Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Lok Sabha Election 2024: বঙ্গে কত দফায় ভোট? লোকসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা শনিবার, জানাল কমিশন

    Lok Sabha Election 2024: বঙ্গে কত দফায় ভোট? লোকসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা শনিবার, জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের ঢাকে কাঠি পড়ে গিয়েছে। শুধু দিন ঘোষণার অপেক্ষা। তা-ও জানা যাবে আগামিকালই। কমিশনের তরফে ট্যুইট করে জানিয়ে দেওয়া হল, ভোটের সময়সূচী ঘোষণা করতে নির্বাচন কমিশনের সাংবাদিক বৈঠক শনিবার। ১৬ মার্চ বিকেল তিনটেয় অনুষ্ঠিত হবে এই সাংবাদিক বৈঠক। কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, বৈঠকটি ইসিআই-এর সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে লাইভ স্ট্রিম করা হবে।

    লোকসভার পাশাপাশি একই সঙ্গে কয়েকটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের দিনও ঘোষণা করতে পারে কমিশন। প্রসঙ্গত, লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) সঙ্গেই অরুণাচল প্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশ, সিকিম এবং ওড়িশায় বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা। পাশাপাশি, কয়েকটি বিধানসভার উপ-নির্বাচনে দিনক্ষণও ঘোষণা হতে পারে শনিবার।এর মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের দুটি বিধানসভা আসন— মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলা ও উত্তর ২৪ পরগনার বরানগর কেন্দ্রের উপনির্বাচনও। 

    কত ধাপে নির্বাচন

    রাজ্যে রাজ্যে লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024) কখন হবে, কত ধাপে এবং তার জন্য কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে তাও জানিয়ে দেওয়া হবে দ্রুত। কমিশন সূত্রে খবর, নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পরপরই নির্বাচনী আচরণবিধি কার্যকর হবে এবং সে কারণে এই সময়ের পরে সরকার নতুন কোনও নীতি বা সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে পারবে না। বৃহস্পতিবারই নির্বাচন কমিশনের জোড়া শূন্যপদে দুই অবসরপ্রাপ্ত আমলাকে নিয়োগ করা হয়। দেশের দুই নির্বাচন কমিশনারের পদে আসেন সুখবীর সিং সান্ধু এবং জ্ঞানেশ কুমার। এই দুই শূন্যপদে নিয়োগের জন্য বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসেছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের কমিটি। শূন্যপদ পূরণের পরই ভোটের দিন ঘোষণার কথা জানিয়ে দিল কমিশন।

    কবে থেকে লাগু নির্বাচনী আচরণবিধি

    সূত্রের খবর, বর্তমান লোকসভার (Lok Sabha Election 2024) মেয়াদ ১৬ জুন, ২০২৪ এ শেষ হবে। তাই নিয়ম অনুসারে  তার আগে নতুন লোকসভা গঠন করতে হবে। পশ্চিমবঙ্গে ভোট হতে পারে সাতেরও বেশি দফায় ভোটগ্রহণ হতে পারে। নির্বাচনের জন্য রাজ্যে থাকবে ৯২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। নির্বাচনের দিন ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই দেশ জুড়ে লাগু হয়ে যাবে নির্বাচনী আদর্শ আচরণবিধি। 

    আরও পড়ুন: নিউজ সার্ভিস চালু প্রসার ভারতীর, বিনামূল্যে মিলবে কপিরাইট-ফ্রি খবরাখবর

    ২০১৯ সালে সাত দফায় লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024) অনুষ্ঠিত হয়েছিল রাজ্যে। ২০১৯ সালে, ১০ মার্চ সাধারণ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছিল এবং তারপরে লোকসভা নির্বাচন সাত ধাপে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেবার ১১ এপ্রিল শুরু হয়েছিল ভোটগ্রহণ। ২০১৯ সালে  ভোটের ফল ঘোষণা হয় ২৩ মে। এবার ভোটগ্রহণের প্রথম দফাটি হতে পারে ১৬ এপ্রিলের আশেপাশে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: লোকসভা ভোটের আগে তিন দিনের সম্মেলনে আরএসএস, আলোচ্যসূচি কী জানেন?

    Lok Sabha Elections 2024: লোকসভা ভোটের আগে তিন দিনের সম্মেলনে আরএসএস, আলোচ্যসূচি কী জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাঠি পড়তে চলেছে লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Elections 2024) ঢাকে। তার আগে নাগপুরে আরএসএসের তিন দিনের সম্মেলন শুরু হয়ে গেল ১৫ মার্চ, শুক্রবার। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন দেশের দেড় হাজারেরও বেশি প্রতিনিধি। নাগপুরের রেসিমবাগ এলাকায় স্মৃতি ভবন কমপ্লেক্সে ১৫-১৭ হবে অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভা। সংঘ প্রভাবিত ৩২টি সংগঠন এবং কিছু গোষ্ঠী যোগ দেবেন এই সভায়।

    সম্মেলনের আলোচ্যসূচি

    আরএসএসের প্রতিনিধি সভায় সংগঠনের ভিত আরও মজবুত করার বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। আগামী বছরের কার্যক্রম নিয়েও হতে পারে আলোচনা। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও কথা হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলি নিয়ে পাস হতে পারে (Lok Sabha Elections 2024) রেজ্যুলিউশন। আলোচনায় উঠে আসতে পারে অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধনের প্রসঙ্গও। আলোচনা হতে পারে সন্দেশখালি ইস্যু নিয়েও। উপস্থিত নেতাদের কাছে এ ব্যাপারে ফিডব্যাকও নেওয়া হবে। আরএসএসের পশ্চিমবঙ্গের শাখার কাছ থেকে এ ব্যাপারে ডিটেইলড রিপোর্টও চাওয়া হতে পারে।

    সন্দেশখালি নিয়ে রিপোর্ট 

    সন্দেশখালির বিষয়টি যে আরএসএসের সম্মেলনে উঠবে, তা আগেই জানিয়েছিলেন সংগঠনের এক কর্মকর্তা। তিনি বলেছিলেন, “সন্দেশখালি এখন নারী আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন যা দেশ দেখেছে। সংঘের স্বেচ্ছাসেবকরা যারা এই অঞ্চলে কাজ করে, এবং প্রান্ত প্রচারক, যাঁরা সম্মেলনে উপস্থিত হবেন  তাঁরাই ঠিক কী হয়েছিল, সে সম্পর্কে আমাদের ব্রিফ করবেন। আমরা এই আন্দোলন নিয়ে আলোচনা করব। আরএসএস কীভাবে নির্যাতিতদের সমর্থন করতে পারে, তা নিয়েও আলোচনা হবে।” সম্মেলনে উঠবে কৃষক বিক্ষোভের প্রসঙ্গও। এই বিষয়ে ফিডব্যাক দেবে আরএসএসের পাঞ্জাব ইউনিট।

    আরও পড়ুুন: ১৭-য় থামবে তৃণমূল! বাংলায় বিজেপি পাবে ২৫ আসন, দাবি ‘নিউজ ১৮’-এর সমীক্ষায়

    আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও আলোচনা হতে পারে আরএসএসের এই সম্মেলনে। সেটি হল, উপজাতির মানুষদের ধর্মান্তকরণ। এই বিষয়ে রিপোর্ট দেবে সংঘ অনুমোদিত বনবাসী কল্যাণ আশ্রম। মণিপুরের হিংসা নিয়েও আলোচনা হবে। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কীভাবে দেশের অন্যান্য রাজ্যেও ছড়িয়ে দেওয়া যায়, তা নিয়েও হবে আলোচনা। লোকসভা নির্বাচনের আগে আরএসএসের স্বেচ্ছাসেবকরা ভোটারদের দোরে দোরে যাবেন বলেও নির্দেশ দেওয়া হতে পারে। জনগণকে তাঁদের ভোটাধিকার সম্পর্কে সচেতন করবেন এই স্বেচ্ছাসেবকরা (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Santiago Martin: নির্বাচনী বন্ডে সব চেয়ে বেশি টাকা দিয়েছেন সান্তিয়াগো, তিনি কে জানেন?

    Santiago Martin: নির্বাচনী বন্ডে সব চেয়ে বেশি টাকা দিয়েছেন সান্তিয়াগো, তিনি কে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পড়শি দেশ মায়ানমারে তিনি গিয়েছিলেন শ্রমিকের কাজে। সেখান থেকেই তিনি হয়েছেন লটারি কিং। সেই সান্তিয়াগো মার্টিনের (Santiago Martin) সংস্থাই নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে সব চেয়ে বেশি টাকা দান করেছে। ২০১৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে সান্তিয়াগোর সংস্থা নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে দিয়েছে ১ হাজার ৩৬৮ কোটি টাকা। বৃহস্পতিবার এই তথ্য নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। সেখান থেকেই জানা গিয়েছে লটারি কিংয়ের কেরামতি!

    কে এই সান্তিয়াগো? (Santiago Martin)

    সান্তিয়াগো (Santiago Martin) একটি চ্যারিটেবল ট্রাস্ট চালান। এই ট্রাস্টের ওয়েবসাইট থেকে জানা গিয়েছে, মায়ানমারের রাজধানী ইয়াঙ্গনে শ্রমিকের কাজ করতেন তিনি। ভারতে ফেরেন ১৯৮৮ সালে। শ্রমিকের কাজ করে যে টাকা জমিয়েছিলেন, তা দিয়ে তামিলনাড়ুতে শুরু করেন লটারি ব্যবসা। পরে তাঁর এই ব্যবসা ছড়িয়ে পড়ে কেরল, কর্নাটক এবং উত্তর-পূর্ব ভারতে। পরে নেপাল ও ভুটানেও ছড়িয়ে পড়ে তাঁর লটারি ব্যবসা। উত্তর-পূর্বে সরকারি লটারি স্কিমগুলি পরিচালনার ভারও নিয়েছিলেন সান্তিয়াগো। লটারি ব্যবসার টাকা তিনি বিনিয়োগ করেন নির্মাণ শিল্প, রিয়েল এস্টেট, বস্ত্র এবং হোটেল ব্যবসায়। অল ইন্ডিয়া ফেডারেশন অফ লটারি ট্রেড অ্যান্ড অ্যালায়েড ইন্ডাস্ট্রিজের প্রেসিডেন্টও তিনি। তাঁরই প্রচেষ্টায় ওয়ার্ল্ড লটারি অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হয়েছে ফিউচার গেমিং অ্যান্ড হোটেল সার্ভিসেস প্রাইভেট লিমিটেড। এটাই তাঁর সংস্থার নাম।

    সান্তিয়াগোর (Santiago Martin) সংস্থায় তল্লাশি!

    যে ফিউচার গেমিং অ্যান্ড হোটেল সার্ভিসকে ‘দাতা’র ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে, সেই সংস্থার বিরুদ্ধেই তহবিল তছরুপ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছিল। ২০১৯ সালে এই অভিযোগের তদন্তে নামে ইডি। তার আগে সংস্থার বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করেছিল সিবিআই। চার্জশিটে বলা হয়েছিল, সান্তিয়াগো মার্টিন (Santiago Martin) ও তাঁর সংস্থা ২০০৯ সালের এপ্রিল মাস থেকে ২০১০ সালের অগাস্ট পর্যন্ত পুরস্কার বিজয়ীর টিকিটের সংখ্যা বাড়িয়ে ৯১০ কোটি টাকা ক্ষতি করেছে সিকিম সরকারের। সিবিআই চার্জশিট পেশ করার পরেই তদন্ত শুরু করে ইডি। গত মে মাসে সংস্থার কোয়েম্বত্তুর ও চেন্নাইয়ের অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়। ৯৬৬ কোটি টাকার নির্বাচনী বন্ড কিনেছে হায়দরাবাদের মেঘা ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার। এই তালিকায় রয়েছে ভারতী এয়ারটেল, ইন্ডিগো, আইটিসি সহ একাধিক সংস্থা।

    আরও পড়ুুন: ‘‘গলাকাটা দামে বিক্রি হয়েছে চাকরি’’, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পর্যবেক্ষণ বিচারপতি সিনহার

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Prasar Bharati: নিউজ সার্ভিস চালু প্রসার ভারতীর, বিনামূল্যে মিলবে কপিরাইট-ফ্রি খবরাখবর

    Prasar Bharati: নিউজ সার্ভিস চালু প্রসার ভারতীর, বিনামূল্যে মিলবে কপিরাইট-ফ্রি খবরাখবর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংবাদমাধ্যম থেকে সংবাদসংস্থায় রূপান্তরিত হচ্ছে প্রসার ভারতী। নাম রাখা হচ্ছে PB-SHABD. যার সম্পূর্ণ নাম ‘Prasar Bharati-Shared Audio Visuals for Broadcast and Dissemination.’ প্রতিটি দেশেরই এমন সরকার নিয়ন্ত্রিত সংবাদ সংস্থা থাকে। যেমন চিনের রয়েছে জিনহুয়া। রাশিয়ার ক্ষেত্রে রয়েছে ইতার-তাস। ভারতের ক্ষেত্রে প্রথমবার এমনটা হতে চলেছে। বর্তমানে ভারতের রয়েছে পিটিআই। এবার সেই সরণীতে প্রবেশ করল প্রসার ভারতীও। যে কোনও সংবাদমাধ্যমকে বর্তমানে পিটিআই/এএনআই প্রভৃতি সংবাদসংস্থা থেকে টাকার বিনিময়ে খবর কিনতে হয়, প্রসার ভারতীর (Prasar Bharati) ক্ষেত্রে তা নিখরচায় মিলতে চলেছে। এক বিবৃতিতে একথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর।

    সংবাদমাধ্যমের নাম নথিভুক্ত থাকতে হবে

    তবে যে সমস্ত সংবাদমাধ্যম গুলি নিজেদের নাম প্রসার ভারতীতে নথিভুক্ত করাবে, তারাই পাবে কেবল এই সুবিধা। খবর, ছবি, অডিও, ভিডিও— সবটাই পাওয়া যাবে এবার থেকে প্রসার ভারতীর (Prasar Bharati) সৌজন্যে। যে কোনও প্রিন্ট বা ইলেকট্রনিক মিডিয়া এই সুবিধা নিতে পারবে। সোশ্যাল মিডিয়ার চ্যানেলগুলিও এর আওতায় থাকবে। সকলেই প্রসার ভারতীর ওয়্যারড-নিউজ সার্ভিসের সৌজন্য খবরাখবর সংগ্রহ করতে পারবে। একেবারে নিখরচায়। এমনকী, প্রসার ভারতীকে কোনও ক্রেডিট বা কৃতজ্ঞতা স্বীকার অথবা সৌজন্য দিতে হবে না।

    আরও পড়ুন: ‘আবকি বার-৪০০ পার’ হতে চলেছে গেরুয়া শিবিরের, বলছে নিউজ১৮-র সমীক্ষা

    কী বলছেন অনুরাগ ঠাকুর?

    নিজের বিবৃতিতে অনুরাগ ঠাকুর জানিয়েছেন, প্রসার ভারতীর (Prasar Bharati) এই কপিরাইট-ফ্রি ব্যবস্থায় নাম নথিভুক্ত করতে পারবে যে কোন টিভি চ্যানেল, সংবাদপত্র। এর পাশাপাশি ডিজিটাল মিডিয়াগুলিও যে কোনও ধরনের ছবি-ভিডিও-অডিও সমস্তটাই নিতে পারবে। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, বিগত বছরগুলিতে প্রসার ভারতী অনেক বড় নিউজ নেটওয়ার্কের পরিণত হয়েছে। বর্তমানে অন্যান্য প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সঙ্গে সেগুলি শেয়ার করতে চান তাঁরা। প্রসার ভারতীর বর্তমান সিইও গৌরব দ্বিবেদী জানিয়েছেন, তাঁরা এমন একটি মিডিয়া সংস্থা তৈরি করতে চলেছেন, যেখানে প্রসার ভারতীর খবরগুলি অন্য সংবাদমাধ্যমও পাবে।

    আরও পড়ুুন: ‘সরকারি চাকরির মূল্য শুনলে চমকে যাবেন’, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কী বললেন বিচারপতি সিনহা?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: বাংলায় সিএএ-র লাভের কড়ি ঘরে তুলবে বিজেপি, বলছে ‘ইন্ডিয়া টিভি’-র সমীক্ষা

    Lok Sabha Elections 2024: বাংলায় সিএএ-র লাভের কড়ি ঘরে তুলবে বিজেপি, বলছে ‘ইন্ডিয়া টিভি’-র সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024)। সোমবারই লাগু হয়েছে সিএএ (CAA)। লোকসভা নির্বাচনে এর কেমন প্রভাব পড়বে, তা জানতে সমীক্ষা চালিয়েছিল ইন্ডিয়া টিভি সিএনএক্স (India TV-CNX Opinion Poll)। কী উঠে এল সমীক্ষায়?

    ভোটে সিএএ-র প্রভাব কতটা

    জানা গিয়েছে, সিএএ (CAA) লাগু হওয়ায় ৬২ শতাংশ মানুষ মনে করছেন বিজেপি লাভবান হবে। ক্ষতি হবে বলে মনে করছেন ২৪ শতাংশ মানুষ। ১৪ শতাংশ মানুষ বলছেন, তাঁরা কিছু বলতে পারবেন না। সিএএ লাগু হওয়ার ফলে মেরুকরণ হবে বলে মনে করছেন ৭২ শতাংশ মানুষ। ২০ শতাংশ মানুষ মনে করছেন নির্বাচনে এর কোনও প্রভাব পড়বে না। ৬ শতাংশ মানুষ কোনও মতামত দেননি। ২ শতাংশ মানুষ বলছেন, মুসলমানরা এবার মোদিজির ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বুঝতে পারবেন।

    জ্বালাময়ী ভাষণে উদ্বেগ

    সিএএ (Lok Sabha Elections 2024) লাগু হওয়ায় ৬৫ শতাংশ মুসলমান জানাচ্ছেন তাঁরা উদ্বিগ্ন। দু’ শতাংশ মানুষ জানাচ্ছেন, তাঁরা উদ্বিগ্ন নন। কিছু বলতে চাননি ৩৩ শতাংশ মানুষ। আবার অধিকাংশ হিন্দু ভোটার মনে করছেন, সিএএ নিয়ে মুসলমানদের ভুল বোঝানোর চেষ্টা করছে এক শ্রেণির রাজনৈতিক দল। সিএএ (CAA) নিয়ে মুসলমানদের ভুল বোঝানো হচ্ছে বলে মনে করছেন ৩৫ শতাংশ হিন্দু। কিছু সংখ্যক মৌলানার জ্বালাময়ী মিথ্যে ভাষণের জন্য সিএএ নিয়ে মুসলামানরা ভয় পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন ২১ শতাংশ হিন্দু ভোটার। ১২ শতাংশ মানুষ এ ব্যাপারে কোনও মতামত দেননি।

    মতুয়া-মহলে জোর প্রভাব সিএএ-র (CAA)

    মতুয়া অধ্যুষিত বাংলায় সিএএ-র কী প্রভাব পড়বে, তাও জানতে চেয়েছিলেন সমীক্ষকরা। কারণ বাংলার প্রায় ৭০টি বিধানসভা কেন্দ্রে নির্ণায়ক শক্তি মতুয়ারাই। তাই রাজ্যে লোকসভার বেশ কিছু আসনে মতুয়া ভোটাররা যে ফ্যাক্টর, তা বলাই বাহুল্য। সমীক্ষায় (India TV-CNX Opinion Poll) জানা গিয়েছে, হাওড়া এবং বর্ধমান-পূর্বে তৃণমূলের শক্তি বেশি। এই দুই লোকসভা কেন্দ্রে এক সময় বিজেপি দুর্বল ছিল। কিন্তু, সিএএ (CAA) লাগু হওয়ার পর হাওয়া-বদল হতে শুরু হয়েছে এখানেও। সমীক্ষায় দাবি, এই দু’জায়গাতেও পদ্ম শিবির জোর টক্কর দেবে তৃণমূলকে। বর্ধমান-দুর্গাপুর এবং বোলপুরে এগিয়ে বিজেপি। এই দুই কেন্দ্রে সিএএ-র ফসল কুড়োবে গেরুয়া শিবির। এই একই কারণে মতুয়া অধ্যুষিত বনগাঁ, রানাঘাট ও কৃষ্ণনগরে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা বেশি।

    আরও পড়ুুন: ‘সরকারি চাকরির মূল্য শুনলে চমকে যাবেন’, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কী বললেন বিচারপতি সিনহা?

    প্রসঙ্গত, সোমবার সন্ধেয় দেশে লাগু হয়েছে সিএএ (CAA)। এনিয়ে মুসলমানদের ভুল বোঝানো হচ্ছে বলে অভিযোগ সর্বভারতীয় মুসলিম জামাতের সভাপতি মৌলানা শাহাবউদ্দিন রাজভিরও। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও বলেছেন, ভোট ব্যাঙ্ক অটুট রাখতে বিরোধীরা খেলছে সিএএ তাস। তিনি সাফ জানিয়েছেন, সিএএ নাগরিকত্ব কেড়ে নেবে না, নাগরিকত্ব দেবে (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Lok Sabha Election 2024: নির্বাচনে ‘আবকি বার-৪০০ পার’ গেরুয়া শিবিরের, বলছে ‘নিউজ ১৮’-এর সমীক্ষা

    Lok Sabha Election 2024: নির্বাচনে ‘আবকি বার-৪০০ পার’ গেরুয়া শিবিরের, বলছে ‘নিউজ ১৮’-এর সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটে (Lok Sabha Election 2024) হতে চলেছে বিজেপির জয়জয়কার। দাবি করল ‘নিউজ ১৮ মেগা ওপিনিয়ন পোল’ (News 18 Mega Opinion Poll)। ওই সমীক্ষা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বেঁধে দেওয়া লক্ষ্যমাত্রাও পূরণ হতে চলেছে। এবং বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট ৪০০ আসনেরও বেশি সংখ্যা নিয়ে তৃতীয়বারের জন্য মসনদে বসতে চলেছে। বিজেপি একাই জিতবে ৩৫০ আসন। সমীক্ষা (Opinion Poll) অনুযায়ী, মোট ভোটের পঞ্চাশ শতাংশ পেতে চলেছে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি জোট। এটা উঠে এসেছে সমীক্ষায়। ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চ পর্যন্ত ২১ রাজ্যে চলেছে এই সমীক্ষা। জানা গিয়েছে, ৫৪৩ টির মধ্যে ৫১৮টি লোকসভা আসনে চালানো হয় এই সমীক্ষা।

    এনডিএ জোট পেতে চলেছে ৪১১ আসন

    সংস্থার তরফ থেকে জানানো হয়েছে এই সমীক্ষা হল দেশের সবথেকে বড় ওপিনিয়ন পোল। ৫৪৩ আসনের মধ্যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট পেতে চলেছে ৪১১ আসন। বিজেপি একার ক্ষমতাতেই জিততে (Lok Sabha Election 2024) চলেছে ৩৫০ আসন এবং অন্যান্য এনডিএ শরিকরা, যার মধ্যে রয়েছে বিহারের জনতা দল ও তেলেগু দেশম পার্টি, এরা জিতবে ৬১ আসন।

    ‘হিন্দি হার্ট লাইন’-এ রেকর্ড ভোট

    ওই সমীক্ষা (Opinion Poll) অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে ‘হিন্দি হার্ট লাইন’-এ রেকর্ড ভোট পেতে চলেছে বিজেপি। এবং গেরুয়া ঝড়ে কার্যত সেখানে উড়ে যাবে বিরোধীরা। উত্তরপ্রদেশের ৮০-এর মধ্যে ৭৭টি আসনে দখল করতে চলেছে এনডিএ জোট। মধ্যপ্রদেশে এনডিএ পেতে চলেছে ২৮টি আসন। ছত্তিশগড়ের এনডিএ জোট পেতে চলেছে ১০টি আসন। বিহারে বিজেপি-নীতীশের জোট (Lok Sabha Election 2024) পাবে ৩৮টি আসন। ঝাড়খণ্ডে বিজেপি পাবে ১২টি আসন।

    বাংলায় ২৫ আসন বিজেপির 

    দক্ষিণ ভারতের কর্নাটকে বিজেপি জোট পেতে চলেছে ২৫টি আসন। ওড়িশাতে ১৩টি আসন জিততে চলেছে তারা। এবং অভূতপূর্ব নির্বাচনী ফলাফল হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গে। এখানে ২৫টি আসনে বিজেপি জিতবে বলে দেখা যাচ্ছে। ওই সমীক্ষা (Opinion Poll) অনুযায়ী, দক্ষিণ ভারতের তেলঙ্গানায় ৮টি আসনে জিতবে এনডিএ জোট, অন্ধ্রপ্রদেশে ১৮টি আসনে বিজেপি জোট জিততে চলেছে। গুজরাটে এবারেও সবগুলি আসনই পেতে চলেছে বিজেপি। মোদি রাজ্যের ২৬টি আসনই যাচ্ছে গেরুয়া শিবিরের ঝুলিতে। অন্যদিকে, তামিলনাড়ুর মতো রাজ্যে বিজেপি জোটের ঝুলিতে (Lok Sabha Election 2024) আসবে ৫টি আসন। কেরালাতে এনডিএ জোট পাবে দুটি আসন।

    ‘ইন্ডি’ জোট পাবে ১০৫ আসন 

    নিউজ ১৮-র এই সমীক্ষায় (News 18 Mega Opinion Poll) আরও দেখা যাচ্ছে, কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ‘ইন্ডি’ জোট পেতে চলেছে মাত্র ১০৫ আসন। এর মধ্যে কংগ্রেস ৫০ আসন ডিঙোতে পারছে না। তারা ৪৯ আসনেই থেমে যাচ্ছে। সমীক্ষা (Opinion Poll) অনুযায়ী, ২০১৪ সালের পর এটাই হতে চলেছে কংগ্রেসের সবথেকে খারাপ ফল। অন্যদিকে যে দলগুলি ইন্ডি বা এনডিএ (Lok Sabha Election 2024) কোনও জোটেই নেই, সেই সমস্ত দলগুলি অর্থাৎ এআইএডিএমকে বা ডিএমকে, বহুজন সমাজবাদী পার্টি, ভারত রাষ্ট্র সমিতি, বিজেডি, ওয়াইএসআর কংগ্রেস এরা সবাই মিলে ২৭ আসন পেতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Vicious Dogs Breeding: হিংস্র ২৩ প্রজাতির কুকুর পোষা নিষিদ্ধ! কেন্দ্রের নোটিস গেল সমস্ত রাজ্যে

    Vicious Dogs Breeding: হিংস্র ২৩ প্রজাতির কুকুর পোষা নিষিদ্ধ! কেন্দ্রের নোটিস গেল সমস্ত রাজ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৩টি ‘ভয়ঙ্কর’ প্রজাতির কুকুরের প্রজনন (Vicious Dogs Breeding) এবং বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করল কেন্দ্র। নাগরিক সংগঠন, পশু প্রেমী সংগঠনগুলির সঙ্গে কথা বলে সরকার জানিয়েছে, হিংস্র জাতের কুকুর বিক্রি, প্রজনন ও আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারগুলিকে এই মর্মে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। বেশ কয়েকটি হিংস্র প্রজাতি যেমন- পিটবুল, রটওয়েলার, টেরিয়ার, ম্যাস্টিফ এবং তাঁদের ক্রস প্রজাতিগুলির উপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

    কেন এই নির্দেশ

    দিল্লি হাইকোর্টে এই বিষয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা হয়েছিল। সেই মামলার প্রেক্ষিতে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে কেন্দ্রের কাছে জবাব চেয়েছিল আদালত। কোন কোন প্রজাতির কুকুর ‘ভয়ঙ্কর’ এবং সেগুলি নিষিদ্ধ করা উচিত তা চিহ্নিত করার জন্য আদালতের নির্দেশে একটি প্যানেল গঠন করে কেন্দ্র। সেই প্যানেল জানায় ২৩টি প্রজাতির কুকুর ভয়ঙ্কর। এই কুকুরের প্রজাতিগুলি যে কেবল বিপজ্জনক তাই-ই নয়, এঁদের আক্রমণে মানুষের মৃত্যুও হতে পারে। পিটবুল নিয়ে বার বারই নানা অভিযোগ ওঠে। পিটবুলের হানায় আহত হয়েছেন এমন নানা ঘটনা রয়েছে। 

    কী বলেছে কেন্দ্র

    কেন্দ্রীয় মৎস্য এবং প্রাণিসম্পদ মন্ত্রক জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন নাগরিক মঞ্চ, নাগরিকগণ এবং পশুকল্যাণ সংস্থাগুলির থেকে তাদের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে যে, বেশ কিছু প্রজাতির পোষ্য কুকুরের (Pet Dogs) প্রজনন এবং বিক্রি বন্ধ করা প্রয়োজন। পশুপালন মন্ত্রকের তরফে সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে এই মর্মে চিঠিও পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, স্থানীয় প্রশাসনকে যেন এ জাতীয় কুকুর পোষার লাইসেন্স, বিক্রির অনুমতি এবং জন্মরোধে (Vicious Dogs Breeding) ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়। যাঁদের কাছে এই প্রজাতির কুকুর পোষ্য হিসাবে রয়েছে, সেই সব কুকুরের নির্বীজকরণের ব্যবস্থাও করাতে হবে।

    আরও পড়ুন: গঙ্গার নীচ দিয়ে ছুটল মেট্রো, নীল আলো জানান দিল ট্রেন নদীর তলায়

    কোন কোন প্রজাতি ‘ভয়ঙ্কর’ 

    বিভিন্ন প্রজাতির কুকুরকে ‘ভয়ঙ্কর’ (Vicious Dogs Breeding) বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। কেন্দ্র যে তালিকা দিয়েছে তার মধ্যে রয়েছে— পিটবুল টেরিয়ার, আমেরিকান বুলডগ, রটওয়েলার, তোসা ইনু, আমেরিকান স্ট্র্যাফোর্ডশায়ার টেরিয়ার, ফিলা ব্রাসিলেইরো, ডোগো আর্জেন্টিনো, বোয়ারবোয়েল কাঙ্গাল, সেন্ট্রাল এশিয়ান শেপার্ড, ককেশিয়ান শেপার্ড। এ ছাড়াও রয়েছে, সাউথ রাশিয়ান শেপার্ড, টর্নিয়াক, সারপ্ল্যানিনাচ, জাপানিজ তোসা, আকিতা, ম্যাস্টিফ, রোজেশিয়ান রিজব্যাক, উল্ফ ডগ, ক্যানারিয়ো, আকব্যাশ ডগ, মস্কো গার্ড ডগ, কেন করসো এবং ব্যানডগ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Temple: রামনবমীতে রেকর্ড ভিড়ের প্রত্যাশা, গুচ্ছ নিয়ম লাগু রাম মন্দির কর্তৃপক্ষের

    Ram Temple: রামনবমীতে রেকর্ড ভিড়ের প্রত্যাশা, গুচ্ছ নিয়ম লাগু রাম মন্দির কর্তৃপক্ষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় রামনবমী। তার আগেই অযোধ্যার রাম মন্দিরে ভক্তের ঢল। রামজন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট (মন্দিরের দায়িত্বে রয়েছে এই ট্রাস্টই) জানিয়েছে, প্রতিদিন এক থেকে দেড় লক্ষ মানুষ অযোধ্যায় আসছেন রাম মন্দির (Ram Temple) দর্শনে। রামনবমীতে সেই ভিড় ছাপিয়ে যাবে বলে ধারণা মন্দির কর্তৃপক্ষের। ফলে, আগাম কিছু নিয়ম লাগু করা হয়েছে রাম মন্দিরে। 

    ভিড় বাড়বে রামনবমীতে

    এপ্রিল মাসের ১৭ তারিখে রামনবমী। তাই এপ্রিল শুরু হলেই ভক্ত সংখ্যা বেড়ে ফি-দিন দু’লক্ষ বা তার বেশি হয়ে যাবে। ভক্তের ভিড় সামলাতে বেশ কিছু নিয়ম চালু করেছেন মন্দির কর্তৃপক্ষ। এগুলি হল, দেব দর্শন করা যাবে সকাল সাড়ে ছ’টা থেকে রাত সাড়ে ন’টা পর্যন্ত। মন্দিরে ঢোকার আগে ভক্তদের জুতো, মোবাইল ফোন, পার্স বাইরে রেখে আসতে হবে। ফুল-মালা কিংবা প্রসাদ নিয়ে মন্দিরে প্রবেশ করা যাবে না। বিগ্রহের শৃঙ্গার আরতি হবে সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে। শয়ন আরতি রাত ১০টায়।

    জারি গুচ্ছ নিয়ম

    শৃঙ্গার আরতি দেখতে হলে সংগ্রহ করতে হবে এন্ট্রি পাস। অন্য আরতি (Ram Temple) দেখার জন্য কোনও পাস লাগবে না। ট্রাস্টের ওয়েবসাইট থেকে এন্ট্রি পাস সংগ্রহ করতে হবে। এই পাসের জন্য প্রয়োজন হবে নাম, মোবাইল নম্বর ও আধারকার্ড। দেব দর্শন করতে হবে লাইন দিয়ে। অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে কেউ আগেভাগে দর্শন করতে পারবেন না। দেব দর্শন করতে হবে ৬০ থেকে ৭৫ মিনিটের মধ্যে। শারীরিকভাবে অসুস্থরা হুইল চেয়ারে বসে বিগ্রহ দর্শন করতে পারবেন।

    প্রসঙ্গত, ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় রাম মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিনই বিগ্রহে প্রাণপ্রতিষ্ঠাও করা হয়। তার পরের দিন থেকেই আমজনতার জন্য খুলে দেওয়া হয় মন্দিরের দ্বার। সেদিন থেকেই মন্দির প্রাঙ্গনে তিল ধারণের জায়গা নেই।

    আরও পড়ুুন: ‘‘আমি ইস্তফা দেব, আপনি দেবেন তো?’’ সিএএ ইস্যুতে মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    এদিকে, ভিড়ের কারণে যাঁরা অযোধ্যায় গিয়ে বালক রামের দর্শন করতে পারবেন না, তাঁদের জন্য সুখবর শুনিয়েছেন মন্দির কর্তৃপক্ষ। জানা গিয়েছে, দূরদর্শনে অযোধ্যার রাম মন্দিরের আরতি লাইভ সম্প্রচার করা হবে। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ছ’টা থেকে আধঘণ্টা ধরে দেখানো হবে ওই আরতি। রামনবমীর দিন থেকেই দূরদর্শনে লাইভ সম্প্রচার শুরু হবে আরতির। তাই অযোধ্যায় সশরীরে না গিয়েও রামলালার শৃঙ্গার আরতি ঘরে বসেই দর্শন করতে পারবেন ভক্তরা (Ram Temple)।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Ahmednagar: আহমেদনগর এখন থেকে অহল্যানগর, নয়া নামে সিলমোহর মহারাষ্ট্র মন্ত্রিসভার

    Ahmednagar: আহমেদনগর এখন থেকে অহল্যানগর, নয়া নামে সিলমোহর মহারাষ্ট্র মন্ত্রিসভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম মহারাষ্ট্রের আহমেদনগর (Ahmednagar) জেলার নাম পরিবর্তন করা হল। ১৮ শতাব্দীতে ইন্দোরের রানি ছিলেন অহল্যাদেবী হোলকার (Ahilya Devi Holkar)। তাঁর নামেই এই জেলার নামান্তর করে রাখা হচ্ছে অহল্যানগর (Ahilyanagar)। বুধবার মহারাষ্ট্রের মুখ্য়মন্ত্রী একনাথ শিন্ডে (Eknath Shinde) এই কথা জানান। এবার থেকে আহমেদনগর পরিচিত হবে অহল্যানগর নামে। অহল্যাদেবী হোলকারের ২৯৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানেই এই নয়া নামকরণের প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছিল।

    কেন এই নাম পরিবর্তন (Ahmednagar)

    মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে জানান, জেলার বাসিন্দাদের দাবি মেনে আহমেদনগরের (Ahmednagar) নাম পরিবর্তন করে অহল্যাদেবী হোলকর নগর করা হচ্ছে। তাঁর কথায়, ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ ও অহল্যাদেবী হোলকারের শাসনের আদর্শকে মাথায় রেখেই মহারাষ্ট্র এগিয়ে চলেছে। মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীস বলেন, “যদি অহল্যাদেবী হোলকার না থাকতেন, তবে কাশী বিশ্বনাথ মন্দির থাকত না। তাই তাঁকে স্মরণ করে এই নয়া নামকরণ করা হল।” মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের দফতর থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে সামাজিক মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে জানানো হয়, আহমেদনগরের (Ahmednagar) নাম ‘পুণ্যশ্লোক অহল্যাদেবী নগর’ করার বিষয়ে মন্ত্রিসভা অনুমোদন দিয়েছে ৷  

    অহল্যাদেবী হোলকারের পরিচয়

    মারাঠা রানি ছিলেন অহল্যাদেবী। ইন্দোরের প্রায় সবটা জুড়ে তাঁর রাজত্ব ছিল। তাঁর স্বামী খান্দেররাও হোলকারের মৃত্যুর পর তিনি রাজ্য শাসন করেন। তিনি রাজধানী পরিবর্তন করেছিলেন। তিনি চৌন্ডিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ইসলাম শাসকদের হাতে ধ্বংস হওয়া ভারতের শতাধিক হিন্দু মন্দিরের সংস্কার করেছিলেন তিনি। তাঁর সাহায্যেই কাশী বিশ্বনাথ মন্দির নতুন করে নির্মাণ করা হয়। 

    শিবাজির বিরুদ্ধে অভিযান 

    পুণে থেকে ১২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত আহমেদনগরের (Ahmednagar) নামকরণ করা হয়েছিল ১৫ শতাব্দীর শাসক আহমেদ নিজাম শাহের নাম থেকে। জানা যায়, জীবনের শেষলগ্নে মুঘল বাদশা আলমগীর ঔরঙ্গজেব দিল্লি ছেড়ে আহমেদনগরে এসে বসবাস শুরু করেন। ছত্রপতি শিবাজির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযান চালিয়েছিলেন এখান থেকেই। ১৭০৭ দশকে আহমেদনগরে প্রয়াত হন ঔরঙ্গজেব। এই জেলাতেই তাঁর সমাধি রয়েছে।

    আরও পড়ুন: বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন বারাকপুরের “বেতাজ বাদশা” অর্জুন সিং

    স্টেশনের নাম বদল

    এছাড়াও এদিন আরও কয়েকটি স্টেশনের নাম পরিবার্তন করা হয়। প্রস্তাব অনুযায়ী, কারি রোড স্টেশনের নাম পরিবর্তন করে হবে লালবাগ, স্যান্ডহার্স্ট রোড স্টেশনের নামকরণ করা হবে ডংরি, মেরিন লাইন স্টেশনের নাম মুম্বাদেবী, চার্নি রোড স্টেশনের নাম হবে গিরগাঁও, কটন গ্রিন স্টেশনের নাম হবে কালাচৌকি, ডকইয়ার্ড রোড স্টেশনের নাম মাজগাও এবং কিংস সার্কেল হবে তীর্থঙ্কর পরশনাথ। স্যান্ডহার্স্ট রোড স্টেশনটিকে দু’টি স্টেশন হিসাবে বিবেচনা করা হয়েছে ৷ কারণ, এটি সেন্ট্রাল এবং হারবার উভয় লাইনের সঙ্গে সংযুক্ত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • One Nation One Election: “ভারতের গণতন্ত্রে ঐতিহাসিক দিন”, এক দেশ এক ভোট প্রসঙ্গে বললেন শাহ

    One Nation One Election: “ভারতের গণতন্ত্রে ঐতিহাসিক দিন”, এক দেশ এক ভোট প্রসঙ্গে বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আজ ভারতের গণতন্ত্রের জন্য ঐতিহাসিক দিন।” বৃহস্পতিবার কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এদিন রাষ্ট্রপতির হাতে ‘এক দেশ, এক নির্বাচনে’র (One Nation One Election) রিপোর্ট তুলে দেন মোদি সরকারের গড়া কমিটির প্রধান প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। সেই প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়েই এমনতর মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    ‘ঐতিহাসিক দিন’ (One Nation One Election)

    এক্স হ্যান্ডেলে মোদির সেনাপতি (Amit Shah) লিখেছেন, “এটি দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন। আজ, ‘এক দেশ, এক নির্বাচনে’র জন্য উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গড়েছিল মোদি সরকার। কমিটির নেতৃত্বে ছিলেন রামনাথ কোবিন্দজি। তিনিই (One Nation One Election) মাননীয় রাষ্ট্রপতির হাতে রিপোর্টটি তুলে দেন।” এদিন কোবিন্দ যখন রাষ্ট্রপতির হাতে রিপোর্টটি তুলে দেন, তখন সেখানে শাহের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস ছেড়ে আসা প্রাক্তন সাংসদ গুলাম নবি আজাদও।

    কমিটির সদস্য

    রাষ্ট্রপতির হাতে যে রিপোর্টটি (One Nation One Election) তুলে দেওয়া হয়েছে, তার পৃষ্ঠা সংখ্যা ১৮ হাজার ৬২৬। ১৯১ দিন ধরে কমিটির সদস্যরা স্টেকহোল্ডার, বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেছেন। করেছেন রিসার্চ ওয়ার্কও। উল্লেখ্য, উচ্চ পর্যায়ের এই কমিটি গঠিত হয়েছিল গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর। কমিটিতে শাহ (Amit Shah) ও গুলাম নবি ছাড়াও ছিলেন ১৫তম ফিনান্স কমিশনের ভূতপূর্ব চেয়ারম্যান এনকে সিং, লোকসভার ভূতপূর্ব সেক্রেটারি জেনারেল সুভাষ সি কাশ্যপ, প্রবীণ আইনজীবী হর্ষ সালভে এবং প্রাক্তন মুখ্য ভিজিল্যান্স কমিশনার সঞ্জয় কোঠারি। বিশেষ আমন্ত্রিত সদস্য ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল। কমিটির সেক্রেটারি ছিলেন নিতিন চন্দ্র।

    আরও পড়ুুন: “৩৫টি প্লটের মালিক যে পরিবার, তাদের খাওয়ার অভাব?” অভিষেককে তোপ সুকান্তর

    কমিটির সদস্যরা দেশের ৪৭টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা বলেছেন। এর মধ্যে ৩২টি রাজনৈতিক দল লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে বিধানসভার ভোট করানোর পক্ষপাতী। বেশ কিছু রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ (One Nation One Election) নিয়ে বিশদে আলোচনা হয়েছে।

    ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ (One Nation One Election) নিয়ে দেশবাসীর প্রতিক্রিয়া জানতে দেশের প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছিল। অংশ নিয়েছিলেন ২১ হাজার ৫৫৮ জন। এঁদের ৮০ শতাংশই সব নির্বাচন এক সঙ্গে করানোর পক্ষপাতী। এই রিপোর্টে কমিটি বেশ কয়েকটি সুপারিশও করেছে। তার মধ্যে রয়েছে সব নির্বাচনের জন্য একটাই ইলেক্টোরাল রোল ও একটাই এপিকের ব্যবস্থা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
LinkedIn
Share