Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Assembly Elections 2024: লোকসভার সঙ্গেই চার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্টও ঘোষিত

    Assembly Elections 2024: লোকসভার সঙ্গেই চার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্টও ঘোষিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ নির্বাচন কমিশন দিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলন করে দেশের লোকসভা এবং কয়েকটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Elections 2024) নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেছে। এই সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার। চার রাজ্যেের বিধানসভা নির্বাচন সম্পর্কে বলা হয়, ওড়িশা রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন হবে ৪ দফায়। একই ভাবে অরুণাচল প্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং সিকিমের বিধানসভা নির্বাচন হবে ১ দফায়। তবে এই রাজ্যগুলিতে একইসঙ্গে হবে লোকসভার নির্বাচনও। সেই সঙ্গে লোকসভা ও বিধানসভার ফলাফল ঘোষণা হবে ৪ জুন।

    ওড়িশা রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Elections 2024)

    ওড়িশা রাজ্যের মোট বিধানসভার (Assembly Elections 2024) আসন সংখ্যা হল ১৪৭। এখানে ম্যাজিক ফিগার হল ৭৪। এই রাজ্যের মোট ৪ দফায় নির্বাচন হবে। প্রথম দফায় হবে ১৩ মে, দ্বিতীয় দফায় হবে ২০ মে, তৃতীয় দফায় হবে ২৫ মে এবং চতুর্থ দফায় হবে ১ জুন। ২০১৯ সালের বিধানসভায় ১১২ টি আসনে জয়ী হয়ে ছিল বিজেডি। ২৩টি আসন পেয়েছিল বিজেপি। বিপুল সংখ্যা নিয়ে ক্ষমতায় বসেন নবীন পট্টনায়ক। এই সরকারের মেয়াদ শেষ হবে ২ জুন।

    সিকিম বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Elections 2024)

    সিকিম বিধানসভার (Assembly Elections 2024) মোট আসন ৩২। ম্যাজিক ফিগার হল ১৭। এক দফায় ১৯ এপ্রিল ভোট হবে এই রাজ্যে। আপাতত সিকিমের কুর্সিতে আছে সিকিম ক্রান্তিকারী মোর্চা (এসকেএম)। মুখ্যমন্ত্রী হলেন প্রেম সিং তামাং। তাঁর কাছে রয়েছে মোট ১৭ জন বিধায়ক।

    অন্ধ্রপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Elections 2024)

    অন্ধ্রপ্রদেশে মোট বিধানসভা আসনের (Assembly Elections 2024) সংখ্যা হল ১৭৫। কমিশনের সূত্রে বলা হয়েছে, এই রাজ্যে একটি দফায় ভোটগ্রহণ হবে। আগামী ১৩ মে ভোটগ্রহণ হবে। ২০১৯ সালে এই রাজ্যের মোট আসনের ১৫১টিতে জয় হয়েছিল ওয়াইএসআরসিপি। তেলেগু দেশম পার্টি পেয়েছিল ২৩ টি। উল্লখ্য কংগ্রেস এবং বিজেপি কোনও আসন পায়নি। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে কাজ করেছেন ওয়াইএস জগনমোহন রেড্ডি। ২০২৪ সালে বিজেপির সঙ্গে জোটসঙ্গী হয়েছে টিডিপি এবং পবন কল্যাণের জনসেনা পার্টি।

    অরুণাচল বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Elections 2024)

    অরুণাচল প্রদেশে মোট বিধানসভা আসনের (Assembly Elections 2024) সংখ্যা হল ৬০। এই রাজ্যে একটি দফায় ১৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণ হবে। ২০১৯ সালে বিধানসভার নির্বাচনে ৪১ টি আসন পেয়েছিল বিজেপি। জনতা দল পেয়েছিল ৭ টি, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি পেয়েছিল ৫ টি, আর কংগ্রেস ৪ টি। পিপলস পার্টি অফ অরুণাচল একটি আসনে এবং নির্দলরা দুটি আসনে জিতেছিল। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন পেমা খান্ডু। তবে গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় ৩টি তে জয়ী হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: প্রার্থীর বিরুদ্ধে অপরাধের রেকর্ড? ব্যাখ্যা দিতে হবে দলকে, জানাল কমিশন

    Lok Sabha Election 2024: প্রার্থীর বিরুদ্ধে অপরাধের রেকর্ড? ব্যাখ্যা দিতে হবে দলকে, জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বচ্ছ ও অবাধ নির্বাচন করতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে কমিশন। তার মধ্যে অন্যতম হল অপরাধের ‘রেকর্ড’ থাকা ব্যক্তিকে কোনও দল (Lok Sabha Election 2024) যদি প্রার্থী হিসাবে বাছে, তাহলে ওই পার্টিকে তার ব্যাখ্যা দিতে হবে, কেন এমনজনকে প্রার্থী হিসাবে বাছা হল। এর পাশাপাশি প্রার্থীকে নিজের সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ তথ্য দিতে হবে সংবাদমাধ্যমে। শনিবার সাংবাদিক সম্মেলনে একথা জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। রাজীব কুমার বলেন, ‘‘সব রাজনৈতিক দলকে অপরাধের ‘রেকর্ড’ থাকা প্রার্থীদের টিকিট দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে হবে। প্রার্থীদের অন্তত তিন বার সংবাদমাধ্যমে নিজেদের তথ্য প্রকাশ করতে হবে।’’

    cVigil App-এর মাধ্যমে ভোটাররা প্রার্থীর অপরাধের রেকর্ড দেখতে পাবেন

    শনিবার দিল্লির বিজ্ঞানভবনে বিকাল ৩টে নাগাদ নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশের সময় এই মন্তব্য করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশবার রাজীব কুমার। তিনি জানিয়েছেন, নিজের লোকসভা কেন্দ্রের (Lok Sabha Election 2024) প্রার্থীর হলফনামা দেখতে পাবেন সাধারণ মানুষও। দেখা যাবে তাঁদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া অপরাধ মামলার রেকর্ডও। জানা গিয়েছে,  cVigil App-এর মাধ্যমে ভোটাররা প্রার্থীর অপরাধের রেকর্ড দেখতে পাবেন। নির্বাচনী বিধিভঙ্গের কোনও রেকর্ড থাকলে, তাও দেখা যাবে। জানা যাবে তাঁদের সম্পত্তির পরিমাণও।

    ১৮তম লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন

    পূর্ব ঘোষণা মতোই শনিবার ১৮তম লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। এদিন বিকাল ৩টে থেকে দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার। কমিশনের সাংবাদিক বৈঠকে জানা গিয়েছে, আগামী লোকসভা নির্বাচনে মোট ভোটার ৯৬.৮ কোটি (৪৯.৭ কোটি পুরুষ – ৪৭.১ কোটি মহিলা)। বুথের সংখ্যা ১০.৫ লাখ। দেশে মোট ৭ দফায় ভোট হবে, পশ্চিমবঙ্গেও তাই। একইসঙ্গে, রাজ্যের দুই বিধানসভা কেন্দ্রের উপ-নির্বাচনের দিনও ঘোষণা করা হয়েছে এদিন। লোকসভা ভোটের সঙ্গেই ওই দুই কেন্দ্রে হবে উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণও। লোকসভা নির্বাচন শুরু হচ্ছে ১৯ এপ্রিল থেকে, চলবে ১ জুন পর্যন্ত। ভোট গণনা হবে ৪ জুন।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Anuradha Paudwal: বিজেপিতে যোগ দিলেন কিংবদন্তী সঙ্গীত শিল্পী অনুরাধা পড়োয়াল

    Anuradha Paudwal: বিজেপিতে যোগ দিলেন কিংবদন্তী সঙ্গীত শিল্পী অনুরাধা পড়োয়াল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের আগেই বিশিষ্ট আধ্যাত্মিক সঙ্গীত শিল্পী অনুরাধা পড়োয়াল (Anuradha Paudwal) বিজেপিতে যোগদান করলেন। নির্বাচনী নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার ঠিক আগে অনুরাধা শনিবার দুপুর ১টা নাগাদ বিজেপির দিল্লি সদর দফতরে পৌঁছে যান। বিজেপির দলীয় পতাকা হাতে নিয়ে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেন। প্রথম বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বললেন, “আধ্যাত্মিক সনাতন ভাবনার জগতে অনেক দিন ধরে কাজ করছি। এই বিজেপিরও সনাতন ভাবনার সঙ্গে গভীর যোগ রয়েছে।” 

    বিজেপিতে যোগদান করে কী বললেন (Anuradha Paudwal)?

    শনিবার বিজেপিতে যোগদান করে অনুরাধা (Anuradha Paudwal) বলেন, “আমি খুব খুশি। আমাদের আধ্যাত্মিক ভাবনা এক। গত ৩৫ বছর ধরে এই আধ্যাত্মিক জগতে কাজ করছি। আজকের ভারতবর্ষে সনাতনীদের কাছে একটি সুবর্ণযুগ। আমন্ত্রণে সাড়া দেওয়াটা দায়িত্ব। ভোটের প্রার্থী বিষয়ে আমি কিছু জানি না। দল যা পরামর্শ দেবে তাই করব।” উল্লেখ্য এই গায়িকা নয়ের দশকে ভক্তিগীতি গেয়ে শ্রোতাদের মনে বিরাট জায়গা তৈরি করেছেন। হিন্দি ছবিতে অনেক গান গেয়েছেন অনুরাধা। এছাড়াও বাংলায় অনেক সঙ্গীত গেয়েছেন তিনি। গত ২২ জানুয়ারি রামলালার মন্দির উদ্বোধনের দিনে ভজন কীর্তন গেয়েছিলেন তিনি। 

    জন্ম কর্নাটকে

    কর্নাটকের কোঙ্কন পরিবারে জন্ম অনুরাধার (Anuradha Paudwal)। তাঁর প্রথম জীবনে নাম ছিল অলকা নাদকার্নি। ১৯৭৩ সালে প্রথম সঙ্গীতের কেরিয়ার জীবন শুরু হয় তাঁর। সেই সময় ‘অভিমান’ ছবিতে সংস্কৃতিতে একটা শ্লোক গেয়েছিলেন। এরপর মারাঠি সিনেমায় গান গেয়েছিলেন। ছবির সঙ্গে ভক্তিগীতি প্রচুর সংখ্যায় গেয়েছেন। বর্তমানে তাঁর বয়স ৬৯ বছর। ১৯৬৯ সালে অরুণ পড়োয়ালের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। যদিও ১৯৯১ সালে স্বামী মারা যান। শচীনদেব বর্মণের সঙ্গে কাজ করে ছিলেন তিনি। তাঁর এক ছেলে আদিত্য এবং মেয়ে কবিতা। যদিও সম্প্রতি কয়েক বছর আগে ছেলের মৃত্যু হয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: দেশে ৭ দফায় ভোট, লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন

    Lok Sabha Election 2024: দেশে ৭ দফায় ভোট, লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতীক্ষার অবসান। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। দেশের ১৮তম লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha 2024) ৭ দফায় হবে বলে জানাল নির্বাচন কমিশন। শনিবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করে কমিশনের (Election Commission) ফুল বেঞ্চ। সারা দেশে ১৯ এপ্রিল ভোট শুরু হবে। ৪ জুন ভোট গণনা। কমিশন ভোট ঘোষণা করে দেওয়ার অর্থ এখন থেকেই কার্যকর হয়ে গেল নির্বাচনী আচরণবিধি। অর্থাৎ গোটা দেশের আইনশৃঙ্খলার ভার চলে গেল নির্বাচন কমিশনের হাতে। 

    দেশে কবে কোথায় ভোট গ্রহণ

    মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার জানান, প্রথম দফায় ২১ রাজ্যে ভোট হবে। দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ২৬ এপ্রিল। তৃতীয় দফার ভোট হবে ৭ মে। চতুর্থ দফার ভোট হবে ১৩ মে। পঞ্চম দফার ভোট হবে ২০ মে। ষষ্ঠ দফার ভোট হবে ২৫ মে। সপ্তম দফার ভোট হবে ১ জুন। ২২ রাজ্যে এক দফাতেই ভোট গ্রহণ করা হবে। ২ দফায় ভোট হবে ৪ রাজ্যে, কর্নাটক, ত্রিপুরা, মণিপুর ও রাজস্থানে। ৩ দফায় ভোট হবে অসম ও ছত্তীসগঢ়ে। ৪ দফায় ভোট হবে ওড়িশা, মধ্য প্রদেশ ও ঝাড়খণ্ডে। ৫ দফায় ভোট হবে মহারাষ্ট্র ও জম্মু-কাশ্মীরে। ৭ দফায় ভোট হবে পশ্চিমবঙ্গ, উত্তর প্রদেশ ও বিহারে।

    উপনির্বাচন ও বিধানসভা নির্বাচন

    ২৬ বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গেই হবে। বিহার, গুজরাট, হরিয়ানা, ঝাড়খণ্ড, মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ, হিমাচলপ্রদেশ, কর্নাটক, তামিলনাড়ুতে উপনির্বাচন বাকি। যত শূন্যপদ রয়েছে, সবকটি করান হবে। সিকিম, ওড়িশা, অরুণাচল প্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশ— চার রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনও হবে লোকসভার সঙ্গে।

    আরও পড়ুন: নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ কমিশনের, বাংলায় ভোট ৭ দফায়

    পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গণতন্ত্র

    মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার এদিন জানিয়েছেন, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গণতন্ত্রের দিকে তাকিয়ে গোটা পৃথিবী। দেশে প্রায় ৯৭ কোটি রেজিস্ট্রার্ট ভোটার রয়েছেন। ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ১০ লক্ষ। ৫৫ লক্ষ ইভিএম থাকছে। পুরুষ ও মহিলা ভোটারের অনুপাত হল ১০০০ : ৯৪৮। অর্থাৎ প্রত্যেক ১,০০০ জন পুরুষ ভোটারের ক্ষেত্রে মহিলা ভোটারের সংখ্যা হল ৯৪৮। যা আগেরবার ছিল ৯৪০। দেশের ১২ রাজ্যে পুরুষ ভোটারদের তুলনায় মহিলা ভোটারদের অনুপাত বেশি। দেশের ১২টি রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পুরুষ ভোটারদের থেকে মহিলা ভোটারের সংখ্যা। প্রথমবারের ভোটারের মধ্যে ৮৫.৩ লাখই তরুণী। তরুণ ভোটারের সংখ্যা ১৯.৭৪ কোটি। প্রথমবার ভোট দেবেন ১.৮২ কোটি ভোটার। ৮৫ বছরের ঊর্ধ্বে রয়েছেন ৮২ লক্ষ ভোটার। ট্রান্সজেন্ডার ভোটারের সংখ্যা ৪৮ হাজার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Jammu And Kashmir: আরও ৫ বছর নিষিদ্ধ ইয়াসিন মালিকের জেকেএলএফ, ঘোষণা কেন্দ্রের

    Jammu And Kashmir: আরও ৫ বছর নিষিদ্ধ ইয়াসিন মালিকের জেকেএলএফ, ঘোষণা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘জম্মু-কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্ট’-কে আরও পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করল নরেন্দ্র মোদি সরকার। প্রসঙ্গত, এই সংগঠনের নেতৃত্বে ছিলেন ইয়াসিন মালিক। যিনি বর্তমানে জেলবন্দি রয়েছেন। সংগঠনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই সন্ত্রাসবাদী ও বিচ্ছিন্নতাবাদী (Jammu And Kashmir) নানা ধরনের কার্যকলাপে যুক্ত থাকার প্রমাণ মিলেছে। জম্মু-কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্টকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার পরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছেন, যদি কোনও ব্যক্তি বা কোনও সংগঠন দেশের নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব এবং অখণ্ডতাকে চ্যালেঞ্জ করে তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    ‘জম্মু-কাশ্মীর পিপলস লিগে’র চারটি শাখাই নিষিদ্ধ

    একটি আলাদা বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, জেকেএলএফ-এর অধীনে থাকা ‘জম্মু-কাশ্মীর পিপলস লিগে’র চারটি শাখাকেই (Jammu And Kashmir) তারা নিষিদ্ধ ঘোষণা করছে। এগুলি হল— জেকেপিএল (মুখতার আহমেদ ওয়াজা), জেকেপিএল (বশির আহমেদ তোতা), জেকেপিএল (গুলাম মোহাম্মদ খান) এবং ইয়াকুব শেখের নেতৃত্বাধীন জেকেপিএল (আজিজ)।

    মোদি জমানায় বদলেছে জম্মু-কাশ্মীর

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, ‘জম্মু-কাশ্মীর পিপলস ফ্রিডম লিগ’- এই সংগঠনকে পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা (Jammu And Kashmir) হয়েছিল আগেই। কারণ এই সংগঠন হয়ে উঠেছিল ভারতবর্ষের অখণ্ডতা, সার্বভৌমত্ব এবং নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ। প্রসঙ্গত, জম্মু-কাশ্মীরের খোলনলচে যেন বদলে গিয়েছে মোদি জমানায়। একদিকে উন্নয়ন অন্যদিকে সন্ত্রাসীদের প্রতি কড়া পদক্ষেপ- দুটোই নিতে দেখা গিয়েছে মোদি সরকারকে। ৩৭০ ধারা উঠে যাওয়ার পর থেকেই হলিউড-বলিউডের শ্যুটিং সমেত পর্যটকদের নজরকাড়া ভিড়ও লক্ষ্য করা যাচ্ছে সেখানে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “হিন্দু হোক বা মুসলিম, পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দারা ভারতীয়”, বললেন অমিত শাহ

    Amit Shah: “হিন্দু হোক বা মুসলিম, পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দারা ভারতীয়”, বললেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীর (POK) ভারতের অংশ এবং এখানকার জনগণ হিন্দু হোক বা মুসলিম তাঁরা ভারতীয়ই। পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দারা তাঁদের ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে ভারতীয়ই, বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। সিএএ বা নাগরিকত্ব সংশোধন আইন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এক অনুষ্ঠানে শুক্রবার এই দাবি করেন শাহ। 

    প্রসঙ্গ সিএএ

    ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে নিপীড়নের জন্য এ দেশে আসা সংখ্যালঘু শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ওই দেশগুলি থেকে হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্সি এবং খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের শরণার্থীদের নাগরিকত্ব প্রদানের বিষয়টি সিএএ-তে উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও এই আইনে মুসলিম সম্প্রদায়ভুক্তদের কথা বলা হয়নি, এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) বলেন, “তিনটি দেশই ইসলামিক রাষ্ট্র হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে এবং মুসলমানরা নিপীড়নের মুখোমুখি হতে পারে না।” 

    সকলেই ভারতীয়

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) জানান, দেশভাগের সময় প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু সহ কংগ্রেস নেতারা বলেছিলেন যে, পাকিস্তানের সংখ্যালঘুদের ভারতে স্বাগত জানানো হবে। দেশভাগের সময় পাকিস্তানে হিন্দু জনসংখ্যা ২৩ শতাংশ ছিল। সেখান থেকে কমে এখন ৩.৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। একইভাবে, ১৯৫১ সালে বাংলাদেশে হিন্দুদের সংখ্যা ২২ শতাংশ ছিল। ২০১১ সালে তা কমে ১০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ১৯৯২ সালে আফগানিস্তানে শিখ ও হিন্দুদের সংখ্যা ২ লাখ ছিল। আজ মাত্র ৫০০-তে ঠেকেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রশ্ন, কোথায় গেলেন বাকিরা? ভারতে তো তাঁরা আসেননি। অর্থাৎ, জোরপূর্বক ধর্মান্তরণ হয়েছে। কংগ্রেস নেতারা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মোদি সরকার তা পূরণ করেছে। কিন্তু পাক অধিকৃত কাশ্মীরের (POK) ক্ষেত্রে এই বিষয়টি খাটে না বলেও মত দেন শাহ। তিনি বলেন, “পাক অধিকৃত কাশ্মীর হামারা হ্যায়। ওটা ভারতের, তাই ওখানকার সকল বাসিন্দা, হিন্দু হোক বা মুসলিম তাঁরা সকলেই ভারতীয়।”

    আরও পড়ুন: আরএসএস-এর শিবিরগুলির প্রশিক্ষণ পদ্ধতিতে এল বেশ কিছু পরিবর্তন

    পাক অধিকৃত কাশ্মীর প্রসঙ্গ

    পাক অধিকৃত কাশ্মীর (POK) ভারতের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার প্রসঙ্গে অতীতে একাধিকবার শোনা গিয়েছে প্রতিরক্ষামন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের কথায়। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জন্য জম্মু ও কাশ্মীর বিধানসভায় ২৪টি আসনও সংরক্ষিত করে রাখা হয়েছে। প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের বিভিন্ন প্রান্তে গত কয়েক বছর ধরেই আন্দোলন চলছে। এমনকি বালুচিস্তানেও এ ধরনের একাধিক প্রতিবাদ হয়েছে। পাকিস্তান নয় ভারতের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার দাবিও উঠেছে পিওকে থেকে। ৩৭০ ধারা অবলুপ্তির পর কাশ্মীরে পরিস্থিতির যে উন্নতি হয়েছে, সে কথাও স্মরণ করিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। কিন্তু তার জন্য আতঙ্কবাদকে কোনও ভাবেই রেয়াত না করার কথা শোনা গিয়েছে শাহের বক্তব্যে। ভারতের ক্ষতি করার কেউ চেষ্টা করলে পাল্টা জোরাল জবাব দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • RSS: আরএসএস-এর শিবিরগুলির প্রশিক্ষণ পদ্ধতিতে এল বেশ কিছু পরিবর্তন

    RSS: আরএসএস-এর শিবিরগুলির প্রশিক্ষণ পদ্ধতিতে এল বেশ কিছু পরিবর্তন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (RSS), তাদের প্রশিক্ষণ পদ্ধতিতে বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে। চলতি বছরেই এই পরিবর্তনগুলি সঙ্ঘের প্রশিক্ষণ শিবিরে কার্যকর হবে, এমনটাই জানিয়েছেন আরএসএসের সর্বভারতীয় সহ সরকার্যবাহ মনমোহন বৈদ্য। প্রসঙ্গত, সারা বছর ধরেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রশিক্ষণ শিবির চালায় আরএসএস। দেশগঠনে যুব সমাজকে শারীরিক এবং বৌদ্ধিক দু’ভাবেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এবার সেই পদ্ধতিতেই এল বদল।

    কী বললেন মনমোহন বৈদ্য? 

    শুক্রবার নাগপুরে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভাকে সামনে রেখে একটি সাংবাদিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই এমন মন্তব্য করেন মনমোহন বৈদ্য। মনমোহন বৈদ্য জানিয়েছেন, বেশ কিছু পরিবর্তন দেখা যাবে প্রশিক্ষণ পদ্ধতিতে। বদল আনা হয়েছে ৭ দিনের প্রাথমিক শিক্ষা বর্গে, ২০ দিনের সঙ্ঘ শিক্ষা বর্গ-প্রথম বর্ষে, ২০ দিনের সঙ্ঘ শিক্ষা বর্গ-দ্বিতীয় বর্ষে এবং ২৫ দিনের সঙ্ঘ শিক্ষা বর্গ-তৃতীয় বর্ষের প্রশিক্ষণ শিবিরে।

    কী কী বদল এল প্রশিক্ষণ পদ্ধতিতে? 

    মনমোহন বৈদ্য আরও জানিয়েছেন, নতুন কর্মীদের জন্য তিনদিনের প্রাথমিক বর্গের একটি অনুষ্ঠান রাখা হচ্ছে। এরপরের প্রশিক্ষণ শিবির হবে ১৫ দিনের, যেটার আগে নাম ছিল ২০ দিনের সঙ্ঘ শিক্ষা বর্গ-প্রথম বর্ষ। পাশাপাশি সঙ্ঘের দ্বিতীয় শিক্ষাবর্ষ এবং তৃতীয় শিক্ষাবর্ষে (RSS) নামেরও পরিবর্তন হতে চলেছে। দ্বিতীয় শিক্ষা বর্ষকে এবার থেকে বলা হবে ‘কার্যকর্তা বিকাশ বর্গ-১’ এবং তৃতীয় বর্ষকে বলা হবে ‘কার্যকর্তা বিকাশ বর্গ-২’। তৃতীয় বর্ষে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বিভিন্ন ব্যবহারিক বিষয়গুলির উপরে এবং পাঁচ দিন কর্মীদের মাঠে নেমে কাজ করারও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সঙ্ঘের বিষয়বস্তুগুলিতেও পরিবর্তন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মনমোহন বৈদ্য।

    আরএসএস-এ যোগদানে আগ্রহী যুবসমাজ

    মনমোহন বৈদ্য আরও জানিয়েছেন, ভারতের বিপুল যুবসমাজ বর্তমানে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্গে যোগদানে আগ্রহী হয়েছে এবং তার প্রশিক্ষণ শিবির গুলিতেও আসার জন্য আবেদন জানাচ্ছে। প্রতিবছরই ১৫ থেকে ১৭ হাজার নতুন যুবক সঙ্ঘের প্রথম শিক্ষা বর্গে যোগদান করে। এবং ১ লাখেরও বেশি সংখ্যক যুবক প্রাথমিক শিক্ষা বর্গে (RSS) অংশগ্রহণ করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CAA: সিএএ ভারতের ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়’, মার্কিন উদ্বেগ ‘অযৌক্তিক’, জানাল নয়াদিল্লি

    CAA: সিএএ ভারতের ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়’, মার্কিন উদ্বেগ ‘অযৌক্তিক’, জানাল নয়াদিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত সোমবারই সিএএ (CAA) চালু করেছে মোদি সরকার। এনিয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে আমেরিকাকে। সিএএ ভারতে কীভাবে প্রয়োগ করা হবে, সেদিকে ওয়াশিংটন নজর রাখবে বলে জানিয়েছিল তারা। আমেরিকার বিদেশ দফতরের মুখপাত্রের এই বিবৃতির পরে জবাব দিল নয়াদিল্লি। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে ওয়াশিংটনের এই বিবৃতিকে ‘অযৌক্তিক’ বলা হয়েছে। সিএএ ভারতের ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়’ বলেও উল্লেখ করেছে নয়াদিল্লি।

    কী বললেন বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র?

    ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র শুক্রবার এবিষয়ে জানিয়েছেন, সিএএ (CAA) প্রসঙ্গে আমেরিকার বিবৃতি ‘অযৌক্তিক, ভুল তথ্য দ্বারা পরিচালিত এবং ভুল জায়গায় প্রযুক্ত’। নিজের বিবৃতির পক্ষে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র বলেন, ‘‘সিএএ মানুষকে নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন। তা কেড়ে নেওয়ার আইন নয়। এই আইনে মানুষের রাষ্ট্রহীনতা, অধিকার এবং মর্যাদা রক্ষার কথা বলে। এটি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। দেশের অভ্যন্তরীণ সংস্কৃতি এবং মানবাধিকারের প্রতি দীর্ঘস্থায়ী দায়বদ্ধতার ভিত্তিতে তৈরি। আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, পাকিস্তান থেকে হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন এবং পারসিক সম্প্রদায়ের যে সমস্ত মানুষ ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে ভারতে প্রবেশ করেছেন, তাঁদের নিরাপদ আশ্রয় দেয় সিএএ।’’ বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র আরও বলেছেন, ‘‘আমরা মনে করছি, আমেরিকার বিদেশ মন্ত্রক সিএএ নিয়ে যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, তা ভুল তথ্য দ্বারা পরিচালিত, ভুল জায়গায় প্রযুক্ত এবং অযৌক্তিক।’’

    কী বলেছিল আমেরিকা?

    বৃহস্পতিবার আমেরিকার স্টেট ডিপার্টমেন্ট-এর মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেছিলেন, ‘‘গত ১১ মার্চ ভারত সরকার সিএএ (CAA) নিয়ে যে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে, আমরা তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। এই আইন কী ভাবে প্রণয়ন করা হচ্ছে, আমরা তার দিকে নজর রেখেছি। ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা এবং আইনে সব সম্প্রদায়ের সমান অধিকার মৌলিক গণতান্ত্রিক নীতি।’’ শুক্রবার দুপুরে তারই জবাব দিল নয়াদিল্লি।

    সিএএ নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই, আগেই জানিয়েছে সরকার

    ভারত সরকার ইতিমধ্যেই জানিয়েছে সিএএ নিয়ে মুসলিম নাগরিকদের ভীতির কারণ নেই। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও মুসলিমকেই তাড়ানো হবে না। বিরোধীদের নিশানা করে শাহ জানিয়েছেন, বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি অহেতুক ভীতির পরিবেশ তৈরি করছে। মানুষকে ভুল বুঝিয়ে বিভ্রান্ত করছে। এছাড়াও ভারত সরকার একটি প্রেস বিবৃতিতে ভারতীয় মুসলিম সমাজকে আশ্বস্ত করে জানিয়ে দিয়েছে, সিএএ-র (CAA) ফলে তাঁদের নাগরিকত্বে কোনও প্রভাব পড়বে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ফের বিজেপিতে অর্জুন, ভোটের আগে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিলেন দিব্যেন্দু

    Lok Sabha Election 2024: ফের বিজেপিতে অর্জুন, ভোটের আগে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিলেন দিব্যেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নানা জল্পনায় সিলমোহর পড়ল শুক্রবার। লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) আগে আবার বিজেপিতে ফিরলেন ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং। একইসঙ্গে বিজেপিতে যোগ দিলেন  শুভেন্দু অধিকারীর ভাই এবং পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকের সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে এক অনুষ্ঠানে বিজেপিতে যোগ দিলেন তাঁরা। শুক্রবার দিল্লিতে এই যোগদান পর্ব হয় দুষ্মন্ত  গৌতম, অমিত মালব্যের উপস্থিতিতে। 

    কেন বিজেপিতে দিব্যেন্দু

    শুভেন্দু অধিকারীর ভাই দিব্যেন্দু অধিকারী (Dibyendu Adhikari Joined BJP) তমলুকের তৃণমূল সাংসদ। শুভেন্দু বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরেই অধিকারী পরিবার তৃণমূলের থেকে দূরত্ব বাড়িয়েছে। বিজেপিতে যোগ না দিলেও তৃণমূলেও যে তিনি নেই, সেরকমটাই ভাবা হচ্ছিল। অবশেষে লোকসভা ভোটের আগে বিজেপিতে যোগ দিলেন দিব্যেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘দিব্যেন্দু অধিকারী কোনও টিকিটের জন্য নয়, বিজেপিতে কাজ করবেন বলেই, কর্মী হিসেবে যোগ দিলেন।’ বিজেপিতে যোগ দিয়ে দিব্যেন্দু অধিকারী বলেন, “আজ আমার জন্য খুব শুভ দিন। আমি আজ বিজেপির সঙ্গে যুক্ত হলাম।”শুভেন্দু অধিকারীর নামও এদিন শোনা গেল দিব্যেন্দুর মুখে। বলেন, “উনি বিধানসভার ভিতরে এবং বাইরে লড়ে যাচ্ছেন। আমাদের লক্ষ্য নিয়ে অমিত মালব্য বলেছেন। আমরা বাংলা বাঙালি মা দুর্গা, মা কালীর পুজো করি। সন্দেশখালিতে যা হয়েছে মহিলাদের প্রতি এর নিন্দার কোনও ভাষা নেই। সারা দেশের ইস্যু এখন সন্দেশখালি। বিজেপির কর্মী হিসাবে মাঠে নেমে বিজেপিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই লক্ষ্য।”

    কেন ফিরলেন অর্জুন

    অর্জুন সিং প্রসঙ্গে অমিত মালব্য বলেন, মাঝে কিছু কারণে পার্টির সঙ্গে তিনি  যোগাযোগ রাখতে পারেননি। এখন আবার পার্টির মুখ্য ধারায় যুক্ত হতে চান। অর্জুন সিং এদিন বলেন, “২০২১ সালে যেভাবে ভোট পরবর্তী অশান্তি বাংলায় হয়েছে, যেভাবে খুন রাহাজানি হয়েছে সেখানে সবথেকে বেশি আমার এলাকায় লোকজন অত্যাচারিত হন।  ৫০এর বেশি মানুষ মারা গিয়েছেন। দলের কর্মীদের বাঁচানোর জন্য আমাকে সাময়িক সময়ের জন্য দলবদল করতে হয়েছিল।’’ অর্জুন (Arjun Singh) আরও বলেন, ‘‘সন্দেশখালির ঘটনার পর আমি দলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম। যোগ দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছি। কারণ মহিলাদের উপর ওই অত্য়াচার আমি সহ্য করতে পারিনি। প্রশাসন এবং গুণ্ডা একসঙ্গে অপরাধ করেন বাংলায়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Petrol Diesel Prices: রান্নার গ্যাসের পর এবার সস্তা পেট্রল-ডিজেলও, কী বলছে জনতা?

    Petrol Diesel Prices: রান্নার গ্যাসের পর এবার সস্তা পেট্রল-ডিজেলও, কী বলছে জনতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রান্নার গ্যাসের দাম কমানো হয়েছিল আগেই। এবার এক ধাক্কায় দাম কমে গেল পেট্রল ও ডিজেলের (Petrol Diesel Prices)। এই দুই জ্বালানির দাম লিটার পিছু ২ করে কমিয়ে দিয়েছে মোদি সরকার। জানা গিয়েছে, আজ ১৫ মার্চ, শুক্রবার সকাল ছ’টা থেকেই প্রযোজ্য গিয়েছে পেট্রল ডিজেলের নয়া দাম। জ্বালানির দাম কমে যাওয়ায় খুশি আমজনতা।

    সস্তা হল জ্বালানি

    বৃহস্পতিবার কলকাতায় পেট্রলের দাম ছিল লিটার প্রতি ১০৬.৩ পয়সা। ডিজেলের দাম ছিল ৯২.৭৬ টাকা। কেন্দ্র দুই জ্বালানিরই দাম কমিয়ে দেওয়ায় শুক্রবার থেকে পেট্রল বিক্রি হচ্ছে লিটার পিছু ১০৪.০৩ টাকায়। ডিজেল বিক্রি হচ্ছে প্রতি লিটার ৯০.৭৬ টাকায়। পেট্রল-ডিজেলের দাম কমানো (Petrol Diesel Prices) নিয়ে এদিন ট্যুইট করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “পেট্রল ও ডিজেলের দাম ২ টাকা কমিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আরও একবার প্রমাণ করেছেন যে, কোটি কোটি ভারতীয় পরিবারের কল্যাণ ও তাঁদের সর্বোত্তম সুবিধা দেওয়াই তাঁর লক্ষ্য।”

    কী বলছে সরকার?

    ট্যুইট করা হয়েছে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের তরফেও। লেখা হয়েছে, “কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে ডিজেল চালিত ৫৮ লাখের বেশি ভারী গাড়ি, ৬ কোটি চার চাকা গাড়ি ও ২৭ কোটি দু চাকার মালিকদের খরচ অনেকটা কমিয়ে দেবে। এর ফলে লাভবান হবে একাধিক সেক্টর।” প্রসঙ্গত, শেষবার পেট্রল ডিজেলের দাম কমেছিল ২০২২ সালের ২২ মে। এর ঠিক ৬২২ দিন পরে ফের কমল এই দুই জ্বালানির দাম। জ্বালানির দরের ওপর থেকে কেন্দ্র শুল্ক কমিয়ে নেওয়ায় সস্তা হল পেট্রল-ডিজেল।

    আরও পড়ুুন: রাষ্ট্রপতির দুয়ারে সন্দেশখালি! নির্যাতনের করুণ কাহিনি শোনালেন ১১ জন

    নিত্য প্রয়োজনীয় এই দুই জ্বালানির দাম কমে যাওয়ায় খুশি আমজনতা। ছাত্তারপুরের পেট্রল পাম্পের এক কর্মী বলেন, “জ্বালানির দাম কমানোয় মোদি সরকারকে ধন্যবাদ। জ্বালানির দাম কমে যাওয়ায় মানুষের মধ্যে একটা উত্তেজনা দেখা গিয়েছে। মানুষ ভিড় করছেন পেট্রল পাম্পগুলিতে।” দিল্লির এক বাইক চালক বলেন, “সরকার জ্বালানির দাম (Petrol Diesel Prices) কমানোয় খুব খুশি হয়েছি। মানুষ এতে উপকৃত হবেন।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
LinkedIn
Share