Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • DY Chandrachud: ‘… আমাদের মনোভাব বদলানো প্রয়োজন’, প্রধান বিচারপতি কেন বললেন একথা, জানেন?  

    DY Chandrachud: ‘… আমাদের মনোভাব বদলানো প্রয়োজন’, প্রধান বিচারপতি কেন বললেন একথা, জানেন?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলার জুডিসিয়াল অফিসাররা সাব-অর্ডিনেট জাজ নন। সোমবার এমনই জানালেন সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় (DY Chandrachud)। ডিস্ট্রিক্ট জুডিসিয়ারি সম্পর্কে আমাদের মনোভাব বদলানো প্রয়োজন বলেও মনে করিয়ে দেন তিনি।

    এটা আমাদের ঔপনিবেশিক মানসিকতারই প্রতিফলন…

    দেশের ৫০তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে দিন কয়েক শপথ নেন ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় (DY Chandrachud)। তাঁর আগে এই পদ অলঙ্কৃত করেছিলেন প্রধান বিচারপতি ইউ ইউ ললিত (UU Lalit)। প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ললিতই সুপারিশ করে ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের নাম। পরে রাষ্ট্রপতির সিলমোহর মেলায় প্রধান বিচারপতি পদে শপথ নেন ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়। সোমবার, ১৫ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের বার অ্যাসোসিয়েশনের তরফে সংবর্ধনা দেওয়া হয় দেশের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়কে। ওই অনুষ্ঠানেই সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেন, জেলার জুডিসিয়াল অফিসাররা সাব-অর্ডিনেট জাজ নন। ডিস্ট্রিক্ট জুডিসিয়ারি সম্পর্কে আমাদের মনোভাব বদলানো প্রয়োজন। হাইকোর্টের জাজরা উপস্থিত থাকলে সাধারণত জেলা কোর্টের জাজরা দাঁড়িয়ে থাকেন। দীর্ঘদিন ধরে এই রীতিই চলে আসছে। এদিন সে প্রসঙ্গ টেনে দেশের প্রধান বিচারপতি বলেন, এটা আমাদের ঔপনিবেশিক মানসিকতারই প্রতিফলন।  

    সুপ্রিম কোর্টের বার অ্যাসোসিয়েশনের ওই অনুষ্ঠানে দেশের প্রধান বিচারপতি (DY Chandrachud) বলেন, আমি মনে করি আমরা দীর্ঘদিন ধরে একটি সাব-অর্ডিনেশনের সংস্কৃতি লালন পালন করে আসছি। আমরা আমাদের ডিস্ট্রিক্ট জুডিসিয়ারিকে সাব-অর্ডিনেট জুডিসিয়ারি বলে উল্লেখ করি। তিনি বলেন, আমি চেষ্টা করছি জেলা জাজদের আর আমরা সাব-অর্ডিনেট জাজ বলে ডাকব না। কারণ তাঁরা সাব-অর্ডিনেট নন। তাঁরা আসেন ডিস্ট্রিক্ট জুডিসিয়ারি থেকে।

    আরও পড়ুন: জোর করে ধর্মান্তকরণ, গুরুতর বিষয়! পদক্ষেপ নিক কেন্দ্র, অভিমত সুপ্রিম কোর্টের

    ডিস্ট্রিক্ট জুডিসিয়ারি সম্পর্কে আমাদের মনোভাব বদলানো প্রয়োজন বলেও জানান দেশের প্রধান বিচারপতি (DY Chandrachud)। তিনি বলেন, আমাদের যদি পরিবর্তন করতে হয়, তাহলে আমাদের সর্বাগ্রে পরিবর্তন করতে হবে ডিস্ট্রিক্ট জুডিসিয়ারি। একটা বিরাট কাজ আমাদের করতে হবে শুধু ডিস্ট্রিক্ট জুডিসিয়ারির পরিকাঠামো বদলানোর শর্তে নয়, এটা আমাদের করতে হবে মনোভাব বদলের মাধ্যমে। তাঁর কথায়, এটা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দেশের প্রধান বিচারপতি বলেন, আমি এখানে কোনও মিরাক্যাল ঘটাতে আসিনি। আমার প্রতিদিনের লক্ষ্য হল, এটাই যদি আমার জীবনের শেষ দিন হয়, তাহলে যেন বিশ্বকে একটা ভাল জায়গা উপহার দিয়ে যেতে পারি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • 7th Pay Commission: কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীদের জন্য সুখবর! ১৮ মাসের ডিএ দেবে মোদি সরকার

    7th Pay Commission: কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীদের জন্য সুখবর! ১৮ মাসের ডিএ দেবে মোদি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলীর আগে মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধির পর কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মচারীদের জন্য সুখবর। সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় সরকার শীঘ্রই ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ও এইচ আর এ ভাতা বৃদ্ধি করতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

    ১৮ মাস ডিএ বকেয়া (18 months DA arrears)

    কোভিডের কারণে কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মীরা ২০২০ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ২০২১ সালের জুন মাস পর্যন্ত দীর্ঘ ১৮ মাস ডিএ বকেয়া পায়নি।দীর্ঘদিন ধরেই কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীরা ডিএ বৃদ্ধির দাবী জানিয়ে আসছিল। অবশেষে কেন্দ্র সরকার ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তিন কিস্তিতে এই ডিএ বকেয়াটি মেটাবে।

    লেভেল ৩ এবং লেভেল ১৩ ও ১৪ গ্রেড পে এর মাইনে বৃদ্ধি (Level 3,Level 13,14 Grade Pay Salary Hiked)

    বিগত দু বছর ধরে ডিএ বকেয়া ইস্যুটি মন্ত্রিসভার আলোচনা সূচিতে রয়েছে। সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, লেভেল ৩ গ্রেড পে কর্মচারীদের ডিএ বেড়ে ১১ হাজার ৮৮০ থেকে ৩৭ হাজার ৫৫৪ হতে পারে।
    এদিকে, লেভেল ১৩ ও ১৪ গ্রেড পে কর্মচারীদের ডিএ বেড়ে ১ লক্ষ ৪৪ হাজার ২২০ টাকা ও ২ লক্ষ ১৮ হাজার ২২০ টাকা হতে পারে। আলোচনা সাপেক্ষে তা বাড়তে পারে বলে জানা গিয়েছে। 

    ডিএ ৪ শতাংশ(Dearness Allowance Hike 4 Percent)

    সেপ্টেম্বরে কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীদের ৪ শতাংশ পর্যন্ত ডিএ বাড়ানো হয়েছিল। ৩৪ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছিল।জানুয়ারি ২০২২ এর আগে কর্মীদের ডিএ ছিল ৩১ শতাংশ তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩৪ শতাংশে।
    এই ৪% ডিএ বৃদ্ধির ফলে দেশব্যাপী প্রায় ৬১ লক্ষ অবসরপ্রাপ্তদের পাশাপাশি প্রায় ৫০ লক্ষের বেশী সরকারি কর্মচারী উপকৃত হয়েছে।

    আরও পড়ুন: কয়লাপাচার কান্ডে ইডি তলব করল কলকাতা পুলিশের এসিপিকে 

    পরবর্তী ডিএ কবে বাড়তে পারে?(When Next DA will be increase)

    সরকারী কর্মীরা ২০২৩ সালের মার্চ মাসে পরবর্তী বর্ধিত ডিএ টি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। সরকারের রিপোর্ট অনুযায়ী বেতন কমিশনের সুপারিশে কেন্দ্র ৩ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত ডিএ বাড়াতে পারে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Lal Krishna Advani: ‘জাতি তাঁর কাছে ঋণী হয়ে থাকবে’, আডবাণীর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে বললেন মোদি

    Lal Krishna Advani: ‘জাতি তাঁর কাছে ঋণী হয়ে থাকবে’, আডবাণীর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৯৪ বছরে পা দিলেন বিজেপি (BJP) নেতা লালকৃষ্ণ আডবাণী (Lal Krishna Advani)। সেই উপলক্ষে এদিন তাঁর বাসভবনে যান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। মোদির সঙ্গে ছিলেন বিজেপির আরও কয়েকজন প্রবীণ নেতা। তাঁরা সবাই যোগ দেন কেক কাটার অনুষ্ঠানে।

    এদিন তাঁর পার্সোনাল ট্যুইটার হ্যান্ডেলে কেক কাটার সেলিব্রেশনের একটি ইমেজ শেয়ার করেন প্রধানমন্ত্রী। লেখেন, আডবাণীজিকে (Lal Krishna Advani) জন্মদিনের শুভেচ্ছা। তাঁর সুস্থ ও দীর্ঘ আয়ু কামনা করি। আমাদের সাংস্কৃতিক গর্ব সমৃদ্ধ করতে ও জনগণের ক্ষমতায়ণে তাঁর নানা চেষ্টার কারণে জাতি তাঁর কাছে ঋণী হয়ে থাকবে। তাঁর ক্ষুরধার বুদ্ধি ও পাণ্ডিত্যপূর্ণ লক্ষ্যের জন্যও তিনি শ্রদ্ধার পাত্র হয়ে থাকবেন। অন্য একটি ট্যুইটে লেখেন, জাতি গঠনে তাঁর অবদান প্রচুর।

    এদিনের অনুষ্ঠানের একটি ছোট ভিডিয়োও শেয়ার করা হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির তরফে। বিজেপির ট্যুইটার পেজের ওই ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে দেশের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী আডবাণীর (Lal Krishna Advani) হাতে ফুলের তোড়া তুলে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরে আডবাণীর সঙ্গে কেক কাটতে দেখা যায় বিজেপির জাতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাকে। উপরাষ্ট্রপতি এম বেঙ্কাইয়া নাইডু, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও উপস্থিত ছিলেন ওই অনুষ্ঠানে।

    আরও পড়ুন: টাকায় লক্ষ্মী-গণেশের ছবি ছাপানোর আবেদন কেজরির, কী বলল বিজেপি?

    ক্যু অ্যাপের মাধ্যমে প্রবীণ নেতা আডবাণীকে (Lal Krishna Advani) জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও। তিনি লিখেছেন, হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে শ্রী লালকৃষ্ণ আডবাণীজিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাই। তিনি বিজেপির অভিভাবক। তিনি মূল্যবোধের রাজনীতির প্রতিভূ। একজন দক্ষ প্রশাসক। আমাদের সকলের গাইড। শ্রীরামের কাছে আপনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘ এবং সুখী জীবন প্রার্থনা করি। অবিভক্ত ভারতের (India) করাচিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন আডবাণী। যোগ দিয়েছিলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক (RSS) সংঘে। জনসংঘ প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর তিনি যোগ দেন জনসংঘে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Vande Mataram: জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’ এর মতো জাতীয় গীত বন্দেমাতরমকেও বিশেষ সম্মান জানানোর পক্ষে সওয়াল কেন্দ্র সরকারের

    Vande Mataram: জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’ এর মতো জাতীয় গীত বন্দেমাতরমকেও বিশেষ সম্মান জানানোর পক্ষে সওয়াল কেন্দ্র সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় গান বন্দেমাতরমকেও (Vande Mataram) এবার বিশেষ মর্যাদা দেবার জন্য দেশের নাগরিকদের নির্দেশ দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। শনিবার দিল্লি হাইকোর্টে একটি হলফনামা দিয়ে জানাল কেন্দ্র সরকার। অর্থাৎ দুটো সঙ্গীতকেই সমান মর্যাদার পক্ষে কেন্দ্র। উল্লেখ্য, জাতীয় সঙ্গীত বাজানো বা গাওয়ার ক্ষেত্রে সংবিধানে নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। কিন্তু ভারতের জাতীয় গান বন্দেমাতরমের ক্ষেত্রে তেমন কোনও নিয়ম বা তা অমান্য করলে শাস্তিমূলক বিধান নেই।
    বিশিষ্ট আইনজীবী ও বিজেপি নেতা অশ্বিনী উপাধ্যায় দিল্লি হাইকোর্টে একটি পিটিশন দাখিল করেছিলেন। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতেই দিল্লী হাইকোর্টে হলফনামায় এই নির্দেশিকা দেয় অমিত শাহের দপ্তর। কেন্দ্রের তরফে দিল্লি হাইকোর্টে জানানো হয়েছে, দেশের শীর্ষ আদালতে এই বিষয়ে একটি মামলা উঠেছিল। সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে বা রায় জানাতে অস্বীকার করে। কারণ হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের তরফে জানানো হয়, আদালতে জাতীয় সঙ্গীত ও জাতীয় গানের বিষয়ে কোনও উল্লেখ নেই। সেই কারণে এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট কোনও মন্তব্য করতে পারে না। পরবর্তীকালে উচ্চ আদালতের তরফে বন্দে মাতরম গান বাজানোর নির্দেশিকার আবেদন করে একটি পিটিশন খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি হাইকোর্টের তরফে জানানো হয়েছে, ‘বন্দে মাতরম’ ও ‘জন গণ মন’-এর মধ্যে কোনও বিরোধ থাকতে পারে না। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের আদেশ কেন্দ্র মেনে চলে।

    প্রসঙ্গত, বন্দেমাতরম হল বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের আনন্দমঠ উপন্যাসের একটি কবিতা। ১৮৯৬ সালে প্রথমবার গানটি গাওয়া হয় কংগ্রেসের কলকাতা অধিবেশনে। দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের সঙ্গেও এই গানটি ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। তবে যখন জাতীয় সঙ্গীত নির্বাচনের বিষয় আসে, তখন বন্দে মাতরমের পরিবর্তে জনগণমনকেই বেছে নেন বিশেষজ্ঞরা। একইসঙ্গে সিদ্ধান্ত হয় জনগণমনর মতো একই মর্যাদা দেওয়া হবে বন্দে মাতরমকেও। সেই মতো ১৯৫০-এর ২৪ জানুয়ারি জনগণমনকে (National Anthem) জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গ্রহণ করার পাশাপাশি বন্দেমাতরমকে জাতীয় গান (National Song Of India) হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

    অপরদিকে,কবিগুরুর রচিত জনগণমন গানটি প্রথম গাওয়া হয়েছিল ১৯১১ সালের ২৭ ডিসেম্বর কলকাতায় আয়োজিত ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের ২৬তম বার্ষিক অধিবেশনে। আর তার ঠিক পরের দিন দ্য বেঙ্গলি পত্রিকায় গানটির ইংরেজি অনুবাদসহ একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর ১৯১২ সালের জানুয়ারি মাসে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকায় ভারত-বিধাতা নামে প্রকাশিত হয় গানটি। তারও পরে গানটির ইংরেজি অনুবাদ করেন রবীন্দ্রনাথ। পরবর্তীকালে ১৯৩৭ সালে প্রথম সুভাষচন্দ্র বসু (Subhas Chandra Bose) জনগণমন-কে জাতীয় সঙ্গীত করার প্রস্তাব করেন।

    এরপর কেটে যায় আরও অনেকগুলো বছর। ১৯৪৭-এ দেশ স্বাধীন হওয়ার পর কোনও একটি অনুষ্ঠানে বাজানোর জন্য জাতিসংঘে নিযুক্ত ভারতীয় প্রতিনিধিদের থেকে জাতীয় সংগীতের একটি রেকর্ড চাওয়া হয়। তাঁরা বিষয়টি ভারত সরকারকে জানান এবং জনগণমন-কেই (Jana Gana Mana) বাজানোর পক্ষে মত দেন। এরপর সরকারের অনুমতি অনুসারে জাতিসংঘের অর্কেস্ট্রাবাদনের একটি রেকর্ড সেই অনুষ্ঠানে বাজানো হয়। আরও পরে অন্যান্য বিশেষজ্ঞরাও এই গানটিকেই দেশের জাতীয় সঙ্গীত করার পক্ষে মতপ্রকাশ করেন। যার জেরে ১৯৫০ সালের ২৪ জানুয়ারি জনগণমনকেই দেশের জাতীয় সঙ্গীত (National Anthem) হিসেবে গ্রহণ করা হয়।

  • Tirupati temple: তিরুপতি মন্দিরের সম্পত্তির পরিমান কত? জানলে অবাক হয়ে যাবেন

    Tirupati temple: তিরুপতি মন্দিরের সম্পত্তির পরিমান কত? জানলে অবাক হয়ে যাবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি ভারতের তিরুপতি মন্দির কর্তৃপক্ষ শ্বেতপত্রের মাধ্যমে তাদের বিপুল সম্পত্তির কথা ঘোষণা করেছেন। মন্দিরের ট্রাস্ট শ্বেতপত্রে জানিয়েছেন, দশ টনের বেশি সোনা এবং নগদ ১৫ হাজার ৯৩৮ কোটি টাকা সম্পত্তি রয়েছে মন্দিরের। সোনাটির বাজার মূল্য প্রায় ৫ হাজার তিনশো কোটি টাকা। তিরুপতি মন্দিরের মোট সম্পত্তির পরিমান প্রায় ২.২৬ লক্ষ কোটি টাকা।
    মন্দিরের অন্যতম ট্রাস্টি সদস্য এভি ধর্ম রেড্ডি বলেছেন, বিভিন্ন ব্যাঙ্কে ফিক্সড ডিপোজিটে ২০১৯ সাল পর্যন্তও টাকার পরিমাণ ছিল ১৩ হাজার ২৫ কোটি টাকা। এখন তা আরও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ৯৩৮ কোটি টাকা। শুধুমাত্র গত তিন বছরেই দান বেড়েছে ২৯০০ কোটি টাকা।
    রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে যে, তিরুপতি মন্দিরের মোট ৯৬০টি স্থাবর সম্পত্তি রয়েছে। যার মোট পরিমাণ ৭,১২৩ একর।

     

    গত কয়েকদিন ধরে, সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই দাবি করছিলেন, তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানমসের চেয়ারম্যান এবং বোর্ডের পক্ষ থেকে মন্দিরের উদ্বৃত্ত তহবিল অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের নিরাপত্তা বিভাগে লগ্নি করা হয়েছে। শ্বেতপত্রে সেই দাবি খারিজ করেছে ট্রাস্ট বোর্ড। ট্রাস্ট জানিয়েছে উদ্বৃত্ত তহবিল নির্ধারিত ব্যাঙ্কেই লগ্নি করা হয়। ভক্তদের এই ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক প্রোপাগান্ডা বিশ্বাস না করার আহ্বান জানিয়েছে ট্রাস্ট। মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে , বিভিন্ন ব্যাঙ্কে ট্রাস্ট যে নগদ এবং সোনা লগ্নি করেছে, তা অত্যন্ত স্বচ্ছভাবে করা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, এই মন্দিরের বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন হয় পুরোটাই ভক্তদের দানধ্যানের মাধ্যমে। অনেক ব্যবসায়ী এবং প্রতিষ্ঠানও এই মন্দিরের জন্য দান করেন।

    মন্দিরটি অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্যের চিত্তুর জেলার অন্তর্গত তিরুপতির তিরুমালা শৈলশহরে অবস্থিত একটি অন্যতম প্রধান বিষ্ণু মন্দির। এই মন্দিরের প্রধান উপাস্য দেবতা হলেন হিন্দু দেবতা বিষ্ণুর অবতার ভেঙ্কটেশ্বর।এই মন্দিরটি অনেক নামে প্রসিদ্ধ যেমন তিরুমালা ভেঙ্কটেশ্বর মন্দির, তিরুপতি মন্দির, তিরুমালা মন্দির ও তিরুপতি বালাজি মন্দির ইত্যাদি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • JJ Hospital: ১৩২ বছর পুরনো টানেল মিলল মুম্বাইয়ের এক হাসপাতালে

    JJ Hospital: ১৩২ বছর পুরনো টানেল মিলল মুম্বাইয়ের এক হাসপাতালে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বাইয়ের সরকারি হাসপাতালে (JJ Hospital) 132 বছরের পুরনো একটি সুড়ঙ্গের সন্ধান পাওয়া গেছে। মুম্বাইয়ের এই জেজে হাসপাতাল (JJ Hospital) ব্রিটিশ আমলে নির্মিত হয়েছিল, একটি মেডিকেল ওয়ার্ডের ভবনের নীচে ২০০ মিটারের দীর্ঘ একটি টানেলটি পাওয়া গেছে।জে জে হাসপাতালের একটি পুরনো ভবনের কোনও এক অংশ থেকে জল চুঁইয়ে পড়ছিল। সেই নিয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু হতেই সুড়ঙ্গটির হদিস পাওয়া যায়।

    হাসপাতালের ডিন পল্লবী সাপ্লের বক্তব্য, এর মধ্যেই মুম্বইয়ের কালেক্টর এবং মহারাষ্ট্রের প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ (JJ Hospital) এবার সেখানে হেরিটেজ ওয়াকের পরিকল্পনা করছেন। সুড়ঙ্গটির খুঁটিনাটি প্রাথমিক ভাবে পরীক্ষা করার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, সাড়ে চার ফুট মতো উচ্চতা র‍্য়েছে স্তম্ভটির, ইটের গাঁথনি দিয়ে তৈরী একাধিক স্তম্ভ ধরে রেখেছে সুড়ঙ্গটিকে।একেবারে মুখে রয়েছে একটি পাথরের দেওয়াল।

     

    কিছু প্রাক্তন হাসপাতালের কর্মচারীদের মতে, এই বিল্ডিংয়ের পিছনে অবস্থিত আরেকটি ব্রিটিশ আমলের বিল্ডিংয়ের নীচে অনুরূপ কাঠামো রয়েছে, তবে এটি এখনও যাচাই করা হয়নি।

    টানেলটির নকশা করেছিলেন স্থপতি জন অ্যাডামস।তৎকালীন বোম্বের গভর্নর লর্ড রে, ১৮৯০ সালের ২৭ শে জানুয়ারী এই হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং তা ১৫ই মার্চ ১৮৯২ সালে উদ্বোধন করা হয়েছিল। নির্মাণে ব্যয় হয়েছিল ১ লক্ষ ১৯ হাজার টাকারও বেশি। সুড়ঙ্গের খোঁজ মেলায় অনেকের মনে করছেন এই হেরিটেজ প্রপার্টিতে গুপ্তধন থাকতেই পারে।স্বাভাবিক ভাবেই এই নিয়ে উৎসাহের জোয়ার বেড়ে গিয়েছে। এখন সকলেই নতুন এই সুড়ঙ্গ থেকে আর নতুন কি কি তথ্য পাওয়া যায় তা জানতে মুখিয়ে রয়েছে।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Earthquake Himalayas: হিমালয়ে বড় ভূমিকম্পের সম্ভাবনা বেশি,ভয়ংকর খবর শোনালেন বিশেষজ্ঞরা

    Earthquake Himalayas: হিমালয়ে বড় ভূমিকম্পের সম্ভাবনা বেশি,ভয়ংকর খবর শোনালেন বিশেষজ্ঞরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৫ সালের নেপালের (Nepal) সেই ভয়াবহ ভূমিকম্পের(Earthquake) স্মৃতি নিশ্চয়ই সকলেরই মনে আছে। সেই ভূমিকম্পের প্রভাব পড়েছিল ভারতেও। সেই স্মৃতি ফের উসকে দিয়েছে মঙ্গলবার নেপালের ভূমিকম্পে।

    রিখটার স্কেলে (Richter scale) কম্পনের মাত্রা ৬.৩

    রিখটার স্কেলে (Richter scale) কম্পনের মাত্রা ছিল ৬.৩। আবারও এই ভূমিকম্পের প্রভাব পড়েছিল ভারতেও। দিল্লি, উত্তর প্রদেশ, বিহার-সহ একাধিক রাজ্য রাত দুটো নাগাদ পরপর দুইবার কেঁপে ওঠে। বুধবার মধ্য রাতেও ভূমিকম্প হয় আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে। একের পর এক ভূমিকম্প হওয়ার পরই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞানীরা। নেপালের মতো পরিস্থিতি যাতে ভারতেও না হয়, তার জন্য আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।হিমালয়ে পরবর্তীতে বড়সড় ভূমিকম্প হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও সতর্ক করেছেন বিজ্ঞানীরা। 

    ইউরেশীয়ান প্লেটের (Eurasian plate) চাপের কারণেই ভূমিকম্প হয়

    এই প্রসঙ্গে ওয়াদিয়া ইন্সটিটিউট অব হিমালয়ান জিওলজির সিনিয়র জিওগ্রাফিসিস্ট অজয় পাল সংবাদমাধ্যম জানিয়েছেন, ভারতীয় ও ইউরেশীয়ান প্লেটের সংঘর্ষের ফলেই হিমালয়ের উৎপত্তি হয়েছিল। ভূপৃষ্টের নীচে থাকা ভারতীয় প্লেটের উপরে ক্রমাগত ইউরেশীয়ান প্লেটের চাপের কারণেই ভূমিকম্প হয়। হিমালয়ের নীচে দুই পাতের সংঘর্ষে এই ভূমিকম্প অত্যন্ত স্বাভাবিক ঘটনা। গোটা হিমালয় অঞ্চলটিই ভূমিকম্প প্রবণ। ওই অঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প হওয়ার সম্ভাবনাও সর্বদাই থাকে।

    রিখটার স্কেল (Richter scale) কম্পনের মাত্রা হতে পারে ৭ বা তার বেশী 

    পরবর্তী সময়ে যদি হিমালয় অঞ্চলে ভূমিকম্প হয়, তবে তা অত্যন্ত শক্তিশালী হবে বলেই জানিয়েছেন তিনি।

    ভূমিকম্পের পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব নয়

    সিনিয়র জিওগ্রাফিসিস্ট অজয় পাল আরও জানান, যেহেতু ভূমিকম্পের পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব নয়, ভূমিকম্প আগামী মাস বা ১০০ বছর পরেও হতে পারে। তাই আগে থেকে নিজেদের প্রস্তুত রাখা প্রয়োজন। এতে বড় ক্ষয়ক্ষতি যেমন এড়ানো যায়, তেমনই ভূমিকম্পও দক্ষ হাতে মোকাবিলা করা যাবে।

    জাপানের (Japan) পদ্ধতি অবলম্বন করা উচিত

    পরামর্শ হিসাবে তিনি জানিয়েছেন, ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চলে বাড়ি এমনভাবে বানানো উচিত, যা ভূমিকম্পেও বিশেষ প্রভাবিত হবে না। জাপানেও (Japan) এই পদ্ধতিতেই বাড়ি বানানো হয়। সেই কারণেই বারবার ছোট-বড় ভূমিকম্প হলেও, জাপানে প্রাণহানি বা সম্পত্তির বিশেষ ক্ষয়ক্ষতি হয় না। প্রত্যেক বছরই অন্তত একবার মক ড্রিল করা উচিত। যদি এই কাজগুলি করা যায়, তবে ভূমিকম্পের প্রভাব ৯৯.৯৯ শতাংশ কমিয়ে ফেলা সম্ভব।

    প্রসঙ্গত,বিগত ১৫০ বছরে মোট চারটি বড় ভূমিকম্প হয়েছে হিমালয়ে। ১৮৯৭ সালে শিলংয়ে ব্যাপক কম্পন অনুভূত হয়েছিল। এরপরে ১৯০৫ সালে কাঙ্গরায়, ১৯৩৪ সালে বিহার-নেপাল সীমান্তে ও ১৯৫০ সালে অসমে কম্পন অনুভূত হয়। এছাড়া ১৯৯১ সালে উত্তরকাশীতে, ১৯৯৯ সালে চামোলি ও ২০১৫ সালে নেপালেও ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • The Kerala Story: ফিল্ম টিজারে কেরলের সাথে ইসলামিক সন্ত্রাসবাদের সূত্র জুড়ে দেওয়ায় চলচ্চিত্র নির্মাতার বিরুদ্ধে এফআইআর কেরল পুলিশের

    The Kerala Story: ফিল্ম টিজারে কেরলের সাথে ইসলামিক সন্ত্রাসবাদের সূত্র জুড়ে দেওয়ায় চলচ্চিত্র নির্মাতার বিরুদ্ধে এফআইআর কেরল পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি সুদীপ্ত সেন পরিচালিত ‘দ্য কেরালা স্টোরি'(The Kerala Story) নামক এক বলিউড সিনেমার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সিনেমার টিজারে দক্ষিনের এই রাজ্যটিকে ইসলামিক সন্ত্রাসবাদ এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণের কেন্দ্র হিসেবে দেখানোর পর থেকে ভারতের এই দক্ষিণী রাজ্যে বিতর্কের ঝড় উঠেছে।

    সিনেমাটির ট্রেলারে (The Kerala Story Trailer) কি দেখানো হয়েছে?

    সিনেমাটির ট্রেলারে দেখানো হয়েছে রাজ্যের প্রায় ৩২ হাজার নারীকে জোরপূর্বক ইসলামে ধর্মান্তরিত করানোর পর বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠীতে নিয়োগ করা হয়েছে।

    ট্রেলারের এক ভিডিওতে দেখানো হয়, একজন বোরখা পরিহিত এক মহিলা (বলিউডের এক হিন্দু নায়িকা) বলেন আমি ধর্মান্তকরণের শিকার হয়েছি। সে বলে,”আমি একজন নার্স হতে চেয়েছিলাম এবং মানবতার সেবা করতে চেয়েছিলাম। সে আরও বলে, এখন আমি ফাতিমা, আফগানিস্তানের একটি জেলে বন্দিনী আইসিস সন্ত্রাসী, তবে আমি একা নই। ছবির ট্রেলারে বোরখা পরিহিত মেয়েটি আরও দাবি করে যে “আমার মতো ৩২ হাজার মেয়ে আছে যাদের ধর্মান্তরিত করা হয়েছে এবং সিরিয়া ও ইয়েমেনের মরুভূমিতে সমাহিত করা হয়েছে। কেরলের সাধারণ মেয়েদের ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসীতে রূপান্তরিত করার জন্য একটি মারাত্মক খেলা চালানো হচ্ছে … কেউ কি তাদের বাধা দেবে না?”

    ছবিটির নির্মাতারা দাবী করেন যে, চলচ্চিত্রটি বাস্তব তথ্য এবং ঘটনার উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, কিন্তু তাদের দাবির সমর্থনে তারা কোনো প্রমাণ বা অফিসিয়াল রিপোর্ট পেশ করেনি।

    সিনেমাটির ট্রেলারটির রিলিজের পর প্রতিক্রিয়া (Reaction on The Kerala Story Trailer)

    ট্রেলারটির প্রকাশের পরই ভারতের দক্ষিণের রাজ্যগুলোতে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিবেশী রাজ্য তামিলনাড়ুর সাংবাদিক বিআর অরবিন্দদক্ষন, কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক, কেরালার মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় এবং কেরল পুলিশের কাছে একটি পিটিশন দাখিল করেছেন। পিটিশনে তিনি অভিযোগ করেন যে এই ফিল্মটি মিথ্যা তথ্য পরিবেশন করছে এবং এর বিষয়বস্তু সমাজে অস্থিরতার সৃষ্টি করবে। তিনি অবিলম্বে পরিচালকের বিরুদ্ধে তদন্তের পাশাপাশি সিনেমাটি রিলিজ বন্ধ করার জন্য অনুরোধ করেছেন। 

    কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন রাজ্যের পুলিশকে অভিযোগটি তদন্ত করার নির্দেশ দেওয়ার পরেই ট্রেলারের বিরুদ্ধে একটি ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়েছে। কেরলের তিরুবনন্তপুরম জেলার পুলিশ ভুল তথ্য এবং সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগে সিনেমা নির্মাতাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে।

    রাজ্যের বিরোধীদল নেতা ভিডি সতীসান বলেছেন যে ছবিটি তথ্যের দিক থেকে ভুলে ভরা ও সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষপূর্ণ। তিনি এই সিনেমাটিকে অবিলম্বে নিষিদ্ধ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।

    পুলিশ চলচ্চিত্রের ঘটনাগুলি কেরলের চারজন মহিলার দ্বারা অনুপ্রাণিত বলে মনে করছে। যারা ইসলামে ধর্মান্তরিত হয়েছিল এবং পরবর্তীতে তাদের স্বামীদের সাথে ২০১৬ এবং ২০১৮ সালের মধ্যে খোরাসান প্রদেশে আইএসএ যোগ দিতে আফগানিস্তানে গিয়েছিল। তাদের স্বামীরা নিহত হবার পর ২০১৯ সালে তারা আত্মসমর্পণ করার পরে এখনও তারা আফগান জেলে রয়েছে। ভারত সরকার তাদের ফিরিয়ে নিতে অস্বীকার করেছে।

    ফিল্মটির দাবী মতো কেরলের এমন হাজার হাজার মেয়েরা এখন যুদ্ধবন্দী, এমন কোনো প্রমাণ নেই।

    কেরলে বিজেপির সংগঠন বিস্তারের চেষ্টা (BJP is trying to expand its organization in Kerala)

    ভারতের সবচেয়ে শিক্ষিত ও প্রগতিশীল রাজ্য কেরলে বিজেপি এখনো তাদের প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। বিজেপি নেতারা দীর্ঘদিন ধরেই কেরল রাজ্যে ধর্মান্তকরণ বা ইসলামিক সন্ত্রাসবাদ বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে অভিযোগ জানিয়ে আসছিল। রাজ্যে বাম সরকার ও ধর্ম নিরপেক্ষ দলের উপস্থিতি থাকায় বিজেপি সাম্প্রদায়িকতার অস্ত্রকে ব্যবহার করে কেরল দখল করতে মরিয়া বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। 

    কাশ্মীর ফাইলস সিনেমাটির প্রভাব (Influence of the movie Kashmir Files)

    বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, দ্য কেরালা স্টোরি সিনেমাটি সম্প্রতি বিবেক অগ্নিহোত্রীর কাশ্মীর ফাইলস এর  অনুকরণে করা হয়েছে। কাশ্মীর ফাইলসেও মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ কাশ্মীরে সংখ্যালঘু কাশ্মীরি পন্ডিতেরা কিভাবে অত্যাচারিত হয়েছিল, তা দেখানো হয়। এ নিয়ে অনেক বিতর্ক তৈরি হলেও বক্স অফিসে বিপুল মুনাফা লাভ করে দ্য কাশ্মীর ফাইলস সিনেমাটি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Kuno National Park:আফ্রিকা থেকে আনা ৮ টি চিতার মধ্যে দুটিকে ছাড়া হল কুনোর জঙ্গলে

    Kuno National Park:আফ্রিকা থেকে আনা ৮ টি চিতার মধ্যে দুটিকে ছাড়া হল কুনোর জঙ্গলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিন আফ্রিকা থেকে আনা ৮ টি চিতাবাঘের মধ্যে ২ টি চিতা বাঘকে মধ্যপ্রদেশের কুনো ন্যাশনাল পার্কের বড় এলাকায় ছেড়ে দেওয়া হল। কুনোর পার্কের তারে ঘেরা মুক্ত প্রান্তরে প্রথমে এই চিতাবাঘ গুলিকে রাখা হয়েছিল। কতৃপক্ষ জানিয়েছে, সরাসরি কুনোর জঙ্গলে ছাড়ার আগে জঙ্গলের পরিবেশের সঙ্গে আরও ভাল করে মানিয়ে নেওয়ার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 
    এই প্রেক্ষিতে রবিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ট্যুইটারে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
    ট্যুইটারে তিনি লেখেন, “দারুণ খবর। বাধ্যতামূলক কোয়ারেনটাইনের পর দুটি চিতাকে আরও বড়ো এনক্লোজারে ছাড়া হয়েছে। বাকি চিতাগুলিকেও দ্রুত সেখানে স্থানান্তরিত করা হবে। আমি এটা জেনে খুশি হয়েছি যে সবকটি চিতাই সুস্থ রয়েছে। তারা সক্রিয় রয়েছে এবং তারা পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিচ্ছে।”

     

    কুনো জাতীয় উদ্যানের শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভিনদেশ থেকে আনা চিতাগুলিকে জঙ্গলে ছাড়ার আগে যাবতীয় সতর্কতা পালন করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মেনেই যাবতীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই চিতাগুলিকে দেখভালের জন্য টাস্ক ফোর্স গঠন করা হয়েছে। নতুন যে স্থানে চিতা বাঘগুলিকে ছাড়া হচ্ছে সেটির আয়তন প্রায় ৫ বর্গ কিলোমিটার।

     

    আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুসারে, বন্য প্রাণীদের অন্য দেশে স্থানান্তরিত করার ক্ষেত্রে এক মাসের বিশেষ এই কোয়ারেন্টাইনে রাখা বাধ্যতামূলক। এই সময়ের মধ্যেই দেখা হয় নতুন পরিবেশে প্রাণীটি মানিয়ে নিতে পারছে কি না।
    তবে, এই ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেছেন মধ্যপ্রদেশের বনমন্ত্রী বিজয় শাহ। সূত্রের খবর, বনমন্ত্রীর উপস্থিতিতে রবিবার এই চিতাগুলিকে ছাড়ার কথা ছিল। কিন্তু, বনবিভাগের আধিকারিকরা এক দিন আগেই চিতাগুলিকে বড় এলাকায় ছেড়ে দেন। সূত্রের খবর, এলাকার পরিবেশ এবং চিতাগুলির স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ করার পর শনিবার চিতা দু’টিকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

    প্রসঙ্গত, ১৯৪৭ সালে ছত্তিশগড়ে ভারতে শেষ চিতা মারা গিয়েছিল এবং ১৯৫২ সালে চিতাকে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশ মন্ত্রক সূত্রের খবর, দক্ষিণ আফ্রিকা অথবা নামিবিয়া থেকে আগামী পাঁচ বছর ধরে ধাপে ধাপে ৫০টি চিতা ভারতে আনা হবে। এদের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ অল্পবয়স্ক চিতা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share