Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Lok Sabha Election 2024: লোকসভা নির্বাচনে চতুর্থ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির, নেই বাংলার কোনও আসন

    Lok Sabha Election 2024: লোকসভা নির্বাচনে চতুর্থ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির, নেই বাংলার কোনও আসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনকে (Lok Sabha Election 2024) সামনে রেখে চতুর্থ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি। তামিলনাড়ুর ১৪ এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরির একমাত্র লোকসভা আসনের প্রার্থীর নাম রয়েছে এই তালিকায়। তবে দ্বিতীয় ও তৃতীয় তালিকার মতো চতুর্থতেও ঠাঁই হয়নি পশ্চিমবঙ্গের কোনও প্রার্থীর। দলীয় সূত্রে খবর, ভোটের দিন ও হাতে কত সময় রয়েছে তা দেখেই প্রার্থী ঘোষণা করা হচ্ছে। সেই অনুযায়ী আগে তামিলনাড়ুর প্রার্থী ঘোষণা করা হল।

    কবে বাংলার প্রার্থী তালিকা

    গত ২ মার্চ বিজেপির প্রথম প্রার্থিতালিকায় ঘোষিত ১৯৫ জন প্রার্থীর মধ্যে রাজ্যের ২০ জন ঠাঁই পেয়েছিলেন। কিন্তু ১৩ মার্চ ৭২ জন প্রার্থীর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের কারও নাম ঘোষিত হয়নি। একই ভাবে বৃহস্পতিবার ঘোষিত ৩৯ জনের তৃতীয় তালিকাতেও বাংলার কেউ ছিলেন না। শুক্রবার, ২২ মার্চেও বাংলার কোনও আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি। নাম ঘোষণার পরে আসানসোল কেন্দ্র থেকে বিজেপি প্রার্থী পবন সিং নিজেই নাম তুলে নেন। যদিও, পরে তিনি জানান যে, লড়াই করবেন। তবে, কোন আসন থেকে, তা খোলসা করেননি। ফলে বাংলার ২৩টি লোকসভা (Lok Sabha Election 2024) আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে পারে গেরুয়া শিবির। শনিবার সুকান্ত মজুমদার ও শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সেই বৈঠকেই সম্ভবত ২৩টি আসনের নাম চূড়ান্ত করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। তার পরই রাজ্যের বাকি আসনগুলির প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে পারে বিজেপি। 

    আরও পড়ুুন: কেষ্ট-ঘনিষ্ঠ মন্ত্রী চন্দ্রনাথের বোলপুরের বাড়িতে ইডি হানা, বাড়ি ঘিরে রেখেছে বাহিনী

    কোন কোন আসনে প্রার্থী

    শুক্রবার প্রকাশিত প্রার্থী (Lok Sabha Election 2024) তালিকায় দুই রাজ্যের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি। তালিকায় মোট ১৫টি নাম রয়েছে। যার মধ্যে একটি পুদুচেরির, বাকি ১৪টি নাম রয়েছে তামিলনাড়ুর। এই ১৫ জন প্রার্থীর মধ্যে দুজন মহিলা প্রার্থীর নামও রয়েছে। তামিলনাড়ুতে বিজেপির প্রার্থিতালিকায় রয়েছেন চিত্রতারকা শরথকুমারের স্ত্রী রাধিকা। পুদুচেরিতে শাসকদল এনআর কংগ্রেসের সঙ্গে জোটে রয়েছে বিজেপি। সেখানকার একমাত্র আসনটি ‘পদ্ম’কে ছেড়েছে মুখ্যমন্ত্রী এন রঙ্গস্বামীর দল। পুদুচেরিতে বিজেপি প্রার্থী করেছে প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা তথা জোট সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ নমশিবায়নকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Mahua Moitra: তৃণমূলের মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের সিবিআইয়ের

    Mahua Moitra: তৃণমূলের মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেত্রী মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের সিবিআইয়ের। ঘুষ নিয়ে প্রশ্ন কাণ্ডে লোকপালের নির্দেশে বহিষ্কৃত এই সাংসদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।

    লোকপালের নির্দেশিকা (Mahua Moitra)

    লোকপালের নির্দেশিকায় মহুয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন আইনে মামলার উল্লেখ করে বলা হয়েছে, “আমরা সিবিআইকে ২০ (৩-এ) ধারার অধীনে অভিযোগের সমস্ত দিক নিয়ে তদন্ত করতে নির্দেশ দিচ্ছি। এই নির্দেশ পাওয়ার দিন থেকে ছ’মাসের মধ্যে তদন্তের রিপোর্ট জমা দিতে হবে। সেই সঙ্গে প্রতি মাসে তদন্তের অগ্রগতির পর্যায়ক্রমিক প্রতিবেদনও দাখিল করবে।” উনিশের লোকসভা নির্বাচনে কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হয়েছিলেন মহুয়া। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, দুবাইয়ের শিল্পপতি দর্শন হীরানন্দানির কাছ থেকে টাকা নিয়ে সংসদে প্রশ্ন করেছেন মহুয়া। নিশানা করেছেন শিল্পপতি গৌতম আদানিকে।

    মহুয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ

    অভিযোগ, এসবই করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে অস্বস্তিতে ফেলতে। তৃণমূল নেত্রীর (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তুলে লোকসভার স্পিকারকে চিঠি দিয়ে মহুয়ার সাংসদ পদ খারিজের দাবি জানান বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। বিভিন্ন অভিযোগে মহুয়ার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানান মহুয়ার প্রাক্তন বান্ধব জয় অনন্ত দেহাদ্রাই-ও। হীরানন্দানি নিজেও হলফনামা দিয়ে জানান, মহুয়ার সংসদের লগ-ইন আইডি জেনে তাতে প্রশ্ন টাইপ করতেন তিনি। যদিও ঘুষের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এই ব্যবসায়ী। নিজের লগ-ইন আইডি দেওয়ার কথা স্বীকার করলেও, ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ মানেননি মহুয়াও।

    আরও পড়ুুন: ফের দিল্লিতে তলব সুকান্ত-শুভেন্দুকে, কেন জানেন?

    ঘুষ নিয়ে প্রশ্নকাণ্ডে মহুয়াকে তলব করে লোকসভার এথিক্স কমিটি। এই কমিটির সুপারিশেই সাংসদ পদ খারিজ করা হয় মহুয়ার। এরপর সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন তৃণমূল নেত্রী। এই মামলায় সুপ্রিম কোর্টের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তোলে লোকসভার সচিবালয়। জানিয়ে দেয়, সংবিধানের ১২২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইনসভার অভ্যন্তরীণ কর্ম পদ্ধতিতে হস্তক্ষেপ করতে পারে না বিচারবিভাগ। প্রসঙ্গত, আন্না হাজারের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে প্রশাসনে দুর্নীতি বন্ধ করতে ২০১৩ সালে সংসদে পাশ হয় লোকপাল বিল। সাংসদের বিরুদ্ধে তদন্তের অধিকারও রয়েছে (Mahua Moitra) লোকপালের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Arvind Kejriwal: আবগারি দুর্নীতি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল

    Arvind Kejriwal: আবগারি দুর্নীতি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবগারি দুর্নীতি মামলায় (Liquor Policy Case) অবশেষে গ্রেফতার হলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। এই মামলায় ৯ বার ইডি-র সমন এড়িয়েছিলেন কেজরিওয়াল। তাও শেষরক্ষা হলো না। বৃহস্পতিবারই এই মামলায় কেজরিওয়ালকে কোনও প্রকার রক্ষাকবচ দিতে অস্বীকার করে দিল্লি হাইকোর্ট। এর পরই, এদিন সন্ধ্যায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে পৌঁছে যায় ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থার দলটিতে রয়েছেন ১২ জন আধিকারিক। জানা যায়, একেবারে, ওয়ারেন্ট নিয়ে শুরু হয় তল্লাশি। রাত ৯টা নাগাদ দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়। বাজেয়াপ্ত করা হয় তাঁর মোবাইল ফোন।

    আবগারি নীতি মামলায় গ্রেফতার (Arvind Kejriwal)

    আবগারি নীতি মামলায় ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে কেজরিওয়ালের দল আম আদমি পার্টির কয়েকজন নেতাকে। এঁদের মধ্যে রয়েছেন (Arvind Kejriwal) দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া ও আপের রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিংহও। চলতি সপ্তাহেই গ্রেফতার করা হয় বিআরএস নেত্রী কে কবিতাকে। এবার গ্রেফতার হলেন খোদ দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। এর আগে, এই মামলায় ইডি ৯ বার সমন পাঠিয়েছিল দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে। নানা অজুহাতে প্রতিবারই হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন তিনি।

    রক্ষাকবচ দিতে অস্বীকার করে হাইকোর্ট

    ইডি যাতে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ না করে, সেই আর্জি নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কেজরিওয়াল। এদিন আদালতে পেশ করা আবেদনে কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) বলেন, “ইডি নিশ্চয়তা দিক যে তাদের সমনে সাড়া দিলে আমার বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ (Liquor Policy Case) করা হবে না।” কিন্তু, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর যুক্তি ধোপে টেকেনি। মেলেনি রক্ষাকবচ। তার পরেই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর দুয়ারে হাজির হয় ইডি। ঘণ্টাদুয়েক তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদের পর কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করা হয়। তবে, তার আগে, শেষ মরিয়া চেষ্টা করেছিলেন কেজরিওয়াল। গ্রেফতারি আসন্ন বুঝতে পেরে শেষ মুহূর্তে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থও হয়েছিলেন কেজরিওয়াল। আর্জি জানিয়েছিলেন জরুরিভিত্তিতে শুনানির। যদিও সুপ্রিম কোর্ট সাফ জানিয়ে দিয়েছে, মধ্যরাতে শুনানি হবে না এই মামলার। সুপ্রিম কোর্টে শুনানি না হওয়ায় রাতেই গ্রেফতার করা হয় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে। 

    আরও পড়ুুন: তৃতীয় দফার প্রার্থিতালিকা প্রকাশ বিজেপির, কারা রয়েছেন তালিকায়?

    কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) বাসভবন চত্বরে জারি ১৪৪ ধারা

    এদিকে, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর গ্রেফতারির পরেই তাঁর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন আপ কর্মী, সমর্থকেরা। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যাতে অবনতি না হয়, তার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের আশপাশে জারি করা হয়েছে ১১৪ ধারা। শুক্রবার পিএমএলএ আদালতে হাজির করানো হবে আপ প্রধানকে। দেশের ইতিহাসে কেজরিওয়ালই (Arvind Kejriwal) প্রথম, যিনি মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকাকালীন গ্রেফতার হলেন। এর আগে ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকেও গ্রেফতার করে ইডি। তবে গ্রেফাতারির আগে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন তিনি (Liquor Policy Case)। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: তৃতীয় দফার প্রার্থিতালিকা প্রকাশ বিজেপির, কারা রয়েছেন তালিকায়?

    Lok Sabha Election 2024: তৃতীয় দফার প্রার্থিতালিকা প্রকাশ বিজেপির, কারা রয়েছেন তালিকায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লক্ষ্মীবারে তৃতীয় দফার প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করল (Lok Sabha Election 2024) বিজেপি। এবারের তালিকায় অবশ্য পশ্চিমবঙ্গের ২৩টি লোকসভা কেন্দ্রে কারা প্রার্থী হবেন, তাঁদের নাম নেই। এদিন মাত্র ৯টি লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এই কেন্দ্রগুলির সবই তামিলনাড়ুর।

    প্রার্থিতালিকা প্রকাশ (Lok Sabha Election 2024)

    এই তালিকায় নাম রয়েছে তেলঙ্গনার প্রাক্তন রাজ্যপাল তামিলিসাই সৌন্দরারাজনেরও। মঙ্গলবারই রাজ্যপাল পদে ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। পরে যোগ দেন বিজেপিতে। পদ্ম প্রতীকে তিনি লড়বেন চেন্নাই দক্ষিণ লোকসভা কেন্দ্র থেকে (Lok Sabha Election 2024)। ২০১৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর তেলঙ্গনার রাজ্যপাল নিযুক্ত করা হয়েছিল তামিলিসাইকে। একুশের ১৬ ফেব্রুয়ারি পুদুচেরির রাজ্যপালের অতিরিক্ত দায়িত্বও দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। রাজ্যপালের পদে ইস্তফা দিয়ে ফের সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরলেন তিনি। 

    কোন আসনে কারা প্রার্থী?

    নীলগিরি আসনে প্রার্থী করা হয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এল মুরুগনকে। কোয়েম্বাটোর কেন্দ্রে লড়বেন বিজেপির তামিলনাড়ু রাজ্য সভাপতি কে আন্নামালাই। তামিলসাই, আন্নামালাই ও এল মুরুগনের পাশাপাশি বিশিষ্ট নেতা পন রাধাকৃষ্ণাণ এবং এসি শানমুগমও পদ্ম চিহ্নে লড়ছেন। কন্যাকুমারি কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন রাধাকৃষ্ণাণ। ভেলোরে বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন আর শানমুগম। এ নিয়ে মোট তিন দফার প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করল বিজেপি। প্রথম দফার প্রার্থিতালিকায় নাম ছিল ১৯৫ জনের। এর মধ্যে ছিল পশ্চিমবঙ্গের ২০টি কেন্দ্রের প্রার্থীর নামও। পরে একজনের প্রার্থিপদ প্রত্যাহার করা হয়। তাই বাকি রয়েছে ২৩টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা। উল্লেখ্য যে, এ রাজ্যে লোকসভার আসন রয়েছে ৪২টি। দ্বিতীয় দফায় বিজেপি প্রকাশ করেছিল ৭২ জনের নাম। আর এদিন তৃতীয় দফায় প্রকাশ করা হল ৯ জনের নাম।

    আরও পড়ুুন: নয়া ভারতের রূপকার, ‘শান্তির দূত’ মোদিকে আগাম আমন্ত্রণ রাশিয়া, ইউক্রেনের

    তামিলনাড়ুতে লোকসভার আসন রয়েছে ৩৯টি। এর মধ্যে ২০টিতে প্রার্থী দেবে বিজেপি। বাকি ১৯টি আসনে লড়বে এনডিএ-র শরিকরা। সম্প্রতি দিল্লিতে তলব করা হয়েছিল বিজেপির বাংলার সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। সোমবার বৈঠকে বসে বিজেপির জাতীয় নির্বাচন কমিটি। সেখানেই বাংলার বাকি আসনের প্রার্থীদের নাম ঠিক হয় বলে সূত্রের খবর। তবে সেই প্রার্থিতালিকা কেন এদিন প্রকাশ করা হল না, তা নিয়ে ছড়িয়েছে জল্পনা (Lok Sabha Election 2024)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: নয়া ভারতের রূপকার, ‘শান্তির দূত’ মোদিকে আগাম আমন্ত্রণ রাশিয়া, ইউক্রেনের

    PM Modi: নয়া ভারতের রূপকার, ‘শান্তির দূত’ মোদিকে আগাম আমন্ত্রণ রাশিয়া, ইউক্রেনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জয়ের ব্যাপারে তিনি এক প্রকাশ নিশ্চিত। মন্ত্রিসভার সদস্যদের একশো দিনের কাজের পরিকল্পনা করার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হলে তিনিই হবেন টানা তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী, ভারত-ভাগ্য-বিধাতা। সেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেই (PM Modi) এবার আগাম আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখল রাশিয়া ও ইউক্রেন। গত দু’বছরেরও বেশি সময় ধরে যুদ্ধ চলছে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে।

    যুদ্ধে ইতি টানার পরামর্শ (PM Modi)

    বুধবারই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ফোন করে জয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়েও আলোচনা হয়েছে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের। এদিনই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কির সঙ্গেও ফোনে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। রাশিয়ার পুনর্নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে ফোনে ফের যুদ্ধে ইতি টানার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের তরফে আমন্ত্রণ জানানো তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের।

    পুতিনকে কী বলেছেন প্রধানমন্ত্রী?

    বুধবারই রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দূরভাষে কথা হওয়ার পর এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) লিখেছিলেন, “ভারত ও রাশিয়ার স্পেশাল ও প্রিভিলেজড স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ গভীর ও আরও বাড়াতে কাজ করব বলে আমরা দুই রাষ্ট্রপ্রধানই সম্মত হয়েছি।” মোদি-পুতিনের আলোচনায় অনিবার্যভাবেই এসে পড়েছিল রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসঙ্গ। পুতিনকে ফের যুদ্ধ বন্ধের পরামর্শ দিয়েছিলেন মোদি। উজবেকিস্তানে এসসিও সম্মলনের ফাঁকে ভারত-রাশিয়া দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সময়ও প্রধানমন্ত্রী রাশিয়ার প্রেসিডেন্টকে বলেছিলেন, “এটা যুদ্ধের সময় নয়”। বুধবারও পুতিনের সঙ্গে আলোচনার সময় মোদি তাঁকে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে ইউক্রেন সমস্যা মেটাতে বলেছেন বলে সূত্রের খবর।

    এদিনই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গেও ফোনে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। পরে এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “ভারত-ইউক্রেন অংশীদারিত্ব আরও পোক্ত করতে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে খুব সুন্দর আলোচনা হয়েছে। শান্তি ফেরাতে ভারতের নিরন্তর প্রচেষ্টা এবং অবিলম্বে দ্বন্দ্বের অবসান ঘটিয়ে যুদ্ধ থামাতে ভারত মানবিক সাহায্য করে যাবে।” প্রেস বিবৃতিতে বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, “ভারত চায় যে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা, কূটনীতি, ক্রমাগত সংলাপ হওয়া উচিত যাতে উভয় পক্ষই যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারে।”

    আরও পড়ুুন: তৃতীয় দফার প্রার্থিতালিকা প্রকাশ বিজেপির, কারা রয়েছেন তালিকায়?

    প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই জানা গিয়েছিল, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শেই রাশিয়া ইউক্রেনে পারমাণবিক অস্ত্র প্রয়োগ করেনি। সে খবর মাধ্যম জানিয়েছিল পাঠককে। আবারও রাশিয়া-ইউক্রেনকে শান্তির ললিত বাণী শোনাচ্ছে রাইজিং ইন্ডিয়া। যে ভারতের রূপকার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Patanjali: সুপ্রিম কোর্টে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইল রামদেবের সংস্থা, কী বলল পতঞ্জলি?

    Patanjali: সুপ্রিম কোর্টে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইল রামদেবের সংস্থা, কী বলল পতঞ্জলি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন পতঞ্জলির (Patanjali) ম্যানেজিং ডিরেক্টর তথা যোগগুরু বাবা রামদেবের সহযোগী আচার্য বালকৃষ্ণ। সংস্থার বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপনের প্রেক্ষিতে অভিযোগের ভিত্তিতে রামদেব ও বালকৃষ্ণকে মঙ্গলবার তলব করেছিল দেশের শীর্ষ আদালত। তার পরেই বুধবার রীতিমতো হলফনামা দিয়ে ক্ষমা চেয়ে নিলেন পতঞ্জলি কর্তৃপক্ষ।

    দুঃখ প্রকাশ পতঞ্জলির (Patanjali) 

    হলফনামায় লেখা হয়েছে, “সংস্থার বিজ্ঞাপনে আপত্তিকর বাক্য থাকার জন্য আমি দুঃখিত। আমরা নিশ্চিত করব যে ভবিষ্যতে এই ধরনের বিজ্ঞাপন যাতে জারি করা না হয়। আমাদের উদ্দেশ্য কেবলমাত্র এই দেশের নাগরিকদের পতঞ্জলির পণ্যগুলি খাওয়ার মাধ্যমে একটি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করার পরামর্শ দেওয়া।” বালকৃষ্ণ জানিয়েছেন, “কোম্পানির উদ্দেশ্য শুধুমাত্র এই দেশের নাগরিকদের পতঞ্জলির পণ্য ব্যবহারের মাধ্যমে একটি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করার পরামর্শ দেওয়া, যার মধ্যে পুরানো সাহিত্য ও আয়ুর্বেদিক গবেষণা দ্বারা সম্পূরক ও সমর্থিত উপকরণ ব্যবহারের মাধ্যমে সুস্থ জীবনযাপন করা।”

    পতঞ্জলির হলফনামা

    তিনি বলেন, “ড্রাগস ও জাদু প্রতিকার আইনের বিধান, যা জাদু নিরাময়ের দাবির বিজ্ঞাপনগুলিকে নিষিদ্ধ করে, তা প্রাচীন ও আইনে সর্বশেষ পরিবর্তনগুলি করা হয়েছিল যখন আয়ুর্বেদ গবেষণায় বৈজ্ঞানিক প্রমাণের অভাব ছিল।” হলফনামায় পতঞ্জলি (Patanjali) বলেছে, “এখন ক্লিনিক্যাল গবেষণা সহ প্রমাণ ভিত্তিক বৈজ্ঞানিক তথ্য রয়েছে। যে গবেষণা আয়ুর্বেদে পরিচালিত, যা উল্লিখিত সময়সূচিতে উল্লিখিত রোগের প্রেক্ষাপটে বৈজ্ঞানিক গবেষণার মাধ্যমে অগ্রগতি প্রদর্শন করবে।”

    আরও পড়ুুন: “সিএএ নিয়ে ভারতীয় মুসলমানদের উদ্বেগের কারণ নেই”, বললেন শাহও

    প্রসঙ্গত, ২০০৬ সালে পতঞ্জলি প্রতিষ্ঠা করেন রামদেব। তাঁর বিরুদ্ধে আদালতে গিয়েছিল ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন। তাদের অভিযোগ, পতঞ্জলির বেশ কয়েকটি বিজ্ঞাপনে অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসা ও চিকিৎসককে অসম্মান করা হয়েছে। বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আমজনতাকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ। গত নভেম্বরে কোভিড-১৯ এর টিকা নিয়েও মিথ্যে প্রচার করেছিল পতঞ্জলি। কোভিড প্রতিরোধী না হওয়া সত্ত্বেও শুধু ‘করোনিল’ কিট বিক্রি করেই আড়াইশো কোটি টাকারও বেশি মুনাফা লুটেছে পতঞ্জলি। মঙ্গলবার দেশের শীর্ষ আদালতের বিচারপতি হিমা কোহলি ও বিচারপতি আহসানউদ্দিন আমান্নুলার বেঞ্চ রামদেব ও বালকৃষ্ণকে আদালতে হাজিরার নির্দেশ দেন। তার প্রেক্ষিতেই এদিন হলফনামা দাখিল করে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করে রামদেবের সংস্থা (Patanjali)।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Fact Check Unit: ভোটের আবহে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো খবর প্রতিরোধে বড় উদ্যোগ কেন্দ্রের

    Fact Check Unit: ভোটের আবহে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো খবর প্রতিরোধে বড় উদ্যোগ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আবহে সোশ্যাল মিডিয়াতে ভুয়ো খবরের রমরমা থামাতে এবং ভুয়ো খবরের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে এবং জনমানসে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে বড় উদ্যোগ নিল কেন্দ্র।

    কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের অধিনস্থ প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (পিআইবি)-র  নিজস্ব ফ্যাক্ট চেক ইউনিট (এফসিইউ)-কে সরকারি ফ্যাক্ট চেক সংস্থা (Fact Check Unit) হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করল মোদি সরকার। এই মর্মে গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সংক্রান্ত ঘোষণা করা হয়েছে কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের তরফে। 

    বিজ্ঞপ্তিতে কী বলা হয়েছে (Fact Check Unit)

    ২০ মার্চ তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ইলেকট্রনিক্স এবং তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের তথ্য প্রযুক্তি (মধ্যস্থতা নির্দেশিকা এবং ডিজিটাল) এর নিয়ম ৩ এর উপ-ধারা (১)-এর উপ-ধারা (৫) এর বিধানের অধীনে পিআইবি এফসিইউ-কে সরকারি ফ্যাক্ট চেক ইউনিট হিসেবে কার্যকর করা হয়েছে। ভুয়ো খবর প্রতিরোধের লক্ষ্যে, বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভীষণভাবেই সমন্বয় রেখে যৌথভাবে কাজ করে চলেছে তথ্য প্রযুক্তি ও তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক। 

    এফসিইউ কীভবে কাজ করে?

    ২০১৯ সালের নভেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল পিআইবি অধীনস্থ ফ্যাক্ট চেক ইউনিট (Fact Check Unit)। ভুয়ো খবর, ভুল তথ্যের সৃষ্টিকর্তা এবং প্রচারকারীদের নিয়ন্ত্রণ করাই মূল লক্ষ্য এই সংস্থার। ভারত সরকারকে নিয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সন্দেহজনক এবং ভুয়ো তথ্য সম্পর্কে রিপোর্ট করার জন্য পরিষেবা প্রদান করে থাকে। সরকারী নীতি, উদ্যোগ এবং প্রকল্প সম্পর্কিত কোনও ভুয়ো তথ্য থেকে থাকলে, তার বিরুদ্ধে যাতে সরকারের কাছে অভিযোগ দায়ের করা যায় বা সেই বিষয়ে যাতে সরকারের গোচরে আনা যায়, সেই মঞ্চ প্রদান করে ফ্যাক্ট চেক ইউনিট। একইভাবে, এফসিইউ সক্রিয়ভাবে পর্যবেক্ষণ, শনাক্ত করে এবং বিভ্রান্তিমূলক প্রচার প্রতিরোধ করে। একই সঙ্গে নিশ্চিত করে দেয় যে, সরকার সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দ্রুততার সঙ্গে সংশোধন করা হয়েছে।

    বিভিন্ন মোডের মাধ্যমে চেক করে এফসিইউ (Fact Check Unit)

    নাগরিকরা হোয়াটসঅ্যাপ (+918799711259), ইমেল (pibfactcheck@gmail.com), Twitter (@PIBFactCheck) এবং PIB-এর ওয়েবসাইট (https://factcheck) সহ বিভিন্ন মোডের মাধ্যমে পিবিআই ফ্যাক্ট চেক ইউনিটের (Fact Check Unit) সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Election Commission: নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইনে স্থগিতাদেশ দিল না সুপ্রিম কোর্ট

    Election Commission: নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইনে স্থগিতাদেশ দিল না সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচন ঘোষণা হয়েছে গত শনিবার। ৭ দফায় ভোট হবে দেশজুড়ে। ইতিমধ্যে প্রথম দফার ভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশও হয়ে গিয়েছে। এই আবহে নির্বাচন কমিশনার (Election Commission) নিয়োগ আইনের উপর স্থগিতাদেশ দিতে অস্বীকার করল সুপ্রিম কোর্ট।

    দেশে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ তিন সদস্য-বিশিষ্ট। তাতে থাকেন একজন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং বাকি দুই জন নির্বাচন কমিশনার। কিন্তু গত মাসে আচমকা নির্বাচন কমিশনার পদ থেকে ইস্তফা দেন অরুণ গোয়েল। অন্যদিকে, অরুণ গোয়েলের ইস্তফা দেওয়ার কয়েক দিন আগেই অবসর নেন অন্য এক নির্বাচন কমিশনার (Election Commission) অনুপ পাণ্ডে। তার ফলে নির্বাচন কমিশনারের দুটো পদই শূন্য হয়ে যায়। ঠিক এইরকম পরিস্থিতিতে গত ১৪ মার্চ নির্বাচন কমিশনারের দুটি শূন্য পদে, দুই আমলাকে নিয়োগ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন কমিটি।

    নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দায়ের হয় মামলা

    নির্বাচন কমিশনারের পদে আনা হয় সুখবীর সিং সান্ধু এবং জ্ঞানেশ কুমারকে। এই নির্বাচন কমিশনার (Election Commission) নিয়োগ নিয়েই সুপ্রিম কোর্টের দায়ের হয় মামলা। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সমেত বাকি দুই নির্বাচন কমিশনারের নিয়োগের ক্ষেত্রে যে আইন রয়েছে সেই আইনকে চ্যালেঞ্জ জানানো হয়। বৃহস্পতিবার এ নিয়ে বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের ডিভিশন বেঞ্চ পর্যবেক্ষণে জানায়, সামনে নির্বাচন রয়েছে। এমন সময় এই আইনের উপর স্থগিতাদেশ জারি করা ঠিক নয়। আর যাঁদের নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগও নেই।

    নিয়োগ কমিটি 

    সুপ্রিম কোর্ট সাফ জানিয়ে দেয়, নবনিযুক্ত দুই নির্বাচন কমিশনারকে তাঁদের পদ থেকে সরানোর কোনও কারণ আদালত দেখছে না। সুপ্রিম কোর্ট এ দিন আরও জানিয়েছে, ভোটের মুখে কমিশনারদের (Election Commission) সরিয়ে দিলে তার প্রভাব নির্বাচনে পড়বে। প্রসঙ্গত, নয়া আইনে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত যে কমিটি তৈরি করা হয়েছে তাতে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (চেয়ারপার্সন) একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (মেম্বার) এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা (মেম্বার)। আগের আইনে দেশের প্রধান বিচারপতিও থাকতেন। বর্তমান আইনে সেটা নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “সিএএ নিয়ে ভারতীয় মুসলমানদের উদ্বেগের কারণ নেই”, বললেন শাহও

    Amit Shah: “সিএএ নিয়ে ভারতীয় মুসলমানদের উদ্বেগের কারণ নেই”, বললেন শাহও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সিএএ নিয়ে অকারণ ভয়ের কোনও কারণ নেই। সিএএ তৈরি হয়েছে নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য, কেড়ে নেওয়ার জন্য নয়।” ১১ মার্চ দেশজুড়ে সিএএ চালুর পরে পরেই কথাগুলি বলেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। বুধবার ‘রাইজিং ভারত সামিটে’ অংশ নিয়ে তিনি ফের একবার জানিয়ে দিলেন, “সিএএ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনও কারণ নেই ভারতীয় মুসলমানদের।” ভোটব্যাঙ্ক ধরে রাখতেই যে বিরোধীরা সিএএ নিয়ে ভুল বোঝাচ্ছেন, আইনটি নিয়ে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করছেন, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    সিএএ আইন (Amit Shah)

    ২০১৯ সালে সংসদে পাশ করানো হয় সিএএ বিল। রাষ্ট্রপতি সই করায় বিলটি পরিণত হয় আইনে। করোনা হানা দেওয়ায় আইনটি লাগু করেনি মোদি সরকার। শেষমেশ চলতি বছরের ১১ মার্চ সন্ধেয় লাগু হয় সিএএ আইন। এই আইনের বলে ভারতের তিন মুসলিম প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় নির্যাতনের কারণে যাঁরা ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ভারতে এসেছেন (হিন্দু-সহ ৬টি ধর্মের মানুষ), তাঁদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। এই ছ’টি ধর্মের মধ্যে মুসলিম নেই। এটাকেই বিরোধীরা ‘ক্যাশ’ করছেন বলে অভিযোগ।

    ‘ভারতীয় মুসলমানদের ভয় পাওয়ার কারণ নেই’

    ভারতীয় মুসলমানদের ভুল বোঝাচ্ছেন বলেও অভিযোগ। সে প্রসঙ্গেই ভারতীয় মুসলমানদের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই বলেই জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah)। এদিন আবারও শাহ বলেন, “সিএএ কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নেবে না। আমি আবারও বলছি যে, এ দেশের মুসলমানদের এ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনও কারণ নেই। স্বাধীনতার সময়ই এই প্রতিশ্রুতি (সিএএ) দেওয়া হয়েছিল। আমরা কেবল লিয়াকত-নেহরু চুক্তি ইমপ্লিমেন্ট করেছি।”

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ভারতে বর্তমানে ১৮ কোটি মুসলমান রয়েছেন। তাঁদের এ দেশে বসবাসের সেই অধিকার রয়েছে, যা রয়েছে তাঁদের সহনাগরিক হিন্দুদেরও। তাই সিএএ নিয়ে অযথা উদ্বিগ্ন হবেন না।” তিনি মনে করিয়ে দেন, “সিএএ সম্পূর্ণ স্বাধীন একটি আইন। এর সঙ্গে এনআরসির কোনও সম্পর্কই নেই।” বিরোধীদের উদ্দেশে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “মুসলমানদের ভয় দেখানো (সিএএ নিয়ে) বন্ধ করুন। সিএএ নিয়ে বহিঃশক্তির কোনও হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না বলেও সাফ জানিয়ে দেন শাহ (Amit Shah)।”

    আরও পড়ুুন: “আগামী ২৫ বছরের জন্য রোডম্যাপ তৈরি করে রেখেছি”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

      

  • PM Modi: “আগামী ২৫ বছরের জন্য রোডম্যাপ তৈরি করে রেখেছি”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “আগামী ২৫ বছরের জন্য রোডম্যাপ তৈরি করে রেখেছি”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আগামী ২৫ বছরের জন্য রোডম্যাপ তৈরি করে রেখেছি। তৃতীয়বাবের জন্য ১০০ দিনের কাজের প্ল্যানও করা রয়েছে।” ‘রাইজিং ভারত সামিট ২০২৪’-এ যোগ দিয়ে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    প্রধানমন্ত্রীর রোডম্যাপ (PM Modi)

    তিনি বলেন, “সরকার দশ বছরে কী কাজ করেছে, তার রিপোর্ট কার্ড দিচ্ছে। আরও কাজ করতে বদ্ধপরিকর সরকার। আগামী পঁচিশ বছরের জন্য রোডম্যাপ তৈরি করে রেখেছে। তৃতীয়বারের জন্য একশো দিনের কাজের প্ল্যানও করা রয়েছে।” আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি ৩৭০টিরও বেশি আসনে জয়ী হবে বলে এক প্রকার নিশ্চিত প্রধানমন্ত্রী। তিনি নানা জনসভায় তা বলেওছেন। তাই নয়া সরকারের রোডম্যাপ তৈরি বলে জানান তিনি (PM Modi)।

    নেশন ফার্স্ট

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নিজের জন্যই শুধু করলে তো সরকার হয় না। দেশের জন্য বাঁচতে হবে। নেশন ফার্স্ট। আমরা যুব দেশ…আমাদের দেশের সব করার সম্ভাবনা রয়েছে। রাইজিং ভারতের ভিত্তিই হল নেশন ফার্স্ট। দেশের জন্যই বাঁচব, দেশের জন্য মৃত্যুবরণ করব।” এদিনের সামিটে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের প্রসঙ্গও টেনে এনেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “এই নয়া ভারত কখনওই সন্ত্রাসবাদকে কোনও স্থান দেয় না। বরং এটি জঙ্গিদের ধ্বংস অনেক বড় ক্ষতি করেছে। যাঁরা আমাদের দেশকে আতঙ্কে রাখত, সন্ত্রাসের সামনে রাখত, তারা এখন কোথাও নেই। এই নতুন ভারত সন্ত্রাসের জখমকে কখনওই সহ্য করে না। সন্ত্রাসের ক্ষত যারা উপহার দেয়, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়।”

    ‘ঘাম ছুটে যাচ্ছে অনেক নেতার’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “অনলাইনের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন মানুষের কাছে পৌঁছে গিয়েছে সরকারি পরিষেবা। দুর্নীতি রোখা গিয়েছে। সরকারি পরিষেবার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে ১০ কোটি ভুয়ো নাম।” তিনি বলেন, “একটা সময় দেশে দুর্নীতি মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছিল। আজও বিরোধী দলের একাধিক নেতার বাড়ির বিভিন্ন জায়গা থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হচ্ছে। তাই ইডি, সিবিআইয়ের নাম শুনলেই ঘাম ছুটে যাচ্ছে অনেক নেতার।”

    আরও পড়ুুন: প্রধানমন্ত্রীর ভুটান সফর বাতিল, ভোট প্রচারের মাঝে কেন যাচ্ছিলেন প্রতিবেশী রাষ্ট্রে?

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশের সরকারি দফতরগুলো একটা সময় পাওয়ার হাউজ হয়ে গিয়েছিল। আমরা সেগুলিকে সেবা কেন্দ্র করেছি। যাতে সাধারণ মানুষ পরিষেবা পান। আমরা সব সময় চেষ্টা করেছি, একটা ফাইল যেন এই টেবিল থেকে ওই টেবিলে ঘুরে না বেড়ায় (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share