Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Amit Shah: “বিশ্বের পছন্দের গন্তব্য ভারত এবং গুজরাট”, ভাইব্র্যান্ট গুজরাটের মঞ্চে বললেন শাহ

    Amit Shah: “বিশ্বের পছন্দের গন্তব্য ভারত এবং গুজরাট”, ভাইব্র্যান্ট গুজরাটের মঞ্চে বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “তামাম বিশ্বে আজ যদি কোনও দেশ বিনিয়োগের জন্য প্রত্যেকের পছন্দের গন্তব্য হয়, তাহলে সেটা ভারত এবং গুজরাট।” ভাইব্র্যান্ট গুজরাট গ্লোবাল সামিট ২০২৪ এর অনুষ্ঠানের শেষ দিনে যোগ দিয়ে কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। শুক্রবার ছিল এই অনুষ্ঠানের শেষ দিন। এদিনই আরও একবার ভারত ও গুজরাটের ঢক্কানিনাদ বাজিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    কী বললেন শাহ

    তিনি বলেন, “২০১৪ সালে যখন প্রধানমন্ত্রী হন নরেন্দ্র মোদি, তখন বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ১১ নম্বরে নাম ছিল ভারতের। আর আজ, দেশের ঠাঁই হয়েছে এই তালিকার পাঁচ নম্বরে। আর মোদি তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর দেশের জায়গা হবে তিন নম্বরে।” শাহ (Amit Shah) বলেন, “২০০৩ সালে গান্ধীনগর থেকে যাত্রা শুরু হয় উন্নতির। পরে পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে পৌঁছায় ভারত। আর আজ এই অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে উন্নত ভারতের একটা নতুন সঙ্কল্প শুরু হল। তা হল ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারত পরিণত হবে উন্নত ভারতে।”

    ভাইব্র্যান্ট গুজরাট

    তিনি বলেন, “এই অনুষ্ঠান কেবল গুজরাটকে সাহায্য করছে না, গোটা দেশের অর্থনীতিতে এর প্রভাব পড়ছে। দেশের অনেক রাজ্য ভাইব্র্যান্ট গুজরাটের মডেল অনুসরণ করছে। ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেপেলপমেন্টের কিছু মডেলও তারা গ্রহণ করছে।” এদিনের অনুষ্ঠানে পূর্বতন মনমোহন সিংহের সরকারকেও একহাত নিয়েছেন শাহ। বলেন, “বিশ্বের দরবারে ওই সময়টা একটা কলঙ্কের স্পটের মতো। আর আজ, আমাদের একটা ভাইব্র্যান্ট স্পট রয়েছে। দেশ তার জার্নি শুরু করেছিল একজন বোবা প্রধানমন্ত্রী থেকে। পৌঁছেছে একজন ভিজিওনারি এবং ভাইব্র্যান্ট প্রধানমন্ত্রীর জমানায়।” শাহ (Amit Shah) বলেন, “ভাইব্র্যান্ট গুজরাট সামিট দেশকে পথ দেখাচ্ছে।”

    আরও পড়ুুন: মেঝেতে বিছানা, ব্রাহ্মমুহূর্তে শয্যাত্যাগ, রাম মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগে কঠোর ব্রতে মোদি

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Purulia Attack: “গেরুয়া রং দেখলেই রেগে যান বাংলার মুখ্যমন্ত্রী”, পুরুলিয়াকাণ্ডে প্রতিক্রিয়া সত্যেন্দ্রর

    Purulia Attack: “গেরুয়া রং দেখলেই রেগে যান বাংলার মুখ্যমন্ত্রী”, পুরুলিয়াকাণ্ডে প্রতিক্রিয়া সত্যেন্দ্রর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলার মুখ্যমন্ত্রী যখনই গেরুয়া রং দেখেন, তখনই রেগে যান।” পুরুলিয়াকাণ্ডে (Purulia Attack) প্রতিক্রিয়া অযোধ্যার রাম মন্দিরের প্রধান পুরোহিত আচার্য সত্যেন্দ্র দাসের। এদিন সংবাদ মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বাংলার সরকারকে আক্রমণ শানান সত্যেন্দ্র।

    আক্রান্ত সাধু

    গঙ্গাসাগর মেলায় যোগ দিতে যাওয়ার পথে পুরুলিয়ায় আক্রান্ত হন তিন সাধু। নাবালিকা অপহরণকারী বলে গুজব ছড়িয়ে তাঁদের বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। বাংলায় সাধু নিগ্রহের ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হতেই শুরু হয় বিতর্ক। কড়া প্রতিক্রিয়া দেয় বিজেপি। শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্রের প্রধান পুরোহিত সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মুসলমানদের প্রতি বেশি সহানুভূতিশীল বলে কেউ তাঁকে নাম দিয়েছিল মুমতাজ খান। দেশের মধ্যে পশ্চিমবাংলায় সব থেকে বেশি আক্রান্ত হন হিন্দুরা। রাম নবমী ও অন্যান্য ধর্মীয় মিছিলে হামলা হয়েছে।” তিনি বলেন, “যখনই মা দুর্গার পুজোর আচার-অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় এবং মানুষ পুজো করতে যায়, তারপর সেই প্যান্ডেলগুলি নষ্ট করে ফেলা হয়।”

    কী বললেন সত্যেন্দ্র?

    রাম মন্দিরের প্রধান পুরোহিত বলেন (Purulia Attack), “মুখ্যমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গে এই ধরনের হামলায় প্ররোচনা দেন। তিনি গেরুয়া রং দেখে রেগে যান এবং এই কারণেই তিনি এই আক্রমণগুলি ঘটান…এই ঘটনাগুলি অত্যন্ত নিন্দনীয়।” পুরুলিয়ার এই ঘটনার সঙ্গে মহারাষ্ট্রের পালঘরের ঘটনার মিল খুঁজে পাচ্ছে বিজেপি। ২০২০ সালে গণপিটুনিতে মৃত্যু হয় দুই সন্ন্যাসীর। গণপ্রহারে জখম হয়েছিলেন তিনজন। সেক্ষেত্রেও সাধুদের বিরুদ্ধে শিশু চুরির অভিযোগ আনা হয়েছিল। গড়চিঞ্চল গ্রামের ওই ঘটনায় মারের চোটে মৃত্যু হয় দুই সাধুর। জখম হলেও, পরে সুস্থ হয়ে ওঠেন একজন।

    আরও পড়ুুন: পুরুলিয়ায় সাধুদের গণপিটুনির ঘটনায় মমতা সরকারকে তুলোধনা বঙ্গ বিজেপির

    পুরুলিয়ায় (Purulia Attack) সাধু নিগ্রহের কড়া সমালোচনা করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরও। বাংলা সফরে এসে শনিবার তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। মানুষের ভালোর জন্য যে টাকা আসে, তা আত্মসাত করা হয়। এখানকার নেতা ও সরকার কাটমানির নামে বিখ্যাত। গরিব মানুষের উপকারের জন্য যে টাকা কেন্দ্র থেকে আসে, সেখান থেকেও কমিশন খাওয়ার চেষ্টা করা হয়। দুর্নীতি চরম সীমায়। যদি দুর্নীতি আটকানোর চেষ্টা করা হয়, তাহলে ইডি টিমের ওপর পাথর ছোড়া হয়, মারধর করা হয়। দুর্নীতিগ্রস্তদের (Purulia Attack) শেল্টার দেওয়ার কাজ করে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Husband-Wife Relation: ‘সহবাসে অস্বীকার স্ত্রীর, মানসিক নিষ্ঠুরতার সমান’, পর্যবেক্ষণ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের

    Husband-Wife Relation: ‘সহবাসে অস্বীকার স্ত্রীর, মানসিক নিষ্ঠুরতার সমান’, পর্যবেক্ষণ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বামীর সঙ্গে দীর্ঘদিন শারীরিক সম্পর্কে স্থাপন করতে স্ত্রী (Husband-Wife Relation) অস্বীকার করলে তা এক রকমের মানসিক নিষ্ঠুরতা। শুধুমাত্র এই কারণ দেখিয়ে স্ত্রীর কাছে বিবাহবিচ্ছেদ চাইতেই পারেন স্বামী। সম্প্রতি একটি মামলার প্রেক্ষিতে এমনই পর্যবেক্ষণ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের (Madhya Pradesh High Court)। যদি কোনও স্ত্রী বিয়ের পূর্ণতা দিতে অস্বীকার করে বা স্বামীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতে অস্বীকার করেন তাহলে তা মানসিক নিষ্ঠুরতার সমান। সেক্ষেত্রে হিন্দু বিবাহ আইনের অধীনে স্বামী বিবাহবিচ্ছেদ দাবি করতে পারেন। তা হল বৈধ কারণ। 

    কোন মামলার প্রেক্ষিতে এই মত

    সম্প্রতি একটি মামলার বয়ান অনুযায়ী, এক দম্পতির বিয়ে হয়েছিল ২০০৬ সালের ১২ জুলাই। কিন্তু, বিয়ের পরেও স্ত্রী (Husband-Wife Relation) তা মেনে নেননি এবং তিনি স্বামীর সঙ্গে দীর্ঘ সময়ের জন্য যৌন সম্পর্ক করতেও অস্বীকার করেছিলেন। এরইমধ্যে কাজের সূত্রে বাইরে চলে যান স্বামী। এরপর ওই ব্যক্তি বিবাহবিচ্ছেদ চেয়ে পারিবারিক আদালতে মামলা করেছিলেন। কিন্তু, সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল ফ্যামিলি কোর্ট। আদালতের বক্তব্য ছিল এভাবে বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য আবেদন করা যায় না। পরে ফ্যামিলি কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের (Madhya Pradesh High Court) দ্বারস্থ হন ওই ব্যক্তি। 

    আরও পড়ুন: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন হিন্দু কর্মীদের জন্য বিশেষ ঘোষণা মরিশাস সরকারের

    কী বলল আদালত

    মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের (Madhya Pradesh High Court) বিচারপতি শীল নাগু এবং বিনয় সরফের ডিভিশন বেঞ্চ এই মামলার শুনানির সময় জানান, ‘‘আমরা নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তে একমত নই। তারা বলেছিল, কোনও বৈবাহিক সম্পর্কে স্ত্রী (Husband-Wife Relation) শারীরিক ভাবে ঘনিষ্ঠ হতে না চাইলে তা মানসিক নিষ্ঠুরতা নয়। এই কারণে বিবাহবিচ্ছেদ চাওয়া যায় না।’’ হাইকোর্ট তার নির্দেশে বলে, ‘‘আবেদনকারী (স্বামী) বিবাহের সব রকম আনুষ্ঠানিকতা মেনে চলেছেন। বৈবাহিক সম্পর্কের ব্যাপারে আশাবাদী ছিলেন। কিন্তু স্ত্রী তাঁর সঙ্গে একমত হননি। আবেদনকারী যে কারণ বলেছেন, তা অবশ্যই মানসিক নিষ্ঠুরতার সমান।’’ হাইকোর্টের মতে, বৈবাহিক সম্পর্কে কোনটা মানসিক নিষ্ঠুরতা এবং কোনটা নয়, তা নির্ধারণের জন্য কোনও ‘স্ট্রেট জ্যাকেট ফর্মুলা’ নেই। এর জন্য নির্দিষ্ট তথ্য এবং পারিপার্শ্বিকতার উপর নির্ভর করতে হয়। এরপরই ওই মামলায় বিবাহ বিচ্ছেদের অনুমতি দেয় হাইকোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Temple: প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য কী কী উপহার থাকবে জানেন?

    Ram Temple: প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য কী কী উপহার থাকবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরের উদ্বোধন। মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে ওই দিনের বিশেষ মুহূর্তে। সেদিন ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই অনুষ্ঠানের জন্য দেশ জুড়ে হাজার হাজার বিশিষ্টজনকে যেমন আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, ঠিক তেমনি আমন্ত্রিতদের মধ্যে অযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণকারী শ্রমিকদের পরিবারও থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। এই অনুষ্ঠানে সব মিলিয়ে আগত বিশিষ্ট অতিথির সংখ্যা হবে ১১ হাজার। যার মধ্যে ভিআইপির সংখ্যাই ৬-৭ হাজারের মতো। প্রত্যেকের জন্য থাকবে বিশেষ উপহারের ব্যবস্থা। আসুন জেনে নিই রাম ভক্তদের জন্য উপহার কী থাকছে-

    উপহার স্বরূপ দেওয়া হবে টোকেন

    জানা গিয়েছে, ‘সনাতন সেবা ন্যাস’-এর তরফ রাম ভক্তদের ভগবান রাম চন্দ্র সম্পর্কিত একটি স্মারক টোকন প্রদান করা হবে। এই সনাতন সেবা ন্যাসের পক্ষ থেকে শিবম মিশ্র বলেছেন, “ভগবান রামের সঙ্গে সম্পর্কিত এই টোকেনটি অতিথিদের উপহার হিসাবে দেওয়া হবে। এর মধ্যে প্রসাদ এবং প্রভু রামের মন্দির দর্শনে একটি উপহার সামগ্রী থাকবে। এই উপহার দুটি বাক্সের মাধ্যমে দেওয়া হবে।”

    উপহার হিসাবে থাকবে গর্ভগৃহের মাটি

    শিবম মিশ্র আরও বলেছেন, “দুটি বাক্সের মধ্যে একটি বাক্সে থাকবে প্রসাদ, গরুর দুধ থেকে উৎপন্ন ঘি দিয়ে তৈরি একটি বেসনের লাড্ডু। সেইসঙ্গে থাকবে একটি পবিত্র তুলসি পাতা। দ্বিতীয় বাক্সে থাকবে ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানের সময়ে খোঁড়া মন্দিরের গর্ভগৃহের পবিত্র মাটি, সরযূ নদীর জল এবং রামের স্মৃতিচিহ্ন যুক্ত একটি স্মারক। এছাড়াও দেওয়া হবে একটি পিতলের প্লেট, রুপোর মুদ্রা। সবটাকে বহন করার জন্য রাম মন্দিরের ইতিহাস সম্বলিত একটি ব্যাগও প্রদান করা হবে।”

     প্রভু রামলালার ‘প্রাণ প্রতিষ্ঠা’ অনুষ্ঠানের জন্য সপ্তাহ আগে ১৬ জানুয়ারি থেকেই বৈদিক আচার অনুষ্ঠান শুরু হয়ে গিয়েছে। রাম নগরীতে এখন প্রস্তুতি তুঙ্গে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Temple: “একটা আধ্যাত্মিক স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে”, বললেন আডবাণী

    Ram Temple: “একটা আধ্যাত্মিক স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে”, বললেন আডবাণী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “একটা আধ্যাত্মিক স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে।” অযোধ্যায় রাম মন্দির (Ram Temple) উদ্বোধনের প্রাক্কালে কথাগুলি বললেন প্রবীণ বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লালকৃষ্ণ আডবাণী। ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হবে রাম মন্দিরের। ওই দিনই গর্ভগৃহে প্রাণপ্রতিষ্ঠা হবে রামলালার মূর্তির। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে আডবাণীকে।

    কী বললেন আডবাণী

    অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধনকে ঘিরে উন্মাদনা তুঙ্গে। এমতাবস্থায় লেখা হচ্ছে ভজন-গান-কবিতা। প্রকাশিত হচ্ছে নানা আর্টিকেলও। হিন্দি ভাষায় প্রকাশিত রাষ্ট্রধর্ম নামে একটি ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হবে আডবাণীর একটি আর্টিকেল। নাম, রাম মন্দির (Ram Temple) নির্মাণ- একটি আধ্যাত্মিক স্বপ্নপূরণ। আডবাণীর এই বিবৃতিই প্রকাশিত হবে অন্য একটি ম্যাগাজিনে। সেটি প্রকাশিত হবে জানুয়ারির ১৬ তারিখে। এই ইস্যুটি বিলি করা হবে আমন্ত্রিতদের মধ্যে। এই আর্টিকেলে আডবাণী নিজেকে ‘সারথী’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনিই বিতর্কিত রথযাত্রায় বেরিয়েছিলেন।

    ভগবান রামের আশীর্বাদ

    গুজরাটের সোমনাথে ফিরে এসেছিলেন ১৯৯০ সালে। প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তিনি আশা করছিলেন রাম মন্দির সমস্ত ভারতীয়কে উদ্বুদ্ধ করবে। সবাই ভগবান রামের আশীর্বাদ পাবেন। তিনি বলেন, “আমরা বুঝিনি যে ভগবান রামের ওপর বিশ্বাস যা নিয়ে আমরা রথযাত্রা করেছিলাম, ক্রমে তা দেশে একটা আন্দোলনে পরিণত হবে।” ওই নিবন্ধে আদবানি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। কারণ দীর্ঘ-প্রতীক্ষিত মন্দিরের উদ্বোধন হচ্ছে তাঁর জন্যই।

    প্রধানমন্ত্রীকে তিনি ভগবান রামের একনিষ্ঠ ভক্ত বলে উল্লেখ করেছেন। যিনি তাঁর (রামের) মন্দির পুনর্নির্মাণ করেছেন। রথযাত্রায় আডবাণীর সঙ্গী ছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও। ওই নিবন্ধে বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা রথযাত্রাকে তাঁর রাজনৈতিক জীবনে সব চেয়ে ‘ডিসাইসিভ ও ট্রান্সফর্মেটিভ’ ঘটনা বলেও উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, “এই ঘটনা (রথযাত্রা) আমাকে ভারত ও স্বয়ং আমাকে পুনরাবিষ্কার করার সুযোগ দিয়েছিল।” 

    আরও পড়ুুন: চলুন ঘুরে আসি ভারতের ‘আধ্যাত্মিক রাজধানী’ বারাণসী

    বিশ্বহিন্দু পরিষদের তরফে জানানো হয়েছে, ১৯৮০ ও ১৯৯০ এর প্রথম দিকে রাম জন্মভূমি আন্দোলন নিয়ে যিনি সামনের সারিতে ছিলেন, ২২ জানুয়ারি প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন তিনিও। বিশ্বহিন্দু পরিষদের প্রেসিডেন্ট অলোক কুমার বলেন, “আডবাণীজি বলেছেন, তিনি আসবেন। প্রয়োজনে আমরা তাঁর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করব।” প্রসঙ্গত, বছর ছিয়ানব্বইয়ের আডবাণী বিজেপির (Ram Temple) অন্যতম ফাউন্ডার মেম্বার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Droupadi Murmu: মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা, রাম মন্দিরের দ্বারোদঘাটনে আমন্ত্রিত রাষ্ট্রপতি

    Droupadi Murmu: মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা, রাম মন্দিরের দ্বারোদঘাটনে আমন্ত্রিত রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন আগামী ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় উপস্থিত থাকতে পারেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁর কাছেও পৌঁছে গিয়েছে নিমন্ত্রণ পত্র। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP) তরফে শুক্রবারই সে কথা জানানো হয়। এদিন ছিল স্বামী  বিবেকানন্দের জন্মদিন। তাঁর ১৬১ তম জন্মবার্ষিকীতে, তাঁকে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন ভারতের রাষ্ট্রপতি। শনিবার, দেশবাসীকে মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছাও জানান তিনি।

    রাষ্ট্রপতিকে নিমন্ত্রণ

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যজমান হিসেবে পুজো করলেও রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Droupadi Murmu) রাম মন্দিরের দ্বারোদঘাটন অনুষ্ঠানে (Ram temple consecration ceremony) নিমন্ত্রণ পাননি বলে দাবি করছিল অনেকে। বিষয়টি নিয়ে নানা জল্পনাও চলছিল। শুক্রবার সেই জল্পনা উড়িয়ে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP) তরফে জানানো হল দেশের রাষ্ট্রপতিকেও ওই অনুষ্ঠানে থাকার জন্য নিমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। 

    স্বামী বিবেকানন্দের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য

    ভারতকে বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠিত করতে স্বামীজির অবদান অনস্বীকার্য। স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনে এই কথা বললেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এক্স হ্যান্ডেলে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মু লিখেছেন, “আমি স্বামী বিবেকানন্দের জন্মবার্ষিকীতে তাঁকে আমার বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। একজন মহান আধ্যাত্মিক নেতা এবং সংস্কারক, স্বামীজি ভারতীয়দের তাঁদের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতন করতে সারা দেশে ভ্রমণ করেছিলেন। তিনি তরুণদের দেশ গঠনে কাজ করতে এবং মানবতার সেবায় উদ্বুদ্ধ করেন। তিনি মহান ভারতীয় আধ্যাত্মিক বাণী পশ্চিমে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। তাঁর শিক্ষা ও ধারণা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে পথ দেখাতে পারে।”  শনিবার দেশবাসীকে মকর সংক্রান্তির পুণ্য স্নানের জন্য শুভেচ্ছাও জানান রাষ্ট্রপতি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Delhi High Court: বিদেশি নাগরিকরা ভারতে বসবাসের দাবি জানাতে পারেন না, পর্যবেক্ষণ দিল্লি হাইকোর্টের

    Delhi High Court: বিদেশি নাগরিকরা ভারতে বসবাসের দাবি জানাতে পারেন না, পর্যবেক্ষণ দিল্লি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনও বিদেশি নাগরিক ভারতবর্ষে বসবাস করার দাবি করতে পারেন না। নাগরিকত্ব আইন নিয়ে যখন জোর চর্চা চলছে দেশজুড়ে, ঠিক সেই সময় এমন গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ শুক্রবার শোনাল দিল্লি হাইকোর্ট। দিল্লি হাইকোর্টের (Delhi High Court) পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ভারতের সংবিধানের ২১ নম্বর ধারা অনুযায়ী জীবন এবং স্বাধীনতার অধিকার পাওয়া যায়। তবে বিদেশিদের ক্ষেত্রে এই মৌলিক অধিকারের বেশ কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। প্রসঙ্গত, সংবিধানের ২১ নম্বর ধারা অনুযায়ী ভারতে আসা বিদেশি নাগরিকদেরও জীবন ও স্বাধীনতার অধিকার প্রদান করা হয়েছে।

    কেন বিদেশি নাগরিকরা ভারতে বসবাসের দাবি করতে পারেন না?

    এদিন দিল্লি হাইকোর্টের (Delhi High Court) ডিভিশন বেঞ্চে বিচারপতি সুরেশ কুমার কাইত এবং বিচারপতি মনোজ জৈন আরও বলেন যে বিদেশি নাগরিকরা ভারতবর্ষে বসবাসের দাবি রাখতে পারেন না। কারণ এটা সংবিধানের ১৯ (১) (ই) ধারার পরিপন্থী। প্রসঙ্গত, সংবিধানের ১৯ নম্বর ধারায় বিভিন্ন স্বাধীনতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বাক স্বাধীনতা, শান্তিপূর্ণভাবে জমায়েত করার স্বাধীনতা ইত্যাদি। ১৯ (১) (ই) ধারাতে বলা রয়েছে, যে কোন ভারতীয় নাগরিক ভারতবর্ষের যে কোনও রাজ্যে বসবাস করতে পারেন। তবে এই অধিকার কখনই বিদেশি নাগরিকদের দেওয়া হয়নি।

    মামলার খুঁটিনাটি

    মামলা হয়েছিল বাংলাদেশি নাগরিক আজল চাকমাকে নিয়ে। এই বাংলাদেশী নাগরিককে আটক করার পরে তাঁর হয়ে রিট পিটিশন দাখিল করেন তাঁর মামা। প্রসঙ্গত, নাগরিকদের মৌলিক অধিকার যখন রাষ্ট্র লঙ্ঘন করেছে বলে মনে করা হয় তখনই রিট পিটিশন দাখিল করা যায়। তবে এই রিট পিটিশন দিল্লির আদালত খারিজ করে দেয় এদিন। হাইকোর্ট (Delhi High Court) জানায়, ভারত সরকার ওই বাংলাদেশি নাগরিককে চিহ্নিত করে বেআইনি কিছু করেনি। ওই বাংলাদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করার অভিযোগ ওঠে। ২০২২ সালের অক্টোবর মাস নাগাদ দিল্লি বিমানবন্দর হয়ে সে বাংলাদেশে ফিরতে চাইলে তার জালিয়াতি ধরা পড়ে। দেখা যায় ভারতের বেআইনি পাসপোর্টও রয়েছে তার কাছে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Election Commission: নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে কেন্দ্রের নতুন আইনে স্থগিতাদেশ দিল না শীর্ষ আদালত

    Election Commission: নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে কেন্দ্রের নতুন আইনে স্থগিতাদেশ দিল না শীর্ষ আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের নতুন আইনে নির্বাচন কমিশনার (Election Commission) নিয়োগ সংক্রান্ত প্যানেলে দেশের প্রধান বিচারপতিকে রাখা হয়নি।  কেন্দ্রের এই আইনকে চ্যালেঞ্জ করে একাধিক আবেদন জমা পড়েছে সুপ্রিম কোর্টে। সেই আইনে স্থগিতাদেশ দেওয়ার আর্জি জানিয়ে মামলা হয়েছিল। তবে শুক্রবার ওই আইনে স্থগিতাদেশ দিল না শীর্ষ আদালত। এ বিষয়ে কেন্দ্রের বক্তব্য জানতে চেয়েছে শীর্ষ আদালত।

    শীর্ষ আদালতের অভিমত

    বিচারপতি সঞ্জীব খান্না ও বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত’র বেঞ্চ শুক্রবার প্রাথমিক শুনানি শেষে বলে আইনটির উপর স্থগিতাদেশ জারি জরুরি বলে আদালত মনে করে না। তবে মামলাকারীদের উত্থাপিত বিষয়গুলি নিয়ে আদালত কেন্দ্রীয় সরকারে বক্তব্য জানতে আগ্রহী। সেই মতো শুক্রবারই কেন্দ্রীয় সরকারকে নোটিস পাঠিয়েছে শীর্ষ আদালত। মামলাটির পরবর্তী শুনানি হবে ২০ এপ্রিল।  

    কী এই আইন

    কেন্দ্রের নতুন আইনে বলা হয়েছে, দেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (Election Commission) এবং অন্য নির্বাচন কমিশনারদের বাছাই করতে যে তিন সদস্যের প্যানেল আছে, তার সদস্য হবেন প্রধানমন্ত্রী, লোকসভার বিরোধী দলনেতা এবং প্রধানমন্ত্রীর দ্বারা মনোনীত এক জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এই কমিটি যে নাম কিংবা নামগুলি প্রস্তাব করবে, তাঁকে বা তাঁদের নিয়োগ করবেন দেশের রাষ্ট্রপতি। 

    আরও পড়ুন: কনকনে কলকাতা! পৌষের শেষে ঝোড়ো ব্যাটিং শীতের, কত নামবে তাপমাত্রা?

    স্থগিতাদেশ নয়

    জানা গিয়েছে, কংগ্রেস নেত্রী জয়া ঠাকুর কেন্দ্রের আনা এই আইনের উপরে স্থগিতাদেশ জারির আর্জি জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। তাঁর তরফে উপস্থিত আইনজীবী বিকাশ সিং বলেন, “এই আইন ক্ষমতার বিভাজনের ভাবনার সম্পূর্ণ বিরুদ্ধ”। তবে বিচারপতি সঞ্জীব খান্না ও বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের বেঞ্চের তরফে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের (Election Commission) এই আইনের উপরে স্থগিতাদেশ জারি করতে অস্বীকার করে। শীর্ষ আদালতের তরফে বলা হয়, এই আইনে স্থগিতাদেশ জাকি করা যাবে না। পিটিশনের একটি কপি কেন্দ্রের কাউন্সিলকে পাঠানো হচ্ছে। বিচারপতি সঞ্জীব খান্না বলেন, “আমরা সংশোধিত আইনের উপরে স্থগিতাদেশ জারি করতে পারি না। কেন্দ্রকে নোটিস দেওয়া হচ্ছে। এপ্রিল মাসের মধ্যে এই নোটিসের জবাব দিতে হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: প্রত্যেক রাম নবমীতে রামলালার কপালে পড়বে ‘সূর্য তিলক’, কীভাবে জানেন?

    Ram Mandir: প্রত্যেক রাম নবমীতে রামলালার কপালে পড়বে ‘সূর্য তিলক’, কীভাবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২২ জানুয়ারি অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ram Mandir) শুভ উদ্বোধন হবে। দেশজুড়ে এখন রাম ভক্তদের তীব্র উন্মাদনা। সেই সঙ্গে এই মন্দিরের গর্ভগৃহে রামলালার (Ramlala) মূর্তি স্থাপন করে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে। গর্ভগৃহের নির্মাণ এবং মূর্তিকে এমন ভাবে বসানো হবে, যাতে প্রত্যেক রাম নবমীর দিনে সূর্যের আলো রামলালার কপালে বর্ষিত হয়। এই সূর্যের আলো দিয়ে হবে রামের ‘সূর্য তিলক’। এর জন্য মন্দিরের নির্মাণ করার সময় মহাকাশ বিজ্ঞানীদের প্রযুক্তির সহযোগিতা নেওয়া হয়েছে।

    ‘রঘুকুল তিলক’ হবে ‘সূর্য তিলক’

    রাম নবমীতে শ্রী রামের (Ramlala) কপালে সূর্যের আলো দিয়ে তিলক কাটা হবে। তুলসীদাস তাঁর ‘রামচরিত মানস’ কাব্যে বলেছেন, “রঘুকুল তিলক সুজন সুখ দাতা/আয়ু কুসল দেব মুনি ত্রতা”। রঘু রামের এই তিলক হবে রামের মহিমান্বিত তিলক। ধার্মিক মানুষকে এই তিলক আনন্দ দেবে। জগৎ সংসারকে মঙ্গলময়, সুস্থ রাখবে। দেব, মুনিঋষিদের একমাত্র ত্রাতা হবেন শ্রীরাম। তাই তাঁর তিলক ভীষণ তাৎপর্যবাহী। রাম নবমীতে রামলালার ‘রঘুকুল তিলক’ হবে ‘সূর্য তিলক’। মন্দিরের (Ram Mandir) গর্ভগৃহকে মহাকাশ বিজ্ঞানীদের পরামর্শে অষ্টভুজাকৃতির ডিজাইন করা হয়েছে। ফলে এই অষ্টভুজে সূর্যের আলোর বিচ্ছুরণ হয়ে রাম লালার কপালে তিলক কাটবে। একই ভাবে গর্ভগৃহকে আলোকিত করবে সূর্যরশ্মি। সূর্যের আলো ‘সূর্য তিলক’ হিসাবে শ্রী রামের কপালকে উজ্জ্বল করবে।

    কোনারকের সূর্য মন্দিরের আদলে নকশা

    কর্ণাটকের কষ্টি পাথর থেকে ৫১ ইঞ্চির একটি লম্বা রামলালার (Ramlala) মূর্তি নির্মাণ করেছেন মহীশূরের ভাষ্কর অরুণ যোগীরাজ। রামলালার কপালে সূর্যের আলো বর্ষণের গোটা নকশাকে পরিকল্পনা করা হয়েছে ত্রয়োদশ শতকের ওড়িশার কোনারকের সূর্য মন্দিরের প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে। প্রত্যেক রাম নবমীতে সূর্যের আলো রামলালার মূর্তিতে কীভাবে পড়বে সেই বিষয়ে সূর্যের আলো নিয়ে গাণিতিক হিসাব করে মতামত দিয়েছে সিএসআইআর, সিবিআইআর রুরকি এবং আইআইএ বেঙ্গালুরুর বিশিষ্ট বিজ্ঞানীদের একটি দল। হিসেব করে বলা হয়েছে, সূর্য যখন মধ্যে গগনে থাকবে সেই সময় সূর্যের আলোক রশ্মি উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন লেন্সের মাধ্যমে গর্ভগৃহে প্রবেশ করবে। এরপর সেই রশ্মি গিয়ে পড়বে সোজা রামলালার কপালে (Ram Mandir) ।

    বিশেষজ্ঞদের মতামত

    সিবিআরআই রুরকির বিশিষ্ট বিজ্ঞানী এসকে পানিগ্রাহি বলেছেন, “ছোট একটি যন্ত্রের প্রক্রিয়ায় সূর্যের আলোকে প্রতিফলিত করে ভগবান রামের (Ramlala) কপালে তিলক প্রদান করা হবে। একটি ৭৫ মিমি পরিমাপের বৃত্তাকার রশ্মির ‘তিলক’ দিয়ে শ্রী রাম সেজে উঠবেন। এটা চৈত্র মাসের রাম নবমীতেই রামলালার উপর তিন থেকে চার মিনিট স্থায়ী হবে। পিতলের পাইপের মধ্যে দিয়ে সূর্যের আলোক রশ্মিকে মন্দিরের (Ram Mandir) তিনতলা থেকে পরপর চারটি লেন্সের মাধ্যমে ঘুরিয়ে ফেলা হবে রামলালার কপালে।” আবার বিশিষ্ট স্থাপত্য শিল্পী আশিস সোমপুরা বলেছেন, “সূর্য দেবের জন্মের সময় রামলালার সূর্যাভিষেক করার মধ্যে বিশেষ তাৎপর্য আছে। সূর্যের সঙ্গে ঐশ্বরিক সংযোগকে তুলে ধরার একটা ভাবনা এখনে স্থাপন করা হয়েছে।”   

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: কনকনে কলকাতা! পৌষের শেষে ঝোড়ো ব্যাটিং শীতের, কত নামবে তাপমাত্রা?

    Weather Update: কনকনে কলকাতা! পৌষের শেষে ঝোড়ো ব্যাটিং শীতের, কত নামবে তাপমাত্রা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৌষের একেবারে শেষে শীতের কামড়। একদিনে ৩ ডিগ্রি পারদপতন কলকাতায়। শুক্রবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পৌঁছে গিয়েছে ১৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। কনকনে শীতের আমেজ অনুভূত হচ্ছে। সকালে কুয়াশায় ঢাকা ছিল ময়দান চত্বর। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কিছুটা কমেছে। কুয়াশার চাদর মুড়ি দিয়ে ঘুম ভেঙেছে রাজধানী দিল্লিরও। তার উপরে হাড় কাঁপানো ঠান্ডা। তাপমাত্রা নেমে গিয়েছে ৩ ডিগ্রিতে।

    সংক্রান্তির আগে পারদ পতন

    আগামী সোমবার, পৌষ সংক্রান্তি। গঙ্গাসাগরের পুণ্যস্নানের সময় কনকনে হাওয়া কাঁপন ধরাচ্ছে। কলকাতায় এক ধাক্কায় তিন ডিগ্রি কমে গিয়েছে তাপমাত্রা। সোয়েটার, চাদর, মাফলারে মুড়েছে শহর। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুক্রবার সকালে ১৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।  হাওয়া অফিস জানিয়েছে, দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে। কলকাতায় শুক্রবার আকাশ মূলত পরিষ্কার থাকবে। 

    পশ্চিমাঞ্চলেও কাঁপন

    অন্যদিকে ৮-৯ ডিগ্রির ঘরে নেমেছে পশ্চিমাঞ্চলের পারদ। শনিবার তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমতে পারে। পুরুলিয়ায় তাপমাত্রা নেমেছে ৮.১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। শ্রীনিকেতনের তাপমাত্রা ৯.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঠান্ডায় রীতিমতো জবুথবু জেলা। একদিকে কনকনে ঠান্ডা, অন্যদিকে উত্তুরে বাতাসের জোড়া ফলায় আজ সকাল থেকে রাস্তাঘাটে মানুষ অনেকটাই কম। বিনা বাধায় উত্তুরে হাওয়া প্রবেশ করতে শুরু করেছে বঙ্গে। আপাতত পাঁচ দিন তাপমাত্রা কম থাকবে।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালি থেকে শিক্ষা! মাথায় হেলমেট, হাতে ঢাল নিয়ে দমকলমন্ত্রীর বাড়িতে ইডি

    দিল্লিতে ঠান্ডা

    মরশুমের শীতলতম দিন দেখল রাজধানী। চলতি শীতের মরশুমে এই প্রথম তাপমাত্রা নামল ৩ ডিগ্রিতে। তার সঙ্গে ঘন কুয়াশায় দৃশ্যমানতা এতোটাই কম যে ২৩টি দিল্লিগামী ট্রেন ৬-৭ ঘণ্টা দেরিতে চলছে। গোটা উত্তরভারত জুড়েই শৈত্য প্রবাহ চলছে। দৃশ্যমানতা কম থাকায় বিমান পরিষেবাও ব্যহত হয়েছে দিল্লিতে। সকালের প্রতিটি বিমান ৪ ঘণ্টা দেরিতে চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share