Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Uttarakhand: অবৈধ মাদ্রাসা ভাঙাকে কেন্দ্র করে অশান্ত উত্তরাখণ্ড, মৃত ৪, আহত ২৫০, জারি কারফিউ

    Uttarakhand: অবৈধ মাদ্রাসা ভাঙাকে কেন্দ্র করে অশান্ত উত্তরাখণ্ড, মৃত ৪, আহত ২৫০, জারি কারফিউ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবৈধ মাদ্রাসা ভাঙাকে কেন্দ্র করে অশান্তি দেবভূমিতে। উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) হলদওয়ানিতে গোষ্ঠী সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে চারজনের এবং আহত হয়েছেন ২৫০ জনেরও বেশি। যার মধ্যে ১০০-র বেশি পুলিশকর্মীই রয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামি। মুখ্যসচিব, রাজ্যের শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকরা, গোয়েন্দা বিভাগের কর্তারা এই বৈঠকে যোগ দেন।

    বৃহস্পতিবার দুপুরের ঘটনা

    বৃহস্পতিবার, হাইকোর্টের নির্দেশে দুপুর নাগাদ হলদওয়ানি পৌরসভার আধিকারিকরা বনভুলাপুরা থানার কাছে অবৈধভাবে (Uttarakhand) নির্মিত একটি মাদ্রাসাকে ভাঙতে যায়, তখন থেকেই অশান্তির সূত্রপাত হয়। এই সময়ে স্থানীয় লোকজন পুলিশ অফিসারদের দিকে পাথর ছুড়তে শুরু করে। এমনকী, পুলিশকে লক্ষ্য করে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গুলিও চালানো হয় বলে অভিযোগ। ওই গোটা এলাকাটা মুসলিম অধ্যুষিত ছিল। এর ফলে অসংখ্য পুলিশ কর্মী আহত হন। ঘটনায় পুলিশের বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগ করা হয়।

    এলাকায় চলছে কারফিউ, বন্ধ থাকবে স্কুল

    একটি ট্রান্সফর্মারে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়, যার ফলে আশেপাশের  বিদ্যুৎপরিষেবা বন্ধ হয়ে যায়। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে সেখানে কারফিউ জারি করা হয়েছে এবং কেবলমাত্র জরুরী চিকিৎসার ক্ষেত্রেই মানুষজনকে বাইরে বেরনোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বাকি সরকারি নির্দেশ মতো, এলাকাবাসীকে বাড়িতেই থাকতে বলা হয়েছে। দেখামাত্র গুলি করার (Uttarakhand) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নৈনিতালের জেলাশাসক ইতিমধ্যে জানিয়েছেন যে, গোটা ঘটনার ভিডিও রেকর্ডিং রয়েছে তাঁদের কাছে। দোষীদের চিহ্নিত করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামি জানিয়েছেন যে শুক্রবারে হলদওয়ানির সমস্ত স্কুল বন্ধ থাকবে।

    আরও পড়ুন: কী ছিল, কী হল! গত ১০ বছরে মোদি সরকারের অর্থনীতির শ্বেতপত্রে বিধ্বস্ত কংগ্রেস

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • White Paper On Economy: কী ছিল, কী হল! গত ১০ বছরে মোদি সরকারের অর্থনীতির শ্বেতপত্রে বিধ্বস্ত কংগ্রেস

    White Paper On Economy: কী ছিল, কী হল! গত ১০ বছরে মোদি সরকারের অর্থনীতির শ্বেতপত্রে বিধ্বস্ত কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউপিএ ও এনডিএ আমলে দেশের আর্থিক অবস্থার তুলমূল্য বিচার করা হল। বৃহস্পতিবার লোকসভায় ভারতীয় অর্থনীতি নিয়ে শ্বেতপত্র  (White Paper  On Economy) প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। বাজপেয়ী সরকারের কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে একটি ‘সুস্থ অর্থনীতি’ পেয়েছিল কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার। কিন্তু, ১০ বছর আগে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ জোট ভারতীয় অর্থনীতিকে শুধু খারাপ অবস্থায় নয়, ‘সঙ্কটাপন্ন’ অবস্থায় ছেড়ে গিয়েছিল, বলে দাবি করা হয়েছে শ্বেতপত্রে।

    কী আছে শ্বেতপত্রে

    ‘শ্বেতপত্র’ এক ধরনের তথ্য সম্বলিত রিপোর্ট। এতে কোনও বিষয় নিয়ে সরকারি নীতি, সরকারের কৃতিত্ব এবং বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হয়। কেন্দ্রের দাবি, ২০০৪ সালে যখন ইউপিএ সরকার ক্ষমতায় আসে তখন দেশের অর্থনীতির বৃদ্ধি ছিল ৮ শতাংশ। শিল্প ও পরিষেবা ক্ষেত্রে তা ছিল ৭ শতাংশ। কৃষিক্ষেত্রে তা ছিল ৯ শতাংশে। কিন্তু সেই পরিস্থিতির ফায়দা তুলতে ব্যর্থ কংগ্রেস। শ্বেতপত্রে দেখানো হয়েছে, ২০০৪ থেকে ২০১৪- এই এক দশকে গড় বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতি ছিল ৮.২ শতাংশ। আর এই চড়া মুদ্রাস্ফীতি রুখতে ইউপিএ কোনও পদক্ষেপই করেনি বলে অভিযোগ। এরই পাশাপাশি শ্বেতপত্রে বলা হয়েছে, বৃহত্তর অর্থনৈতিক কল্যাণের জন্য বহু কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনডিএ সরকার। তৈরি করেছে শক্তিশালী পরিকাঠামো। 

    কী হয়েছে

    ভারতীয় অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে এবং অর্থনীতির মৌলিক বিষয়গুলিকে ‘সুস্থ’ করতে বহুমুখী চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছিল মোদি সরকার। সেই সময় বিশ্বের অন্যতম ভঙ্গুর অর্থনীতির একটি ছিল ভারতের অর্থনীতি। পরের দশ বছরে, মোদি সরকার ভারতকে বিশ্বের তৃতীয় সর্ববৃহৎ অর্থনীতিতে পরিণত করেছে। ইউপিএ আমলে ২জি কেলেঙ্কারি ছিল। এখন, ভারতের জনসংখ্যার অধিকাংশ সর্বনিম্ন মূল্যে ৪জি যোগাযোগের সুবিধা পান। ২০২৩-এ গোটা বিশ্বের মধ্যে সবথেকে দ্রুত ৫জি রোলআউট হয়েছে। সেই সময় কয়লা কেলেঙ্কারি ছিল। আজ প্রাকৃতিক সম্পদকে কাজে লাগাতে, স্বচ্ছ এবং উদ্দেশ্যমূলক নিলাম ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে। সেই সময়, আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার সংকট ছিল। এখন, ভারতের ঘরে রেকর্ড পরিমাণ, ৬২০ বিলিয়নের বেশি বৈদেশিক মুদ্রা রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hemant Soren: হেমন্তের দিল্লির বাড়ি থেকে বাজেয়াপ্ত গাড়ির মালিক কংগ্রেস সাংসদ, দাবি ইডির

    Hemant Soren: হেমন্তের দিল্লির বাড়ি থেকে বাজেয়াপ্ত গাড়ির মালিক কংগ্রেস সাংসদ, দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জমি জালিয়াতি মামলায় ধৃত ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের দিল্লির বাসভবন থেকে বাজেয়াপ্ত  দামি গাড়িটি আসলে কংগ্রেস সাংসদ ধীরজ শাহুর। ইডি সূত্রে এমনই দাবি করা হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, গত বছর রাজ্যসভার কংগ্রেস সাংসদ ধীরজের বাড়ি থেকে বিপুল নগদ উদ্ধার করা হয়েছিল। ধীরজকে ওই গাড়ি প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে ইডি।

    গাড়ি আসলে কার

    ঘটনাচক্রে ধীরজ শাহুর বাড়ি, অফিস-সহ একাধিক জায়গা থেকে মাস দুয়েক আগেই সাড়ে তিনশো কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। ডিসেম্বরে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল অর্থ উদ্ধার করেছিল ইনকাম ট্যাক্স ডিপার্টমেন্ট। যদিও তিনি দাবি করেছিলেন, ওই বিপুল অর্থের সঙ্গে কোনও যোগ নেই কংগ্রেসের। সমগ্র টাকা উদ্ধারে ১০ দিন সময় লেগেছিল। ইডি সূত্রের দাবি, গাড়িটি কংগ্রেস সাংসদ শাহুর নামে নথিভুক্ত। কিন্তু হেমন্তের দিল্লির বাসভবনে সেই গাড়ি ছিল কেন, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। সেজন্যই জেরা করা হতে পারে ধীরজকে।

    আরও পড়ুন: ‘ভোটের গিমিক, দিশাহীন’! রাজ্য বাজেট নিয়ে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    বাজেয়াপ্ত গাড়ির বঙ্গ যোগ

    জমি জালিয়াতি মামলায় গত ৩১ জানুয়ারি ইডির হাতে গ্রেফতার হন হেমন্ত। ৬০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। নিজের রক্ষাকবচের জন্য সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থও হয়েছিলেন হেমন্ত। কিন্তু শীর্ষ আদালতে গিয়েও বিশেষ সুবিধা করতে পারেননি ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।তাঁর দিল্লির বাসভবন থেকে বাজেয়াপ্ত গাড়ির সঙ্গে বঙ্গ যোগও রয়েছে। ইডি সূত্রের খবর, ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে যে গাড়ি রয়েছে, তার রেজিস্ট্রেশন করিয়েছিল কলকাতার এক ব্যবসায়ী যোগেশ আগরওয়াল। রিয়েল এস্টেট এবং মোটর প্রশিক্ষণ স্কুলের ব্যবসা রয়েছে যোগেশের। ফলে, মোটর ট্রেনিং স্কুলের আড়ালে দুর্নীতির চক্র রয়েছে বলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের সন্দেহ এবং সেটা কী ধরনের দুর্নীতি, ইডি তা খতিয়ে দেখতে চাইছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: কংগ্রেসের কৃষ্ণপত্রকে ‘কালো টিকা’র সঙ্গে তুলনা প্রধানমন্ত্রীর, কেন জানেন?

    PM Modi: কংগ্রেসের কৃষ্ণপত্রকে ‘কালো টিকা’র সঙ্গে তুলনা প্রধানমন্ত্রীর, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি সরকারের (PM Modi) আনা শ্বেতপত্রের পাল্টা কৃষ্ণপত্র প্রকাশ করেছে কংগ্রেস। মল্লিকার্জুন খাড়্গেদের সেই কৃষ্ণপত্রকে ‘কালো টিকা’র সঙ্গে তুলনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের দেশে কোনও পরিবারে কোনও শিশুর যাতে নজর না লাগে তার জন্য কালো টিকা পরিয়ে দেওয়া হয়। গত ১০ বছরে সমৃদ্ধির নতুন নতুন শিখর ছুঁয়েছে দেশ। এমন এক বিশুদ্ধ বাতাবরণ তৈরি হয়েছে, তাতে যাতে নজর না লেগে যায়, তার জন্য কালো টিকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আর তার জন্য সম্মাননীয় খড়্গেজিকে অসংখ্য ধন্যবাদ।” প্রসঙ্গত, ইউপিএ জমানায় অসংখ্য দুর্নীতি সামনে আসে। দেশজুড়ে পথে নামেন সমাজ কর্মীরাও। সেই সমস্ত আর্থিক কেলেঙ্কারিগুলিকে নিয়েই মোদি সরকার প্রকাশ করতে চলেছে শ্বেতপত্র।

    কংগ্রেসকে কটাক্ষ

    বৃহস্পতিবার বিদায়ী সাংসদদের কাজ সহ অন্যান্য বিষয়ে রাজ্যসভায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর ভাষণে উঠে আসে বিজেপি সরকারের নেতৃত্বে গত ১০ বছরে দেশ যে উন্নতি ও  সমৃদ্ধির কথাও। এই সময়ই কংগ্রেসের কৃষ্ণপত্র প্রকাশ নিয়ে বলতে শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। এনিয়ে কংগ্রেসকে তীব্র কটাক্ষ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, “এই প্রচেষ্টা অত্যন্ত ভাল। দেশের প্রগতিতে যাতে নজর না লাগে, তার জন্য এই ‘কালো টিকা’ অত্যন্ত জরুরি ছিল। যখন ভালো কিছু হয়, তখন কালো টিকা নজর থেকে বাঁচায়। এই ব্যবস্থাকেও স্বাগত জানাচ্ছি।” ৯ ফেব্রুয়ারি চলতি অধিবেশনের সমাপ্তি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মঙ্গলবার সংসদ বিষয়ক মন্ত্রক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মোদি সরকারের (PM Modi) দ্বিতীয় মেয়াদের শেষ অধিবেশনের সমাপ্তি হবে ১০ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ শনিবার।

    পূর্বসূরিকে স্মরণ মোদির

    এদিন রাজ্যসভায় কংগ্রেসকে তুলোধনা করলেও, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে প্রশংসায় ভরিয়ে দেন মোদি। যা দেখে চমকে যান বিরোধীরা। মোদির মতে, দীর্ঘ সময় ধরে যেভাবে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী দেশ পরিচালনা করেছেন, তা সকলের কাছে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। মোদি উল্লেখ করেন দিল্লি পরিষেবা বিল নিয়ে রাজ্যসভায় ভোটাভুটির প্রসঙ্গ। প্রধানমন্ত্রীর মতে, বিল নিয়ে ভোটাভুটিতে সরকার পক্ষের জয় নিশ্চিত ছিল। তা সত্ত্বেও হুইলচেয়ারে করে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজ্যসভায় এসেছিলেন ভোট দেওয়ার জন্য। মোদির মতে, সাংসদ হিসাবে তাঁর এই কর্তব্যপরায়ণতা একটি উদাহরণ হয়ে থাকবে। যা, অন্য সাংসদদের কাছে অনুপ্রেরণা যোগাবে। সংসদে দাঁড়িয়ে পূর্বসূরির দীর্ঘায়ু কামনা করেন তিনি। 

    রাজ্যসভার বিদায়ী সাংসদদের সংবর্ধনা

    জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার উপরাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড়ের দিল্লির বাসভবনে সংবর্ধনা জানানো হবে রাজ্যসভার বিদায়ী সাংসদদের। বিদায়ী সাংসদদের সংবর্ধনা দেওয়ার আগে অবশ্য তার আগে রাষ্ট্রপতি তাঁদের একসঙ্গে একটি ছবি তোলার কথা। এর পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় চেয়ারম্যানের বাসভবনে অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বিদায়ী সাংসদেরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Repo Rate Unchanged: মধ্যবিত্তকে স্বস্তি দিয়ে রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক

    Repo Rate Unchanged: মধ্যবিত্তকে স্বস্তি দিয়ে রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঋণের চাপ থেকে মধ্যবিত্তকে স্বস্তি দিতে রেপো রেট (Repo Rate Unchanged) বাড়ানোর পথে হাঁটল না রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। আগের মতো রেপো রেট ৬.৫০ শতাংশই থাকছে। এই নিয়ে টানা ৬ বার রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখল দেশের শীর্ষ ব্যাঙ্ক। 

    কী বললেন শক্তিকান্ত দাস?

    গত ৬ তারিখ থেকে শুরু হয়েছিল রিজার্ভ ব্যাঙ্কের আর্থিক নীতি নির্ধারণ কমিটির (এমপিসি) বৈঠক (RBI Monetary Policy)। এই দ্বিমাসিক বৈঠকে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক রেপো রেট নিয়ে নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকে নজর ছিল সকলের। তিনদিনের বৈঠক শেষে বৃহস্পতিবার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস। তিনি বলেন, ‘‘এবারের বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং কমিটি রেপো রেট (Repo Rate Unchanged) ৬.৫০ শতাংশে স্থির রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ছয় সদস্যের মধ্যে পাঁচজন এর পক্ষে রায় দিয়েছেন।’’ একইভাবে, স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফেসিলিটি ও মার্জিনাল স্ট্যান্ডিং ফেসিলিটির হারও যথাক্রমে ৬.২৫ ও ৬.৭৫ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। 

    শীর্ষ ব্যাঙ্কের ঘোষণায় স্বস্তিতে মধ্যবিত্ত

    রেপো রেট (অর্থাৎ, যে সুদের হারে বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলিকে স্বল্প মেয়াদে ঋণ দেয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক) অপরিবর্তিত (Repo Rate Unchanged) থাকার ফলে, গৃহ ঋণ থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত ঋণ, গাড়ির ঋণ ও শিক্ষা ঋণে সুদের হার একই থাকবে। তা বাড়বে না। রেপো রেট বৃদ্ধি পেলে, মধ্যবিত্তদের সমস্যা বাড়ত। কারণ, বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলিও ঋণের ক্ষেত্রে সুদের হারও বাড়িয়ে দিত। কিন্তু, রেপো রেট স্থির থাকায়, আশা করা যাচ্ছে যে, ব্যাঙ্কগুলি সুদের হার বৃদ্ধি করবে না। 

    মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে প্রচেষ্টা অব্যাহত

    রিজার্ভ ব্যাঙ্কের মতে, রেপো রেট স্থির (Repo Rate Unchanged) থাকলে, মুদ্রাস্ফীতির মোকাবিলা করা সহজ হবে। যে কারণে, গত ৬ বার রেপো রেট এক রাখার ফলে, দেশের খুচরো মুদ্রাস্ফীতিতে আংশিক লাগাম পরানো গিয়েছে। শক্তিকান্ত দাস বলেন, ‘‘বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করে মিশ্র সংকেত পাওয়া যাচ্ছে। মূদ্রাস্ফীতিও কিছুটা কমবে বলে মনে হচ্ছে (RBI Monetary Policy)। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’’ এরসঙ্গেই তাঁর দাবি, জিডিপি বৃদ্ধির সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা আগে ৬.৫ শতাংশ রাখা হলেও তা বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nitish Kumar: ‘‘‘আর কোথাও যাব না’’, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে বললেন নীতীশ

    Nitish Kumar: ‘‘‘আর কোথাও যাব না’’, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে বললেন নীতীশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের আগে এনডিএ শিবিরে ভিড়েছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। বিহারে ফের তৈরি হয়েছে বিজেপি জোটের সরকার। পুরনো ঘরে প্রত্য়াবর্তন করতেই শপথের দিনে তাঁকে (নীতীশ কুমার) অভিনন্দন জানিয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    এবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে সাক্ষাৎ করলেন নীতীশ। বুধবারই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী। সাক্ষাতের পর নীতীশ সংবাদমাধ্যমকে জানান, আর কখনও এনডিএ ছাড়বেন না। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন জেডিইউ প্রধান। সেখানেই নীতীশ জানান, ১৯৯৫ সাল থেকেই বিজেপির সঙ্গে জোটে ছিল তাঁর দল। ২০১৩ সালের পর দু’বার বিচ্ছেদ হলেও, তিনি আর কখনও এনডিএ ছেড়ে যাবেন না। তিনি বলেন, ‘‘১৯৯৫ সাল থেকে এনডিএ জোটের সঙ্গে আমার সম্পর্ক। এর আগে আমি দু’বার জোট ছেড়েছি ঠিকই, কিন্তু এ বার আমি চিরকালের জন্য এনডিএ-তে যোগ দিলাম। আর আমি কোথাও যাব না।’’ নীতীশ জানান, বিহারের সরকার ও রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে নানা আলোচনা হয়েছে। বুধবার নীতীশের আগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বিজেপির দুই উপ মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরি ও বিজয় সিনহা।

    ইন্ডি জোটের কাণ্ডারী ছিলেন নীতীশ

    লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে বিরোধীদের ঐক্যবদ্ধ করার কাজ প্রথম শুরু করেন নীতীশ কুমারই (Nitish Kumar)। কলকাতাতে তেজস্বী যাদবকে সঙ্গে করে এনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে নবান্নে বৈঠকও করেন নীতীশ। এরপর পাটনাতে তাঁরই তাঁরই উদ্যোগে প্রথম বৈঠক হয় জোটের। কিন্তু ক্রমশ দূরত্ব ও মতবিরোধ বেড়েই চলছিল আরজেজির সঙ্গে। গত মাসেই বিহারের সরকারে ফের পালাবদল হয়। প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের পর তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গেও দেখা করেন।

    ১২ ফেব্রুয়ারি আস্থা ভোট বিহারে

    প্রসঙ্গত, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বিহারের বিধানসভায় আস্থাভোট রয়েছে। বিজেপির সমর্থনে বিধানসভায় নীতীশের জেতা কেবল সময়ের অপেক্ষা। বিজেপির সমর্থনে নতুন সরকার গঠন করার পর নীতীশ কুমারের (Nitish Kumar) সঙ্গে ৮ জন মন্ত্রী শপথ নিয়েছিলেন। এর মধ্যে বিজেপির দুই ডেপুটি মুখ্যমন্ত্রীও ছিল। বাকি মন্ত্রী পরিষদ গঠন এখনও বাকি। মনে করা হচ্ছে খুব শীঘ্রই নতুন মন্ত্রীরা শপথ নেবেন। প্রসঙ্গত, গত ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে এনডিএ জোটের শরিক বিজেপি ও জেডি(ইউ) ১৭টি করে আসনে লড়েছিলেন। লোক জনশক্তি দল ৬টি আসনে লড়েছিল। মিলেছিল অভুতপূর্ব সাফল্য। ৪০ আসনের মধ্যে ৩৯ আসন জিতেছিল বিজেপি জোট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: এনডিএ-তে যোগ দিচ্ছে টিডিপি! বৈঠকে শাহ-নায়ডু, দক্ষিণে জমি শক্ত বিজেপির

    Lok Sabha Election 2024: এনডিএ-তে যোগ দিচ্ছে টিডিপি! বৈঠকে শাহ-নায়ডু, দক্ষিণে জমি শক্ত বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের (Lok Sabha Election 2024) আগে দক্ষিণে জমি শক্ত করল বিজেপি। বুধবার মধ্যরাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকেরে পর তেলেগু দেশম পার্টির প্রধান তথা অন্ধ্রপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু জানিয়ে দেন এনডিএ-তে যোগ দিচ্ছে টিডিপি। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে টিডিপি এনডিএ-র সঙ্গে জোট বেঁধেই লড়াই করবে তা এক প্রকার নিশ্চিত। 

    টিডিপি-এনডিএ যোগ

    প্রায় ছ’বছর পরে অন্ধ্রপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নায়ডুর দল তেলুগু দেশম পার্টি (টিডিপি) আবার বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ-তে ফিরতে চলেছে। টিডিপি সূত্রে খবর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে জোটের প্রতিটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। আগামী এপ্রিল-মে মাসে লোকসভা ভোটের সঙ্গেই অন্ধ্রে বিধানসভা ভোট হওয়ার সম্ভাবনা। সেখানে ক্ষমতাসীন ওয়াইএসআর কংগ্রেসকে হারানোর উদ্দেশে বিজেপি, টিডিপি ছাড়াও তেলুগু অভিনেতা-রাজনীতিক পবন কল্যাণের দল জনসেনা পার্টি এনডিএ-তে শামিল হতে পারে বলে খবর। বিজেপি সূত্রে খবর, তারা প্রতিটি রাজ্যে দলের প্রসার করতে চায়। জোটের শর্ত সঠিক হলে এবং পর্যাপ্ত প্রতিনিধিত্ব পেলে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন। ২০১৪ সালের লোকসভা ভোটে বিজেপির সঙ্গে জোটে ছিলেন চন্দ্রবাবু। কিন্তু অন্ধ্রের বিশেষ মর্যাদার দাবিতে ২০১৮ সালে এনডিএ ছাড়ে টিডিপি। ফের ২০২৪ লোকসভা ভোটের আগে পুরনো জোটে ফিরল টিডিপি।  

    আরও পড়ুন: মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিলেই তীব্র প্রতিবাদ, রাজ্য বাজেটের আগে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    দক্ষিণে বিশেষ নজর

    লোকসভা ভোটে (Lok Sabha Election 2024) লক্ষ্য ‘মিশন ৪০০’। তাই দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলিতে বিশেষ নজর দিচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহেরা। বুধবার দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, রাজীব চন্দ্রশেখর এবং এল মুরুগানের উপস্থিতিতে বিজেপিতে যোগ দিলেন এডিএমকে ১৫ জন প্রাক্তন বিধায়ক। সেই সঙ্গে প্রয়াত জয়ললিতার দলের এক প্রাক্তন সাংসদও পদ্ম-শিবিরে শামিল হয়েছেন। বিজেপিতে যোগদানকারী নেতাদের মধ্যে রয়েছেন, কে ভেদিভেল, এমভি রত্নম, আর চিন্নাস্বামী এবং পিএস কান্দস্বামীর মতো দ্রাবিড় রাজনীতির পরিচিত মুখেরা। সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন এবারের লোকসভা নির্বাচনে এনডিএ চারশোর বেশি আসন পাবে, তার মধ্যে বিজেপি পাবে ৩৭০-এর বেশি আসন। এই আসন সংখ্যায় পৌঁছতে গেলে দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে বিজেপিকে বেশি আসন পেতেই হবে। যদিও আসন বেশি পাওয়া প্রসঙ্গে নিশ্চিত পদ্ম শিবির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Uniform Civil Code: দেশে প্রথম! উত্তরাখণ্ড বিধানসভায় পাশ অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, কী রয়েছে তাতে?

    Uniform Civil Code: দেশে প্রথম! উত্তরাখণ্ড বিধানসভায় পাশ অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, কী রয়েছে তাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশকে নয়া দিশা দেখাতে চলেছে দেবভূমি। বুধবার উত্তরাখণ্ডের বিধানসভায় (Uttarakhand) পাশ হয়ে গেল অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code)। উত্তরাখণ্ড বিধানসভায় চার দিনের বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছিল। গত ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে সেই অধিবেশন শুরু হয়েছিল। বুধবার ছিল তার শেষ দিন। এদিনই উত্তরাখণ্ডের বিজেপি সরকার এই বিল পাশ করে। এবার রাজ্যপালের কাছে বিলটি অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। রাজ্যপাল এই বিলে সাক্ষর করলেই আইনে পরিণত হবে এই বিল। 

    সমানাধিকারের আইন

    উত্তরাখণ্ডে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি পাশ হওয়ার পরই একাধিক রাজ্য, বিশেষ করে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি অভিন্ন দেওয়ানি বিধি পাশ করার আগ্রহ দেখিয়েছে। আগামী অধিবেশনেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আনতে পারে রাজস্থান সরকারও। এই বিল পাশের পর উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি বলেন, ‘‘এই আইন সমানাধিকারের কথা বলে। এটি কারও বিরুদ্ধে নয়। এই আইন মহিলাদের জন্য, যাঁরা সমাজে পদে পদে সমস্যার সম্মুখীন হন। এটি তাঁদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেবে।’’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ধামি বলেন, “এই বিল কারোর বিরুদ্ধে নয়, বরং সকলের মঙ্গলের জন্যই আনা হয়েছে। বিশেষ করে মহিলারা এতে উপকৃত হবেন। বিবাহ, বিচ্ছেদ, সম্পত্তির উত্তরাধিকারের মতো বিষয়ে সকলকে সমান অধিকার দেওয়া হবে। বিশেষ করে মহিলারা যে বঞ্চনার শিকার হতেন, তা এই আইন কার্যকর হলে দূর হবে।”

    আরও পড়ুন: মায়ানমার নিয়ে যৌথ পদক্ষেপের ঘোষণা, বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক ডোভালের

    কী আছে এই আইনে

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধিতে সব ধর্মের মানুষের জন্য বিয়ে, বিবাহবিচ্ছেদ, জমি-সম্পত্তি এবং উত্তরাধিকার সংক্রান্ত এক এবং অভিন্ন আইন প্রচলনের কথা বলা হয়েছে। সূত্রের খবর, সুপারিশের খসড়ায় ধর্ম নির্বিশেষে পুরুষদের বহুবিবাহ বন্ধ এবং একত্রবাস নথিভুক্ত করার আইনের কথা বলা হয়েছে। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি অনুযায়ী, যদি কোনও যুগল ‘একত্রবাস’ বা ‘লিভ-ইন’ করতে চান, তবে অবশ্যই পুলিশ বা জেলা আধিকারিকদের অনুমতি নিতে হবে। আর যদি তাঁদের বয়স ২১ বছরের নীচে হয়, তবে বাবা-মায়ের সম্মতির প্রয়োজন। ধর্ম নির্বিশেষে মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ এবং ছেলেদের ক্ষেত্রে ২১ বছর করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ‘রেজিস্ট্রি বিবাহ’ বাধ্যতামূলকের কথা বলা হয়েছে এই বিধিতে। উত্তরাখণ্ডে যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আনা হয়েছে, তাতে নিষিদ্ধ করা হয়েছে বহুবিবাহ। বহুগামিতাও নিষিদ্ধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে। একই পরিবারের মধ্যে বিয়ে নিষিদ্ধ হয়েছে। এছাড়া সম্পত্তিতে পুত্র ও কন্যা সন্তানের সমান অধিকার, বৈধ ও অবৈধ সন্তানের সমান অধিকারের কথাও বলা হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • India-Bangladesh: মায়ানমার নিয়ে যৌথ পদক্ষেপের ঘোষণা, বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক ডোভালের

    India-Bangladesh: মায়ানমার নিয়ে যৌথ পদক্ষেপের ঘোষণা, বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক ডোভালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মায়ানমার পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী হাসান মাহমুদের সঙ্গে বৈঠক করলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। মায়ানমারের গৃহযুদ্ধে ঘরছাড়া কয়েক হাজার সাধারণ নাগরিক আশ্রয় নিয়েছেন মিজোরাম-সহ উত্তর পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি রাজ্যে। মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশের সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় কামানের গোলায় ইতিমধ্যেই মৃত্যু হয়েছে কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিকের। জুন্টা সমর্থক সেনা এবং বিদ্রোহী জোটের লড়াইয়ে পড়ে নাজেহাল সেখানকার বাসিন্দারা মায়ানমার ছাড়ছেন। এই পরিস্থিতিতে মায়ানমার নিয়ে ভারতের সঙ্গে বৈঠক করলেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

    মায়ানমার প্রসঙ্গ

    বুধবার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে বৈঠকের পরে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী বলেন, ‘‘আঞ্চলিক নিরাপত্তার স্বার্থে মায়ানমার সীমান্ত পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে ভারত-বাংলাদেশ একসঙ্গে কাজ করবে। এ বিষয়ে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে আমার আলোচনা হয়েছে। পরে এ সংক্রান্ত বিস্তারিত কর্মপদ্ধতি ঠিক করা হবে।’’ বিদ্রোহী জোটের অগ্রগতি রুখতে ইতিমধ্যেই জনবসতিপূর্ণ এলাকায় নির্বিচার বিমানহানা শুরু করেছে মায়ানমার বায়ুসেনা। পাশাপাশি ভারত এবং বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া রাখাইন প্রদেশের বেশ কিছু জনপদে ভারী কামান থেকে গোলাবর্ষণও চলছে। ফলে সীমান্ত এলাকার সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে নয়াদিল্লি এবং ঢাকার। ভারতের মিজোরাম, মণিপুর, নাগাল্যান্ড এবং বাংলাদেশের কক্সবাজার–বান্দরবান এলাকার সঙ্গে মায়ানমারের সীমান্ত রয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে প্রাণ বাঁচাতে মায়ানমারের নাগরিকরা পালিয়ে চলে আসছেন দু’দেশেই। যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রপুঞ্জও।

    দিল্লির মসনদে মোদিকেই চান হাসিনা

    মায়ানমার প্রসঙ্গ ছাড়াও এদিন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী জানান, দুই দেশের ক্রমবর্ধমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে ভারতের মসনদে ফের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদিকেই দেখতে চায় বাংলাদেশ। হাছান মাহমুদ বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারতের ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে। এই উন্নয়ন অগ্রগতির ধারা বজায় রাখতে আঞ্চলিক রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও শান্তি রক্ষার বিকল্প নেই। “

    বাংলাদেশে শেখ হাসিনার পনেরো বছর এবং ভারতে মোদির দশ বছরের শাসনামলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক, সাংস্কৃতিক বোঝাপড়া ছাড়াও পরিকাঠামো বিনিময়ে নজিরবিহীন অগ্রগতি হয়েছে।  দুই দেশ একে অপরকে তাদের বন্দর, রাস্তা ব্যবহারের সুযোগ দিচ্ছে। ফলে বাণিজ্য বৃদ্ধি পেয়েছে। দু’দেশের নেতৃত্বই তাই মনে করেন, এই বিষয়ে অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে হলে নিজ নিজ দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: ‘স্টার্টআপ নন-স্টার্টার হয়ে গেলেন’, রাহুলকে কটাক্ষ প্রধানমন্ত্রী মোদির

    Narendra Modi: ‘স্টার্টআপ নন-স্টার্টার হয়ে গেলেন’, রাহুলকে কটাক্ষ প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিবারতন্ত্র নিয়ে রাজ্যসভায় জবাবি ভাষণে কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একই সঙ্গে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীকেও কটাক্ষ করেন তিনি। সরাসরি নাম না করলেও, কংগ্রেসের ‘যুবরাজ’ বলে এদিন রাহুলকে কটাক্ষ করেন মোদি। আগেও একাধিক বার রাহুলকে ‘যুবরাজ’, ‘শাহজাদা’ বলে উল্লেখ করেন তিনি। ‘যুবরাজ’কে ‘স্টার্ট-আপ’ হিসেবে তুলে ধরতে চেয়েছিল কংগ্রেস, কিন্তু রাহুল ‘নন-স্টার্টার’ হয়ে রয়ে গেলেন বলে এদিন দাবি করেন মোদি (Narendra Modi)। 

    রাহুলকে খোঁচা

    বুধবার রাজ্যসভায় জবাবি ভাষণে মোদি বলেন, “একই পরিবারের একাধিক সদস্য নিজের ক্ষমতায় রাজনীতি ক্ষেত্রে এগিয়ে চলে, তাহলে তো কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু কোনও পরিবার যখন রাজনৈতিক দল চালায় তখন সেটা পরিবারতন্ত্র। এর ফল ভুগছে দেশ।”  নাম না করে তিনি বলেন, “যুবরাজকে স্টার্ট-আপ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছিল। কিন্তু তিনি নন-স্টার্টার হয়েই রয়ে গেলেন। উনি না কিছু তুলতে পারেন, না কিছু ছুড়তে।” ভারত জোড়ো যাত্রা’য় যে ‘মহব্বত কি দুকান’ স্লোগান শুরু করেন রাহুল, সেই নিয়েও এদিন কটাক্ষ করেন মোদি। তাঁর কথায়, “কংগ্রেসের ‘দুকান’ বন্ধ হওয়ার জোগাড়। বার বার একই পণ্য ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বাজারে আনার চেষ্টা চলছে। কিন্তু চেষ্টা ব্যর্থ হচ্ছে বার বার।”

    আরও পড়ুন: ‘সরকারি শিক্ষকরা বেতন নিয়ে মাথা ঘামান, ছাত্রদের পড়ানো নিয়ে নয়’, উদ্বিগ্ন হাইকোর্ট

    পরিবারতন্ত্রের পুজো

    গত সোমবারই সংসদে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “অধীরবাবুকে (অধীর চৌধুরী) দেখে আমার কষ্ট হয়। পরিবারতন্ত্রের পুজো করতে হয় তাঁকে। কংগ্রেসে কোনও প্রতিভাবানদের স্থান নেই। একটা পরিবার দলের সব সিদ্ধান্ত নেয়।” এই প্রসঙ্গে তিনি নিশানা করেন রাহুল গান্ধীকেও। লোকসভায় দাঁড়িয়ে নাম না করে মোদির খোঁচা, “একই প্রোডাক্ট বার বার লঞ্চ করতে গিয়ে কংগ্রেসের দোকানে তালা ঝোলার পরিস্থিতি এসে গিয়েছে।” এদিন কংগ্রেসকে আক্রমণ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘লোকসভা নির্বাচনে ৪০টি আসনও পার করতে পারবে না কংগ্রেস।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share