Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Bhopal: চাকরির টোপ দিয়ে যৌন চক্র চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার দুই বোন-সহ ৩

    Bhopal: চাকরির টোপ দিয়ে যৌন চক্র চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার দুই বোন-সহ ৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্ষণ, জোরপূর্বক ধর্মান্তরণ এবং অসহায় তরুণীদের চাকরির টোপ দিয়ে যৌন চক্র চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার মধ্যপ্রদেশের রাজধানী ভোপালের দুই বোন (Bhopal)। অভিযুক্ত আমরিন ও আফরিনকে পুলিশ তাদের সহযোগী চন্দন যাদব-সহ গ্রেফতার করে। ২১ ও ৩২ বছর বয়সী দুই মহিলাকে (Sex Racket Scandal) রবিবার রাতে গ্রেফতার করে বাগ সেওনিয়া থানায় হাজির করা হয়। আরও তিন অভিযুক্ত বিলাল, চানু ও ইয়াসির এখনও পলাতক।

    চাকরির টোপ দিয়ে ধরা হত শিকার (Bhopal)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আব্বাস নগরের একটি সাধারণ বস্তি এলাকায় বসবাসকারী এই দুই বোন সম্প্রতি ভোপালের সাগর রয়্যাল ভিলাসে একটি বিলাসবহুল ভিলায় উঠে যান। তদন্তকারীদের ধারণা, তরুণীদের শোষণ করে উপার্জিত অবৈধ অর্থেই এই স্থানান্তর সম্ভব হয়েছে।কর্তৃপক্ষের মতে, অভিযুক্তরা আর্থিকভাবে দুর্বল পরিবারের মেয়েদের টার্গেট করত। তাঁদের গৃহকর্মীর চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হত। মাসিক ১০ হাজার টাকা বেতন, বিনামূল্যে থাকা-খাওয়া এবং তথাকথিত হাই-প্রোফাইল জীবনযাপনের প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হত। যদিও চাকরির প্রতিশ্রুতি দ্রুতই দুঃস্বপ্নে পরিণত হত বলে অভিযোগ।

    কী বলছেন অভিযোগকারীরা

    দুই অভিযোগকারীরই দাবি, তাঁদের ধীরে ধীরে পার্টি, পাব ও লাউঞ্জে নিয়ে যাওয়া হত। সেখানে ধনী ব্যক্তিদের সঙ্গে মেলামেশার জন্য চাপ দেওয়া হত। এফআইআরে উল্লেখ করা হয়েছে, ভুক্তভোগীদের জোর করে মদ ও এমডি ড্রাগ সেবনে বাধ্য করা হত। একাধিক ক্ষেত্রে তাঁদের মাদক খাইয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ (Sex Racket Scandal)। ছত্তিশগড়ের মুঙ্গেলি জেলার এক অভিযোগকারীর (যিনি পেশায় বিউটিশিয়ান)দাবি, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে কাজ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে তাঁকে আহমেদাবাদে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে আমরিনের আত্মীয় ইয়াসির তাঁকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ। এছাড়া বিলাল এবং চানুও বিভিন্ন সময়ে তাঁকে যৌন নিপীড়ন করেছে বলেও জানান তিনি। অন্য এক অভিযোগকারী (যিনি আমরিনের বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন) পুলিশকে জানান, আমরিন তাঁকে একা রেখে যাওয়ার পর নারায়ণ নগরে চন্দন যাদবের বোনের বাড়িতে চন্দন তাঁকে ধর্ষণ করে। তাঁর দাবি, মুখ খুললে তাঁকে প্রাণনাশ ও মানহানির হুমকিও দেওয়া হয়েছিল (Bhopal)।

    জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণ

    এই মামলার সব চেয়ে গুরুতর অভিযোগগুলির একটি হল জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণ। এফআইআর অনুযায়ী, চন্দন যাদব এক ভুক্তভোগীকে (Sex Racket Scandal) বলেন, “আমি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছি। তুমিও মুসলিম হয়ে যাও। তোমার ভালো পরিবারে বিয়ে দেব।” ভুক্তভোগী জানান, চাপের মুখে তিনি ধর্মান্তরিত হন এবং পরে তাঁকে বোরখা পরতে ও নমাজ আদায় করতে বাধ্য করা হয়। পুলিশ জোরপূর্বক ধর্মান্তর ও ধর্ষণ সংক্রান্ত প্রাসঙ্গিক ধারায় তদন্ত করছে। সোমবার গ্রেফতারের সময় পুলিশ আমরিন, আফরিন ও চন্দনের মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করে। আধিকারিকরা জানান, আমরিনের ফোনে একাধিক সন্দেহজনক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ পাওয়া গিয়েছে, যেখানে বহু তরুণীর ছবি ছিল বলে অভিযোগ। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই চক্রটি রাজ্যের সীমা ছাড়িয়ে বৃহত্তর নেটওয়ার্ক হিসেবে কাজ করছিল। ভুক্তভোগীদের দাবি, তাঁদের গুজরাট ও মুম্বইয়ে নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন অজুহাতে (Bhopal) অচেনা ব্যক্তিদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হত (Sex Racket Scandal)।

    চাকরি ছাড়ার কথা বললেই হুমকি

    ভুক্তভোগীরা পুলিশ ও সংবাদমাধ্যমকে জানান, তাঁরা চাকরি ছাড়ার কথা বললেই হুমকি দেওয়া হত। আপত্তিকর অবস্থায় তাঁদের ছবি তুলে ব্ল্যাকমেল করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। অতিরিক্ত ডেপুটি পুলিশ কমিশনার গৌতম সোলাঙ্কি জানান, বাগ সেওনিয়া থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। তিনি বলেন, “মহিলা অভিযোগকারী ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেছেন। মামলা রুজু হয়েছে এবং তদন্ত চলছে। ভুক্তভোগী অভিযুক্ত মহিলার বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে (Bhopal)।” পুলিশ এখন অভিযুক্তদের আর্থিক লেনদেন, ভ্রমণ রেকর্ড এবং ডিজিটাল যোগাযোগ খতিয়ে দেখছে। জানতে চাইছে, এটি বিচ্ছিন্ন কোনও অপরাধচক্র নাকি বৃহত্তর আন্তঃরাজ্য নেটওয়ার্কের অংশ (Sex Racket Scandal)।

     

  • Kerala: কেরলের নাম পরিবর্তন করে ‘কেরালম’ করার প্রস্তাব অনুমোদিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায়

    Kerala: কেরলের নাম পরিবর্তন করে ‘কেরালম’ করার প্রস্তাব অনুমোদিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরল (Kerala) রাজ্যের নাম পরিবর্তন করে ‘কেরালম’ (Keralam) করার প্রস্তাব অনুমোদন করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় এই প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর, সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩-এর প্রস্তাবনা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ‘কেরালা (নাম পরিবর্তন) বিল, ২০২৬’-টি কেরল বিধানসভায় পাঠাবেন তাঁদের মতামত জানার জন্য।

    নাম বদল (Kerala)

    বিধানসভার মতামত পাওয়ার পর ভারত  সরকার পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং রাজ্যের আনুষ্ঠানিক নাম পরিবর্তনের জন্য সংসদে বিলটি উপস্থাপনের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতির সুপারিশ চাইবে। কেরল (Kerala) বিধানসভা ২৪ জুন, ২০২৪ তারিখে একটি প্রস্তাব পাস করে রাজ্যের নাম পরিবর্তনের অনুরোধ জানিয়েছিল। প্রস্তাবে বলা হয়: “আমাদের রাজ্যের নাম মালয়ালম ভাষায় ‘কেরালম’। ১ নভেম্বর ১৯৫৬ সালে ভাষার ভিত্তিতে রাজ্যগুলির গঠন করা হয়। কেরল পিরাভি দিবসও ১ নভেম্বর পালিত হয়। জাতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় থেকেই মালয়ালমভাষী জনগণের জন্য একীভূত কেরল গঠনের জোরালো দাবি ছিল। কিন্তু সংবিধানের প্রথম তফসিলে আমাদের রাজ্যের নাম ‘কেরালা’ হিসেবে লিপিবদ্ধ রয়েছে। এই বিধানসভা সর্বসম্মতিক্রমে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী ‘কেরালা’ (Kerala) নাম পরিবর্তন করে ‘কেরালম’ করার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন জানাচ্ছে।”

    নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবে সম্মতি

    পরবর্তী কালে কেরল সরকার বিধানসভার প্রস্তাবের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সংবিধানের প্রথম তফসিল সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে ভারত সরকারের কাছে অনুরোধ জানায় (Keralam)। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী সংসদ যে কোনও রাজ্যের নাম পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখে। এই অনুচ্ছেদের প্রস্তাবনা অনুসারে, কোনও রাজ্যের নাম, এলাকা বা সীমানা প্রভাবিত করে এমন কোনও বিল প্রথমে রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের বিধানসভায় পাঠাতে হয়, যাতে তারা নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে তাদের মতামত জানাতে পারে। এই বিষয়টি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের মাধ্যমে পর্যালোচনা করা হয় এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অনুমোদনক্রমে আইন ও বিচার মন্ত্রকের আইন বিষয়ক দফতর এবং আইন প্রণয়ন বিভাগে পরামর্শের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উভয় দফতরই ‘কেরালা’ (Kerala) থেকে ‘কেরালম’ (Keralam) নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছে।

     

  • Canada: কার্নির ভারত সফরের আগে ২৬/১১ হামলার মূলচক্রী তাহাউর রানার নাগরিকত্ব বাতিলের প্রস্তুতি কানাডার

    Canada: কার্নির ভারত সফরের আগে ২৬/১১ হামলার মূলচক্রী তাহাউর রানার নাগরিকত্ব বাতিলের প্রস্তুতি কানাডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৬/১১ মুম্বই জঙ্গি হামলার মূলচক্রী তাহাউর রানার (Tahawwur Rana) নাগরিকত্ব বাতিলের প্রস্তুতি নিচ্ছে কানাডা (Canada)। কয়েক দিনের মধ্যেই ভারত সফরে আসার কথা কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির। তাঁর সেই সফরের আগে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে কানাডা তাঁর নাগরিকত্ব বাতিলের তোড়জোড় করছে। বর্তমানে ভারতে বন্দি রয়েছেন রানা। কানাডা সরকারের এই সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে জানানোও হয়েছে তাঁকে। বছর চৌষট্টির রানা জন্মেছিলেন পাকিস্তানে। পরে কানাডীয় নাগরিকত্ব নেন। ২০০৮ সালের মুম্বই জঙ্গি হামলার অন্যতম প্রধান ষড়যন্ত্রী ডেভিড কোলম্যান হেডলি ওরফে দাউদ গিলানির ঘনিষ্ঠ সহযোগী। হেডলি মার্কিন নাগরিক।

    রানার বিরুদ্ধে অভিযোগ (Canada)

    গ্লোবাল নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কানাডার অভিবাসন কর্তৃপক্ষ রানার বিরুদ্ধে নাগরিকত্ব অর্জনের ক্ষেত্রে মিথ্যা তথ্য প্রদানের অভিযোগ এনেছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, ২০০১ সালে কানাডীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার সময় রানা তাঁর বসবাস ও ভ্রমণ সংক্রান্ত ভুয়ো তথ্য দিয়েছিলেন। রানা দাবি করেছিলেন যে, তিনি আগের চার বছর অটোয়া ও টরন্টোয় বসবাস করেছেন—যা অভিবাসন কর্তাদের মতে অসত্য। তিনি আরও জানান যে, তিনি কানাডার বাইরে মাত্র ছ’দিন ছিলেন, অথচ জানা গিয়েছে, তিনি শিকাগোয় বসবাস করছিলেন। সেখানে সম্পত্তিও রয়েছে তাঁর (Canada)। অভিবাসন বিভাগ কথিত জালিয়াতি ও মিথ্যা তথ্য প্রদানের বিষয়ে একটি বিশদ প্রতিবেদন আদালতে জমা দিয়েছে। এখন আদালতের হাতেই রানার কানাডীয় নাগরিকত্ব বাতিলের ক্ষমতা রয়েছে। বিচার বিভাগীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন (Tahawwur Rana) হলে রানা আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর নাগরিকত্ব হারাবেন বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

    রানা বর্তমানে তিহার জেলে

    চলতি বছরের শুরুতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতে ফিরিয়ে আনার পর পাক-বংশোদ্ভূত কানাডীয় ব্যবসায়ী রানা বর্তমানে তিহার জেলে আটক রয়েছেন, যেখানে তদন্তকারীরা তাঁকে বিস্তারিতভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর ১০ এপ্রিল তাঁকে আমেরিকা থেকে ভারতে প্রত্যর্পণ করা হয়। এর আগে ভারত-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় ভারতীয় কর্তৃপক্ষ প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শুরু করলে তাকে লস অ্যাঞ্জেলেসের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়েছিল। প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া বিলম্বিত করতে রানা সব ধরনের আইনি সুযোগ ব্যবহার করেছিলেন, যার ফলে প্রক্রিয়াটি দীর্ঘায়িত হয়। সব আইনি পথ শেষ হলে তাঁকে ভারতে পাঠানো হয় এবং বিচার বিভাগীয় হেফাজতে নেওয়া হয় (Canada)।

    তদন্তকারীরা মামলার তদন্তে সংগৃহীত বিভিন্ন সূত্র খতিয়ে দেখছেন, যার মধ্যে রানা ও সহ-অভিযুক্ত ডেভিড কোলম্যান হেডলি ওরফে দাউদ গিলানির মধ্যে হওয়া বহু টেলিফোন কথোপকথনের প্রমাণও রয়েছে। হেডলি বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সাজা ভোগ করছেন (Tahawwur Rana)। রানার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি হেডলি, লস্কর-ই-তৈবা, হরকত-উল-জিহাদি ইসলামি-সহ পাকিস্তানভিত্তিক অন্য সন্দেহভাজনদের সঙ্গে মিলে মুম্বইয়ে প্রাণঘাতী হামলার (Canada) পরিকল্পনা করেছিলেন।

     

  • Asset Monetization Plan: সরকারি সম্পদ নগদীকরণ কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়ের নকশা প্রকাশ নির্মলা সীতারামনের

    Asset Monetization Plan: সরকারি সম্পদ নগদীকরণ কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়ের নকশা প্রকাশ নির্মলা সীতারামনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সরকারি সম্পদ নগদীকরণ (Public Asset Monetisation) কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়ের (Centre) নকশা প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এই পর্যায়ে ২০৩০ অর্থবর্ষের মধ্যে ১০.৮২ লাখ কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া বেসরকারি খাতের ব্যবস্থাপনায় দেওয়া সম্পদের পূর্ণ কনসেশন মেয়াদে অতিরিক্ত ৫.৯ লাখ কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। নীতি আয়োগ প্রস্তুত করা এই পরিকল্পনা প্রথম পর্যায়ের অর্থবর্ষ ২০২২–২৫-এর  তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বড় আকারের, যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬ লাখ কোটি টাকা।

    সুব্রহ্মণ্যমের বক্তব্য (Asset Monetization Plan)

    নীতি আয়োগের প্রধান এক্সিকিউটিভ বিভি আর সুব্রহ্মণ্যম জানান, আগের লক্ষ্যের ৮৯ শতাংশ অর্জিত হয়েছে এবং মূলত সড়কপথ, কয়লা, খনি, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস খাত থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে ৫.৩ লাখ কোটি টাকা। মোট ১৬.৭২ লাখ কোটি টাকার নগদীকরণ (Asset Monetization Plan) লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে হস্তান্তরিত সম্পদের নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বেসরকারি খাতের ৫.৮ লাখ কোটি টাকার বিনিয়োগও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার এই কর্মসূচি থেকে বছরে প্রায় ৮০,০০০–৯০,০০০ কোটি টাকা আয়ের আশা করছে। শুধু ২০২৫–২৬ অর্থবর্ষেই ২.৪৯ লাখ কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্য রাখা হয়েছে (Centre)।

    সম্পদের আইনি মালিকানা বিক্রি করা হচ্ছে না

    গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এই কর্মসূচির মাধ্যমে সম্পদের আইনি মালিকানা বিক্রি করা হচ্ছে না। নির্দিষ্ট কনসেশন সময়ের জন্য—সাধারণত ১৫ থেকে ৩৫ বছর—সম্পদ বেসরকারি খাতের কাছে হস্তান্তর করা হবে। মেয়াদ শেষে সম্পদ আবার সরকারের মালিকানায় ফিরে আসবে। সুব্রহ্মণ্যম বলেন, “সম্পদ আপনারই থাকে, এটাই সবচেয়ে বড় সুবিধা।” তিনি একে বিনিয়োজন (Disinvestment) থেকে আলাদা বলে ব্যাখ্যা করেন (Asset Monetization Plan)। এই পরিকল্পনা ১২টি খাত জুড়ে বিস্তৃত—যেমন সড়কপথ, রেলপথ, বিদ্যুৎ, বন্দর, বেসামরিক বিমান পরিবহন, টেলিযোগাযোগ, কয়লা, খনি, গুদামজাতকরণ এবং নগর পরিকাঠামো। মোট লক্ষ্যমাত্রার এক-চতুর্থাংশেরও বেশি আসবে সড়কপথ, মাল্টিমোডাল লজিস্টিকস পার্ক এবং রোপওয়ে খাত থেকে। রেল, বিদ্যুৎ ও বন্দর-এই খাতগুলির (Asset Monetization Plan) অবদান হবে ১৬–১৭ শতাংশ করে (Centre)।

     

  • C Rajagopalachari: রাষ্ট্রপতি ভবনে বসল রাজাগোপালাচারীর আবক্ষ মূর্তি, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    C Rajagopalachari: রাষ্ট্রপতি ভবনে বসল রাজাগোপালাচারীর আবক্ষ মূর্তি, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসকে সম্মান জানিয়ে সি রাজাগোপালাচারীর (C Rajagopalachari) আবক্ষ মূর্তি স্থাপন করা হল রাষ্ট্রপতি ভবনে। দেশবাসীর কাছে তিনি পরিচিত ছিলেন রাজাজি নামে। রাষ্ট্রপতি ভবনে তাঁর মূর্তি বসানোটা এক রাষ্ট্রনায়কের স্বীকৃতির প্রতীক, যিনি স্বাধীনতা সংগ্রামী, প্রশাসক, দার্শনিক ও রাজনৈতিক সংস্কারক হিসেবে নানা ভূমিকায় দেশসেবা করেছেন।

    একমাত্র ভারতীয় গভর্নর-জেনারেল (C Rajagopalachari)

    স্বাধীনতার পরে একমাত্র ভারতীয় হিসেবে গভর্নর-জেনারেল পদে অধিষ্ঠিত হওয়ায় রাজাগোপালাচারী ভারতীয় ইতিহাসে এক অনন্য ব্যক্তিত্ব। তাঁর দায়িত্বকাল ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন থেকে পূর্ণ সার্বভৌম প্রজাতন্ত্রে ভারতের উত্তরণের শেষ পর্যায়কে চিহ্নিত করে। রাষ্ট্রপতি ভবনে তাঁর আবক্ষ মূর্তি স্থাপন শাসনব্যবস্থা ও জনজীবনে তাঁর অবদানের স্থায়ী প্রাসঙ্গিকতাকেই তুলে ধরে (Rashtrapati Bhavan)। ১৮৭৮ সালের ১০ ডিসেম্বর বর্তমান তামিলনাড়ুর কৃষ্ণগিরি জেলায় জন্মগ্রহণ করেন রাজাগোপালাচারী। সাধারণ পরিবারে জন্ম হলেও শিক্ষা ও মেধার জোরে তিনি দ্রুত উত্থান ঘটান। আইনজীবী হিসেবে প্রশিক্ষিত রাজাজি তীক্ষ্ণ আইনি যুক্তি ও নৈতিক দৃঢ়তার জন্য খ্যাতি অর্জন করেন। মহাত্মা গান্ধীর প্রভাবেই তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়। অহিংসা ও জাতীয় স্বনির্ভরতার ক্ষেত্রে গান্ধীর আদর্শ তাঁর চিন্তাধারাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। ক্রমে তিনি স্বাধীনতা আন্দোলনে গান্ধীর অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহচর ও বিশ্বস্ত সহযোগী হয়ে ওঠেন।

    কৃতী লেখক ও চিন্তাবিদ

    রাজনীতি ছাড়াও রাজাগোপালাচারী ছিলেন একজন কৃতী লেখক ও চিন্তাবিদ। ভারতীয় দর্শন ও সাহিত্য ঐতিহ্যে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে (Rashtrapati Bhavan)। ভারতের সাংবিধানিক ইতিহাসে তিনি একমাত্র ভারতীয়, যিনি গভর্নর-জেনারেল পদে অধিষ্ঠিত হন। ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার পর প্রথমে এই পদে ছিলেন মাউন্টব্যাটেন। ১৯৪৮ সালে মাউন্টব্যাটেন পদত্যাগ করলে রাজাগোপালাচারী তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন এবং প্রথম ও একমাত্র ভারতীয় হিসেবে এই পদে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৪৮ থেকে ১৯৫০ সাল পর্যন্ত তিনি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক রূপান্তর তত্ত্বাবধান করেন (C Rajagopalachari)। ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে প্রজাতন্ত্রে পরিণত হলে সংবিধান কার্যকর হয় এবং গভর্নর-জেনারেলের পদ বিলুপ্ত হয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় রাষ্ট্রপতির পদ। এর ফলে ঔপনিবেশিক শাসনকাঠামোর অবসান ঘটে।

    প্রশাসনিক সংস্কার

    গভর্নর-জেনারেল পদ ছাড়াও তাঁর প্রশাসনিক জীবন ছিল বিস্তৃত। ১৯৩৭ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের পর তিনি ব্রিটিশ শাসনাধীন মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সির প্রিমিয়ার (বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর সমতুল্য) হন। তাঁর সময়ে প্রশাসনিক সংস্কার ও শিক্ষা উদ্যোগের ক্ষেত্রে ব্যাপক গুরুত্ব দেওয়া হয় (Rashtrapati Bhavan)। স্বাধীনতার পর ১৯৫২ সালের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে তিনি সংসদে প্রবেশ করেন এবং পরে মাদ্রাজ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর শাসনশৈলী ছিল আর্থিক শৃঙ্খলা, কঠোর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ এবং শিক্ষা ও গ্রামীণ উন্নয়নে জোর দেওয়ার জন্য পরিচিত (C Rajagopalachari)। জাতীয় আন্দোলনের শীর্ষ নেতা হয়েও পরবর্তীকালে প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর সঙ্গে তাঁর মতপার্থক্য দেখা দেয়। কংগ্রেস নেতৃত্বের প্রচারিত অতিরিক্ত রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রণ ও সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতির নীতির তিনি সমালোচক ছিলেন। তিনি মুক্ত বাজারনীতি, বিকেন্দ্রীকরণ ও ব্যক্তিস্বাধীনতার পক্ষে সওয়াল করেন।

    কংগ্রেস পার্টি ত্যাগ

    এই আদর্শগত মতভেদের ফলেই তিনি কংগ্রেস পার্টি ত্যাগ করেন। ১৯৫৯ সালে তিনি স্বতন্ত্র পার্টি (Swatantra Party) প্রতিষ্ঠা করেন, যা স্বাধীনোত্তর ভারতের প্রাথমিক সংগঠিত বিরোধী দলগুলির একটি হয়ে ওঠে। সমাজতান্ত্রিক নীতির প্রাধান্যের সময়ে দলটি বাজারমুখী অর্থনীতি ও সীমিত সরকারি হস্তক্ষেপের পক্ষে অবস্থান নেয়। যদিও পরবর্তী কালে স্বতন্ত্র পার্টির প্রভাব (Rashtrapati Bhavan) কমে যায়, তবুও গণতান্ত্রিক বিতর্ক ও শক্তিশালী বিরোধী রাজনীতির বিকাশে দলটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে (C Rajagopalachari)। রাজাগোপালাচারীর উত্তরাধিকার তাঁর পদগুলির সীমা ছাড়িয়ে বিস্তৃত। তিনি নীতিবান রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে স্মরণীয়, যিনি বুদ্ধিবৃত্তিক গভীরতা ও রাজনৈতিক বাস্তববোধকে একত্রিত করেছিলেন। ইতিহাসবিদরা তাঁকে প্রায়ই সেই প্রজন্মের শেষ প্রতিনিধিদের একজন হিসেবে বর্ণনা করেন, যাঁরা ভারতকে ঔপনিবেশিক শাসন থেকে স্বশাসনের পথে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, রাষ্ট্রপতি ভবনে তাঁর আবক্ষ মূর্তির উন্মোচন কেবল তাঁর কৃতিত্বের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নয়, বরং আধুনিক ভারত গঠনে ভূমিকা রাখা বহুমাত্রিক আদর্শিক ঐতিহ্যেরও স্মারক। স্বাধীনতার সাত দশকেরও বেশি সময় পরেও (Rashtrapati Bhavan) রাজাগোপালাচারী সাংবিধানিক শাসন, নীতিনিষ্ঠ রাজনীতি (C Rajagopalachari) ও বৌদ্ধিক নেতৃত্বের প্রতীক হয়ে রয়েছেন।

     

  • Youth Congress: এআই সম্মেলনে শার্টবিহীন বিক্ষোভ, গ্রেফতার যুব কংগ্রেসের জাতীয় সভাপতি

    Youth Congress: এআই সম্মেলনে শার্টবিহীন বিক্ষোভ, গ্রেফতার যুব কংগ্রেসের জাতীয় সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুব কংগ্রেসের (Youth Congress) জাতীয় সভাপতি উদয় ভানু চিবকে গ্রেফতার করল দিল্লি পুলিশ। মঙ্গলবার ভোরে ধরা হয় তাঁকে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে (AI Summit) প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়া এবং শার্টবিহীন বিক্ষোভের ঘটনায় এটি অষ্টম গ্রেফতার।

    কাকভোরে গ্রেফতার কংগ্রেস নেতা (Youth Congress) 

    সূত্রের খবর, প্রায় ২০ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর যুব কংগ্রেস প্রধানকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের অভিযোগ, তিনি তদন্তে সহযোগিতা করছিলেন না। তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি ষড়যন্ত্র, কর্তব্যরত সরকারি কর্মীকে স্বেচ্ছায় আঘাত করা, সরকারি কাজে বাধা দেওয়া এবং ইচ্ছাকৃত অবাধ্যতার অভিযোগ আনা হয়েছে। কংগ্রেস সাংসদ শশীকান্ত সেন্টিলের দাবি, ভোর সাড়ে ৪টা নাগাদ দিল্লি পুলিশ উদয় ভানুকে তুলে নিয়ে যায় এবং প্রায় ২০ ঘণ্টা হেফাজতে রাখে। সূত্রের খবর, উদয় ওই পরিকল্পনায় যুক্ত ছিলেন, এমন প্রমাণ মিলেছে। দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে। তাই তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করা দরকার বলে পুলিশ সূত্রের খবর। তাছাড়া পুলিশ একে সাধারণ বিক্ষোভ হিসেবে দেখছে না, বরং এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে ((AI Summit)) বিশ্বনেতাদের (Youth Congress) সামনে ইচ্ছাকৃতভাবে ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা হয়েছে কি না, সেই দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চে হস্তান্তর

    এই মামলাটি দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চে হস্তান্তর করা হয়েছে। ক্রাইম ব্রাঞ্চের ইন্টার-স্টেট সেল (ISC) পরবর্তী তদন্ত করবে। ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হওয়া সাতজনেরই যুব কংগ্রেসের সঙ্গে যোগ রয়েছে। উদয় ভানুকে তাঁদের (AI Summit) সবার মুখোমুখি করা হবে বলে সূত্রের খবর। সূত্রের বক্তব্য, অন্য অভিযুক্তদের সঙ্গে মুখোমুখি জেরা না করা পর্যন্ত পরিকল্পনা কোথায়, কখন এবং কীভাবে হয়েছে, তা স্পষ্ট হবে না। দিল্লি পুলিশ সকাল ১০টায় পাটিয়ালা হাউস কোর্টে উদয় ভানুকে হাজির করে এবং তাঁকে মূলচক্রী আখ্যা দিয়ে সাত দিনের পুলিশি হেফাজত চায়। পুলিশ আদালতে জানায়, দেশের বিভিন্ন প্রান্তের লোকজন এতে জড়িত এবং তদন্তের জন্য অভিযুক্তকে একাধিক জায়গায় নিয়ে যেতে হবে (Youth Congress)।

    এআই সামিট

    পুলিশ আরও জানায়, এআই সামিটে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন এবং বিভিন্ন রাজ্য থেকে বিক্ষোভকারীরা জড়ো হয়েছিল (AI Summit)। অন্যদিকে, উদয় ভানুর আইনজীবীর দাবি, তিনি ইন্ডিয়ান যুব কংগ্রেসের জাতীয় সভাপতি হলেও বিক্ষোভস্থলে উপস্থিত ছিলেন না এবং বিক্ষোভ সংক্রান্ত কোনও নির্দেশও দেননি। আইনজীবী আদালতে বলেন, “তিনি কারও সঙ্গে যোগাযোগ করেননি, কোনও নির্দেশও দেননি।” তাঁর বক্তব্য, আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে বিক্ষোভ হওয়া অস্বাভাবিক নয়। ওই আইনজীবী বলেন, “ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ। এখানে প্রতিবাদ করার অধিকার রয়েছে, এটা বিশ্ববাসীও স্বীকার করে (Youth Congress)।” এর আগে দিল্লি পুলিশ বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা প্রকাশ করে জানায়, নেপালের ‘জেন জি’ আন্দোলন থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়া হয়েছে—যে আন্দোলন সম্প্রতি সেখানকার সরকার পতনে ভূমিকা রেখেছে (AI Summit)।

    বড় ষড়যন্ত্র

    পুলিশ আদালতে জানায়, “এটি একটি বড় ষড়যন্ত্র। অভিযুক্তদের একে অপরের মুখোমুখি এবং ডিজিটাল প্রমাণের সঙ্গে মিলিয়ে জেরা করা জরুরি। এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তদন্ত।” দিল্লি পুলিশের বিশেষ নজরে আসে সামিটে পরা টি-শার্টগুলির মুদ্রণ খরচ কে বহন করেছে। টি-শার্টে লেখা ছিল—“পিএম ইজ কম্প্রোমাইজড”, “ইন্ডিয়া ইউএস ট্রেড ডিল”, এবং “এপস্টেইন ফাইলস”। যুব কংগ্রেস প্রধানের গ্রেফতারের পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং রাহুল গান্ধীকে ‘মানসিকভাবে অস্থির’ বলে কটাক্ষ করেন। বলেন, “লোকসভায় বিরোধী দলনেতা হয়তো এবার অন্তর্বাস পরেই সংসদে আসবেন (Youth Congress)।” গ্রেফতারি নিয়ে কংগ্রেস নেতা পবন খেরা বলেন, “শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ করায় যদি সমস্যা হয়, তা লজ্জাজনক (AI Summit)।”

    এর আগে শার্টবিহীন বিক্ষোভ ঘিরে রাজনৈতিক বাকযুদ্ধ শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, “কংগ্রেস ইতিমধ্যেই নগ্ন’। রাহুল গান্ধী একে অহিংস, গণতান্ত্রিক কর্মসূচি এবং ‘গণতন্ত্রের ভিত্তি’ বলে বর্ণনা করেন।” মিরাটে এক জনসভায় মোদি বলেন, “ভারতের একটি বৈশ্বিক অনুষ্ঠানকে কংগ্রেস তাদের নোংরা ও নগ্ন রাজনীতির মঞ্চে পরিণত করেছে। বিদেশি অতিথিদের সামনে তারা নগ্ন হয়ে হাজির হয়েছিল। দেশ জানে (AI Summit) আপনারা নগ্ন, তাহলে পোশাক খোলার প্রয়োজন কী ছিল (Youth Congress)?”

     

  • Prahaar: ভারতের প্রথম সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী নীতি ‘প্রহার’ প্রকাশ কেন্দ্রের, নাশকতায় ‘জিরো টলারেন্সে’ জোর

    Prahaar: ভারতের প্রথম সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী নীতি ‘প্রহার’ প্রকাশ কেন্দ্রের, নাশকতায় ‘জিরো টলারেন্সে’ জোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রথম পূর্ণাঙ্গ সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী নীতি ‘প্রহার’ (PRAHAAR) প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক (MHA)। এই নীতির মূল লক্ষ্য— সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় “জিরো টলারেন্স” (Zero Tolerance) অবস্থান বজায় রেখে ডিজিটাল যুগে গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক প্রতিরোধ, সমন্বিত প্রশাসনিক ব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা। নীতিটি এমন সময়ে প্রকাশ পেল, যখন একদিন আগেই ভারতীয় সেনা, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফের যৌথ অভিযানে কিশতওয়ার জেলায় তিন জঙ্গি খতম হয়। নিহতদের মধ্যে একজন কুখ্যাত লস্কর কমান্ডার সইফুল্লা বলে শনাক্ত হয়েছে।

    প্রহার (PRAHAAR) কী?

    ‘প্রহার’ (হিন্দিতে যার অর্থ আঘাত) নামে এই নীতিতে একটি বহুস্তরীয় কৌশল নির্ধারণ করা হয়েছে, যার লক্ষ্য সন্ত্রাসবাদী, তাদের অর্থ জোগানদাতা ও সমর্থকদের অর্থ, অস্ত্র এবং নিরাপদ আশ্রয় পাওয়ার সুযোগ বন্ধ করা। মন্ত্রক স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, এই সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী কৌশল কয়েকটি মূল আদর্শের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এর মধ্যে রয়েছে প্রতিরোধ, দ্রুত প্রতিক্রিয়া, অভ্যন্তরীণ সক্ষমতার সমন্বয় ইত্যাদি।

    সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে ‘প্রহার’ (PRAHAAR)-এর পূর্ণ অর্থ হল:

    • P – প্রিভেনশন (Prevention) বা প্রতিরোধ: ভারতীয় নাগরিক ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় আগাম সন্ত্রাসী হামলা ঠেকানো
    • R – রেসপন্স (Response) বা প্রতিক্রিয়া: হুমকির মাত্রা অনুযায়ী দ্রুত ও উপযুক্ত জবাব
    • A – অ্যাগ্রিগেশন (Aggregation) বা সমন্বয়: সমগ্র সরকারের সমন্বিত অংশগ্রহণে অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা একত্রিত করা
    • H – হিউম্যান রাইটস (Human Rights) বা মানবাধিকার ও আইনের শাসন: আইনসম্মত ও মানবাধিকারভিত্তিক প্রক্রিয়ায় সন্ত্রাস মোকাবিলা
    • A – অ্যাটেনুয়েশন (Attenuation) বা কারণ দুর্বল করা: উগ্রপন্থা ও মৌলবাদের উৎসগুলো কমিয়ে আনা
    • A – অ্যালাইনমেন্ট (Alignment) বা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা: বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী উদ্যোগের সঙ্গে সামঞ্জস্য ও নেতৃত্ব
    • R – রিকভারি (Recovery) বা পুনরুদ্ধার: সমাজভিত্তিক অংশগ্রহণে স্থিতিস্থাপকতা ও পুনর্গঠন

    এই কাঠামো স্পষ্ট করে যে, নীতিটি শুধু নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান নয়, বরং প্রশাসনিক, সামাজিক ও কূটনৈতিক স্তরেও সমন্বিত উদ্যোগের কথা বলছে।

    সীমান্ত পারের “স্পনসরড টেররিজম”-এর উল্লেখ

    নীতিনথিতে বলা হয়েছে, ভারতের আশপাশের অঞ্চলে “ছিটেফোঁটা অস্থিরতার ইতিহাস” রয়েছে এবং কয়েকটি দেশ কখনও কখনও “রাষ্ট্রনীতির হাতিয়ার হিসেবে সন্ত্রাসবাদ ব্যবহার করেছে।” এতে সীমান্তপারের “স্পনসরড টেররিজম”-এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে জিহাদি সংগঠন ও তাদের সহযোগী নেটওয়ার্ক ভারতের নিরাপত্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। “ভারত সবসময় সন্ত্রাসবাদের শিকারদের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে বিশ্বের কোথাও হিংসার কোনও যুক্তি থাকতে পারে না,” নথিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ভারতের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির পুনরুল্লেখ করা হয়েছে। তবে একই সঙ্গে মন্ত্রক জোর দিয়ে জানিয়েছে, “ভারত সন্ত্রাসবাদকে কোনও নির্দিষ্ট ধর্ম, জাতিসত্তা, জাতীয়তা বা সভ্যতার সঙ্গে যুক্ত করে না।” এটি নীতিগতভাবে ভারতের অবস্থানকে ধর্মনিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলে।

    প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ: ডার্ক ওয়েব ও ক্রিপ্টো অর্থনীতি

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নীতিনথিতে উল্লেখ করেছে যে, আধুনিক সন্ত্রাসবাদ এখন কেবল অস্ত্রনির্ভর নয়, বরং প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠেছে। আল কায়েদা (Al-Qaeda) ও ইসলামিক স্টেট (ISIS)-এর মতো সংগঠন বিদেশ থেকে পরিচালিত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভারতের ভেতরে হামলার ষড়যন্ত্র করছে বলে দাবি করা হয়েছে।

    নথিতে বলা হয়েছে—

    • ● ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে পাঞ্জাব ও জম্মু-কাশ্মীরে অস্ত্র ও বিস্ফোরক পাচার
    • ● সামাজিক মাধ্যম ও ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে প্রচার ও নিয়োগ
    • ● এনক্রিপশন, ডার্ক ওয়েব ও ক্রিপ্টো ওয়ালেটের মাধ্যমে গোপন আর্থিক লেনদেন
    • ● এই প্রবণতা মোকাবিলায় সাইবার নজরদারি ও আর্থিক গোয়েন্দা ব্যবস্থার গুরুত্ব বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।

    কেন ‘প্রহার’ গুরুত্বপূর্ণ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘প্রহার’ নীতির গুরুত্ব তিনটি ক্ষেত্রে—

    • ● সমন্বিত পদ্ধতি: শুধুমাত্র সামরিক বা পুলিশি ব্যবস্থা নয়, গোটা সরকার ও সমাজভিত্তিক অংশগ্রহণের উপর জোর
    • ● ডিজিটাল হুমকি মোকাবিলা: এনক্রিপশন, ক্রিপ্টো ও সোশ্যাল মিডিয়াকে কেন্দ্র করে নতুন নিরাপত্তা কৌশল
    • ● আন্তর্জাতিক বার্তা: সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের অবস্থানকে আরও স্পষ্ট ও কূটনৈতিকভাবে জোরালো করা

    একটি দীর্ঘমেয়াদি রোডম্যাপ

    ‘প্রহার’ নীতি ভারতের সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী দৃষ্টিভঙ্গিকে একটি কাঠামোবদ্ধ রূপ দিয়েছে। সীমান্তপারের হুমকি, প্রযুক্তিনির্ভর জঙ্গি কার্যকলাপ এবং আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক—এই তিনটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি রোডম্যাপ হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। নীতিটির বাস্তব প্রয়োগ ও বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয় কতটা কার্যকর হয়, সেটাই আগামী দিনে ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা কৌশলের সফলতা নির্ধারণ করবে।

  • Meerut Namo Bharat Train: দিল্লি-মিরাটের মেট্রো পরিষেবা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    Meerut Namo Bharat Train: দিল্লি-মিরাটের মেট্রো পরিষেবা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার দিল্লি-মিরাটের মেট্রো পরিষেবা (Meerut Namo Bharat Train) চালু করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ৮২ কিলোমিটার দীর্ঘ দিল্লি-মিরাট দ্রুত রেল করিডোর জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করলেন। ১২০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিতে চলাচলের হিসেবে মিরাট মেট্রো ভারতের দ্রুততম রেল ব্যবস্থা হয়ে উঠেছে। এই রেল পরিষেবার ফলে দিল্লি এবং মিরাটের মধ্যে ভ্রমণ মাত্র ৫৫ মিনিটেই সম্পন্ন হবে বলে জানা গিয়েছে।

    সর্বোচ্চ গতি ১৩৫ কিমি/ঘন্টা (Meerut Namo Bharat Train)

    প্রধানমন্ত্রী শতাব্দী নগর স্টেশন থেকে মীরাট মেট্রো এবং নমো ভারত ট্রেন (Meerut Namo Bharat Train) উভয়েরই সূচনা করেন। দিল্লি-গাজিয়াবাদ-মীরাট নমো ভারত করিডোরটি ৮২.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ। এটি ভারতের প্রথম আঞ্চলিক দ্রুত পরিবহন ব্যবস্থা বা আরআরটিএস, যা দিল্লির সরাই কালে খানকে উত্তর প্রদেশের মোদিপুরমের সাথে সংযুক্ত করে করেছে।

    ২৩ কিলোমিটার দীর্ঘ মিরাট মেট্রো শহরের মধ্যেই চলবে এবং মিরাট সেকশনে নমো ভারত র‍্যাপিড রেলের সাথে ট্র্যাককে যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে যাত্রীরা স্টেশন থেকে বাইরে বের হয়েই দুটি পরিষেবাকে একসঙ্গে নিতে পারবে। মোট করিডোরের দৈর্ঘ্য ২৩ কিলোমিটার, করিডোরে ১৬ কিলোমিটার উঁচু ট্র্যাক এবং ৭ কিলোমিটার ভূগর্ভস্থ ট্র্যাক রয়েছে।

    মিরাট মেট্রো করিডোরের মোট ১৩টি স্টেশন

    ২৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এই মেট্রো (Meerut Namo Bharat Train) করিডোরে মোট ১৩টি স্টেশন রয়েছে। নয়টি স্টেশন এলিভেটেড। এগুলি হল মিরাট দক্ষিণ, পারতাপুর, রিথানি, শতাব্দী নগর, ব্রহ্মপুরী, এমইএস কলোনি, দৌরলি, মিরাট উত্তর এবং মোদিপুরম। তিনটি স্টেশন, মিরাট সেন্ট্রাল, ভৈশালি এবং বেগমপুল, ভূগর্ভস্থ। মোদিপুরম ডিপো একটি উচ্চমানের স্টেশন। চারটি স্টেশন, মিরাট দক্ষিণ, শতাব্দী নগর, বেগমপুল এবং মোদিপুরম, নমো ভারত এবং মিরাট মেট্রো ট্রেন উভয় পরিষেবাই দেবে।

    মিরাট মেট্রো সময়সূচী

    ব্যস্ত সময়ে, ট্রেনগুলি (Meerut Namo Bharat Train) প্রতি ৫ থেকে ১০ মিনিট অন্তর চলবে। অন্য সময়ে, ট্রেনের ফ্রিকোয়েন্সি হবে ১০ থেকে ১৫ মিনিট। পরিষেবাগুলি সপ্তাহের প্রথম পাঁচ দিন এবং শনিবার সকাল ৬:০০ টা থেকে রাত ১০:০০ টা পর্যন্ত এবং রবিবার সকাল ৮:০০ টা থেকে রাত ১০:০০ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। যাত্রীরা একটি টিকিটেই নমো ভারত এবং মীরাট মেট্রো, উভয় ট্রেনেই ভ্রমণ করতে পারবেন। ভাড়ার বিস্তারিত ঘোষণা এখনও করা হয়নি।

    মিরাট মেট্রো: বৈশিষ্ট্য এবং যাত্রী সুবিধা

    মিরাট মেট্রো ট্রেনগুলি তিন কোচ বিশিষ্ট। প্রতিটি ট্রেন ৭০০ জনেরও বেশি যাত্রী বহন করতে পারে, যার মধ্যে ১৭৩ জনের আসন সংখ্যা রয়েছে। মূল বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে রয়েছে:

    • শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কোচ
    • কুশনযুক্ত আসন
    • লাগেজ র‍্যাক এবং গ্র্যাব হ্যান্ডেল
    • সিসিটিভি ক্যামেরা
    • ইউএসবি মোবাইল চার্জিং পয়েন্ট
    • গতিশীল রুট মানচিত্র
    • জরুরি যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং অ্যালার্ম
    • অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র এবং টক-ব্যাক সিস্টেম

    সমস্ত স্টেশনে প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন দরজা স্থাপন করা হবে এবং ট্রেন পরিচালনার সাথে সিঙ্ক্রোনাইজ করা হবে। পুশ বোতামের মাধ্যমে নির্বাচিত দরজা খোলার ফলে শক্তির ব্যবহার কমাতে সাহায্য করবে। প্রতিটি কোচে মহিলা এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্য সংরক্ষিত আসন থাকবে। স্টেশন এবং ট্রেনগুলি সর্বজনীন প্রবেশাধিকারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, হুইলচেয়ার এবং মেডিকেল স্ট্রেচারের জন্য জায়গা রয়েছে, পাশাপাশি প্রশস্ত লিফটও রয়েছে। ট্রেনগুলির বাইরের রঙের স্কিম সবুজ, নীল এবং কমলা।

    মিরাট মেট্রো: ভ্রমণের সময়

    সম্পূর্ণরূপে চালু হয়ে গেলে, দিল্লি-মিরাট যাত্রায় প্রায় ৫৫ মিনিট সময় লাগবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সমন্বিত ব্যবস্থার লক্ষ্য হল মিরাট, গাজিয়াবাদ, নয়ডা, দিল্লি এবং গুরুগ্রামের মধ্যে যোগাযোগ উন্নত করা এবং রাস্তার যানজট কমানো। প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) আজ দেশবাসীকে উৎসর্গ করলেন এই পরিষেবা।

    কত দিনে বাস্তবায়ন

    ২০১৬ সালে রাইটস (RITES) কর্তৃক বিস্তারিত প্রকল্প প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছিল এবং রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়া হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী মোদি ৮ মার্চ, ২০১৯ তারিখে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। প্রথম ট্রায়াল রানটি ১২ জানুয়ারী, ২০২৫ তারিখে মিরাট সাউথ এবং মিরাট সেন্ট্রালের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

    রবিবার প্রধানমন্ত্রী ৮২ কিলোমিটার দীর্ঘ দিল্লি-মীরাট নমো ভারত করিডোরটি জনগণকে (Meerut Namo Bharat Train) উৎসর্গ করেছেন। এর মধ্যে ভারতের প্রথম আঞ্চলিক দ্রুত পরিবহন ব্যবস্থার (RRTS) অবশিষ্ট অংশগুলিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এগুলি হল-

    • দিল্লির সরাই কালে খান এবং নিউ অশোক নগরের মধ্যে ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ অংশ
    • উত্তর প্রদেশের মিরাট সাউথ এবং মোদিপুরমের মধ্যে ২১ কিলোমিটার দীর্ঘ অংশ
  • Middle East Tensions: যুদ্ধ আসন্ন? যে কোনও পরিবহণে ইরান ছাড়ুন, ভারতীয় নাগরিকদের নির্দেশ ভারতীয় দূতাবাসের

    Middle East Tensions: যুদ্ধ আসন্ন? যে কোনও পরিবহণে ইরান ছাড়ুন, ভারতীয় নাগরিকদের নির্দেশ ভারতীয় দূতাবাসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানে থাকা ভারতীয় (India) নাগরিকদের ইরান ছাড়তে বলেছে তেহরানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস (Middle East Tensions)। ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন হামলা হতে পারে — এমন উদ্বেগ গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তীব্রতর হচ্ছে। এই নতুন পরামর্শ এমন একটা পরিস্থিতিতে এসে পড়েছে যখন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরকারবিরোধী ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।

    ভারতীয় দূতাবাসের নির্দেশ (Middle East Tensions)

    পরামর্শে বলা হচ্ছে, “ভারত সরকারের ৫ জানুয়ারি ২০২৬-এর দেওয়া পরামর্শের ধারাবাহিকতায় এবং ইরানের পরিবর্তিত পরিস্থিতি বিবেচনায়, যারা বর্তমানে ইরানে আছেন — শিক্ষার্থী (student), তীর্থযাত্রী (pilgrim), ব্যবসায়ী (businessperson) এবং পর্যটক (tourist) — তাঁদের যে কোনও পরিবহণ (means of transport) ব্যবহার করে ইরান ছাড়তে বলা হয়েছে, যার মধ্যে কমার্সিয়াল ফ্লাইটও রয়েছে।” দূতাবাস আগের জানুয়ারি নির্দেশনাটিকে আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে এবং সব ভারতীয় নাগরিক ও ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তিদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে। তাঁরা যেন বিক্ষোভে অংশ না নেন কিংবা যেখানে বিক্ষোভ হচ্ছে সেই অঞ্চলের কাছাকাছি না যাওয়ার, দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার এবং স্থানীয় সংবাদমাধ্যম থেকে আপডেট মনিটর করার অনুরোধও করা হয়েছে।

    মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ক্রমশ বাড়ছে

    ভারতীয় নাগরিকদের এও বলা হয়েছে, তাঁরা যেন সব সময় তাঁদের ভ্রমণ ও ইমিগ্রেশন নথি, যেমন পাসপোর্ট এবং পরিচয়পত্র হাতের নাগালে রাখে, এবং প্রয়োজনে সহায়তার জন্য দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন (Middle East Tensions)। এটা এমন এক সময়ে এসেছে যখন ইরান–মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা ও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ক্রমশ বাড়ছে। পারমাণবিক আলোচনা চলতে থাকলেও, পরিস্থিতির উন্নতি নিশ্চিত নয়। আলোচনা পরবর্তী রাউন্ড জেনেভায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এসব পরিস্থিতির মধ্যেই ইরানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকার-বিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়েছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তেহরান এবং অন্যান্য শহরে ঠাঁই নিয়েছে, কখনও কখনও সরকারপন্থী সমর্থক ও বিরোধীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কিও হয়েছে। জানুয়ারির শুরুর দিকে আগের বিক্ষোভগুলি শীর্ষ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি (Ayatollah Ali Khamenei) প্রশাসনের অধীনে কঠোরভাবে দমন করা হয়েছিল, যেটিতে (India) অনেক প্রতিবাদকারী নিহত ও আটক হন (Middle East Tensions)।

     

  • Election Commission of India: ২৭ বছর পর রাজ্য শাখাগুলির সঙ্গে রাউন্ড টেবিল বৈঠক ডেকেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন

    Election Commission of India: ২৭ বছর পর রাজ্য শাখাগুলির সঙ্গে রাউন্ড টেবিল বৈঠক ডেকেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ ২৭ বছর পর ২৪ ফেব্রুয়ারি দেশের নির্বাচন কমিশন (ইসিআই) এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনার (এসইসি)-দের নিয়ে একটি জাতীয় গোলটেবিল সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। এই গোলটেবিল সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ভারত মণ্ডপমে। শেষ বার এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৯৯ সালে। মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে চলা এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের মূল লক্ষ্য কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য নির্বাচন কমিশনগুলির মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।

    কারা থাকবেন বৈঠকে

    সূত্রের খবর, ১৯৯৯ সালের পর এই প্রথম এমন বৈঠক আয়োজন করা হচ্ছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। উপস্থিত থাকবেন নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক জোশী। সকল রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের রাজ্য নির্বাচন কমিশনাররা তাঁদের আইনি ও প্রযুক্তিগত বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে এই বৈঠকে অংশ নেবেন। ৩৬টি রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিও সম্মেলনে যোগ দেবে। দিনভর এই বৈঠকে কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকরা বিভিন্ন প্রযুক্তিগত ও প্রশাসনিক উদ্যোগ নিয়ে বিস্তারিত উপস্থাপনা করবেন। সম্প্রতি চালু হওয়া ইসিআইনেট ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের কার্যকারিতা এবং নির্বাচনী পরিষেবা সহজতর করতে তার সম্ভাবনাও তুলে ধরা হবে।

    বৈঠকের প্রধান উদ্দেশ্য

    বৈঠকের প্রধান উদ্দেশ্য হল, নিজ নিজ সাংবিধানিক ও আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকে নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে ইসিআই ও এসইসি-গুলির মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করা। আলোচনায় প্রযুক্তি ভাগাভাগি, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (EVM) ব্যবহার এবং ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিষয়গুলি বিশেষ গুরুত্ব পাবে। এছাড়া ইভিএম-এর স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা ও নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে বিশেষ উপস্থাপনা থাকবে। ১৯৫০ সালের জনগণের প্রতিনিধিত্ব আইন (Representation of the People Act, 1950) অনুযায়ী ভোটার যোগ্যতার বিষয়ে বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের তুলনামূলক চিত্রও তুলে ধরা হবে, যাতে ভোটার তালিকা প্রস্তুতির আইনি কাঠামো নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা সম্ভব হয়। উল্লেখ্য, ৭৩তম ও ৭৪তম সংবিধান সংশোধনের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট রাজ্য আইন অনুযায়ী রাজ্য নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়। সংবিধানের ২৪৩কে এবং ২৪৩জেডএ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পঞ্চায়েত ও পুরসভা নির্বাচনের ভোটার তালিকা প্রস্তুতি এবং নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব রাজ্য নির্বাচন কমিশনগুলির উপর ন্যস্ত।

LinkedIn
Share