Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Manipur Violence: মঙ্গলবারও হিংসা ছড়াল মণিপুরে, জঙ্গি হামলায় জখম ৭ নিরাপত্তারক্ষী

    Manipur Violence: মঙ্গলবারও হিংসা ছড়াল মণিপুরে, জঙ্গি হামলায় জখম ৭ নিরাপত্তারক্ষী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরের পয়লা দিনেই অশান্ত হয়েছিল মণিপুর (Manipur Violence)। গতকালই চারজন সাধারণ মানুষের মৃত্যুর খবর মেলে হিংসায়। মঙ্গলবারও সেই রেশ বজায় থাকল। একজন বিএসএফ জওয়ান সমেত সাতজন পুলিশ কর্মী গুরুতর ভাবে জখম হয়েছেন মণিপুরের হিংসায়। ঘটনাটি ঘটেছে মায়ানমারের সীমান্ত অঞ্চল মোরেহ-তে। শেষ পর্যন্ত খবর মিলেছে, এঁদের মধ্যে পাঁচজনকে ভর্তি করা হয়েছে ইম্ফলের ‘রিজিওনাল ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স’-এ। মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং হাসপাতাল পরিদর্শন করেন এবং আহতদের সঙ্গে কথাও বলেন।

    হামলায় বহিরাগত হাত?

    হাসপাতালেই মণিপুরের (Manipur Violence) মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, গোটা ঘটনায় বহিরাগত শক্তির হাত থাকতে পারে। এই হামলার ঘটনায় সন্দেহ করা হচ্ছে ‘কুকি ন্যাশনাল আর্মি’কে। প্রসঙ্গত, গতকালই মণিপুরে ব্যাপক হিংসা ছড়ায়। এর পরে এদিন যৌথভাবে তল্লাশি অভিযানে নামে বিএসএফ এবং রাজ্যের পুলিশ কর্মীরা, সে সময় মায়ানমারের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে এই ঘটনা ঘটে। হাসপাতাল থেকেই মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, গোটা ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে পাঠানো হয়েছে। 

    উদ্ধার করতে আসা হেলিকপ্টার লক্ষ্য করে গুলি

    জানা গিয়েছে, আহতদের উদ্ধার করতে নিরাপত্তারক্ষীরা হেলিকপ্টার নিয়ে যায়। সেই হেলিকপ্টারেও গুলিবর্ষণ করে জঙ্গিরা। প্রসঙ্গত, গত বছরের মে মাস থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মণিপুর। এখনও পর্যন্ত ২০০ জনেরও বেশি মানুষের প্রাণ গিয়েছে হিংসায় (Manipur Violence)। গতকালের ঘটনার পরে রাজ্যের পাঁচ জেলায় কারফিউ জারি করে সরকার। কিন্তু মঙ্গলবারেও এড়ানো গেল না হিংসা।

    গতকালের ঘটনার পরে মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতি

    গতকালের ঘটনার পরে এদিন এক ভিডিও বার্তায় মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “নিরপরাধ মানুষদের হত্যার ঘটনায় আমি অপরিসীম দুঃখিত। আমরা অপরাধীদের ধরতে পুলিশের দলগুলিকে একত্রিত করছি। আমি হাত জোড় করে লিলংয়ের বাসিন্দাদের কাছে আবেদন করছি, অপরাধীদের খুঁজে বের করতে সরকারকে সাহায্য করুন। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, সরকার আইনের অধীনে ন্যায়বিচার দেওয়ার জন্য সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রয়োগ করবে। রাজ্য সরকার ঘটনাটিকে মোটেই সহজভাবে নিচ্ছে না। অপরাধীদের ধরতে এলাকায় আরও পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Fire in Flight: ভিতরে ৩৬৭ যাত্রী, রানওয়ে দিয়ে চলছে জ্বলন্ত বিমান, দেখুন ভিডিও

    Fire in Flight: ভিতরে ৩৬৭ যাত্রী, রানওয়ে দিয়ে চলছে জ্বলন্ত বিমান, দেখুন ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূমিকম্পের রেশ কাটতে না কাটতে এবার জাপানে যাত্রীবাহী বিমানে (Fire in Flight) ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একাধিক ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, দাউদাউ করে জ্বলছে বিমান। সেই নিয়েই বিমানবন্দরের রানওয়ে দিয়ে তা ছুটে চলেছে। বিমানের জানলা দিয়ে রীতিমতো বের হচ্ছে আগুনের লেলিহান শিখা। অন্যদিকে, রানওয়ের অপর প্রান্তে আগুনে জ্বলছে আরও একটি বিমান। এই ছবি সামজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। কোনও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। 

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Fire in Flight)?

    জাপানি টিভি চ্যানেল এনএইচকের সূত্রে একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, টোকিও হানেদা এয়ারপোর্টে অবতরণ করার সময় আগুন লেগে যায় জাপান এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে (Fire in Flight)। রীতিমতো রানওয়েতেই জলন্ত অবস্থায় বিমানটিকে ছুটতে দেখা গিয়েছে। তবে সরকারিভাবে আগুন লাগার কারণ নিয়ে এখনও স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি। তবে একধিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, রানওয়েতে উপকূলরক্ষী বাহিনীর আরও একটি বিমান দাঁড়িয়ে ছিল। আর অবতরণের সময় দুটি বিমানের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। আর তা থেকেই আগুন লেগে যায়। ছবিতে দেখা গিয়েছে বিমানের নীচের অংশে লাগা আগুন দাউ দাউ করে জ্বলছে।

    বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্লেনের (Fire in Flight) প্রত্যেক যাত্রী নিরাপদে রয়েছেন। যাত্রীবাহী বিমানে যাত্রী এবং ক্রু সদস্য মিলিয়ে মোট যাত্রীর সংখ্যা ছিল ৩৬৭ জন। বিমানটি রানওয়েতে থামার পর অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে জ্বলন্ত বিমান থেকে যাত্রীদের উদ্ধার করা হয়। জাপানি সংবাদমাধ্যম সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, বিমানটি হোক্কাইডো বিমানবন্দর থেকে এসেছিল টোকিওয়। ঘটনায় দমকলের কর্মীরা বিমানের আগুন নেভানোর কাজ তৎপর হয়ে করছে বলে জানা গিয়েছে। নীচের তলা থেকে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল গোটা বিমানে। কেউ আহত হয়েছে কিনা এখনও স্পষ্ট হয়নি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kamduni Case: জবাব তলব! কামদুনি মামলায় রাজ্য ও অভিযুক্তদের নোটিশ পাঠাল সুপ্রিম কোর্ট

    Kamduni Case: জবাব তলব! কামদুনি মামলায় রাজ্য ও অভিযুক্তদের নোটিশ পাঠাল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কামদুনি মামলার (Kamduni Case) সঙ্গে জড়িত সবাইকে নোটিশ পাঠিয়ে জবাব তলব করল সুপ্রিম কোর্ট। কামদুনিতে মৃতার পরিবারের পক্ষ থেকে রাজ্য এবং আট অভিযুক্তর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করা হয়েছিল। কামদুনি মামলায় সুবিচার চেয়ে দিল্লি গিয়েছিলেন মৃতার পরিবার এবং প্রতিবাদীরা। মঙ্গলবার সেই মামলার প্রথম শুনানি ছিল। কিন্তু আজ শুনানি বেশি দূর এগোয়নি। কারণ আদালত আজ মামলায় সঙ্গে জড়িত সকলের উদ্দেশে নোটিশ জারি করে।  অভিযুক্ত আট জনের পাশাপাশি, রাজ্য সরকারকেও নোটিশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত (Supreme Court)।

    সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ নির্যাতিতার পরিবার 

    ২০১৩ সালের কামদুনি গণধর্ষণ মামলায়  (Kamduni Case) গত ৬ অক্টোবর রায় ঘোষণা করে কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, নিম্ন আদালতে যাদের ফাঁসির সাজা দেওয়া হয়েছিল, সেই সাজা রদ করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, যেসব অভিযুক্তদের আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছিল নগর দায়রা আদালত, তাদের বেকসুর খালাসের নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপরই কামদুনি গণধর্ষণ কাণ্ডের প্রতিবাদে আন্দোলনের প্রথম সারিতে থাকা মৌসুমী কয়াল, টুম্পা কয়ালরা সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার কথা জানান। নির্যাতিতার পরিবারের পাশে থাকার কথা জানিয়ে দেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে নির্যাতিতার দাদা শীর্ষ আদালতে একটি পৃথক মামলা করেন। মামলাকারীদের দাবি ছিল, নিম্ন আদালত যে রায় দিয়েছে, তা যাতে বহাল থাকে, সে কারণে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা। 

    আরও পড়ুন: চলতি সপ্তাহের শেষে বৃষ্টি! বছরের শুরুতে নামল পারদ, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    রাজ্যকে নোটিশ শীর্ষ আদালতের

    মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য ও ৮ অভিযুক্ত কাছে জবাব চেয়েছে। আদালত বলেছে, মামলাকারীর আবেদনের ভিত্তিতে সকলকে নিজেদের জবাব হলফনামা আকারে জমা দিতে হবে। হলফনামা দেওয়ার পরেই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ রায় ঘোষণার পর থেকেই সিআইডি তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ তুলে আসছে নির্যাতিতার পরিবার। অন্য দিকে, কামদুনিকাণ্ডে হাইকোর্টের নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য সরকারও। সুপ্রিম কোর্ট থেকে সুবিচার মিলবে বলে আশাবাদী নির্যাতিতার পরিবার। দীর্ঘ ১০ বছরের লড়াই চালিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর পরিবারের সদস্যরা। প্রতিবাদী মৌসুমী কয়াল বলেন, “সুপ্রিম কোর্টে মামলা গৃহীত হয়েছে। আমাদের আইনজীবী সিদ্ধার্থ রুদ্র আশ্বাস দিয়েছেন যে, কামদুনির নির্যাতিতা তাঁরও বোন। আমরা আশা করছি বিচার পাব। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি যে উনি আমাদের এতদূর আসতে সাহায্য করেছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Goldy Brar: গোল্ডি ব্রারকে ‘জঙ্গি’ তকমা কেন্দ্রের, শুনবেন গ্যাংস্টারের কীর্তি?

    Goldy Brar: গোল্ডি ব্রারকে ‘জঙ্গি’ তকমা কেন্দ্রের, শুনবেন গ্যাংস্টারের কীর্তি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সদস্য গ্যাংস্টার গোল্ডি ব্রারকে (Goldy Brar) জঙ্গি তকমা দিল কেন্দ্র। পাঞ্জাবের জনপ্রিয় গায়ক সিধু মুসাওয়ালা খুনের অন্যতম অভিযুক্ত গোল্ডি। বলিউড তারকা সলমন খানকেও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

    কে এই গোল্ডি? 

    ২০২২ সালে খুন হন পাঞ্জাবি গায়ক সিধু। ওই ঘটনায়ও জড়িয়ে যায় গোল্ডির নাম। কানাডার বাসিন্দা এক গ্যাংস্টারের মদতেই সিধুকে খুন করা হয়। পরে খুনের দায় কবুল করে গোল্ডি। খালিস্তানপন্থী এই নেতার বিরুদ্ধে জারি হয়েছে ইন্টারপোলের নোটিশ। জামিন অযোগ্য ধারায় জারি হয়েছে ওয়ারেন্টও। তার পরেও ছোঁয়া যায়নি বছর সাতাশের এই জঙ্গির টিকি। ১৯৯৪ সালে পাঞ্জাবের ফরিদকোটে জন্ম হয় গোল্ডির। চণ্ডীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক। পড়াশোনা করার সময় জড়িয়ে পড়ে ছাত্র রাজনীতিতে। সেই সময়ই রাজস্থানের জয়পুরের গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় গোল্ডির। ২০১৭ সালে স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে চলে যায় কানাডায়। তারপর আর ভারতে ফেরেনি। কানাডায় গিয়ে ট্র্যাকার হিসেবে কিছুদিন কাজ করে সে। বর্তমানে এ প্লাস ক্যাটেগরির গ্যাংস্টার গোল্ডি। অপরাধ জগতে তার পরিচয় লরেন্সের ‘ডান হাত’ হিসেবে। অন্তরালে থেকেই দিব্যি চালিয়ে যাচ্ছে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ। পুলিশের চোখে ধুলো দিতে বারবার করছে রংবদল।  

    গোল্ডির বিরুদ্ধে অভিযোগ

    সীমান্তে চোরাচালান, গ্রেনেড-সহ বিভিন্ন আগ্নেয়াস্ত্র এবং বিস্ফোরক পাচারেও সে যুক্ত বলে অভিযোগ। খুনের সুপারিও দেয় সে। পাঞ্জাবে অশান্তি ছড়ানো, নাশকতা-সহ দেশবিরোধী কার্যকলাপেও সে যুক্ত। এহেন গ্যাংস্টারকে সোমবার জঙ্গি দাগিয়ে দিল কেন্দ্র। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ইউএপিএ আইনের আওতায় গোল্ডিকে সন্ত্রাসবাদী ঘোষণা করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, নিষিদ্ধ খালিস্তানপন্থী সংগঠন বাব্বর খালসা ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে যোগ রয়েছে গোল্ডির (Goldy Brar)।

    ভারতে গোল্ডির বিরুদ্ধে অন্তত ১৩টি মামলা রয়েছে। কানাডা সরকারও তাকে দেশের ২৫ জন ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ অপরাধীর একজন বলে চিহ্নিত করেছে। সলমন খানকে হুমকি-মেইল পাঠানোর অভিযোগে বিষ্ণোই ও গোল্ডির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে মুম্বই পুলিশ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, গোল্ডি ব্রারের সঙ্গে আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলির যোগাযোগ রয়েছে। একাধিক খুনের মাস্টারমাইন্ডও সে। ভারতের একাধিক নেতাকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে গোল্ডির (Goldy Brar) বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুুন: এবার বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ ওড়ানোর হুমকি খালিস্তানি জঙ্গি পান্নুনের মুখে

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Ram Mandir: রাম মন্দির ঘিরে বদলে যাচ্ছে অযোধ্যা, ১০ বছরে বিনিয়োগ হবে ৮৫ হাজার কোটি!

    Ram Mandir: রাম মন্দির ঘিরে বদলে যাচ্ছে অযোধ্যা, ১০ বছরে বিনিয়োগ হবে ৮৫ হাজার কোটি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরকে (Ram Mandir) কেন্দ্র করে সাজো সাজো রব অযোধ্যায়। আগামী ২২ জানুয়ারি রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই মন্দির প্রতিষ্ঠাকে কেন্দ্র করেই বদলে যাচ্ছে সামগ্রিক অযোধ্যার চিত্র। আগেই জানা গিয়েছে, ১৭৮টি প্রকল্প বর্তমানে চলছে অযোধ্যায়। আন্তর্জাতিক মানের শহর গড়ে তোলা হচ্ছে রামনগরীকে। গত ৩০ ডিসেম্বর মহর্ষি বাল্মিকী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামী ১০ বছরে অযোধ্যায় ৮৫ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ হবে বলে জানা গিয়েছে।

    ২০৩১ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ পরিকল্পনা শেষ হবে বলে জানা গিয়েছে 

    সম্পূর্ণ পরিকল্পনা ২০৩১ সালের মধ্যে শেষ হবে বলে জানা গিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধনের পরেই প্রতিদিন গড়ে তিন লক্ষ মানুষের পা পড়বে অযোধ্যার পূণ্যভূমিতে। অযোধ্যা শহর লাগোয়া নতুন টাউনশিপ গড়ে উঠবে ১,২০০ একর জায়গাজুড়ে। এই নতুন উপনগরীকে নতুনভাবে এবং ধীরে ধীরে গড়ে তোলা হবে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে। এর জন্য বাজেট ধরা হয়েছে ২,২০০ কোটি টাকা। বিশ্বমানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবেও গড়ে তোলা হবে অযোধ্যাকে। আধ্যাত্মিকতা, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যগত ভূমিতে পরিণত হবে রামনগরী। স্থপতিশিল্পী এবং শহর পরিকল্পনাকারী দিক্সু কুকরেজা যিনি এই পুরো পরিকল্পনাটির নীল নকশা তৈরি করেছেন, তিনি জানিয়েছেন যে, সমস্ত রকমের অত্যাধুনিক মানের সুবিধা এবং পরিষেবা মিলবে অযোধ্যায়। পুণ্যার্থীদের ঢল এখানে এতটাই নামতে চলেছে যে অনুমান করা হচ্ছে সেখানকার স্থানীয় বাসিন্দা এবং তীর্থযাত্রীদের অনুপাত দাঁড়াবে ১:১০।

    ৮৭৫ বর্গ কিমি এলাকাজুড়ে গড়ে উঠবে পর্যটন ব্যবস্থা

    তীর্থযাত্রীদের পা পড়তেই ফুলে ফেঁপে উঠবে অযোধ্যার বাণিজ্য। সব থেকে ভালো চলবে হোটেল ব্যবসা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, তীর্থযাত্রীদের (Ram Mandir) থাকার জন্য সেখানে গড়ে উঠবে সরকারি গেস্ট হাউস, হোটেল সমেত আরও অন্যান্য বাসস্থান। নকশা অনুযায়ী, ৩১.৫ বর্গ কিলোমিটার বিস্তৃত মূল শহরের এলাকা ও ১৩৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকা বিস্তৃত বর্তমানে পরিকল্পিত শহর এলাকা সহ মোট ৮৭৫ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে অযোধ্যা উন্নয়ন পর্ষদ এলাকায় বিভিন্ন পরিকাঠামো ও পর্যটন কেন্দ্রিক কাজ হবে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: ‘‘শুধু রাম-ভক্তরাই প্রাণ প্রতিষ্ঠায় আমন্ত্রিত’’, উদ্ধবকে জবাব প্রধান পুরোহিত সত্যেন্দ্রর

    Ram Mandir: ‘‘শুধু রাম-ভক্তরাই প্রাণ প্রতিষ্ঠায় আমন্ত্রিত’’, উদ্ধবকে জবাব প্রধান পুরোহিত সত্যেন্দ্রর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কেবল রামের ভক্তদেরই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে।” সাফ জানিয়ে দিলেন রাম মন্দিরের (Ram Mandir) প্রধান পুরোহিত আচার্য সত্যেন্দ্র দাস। ২২ জানুয়ারি অযোধ্যার রাম মন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে রামলালার। এই অনুষ্ঠান উপলক্ষে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে সাত হাজার মানুষকে। এঁদের মধ্যে তিন হাজার জন ভিভিআইপি।

    আমন্ত্রণ নিয়ে কী বলছেন সত্যেন্দ্র? 

    রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে (পড়ুন, রাম মূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠা) কারা আমন্ত্রণ পেয়েছেন তা নিয়ে রাজনীতি করার চেষ্টা করছেন এক শ্রেণির মানুষ। বলিউডের অনেকে আমন্ত্রণ পেলেও, তিন খান (শাহরুখ-সলমন-আমির) কেন পাননি, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ। তেমনই শিবসেনা (উদ্ধব) নেতা উদ্ধব ঠাকরেও জানিয়েছিলেন তিনি আমন্ত্রণ পাননি। এদিন এঁদেরই প্রশ্নের জবাব দিয়ে দিলেন সত্যেন্দ্র। তিনি বলেন, “আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কেবল প্রভু রামের (Ram Mandir) ভক্তদের। বিজেপি প্রভু রামের নামে ভোট ময়দানে লড়ছে বলে যা বলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী সর্বত্র শ্রদ্ধার পাত্র। তাঁর আমলে উন্নয়নমূলক অনেক কাজ হয়েছে। এটা রাজনীতি নয়। এটা তাঁর নিষ্ঠা।”

    অনুষ্ঠানে রাজনীতির রং!

    বিজেপিকে নিশানা করে উদ্ধব বলেছিলেন, প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে রাজনীতির রং লাগানো উচিত নয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে পরিণত করাও ঠিক নয়। বস্তুত, এটি (প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান) কোনও একটি রাজনৈতিক দলের অনুষ্ঠান হওয়া উচিত নয়। মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব জানান, রাম মন্দির নিয়ে তিনিও অন্য অনেকের মতোই আনন্দিত। রাম মন্দির নির্মাণের জন্য তাঁর বাবা লড়াই করেছিলেন বলেও জানান তিনি। উদ্ধব যখন রাম মন্দির নিয়ে তাঁর আবেগের কথা বলছেন, তখন তাঁরই দলের নেতা সঞ্জয় রাউত শনিবার নিশানা করেন বিজেপিকে। বলেন, “২২ জানুয়ারির অনুষ্ঠান নিয়ে বিজেপি রাজনীতি করছে। তারা শীঘ্রই প্রভু রামকেও ভোটে প্রার্থী করে দেবেন।”

    আরও পড়ুুন: রামলালার কোন মূর্তি মন্দিরের গর্ভগৃহে বসবে হয়ে গেল চূড়ান্ত, শিল্পী কে জানেন?

    সঞ্জয়ের এহেন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে রাম মন্দিরের প্রধান পুরোহিত বলেন, “এই সঞ্জয় রাউতরাই প্রায়ই রামের নামে ভোট ভিক্ষে করেন। তবে যাঁরা প্রকৃতই প্রভু রামকে বিশ্বাস করেন, তাঁরাই রয়েছেন ক্ষমতায়। কী বোকা বোকা কথা বলছেন ওঁরা! উনি প্রভু রামকে অপমান করছেন।” প্রসঙ্গত, ২২ জানুয়ারি রামলালার মূর্তির প্রাণপ্রতিষ্ঠা হওয়ার পরের দিন থেকেই ভক্তরা করতে পারবেন দেব দর্শন (Ram Mandir)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: থাকবেন শাহ-নাড্ডা, রাম মন্দির উদ্বোধন নিয়ে মঙ্গলে বৈঠকে বসছে বিজেপি

    Ram Mandir: থাকবেন শাহ-নাড্ডা, রাম মন্দির উদ্বোধন নিয়ে মঙ্গলে বৈঠকে বসছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২২ জানুয়ারি প্রাণপ্রতিষ্ঠা হবে অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ram Mandir) বিগ্রহের। তার আগে মঙ্গলবার এনিয়ে বৈঠকে বসছে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা এবং প্রতিটি রাজ্যের দলের দুই কর্মকর্তা।

    বিজেপির বৈঠক

    এ বছরই রয়েছে লোকসভা নির্বাচন। তার আগে রাম মন্দির উদ্বোধনের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক তাৎপর্য খতিয়ে দেখতেই বৈঠকে বসছেন বিজেপি নেতৃত্ব। নির্বাচনী প্রচারে কীভাবে একে হাতিয়ার করা হবে, তা নিয়েও হবে আলোচনা। রাম মন্দির আন্দোলন ও মন্দির নির্মাণে বিজেপির ভূমিকা নিয়ে একটি পুস্তিকাও প্রকাশ করা হবে। নতুন ভোটারদের সঙ্গে পরিচয় করতে বুথস্তরের কর্মসূচিও হাতে নিয়েছে পদ্ম-পার্টি। মন্দির (Ram Mandir) নির্মাণে কীভাবে বিরোধী দলগুলি পদে পদে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে, তাও তুলে ধরা হবে ভোটারদের কাছে। রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে আরএসএস এবং বিশ্বহিন্দু পরিষদ যেসব কর্মসূচি হাতে নেবে, সেগুলিতে অংশগ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দলীয় কর্মীদের।

    মন্দির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, মন্দিরের প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। ২২ জানুয়ারি রামলালার মূর্তিতে হবে প্রাণপ্রতিষ্ঠা। অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে দেশ-বিদেশের ৭ হাজার বিশিষ্ট ব্যক্তিকে। এর মধ্যে ৩ হাজার জনই ভিভিআইপি। জানা গিয়েছে, রাম মন্দির উদ্বোধনের আগে ‘ঘর ঘর যাত্রা’ কর্মসূচি পালন করবে বিজেপি। প্রতি ঘরে রামের মহিমা পৌঁছে দেওয়া হবে এই কর্মসূচির মাধ্যমে। বিজেপি নেতারা রামের ছবি নিয়েও ঘুরবেন দুয়ারে দুয়ারে।

    আরও পড়ুুন: কনভয়ে বিস্ফোরণ, নিহত জইশ-ই-মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজহার!

    বঙ্গ বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “এই রাম মন্দির দেশের পরিচয় এবং নতুন প্রজন্মের কাছে সেটি পৌঁছে দেওয়ার জন্যই এমন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই।” অযোধ্যায় যেদিন রাম মন্দির উদ্বোধন হবে, সেদিন বাংলার ঘরে ঘরেও জ্বলবে প্রদীপ। গ্রামে-গঞ্জে যত মন্দির রয়েছে, সেখানে ছোট করে হলেও, উৎসব করতে বলা হয়েছে বিজেপি কর্মীদের। সর্বত্র বড় পর্দায় অযোধ্যার (Ram Mandir) অনুষ্ঠান দেখানোর ব্যবস্থা করতে হবে বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন রাজ্যগুলির নেতাদের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Rajnath Singh: “রাম মন্দির রাজনৈতিক কোনও ইস্যু নয়, সাংস্কৃতিক,” বললেন রাজনাথ

    Rajnath Singh: “রাম মন্দির রাজনৈতিক কোনও ইস্যু নয়, সাংস্কৃতিক,” বললেন রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাম মন্দির কোনও রাজনৈতিক ইস্যু নয়, সাংস্কৃতিক ইস্যু।” সোমবার অসমের তেজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১তম সমাবর্তন উৎসবে কথাগুলি বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। এদিন রাম মন্দির প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে রাজনাথ বলেন, “২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরে হবে প্রাণপ্রতিষ্ঠা উৎসব। ওই দিন উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।”

    কী বললেন রাজনাথ?

    এর পরেই তিনি বলেন, “রাম মন্দির আমাদের কাছে ভোট পাওয়ার জন্য কোনও রাজনৈতিক ইস্যু নয়, এটি আমাদের সাংস্কৃতিক ইস্যু।” ১৬ জানুয়ারি অক্ষত সংগ্রহের মাধ্যমে শুরু হবে রাম মন্দিরের প্রাণপ্রতিষ্ঠার উৎসব। মূল উৎসব হবে ২২ জানুয়ারি। এদিন সকালে পুজোর পর রাম লালার মূর্তিতে প্রাণপ্রতিষ্ঠা হবে দুপুরে, মৃগশিরা নক্ষত্রে। দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা প্রসঙ্গে রাজনাথ বলেন, “২০২৭ সালের মধ্যে ভারত বিশ্বের বৃহত্তম আথর্নীতির দেশের তালিকায় তিন নম্বরে জায়গা করে নেবে। আর এক নম্বর হবে ২০৪৭ সালের মধ্যে।”

    রাজনাথের মুখে যুব-প্রশস্তি

    শিক্ষক হিসেবে তাঁর অভিজ্ঞতাও এদিন পড়ুয়াদের সঙ্গে শেয়ার করে নেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। দেশের যুব সমাজ কীভাবে নয়া ধারণাগুলি গ্রহণ করছেন, তাও জানান তিনি। বলেন, “দেশের যুবসমাজকে আমি যতটুকু বুঝেছি, তা থেকে আমি বলতে পারি, শিক্ষকদের চেয়ে পড়ুয়ারা অনেক বেশি উদ্ভাবনী শক্তির অধিকারী। পড়ুয়াদের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখা যায়। তারা সহজেই নতুন নতুন ধারণাগুলিকে গ্রহণ করে নেয়। অসম দেশকে এমন অনেক আইকন দিয়েছে। এই আইকনরা শিল্প, সাহস, ধর্ম, রাজনীতি-সহ প্রায় সব ক্ষেত্রেই কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছে।”

    আরও পড়ুুন: বাংলাদেশের অন্যতম সতীপীঠ চন্দ্রনাথ মন্দিরের দখল নিচ্ছে মৌলবাদীরা?

    তিনি (Rajnath Singh) বলেন, “তোমাদের মতো তরুণদের সমৃদ্ধশালী করতে আমরা স্টার্ট-আপ সংস্কৃতি এবং উদ্ভাবনী ইকোসিস্টেমের ওপর জোর দিচ্ছি। সরকারের প্রচেষ্টা এবং তরুণ উদ্যোগপতিদের উৎসাহিত করতে আজ আমরা ভারতে এক লাখেরও বেশি স্টার্ট-আপ ও একশোর বেশি ইউনিকর্ন তৈরি করেছি। আমরা উদ্ভাবনকে প্রোমোট করেছি ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল করিডর স্টার্ট-আপের মাধ্যমে।” এদিন পুরনো ভারত ও নতুন ভারতের পার্থক্যও করেন রাজনাথ। বলেন, “পুরনো ভারত ও নয়া ভারতের মধ্যে প্রধান পার্থক্য নিহিত রয়েছে চিন্তার বিবর্তন ও অ্যাপ্রোচের মধ্যে।” প্রতিরক্ষামন্ত্রী (Rajnath Singh) বলেন, “আমাদের পড়ুয়াদের মধ্যে সৃজনশীলতা রয়েছে, লক্ষ্য রয়েছে। এসবকেই নয়া চিন্তাভাবনা বলা যেতে পারে। এগুলিই নয়া ভারতের ব্যাকগ্রাউন্ডও।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: কনে সীতার জন্মস্থান থেকে অযোধ্যায় আসছে হাজারেরও বেশি উপহারের ডালি

    Ram Mandir: কনে সীতার জন্মস্থান থেকে অযোধ্যায় আসছে হাজারেরও বেশি উপহারের ডালি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার আগেই সাজো সাজো রব অযোধ্যা জুড়ে। পিছিয়ে নেই নেপালের জনকপুরও। তার কারণ এটিই সীতামাতার জন্মস্থান বলে ভক্তদের বিশ্বাস। মন্দির উদ্বোধনের আগেই তাই জানকীর জন্মস্থান থেকে ৫০০ জনের একটি প্রতিনিধি দল অযোধ্যার উদ্দেশে রওনা হবেন। ৪ জানুয়ারি ওই প্রতিনিধি দলের রওনা হওয়ার কথা। তাঁদের সঙ্গে থাকবে ১,১০০ ডালি অর্থাৎ বাক্স। যেখানে ভগবান রামের জন্য থাকবে বিভিন্ন উপহার। যে কোনও বাঙালি বাড়ির বিয়েতে তত্ত্বের ডালি নিয়ে যাওয়ার রীতি রয়েছে বর ও কনের দু’বাড়ির তরফ থেকেই। রামে ঘরে ফেরার আগে এখানেও সেই রীতি দেখা যাবে।

    রামের জন্য ডালি ভরা উপহার

    জনকপুর থেকে যাত্রা করার পরে ওই প্রতিনিধি দল অযোধ্যায় পৌঁছাবে ঠিক দুদিন পরে ৬ জানুয়ারি। কী কী থাকবে ওই ডালিগুলিতে? জানা গিয়েছে, সেখানে থাকবে বিভিন্ন জুয়েলারি যেমন সোনা এবং রুপোর অলংকার, শুকনো ফল, পোশাক, প্রসাধনিক। এছাড়াও খাদ্যদ্রব্য, চাল এই সমস্ত কিছু। জনকপুর থেকে অযোধ্যাপুরী (Ram Mandir) পর্যন্ত এই যাত্রার জন্য একটি কমিটিও তৈরি করা হয়েছে। সেই কমিটির অন্যতম সদস্য রয়েছেন ললিত শাহ। তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সীতা মাতার জন্মস্থান থেকে অযোধ্যা পর্যন্ত এই যাত্রা সম্পন্ন হবে এবং তা পৌঁছাবে ৬ জানুয়ারি।

    ৬ জানুয়ারি সকাল ৮টায় মন্দিরে পৌঁছাবে ওই প্রতিনিধি দল

    জানা গিয়েছে, অযোধ্যার (Ram Mandir) স্থানীয় প্রশাসনও জনকপুর থেকে আগত অতিথিদের থাকার বন্দোবস্ত করে ফেলেছে ইতিমধ্যে। প্রসঙ্গত জনকপুর থেকে অযোধ্যার দূরত্ব হল ৪৫৮ কিলোমিটার। ওই অতিথিরা আসবেন তিরিশটি ছোট গাড়ি এবং পাঁচটি বাসে। ৫ জানুয়ারি তাঁরা রক্সৌল সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করবেন। এরপরে মধ্যাহ্নভোজ সারবেন বেতিয়াতে। তারপর তাঁরা গোরক্ষপুর এবং বস্তিপুর হয়ে অযোধ্যায় (Ram Mandir) পৌঁছাবেন সকাল ৮টায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: দেশের দীর্ঘতম সেতুর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, আরও গুচ্ছ কর্মসূচি এমাসেই

    PM Modi: দেশের দীর্ঘতম সেতুর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, আরও গুচ্ছ কর্মসূচি এমাসেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জানুয়ারির ১২ তারিখে উদ্বোধন হবে ভারতের দীর্ঘতম সেতুর। এটি বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সেতুও। মুম্বই ট্রান্স হারবার লিঙ্ক নামের এই সেতুটির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। রবিবার এ খবর জানান মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে।

    কী বললেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী?

    তিনি জানান, সেতুটি ২১.৮ কিমি দীর্ঘ। এ যাবৎ কাল পর্যন্ত এটিই ভারতের দীর্ঘতম সেতু। সেতুটি মুম্বইয়ের সেওরির সঙ্গে জুড়বে রাইগাদের নবসেবা এলাকাকে। স্থলপথে যেতে গেলে এখন সময় লাগে ঘণ্টা দুয়েক। সেতু চালু হয়ে গেলে সময় কমে দাঁড়াবে ১৫-২০ মিনিটে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এই দুই জায়গার সংযোগের সঙ্গে সঙ্গে অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি এলাকার শ্রীবৃদ্ধিও ঘটবে। সেতুটিতে ছ’টি লেন থাকবে। এর ১৬.৫ কিলোমিটার অংশ যাবে সমুদ্রের ওপর দিয়ে। বাকি ৫.৫ কিলোমিটার অংশ যাবে স্থলভাগের ওপর দিয়ে। পরে এই সেতুটিকে জুড়ে দেওয়া হবে মুম্বই পুণে এক্সপ্রেস ওয়ের সঙ্গে।

    প্রধানমন্ত্রীর গুচ্ছ কর্মসূচি

    জানুয়ারির ১২ তারিখে এই সেতু উদ্বোধনের আগেও বেশ কিছু কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi)। চলতি মাসের ২ এবং ৩ তারিখে প্রধানমন্ত্রী যাবেন তামিলনাড়ু এবং লাক্ষাদ্বীপেও। এই দুই এলাকায় তিনি বেশ কিছু প্রকল্পের শিলান্যাস ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। ২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী যাবেন তামিলনাড়ুর তিরুচিরাপল্লিতে। ভারতী দশন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৮তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তিনিই হবেন প্রধান অতিথি।

    আরও পড়ুুন: মোদির টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফেরা ‘অবধারিত’, এবার বলছে ব্রিটিশ দৈনিকও

    পরে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করবেন তিনি। এই প্রকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে রেল, রাস্তা, তেল, গ্যাস, শিপিং এবং উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্র। তিরুচিরাপল্লিতে তিনি তিরুচিরাপল্লি আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্টে নয়া টার্মিনাল বিল্ডিংয়েরও উদ্বোধন করবেন। এই টার্মিনালে পরিষেবা পাবেন বছরে ৪৪ লাখেরও বেশি যাত্রী। প্রতিদিন পিক আওয়ার্সে টার্মিনালটি ব্যবহার করতে পারবেন ৩ হাজার ৫০০ যাত্রী।

    এখান থেকেই প্রধানমন্ত্রী উড়ে যাবেন লাক্ষাদ্বীপের উদ্দেশে। এখানে একটি জনসভায় ভাষণ দেওয়ার কথা তাঁর। ৩ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী যাবেন লাক্ষাদ্বীপেরই কাভারাত্তিতে। এখানেও পানীয় জল, সৌরশক্তি, স্বাস্থ্য এবং টেলিকমিউনিকেশন সেক্টরে একাধিক প্রকল্পের শিল্পান্যাস করবেন তিনি (PM Modi)।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share