Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Coromandel Express: রেল দুর্ঘটনায় শোকপ্রকাশ করলেন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    Coromandel Express: রেল দুর্ঘটনায় শোকপ্রকাশ করলেন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করমণ্ডল এক্সপ্রেস (Coromandel Express) দুর্ঘটনায়  শেষ খবর পাওয়া অবধি মৃত কমপক্ষে ৩০। দুর্ঘটনায় আহতের সংখ্যা প্রায় ৫০০ ছাড়িয়েছে। তবে মৃতের সংখ্যা অনেকটাই বাড়তে পারে বলে বিশেষজ্ঞ মহলের অনুমান। ইতিমধ্যে দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবার পিছু ১০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে ট্যুইট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মু এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ।

    ট্যুইটে কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী?

    দুর্ঘটনায় শোক প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী ট্যুইট লেখেন, ‘‘ওড়িশায় ট্রেন দুর্ঘটনায় শোকস্তব্ধ। মৃত ও আহতদের পরিবারের জন্য আমার সমবেদনা। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে কথা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সবরকম সম্ভাব্য সহযোগিতা করা হচ্ছে।’’

    রাষ্ট্রপতির শোকপ্রকাশ

    রাষ্ট্রপতি এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে লেখেন, ‘‘ওড়িশার বালাসোরে এই রেলদুর্ঘটনায় খবরে আমি গভীর ভাবে মর্মাহত। ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে আছি।’’

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শোকপ্রকাশ

    অমিত শাহ তাঁর ট্য়ুইটার হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘‘রেল দুর্ঘটনায় গভীরভাবে মর্মাহত। এনডিআরএফ এর দল ওখানে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে।’’

    নিহত এবং আহতদের জন্য ক্ষতিপূরণের কথা ঘোষণা কেন্দ্রের
     

    দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা করে আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। যাঁরা গুরুতর আহত হয়েছেন তাঁরা পাবেন ২ লাখ টাকা এবং বাকি আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেছে কেন্দ্র।

     

    আরও পড়ুন: করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় মৃত্যু বেড়ে ২৩৩, আহত ৯০০-র বেশি

    রেলের হেল্পলাইন নম্বর

    হাওড়া স্টেশনের জন্য:০৩৩-২৬৩৮২২১৭
    খড়গপুর স্টেশনের জন্য: ৮৯৭২০৭৩৯২৫,৯৩৩২৩৯২৩৩৯
    বালাসোর স্টেশনের জন্য: ৮২৪৯৫৯১৫৫৯,৭৯৭৮৪১৮৩২২
    শালিমার স্টেশনের জন্য: ৯৯০৩৩৭০৭৪৬

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rail Accident: ওড়িশায় মালগাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ করমণ্ডল এক্সপ্রেসের, মৃত অন্তত ৩০

    Rail Accident: ওড়িশায় মালগাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ করমণ্ডল এক্সপ্রেসের, মৃত অন্তত ৩০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশায় মালগাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ করমণ্ডল এক্সপ্রেসের। ভয়াবহ দুর্ঘটনায় লাইনচ্যুত হয় ট্রেনের অধিকাংশ বগি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মৃতের সংখ্যা অন্তত ৩০ ছাড়িয়ে যেতে পারে। জানা গিয়েছে, সন্ধ্যা ৬টার পর দক্ষিণ-পূর্ব রেলের ওড়িশার বালেশ্বর স্টেশনের কাছে ঘটেছে এই দুর্ঘটনা। সূত্রের খবর, একটি মালগাড়ি এবং এক্সপ্রেস ট্রেনটি একই লাইনে কোনওভাবে চলে এসেছিল। কী ভাবে এই ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে রেল। ইতিমধ্যেই খড়গপুর থেকে রেলের আধিকারিকদের একটি দল ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। জানা গিয়েছে, তিনটি বাদে করমণ্ডল এক্সপ্রেসের প্রায় সব বগিই লাইনচ্যুত হয়েছে। আহত অবস্থায় স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে দেড়শোর বেশি যাত্রীকে।

    দুর্ঘটনাগ্রস্ত করমণ্ডল এক্সপ্রেস শালিমার স্টেশন থেকে ছেড়েছিল দুপুর ৩ টে ১৫ মিনিট নাগাদ। সন্ধ্যা সাড়ে ছটা নাগাদ বালেশ্বর ছেড়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। স্বাভাবিক গতিতে ছুটে চলা ট্রেনটি একটি মাল গাড়িকে সজোরে ধাক্কা মারে। তার তীব্রতা এতটাই ছিল যে করমণ্ডল এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনটি মালগাড়ির উপরে উঠে যায়। ছিটকে যায় প্রায় সমস্ত বগি। বেশ কিছু বগি দুমড়ে মুচড়ে যায়। আচমকা এই দুর্ঘটনায় ট্রেনের মধ্যে থাকা যাত্রীদের আর্ত চিৎকারে ছুটে আসেন আশপাশের এলাকার লোকজন।

    কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা 

    ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা পরিষ্কার নয়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন রেলের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। পৌঁছেছে উদ্ধারকারী দল। কীভাবে চলন্ত করমণ্ডল এক্সপ্রেসের সামনে মালগাড়ি চলে এল, সেটাই এখন তদন্তের মূল বিষয়। এক্ষেত্রে চালকের কোনও ভুল ছিল, নাকি সিগন্যালিং-এর কোনও সমস্যার জেরেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    রেলের হেল্পলাইন নম্বর

    হাওড়া স্টেশনের জন্য:০৩৩-২৬৩৮২২১৭
    খড়গপুর স্টেশনের জন্য: ৮৯৭২০৭৩৯২৫,৯৩৩২৩৯২৩৩৯
    বালাসোর স্টেশনের জন্য: ৮২৪৯৫৯১৫৫৯,৭৯৭৮৪১৮৩২২
    শালিমার স্টেশনের জন্য: ৯৯০৩৩৭০৭৪৬

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: বার্ষিক ৭ লাখ আয় করমুক্ত, কমেছে বাড়ি-গাড়ির ঋণে সুদের হার! খুশি মধ্যবিত্তরা

    PM Modi: বার্ষিক ৭ লাখ আয় করমুক্ত, কমেছে বাড়ি-গাড়ির ঋণে সুদের হার! খুশি মধ্যবিত্তরা

    ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্লোগান ছিল ‘আচ্ছে দিন আসছে’। বিগত ৯ বছরে ৪ কোটি মানুষ মাথার উপর ছাদ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায়, ১১ কোটি মানুষ পেয়েছেন শৌচালয়। উজ্জ্বলা যোজনা আসার পর কাউকে আর উনুনে রাঁধতে হচ্ছে না। চলছে স্কিল ইন্ডিয়া, মেক-ইন-ইন্ডিয়ার মতো অজস্র প্রকল্প। সন্ত্রাসী হামলার প্রত্যুত্তর হিসেবে এদেশ সাক্ষী থেকেছে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের। নিরাপত্তা হোক বা কৃষি, কর্মসংস্থান হোক বা দারিদ্রতা দূরীকরণ-বিগত ৯ বছরে কীভাবে এল সেই ‘আচ্ছে দিন’? তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন ।

    ‘সাফল্যের ৯ বছর’-৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিগত ৯ বছরে ঘরে ঘরে পানীয় জল, মাথার উপর ছাদ, রান্নার গ্যাস, শৌচালয়, বিদ্যুৎ, ইন্টারনেট পরিষেবা, বিমা, কর ছাড়-এ সবই মধ্যবিত্ত জীবনকে অনেক সহজ করে দিয়েছে। বাস্তবায়িত হয়েছে নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) আচ্ছে দিনের সংকল্প। মধ্যবিত্তরা যাতে নিজেদের প্রথম বাড়ি বানাতে সমস্যায় না পড়েন, সেজন্য সুদের হারে অনেকটাই ছাড় দিয়েছে মোদি সরকার। এই ছাড়কে যুক্ত করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার সঙ্গেও। রোজগারের ওপর বিপুল কর ছাড়ের ফলে মধ্যবিত্ত শ্রেণি এখন অনেকটাই সঞ্চয় করতে পারছে, এমনটাই বলছে রিপোর্ট। ২০১৪ সালে বিমানে চড়ার কথা শুধু ধনীরাই ভাবতে পারত। কিন্তু পরবর্তীকালে মোদি সরকারের ‘উড়ান’ প্রকল্পের দৌলতে সাধারণ মানুষও বিমানে যাতায়াত করতে পারছেন। অফিস টাইমে দেশের প্রতিটি শহরেই নিত্যযাত্রীদের ভিড়ে ট্রেনগুলি উপচে পড়ত। এই সমস্যা সমাধানের জন্য কমবেশি প্রতিটি শহরের সঙ্গে শহরতলিকে জোড়ার জন্য ট্রেন এবং মেট্রো রেলের বিভিন্ন প্রজেক্টকে বাস্তবায়িত করেছে মোদি সরকার। যার ফলে অফিস যাত্রীদের সময় যেমন বাঁচছে, তেমনি প্রাইভেট যানবাহনে তাঁদের চড়তে হচ্ছে না। ইন্টারনেট পরিষেবাও ব্যাপক উন্নত এখন। নরেন্দ্র মোদি সরকার সম্প্রতি ৫জি সার্ভিসও চালু করেছে। গত ন’ বছর ধরে কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবহণ, স্মার্ট সিটি, শিল্প- এই সমস্ত ক্ষেত্রেই নতুন জোয়ার এসেছে। সরকার গত ন’ বছর ধরে সাধারণ মানুষের জীবনের মানের উন্নতি করার জন্য সদা সচেষ্ট থেকেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’, ‘সবকা বিশ্বাস, সবকা প্রয়াস’ গত ৯ বছরে সফল, এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

    মধ্যবিত্ত শ্রেণির জীবনযাপন অনেক সহজ হয়েছে মোদি (PM Modi) জমানায়

    ১) ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত বার্ষিক রোজগারের কোনও কর দিতে হচ্ছে না। এই সিদ্ধান্তের ফলে মধ্যবিত্ত শ্রেণির সঞ্চয় আরও বেড়েছে।

    ২) যাদের বার্ষিক আয় ১৫ লক্ষ টাকা, তাদের কার্যকরী করের হার ২০১৩ সালে ছিল ১৯.২২ শতাংশ। ২০২২ সালে তা কমে হয়েছে ১০.৪ শতাংশ।

    ৩) স্মার্ট ফোনের যুগে ২১,৮০১টি সরকারি পরিষেবাকে হাতের মুঠোয় তুলে দিয়েছে মোদি সরকার,  Umang app এর মাধ্যমে।

    ৪) এক লক্ষেরও বেশি মামলা ‘রিয়েল এস্টেট রেগুলেটরি অথরিটি’র মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা গেছে।

    ৫) ৩ কোটির বেশি শহুরে এবং গ্রামীণ মানুষের জন্য প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘর দেওয়া গেছে।

    ৬) ২০১৪ সালের আগে পর্যন্ত ভারতবর্ষে মাত্র ৫ টি শহরে মেট্রো চলত। ২০২৩ সালে ২০ টি শহরে চলছে।

    ৭) ১ কোটি ১৬ লক্ষ মানুষ উড়ানের সুবিধা পাচ্ছেন, যার ফলে তাঁদের বিমানযাত্রা সুলভ হয়েছে।

    ৮) ইন্টারনেট ডেটার দাম কমেছে ৯৭ শতাংশ।

    ৯) ইনকাম ট্যাক্স ফাইল করা এখন অনেক বেশি সহজ হয়েছে। ২০১৩-১৪ অর্থবর্ষে ইনকাম ট্যাক্স ফাইল করেছিলেন ৩ কোটি ৯১ লক্ষ মানুষ। সেখানে ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে দেখা যাচ্ছে ট্যাক্স ফাইল করেছেন ৭ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষ। অর্থাৎ ইনকাম ট্যাক্সের আওতায় গত ১০ বছরে এসেছেন প্রায় দ্বিগুণ মানুষ। এতেই বোঝা যাচ্ছে মোদি সরকারের উপর সাধারণ মানুষের বিশ্বাসযোগ্যতা কত বাড়ছে।

    ১০) মোদি (PM Modi) জমানায় অনেকটাই কমেছে গৃহ নির্মাণের ঋণ, যার ফলে উপকৃত হয়েছেন প্রায় ছয় লক্ষ মধ্যবিত্ত।

    ১১) ২০১৪ সাল থেকে কমেছে গাড়ি কেনার ঋণের পরিমাণও।

    ১২) ৪০ শতাংশ ভারতবাসীকে আনা হয়েছে আয়ুষ্মান যোজনা প্রকল্পের আওতায়। এতে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসা বিনামূল্যে করা যাবে।

    ১৩) গত ৯ বছরে দেশে ইন্টারনেট সংযোগ বৃদ্ধির হার ২৩১ শতাংশ।

    ১৪) পৃথিবীর মধ্যে সব থেকে কম দামের স্যানিটারি প্যাড পাওয়া যায় ভারতে। মোদি (PM Modi) সরকারের জমানায় নির্মিত জনঔষধি কেন্দ্রগুলিতে এগুলি মেলে।

    ১৫) পরিবহণের ক্ষেত্রে গত ৯ বছরে চালু করা হয়েছে ২,৪৩৫টি ইলেকট্রিক বাস। যা পরিবেশবান্ধব।

    ১৬) ১.৯৩ লক্ষ গ্রাম পঞ্চায়েতকে যুক্ত করা হয়েছে ভারত নেটের অপটিক ফাইবারের সঙ্গে।

    ১৭) প্রধানমন্ত্রী জনঔষধি কেন্দ্রগুলিতে ৫০ শতাংশ ছাড়ে ওষুধ বিক্রি চলছে।

    ১৮) মধ্যবিত্তদের ইলেকট্রিক বিলও কম আসছে, উজ্জ্বলা এলইডি লাইটের জন্য।

     

    আরও পড়ুন: ৯ বছরে ৭টি আইআইটি স্থাপন, কোটির ওপর যুবককে প্রশিক্ষণ মোদি সরকারের!

    আরও পড়ুন: বন্ধ হয়েছে তিন তালাক, মোদি সরকারের আমলে মহিলাদের জন্য অজস্র প্রকল্প

    আরও পড়ুন: দুধ উৎপাদনে শীর্ষে ভারত, প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনার আওতায় ১১ কোটি মানুষ!

    আরও পড়ুন: ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্য, ১১ কোটি বাড়িতে জলের লাইন! অভাবনীয় সাফল্য মোদি সরকারের

    চলবে….

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP Attacks Rajan: বলেছিলেন ভারতের জিডিপি পড়বে, হয়েছে উল্টো! রাজনকে তুলোধনা বিজেপির

    BJP Attacks Rajan: বলেছিলেন ভারতের জিডিপি পড়বে, হয়েছে উল্টো! রাজনকে তুলোধনা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের জিডিপি বৃদ্ধি সংক্রান্ত তথ্য বুধবারই প্রকাশ পেয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে অর্থনীতির বৃদ্ধির হার ৭.২ শতাংশে পৌঁছেছে। এ নিয়ে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রাক্তন গভর্নর রঘুরাম রাজনকে এক হাত নিতে (BJP Attacks Rajan) ছাড়েননি বিজেপি নেতৃত্ব। কিন্তু ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হারের সঙ্গে রঘুরাম রাজনকে কটাক্ষ করার সম্পর্ক কী? আসলে গত বছর রঘুরাম রাজন মন্তব্য করেছিলেন, ‘‘ভাগ্যক্রমে ২০২-২৩ অর্থবর্ষে অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার ৫% হতে পারে।’’ কিন্তু রঘুরাম রাজনের এই ভবিষ্যদ্বাণীকে মিথ্যা প্রমাণ করে ভারতের জিডিপি বেড়েছে ৭.২%। এক বছর আগে রঘুরাম রাজনের এই ভবিষ্যদ্বাণীকে (BJP Attacks Rajan) কটাক্ষ করতে ছাড়েননি বিজেপি নেতৃত্ব। এনিয়ে ট্যুইট করেন অমিত মালব্য।

    কী লিখলেন অমিত মালব্য?

    রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রাক্তন গভর্নর গত বছর রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ভারত জোড়ো যাত্রাতে অংশ নিয়েছিলেন। সেই সময়ের একটি ভিডিও নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেল থেকে পোস্ট করেন অমিত মালব্য। দেখা যাচ্ছে রঘুরাম রাজন এবং রাহুল গান্ধী পরস্পর কথাবার্তা চালাচ্ছেন। ওই ট্যুইটে অমিত মালব্য লেখেন, ‘‘রঘুরাম রাজন আজ থেকে এক বছর আগে ঠিক এই দিনে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে কথাবার্তা বলছিলেন। কথা শুনে রাজনকে কখনও অর্থনীতিবিদ বলে মনে হচ্ছিল না। তিনি বলেন, ভারত খুবই ভাগ্যশালী হবে যদি ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে জিডিপির বৃদ্ধি ৫ শতাংশ হয়। কিন্তু আসল সত্য হল চলতি বছরে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৭.২ শতাংশ।

    মঙ্গলবারই আমেরিকাতে মনমোহন ও রাজন জুটিকে আক্রমণ শানান অর্থমন্ত্রী

    মঙ্গলবার কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের School of international and public affairs এর মঞ্চ থেকে রঘুরাম রাজনের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাতে দেখা যায় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনকে। তাঁর নিশানা থেকে বাদ যাননি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংও। নির্মলা সীতারমন বলেন, ‘‘মনমোহন ও রাজনের জুটি একসঙ্গে ক্ষমতায় থাকাকালীনই দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলো সব থেকে খারাপ অবস্থার মধ্যে দিয়ে গেছে।’’ ঋণ মঞ্জুর নিয়েও দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন নির্মলা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BSF: কাশ্মীরে সেনা এনকাউন্টারে খতম পাক-অনুপ্রবেশকারী

    BSF: কাশ্মীরে সেনা এনকাউন্টারে খতম পাক-অনুপ্রবেশকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে বিএসএফের (BSF) ছোড়া গুলিতে খতম পাক অনুপ্রবেশকারী। জানা গেছে, জম্মু-কাশ্মীরের সাম্বা সেক্টরে এই এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটেছে। সেনা সূত্রে খবর ওই পাক অনুপ্রবেশকারীকে বাধা দিলেও সে শোনেনি।

    ঘটনার বিবরণ…

    বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটা নাগাদ সাম্বা সেক্টরে পাকিস্তান সীমান্তে এই ঘটনা ঘটেছে বলে খবর সেনা সূত্রে। ওই সীমান্তে পাকিস্তানের দিক থেকে আসা এক ব্যক্তির সন্দেহজনক গতিবিধি নজরে পড়ে ভারতীয় সেনার। এই অনুপ্রবেশকারীকে বাধা দেয় বিএসএফ (BSF)। কিন্তু সে পাকিস্তানে ফেরত যাওয়ার চেষ্টা করে। বাধ্য হয়েই বিএসএফ (BSF) গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই পাক অনুপ্রবেশকারীর।

    আরও পড়ুন: বৈষ্ণোদেবী যাওয়ার পথে বাস খাদে পড়ে মৃত্যু ১০ পুণ্যার্থীর, আহত অন্তত ৫৭ জন 

    ভারতীয় সেনার বিবৃতি…

    সেনার তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়, ‘‘আজ রাতে (১ জুন) বিএসএফ জওয়ানরা (BSF) সাম্বা এলাকায় পাকিস্তানের দিক থেকে আন্তর্জাতিক সীমানা পেরোনো এক অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করে। তাকে থামানোর চেষ্টা করলে সে পাকিস্তানের বর্ডারের পেরিয়ে পালিয়ে যেতে থাকে। এই সময়ই ভারতীয় সেনা গুলি চালায় এবং অনুপ্রবেশকারীর মৃত্যু হয়।’’

    সোমবার রাতেই জঙ্গিদের ছোড়া গুলিতে নিহত হন সার্কাস কর্মী

    সোমবারই জঙ্গিদের গুলিতে মৃত্যু হয় এক সার্কাসকর্মীর। জম্মু-কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলায় ঘটে এই ঘটনা। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের নাম দীপক কুমার। বাবার নাম মাসুক কুমার। উধমপুরের বাসিন্দা দীপক একটি সার্কাসদলে কাজ করতেন। তাঁকে গুলি করে খুন করে জঙ্গিরা। জানা গেছে, অনন্তনাগের একটি সরকারি মেডিক্যাল কলেজের সামনে তাঁকে গুলি করে খুন করা হয়। গত মাসেই সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াইয়ে বেশ কয়েকজন জওয়ানের মৃত্যু ঘটে। নিকেশ হয় বহু জঙ্গিও। বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা, জি২০ সম্মেলন কাশ্মীরে হওয়ার খবর সামনে আসতেই পাক মদতে বাড়তে থাকে জঙ্গি কার্যকলাপ। উদ্দেশ্য বিশ্বের মঞ্চে ভারতকে অপদস্থ করা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ৯ বছরে ৭টি আইআইটি স্থাপন, কোটির ওপর যুবককে প্রশিক্ষণ মোদি সরকারের!

    PM Modi: ৯ বছরে ৭টি আইআইটি স্থাপন, কোটির ওপর যুবককে প্রশিক্ষণ মোদি সরকারের!

    ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্লোগান ছিল ‘আচ্ছে দিন আসছে’। বিগত ৯ বছরে ৪ কোটি মানুষ মাথার উপর ছাদ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায়, ১১ কোটি মানুষ পেয়েছেন শৌচালয়। উজ্জ্বলা যোজনা আসার পর কাউকে আর উনুনে রাঁধতে হচ্ছে না। চলছে স্কিল ইন্ডিয়া, মেক-ইন-ইন্ডিয়ার মতো অজস্র প্রকল্প। সন্ত্রাসী হামলার প্রত্যুত্তর হিসেবে এদেশ সাক্ষী থেকেছে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের। নিরাপত্তা হোক বা কৃষি, কর্মসংস্থান হোক বা দারিদ্রতা দূরীকরণ-বিগত ৯ বছরে কীভাবে এল সেই ‘আচ্ছে দিন’? তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন ।

    ‘সাফল্যের ৯ বছর’-৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) প্রায়ই বলেন, ‘‘আমাদের দুটি অপরিসীম শক্তি আছে। একটি হল জনসংখ্যা এবং অপরটি গণতন্ত্র। পৃথিবীর মধ্যে সব থেকে বেশি যুবক এখন রয়েছেন ভারতে। সরকার সম্পূর্ণভাবে এই শক্তিকে কাজে লাগাতে চায়।’’ জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ রূপায়ণের ফলে দেশের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার খোলনলচে বদলে গেছে। জাতীয় শিক্ষানীতিকে তৈরি করা হয়েছে ভারতীয় সভ্যতার ভিত্তির ওপর এবং বেশি জোর দেওয়া হয়েছে ছাত্রদের দক্ষতা বাড়ানোর ওপর। পরিসংখ্যান বলছে, গত ৯ বছরে রেকর্ড সংখ্যায় আইআইটি, আইআইএম, মেডিক্যাল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় সারা দেশ জুড়ে স্থাপিত হয়েছে। অন্যদিকে এখনও অবধি ১ কোটি ৩৭ লক্ষ যুবক স্কিল ইন্ডিয়ার বিভিন্ন ট্রেনিং নিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) কৌশল বিকাশ যোজনার মাধ্যমে। কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যে দেশের প্রায় প্রতিটি রাজ্যেই রোজগার মেলার আয়োজন করেছে। ১০ লক্ষেরও বেশি প্রার্থীকে বিভিন্ন দফতরের নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়েছে। দেশের যুবসমাজকে সশস্ত্র বাহিনীতে যোগদানে উৎসাহ দিতে আনা হয়েছে অগ্নিপথ প্রকল্প। কেন্দ্রীয় সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি খুব স্পষ্ট। কর্মসংস্থান তৈরির বদলে ছোট বড় উদ্যোগপতি নির্মাণ করতে চায় কেন্দ্র। যাতে বর্তমান যুবসমাজ চাকরিমুখী হওয়ার থেকে চাকরিদাতা হতে পারে। এই উদ্দেশ্যে স্টার্ট আপ প্রজেক্ট কেন্দ্রীয় সরকার শুরু করে ২০১৬ সাল থেকে।

    একনজরে দেখে নেওয়া যাক, যুব সমাজের জন্য মোদি সরকারের (PM Modi) প্রয়াস  

    ১) দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে যুব অ্যাথলেটিকদের তুলে আনা হচ্ছে খেলো ইন্ডিয়া প্রকল্পের মাধ্যমে। কেন্দ্রীয় সরকারের এই প্রচেষ্টার ফল ভারত দেখেছে টোকিও অলিম্পিকে, ২০২১ সালে। এর ফলে অলিম্পিকে ৭টি মেডেল পায় ভারত।

    ২) প্রায় ৪০ বছর পরে জাতীয় শিক্ষানীতিকে নতুনভাবে উপস্থাপন করা হল। শিক্ষাকে সময়োপযোগী এবং কর্মমুখী করে তোলার এক অনবদ্য প্রয়াস মোদি সরকারের।

    ৩) যুব উদ্যোগপতি বানাতে স্টার্ট আপ প্রজেক্ট  চালু করা হয়েছে ২০১৬ সাল থেকেই।

    ৪) ১ কোটি ৩৭ লক্ষ যুবককে প্রধানমন্ত্রী কৌশল বিকাশ যোজনার অধীনে ট্রেনিং দেওয়া হয়েছে।

    ৫) গত ৯ বছরে নতুন সাতটি আইআইএম চালু করা হয়েছে।

    ৬) প্রধানমন্ত্রী শ্রী যোজনার আওতায় ১৪,৫০০ স্কুলকে নতুনভাবে ঢেলে সাজানো হয়েছে।

    ৭) ২০১৭ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে ২৩ লক্ষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ চাকরি তৈরি করা গেছে, স্টার্ট আপ প্রজেক্টের মাধ্যমে।

    ৮) অধিক সংখ্যায় AIIMS তৈরি হয়েছে। বর্তমানে দেশে যার সংখ্যা ২৩টি।

    ৯) ৭ টি নতুন আইআইটি তৈরি হয়েছে। সারা দেশে আইআইটির সংখ্যা এখন ২৩। প্রসঙ্গত, ১৯৪৭ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে দেশে স্থাপিত হয়েছিল ১৬ টি আইআইটি। অন্যদিকে ২০১৪ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে দেশে স্থাপিত হয়েছে ৭ টি আইআইটি।

    ১০) পরিসংখ্যান বলছে, ১৯৪৭ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে মেডিক্যালে আসন সংখ্যা ছিল ৮২ হাজার ৪৬৬। অন্যদিকে বিগত ৯ বছরে মেডিক্যালে আসন সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে ৬৯ হাজার ৬২৩। বর্তমানে মোট আসন সংখ্যা ১ লক্ষ ৫২ হাজার ১৩৯।

    ১১) পরিসংখ্যান বলছে, সারা দেশে ১৯৪৭ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ৬৪১ টি মেডিক্যাল কলেজ ছিল। ৯ বছরের মোদি সরকারের জমানায় কলেজের বাড়ানো হয়েছে ৭০০টি। বর্তমানে দেশে মেডিক্যাল কলেজের সংখ্যা ১,৩৪১।

    ১২) সারা দেশে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ৭২৩ টি বিশ্ববিদ্যালয় ছিল। মোদি জমানায় গত ৯ বছরে আরও ৩৯০ টি বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ১,১১৩।

    ১৩) ক্রীড়া ক্ষেত্রে পরিকাঠামোগত উন্নয়নের ফলে দেশের কমনওয়েলথ গেমসে (২০২২) ৬১টি মেডেল এনেছেন আমাদের যুব ক্রীড়াবিদরা।

     

    আরও পড়ুন: বন্ধ হয়েছে তিন তালাক, মোদি সরকারের আমলে মহিলাদের জন্য অজস্র প্রকল্প

    আরও পড়ুন: দুধ উৎপাদনে শীর্ষে ভারত, প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনার আওতায় ১১ কোটি মানুষ!

    আরও পড়ুন: ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্য, ১১ কোটি বাড়িতে জলের লাইন! অভাবনীয় সাফল্য মোদি সরকারের

    চলবে….

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: সরকারের ৯ বছর! বিজেপির মহা-জনসম্পর্ক অভিযানের সূচনা মোদির

    BJP: সরকারের ৯ বছর! বিজেপির মহা-জনসম্পর্ক অভিযানের সূচনা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই লোকসভা ভোট। তার আগে বুধবারই রাজস্থানের আজমিরের ব্রহ্মা মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করলেন বিজেপির মহা-জনসম্পর্ক অভিযান। চলবে এক মাস। ৫৪৩ টি লোকসভা এলাকায় পৌঁছাবে এই অভিযান।

    জন সম্পর্ক অভিযানের খুঁটিনাটি

    ৩১ মে থেকে শুরু হয়ে মহা-জনসম্পর্ক অভিযান চলবে ৩০ জুন পর্যন্ত। এমনটাই জানা গেছে বিজেপি (BJP) সূত্রে। মোদি সরকারের ন’বছরের সাফল্য গাথা তুলে ধরবে বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপি সূত্রে খবর, মহা-জনসম্পর্ক অভিযানে হবে ৫১টি মহামিছিল। ৫০০ র বেশি স্থানে জনসভা করবে বিজেপি নেতৃত্ব। ৬০০ সাংবাদিক সম্মেলন হবে পাঁচশোর বেশি লোকসভা কেন্দ্রে। ৪ হাজার বিধানসভা কেন্দ্রকেও স্পর্শ করবে এই জনসংযোগ অভিযান। ৫ লক্ষ পরিবারের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক স্থাপন করবে বিজেপি নেতৃত্ব।

    কী বলছে বিজেপি (BJP)?

    মহা-জনসম্পর্ক যাত্রার কনভেনারের দায়িত্বে আছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তরুণ চুঘ। তিনি বলেন, ‘‘২৮৮ জন প্রথম সারির বিজেপি নেতা এবং ১৬ লক্ষ পার্টির কার্যকর্তাকে নিয়ে ১০ লক্ষেরও বেশি বুথে পৌঁছাবে আমাদের মহা-জনসম্পর্ক যাত্রা। সেখানে আমাদের কর্মীরা বার্তা দেবেন কীভাবে দেশের জন্য উন্নয়ন করেছে ৯ বছরের মোদি সরকার।’’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘এই মহা-জনসম্পর্ক যাত্রায় আমাদের পার্টি নেতৃত্ব এক হাজারেরও বেশি বিশিষ্ট পরিবারের সঙ্গে দেখা করবে। শিক্ষক, সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব সমেত সাধারণ মানুষদেরকে নিয়ে সেমিনার করা হবে।’’ বিজেপি সূত্রে খবর, দরজায় দরজায় প্রচারের কাজ চলবে ২০ থেকে ৩০ জুনের মধ্যে। দলের যুব শাখা মুদ্রা যোজনা, স্টার্ট আপ ইন্ডিয়ার কথা তুলে ধরবে সাধারণ মানুষের মধ্যে। প্রতিটি বুথে যাঁরা কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন, তাঁদের সঙ্গেও দেখা করবে বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব। দলের ৩০০ জন সাংসদ এবং ১৪০০ র ওপর বিধায়কই এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী নতুন ভোটারদের নিয়েও সম্মেলন করা হবে। পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীগুলি, যারা বিভিন্ন সুবিধা পেয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে, তাদের কাছেও পৌঁছানো হবে বলে জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।

     

    আরও পড়ুন: ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্য, ১১ কোটি বাড়িতে জলের লাইন! অভাবনীয় সাফল্য মোদি সরকারের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Accident: ধানবাদ ডিভিশনে রেলের ওভারহেড তারে ঝলসে মৃত্যু ৬ জনের!

    Accident: ধানবাদ ডিভিশনে রেলের ওভারহেড তারে ঝলসে মৃত্যু ৬ জনের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেলের ওভারহেড তারে কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হল ৬ জনের (Accident)। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার, ধানবাদ ডিভিশনের নিচিতপুর রেল গেটের কাছে। হাওড়া-নয়াদিল্লি রুটের ধানবাদ এবং গোমোর মাঝামাঝি জায়গা হল নিচিতপুর গেট। এই ঘটনার জেরে হাওড়া-নয়াদিল্লি রুটে ট্রেন পরিষেবা বন্ধ হয়ে যায়। জানা গেছে, এদিন ২৫ হাজার ভোল্টের বিদ্যুতের তারে সকাল থেকেই কাজ চলছিল। বিদ্যুৎ কর্মীরা এই কাজ করছিলেন। সেই সময় ওভারহেডে কাজ করতে গিয়ে দুর্ঘটনাবশত (Accident) হাই ভোল্টেজ বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে চলে আসেন ওই বিদ্যুৎ কর্মীরা। সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যান ৬ জন। রেল সূত্রে খবর, এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। এর জেরে শুধুমাত্র হাওড়া-নয়াদিল্লি রুটের রেল পরিষেবাই বন্ধ রাখা হয়নি, বিভিন্ন লোকাল ট্রেনও বন্ধ রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

    মৃতদের পরিচয়

    জানা গেছে, সোমবার দুপুর সাড়ে ১১ টা নাগাদ এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এদিন পোল লাগানোর কাজ করছিলেন বিদ্যুৎ কর্মীরা। তখনই ২৫ হাজার ভোল্টের তারের সংস্পর্শে চলে আসেন (Accident) তাঁরা এবং ৬ জনের তৎক্ষণাৎ মৃত্যু ঘটে। নিহতরা হলেন সঞ্জয় ভুঁইয়া, গোবিন্দ সিং, সুরেশ মিস্ত্রি, শ্যাম সিং। অন্য দুজনের পরিচয় এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

    কী বলছে রেল?

    ধানবাদ রেলওয়ে ডিভিশনের এক আধিকারিক বলেন, ‘‘ওভারহেড তারে কাজ চলাকালীন এই দুর্ঘটনা (Accident) ঘটেছে এবং তাতে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।’’ ওই আধিকারিক আরও জানান, এই তদন্ত তিন ভাবে হচ্ছে। পুলিশ তদন্ত করছে, আরপিএফ তদন্ত করছে এবং বিভাগীয় তদন্তও চলছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য ধানবাদ ডিভিশনের উচ্চপদস্থ আধিকারিক এবং রেলের চিকিৎসকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ধানবাদ থেকে মেডিক্যাল ভ্যানও নিয়ে আসা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: বাংলার তৃতীয়! গুয়াহাটি-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারতের সূচনা মোদির

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরের আগে ফের উত্তপ্ত মণিপুর! হিংসায় নিহত ৫

    Manipur Violence: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরের আগে ফের উত্তপ্ত মণিপুর! হিংসায় নিহত ৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, সোমবারই মণিপুর সফরে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তার কয়েক ঘণ্টা আগেই নতুন করে সংঘর্ষ ছড়িয়েছে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে। রবিবার মণিপুরে সংঘর্ষের (Manipur Violence) ফলে প্রাণ হারিয়েছেন এক পুলিশকর্মী-সহ পাঁচ জন। আহতের সংখ্যা অন্তত ১২।

    উত্তপ্ত পরিস্থিতি

    রবিবার মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংহ জানান, ইম্ফল উপত্যকার আশপাশে দু’দিন আগে থেকেই পরিস্থিতি অস্বাভাবিক হয়ে রয়েছে। সাধারণ জনগণের উপর হামলা করছে জঙ্গিরা। বীরেনের দাবি, মণিপুরের এই সংঘর্ষের (Manipur Violence) মাধ্যমে পরিকল্পিত ভাবে হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি জানান, আট ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে সেনাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছে বিক্ষোভকারীদের। কমপক্ষে ৩০ জন সন্ত্রাসবাদীকে খতম করা হয়েছে।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর

    আজ, সোমবারই মণিপুরে (Manipur Violence) যাওয়ার কথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah)। ঠিক তার আগেই নতুন করে উত্তেজনা ছড়ানোয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর ঘিরে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। শনিবার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে মণিপুরে যান সেনাপ্রধান মনোজ পাণ্ডে। মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সেনা এবং অন্যান্য প্রতিরক্ষা বাহিনী সব সময় পাহারায় রয়েছে। একে ৪৭ এবং এম ১৬-এর মতো রাইফেল ব্যবহার করে স্থানীয় বাসিন্দাদের উপর আক্রমণ করছে জঙ্গিরা। বহু গ্রামের বাড়িঘরও পুড়িয়ে দিয়েছে তারা।

    আরও পড়ুন: বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক সারলেন প্রধানমন্ত্রী

    জনজাতি সংরক্ষণের নিয়মে বদল ঘিরে এপ্রিলের শেষভাগ থেকেই উত্তেজনা ছড়াতে শুরু করেছিল মণিপুরে (Manipur Violence)। মে মাসের গোড়াতেই সেই সংঘর্ষ ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করে। একটি মিছিল ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়, ভাঙচুর-আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বাড়িঘর-দোকানপাটে। ওই সংঘর্ষে কমপক্ষে ৮০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। রবিবার নতুন করে মণিপুরের সেকমাই, সুগনু, কুম্বি, ফায়েং এবং সেরু-সহ বেশ কয়েকটি এলাকায় সংঘর্ষ শুরু হয়, উত্তেজনা ছড়ায়। এরই মধ্যে রাজ্যে পা রাখতে চলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: বিজেপি শাসিত ৮ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর

    Narendra Modi: বিজেপি শাসিত ৮ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক সারলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। বৈঠকে ছিলেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বৈঠকে মোট ৮ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং ২ রাজ্যের উপ-মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন।

    বৈঠকে কারা ছিলেন?

    উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, গুজরাটের ভূপেন্দ্রভাই প্যাটেল, অসমের হিমন্ত বিশ্বশর্মা, হরিয়ানার মনোহর লাল খট্টর, উত্তরাখণ্ডের পুষ্কর সিং ধামি, গোয়ার প্রমোদ সাওয়ান্ত, মধ্যপ্রদেশের শিবরাজ সিং চৌহান, ত্রিপুরার মানিক সাহাদের সঙ্গে বৈঠক করলেন মোদি। ছিলেন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশ, নাগাল্যান্ডের উপ-মুখ্যমন্ত্রী ইয়াংথুঙ্গো প্যাটোনও। বৈঠক শেষে মোদি ট্যুইট করে জানালেন, বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী, উপমুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে দেশের মানুষের উন্নয়নের কাজ নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে।

    বৈঠকের বিষয়

    রবিবার, নতুন সংসদ ভবন উদ্বোধনের পরই এই বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (Narendra Modi)। দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে এই বৈঠক আয়োজিত হয়। মূলত, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির পরিস্থিতি ও উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতি, লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন প্রধানমন্ত্রী। লোকসভা ভোটের আগে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে দলের শক্তি বৃদ্ধি করতে জনসংযোগ বাড়ানোর নির্দেশ দেন তিনি।

    আরও পড়ুন: ৬ বছরে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হতে চলেছে ভারত! দাবি অশ্বিনী বৈষ্ণবের

    রাজনৈতিক সূত্রের খবর, প্রধানত ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়েই ‘ডাবল ইঞ্জিন’ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মোদি। মুখ্যমন্ত্রীরা নিজের রাজ্যের বিগত তিন মাসের রিপোর্ট কার্ডও পেশ করেছেন প্রধানমন্ত্রীকে (Narendra Modi)। পাশাপাশি রাজ্যগুলিতে জনসংযোগ আরও কীভাবে বৃদ্ধি করা যায়, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share