Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Kedarnath: কেদারনাথে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! ভেঙে পড়ল হেলিকপ্টার, মৃত ৭, শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    Kedarnath: কেদারনাথে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! ভেঙে পড়ল হেলিকপ্টার, মৃত ৭, শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেদারনাথে (Kedarnath) ভয়াবহ দুর্ঘটনা। ভেঙে পড়ল তীর্থযাত্রী বহনকারী একটি হেলিকপ্টার। দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে দুই পাইলট-সহ ৭ জনের। তাদের মধ্যে চারজনই ছিলেন মহিলা। কেদারনাথ থেকে ২ কিলোমিটার দূরে গরুড় চট্টিতে ঘটেছে দুর্ঘটনাটি। এই ঘটনার পরেই রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় তীর্থযাত্রী এবং পাইলটের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টা ৪০-এর দিকে ফাটা এলাকা থেকে কেদারনাথের উদ্দেশ্যে হেলিকপ্টারটিতে রওনা হয়েছিলেন মোট ৮ জন। রুদ্রপ্রয়াগের (RudraPrayag) কাছে গরুড় চট্টির কাছে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে যাত্রীবাহী কপ্টারটি। এখান থেকে কেদারনাথ (Kedarnath) মাত্র ২ কিলোমিটার দূরে। উদ্ধারকারী দলের সূত্রে জানা গিয়েছে, ৭ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। তার মধ্যে ২ জন পাইলট (Pilot)। খারাপ আবহাওয়ার জন্যই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক অনুমান। আরও জানা গিয়েছে, গরুড় চট্টি থেকে ওড়ার কিছুক্ষণের মধ্যে কপ্টারটিতে আগুন ধরে যায়। এরপর রুদ্রপ্রয়াগের কাছে তা ভেঙে পড়ে। দুর্ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশ এবং রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর কর্মীরা। এখনও চলছে উদ্ধারকাজ। ঠিক কী কারণে কপ্টারটি ভেঙে পড়ল, তারও তদন্ত করা হচ্ছে।

    অন্যদিকে শোকপ্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। 

    দুর্ঘটনার বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি। তিনি ট্যুইটে জানিয়েছেন, ‘কেদারনাথের কাছে গরুড় চট্টিতে দুর্ভাগ্যজনক হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় কিছু লোকের হতাহতের বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। ত্রাণ ও উদ্ধার কাজে নেমেছে রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। জেলা প্রশাসনের দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। এই মর্মান্তিক ঘটনার বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

    কেন্দ্রীয় বিমান পরিবহণ মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া টুইট করে এই দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, ‘কেদারনাথে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনাটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করতে আমরা রাজ্য সরকারের সাথে যোগাযোগ করছি। আমরা ক্রমাগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।’ 

    [tw]


    [/tw]

     

  • DY Chandrachud: দেশের পরবর্তী প্রধান বিচারপতি হচ্ছেন ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়, শপথ গ্রহণ ৯ নভেম্বর

    DY Chandrachud: দেশের পরবর্তী প্রধান বিচারপতি হচ্ছেন ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়, শপথ গ্রহণ ৯ নভেম্বর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী প্রধান বিচারপতি হচ্ছেন ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় (DY Chandrachud)। ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়কে নিয়োগ করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ২০২২ সালের ৯ নভেম্বর থেকে দায়িত্ব নিচ্ছেন ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়। একথা ট্যুইট করে জানালেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী কিরণ রিজিজু, এএনআই সূত্রে খবর। দেশের ৫০তম প্রধান বিচারপতি হচ্ছেন বিচারপতি চন্দ্রচূড়। আগামী নভেম্বরে অবসর নেবেন প্রধান বিচারপতি উদয় উমেশ ললিত।

    দেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি ইউ ইউ ললিতই (Justice U U Lalit) তাঁর উত্তরসূরী হিসেবে ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের (DY Chandrachud) নাম প্রস্তাব করেছিলেন। আগামী ৮ নভেম্বর প্রধান বিচারপতি হিসেবে অবসর গ্রহণ করবেন তিনি। আগামী দু’বছর দেশের প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করবেন বিচারপতি চন্দ্রচূড়। ২০২৪ সালের ১০ নভেম্বর পর্যন্ত এই পদে থাকবেন বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়।

    আরও পড়ুন: তিস্তায় রমরমিয়ে চলছে বালি পাচার, ভিডিও শেয়ার করে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    দেশের প্রধান বিচারপতির কিছু অজানা বিষয় জেনে নিন।

    ধনঞ্জয় যশবন্ত চন্দ্রচূড় (DY Chandrachud) ১১ নভেম্বর, ১৯৫৯ সালে বম্বেতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি প্রধান বিচারপতি ওয়াইভি চন্দ্রচূড়ের ছেলে। আর ইনিই সবচেয়ে বেশি সময় ধরে থাকা প্রধান বিচারপতি ছিলেন। ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় নয়াদিল্লির সেন্ট স্টিফেন কলেজ থেকে অর্থনীতিতে বিএ(এইচ) ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এরপর তিনি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ল সেন্টার থেকে ল ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড ল স্কুল থেকে এলএলএম এবং ডক্টরেট (এসজেডি) করেছেন।

    ১৯৮৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক আইন পড়ান। তিনি বম্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিজিটিং প্রফেসর ছিলেন। এরপর ১৯৯৮ সালে বম্বে এইচসি দ্বারা সিনিয়র অ্যাডভোকেট হিসাবে মনোনীত হন। তিনি ভারতের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল হিসেবেও নিযুক্ত হন। ২০০০ সালে, তিনি বম্বে হাইকোর্টের বিচারক হিসাবে নিযুক্ত হন। ২০১৩ সালে, তিনি এলাহাবাদ আদালতের প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন। ২০১৬ সালে, তিনি ভারতের সুপ্রিম কোর্টে নিযুক্ত হন। ২০২১ সালে SC কলেজিয়ামেরও অংশ হয়েছিলেন। ২০২২ সালে, তিনি ন্যাশনাল লিগ্যাল সার্ভিসেস অথরিটি (NALSA) এর এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত হন। অবশেষে আগামী ৯ নভেম্বর হবেন প্রধান বিচারপতি (DY Chandrachud। ২০২৪ সালের ১০ নভেম্বর পর্যন্ত তিনি প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে থাকবেন।

    বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের (DY Chandrachud) কিছু গুরুত্বপূর্ণ রায়ের মধ্যে রয়েছে মহিলাদের জন্য গর্ভপাতের অধিকার, হিউম্যান রাইটস, জেন্ডার জাস্টিস, সবরিমালা মন্দির মামলা, ফান্ডামেন্টাল রাইট টু প্রাইভেসি, ক্রিমিনাল আইন এবং কমারশিয়াল আইন সংক্রান্ত মামলা।

  • Kashmir Terrorism: ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ! কাশ্মীরি পণ্ডিতের পর সোপিয়ানে জঙ্গি হামলায় নিহত ২ পরিযায়ী শ্রমিক

    Kashmir Terrorism: ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ! কাশ্মীরি পণ্ডিতের পর সোপিয়ানে জঙ্গি হামলায় নিহত ২ পরিযায়ী শ্রমিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশ্মীরি পণ্ডিতের মৃত্যুর দুদিন পরেই ফের রক্তাক্ত উপত্যকা। দু’দিন আগেই জঙ্গিদের গুলিতে প্রাণ গিয়েছিল এক কাশ্মীরি পণ্ডিতের। এবার ফের রক্ত ঝড়ল ভূস্বর্গে। এবার জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) সোপিয়ান (Shopian) জেলার হারমেন এলাকায় ফের গ্রেনেড হামলা (grenade attack) চালায় জঙ্গিরা। আর এতে প্রাণ হারালেন উত্তরপ্রদেশের দুই শ্রমিক। তাঁদের নাম মনীশ কুমার ও রাম সাগর। তাঁদের দুজনেরই বাড়ি উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) কনৌজ (Kanooj) জেলায়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে সোপিয়ান জেলার হারমেন (Harmen) এলাকায় একটি টিনের শেডের তলায় শুয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের দুই শ্রমিক। আচমকা সেসময় তাঁদের উপর গ্রেনেড ছোঁড়ে অভিযুক্ত জঙ্গি। এর জেরে গুরুতর জখম হন মনীশ কুমার (Manish Kumar) ও রাম সাগর (Ram Sagar)। পরে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসা চলাকালীন মৃত্যু হয় ২ জনের।

    আরও পড়ুন: ফের কাশ্মীরি পন্ডিতের রক্তে ভিজল উপত্যকা

    কাশ্মীরের জোন পুলিশ মঙ্গলবার ট্যুইটে জানিয়েছে, ‘সন্ত্রাসবাদীরা সোপিয়ানের হারমেন এলাকায় গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে। সেই হামলায় উত্তর প্রদেশের দুই শ্রমিক মণীশ কুমার ও রাম সাগর জখম হয়েছে। উভয়েই উত্তর প্রদেশের কনৌজের বাসিন্দা। তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁদের মৃত্যু হয়। এলাকা ঘিরে রাখা হয়েছে।’ তাঁরা ট্যুইটে আরও জানিয়েছেন, অভিযুক্ত সন্ত্রাসবাদীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। ট্যুইটে লিখেছেন, সন্ত্রাসবাদী সংগঠন এলইটি-র হাইব্রিড জঙ্গি হারমেনের ইমরান বশির গনি যে গ্রেনেড হামলার জন্য দায়ী তাকে গ্রেফতার করেছে সোপিয়ান পুলিশ। তদন্ত ও অভিযান জারি রয়েছে। ফলে পুলিশরা অনুমান করেছে যে, এই হামলার পিছনে নিষিদ্ধ সন্ত্রাসবাদী সংগঠন লস্কর-ই-তৈবা-র হাত রয়েছে।

    প্রসঙ্গত, জঙ্গি নিশানায় রয়েছে কাশ্মীরি (Kashmir Terrorism) পণ্ডিত ও পরিযায়ী শ্রমিক। তার প্রমাণ অনেক দিন থেকেই লক্ষ্য করা হয়েছে। কারণ গত কয়েক মাসে জঙ্গি হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন একাধিক শ্রমিক ও কাশ্মীরি পণ্ডিত। গত ১৬ অক্টোবরেই জঙ্গি হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন কাশ্মীরি পণ্ডিত পূরণ কৃষ্ণন ভাট। তিনি দক্ষিণ কাশ্মীর জেলার চৌধুরী গুন্ড এলাকার বাসিন্দা। এই ঘটনার পরেই উপত্যকায় প্রতিবাদে নেমেছেন কাশ্মীরা পণ্ডিতরা। পুনর্বাসনের দাবিতে ফের গর্জে উঠেছেন তাঁরা। গোটা এলাকায় মোতায়েন কড়া নিরাপত্তা। অভিযুক্ত জঙ্গিদের সন্ধানে চলছে তল্লাশি। আর তারই মধ্যে এমন ঘটনা।

  • Human Sacrifice: ধনী হতে নরবলি দিল কেরলের এক দম্পতি, খেয়েছে তাঁদের মাংসও!

    Human Sacrifice: ধনী হতে নরবলি দিল কেরলের এক দম্পতি, খেয়েছে তাঁদের মাংসও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবিশ্বাস্য! শিউরে ওঠার মত ঘটনা। এখনকার সমাজেও নরবলির (Human Sacrifice) মত ঘটনা ঘটে তা শুনে হতবাক গোটা দেশ। কুসংস্কার, ব্ল্যাক ম্যাজিক যে এখনও রয়েছে, তা এই ঘটনা থেকেই বোঝা যাচ্ছে। তাও আবার কেরলের মত রাজ্যে এই নরবলির মত ঘটনা সত্যিই আশ্চর্যজনক। জানা গিয়েছে ঘটনাটি এরনাকুলাম জেলার থিরুভাল্লা-র। যেখানে এক দম্পতি আর্থিক সমস্যা সমাধানে ও জীবনে সুখ-সমৃদ্ধি আনতে নরবলি দিয়েছে। আর এই ঘটনায় আরও এক অবাক করা তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে, জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত যে দম্পতি দুই মহিলাকে বলি দিয়েছে, তারা সেই মহিলাদের মাংসও খেয়েছে। ইতিমধ্যেই ওই দম্পতি ও আরও এক ব্যক্তি যে দম্পতির এজেন্টের কাজ করত, তাকেও পেরুমবাভুর থেকে গ্রেফতার করেছে কেরল পুলিশ।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই কাণ্ডের মূলে (Human Sacrifice) এক ব্যক্তি রয়েছে, যে এজেন্ট হিসেবে কাজ করে। তার নাম রাশেদ ওরফে মুহম্মদ শফি, সে পেরুমবাভুর স্থানীয় বাসিন্দা। আর তার কথাতেই ওই দম্পতি দুই মহিলার বলি দিতে রাজি হয়েছে। সে শ্রীদেবীর নামে ফেসবুকে একটি ভুয়ো অ্যাকাউন্ট তৈরি করে অভিযুক্ত স্বামী ভগবাল সিংয়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে। জানা গিয়েছে. ভগবাল সিং ও স্ত্রী লায়লা স্থানীয় চিকিৎসক ছিলেন এবং গ্রামে একটি আয়ুর্বেদিক ম্যাসেজ থেরাপি সেন্টার চালাতেন।

    ঘটনাটি কী ঘটেছিল?

    তদন্তে জানা যায় যে শফি, যে নিজেকে শ্রীদেবী বলে পরিচয় দিয়েছিল, সেই দম্পতিকে বোঝায় যে মানব বলিদান (Human Sacrifice) তাদের সম্পদ এবং সমৃদ্ধি আনতে পারে। ফলে সে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে একজন মহিলাকে সে নিয়ে আসবে, যাকে বলি হিসাবে দেওয়া হবে। এরপর জুন মাসে ৪৯ বছর বয়সী রোজলিন নামক এক মহিলাকে অপহরণ করা হয় ও ভগবাল সিং ও লায়লার বাড়িতে নিয়ে গিয়ে নির্মমভাবে তাঁকে হত্যা করা হয়। এরপর ফল না পাওয়ায় দম্পতি শফিকে প্রশ্ন করলে সে তাদের আরেকটি বলি দিতে রাজি করায়। শফি তখন পদ্মা নামে আরও একজন মহিলাকে অপহরণ করে সেপ্টেম্বর মাসে তাঁর হত্যা করে।

     কীভাবে এই ঘটনা প্রকাশ্যে এল?

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সেপ্টেম্বর মাসে পদ্মা নামক মহিলাকে অপহরণ করার পরেই তাঁর বোন পালানিয়াম্মার দায়ের করা অভিযোগেই এই খবর (Human Sacrifice) সামনে এসেছে। পুলিশ যখন পদ্মার ফোন ট্র্যাক করে এলানথুর এলাকায় শফির কাছে পৌঁছে যান, তখন তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে শফি ওই দুই নারীকে অপহরণের কথা স্বীকার করে। এরপর পাথানামথিট্টার এলানথুর গ্রামের দম্পতির বাড়ি থেকে মৃতদের টুকরো টুকরো দেহের অংশগুলি মাটির নীচ থেকে উদ্ধার করা হয়। ওই দুই মহিলার মৃতদেহ মাটিতে পোঁতার আগে তাঁদের টুকরো টুকরো করেও কাটা হয়েছে বলে জানা যায়।

    পুলিশ জানিয়েছে, শফি এমন ধরণের হত্যা আর করেছে কিনা তা নিয়ে তদন্ত চালানো হচ্ছে। আবার এই হত্যাকাণ্ডে আর কোনও লোক জড়িত আছে কিনা তাও দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে পুলিশ জানতে পেরেছে, শফিকে অর্থাৎ এই এজেন্টকে এই কালো জাদুর (Human Sacrifice) জন্য টাকাও দিত এই দম্পতি।

  • Muslim Marriage: প্রথম স্ত্রী-সন্তানের দায়িত্ব না নিতে পারলে দ্বিতীয় বিয়ে কেন? প্রশ্ন তুলল এলাহাবাদ হাইকোর্ট

    Muslim Marriage: প্রথম স্ত্রী-সন্তানের দায়িত্ব না নিতে পারলে দ্বিতীয় বিয়ে কেন? প্রশ্ন তুলল এলাহাবাদ হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনও মুসলিম পুরুষ মনে করলেই দ্বিতীয়বার বিয়ে করতে পারেন না। কারণ কোরানে বলা হয়েছে যে কোনও ব্যক্তি যদি স্ত্রী-সন্তানদের লালনপালন না করেন তাহলে সে দ্বিতীয়বার বিয়ের জন্য যোগ্য নন। সম্প্রতি একটি মামলার শুনানিতে এই মত জানায় এলাহাবাদ হাইকোর্ট (Allahabad High Court)। আদালতের তরফে বলা হয়, কোরানে ৪ নম্বর সুরার ৩ নম্বর আয়াতের ধর্মীয় আদেশ অনুসারে বিবাহিত স্ত্রীর সঙ্গে মুসলিম পুরুষদের ন্যায়সঙ্গত আচরণই করতে হবে। একজন মুসলিম পুরুষ যদি তাঁর স্ত্রী ও সন্তানদের লালন-পালন করতে সক্ষম না হন, তাহলে পবিত্র কোরানের উপরোক্ত আদেশ অনুসারে সে অন্য কোনও নারীকে বিয়েও করতে পারবেন না। 

    আরও পড়ুন: বাক-স্বাধীনতা মানে প্রধানমন্ত্রীকে কু-মন্তব্য করা নয়, স্পষ্ট এলাহাবাদ হাইকোর্ট

    সম্প্রতি এক মুসলিম ব্যক্তি তাঁর প্রথম স্ত্রীকে না জানিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। প্রথমে তিনি দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে আলাদা থাকলেও পরে এক বাড়িতেই দুই স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস শুরু করেন। কিন্তু ওই ব্যক্তির আর্থিক অনটন দেখা দেওয়ায় তিনি প্রথম পক্ষের স্ত্রী এবং তাঁর সন্তানদের ঠিকমতো দেখাশোনা করছেন না বলে অভিযোগ ওঠে। এই অভিযোগে পারিবারিক আদালতের দ্বারস্থ হয় ওই ব্যক্তির প্রথম স্ত্রী। তিনি বিবাহবিচ্ছেদের দাবি জানান। একই সঙ্গে তাঁর সন্তানদের ভরণপোষণের ভার স্বামীকে নিতে হবে বলে দাবি করেন।  এই দাবির বিরোধিতা করে প্রথম স্ত্রীর বিরুদ্ধে পারিবারিক আদালতে মামলা করেন স্বামী। মামলায় বলেন, খোরপোষ দেওয়ার মতো আর্থিক সঙ্গতি তাঁর নেই। পারিবারিক আদালত তাঁর এই আবেদন মঞ্জুর করেনি। তারাও প্রশ্ন তোলে, আর্থিক সঙ্গতি না থাকা সত্ত্বেও দ্বিতীয় বিয়ে তিনি করলেন কেন?

    আরও পড়ুন: তাজমহলের রুদ্ধ ২২ দ্বার খোলা হবে না, জানাল এলাহাবাদ হাইকোর্ট

    পারিবারিক আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে এলাহাবাদ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ওই ব্যক্তি। হাইকোর্টও ওই ব্যক্তির আর্জি খারিজ করে দিয়ে কোরানের উদ্ধৃতি থেকে রায় দেন। এলাহাবাদ হাইকোর্টের তরফে বলা হয়েছে, মামলাকারী ওই মুসলিম ব্যক্তি প্রথম স্ত্রীর কাছে সত্য গোপন করে দ্বিতীয়বার বিয়ে করেছিলেন। যা মিথ্যের সমান। পাশাপাশি এই ধরণের আচরণ তাঁর প্রথম স্ত্রীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণেরও সমতুল্য। আদালত এ প্রসঙ্গে জানায়,যদি এই ঘটনার ক্ষেত্রে প্রথম স্ত্রী তাঁর স্বামীর সঙ্গে থাকতে না চান তাহলে তাঁকে বাধ্য করা যাবে না। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 
                                                                 

  • BSF: গত ৯ মাসে পাকিস্তানের ১৯১টি ড্রোন দেখা গিয়েছে ভারতীয় সীমান্তে! স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে চাঞ্চল্যকর তথ্য বিএসএফের

    BSF: গত ৯ মাসে পাকিস্তানের ১৯১টি ড্রোন দেখা গিয়েছে ভারতীয় সীমান্তে! স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে চাঞ্চল্যকর তথ্য বিএসএফের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তে (LOC) শুধু জঙ্গি অনুপ্রবেশ নয়, পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ভারতীয় ভূখণ্ডে নিয়মিত নজরদারি চালানো হচ্ছে ড্রোনের (pakistan drone )মাধ্যমে। গত ৯ মাসে পাকিস্তানের প্রায় ১৯১টি ড্রোন নজরে এসেছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর। তার মধ্যে সাতটিকে গুলি করে নামানো হয়েছে।

    ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারকে (Central Govt) এই বিষয়ে অবগত করেছে সেনাবাহিনী (Indian Army)। কারণ, বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এতে দেশের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। ১৯১টি পাক ড্রোনের মধ্যে ১৭১টি ভারতীয় সীমানা অতিক্রম করেছিল বলে কেন্দ্রীয় সরকারকে রিপোর্ট দিয়েছে সেনাবাহিনী। যার মধ্যে অধিকাংশ পাঞ্জাবের সীমান্ত এলাকার ঘটনা। আর জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলে দেখা গিয়েছে ২০টি পাকিস্তানি ড্রোন।

    সীমান্তে নজরদাবি চালানোর জন্য ইউএভি (Unnamed Aerial Vehicle) বসানো হয়েছে। তার মাধ্যেমেই চলতি বছরের ১লা জানুয়ারি থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পাকিস্তানের একাধিক ড্রোনের ভারতীয় সীমান্ত অতিক্রমের তথ্য ধরা পড়েছে। বিশেষ করে পাঞ্জাবের অমৃতসর, ফিরোজপুর এবং অবোহার অঞ্চলে এই ঘটনা বেশি করে লক্ষ্য করা গিয়েছে।

    সূত্রের খবর, গত ১৮ জানুয়ারি অমৃতসরের হাভেলিয়ান সীমান্তের আউট পোস্টের সামনে একটি পাক ড্রোন নজরে পড়ে বিএসএফের (BSF)। সঙ্গে সঙ্গে তা গুলি করে নামানো হয়। একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে ১৩ ফেব্রুয়ারি। ৭ ও ৯ মার্চ ফিরোজপুরের টিজে সিং ও অমৃতসরের হাভেলিয়ান আউট পোস্টেও দু’টি ড্রোন নামাতে সক্ষম হয় বিএসএফ।

    আরও পড়ুন: ভারতে বন্ধ পাকিস্তান সরকারের ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট

    পুরো বিষয়টি ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর (Amit Shah) নজের আনা হয়েছে। কয়েকদিন আগে তিনি শ্রীনগর সফরে গিয়েছিলেন। সেখানে তাঁকে বিএসএফের পক্ষ থেকে যাবতীয় নথি ও প্রমাণ তুলে দেওয়া হয়। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের ড্রোন অস্ত্র বহনে যেমন সক্ষম, তেমনি বিস্ফোরণ ঘটানোর কাজেও ব্যবহার করা যেতে পারে।

    জম্মু ও কাশ্মীরের পুলিশ কর্তাদের আশঙ্কা, ড্রোনের মাধ্যমে ভারতীয় সীমান্তে আফগানিস্তানের হেরোইনের সাপ্লাই করা হচ্ছে। একই আশঙ্কা করছে বিএসএফও। কারণ, পাঞ্জাবের সীমান্ত অঞ্চলগুলিতেই বেশি করে পাকিস্তানের ড্রোন চোখে পড়েছে। এর পিছনে হাত রয়েছে আইএসআইয়ের। পাকিস্তানের এই কার্যকলাপ বন্ধের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। তাই জম্মু ও কাশ্মীরের পাশাপাশি পাঞ্জাব সীমান্তে আরও বেশি নজরদারি চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসএফ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Vande Bharat Express route fencing:দূঘর্টনার হাত থেকে বাঁচতে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস রুটে তারের বেড়া তৈরীর পরিকল্পনা রেল কর্তৃপক্ষের

    Vande Bharat Express route fencing:দূঘর্টনার হাত থেকে বাঁচতে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস রুটে তারের বেড়া তৈরীর পরিকল্পনা রেল কর্তৃপক্ষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার মোষের পালে ধাক্কা মারার পর শুক্রবার আনন্দের কাছে গরুতে ধাক্কা মারল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বপ্নের বন্দে ভারত এক্সপ্রেস(Vande Bharat Express)। মাত্র ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে ভারতের তৈরি এই সেমি হাইস্পিড ট্রেনটি দ্বিতীয়বার দূর্ঘটনার কবলে পড়েছে। যার জেরে ট্রেনটির সামনের দিক ‘নাক’ টা কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এবার অবশ্য ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বৃহস্পতিবারের তুলনায় কম হয়। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে ঘটনায় কোনও যাত্রী (Passenger) আহত হয়নি। তবে পরপর দু’দিন দূর্ঘটনার কবলে পড়ায়, বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের যাত্রী নিরাপত্তা (Safety) নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও রেল কর্তৃপক্ষ (Railway Authority) এই দুই ঘটনাকে তেমন গুরুত্ব দিতে নারাজ।

    আরও পড়ুন: গান্ধীনগর-মুম্বই রুটে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী, করলেন ট্রেন সওয়ারী

    পশ্চিম রেলওয়ের (Western Railway) জনসংযোগ বিভাগের তরফে জানানো হয়েছে,গরুকে ধাক্কা মারার জেরে ট্রেনের সামনের অংশ কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে বড়সড় কোনও ক্ষতি হয়নি। সেই ঘটনার ১০ মিনিটের মধ্যেই ফের চলতে শুরু করে ট্রেন। এই ধরনের দুর্ঘটনার কথা ভেবেই ট্রেনের নোজ (Nose) কোনটি ফাইবার রিইনফোর্সড প্লাস্টিক (Fibre Reinforce Plastic) দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এই নোজ কোন কভারটি এমনভাবেই তৈরি করা হয়েছে যে কোথাও সংঘর্ষ হলেও তার প্রভাব শুধুমাত্র ওই অংশেই পড়বে। ট্রেনের বাকি অংশে কোনও ক্ষতি হবে না। সহজেই এই অংশকে বদলও করা সম্ভব, এমনভাবেই তৈরি করা হয়েছে বন্দে ভারতের ডিজাইন মডেল। পরবর্তী সময়েও যদি নোজ কোন কভারটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তা দ্রুত বদল করার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে অতিরিক্ত নোজ কোন কভার রাখা রয়েছে।

    [tw]


    [/tw]

    রেল মন্ত্রী অশ্বিনি বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw) জানিয়েই দিয়েছেন, এই ধরনের ঘটনা এড়ানো যাবে না। এই সেমি হাই স্পিড এক্সপ্রেস ট্রেনটি চালু করার আগেই এই ঝুঁকির কথা ভাবা হয়েছে।

    নাম প্রকাশ না-করার শর্তে রেলের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন,মুম্বই-গান্ধীনগর রুটের লাইনে যাতে গবাদি পশু চলে না আসে, সেজন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের (Local People) সতর্ক করার পরামর্শ দিয়েছেন রেল কর্তৃপক্ষ সেইসঙ্গে ভবিষ্যতে এরকম দুর্ঘটনা এড়াতে লাইনের দু’পাশে তার লাগানোর বিষয়েও ভাবনাচিন্তা করছে রেল। ২০২৪ সালের মধ্যেই এই তারের বেড়া তৈরী হবে বলে আশাবাদী রেল কর্তৃপক্ষ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

  • AAP Minister Resign: হিন্দু দেবতাদের না মানার নিদান দিয়ে চাপে পড়ে কেজরিওয়ালের মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা মন্ত্রী রাজেন্দ্র পালের

    AAP Minister Resign: হিন্দু দেবতাদের না মানার নিদান দিয়ে চাপে পড়ে কেজরিওয়ালের মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা মন্ত্রী রাজেন্দ্র পালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু দেবদেবীর আর পুজো নয়, আম আদমি পার্টি (AAP)-এর এই শপথের এই ভাইরাল ভিডিয়ো ঘিরে রীতিমতো শোরগোল পড়েছিল। গত বুধবার নয়াদিল্লির আম্বেডকর ভবনে এক সংগঠনের ধর্মান্তকরণের অনুষ্ঠানের উপস্থিত ছিলেন AAP মন্ত্রী রাজেন্দ্র পাল গৌতম (Rajendra Pal Gautam)। সেখানেই তিনি শপথবাক্য পাঠ করেন। এরপরেই বিতর্কের মুখে পড়েন তিনি। 

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিয়োতে, অরবিন্দ কেজরিওয়াল সরকারের মন্ত্রী রাজেন্দ্র পাল গৌতমকে বলতে শোনা যায়, “আমার ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বরের উপর কোনও আস্থা নেই। আমি এই দেবতাদের পুজো করি না। রাম বা কৃষ্ণের উপরেও আমার কোনও আস্থা নেই। তাঁদের অবতার বলে চালানো হচ্ছে। এঁদের পুজো আমি করি না।এছাড়াও ওই ধর্মান্তকরণ সভায় মন্ত্রীকে ১০০ এরও বেশি মানুষকে হিন্দু ধর্ম থেকে বৌদ্ধ ধর্মে রূপান্তরিত করার জন্য শপথ পাঠ করাতে দেখা যায়। এই ভিডিয়ো ভাইরাল হতেই বিপাকে পড়েন কেজরিওয়াল সরকারের মন্ত্রী। এই ঘটনার পর থেকেই সুর চড়াতে শুরু করে বিজেপি।

    [tw]


    [/tw]

    বিজেপির(BJP)তরফ থেকে বলা হয়, এই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে হিন্দু ও বৌদ্ধ-দুই ধর্মেরই অপমান করেছেন রাজেন্দ্র। সেই সঙ্গে হিন্দু বিদ্বেষ উসকে দেওয়ার অভিযোগ আনা হয় তাঁর বিরুদ্ধে।এর প্রত্যুতরে মন্ত্রী বলেন, আমি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। সেই নিয়ে কারওর অসুবিধা হচ্ছে কেন? সংবিধানে সমস্ত ধর্মপালন করার স্বাধীনতা রয়েছে।

    [tw]


    [/tw]

    সরকারি ভাবে এই ঘটনা নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি আম আদমি পার্টি। তবে সূত্র মারফত জানা গিয়েছিল, অরবিন্দ কেজরিওয়াল এই গোটা ঘটনায় বেশ ক্ষুব্ধ। তবে মন্ত্রিত্ব থেকে ইস্তফা দিয়ে বিজেপিকেই দুষেছেন রাজেন্দ্র। তিনি বলেছেন, দেশের কয়েক কোটি মানুষ এই শপথ নেন। কিন্তু এই নিয়ে বিজেপি অযথা অশান্তি তৈরি করছে। আমাকে ও আমার দলকে অপমান করার চেষ্টা করছে। প্রাক্তণ মন্ত্রী টুইটারে তিনি লেখেন, আজকের দিনে মহর্ষি হিসেবে বাল্মকীর আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল আর আজকের দিনেই মান্যবর কাশীরাম সাহেবের মৃত্যুবার্ষিকী। আজকের এই পুণ্যতিথিতে আমি অনেক বন্ধন থেকে মুক্ত হলাম। আজ আমার নবজন্ম হল। এখন থেকে আমি শুধুমাত্র সমাজের হিতের জন্য কাজ করব

    [tw]


    [/tw]

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Python in School Bus: আস্ত ছাগল গিলে স্কুল বাসে ঢুকে পড়ল বিশালাকার অজগর

    Python in School Bus: আস্ত ছাগল গিলে স্কুল বাসে ঢুকে পড়ল বিশালাকার অজগর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুল বাসে মিলল এক অতিকায় অজগর। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের রায়বেরেলি জেলার রায়ান ইন্টারন্যাশানাল স্কুলের (Ryan International School) একটি বাসে। স্কুলবাসে এত বড় অজগরটি দেখার পরই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ছুটে আসে বন দফতরের একটি দল। ঘন্টাখানেকের প্রচেষ্টায় অবশেষে জালে ধরে ফেলা হয় অজগরটিকে।

    রবিবার স্কুল ছুটি থাকায় বাসের চালক বাস নিয়ে নিজের গ্রামে চলে গিয়েছিল। রবিবার দুপুরে গাড়ি নিয়ে শহরে ফেরার সময় আচমকাই সিটের নিচে দেখা যায় বিশালাকার ওই অজগরটিকে। তা দেখেই চক্ষু চড়়কগাছ চালক, কন্ডাক্টরের। দৌড়ে বাস থেকে নেমে তাঁরা চিৎকার জুড়ে দেন। তা শুনে পথচলতি মানুষ ভিড় জমায়। পৌঁছে যায় পুলিশও। বাসে উঠে দেখা যায়, পালানোর পথ না পেয়ে পাইথনটি বাসের মেঝের একটি গর্তে ঢোকার চেষ্টা করছে। খবর দেওয়া হয় বন দফতরকে। তাঁরা এসে ঘণ্টাখানেকের চেষ্টায় সাপটিকে জালবন্দি করতে সক্ষম হয়। হাফ ছেড়ে বাঁচেন সকলে।

    [tw]


    [/tw]

    জানা গিয়েছে, চালকের গ্রামের বাড়িতে যেখানে বাসটি রাখা ছিল তার আশেপাশেই চরছিল কয়েকটি ছাগল। পাইথনটি ছাগল শিকার করতেই বেরিয়েছিল। কিন্তু মানুষের আনাগোনার আওয়াজ পেয়ে পাইথনটি বাসে ঢুকে পড়ে। কিন্তু আর বেরোতে পারেনি।

    ঘটনার একটি ভিডিয়ো এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় খুব ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা গিয়েছে, বন দফতরের কর্মীরা সেই সাপটিকে উদ্ধার করছেন। স্কুল বাসের নিচ থেকে অজগরটিকে টেনে তুলছেন এক কর্মকর্তা, ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে।

    বন বিভাগের কর্মকর্তাদের মতে, ধরা পড়া অজগরটির ওজন প্রায় ৮০ কেজি এবং দৈর্ঘ্য সাড়ে ১১ ফুট। তাকে নিরাপদে ডালমাউয়ের জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তাঁরা। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলা উদ্ধার অভিযানের পর অজগরটিকে কোনও মতে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। সৌভাগ্যক্রমে, রবিবার হওয়ায় স্কুল বন্ধ ছিল। তাই কোনও প্রাণহানি হয়নি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Draupadi Murmu: দিল্লির সেনা হাসপাতালে হল রাষ্ট্রপতির চোখের অস্ত্রোপচার, কেমন আছেন দ্রৌপদী মুর্মু?

    Draupadi Murmu: দিল্লির সেনা হাসপাতালে হল রাষ্ট্রপতির চোখের অস্ত্রোপচার, কেমন আছেন দ্রৌপদী মুর্মু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল দিল্লির সেনা হাসপাতালে ছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। হঠাৎ কী হল তাঁর, এই নিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল। পরে জানা যায়, গতকাল রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর বাঁ চোখের ছানির অস্ত্রোপচার হয়। দিল্লির সেনা হাসপাতালে সকাল সাড়ে ১১টায় এই অস্ত্রোপচার হয়। রাষ্ট্রপতির সফলভাবেই ছানির অস্ত্রোপচার হয় বলে আর্মি হাসপাতাল রিসার্চ অ্যান্ড রেফারেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

    জানা গিয়েছে যে, গত কয়েক মাস ধরেই ছানির সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। অবশেষে তাঁর (Draupadi Murmu) চোখের অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হয়। এই আর্মি হাসপাতালের চক্ষু বিশেষজ্ঞদের একটি দল এই অস্ত্রোপচার করেন। ব্রিগেডিয়ার সঞ্জয় কুমার মিশ্রর নেতৃত্বে ও চিকিৎসকদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলেই এই অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা যায়।

    আরও পড়ুন: শাখার সংখ্যা নিয়ে যেতে হবে লাখে, কার্যকরী মণ্ডলের বৈঠকে পথ খুঁজছেন আরএসএস কর্তারা

    গতকাল অপারেশনের কিছুক্ষণের মধ্যেই রাষ্ট্রপতি ভবনের মুখপাত্রর তরফ থেকে জানানো হয়, অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে এবং রবিবারই দুপুর ১:৩০ মিনিটে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে (Draupadi Murmu) । তাঁর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে অবশ্য ডাক্তারদের পক্ষ থেকে এখনও কিছু জানানো হয়নি। তবে সূত্রের খবর, অস্ত্রোপচারের পর ভালো আছেন তিনি কিন্তু তাঁকে বিশ্রাম নেওয়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। পরে ডান চোখেরও অস্ত্রোপচার হবে বলে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের জুলাই মাসে রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন দ্রৌপদী মুর্মু। বয়স হয়েছে ৬৪ বছর। শপথ নেওয়ার আড়াই মাসের মধ্যেই চোখের অস্ত্রোপচার হল তাঁর।

    উল্লেখ্য, গত বছরই কোভিডের সময় রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের স্ত্রী সবিতা কোবিন্দের একই অস্ত্রোপচার হয়েছিল। সেই অস্ত্রোপচারও করেছিলেন উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের বাসিন্দা ব্রিগেডিয়ার সঞ্জয় কুমার মিশ্র। পরবর্তীকালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতির থেকে সেই অস্ত্রোপচারের জন্য বিশেষ প্রশংসাপত্রও পেয়েছিলেন ব্রিগেডিয়ার মিশ্র।

    তিনি এখন বর্তমানে দিল্লির সেনা হাসপাতালের চোখের বিভাগের প্রধান চিকিৎসক। তাঁর জন্ম উত্তরপ্রদেশের মাও জেলায়। পরে লখনউয়ের বাসিন্দা হন। পুনের আর্মড ফোর্সেস মেডিক্যাল কলেজে পড়াশোনা ও পরে দিল্লির এইমস থেকেও রেটিনা অস্ত্রোপচারের ডিগ্রি নিয়েছিলেন তিনি। ২০১৮ সালে লখনউয়ের কমান্ড হাসপাতালে রেটিনা বিভাগ চালু করেছিলেন ব্রিগেডিয়ার সঞ্জয় কুমার মিশ্র। ২০১৮ সালে এই হাসপাতালেই তিনি রেটিনা বিভাগ চালু করেছিলেন। কর্মজীবনে একাধিক পুরস্কার পেয়েছেন এই চিকিৎসক সেনা অফিসার। ২০২১-এ প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের থেকে চতুর্থ বারের জন্য সেনা মেডেল পেয়েছিলেন তিনি।

     

LinkedIn
Share