Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • India Maldives Relation: আত্মনির্ভর ভারতের জয়গান, মলদ্বীপকে জবাব অমিতাভ-সেওয়াগের

    India Maldives Relation: আত্মনির্ভর ভারতের জয়গান, মলদ্বীপকে জবাব অমিতাভ-সেওয়াগের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আত্মনির্ভর ভারতের কথা বলে মলদ্বীপের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন অমিতাভ বচ্চন (Amitabh Bachchan)। লাক্ষাদ্বীপের একগুচ্ছ ছবি শেয়ার করে মলদ্বীপকে (India Maldives Relation) মোক্ষম জবাব দিলেন অমিতাভ। ঘটনার সূত্রপাত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লাক্ষাদ্বীপ সফর থেকে। লাক্ষাদ্বীপের সৈকতে প্রধানমন্ত্রীর ছবি দেখে মলদ্বীপের নেতা-মন্ত্রীরা কটাক্ষ করতে শুরু করেন। শুধু তাই নয়, ভারতের সমুদ্র সৈকতগুলোকে নোংরা, দুর্গন্ধে ভরা বলেও বিদ্রুপ করেন। ওই মন্ত্রীদের বরখাস্ত করা হলেও ভারতীয়দের রাগ কমছে না। মলদ্বীপ বয়কটের ডাক দেওয়া হচ্ছে।

    অমিতাভের জবাব 

    দেশ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অপমানের বদলায় অমিতাভ বচ্চন এক ঢিলে দুই পাখি মেরেছেন। আত্মনির্ভর ভারতের কথা বলে একইসঙ্গে দেশের জয়গান গেয়েছেন আর অন্যদিকে প্রতিপক্ষকে কড়া জবাব দিয়েছেন। মলদ্বীপ নিয়ে বীরেন্দ্র সেওয়াগের প্রতিবাদী ট্যুইটের প্রেক্ষিতে বিগ বি এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “এটা খুবই প্রাসঙ্গিক। আমাদের নিজেদের দেশেই সবথেকে ভালো জায়গা রয়েছে ঘোরার। আমি নিজেও লাক্ষাদ্বীপ এবং আন্দামানে গিয়েছি। এবং লোকেশন হিসেবে দারুণ অভূতপূর্ব জায়গা। অসাধারণ নীল জলরাশি, সমুদ্র সৈকত এবং সমুদ্র গভীরে জলের তলায় যে অভিজ্ঞতা হয়েছে আমার, তা এককথায় অবিশ্বাস্য‍! আমরা ভারত। আমরা আত্মনির্ভর। আর আমাদের আত্মনির্ভরতাকে হুমকি দেবেন না। জয় হিন্দ।”  

    সেওয়াগের বার্তা

    প্রসঙ্গত, বীরেন্দ্র সেওয়াগ, তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে চারটি ছবি পোস্ট করেন। সঙ্গে সেই জায়গাগুলির নাম ও তাঁর বিশেষত্ব তুলে ধরেন। প্রাক্তন ভারতীয় ওপেনার লিখেছেন, ‘উদুপির সৈকত, পুদুচেরির প্যারাডাইস বিচ, আন্দামানের নীল দ্বীপ ও হ্যাভলক আরও অনেক সুন্দর সৈকত রয়েছে আমাদের দেশে। ভারতে এমন অনেক অজানা জায়গা রয়েছে। সামান্য পরিকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা গড়ে তুললে, এই জায়গাগুলিতে পর্যটন শিল্পের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।’ সেওয়াগ আরও জানান, ভারত প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকে নতুন সম্ভাবনার জন্ম দেয়। তিনি লেখেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রীর অপমান আমাদের জেদ বাড়াবে। আমরা দেশের অনেক অজানা জায়গাকে আরও সুন্দর করে পর্যটন শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাব। যা আমাদের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে।’ তিনি সকলকে অনুরোধ করেন দেশের এমন অনেক অজানা জায়গাগুলির খোঁজ দেওয়ার জন্য।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  •  Lakshadweep Tourism: লাক্ষাদ্বীপ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে হ্যাশট্যাগ-ঝড়, গুগলে সার্চ বৃদ্ধি ৩৪০০ শতাংশ!

     Lakshadweep Tourism: লাক্ষাদ্বীপ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে হ্যাশট্যাগ-ঝড়, গুগলে সার্চ বৃদ্ধি ৩৪০০ শতাংশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়ায় আছড়ে পড়েছে  ‘লাক্ষাদ্বীপ ট্যুরিজম’ ও ‘ভিজিট লাক্ষাদ্বীপ’ ঝড়। গত এক সপ্তাহে, ভ্রমণ সংক্রান্ত অনলাইন সার্চে সকলকে ছাপিয়ে গিয়েছে একটাই নাম— লাক্ষাদ্বীপ।

    গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লাক্ষাদ্বীপে (Lakshadweep Tourism) গিয়েছিলেন একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পের কথা ঘোষণা করতে। সেইসঙ্গে এই দ্বীপের সমুদ্র সৈকতে স্নরকেলিং করেছেন। সমুদ্র সৈকতের প্রাকৃতিক মনোরম ছবি বিনিময় করে পর্যটকদের ছুটি কাটানোর জন্য উৎসাহ দেন তিনি। এরপর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করেন মলদ্বীপের ৩ মন্ত্রী। অভিযোগ করে বলা হয়, মলদ্বীপের পর্যটন থেকে নজর ঘোরাতে লাক্ষাদ্বীপের পর্যটনকে প্রচার করছেন মোদি।

    এরপর থেকেই ভারতের বহু পর্যটক মলদ্বীপের ভ্রমণসূচি বাতিল করছেন। বাতিল হয়েছে হাজার-হাজার বিমান টিকিট। বাতিল হয়েছে শয়ে-শয়ে রুমের বুকিং। শুধু সাধারণ পর্যটক নন, ভারতের পর্যটন ব্যবসায় জড়িত একটি ভ্রমণ সংস্থাও মালদ্বীপের ট্যুর বাতিল করেছেন। সমাজিক মাধ্যমে ‘বয়কট মলদ্বীপ’ এবং ‘লাক্ষাদ্বীপ ট্যুরিজম’ লিখে ব্যাপাক প্রচার চলছে। সেই প্রচারে বিশেষ ভূমিকা নিয়েছেন বলি তারকা থেকে শুরু করে ভারতের ক্রিকেটাররা। সমাজমাধ্যমে লাক্ষাদ্বীপের ছবি ভাইরাল হতেই সেখানে বেড়াতে যাওয়ার জন্য পর্যটকদের ঝোঁক হু হু করে ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। অনলাইনে সার্চ করার আগ্রহও প্রচুর বেড়ে গিয়েছে।

    কী বলছে মেক মাইট্রিপ (Lakshadweep Tourism)?

    অনলাইনে ট্র্যাভেল এজেন্সি মেক মাইট্রিপ পরিসংখ্যান দিয়ে বলেছে, এই লাক্ষাদ্বীপ (Lakshadweep Tourism) নিয়ে অনলাইনে সার্চ বেড়ে গিয়েছে ৩৪০০ শতাংশ। সামজিক মাধ্যমে একাধিক ট্রেন্ড এবং হ্যাশট্যাগ চলছে প্রচুর পরিমাণে। মোদিকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের কারণে শুধু ভারতেই নয় এশিয়া, ইউরোপ, অ্যামেরিকা থেকেও বাড়ছে সার্চের পরিমাণ। লাক্ষাদ্বীপে ভ্রমণের চাহিদা এখন পর্যটকদের কাছে প্রচুর।

    ৩৬টি ছোট ছোট দ্বীপের সমূহ লাক্ষাদ্বীপ

    লাক্ষা, আমিনদিভি, মনিকয় দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে ৩২ বর্গ কিলোমিটার জায়গা নিয়ে গড়ে উঠেছে এই লাক্ষাদ্বীপ (Lakshadweep Tourism)। এখানে ছোট বড় মিলিয়ে মত ৩৬টি দ্বীপ রয়েছে। লাক্ষা পর্যটন বিভাগ থেকে অনুমতি নিয়ে এই দ্বীপে বেড়াতে যেতে হয়। বছরের অক্টোবর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত সময় হল ভ্রমণ করার আদর্শ সময়। এই দ্বীপের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং মনোরম পরিবেশ ভীষণ ভাবে পর্যটকদের মনকে মুগ্ধ করবে। এখানে ঘুরে দেখার সুন্দর জায়গাগুলি হল-

    আগাত্তি দ্বীপপুঞ্জ

    লাক্ষাদ্বীপের (Lakshadweep Tourism) প্রবেশদ্বার হল এই আগাত্তি দ্বীপ। বিশ্বের অন্যতম সুন্দর লেগুন (নোনা জলের উপহ্রদ) রয়েছে এখানে। এখানে সুইমিং, স্বরকেলিং, কায়াকিংয়ের মতো ওয়াটার স্পোর্টস করার সুযোগ রয়েছে।

    বাঙ্গারাম দ্বীপপুঞ্জ

    আগাত্তি দ্বীপের খুব কাছেই হল বাঙ্গারাম দ্বীপ। এখানে মানুষ বসবাস করে না। ফসফোরেসেন্ট প্লাঙ্কটনের জন্য বাঙ্গারাম দ্বীপ আসেন পর্যটকরা। এই সৈকত রাতে নীলাভ হয়। ডলফিন, অক্টোপাস, ফ্রগফিস দেখা যায়।

    মিনিকয় দ্বীপ

    উত্তর দ্বীপপুঞ্জের ২০০ কিমি দক্ষিণে অবস্থিত এই দ্বীপ। এই দ্বীপ অন্যতম বড় লেগুন। এখানে ১১ গ্রামের ক্লাস্টার রয়েছে। এইগুলিকে আভাহ নামে পরিচিত।

    কালপেনি দ্বীপপুঞ্জ

    স্বচ্ছ এবং নীল জলের জন্য বিখ্যাত এই দ্বীপ। এখানে সুইমিং, স্নরকেরিং করার ব্যবস্থা রয়েছে।

    কাভারাত্তি দ্বীপপুঞ্জ

    এই দ্বীপ পর্যটকদের কাছে বেশ জনপ্রিয় জায়গা। স্থানীয় বাজার বেশ দর্শনীয় স্থান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lakshadweep: পাকিস্তান নয়, রত্নগর্ভা লাক্ষাদ্বীপ এল ভারতেই, লৌহমানবের কীর্তিতে অবাক বিশ্ব

    Lakshadweep: পাকিস্তান নয়, রত্নগর্ভা লাক্ষাদ্বীপ এল ভারতেই, লৌহমানবের কীর্তিতে অবাক বিশ্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরব সাগরের বুকে ইতিউতি ছড়িয়ে বেশ কয়েকটি দ্বীপ। সাগরের নীল জলরাশির মধ্যে এখানে ওখানে মাথা তুলে রয়েছে ঘন সবুজ বনানী। জলের নীচে গেলেই ধাঁধিয়ে যায় চোখ। রং-বেরংয়ের প্রবাল প্রাচীরের সৌন্দর্য মনোমুগ্ধকর। এই হল লাক্ষাদ্বীপের (Lakshadweep) অপার সৌন্দর্যের নির্যাস।

    শিরোনামে লাক্ষাদ্বীপ

    মলদ্বীপের তিন মন্ত্রীর (অ)সৌজন্যের জেরে বর্তমানে ভারতের যে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল খবরের শিরোনামে। এহেন সৌন্দর্যের আধার দখল করে নিচ্ছিল পাকিস্তান। পারেনি। কারণ যে সময় পাক সেনা দখল করার চেষ্টা করেছিল লাক্ষাদ্বীপ, সেই সময় ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন লৌহমানব সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল। বিষয়টি তাহলে খুলেই বলা যাক। স্বাধীনতার পরে পরে দেশের সর্বত্র পতপত করে উড়ছে তিরঙ্গা পতাকা। দেশের যেসব অঞ্চল রাজা কিংবা রানির শাসনাধীন ছিল, সেই সব রাজা-রানিকে বুঝিয়ে ভারতের অন্তর্ভু্ক্ত করে ফেলেছেন দেশের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল। যেহেতু ধর্মের ভিত্তিতে দেশ ভাগ হয়েছিল, তাই মুসলমান অধ্যুষিত লাক্ষাদ্বীপের রাশ যাওয়ার কথা ছিল পাকিস্তানের হাতে। কারণ তখনও লাক্ষাদ্বীপ ছেড়ে যায়নি ব্রিটিশরা।

    লৌহমানবের কৌশলে কুপোকাত পাকিস্তান

    এমতাবস্থায় আরব সাগরের বুকে মুসলমান অধ্যুষিত লাক্ষাদ্বীপের (Lakshadweep) গুরুত্ব অনুধাবন করে দখল নিতে ছোটে পাক বাহিনী। সে খবর কানে পৌঁছে যায় লৌহমানবের। সঙ্গে সঙ্গে তিনি লাক্ষাদ্বীপের উদ্দেশে রওনা করিয়ে দেন ভারতীয় রণতরী। পাক বাহিনী লাক্ষাদ্বীপে পা রাখার ঢের আগেই সেখানে ইউনিয়ন জ্যাক (ব্রিটেনের পতাকা) নামিয়ে ভারতীয় সেনা তুলে দেয় তিরঙ্গা পতাকা। ভারত লাক্ষাদ্বীপের দখল নিয়েছে শুনে আর এগোনোর সাহস দেখায়নি পাক বাহিনী। লাক্ষাদ্বীপ অন্তর্ভুক্ত হয় ভারতের মানচিত্রে। যার পুরো ক্রেডিটই বর্তায় তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্যাটেলের ওপর।

    আরও পড়ুুন: ‘‘সম্পত্তির হিসেব কি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতে পারবেন অভিষেক?’’ প্রশ্ন বিচারপতির

    ৩৬টি দ্বীপের সমাহার লাক্ষাদ্বীপ। কেন্দ্রশাসিত এই অঞ্চলের আয়তন ৩২.৬৯ বর্গ কিলোমিটার। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং কৌশলগত অবস্থানের কারণেই এই দ্বীপপুঞ্জের দখল নেওয়ার স্বপ্নে পাড়ি জমিয়েছিল পাক সেনা। পাকিস্তানের যে স্বপ্ন ভেঙে চুরমার করে দিয়েছিলেন ভারত গৌরব সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল। প্রসঙ্গত, মালাবার উপকূলের কাছেই লাক্ষাদ্বীপ। ভারতের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপলব্ধি করেছিলেন এই দ্বীপপুঞ্জের কৌশলগত অবস্থানের গুরুত্ব। তার জেরেই আজও রত্নগর্ভা এই দ্বীপপুঞ্জ (Lakshadweep) জ্বলজ্বল করছে ভারতের মানচিত্রে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India Maldives Row: মোদির প্রতি বিরূপ মন্তব্য, মলদ্বীপ ভ্রমণ বাতিল করছেন ভারতীয়রা

    India Maldives Row: মোদির প্রতি বিরূপ মন্তব্য, মলদ্বীপ ভ্রমণ বাতিল করছেন ভারতীয়রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি অবমাননাকর মন্তব্য মলদ্বীপের তিন মন্ত্রীর। তার জেরে উত্তাল ভারত। ফি বছর দলে দলে পর্যটক ভারত থেকে বেড়াতে যান মলদ্বীপে। এবার সেই মলদ্বীপ ভ্রমণই বাতিল করছেন সিংহভাগ ভারতীয় (India Maldives Row) পর্যটক। যার জেরে মার খাবে মলদ্বীপের পর্যটন ব্যবসা।

    মলদ্বীপের বিরুদ্ধে ক্ষোভ

    অনলাইন ফোরামস এবং ট্রাভেল বুকিং প্ল্যাটফর্মেও ক্ষোভ ওগরানো হচ্ছে মলদ্বীপের বিরুদ্ধে। মলদ্বীপের তরফে যতক্ষণ না পর্যন্ত অফিসিয়ালি ক্ষমা চাওয়া হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত মলদ্বীপকে বয়কট করতে অনলাইনে অনুরোধও করছেন অনেকেই। লাক্ষাদ্বীপ সফরে গিয়ে সেখানকার কিছু ছবি এবং ভিডিও আপলোড করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার প্রেক্ষিতে বিরূপ মন্তব্য করেছিলেন মলদ্বীপের মন্ত্রী আবদুল্লা মাহজুম মাজিদ। তাঁর দাবি, মলদ্বীপ থেকে ভারতীয়দের নজর ঘোরাতেই ভারতের (India Maldives Row) প্রধানমন্ত্রী লাক্ষাদ্বীপের ছবি দিয়েছেন। তিনি এও বলেন, “লাক্ষাদ্বীপকে ট্যুরিস্ট ডেস্টিনেশন হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে ভারত। বিচ ট্যুরিজমের সাম্রাজ্যে মলদ্বীপকে চ্যালেঞ্জ জানাতে চাইছে ভারত।” 

    ‘আমি আত্মনির্ভর’

    এর পরেই দলে দলে ভারতীয় পর্যটক মলদ্বীপ ভ্রমণ বাতিল করেছেন। বিমানের টিকিট বাতিল এবং হোটেল-রেস্তরাঁর বুকিং বাতিলের স্ক্রিনশটও ঘোরাফেরা করছে সোশ্যাল মিডিয়ায় (India Maldives Row)। অক্ষিত সিংহ নামে এক নেট নাগরিক লিখেছেন, “দুঃখিত মলদ্বীপ। আমার নিজস্ব লাক্ষাদ্বীপ রয়েছে। আমি আত্মনির্ভর।” প্রসঙ্গত, ‘আত্মনির্ভর ভারতে’র স্লোগান দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই মোদির প্রতিই অবমাননাকর মন্তব্য করায় যারপরনাই ক্ষুব্ধ নেটিজেনরা।

    আরও পড়ুুন: শাহজাহানকেই ধরতে পারল না পুলিশ, ডিজি নাকি কড়া ব্যবস্থা নেবেন!

    স্পোর্টস ফিজিওথেরাপিস্ট ফলক জোশীপুরা ২ ফেব্রুয়ারি তাঁর জন্মদিনটি কাটাতে চেয়েছিলেন মলদ্বীপে। কথা ছিল জন্মদিনের অনুষ্ঠানটি হবে অমেয় কুদা রাহ রিসর্টে। মলদ্বীপের মন্ত্রীর মন্তব্যের জেরে মলদ্বীপ ট্রিপ বাতিল করে দিয়েছেন ওই ফিজিওথেরাপিস্ট। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “আমার জন্মদিন ২ ফেব্রুয়ারি। মলদ্বীপ যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলাম। ট্রাভেল এজেন্টের সঙ্গে ফাইনাল কথাবার্তাও হয়ে গিয়েছিল।

    মলদ্বীপের এক ডেপুটি মন্ত্রীর মন্তব্যের কথা জানতে পেরে আমি মলদ্বীপ ভ্রমণ বাতিল করেছি।” চলচ্চিত্র নির্মাতা রুশিক রাওলও বাতিল করেছেন মলদ্বীপ ভ্রমণ। তিন সপ্তাহ ধরে ৫ লাখ টাকা দিয়ে ১লা ফেব্রুয়ারি থেকে মলদ্বীপের পালম রিট্রিটে থাকার কথা ভাবছিলেন রাওল। মন্ত্রীর মন্তব্যকে জাতিবাদ বলে দেগে দিয়েছেন রাওল। তিনিও জানিয়েছেন, মলদ্বীপের মন্ত্রীদের কুরুচিকর মন্তব্য মলদ্বীপ ভ্রমণ বাতিলের প্রাথমিক কারণ (India Maldives Row)।

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India Maldives Row: সাসপেন্ড নয়, তিন মন্ত্রীকে বরখাস্ত করতে হবে, মলদ্বীপকে জানিয়ে দিল ভারত

    India Maldives Row: সাসপেন্ড নয়, তিন মন্ত্রীকে বরখাস্ত করতে হবে, মলদ্বীপকে জানিয়ে দিল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেবল সাসপেন্ড করলেই হবে না, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করায় তিন মন্ত্রীকে বরখাস্ত করতে হবে। সোমবার ভারতে নিযুক্ত মলদ্বীপের (India Maldives Row) রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠিয়ে সাফ জানিয়ে দিল ভারত।

    কী বলল বিদেশমন্ত্রক?

    এদিন বিদেশ মন্ত্রকের তরফে তলব করা হয় ভারতে নিযুক্ত মলদ্বীপের হাইকমিশনারকে। তাঁকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে মলদ্বীপের মন্ত্রীদের করা মন্তব্যের প্রভাব পড়েছে ভারত-মালদ্বীপ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে। এর জন্য দায়ী মলদ্বীপই। এই সম্পর্ক মেরামত করার দায় মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মুইজুর। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে এও বলা হয়, জুনিয়র ওই তিন মন্ত্রীকে সাসপেন্ড করলেই হবে না, তাঁদের বরখাস্ত করতে হবে।

    এঁরা মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টেরই প্রতিনিধি!

    সম্প্রতি লাক্ষাদ্বীপে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সফরের বেশ কিছু ছবি এবং ভিডিও ভাইরাল (India Maldives Row) হয়। অভিযোগ, মলদ্বীপের ওই মন্ত্রীরা এরকমই কয়েকটি ছবিতে মোদিকে ‘পুতুল’ ও ‘জোকার’ বলে মন্তব্য করেন। ভারত-ইজরায়েল সম্পর্ক নিয়েও আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়। এরই প্রেক্ষিতেই সাসপেন্ড করা হয় তিন মন্ত্রীকে। যাঁদের সাসপেন্ড করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে দুজনই মহিলা। এঁরা মলদ্বীপের প্রেসিডেন্টেরই প্রতিনিধিত্ব করছেন বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশের।

    আরও পড়ুুন: ‘হিন্দুদের ১৩৯ একর জমি কেড়ে রোহিঙ্গা কলোনি’! বিস্ফোরক অর্চনা মজুমদার

    মলদ্বীপের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম সোলি ভারতপন্থী। আর বর্তমান প্রেসিডেন্ট মুইজু চিনপন্থী। গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে এই ইব্রাহিমকে হারিয়েই ক্ষমতায় আসেন চিনপন্থী শাসক হিসেবে পরিচিত মুইজু। তাই মুইজু ক্ষমতায় আসার পর যে ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্কের অবনতি ঘটবে, তার একটা ইঙ্গিত ছিলই। সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে মুইজু সরকারের তিন মন্ত্রীর মন্তব্যে তারই প্রতিফলন ঘটেছে বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। কিছু দিনের মধ্যেই চিন সফরে যাচ্ছেন মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট। সেখানে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের কাছে ফান্ড নিয়ে দরবার করবেন। তার আগে মন্ত্রীদের দিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর প্রতি এহেন কুরুচিকর মন্তব্য করানো হতে পারে বলেও আশঙ্কা ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের।

    ঘটনার প্রেক্ষিতে রবিবার মলদ্বীপের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে বিদেশের নেতা এবং পদস্থ ব্যক্তিদের নিয়ে যেসব অবমাননাকর মন্তব্য করা হয়, সে সম্পর্কে মলদ্বীপ সরকার সচেতন। এই জাতীয় মন্তব্য ব্যক্তিগত এবং তা মলদ্বীপ সরকারের (India Maldives Row) দৃষ্টিভঙ্গীর পরিচায়ক নয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Bilkis Bano Case: দোষীদের ফিরতে হবে জেলেই, বিলকিস বানো মামলায় রায় সুপ্রিম কোর্টের

    Bilkis Bano Case: দোষীদের ফিরতে হবে জেলেই, বিলকিস বানো মামলায় রায় সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেয়াদ শেষের আগেই মুক্তি দেওয়া হয়েছিল ধর্ষকদের। মুক্তি পাওয়া ওই ১১ জন ধর্ষককে ফিরে যেতে হবে জেলে। বিলকিস বানো মামলায় (Bilkis Bano Case) গুজরাট সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তা এক্তিয়ার বহির্ভুত বলেও জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। সেই সঙ্গে দেশের শীর্ষ আদালত এও জানিয়েছে, এই মামলার শুনানি চলবে।

    কী বলল সুপ্রিম কোর্ট?

    সোমবার বিচারপতি বিভি নাগরত্ন ও বিচারপতি উজ্জ্বল ভুয়ানের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, ধর্ষকদের মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনও এক্তিয়ারই গুজরাট সরকারের ছিল না। কারণ এই মামলার শুনানি হয়েছে মহারাষ্ট্রে। তাই এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে মহারাষ্ট্র সরকারই। ২০০২ সালে গোধরাকাণ্ডের পর হিংসার ঘটনা ঘটে গুজরাটে। এই সময় দাহোড় জেলার দেবগড় বারিয়া গ্রামের বাসিন্দা অন্তঃসত্ত্বা বিলকিসকে (Bilkis Bano Case) গণধর্ষণ করা হয়। তাঁর বছর তিনেকের মেয়েকে পাথরে আছড়ে মারে হামলাকারীরা।

    মুক্তি দেওয়া হয়েছিল স্বাধীনতা দিবসে

    বিলকিসের মেয়ের পাশাপাশি তাঁর পরিবারের আরও সাত সদস্যকেও খুন করা হয়। মুম্বইয়ের সিবিআই আদালতে দোষীদের কঠোর সাজার পক্ষে সওয়াল করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ২০০৮ সালের ২১ জানুয়ারি ১২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় সিবিআইয়ের ওই আদালত। বছর দুয়েক আগে মুক্তির জন্য আদালতে আবেদন জানায় দোষীরা। এ ব্যাপারে গুজরাট সরকারকে সিদ্ধান্ত নিতে বলে আদালত। সরকার ১১ জন ধর্ষকের মুক্তির পক্ষে সওয়াল করে। ছাড়পত্র মেলে সুপ্রিম কোর্টেও। তার পরেই ২০২২ সালের ৭৬তম স্বাধীনতা দিবসে সাজাপ্রাপ্ত ১১ জনকে মুক্তি দেয় গুজরাট সরকার।

    আরও পড়ুুন: তৃণমূল নেতার বাড়িতে লুকিয়ে শাহজাহান! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মেয়াদ শেষের আগেই ধর্ষকরা ছাড়া পেয়ে যাওয়ায় হইচই পড়ে যায়। ধর্ষকদের মুক্তিতে শুরু হয় বির্তকও। যদিও গুজরাট সরকার জানিয়েছিল, সাজাপ্রাপ্ত ১১ জন ভালো আচরণ করায় মেয়াদ শেষের আগেই মুক্তি দেওয়া হয়েছে তাদের। এদিন রায় ঘোষণা করে সুপ্রিম কোর্ট বলে, ধর্ষকদের মুক্তির নির্দেশ বা অব্যাহতির আদেশ যথাযোগ্য নয়। তাই বিলকিস বানোর (Bilkis Bano Case) ধর্ষকদের মুক্তি বাতিল করছে শীর্ষ আদালত। আদালত এও জানিয়েছে, সাজাপ্রাপ্তদের আগামী দু সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেল কর্তৃপক্ষের কাছে আত্মসমর্পণ করতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Maldives: প্রধানমন্ত্রী মোদির অপমানে ক্ষুব্ধ অক্ষয়-সলমনরা, দেশের দ্বীপগুলিতে যাওয়ার আর্জি সচিনের

    Maldives: প্রধানমন্ত্রী মোদির অপমানে ক্ষুব্ধ অক্ষয়-সলমনরা, দেশের দ্বীপগুলিতে যাওয়ার আর্জি সচিনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মলদ্বীপ নাকি লাক্ষাদ্বীপ— পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে কোনটা সেরা, তা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লাক্ষাদ্বীপ সফর ও সেখানের পর্যটনের প্রচার নিয়েই আপত্তি মলদ্বীপের (India Maldives Relations)। সে দেশের তিন মন্ত্রীর অপমানজনক মন্তব্য আগুনে ঘি ঢেলেছে। দেশের পাশে দাঁড়িয়ে সুর চড়িয়েছেন বলিউডের অভিনেতা থেকে শুরু করে প্রাক্তন ক্রিকেটাররা। সকলেই বিদেশের বদলে দেশের এই মনমুগ্ধকর পর্যটনকেন্দ্রে যাওয়ার পক্ষে সওয়াল করেছেন। সকলেই আওয়াজ তুলেছেন, বিদেশের বদলে দেশের দ্বীপগুলিতে যান। অক্ষয় কুমার থেকে সলমন খান, জন আব্রাহাম থেকে শ্রদ্ধা কপূর, কিংবদন্তি ক্রিকেটার সচিন তেন্ডুলকর সকলেরই দাবি—বয়কট করা হোক মলদ্বীপকে (India Maldives Relations)।

    লাক্ষাদ্বীপই হোক গন্তব্য

    বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমার তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে লিখেছেন, “মলদ্বীপের বিশিষ্টজনেদের কথায় আমি স্তম্ভিত। ভারতই সবচেয়ে বেশি পর্যটক পাঠায় মলদ্বীপে। আর ভারতই তার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সবসময় বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখে। তাহলে এই ঘৃণা আমরা সহ্য করব না। দেশের মর্যাদা রাখতে দেশের দ্বীপগুলিতেই যাওয়া উচিত আমাদের।”

    জন আব্রাহাম ও শ্রদ্ধা কাপুরও একই কথা বলেছেন। তাঁদের বক্তব্য, দেশকে যেখানে অপমান করা হয়, সেখানে না যাওয়াই শ্রেয়। লাক্ষাদ্বীপের নৈসর্গিক সৌন্দর্যের প্রশংসা করেছেন তাঁরা। 

    শ্রদ্ধা কাপুর তো বলেছেন, লাক্ষাদ্বীপের সৌন্দর্য দেখে এখনই ছুটি নিয়ে যেতে ইচ্ছে করছে।

    অভিনেতা সলমন খান প্রধানমন্ত্রীর ভিডিওর প্রসঙ্গ টেনেই বলেন, “কী দারুণ লাগছিল আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রভাই মোদিকে লাক্ষাদ্বীপের সুন্দর, পরিষ্কার সৈকতে ঘুরতে দেখে। আর সবথেকে ভাল বিষয় হল এটা আমাদের দেশেই রয়েছে।”

    প্রাক্তন কিংবদন্তী ক্রিকেটার সচিন তেণ্ডুলকর লাক্ষাদ্বীপ নিয়ে পোস্ট না করলেও, ‘অতিথি দেব ভব’-র দর্শন ও মহারাষ্ট্রের সিন্ধুদুর্গের সৌন্দর্য্য নিয়ে লম্বা এক পোস্ট লেখেন।

     

    আরও পড়ুন: মোদির বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্যের জেরে ৩ মন্ত্রীকে সাসপেন্ড মলদ্বীপের

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India Maldives Relations: মোদির বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্যের জেরে ৩ মন্ত্রীকে সাসপেন্ড মলদ্বীপের

    India Maldives Relations: মোদির বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্যের জেরে ৩ মন্ত্রীকে সাসপেন্ড মলদ্বীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্যের জেরে তিন মন্ত্রীকে সাসপেন্ড করল মলদ্বীপ (India Maldives Relations) সরকার। প্রধানমন্ত্রী লাক্ষদ্বীপ সফরের ছবি আপলোড করার পর ওই তিন মন্ত্রী এক্স হ্যান্ডেলে তাঁর বিরুদ্ধে অবমাননারকর মন্তব্য করেন।

    প্রধানমন্ত্রীকে অপমানের তীব্র প্রতিবাদ ভারতের

    বিদেশমন্ত্রকের নির্দেশে সেখানকার ভারতীয় হাইকমিশন, প্রধানমন্ত্রীকে অপমানের বিষয়টি মালে প্রশাসনের কাছে তুলে ধরে এবং এর তীব্র নিন্দা করে৷ ভারত যে মালে সরকারের মন্ত্রী এবং তাদের আধিকারিকদের আচরণে ক্ষুব্ধ তা বুঝিয়ে দেওয়া হয় ৷ এমনকী, মালদ্বীপের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদ মালদ্বীপের রাজনীতিকদের অবমাননাকর মন্তব্যের নিন্দা করেন৷ এর পরেই নড়েচড়ে বসে সে দেশের প্রশাসন৷ যুব ক্ষমতায়ন-তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের উপমন্ত্রী মালশা শরিফ, যুব ক্ষমতায়ন, তথ্য ও সংস্কৃতি উপমন্ত্রী মারিয়ম সিউনা এবং পরিবহণ ও অসামরিকর বিমান চলাচল উপমন্ত্রী হাসান জিহানকে মন্ত্রিসভা থেকে সাসপেন্ড করে মলদ্বীপের মহম্মদ মুইজুর সরকার।

    ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমে পড়ে মলদ্বীপ সরকার

    দ্বীপরাষ্ট্রের তরফে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে ‘মন্ত্রী মারিয়ম সিউনা বা অন্যান্যরা মোদির বিরুদ্ধে যে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন তা তাঁদের ব্যক্তিগত। এতে প্রশাসনের কোনও যোগ নেই। মলদ্বীপ সরকারে মোটেও তাতে মদত নেই।’ মলদ্বীপের (India Maldives Relations) বিদেশ মন্ত্রকের তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভারতের প্রতি বিদ্বেষমূলক মন্তব্যে কখনওই প্রশাসনের মদত নেই। যেসব মন্ত্রীরা এই অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন তাঁদের নিজ নিজ পদ থেকে সাসপেন্ড করা হল।’ 

    মলদ্বীপের বর্তমান প্রশাসকের চিন ঘনিষ্ঠতা

    সাম্প্রতিককালে চোখে পড়ছে মলদ্বীপের সঙ্গে চিনের ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে। মলদ্বীপের আগের সরকার ছিল ভারত ঘেঁষা। সোলি-সরকারকে হারিয়েই মহম্মদ মুইজু সরকার গঠন করে। এরপরই মলদ্বীপ এবং ভারতের সম্পর্কে বদলের ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল। ক্ষমতায় আসার পরে ভারতের সেনাকে মলদ্বীপ থেকে সরে যেতে বলেন প্রেসিডেন্ট মুইজু। বিষয়টি নিয়ে কূটনৈতিক স্তরে উত্থাপন করে ভারত। ভারতের সঙ্গে মলদ্বীপের সম্পর্কে তিক্ততা প্রকাশ্যে আসে তখনই৷ এখন মোদিকে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যের মধ্যেই ফের একবার প্রকাশ পেল মলদ্বীপ প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ মনোভাব।

    আরও পড়ুন: “আমরা ভাগ্যবান যে ভারতের মতো বন্ধুরাষ্ট্র পেয়েছি”, ভোটের দিন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ হাসিনার

    মলদ্বীপের পর্যটন ভারতের ওপর নির্ভরশীল

    উল্লেখ্য মলদ্বীপের (India Maldives Relations) পর্যটন শিল্প অনেকটাই নির্ভরশীল ভারতের উপর। সাম্প্রতিককালে চোখে পড়ছে মলদ্বীপের সঙ্গে চিনের ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লাক্ষাদ্বীপ ভ্রমণের ছবি ও ভিডিও পোস্ট করেছিলেন। তারপর নেটিজেনদের অনেকেই লাক্ষাদ্বীপের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তাঁদের মতে, বিদেশের সমুদ্রসৈকতে না গিয়ে লাক্ষাদ্বীপেই ছুটি কাটাতে পারেন দেশবাসী। এর পরই বিতর্কিত মন্তব্য করে বসেন মলদ্বীপের মন্ত্রীরা। বিষয়টি নিয়ে জলঘোলা শুরু হতেই তড়িঘড়ি সেই ট্যুইট মুছেও দেন তাঁরা। কিন্তু, ক্ষতি যা হওয়ার হয়েই গিয়েছিল।

    মলদ্বীপ ট্যুর বাতিল ভারতীয় ভ্রমণ সংস্থার

    মলদ্বীপের সরকারি কর্তাদের মোদি-বিরোধী মন্তব্যের জেরে অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় মলদ্বীপ বয়কট করার আহ্বান জানিয়েছেন। মলদ্বীপকে বয়কটের ডাক ট্রেন্ডিং করতে শুরু করে সোশ্যাল সাইটে। ইতিমধ্যেই ভারতের জনপ্রিয় একটি ভ্রমণ সংস্থা মলদ্বীপ যাওয়ার সমস্ত বিমানের বুকিংও বাতিল করে দিয়েছে। ওই সংস্থার মালিক জানিয়েছেন, দেশের প্রতি আনুগত্য এবং সহানুভূতি থেকে এই সিদ্ধান্ত তাঁরা নিয়েছেন। ওই ট্যুর সংস্থার তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে মলদ্বীপ যাওয়ার সমস্ত বিমানের বুকিং স্থগিত দেওয়া হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Rajnath Singh: ২২ বছর পরে ভারতের প্রথম কোনও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ব্রিটেন সফরে

    Rajnath Singh: ২২ বছর পরে ভারতের প্রথম কোনও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ব্রিটেন সফরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) তিন দিনের ব্রিটেন সফর শুরু করছেন আগামী সোমবার থেকে। ২২ বছর পরে প্রথম কোনও ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এই সফর করছেন বলে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, এটাই প্রথম নয় গত ২০২২ সালের জুন মাসেও ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর ব্রিটেন সফর চূড়ান্ত হয় কিন্তু কিছু প্রটোকলের কারণে তা শেষ মুহূর্তে বাতিল হয়। পরবর্তীকালে, আবার ৮ জানুয়ারি শুরু হচ্ছে এই সফর। ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা সচিব গ্রান্ড শাপস  জানিয়েছেন যে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) এর এই সফরে তাঁকে গার্ড অফ অনারও দেওয়া হবে। ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এই সফরে মহাত্মা গান্ধী এবং ডঃ বি আর আম্বেদকরের স্মৃতিসৌধতেও যাবেন লন্ডনে।

    প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গেও আলাপচারিতায় সামিল হবেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী

    এর পাশাপাশি প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গেও আলাপচারিতায় সামিল হবেন রাজনাথ সিং, সূত্রের খবর এমনটাই মিলেছে। লন্ডনের ‘ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিস’-এর তরফ থেকে রাহুল রায় চৌধুরী জানিয়েছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর এই সফর যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে। কারণ ২২ বছর পরে কোনও ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী (Rajnath Singh) পুনরায় ব্রিটেনের সফর করছেন। শেষবারের মতো সফর করেছিলেন এনডিএ জমানার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জর্জ ফার্নান্ডেজ। ২০০২ সালের ২২ জানুয়ারি তিনি লন্ডনে এসেছিলেন।

    আরও পড়ুন: “গোয়া নয়, মানুষজন ঘুরতে আসছেন অযোধ্যায়”, উচ্ছ্বসিত রামনগরীর হোটেল ব্যবসায়ী

    ভারত-ব্রিটেন কূটনৈতিক সম্পর্কের বেশ উন্নতি ঘটাবে এই সফর

    প্রতিরক্ষা বিষয়ের একজন বিশেষজ্ঞ হিসেবে রাহুল রায়চৌধুরীর মত হল, ‘‘রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)-এর এই সফর ভারত এবং ব্রিটেনের কূটনৈতিক সম্পর্কে যথেষ্ট উন্নতি ঘটাবে। ভারত-ব্রিটেনের সম্পর্ক বেশ ভালো। কারণ ইতিপূর্বে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক গত বছরের সেপ্টেম্বরে জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে ভারতে এসেছিলেন।’’ প্রসঙ্গত, খালিস্তানপন্থীদের বিক্ষোভে দিন কয়েক আগেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় লন্ডনে। তারপরেই হতে চলেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর এই সফর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: অযোধ্যায় প্রতিদিন চলছে সরযূ বন্দনা, পঞ্চপ্রদীপ, বৈদিক শ্লোকে এ যেন সত্যিই দেবভূমি

    Ram Mandir: অযোধ্যায় প্রতিদিন চলছে সরযূ বন্দনা, পঞ্চপ্রদীপ, বৈদিক শ্লোকে এ যেন সত্যিই দেবভূমি

    রামনগরী অযোধ্যা-পাঁচ

    শুভ্র চট্টোপাধ্যায়, অযোধ্যা থেকে ফিরে: বারাণসীর গঙ্গা-আরতির প্রসিদ্ধি দেশজুড়ে রয়েছে। দশাশ্বমেধ ঘাটে গঙ্গা-আরতির সময় তিল ধারণের জায়গাটুকুও থাকে না। কপালে তিলক এঁকে ভক্তরা সমবেত হন গঙ্গার ঘাটে। রাম মন্দির উদ্বোধনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হতেই অযোধ্যার সরযূ নদীর আরতিও বিপুল জনপ্রিয় হয়েছে। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ নাগাদ অযোধ্যায় (Ram Mandir) পৌঁছাতেই তা বোঝা গেল। সরযূ অবশ্য অযোধ্যাবাসীর কাছে শুধু নদী নয়, সরযূকে মাতা সম্বোধন করা হয়। ভক্তদের বিশ্বাস, অযোধ্যায় কোনও নদী না থাকার কারণে বশিষ্ঠর প্রার্থনায় ব্রহ্মা সরযূ নদীকে সৃষ্টি করেন। সরযূর ধারে যখন পৌঁছালাম সূর্য তখন সবেমাত্র অস্তমিত হয়েছে। ভক্ত ও সাধুসন্তদের ভিড়ে সরযূর ধারে তখন পা রাখারও জায়গা নেই। প্রশাসনের ব্যস্ততাও তুঙ্গে। কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হয়েছে ভাসমান ঘাট। তবে সেখানে শুধুমাত্র সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদেরই যাওয়ার অনুমতি রয়েছে। সরযূ নদীর ওই ঘাটের ওপরেই সম্পন্ন হয় আরতি। পঞ্চপ্রদীপের আলোর প্রতিফলন সরযূর (Ram Mandir) জলে। সঙ্গে বৈদিক শ্লোক উচ্চারণ। সন্ধ্যার আলো-আঁধারি পরিবেশে মনে হচ্ছিল, এ যেন সত্যিই দেবভূমি। রাম মন্দিরের পাশাপাশি সরযূ নদীর আরতিও যে ভক্তদের গুরুত্বপূর্ণ তীর্থকেন্দ্র হয়ে উঠতে চলেছে, তা বোঝাই যাচ্ছে।

    তরুণ-তরুণীদের ঘোরার জায়গা সরযূর পাড়

    স্মার্ট ফোন হাতে তরুণ-তরুণীদের সন্ধ্যার আড্ডারস্থলও হয়ে উঠেছে সরযূর ধার। যুব প্রজন্ম এখন কপালে দীর্ঘ হলুদ টিকা লাগিয়ে সামিল হচ্ছে সরযূর বন্দনায়। ভারতের প্রাচীন শাশ্বত সংস্কৃতিতেই যে আস্থা রয়েছে তরুণ প্রজন্মের তা বোঝা যায় সরযূর ধারে। হোটেল ব্যবসায়ী ধর্মেন্দ্র মিশ্র তাই কথায় কথায় জানালেন, ‘‘গোয়া নয়, মানুষজন এখন অযোধ্যাতেই আসছেন ঘুরতে।’’ সরযূ নদীর আরতির পরে দীর্ঘক্ষণ আমাদের সঙ্গে আলাপচারিতা করলেন আরতির মূল দায়িত্বপ্রাপ্ত সন্ত শশীকান্ত দাস। স্থানীয় একটি আশ্রমের মহন্তের দায়িত্বও রয়েছে তাঁর ওপরে। তিনিই জানালেন, অযোধ্যা বদলে যাচ্ছে। আমাদের উদ্দেশে প্রশ্ন ছুড়লেন, ‘‘আগে আপনারা অযোধ্যায় এসেছেন কখনও?’’ আমরা তিনজন ছিলাম। প্রত্যেকেই সমবেতভাবে উত্তর দিলাম ‘না’।

    কী বলছেন সরযূ নদীর আরতি কমিটির প্রধান?

    শশীকান্ত দাস বললেন, ‘‘আগে ঝামেলা অশান্তির ভয়ে কেউই সেভাবে অযোধ্যা আসতে চাইতেন না। অপপ্রচারও চলত, অযোধ্যা (Ram Mandir) এলেই অশান্তি হতে পারে। রামনগরী তাই হয়ে উঠেছিল উদাসী। কিন্তু এখন আপনাদের মতো লাখো মানুষ আসছেন অযোধ্যায়। মন্দির উদ্বোধনের পরে এই সংখ্যা কততে গিয়ে ঠেকবে তা বলা যাচ্ছে না। সামগ্রিকভাবে বদলে গিয়েছে অযোধ্যার চিত্র। ’’শশীকান্ত দাসের কথায় ঝরে পড়ল নরেন্দ্র মোদি ও যোগী আদিত্যনাথের ভূয়সী প্রশংসাও। তাঁর মতে, ‘‘অযোধ্যাকে বদলে দেওয়ার কারিগর নরেন্দ্র মোদি। তিনি ছিলেন বলেই রাম মন্দির (Ram Mandir) তৈরি হল অযোধ্যায়। বদলে গেল অযোধ্যার চিত্র। তার সঙ্গে নগরীর সর্বাঙ্গীণ বিকাশ করছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীও।’’ সরযূর ঠিক পাশেই বিশালাকার পার্ক। সেখানে প্রত্যহ সন্ধ্যায় আরতির পরে লেজার শো-এর মাধ্যমে দেখানো হচ্ছে সম্পূর্ণ রামায়ণ। রাম মন্দির থেকে সরযূ যাওয়ার সড়ক রামপথ নামে পরিচিত। মন্দির-সড়ক-নদী সবই যেন রামচন্দ্রময় হয়ে উঠেছে অযোধ্যায়। শুধু তীর্থকেন্দ্র নয়, পর্যটনস্থল হিসেবেও ঘুরে আসা যেতেই পারে অযোধ্যা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share