Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • BJP: ৩ রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী বাছতে বিজেপি নিয়োগ করল ৯ পর্যবেক্ষক, কে কোথায় দায়িত্ব পেলেন?

    BJP: ৩ রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী বাছতে বিজেপি নিয়োগ করল ৯ পর্যবেক্ষক, কে কোথায় দায়িত্ব পেলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন রাজ্যের বিধানসভা ভোটেই বিপুল জয় পেয়েছে গেরুয়া শিবির। গত ৩ ডিসেম্বর ফলাফল প্রকাশ হতেই দেখা যায় রাজস্থান এবং ছত্তিসগড়কে কংগ্রেসের হাত থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে বিজেপি (BJP)। এর পাশাপাশি মধ্যপ্রদেশেও বেড়েছে জয়ের ব্যবধান। চলছে মুখ্যমন্ত্রী বাছাই পর্ব। শুক্রবারই তিন রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী বাছাই করতে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল বিজেপি। জানা গিয়েছে, তিন রাজ্যে মোট ৯ জন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে কেন্দ্রীয় বিজেপি।

    কোন রাজ্যের কে পর্যবেক্ষক হলেন?

    রাজস্থানের পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক বিনোদ তাওরে এবং রাজ্যসভার সাংসদ সরোজ পান্ডে। বিজেপি (BJP) সূত্রে খবর, খুব শীঘ্রই তাঁরা রাজস্থানে গিয়ে বিধায়ক দলের সঙ্গে কথা বলবেন। অন্যদিকে, হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টর, বিজেপির ওবিসি মোর্চার সর্বভারতীয় সভাপতি কে লক্ষণ এবং বিজেপির জাতীয় সম্পাদক আশা লাখরাকে মধ্যপ্রদেশের পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, আশা লাখরা বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে, বিজেপিরও সহ পর্যবেক্ষক রয়েছেন। ছত্তিসগড়ের পর্যবেক্ষক হিসেবে নাম রয়েছে কৃষি ও আদিবাসী বিষয়ক মন্ত্রী অর্জুন মুন্ডা, জাহাজ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল এবং বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক দুষ্মন্ত কুমার গৌতমের। বিজেপি (BJP) সূত্রে খবর পর্যবেক্ষকরা সংশ্লিষ্ট রাজ্যে গিয়ে বিধায়ক দলের সঙ্গে কথা বলার রাজস্থান মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিসগড়ের মুখ্যমন্ত্রীর নাম সুপারিশ করবেন তারা। এরপরেই শেষ সিদ্ধান্ত নেবে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

    কোন রাজ্যে কে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে?

    মধ্যপ্রদেশ রাজ্যে শিবরাজ সিং চৌহ্বান মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে তো রয়েছেন। এর পাশাপাশি সেখানে নাম রয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ প্যাটেল, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া ও নরেন্দ্র সিং তোমরের। ছত্তিসগড় রাজ্যের ক্ষেত্রে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রমন সিংয়ের নাম যেমন রয়েছে তেমনই বিজেপির রাজ্য সভাপতি অরুন কুমার সাউ, বিরোধী দলনেতা ধর্মলাল কৌশিক, প্রাক্তন আইএএস অফিসার ওপি চৌধুরীর নামও সেখানে রয়েছে। অন্যদিকে, রাজস্থানের ক্ষেত্রে দৌড়ে রয়েছেন বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়া। এর পাশাপাশি সাংসদ দিয়া কুমারী, সাংসদ মহন্ত বালকনাথ যোগী, রাজ্যবন্ধন সিং রাঠোরও দৌড়ে রয়েছেন। তিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত, অশ্বিনী বৈষ্ণব, অর্জুন রাম মেঘওয়ালের নামও উঠে আসছে। এর পাশাপাশি লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার নামও রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cash For Query Scam: খারিজ হল মহুয়ার সাংসদ পদ, ধ্বনিভোটে পাশ বহিষ্কারের প্রস্তাব

    Cash For Query Scam: খারিজ হল মহুয়ার সাংসদ পদ, ধ্বনিভোটে পাশ বহিষ্কারের প্রস্তাব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যা হওয়ার ছিল, সেটাই হল। ঘুষ নিয়ে সংসদে প্রশ্নকাণ্ডে (Cash For Query Scam) লোকসভা থেকে বহিষ্কৃত হলেন কৃষ্ণনগরের তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra Expelled)। এদিন লোকসভায় ভোটাভুটির মাধ্যমে খারিজ করা হয় মহুয়ার সদস্যপদ। তার আগে, আধ ঘণ্টা এই বিষয়ে আলোচনা হয় সংসদের নিম্নকক্ষে। 

    সময় বরাদ্দ ৩০ মিনিট

    মহুয়া (Mahua Moitra Expelled) নিয়ে এথিক্স কমিটির রিপোর্ট এদিন বেলা ১২টা নাগাদ লোকসভায় পেশ করা হয়েছিল (Cash For Query Scam)। রিপোর্ট পেশ করেছিলেন কমিটির চেয়ারম্যান তথা বিজেপি সাংসদ বিনোদ কুমার সোনকর। এথিক্স কমিটির রিপোর্টে করা সুপারিশে বলা হয়েছিল, ‘‘মহুয়া যে অবৈধ ভাবে টাকা নিয়েছেন, তা প্রতিষ্ঠিত সত্য। সেটি অস্বীকার করার জায়গাই নেই। সাংসদ হিসাবে তাঁর আচরণ অনৈতিক। সেই কারণে লোকসভা থেকে তাঁকে বহিষ্কৃত করা উচিত বলে মনে করে এথিক্স কমিটি। পাশাপাশি তিনি যে অপরাধ করেছেন, সরকারের তরফে তার আইনি তদন্তও করা দরকার।’’ এদিকে, রিপোর্ট পেশ হতেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে লোকসভার অধিবেশন। সভা জুড়ে তুমুল হই-হট্টগোল বাঁধিয়ে দেন বিরোধীরা। স্লোগান দিতে শুরু করেন। রিপোর্ট নিয়ে আলোচনার দাবি তোলে তৃণমূল। চেঁচামেচির জেরে দুপুর ২টো পর্যন্ত সভা মুলতুবি করে দেন স্পিকার।  পরে, দুপুর ২টোয় অধিবেশন পুনরায় শুরু হলে এদিন মহুয়ার স্বপক্ষে কথা বলেন ইন্ডি-জোটের অন্যতম শরিক দল কংগ্রেস। অধীর দাবি করেন, এই রিপোর্ট পড়তে সময় লাগবে। ভাল করে পড়ে এটা নিয়ে চর্চা করা উচিত। রিপোর্ট পড়ার জন্য তিন-চার দিন সময় চেয়ে বসেন আরেক কংগ্রেস সাংসদ মণীশ তিওয়ারি।

    মহুয়াকে থামিয়ে দিলেন স্পিকার

    কিন্তু, স্পিকার ওম বিড়লা জানিয়ে দেন, এই ইস্যুতে (Cash For Query Scam) কক্ষে আলোচনার জন্য ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ করা যেতে পারে। সেই অনুযায়ী, লোকসভায় শুরু হয় মহুয়া-চর্চা। সেই সময় কক্ষে বসেছিলেন মহুয়া। লোকসভায় তৃণমূলের দলনেতা সুদীপ জানান, তৃণমূলের তরফে তিনি কথা বলবেন না। কথা বলবেন মহুয়া নিজে। মহুয়া এর পর বলার চেষ্টা করলে, স্পিকার তাঁকে থামিয়ে দেন। প্রাক্তন লোকসভা স্পিকার প্রয়াত সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের উদাহরণ টেনে এদিন কৃষ্ণনগরের সাংসদের (Mahua Moitra Expelled) উদ্দেশে ওম বিড়লা জানান, মহুয়া আগে এথিক্স কমিটির সামনে নিজের বক্তব্য জানানোর সুযোগ পেয়েছিলেন। তাই আবার তাঁকে সুযোগ দেওয়া হবে না। মহুয়ার বলার প্রচেষ্টায় বাধা দেয় বিজেপিও। বিজেপি তার বিরোধিতা করে। অপরাজিতা সরঙ্গি বলেন, ‘‘মহুয়াকে বলার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তিনি সুযোগ পেলেও তখন কিছু বলেননি। ওয়াক আউট করে গিয়েছিলেন।’’ এর পরই, নিজের আসনে বসে পড়েন মহুয়া। তাঁর হয়ে সওয়াল করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

    আলোচনার পর স্পিকার এথিক্স কমিটির সুপারিশের (Cash For Query Scam) ওপর বিজেপির আনা ভোটাভুটির প্রস্তাব পেশ করেন স্পিকার। ধ্বনিভোটে প্রস্তাব পাশ হওয়ায় লোকসভা থেকে বহিষ্কৃত হন মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra Expelled)। এর পর, স্পিকার সকল সদস্যের উদ্দেশে পরামর্শ দেন, সকলে যেন তাঁদের প্রশ্ন নিজেই তৈরি করেন। অন্য কাউকে প্রশ্ন তৈরি করতে যেন দেওয়া না হয়। এই নিয়ম না মানলে তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেন স্পিকার। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cash For Query Scam: মহুয়াকে নিয়ে এথিক্স কমিটির রিপোর্ট পেশ লোকসভায়, কী আছে তাতে?

    Cash For Query Scam: মহুয়াকে নিয়ে এথিক্স কমিটির রিপোর্ট পেশ লোকসভায়, কী আছে তাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদে টাকার বিনিময়ে প্রশ্নকাণ্ডে (Cash For Query Scam) তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে এথিক্স কমিটির রিপোর্ট পেশ হল লোকসভায়। এদিন দুপুর ১২টা নাগাদ রিপোর্ট পেশ হয়। এরপরই, সভায় হই-হট্টগোল শুরু হয়ে যাওয়ায় দুপুর ২টো পর্যন্ত সভা মুলতুবি করতে বাধ্য হন স্পিকার। আজই কি সাংসদ পদ খারিজ হচ্ছে মহুয়ার? এই প্রশ্নের উত্তর মিলবে বিরতির পর, ২টোর সময় সভা পুনরায় চালু হওয়ার পরই। তখনই জানা যাবে কৃষ্ণনগরের সাংসদের ভবিষ্যৎ। 

    প্যানেলের প্রথম রিপোর্ট (Cash For Query Scam) এদিন পেশ করেন বিজেপি সাংসদ তথা এথিক্স কমিটির চেয়ারম্যান বিনোদ কুমার সোনকর। সূত্রের খবর, রিপোর্টে ‘কঠোর শাস্তি’ স্বরূপ মহুয়ার সাংসদ পদ খারিজের সুপারিশই করা হয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ‘‘… মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra) যে গুরুতর অপকর্ম করেছেন, তা কঠোর শাস্তির যোগ্য। কমিটি তাই সুপারিশ করেছে যে, সাংসদ মহুয়া মৈত্র সপ্তদশ লোকসভার সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করা হোক।’’ রিপোর্ট পেশ হতেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে লোকসভার অধিবেশন। সভা জুড়ে তুমুল হই-হট্টগোল বাঁধিয়ে দেন বিরোধীরা। স্লোগান দিতে শুরু করেন। রিপোর্ট নিয়ে আলোচনার দাবি তোলে তৃণমূল। চেঁচামেচির জেরে দুপুর ২টো পর্যন্ত সভা মুলতুবি করে দেন স্পিকার।  দুপুর ২টোয় অধিবেশন শুরু হলে, এই রিপোর্ট দেখেই স্পিকার প্রস্তাবনা আনবেন। তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের সাংসদ পদ থাকবে কি না, তা আজই স্থির হয়ে যাবে।

    এথিক্স কমিটির রিপোর্ট (Cash For Query Scam) নিয়ে বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, “যখন বিষয়টা জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে, তখন সেটা আর পার্টির বিষয় থাকে না। এই নিয়ে কোনও রাজনীতি হওয়া উচিত নয়। যে জাতীয় নিরাপত্তাকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে, তার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা উচিত (Mahua Moitra) । নাহলে দেশের ১৪০ কোটির মানুষের প্রতিনিধিত্ব যাঁরা করেন, তাঁদের নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। এই নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক এবং কড়া পদক্ষেপ করা হোক, এটাই চাই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Article 370 Verdict: জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিল নিয়ে সুপ্রিম রায় সোমবার 

    Article 370 Verdict: জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিল নিয়ে সুপ্রিম রায় সোমবার 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৯ সালের ৫ অগাস্ট উপত্যকা থেকে ৩৭০ ধারা (Article 370 Verdict) বাতিলকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) দায়ের করা হয়েছিল একাধিক জনস্বার্থ মামলা। সেই মামলাগুলিকে একত্র করে দীর্ঘ শুনানির পর সোমবার, ১১ ডিসেম্বর রায় দেবে শীর্ষ আদালত। গত ২ জুলাই থেকে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন সাংবিধানিক বেঞ্চে শুরু হয়েছিল ধারাবাহিক শুনানি। ৫ সেপ্টেম্বর এই বিষয়ে রায়দান স্থগিত রাখে প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। এ বার সেই মামলার রায় ঘোষণার চূড়ান্ত দিন ঘোষণা করল সুপ্রিম কোর্ট। 

    সরকারের দাবি

    জম্মু ও কাশ্মীরকে (Jammu and Kashmir) বিশেষ মর্যাদা প্রদানকারী ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করা হয়েছে ২০১৯ সালের ৫ অগাস্ট। পাশাপাশি রাজ্যের মর্যাদা ছিনিয়ে নিয়ে এটিকে পৃথক দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করা হয়েছিল। সরকারের তরফে বলা হয়, ‘৩৭০ ধারা অস্থায়ী ব্যবস্থা ছিল।’ এদিকে মামলাকারীদের আইনজীবী কপিল সিব্বলের দাবি ছিল, ‘১৯৫৭ সালে জম্মু ও কাশ্মীরের প্রথম আইন পরিষদের মেয়াদ শেষের পরই এই ধারা স্থায়ী হয়ে যায়।’ সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্রের হলফনামায় দাবি করা হয়, জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপের পর সেখানে অভাবনীয় উন্নতি হয়েছে। তিন দশকের অশান্তির পর এসেছে স্থিতাবস্থা। ফিরেছে শান্তি। লাগাতার বনধ, পাথর ছোড়া এখন অতীত হয়ে গিয়েছে। জঙ্গিগোষ্ঠীগুলিকে কোণঠাসা করে দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন কেন্দ্রীয় আইনের মাধ্যমে ভূস্বর্গের মানুষকেও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। যদিও এই হলফনামা রায়দানে প্রভাব ফেলবে না বলে জানিয়েছে শীর্ষ আদালত।

    সুপ্রিম শুনানি

    প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে এই মামলাগুলি চলছিল। প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় ছাড়াও সাংবিধানিক বেঞ্চে রয়েছেন বিচারপতি সঞ্জয় কিসান কউল, বিচারপতি সঞ্জীব খান্না, বিচারপতি বিআর গাভাই এবং বিচারপতি সূর্য কান্ত। সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় সরকারের আইনজীবীরা জানান, জম্মু-কাশ্মীরকে পুরোপুরি ভারতের অন্তর্ভুক্ত করতে এই পদক্ষেপের প্রয়োজন ছিল। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই সেখানে ভোট হবে। ফেরানো হবে রাজ্যের মর্যাদা। শুনানি চলাকালীন সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ জানিয়েছিল, যে সব প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিশেষ মর্যাদা লোপ করা হয়েছিল তা খতিয়ে দেখবে আদালত। এবার সবদিক খতিয়ে দেখে জম্মু-কাশ্মীর সম্পর্কে দেশের শীর্ষ আদালত কী রায় দেয় তা দেখার অপেক্ষায় দেশবাসী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • INDI Alliance: হিন্দি-বলয়ে গোহারা হওয়ার পর ইন্ডি-জোটে ফাটল, লোকসভা পর্যন্ত টিকবে তো?

    INDI Alliance: হিন্দি-বলয়ে গোহারা হওয়ার পর ইন্ডি-জোটে ফাটল, লোকসভা পর্যন্ত টিকবে তো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সদ্য সমাপ্ত পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়জয়কার প্রত্যক্ষ করেছেন দেশবাসী। মধ্যপ্রদেশ থেকে শুরু করে ছত্তিসগড় ও রাজস্থান— সর্বত্র আজ রাজ করছে গেরুয়া ঝান্ডা। এর মধ্যে ছত্তিসগড় ও রাজস্থান বিশেষ করে উল্লেখযোগ্য। কারণ, এই দুই রাজ্যে শাসক কংগ্রেসকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করেছে বিজেপি। একাধিক বুথ ফেরত সমীক্ষাকে ভুল প্রমাণ করে তিন রাজ্যে বিপুল জয়লাভ করেছে গেরুয়া শিবির। আর এই জয়ের নেপথ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যোগ্য নেতৃত্ব ও বিজেপি নেতা-কর্মীদের সংগঠিত লড়াই। বিজেপি একদিকে যখন এই লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে, তখন যেন ‘মোদি-ঝড়ের’ গ্রাসে বিরোধী শিবির।

    একা মোদির মোকাবিলায় ২৬টি দল!

    কংগ্রেস হোক বা তৃণমূল, সমাজবাদী পার্টি হোক বা আম আদমি পার্টি— সকলেই একমত ছিল যে, একা একা নরেন্দ্র মোদির মোকাবিলা করা অসম্ভব, অবাস্তব। তাই, মোদির মোকাবিলা করতে ২৬টি জাতীয় ও আঞ্চলিক দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল ‘ইন্ডি অ্যালায়েন্স’ (INDI Alliance)। এই জোটের মূল হোতা অবশ্যই শতাব্দী প্রাচীন পার্টি, মায় কংগ্রেস। এই জোট তৈরি হওয়া ইস্তক গত এক বছরে বেশ ক’বার জোটের সদস্য দলগুলির শীর্ষ নেতৃত্ব বৈঠকও করেন। তৈরি হয় একাধিক নীল-নকশা। লক্ষ্য মোদিকে হারানো। কিন্তু, এত কিছু করে বাস্তবে কী হল?

    আরও পড়ুন: ১২ রাজ্যে ক্ষমতায় বিজেপি, কংগ্রেস মাত্র তিনে! প্রধানমন্ত্রী মোদির ‘হ্যাটট্রিক’ কি সময়ের অপেক্ষা?

    সেমিফাইনালে গো-হারা কংগ্রেস

    সদ্য সমাপ্ত পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোটকে আগামী বছরের লোকসভা নির্বাচনের (2024 LS Polls) আগে সেমি-ফাইনাল হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। বলা বাহুল্য, এই পাঁচ (বিশেষ করে চারটি) রাজ্যের বিধানসভার ফলাফলের দিকে তাকিয়ে ছিলেন সকলেই। যা দেখা গেল, তা হল— বিজেপি-৩, কংগ্রেস-১। ফলাফলেই পরিষ্কার, খড়কুটোর মতো উড়ে গিয়েছে বিরোধী শিবির (INDI Alliance)। কংগ্রেস তথা ইন্ডি-জোটের মাথার ওপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে ঘূর্ণিঝড়। যার জেরে একেবারে লন্ডভন্ড অবস্থা বিরোধী জোটে। 

    পিঠ বাঁচাতে ‘ইভিএম’ কারচুপি তত্ত্ব

    বিভ্রান্ত কংগ্রেস নেতারা হারের দায় ঝেড়ে ফেলতে এবং নিজেদের পিঠ বাঁচাতে ‘ইভিএম’ কারচুপির তত্ত্ব খাড়া করেছে। যদিও, তাতে কেউ আমল দিচ্ছে না। শুধু তাই নয়। ফলাফল বের হওয়া ইস্তক, জোটের মধ্যেই দোষারোপের পালা শুরু হয়ে গিয়েছে। নির্বাচনের ব্যর্থতার দায় কংগ্রেসের ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়েছে জোট-শরিকরা। ইন্ডি-জোটের অন্যতম সদস্য তৃণমূল। মমতা জানিয়েছেন, এটা কংগ্রেসের পরাজয়। তাদের কৌশল ভুল ছিল। একই কথা প্রকাশ্যে এসেছে জেডিইউ-র থেকেও।

    ইন্ডির বৈঠকে গরহাজির কারা

    বুধবার, ভোটের পর্যালোচনা ও আগামী দিনের পরিকল্পনা ও নীতি স্থির করতে দিল্লিতে ১০ রাজাজি মার্গে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনে বৈঠক (INDI Alliance) ডাকা হয়েছিল। কিন্তু, সেখানে যাননি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকী, পাঠাননি কোনও প্রতিনিধিকে। উত্তরবঙ্গ সফরের আগে মমতা জানান, বৈঠকে সম্পর্কে তিনি নাকি কিছুই জানেন না। তাঁকে কেউ ফোন করেননি। বৈঠকে গরহাজির ছিলেন সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব। যাননি জেডিইউ-র নীতীশ কুমার ও জেএমএম নেতা হেমন্ত সোরেন। বৈঠকে ছিলেন না শিবসেনার উদ্ধব-গোষ্ঠী সহ আরও একাধিক দলের শীর্ষ নেতৃত্ব।

    লোকসভা ভোট পর্যন্ত ইন্ডি-জোট টিকবে তো?

    এই ঘটনাগুলোই প্রমাণ করে যে, ইন্ডি-জোটের ভিতরে ঘোঁট পাকিয়ে গিয়েছে। ঘটা করে শুরু হয়েছিল ইন্ডি-জোট। ‘হানিমুন’ পর্ব শেষ। বছর পার হতে না হতেই এবার রুক্ষ বাস্তব প্রকাশ পেতেই একে একে সরে যাচ্ছে জোটের শরিকরা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, এটা হওয়ারই ছিল। কারণ হিসেবে তাঁরা জানান, ইন্ডি জোটের শরিক দলগুলির নিজ নিজ স্বার্থ ঢেকে দিচ্ছে বিজেপিকে মোকাবিলা করার অভিন্ন স্বার্থকে। যে কারণে, নিজেদের মধ্যেই একে অপরকে কটাক্ষ করার এই প্রবণতা থেকে গিয়েছে। কারণ জোটের সবকটি দল স্বার্থপর। লোকসভা ভোট (2024 LS Polls) পর্যন্ত বিরোধীদের সাধের ইন্ডি-জোট (INDI Alliance) টিকবে তো? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Income Tax Raid: ওড়িশা-ঝাড়খণ্ডে আয়কর হানায় উদ্ধার ৩০০ কোটি, টাকা গুনতে বিগড়ে গেল মেশিন!

    Income Tax Raid: ওড়িশা-ঝাড়খণ্ডে আয়কর হানায় উদ্ধার ৩০০ কোটি, টাকা গুনতে বিগড়ে গেল মেশিন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগের বৃহস্পতিবারই ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ডের বেশ কয়েকটি জায়গায় আয়কর দফতরের হানা (Income Tax Raid) চলল। জানা গিয়েছে, আয়কর দফতরের এই অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে ৩০০ কোটি টাকা নগদ। এত বেশি পরিমাণ টাকা উদ্ধার হওয়াতে টাকা গণনা করতে আনা হয় মেশিন। একটা সময় করে সেই মেশিনও কাজ বন্ধ করে দেয়। ওড়িশার মধ্যে তল্লাশি চলে বালাঙ্গীর এবং সম্বলপুরে। অন্যদিকে, ঝাড়খণ্ডের রাঁচি ও লোহারদাগাতেও চলে এই তল্লাশি। আয়কর দফতরের এই অভিযান চলেছে কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ ধীরজ শাহুর বাড়িতেও।

    ১২ সদস্যের আয়কর দল হানা দেয় ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন জায়গায়

    ১২ সদস্যের একটি দল, কয়েকটি গ্রুপে ভাগ হয়ে সিআইএসএফ জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে এই অভিযান চালায়। বৌধ ডিস্টিলারিজ প্রাইভেট লিমিটেড (বিডিপিএল) এস শিব গঙ্গা অ্যান্ড কোম্পানি, এবং রানীসাটি প্যাডি প্রসেসিং প্রাইভেট লিমিটেড-এর অফিসে চলে এই হানা (Income Tax Raid)। এই বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধারের পরে আয়কর দফতরের আধিকারিকরা তা স্টেট ব্যাঙ্কের বুলাঙ্গীর শাখায়  নিয়ে আসেন একটি ট্রাকে করে।

    ১৫০ কোটি বাজেয়াপ্ত বৌধ ডিস্টিলারিজ প্রাইভেট লিমিটেড থেকে

    জানা গিয়েছে, মোট ১৫০ কোটি টাকায় বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বৌধ ডিস্টিলারিজ প্রাইভেট লিমিটেড (বিডিপিএল) এর বিভিন্ন শাখা থেকে। এই বিডিপিএল-ই হল দেশের মধ্যে সবথেকে বড় মদ তৈরির কারখানা। এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে যে ওড়িশার বাইরেও এই সংস্থা দেশি মদ বিক্রি করছে কোনও রকম বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই। আয়কর হানায় (Income Tax Raid) রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে। বিজেপির সুন্দরগড়ের এমএলএ কুসুম তেতে অভিযোগ এনেছেন যে, ওড়িশার শাসক দল বিজু জনতা দলের নেতা যোগেশ সিং জড়িত রয়েছেন এই কোম্পানির সঙ্গে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • China Based Facebook: নির্বাচনের আগে ছড়ানো হচ্ছে ‘ভুয়ো তথ্য’! বহু চিনা অ্যাকাউন্ট সরাল মেটা

    China Based Facebook: নির্বাচনের আগে ছড়ানো হচ্ছে ‘ভুয়ো তথ্য’! বহু চিনা অ্যাকাউন্ট সরাল মেটা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরেই হতে চলেছে বিশ্বের দু’দুটি গণতান্ত্রিক দেশে সাধারণ নির্বাচন। একটি বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ ভারত, আর অন্যটি বিশ্বের প্রবীণতম গণতান্ত্রিক দেশ আমেরিকা। সাধারণ নির্বাচনের আগে দুই দেশেই জনমত গঠনে বিরূপ প্রভাব ফেলছিল চিন ভিত্তিক ফেসবুক (China Based Facebook)। ভারতে এরকমই কিছু ফেসবুক অ্যাকাউন্ট সরিয়ে দিল মেটা। এই অ্যাকাউন্টগুলির সবগুলি জাল। সেগুলি ভারতবাসীকে বিপথেও চালিত করছিল বলে অভিযোগ।

    শতাধিক ওয়েবসাইট নিষিদ্ধ

    দিন কয়েক আগেই ভারত শতাধিক চিনা ওয়েবসাইট নিষিদ্ধ করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে বলে খবর। এই ওয়েবসাইটগুলির মুখ ভারতীয়। যদিও সেগুলির মালিক চিনা। ওয়েবসাইটগুলির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা লুটে নিচ্ছিল তারা। এবার বন্ধ করা হল ৪ হাজার ৭৮৯টি ফেক ও মিসলিডিং ফেসবুক অ্যাকাউন্ট। জানা গিয়েছে, এই অ্যাকাউন্টগুলির মাধ্যমে ভুল ও মিথ্যে তথ্য পরিবেশন করা হচ্ছিল। ভারত ও আমেরিকার বিভিন্ন সংবেদনশীল (China Based Facebook) ইস্যু নিয়ে মিথ্যে তথ্য ছড়াচ্ছিল তারা। ভারত-মার্কিন সম্পর্ক নিয়েও গালগল্প ছড়ানো হচ্ছিল। বিকৃত করে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছিল ভারতীয় রাজনীতির বিভিন্ন খবর।

    তৃতীয় বৃহত্তম ডিসেপটিভ নেটওয়ার্ক

    সম্প্রতি একটি রিপোর্টে মেটা জানিয়েছে, বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ডিসেপটিভ নেটওয়ার্ক রয়েছে চিনে। মেটার পরিভাষায় এদের আচরণ হল ‘কোঅর্ডিনেটেড ইনঅথেনটিক বিহেভিয়ার’। চিনের আগে রয়েছে আরও দুই দেশ। একটি হল রাশিয়া, অন্যটি হল ইরান। মেটার রিপোর্টে বলা হয়েছে, আমরা ১৩টি অ্যাকাউন্ট সরিয়ে দিয়েছি। ৭টি গ্রুপও সরিয়ে দিয়েছি। এরা ভারত ও তিব্বতকে টার্গেট করেছিল। টার্গেট করেছিল আমেরিকাকেও। সন্দেহজনক লোকজন ফেসবুকে এই নেটওয়ার্কগুলি অপারেট করত। এরা এক্স হ্যান্ডেলও চালাত। সাংবাদিক, আইনজীবী এবং মানবাধিকার কর্মী পরিচয় দিয়ে এগুলি চালাত। এই অঞ্চলে ‘কোঅর্ডিনেটেড ইনঅথেনটিক বিহেভিয়ার’ করছিল ওরা।

    আরও পড়ুুন: “এই জয় আমার নয়, টিম স্পিরিটের”, বিজেপির পরিষদীয় দলের বৈঠকে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    অন্তর্তদন্তে আমরা এসব জানতে পেরেছি। মেটা জানিয়েছে, ফেসবুকে ১৩টি অ্যাকাউন্ট এবং ইনস্টাগ্রামে ৭টি গ্রুপ যুক্ত রয়েছে কোঅর্ডিনেটেড ইনঅথেনটিক বিহেভিয়ারে। এই গ্রুপগুলিতে প্রায় ১৪০০ অ্যাকাউন্ট রয়েছে। জানা গিয়েছে, ইংরেজি, হিন্দি এবং চিনা ভাষায় বিভিন্ন আঞ্চলিক সংবাদ পরিবেশন করা হত এই অ্যাকাউন্টগুলির মাধ্যমে। খাবার, সংস্কৃতি এবং তিব্বত ও অরুণাচল প্রদেশের বিভিন্ন খবরও পরিবেশন করা হত (China Based Facebook)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi:  “এই জয় আমার নয়, টিম স্পিরিটের”, বিজেপির পরিষদীয় দলের বৈঠকে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi:  “এই জয় আমার নয়, টিম স্পিরিটের”, বিজেপির পরিষদীয় দলের বৈঠকে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে তিন রাজ্যে উড়েছে গৈরিক নিশান। রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ এবং ছত্তিসগড়ে বিপুল ভোটে জিতে সরকারের দাবিদার বিজেপি। তিন রাজ্যে বিজয় কেতন ওড়ানোর যাবতীয় কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) দিচ্ছেন বিজেপি নেতারা।

    টিম স্পিরিটের জয়

    স্বভাবত বিনয়ী প্রধানমন্ত্রীর অবশ্য দাবি, এই জয় তাঁর নয়, এই জয় টিম স্পিরিটের। বৃহস্পতিবার বিজেপির পরিষদীয় দলের বৈঠকে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি ঢুকতেই শুরু হয় মোদি, মোদি স্লোগান। মালা পরিয়ে অভ্যর্থনা জানানো হয় প্রধানমন্ত্রীকে। সেখানেই তিনি টিম স্পিরিটের কথা বলেন। মধ্যপ্রদেশে বিজেপি সরকারই ছিল। সেখানে যে ফের বিজেপি সরকারই হবে, তার ইঙ্গিত মিলেছিলে এক্সিট পোলেও। কংগ্রেসের দখলে ছিল রাজস্থান। এ রাজ্যের রাশ এবার এসেছে বিজেপির হাতে (PM Modi)।

    মোদি ম্যাজিক

    সচিন পাইলটের সঙ্গে অশোক গেহলটের দ্বন্দ্বের খেসারত দিতে হয়েছে কংগ্রেসকে। এই অন্তর্দ্বন্দ্বের পুরোদস্তুর সুফল কুড়িয়েছে বিজেপি। কংগ্রেসের হাত থেকে বিজেপি ছিনিয়ে নিয়েছে আরও একটি রাজ্য। সেটি হল, ছত্তিসগড়। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেলের নাম জড়িয়েছে মহাদেব অ্যাপ কেলেঙ্কারির সঙ্গে। নির্বাচনের আগে প্রকাশ্যে চলে এসেছিল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। তার জেরে বিজেপির ছত্তিসগড় বিজয়ও হয়েছে অনায়াস। গোবলয়ের এই রাজ্যগুলিতে জয়ের মূল কারিগর যে প্রধানমন্ত্রী, প্রকাশ্যেই তা মানছেন বিজেপি নেতারা। তাঁদের সাফ কথা, তিন রাজ্য জয়ে কাজ করেছে মোদি ম্যাজিক। তার জেরেই এই তিন রাজ্যে কংগ্রেস ভেসে গিয়েছে জাস্ট খড়কুটোর মতো।

    আরও পড়ুুন: ‘জাতীয় সঙ্গীতকে সম্মান করুন, হাতিয়ার নয়’ হাইকোর্টে ফের ধাক্কা রাজ্যের

    এদিন পরিষদীয় দলের বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। মোদি-স্তুতি শুনে তিনি বলেন, “মোদি, মোদি করবেন না। এই জয় আপনাদের সকলের পরিশ্রমের ফল। এটা একটা টিম স্পিরিট।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিজেপি দ্বিতীয়বারের জন্য পুনর্নিবাচিত হয়েছে ৫৭ শতাংশ ক্ষেত্রে। এক্ষেত্রে কংগ্রেসের পারফরমেন্স ২০ শতাংশের নীচে। আঞ্চলিক দলগুলির ক্ষেত্রে যা ৪৯ শতাংশের ক্ষেত্রে। বিজেপি তৃতীয়বারের জন্য পুনর্নির্বাচিত হয়েছে ৫৯ শতাংশ ক্ষেত্রে। যা কংগ্রেস কখনওই পারেনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমায় মোদিজি বলে জনগণের থেকে দূরে সরিয়ে রাখবেন না।” ২২-২৫ জানুয়ারির মধ্যে হওয়া বিকশিত ভারত যাত্রায় অংশ নিতেও দলের মন্ত্রী-সাংসদদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Khalistani Terrorist Pannun: ভারতে আসছেন এফবিআই কর্তা, পান্নুন সম্পর্কে মুখ খুলবে এনআইএ

    Khalistani Terrorist Pannun: ভারতে আসছেন এফবিআই কর্তা, পান্নুন সম্পর্কে মুখ খুলবে এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খালিস্তানপন্থী জঙ্গি গুরুপন্ত সিং পান্নুন (Khalistani Terrorist Pannun) সম্পর্কে এবার এফবিআইয়ের ডিরেক্টরের কাছে মুখ খুলবে ভারতের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা সংক্ষেপে, এনআইএ (NIA)। আগামী সপ্তাহে ভারতে আসতে পারেন মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের ডিরেক্টর খ্রিস্টোফার রে। তাঁর সামনেই পান্নুনের মুখোশ খুলবেন এনআইএর কর্তারা। ইতিমধ্যেই এনআইএর তরফে এ ব্যাপারে শুরু হয়ে গিয়েছে যাবতীয় প্রস্তুতি।

    পান্নুনকে খুনের চেষ্টার অভিযোগ

    এফবিআইয়ের ডিরেক্টর যে ভারত সফরে আসছেন, বুধবার তা জানিয়েছেন ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত এরিক গারসেট্টি। সূত্রের খবর, আসন্ন ভারত সফরে খ্রিস্টোফার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআইয়ের পাশাপাশি এনআইএর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করতে চলেছেন। সম্প্রতি এফবিআইয়ের তরফে আমেরিকার মাটিতে পান্নুনকে খুনের চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে এক ভারতীয় ও ভারতীয় এক গোয়েন্দা সংস্থার বিরুদ্ধে। আমেরিকার এহেন অভিযোগের আবহেই ভারত সফরে আসছেন এফবিআইয়ের ডিরেক্টর।

    কী বললেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত

    এদিন (Khalistani Terrorist Pannun) নয়াদিল্লিতে আয়োজিত ‘গ্লোবাল টেকনোলজি সামিটে’ অংশ নিয়েছিলেন ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত গারসেট্টি। তিনি বলেন, “ভারত হল এক নম্বর দেশ যেখানে তিনি (মার্কিন অর্থ সচিব জেনেট ইয়েলেন) পা রেখেছেন আমেরিকা ছাড়া। চলতি বছরই তিনি চারবার এসেছেন। স্টেট সেক্রেটারি অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন এদেশে এসেছেন তিনবার। প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিন এখানে এসেছেন দুবার।” এর পরেই তিনি বলেন, “এফবিআই ডিরেক্টর আসছেন আগামী সপ্তাহে।” জানা গিয়েছে, ল’ এনফোর্সমেন্ট ইস্যুতে ভারত ও আমেরিকার সহযোগিতার সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতেই ভারতে আসছেন এফবিআই কর্তা। প্রসঙ্গত, এফবিআইয়ের ডিরেক্টর আসার ঠিক আগের দিনই ভারতে আসছেন মার্কিন প্রিন্সিপাল ডেপুটি ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার জোনাথান ফিনার। ভারতের ডেপুটি ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইসার বিক্রম মিস্ত্রির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: তিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পদে কে? গুরুবারে ফের বৈঠকে বিজেপি নেতৃত্ব

    প্রসঙ্গত, গত মাসেই গুজরাটের আমেদাবাদের স্টেডিয়ামে খেলা ছিল বিশ্বকাপ ক্রিকেট ফাইনালের। ময়দানে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত-অস্ট্রেলিয়া। তার আগে বার দুয়েক দিল্লি বিমানবন্দর উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিল খালিস্তানপন্থী জঙ্গি পান্নুন। চলতি মাসেও একবার হুমকি দিয়েছিল এই জঙ্গি। ভারত থেকে পালিয়ে গিয়ে আমেরিকায় রয়েছে পান্নুন। সম্প্রতি নিখিল গুপ্ত নামে এক ভারতীয় নাগরিক পান্নুনকে খুনের ষড়যন্ত্র করেছে বলে অভিযোগ তোলে (Khalistani Terrorist Pannun) আমেরিকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Manisha Padhi: নারী শক্তির জয়! দেশের প্রথম মহিলা ‘এইদ দ্য কঁ’ হলেন বায়ুসেনার মনীষা পাধি

    Manisha Padhi: নারী শক্তির জয়! দেশের প্রথম মহিলা ‘এইদ দ্য কঁ’ হলেন বায়ুসেনার মনীষা পাধি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের নারী শক্তির জয়গান। দেশের প্রথম মহিলা ‘এইদ দ্য কঁ’ (Aide-De-Camp) বা সংক্ষেপে (ADC) হিসেব নিযুক্ত হলেন মনীষা পাধি (Manisha Padhi)। ভারতীয় বায়ুসেনায় স্কোয়াড্রন লিডার হিসেবে কর্মরত মনীষা। মিজোরামের গভর্নর হরিবাবু কুম্ভপতি-র ‘এইদ দ্য কঁ’ হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে তাঁকে। দেশের প্রথম মহিলা হিসেবে এই কৃতিত্বের আধিকারী হলেন পাধি। 

    ‘এইদ দ্য কঁ’ কী

    ‘এইদ দ্য কঁ’ একটি বিশেষ সম্মান। রাষ্ট্রপতি বা রাজ্যপালের ঠিক পাশে সেনা পোশাকে সজ্জিত হয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন এঁরা। ভারতীয় সেনাবাহিনীর তিন শাখার প্রধানদের সাহায্য করতে ৩ জন করে ‘এইদ দ্য কঁ’ থাকেন। রাষ্ট্রপতির ‘এইদ দ্য কঁ’-র সংখ্যা পাঁচ জন। এঁদের মধ্যে তিন জনকে নিয়োগ করা হয় সেনাবাহিনী থেকে, এক জন বায়ুসেনা এবং এক জন নৌবাহিনী থেকে। এ ছাড়া রাজ্যপালের দু’জন করে ‘এইদ দ্য কঁ’ থাকে। ষাটের দশকে ফরাসি সেনাবাহিনীতে সেনা অফিসারের সহায়ক হিসাবে নিয়োগ করা হত ‘এইদ দ্য কঁ’। পরে রাশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, গ্রেট ব্রিটেনেও এই রীতি চালু হয়। ভারতেও এই নিয়ম চালু রয়েছে স্বাধীনতার আগে থেকে। তবে ২০২৩ সালে এসে ভারত পেল তাদের প্রথম মহিলা ‘এইদ দ্য কঁ’।

    দুরন্ত মনীষা 

    ওড়িশার গঞ্জাম জেলার বেরহামপুরের বাসিন্দা মনীষা। জন্ম ১৯৯৬ সালের ২৪ জুলাই। সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারেই বড় হয়েছেন তিনি। মা ছিলেন গৃহবধূ। বাবা নৌ বাহিনীর কর্তা। ভুবনেশ্বরের সিভি রমন কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা শেষ করে মনীষা মিলিটারি অ্যাকাডেমিতে প্রশিক্ষণ নিতে শুরু করেন। ছোট থেকেই বাবাকে দেখে অনুপ্রাণিত মনীষা পড়াশোনায় মেধাবী ছিলেন। ভারতীয় বায়ুসেনার ২০১৫ সালের ব্যাচের একজন স্কোয়াড্রন লিডার মনীষা। তিনি পুনের বিদার এবং ভাতিন্ডায় এয়ারফোর্স স্টেশনে কর্মরত ছিলেন। জানা গিয়েছে, গত ২৯ নভেম্বর বায়ুসেনার স্কোয়াড্রন লিডার মনীষাকে এডিসি হিসেবে নিযুক্ত করা হয়। মিজোরামের রাজভবনে বিশেষ অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল তাঁকে এই বিশেষ সাম্মানিক ব্যাজ পরিয়ে দেন। 

    আরও পড়ুুন: বিজেপির পঞ্চায়েত অফিস ভাঙচুর! পুলিশকে সময় বেঁধে দিলেন শুভেন্দু

    নারী শক্তির ক্ষমতা বৃদ্ধি

    ২০১৪ সালে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসে নরেন্দ্র মোদি সরকার। এরপরেই দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে মহিলাদের ক্ষমতায়ন বৃদ্ধির উপর দেওয়া হয় জোর। বর্তমানে দেশে সেনাবাহিনী থেকে শুরু করে একাধিক ক্ষেত্রে মহিলার অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। মনিষাকে তাঁর নতুন পদে স্বাগত জানিয়ে মিজোরামের রাজ্যপাল বলেছেন, ‘‘মনীষার এইদ দ্য কঁ পদে নিয়োগ ভারতে মহিলাদের অগ্রগতির প্রমাণ। ভারতীয় নারীদের এই অগ্রগতিকে আমাদের উদ্‌যাপন করা উচিত।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share