Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Supreme Court: গৃহবন্দি থাকলে নিরাপত্তার খরচ জোগাতে হবে নাভালাখাকেই, সাফ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    Supreme Court: গৃহবন্দি থাকলে নিরাপত্তার খরচ জোগাতে হবে নাভালাখাকেই, সাফ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভীম কোরেগাঁও মামলায় সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) তিরস্কৃত হলেন অভিযুক্ত গৌতম নাভালাখা। গৃহবন্দি দশায় তাঁকে যে নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল, তার খরচ বহন করতে হবে তাঁকেই। গত শুনানিতে নাভালাখার জামিনের আবেদন খারিজ করতে গিয়ে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA) আদালতে জানিয়েছিল ‘শহুরে নকশাল’ নাভালাখা গৃহবন্দি থাকাকালীন তাঁর নিরাপত্তায় খরচ হয়েছে ১.৫৪ কোটি টাকা। সেই খরচই বহন করতে হবে তাঁকে।

    সুপ্রিম নির্দেশ (Supreme Court)

    মঙ্গলবার আদালত মন্তব্য করে, “আপনি যদি গৃহবন্দিদশায় থাকতে চান, তাহলে তার খরচ জোগাতে হবে আপনাকেই। এ ব্যাপারে আপনি আপনার দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারেন না।” প্রসঙ্গত, ভীম কোরেগাঁও সংঘর্ষের ঘটনায় (Supreme Court) ২০১৮ সালে ইউএপিএতে গ্রেফতার করেছিল এনআইএ। ভীম কোরেগাঁও মামলার শুনানি চলছে বিচারপতি এমএম সুন্দরেশ ও বিচারপতি এসভিএন ভাট্টির বেঞ্চে। সেখানেই আদালত নাভালাখার আইনজীবীকে সাফ জানিয়ে দিয়েছে, যদি নাভালাখা গৃহবন্দি থাকতে চান, তাহলে তাঁর খরচ দিতে হবে তাঁকেই। আদলত এও জানিয়েছে, যেহেতু তাঁকে গ্রেফতার করেছিল এনআইএ, তাই গৃহবন্দি থাকলে তাঁর ওপর নজরদারি করবে এনআইএ। তাই খরচও দিতে হবে নাভালাখাকে।

    কী বললেন নাভালাখার আইনজীবী?

    নাভালাখার আইনজীবী জানান, খরচের বিষয়ে কোনও সমস্যা হবে না। তবে ঠিক কত খরচ হচ্ছে, তার সঠিক হিসেব রাখা প্রয়োজন। খরচের বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখা হবে বলে জানায় আদালত। প্রসঙ্গত, অসুস্থতার কারণে ভীম কোরেগাঁও মামলায় ধৃত মানবাধিকার কর্মী গৌতম নাভালাখাকে জেল থেকে বাড়িতে পাঠিয়ে গৃহবন্দি রাখার অনুমতি দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্টই। ২০২২ সালের ২২ নভেম্বর ওই নির্দেশ দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। নাভালাখার মেডিক্যাল রিপোর্টের ভিত্তিতেই এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে সেদিন জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)।

    আরও পড়ুুন: বাংলার জামাইকে প্রার্থী করে আসানসোলে কিস্তিমাত পদ্মের, বিপাকে ঘাসফুল

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Elon Musk: ভারতে আসছেন টেসলা কর্তা, মোদির সঙ্গে বৈঠকের পরেই লগ্নির ঘোষণা মাস্কের!

    Elon Musk: ভারতে আসছেন টেসলা কর্তা, মোদির সঙ্গে বৈঠকের পরেই লগ্নির ঘোষণা মাস্কের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে মোটা অঙ্কের লগ্নির ব্যাপারে কথা দিয়েছিলেন আগেই। এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে ভারত সফরে আসছেন মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক (Elon Musk)। দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন। দেশ ফুটছে রাজনীতির আঁচে। এহেন আবহে চলতি মাসেই ভারত সফরে আসছেন টেসলা কর্তা। ভারতে নয়া কারখানা গড়তে আগ্রহী মাস্ক। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার পরেই সম্ভবত এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করবেন বিশ্বের অন্যতম ধনকুবের।

    কবে আসছেন টেসলা কর্তা?

    তবে ঠিক কবে ভারতে আসবেন টেসলা কর্তা, কবেইবা বসবেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে, সে ব্যাপারে এখনও কিছুই জানা যায়নি। তবে সূত্রের খবর, এপ্রিলের শেষ সপ্তাহেই ভারত সফরে আসতে চলেছেন মাস্ক (Elon Musk)। এই সফরেই দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। এপ্রিলেই শুরু হচ্ছে লোকসভা নির্বাচন। ভোট হবে সাত দফায়। প্রথম দফার নির্বাচন হবে ১৯ এপ্রিল। তার পর আরও কয়েকটি দফার নির্বাচন হবে চলতি মাসেই। সেই সময়ই ভারতে আসছেন মাস্ক। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক টেসলার এক আধিকারিক বলেন, “এপ্রিল মাসে লোকসভা নির্বাচন চলাকালীনই ভারত সফরে যাবেন ইলন মাস্ক।”

    আরও পড়ুুন: বাংলার জামাইকে প্রার্থী করে আসানসোলে কিস্তিমাত পদ্মের, বিপাকে ঘাসফুল

    সলতে পাকানোর কাজ শুরু হয়েছিল ঢের আগে

    গত জুনে তিন দিনের আমেরিকা সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সফরেই নিউ ইয়র্কে মাস্কের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তখনই ভারতের সম্ভাবনা ও প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন টেসলা কর্তা। আগ্রহ প্রকাশ করেন ভারতে বিনিয়োগের বিষয়ে। মাস্ক ভারতে দুই বিলিয়ন মার্কিন ডলার লগ্নি করার চিন্তাভাবনা করছেন বলেও জানা গিয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সেই বৈঠক শেষে মাস্ক বলেছিলেন, “দারুণ একটা বৈঠক হল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। তাঁকে আমি খুবই পছন্দ করি। কয়েক বছর আগে (২০১৫ সালে) তিনি আমাদের কারখানায় এসেছিলেন। আমরা একে অপরকে বেশ কয়েক বছর আগে থেকেই চিনি।” সেই সময়ই তিনি বলেছিলেন, “ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমি ভীষণ উৎসাহিত। আমার ধারণা, বিশ্বের যে কোনও বড় দেশের তুলনায় ভারতের সম্ভাবনা বেশি রয়েছে।” জানা গিয়েছে, সেই সূত্রেই এবার ভারতে আসতে চলেছেন মাস্ক। সূত্রের খবর, ভারতে কারখানা চালু হলেই বছরে উৎপাদন করা হবে ৫ লক্ষ গাড়ি। গাড়ির দাম হবে ২০ লক্ষের মধ্যেই (Elon Musk)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Patanjali Case: আয়ুষ না অ্যালোপ্যাথি, পছন্দ হওয়া উচিত ব্যক্তিগত, পতঞ্জলি মামলায় জানাল কেন্দ্র

    Patanjali Case: আয়ুষ না অ্যালোপ্যাথি, পছন্দ হওয়া উচিত ব্যক্তিগত, পতঞ্জলি মামলায় জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আয়ুষ না অ্যালোপ্যাথি কোন পদ্ধতিতে কেউ চিকিৎসা করাবেন, তা তাঁর ব্যক্তিগত পছন্দ। এবং কোনও একটি পদ্ধতিকে নিরুৎসাহ করাও উচিত নয়। পতঞ্জলি মামলায় (Patanjali Case) বুধবার সুপ্রিম কোর্টে এমনই জানাল কেন্দ্রীয় সরকার। যোগগুরু রামদেবের পতঞ্জলি আর্য়ুবেদ সংস্থার বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা বিজ্ঞাপনী মামলা চলছে দেশের শীর্ষ আদালতে। এই মামলায় আগের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের মন্তব্য ছিল, “সরকার চোখ বন্ধ করে বসে রয়েছে। এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। সরকারকে অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে হবে।” এর পরেই এদিন আদালতে ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয়টি জানাল কেন্দ্র।

    কেন্দ্রের হলফনামা (Patanjali Case)

    সুপ্রিম কোর্টে জমা দেওয়া হলফনামায় কেন্দ্র জানিয়েছে, কোনও বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট রাজ্যের। তবে কেন্দ্রীয় সরকার আইন অনুযায়ী সময়মতো ব্যবস্থা নিয়েছে। আয়ুষ মন্ত্রকের তরফে সংশ্লিষ্ট সংস্থাটিকে বলা হয়েছিল, পরীক্ষা না করা পর্যন্ত এই জাতীয় বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা যাবে না। বিষয়টি (Patanjali Case) জানানো হয়েছিল রাজ্য লাইসেন্স কর্তৃপক্ষকেও। বলা হয়েছিল, ‘করোনিল’ ট্যাবলেট কোভিড ১৯ সহায়ক ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। করোনা নিরাময়ের জন্য মিথ্যা দাবিগুলির বিরুদ্ধে সক্রিয় পদক্ষেপও করেছে কেন্দ্র।

    ‘করোনিল কিট’

    ২০২০ সালের ২৩ জুন বাজারে ‘করোনিল কিট’ নিয়ে আসে রামদেবের সংস্থা। কিটে ছিল ‘করোনিল’ ও ‘শ্বাসারি’ বটি নামে দু’প্রকার ট্যাবলেট এবং ‘অণু তৈল’ নামের এক শিশি তেল। কিটের দাম ছিল ৫৪৫ টাকা। সংস্থার দাবি, সব মিলিয়ে ২৩ লক্ষ ৫৪ হাজার করোনিল কিট বিক্রি করেছে পতঞ্জলি। এই করোনিল নিয়েই বিজ্ঞাপন দিয়েছিল রামদেবের সংস্থা। তার বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয় ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন। তাদের অভিযোগ ছিল, পতঞ্জলির বেশ কয়েকটি বিজ্ঞাপনে অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসা ও চিকিৎসককে অসম্মান করা হয়েছে। বিজ্ঞাপণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার অভিযোগও ওঠে।

    আরও পড়ুুন: বাংলার জামাইকে প্রার্থী করে আসানসোলে কিস্তিমাত পদ্মের, বিপাকে ঘাসফুল

    এতেই চাপে পড়ে যান যোগগুরু। সুপ্রিম কোর্টের ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয় তাঁকে। হলফনামা দিয়ে তাঁকে নিঃশর্ত ক্ষমাও চাইতে হয়েছে শীর্ষ আদালতে। ক্ষমা চাইতে হয়েছে পতঞ্জলির এমডি আচার্য বালকৃষ্ণকেও। এই জাতীয় ভুলের পুনরাবৃত্তি হবে না বলেও আদালতে জানিয়েছিলেন রামদেব ও তাঁর সহযোগী বালকৃষ্ণ (Patanjali Case)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Triyuginarayan Temple: শিব-পার্বতীর বিবাহস্থল! বিয়ে করতে অনেকেই ছুটে যান উত্তরাখণ্ডের এই মন্দিরে

    Triyuginarayan Temple: শিব-পার্বতীর বিবাহস্থল! বিয়ে করতে অনেকেই ছুটে যান উত্তরাখণ্ডের এই মন্দিরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডকে দেবভূমি বলা হয়ে থাকে। একাধিক পৌরাণিক কাহিনীর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে উত্তরাখণ্ডের বিভিন্ন স্থান। উত্তরাখণ্ডের অন্যতম বিশেষ তীর্থস্থান হল ত্রিযুগীনারায়ণ মন্দির (Triyuginarayan Temple)। রুদ্রপ্রয়াগ জেলায় অবস্থিত এই মন্দিরকে দেখতে পাওয়া যায় পর্বতের ১,৯৮০ মিটার উচ্চতায়। হিন্দুদের ধর্মশাস্ত্র অনুযায়ী, এই মন্দিরেই সম্পন্ন হয়েছিল শিব পার্বতীর আধ্যাত্মিক বিবাহ। ভক্তদের বিশ্বাস, ত্রিযুগীনারায়ণ মন্দিরের অগ্নিকুণ্ড শিব-পার্বতীর বিবাহের সময় থেকেই জ্বলছে। এই কুণ্ডকে সাক্ষী রেখে বিবাহ সম্পন্ন করেছিলেন শিব এবং পার্বতী। ত্রিযুগীনারায়ণ মন্দিরে অধিষ্ঠান করছেন ভগবান বিষ্ণু। পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, তিন যুগ ধরে অবস্থান করছে মন্দির। তাই এমন নামকরণ।

    বিবাহ কেন্দ্র ত্রিযুগীনারায়ণ মন্দির (Triyuginarayan Temple)

    সাত পাকে বাঁধা পড়া, হিন্দু ধর্মে কোনও চুক্তি নয় বরং তা এক পবিত্র সম্পর্কের শুরু বলে মানা হয়। বর্তমান লিভ-ইন সম্পর্কের যুগে হিন্দু ধর্মের পবিত্র বিবাহ বন্ধন নৈতিক সমাজ গঠনে অনেক বেশি কার্যকরী বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। পবিত্র সম্পর্কের শুরু করতে অনেকেই তাই তীর্থস্থানকে বেছে নেন। ত্রিযুগীনারায়ণ মন্দিরে (Triyuginarayan Temple) সব থেকে বেশি বিবাহ সম্পন্ন হয় বলেই জানা যাচ্ছে। প্রতি বছরেই দেশ-বিদেশ থেকে বহু মানুষই আসেন এখানে নিজেদের বিবাহ সম্পন্ন করতে। স্থানীয় প্রশাসনিক আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, প্রতিবছরে এমন বিবাহের সংখ্যা ত্রিযুগীনারায়ণ মন্দিরে বেড়েই চলেছে।

    কী বললেন পুরোহিত কমিটির সভাপতি? 

    বর্তমানে ত্রিযুগীনারায়ণ (Triyuginarayan Temple) তীর্থ পুরোহিত কমিটির সভাপতি রয়েছেন সচ্চিদানন্দ পাঁচপুরি। সংবাদ মাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘‘প্রতিদিনই আমরা অজস্র ফোন কল এবং অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন পাই। যাঁরা এই মন্দিরের মাধ্যমে নিজেদের বিবাহ সম্পন্ন করাতে চান। দেখা যাচ্ছে, ২০২২ সালের মে মাস থেকে ২০২৪ সালের ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত সাড়ে পাঁচশো বেশি বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে এই মন্দিরে।’’ ওই পুরোহিত আরও জানিয়েছেন, আড়াইশো জনেরও বেশি মানুষ রেজিস্ট্রি করেছেন ভবিষ্যতে বিবাহ করার জন্য। মন্দিরের পুরোহিত কমিটির সভাপতির মতে, ‘‘আমরা এখনও পর্যন্ত বিদেশ থেকে অসংখ্য ফোন কল পেয়ে যাচ্ছি। বিবাহের আবেদন করছেন ওনারা।’’ ওই মন্দির কমিটির সভাপতি মতে, ‘‘আমরা বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছেও আবেদন জানিয়েছি, যাতে দেশের কোনও মানুষ বিদেশে বিবাহ করতে না যান। উত্তরাখণ্ডে এই মন্দিরেই নিজেদের বিবাহ সম্পন্ন করেন।’’

    পৌরাণিক কাহিনী কী বলছে?

    পুরাণ অনুযায়ী, চৈত্র মাসে বিয়ে হয়েছিল শিব-পার্বতীর। এখন চৈত্র মাস চলছে। চারদিকে, বিশেষ করে গ্রামবাংলায় গাজন উৎসব পালিত হচ্ছে। এই উৎসবকে শিব-পার্বতীর বিয়ের উৎসব হিসেবেও উল্লেখ করা হয়। পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, নিজেদের বিবাহের জন্য এই স্থানকেই বেছেছিলেন শিব-পার্বতী। এখানকার অগ্নিকুণ্ডের আগুন শিব-পার্বতীর বিবাহ সময় জ্বালিয়েছিলেন স্বয়ং ভগবান বিষ্ণু। এমনটাই বিশ্বাস ভক্তদের। এই অগ্নিকুণ্ডে এখনও পর্যন্ত ভক্তরা এসে নিয়মিতভাবে আহুতি দেন এবং এটাকে পবিত্র কাজ বলে মানা হয়। মনে করা হয়, শিব-পার্বতীর বিবাহে প্রধান পুরোহিতের ভূমিকা পালন করেছিলেন ব্রহ্মা। এছাড়া ভগবান বিষ্ণু বিবাহের যাবতীয় প্রস্তুতির দায়িত্বে ছিলেন। এই মন্দিরের গঠনশৈলীর সঙ্গে কেদারনাথের গঠন শৈলী মিলে যায়। প্রতি বছর কেদারনাথের মতোই অসংখ্য ভক্তের গন্তব্য হয়ে ওঠে এই ত্রিযুগীনারায়ণ (Triyuginarayan Temple) মন্দির। এই মন্দিরে রয়েছে ভগবান বিষ্ণুর দু’ফুটের বড় একটি ছবি। তার পাশে দেখা যায় মা লক্ষ্মী এবং সরস্বতীকেও। পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে দেবী পার্বতী ছিলেন হিমালয়ের কন্যা। তিনি ভগবান শিবকে বিয়ে করতে চেয়ে কঠোর তপস্যা করেন। যা উত্তরাখণ্ডের গৌরিকুণ্ডে অবস্থিত বর্তমানে কেদারনাথ ট্রেকিংরুটে এটি পড়ে।

    উদ্যোগ নিচ্ছে উত্তরাখণ্ড সরকারও

    উত্তরাখণ্ডের সরকার ইতিমধ্যেই ত্রিযুগীনারায়ণ (Triyuginarayan Temple) মন্দিরকে কেন্দ্র করেই সমস্ত কিছুর উন্নয়নকে উপর জোর দিচ্ছে। সেখানকার পর্যটন মন্ত্রীর সতপাল মহারাজ জানিয়েছেন, উত্তরাখণ্ডকে বিবাহ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে ইতিমধ্যে একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে তাঁদের সরকার। পর্যটকদের টানতে এবং সুবিধার কাজে একাধিক প্রকল্পও শুরু হয়েছে। রাস্তা নির্মাণের জন্য টেন্ডারও ডাকা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • IPC 498A: ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮এ ধারাটির অপব্যবহার হচ্ছে, মত কর্নাটক হাইকোর্টের

    IPC 498A: ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮এ ধারাটির অপব্যবহার হচ্ছে, মত কর্নাটক হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিবাহিত মহিলাদের ওপর শারীরিক বা মানসিক অত্যাচার বন্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮এ ধারাটি (IPC 498A) কারওর অজানা নয়। তবে বর্তমানে এই ধারার অপব্যবহার হচ্ছে বলে মনে করছে কর্নাটক হাইকোর্ট। আদালতের পর্যবেক্ষণ, ভারতীয় দণ্ডবিধির (IPC) ধারা ৪৯৮ এ (নারীর প্রতি নিষ্ঠুরতা)যা মূলত বিবাহিত মহিলাদের উপর স্বামী বা তাদের আত্মীয়দের দ্বারা নিষ্ঠুরতার শাস্তি দেওয়ার জন্য তৈরি হয়েছিল তার বর্তমানে অপপ্রয়োগ হচ্ছে। বিচারপতি সিএম জোশী বলেছেন যে সুপ্রিম কোর্ট সহ বেশ কয়েকটি আদালত এই ধরনের অপব্যবহারের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। 

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    একটি মামলার শুনানির সময় বিচারপতি জোশী বলেন,  যে এমন অনেক উদাহরণ রয়েছে, যেখানে আদালত ৪৯৮এ (IPC 498A)  ধারার অপব্যবহার এবং এই ধরনের অভিযোগের বিচারে যাওয়ার সম্ভাব্য দীর্ঘমেয়াদী পরিণতি বিবেচনা না করে বিবাহ সংক্রান্ত বিরোধে স্বামীর আত্মীয়দের জড়িত করার ক্রমবর্ধমান প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে৷ বিচারপতি সিএম জোশী জানান যে বিধানগুলির প্রায়শই অপব্যবহার করা হয় এবং দম্পতিদের মধ্যে ছোটখাটো পার্থক্য আদালতের সামনে নিয়ে আসা হয়। দম্পতির মধ্যে পার্থক্য বিভিন্ন কারণে হতে পারে তবে এই কারণগুলিকে মোড়কে করে সাজানো অর্থহীন। প্রসঙ্গত, যে মামলার শুনানির সময় আদালত এই মন্তব্য করে সেই মামলায় আদালত অবশ্য অভিযোগকারীর স্বামী ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে মামলার কার্যক্রম বহাল রেখেছেন। আদালত মহিলার অভিযোগ খতিয়ে দেখেন যে অভিযোগগুলি মূলত তার স্বামী এবং শাশুড়ির বিরুদ্ধে। মামলার অন্যান্য অভিযুক্তদের বিষয়ে, আদালত বলেছে যে জড়িত থাকার বিষয়টি দূরবর্তী ছিল। ওই আত্মীয়েরা মুম্বাইতে বসবাসই করতেন না যেখানে এই দম্পতি থাকতেন।

    আরও পড়ুন: নববর্ষের আগেই ফের বাড়বে তাপমাত্রা! দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস

    ৪৯৮ ধারা কী

    ভারতীয় দণ্ডবিধির (IPC 498A) এই ধারায় কোনও মহিলার ওপর অত্যাচারের ক্ষেত্রে তাঁর স্বামী ও স্বামীর পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা যায়। একটি মামলার শুনানির সময় কর্ণাটক হাইকোর্ট জানায়, ‘আইনসভা সমাজ থেকে পণের ভয় দূর করার জন্য ধারা ৪৯৮এ এর বিধান প্রণয়ন করেছে। কিন্তু বেশ কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায় যে উক্ত বিধানের অপব্যবহার করে নতুন আইনি সন্ত্রাসের রাস্তা উন্মোচিত হচ্ছে।’ উল্লেখ্য, ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮এ ধারায় বিবাহিত কোনও মহিলা শ্বশুরবাড়িতে নিষ্ঠুরতার শিকার হলে তাঁর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকেদের শাস্তি দেওয়ার বিধান রয়েছে। এক্ষেত্রে নিষ্ঠুর আচরণের সংজ্ঞা হিসেবে বলা হয়েছে, এমন কোনও আক্রমণাত্মক আচরণ যা ওই বিবাহিত মহিলাকে আত্মহত্যার প্ররোচনা দেয় অথবা তাঁর দেহে অথবা মনে মারাত্মক আঘাত সৃষ্টি করে। এছাড়া এই আচরণের আওতায় পড়ে মূল্যবান সম্পত্তি বা সামগ্রীর জন্য বধূ বা তাঁর কোনও আত্মীয়কে চাপ দেওয়ার মতো ঘটনাও। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rajnath Singh: “যদি নয়াদিল্লি চিনের কিছু অঞ্চলের নাম বদলে দেয়…”, বেজিংকে খোঁচা রাজনাথের

    Rajnath Singh: “যদি নয়াদিল্লি চিনের কিছু অঞ্চলের নাম বদলে দেয়…”, বেজিংকে খোঁচা রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমরা যদি প্রতিবেশী দেশের বিভিন্ন রাজ্যের নাম পরিবর্তন করি, তাহলে কি সেগুলি আমাদের ভূখণ্ডের অংশ হয়ে যাবে?” মঙ্গলবার অরুণাচল প্রদেশ পূর্ব লোকসভা কেন্দ্রের নামসাইতে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে এই ভাষায়ই চিনকে নিশানা করলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ (Rajnath Singh)।

    রাজনাথের কটাক্ষ-বাণ (Rajnath Singh)

    সম্প্রতি ফের একবার অরুণাচল প্রদেশের ৩০টি রাজ্যের নাম বদলে দিয়েছে বেজিং। তার পরেই চিনকে নিশানা করেছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনিও বলেছিলেন, কোনও জায়গার নাম অন্য দেশ বদলে দিলেও, সেই ভূখণ্ড ওই দেশের হয়ে যায় না। এদিন রাজনাথের গলায়ও শোনা গেল প্রায় একই সুর। তিনি বলেন, “নাম বদলে দিলে ভারতের কিস্যু যায় আসে না।” এর পরেই প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “যদি নয়াদিল্লি চিনের কিছু অঞ্চলের নাম বদলে দেয়, তাহলে কি সেই জায়গাগুলি ভারতের হয়ে যাবে?”

    আরও পড়ুুন: “রাজ্যে চালু হবে সংগ্রামী ভাতা”, ঘোষণা শুভেন্দুর, কারা পাবেন?

    কী বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী?

    এদিনের সভায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “চিন অরুণচল প্রদেশের তিরিশটি জায়গার নাম বদলে দিয়েছে। সেটা আবার তারা ওয়েবসাইটে পোস্টও করেছে। আমি আমার প্রতিবেশীকে বলতে চাই, নাম বদলে দিলে ভারতের বয়েই যায়।” এর পরেই তিনি (Rajnath Singh) বলেন, “আগামিকাল যদি আমরা চিনের কিছু অঞ্চল ও প্রদেশের নাম পরিবর্তন করে ফেলি, তাহলে কি সেই জায়গাগুলি ভারতের হয়ে যাবে?” ভারত যে যেচেপড়ে প্রতিবেশীর সঙ্গে ঝগড়া করতে চায় না, এদিন তা আরও একবার মনে করিয়ে দিয়েছেন রাজনাথ। তবে সম্মানের সঙ্গে কোনওরকম আপোশ করা হবে না বলেও সাফ জানিয়ে দেন তিনি। বলেন, “অটল বিহারী বাজপেয়ী প্রায়ই বলতেন, বন্ধুরা জীবনে পরিবর্তন আনে, কিন্তু প্রতিবেশীরা নয়। ভারতের লক্ষ্যই হল, প্রতিবেশী সব দেশের সঙ্গেই সুসম্পর্ক বজায় রাখা। কিন্তু কেউ যদি ভারতের সম্মানে ঘা দেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে আজ ভারত তাকে মুখের মতো জবাব দেবে।” ‘বিকশিত ভারত’ যে স্রেফ স্লোগান নয় তা জানিয়ে রাজনাথ বলেন, “এটা বিজেপির প্রতিশ্রুতি, যা পূরণ করতেই হবে।” তিনি (Rajnath Singh) বলেন, “আমাদের প্রধানমন্ত্রীও বলেছেন, ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারত উন্নত দেশে পরিণত হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Ram Navami 2024: রাম মন্দির উদ্বোধনের পর প্রথম রামনবমী, কতটা প্রস্তুত অযোধ্যা?

    Ram Navami 2024: রাম মন্দির উদ্বোধনের পর প্রথম রামনবমী, কতটা প্রস্তুত অযোধ্যা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৭ এপ্রিল দেশজুড়ে পালিত হবে রামনবমী। ৫০০ বছর পরে ঘরে ফিরেছেন রামলালা (Ram Navami 2024)। এবারই প্রথম তাঁবুর বদলে মন্দিরে থাকা অবস্থাতেই রামনবমী পালিত হবে। বিভিন্ন সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, ৫০ কুইন্টালেরও  বেশি দেশি এবং ফুল বিদেশি ফুল দিয়ে সাজানো হবে মন্দিরকে। সূর্য রশ্মি দিয়ে রামলালার কপালে আঁকা হবে তিলক। পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, ভগবান রামচন্দ্র সূর্যবংশে জন্মগ্রহণ করেন। পরবর্তীকালে রাজা রঘুর নামানুসারে তাঁর বংশের নামকরণ করা হয় রঘু বংশ। জানা যায়, তিনি ছিলেন দশরথের বংশধর।

    মূল আকর্ষণ তিলক অনুষ্ঠান

    ১৭ এপ্রিল রামনবমীর দিন ঠিক বেলা বারোটায় সূর্য রশ্মি দিয়ে রামলালার কপালে তিলক আঁকা হবে। সূর্যের রশ্মি রামলালার মুখকে আলোকিত করবে। এমনটাই জানিয়েছে রাম জন্মভূমি (Ram Navami 2024) তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট। সূত্রের খবর, সূর্য রশ্মির এই তিলকের দৈর্ঘ্য হবে ৭৫ মিলিমিটার। এই তিলক অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচারিত করা হবে বিভিন্ন জায়ান্ট স্ক্রিনের মাধ্যমে। যাঁরা রাম মন্দিরে আসতে পারবেন না, তাঁরা জয়েন্ট স্ক্রিনের মাধ্যমে প্রসার ভারতীর সৌজন্যে সরাসরি বাড়িতে বসেই তা দেখতে পারবেন। প্রসঙ্গত, বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব অ্যাস্ট্রফিজিকস ও উত্তরাখণ্ডে রুরকির সেন্ট্রাল বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট, বেঙ্গালুরুর অপটিক কোম্পানির যৌথ উদ্যোগে রামলালার এই তিলক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হতে চলেছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় মহাকাশ বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক। সূর্যের কৌণিক অবস্থান দেখেই এই অনুষ্ঠান সম্প্রচারিত হবে। প্রথমে সূর্যরশ্মি একটি আয়নায় পড়বে এবং সেই আয়নাতে সূর্য রশ্মি প্রতিফলিত হয়ে সরাসরি যাবে, রামলালার মুখের ওপরে তা স্থায়ীভাবে ৬ মিনিট ধরে।

    সরাসরি সম্প্রচারিত হবে তিলক অনুষ্ঠান

    একইসঙ্গে এই তিলক অনুষ্ঠানকে সরাসরি সম্প্রচারিত করতে একশোরও বেশি এলইডি স্ক্রিন বসানো হয়েছে অযোধ্যা নগরীতে। জানা গিয়েছে, লাইভ টেলিকাস্টের মাধ্যমে রামভক্তরা (Ram Navami 2024) ঘরে বসেই রামলালার দরবার দর্শন করতে পারবেন। মন্দিরের তরফে ইতিমধ্যে জানানো হয়েছে ভক্তদের গরম থেকে রক্ষা করতে ৬০০ মিটার চাঁদোয়ারও ব্যবস্থা করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ।

    নবরাত্রির দিনগুলিতে মন্দির খোলা থাকবে ১৪ থেকে ২০ ঘণ্টা

    প্রসঙ্গত, গতকাল ৯ এপ্রিল থেকেই রামলালার দরবারে কলসি স্থাপনের মাধ্যমে নবরাত্রির আচার শুরু হয়ে গিয়েছে। ১৭ এপ্রিল ভগবান রামচন্দ্রের জন্মতিথি উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের (Ram Navami 2024) আয়োজন করা হয়েছে। মাঝের ন’দিন চলবে বিভিন্ন অনুষ্ঠান, শক্তিপূজা। এর পাশাপাশি দুর্গা সপ্তশতীও পাঠ করা হবে। দেবী দুর্গার পূজা করা হবে। রামনবমীর দিন রামলালা কে ছাপান্ন ধরনের ভোগ নিবেদন করা হবে বলে জানিয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। জানা গিয়েছে, এই কয়েকদিনে মন্দির ১৪ থেকে ২০ ঘন্টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। যাতে দর্শনার্থীরা প্রসাদ পান সে ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chief Election Commissioner: প্রাণহানির আশঙ্কা! মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা কেন্দ্রের

    Chief Election Commissioner: প্রাণহানির আশঙ্কা! মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর জীবনের ঝুঁকি রয়েছে। তাই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (Chief Election Commissioner) রাজীব কুমারকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দিল কেন্দ্রীয় সরকার। তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষীরা। জানা গিয়েছে, রাজীবের নিরাপত্তায় মোতায়েন করা হয়েছে সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের ৪০-৪৫ জন রক্ষী। সম্প্রতি মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট কেন্দ্রকে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থা। রাজীবকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দেওয়ার সুপারিশও করা হয়। তার পরেই আজ, মঙ্গলবার থেকেই রাজীবের নিরাপত্তায় তৈরি হয়েছে বলয়। সূত্রের খবর, আন্তর্জাতিক হুমকির কারণে রাজীবের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।

    রাজীবের নিরাপত্তা

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, দেশজুড়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের যাওয়া-আসা মায় চব্বিশ ঘণ্টা দিল্লিতে ও তাঁর অফিসে থাকার সময়ও এই জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দেওয়া হবে। তিনি কোথাও সফরে গেলেও, তাঁর নিরাপত্তার বলয় থাকবে অটুট। এবার লোকসভা নির্বাচন হবে সাত দফায়। প্রথম দফায় ভোট গ্রহণ শুরু হবে ১৯ এপ্রিল। এদিন দেশের বিভিন্ন কেন্দ্রের সঙ্গে সঙ্গে নির্বাচন হবে এ রাজ্যের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার আসনেও। নির্বাচন উপলক্ষে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতিপর্ব খতিয়ে দেখতে কার্যত দেশ চষে বেড়াতে হবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে। তদন্তকারী একাধিক সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ই হামলা হতে পারে রাজীবের ওপর। এই তথ্য পাওয়ার পরেই রাজীবকে (Chief Election Commissioner) জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দেয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মন্ত্রক।

    আরও পড়ুুন: শুরু হয়ে গেল নবরাত্রি উৎসব, জানুন এই মহাব্রতের তাৎপর্য

    রাজীব কুমার

    ১৯৮৪ সালের ব্যাচের প্রাক্তন আইএএস রাজীব। ২০২২ সালের ২৫ মে ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন তিনি। তার আগে ছিলেন নির্বাচন কমিশনার। ওই পদে তিনি যোগ দিয়েছিলেন ২০২০ সালের ১ সেপ্টেম্বর। তিনি দেশের ২৫তম মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। এবার রক্তপাতহীন নির্বাচন করাতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন। সেই কারণেই সাত দফায় হচ্ছে নির্বাচন। মোতায়েন করা হচ্ছে প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনী। বাংলার প্রতিটি বুথে থাকবে ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা। সাহায্য নেওয়া হবে এআই প্রযুক্তিরও। পাঞ্জাবের ভোটেও থাকবে এসব ব্যবস্থা। এসব কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্যই রাজীবের ওপর হামলা হতে পারে বলে আশঙ্কা (Chief Election Commissioner)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: জেলেই অরবিন্দ কেজরিওয়াল! তাঁর গ্রেফতারি বৈধ, জানাল দিল্লি হাইকোর্ট

    Arvind Kejriwal: জেলেই অরবিন্দ কেজরিওয়াল! তাঁর গ্রেফতারি বৈধ, জানাল দিল্লি হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবগারি দুর্নীতি মামলায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) গ্রেফতারি বৈধ। তাঁকে বেআইনি ভাবে গ্রেফতার করা হয়নি, জানাল দিল্লি হাইকোর্ট। আপাতত তাঁকে তিহাড় জেলেই থাকতে হবে। এই দুর্নীতি মামলার তদন্তের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক স্বার্থ রয়েছে বলেও মানতে নারাজ দিল্লি হাইকোর্ট। আদালতের বক্তব্য, এই মামলাটি কেন্দ্র সরকার এবং অরবিন্দ কেজরিওয়ালের মধ্যে নয় বরং দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের মধ্যে।

    আদালতে সওয়াল জবাব

    ইডি আদালতে জানিয়েছে, কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) বিরুদ্ধে তাদের হাতে প্রমাণ রয়েছে। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে আবগারি মামলার ‘মূলচক্রী’ হিসাবেও দেখিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এর পাশাপাশি, তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। আদালতে ইডি জানায় আবাগারি নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত ক্ষমতার বলে প্রভাব খাটিয়েছেন কেজরিওয়াল। ঘুষ নিয়ে ফায়দা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ভূমিকা ছিল আম আদমি পার্টির সুপ্রিমোর।  আবগারি নীতি তৈরি করে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী এবং আপ নেতারা প্রায় ১০০ কোটি টাকা ঘুষ পেয়েছিলেন। পাশাপাশি গোয়ায় যারা আপ-এর প্রার্থী হয়েছিলেন তাঁদের দলের তরফে মোটা অঙ্কের টাকা দেওয়া হয়েছিল ভোটে লড়ার জন্য। অন্য দিকে, কেজরিওয়ালের আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভির দাবি ছিল, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে যখন গ্রেফতার করা হয়, তখন আদর্শ নির্বাচনী আচরণবিধি বলবৎ ছিল। তাই তাঁর গ্রেফতারি নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। গত বুধবার দু’পক্ষের সওয়াল শোনার পর ইডির গ্রেফতারিকে চ্যালেঞ্জ করে আপপ্রধানের মামলার রায়দান সংরক্ষিত রেখেছিল দিল্লি হাইকোর্ট।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    দুই পক্ষের সওয়াল-জবাব শুনে মঙ্গলবার দিল্লি হাইকোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) অন্যদের সঙ্গে মিলে ষড়যন্ত্র করেছেন এবং অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন। ইডি এই সংক্রান্ত পর্যাপ্ত প্রমাণ আদালতে পেশ করতে পেরেছে। তাই এই গ্রেফতারিকে বেআইনি বলা যাবে না।  দিনের পর দিন তিনি যেভাবে হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন, তাতে প্রমাণ হচ্ছে এই গ্রেফতারি প্রয়োজনীয়। এই দুর্নীতি মামলার তদন্তের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক স্বার্থ রয়েছে বলেও মানতে নারাজ দিল্লি হাইকোর্ট। আদালতের মতে, রাজনৈতিক বিবেচনা এবং সমীকরণ আদালতে টেনে আনা যাবে না। আইনের কাছে এসব অপ্রাসঙ্গিক। বিচারপতিরা আইনের কাছে দায়বদ্ধ, রাজনৈতিক পরিস্থিতির কাছে নয়। লোকসভা নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। আবেদনে এমনটাই জানিয়েছিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তবে এই দাবি খারিজ করে দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: কংগ্রেসের ইস্তাহারে মিথ্যার বেসাতি, মার্গ দর্শন কোথায়?

    Lok Sabha Election 2024: কংগ্রেসের ইস্তাহারে মিথ্যার বেসাতি, মার্গ দর্শন কোথায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতার পর থেকে ২০১৪ সালের আগে পর্যন্ত পর্বে দীর্ঘ সময় দেশ শাসন করেছে কংগ্রেস। ফি বার নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) আগে নিয়ম করে প্রকাশ করেছে ইস্তাহারও। তবে সেসবই মিথ্যার ফুলঝুরি। কংগ্রেসকে বিশ্বাস করে হাত উপুড় করে ভোট দিয়েছে জনতা। এতে লাভ হয়েছে একটা। বছরের পর বছর রাজত্ব করে গিয়েছে গান্ধী পরিবার। বাবার পর মেয়ে, মেয়ের পর তাঁর ছেলে… রাজীব গান্ধীর মৃত্যুর পরে অবশ্য প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেছেন গান্ধী পরিবারের বাইরের নেতা। তবে তাঁদের প্রত্যেকের টিকি বাঁধা ছিল গান্ধী পরিবারের কাছে। তাই দীর্ঘ সময় কংগ্রেস চালকের আসনে বসলেও ফুলেফেঁপে উঠেছেন নেতারা। দেশ এগোয়নি এক পা-ও।

    মানুষের বিশ্বাস হারিয়েছে কংগ্রেস (Lok Sabha Election 2024)

    বারংবার ঠকতে ঠকতে কংগ্রেসের ওপর বিশ্বাসটাই হারিয়ে ফেলেছেন দেশবাসী। তাই ২০১৪ সালে দেশের চালকের আসনে মানুষ বসায় বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএকে। যে সরকারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি। ২০১৪ সালে মানুষ কংগ্রেস নয়, ভরসা করেছে বিজেপির ইস্তাহারের ওপর। কারণ তার আগে প্রত্যেকবার কংগ্রেসের ইস্তাহারে প্রতিশ্রুতির বন্যা বইয়ে দেওয়া হলেও, তা কীভাবে পূরণ করা হবে তার কোনও দিশা দেখানো হয়নি। কখনও তোষণের রাজনীতি, কখনও আবার জোটের নামে ঘোঁট পাকিয়ে কংগ্রেস শাসন করে গিয়েছে দেশ। ভোট সর্বস্ব রাজনীতি (Lok Sabha Election 2024) করতে গিয়ে ভারতকে কীভাবে জগৎ সভায় ফের শ্রেষ্ঠ আসনে বসানো যায়, তা ভাবতে ভুলেই গিয়েছিলেন কংগ্রেস নেতৃত্ব। যার জেরে কংগ্রেসের আমলে রাশিয়ার বাইরে ভারতকে সেভাবে কেউ চিনত বলে মনে হয় না। এর এক এবং একমাত্র কারণ, কীভাবে বছরের পর বছর ক্ষমতায় থাকা যাবে তা নিয়ে ভেবেছে কংগ্রেস, দেশের কী হবে, গরিবের কী হবে তা কখনও ভাবেননি ইন্দিরা গান্ধী কিংবা তাঁর উত্তরসূরিরা। যার জেরে ক্রমেই পিছিয়ে পড়েছিল দেশ।

    ইস্তাহার রয়েছে, দিশা নেই

    আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে কংগ্রেস যে ইস্তাহার প্রকাশ করেছে, তার পোশাকি নাম ‘ন্যায়পত্র’। তাতে ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত নগদহীন স্বাস্থ্যবিমা, অগ্নিপথ তুলে দেওয়া, জাতগণনা সহ গুচ্ছ প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কিন্তু স্বাস্থ্যবিমার টাকা কোথা থেকে আসবে, অগ্নিপথ কীভাবে তোলা যাবে, বিকল্পই বা কী, এত বড় একটা দেশে জাতগণনাই বা কীভাবে সম্ভব, তার কোনও দিশা নেই গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির ‘ন্যায়পত্রে’।  দেখেশুনে মনে হচ্ছে, কংগ্রেস জনমোহিনী ইস্তাহার তৈরি করেছে তো বটে, কিন্তু, বাস্তবের সঙ্গে তার কোনও মিল নেই। গোটাটাই আষাঢ়ে গল্প ছাড়া কিছুই নয়। এই সমস্ত ফাঁকা প্রতিশ্রুতি কেবলমাত্র যে এক শ্রেণির ভোটারকে কেন্দ্র করেই, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। উদ্দেশ্যটা স্পষ্ট— দেশের উন্নতি, প্রগতি রসাতলে যাক, জনমোহিনীর ধোঁয়া দিয়ে নিজেদের আখেরেটা গোছাতে পারলেই হল।

    কংগ্রেসের পদাঙ্ক অনুসরণ তৃণমূলেরও

    কংগ্রেসের ডিএনএ থেকে জন্ম নেওয়া তৃণমূলের দশাও তাই। সর্বভারতীয় দল বলে নিজেদের দাবি করলেও, আদতে ক্ষমতায় রয়েছে কেবল পশ্চিমবঙ্গে। ক্ষমতায় থাকতে কংগ্রেসের মতো তারাও বেছে নিয়েছে সস্তার রাজনীতি। তাদেরও লক্ষ্য হল, দান-খয়রাতি এবং তোষণের রাজনীতি করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে হবে যেন-তেন-প্রকারেন। এই হাটুরে রাজনীতি (Lok Sabha Election 2024) করতে গিয়ে কেন্দ্রের দেওয়া সরকারি নানা প্রকল্পের টাকা অকাতরে বিলানো হয়েছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার কিংবা ‘শ্রী’-যুক্ত (যুবশ্রী ইত্যাদি) কোনও প্রকল্পে। খয়রাতির পয়সা পেয়ে জনগণও উজাড় করে ভোট দিয়েছেন তৃণমূলকে। যার জেরে আক্ষরিক অর্থেই ধরাকে সরা জ্ঞান করে কার্যত লুটে খাওয়ার রাজনীতি করে গিয়েছে ঘাসফুল শিবিরের অনেক নেতাই। সামান্য মাছ বিক্রেতা থেকে কেউ বনে গিয়েছেন কোটিপতি, কেউ আবার কালীঘাটের কমবেশি ৪০টি প্লটের মালিক হয়েছেন স্রেফ ‘রাজনীতি’ করে। রাজ্যে শিল্প নেই। বাম রাজত্বের পর যে ক’টা কলকারখানায় সাতসকালে ভোঁ বাজত, শ্রমিক-কর্মচারিরা ডিউটি ধরতে ছুটতেন, তৃণমূলের শাসনে সেক’টিতেও তালা ঝুলেছে। কলকারখানার চিমনি থেকে ধোঁয়া বের না হওয়ায় হয়তো দূষণ খানিক কমেছে, তবে পেটে গামছা দিয়ে পরিবার নিয়ে পড়ে ছিলেন শ্রমিকরা।

    (ঢপের) চপ শিল্প

    মোদি সরকার গত পাঁচ বছর ধরে রেশনে মুফতে চাল দিচ্ছে, তাই দু’বেলা খাবার জুটছে এই সব পরিবারে। না হলে যে কী হত! অবশ্য রোজগারের (Lok Sabha Election 2024) উপায় বের করে দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী স্বয়ং। তাঁর পরামর্শ, চপ শিল্প করুন। তিনি আউড়ে গিয়েছেন, সেই অমোঘ সত্যবাণী, কোনও কাজই ছোট নয়। হক কথা। তবে কেন তাঁর দলের নেতারা রাজনীতি করে ‘কামাই’ করছেন? কেন চপের দোকান খুলছেন না? আর সবাই (ঢপের) চপ শিল্প চালালে ক্রেতাই বা জুটবে কোত্থুকে? তার দিশা নেই এই সর্বজ্ঞের কাছে। তাই বাংলার অর্থনীতির হাঁড়ির হাল। ঘরে ঘরে শিক্ষিত বেকার। হা-চাকরি দশা। বিরাট বিরাট ডিগ্রিধারীরাও পরিযায়ী শ্রমিক হয়ে ভিন রাজ্য চলে যাচ্ছেন সুড়ঙ্গ খোঁড়ার কাজে!

    আরও পড়ুুন: “কংগ্রেস গরিবদের উপোসে রেখে জঙ্গিদের খাওয়াত বিরিয়ানি”, তোপ যোগীর

    ডাবল ইঞ্জিন সরকার

    এবার তাকানো যাক মুদ্রার উল্টো পিঠে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে উন্নয়নের বিজয়রথ টেনে নিয়ে যাচ্ছে ডাবল ইঞ্জিন সরকার। পদ্ম-ইস্তাহারে মিথ্যার বেসাতি নেই, রয়েছে নির্ভেজাল আশ্বাস, নিশ্চিত দিশা। যার জেরে গত ১০ বছরে দেশ এগিয়েছে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের গতিতে। এখন আর মানুষকে পিঁপড়ের ডিম খেতে হয় না। খিদের জ্বালায় কাঁদতে থাকা ছেলেকে ভোলাতে এখন আর দেশের কোনও মাকে হাঁড়িতে কেবলই জল গরম করতে হয় না। রেশনে পাওয়া চালেই হয় ভাত। কাঠের জ্বালের বদলে হেঁসেলে চলে এসেছে সস্তার উজালা গ্যাস। এখন দ্রুত রান্না সেরে, ছেলে মেয়েকে খাইয়ে স্কুলে পাঠিয়ে ভারতের কোনও এক অখ্যাত গাঁয়ের বধূও হাতে ফাইভ জি মোবাইল নিয়ে চন্দ্রাভিযানের লাইভ শো দেখেন।

    ভারত যে এখন নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছে! পূরণ হয়েছে আত্মনির্ভর ভারতের স্বপ্ন (Lok Sabha Election 2024)!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share