Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • CAA: কথা রাখলেন মোদি, চালু সিএএ, নয়া আইন সম্পর্কে জানুন বিশদে

    CAA: কথা রাখলেন মোদি, চালু সিএএ, নয়া আইন সম্পর্কে জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি সরকারের আরও এক প্রতিশ্রুতি পূরণ। কথা দিয়েছিলেন অচিরেই দেশে লাগু হবে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বা সিএএ (CAA)। সোমবারই এ ব্যাপারে বিজ্ঞপ্তি জারি করে দিল নরেন্দ্র মোদির সরকার।

    সিএএ (CAA) নিয়ে ‘মিথ্যে’ প্রচার 

    সিএএ লাগু হলে অনেকে নাগরিকত্ব হারাবেন বলে বিরোধীরা ‘মিথ্যে’ প্রচার করছিলেন বলে অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের। দিন কয়েক আগে এক সাক্ষাৎকারে এই অভিযোগের জবাব দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেছিলেন, “সিএএ (CAA) কোনও ব্যক্তির নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার আইন নয়। আইনে এমন কোনও বিধান না থাকায় কোনও ভারতীয়ের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হবে না। সিএএ হল বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে নির্যাতিত শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার একটি আইন।”

    সিএএ (CAA) কী জানেন?

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের জন্য কেন্দ্রের ক্ষমতায় ফিরে সিএএ চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল মোদি সরকার। তার পরেই শুরু হয়ে গিয়েছিল যাবতীয় প্রস্তুতি। মিথ্যে প্রচার করে বিরোধীরা দেশজুড়ে অশান্তির বাতাবরণ সৃষ্টি করে বলে অভিযোগ। তারপর বিষয়টি থিতু হলে নতুন করে আইনটি লাগু করতে উদ্যোগী হয় কেন্দ্রীয় সরকার। এই আইনে (CAA) বলা হয়েছে, ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে নিপীড়নের জন্য এ দেশে আসা শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। ওই দেশগুলি থেকে ভারতে আসা হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্সি ও খ্রিস্টানদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। এই ছয় ধর্মের মানুষ ছাড়া অন্য কোনও দেশ থেকে আসা অন্য কোনও ধর্মের শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে না।

    সংশোধিত আইনে শিথিল শর্ত

    প্রসঙ্গত, ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইনে বলা হয়েছিল, নাগরিকত্ব পেতে হলে টানা এক বছর ভারতে থাকতে হবে। এ ছাড়াও গত ১৪ বছরের মধ্যে ১১ বছর ভারতে থাকা বাধ্যতামূলক। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনে ১১ বছরটা কমিয়ে করা হয়েছে মাত্রই ৫ বছর। আইন অনুযায়ী, ভিসা কিংবা পাসপোর্টের মতো নথি না থাকলেও, ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন ওই ছয় ধর্মের কোনও শরণার্থী।

    আরও পড়ুুন: হিন্দু বাঙালির দ্বিতীয় স্বাধীনতা, দেশজুড়ে কার্যকর হয়ে গেল সিএএ

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে যে ইস্তেহার বিজেপি প্রকাশ করেছিল, তাতেও সিএএ-র প্রতিশ্রুতি ছিল। দিন কয়েক আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সেনাপতি অমিত শাহও বলেছিলেন, “লোকসভা নির্বাচনের আগেই লাগু হয়ে যাবে সিএএ।” হলও তাই। দেশে লাগু হয়ে গেল সিএএ (CAA)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

      

  • Myanmar: ভারতে পালিয়ে আসা মায়ানমারবাসীদের ফেরত পাঠানো শুরু

    Myanmar: ভারতে পালিয়ে আসা মায়ানমারবাসীদের ফেরত পাঠানো শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গৃহযুদ্ধের কারণে মায়ানমার (Myanmar) ছেড়ে প্রাণভয়ে পালিয়ে ভারতে ঢুকে পড়েছেন অনেকে। মায়ানমারের সেই সব নাগরিকদের সে দেশে ফেরত পাঠানোর কাজ শুরু করল ভারত। ৮ মার্চ, শুক্রবার অবৈধভাবে ভারতে ঢুকে পড়া প্রথম দলটিকে মায়ানমারের মোরে শহরে ফেরত পাঠানো হয়। এই দলে এক শিশু সহ মোট সাত মহিলা ছিলেন।

    আপাতত ফেরত পাঠানো হচ্ছে ৭৭ জনকে

    মায়ানমারে ফেরতের প্রক্রিয়াটির ভিডিও করেছে মণিপুর সরকার। মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংহ সেটি পোস্ট করেছেন এক্স হ্যান্ডেলে। ভিডিও ক্লিপে দেখা যাচ্ছে, কয়েকজন মহিলাকে পাঠানো হচ্ছে ইম্ফল বিমানবন্দরের দিকে। জানা গিয়েছে, সব মিলিয়ে মায়ানমারের ৭৭ নাগরিককে (যাঁরা অবৈধভাবে ভারতে চলে এসেছিলেন) ৮ থেকে ১১ মার্চের মধ্যে একাধিক দলে ভাগ করে ফেরত পাঠানো হবে মায়ানমারে (Myanmar)। এঁদের মধ্যে রয়েছেন ৫৫ জন মহিলা। শিশু রয়েছে পাঁচটি। বাকিরা সবাই পুরুষ।

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী? 

    রবিবারই মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, “সংখ্যাটি বিশাল। তাই আমরা তাদের এক সঙ্গে মায়ানমারে ফেরত পাঠাতে পারি না। কয়েকটি দলে ভাগ করে তাদের সে দেশে ফেরত পাঠাচ্ছি। এজন্য কিছু আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে। এগুলি অনুসরণ করতে হবে আমাদের। অবৈধভাবে যারা ভারতে এসেছে, পর্যায়ক্রমে তাদের মায়ানমারে ফেরত পাঠানো হবে।” মণিপুর সরকারের স্বরাষ্ট্র দফতর সূত্রে খবর, এই বিদেশি নাগরিকদের প্রথম দলটিকে ইম্ফল থেকে সীমান্ত শহর মোরে পর্যন্ত হেলিকপ্টারে করে নিয়ে যাওয়া হবে।

    আরও পড়ুুন: হিন্দু বাঙালির দ্বিতীয় স্বাধীনতা, আজ রাতেই দেশে চালু হচ্ছে সিএএ, খবর সূত্রের

    প্রসঙ্গত, একুশ সালে মায়ানমারের নির্বাচিত আং সান সু কিয়ের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে মায়ানমারের সেনা জুন্টা। তার পর থেকে সে দেশে চলছে সামরিক শাসন। দেশে গণতন্ত্র ফেরাতে জুন্টা সরকারের বিরুদ্ধে জোট বেঁধে লড়ছে মায়ানমারের একাধিক রাজনৈতিক দল। তার জেরেই শুরু হয়েছে গৃহযুদ্ধ। যার জেরে প্রাণভয়ে ভারতে পালিয়ে আসছেন বহু মায়ানমারবাসী। তাঁদের মধ্যে যেমন সাধারণ মানুষ রয়েছেন, তেমনি রয়েছেন সে দেশের সেনাবাহিনীর লোকজনও। অবৈধভাবে ভারতে আশ্রয় নেওয়া এই সব মায়ানমারবাসীকেই তাদের দেশে ফেরত পাঠাতে উদ্যোগী হয়েছে ভারত সরকার।

    জানা গিয়েছে, গত বছরের নভেম্বর মাস পর্যন্ত মায়ানমার থেকে ভারতে পালিয়ে এসেছেন সে দেশের ৬০০ সেনা। বিদ্রোহীরা তাঁদের শিবির দখল করে নেওয়ায় তাঁরা আশ্রয় নিয়েছেন মিজোরামে। এঁদের মধ্যে ইতিমধ্যেই ৩৫৯জন সেনাকে ফেরত পাঠানো হয়েছে তাঁদের দেশে (Myanmar)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CAA: হিন্দু বাঙালির দ্বিতীয় স্বাধীনতা, দেশজুড়ে কার্যকর হয়ে গেল সিএএ

    CAA: হিন্দু বাঙালির দ্বিতীয় স্বাধীনতা, দেশজুড়ে কার্যকর হয়ে গেল সিএএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার ১১ মার্চ যেন হিন্দু বাঙালি দ্বিতীয় স্বাধীনতা পেল। সোমবার থেকেই দেশজুড়ে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (২০১৯) বা সিএএ চালু করল মোদি সরকার। এদিন ঠিক সন্ধ্যে ৬টায় একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে সিএএ চালু হওয়ার কথা জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় সরকার।

    নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন সিএএ

    এই আইন (CAA) অনুযায়ী, দেশভাগের পরবর্তীকালে অত্যাচারিত হয়ে, ভিটেমাটি ছেড়ে আসা উদ্বাস্তুরা ভারতের নাগরিকত্ব পেতে চলেছেন। বলে রাখা প্রয়োজন, সিএএ হল নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন। সিএএ-এর সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে নাগরিকত্ব প্রদানের। এই আইনের মাধ্যমে কোনও ব্যক্তি বা কোনও গোষ্ঠীর নাগরিকত্ব (CAA) চলে যাবে না। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘‘সিএএ মানবাধিকারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আইন অনুযায়ী, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মতো মুসলিম ধর্মাবলম্বী দেশ থেকে যদি সে দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা ধর্মীয় উৎপীড়নের কারণে এ দেশে আশ্রয় চান, তা হলে তা দেবে ভারত। 

    ২০১৯ সালের ১১ ডিসেম্বর সংসদে পাশ হয় সিএএ (CAA) 

    রাষ্ট্রসঙ্ঘ ১৯৫১ সালে আন্তর্জাতিক উদ্বাস্তু সম্মেলনের আয়োজন করেছিল। সেখানেও প্রতিধ্বনিত হয়েছিল উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্ব প্রদানের বিষয়টি। কারণ অত্যাচারিত হয়ে যখন কোনও মানুষ বা গোষ্ঠী নিজের ভিটেমাটি ছাড়তে বাধ্য হয়ে অপর দেশে আশ্রয় নেন এবং পুরনো বাসস্থানে ফেরার আর কোনও জায়গা থাকেনা, তখনই আশ্রয়দাতা দেশের কর্তব্য হয়ে ওঠে উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্ব প্রদান।’’ প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ১১ ডিসেম্বর সংসদে পাশ হয় এই আইন। চালু হল ২০২৪ সালের ১১ মার্চ। প্রসঙ্গত, এর আগে গতবছরের শেষে কলকাতায় এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছিলেন, সিএএ (CAA) প্রয়োগ করা হবেই। কোনও শক্তি সিএএ-কে ঠেকাতে পারবে না। সেই মতো কথা রাখল কেন্দ্রের বিজেপি সরকার।

    পশ্চিমবঙ্গের নিরিখে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ

    রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) লাগু হওয়ায় তা, আসন্ন লোকসভা ভোটে বিজেপির বড় হাতিয়ার হতে চলেছে। দেশ তো বটেই, পশ্চিমবঙ্গের নিরিখেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে চলেছে। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে মতুয়া-অধ্যুষিত কেন্দ্রে যে বিজেপি বাজিমাত করেছিল, সেটার নেপথ্যে ছিল নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন। আর আগেরবার প্রতিশ্রুতি ছিল। এবার সেই আইন কার্যকর হলে বিজেপির যে বিশাল লাভ হবে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই রাজনৈতিক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: একতরফা প্রার্থী ঘোষণা তৃণমূলের, কংগ্রেসকে নিশানা বিজেপির

    Lok Sabha Election 2024: একতরফা প্রার্থী ঘোষণা তৃণমূলের, কংগ্রেসকে নিশানা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ইন্ডি’ জোটে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপি বিরোধী এই জোটে রয়েছে কংগ্রেসও। অথচ জোটে কোনওরকম আলোচনা ছাড়াই রাজ্যের ৪২টি আসনেই প্রার্থী ঘোষণা (Lok Sabha Election 2024) করে দিয়েছে তৃণমূল। এর পরেই কংগ্রেস নেতৃত্বকে একহাত নিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব।

    ‘‘ইন্ডি’ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছে’ 

    তাঁদের মতে, যেখানে ওয়েনাড়ের সাংসদ  (রাহুল গান্ধী) পা রেখেছেন সেখানেই বিজেপি বিরোধী জোট ‘ইন্ডি’ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছে। বিজেপির মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা বলেন, “ইন্ডি জোট আর এক ঝটকা খেল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একতরফাভাবে প্রার্থী ঘোষণা (Lok Sabha Election 2024) করে দিয়েছেন। এখন কংগ্রেস এখানে সেখানে খুঁজে বেড়াচ্ছে। যেখানেই রাহুল গান্ধী গিয়েছেন, সেখানেই ইন্ডি জোট শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছে।”

    ভারত ন্যায় যাত্রাকে নিশানা 

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ভারত ন্যায় যাত্রায় পশ্চিমবঙ্গে এসেছিলেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। এদিন তাকেই নিশানা করেছেন পুনাওয়ালা। সন্দেশখালিকাণ্ডে রা কাড়েনি কংগ্রেস। পুনাওয়ালার মতে, সন্দেশখালিকাণ্ডে চুপ থাকাটা কংগ্রেসের কৌশলগত নীরবতা। ইডির আধিকারিকদের মারধর করা-সহ একাধিক অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে সন্দেশখালির শেখ শাহজাহানকে। গ্রেফতার হওয়ার পরেই তাঁকে সাসপেন্ড করে তৃণমূল। শাহজাহান ও তাঁর দলবলের বিরুদ্ধে সুন্দরী মহিলাদের পার্টি অফিস বা বাগানবাড়িতে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করা হত বলে অভিযোগ। তার জেরেই সম্প্রতি খবরের শিরোনামে চলে এসেছে বাংলার এক প্রত্যন্ত এলাকা সন্দেশখালি।

    আরও পড়ুুন: “রাশিয়ার যুদ্ধে ফেঁসে গিয়েছি, বাঁচান”, ভারতের কাছে কাতর আর্জি ৪ নেপালির

    সন্দেশখালিকাণ্ডে মৌন কংগ্রেস (Lok Sabha Election 2024)

    সন্দেশখালিকাণ্ডের পর পরই গা ঢাকা দেন শাহজাহান। ৫৫ দিন পরে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। পুনাওয়ালা বলেন, “সন্দেশখালিকাণ্ডে কৌশলগত নীরবতা অবলম্বন করেছে কংগ্রেস। প্রিয়ঙ্কা বঢরা এবং রাহুল গান্ধী কেউই শেখ শাহজাহানকে নিয়ে কিছু বলেননি। মল্লিকার্জুন খাড়্গে আবার তাঁকে রক্ষা করছেন।” কংগ্রেসকে নিশানা করে পুনাওয়ালা বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যিনি প্রথম বলেছিলেন কংগ্রেসকে দুটি আসন নিতে, গোটা দেশে ৪০টি আসনও তিনি কংগ্রেসকে দিতে চাননি। এই তো ইন্ডি জোটের অবস্থা।”

    তৃণমূল একতরফাভাবে প্রার্থী ঘোষণা (Lok Sabha Election 2024) করায় কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ। প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বঙ্গ কংগ্রেসের প্রধান অধীর রঞ্জন চৌধুরীও। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি আঞ্চলিক দলের নেতৃত্ব দেন। তিনি প্রমাণ করে দিলেন, কোনও দল কিংবা নেতার তাঁকে বিশ্বাস করা উচিত নয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • War In Russia: “রাশিয়ার যুদ্ধে ফেঁসে গিয়েছি, বাঁচান”, ভারতের কাছে কাতর আর্জি ৪ নেপালির

    War In Russia: “রাশিয়ার যুদ্ধে ফেঁসে গিয়েছি, বাঁচান”, ভারতের কাছে কাতর আর্জি ৪ নেপালির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাশিয়ার যুদ্ধে (War In Russia) ফেঁসে গিয়েছি, বাঁচান।” নরেন্দ্র মোদির দেশের কাছে এই কাতর আবেদন যাঁরা জানিয়েছেন, তাঁরা ভারতের কেউ নন, বিদেশি। আরও স্পষ্ট করে বললে, নেপালি। রাশিয়ায় কাজের সন্ধানে গিয়ে যুদ্ধে জড়িয়ে গিয়েছেন বলে জানিয়েছেন চার যুবক।

    ভারতের কাছে উদ্ধারের আর্তি

    অভিযোগ, চাকরি দেওয়ার নামে নিয়ে গিয়ে জোর করে তাঁদের লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে যুদ্ধে। গত দু’বছর ধরে চলছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। সেই যুদ্ধেই রাশিয়ার হয়ে লড়াই করতে হচ্ছে ওই চার কর্মপ্রার্থীকে। প্রাণে বাঁচতে ভারতের কাছে উদ্ধারের আবেদন জানিয়েছেন পড়শি দেশের ওই চার যুবক। মোটা অঙ্কের মাইনের চাকরির টোপ দিয়ে রাশিয়া ‘ছেলে ধরছে’ বলে অভিযোগ। দিন কয়েক আগে ভারতের কয়েকজন যুবকও রাশিয়ার কবল থেকে উদ্ধারের আর্জি জানিয়েছিলেন। রাশিয়ায় যাঁরা বেড়াতে যাচ্ছেন, তাঁদেরও ধরে ধরে যুতে দেওয়া হচ্ছে যুদ্ধের কাজে।

    টোপ দিয়ে ধরা হচ্ছে ছেলে!

    রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্তের অনেক (War In Russia) জায়গায়ই রুশ সেনাদের পাশাপাশি ভারতীয় তরুণদের আগ্নেয়াস্ত্র হাতে লড়াই করতে দেখা যাচ্ছে বলে অভিযোগ। এবার সেই একই অভিযোগ করলেন নেপালের চার চাকরিপ্রার্থীও। কাজের খোঁজে রাশিয়ায় পাড়ি দিয়েছিলেন সঞ্জয়, রাম, কুমার এবং সন্তোষ নামে চার যুবক। এজেন্টের মাধ্যমে তাঁরা পৌঁছে যান রাশিয়ায়। প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, রুশ সেনাবাহিনীতে সাহায্যকারী কিংবা পরিচারকের কাজ করতে হবে। অভিযোগ, ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হতেই ট্রেনিং দিয়ে তাঁদেরও লাগিয়ে দেওয়া হয় যুদ্ধ করতে। অনিচ্ছা সত্ত্বেও ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে তাঁদের বাধ্য করেছে রাশিয়ার সেনাবাহিনী।

    আরও পড়ুুন: বিহার থেকে বাঙালি তাড়িয়েছিলেন বাবা, তাঁর ছেলেকে বাংলায় প্রার্থী তৃণমূলের, তোপ মালব্যর

    ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো একটি ভিডিও বার্তায় নেপালের ওই চার যুবক জানিয়েছেন, তাঁরা ফেঁসে গিয়েছেন। এজেন্ট তাঁদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। মিথ্যে কথা বলে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয়েছিল রাশিয়ায়। পরে লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে যুদ্ধে। প্রচণ্ড ঠান্ডায় তাঁদের জীবন বিপন্ন বলেও জানান ওই চার নেপালি যুবক। সঞ্জয় বলেন, “আমাদের ভারতীয় সহকর্মীদের উদ্ধার করছে তাঁদের দেশের সরকার। কিন্তু নেপাল সরকার কিংবা দূতাবাসের তরফে কোনও সাহায্য পাচ্ছি না। ভারত সরকারের কাছে আমাদের বিরাট আশা। ভারত শক্তিশালী দেশ। তাই তাদের সাহায্য চাইছি। এখানকার (War In Russia) সব নেপালিই বাড়ি ফিরতে চান।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cheetah: কুনো জাতীয় উদ্যানে পাঁচটি শাবকের জন্ম দিল চিতা ‘গামিনী’, কেমন আছে তারা?

    Cheetah: কুনো জাতীয় উদ্যানে পাঁচটি শাবকের জন্ম দিল চিতা ‘গামিনী’, কেমন আছে তারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রদেশের কুনো জাতীয় উদ্যানে (Kuno National Park) পাঁচটি শাবকের জন্ম দিল স্ত্রী চিতা গামিনী। এই স্ত্রী চিতা গামিনীর বর্তমান বয়স পাঁচ। সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকার তোয়ালু কালাহারি সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে নিয়ে এসে এই জাতীয় উদ্যানে ছাড়া হয়েছিল মা চিতাটিকে। সামাজিক মাধ্যমে একটি ছবি পোস্ট করে এই চিতা শাবকদের জন্মানোর কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব।

    কী বললেন ভুপেন্দ্র যাদব (Kuno National Park)

    কেন্দ্রীয় পরিবেশমন্ত্রী ভুপেন্দ্র সিং যাদব নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্টে পোস্ট করে বলেন, “দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে নিয়ে আসা পাঁচ বছরের চিতা গামিনী পাঁচটি শাবকের জন্ম দিয়েছে। এই নিয়ে ভারতে মোট জন্ম নেওয়া চিতা শাবকের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়াল ১৩। একই সঙ্গে সকল বনকর্মী, পশু চিকিৎসক এবং রক্ষীদের জানাই অনেক অভিনন্দন।” এই কুনো জাতীয় উদ্যানে (Kuno National Park) চিতা এবং শাবক চিতার মোট সংখ্যা দাঁড়াল ২৬।

    নরেন্দ্র মোদির জন্মদিনে আনা হয়েছিল চিতা

    ২০২২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর তারিখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিনের দিনেই দক্ষিণ আফ্রিকার নামিবিয়া থেকে মোট ৮টি চিতা আনা হয়েছিল। এই চিতা কুনোর জাতীয় উদ্যানে (Kuno National Park) ছাড়া হয়েছিল। আবার দ্বিতীয় দফায় ২০২৩ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ আফিকা থেকে আরও ১২টি চিতা এই উদ্যানে রাখা হয়েছিল। বর্তমানে এখানে চিতার সংখ্যা ২৬, যার মধ্যে ১৩টি শাবক এবং ১৩টি পূর্ণ বয়স্ক চিতা রয়েছে। এর আগে, গত জানুয়ারি মাসে এই কুনো জাতীয় উদ্যানে তিনটি চিতা শাবক জন্ম নিয়েছিল। ২০২৩ সালে স্ত্রী চিতা জ্বালা চারটি শাবকের জন্ম দিয়েছিল। তার মধ্যে অবশ্য তিনটি চিতার মৃত্যু হয়েছিল।

    এই প্রসঙ্গে কুনো জাতীয় উদ্যানে নতুন শাবক জন্ম নেওয়ার প্রসঙ্গে আশা প্রকাশ করে ভারতীয় বন্যপ্রাণী বিশেজ্ঞরা বলেছেন, “নতুন সদ্যোজাত চিতা শাবকের জন্ম ভালো বিষয়। ভারতীয় জলবায়ুতে চিতাগুলি যে খাপ খাইয়ে নিয়েছে এটাই তার প্রকৃষ্ট প্রমাণ।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • JNU: জেএনইউতে ছাত্র সংসদ নির্বাচন, লাগু আদর্শ আচরণ বিধি, জানুন নির্ঘণ্ট

    JNU: জেএনইউতে ছাত্র সংসদ নির্বাচন, লাগু আদর্শ আচরণ বিধি, জানুন নির্ঘণ্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাড়ে চার বছর বাদে লোকসভা নির্বাচনের মুখে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হল দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে (JNU)। নির্বাচন হবে ২২ মার্চ। ফল প্রকাশ হবে দু’দিন পরে, ২৪ মার্চ।

    নির্বাচনের নির্ঘণ্ট

    বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের ইলেকশন কমিটি জানিয়েছে, সোমবার থেকেই প্রস্তুতি শুরু করে দেওয়া হয়েছে ছাত্র ভোটের। মনোনয়নপত্র বিলি করা হবে বৃহস্পতিবার। তার আগেই প্রকাশ করা হবে ভোটার তালিকা। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৫ মার্চ। স্ক্রুটিনি হবে তার পরের দিন। ইলেকশন কমিটির তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২২ মার্চ সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ হবে। ফের শুরু হবে দুপুর আড়াইটে থেকে। চলবে বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত। নির্বাচন হবে ব্যালট পেপারে। ভোটের আগে (JNU) রীতি মেনে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে হবে তর্কসভা। এই সভায় বিভিন্ন দল তাদের দলের লক্ষ্য ও নীতি সম্পর্কে ভোটারদের অবহিত করবে।

    আদর্শ আচরণ বিধি জারি

    বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, যেহেতু নির্বাচন ঘোষণা হয়ে গিয়েছে, তাই এদিন থেকেই লাগু হয়ে গিয়েছে আদর্শ আচরণ বিধিও। এই বিধি অনুযায়ী, নির্বাচন কমিটির আগাম অনুমতি ছাড়া পোস্টার ও প্যামফ্লেট প্রকাশ করা যাবে না। প্রার্থী ও তাঁদের দল কেবল হাতে লেখা পোস্টার ও তার ফটোকপি ব্যবহার করতে পারবে প্রচারের জন্য। তবে বিশ্ববিদ্যালয় ভবন, রাস্তা, বিদ্যুতের খুঁটি, বাসস্টপ, গাছপালা ইত্যাদি এলাকায় পোস্টার টাঙানো যাবে না। প্রচারের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পত্তিও বিকৃত করা যাবে না। নির্বাচন কমিশনের আগাম অনুমতি নিয়ে তবেই সোশ্যাল, সাংস্কৃতিক এবং নির্বাচনী সভার আয়োজন করা যাবে।     

    আরও পড়ুুন: ‘পার্থ সকলকে উস্কে গালাগাল করাচ্ছিল’, বারাকপুরে তৃণমূল প্রার্থীকে তোপ অর্জুনের

    জেএনইউয়ে শেষবার ছাত্র ভোট হয়েছিল ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে, লোকসভা নির্বাচনের পরে। সেবার নির্বাচনে জিতে সংসদের সভানেত্রী হয়েছিলেন এসএফআই নেত্রী ঐশী ঘোষ। হেরে গিয়েছিলেন এবিভিপির প্রার্থী। এর পর যমুনা দিয়ে গড়িয়েছে অনেক জল। দিল্লির প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শক্তি বাড়িয়েছে এবিভিপি। দিল্লিতেও আগের চেয়ে মজবুত হয়েছে বিজেপির ভিত। রাজনৈতিক মহলের মতে, লোকসভা নির্বাচনের আগে জেএনইউতে নির্বাচনে করিয়ে সংগঠনের ভিত কতটা পোক্ত হয়েছে, তা-ই মেপে নিতে চাইছেন বিজেপি নেতৃত্ব (JNU)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Election Commissioners Of India: ১৫ মার্চের মধ্যেই ২ নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ! বৈঠকে বসছেন মোদি

    Election Commissioners Of India: ১৫ মার্চের মধ্যেই ২ নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ! বৈঠকে বসছেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে আচমকাই ইস্তফা দিয়েছেন দেশের অন্যতম নির্বাচন কমিশনার অরুণ গোয়েল। অবসর নিয়েছেন আর এক কমিশনার অনুপ চন্দ্র পাণ্ডে। সেই শূন্যস্থান পূরণ করতে নতুন করে দুজন নির্বাচন কমিশনার (Election Commissioners Of India) নিয়োগ হতে চলেছে।

    দুই পদে নিয়োগ

    ১৫ মার্চের মধ্যেই এই দুই পদে নিয়োগ হতে পারে বলে খবর। শুক্রবার সকালে পদত্যাগ করেন গোয়েল। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন শনিবার। আইনমন্ত্রকের তরফে এ ব্যাপারে নোটিফিকেশনও জারি হয়েছে। এই দুটি পদ খালি হওয়ায় একা হয়ে পড়েছেন রাজীব কুমার। লোকসভা নির্বাচনের আগে যা তাঁর পক্ষে খুবই ‘চাপে’র। জানা (Election Commissioners Of India) গিয়েছে, কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়ালের অধীনে একটি সার্চ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিতে রয়েছেন স্বরাষ্ট্র সচিব এবং পার্সোনাল অ্যান্ড ট্রেনিং সেক্রেটারির দফতর। এঁরাই প্রথমে দুটি আলাদা প্যানেল তৈরি করবেন।

    কীভাবে নির্বাচিত হন?

    দুটি পদের জন্য প্রতিটি প্যানেলে পাঁচজনের নাম দেবেন এঁরা। এর পর প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি সিলেকশন কমিটি, যাতে রয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা কংগ্রেসের অধীর রঞ্জন চৌধুরীও ওই দুটি প্যানেলের মোট ১০টি নামের মধ্যে থেকে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে বেছে নেবেন দুজনকে। সেই দুটি নাম পাঠানো হবে রাষ্ট্রপতির কাছে। তিনিই নিয়োগ করবেন ওই দুই কমিশনারকে। জানা গিয়েছে, এই সিলেকশন কমিটির বৈঠক হতে পারে মার্চের ১৩ বা ১৪ তারিখে। এই তারিখ ঠিক হবে কমিটির সদস্যদের সম্মতির ভিত্তিতে। ১৫ তারিখে নিয়োগ করা হতে পারে নয়া দুই নির্বাচন কমিশনারকে।

    আরও পড়ুুন: রাজ্যের ৪২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা মমতার, কী বলল কংগ্রেস?

    দেশে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (Election Commissioners Of India) সহ মোট তিনজন নির্বাচন কমিশনারের থাকার কথা। একেই বলে ফুল বেঞ্চ। এতদিন রাজীব এবং অরুণই দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। তৃতীয় পদটি শূন্যই ছিল। তৃতীয় পদে নিয়োগ না হওয়ায় এবং অরুণ ইস্তফা দেওয়ায় রয়েছেন রাজীব একা। নির্বাচন কমিশনার পদে অরুণের কার্যকালের মেয়াদ ছিল সাতাশের নভেম্বর মাস পর্যন্ত। রাজীবের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ২০২৫ সালে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পদে বসার কথা ছিল (Election Commissioners Of India) অরুণেরই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Lok Sabha Election 2024: রাজ্যের ৪২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা মমতার, কী বলল কংগ্রেস?

    Lok Sabha Election 2024: রাজ্যের ৪২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা মমতার, কী বলল কংগ্রেস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ইন্ডি’ জোটের পিন্ডি চটকাচ্ছে! রবিবার দুপুরের পর এমনই জল্পনা ভাসছে বাংলার রাজনীতির আকাশে। এদিন একতরফাভাবে রাজ্যের ৪২টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে তৃণমূল।

    কংগ্রেসের প্রতিক্রিয়া

    ‘ইন্ডি’ জোটে (Lok Sabha Election 2024) থাকলেও, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছিলেন, এ রাজ্যে কংগ্রেসের সঙ্গে কোনও জোট করবে না তাঁর দল। সব ক’টি আসনেই এককভাবে প্রার্থী ঘোষণা করেছে তৃণমূল। রবিবার রাজ্যের ৪২ জন প্রার্থীকে নিয়ে ব্রিগেডের মঞ্চে হেঁটেওছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের এহেন আচরণে বেজায় চটেছে কংগ্রেস। এক্স হ্যান্ডেলে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ লিখেছেন, “জাতীয় কংগ্রেস বারবার করে সম্মানজনকভাবে আসন সমঝোতার প্রস্তাব দিয়েছিল তৃণমূলকে। আমরা চেয়েছিলাম আলাপ আলোচনার মাধ্যমে রফা হোক। একতরফা ঘোষণা করা হয়েছে, যা উচিত ছিল না। আমরা চেয়েছিলাম গোটা দেশের মতো বাংলায়ও জোটবদ্ধভাবে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়ুক ‘ইন্ডিয়া’।”

    ইন্ডির দফারফা!

    বিজেপিকে পরাস্ত করতে জোট বেঁধেছে ২৬টি রাজনৈতিক দল। জোটের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ইন্ডি’। এই জোটের অন্যতম উদ্যোক্তা ছিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। মাসখানেক (Lok Sabha Election 2024) আগে ‘ইন্ডি’ জোট ছেড়ে তিনি ফিরে গিয়েছেন এনডিএ শিবিরে। এই ‘ইন্ডি’ জোটেই রয়েছে তৃণমূলও। রয়েছে সিপিএমও। সিপিএমের সঙ্গে জোটে যাবে না বলে আগেই জানিয়েছিল তৃণমূল। তার ওপর এ রাজ্যে কংগ্রেসকে মাত্র চারটি আসন ছাড়তে রাজি হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। যা নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন বাংলার কংগ্রেস নেতৃত্ব।

    আরও পড়ুুন: “বারাকপুরে টিকিট দেওয়া হবে বলে এনেছিল”, পার্থকে তৃণমূল প্রার্থী করতেই তোপ অর্জুনের

    তার পর এদিন বাংলার প্রতিটি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে মমতা বুঝিয়ে দিলেন, বাংলায় তিনি ‘একলা চলো নীতি’তেই বিশ্বাসী। রাজনৈতিক মহলের মতে, বাংলার মতো পরিস্থিতি যদি ‘ইন্ডি’ জোটের বাকি শরিকগুলির রাজ্যেও হয়, তাহলে নির্বাচনের ঢের আগেই ভেঙে খান খান হয়ে যাবে জোট। যার জেরে আক্ষরিক অর্থেই ফাঁকা মাঠে গোল দিয়ে (Lok Sabha Election 2024) বেরিয়ে যাবে বিজেপি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • FTA: স্বাক্ষরিত হল আরও একটি এফটিএ, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    FTA: স্বাক্ষরিত হল আরও একটি এফটিএ, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার স্বাক্ষরিত হল আরও একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA)। ইউরোপিয়ান ফ্রি ট্রেড অ্যাসোশিয়েশনের সঙ্গে ভারতের ওই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল।

    কী বললেন পীযূষ গোয়েল?

    চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর মন্ত্রী বলেন, “ইউরোপিয়ান ফ্রি ট্রেড অ্যাসোশিয়েশন ভারতে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির জেরে আগামী ১৫ বছরের মধ্যে এই পরিমাণ বিনিয়োগ তারা করবে।” মন্ত্রী বলেন, এটি (FTA) একটি স্মরণীয় মুহূর্ত। ইউরোপিয়ান ফ্রি ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে ট্রেড অ্যান্ড ইকনোমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষর আগামী ১৫ বছর কঠোর শ্রম, প্রচণ্ড শক্তি এবং প্রচেষ্টার একটা মাইল ফলক হয়ে থাকবে (FTA)।”

    এফটিএ 

    ২০১৪ সালে কেন্দ্রের কুর্সিতে বসেই মরিশাস, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল ভারত। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল ইউরোপিয়ান ফ্রি ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনও। এই অ্যাসোসিয়েশনে রয়েছে আইসল্যান্ড, নরওয়ে, লিচেনস্টাইন এবং সুইজারল্যান্ড। এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিভিন্ন পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ভারতকেই অগ্রাধিকার দেবে বিশ্বের ৯৪টি দেশ। শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ভুটান, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া, জাপান এবং আশিয়ান গোষ্ঠীর সঙ্গেও মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করেছে ভারত। ব্রিটেন, ওমান, পেরু, ইজরায়েল এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন-সহ আরও বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গেও মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করা নিয়ে কথাবার্তা চলছে নয়াদিল্লির। এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে বিশ্বের ১২০টিরও বেশি দেশ বিভিন্ন পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ভারতকেই অগ্রাধিকার দেবে।

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালিকাণ্ডের জের! তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা থেকে ছেঁটে ফেলা হল নুসরতকে

    ইউরোপিয়ান ফ্রি ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের তরফে ফেডারেল কাউন্সিলর গাই পার্মেলিন বলেন, “এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার ফলে এই অ্যাসোসিয়েশন থেকে ভারত এবার প্রচুর লগ্নি টানতে পারবে। স্বাভাবিকভাবেই কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে। এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ায় আমাদের অ্যাসোসিয়েসন ও ভারত দু’ তরফই লাভবান হবে।”

    এদিনের চুক্তিতে অংশগ্রহণকারীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি লিখেছেন, “ভারত এবং ইউরোপিয়ান ফ্রি ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের মধ্যে স্বাক্ষরিত এই চুক্তিতে যাঁরা স্বাক্ষর করেছেন, তাঁদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিকাঠামোগত বৈচিত্র্য থাকলেও, আমাদের অর্থনীতি বিশ্বের প্রতিটি দেশের কাছেই উইন-উইন পরিস্থিতির প্রতিশ্রুতি প্রদান করে (FTA)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share