Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Asian Games: রবিবার ফের এল সোনা, পুরুষদের দলগত ট্র্যাপ ইভেন্টে বাজিমাত ভারতের

    Asian Games: রবিবার ফের এল সোনা, পুরুষদের দলগত ট্র্যাপ ইভেন্টে বাজিমাত ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনির পর রবিবার। শনিবার এশিয়ান গেমস (Asian Games) টেবিল টেনিসে মেয়েদের ডাবলসের সেমিফাইনালে উঠে আপাতত ব্রোঞ্জ নিশ্চিত করে ফেলেছেন এই দুই টেবিল টেনিস খেলোয়াড়। তারপর রবিবার এল সোনা। এদিন সোনা এল শ্যুটিংয়ে। পুরুষদের দলগত ট্র্যাপ ইভেন্ট থেকে দেশকে সোনা এনে দিলেন কিনান দারিয়াস, জোরাভার সিংহ সান্ধু এবং টি পৃথ্বীরাজ। এ নিয়ে এ বারের এশিয়ান গেমসে ১১তম সোনা এল ভারতের ঝুলিতে। এ নিয়ে শ্যুটিংয়ে সপ্তম সোনা পেল ভারত।

    কুয়েতকে ধরাশায়ী ভারতের 

    এদিন ৩৬১ পয়েন্ট (Asian Games) তুলে সোনা জিতেছে ভারতীয় দল। দ্বিতীয় রাউন্ডের পর কিছুটা পিছিয়ে পড়লেও তৃতীয় রাউন্ডে চোখ ধাঁধানো পারফরম্যান্স করে ভারত। ৩৫৯ পয়েন্ট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছে কুয়েত। ৩৫৪ পয়েন্ট পেয়ে ব্রোঞ্জ জিতেছে চিন। এর আগের বার রেকর্ড গড়েছিল কুয়েত। এবার সেই কুয়েতকেই ধরাশায়ী করে সোনা জিতলেন শ্যুটাররা। পুরুষদের ৫০ মিটার (Asian Games) ট্র্যাপ থেকে যে সোনা আসতে পারে, তা জানাই ছিল। কিনান, জোরাবর এবং পৃথ্বীরাজ যথেষ্ট ফর্মেও ছিলেন। রবিবার সেই ফর্মেরই ফসল কুড়োল ভারত। ৩৪৭ পয়েন্ট তুলেছে কুয়েত। ভারতের স্কোর ৩৬১। চিনের শ্যুটারদের স্কোর ৩৪১। টিম ইভেন্টে সোনা জয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিগত ফাইনালের ইভেন্টে উঠেছেন কিনান ও জোরাবর।

    ভারতের জয়জয়কার

    এদিন প্রথম রাউন্ড থেকেই তীব্র হয়েছে ভারত, চিন এবং কুয়েতের ত্রিদেশীয় লড়াই। প্রথম রাউন্ডে ভারতের পয়েন্ট ৭৪। কুয়েত ও চিনের পয়েন্ট যথাক্রমে কুয়েত ৭২ ও ৭৩। দ্বিতীয় রাউন্ডে ৬৯ পয়েন্ট তোলেন পৃথ্বীরাজরা। এই রাউন্ডে কুয়েত ও চিনের পয়েন্ট যথাক্রমে ৭৩ ও ৬৯। তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের পয়েন্ট ৭২। কুয়েত ও চিনের পয়েন্ট যথাক্রমে ৭২ ও ৭০। চতুর্থ রাউন্ডে ভারতের পয়েন্ট ৭৪। কুয়েত ও চিনের পয়েন্ট যথাক্রমে ৭২ ও ৬৯।

    চতুর্থ রাউন্ডের (Asian Games) পর ছিটকে যায় চিন। পঞ্চম তথা শেষ রাউন্ডে ভারত লড়াই করে কুয়েতের সঙ্গে। ভারতের তিন প্রতিনিধি মিলে তোলে ৭২ পয়েন্ট। কুয়েতের শ্যুটাররা তোলেন ৭০ পয়েন্ট। ২ পয়েন্টে এগিয়ে থেকে সোনা জিতে নেয় ভারত।

    আরও পড়ুুন: “যাদের পোড়া বিড়ি জুটত না, তারা সব প্লেনে করে দিল্লি যাচ্ছে”, কটাক্ষ শুভেন্দুর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: ৬ দিনে ৪ ভোটমুখী রাজ্যে ৮ সভা! ম্যারাথন নির্বাচনী প্রচারে নরেন্দ্র মোদি

    Narendra Modi: ৬ দিনে ৪ ভোটমুখী রাজ্যে ৮ সভা! ম্যারাথন নির্বাচনী প্রচারে নরেন্দ্র মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চার রাজ্যে আট সভা। আগামী ৬ দিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) কর্মসূচি এমনটাই। যার শুরুটা হল শনিবার। যা চলবে আগামী বুধবার পর্যন্ত।

    ৩০ সেপ্টেম্বর-৬ অক্টোবর ঠাসা কর্মসূচি প্রধানমন্ত্রীর

    আগামী বছরের লোকসভা নির্বাচনের আগে চলতি বছরের শেষে হতে চলেছে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Elections 2023)। এই পাঁচ রাজ্য হল— মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, তেলঙ্গানা, ছত্তিসগড় ও মিজোরাম। এই নির্বাচনগুলি অনেকটা ফাইনালের আগে হওয়া সেমি ফাইনালের মতোই। অর্থাৎ, লোকসভা নির্বাচনের আগে নিজেদের শক্তি-দুর্বলতা যাচাই করে নিতে তৎপর সব পক্ষই। এই পাঁচ রাজ্যের মধ্যে আবার প্রথম চারটিতে ভাল ফল করতে চাইছে শাসক-বিরোধী সবপক্ষই।

    এই পরিস্থিতিতে, শনিবার থেকে ভোট প্রচারে (Assembly Elections 2023) জোরকদমে নামছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। শনিবার থেকেই ভোটমুখী রাজ্যগুলিতে মেগা নির্বাচনী প্রচার শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী। ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত ঠাসা কর্মসূচি নরেন্দ্র মোদির। এই সময়ে মোদি চার রাজ্যে থাকবেন। সেগুলি হল— মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, তেলঙ্গানা ও ছত্তিসগড়। এই ৬ দিনে আটটি র‌্যালিতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রচার ঝড় তুলবেন নমো। কোথাও পরিবর্তনের ডাক তো কোথাও প্রত্যাবর্তনের আশ্বাস। পাশাপাশি, বেশ কয়েকটি সরকারি প্রকল্পের সূচনাও করার কথা প্রধানমন্ত্রীর।

    কংগ্রেস-শাসিত ছত্তিসগড় সরকারকে আক্রমণ মোদির

    এদিন ছত্তিসগড় দিয়ে বৃহৎ নির্বাচনী (Assembly Elections 2023) কর্মসূচির সূচনা করলেন মোদি (Narendra Modi)। শনিবার বিলাসপুরে বিজেপির দু’টি পরিবর্তন যাত্রার সমাপ্তি অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি। অনুষ্ঠানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘পরিবর্তন মহাসংকল্প’ সমাবেশ। পাশাপাশি, বিলাসপুরের বিজ্ঞান কলেজ মাঠে বক্তব্য পেশ করেন। এদিন বিলাসপুরের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেলের নেতৃত্বাধীন রাজ্যের শাসক দল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেন মোদি। বলেন, ‘‘মদ থেকে গোবর, সবতেই দুর্নীতি করেছে এই প্রশাসন।’’ রাজ্যের শাসক শিবিরের দুর্নীতির খতিয়ান তুলে ধরার পাশাপাশি সংসদে মহিলা বিল পাশ করা এবং কংগ্রেস আমলে সেটা যে দীর্ঘদিন আটকে ছিল, তাও উত্থাপন করেন মোদি। বলেন, ‘‘আরও একটা প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছি আমি। নারী শক্তি আজ বাস্তব। গত ৩০ বছর ধরে আটকে ছিল।’’

     

     

    পরপর জনসভা ও একাধিক সরকারি কর্মসূচি নরেন্দ্র মোদির

    আগামিকাল, ১ অক্টোবর তেলঙ্গনার মেহবুবনগর জেলায় যাবেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার কথা। রেল পরিষেবারও সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর তিনি যাবেন নিজামের শহরে। হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যলয়ে নতুন পাঁচটি ভবন তৈরি করা হয়েছে। ভবনগুলির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। ২ অক্টোবর মধ্যপ্রদেশে যাবেন মোদি। গোয়ালিয়রে দুটি জনসভা (Assembly Elections 2023) করার কথা। জবলপুর এবং জগদলপুরেও জনসভা করতে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে ওই দিনই প্রধানমন্ত্রী যাবেন রাজস্থানের চিতোরগড়ে। কংগ্রেস শাসিত রাজ্যেও সভা করবেন তিনি। ৩ অক্টোবর, তেলঙ্গানার নিজামাবাদ এবং তার পরে লাগোয়া ছত্তিসগড়ের জগদলপুরে মোদির জনসভা কর্মসূচি রয়েছে। এর পর ৬ তারিখ মোদি ফের যাবেন রাজস্থানে। সেখানে কংগ্রেস মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের শহর জোধপুরে বিজেপির সমাবেশে অংশ নেবেন মোদি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Governor: মৃত দুই পড়ুয়ার বাড়িতে গেলেন মণিপুরের রাজ্যপাল, পরিবারকে সাহয্যের আশ্বাস

    Manipur Governor: মৃত দুই পড়ুয়ার বাড়িতে গেলেন মণিপুরের রাজ্যপাল, পরিবারকে সাহয্যের আশ্বাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পড়ুয়া মৃত্যুর ঘটনায় ফের উত্তপ্ত মণিপুর। গত পরশুদিন মুখ্যমন্ত্রীর পৈতৃক বাসভবনে হামলার ছক করেছিল উত্তেজিত জনতা। পুলিশ শূন্যে গুলি চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এবার মৃত ২ পড়ুয়ার পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন মণিপুরের রাজ্যপাল (Manipur Governor)। জুলাই মাসে দুই ছাত্রছাত্রীকে অপহরণ করে হত্যার ঘটনায় গত বুধবার থেকেই ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজধানী ইম্ফল। উল্লেখ্য এই দুই পড়ুয়ার মৃতদেহের ছবি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক ছড়িয়ে পড়ে। ছবি ভাইরাল হতেই তীব্র শোরগোল পড়ে যায় ইম্ফলে।

    মৃত দুই পড়ুয়ার বাড়িতে রাজ্যপাল (Manipur Governor)

    শুক্রবার মণিপুরের রাজ্যপাল (Manipur Governor) আনুসুয়া উইকে সন্তান হারা দুই পড়ুয়ার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান। পশ্চিম ইম্ফলের জেলায় এই দুই মৃত পড়ুয়ার পরিবার থাকেন। রাজ্যপাল পরিবারের সঙ্গে দেখা করার পর রাজভবন সূত্রে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়, “জুলাইতে অপহরণ হাওয়া পড়ুয়াদের ছবি সামজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর গত বৃহস্পতিবার থেকেই ফের উত্তেজনা ছাড়ায়। রাজ্যপাল স্বয়ং মৃত দুই পড়ুয়ার পরিবারের বাবা-মাকে সান্ত্বনা দেন। সেই সঙ্গে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন। বাবা-মা অনেক দিন ধরে অনশন করছিলেন, তাঁদের জল দিয়ে অনশন তুলে নেওয়ার অনুরোধ জানান।”

    রাজ্যপালের আশ্বাস

    মৃত ২ পড়ুয়ার পরিবারকে রাজ্যপাল (Manipur Governor) আনুসুয়া উইকে বলেন, “এই ঘটনায় দোষীদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” পাশাপাশি, গত মঙ্গলবারে ২ পড়ুয়ার মৃত্যুর প্রতিবাদে যেসকল ছাত্রছাত্রীরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে গিয়ে পুলিশের মারে জখম হন, তাঁদেরকেও শান্ত হওয়ার অনুরোধ করেন রাজ্যপাল। সেই সঙ্গে সবরকম সহযোগিতার প্রতিশ্রুতিও দেন।

    রাজভবন থেকে বিশেষ বিবৃতি দিয়ে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-ছাত্রীদের অবিভাবকদের উদ্দেশ্য করে রাজ্যপাল বলেন, “অবিভাবকরা ছাত্রদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের জন্য পরামর্শ দিন, আইন যেন হাতে তুলে না নেন তাঁরা। বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে আইন হাতে তুলে নিলে ছাত্রজীবনে দীর্ঘ স্থায়ী প্রভাব পড়তে পারে।” এদিন রাজ্যপাল লাঙ্গোলের শিজা হাসপাতালে গিয়ে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া আহত ছাত্র-ছাত্রীদের দেখতে যান। তাঁদের বাবা-মায়ের হাতে কিছু কিছু আর্থিক সাহায্য তুলে দিয়ে শান্তির বার্তা দেন।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • MS Swaminathan: ‘সবুজ বিপ্লবে’র জনক! কৃষিবিজ্ঞানী এম এস স্বামীনাথন ছিলেন উদ্ভাবনী ক্ষমতার ভরকেন্দ্র

    MS Swaminathan: ‘সবুজ বিপ্লবে’র জনক! কৃষিবিজ্ঞানী এম এস স্বামীনাথন ছিলেন উদ্ভাবনী ক্ষমতার ভরকেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে দুর্ভিক্ষ রোখার জন্য এবং কৃষিক্ষেত্রে দেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার লক্ষ্যে ছয়ের দশকের শেষ দিক থেকে ভারত সরকার যে ‘সবুজ বিপ্লব’-এর সূচনা করে, তার মূল উদ্যোক্তা ছিলেন এম এস স্বামীনাথন। ষাটের দশকে ভারতে উদ্ভূত খাদ্য সঙ্কট এবং খাদ্যশস্যের জন্য বিদেশি রাষ্ট্রনির্ভরতা যে অনেকাংশে কমানো গিয়েছিল, তার পিছনে বড় অবদান ছিল প্রখ্যাত কৃষিবিজ্ঞানী এম এস স্বামীনাথনের। বৃহস্পতিবার চেন্নাইয়ের বাড়িতে জীবনাবসান হয় তাঁর। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৮ বছর। 

    প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা

    স্বামীনাথনের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোশ্যাল সাইটে শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “কৃষিতে বৈপ্লবিক অবদানের বাইরেও ডক্টর স্বামীনাথন ছিলেন উদ্ভাবনী ক্ষমতার ভরকেন্দ্র। বহু মানুষের পথপ্রদর্শক ছিলেন তিনি। গবেষণার প্রতি তাঁর সঙ্কল্প বহু বিজ্ঞানী এবং গবেষককে অনুপ্রাণিত করেছিল।”

    স্বামীনাথনের বড় হওয়া

    স্বামীনাথনের জন্ম ১৯২৫ সালের ৭ অগস্ট, তামিলনাড়ুর তাঞ্জাভুর জেলায়। ১১ বছর বয়সে হারিয়েছেন বাবাকে। জেনারেল সার্জেন এমকে সাম্বসিবনের ছেলে স্বামীনাথন ১৫ বছর বয়সে ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করেন। তাঁর উচ্চশিক্ষা শুরু হয় জুলজির হাত ধরে কেরলে। পরবর্তীতে তিনি মাদ্রাজ, দিল্লি ও আরও পরে নেদারল্যান্ডস, ইউকে, আমেরিকা থেকে একের পর এক ডিগ্রি সঞ্চয় করেন ও উচ্চশিক্ষা এগিয়ে নিয়ে যান।

    স্বামী বিবেকানন্দের ভক্ত 

    বিদেশে পড়াশোনায় একটা বড় সময় কাটালেও স্বামী বিবেকানন্দের ভক্ত স্বামীনাথনকে নাড়িয়ে দিয়েছিল ১৯৪৩ সালের বাংলার দুর্ভিক্ষ। দেশের মানুষের মুখে খাবার যোগাতে তিনি কৃষি গবেষণায় মন দেন। উন্নত বীজ, জলসেচের মাধ্যমে দেশের পশ্চিম অংশ, মূলত পাঞ্জাবে তিনি আমূল পরিবর্তন আনেন। কৃষিবিজ্ঞানী হিসাবে উচ্চফলনশীল ধান উৎপাদনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। 

    স্বামীনাথনের গবেষণা

    দীর্ঘদিন কৃষি গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এম এস স্বামীনাথন। মূলত মিশ্র চাষ, চাষে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহার, ফসলে শংকর প্রজাতির ব্যবহার নিয়ে বিস্তৃত গবেষণা করেছেন তিনি। ধানের নতুন নতুন প্রজাতি আবিষ্কারের জন্য গোটা বিশ্বে স্বীকৃত স্বামীনাথন। তিনি আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা সংস্থার ডিরেক্টর হিসাবেও দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। দীর্ঘদিন যুক্ত ছিলেন যোজনা কমিশনের সঙ্গেও। প্ল্যান্ট জেনেটিক্সের ক্ষেত্রে তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজই ভারতের কৃষিক্ষেত্রে বিপ্লব এনেছিল। টেকসই কৃষি ব্যবস্থার মাধ্যমে খাদ্য সুরক্ষা বাস্তবায়িত হয়েছিল দেশে। এই সাফল্য তাঁকে এনে দিয়েছিল বিশ্বব্যাপী পরিচিতি। ১৯৭২ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত তিনি ভারতীয় কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের প্রধান পদে ছিলেন। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি গবেষণা এবং শিক্ষা দফতরের সচিবের দায়িত্বও সামলান।

    আরও পড়ুন: কম বয়সেও হার্ট অ্যাটাক! বিশ্ব হার্ট দিবসে জানুন হৃদযন্ত্র ভাল রাখার সহজ কিছু উপায়

    স্বামীনাথনকে সম্মান

    কৃষিক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখার জন্য ১৯৭১ সালে রমন ম্যাগসাইসাই পুরস্কারে সম্মানিত করা হয় স্বামীনাথনকে। পদ্মশী, পদ্মভূষণ এবং পদ্মবিভূষণ পুরস্কারেও ভূষিত হন তিনি। ২০০৭ এবং ২০১৩ সালে পর পর দু’বার রাজ্যসভায় মনোনয়ন দেওয়া হয় তাঁকে। ১৯৮৬ সালে পেয়েছেন অ্যালবার্ট আইস্টাইন অ্যাওয়ার্ড। কর্মজীবন থেকে অবসরগ্রহণের পরেও দেশ-বিদেশের একাধিক পরিবেশগত এবং কৃষি সংক্রান্ত সংস্থায় পরামর্শদাতা কিংবা সদস্য হিসাবে কাজ করেছেন তিনি। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Maneka Gandhi: ইসকনের বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্য মানেকার, দায়ের ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা

    Maneka Gandhi: ইসকনের বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্য মানেকার, দায়ের ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে সাংসদ মানেকা গান্ধীর (Maneka Gandhi) বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা দায়ের করল ইসকন। শুক্রবার এই মামলা করা হয়েছে। মানেকা গান্ধীর মন্তব্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছে ধর্মীয় এই সংগঠন।

    মানেকার বিতর্কিত মন্তব্য

    ইসকন সম্পর্কে বুধবার বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন মানেকা। তিনি বলেছিলেন, “দেশের সব চেয়ে বড় প্রতারক ইস্কন। ওরা গোশালা চালায় এবং সুবিধা নেয় সরকারের থেকে।” তিনি (Maneka Gandhi) বলেন, “অন্ধ্রপ্রদেশে ইসকনের অনন্তপুর গোশালা পরিদর্শন করতে গিয়েছিলাম। সেখানে যতগুলি গরু দেখেছিলাম সবকটি দুগ্ধবতী। তাদের মধ্যে এমন কোনও গরু ছিল না, যারা দুধ দেয় না। বাছুরও ছিল না কোনও। অর্থাৎ খুব সহজেই অনুমেয়, বাছুরগুলিকে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। কসাইদের কাছে গরুগুলিকে বিক্রি করে দেয় ইসকন। এরপর রাস্তায় গিয়ে ওরা হরে রাম হরে কৃষ্ণ গাইতে থাকে।”

    মানেকা পশুরক্ষা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত

    মানেকা এও বলেছিলেন, “তারা (ইসকন) বলে তাদের গোটা জীবন দুধের ওপর নির্ভর। সম্ভবত তারা যা গরু বিক্রি করেছে, তার মতো গরু আর কেউ বিক্রি করেনি। এরা যদি এসব করতে পারে, তাহলে বাকিদের কী অবস্থা?” বিতর্কিত এই মন্তব্যের জেরেই মানেকার বিরুদ্ধে দায়ের করা হয় মানহানির মামলা। প্রসঙ্গত, উত্তরপ্রদেশের সুলতানপুরের সাংসদ মানেকা দীর্ঘদিন ধরেই বন্যপ্রাণ ও পশুরক্ষা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত।

    ইসকনের কলকাতার সহ সভাপতি রাধারমণ দাস বলেন, “আজ আমরা শ্রীমতি মানেকা গান্ধীকে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলার নোটিশ পাঠিয়েছি। ইসকনের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন মন্তব্য করেছেন তিনি। বিশ্বব্যাপী ইস্কনের ভক্ত, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীরা ছড়িয়ে রয়েছেন। এতে সকলেই ব্যথিত। মানহানিকর এই অপবাদ কাম্য নয়। ইসকনের বিরুদ্ধে যে ভুয়ো প্রচার করা হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে ন্যায় পেতে আমরা শেষ বিন্দু পর্যন্ত লড়ব।”

    আরও পড়ুুন: কম বয়সেও হার্ট অ্যাটাক! বিশ্ব হার্ট দিবসে জানুন হৃদযন্ত্র ভাল রাখার সহজ কিছু উপায়

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • MS Swaminathan Passes Away: প্রয়াত সবুজ বিপ্লবের জনক এমএস স্বামীনাথন, শোকবার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    MS Swaminathan Passes Away: প্রয়াত সবুজ বিপ্লবের জনক এমএস স্বামীনাথন, শোকবার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত ভারতের সবুজ বিপ্লবের জনক কৃষিবিজ্ঞানী এমএস স্বামীনাথন (MS Swaminathan Passes Away)। বয়স হয়েছিল ৯৮ বছর। বৃহস্পতিবার চেন্নাইয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বার্ধক্যজনিত কারণে দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন তিনি। কিংবদন্তি কৃষিবিজ্ঞানী স্বামীনাথন ১৯৭২ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত কাজ করেছেন ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ এগ্রিকালচারাল রিসার্চের চেয়ারম্যান হিসেবে।

    পুরস্কার ও সম্মাননা

    তিনি ধানের একটি নয়া জাতের উদ্ভাবন করেছিলেন। কৃষি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ১৯৭২ সালে তাঁকে পদ্মভূষণ সম্মান দেওয়া হয়। ১৯৬৭ সালেই পদ্মশ্রী পুরস্কার পেয়েছিলেন স্বামীনাথন। পদ্মবিভূষণ পুরস্কার পান ১৯৮৯ সালে। ১৯৭২ সালে পান রামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার। বিশ্ব খাদ্য পুরস্কার পেয়েছিলেন ১৯৮৭ সালে।

    দেশ-বিদেশের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ও সাম্মানিক ডিগ্রি দিয়েছেন তাঁকে (MS Swaminathan Passes Away)। ১৯২৫ সালের ৭ অগাস্ট ব্রিটিশ ভারতের মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সির কুম্বাকোনামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন স্বামীনাথন। অল্প বয়সে পিতৃহারা হন। তার পর থেকে থাকতেন এক কাকার কাছে। ছোট থেকেই কৃষিতে আগ্রহ ছিল স্বামীনাথনের। বাংলায় পঞ্চাশের মন্বন্তর দেখে কৃষিতে মনোনিবেশ করেন তিনি। পরে বিপ্লব ঘটান কৃষিক্ষেত্রে।

    প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা 

    স্বামীনাথনের (MS Swaminathan Passes Away) প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি লিখেছেন, “ডঃ এমএস স্বামীনাথনজির মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত। আমাদের দেশের ইতিহাসের একটি অত্যন্ত সঙ্কটময় সময়ে কৃষিতে তাঁর যুগান্তকারী কাজ লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনকে বদলে দিয়েছে এবং আমাদের দেশের জন্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছিল। কৃষিতে তাঁর বৈপ্লবিক অবদানের বাইরেও ডঃ স্বামীনাথন ছিলেন উদ্ভাবনের শক্তিশালা এবং অনেকের জন্য একজন লালন-পালনকারী পরামর্শদাতা। গবেষণা ও পরামর্শদানের প্রতি তাঁর অটল প্রতিশ্রুতি অগণিত বিজ্ঞানী এবং উদ্ভাবকের ওপর একটি অমোঘ চিহ্ন রেখে গিয়েছে।” স্বামীনাথনের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের বিষয়টিও উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: ‘পুণ্যার্থীর ছদ্মবেশে ভিখিরি পাঠানো বন্ধ করো’, পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি সৌদি আরবের

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Manipur: অশান্ত মণিপুরে হামলা বিজেপি দফতরে, ভাঙচুরের পাশাপাশি ধরানো হল আগুন

    Manipur: অশান্ত মণিপুরে হামলা বিজেপি দফতরে, ভাঙচুরের পাশাপাশি ধরানো হল আগুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত মণিপুরে আক্রান্ত বিজেপির অফিস। দুই পড়ুয়াকে অপহরণ করে খুনের ঘটনায় অশান্তির আগুনে ফের জ্বলছে মণিপুর (Manipur)। বুধবার সন্ধ্যায় সেই আঁচ পরল থৌবলের বিজেপি দফতরে। অভিযোগ বিজেপি অফিসে ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি আগুনও ধরিয়ে দেয় আক্রমণকারীরা। জেলা বিজেপি দফতরে রাখা কয়েকটি গাড়িতেও আগুন ধরানো হয় বলে অভিযোগ।

    মণিপুরে (Manipur) যেন হিংসা থামার কোনও লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না। ইতিমধ্যে সেখানে আফস্পার মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে। তারপরেও ভাঙচুর, লুট, হত্যা, অগ্নিসংযোগ, অপহরণের মতো ঘটনাগুলো ঘটেই চলেছে। মঙ্গলবার দফায় দফায় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ বেধেছে। এই সংঘর্ষে ৫০ জনেরও বেশি বিক্ষোভকারী আহত হয়েছেন বলে খবর। ইতিমধ্যে মণিপুরে গুজব ছড়ানো ঠেকাতে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে সমস্ত ইন্টারনেট পরিষেবা। দুই পড়ুয়াকে অপহরণ করে খুনের ঘটনায় তদন্তভার সামলাচ্ছে সিবিআই। বুধবারই সিবিআই-এর ডিরেক্টর অজয় ভাটনগর ইম্ফলে পৌঁছেছেন। 

    অপহরণ করে ২ পড়ুয়াকে খুন

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ৬ জুলাই দুই জন পড়ুয়াকে অপহরণ করে খুনের অভিযোগ ওঠে কুকি সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে। এদের মধ্যে একজন হলেন ফিজাম হেমজিদ তাঁর বয়স ২০ এবং অপরজন হিজাম লিনথোইগাম্ভি এই নাবালিকার বয়স ১৭। সোশ্যাল মিডিয়াতে হঠাৎ করে ভাইরাল হয় এই দুই পড়ুয়ার মৃতদেহের ছবি যা নিয়ে ফের জ্বলে ওঠে মণিপুর। মনিপুরের তুই পড়ুয়াকে অপহরণ এবং হত্যার ঘটনায় উদ্বিগ্ন রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মণিপুরের (Manipur) মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং জানান, অমিত শাহ তাঁকে আশ্বস্ত করেছেন, যারা এই অপহরণ এবং হত্যার সঙ্গে যুক্ত, তাদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে।

    হিংসা চলছে ৫ মাস ধরে 

    প্রসঙ্গত চলতি বছরের ৩ মে জনজাতি ছাত্র সংগঠনের একটি মিছিলকে ঘিরে মণিপুরে অশান্তির সূত্রপাত হয়। ৫ মাস অতিক্রান্ত হলেও হিংসা বন্ধের কোনও লক্ষণ সেখানে দেখা যাচ্ছে না। ইতিমধ্যে সরকারি হিসেবে প্রায় ২০০ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। হিংসার ঘটনায় ঘর ছাড়া হয়েছেন প্রায় ৬০ হাজার মানুষ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • AFSPA In Manipur: মণিপুরে আফস্পা আইনের মেয়াদ বাড়ল, জারি আরও ৬ মাস

    AFSPA In Manipur: মণিপুরে আফস্পা আইনের মেয়াদ বাড়ল, জারি আরও ৬ মাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরে সেনাবাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আইন, ‘আর্মড ফোর্সেস স্পেশাল পাওয়ার অ্যাক্ট’ এর মেয়াদ বৃদ্ধি সিদ্ধান্ত নিল সে রাজ্যের সরকার (AFSPA In Manipur)। জানা গিয়েছে আগামী ১ অক্টোবর থেকে পরবর্তী ৬ মাস পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে। তবে আফস্পা (AFSPA In Manipur) তালিকা থেকে বাদ রাখা হয়েছে ইম্ফল উপত্যকাকে।  

    ৬ জুলাই থেকে নিখোঁজ ছিলেন ২ পড়ুয়া

    প্রসঙ্গত, মণিপুরে হিংসা থামার কোনও লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না। দুই পড়ুয়াকে অপহরণ এবং তাঁদেরকে হত্যা করার ঘটনায় নতুন করে অগ্নিগর্ভ হয় এই রাজ্যের পরিস্থিতি। হিংসা বিধ্বস্ত মণিপুরে গত ৬ জুলাই থেকে নিখোঁজ ছিলেন এই দুই ছাত্রছাত্রী। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তাঁদের মৃতদেহের ছবি ছড়িয়ে পড়ে এবং এতেই নতুন করে উত্তপ্ত হয় পরিস্থিতি। গত দুই দিন ধরে শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী ইম্ফল-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন। তাঁদের ঠেকাতে বাহিনী টিয়ার গ্যাসের শেল ফাটায় ও স্মোক বোমার ব্যবহার করে।  নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তপক্ষে ১০০ ছাত্র-ছাত্রী জখম হন। ইম্ফলজুড়ে মোতায়েন করা হয়- মণিপুর পুলিশ, সিআরপিএফ ও ব়্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স।

    মুখ্যমন্ত্রী বিরেন সিংয়ের বিবৃতি

    ১৭ বছরের ছাত্রী হিজাম লিন্থোগাম্বি ও বছর কুড়ির ছাত্র ফিজাম হেমজিৎ-এর মৃত্যু ঘিরে সামনে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতি। মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং লেখেন, ‘‘দুই নিখোঁজ ছাত্র-ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যুর খবরের পরিপ্রেক্ষিতে, রাজ্যের মানুষকে আমি এই বলে আশ্বস্ত করতে চাই যে, রাজ্যে ও কেন্দ্র উভয় সরকারই আততায়ীদের ধরতে একযোগে কাজ করছে।’’ তারই মধ্যে আফস্পা আইনের (AFSPA In Manipur) মেয়াদ বাড়ানো হয়। ১ অক্টোবর সন্ধে ৭টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত এই নির্দেশিকা কার্যকর হবে। তবে, মণিপুরের স্বরাষ্ট্র দফতর যে নির্দেশিকা জারি করেছে তাতে ১৯টি থানা এলাকাকে এই আইনের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। অন্যদিকে নাগাল্যান্ড, অরুণাচল প্রদেশের কিছু এলাকাতেও বাড়ানো হয়েছে এই আইনের মেয়াদ। সেখানেও ছয় মাসের জন্য বৃদ্ধি করা হয়েছে এই মেয়াদ। পরিস্থিতি বিবেচনা করে আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রাজ্যের সব স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার নতুন করে ইন্টারনেট পরিষেবা নিষেধ করা হয়। 

    ৫ মাস ধরে গোষ্ঠীসংঘর্ষে উত্তপ্ত মণিপুর

    প্রসঙ্গত চলতি বছরের ৩ মে মণিপুরের জনজাতি ছাত্র সংগঠনের একটি মিছিলকে ঘিরে হিংসা ছড়ায়। প্রায় পাঁচ মাস ধরে অগ্নিগর্ভ হয়ে রয়েছে মণিপুর। সে রাজ্যের কুকি এবং মেইতি সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষে এখনও পর্যন্ত ২০০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এবং ঘর ছাড়া সংখ্যা প্রায় ৬০ হাজার। উত্তর-পূর্ব রাজ্যের জঙ্গি তৎপরতা ঠেকাতে সেনাবাহিনীর হাতে বিশেষ ক্ষমতা তুলে দিতে ১৯৫৮ সালে আফস্পা আইন জারি করেছিল তৎকালীন কেন্দ্র সরকার। পরে ধাপে ধাপে অসম সহ উত্তর-পূর্ব ভারতে বিভিন্ন রাজ্য থেকে আফস্পা (AFSPA In Manipur) প্রত্যাহার করা হয়। ২০২২ সালের এপ্রিল মাসেই অসমের ২৪টি জেলা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল আফস্পা আইন। মণিপুরের হিংসা অনেক কিছু বদলে দিয়েছে, তাই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সম্মতি নিয়ে রাজ্য সরকার এই আইন জারি করে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ISRO: চাঁদ-সূর্যের পরে এবার পরের লক্ষ্য শুক্র অভিযান, ঘোষণা ইসরো প্রধানের

    ISRO: চাঁদ-সূর্যের পরে এবার পরের লক্ষ্য শুক্র অভিযান, ঘোষণা ইসরো প্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ভারত আগেই পা রেখেছে। সূর্যকে নিরীক্ষণ এবং গবেষণার জন্য পাঠানো হয়েছে মহাকাশযান আদিত্য-এল১। এবার ইসরোর পরের মিশন হতে পারে শুক্র গ্রহ (Venus Mission)। চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবারই ইসরোর (ISRO) চেয়ারম্যান এস সোমনাথ একথা ঘোষণা করেছেন। প্রসঙ্গত সৌরজগতের সব থেকে উজ্জ্বলতম গ্রহ শুক্র গ্রহ, যাকে আমরা শুকতারাও বলে থাকি। মঙ্গলবার দিল্লির ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল সায়েন্স অ্যাকাডেমিতে বক্তব্য রাখেন ইসরো প্রধান এবং সেখানে তিনি জানিয়েছেন, একাধিক মহাকাশ অভিযান পরিকল্পনার স্তরে রয়েছে এবং শুক্র গ্রহ অভিযান নিয়েও পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে জানা গিয়েছে শুক্র অভিযানে যে সমস্ত পেলোডগুলি ইসরো ব্যবহার করবে সেগুলি ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গিয়েছে। ইসরোর শুক্র অভিযান মূলত শুক্র গ্রহের মাটি এবং বায়ুমণ্ডলকে নিরীক্ষণ করার উদ্দেশ্যেই পরিচালিত হবে।

    এবিষয়ে কী বললেন ইসরো প্রধান?

    দিল্লির সেমিনারে বক্তব্য দেওয়ার সময় ইসরো (ISRO) প্রধান বলেন, ‘‘শুক্র অভিযানে যাবে ইসরোর ‘শুক্রযান’। এই অভিযানের (Venus Mission) নামও তা-ই দেওয়া হয়েছে। এই অভিযানের মূল লক্ষ্য হবে শুক্রগ্রহের মাটি এবং বায়ুমণ্ডল পর্যবেক্ষণ করা।’’ এস সোমনাথের মতে, শুক্র খুব আকর্ষণীয় গ্রহ। শুক্রের বায়ুমণ্ডলের চাপ পৃথিবীর তুলনায় ১০০ গুণ বেশি এটা এতটাই ভারী যে, তা ভেদ করা যায় না। তাই আমরা জানি না, শুক্রের ভূপৃষ্ঠ আদৌ কঠিন কি না। এই গ্রহে অভিযান থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ অজানা তথ্য আমাদের হাতে আসতে পারে। তা আগামী দিনে আমাদের গ্রহের ভবিষ্যতের ক্ষেত্রেও কাজে লাগতে পারে। তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘পৃথিবী এক দিন শুক্র হয়ে উঠতে পারে। আমরা কেউ জানি না কী হবে। হয়তো ১০ হাজার বছর পরে পৃথিবীর অবস্থাও শুক্রের মতো হয়ে যাবে। কারণ, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পৃথিবী তার চরিত্র বদলায়। কোটি কোটি বছর আগে পৃথিবী এখনকার মতো ছিল না।’’ 

    শুক্র অভিযানে বিভিন্ন দেশ

    প্রসঙ্গত ২০১৬ সালে ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সিগুলি শুক্র অভিযান (Venus Mission) চালিয়েছিল। ২০০৬ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত এই ভেনাস বা শুক্র অভিযান চলেছিল। এর আগে নাসাও একাধিকবার শুক্র অভিযানে নেমেছে। নাসার পরবর্তী শুক্র অভিযান হতে চলেছে ২০২৯ এবং ২০৩০ এবং ২০৩১ সালে।

    ইসরোর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

    শুধুমাত্র শুক্রগ্রহই (Venus Mission) নয়, মহাশূন্যে মৃত নক্ষত্রগুলির উপর নজরদারি চালাতে চলেছে ইসরো (ISRO)। এর জন্য চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসেই রওনা দেবে ইসরোর এক্সপোস্যাট (XPoSat) মহাকাশযান। কৃষ্ণগহ্বরের উৎস নিয়ে গবেষণা চালাবে সেটি। পাশাপাশি, সৌরজগতের বাইরে যে সমস্ত গ্রহ রয়েছে, যারা সূর্যেরই মতো অন্য কোনও নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করে চলেছে, তাদের নিয়েও পরিকল্পনা চালাচ্ছে ইয়রো।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: প্রধানমন্ত্রীকে আপ্যায়ন যন্ত্রমানবের, জল-খাবার পরিবেশন করল রোবট!

    PM Modi: প্রধানমন্ত্রীকে আপ্যায়ন যন্ত্রমানবের, জল-খাবার পরিবেশন করল রোবট!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী যেতেই ধীর পায়ে এগিয়ে এল ধোপদুরস্ত এক মহিলা। স্বাগত জানালেন তাঁকে। পরে তাঁকে যে চা-জলখাবার এগিয়ে দিল, তারও শরীর আগাগোড়া সাদা প্লাস্টিকের তৈরি। বুধবার প্রধানমন্ত্রীকে (PM Modi) যারা আপ্যায়ন করল, তারা কেউই মানুষ নয়, যন্ত্রমামব। এদিন দীর্ঘক্ষণ এই না-মানুষদের সঙ্গেই কাটালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যন্ত্রমানবদের সঙ্গে তাঁর এই সময় কাটানোর ছবি সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন তিনি।

    সায়েন্স সিটির রোবটিক্স গ্যালারি

    দু’ দিনের সফরে গুজরাট গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বুধবার তিনি যান গুজরাট কাউন্সিল অফ সায়েন্স সিটির রোবটিক্স গ্যালারিতে। তাঁর সঙ্গে ছিলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র পটেলও। এই গ্যালারি দেখে যারপরনাই খুশি প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। সমাজমাধ্যমে পোস্ট করা একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে, একটি রোবট চা-জলখাবার খেতে দিচ্ছে প্রধানমন্ত্রীকে। তিনি লিখেছেন, “গুজরাট সায়েন্স সিটিতে অসাধারণ রোবটিক্স গ্যালারি। রোবট আমাদের চা-ও পরিবেশন করেছে, সেই ছবিটি দেখতে ভুলবেন না।”

    ভাইব্র্যান্ট গুজরাট

    চা-জলখাবারের পাশাপাশি একটি রোবটকে প্রধানমন্ত্রীকে জলের বোতল এগিয়ে দিতেও দেখা গিয়েছে। এদিন রোবট গ্যালারির বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী। গ্যালারিতে সার দিয়ে দাঁড় করিয়ে রাখা রোবট ও রোবটের যন্ত্রপাতি পরিদর্শন করেন তিনি। একটি রোবটের ছবি মোবাইল ক্যামেরায় বন্দি করতেও দেখা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে। 

    রোবটিক গ্যালারি গুজরাটের সায়েন্স সিটিতে নয়া সংযোজন। প্রায় ১১ হাজার বর্গমিটার এলাকা জুড়ে এর বিস্তার। ভাইব্র্যান্ট গুজরাট সামিটের দু’ দশক উপলক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই গ্লোবাল সামিটের সূচনা করেছিলেন মোদি (PM Modi)। তার পর থেকে প্রতি বছর রাজ্য সরকার আয়োজন করে এই অনুষ্ঠানের।  

    আরও পড়ুুন: ছিলেন নাইটক্লাবের বাউন্সার! ট্রুডোর বর্ণিল জীবন হার মানায় রুপোলি পর্দার জগতকেও

    গুজরাটে নানা উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধনও করবেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে গ্রামে গ্রামে ওয়াইফাই পৌঁছে দেওয়ার মতো প্রকল্পও। গুজরাটের ছোটা উদয়পুর জেলায় ৫ হাজার ২০৬ কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টেরও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। দাহোদে ২৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত নবোদয় বিদ্যালয় ও ১০ কোটি টাকা খরচ করে তৈরি এফএম স্টেশনেরও উদ্বোধন করবেন তিনি।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share