Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Indian Air Force: ঘুম উড়েছে চিন-পাকিস্তানের! দুই সীমান্তে উচ্চক্ষমতার রেডার, বিশেষ বন্দুক বসাচ্ছে ভারত

    Indian Air Force: ঘুম উড়েছে চিন-পাকিস্তানের! দুই সীমান্তে উচ্চক্ষমতার রেডার, বিশেষ বন্দুক বসাচ্ছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান ও চিন সীমান্তে (Pak China Border) নজরদারি বাড়াতে বড় পদক্ষেপ ভারতের। ১৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ভারতীয় বায়ুসেনার (Indian Air Force) হাতে আসতে চলেছে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন দেশীয় রেডার ও ক্লোজ-ইন উইপন সিস্টেম (সিআইডব্লুএস)। পূর্ব ও পশ্চিম—দুই প্রান্তের আকাশসীমায় নজরদারি বৃদ্ধি করতে উভয় সীমান্তে বসানো হচ্ছে এই অত্যন্ত শক্তিশালী রেডার। একইসঙ্গে খুব স্বল্প দূরত্বে শত্রুপক্ষের ড্রোন থেকে শুরু করে ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলার মোকাবিলায় মোতায়েন করা হচ্ছে সিআইডব্লুএস। 

    মোদির নেতৃত্বে সিসিএস বৈঠকে সিদ্ধান্ত

    সম্প্রতি, নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বসেছিল নিরাপত্তা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার বৈঠক। সেখানেই বায়ুসেনার  (Indian Air Force) শক্তিবৃদ্ধি করতে এই দুই অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম কেনার বিষয়ে সবুজ সঙ্কেত দেওয়া হয়েছে। এই দুটি ভারতেই উৎপাদন করবে দেশীয় সংস্থা লার্সেন অ্যান্ড টুব্রো। জানা গিয়েছে, এর মধ্যে রেডার কিনতে খরচ হবে ৬০০০ কোটি টাকা। অন্যদিকে, ৭০০০ কোটি টাকা দিয়ে কেনা হবে ক্লোজ-ইন উইপন সিস্টেম।

    উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন দেশীয় রেডার

    ভারতে তৈরি হওয়া এই সর্বাধুনিক উচ্চক্ষমতার রেডারগুলি পূর্বে চিন সীমান্তের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা এবং পশ্চিমে পাকিস্তান সীমান্ত নিয়ন্ত্রণরেখায় মোতায়েন করা হবে। এই রেডারগুলির মূল কাজ হবে উভয় দেশের (চিন-পাকিস্তান) বায়ুসেনার গতিপ্রকৃতির ওপর নজর রাখা। যেমন লাদাখ-অরুণাচলে মোতায়েন হওয়া এই রেডারগুলি চিনা বায়ুসেনার কার্যকলাপের ওপর সজাগ দৃষ্টি রাখবে। কাশ্মীর-পাঞ্জাবে মোতায়েন রেডারের মাধ্যমে পাক বায়ুসেনার গতিপ্রকৃতি সঠিকভাবে জানা যাবে।

    কেন প্রয়োজন ছিল এই রেডার?

    কেন এই নতুন অত্যাধুনিক রেডার বসানোর প্রয়োজন ছিল? বায়ুসেনা (Indian Air Force) সূত্রের দাবি, বর্তমানে মোতায়েন রেডারগুলিও শক্তিশালী। পশ্চিম সীমান্তের পাঞ্জাব, রাজস্থান ও গুজরাট সেক্টর থেকেই পাকিস্তানের ওপর নজরদারি রাখা হয়। কিন্তু, পাক-সীমান্তের জম্মু ও কাশ্মীর এবং উত্তর-পূর্বের অরুণাচল— এই জায়গাগুলির ভৌগলিক অবস্থান অত্যন্ত দুর্গম (Pak China Border)। ঘন পার্বত্য অঞ্চলে মোড়া তার ওপর আবহাওয়া প্রায়ই প্রতিকূল। ফলে, সেখান থেকে পাকিস্তান ও চিনের ওপর নজর রাখতে প্রয়োজন ছিল আরও শক্তিশালী রেডার, যা এই দুর্গম জায়গা থেকেও সমান কার্যকর হয়। যার ফলস্বরূপ, নতুন উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন রেডারগুলি বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    হাতের তালুতে চিনা যুদ্ধবিমানের গতিপ্রকৃতি!

    সম্প্রতি, লাদাখ সেক্টরে ডেমচক অঞ্চলে ভারতীয় আকাশসীমা লঙ্ঘন করে চিনা বায়ুসেনা। সঙ্গে সঙ্গে প্রত্যুত্তরে, ভারতীয় বায়ুসেনার (Indian Air Force) দুটি যুদ্ধবিমানকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় সেখানে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত কত দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে, তা পরখ করার জন্যই এই আকাশসীমা-লঙ্ঘন প্রক্রিয়া চালায় চিন। একবার নতুন রেডার প্রতিস্থাপন হয়ে গেলে, চিনা বায়ুসেনা ঘাঁটি থেকে বিমান উড়লেই ভারত খবর পেয়ে যাবে। 

    ক্লোজ-ইন উইপন সিস্টেমের গুরুত্ব

    দুই সীমান্তের (Pak China Border) আকাশসীমার সুরক্ষা আরও নিশ্ছিদ্র করতে রেডারের পাশাপাশি অত্যাধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন দেশীয় ক্লোজ-ইন উইপন সিস্টেম (সিআইডব্লুএস) বন্দুক বসাচ্ছে ভারত। এই নতুন প্রজন্মের এয়ার-ডিফেন্স গান সীমান্ত-লাগোয়া সামরিক ঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের ওপর আকাশপথে হওয়া হামলা প্রতিহত করতে দারুন কার্যকর হবে। ভারতীয় সেনা ও বায়ুসেনা  (Indian Air Force) যৌথ উদ্যোগে এই বিশেষ বন্দুকের নকশা করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Russia Ukraine War: ‘রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বেন না’, ভারতীয়দের সতর্ক করল নয়াদিল্লি

    Russia Ukraine War: ‘রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বেন না’, ভারতীয়দের সতর্ক করল নয়াদিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বেন না।’ ভারতীয়দের এই মর্মেই সতর্ক করে দিল নয়াদিল্লি। সম্প্রতি ভারত সরকার জানতে পেরেছে, মোটা অঙ্কের বেতনের লোভ দেখিয়ে ভারতীয়দের লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে যুদ্ধের কাজে (Russia Ukraine War)। সেই কারণেই সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে ভারতীয়দের।

    বিবৃতি জারি বিদেশ মন্ত্রকের

    শুক্রবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অল্প কিছু ভারতীয় রুশ সেনায় যোগ দিয়েছেন। তাঁদের যাতে দ্রুত ছেড়ে দেওয়া হয়, সে ব্যাপারে মস্কোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়টি নিয়ে আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে মস্কোয় নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমরা সকল ভারতীয় নাগরিককে বলছি, তাঁরা যেন দ্বন্দ্ব (রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ) থেকে দূরে থাকেন।” সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, রাশিয়া-ইউক্রেন দ্বন্দ্বে ক্রমেই জড়িয়ে পড়ছেন ভারতীয়রা।

    সীমান্তে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে দাঁড়িয়ে বহু ভারতীয়

    জানা গিয়েছে, রাশিয়ান সৈন্যদের সিকিউরিটি হেল্পার হিসেবে নিযুক্ত হতে চুক্তিতে সই করছেন বহু ভারতীয়। পরে তাঁদের জোর করা হচ্ছে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে। রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়ান সৈন্যদের পাশাপাশি আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন বহু ভারতীয়ও। মারিউপোল, খারকিভ এবং রোস্তভ অন ডভ সীমান্তে এ ছবি দেখা যাচ্ছে আকছার। রাশিয়ার (Russia Ukraine War) হয়ে যুদ্ধ করতে গিয়ে কয়েকজন ভারতীয় নিহতও হয়েছেন বলে খবর। রাশিয়ান সেনা দলে যেসব ভারতীয় সাপোর্ট স্টাফ হিসেবে যোগ দিয়েছেন, তাঁদের দ্রুত ছেড়ে দিতেও রাশিয়াকে অনুরোধ করেছে ভারত সরকার।

    আরও পড়ুুন: নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদ অধরা, রাষ্ট্রসংঘকে দেওয়া অনুদান অর্ধেক করল ভারত

    জানা গিয়েছে, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়ে প্রায় ২০০ নেপালিকে সেনা বাহিনীতে নিয়োগ করেছে রুশ সরকার। গত ডিসেম্বরে নেপালের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়ে নিহত হয়েছেন ৬ জন নেপালি। তার পর নেপাল সরকারও রুশ সেনায় নেপালিদের নিয়োগ না করতে অনুরোধ করেছে। যাঁরা ইতিমধ্যেই রুশ সেনায় যোগ দিয়েছেন, তাঁদের যেন অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া হয়, সেই অনুরোধও রাশিয়াকে করেছে নেপাল সরকার। প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হয়েছিল যে যুদ্ধ, তা চলছে এখনও (Russia Ukraine War)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Uniform Civil Code: মুসলিম ম্যারেজ অ্যাক্ট বাতিলের সিদ্ধান্ত, ইউসিসি-র দিকে এগোচ্ছে অসম?

    Uniform Civil Code: মুসলিম ম্যারেজ অ্যাক্ট বাতিলের সিদ্ধান্ত, ইউসিসি-র দিকে এগোচ্ছে অসম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসম মুসলিম ম্যারেজ অ্যান্ড ডিভোর্সের রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট ১৯৩৫ বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিল বিজেপি শাসিত অসম। মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে যে নাবালিকা বিয়ের প্রথা রয়েছে, তা বন্ধেই এই আইন আনছে সরকার। শনিবার বিষয়টি নিশ্চিত (Uniform Civil Code) করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।

    কী বলছেন মুখ্যমন্ত্রী?

    ট্যুইট-বার্তায় তিনি বলেন, “২৩.০২.২৩ তারিখে অমমের মন্ত্রিসভা একটি তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সিদ্ধান্তটি হল বহু পুরানো অসম মুসলিম ম্যারেজস অ্যান্ড ডিভোর্সেস রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট বাতিল করা।” তিনি জানান, আইনটি চালু হলে মেয়েদের বয়স ১৮ এবং ছেলেদের বয়স ২১ না হলে বিয়ে করা যাবে না। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই আইন চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়ে অসম সরকার অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) চালুর দিকে একধাপ এগোল।

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধি

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে আমরা অপেক্ষা করছি উত্তরাখণ্ড বিলের দিকে। কয়েকটি অতিরিক্ত ধারা যোগ করে অসম এটি অনুসরণ করবে।” তিনি বলেন, “আমরা উত্তরাখণ্ডের বিলটি খুঁটিয়ে দেখব। জনগণের সঙ্গেও এ নিয়ে কথা বলব। কথা বলব বিশেষজ্ঞদের সঙ্গেও। তার পরেই বিলটিকে নিজেদের মতো করে ফ্রেম করব।”

    অসমের মন্ত্রী জয়ন্ত মল্লবরুয়া বলেন, “দ্য অসম মুসলিম ম্যারেজ অ্যান্ড ডিভোর্স রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট ১৯৩৫ এর অধীনে ৯৪ জন মুসলিম রেজিস্ট্রার এখনও বিয়ে দিচ্ছেন। আজই তাঁদের বাতিল করা হয়েছে। মন্ত্রিসভায় আইনটির মৃত্যু হয়েছে। এই আইনে আর কোনও মুসলমানের বিয়ে কিংবা ডিভোর্স নথিভুক্ত হবে না। স্পেশাল ম্যারেজ অ্যাক্টের মাধ্যমে সমস্ত বিষয়টি স্থির করা হবে।” যে ম্যারেজ রেজিস্ট্রারদের বাতিল করা হয়েছে, তাঁদের প্রত্যেককে এককালীন দু’লাখ করে টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

    আরও পড়ুুন: জায়গা হয়নি নিরাপত্তা পরিষদে, অনুদানে রাশ টানল ভারত

    ‘এক দেশ, এক আইনে’র ধুয়ো তুলেছিল বিজেপি। সেই মতো তারা দেশজুড়ে লাগু করতে চায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি। কেন্দ্র এ ব্যাপারে এখনও সেভাবে উদ্যোগী না হলেও, বিজেপি শাসিত কয়েকটি রাজ্য ইতিমধ্যেই এই আইন লাগু করতে পদক্ষেপ করতে শুরু করেছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, অসমেও এই আইন চালু হতে খুব বেশি দিন বাকি নেই। যার প্রথম ধাপটি হল, অসম মুসলিম ম্যারেজ অ্যান্ড ডিভোর্সের রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট ১৯৩৫ বাতিল করার সিদ্ধান্ত (Uniform Civil Code)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Baal Aadhaar: শিশুর জন্যও আধার পরিচিতি! জানুন কীভাবে তৈরি করবেন ‘বাল আধার’?

    Baal Aadhaar: শিশুর জন্যও আধার পরিচিতি! জানুন কীভাবে তৈরি করবেন ‘বাল আধার’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় নাগরিকদের পরিচয়পত্র এখন আধার কার্ড (Baal Aadhaar), কারণ আধার কার্ডে নাগরিকের পুরো নাম, স্থায়ী ঠিকানা, জন্মতারিখ সহ ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন নম্বর থাকে। তবে শুধু প্রাপ্তবয়স্কদের জন্যই নয়, শিশুদেরও আধার কার্ড হয়। এটি বাল আধার নামে পরিচিত। ভারতে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য এই আধার কার্ড তৈরি করা হয়।

    বাল আধার কার্ড কী

    আধারের নিয়ামক সংস্থা ইউআইডিএআই (UIDAI)-র ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, বাল আধার (Baal Aadhaar) হল শিশুদের আধার কার্ড। নীল রঙের এই নথি শিশুদের পরিচয়পত্র হিসাবে ব্যবহার করা হয়। পাঁচ বছর অবধি এই নথি আধার কার্ড হিসাবে ব্যবহার করা হয়। পরে সন্তানের পাঁচ বছর হলে, বায়োমেট্রিক তথ্য আপডেট করা হয়। আধার আইন ২০১৬-র ৩(১) ধারা অনুযায়ী, দেশের প্রত্যেক নাগরিকের আধার নম্বর থাকা বাধ্যতামূলক। শিশুরাও এর ব্য়তিক্রম নয়। যেহেতু পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের বায়োমেট্রিক সংগ্রহ করা সম্ভব নয়, তাই বাল আধার তৈরি করা হয়। 

    কীভাবে করবেন বাল আধার

    সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে আধার কেন্দ্রে যেতে হবে। সঙ্গে নিতে হবে আধার কার্ড, ঠিকানার প্রমাণ এবং সন্তানের বার্থ সার্টিফিকেটের মতো গুরুত্বপূর্ণ নথি। এরপর আধার (Baal Aadhaar) কেন্দ্র থেকে একটি ফর্ম দেবে, সেই ফর্ম পূরণ করে জমা দিতে হবে। অভিভাবকের আধার নম্বরের বিশদ বিবরণ দিতে হবে, কারণ আধার নম্বরটি সন্তানের ইউআইডি-এর সঙ্গে লিঙ্ক করা হবে। এরপর অভিভাবকের ফোন নম্বর দিতে হবে যার আওতায় সন্তানের নীল আধার কার্ড জারি করা হবে। আগেই বলা হয়েছে, এই আধারে কোনও বায়োমেট্রিকের প্রয়োজন নেই, শুধুমাত্র আধার কেন্দ্রের আধিকারিকরা একটি ছবি তুলবেন। এরপর ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশনের পর অভিভাবকের রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বরে একটি মেসেজ আসবে। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে নীল আধার কার্ড জারি করা হবে। বিশেষ বিষয় হল, এর জন্য কোনও চার্জ নেওয়া হবে না।

    আরও পড়ুন: গর্ভদান আইনে পরিবর্তন আনল কেন্দ্র, কী বলা হয়েছে নতুন নিয়মে?

    বাড়িতে বসে বাল আধার

    প্রথমেই ইউআইডিএআই-র অফিসিয়াল ওয়েবসাইট https://uidai.gov.in/ -এ ক্লিক করতে হবে। এরপর মাই আধার (Baal Aadhaar) সেকশনে যান। সেখানে বুক অ্যান অ্যাপয়নমেন্ট সেকশনে ক্লিক করুন। এবার চাইল্ড আধার অপশনে ক্লিক করুন। নিউ আধার অপশনে ক্লিক করে নিজের মোবাইল নম্বর ও ক্যাপচা বসান। ‘রিলেশনশিপ উইথ হেড অব ফ্যামিলি’ অপশনে গিয়ে চাইল্ড (০-৫ বছর) -এটি সিলেক্ট করুন। এবার শিশুর নাম, জন্মতারিখ ও ঠিকানা আপলোড করুন। শিশুর জন্ম সার্টিফিকেট ও নিজের আধার কার্ড আপলোড করুন। এবার অ্যাপয়ন্টমেন্ট বুক করুন। এরপরে নির্দিষ্ট তারিখে অভিভাবককে সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে আধার কেন্দ্রে যেতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • India: নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদ অধরা, রাষ্ট্রসংঘকে দেওয়া অনুদান অর্ধেক করল ভারত

    India: নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদ অধরা, রাষ্ট্রসংঘকে দেওয়া অনুদান অর্ধেক করল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘকে পাঠানো অনুদান কাটছাঁট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত (India)। কেবল রাষ্ট্রসংঘ নয়, অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থায়ও অনুদান কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নয়াদিল্লি। ন্যাশনাল সিকিউরিটি এস্টাবলিশমেন্টের এক প্রবীণ সদস্য একথা জানিয়েছেন। তাঁর মতে, রাষ্ট্রসংঘের শান্তি রক্ষা মিশন থেকেও নিজেদের সরিয়ে রাখা উচিত ভারতের।

    নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য

    রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য পদের জন্য দীর্ঘদিন ধরে দরবার করে আসছে নয়াদিল্লি। গ্লোবাল স্যাস জায়ান্ট জোহো কো-অপারেশনের এক্সিকিউটিভ অফিসার শ্রীধর ভেম্বু ট্যুইট-বার্তায় বলেন, “রাষ্ট্রসংঘে ফান্ডিং কমাতে পদক্ষেপ করছে ভারত। শান্তি রক্ষা মিশন অংশগ্রহণ করা থেকেও সরে যাওয়া উচিত ভারতের।” তিনি জানান, ভারত সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তারা অর্থ এবং সময় নষ্ট করতে চায় না। কারণ বিশ্বের সব চেয়ে জনবহুল দেশ হওয়া সত্ত্বেও রাষ্ট্রসংঘ ভারতকে (India) স্থায়ী সদস্য পদ দেয়নি।

    ভারতের প্রধান অন্তরায় চিন

    রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশ পাঁচটি। এগুলি হল— আমেরিকা, চিন, ব্রিটেন, রাশিয়া এবং ফ্রান্স। এই পাঁচ দেশের হাতেই রয়েছে ভেটো দেওয়ার ক্ষমতা। অস্থায়ী সদস্য দেশ ১০টি। প্রতিটি দেশ নির্বাচিত হয় দু’বছরের জন্য। ভারতকে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য করতে আগ্রহী চিন বাদে বাকি চারটি দেশই। এই দেশগুলির সঙ্গে ভারতের সম্পর্কও বেশ ভালো। তবে নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদ পেতে ভারতের প্রধান অন্তরায় চিন। প্রতিবারই ভেটো প্রয়োগ করায় নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হতে পারছে না নয়াদিল্লি।

    ৫৪ শতাংশ হ্রাস রাষ্ট্রসংঘের অনুদানে

    চলতি মাসের ১ ফেব্রুয়ারি ভোট অন অ্যাকাউন্ট পেশ করে ভারত। সেখানে কমিয়ে দেওয়া হয়েছে রাষ্ট্রসংঘের জন্য অনুদান। গত বারেরতুলনায় এবার তা কমানো হয়েছে ৩৫.১৬ শতাংশ (India)। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে, আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলিকে দেওয়া ভারতের মোট অনুদান ছিল ৮৬৬.৭০ কোটি টাকা। অর্তর্বর্তীকালীন বাজেটে সেই টাকা কমে করা হয়েছে ৫৫৮.১২ কোটি টাকা। সবচেয়ে বড় কোপ পড়েছে রাষ্ট্রসংঘকে দেওয়া অনুদানে। একেবারে, ৫৪ শতাংশের বেশি কমানো হয়েছে পরিমাণ। গত বার যেখান দেওয়া হয়েছিল ৩৮২.৫ কোটি টাকা, এবার সেখানে বরাদ্দ করা হয়েছে ১৭৫ কোটি।

    আরও পড়ুুন: শাহজাহান বিরোধী আন্দোলন দমাতে গ্রামে গ্রামে পুলিশ ক্যাম্প, সিসি ক্যামেরায় নজরদারি

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Surrogacy Rules: গর্ভদান আইনে পরিবর্তন আনল কেন্দ্র, কী বলা হয়েছে নতুন নিয়মে?

    Surrogacy Rules: গর্ভদান আইনে পরিবর্তন আনল কেন্দ্র, কী বলা হয়েছে নতুন নিয়মে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারোগেসি বা গর্ভদান আইনে (Surrogacy Rules) পরিবর্তন আনল কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন আইনে বলা হয়েছে যে, বিবাহিত দম্পতির যদি শারীরিক সমস্যা থাকে, স্ত্রী বা স্বামীর কোনও একজনের জননকোষ ব্যবহার করেই গর্ভদাত্রী মায়ের সাহায্যে সন্তানের জন্ম দেওয়া যাবে। সে ক্ষেত্রে সংশোধিত ‘গর্ভদান আইন, ২০২২’ অনুযায়ী জেলা মেডিক্যাল বোর্ডের সংশাপত্র লাগবে, যাতে উল্লেখ থাকবে, স্বামী বা স্ত্রীর মধ্যে কোনও একজনের শারীরিক সমস্যা রয়েছে এবং জননকোষ দাতার প্রয়োজন রয়েছে।

    কী বলা হয়েছে নতুন আইনে

    পুরনো গর্ভদান আইনে (Surrogacy Rules) দম্পতির দু’জনেরই জননকোষ ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক ছিল। নির্দিষ্ট করে এই বিষয়টি বদল করেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার উন্নয়ন মন্ত্রক। নয়া নিয়মে স্ত্রী বা স্বামীর কোনও একজনের জননকোষ ব্যবহার করেই গর্ভদাত্রী মায়ের সাহায্যে সন্তানের জন্ম দেওয়া যাবে। তবে দু’জনেরই শারীরিক প্রতিবন্ধকতা থাকলে চলবে না। সিঙ্গল মাদার বা একা-মহিলারা (বিধবা বা বিবাহবিচ্ছিন্না) নিজেদের ডিম্বাণু এবং শুক্রাণু-দাতার সাহায্যে গর্ভদান প্রক্রিয়ায় সন্তানের জন্ম দিতে পারবেন। এ ক্ষেত্রেও মহিলাকে নিজের ডিম্বাণু ব্যবহার করতে হবে। ডিম্বাণু-দাতার সাহায্য নেওয়া যাবে না।

    কেন নয়া নিয়ম

    সুপ্রিম কোর্ট সাম্প্রতিককালে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মহিলাদের থেকে জননকোষ দান নিয়ে আবেদন পায়। তাঁরা জানান, কোনও বিরল যৌন-সমস্যায় ভুগছেন তাঁরা। সেই কারণেই তারা গর্ভধারণ করতে পারছেন না। কিন্তু ডিম্বাণু-দানে অনুমতি না থাকায় গর্ভদান প্রক্রিয়ার সাহায্য নিয়েও মা হতে পারছেন না তাঁরা। এর পরেই আইন সংশোধনের কথা ভাবা শুরু হয়।

    আরও পড়ুুন: নেপালে ফের জোরালো হিন্দু রাষ্ট্রের দাবি, প্রধানমন্ত্রীকে দাবিসনদ পেশ জনতার

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    গত বছর ডিসেম্বর মাসে সুপ্রিম কোর্ট পুরনো আইনটির (Surrogacy Rules) যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। শীর্ষ আদালত জানায়, ‘‘গর্ভদানের যে আসল লক্ষ্য, তা এই আইনে বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে।’’ গর্ভদান আইন নিয়ে শুনানি চলাকালীন ১৪টিরও বেশি দম্পতিকে ডিম্বাণু-দাতার সাহায্য নেওয়ায় অনুমতি দেয় সুপ্রিম কোর্ট। এ বছর জানুয়ারি মাসে সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রের কাছে প্রশ্ন করে, এত মহিলা ক্ষোভ নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছেন, কেন সরকার বিষয়টি নিয়ে ভাবছে না? তারপরই কেন্দ্র সারোগেসি আইন নিয়ে নয়া নিয়ম আনার কথা ভাবে। আনা হয় নয়া নিয়ম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bird Flu: বার্ড ফ্লু-র ভ্রুকুটি, অন্ধ্রপ্রদেশে মৃত্যু ১০ হাজার মুরগির

    Bird Flu: বার্ড ফ্লু-র ভ্রুকুটি, অন্ধ্রপ্রদেশে মৃত্যু ১০ হাজার মুরগির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বসন্তের হাওয়ায় বার্ড ফ্লু-র ভ্রুকুটি! ইতিমধ্যেই দেশে হানা দিয়েছে বার্ড ফ্লু (Bird Flu)। তার জেরে উদ্বেগে পোল্ট্রি ব্যবসায়ীরা। জানা গিয়েছে, নেল্লোর-সহ অন্ধ্রপ্রদেশের বেশ কিছু জেলায় রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়েছে এইচ৫এনওয়ান ভাইরাস। ঘটনায় মুরগি পালনে রেড অ্যালার্ট জারি করেছে ওই রাজ্যের পশুপালন দফতর।

    ১০ হাজার মুরগির মৃত্যু

    জানা গিয়েছে, নেল্লোর জেলার পুধালাকুরু, কোভুরু ও মাইদাপুরম এলাকায় গত তিন মাসে বার্ড ফ্লুয়ে সংক্রমিত হয়ে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১০ হাজার মুরগির। পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে ওই দুই গ্রামের বাইরেরও ১০ কিলোমিটার পর্যন্ত এলাকা। জনবসতির ১ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে আগামী তিন মাস মুরগির মাংস বিক্রির দোকান বন্ধ থাকার নির্দেশিকা জারি করেছে পুলিশ-প্রশাসন। নেল্লোরে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট। আশপাশের জেলাগুলিতেও জারি করা হয়েছে সতর্কতা। যেহেতু পোল্ট্রিগুলিতেই বেড়েছে সংক্রমণ, তাই আগামী ১৫ দিন পোল্ট্রিগুলি থেকে অন্য কোথাও মুরগি পাঠানোয় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

    ড্রপলেট থেকে রোগ ছড়ায় 

    বিশেষজ্ঞদের মতে, অন্যান্য ফ্লুয়ের (Bird Flu) মতো বার্ড ফ্লুও ছড়ায় নাক-মুখ থেকে নিঃসৃত সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম জলকণা বা ড্রপলেট থেকে। এই ড্রপলেট অন্য পাখির শ্বাসনালীতে ঢুকে গেলে ওই পাখিটিও সংক্রমিত হতে পারে ফ্লুয়ে। জানা গিয়েছে, যাঁরা মূলত পোল্ট্রির কাজেই যুক্ত, তাঁরাই সাধারণত সংক্রমিত হন। বসন্তের বাংলায় এইচ৫এনওয়ান ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদি মুরগি থেকে মানুষে সংক্রমণ ছড়ায় এবং সংক্রমিত ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়ার আগেই এ রাজ্যে আসেন, সে ক্ষেত্রে ছড়াতে পারে সংক্রমণ।  

    আরও পড়ুুন: ‘‘জাতপাতের নামে দেশকে বিভাজিত করছেন ইন্ডিয়া জোটের নেতারা’’, তীব্র আক্রমণ মোদির

    জানা গিয়েছে, মূলত পোল্ট্রি ফার্মের মাধ্যমেই বেশি ছড়ায় বার্ড ফ্লু। তবে হাঁস-মুরগি খেলে যে এই বার্ড ফ্লু হবে, এমন কোনও কথা নেই। অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে প্রচুর পরিমাণে ডিম আসে এ রাজ্যে। সেই ডিম খেলেও বার্ড ফ্লু হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ যে তাপমাত্রায় মাংস কিংবা ডিম রান্না করা হয়, তাতে ফ্লুয়ের ভাইরাস মারা যায়। একই কথা প্রযোজ্য ওমলেটের ক্ষেত্রেও (Bird Flu)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Modi In Varanasi: ‘‘জাতপাতের নামে দেশকে বিভাজিত করছেন ইন্ডি জোটের নেতারা’’, তীব্র আক্রমণ মোদির

    Modi In Varanasi: ‘‘জাতপাতের নামে দেশকে বিভাজিত করছেন ইন্ডি জোটের নেতারা’’, তীব্র আক্রমণ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার বারাণসীতে একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের শিলান্যাস করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi In Varanasi)। সন্ত রবিদাসের ৬৪৭তম জন্মজয়ন্তীতে হাজির ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ওই মঞ্চ থেকে এদিন তিনি একহাত নেন ইন্ডি জোটের নেতাদেরও। প্রধানমন্ত্রী বলেন যে জাতপাতের নামে দেশকে বিভাজিত করছেন ইন্ডিয়া জোটের নেতারা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিজের লোকসভা কেন্দ্র বারাণসীতে পা রাখেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন সকালে তিনি বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন তারপরেই সন্ত রবিদাসের মন্দিরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী।

    উন্নয়নের উৎসব চলছে কাশীতে

    প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি (Modi In Varanasi) এদিন বলেন যে উন্নয়নের উৎসব শুরু হয়েছে কাশিতে। তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘এমন একটি সময়ের মধ্যে আমরা যাচ্ছি, যখন সারা দেশ গর্বিত।’’ বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তব্য রাখার আগে হর হর মহাদেব ধ্বনি তোলেন প্রধানমন্ত্রী। এবং তিনি বলেন, ‘‘মহাদেবের আশীর্বাদ যে ভূমিতে রয়েছে তা সমৃদ্ধ। বিগত ১০ বছর ধরে কাশিতে উন্নয়নের ঢোল বাজছে। আজ আবারও কাশির একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন হতে চলেছে।’’

    ভারতের চিরন্তন চেতনা হল কাশী

    কাশীকে এদিন সর্ববিদ্যার রাজধানী বলে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী এবং তিনি বলেন ‘‘গত ১০ বছরে কাশি অনেক বদলে গিয়েছে কাশী। উন্নয়নের গঙ্গা কাশীকে আশীর্বাদ করেছে। প্রধানমন্ত্রী (Modi In Varanasi) এদিন আরও বলেন যে কাশী শুধুমাত্র আমাদের একটি ধর্মীয় বিশ্বাসের কেন্দ্র নয় এটি ভারতের চিরন্তন চেতনা। একটা সময় ছিল যখন ভারতের সমৃদ্ধির গল্প সর্বত্র বলা হত। এর কারণ শুধু অর্থনৈতিক শক্তি নয়, সাংস্কৃতিক এবং সামাজিক সমৃদ্ধিও ছিল।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Chandrachud: “ভোরে উঠে যোগা করি, ভেগান খাই”, সুস্থ থাকার ঝাঁপি খুললেন চন্দ্রচূড়

    Justice Chandrachud: “ভোরে উঠে যোগা করি, ভেগান খাই”, সুস্থ থাকার ঝাঁপি খুললেন চন্দ্রচূড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ মেনে যোগা করেন তিনি। তাতে ভালোও আছেন। কথাগুলি যিনি বললেন, তিনি বিজেপির কোনও কর্মী কিংবা সমর্থক নন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর অনুগামীও নন। তিনি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় (Justice Chandrachud)। বৃহস্পতিবার আয়ুশ হলিস্টিক ওয়েলনেস সেন্টারের উদ্বোধন করেন দেশের শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি। এই অনুষ্ঠানেই তিনি তুলে ধরেন নিজের দিনলিপি।

    ‘যোগা প্র্যাকটিশ করি’

    চন্দ্রচূড় বলেন, “আমি যোগা প্র্যাকটিশ করি। এজন্য ভোর সাড়ে তিনটেয় ঘুম থেকে উঠি। গত পাঁচ মাস ধরে আমি ভেগান ডায়েট (দুধ জাতীয় দ্রব্য বাদে নিরামিষ খাবার) মেনে চলছি। আমি সম্পূর্ণভাবে একটি নিরামিষ ডায়েট অনুসরণ করেছি ও আমি এটি চালিয়ে যাব। আমি জীবনের সামগ্রিক জীবনশৈলীর দিকে মনোনিবেশ করার চেষ্টা করছি, যেটা আপনি যা খান, তা থেকে শুরু হয়।”

    ‘অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ নিইনি’

    কোভিড-পর্বে করোনায় সংক্রমিত হয়েছিলেন প্রধান বিচারপতি (Justice Chandrachud)। তখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁকে ফোন করে খোঁজখবর নিয়েছিলেন। দিয়েছিলেন আশ্বাস। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “আমার মনে হয় আপনি কোভিডে সংক্রমিত হয়েছেন এবং আমি আশা করি সব কিছু ঠিক আছে। আমি বুঝতে পারছি যে আপনি ভালো নেই। তবে আমরা সব কিছু করব। একজন বৈদ্য রয়েছেন, যিনি আয়ুশের সেক্রেটারিও। আমি তাঁর সঙ্গে একটি ফোনের ব্যবস্থা করব, যিনি আপনাকে ওষুধ ও সমস্ত কিছু পাঠাবেন।” প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমি তিনবার করোনা সংক্রমিত হয়েছিলাম। একবারও অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ নিইনি।”

    আরও পড়ুুন: আকবর-সীতা বিতর্ক এড়াতে সিংহের নাম বদলের পরামর্শ হাইকোর্টের

    সুস্থ থাকতে যোগাভ্যাস যে জরুরি, তাও জানান শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি। প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, কেবল বিচারক ও তাঁদের পরিবার নয়, আদালতের সব কর্মীরও এমন জীবনশৈলী মেনে চলা উচিত। তাঁদের মাধ্যমে আমরা বার্তা দিতে পারি গোটা দেশে।” চন্দ্রচূড় বলেন, “এক বছর আগে আমি পঞ্চক্রম অনুশীলন করতে শুরু করি। আবারও শুরু করেছি। সুপ্রিম কোর্টে আমাদের সদস্য রয়েছেন দু হাজারেরও বেশি। আমাদের সহকর্মী এবং ৩৪ জন বিচারপতিও রয়েছে। নিত্যদিন আমাদের প্রচুর স্ট্রেসের মধ্যে কাজ করতে হয়। এই স্ট্রেস দূর করতেই নিয়মিত যোগা অভ্যাস করা জরুরি বলেও জানান দেশের প্রধান বিচারপতি (Justice Chandrachud)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Global Brokerage Firm: তিন বছরেই বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় তিনে আসবে ভারত, বলছে সমীক্ষা

    Global Brokerage Firm: তিন বছরেই বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় তিনে আসবে ভারত, বলছে সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যে কথাটা নানা সময় বলতে শোনা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Global Brokerage Firm), বিভিন্ন সমীক্ষায়ও উঠে এসেছে যে তথ্য, সেটাই ফের প্রকাশ্যে এল আন্তর্জাতিক একটি সংস্থার সৌজন্যে। গ্লোবাল ব্রোকারেজ ফার্ম জেফেরিজ (Global Brokerage Firm) জানিয়ে দিয়েছে, ২০২৭ সালের মধ্যেই বিশ্বের বৃহত্তম দেশের তালিকার তিন নম্বরে ঠাঁই করে নেবে ভারত।

    ১০ নম্বরে ছিল ভারত

    এই তালিকায় এক নম্বরে রয়েছে আমেরিকা। তার ঠিক পরেই রয়েছে চিন। বিশ্ব বাজারে অর্থনীতির টালমাটাল দশা চললেও, মোদি জমানায় পোক্ত হয়েছে ভারতীয় অর্থনীতির ভিত। ২০১৪ সালে যখন কেন্দ্রের কুর্সিতে বসে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি সরকার, তখন বিশ্ব অর্থনীতির তালিকার ১০ নম্বরে ছিল ভারত। মোদির দুই মেয়াদের জমানায় ভারতের জায়গা হয়েছে পাঁচে (Global Brokerage Firm)। দীর্ঘদিন এই জায়গাটা দখল করেছিল ইংল্যান্ড। ইংল্যান্ডকে ছ নন্বরে নামিয়ে ভারত জায়গা করে নেয় পাঁচে। অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, মোদির আমলে জিডিপি বেড়েছে। তার জেরেই চাঙা হয়েছে ভারতীয় অর্থনীতি। ওই ব্রোকারেজ ফার্মের দেওয়া তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, জিডিপি বেড়েছে সাত শতাংশ। বর্তমানে তা পৌঁছে গিয়েছে ৩.৬ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে।

    কী বলছে জেফেরিজ?

    জেফেরিজ নামের ওই ব্রোকারেজ ফার্মের অনুমান, আগামী চার বছরের মধ্যেই ভারতের জিডিপি বেড়ে হবে ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি। আর তা হলে জাপান এবং জার্মানিকে ছিটকে দিয়ে তিন নম্বর জায়গাটি দখল করবে ভারত। জানা গিয়েছে, জাপানে বর্তমানে চলছে মন্দা। আবার জার্মানির অর্থনীতিতে দেখা দিয়েছে স্লো-ডাউন। যদিও ভারতের অর্থনীতি দাঁড়িয়ে রয়েছে শক্ত ভিতের ওপর। প্রত্যাশিতভাবেই বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় ভারতের জায়গা হবে ওপরের দিকে। অর্থনীতিবিদদের সিংহভাগের মতে, ভারতের এই জিডিপি বৃদ্ধির কয়েকটি কারণ রয়েছে। এর মধ্যে যেমন রয়েছে শ্রমিকের জোগান, তেমনি রয়েছে স্থায়ী সরকার ও সুশাসন। জেফেরিজের দাবি, তাই ভারতের দিকেই আকৃষ্ট হচ্ছেন বিশ্বের লগ্নিকারীরা। এভাবে চলতে থাকলে ভারতের জিডিপির লেখচিত্র যে ঊর্ধ্বগামী হবে, তা বলাই বাহুল্য (Global Brokerage Firm)।

    আরও পড়ুুন: শাহজাহানের পর ভাই সিরাজ! তাঁর বিরুদ্ধেও জনরোষ, পথে মহিলারা

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share