Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Himachal Pradesh Election: হিমাচলে মুখ্যমন্ত্রীর পদের জন্য একাধিক দাবিদার, অস্বস্তিতে হাত শিবির

    Himachal Pradesh Election: হিমাচলে মুখ্যমন্ত্রীর পদের জন্য একাধিক দাবিদার, অস্বস্তিতে হাত শিবির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাটে ভরাডুবির মাঝেও হিমাচল প্রদেশে মুখ বাঁচিয়ে রাখতে পারল হাত শিবির। ৬৮ আসনের হিমাচল বিধানসভায় কংগ্রেসের ঝুলিতে এসেছে ৪০ টি আসন। অর্থাৎ এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। অন্যদিকে, বিজেপি জিতেছে ২৫ টি আসনে। কিন্তু জয়ী হয়েও শান্তি নেই হাত শিবিরে। মুখ্যমন্ত্রীর পদ নিয়ে তৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছে কংগ্রেসের অন্দরে। মুখ্যমন্ত্রীর পদে কাকে দেখা যাবে, এই নিয়ে বেশ জল্পনা শুরু হয়েছে। ফলে এক পদের জন্য একাধিক দাবিদার।

    হিমাচলের মুখ্যমন্ত্রীর পদের জন্য একাধিক নাম

    জয় আসার পরেই মুখ্যমন্ত্রীর পদের জন্য দাবিদার হিসাবে মুখ খুলেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বীরভদ্র সিং-এর স্ত্রী প্রতিভা সিং। তিনি বলেন, “প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বীরভদ্রের মুখ চেয়েই ভোট দিয়েছেন রাজ্যবাসী।” ফলে তিনি সরাসরি না বললেও তিনি যে মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবিদার সেই ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি। কিন্তু পরে তিনি জানিয়েছেন, বিধায়কদের মতামত এবং হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তেই মুখ্যমন্ত্রী পদের জন্য উপযুক্ত কাউকে নির্বাচন করা হবে।

    শুধু প্রতিভা নন, এই পদের জন্য নাম উঠে এসেছে, ৩ বারের বিধায়ক সুখবিন্দর সিংহ সুখু। এ বারের নির্বাচনে তিনি নাদৌন থেকে লড়েছেন তিনি। আবার মুকেশ অগ্নিহোত্রীর নামও উঠতে শুরু করেছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, মুকেশের সঙ্গে বীরভদ্রের পরিবারের সম্পর্ক ভাল। কিন্তু সুখুর সঙ্গে বীরভদ্রের পরিবারের তেমন ভালো সম্পর্ক নেই। আবার এই পদের জন্য লড়াইয়ে নাম উঠে এসেছে ঠাকুর কল সিং-এর। তিনি হিমাচল কংগ্রেসের প্রবীণতম নেতা। দারাং বিধানসভা কেন্দ্র থেকে ৮ বারের বিধায়ক।

    আবার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে পিছিয়ে নেই আশা কুমারীও। ৬ বারের ডালহৌসির বিধায়ক আশা কুমারীকে পাঞ্জাব কংগ্রেসের দায়িত্ব দিয়েছে দল। এছাড়াও হর্ষবর্ধন চৌহান এবং রাজেশ ধর্মানির নামও উঠে আসছে মুখ্যমন্ত্রীর পদের জন্য। হর্ষবর্ধন আবার রাহুল গান্ধীর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত।

    মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে একাধিক মুখ। শেষপর্যন্ত এই দৌড়ে কে এগিয়ে আসতে পারে ও মুখ্যমন্ত্রীর পদে কে বসতে পারে, তারই অপেক্ষায় হিমাচলবাসী। কংগ্রেসের জয়ের পরেও সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ এটাই হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, কাকে মুখ্যমন্ত্রী করা হবে। ফলে এতে দলের অস্বস্তি বেড়েছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক দল। শেষ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর মুখ হিসেবে কাকে বেছে নেওয়া হবে, তা নিয়ে জোর চর্চা চলছে কংগ্রেসের অন্দরে। 

    কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বার্তা

    অন্যদিকে, এদিন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে হিমাচল প্রদেশের সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে বলেন, “আমরা হিমাচল প্রদেশ নির্বাচনে জিতেছি। আমি হিমাচলের জনগণসহ আমাদের সমস্ত কর্মী ও নেতাদের ধন্যবাদ জানাতে চাই কারণ তাঁদের প্রচেষ্টার কারণে এই ফলাফল এসেছে। আমি প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। রাহুল গান্ধীর ভারত জোড়ো যাত্রাও এতে আমাদের সাহায্য করেছে। সোনিয়া গান্ধীর আশীর্বাদও আছে আমাদের সঙ্গে। আমাদের পর্যবেক্ষকরা এবং ভারপ্রাপ্ত কংগ্রেস সম্পাদকরা হিমাচল প্রদেশ যাচ্ছেন এবং তাঁরা সিদ্ধান্ত নেবেন কখন রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করবেন এবং বিজয়ী কংগ্রেস বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক ডাকবেন।

  • Gujarat Election: ভাঙল অতীতের সব রেকর্ড, গুজরাটে ইতিহাস সৃষ্টি বিজেপির

    Gujarat Election: ভাঙল অতীতের সব রেকর্ড, গুজরাটে ইতিহাস সৃষ্টি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাট বিধানসভার মোট আসন সংখ্যা ১৮২। আজ, বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, ১৫৭টি আসনে (Gujarat Election) এগিয়ে পদ্ম প্রার্থীরা। এ থেকে স্পষ্ট এবারও গুজরাটের রশি যেতে চলেছে বিজেপির (BJP) হাতে। গতবার ১২৭টি আসনে জয় পেয়েছিল বিজেপি।

    রেকর্ড…

    এতদিন রেকর্ড ছিল ১৪৭টি আসনে জয়ের। ১৯৮৫ সালে কংগ্রেসের (Congress) মাধব সিং সোলাঙ্কির নেতৃত্বে কংগ্রেস পেয়েছিল ওই সংখ্যক আসন। এতদিন সেটাই ছিল গুজরাটের সর্বকালীন রেকর্ড। এবার সে সব রেকর্ড ছাপিয়ে নয়া রেকর্ড গড়তে চলেছে গেরুয়া শিবির। ১৮২টি আসনের মধ্যে ১৫৭টি আসনে এগিয়ে রয়েছে পদ্ম-শিবির।

    শুধু তাই নয়। এই নিয়ে টানা সাতবার ক্ষমতা দখল করল গেরুয়া শিবির। প্রসঙ্গত, ১৯৯৮ সাল থেকে টানা গুজরাটের কুর্সিতে রয়েছে বিজেপি। তার আগে ১৯৯৫ সালে ক্ষমতায় এসেছিল পদ্ম শিবির। তবে সেবার সরকার টিকিয়ে রাখতে পারেনি। ১৯৯৮ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি পদ্ম শিবিরকে। সপ্তমবারের জন্য গুজরাটের তখতে যে বিজেপিই ফিরছে, সে ইঙ্গিত মিলেছিল আগেই। একাধিক একজিট পোলেই সেই ইঙ্গিত ছিল। দিনের শেষে তা উৎসবে পরিণত হয়।

    উৎসবের মেজাজ বিজেপি সদর দফতরে

    এদিন সকালে গণনা শুরু হতেই উল্লাসে ফেটে পড়েন বিজেপির নেতা-কর্মী-সমর্থকরা। বেলা যত গড়িয়েছে, ততই বেড়েছে গেরুয়া-ঝড়ের গতি। রাজধানীতে বিজেপির সদর দফতরে উৎসবের মেজাজ। দলীয় কর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশে সন্ধে আটটায় বার্তা দেবেন নরেন্দ্র মোদি। আর তার আগে সাজো সাজো রব দিল্লিতে বিজেপি অফিসের বাইরে। নেতা-কর্মীদের ঢল নেমেছে দলীয় কার্যালয়ের সামনে। গেরুয়া পতাকা, গান-বাজনা সবই চলছে। সব মিলিয়ে যেন এক উৎসবের মেজাজ তৈরি হয়েছে দিল্লিতে বিজেপির সদর অফিসের সামনে।

    ত্রিমুখী লড়াই

    গুজরাটে (Gujarat Election) এবার লড়াই হয়েছে ত্রিমুখী। বিজেপির প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে লড়াইয়ের ময়দানে হাজির ছিল কংগ্রেসের পাশাপাশি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল আম আদমি পার্টিও। দিল্লি পুরভোটে বিজেপিকে সরিয়ে ক্ষমতায় আসে আপ। তবে দিল্লিতে ছাপ ফেলতে পারলেও, গুজরাটে আক্ষরিক অর্থেই ধরাশায়ী হতে হয়েছে কেজরির দলকে। এদিন বিকেল পর্যন্ত পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, রাজ্যের ১৮২টি আসনের মধ্যে মাত্র ৫টিতে এগিয়ে রয়েছে কেজরির দল। 

    আরও পড়ুন: মোদি-ম্যাজিকে ভর করে টানা সপ্তমবার গুজরাট দখলের পথে বিজেপি

    গুজরাট বিধানসভা নির্বাচন (Gujarat Election) হয়েছে দু দফায়। প্রথম দফার নির্বাচন হয়েছে ১ ডিসেম্বর। পরের দফার ভোট হয়েছে ৫ তারিখে। প্রথম দফায় ভোট পড়েছিল ৬৩.১৪ শতাংশ। আর দ্বিতীয় দফায় ভোট পড়েছে ৫৯.১১ শতাংশ। গুজরাটে ২৭ বছর ধরে ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে এ রাজ্যেই দীর্ঘদিন মুখ্যমন্ত্রীর পদে আসীন ছিলেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর ক্ষমতায় বসেছেন বিজেপির বিভিন্ন নেতা। তা সত্ত্বেও ভূমিপুত্র প্রধানমন্ত্রীর পাশ থেকে সরে যাননি গুজরাটবাসী। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, যার ফসল এখনও ঘরে তুলছে গুজরাট বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Gold ATM: বের হবে স্বর্ণমুদ্রা! চালু হল দেশের প্রথম সোনার এটিএম, জানেন কোথায়?

    Gold ATM: বের হবে স্বর্ণমুদ্রা! চালু হল দেশের প্রথম সোনার এটিএম, জানেন কোথায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার এটিএম থেকে সোনার কয়েন (Gold ATM) বের হবে। শুনতে আশ্চর্য হলেও এমনটাই সত্যি হতে চলেছে দেশের তেলঙ্গানা রাজ্যে। গোল্ডসিক্কা প্রাইভেট লিমিটেড নামের একটি সংস্থা, স্টার্টআপ ওপেনকিউব টেকনোলজিস প্রাইভেট লিমিটেডের প্রযুক্তিগত সহায়তায় হায়দ্রাবাদ শহরের বেগমপেটে এই ধরনের প্রথম এটিএম চালু করেছে। সংস্থাটি শীঘ্রই হায়দ্রাবাদে আরও তিনটি সোনার এটিএম (Gold ATM) চালু করবে বলে শোনা যাচ্ছে।

    আরও পড়ুন: অরুণাচলের প্রথম গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দরের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী 

    সংস্থার সিইও-এর বক্তব্য

    সংস্থার CEO, এস ওয়াই তরুজ বলেন, “গোল্ড এটিএম গ্রাহকদের সোনা কেনার ক্ষেত্রে নতুন ভাবনা দিতে পেরেছে। এই সোনার এটিএমগুলোর কার্যপ্রক্রিয়া (Gold ATM) সাধারণ এটিএম থেকে টাকা তোলার মতোই সহজ। এতে কোনও জটিলতা নেই। এই ATM-গুলি থেকে ০.৫ গ্রাম, ১ গ্রাম, ২ গ্রাম, ৫ গ্রাম, ১০ গ্রাম, ২০ গ্রাম, ৫০ গ্রাম থেকে ১০০ গ্রাম পর্যন্ত বিভিন্ন ওজনের স্বর্ণমুদ্রা পাওয়া যাবে।”

    আরও পড়ুন: মাত্র ১৭ বছর বয়সেই টেসলা-নাসায় কাজ করার অভিজ্ঞতা, কে এই বাংলার ‘বিস্ময় বালক’?

    আগামী দুই বছরের মধ্যে পুরো দেশে মোট তিন হাজারের বেশি এই ধরনের এটিএম (Gold ATM) চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই সংস্থা। এদিনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন তেলঙ্গানা মহিলা কমিশনের চেয়ারম্যান সুনীতা রেড্ডি।

    আরও পড়ুন: রাজস্থানে গ্যাংস্টার খুনে গ্রেফতার ৫, খুনের দায় স্বীকার করল কে জানেন?

    প্রতিদিন সোনার দাম ওঠানামা করে, তাই প্রক্রিয়াটিকে স্বচ্ছ করতে, স্ক্রিনে প্রতিদিনের দাম যাতে গ্রাহকরা দেখতে পান, সেই ব্যবস্থাও করেছে গোল্ডসিক্কা প্রাইভেট লিমিটেড। মুদ্রাগুলি ৯৯.৯ শতাংশ বিশুদ্ধতার সঙ্গে, টেম্পার প্রুফ প্যাকে দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। করিমনগর ও ওয়াড়াঙ্গলেও এই কয়েন ভেন্ডিং মেশিনগুলো (Gold ATM) বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের, একথা বলেন সংস্থার সিইও।

    আরও পড়ুন: লাভ-জিহাদ রোধে নয়া আইন! জানেন শ্রদ্ধা খুনে কী বললেন শিবরাজ?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Mumbai Murder: মুম্বাইতে খাবারে বিষ মিশিয়ে স্বামীকে হত্যার অভিযোগ স্ত্রী ও তার প্রেমিকের বিরুদ্ধে

    Mumbai Murder: মুম্বাইতে খাবারে বিষ মিশিয়ে স্বামীকে হত্যার অভিযোগ স্ত্রী ও তার প্রেমিকের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রেমিকের সঙ্গে হাত মিলিয়ে,খাবারে বিষ মিশিয়ে নিজের স্বামীকে হত্যার (Mumbai Murder) অভিযোগ উঠল এক মহিলার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে মুম্বই-এর সান্তাক্রুজে।

    নিহতের স্ত্রী ও তার প্রেমিককে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। দুজনকে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ষড়যন্ত্র এবং হত্যার (Mumbai Murder) ধারা দেওয়া হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুন: ব্রেন ম্যাপিং করা হতে পারে আফতাব পুনাওয়ালার, কী এই পরীক্ষা? 

    পুলিশের বিবৃতি

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কবিতা নামের ওই মহিলা কয়েক বছর আগে পারিবারিক অশান্তির কারণে, তার স্বামী কমলকান্তের থেকে আলাদা হয়েছিলেন, কিন্তু পরে সন্তানের ভবিষ্যতের কথা বলে সান্তাক্রুজে নিজের বাড়িতে আবার ফিরে আসেন।

     কবিতার প্রেমিক হিতেশ জৈন, কমলাকান্তের ছোটবেলার বন্ধু ছিল এবং দুজনেই ব্যবসায়ী পরিবার থেকে উঠে এসেছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।

    কয়েকমাস আগে হঠাৎ পেটের অসুখে কমলকান্তের মা মারা যান। পুলিশ এখন তদন্ত করছে যে নিহতের মাকেও বিষ দেওয়া হয়েছিল কি না। কারণ কমলকান্তের অসুস্থতার লক্ষণগুলি তার মায়ের মতোই ছিল। গত নভেম্বর মাসে কমলকান্তের পেটে ব্যথা শুরু হয় এবং স্বাস্থ্যের অবনতি হয়। বম্বে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৯ সেপ্টেম্বর কমলকান্তের মৃত্যু  (Mumbai Murder) হয়। তার রক্তপরীক্ষার রিপোর্টে উচ্চ মাত্রায় আর্সেনিক এবং থ্যালিয়াম পাওয়া গেছে। ডাক্তাররা বলছেন, মানুষের রক্তে পাওয়া এগুলি অস্বাভাবিক ধাতব পদার্থ।

    পুলিশ প্রাথমিকভাবে দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর মামলা দায়ের করেছিল, কিন্তু ষড়যন্ত্রের সন্দেহে তদন্তের ভার মুম্বই পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ নেয়।  তখনই কবিতা এবং তার প্রেমিক হিতেশকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    পুলিশের মতে, মৃতের মেডিক্যাল রিপোর্ট, স্ত্রী এবং পরিবারের সদস্যদের বিবৃতি, সেইসঙ্গে কমলাকান্তের খাবার সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য এই খুনের ((Mumbai Murder) পিছনে ষড়যন্ত্রকে সামনে আনতে সাহায্য করেছে।

    তদন্তে জানা যায়, অভিযুক্ত কবিতা এবং তার প্রেমিক হিতেশ, কমলকান্তকে হত্যার উদ্দেশ্যে প্রতিদিন তার খাবারে বিষ মিশিয়ে দিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Delhi Murder: সম্পন্ন হল আফতাব পুনাওয়ালার নারকো টেস্ট, আর কোন সত্যি বেরিয়ে আসল?

    Delhi Murder: সম্পন্ন হল আফতাব পুনাওয়ালার নারকো টেস্ট, আর কোন সত্যি বেরিয়ে আসল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রদ্ধা ওয়ালকার হত্যা (Delhi Murder) মামলায় অভিযুক্ত আফতাব পুনাওয়ালার নারকো টেস্ট সম্পন্ন হল। বৃহস্পতিবার সকালে নারকো টেস্টের জন্য তিহার জেল থেকে দিল্লির আমবেদকর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। সম্প্রতি আফতাবের উপর ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরির বাইরে হামলার চালানো হয়। সেই ঘটনা থেকে সতর্ক হয়ে এবার নিরাপত্তা বলয়ে ঘিরেই আফতাবকে জেল থেকে বের করা হয়। আমবেদকর হাসপাতালে প্রথমে তাঁর মেডিক্যাল চেক আপ করা হয়। ব্লাড প্রেসার, পালস রেট, হার্ট বিট, বডি টেম্পারেচার। শরীরের সমস্ত প্যারামিটার ঠিক আছে দেখেই শুরু হয় নারকো টেস্টের প্রক্রিয়া। একটি সম্মতিপত্রে তাকে দিয়ে এই টেস্টের জন্য স্বাক্ষরও করানো হয়েছে। পলিগ্রাফ টেস্টের পর এবার নারকো টেস্টেও কী সত্যি বেরিয়ে আসে এখন তাই দেখার পালা।

    নারকো টেস্টে কী প্রশ্ন করা হয় আফতাবকে?

    সূত্রের খবর, নারকো টেস্টে প্রথমেই আফতাবকে জিজ্ঞাসা করা হয়, কেন সে শ্রদ্ধাকে খুন (Delhi Murder) করেছিল? এটা কি পরিকল্পনা করে খুন? শ্রদ্ধাকে খুন করার পর ধাপে ধাপে কী কী কাণ্ড ঘটিয়েছিল আফতাব? শ্রদ্ধাকে ভালোবাসা সত্ত্বেও পরবর্তীকে তাঁদের সম্পর্কের অবনতি হল কেন? কোনও ধারাল বস্তু দিয়ে শ্রদ্ধাকে খুন করেছিল কি না? কী ভাবে দেহ  লোপাট করল? কোন কোন স্থানে দেহের টুকরো অংশগুলি ফেলেছিল? এছাড়াও তার ছেলেবেলা কেমন কেটেছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে আফতাব পুনাওয়ালাকে।

    উত্তরে কী বলেছে আফতাব (Delhi Murder) তা এখনও জানা যায়নি। ফরেন্সিক সাইকোলজি বিশেষজ্ঞ, ফরেন্সিক মেডিসিন চিকিৎসক এবং ছবি বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে হয় এই পরীক্ষা। ১১:৪৫ নাগাদই শেষ হয়ে যায় আফতাবে নারকো টেস্ট। এরপর তাকে কড়া নিরাপত্তা বলয়েই তিহার জেলে ফিরিয়ে আনা হয়। 

    আরও পড়ুন: ভাঙড়ে অস্ত্র-বোমা কারখানার সন্ধান, ধৃত ২

    পলিগ্রাফ টেস্টে কী জানিয়েছিল আফতাব? 

    দিল্লি পুলিশ জানায়, পলিগ্রাফ টেস্টের সময় আফতাব অত্যন্ত শান্ত হয়ে বসে ছিল। কোনও কোনও সময় তাকে বেপরোয়া এবং আত্মবিশ্বাসীও মনে হয়েছে পুলিশের। প্রথমদিকে সব প্রশ্নের উত্তরবাব দিলেও সন্ধ্যার পর সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। ফলে মাঝপথেই থামিয়ে দিতে হয় পলিগ্রাফ টেস্ট। তিনদিন ধরে আফতাবের পলিগ্রাফ টেস্ট করে দিল্লি পুলিশ। পলিগ্রাফ টেস্টে আফতাব স্বীকার করে নিয়েছে যে সেই শ্রদ্ধাকে খুন করেছে। শ্রদ্ধা তার সঙ্গে থাকতে চান নি। আর তাতেই রেগে যায় আফতাব। রাগের মাথায় শ্রদ্ধাকে শ্বাসরোধ করে খুন (Delhi Murder) করে সে। পরে দেহ কেটে টুকরো টুকরো করে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

  • Imam Remuneration: ইমামদের ভাতা দেওয়ার সুপ্রিম-নির্দেশ ‘সংবিধান বিরোধী’, জানাল তথ্য কমিশন

    Imam Remuneration: ইমামদের ভাতা দেওয়ার সুপ্রিম-নির্দেশ ‘সংবিধান বিরোধী’, জানাল তথ্য কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৯৩ সালের ১৩ মে সর্বভারতীয় ইমাম সংগঠনের পিটিশনের পরিপ্রেক্ষিতে, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি আরএম সহায়ের বেঞ্চ, ওয়াকফ বোর্ডকে ইমামদের ভাতা প্রদানের নির্দেশ দেয়। এবার সেই রায়কে সংবিধান বিরোধী এবং সামাজিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার কারণ বলল জাতীয় তথ্য কমিশন।

    আরও পড়ুন: শ্রদ্ধা হত্যার পরে আফতাবের ফ্ল্যাটে যেতেন এক মহিলা চিকিৎসক

    জাতীয় তথ্য কমিশনারের মন্তব্য

    জাতীয় তথ্য কমিশনার উদয় মহুরকার এদিন বলেন, ইমামদের ভাতা প্রদান শুধুমাত্র অহিন্দু সমাজকে বঞ্চিত করছে এমন নয়, দেশের মুসলিম সমাজের মধ্যে প্যান-ইসলামিক মানসিকতা তৈরি করছে, যা ইতিমধ্যে সারাদেশে পরিলক্ষিত হচ্ছে। ইমাম ভাতা প্রদানের এই পদক্ষেপ দেশে ধর্মীয় ভারসাম্য নষ্ট করছে এবং দেশের একটি অংশের মানুষ গোটা মুসলিম সমাজকে অবজ্ঞার চোখে দেখছে। তথ্য জানার অধিকার আইনে, সুভাষ আগরওয়াল নামের জনৈক ব্যক্তি জানতে চেয়েছিলেন, দিল্লি সরকার এবং দিল্লি ওয়াকফ বোর্ড ইমামদের কত টাকা বেতন দেয় । সেই শুনানির পরিপ্রেক্ষিতে এই বিবৃতি দিয়েছেন জাতীয় তথ্য কমিশনার। এদিন শুনানির সময় উদয় মহুরকার আরও বলেন, সংবিধানের ২৭ নম্বর ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যে, জনগণের ট্যাক্সের টাকায় এভাবে কোনও ধর্মকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া যায়না। জাতীয় তথ্য কমিশনার, তাঁর এই শুনানির কপি আইন মন্ত্রকে পাঠাতে নির্দেশ দিয়েছেন যাতে সংবিধানের ২৫-২৮ নং ধারা যথার্থ ভাবে বাস্ততবায়িত হয় সারা দেশে।

    আরও পড়ুন: ‘বাংলায় আল্ট্রা ইমার্জেন্সি পরিস্থিতি’, রাজ্য সরকারকে ট্যুইট-বাণ শুভেন্দুর

    এর সঙ্গে জাতীয় তথ্য কমিশন, সুভাষ আগরওয়ালকে নগদ ২৫০০০ টাকা  ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি ওয়াকফ বোর্ডকে। কারণ এই আরটিআই-এর কাজে, জনৈক কর্মীর যথেষ্ট সময় অপচয় হয়েছে বলেই মনে করেছে জাতীয় তথ্য কমিশনের।
    জাতীয় তথ্য কমিশনার আরও বলেন, যখনই কোন ধর্মকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার বিষয় সামনে আসে, তখনই আমাদের ইতিহাসে ফিরে যাওয়া প্রয়োজন।  
    মুসলিম সম্প্রদায়কে বিশেষ সুবিধা দিতেই তৈরি হয়েছিল পাকিস্তান। একটি ইসলামিক দেশ। ভারতবর্ষ আত্মপ্রকাশ করেছিল ধর্মনিরপেক্ষ দেশ হিসেবে। এখানে সরকার সমস্ত ধর্মের প্রতি সমান আচরণ করবে, এটাই কাম্য।
    তাঁর আরও সংযোজন, বিশেষ ধর্মকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার জন্যই ১৯৪৭ সালে অনিবার্য হয়েছিল দেশভাগ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Indian Army: সরকারের নির্দেশের অপেক্ষা! পাক অধিকৃত কাশ্মীর দখল করবে ভারতীয় সেনা

    Indian Army: সরকারের নির্দেশের অপেক্ষা! পাক অধিকৃত কাশ্মীর দখল করবে ভারতীয় সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারের সবুজ সংকেত পেলেই পাক অধিকৃত কাশ্মীর দখল করতে সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপাবে ভারতীয় সেনা। মঙ্গলবার পুঞ্ছে সেনার এক অনুষ্ঠানে এমনই দাবি করলেন নর্দান কম্যান্ডের জেনারেল অফিসার কম্যান্ডিং-ইন-চিফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী। তিনি বলেন, পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে ফিরিয়ে আনতে প্রস্তুত সেনাবাহিনী। কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশ পেলেই তা কার্যকর করা হবে।

    পাক অধিকৃত কাশ্মীর প্রসঙ্গ

    সম্প্রতি প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এই পাক অধিকৃত কাশ্মীর প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, পাকিস্তান পিছনে ছুরি মেরেছে। জোর করে কাশ্মীর দখল করেছে। আর সেখানকার বাসিন্দাদের উপর অত্যাচার করছে। ভারত প্রয়োজন বোধ করলে পাক অধিকৃত কাশ্মীর পুনরুদ্ধার করতে দ্বিধা করবে না। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীর পুনরুদ্ধার করাই ভারতের লক্ষ্য। ১৯৯৪ সালে ২২ ফেব্রুয়ারি সংসদেও সেই প্রস্তাব গৃহীত হয়। জম্মু-কাশ্মীরে মঙ্গলবার রুটিন সাংবাদিক সম্মেলনে জেনারেল দ্বিবেদী বলেন, “ভারতীয় সেনাবাহিনী কেন্দ্র থেকে নির্দেশ পেলেই পাক অধিকৃত কাশ্মীর দখল করতে সর্বশক্তি প্রয়োগ করবে। আমরা কেন্দ্রের নির্দেশের অপেক্ষায় রয়েছি।” একই সঙ্গে  তিনি জানিয়েছেন, পাকিস্তান অস্ত্র-বিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করলে ভারত হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না। প্রতিবেশী রাষ্ট্র যেন কোনওভাবেই ভারতকে দুর্বল না ভাবে। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দারা রীতিমতো সমস্যায় রয়েছে, বলে জানান জেনারেল দ্বিবেদী। তিনি বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার মধ্যে অর্ধেকের বয়স ২৫ বছর। সেনাবাহিনীতে তাদের নিয়োগ করে প্রশিক্ষণ দিয়ে পাকিস্তান পাঠালে পাক অধিকৃত কাশ্মীর দখল করতে খুব বেশি সময় লাগবে না।

    আরও পড়ুন: ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা এক পাকিস্তানির! গুলি করে মারল বিএসএফ, ধৃত আরও ১

    সক্রিয় জঙ্গিরা

    জম্মু-কাশ্মীরে এই মুহূর্তে প্রায় ৩০০ জঙ্গি সক্রিয় রয়েছে বলে দাবি করেন লেফট্যানেন্ট উপেন্দ্র দ্বিবেদী। সীমান্ত এলাকায় জঙ্গি লঞ্চ প্যাড রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। সুযোগ পেলেই জঙ্গিরা ভারতে প্রবেশ করে হামলা চালাতে পারে বলেও জানান তিনি। তাঁর কথায়, সব দিক বিবেচনা করে সীমান্ত এলাকায় হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে সেনাবাহিনীর তরফে। জম্মু-কাশ্মীরে ভারতীয় সেনাবাহিনীর টহলদারি ও তল্লাশি আরও বাড়ানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • UP Police: উত্তরপ্রদেশের প্রথম মহিলা পুলিশ কমিশনার হলেন আইপিএস লক্ষ্মী সিং

    UP Police: উত্তরপ্রদেশের প্রথম মহিলা পুলিশ কমিশনার হলেন আইপিএস লক্ষ্মী সিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশে এই প্রথমবার মহিলা পুলিশ কমিশনার (UP Police)। উত্তরপ্রদেশ সরকার আইপিএস অফিসার লক্ষ্মী সিংকে নয়ডা পুলিশ প্রধান হিসাবে নিয়োগ করেছে। বুধবার উত্তরপ্রদেশ পুলিশের সর্বোচ্চ পদের দায়িত্ব নিয়েছেন ২০০০ ব্যাচের এই আইপিএস অফিসার। ইউপি সরকার সোমবার গভীর রাতে বারাণসী, আগ্রা এবং প্রয়াগরাজের নতুন কমিশনারেট সহ রাজ্যের ১৬ জন আইপিএস অফিসারের বদলির তালিকা জারি করেছে। যোগী রাজ্যে বর্তমানে ৭টি পুলিশ কমিশনারেট রয়েছে।   

    কে এই লক্ষ্মী সিং? 

    এর আগে লখনউ (UP Police) রেঞ্জের পুলিশ মহাপরিদর্শক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছিলেন লক্ষ্মী সিং। ইউপিএসসি পরীক্ষায় প্রথম মহিলা আইপিএস টপার ছিলেন তিনি। সামগ্রিকভাবে ৩৩ তম স্থান অধিকার করেন। সরকারি রেকর্ড অনুসারে হায়দ্রাবাদের সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল ন্যাশনাল পুলিশ অ্যাকাডেমিতে সেরা পরীক্ষার্থী নির্বাচিত হন। প্রশিক্ষণের সময় তিনি প্রধানমন্ত্রীর সিলভার বাশন এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পিস্তলও পেয়েছেন। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিটেক ডিগ্রি রয়েছে। ২০০৪ সালে সিনিয়র পুলিশ সুপার হিসেবে প্রথম পোস্টিং পান তিনি। ২০১৩ সালে, তিনি ডেপুটি আইজি হিসেবে উন্নীত হন এবং ২০১৮ সালে তিনি আইজি পদের দায়িত্ব পান।

    আরও পড়ুন: এইমস সাইবার হানা, ৩ কোটি মানুষের তথ্য এখনও বিপদে, ২০০ কোটির দাবি হ্যাকারদের  

    লক্ষ্মী এর আগে ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৫ মার্চ পর্যন্ত গৌতম বুদ্ধ নগরে স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের আইজি/ ডিআইজি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৮ সালের মার্চ থেকে ২০২০  সালের ২৬ মে পর্যন্ত মিরাটের পুলিশ (UP Police) ট্রেনিং স্কুলের আইজি ছিলেন তিনি। এরপর তাঁকে আইজি রেঞ্জ লখনউ হিসাবে স্থানান্তরিত করা হয়।

    নয়ডার এই নতুন পুলিশ (UP Police) প্রধান লখনউয়ের সরোজিনী নগর আসনের বিজেপি বিধায়ক এবং প্রাক্তন ইডি অফিসার রাজেশ্বর সিংকে বিয়ে করেছেন। তাঁর সঙ্গে কাজ করা একজন সিনিয়র আধিকারিক সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছেন, যে তিনি তার এখতিয়ারে সংঘটিত অপরাধমূলক ঘটনার একটি ব্যক্তিগত ডায়েরি রাখেন।

    যোগী সরকার, গত সপ্তাহে গাজিয়াবাদ, আগ্রা এবং প্রয়াগরাজ তিনটি জেলায় তিনটি নতুন পুলিশ (UP Police) কমিশনারেটের ঘোষণা করেছে। লখনউ, গৌতম বুদ্ধ নগর (নয়ডা), বারাণসী এবং কানপুরে এই চারটি কমিশনারেট আগে থেকেই ছিল।  

    লখনউ এবং গৌতম বুদ্ধ নগরে কমিশনারেটগুলি ২০২০ সালের জানুয়ারিতে প্রতিষ্ঠিত করা হয় এবং ২০২১ সালের মার্চ মাসে বারাণসী এবং কানপুরে কমিশনারেট স্থাপন করা হয়। কর্মজীবনে কাজের স্বীকৃতি হিসেবে একাধিক পুরষ্কার পেয়েছেন লক্ষ্মী। ২০১৬ সালে পুলিশ পদক, ২০২০ এবং ২০২১ সালে ইউপি (UP Police) ডিজিপির রূপা এবং সোনার পদক পেয়েছেন। গত বছর তিনি ইউপি মুখ্যমন্ত্রীর শ্রেষ্ঠত্ব সেবা পদক সম্মানে সম্মানিত হয়েছিলেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Narco Test: আফতাবের নার্কো টেস্ট করা হল, এই টেস্টে কী হয়?

    Narco Test: আফতাবের নার্কো টেস্ট করা হল, এই টেস্টে কী হয়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আফতাব আমিন পুনাওয়ালার নার্কো টেস্ট (Narco Test) করা হয়েছে। আজও চলবে পরীক্ষা। দিল্লির শ্রদ্ধা ওয়ালকার খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত আফতাব তদন্তে সহযোগিতা করছে না, এমনই অভিযোগ ছিল তদন্তকারী আধিকারিকদের। ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পনা করে খুন করা হয় শ্রদ্ধাকে। তারপর দেহ লোপাটের জন্য ৩৫টি টুকরো করে জঙ্গলে ফেলে দেয় আফতাব। হত্যার পরে প্রমাণ লোপাটের জন্য বিভিন্ন রাসায়নিকের ব্যবহার করে সে। খুন সংক্রান্ত তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে নার্কো টেস্টের (Narco Test) আবেদন করে পুলিশ। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে।সেই মতো গতকাল নার্কো টেস্ট করানো হয় আফতাবের।

    আরও পড়ুন: দেশে ফের একপ্রস্ত কমল বেকারত্বের হার, কত হল জানেন?

    কী এই নার্কো টেস্ট (Narco Test)?

    নার্কো টেস্টের (Narco Test) সাহায্যে যে কোনও ব্যক্তিকে সত্য কথা বলানো যায় বলে মনে করা হয়। তবে এই ধারণা ১০০ শতাংশ সঠিক নয়। আজ অবধি প্রমাণও হয়নি। নার্কো টেস্টের সময় ব্যক্তির শরীরে sodium pentothal  এর ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়। এই ইঞ্জেকশন ‘truth serum’ নামে পরিচিত। এই ইঞ্জেকশনের প্রভাবে ব্যক্তির চেতনা কমে যায়। অভ্যাস অনুযায়ী ব্যক্তি কথা বলতে পারেনা। চেতনার এই স্তরকে বলা হয় hypnotic state, পরীক্ষকদের মতে এই সময় ব্যক্তিকে যে বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়, সে বিষয়েই সত্য কথা বলতে থাকে। নার্কো টেস্ট (Narco Test) সম্পন্ন হয় একজন করে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞ,সাইক্রিয়াটিস্ট এবং তদন্তকারী অফিসারের উপস্থিতিতে।

    আরও পড়ুন: হাইকোর্টের সিদ্ধান্তে পিছিয়ে গেল কেষ্টর দিল্লি যাত্রা, পরবর্তী শুনানি ১ ডিসেম্বর

    নার্কো টেস্টের(Narco Test) আগে ব্যক্তির মেডিক্যাল টেস্ট করানো হয়। প্রেশার, সুগার, পালস রেট সব কিছু স্বাভাবিক আছে  কী না দেখা হয়। বয়স, লিঙ্গ অনুযায়ী ইঞ্জেকশনের  ডোজ আলাদা হয়।

    আরও পড়ুন:বিশ্বকাপে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি জাকির নায়েককে, ভারতকে জানিয়ে দিল কাতার

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Cruelty Against Animals: দিল্লিতে অন্তঃসত্ত্বা কুকুরকে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেফতার ৪ কলেজ ছাত্র

    Cruelty Against Animals: দিল্লিতে অন্তঃসত্ত্বা কুকুরকে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেফতার ৪ কলেজ ছাত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্তঃসত্ত্বা একটি কুকুরকে লাঠি হাতে মারছে চার যুবক(Cruelty Against Animals)। একটি ভাইরাল হওয়া ভিডিও তে এমনই অমানবিক দৃশ্য দেখল পুরো দেশ। গুরুতর ভাবে আহত ঐ সারমেয়টির মৃত্যু হয়েছে। খোদ রাজধানী দিল্লির বুকে ঘটে যাওয়া এই ঘটনা দেখে স্তম্ভিত সভ্য সমাজ। প্রায় ২৫ জন মিলে এই কুকুরটির উপর হামলা চালিয়েছে বলে সূত্রের খবর(Cruelty Against Animals)। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে পশুপ্রেমীরা।নিউ ফ্রেন্ডস কলোনির পুলিশ এই ঘটনায় এফআইআর দায়ের করেছে। জিজ্ঞাসাবাদের সময় অভিযুক্তরা পুলিশকে জানিয়েছে,কুকুরটি দিনরাত চিৎকার করত,এতে নাকি তাদের পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটছিল। ভিডিও তে দেখা যাচ্ছে,বেসবলের ব্যাট,লাঠি,লোহার রড ইত্যাদি দিয়ে কুকুরটিকে আঘাত করছে অভিযুক্তরা। 

    পুলিশের এফআইআর কী বলছে

    পুলিশের এফআইআর অনুযায়ী, প্রায় ২৫ জন মিলে একটি গর্ভবতী কুকুরের উপর অত্যাচার চালিয়েছে(Cruelty Against Animals)। তারা সকলে দক্ষিণ পূর্ব দিল্লির ডন বস্কো টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের পড়ুয়া ও কর্মী বলেই জানা গিয়েছে। ভাইরাল ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাসে একটি টিনের শেড দেওয়া ঘর রয়েছে। সেখানে ওই ভীত, সন্ত্রস্ত গর্ভবতী কুকুরটিকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে এক ছাত্র রড হাতে ওই টিনের ঘরে ঢোকে। বাকিরা বাইরে থেকেই উল্লাস করছিল। সেখানে এক ব্যক্তিকে এও বলতে শোনা যায়, ‘মারো ওকে’(Cruelty Against Animals)।

    সমাজের বিভিন্ন অংশের প্রতিক্রিয়া

    তবে কুকুরটিকে মেরেই শান্ত হয়নি ওই ২৫ জনের দল। মৃত, রক্তাক্ত কুকুরের দেহ টেনে হেঁচড়াতে নিয়ে যেতেও দেখা গিয়েছে(Cruelty Against Animals)। এই গোটা ঘটনার ১৫ মিনিটের একটি  ভিডিয়ো শনিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়।  সমাজকর্মীরা এই ঘটনায় কঠোর পদক্ষেপের জন্য সরব হন। এই ঘটনায় অভিযুক্ত সব পড়ুয়াদের বহিষ্কারের দাবি তুলেছেন সমাজের বিভিন্ন অংশের মানুষজন। শুধু তাই নয়। এই ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের পড়ুয়াদের পাশাপাশি কর্মীরাও জড়িত থাকার কারণে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উপযুক্ত পদক্ষেপ করার দাবি তুলেছেন তাঁরা।

LinkedIn
Share