Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Gujarat High Court: “গোহত্যা হলে ভগবান আমাদের ক্ষমা করবেন না”, মন্তব্য গুজরাট হাইকোর্টের

    Gujarat High Court: “গোহত্যা হলে ভগবান আমাদের ক্ষমা করবেন না”, মন্তব্য গুজরাট হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এ দেশে গরুকে ভগবান বলে পুজো করা হয়। তাই গোহত্যা হলে কিংবা গরুর ওপর কোনও অত্যাচার হলে ভগবান আমাদের ক্ষমা করবেন না।” শুক্রবার এমনই মন্তব্য করল গুজরাট হাইকোর্ট (Gujarat High Court)। বয়স হলে রাস্তায় ছেড়ে দেওয়া হয় গরুকে। তার জেরে দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হচ্ছে বলে একটি মামলা দায়ের হয়েছে গুজরাট হাইকোর্টে।

    প্রাণীহত্যা অপরাধ

    ওই মামলার শুনানিতে এদিন বিচারপতি আশুতোষ শাস্ত্রী ও বিচারপতি হেমন্ত প্রচ্ছকের ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, রাস্তাঘাটে মৃত গরু পড়ে থাকা ঠিক নয়। দিন কয়েক খেড়া জেলার এই দৃশ্যের প্রসঙ্গ টেনে আদালতের মন্তব্য, “এজন্য ভগবান আমাদের ক্ষমা করবেন না। মানুষের আরামের জন্য প্রাণীহত্যা অপরাধ। বা যেখানে সেখানে তাদের দেহ পড়ে থাকাও ঠিক নয়।”

    অকেজো গরুর করুণ হাল 

    উত্তরপ্রদেশ সহ ভারতের কয়েকটি রাজ্যে গোহত্যা নিষিদ্ধ। কোথাও আবার গোহত্যা নিষিদ্ধ হলেও, গোমাংস খাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা নেই। এসব কারণেই বাড়ছে গরুর সংখ্যা। বয়স কম থাকার সময় কদর থাকলেও, বয়স বাড়লেই আর গরুর যত্নআত্তি করেন না তার মালিকরা। ছেড়ে দেন রাস্তাঘাটে। তাই অকেজো গরুর হাল হয় করুণ। অকেজো এই গরুদের রাখতে গোয়াল রয়েছে গুজরাটে (Gujarat High Court)। তবে সেখানেও ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই রব। আদালতে একথা জানিয়েছে সরকারও। কেন গবাদি পশুদের নিয়ে ঠিকঠাক ব্যবস্থা করা হচ্ছে না, এদিন সে প্রশ্নও তোলে আদালত।

    আরও পড়ুন: “আব কি বার ৫০ শতাংশ ভোট পার”, প্রচারের সুর বাঁধলেন মোদি

    রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদনের শুনানিও চলছে। রাস্তাঘাটে ঘোরাফেরা করা গবাদি পশুদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পারায় প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। গবাদি পশুর আক্রমণে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটছে। এই কারণেও সরকারকে ভর্ৎসনা করেছে আদালত (Gujarat High Court)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ISRO: সৌরযান আদিত্য-এল১ নিজের গন্তব্যে কবে পৌঁছাবে, জানিয়ে দিলেন ইসরো প্রধান

    ISRO: সৌরযান আদিত্য-এল১ নিজের গন্তব্যে কবে পৌঁছাবে, জানিয়ে দিলেন ইসরো প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সৌরযান ‘আদিত্য-এল১’ কবে পৌঁছাবে তা জানিয়ে দিল ইসরো (ISRO)। উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগেই সূর্যের বিভিন্ন সময়ের ছবি তুলে পাঠিয়েছিল আদিত্য-এল১। সেই ছবি নিজেদের এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডলে পোস্ট করেছিল ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। ইসরো প্রধান এস সোমনাথ বলেছেন, “আদিত্য-এল১ একবার সফল ভাবে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারলে আগামী ৫ বছরের জন্য সূর্যের বিভিন্ন অবস্থার সম্পর্কে তুলে ধরতে সাহায্য করবে।” উল্লেখ্য পৃথিবীর উপর সূর্যের প্রভাব কেমন হবে সেই সম্পর্কেও নানা তথ্য উঠে আসবে বলে জানা গিয়েছে। ভারতের জন্য মহাকাশ গবেষণার এই সময় পর্ব বেশ উল্লেখযোগ্য মনে করছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীদের একাংশের মানুষ।

    কী বলেন ইসরো প্রধান (ISRO)?

    গত ২ সেপ্টেম্বর শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে পাঠানো হয়েছিল সূর্যযান আদিত্য-এল১ সৌরযানকে। ইসরো (ISRO) মহানির্দেশক এস সোমনাথ বলেছেন, “আদিত্য-এল১ নিজের নির্ধারিত গন্তব্য স্থলে পৌঁছাতে সময় লাগবে প্রায় ১১০ দিন। ২০২৪ সালের গোড়ার দিকেই আদিত্য-এল১ নিজের নির্দিষ্ট সময়ে পৌঁছাবে। আগামী ৬ জানুয়ারি শুক্রবার এই সূর্যযান নিজের গন্তব্য স্থল ল্যাগ্রাঞ্জিয়ান পয়েন্ট-১ পয়েন্টে পৌঁছে যাবে। পৃথিবী থেকে ১৫ লক্ষ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করবে এই সূর্যযান। ভারতের জন্য এই সময় অমৃত কাল, অত্যন্ত গর্বের সময়। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিশেষ পর্যবেক্ষণেই সম্ভব হয়েছে সৌরযানের উৎক্ষেপণে।”

    চাঁদের দক্ষিণ মেরু জয় ভারতের

    উল্লেখ্য, গত বছর চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে মাটিতে সফল ভাবে অবতরণ করেছিল বিক্রম ল্যান্ডার ও প্রজ্ঞান রোভার। সেই ঘটনায় সারা বিশ্বে আলোড়ন ফেলে দিয়েছিল ইসরো। দেশের মধ্যে চন্দ্রযান ৩ নিয়ে ব্যাপক উন্মাদনা ও উদ্দীপনার সঞ্চার হয়েছিল। চন্দ্রযান-৩ অভিযানের মাধ্যমেই বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ভারত পা রেখেছিল। ইসরোর সেই সাফল্যের সুখ্যাতি নাসাও করেছিল। উল্লেখ্য ভারতের বায়ুসেনার সহযোগিতায় ২০৪০ সালের মধ্যে চাঁদে মানুষ পাঠানোর কথাও কয়েকদিন আগে জানিয়েছে ইসরো। সেই সঙ্গে আরও জানা গিয়েছে, নাসার সঙ্গে ইসরো যৌথ উদ্যোগে পৃথিবীর ভূ-প্রকৃতি, জলভাগ এবং বনাঞ্চলগুলিকে পর্যবেক্ষণের জন্য বিশেষ ‘নিসার’ উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট পাঠাবে। সম্প্রতি এবিষয়ে নাসার এক বিজ্ঞানী ভারতে এসেছিলেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “আব কি বার ৫০ শতাংশ ভোট পার”, প্রচারের সুর বাঁধলেন মোদি

    PM Modi: “আব কি বার ৫০ শতাংশ ভোট পার”, প্রচারের সুর বাঁধলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আব কি বার ৫০ শতাংশ ভোট পার।” আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে দলীয় কর্মীদের জন্য এই সুরই বেঁধে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। গত লোকসভা নির্বাচনে তিনি স্লোগান বেঁধে দিয়েছিলেন, “আপ কি বার, মোদি সরকার।” এবার তৈরি করলেন নয়া স্লোগান। প্রসঙ্গত, এই নিয়ে তৃতীয়বার মোদির নেতৃত্বে নির্বাচনী ময়দানে হাজির হচ্ছে গেরুয়া শিবির।

     ‘৫০ শতাংশ ভোট পেতে হবে’

    নতুন বছরের মধ্য-এপ্রিলে হতে পারে লোকসভা নির্বাচন। সেজন্য ইতিমধ্যেই আস্তিন গোটাতে শুরু করেছে বিজেপি। শুক্রবার নয়াদিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে বসেছে দলীয় কর্মকর্তাদের বৈঠক। সেখানেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আসন্ন নির্বাচনে যত ভোট পড়বে, তার অন্তত ৫০ শতাংশ বিজেপির পাওয়া প্রয়োজন।” উল্লেখ্য যে, গত লোকসভা নির্বাচনে গেরুয়া ঝুলিতে পড়েছিল ৩৭.৩৬ শতাংশ ভোট। বিজেপি একাই পেয়েছিল ৩০৩টি আসন।

    বাতলে দিলেন জয়ের কৌশলও

    পদ্ম-শিবির সূত্রে খবর, ঘণ্টা চারেক ধরে চলা বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) একাই বক্তব্য রাখেন প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে। তিনি বলেন, “বিজেপি যদি ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পায়, তাহলে জয় আরও নিশ্চিত হবে।” কীভাবে এত ভোট পাওয়া যাবে, তাও বাতলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমজনতার কাছে গিয়ে কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি নিয়ে প্রচার করতে হবে। যে চারটি বিষয়ে জোর দিতে হবে, সেগুলি হল, মহিলাদের জন্য মোদি সরকার কী কী করেছে, কৃষকদের আর্থিক উন্নয়নে সরকার কী কী প্রকল্প রূপায়ন করেছে, যুব সমাজের কর্মসংস্থানে সরকার কী কী পদক্ষেপ করেছে এবং দারিদ্র দূরীকরণে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ।”

    আরও পড়ুুন: এবার আমেরিকার মন্দিরের গায়েও খালিস্তানপন্থী স্লোগান, নেপথ্যে পান্নুনের সংগঠন!

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জাতপাতের রাজনীতি নয়, দারিদ্রকে সব চেয়ে পিছিয়ে পড়া জাতি হিসেবে প্রচার করতে হবে। বিরোধীদের নেতিবাচক প্রচারের ফাঁদে পা দিয়ে উন্নয়নের প্রচারের অভিমুখ থেকে সরলে চলবে না।” প্রচারের ক্ষেত্রে সোশ্যাল মিডিয়াকে বিশেষ গুরুত্ব দিতেও বিজেপির কর্মকর্তাদের বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “প্রতি মুহূর্তে সোশ্যাল মিডিয়ায় নজর দিতে হবে। যুব সম্প্রদায়কে আকর্ষণ করতে ইনস্টাগ্রামে রিল ব্যবহার করতে হবে।” দু’ দিনের এই বৈঠকের শেষ দিন শনিবার। এদিন বক্তব্য রাখার কথা (PM Modi) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Tejashwi Yadav: ‘জমির বদলে চাকরি’ মামলায় লালুপুত্র তেজস্বীকে ফের তলব ইডির

    Tejashwi Yadav: ‘জমির বদলে চাকরি’ মামলায় লালুপুত্র তেজস্বীকে ফের তলব ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারে চাকরি কেলেঙ্কারিতে ইডির কাচের তলায় লালুপুত্র (Tejashwi Yadav)। ‘জমির বদলে চাকরি’ মামলায় বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদবকে ফের তলব কেন্দ্রীয় সংস্থার। জানা গিয়েছে, আগামী ৫ জানুয়ারি ইডির দফতরে হাজির হওয়ার জন্য নোটিস পৌঁছেছে তেজস্বী যাদবের কাছে। ওই দিন তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। একইসঙ্গে, এই মামলায় আগামী ২৭ ডিসেম্বর লালুপ্রসাদকেও ইডি দফতরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। অর্থাৎ পিতা-পুত্রকে তলব ইডির। প্রসঙ্গত, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন পশু-খাদ্য কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ায় লালু প্রসাদ যাদবের। সেই মামলায় দীর্ঘদিন জেলও খেটেছেন তিনি। এবার ফের দুর্নীতির অভিযোগে তাঁকে তলব করল ইডি। বিহারে নীতীশ কুমারের দল ও লালু যাদবের জোট সরকার চলছে বর্তমানে।

    আগেও তেজস্বীকে ৮ ঘণ্টা জেরা করে ইডি

    তবে এই প্রথম নয়। চাকরি কেলেঙ্কারির মামলায় এ বছরের এপ্রিলে তেজস্বীকে (Tejashwi Yadav) তলব করে ইডি। তখন প্রায় ৮ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তবে এই প্রথম লালুপ্রসাদকে এই মামলার তদন্তে ডেকে পাঠাল ইডি। গত নভেম্বরেই এই মামলায় লালুর পরিবারের এক ঘনিষ্ঠ অমিত কাত্যালকে গ্রেফতার করে ইডি। তাঁকে জেরা করার পরই নাকি লালুকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। অন্তত এমনটাই জানা গিয়েছে ইডি সূত্রে।

    রেলমন্ত্রী থাকাকালীন জমির বিনিময়ে চাকরি দেন লালু?

    প্রসঙ্গত, প্রথম ইউপিএ সরকারে রেলমন্ত্রী ছিলেন লালুপ্রসাদ যাদব। সেসময় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন (২০০৪-০৯) বিহারের বহু যুবককে জমির বিনিময়ে রেলের ‘গ্রুপ ডি’ পদে নিয়োগ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। আঙুল ওঠে লালুর স্ত্রী তথা বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রাবড়ি এবং তাঁদের দুই কন্যা মিসা এবং হেমার বিরুদ্ধেও। এখন দেখার তদন্তে কী উঠে আসে। বছরের শুরুতেই অবশ্য একই মামলায় আরজেডি প্রধান লালু, তাঁর স্ত্রী রাবড়ি দেবী এবং কন্যা মিসা ভারতীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই। জমির বিনিময়ে চাকরি মামলায় লালু, রাবড়ি-সহ মোট ১৬ জনের বিরুদ্ধে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সমন জারি করেছিল দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। পরে চার্জশিটে তেজস্বীর (Tejashwi Yadav) নামও জোড়ে সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • India Foreign Exchange: বড়দিনের আগে বড় খবর! ফের বাড়ল ভারতে বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার

    India Foreign Exchange: বড়দিনের আগে বড় খবর! ফের বাড়ল ভারতে বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড়দিনের আগে বড় খবর! ফের বাড়ল ভারতে বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার (India Foreign Exchange)। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, ১৫ ডিসেম্বর শেষ হওয়া সপ্তাহে ভারতে বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার ৯.১১ বিলিয়ন ডলার বেড়ে হয়েছে ৬১৫.৯৭ বিলিয়ন ডলার।

    বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার

    এর আগের সপ্তাহেই (যেটি শেষ হয়েছে ৮ ডিসেম্বর) বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার ৬০৬.৮৬ বিলিয়ন ডলার বেড়ে হয়েছিল ৬১৫.৯৭ বিলিয়ন ডলার। জানা গিয়েছে, গত বছর থেকে বিশ্বব্যাপী নানা ঘটনার প্রভাবের আবহেও অটুট ছিল ভারতে বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার। প্রসঙ্গত, ভারতে বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয়ের মধ্যে রয়েছে কারেন্সি অ্যাসেটস, সোনার মজুত, স্পেশাল ড্রয়িং রাইটস এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভান্ডার দেশের জমা রাশির পরিমাণ।

    ফরেন কারেন্সি অ্যাসেটস

    দেশে বৈদেশিক মুদ্রা ভান্ডারের (India Foreign Exchange) একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল ফরেন কারেন্সি অ্যাসেটস। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৫ ডিসেম্বর শেষ হওয়া সপ্তাহে এই অ্যাসেট ৮.৩৪ বিলিয়ন ডলার বেড়ে হয়েছে ৫৪৫.০৪ বিলিয়ন ডলার। জানা গিয়েছে, ডলারের নিরিখে ফরেন কারেন্সি অ্যাসেটের মধ্যে ইউরো, পাউন্ড এবং ইয়েনের মতো অ-মার্কিন বৈদেশিক মুদ্রার মূল্যমাণও হিসেবে ধরা হয়েছে। শুক্রবার প্রকাশিত হয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তথ্য। সেই তথ্য থেকেই জানা গিয়েছে, মজুত সোনার মূল্য ৪৪৬ মিলিয়ন ডলার বেড়ে হয়েছে ৪৭.৫৭৭ বিলিয়ন ডলার। বেড়েছে স্পেশাল ড্রয়িং রাইটসও। ১৩৫ মিলিয়ন ডলার বেড়ে স্পেশাল ড্রয়িং রাইটসের পরিমাণ হয়েছে ১৮.৩২৩ বিলিয়ন ডলার। সঞ্চয়ের পরিমাণ বেড়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভান্ডারেও। এখানে মজুতের পরিমাণ ১৮১ মিলিয়ন ডলার বেড়ে হয়েছে ৫.০২ বিলিয়ন ডলার।

    আরও পড়ুুন: শিশির অধিকারীকে ‘গুরুদেব’ সম্বোধন, শো-কজ খেলেন তৃণমূল চেয়ারম্যান

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমলে যে দেশের অর্থনৈতিক স্বাস্থ্য ক্রমেই স্ফীত হচ্ছে, তা প্রমাণ হয়েছে বারংবার। ২০১৪ সালে তিনি যখন প্রধানমন্ত্রী হন, তখন বৃহত্তর অর্থনৈতিক শক্তির দেশের তালিকায় ভারতের স্থান ছিল ১০ নম্বরে। বর্তমানে ওই তালিকায় ভারতের স্থান পাঁচ নম্বরে। দীর্ঘদিন এই জায়গাটা ব্রিটেনের দখলে ছিল। সম্প্রতি ব্রিটেনকে সরিয়ে জায়গাটি দখল করে মোদির ভারত। দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে অচিরেই, দিন কয়েক আগে সেই ইঙ্গিত মিলেছে প্রধানমন্ত্রীর কথায়ও। তিনি বলেছিলেন, অচিরেই ভারত পরিণত হবে বৃহৎ অর্থনৈতিক শক্তির দেশে (Indias Foreign Exchange)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • LPG Re-KYC: দিতে হবে না লাইন! ঘরে বসেই হবে গ্যাসের আধার-বায়োমেট্রিক যাচাই! কীভাবে?

    LPG Re-KYC: দিতে হবে না লাইন! ঘরে বসেই হবে গ্যাসের আধার-বায়োমেট্রিক যাচাই! কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে এলপিজির রি-কেওয়াইসি (LPG Re-KYC) করা নিয়ে সাড়া পড়ে গিয়েছে। অনেকেই এই কাজের জন্য গ্যাসের ডিলারদের কাছে লম্বা লাইন দিচ্ছেন। আবার অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগ পেয়ে গ্রাহকদের মনে বিভ্রান্তি তৈরি করে টাকা উপার্জনের চেষ্টাও করছেন। তবে, হাতে স্মার্টফোন থাকলে, লাইন না দিয়ে, বাড়িতে আরামে বসেই করে ফেলতে পারেন এই প্রক্রিয়াটি। কীভাবে তা করবেন, জেনে নিন—

    কীভবে করবেন রি-কেওয়াইসি (LPG Re-KYC)?

    বাড়িতে বসেই আপানি মোবাইলে রি-কেওয়াইসি (LPG Re-KYC) করতে পারবেন। ইন্ডিয়ান অয়েলর অ্যাপটি সম্প্রতি আপডেট করা হয়েছে। প্রথমে গ্রাহকেরা বাড়িতে বসেই ‘ইন্ডিয়ানঅয়েল ওয়ান’ (IndianOil One) অফিসিয়াল অ্যাপ এবং আধারের ফেস স্ক্যানার অ্যাপ মোবাইলে ডাউনলোড করবেন। এর সঙ্গে  থাকতে হবে এম আধার। ইন্ডিয়ানঅয়েল ওয়ান অ্যাপটি ওপেন করে প্রোফাইল তৈরি করুন, যদি তা না করা থাকে। এরপর মেনু থেকে এলপিজি সেকশন বেছে নিন। এরপর ডোমেস্টিক এলপিজি কানেকশন বেছে নিন। এরপর এলপিজি ড্যাশবোর্ড স্ক্রিনে প্রোফাইলে গিয়ে রি-কেওয়াইসি অপশনে ক্লিক করতে হবে। কেওয়াইসি-তে আপত্তি নেই জানিয়ে চেকবক্সে একটি টিক করুন এবং নিচের ‘ফেস স্ক্যান’ অপশনে ক্লিক করুন। 

    এর সঙ্গে মোবাইলে থাকতে হবে ফেসআরডি সার্ভিসের ব্যবস্থা। মোবাইল প্লে-স্টোর থেকে ‘আধার ফেসআরডি’ (AadhaarFaceRd) ডাউনলোড করতে হবে। অ্যাপটি ইউআইডিএআই-এর মাধ্যমে আধার ফেস ভেরিফিকেশন করতে সক্ষম। এরপর এই স্ক্যানারে মুখ স্ক্যান করলেই গ্যাসের রি-কেওয়াইসি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে। একই ভাবে ভারত পেট্রোলিয়াম ও হিন্দুস্থান পেট্রোলিয়ামের গ্রাহকেরা বাড়িতে বসেই অনলাইনে আধার তথ্য যাচাই করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে ভারত পেট্রোলিয়ামের গ্রাহকদের হ্যালো বিপিসিএল অ্যাপটি (HelloBPCL) ইনস্টল করতে হবে মোবাইলে। হিন্দুস্থান পেট্রোলিয়ামের গ্রাহকদের জন্য এইচপিপে অ্যাপ (HPPay) ব্যবহার করতে হবে।

    এবার জেনে নিন কীভাবে করবেন এলপিজি-আধার লিঙ্ক—

    রান্নার গ্যাসের যদি কেউ এখনও আধার লিঙ্কই না করে থাকেন তাহলে করতে পারেন এই পদ্ধতি মেনে। যথা-

    ১> আপানার নিজের স্মার্ট মোবাইল ঠেকে প্রথমে আধারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে uidai.gov.in –এ খুলুন।

    ২> এরপর সিডিং পোর্টাল Aadhaar seeding portal প্রবেশ করতে হবে। এখান থেকে আপনাকে ফর্ম ফিলাপ করতে হবে। 

    ৩> এরপর ফর্মের মধ্যে আপনার নাম, ঠিকানা, জেলা ইত্যাদি ফিলাপ করতে হবে।

    ৪> এরপর এখান থেকে যে সার্ভিস আপনার দরকার তা বেছে নিতে হবে।

    ৫> এরপর এলপিজি গ্যাসের অপশন বেছে নিতে হবে।

    ৬> ইন্ডেন হয় তাহলে আইওসিএল এবং ভারত গ্যাসে বিপিসিএল অপশনকে ক্লিক করতে হবে।

    ৭> এরপর তালিকা থেকে এলপিজি ডিসট্রিবিউটরের নাম সিলেক্ট করতে হবে। এরপর রান্নার গ্যাসের কনজিউমার নম্বর দিতে হবে।

    ৮> এখানে এরপর ইমেল, আইডি, আধার নম্বর দিতে হবে। এরপর সব ঠিকঠাক দেখে সাবমিট করতে হবে।

    ৯> এরপর নিজের মোবাইল এবং ইমেলে একটি ওটিপি আসবে তা নিশ্চিত করে সাবমিট করতে হবে।

    ১০> সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ারপর অফিসের কর্তারা সব তথ্য যাচাই করতে হবে। প্রক্রিয়া শেষ হয়ে গেলে মোবাইলে আধার লিঙ্ক সম্পন্ন একটি নোটিশ এসে যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Karnataka Hijab Row: “মুসলিম তোষণের জন্যই প্রত্যাহার হিজাব নিষেধাজ্ঞা”, সিদ্দারামাইয়াকে তোপ বিজেপির

    Karnataka Hijab Row: “মুসলিম তোষণের জন্যই প্রত্যাহার হিজাব নিষেধাজ্ঞা”, সিদ্দারামাইয়াকে তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের আগে ফের মুসলিম তোষণের পথেই হাঁটল কংগ্রেস! কর্নাটকে তারা ফের ফিরিয়ে আনল হিজাব প্রথা (Karnataka Hijab Row)। ঘটনায় যারপরনাই ক্ষুব্ধ কর্নাটক বিজেপি। তাদের দাবি, নিষিদ্ধ সংগঠন ‘পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া’র গুন্ডাদের তুষ্ট করতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস সরকার।

    কংগ্রেসের ঘোষণা

    বর্তমানে কর্নাটকে ক্ষমতায় রয়েছে কংগ্রেস। মুখ্যমন্ত্রী পদে আসীন সিদ্দারামাইয়া। তাঁর নির্দেশে হিজাবের ওপর তুলে নেওয়া হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। এর আগে কর্নাটকে ছিল বিজেপি সরকার। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাব পরায় নিষেধাজ্ঞা (Karnataka Hijab Row) জারি করেছিল পদ্ম-সরকার। শুক্রবার কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কে, কোথায় কী পোশাক পরবেন, সেটা তাঁর ব্যক্তিগত পছন্দ।” এদিন মাইসুরুতে এক কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে তিনি বলেন, “আর কোনও বাধা রইল না। এবার হিজাব পরে যে কোনও জায়গায় যাওয়া যেতে পারে।”

    হিজাব বিতর্ক

    ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি কর্নাটকের উদুপিতে এক প্রি-ইউনিভার্সিটিতে হিজাব পরা কয়েকজনকে ক্লাসে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। কলেজ উন্নয়ন সমিতির সভাপতি রঘুপতি ভট্ট সাফ জানিয়ে দেন, হিজাব পরে ক্লাসে ঢোকা যাবে না। তার জেরে ব্যাপক শোরগোল রাজ্যে। হিজাবের পাল্টা হিসেবে গেরুয়া উত্তরীয় পরে আন্দোলনে নামে হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন সংগঠন। তার জেরে ওই বছরেরই ২২ জানুয়ারি কর্নাটক সরকারের শিক্ষা দফতর একটি কমিটি গঠন করে। ঘোষণা করা হয়, কমিটি নির্দিষ্ট সুপারিশ করার আগে পর্যন্ত ছাত্রীরা কেবল ইউনিফর্ম পরেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসতে পারবেন। হিজাব কিংবা গেরুয়া উত্তরীয় কিছুই পরা যাবে না।

    আরও পড়ুুন: বাইক থেকে নামিয়ে তৃণমূল নেতাকে বেধড়ক মারলেন দলেরই কর্মীরা, কোন্দল প্রকাশ্যে

    সিদ্দারামাইয়ার সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছে বিজেপি। দলের তরফে বলা হয়েছে, “সিদ্দারামাইয়ার গ্যারান্টি স্কিমে সর্বধর্মের একটি সুন্দর বাগানে বিষবৃক্ষের বীজ বুনে দেওয়া হল। স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়েদের মধ্যে সমতা আনতে পোশাক বিধি চালু করা হয়েছিল।” পদ্ম শিবিরের অভিযোগ, পোশাকবিধির মাধ্যমে স্কুলের সুকুমারমতি পড়ুয়াদের মধ্যে বিদ্বেষ সৃষ্টি করতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, গত অক্টোবর মাসে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হেমন্ত গুপ্ত ও বিচারপতি সুধাংশু ধুলিয়ার বেঞ্চ খণ্ডিত রায় দেওয়ায় হিজাব সংক্রান্ত (Karnataka Hijab Row) মামলাটি এখন শীর্ষ আদালতেরই উচ্চতর বেঞ্চে গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Tax Devolution: উৎসবের মরশুমে রাজ্যগুলিকে অতিরিক্ত অর্থ কেন্দ্রের, কত পেল বাংলা?

    Tax Devolution: উৎসবের মরশুমে রাজ্যগুলিকে অতিরিক্ত অর্থ কেন্দ্রের, কত পেল বাংলা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরের আগেই সুখবর! রাজ্যগুলিকে কর হস্তান্তরের (Tax Devolution) ৭২ হাজার ৯৬১ কোটি ২১ লক্ষ কোটি টাকা দল কেন্দ্র। এর আগে টাকা দেওয়া হয়েছিল ১১ ডিসেম্বর। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, এটি অতিরিক্ত কিস্তি। ফের টাকা দেওয়া হবে ১০ জানুয়ারি।

    অতিরিক্ত কিস্তি

    প্রসঙ্গত, আয়কর সহ অন্যান্য খাতে কেন্দ্র রাজ্যগুলি থেকে যা সংগ্রহ করে, তার একটি অংশ দেওয়া হয় রাজ্যগুলিকে। প্রতি মাসের ১০ তারিখের আশপাশে দেওয়া হয় এই টাকা। সেই হিসেবে রাজ্যগুলির এই অর্থ পাওয়ার কথা ছিল ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি। তবে উৎসবের মরশুমে আগেই একটি কিস্তি দিল কেন্দ্রীয় সরকার। এবার যে অর্থ দেওয়া হল, তা অতিরিক্ত কিস্তি বলেই (Tax Devolution) জানিয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণের মন্ত্রক।

    টাকা বাঁটোয়ারার পদ্ধতি

    মনে রাখতে হবে, প্রতি অর্থবর্ষে রাজ্যগুলি থেকে কর বাবদ কেন্দ্র যা সংগ্রহ করে, তার ৪১ শতাংশই ১৪টি কিস্তিতে বণ্টন করা হয় রাজ্যগুলিকে। ২০২৩-২৪ সালের বাজেট অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যগুলিকে দেবে সব মিলিয়ে ১০.২১ লক্ষ কোটি টাকা। এই টাকা বাঁটোয়ারার একটা পদ্ধতি রয়েছে। কর বাবদ আয়ের টাকার কত অংশ রাজ্য পাবে, অনেকগুলি মানদণ্ডে তা ঠিক করা হয়। এরই একটি হল জনসংখ্যা। সেই নিক্তিতে উত্তর প্রদেশের যোগী আদিত্যনাথের সরকার পেয়েছে ১৩ হাজার ৮৮ কোটি ৫৮ লক্ষ টাকা।

    আরও পড়ুুন: সাড়ে ৮ হাজার পদে নিয়োগে কেলেঙ্কারি, হাইকোর্টে কবুল এসএসসির

    উত্তর প্রদেশের পরেই রয়েছে নীতিশ কুমারের বিহার। তারা পেয়েছে ৭ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকা। বিজেপি শাসিত মধ্যপ্রদেশ রয়েছে তৃতীয় স্থানে। তারা পেয়েছে ৫ হাজার ৭২৭ কোটি টাকা। এই তালিকার চার নম্বরে রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পশ্চিমবঙ্গ। তারা পেয়েছে ৫ হাজার ৪৮৮ কোটি ৮৮ লক্ষ টাকা। প্রসঙ্গত, এই যে অতিরিক্ত কিস্তি দেওয়া হয়েছে এর মধ্যে নেই জিএসটি কাঠামো অনুযায়ী রাজ্যের জন্য যে পাওনা, সেই টাকা। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গ সরকার যে বঞ্চনার অভিযোগ তুলেছে, তার মধ্যে রয়েছে (Tax Devolution) জিএসটি বাবদ বকেয়াও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Security Breach: লোকসভাকাণ্ডে ধৃতদের মনের হদিশ পেতে হচ্ছে সাইকো-অ্যানালিসিস টেস্ট!

    Lok Sabha Security Breach: লোকসভাকাণ্ডে ধৃতদের মনের হদিশ পেতে হচ্ছে সাইকো-অ্যানালিসিস টেস্ট!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার লোকসভাকাণ্ডে (Lok Sabha Security Breach) ধৃতদের মানসিক পরীক্ষা করার ব্যবস্থা করা হল। সেজন্য ইতিমধ্যেই ধৃতদের মধ্যে একজনকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ফরেন্সিক ল্যাবরেটরিতে। মানসিক পরীক্ষা করা হবে বাকিদেরও। লোকসভাকাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া সাগর শর্মা, মনোরঞ্জন ডি, নীলম আজাদ এবং অমল শিন্ডে রয়েছে দিল্লি পুলিশের হেফাজতে। ওই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে ললিত ঝা ও মহেশ কুনওয়াতকে।

    মন পরীক্ষার ব্যবস্থা

    লোকসভায় হানা দেওয়ার সময় তাদের মানসিক অবস্থা কী ছিল, তা জানতেই মন পরীক্ষার ব্যবস্থা। জানা গিয়েছে, ফরেন্সিক ল্যাবরেটরিতে ধৃতদের বেশ কিছু প্রশ্ন করা হবে। সেই প্রশ্নগুলির উত্তর তারা কী দিচ্ছে, তা থেকেই জানা যাবে তাদের মনের হদিশ। ঠিক কী ধরনের ভাবনাচিন্তা মাথায় নিয়ে তারা লোকসভায় হামলা করেছিল, তা জানা যাবে। মনের হদিশ জানতে (Lok Sabha Security Breach) শ্রদ্ধা ওয়ালকার হত্যাকাণ্ডে ধৃত আফতাবের এই পরীক্ষা করিয়েছিল দিল্লি পুলিশ।

    মনের হদিশ পাওয়ার চেষ্টা

    এর পর এবার লোকসভাকাণ্ডে ধৃতদের মনের হদিশ পাওয়ার চেষ্টা করছেন দিল্লি পুলিশের তদন্তকারীরা। লোকসভাকাণ্ডের পর ধৃতেরা জানিয়েছিল, মণিপুর হিংসা, বেকারত্ব, কৃষক সমস্যা প্রভৃতি বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সমাধানের রাস্তা খোঁজার চেষ্টা করছিল তারা। তাদের এই দাবি কতটা সত্য, তা জানতেই ধৃতদের মন পরীক্ষার সিদ্ধান্ত তদন্তকারীদের। ১৩ ডিসেম্বর অধিবেশন চলাকালীন রংবোমা নিয়ে লোকসভায় ঢুকে পড়ে সাগর ও মনোরঞ্জন। দর্শক গ্যালারি থেকে লাফিয়ে নীচে পড়ে এক বেঞ্চ থেকে অন্য বেঞ্চে লাফিয়ে বেড়ায় তারা। জুতোয় লুকিয়ে রাখা রং বোমা ফাটায় তারা। ছড়িয়ে দেয় হলুদ ধোঁয়া।

    আরও পড়ুুন: ‘‘চাকরি দেবে না তো পরীক্ষা কেন নিয়েছিল?” মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছে বিক্ষোভ চাকরিপ্রার্থীদের

    দুই সাংসদ ধরে ফেলেন হানাদারদের। তুলে দেওয়া হয় মার্শালদের হাতে। ওই একই সময় সংসদের বাইরে থেকে গ্রেফতার করা হয় নীলম ও অমলকে। পরে গ্রেফতার করা হয় ললিত ও মহেশকে। এই ছ’ জনেরই মন জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। সেই কারণেই এদের মধ্যে একজনকে পাঠানো (Lok Sabha Security Breach) হয়েছে ফরেন্সিক ল্যাবরেটরিতে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Republic Day: প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ফরাসি প্রেসিডেন্ট মাক্রঁ!

    Republic Day: প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ফরাসি প্রেসিডেন্ট মাক্রঁ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day) অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হচ্ছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ। আগে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে। তবে জানুয়ারিতে ভারতে আসতে পারবেন না বলেই জানিয়েছেন তিনি। তার পরেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে মাক্রঁকে।

    প্রজাতন্ত্র দিবসে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট

    এর আগে আরও পাঁচবার প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হয়ে এসেছিলেন ফ্রান্সের বিভিন্ন প্রেসিডেন্ট। ১৯৭৬ সালে এসেছিলেন ফ্রান্সের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জ্যাক শিরাক। ১৯৮৮ সালেও এসেছিলেন তিনি। ১৯৮০ সালে এসেছিলেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ভ্যালেরি গিসকার্ড ডি’ইস্টাইং। ২০০৮ সালে প্রধান অতিথির সম্মান দেওয়া হয়েছিল তৎকালীন ফরাসি প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজিকে। ২০১৬ সালে এসেছিলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদে। মাক্রঁ এলে তিনি হবেন ফ্রান্সের পঞ্চম প্রেসিডেন্ট, যিনি সম্মানিত হবেন প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day) অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির পদ অলঙ্কৃত করে।  

    ‘সারে জাঁহা সে আচ্ছা’  

    প্রসঙ্গত, নতুন বছরের গোড়ার দিকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও। সম্ভবত সেই কারণেই ভারতে আসতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট।জুলাই মাসে মুখোমুখি হয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও ফরাসি প্রেসিডেন্ট। ‘বাস্তিল ডে প্যারেডে’ যোগ দিতে ফরাসি সরকারের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী গিয়েছিলেন ফ্রান্সে। ওই প্যারেডে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে ‘সারে জাঁহা সে আচ্ছা’ গানের সুর বাজানো হয়েছিল। এই প্যারাডে ভারতীয় বায়ুসেনার এক রাফাল যোদ্ধাও অংশ নিয়েছিলেন। ফ্রান্স সফরের পরে মাক্রঁকে ভারতে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: “ভারতে নিরাপদ স্বর্গ খুঁজে পেয়েছেন মুসলমানেরা”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    বাস্তিল দিবসের পাশাপাশি এবছর ছিল ভারত-ফ্রান্স স্ট্র্যাটেজিক অংশীদারিত্বের ২৫ বছর পূর্তি। সেই সম্পর্ক উদযাপন করতেও ফ্রান্সে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সূত্রের খবর, ফ্রান্স থেকে ৫০ হাজার কোটি টাকা মূল্যের ২৬টি রাফাল যুদ্ধ বিমান কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রক। অতি সম্প্রতি এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরে পরেই ফরাসি প্রেসিডেন্টকে আমন্ত্রণ জানানোকে যথেষ্ঠ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্টমহল।

    জি২০ সম্মেলনে যোগ দিতে সেপ্টেম্বর মাসেই ভারতে এসেছিলেন মাক্রঁ। সেই সময় মোদির সঙ্গে মাক্রঁও দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও হয়েছিল। প্রসঙ্গত, ফি বার প্রজাতন্ত্র দিবসে কোনও না কোনও রাষ্ট্রপ্রধানকে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানায় ভারত সরকার। তবে করোনা অতিমারির কারণে ২০২১ ও ২২ সালে প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি কোনও রাষ্ট্রপ্রধানকে। এ বছর, প্রজাতন্ত্র দিবসে (Republic Day) প্রধান অতিথি হয়ে এসেছিলেন মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাতাহ এল-সিসি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share