Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Manohar Lal Khattar: পদত্যাগ করলেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর, প্রার্থী হচ্ছেন লোকসভায়?

    Manohar Lal Khattar: পদত্যাগ করলেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর, প্রার্থী হচ্ছেন লোকসভায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পদত্যাগ করলেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর (Manohar Lal Khattar)। মঙ্গলবার সকালে মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন তিনি। তাঁর পরিবর্তে মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন বিজেপিরই নায়েব সাইনি অথবা সঞ্জয় ভাটিয়া। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে খট্টরকে করনাল কেন্দ্রে প্রার্থী করতে পারে বিজেপি। এমনটাই খবর সূত্রের।

    মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা খট্টরের (Manohar Lal Khattar)

    এদিন বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ নিজের বাসভবনে বিজেপি এবং সরকারের সমর্থক নির্দল বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন খট্টর। তারপরেই ইস্তফা দেন তিনি। এদিনই জননায়ক জনতা পার্টি (জেজেপি) নেতা দুষ্মন্ত চৌটালা ১১টায় বৈঠক ডেকেছিলেন। জানা গিয়েছে, এদিনের বৈঠকে হিসার এবং ভিওয়ানি-মহেন্দ্রগড় কেন্দ্রের প্রার্থী বাছাই নিয়েও আলোচনা হয় খট্টরের ডাকা বৈঠকে। মুখ্যমন্ত্রী ইস্তফা দিলে মন্ত্রিসভা ভেঙে যায়। নয়া মন্ত্রিসভায় কারা (Manohar Lal Khattar) মন্ত্রী হবেন, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। জেজেপির পরিবর্তে নির্দলদের সমর্থনে এবার সরকার গড়তে চাইছেন বিজেপি নেতৃত্ব। 

    হরিয়ানায় সংখ্যাতত্ত্বের হিসেব

    হরিয়ানা বিধানসভার আসন সংখ্যা ৯০। এর মধ্যে বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ৪১। কংগ্রেসের রয়েছেন ৩০ জন বিধায়ক। জেজেপির বিধায়ক সংখ্যা ১০। নির্দল রয়েছেন ৭ জন। ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল লোকদল ও হরিয়ানা লোকহিত পার্টির একজন করে বিধায়কও রয়েছেন। জানা গিয়েছে, নায়েব সাইনি কিংবা সঞ্জয় ভাটিয়াকে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসাতে চাইছেন বিজেপি নেতৃত্ব। হরিয়ানার রাজভবনের কনফারেন্স রুমে শপথ গ্রহণের প্রস্তুতিও চলছে।

    আরও পড়ুুন: এনডিএ শিবিরে ফিরলেন চন্দ্রবাবু, বিজেপি-টিডিপি আসন রফা চূড়ান্ত

    জেজেপিকে লোকসভা আসন ছাড়তে নারাজ বিজেপি

    হরিয়ানায় লোকসভার আসন রয়েছে ১০টি। এর মধ্যে জেজেপি ২টি আসন চেয়েছিল। যা ছাড়তে রাজি হয়নি বিজেপি। জেজেপি নেতা তথা হরিয়ানার উপমুখ্যমন্ত্রী (মন্ত্রিসভা ভেঙে যাওয়ায় এখন প্রাক্তন) দুষ্মন্ত চৌটালা সোমবার সাক্ষাৎ করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে। দিল্লিতে আয়োজিত সেই বৈঠকে নাড্ডা জেজেপি সুপ্রিমোকে সাফ জানিয়ে দেন, হরিয়ানায় একটি আসনও তারা ছাড়তে পারবে না জেজেপিকে।

    হরিয়ানায় একা লড়বে বিজেপি?

    অসমর্থিত একটি সূত্রের খবর, এর পরেই মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চান জেপিপি সুপ্রিমো। সেই বৈঠকও হয়নি। দিল্লিতে যখন দুটি আসনের জন্য দরবার করে বেড়াচ্ছেন দুষ্মন্ত, তখনই এদিকে মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন খট্টর (Manohar Lal Khattar)। বিজেপির একটি সূত্রের খবর, এবার নির্দলদের নিয়েই সরকার গড়বে বিজেপি। লোকসভা নির্বাচনে হরিয়ানায় একলা লড়ার সিদ্ধান্তও নিয়েছে মোদি-শাহের দল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: এনডিএ শিবিরে ফিরলেন চন্দ্রবাবু, বিজেপি-টিডিপি আসন রফা চূড়ান্ত

    Lok Sabha Election 2024: এনডিএ শিবিরে ফিরলেন চন্দ্রবাবু, বিজেপি-টিডিপি আসন রফা চূড়ান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যরাতের সেই বৈঠকেই মিলেছিল রফাসূত্র। তার পরেই ছ’বছর পর বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএতে ফিরলেন তেলুগু দেশম পার্টি নেতা চন্দ্রবাবু নাইডু। বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে (Lok Sabha Election 2024) ওই বৈঠকেই বিজেপির সঙ্গে আসন রফাও চূড়ান্ত করে ফেলেছিলেন অন্ধ্রপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। ৯ মার্চ চন্দ্রবাবু নাইডু এনডিএতে যোগ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা।

    চূড়ান্ত আসন রফা (Lok Sabha Election 2024)

    গত কয়েকদিন ধরেই বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে টিডিপি সুপ্রিমোর যোগাযোগ বাড়ছিল। বিজেপি নেতা অলোকমানের সঙ্গে বেশ কয়েকবার বৈঠকও হয়েছে তাঁর। পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর সেনাপতি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন টিডিপি সুপ্রিমো। শেষমেশ সোমবার রাতে বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াতের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক হয় চন্দ্রবাবুর। সেখানেই চূড়ান্ত হয় আসন রফা।

    জোট জন সেনার সঙ্গেও

    দেশের উত্তরাংশে বিজেপির শক্তি চোখ ধাঁধানো হলেও, দক্ষিণাংশে বেশ দুর্বল। আঞ্চলিক দলগুলিরও রাজ্যের ক্ষমতায় ফিরতে প্রয়োজন বিজেপির মতো শক্তিশালী একটি রাজনৈতিক দলকে। এই অঙ্কেই বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএর সঙ্গে ফের গাঁটছড়া বাঁধলেন অন্ধ্রপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু। দিন কয়েক আগেই অন্ধ্রের আঞ্চলিক দল জন সেনার সঙ্গে জোট বেঁধেছে টিডিপি। এবার টিডিপি ভিড়ল এনডিএ শিবিরে। সোমবার রাতে বিজেপির তরফে শেখাওয়াত, টিডিপির তরফে চন্দ্রবাবু এবং জন সেনা সুপ্রিমো পবন কল্যাণের দীর্ঘ বৈঠক হয়। তার পরেই তিন দল যৌথ বিবৃতি দিয়ে অন্ধ্রপ্রদেশে আসন রফার কথা জানান। অন্ধ্রপ্রদেশে লোকসভার আসন রয়েছে ২৫টি। এর মধ্যে ৬টিতে প্রার্থী দেবে বিজেপি। চন্দ্রবাবুর দল প্রার্থী দেবে ১৭টি আসন। বাকি দুটি আসনে প্রার্থী দেবে জন সেনা।

    আরও পড়ুুন: “সিএএ দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার পক্ষে ভালো পদক্ষেপ”, বললেন রাজ্যপাল

    কোন দল কটি আসনে প্রার্থী দেবে তা ঠিক হলেও, কারা কোথায় প্রার্থী দেবে তা এখনও জানা যায়নি। বিজেপির একটি সূত্রের খবর, তিরুপতি, আরাকু, রাজামুন্ড্রি, আনাকাপল্লি এবং নরসাপূরমে প্রার্থী দেবে পদ্ম শিবির। সমঝোতা সূত্র অনুযায়ী, বিজেপির হাতে রয়েছে আরও একটি আসন। জন সেনা লড়বে কাঁকিনাড়া ও মাচিলিপত্তনমে। বাকি (Lok Sabha Elections 2024) আসনগুলিতে প্রার্থী দেবে চন্দ্রবাবুর দল।

    প্রসঙ্গত, ২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনে এনডিএর সঙ্গে জোট বেঁধে লড়াই করেছিল টিডিপি। অন্ধ্রপ্রদেশকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়ার দাবিতে ২০১৮ সালে জোট ছেড়ে বেরিয়ে যান চন্দ্রবাবু। উনিশের লোকসভা ও পরের বিধানসভা নির্বাচনে একাই লড়ে টিডিপি। গোহারা হেরে যায় চন্দ্রবাবুর দল (Lok Sabha Elections 2024)।

     

      দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ভোট পরিচালনা করতে ২,১৫০ পর্যবেক্ষক নিয়োগ কমিশনের

    Lok Sabha Election 2024: ভোট পরিচালনা করতে ২,১৫০ পর্যবেক্ষক নিয়োগ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Election 2024) ভোট পরিচালনা করতে ২,১৫০ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল কমিশন। যার মধ্যে ৯০০ সাধারণ পর্যবেক্ষক (Election Observer) এবং ৪৫০ পুলিশ পর্যবেক্ষক রয়েছে। সোমবারই এক বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানিয়েছে কমিশন (ECI)।

    ২৪ ঘণ্টা চালু থাকবে পর্যবেক্ষকদের (Election Observer) ফোন

    কমিশনে সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্ঘণ্ট প্রকাশ হওয়া মাত্রই পর্যবেক্ষকরা বুথস্তরে গিয়ে কাজ শুরু করে দেবেন। যে কোনও অভিযোগ পাওয়া মাত্রই দ্রুত পদক্ষেপ করবেন পর্যবেক্ষকরা। সাধারণ ভোটার এবং রাজনৈতিক দলগুলির (Lok Sabha Election 2024) অভিযোগও শুনবেন পর্যবেক্ষকরা। ফোন এবং ই-মেল মারফত অভিযোগ জমা করতে পারবেন সাধারণ ভোটাররা। কমিশনের নির্দেশ, ফোন ২৪ ঘণ্টা চালু রাখতে হবে পর্যবেক্ষকদের (Election Observer) এবং সমস্ত ফোন ধরতে হবে। কমিশনের এক শীর্ষ কর্তা জানিয়েছেন, যে কোনও ভোটে পর্যবেক্ষকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে। কমিশনের হয়ে ভোট পরিচালনার দায়িত্বে তাঁরাই থাকেন।

    পর্যবেক্ষকদের (Election Observer) গাড়িতে লাগানো থাকবে জিপিএস

    কমিশনের নির্দেশ, নির্দিষ্ট লোকসভা কেন্দ্রে (Lok Sabha Election 2024) দায়িত্বপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকদের গোটা ভোট প্রক্রিয়া চলার সময় সেখানেই থাকতে হবে। তাঁদের গাড়িতে লাগানো থাকবে জিপিএস যন্ত্র। যাতে সহজেই তাঁদের লোকেশন জানা যায়। সমাজমাধ্যম, সংবাদমাধ্যমে পর্যবেক্ষকদের ফোন নম্বর এবং ই-মেল প্রকাশ করতে হবে, যাতে ভোটার থেকে প্রার্থী, সকলে তা জানতে পারেন। পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে সংযোগ রক্ষার জন্য নিরাপত্তা এবং অন্য আধিকারিক নিয়োগ করবে জেলা নির্বাচনী দফতর। পর্যবেক্ষকদের সৎ ভাবে নিজের কাজ চালানোর নির্দেশ দিয়েছে কমিশন (Election Commission)। পরিস্থিতি সর্বদা পর্যবেক্ষণ করতে হবে তাঁদের। যথা সম্ভব বেশি সংখ্যক বুথে ঘুরে ঘুরে পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে হবে পর্যবেক্ষকদের। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলতে হবে, কোথাও কোনও অসুবিধা হচ্ছে কিনা জানতে হবে। বিশেষত সংবেদনশীল এলাকায় বেশি নজর দিতে হবে পর্যবেক্ষকদের (Election Observer)।

    প্রার্থী এবং জনসভার উপরেও নজর রাখবে কমিশন (ECI)

    প্রার্থী এবং রাজনৈতিক দলগুলির জনসভার (Lok Sabha Election 2024) উপরেও নজর রাখবেন পর্যবেক্ষকরা। কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশ সঠিক ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, সেটাও দেখতে হবে পর্যবেক্ষকদের। কোনও বিশেষ রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীর সুবিধার্থে যাতে বাহিনীকে ব্যবহার করা না হয়, তা-ও নিশ্চিত করতে হবে। সিইও দফতরের ওয়েবসাইটেও পর্যবেক্ষকদের সব নম্বর রাখতে হবে। শুধু ফোন নম্বর জানালেই হবে না, ভোট প্রক্রিয়া চলাকালীন পর্যবেক্ষকদের প্রত্যেকের ফোন কল রিসিভ করার ওপর বারবার জোর দিয়েছে কমিশন (Election Commission)। কারণ সব থেকে বেশি অভিযোগ এটাই আসে যে পর্যবেক্ষকদের ফোনে পাওয়া যায়নি। কোনও অভিযোগ এলে প্রথমে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা বলে সেটা মেটাতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CAA: “আমরাও এখন ভারতীয়”, সিএএ কার্যকর হওয়ার পর বললেন পাকিস্তান থেকে আসা হিন্দুরা

    CAA: “আমরাও এখন ভারতীয়”, সিএএ কার্যকর হওয়ার পর বললেন পাকিস্তান থেকে আসা হিন্দুরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে দেশজুড়ে কার্যকর হল সিএএ বা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA)। শরণার্থীদের একটা বড় অংশ মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্তে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে। সিএএ বা নাগরিকত্ব (সংশোধনী) আইন পাশ হওয়ায় উচ্ছ্বসিত পাকিস্তান থেকে আসা হিন্দু উদ্বাস্তুরা। দিল্লি, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ এমনকী বাংলাতেও এই আইন (Citizen Amendment Act) কার্যকর হওয়ায় খুশিতে মেতে ওঠে বহু শরণার্থী পরিবার। জয়পুরের রাস্তায় বাজি ফাটাতে দেখা যায় সাধারণ মানুষকে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়ে স্লোগানও দিতে দেখা যায় শরনার্থীদের।

    কী বলছেন পাক-হিন্দু শরণার্থীরা

    দিল্লিতে যে পাকিস্তানি হিন্দু উদ্বাস্তু সম্প্রদায় রয়েছে, তাদের নেতা ধরমবীর সোলাঙ্কি বলেন, “এই আইন কার্যকর হলে আমাদের সম্প্রদায়ের প্রায় ৫০০ জন ভারতের নাগরিকত্ব পাবেন। আমি এবং আমার পরিবার এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এই সময়ের অপেক্ষায় ছিলাম। অবশেষে আমাদের ভারতীয় নাগরিক বলা হবে। আমরা সবাই এতে খুব খুশি। আজ মনে হচ্ছে, ভাগ্যিস ২০১৩ সালে আমি স্বদেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। মনে হচ্ছে আমাদের কাঁধ থেকে একটা বিশাল বোঝা তুলে নেওয়া হয়েছে।” সোমবার দেশজুড়ে সিএএ (CAA) আইন কার্যকর হওয়ার খবর শুনে খুশিতে মেতে ওঠে ওই সমস্ত পরিবার। সিএএ কার্যকর করার জন্য অল ইন্ডিয়া মতুয়া সমাজের তরফে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। বাংলায় এই আইনকে স্বাগত জানাতে  ঢাক-ঢোল নিয়ে পথে নামেন সাধারণ মানুষ।

    আরও পড়ুন: হিন্দু বাঙালির দ্বিতীয় স্বাধীনতা, দেশজুড়ে কার্যকর হয়ে গেল সিএএ

    সিএএ (CAA) কী?

    ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারতের তিনি মুসলিম প্রতিবেশী রাষ্ট্র পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে নিপীড়নের জন্য এ দেশে আসা সেদেশের সংখ্যালঘু শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। ওই দেশগুলি থেকে হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্সি এবং খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের শরণার্থীদের নাগরিকত্ব প্রদানের বিষয়টি সিএএ-তে (CAA) উল্লেখ করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী, ভিসা বা পাসপোর্টের মতো নথি না থাকলেও ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য আবেদন করা যাবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: তৃণমূলের ১০ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত, ইডির পদক্ষেপকে স্বাগত শুভেন্দুর

    TMC: তৃণমূলের ১০ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত, ইডির পদক্ষেপকে স্বাগত শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অ্যালকেমিস্ট মামলার তদন্তে নেমে তৃণমূলের (TMC) ১০ কোটি ২৯ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করল ইডি।  সোমবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে এক প্রেস বিবৃতি দিয়ে এ কথা জানানো হয়েছে। ইডির (ED)দিল্লি আঞ্চলিক দফতর তৃণমূলের এই টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে। ইডির টাকা ‘আটক’ করার পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। 

    ইডির বিবৃতি

    ইডি জানিয়েছে, চিটফান্ড সংস্থা অ্য়ালকেমিস্ট গ্রুপের আর্থিক তছরুপের মামলার তদন্তে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। ১০ কোটি ২৯ লাখ টাকার একটি ডিমান্ড ড্রাফট বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সামনেই লোকসভা নির্বাচন রয়েছে। তার ঠিক আগে অ্যালকেমিস্ট গ্রুপের বিরুদ্ধে মামলার তদন্তে ইডির এই পদক্ষেপ স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা অস্বস্তি বাড়িয়েছে শাসক শিবিরের। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তরফে প্রেস বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়েছে, বিনিয়োগকারীদের থেকে ১৮০০ কোটি টাকারও বেশি অঙ্কের অর্থ তুলেছিল অ্যালকেমিস্ট গ্রুপ। ওই সংস্থার মালিক রাজ্যসভার প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ কেডি সিং।  

    শুভেন্দুর বার্তা

    ডির দিল্লি অফিসের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন, শুভেন্দু অধিকারী। তিনি এক পোস্টে লিখেছেন, ‘আমি ইডি দিল্লি জোনাল অফিস কর্তৃক তৃণমূলের ১০.২৭ কোটি বাজেয়াপ্ত করাকে স্বাগত জানাচ্ছি। অ্যালকেমিস্ট গ্রুপের সঙ্গে বেআইনি লেনদেনে জড়িত এই টাকা। তবে এটি হিমশৈলের চূড়ামাত্র। তবে ফাঁদটি যদি আরও শক্ত করা যায় তাহলে ১০ হাজার গুণ টাকা উদ্ধার হবে। ’

    এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি অ্যালকেমিস্ট মামলায় রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে তলব করে ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, ওই মামলায় প্রায় ১৯০০ কোটি টাকা আর্থিক তছরুপের অভিযোগ উঠেছিল। তৃণমূলের কোষাধ্যক্ষ হিসাবেই অরূপকে তলব করা হয়েছে। তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করতে ডাকা হয়েছিল তাঁকে। ২০১৪ সালের ভোটের প্রচারে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে অরূপের কাছে জানতে চাওয়া হতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Agni-5 MIRV: ‘অগ্নি-৫’ মার্ভ ক্ষেপণাস্ত্রের প্রথম উড়ান, ‘মিশন দিব্যাস্ত্র’-এর সাফল্যে প্রশংসা মোদির

    Agni-5 MIRV: ‘অগ্নি-৫’ মার্ভ ক্ষেপণাস্ত্রের প্রথম উড়ান, ‘মিশন দিব্যাস্ত্র’-এর সাফল্যে প্রশংসা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় বড় সাফল্য পেল ভারত। সোমবার, ৫ হাজার কিলোমিটার পাল্লার দেশীয় আন্তঃমহাদেশীয় ‘অগ্নি-৫’ ক্ষেপণাস্ত্রের মাল্টিপল ওয়ারহেড প্রযুক্তির (Agni-5 MIRV) সফল পরীক্ষা করল ভারত। অত্যাধুনিক মার্ভ প্রযুক্তির (একই ক্ষেপণাস্ত্রে একাধিক ওয়ারহেড লাগিয়ে উৎক্ষেপণ) প্রথম টেস্ট ফ্লাইট (Mission Divyastra) করা হয়েছে। এর ফলে, বিশ্বের হাতে গোনা কয়েকটি দেশের এলিট তালিকায় ঢুকে পড়ল ভারত। এই সাফল্যের জন্য দেশের বিজ্ঞানীদের বাহবা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    কী এই মার্ভ প্রযুক্তি?

    অত্যাধুনিক প্রযুক্তির জন্য, একটি ক্ষেপণাস্ত্রের মাথায় বসানো রয়েছে একাধিক ওয়ারহেড। এক-একটি ওযারহেড আলাদা আলাদা টার্গেট বা লক্ষ্যে নির্ভুলভাবে আঘাত হানতে সক্ষম। ফলে, একটি নয়, একইসঙ্গে একাধিক ‘টার্গেট’-কে নিশানা করতে সক্ষম একটি ক্ষেপণাস্ত্র (Agni-5 MIRV)। এটিকে সামরিক পরিভাষায় বলা হয় ‘মাল্টিপল ইন্ডিপেনডেন্টলি টার্গেটেবল রি-এন্ট্রি ভেহিক্যল’ বা সংক্ষেপে মার্ভ। দীর্ঘদিন ধরে এই প্রযুক্তির ওপর গবেষণা চালাচ্ছিলেন ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ডিআরডিও) বিজ্ঞানীরা। অবশেষে এল সাফল্য। 

    কতটা শক্তিশালী ‘অগ্নি-৫’ ক্ষেপণাস্ত্র?

    ‘অগ্নি-৫’ হল ভারতে তৈরি ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিসাইল (আইসিবিএম) বা আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র। এটি ৫ হাজার কিলোমিটার বা তার চেয়েও বেশি দূরের লক্ষ্যে আঘাত হানতে সক্ষম। ভূমি থেকে ভূমিতে উত্ক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র, পরমাণু অস্ত্র বইতে পারে ‘অগ্নি-৫’ (Agni-5 MIRV)। এই ব্যালিস্টিক মিসাইলটির ওজন ৫০ টন। দেড় হাজার কিলোগ্রামের বেশি পরমাণু অস্ত্র বহণ করতে সক্ষম। এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের কর্মসূচিকে ‘মিশন দিব্যাস্ত্র’ (Mission Divyastra) নাম দেওয়া হয়েছিল। এই প্রকল্পের ডিরেক্টর একজন মহিলা। শুধু তাই নয়, ওই মিশনের ক্ষেত্রে মহিলারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন বলে সূত্রের খবর। 

    ডিআরডিও-র প্রশংসা রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    এই সাফল্যে দেশের প্রতিরক্ষা বিজ্ঞানীদের ভূয়সী প্রশংসা করেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। মোদি ট্যুইতে বলেছেন, ‘‘মিশন দিব্যাস্ত্রর (Mission Divyastra) জন্য আমাদের ডিআরডিও-র বিজ্ঞানীদের জন্য গর্বিত, মাল্টিপল ইন্ডিপেন্ডেন্টলি টার্গেটেবল রি-এন্ট্রি ভেহিক্যল প্রযুক্তি সহ দেশীয়ভাবে তৈরি অগ্নি-৫ ক্ষেপণাস্ত্রের (Agni-5 MIRV) প্রথম পরীক্ষামূল উড়ান।’’ 

    ‘মিশন দিব্যাস্ত্র’-র সাফল্যে প্রশংসা রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কণ্ঠেও। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লেখেন, ‘‘মিশন দিব্যাস্ত্রর (Mission Divyastra) আওতায় ‘অগ্নি-৫’-এর (Agni-5 MIRV) এই উড়ান বৃহত্তর ভূ-কৌশলগত ভূমিকা এবং ক্ষমতার দিশায় ভারতের অগ্রযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। দেশীয়ভাবে নির্মিত এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি আত্মনির্ভর ভারতের পথে একটি দৃঢ় পদক্ষেপ। আমি এই বিরাট কৃতিত্বের জন্য টিম ডিআরডিও-কে আমার আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। আমি নিশ্চিত তাঁরা তাঁদের শ্রেষ্ঠত্ব এবং স্বনির্ভরতার সন্ধানে দ্রুত এগিয়ে যাবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CAA: চালু সিএএ, ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে হলে কী করবেন জানেন?

    CAA: চালু সিএএ, ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে হলে কী করবেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইন (CAA) পাশ হয়েছিল বছর চারেক আগে। কার্যকর হল ১১ মার্চ, ২০২৪, সোমবার। এদিন থেকেই দেশজুড়ে চালু হয়ে গেল সিএএ আইন। এই আইনে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে নিপীড়নের জন্য এ দেশে আসা শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। ওই দেশগুলি থেকে ভারতে আসা হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্সি ও খ্রিস্টানদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। এই ছয় ধর্মের মানুষ ছাড়া অন্য কোনও দেশ থেকে আসা অন্য কোনও ধর্মের শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে না।

    কীভাবে আবেদন করবেন?

    প্রশ্ন হল, সিএএর (CAA) জন্য কীভাবে আবেদন করবেন? indiancitizenshiponline.nic.in এই ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করা যায়। সরকারি ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, যাঁরা আবেদন করতে চান, তাঁদের জন্য রয়েছে পৃথক ফর্ম। বিভিন্ন ফর্মের জন্য নানা নথির প্রয়োজন হবে। এগুলি হল, বৈধ বিদেশি পাসপোর্ট, বাসস্থানের অনুমতিপত্র, বাবা-মায়ের জন্ম শংসাপত্র অথবা তাঁদের ভারতীয় পাসপোর্ট, স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ায় জমা করা ৫০০ টাকার একটি ব্যাঙ্ক চালান, আবেদনকারীর স্বামী বা স্ত্রীর ভারতীয় পাসপোর্ট বা জন্মের শংসাপত্র, বিয়ের শংসাপত্র, ভারতে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিক হিসেবে রেজিস্ট্রেশনের সার্টিফিকেট থাকতে হবে (যাঁরা অন্য দেশ থেকে আসবেন), ভারতে ব্যবহৃত যে কোনও একটি ভাষা সম্পর্কে কতটা জ্ঞান রয়েছে, তার প্রমাণ হিসেবে কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শংসাপত্র থাকতে হবে অথবা আবেদনকারীর জেলায় বসবাসকারী দুজনকে মান্যতা দিতে হবে। আবেদনকারীর চরিত্র সম্পর্কেও দুজনকে দিতে হবে শংসাপত্র। অনলাইন ছাড়াও ফর্ম ফিল-আপ করে জমা দেওয়া যাবে ডিএম বা ডিসি অফিসে গিয়ে।

    ভারতীয় নাগরিক কারা?

    মনে রাখতে হবে, ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি থেকে ১৯৮৭ সালের ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত যাঁদের জন্ম হয়েছে, তাঁরা জন্মসূত্রেই ভারতীয়। এর পর থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে যাঁরা জন্মগ্রহণ করেছেন, তাঁদের জন্মের সময় বাবা-মায়ের ভারতীয় নাগরিকত্ব থাকলে তবেই তাঁরা ভারতীয় নাগরিক হিসেবে চিহ্নিত হবেন। এর পর যাঁরা জন্ম গ্রহণ করেছেন, হয় তাঁর বাবা-মাকে ভারতীয় নাগরিক হতে হবে কিংবা দুজনের মধ্যে যে কোনও একজন ভারতীয় ও অন্যজন অনুপ্রবেশকারী নন (CAA)।

    আরও পড়ুুন: সিএএ কার্যকর হতেই ঠাকুরনগরে ঢাক-ঢোল নিয়ে উচ্ছ্বাস হিন্দু শরণার্থীদের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CAA: কথা রাখলেন মোদি, চালু সিএএ, নয়া আইন সম্পর্কে জানুন বিশদে

    CAA: কথা রাখলেন মোদি, চালু সিএএ, নয়া আইন সম্পর্কে জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি সরকারের আরও এক প্রতিশ্রুতি পূরণ। কথা দিয়েছিলেন অচিরেই দেশে লাগু হবে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বা সিএএ (CAA)। সোমবারই এ ব্যাপারে বিজ্ঞপ্তি জারি করে দিল নরেন্দ্র মোদির সরকার।

    সিএএ (CAA) নিয়ে ‘মিথ্যে’ প্রচার 

    সিএএ লাগু হলে অনেকে নাগরিকত্ব হারাবেন বলে বিরোধীরা ‘মিথ্যে’ প্রচার করছিলেন বলে অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের। দিন কয়েক আগে এক সাক্ষাৎকারে এই অভিযোগের জবাব দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেছিলেন, “সিএএ (CAA) কোনও ব্যক্তির নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার আইন নয়। আইনে এমন কোনও বিধান না থাকায় কোনও ভারতীয়ের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হবে না। সিএএ হল বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে নির্যাতিত শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার একটি আইন।”

    সিএএ (CAA) কী জানেন?

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের জন্য কেন্দ্রের ক্ষমতায় ফিরে সিএএ চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল মোদি সরকার। তার পরেই শুরু হয়ে গিয়েছিল যাবতীয় প্রস্তুতি। মিথ্যে প্রচার করে বিরোধীরা দেশজুড়ে অশান্তির বাতাবরণ সৃষ্টি করে বলে অভিযোগ। তারপর বিষয়টি থিতু হলে নতুন করে আইনটি লাগু করতে উদ্যোগী হয় কেন্দ্রীয় সরকার। এই আইনে (CAA) বলা হয়েছে, ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে নিপীড়নের জন্য এ দেশে আসা শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। ওই দেশগুলি থেকে ভারতে আসা হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্সি ও খ্রিস্টানদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। এই ছয় ধর্মের মানুষ ছাড়া অন্য কোনও দেশ থেকে আসা অন্য কোনও ধর্মের শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে না।

    সংশোধিত আইনে শিথিল শর্ত

    প্রসঙ্গত, ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইনে বলা হয়েছিল, নাগরিকত্ব পেতে হলে টানা এক বছর ভারতে থাকতে হবে। এ ছাড়াও গত ১৪ বছরের মধ্যে ১১ বছর ভারতে থাকা বাধ্যতামূলক। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনে ১১ বছরটা কমিয়ে করা হয়েছে মাত্রই ৫ বছর। আইন অনুযায়ী, ভিসা কিংবা পাসপোর্টের মতো নথি না থাকলেও, ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন ওই ছয় ধর্মের কোনও শরণার্থী।

    আরও পড়ুুন: হিন্দু বাঙালির দ্বিতীয় স্বাধীনতা, দেশজুড়ে কার্যকর হয়ে গেল সিএএ

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে যে ইস্তেহার বিজেপি প্রকাশ করেছিল, তাতেও সিএএ-র প্রতিশ্রুতি ছিল। দিন কয়েক আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সেনাপতি অমিত শাহও বলেছিলেন, “লোকসভা নির্বাচনের আগেই লাগু হয়ে যাবে সিএএ।” হলও তাই। দেশে লাগু হয়ে গেল সিএএ (CAA)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

      

  • Myanmar: ভারতে পালিয়ে আসা মায়ানমারবাসীদের ফেরত পাঠানো শুরু

    Myanmar: ভারতে পালিয়ে আসা মায়ানমারবাসীদের ফেরত পাঠানো শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গৃহযুদ্ধের কারণে মায়ানমার (Myanmar) ছেড়ে প্রাণভয়ে পালিয়ে ভারতে ঢুকে পড়েছেন অনেকে। মায়ানমারের সেই সব নাগরিকদের সে দেশে ফেরত পাঠানোর কাজ শুরু করল ভারত। ৮ মার্চ, শুক্রবার অবৈধভাবে ভারতে ঢুকে পড়া প্রথম দলটিকে মায়ানমারের মোরে শহরে ফেরত পাঠানো হয়। এই দলে এক শিশু সহ মোট সাত মহিলা ছিলেন।

    আপাতত ফেরত পাঠানো হচ্ছে ৭৭ জনকে

    মায়ানমারে ফেরতের প্রক্রিয়াটির ভিডিও করেছে মণিপুর সরকার। মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংহ সেটি পোস্ট করেছেন এক্স হ্যান্ডেলে। ভিডিও ক্লিপে দেখা যাচ্ছে, কয়েকজন মহিলাকে পাঠানো হচ্ছে ইম্ফল বিমানবন্দরের দিকে। জানা গিয়েছে, সব মিলিয়ে মায়ানমারের ৭৭ নাগরিককে (যাঁরা অবৈধভাবে ভারতে চলে এসেছিলেন) ৮ থেকে ১১ মার্চের মধ্যে একাধিক দলে ভাগ করে ফেরত পাঠানো হবে মায়ানমারে (Myanmar)। এঁদের মধ্যে রয়েছেন ৫৫ জন মহিলা। শিশু রয়েছে পাঁচটি। বাকিরা সবাই পুরুষ।

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী? 

    রবিবারই মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, “সংখ্যাটি বিশাল। তাই আমরা তাদের এক সঙ্গে মায়ানমারে ফেরত পাঠাতে পারি না। কয়েকটি দলে ভাগ করে তাদের সে দেশে ফেরত পাঠাচ্ছি। এজন্য কিছু আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে। এগুলি অনুসরণ করতে হবে আমাদের। অবৈধভাবে যারা ভারতে এসেছে, পর্যায়ক্রমে তাদের মায়ানমারে ফেরত পাঠানো হবে।” মণিপুর সরকারের স্বরাষ্ট্র দফতর সূত্রে খবর, এই বিদেশি নাগরিকদের প্রথম দলটিকে ইম্ফল থেকে সীমান্ত শহর মোরে পর্যন্ত হেলিকপ্টারে করে নিয়ে যাওয়া হবে।

    আরও পড়ুুন: হিন্দু বাঙালির দ্বিতীয় স্বাধীনতা, আজ রাতেই দেশে চালু হচ্ছে সিএএ, খবর সূত্রের

    প্রসঙ্গত, একুশ সালে মায়ানমারের নির্বাচিত আং সান সু কিয়ের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে মায়ানমারের সেনা জুন্টা। তার পর থেকে সে দেশে চলছে সামরিক শাসন। দেশে গণতন্ত্র ফেরাতে জুন্টা সরকারের বিরুদ্ধে জোট বেঁধে লড়ছে মায়ানমারের একাধিক রাজনৈতিক দল। তার জেরেই শুরু হয়েছে গৃহযুদ্ধ। যার জেরে প্রাণভয়ে ভারতে পালিয়ে আসছেন বহু মায়ানমারবাসী। তাঁদের মধ্যে যেমন সাধারণ মানুষ রয়েছেন, তেমনি রয়েছেন সে দেশের সেনাবাহিনীর লোকজনও। অবৈধভাবে ভারতে আশ্রয় নেওয়া এই সব মায়ানমারবাসীকেই তাদের দেশে ফেরত পাঠাতে উদ্যোগী হয়েছে ভারত সরকার।

    জানা গিয়েছে, গত বছরের নভেম্বর মাস পর্যন্ত মায়ানমার থেকে ভারতে পালিয়ে এসেছেন সে দেশের ৬০০ সেনা। বিদ্রোহীরা তাঁদের শিবির দখল করে নেওয়ায় তাঁরা আশ্রয় নিয়েছেন মিজোরামে। এঁদের মধ্যে ইতিমধ্যেই ৩৫৯জন সেনাকে ফেরত পাঠানো হয়েছে তাঁদের দেশে (Myanmar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CAA: হিন্দু বাঙালির দ্বিতীয় স্বাধীনতা, দেশজুড়ে কার্যকর হয়ে গেল সিএএ

    CAA: হিন্দু বাঙালির দ্বিতীয় স্বাধীনতা, দেশজুড়ে কার্যকর হয়ে গেল সিএএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার ১১ মার্চ যেন হিন্দু বাঙালি দ্বিতীয় স্বাধীনতা পেল। সোমবার থেকেই দেশজুড়ে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (২০১৯) বা সিএএ চালু করল মোদি সরকার। এদিন ঠিক সন্ধ্যে ৬টায় একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে সিএএ চালু হওয়ার কথা জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় সরকার।

    নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন সিএএ

    এই আইন (CAA) অনুযায়ী, দেশভাগের পরবর্তীকালে অত্যাচারিত হয়ে, ভিটেমাটি ছেড়ে আসা উদ্বাস্তুরা ভারতের নাগরিকত্ব পেতে চলেছেন। বলে রাখা প্রয়োজন, সিএএ হল নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন। সিএএ-এর সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে নাগরিকত্ব প্রদানের। এই আইনের মাধ্যমে কোনও ব্যক্তি বা কোনও গোষ্ঠীর নাগরিকত্ব (CAA) চলে যাবে না। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘‘সিএএ মানবাধিকারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আইন অনুযায়ী, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মতো মুসলিম ধর্মাবলম্বী দেশ থেকে যদি সে দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা ধর্মীয় উৎপীড়নের কারণে এ দেশে আশ্রয় চান, তা হলে তা দেবে ভারত। 

    ২০১৯ সালের ১১ ডিসেম্বর সংসদে পাশ হয় সিএএ (CAA) 

    রাষ্ট্রসঙ্ঘ ১৯৫১ সালে আন্তর্জাতিক উদ্বাস্তু সম্মেলনের আয়োজন করেছিল। সেখানেও প্রতিধ্বনিত হয়েছিল উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্ব প্রদানের বিষয়টি। কারণ অত্যাচারিত হয়ে যখন কোনও মানুষ বা গোষ্ঠী নিজের ভিটেমাটি ছাড়তে বাধ্য হয়ে অপর দেশে আশ্রয় নেন এবং পুরনো বাসস্থানে ফেরার আর কোনও জায়গা থাকেনা, তখনই আশ্রয়দাতা দেশের কর্তব্য হয়ে ওঠে উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্ব প্রদান।’’ প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ১১ ডিসেম্বর সংসদে পাশ হয় এই আইন। চালু হল ২০২৪ সালের ১১ মার্চ। প্রসঙ্গত, এর আগে গতবছরের শেষে কলকাতায় এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছিলেন, সিএএ (CAA) প্রয়োগ করা হবেই। কোনও শক্তি সিএএ-কে ঠেকাতে পারবে না। সেই মতো কথা রাখল কেন্দ্রের বিজেপি সরকার।

    পশ্চিমবঙ্গের নিরিখে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ

    রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) লাগু হওয়ায় তা, আসন্ন লোকসভা ভোটে বিজেপির বড় হাতিয়ার হতে চলেছে। দেশ তো বটেই, পশ্চিমবঙ্গের নিরিখেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে চলেছে। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে মতুয়া-অধ্যুষিত কেন্দ্রে যে বিজেপি বাজিমাত করেছিল, সেটার নেপথ্যে ছিল নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন। আর আগেরবার প্রতিশ্রুতি ছিল। এবার সেই আইন কার্যকর হলে বিজেপির যে বিশাল লাভ হবে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই রাজনৈতিক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share