী অমৃতপাল সিং হুমকি দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে। তিনি বলেছিলেন, খালিস্তানি আন্দোলন দমন করতে গেলে অমিত শাহের পরিণতি হবে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর মতো। তিনি বলেছিলেন, খালিস্তানের দাবি অধিকারের। এর অর্থ, শিখরা তাদের জমি ফেরত পেতে চায়। তাঁদের এই দাবিকে কেউ ছিনতাই করতে পারে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share