Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Supreme Court: উপাচার্য নিয়োগ মামলায় এখনই কোনও সিদ্ধান্ত নয়, সাফ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    Supreme Court: উপাচার্য নিয়োগ মামলায় এখনই কোনও সিদ্ধান্ত নয়, সাফ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগের কমিটিতে মুখ্যমন্ত্রী ও উচ্চ শিক্ষা দফতরের প্রতিনিধি রাখতে চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) গিয়েছিল রাজ্য সরকার। বুধবার দেশের শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিল, এখনই এ বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেবে না তারা। রাজ্যপালের অন্তর্বর্তী উপাচার্য নিয়োগের সিদ্ধান্তেও এখনই স্থগিতাদেশ দিচ্ছে না সুপ্রিম কোর্ট।

    সার্চ কমিটি গড়বে আদালত

    এর আগে উপাচার্য নিয়োগে সার্চ কমিটি গড়ে দেওয়ার কথা বলেছিল আদালত। রাজ্যের তরফে পাঁচজন এবং রাজ্যপালের তরফে পাঁচজনের নাম জমা দিতে বলা হয়। পাঁচজনের নামের তালিকা দিতে বলা হয়েছিল ইউজিসিকেও। তিন পক্ষের থেকে তিনজনকে বেছে নিয়ে সার্চ কমিটি গঠন করা হবে বলে জানিয়েছিল আদালত। এই কমিটিই প্রস্তাব করবে উপাচার্যের নাম। আইনজীবীরা চাইলেও নাম দিতে পারেন বলেও জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। সার্চ কমিটিতে পরিবর্তন আনতে অর্ডিন্যান্স পাশ করে রাজ্য সরকার। তাকে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় রাজভবন।

    রাজভবনের যুক্তি 

    রাজ্যপালের আইনজীবী সুস্মিতা সাহা দত্তের অভিযোগ, নতুন কমিটিতে রাজ্য সরকারের তিনজন প্রতিনিধি থাকার কথা বলা হয়েছে। যার অর্থ হল, রাজ্য কোনও সিদ্ধান্ত নিলে সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে ওই কমিটিতে তা সহজেই পাশ হয়ে যাবে। সে ক্ষেত্রে রাজ্যপালের মতামত উপেক্ষা করার সুযোগ থাকছে। এই মামলায়ই মুখ্যমন্ত্রী ও উচ্চ শিক্ষা দফতরের প্রতিনিধি রাখতে চেয়ে শীর্ষ আদালতে আবেদন জানায় রাজ্য। এদিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, এখনই ওই বিষয়টি বিবেচনা করা হবে না। রাজ্যের অধ্যাদেশ  নিয়ে যে মামলা হয়েছে, সে ব্যাপারে কলকাতা হাইকোর্টই সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ৬ অক্টোবর।

    আরও পড়ুুন: নিজ্জর খুনে আরও গাড্ডায় ট্রুডো, পাশে পেলেন না ‘ফাইভ আইজ’ অ্যালায়েন্সকেও

    রাজ্য সরকারকে এড়িয়েই রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে। আচার্যের সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার। তাদের বক্তব্য ছিল, রাজ্যপাল যে পদ্ধতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ করেছেন, তা বৈধ নয়। এদিকে, উপাচার্য নিয়োগ মামলায় রাজ্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির তালিকা সহ একাধিক তথ্য জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট। শুধু তাই নয়, রাজ্যে বর্তমানে উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে কী নিয়ম রয়েছে, সেই নিয়মে কোনও পরিবর্তন করা হয়েছে কিনা, তাও জানানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Ram Mandir: ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন রাম মন্দিরের, প্রাণ প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী

    Ram Mandir: ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন রাম মন্দিরের, প্রাণ প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৯ সালে নভেম্বরের সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয় রাম মন্দির (Ram Mandir) নির্মাণের পক্ষে। এরপরেই তোড়জোড় শুরু হয় মন্দির নির্মাণের। ২০২০ সালের ৫ অগাস্ট মন্দিরের ভূমি পূজন করেন প্রধানমন্ত্রী। তারপর থেকেই আগ্রহ এবং কৌতূহল দুটোই বাড়ছিল যে কবে উদ্বোধন হবে রাম মন্দিরের! এবার নির্মিত রাম মন্দিরের উদ্বোধনের দিনক্ষণও স্থির হয়ে গেল। রাম মন্দির (Ram Mandir) কনস্ট্রাকশন কমিটির চেয়ারপার্সন নৃপেন্দ্র মিশ্র জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরের উদ্বোধন হবে এবং রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিতর্কের অবসান আগেই করেছিল সুপ্রিম কোর্ট, রাম মন্দির নির্মাণের পক্ষে রায়দানের মাধ্যমে, এবার মন্দির উদ্বোধন হলে পূর্ণতা পাবে সুপ্রিম কোর্টের রায়, এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    ২০ থেকে ২৪ জানুয়ারির মধ্যে প্রাণ প্রতিষ্ঠা

    রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা ২০ থেকে ২৪ জানুয়ারির মধ্যে যে কোনও শুভ মুহূর্তে হবে বলে জানিয়েছেন মন্দির কমিটির চেয়ারম্যান। প্রসঙ্গত, ১৪ জানুয়ারি মকর সংক্রান্তি, সেদিন গর্ভগৃহে রামলালার মূর্তি স্থাপন করা হবে। এরপর ১০ দিন ধরে চলবে আচার-অনুষ্ঠান। রাম মন্দির (Ram Mandir) নির্মাণ কমিটির চেয়ারপার্সন আরও জানিয়েছেন চলতি বছরের ডিসেম্বরেই তিন তলা মন্দিরের  একতলার কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে। 

    কবে খুলছে রাম মন্দিরের দরজা 

    রাম মন্দির (Ram Mandir) নির্মাণের ক্ষেত্রে নির্মাণশৈলী বিশেষভাবে করা হয়েছে। নৃপেন্দ্র মিশ্র আরও জানিয়েছেন যে মন্দিরের শিখরে এমন একটি জিনিস বসানো হচ্ছে যাতে প্রতি বছর রামনবমীর দিন সূর্যের আলো ঠিক রামের মূর্তির মাথায় পড়বে। এটির নির্মাণকার্য ইতিমধ্যে চলছে বেঙ্গালুরুতে। ২০২৪ সালের ২৪ জানুয়ারি সাধারণ মানুষের জন্য রাম মন্দিরের দরজা খুলে দেওয়া হবে বলেও জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, রাম মন্দির তৈরি হচ্ছে আড়াই একর জমির উপরে। মন্দির প্রাঙ্গণে রয়েছে প্রায় আট একর জায়গায়।

     

    আরও পড়ুুন: রোজগার মেলায় ফের চাকরি বিলি, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে নিয়োগপত্র নিলেন ৫১ হাজার জন

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: হাই-অ্যালার্ট মণিপুরে! দুই পড়ুয়াকে খুনের জের, ফের পাঁচ দিন বন্ধ ইন্টারনেট

    Manipur Violence: হাই-অ্যালার্ট মণিপুরে! দুই পড়ুয়াকে খুনের জের, ফের পাঁচ দিন বন্ধ ইন্টারনেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও অশান্ত মণিপুর (Manipur Violence)। এক নাবালক ও নাবালিকার মৃত্যু ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল রাজধানী ইম্ফল(Imphal)। হিংসা  আটকানোর জন্য আগামী পাঁচদিন ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করার নির্দেশ জারি করা হয়েছে। দুই কিশোর-কিশোরীর হত্য়ার তদন্ত সিবিআই(CBI)-র হাতে তুলে দিয়েছে মণিপুর সরকার। বুধবারই বিশেষ বিমানে ইম্ফলে যাচ্ছে সিবিআইয়ের দল। থাকবেন সিবিআইয়ের স্পেশাল ডিরেক্টর অজয় ভাটনগরও।

    রাজ্য জুড়ে হাই-অ্যালার্ট 

    গত জুলাই মাস থেকে এক কিশোর ও কিশোরী নিখোঁজ ছিল। সম্প্রতিই ওই দুইজনকে নৃশংসভাবে খুন করার ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। এরপরই নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায়। প্রায় শতাধিক পড়ুয়া বিক্ষোভ দেখাতে মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংয়ের বাড়ির দিকে রওনা দেয়। মৃত দুই পড়ুয়াই মেইতেই সম্প্রদায়ের বলে জানা গিয়েছে। এরপরেই নতুন করে সতর্কতা জারি করা হয়েছে মণিপুর (Manipur Violence) জুড়ে। সে রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনকে হাই-অ্যালার্টে থাকতে বলা হয়েছে। অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে উত্তপ্ত বেশ কয়েকটি জায়গায়। 

    বন্ধ ইন্টারনেট পরিষেবা

    প্রায় দু’মাস বন্ধ থাকার পরে গত ২৫ জুলাই গোষ্ঠীহিংসা দীর্ণ মণিপুরে (Manipur Violence) আংশিক ভাবে ফিরেছিল ইন্টারনেট পরিষেবা। প্রাথমিক ভাবে যাঁদের স্থায়ী ব্রডব্র্যান্ড সংযোগ রয়েছে, তাঁদেরই কেবল ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ফের উত্তেজনা ছড়ানোয় রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব টি রঞ্জিত সিংহ এক নির্দেশিকায় জানিয়েছিলেন, ‘আপৎকালীন পরিস্থিতি এবং জননিরাপত্তা আইন’ মেনে সাময়িক ভাবে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার প্রস্তাবে অনুমোদন মিলেছে। মঙ্গলবার থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে কার্যকর হল ইন্টারনেট পরিষেবা স্তব্ধ রাখার সেই সিদ্ধান্ত। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, মণিপুরে মোবাইল ইন্টারনেট ডেটা পরিষেবার উপর সাময়িক বিধিনিষেধ পরবর্তী পাঁচ দিন চলবে। আগামী ১ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত বহাল থাকবে নিষেধাজ্ঞা। তার পর বিষয়টি পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে।

    মণিপুরে সিবিআই

    মঙ্গলবার রাতেই মণিপুরের (Manipur Violence) মুখ্য়মন্ত্রী এন বীরেন সিং জানান, ওই দুই নাবালিকার মৃত্যুর তদন্ত সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ এবং ঘটনার সমস্ত আপডেট জানানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি। এরপরই জানা যায় যে বুধবারই বিশেষ বিমানে মণিপুরে যাচ্ছে সিবিআইয়ের দল। সূত্রের খবর, তদন্তকারীদের দলে থাকবেন সিবিআইয়েরর সেকেন্ড-ইন কম্য়ান্ড অজয় ভাটনগর। ইতিমধ্যেই মণিপুরে উপস্থিত রয়েছেন সিবিআইয়ের যুগ্ন ডিরেক্টর ঘনশ্যাম উপাধ্যায়। এছাড়াও তদন্তকারী দলে স্পেশাল ক্রাইমের একাধিক শীর্ষ কর্তারা উপস্থিত থাকবেন, যারা ঘটনাস্থল পুনর্নিমাণ, জেরা ও টেকনিক্যাল সার্ভেল্যান্সে পারদর্শী। সেন্ট্রাল ফরেনসিক ল্যাবরেটরির আধিকারিকরাও যাচ্ছেন মণিপুরে।

    আরও পড়ুন: ভারতের পাশেই শ্রীলঙ্কা, বন্দরে নোঙর করতে দিল না চিনা জাহাজ

    মণিপুরে শান্তি ফেরাতে সক্রিয় সরকার

    গত চার মাস ধরে হিংসা বিধ্বস্ত মণিপুর (Manipur Violence)। পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নিয়েছিল। যদিও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছিল মণিপুর। শিথিল করা হয়েছিল সে রাজ্যের একাধিক জেলায় জারি থাকা কার্ফু। মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে মণিপুর প্রসঙ্গে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানান, মণিপুরে সমস্যা বহুদিন ধরেই।  রাজ্য এমনকি দেশের বাইরে থেকেও মণিপুরে ঢোকেন বহু মানুষ। অশান্তির পিছনে এটি একটি বড় কারণ। সঙ্গে জাতিগত সমস্যাও রয়েছে। তবে, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার মিলে মণিপুরে শান্তি ফেরাতে সক্রিয়। খুব শীঘ্রই উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে স্থিতাবস্থা ফিরবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • PM Modi: রোজগার মেলায় ফের চাকরি বিলি, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে নিয়োগপত্র নিলেন ৫১ হাজার জন

    PM Modi: রোজগার মেলায় ফের চাকরি বিলি, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে নিয়োগপত্র নিলেন ৫১ হাজার জন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় যখন হা-চাকরি দশা, তখন রোজগার মেলা করে তরুণদের হাতে চাকরি তুলে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। মঙ্গলবার তিনি চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দিলেন ৫১ হাজার চাকরিপ্রার্থীর হাতে। এর মধ্যে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের ১ হাজার চাকরিপ্রার্থীও রয়েছেন।

    বাংলায় হা-শিল্প দশা

    নিয়োগ কেলেঙ্কারির জেরে ল্যাজেগোবরে দশা তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের। শিল্প না থাকায় নিয়োগ বন্ধ বললেই চলে। নানা কেলেঙ্কারিতে তৃণমূলের নেতাদের একাংশ ফেঁসে যাওয়ায় সরকারি চাকরিতে নিয়োগও সেভাবে হচ্ছে না বলে অভিযোগ। এমতাবস্থায় কয়েক মাস ছাড়াই হাজার হাজার চাকরিপ্রার্থীর হাতে চাকরি তুলে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন দেশজুড়ে ৪৬টি জায়গায় রোজগার মেলার আয়োজন করা হয়েছিল। এর মধ্যে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের রাজধানী পোর্ট ব্লেয়ারেও একটি ক্যাম্প করা হয়েছিল।

    নিয়োগপত্র পেলেন ৫১ হাজার

    এই রোজগার মেলা থেকেই ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের তরুণদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। এদিন যাঁরা চাকরি পেলেন তাঁদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সরকারি প্রকল্পে প্রযুক্তির ব্যবহার দুর্নীতি, জটিলতা রোধ করেছে। বাড়িয়েছে বিশ্বাসযোগ্যতা ও স্বাচ্ছন্দ্য।” মাস তিনেক আগেও রোজগার মেলার মাধ্যমে ৭০ হাজার চাকরিপ্রার্থীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেবার ২০টি রাজ্যের ৪৩টি জায়গার তরুণের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিয়েছিলেন তিনি। এদিন নিয়োগপত্র দিলেন ৫১ হাজার জনকে।

    আরও পড়ুুন: “ট্রুডো মিথ্যা কথা বলেন”, কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে তোপ শ্রীলঙ্কার

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনের আগে আরও বেশি তরুণের কর্মসংস্থান হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। সেই মতো রোজগার মেলার মাধ্যমে নিয়োগপত্র তুলে দিচ্ছেন চাকরিপ্রার্থীদের হাতে। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “২০৪৭ সালের মধ্যে ভারত উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার শপথ নিয়েছে ভারত। আগামী কয়েক বছরেই ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে। ভারতের জিডিপি দ্রুত বাড়ছে। বিশ্ব অর্থনীতিতে সমস্যা থাকা সত্ত্বেও এগিয়ে চলেছে ভারত। উৎপাদন ও রফতানি ক্ষেত্রে ব্যাপক বৃদ্ধি হয়েছে।” তিনি বলেন, “বর্তমানে ভারতে যে পরিমাণ টাকা বিনিয়োগ হচ্ছে, তা আগে কখনও হয়নি।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রযুক্তি ব্যবহার করে গত ৯ বছরে কীভাবে প্রশাসনিক কাজকর্ম অনায়াস হয়েছে, তা তো দেশবাসী চোখেই দেখেছেন।”

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Waheeda Rehman: ২০২১ সালের দাদাসাহেব ফালকে আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন ওয়াহিদা রহমান

    Waheeda Rehman: ২০২১ সালের দাদাসাহেব ফালকে আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন ওয়াহিদা রহমান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিনেমা জগতে দেশের সর্বোচ্চ দাদাসাহেব ফালকে সম্মানে ভূষিত হলেন প্রবীণ তথা কিংবদন্তী অভিনেত্রী ওয়াহিদা রহমান (Waheeda Rehman)। চলচ্চিত্র জগতে তাঁর অবদানের জন্য তাঁকে ২০২১ সালের দাদাসাহেব ফালকে বিশেষ আজীবন সম্মাননায় ভূষিত করা হচ্ছে। মঙ্গলবার, এই ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর।

    ওয়াহিদা রহমানের (Waheeda Rehman) অভনীত ‘গাইড’, ‘পেয়াসা’, ‘কাগজনকে ফুল’ ‘চৌধবী কা চাঁদ’ ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে অমর হয়ে রয়েছে। বিশেষ করে ১৯৬৫ সালে মুক্তি পাওয়া ‘গাইড’ ছবি। প্রয়াত কিংবদন্তী অভিনেতা দেব আনন্দের সঙ্গে তাঁর এই ছবি সেই সময়ে দেশে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। প্রসঙ্গক্রমে, আজ প্রয়াত দেব আনন্দের ১০০ তম জন্মদিন। দেব আনন্দ নিজে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার পেয়েছিলেন ২০০২ সালে। এদিকে, ওয়াহিদা নিজে এর আগে পদ্মভূষণ, পদ্মশ্রী সম্মানের ভূষিত হয়েছেন। 

    মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর কী জানালেন?

    এদিন এই পুরস্কারের ঘোষণা নিজের ট্যুইটার (অধুনা এক্স) হ্যান্ডলে করেন অনুরাগ ঠাকুর। সেখানে তিনি বলেন, “ওয়াহিদা রহমানজিকে (Waheeda Rehman) ভারতীয় চলচ্চিত্রে অসাধারণ অবদানের জন্য, এই বছর দাদাসাহেব ফালকে লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট সম্মাননা প্রদান করা হল। এই ঘোষণায় আমি অত্যন্ত আনন্দ অনুভব করছি। হিন্দি সিনেমায় তাঁর বৃহৎ অবদানের মাধ্যমে বিপুল প্রশংসা অর্জন করেছেন তিনি। যার মধ্যে ‘সাহেব বিবি অউর গোলাম’, ‘খামোশি’, ‘পেয়াসা’, ‘কাগজনকে ফুল’ ‘চৌধবী কা চাঁদ’ সহ আরও অনেক সিনেমার জন্য সুখ্যাতি অর্জন করেছেন তিনি। পাঁচদশকের বেশি সময় ধরে ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্পে বিশেষ অবদান রেখেছেন তিনি।”

    মন্ত্রী আরও বলেন, “একদিকে সংসদে যেমন নারী শক্তি বিল পাশ হয়েছে, তেমনি আবার সিনেমা জগতে নারী চরিত্রকে দাদা দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে সম্মানিত করা হচ্ছে। এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ সময়। তিনি একজন ভারতীয় নারী শক্তির প্রকৃষ্ট উদাহরণ যিনি, কঠোর পরিশ্রমের সঙ্গে নাম করেছেন পেশাদার দুনিয়াতেও। মানব সমাজের কল্যাণের জন্য সিনেমা জগতে নেতৃত্ব দিয়েছেন ওয়াহিদা রহমান (Waheeda Rehman)। নিজেকে চলচ্চিত্র শিল্পে উৎসর্গ করেছেন তিনি। আমাদের সমাজ জীবনে চলচ্চিত্র একপ্রকার ইতিহাস নির্মাণ করে, আর সেই ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।” আর তাই অভিনেত্রী ওয়াহিদা রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর বলেন, “আমি তাঁকে অভিনন্দন জানাই এবং সমস্ত কাজের জন্য শুভেচ্ছা জানাই।” 

    সম্মান পেয়ে কী প্রতিক্রিয়া ওয়াহিদা রহমানের?

    অভিনেত্রী (Waheeda Rehman) বলেন, ‘‘এটি একটি বিশাল সম্মানের যে ভারত সরকার আমাকে এমন একটি মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে ভূষিত করার জন্য বেছে নিয়েছে। আমার প্রিয় সহ-অভিনেতা প্রয়াত দেব সাবের (দেব আনন্দ)-এর জন্ম শতবর্ষে এই স্বীকৃতি আমার কাছে আসায় আমি খুবই কৃতজ্ঞ। এটি ঘোষণা করার জন্য এর চেয়ে ভালো দিন আর কী হতে পারে! আমি সমগ্র চলচ্চিত্র জগৎ এবং আমার ভক্তদের ধন্যবাদ জানাতে চাই, যারা সর্বদা আমার কেরিয়ারে আমাকে সমর্থন করেছে এবং আজও একইরকম সম্মান করে। আমি আমার বন্ধু এবং আমার পরিবারের জন্য ঈশ্বরের কাছে কৃতজ্ঞ। আমি সত্যিই খুব খুশি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nuh Clash: নুহ-র যে পোস্টারে ছড়িয়েছিল হিংসা, তা সাঁটিয়েছিল আশিফ, জানাল হরিয়ানা পুলিশ

    Nuh Clash: নুহ-র যে পোস্টারে ছড়িয়েছিল হিংসা, তা সাঁটিয়েছিল আশিফ, জানাল হরিয়ানা পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকটি পোস্টারকে ঘিরে অশান্ত হয়ে উঠেছিল হরিয়ানার নুহ, গুরগ্রাম সহ বিভিন্ন এলাকা। ৩১ জুলাই ব্রিজমণ্ডল জলাভিষেক যাত্রায় অংশ নেওয়া হিন্দু পুণ্যার্থীদের ওপর আছড়ে পড়েছিল হিংসা (Nuh Clash)। এই ঘটনায় হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ভিএইচপিকে দায়ী করে মুসলমান এবং বাম ঘেঁষা পত্রপত্রিকাগুলি। যদিও আসল সত্য প্রকাশ করল হরিয়ানা পুলিশ।

    আশিফ লোহার ছাঁট ব্যবসায়ী

    জানা গিয়েছে, সেদিনের ওই পোস্টার সেঁটে ছিল আশিফ নামে এক যুবক। সে পেশায় লোহার ছাঁট ব্যবসায়ী। এহেন আশিফকে গ্রেফতার করে পুলিশ। টানা জেরায় নিজের দোষ কবুলও করে সে। হিন্দি দৈনিক ভাস্করের দাবি, গুরগ্রামের পুলিশ জানিয়েছে, জলাভিষেক যাত্রার ঠিক একদিন আগে সেক্টর ৬৯ এ যে পোস্টারগুলি সাঁটানো হয়েছিল, সেগুলি সাঁটিয়েছিল আশিফ। এই পোস্টারগুলিতে জলাভিষেকের আগে মুসলমানদের এলাকা খালি করে দিতে বলা হয়েছিল। তার জেরেই এলাকায় দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে হিংসা (Nuh Clash)।

    হিন্দুদের শোভাযাত্রায় হামলা

    ৩১ জুলাই জলাভিষেক যাত্রায় অংশ নেন হিন্দু পুণ্যার্থীরা। আচমকাই হিন্দুদের ওই যাত্রায় হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। মিছিল লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয়। ভাঙচুর করা হয় গাড়ি। এর পরেই শুরু হয় হিংসা। এলাকার একটি মসজিদ লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালানো হয়। সেক্টর ৫৭-এর অঞ্জুমান জামা মসজিদে আগুন লাগিয়ে দেয় উত্তেজিত জনতা। গুলির ঘায়ে মসজিদের ইমাম সহ মৃত্যু হয় চারজনের। এঁদের মধ্যে দুজন হোমগার্ড ও স্থানীয় এক বাসিন্দাও ছিলেন। পুলিশ জানায়, জলাভিষেক যাত্রার দিনের ওই হিংসায় অন্তত ৬০ জন জখম হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। যাঁরা জখম হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অনেকেই পুলিশ কর্মী।

    বাম ঘেঁষা কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমের পাশাপাশি ইসলামিস্ট সোশ্যাল মিডিয়া চ্যানেল (Nuh Clash) দাবি করেছিল, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের শোভাযাত্রার আগে এলাকা খালি করে দেওয়ার পোস্টারে ভয় পেয়েছিলেন মুসলিমরা। এক্স হ্যান্ডেলে তারা লিখেছে, কর্মসূত্রে আসা মুসলমানেরা ভয় পেয়ে গিয়েছিল। কারণ পোস্টারে লেখা হয়েছে দু দিনের মধ্যে জায়গা খালি না করলে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হবে।

    আরও পড়ুুন: “কিছু শহুরে মাওবাদী এখন কংগ্রেস চালাচ্ছে”, ভোপালের জনসভায় তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    পুলিশকে আশিফ জানায়, ব্যবসায়িক শত্রুতার জেরে মোজেদের বাড়ি ও স্ক্র্যাপইয়ার্ডের সামনে পোস্টারগুলি সাঁটায় সে। পোস্টার সাঁটানোর পরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। এই পরিস্থিতিরই সুযোগ নিয়ে আশিফ একচেটিয়া ব্যবসা করার মতলবে ছিল। বিশেষ উদ্দেশ্যেই সে পোস্টারে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের নাম ব্যবহার করেছিল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • AIADMK: এনডিএ শিবির ছাড়ল জয়ললিতার দল এআইএডিএমকে, কেন জানেন?

    AIADMK: এনডিএ শিবির ছাড়ল জয়ললিতার দল এআইএডিএমকে, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট ছাড়ল এআইএডিএমকে (AIADMK)। বিজেপির তামিলনাড়ু নেতৃত্বের প্রতি বিষোদ্গার করে এনডিএ ছাড়ল জয়ললিতার দল। কংগ্রেস-ডিএমকে জোটকে হারাতে এনডিএ শিবিরে ভিড়েছিলেন এআইএডিএমকে নেতৃত্ব।

    কী বলছেন এআইএডিএমকে নেতৃত্ব?

    বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের মসনদে বসে কংগ্রেস-ডিএমকে জোট। লোকসভা নির্বাচনের আগে এনডিএতে বিশেষ সুবিধা হবে না আঁচ করেই জয়ললিতার দল এনডিএ ছাড়ল বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের। সোমবার দলের ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর কেপি মুনুসামি বলেন, “এআইএডিএমকের সভায় সর্ব সম্মতিক্রমে একটি প্রস্তাব পাশ হয়েছে। এআইএডিএমকে আজ থেকে বিজেপি এবং এনডিএ জোটের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করছে।”

    মানহানিকর বিবৃতির প্রতিবাদ!

    তিনি বলেন, “বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব গত এক বছর ধরে আমাদের প্রাক্তন নেতা, আমাদের সাধারণ সম্পাদক ইপিএস এবং আমাদের কর্মীদের সম্পর্কে ক্রমাগত অপ্রয়োজনীয় মন্তব্য করে চলেছেন।” দলীয় নেতৃত্বের দাবি, এই পদক্ষেপটি এক বছরেরও বেশি সময় ধরে এআইএডিএমকে ও তাদের নেতাদের ওপর বিজেপির আক্রমণ ও মানহানিকর বিবৃতির প্রতিবাদ।

    দিন কয়েক আগে সনাতন ধর্ম নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন ডিএমকে নেতা তথা তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনের পুত্র উদয়নিধি। তিনিও মন্ত্রিসভার সদস্য। উদয়নিধির মন্তব্যের প্রতিবাদ করে বিজেপি। এই আবহে তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা দ্রাবিড়ীয় আইকন সিএন আন্নাদুরাই সম্পর্কে  বিজেপির তামিলনাড়ু নেতৃত্ব বিতর্কিত মন্তব্য করেন বলেন অভিযোগ। কী ডিএমকে, কী এআইএডিএমকে (AIADMK) তামিলনাড়ুর কোনও রাজনৈতিক দলই আন্নাদুরাই সম্পর্কে কটু কথা শুনতে রাজি নয়। তাছাড়া লোকসভা নির্বাচন নিয়ে আসন ভাগাভাগি নিয়েও এনডিএর সঙ্গে এআইএডিএমকের অশান্তি হচ্ছিল বলে খবর। সেই কারণেও বাড়ছিল দূরত্ব।

    সর্বোপরি, গত লোকসভা নির্বাচন এবং একুশের বিধানসভা নির্বাচনে এনডিএর সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে বিশেষ সুবিধা করতে পারেনি জয়ললিতার দল। তার জেরে এনডিএ থেকে বেরিয়ে আসার চাপ তৈরি হচ্ছিল দলের নিচুতলায়। রাজনৈতিক মহলের মতে, সেই কারণেই এনডিএ শিবির ছাড়তে বাধ্য হল জয়ললিতার দল।

    আরও পড়ুুন: “কিছু শহুরে মাওবাদী এখন কংগ্রেস চালাচ্ছে”, ভোপালের জনসভায় তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    প্রসঙ্গত, এই প্রথম নয়, এর আগেও আখের গুছোতে বিজেপির হাত ধরেছিল জয়ললিতার দল। ১৯৯৮, ২০০৪ এবং ২০১৯ সালে বিজেপির সঙ্গে জোট গঠন করে লড়াইয়ের ময়দানে নামে এআইএডিএমকে (AIADMK)। ’৯৮ সালে লোকসভা নির্বাচনের পর বছর ঘুরতে না ঘুরতেই অটল বিহারী বাজপেয়ী সরকারের ওপর থেকে সমর্থন তুলে নেন জয়ললিতা। তার জেরে পতন হয় বাজপেয়ী সরকারের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “কিছু শহুরে মাওবাদী এখন কংগ্রেস চালাচ্ছে”, ভোপালের জনসভায় তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: “কিছু শহুরে মাওবাদী এখন কংগ্রেস চালাচ্ছে”, ভোপালের জনসভায় তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কংগ্রেস দেউলিয়া এবং মরচে পড়া লোহা। কিছু শহুরে মাওবাদী এখন দল চালাচ্ছে।” সোমবার মধ্যপ্রদেশের ভোপালে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর মতে, দেশজুড়ে নেতিবাচকতার ভাইরাস ছড়াচ্ছে কংগ্রেস। চলতি বছরই বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে মধ্যপ্রদেশে। তার আগে বিজেপির তরফে আয়োজন করা হয়েছে ‘কার্যকর্তা মহাকুম্ভে’র।

    মোদির নিশানায় কংগ্রেস 

    এই মহাকুম্ভেই ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নিশানা করেন কংগ্রেসকে। তিনি বলেন, “আমাকে বলুন, কংগ্রেস আপনাদের জন্য কী ভাল কাজ করেছে। এই দল এটা নিশ্চিত করেছে যে আপনি ও লোকেরা যাতে অনুন্নয়নে আটকে থাকেন, জীবিকার অভাবে দারিদ্র ও হতাশার মধ্যে ডুবে থাকেন।” এর পরেই তিনি বলেন, “কংগ্রেস দেউলিয়া ও মরচে পড়া লোহা। কিছু শহুরে মাওবাদী এখন দল চালাচ্ছে। আর বিজেপি সরকার মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নীত করার জন্য আন্তরিকভাবে কাজ করছে।”

    ‘প্রতিশ্রুতি পূরণ করেনি কংগ্রেস’

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “কংগ্রেস ৫০ বছর আগে দারিদ্র দূর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু তাতে তারা ব্যর্থ হয়েছে।” তাঁর প্রশ্ন, “মধ্যপ্রদেশকে কি আপনারা আবার কংগ্রেস আমলের মতো অসুস্থ রাজ্যে পরিণত করতে চান? আপনাদের রাজ্যে আবার দুর্নীতিবাজদের লুটপাট দেখতে চান?” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মধ্যপ্রদেশের উন্নয়নকে বিজেপি সরকার অগ্রাধিকার দেবে। যদি বিজেপি ক্ষমতায় থাকে এবং মোদির নেতৃত্বে থাকে, তবে আপনাদের উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে।”

    আরও পড়ুুন: ইন্ডি জোটের অন্দরে ফের তাল ঠোকাঠুকি! রাঘবের মেগা বিয়েকে ঘিরে আপকে বিঁধল কংগ্রেস

    কংগ্রেসের পাশাপাশি এদিন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) আক্রমণ শানান বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ইন্ডিকে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যে দলটি একদিন সংসদে মহিলা সংরক্ষণ বিলের বিরোধিতা করতে চেয়েছিল, এবার কিন্তু আইনটির জন্য অপ্রতিরোধ্য সমর্থনের মুখে তাঁদের অন্য কোনও বিকল্প ছিল না।” তিনি বলেন, “কংগ্রেস যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন মহিলা সংরক্ষণ বিল কেন পাশ করেনি? অন্য জোটের শরিকদের বিপথে নিয়ে যাওয়ার জন্য অহংকারী জোটকে নেতৃত্ব দিতে চায় কংগ্রেস। এই দলের হতাশা স্পষ্ট এবং এখন তারা জনগণকে বিভ্রান্ত করবে এবং যুবক ও মহিলাদের বিভ্রান্ত করবে। কংগ্রেস সেই দল যারা দ্রৌপদী মুর্মুকে দেশের রাষ্ট্রপতি হতে দেখতে চায়নি।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Vande Bharat Express: শতাব্দী, রাজধানীর জায়গা নেবে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, কেন জানেন?

    Vande Bharat Express: শতাব্দী, রাজধানীর জায়গা নেবে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে হলে এতদিন ভরসা ছিল শতাব্দী এক্সপ্রেস কিংবা রাজধানী এক্সপ্রেস। এবার এই ট্রেনগুলোর জায়গা নিতে চলেছে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস (Vande Bharat Express)। এতদিন সব মিলিয়ে ২৫টি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চলত। রবিবার আরও ৯টি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের যাত্রার সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    ৪০০টি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস

    জানা গিয়েছে, যাত্রীদের রেলযাত্রা সুখকর করতে আগামী চার বছরে অন্তত ৪০০টি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালাবে রেল। খুব শীঘ্রই চলবে দেশের প্রথম স্লিপার বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। অত্যাধুনিক এই ট্রেন তৈরি হচ্ছে প্রোটোটাইপ ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরিতে। প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার চলবে মুম্বই দিল্লি রুটে। রাজধানী কিংবা শতাব্দী এক্সপ্রেসে যেসব সুযোগ-সুবিধা মেলে না, সেগুলো মিলবে বন্দে ভারত স্লিপারে। এটি হবে সম্পূর্ণভাবে শক প্রুফ। তাই যাত্রীদের কোনও ঝাঁকুনি লাগবে না।

    বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের বৈশিষ্ট্য 

    অলোক কুমার মিশ্র, ডিরেক্টর অ্যান্ড জেনারেল ম্যানেজার (মেকানিক্যাল), কাইনেক্ট স্পেশাল পারপাস ভেহিকল, আরভিএনএল বলেন, স্লিপার বন্দে ভারত এক্সপ্রেসটি (Vande Bharat Express) ঘণ্টায় ১৬০ কিমি বেগে ছুটবে। ০ থেকে ১০০ কিলোমিটারে পৌঁছতে লাগবে ৬০ সেকেন্ডের কম সময়। সর্বোচ্চ গতি হবে ২০০ কিমি। রাজধানী কিংবা শতাব্দীও ১৬০ কিমি প্রতি ঘণ্টায় ছোটে। তবে সেখানে গতি বাড়াতে হয় ধীরে ধীরে। কম্পন কিংবা শক না থাকায় বন্দে ভারতের যাত্রীরা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন বেশি। রেলওয়ে ট্র্যাক এবং কোচের ক্ষতিও হবে কম। বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের দরজা স্বয়ংক্রিয়। ট্রেনে রয়েছে জিপিএস, ফায়ার সেন্সর এবং ওয়াইফাইয়ের মতো ব্যবস্থা। প্রত্যেক সিটে থাকবে চার্জিং পয়েন্ট। যাত্রীদের জন্য কোচে থাকবে টিভিও।

    আরও পড়ুুন: ইন্ডি জোটের অন্দরে ফের তাল ঠোকাঠুকি! রাঘবের মেগা বিয়েকে ঘিরে আপকে বিঁধল কংগ্রেস

    অলোক জানান, প্রাথমিকভাবে ট্রেনটি (Vande Bharat Express) হবে ১৬ কোচের। পরে ধীরে ধীরে বাড়িয়ে করা হবে ২৪ কোচ। ১৬ কোচের ট্রেনটির ১১ এসি তিন কোচ, চার এসি দুই কোচ এবং ১ এসি ফার্স্ট ক্লাস কোচ থাকবে। জানা গিয়েছে, বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের কোচ হচ্ছে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ কর্মসূচির আওতায়। পুরো ট্রেনটিই তৈরি হচ্ছে ভারতে। বন্দে ভারতের ভাড়া রাজধানী কিংবা শতাব্দীর চেয়ে ঢের বেশি। রেলমন্ত্রক মনে করছে, আরও বেশি করে বন্দে ভারত চালালে লাভের অঙ্ক বাড়বে। তাই চেয়ার কারের পাশাপাশি স্লিপার ও জেনারেল ক্লাসের বন্দে ভারত চালানোর পরিকল্পনা করছে রেল। আপাতত স্লিপার ক্লাসের ট্রেনই বেশি করে চালানোর চেষ্টা চলছে বলে রেল সূত্রে খবর। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Raghav Chadha Marriage: ইন্ডি জোটের অন্দরে ফের তাল ঠোকাঠুকি! রাঘবের মেগা বিয়েকে ঘিরে আপকে বিঁধল কংগ্রেস

    Raghav Chadha Marriage: ইন্ডি জোটের অন্দরে ফের তাল ঠোকাঠুকি! রাঘবের মেগা বিয়েকে ঘিরে আপকে বিঁধল কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি আম আদমি পার্টির নেতা। অথচ বিয়ে করতে গিয়ে তিনি পরেছেন ১০ লাখি পোশাক! আপ সাংসদ রাঘব চাড্ডার বিয়ে হয়েছে অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়ার সঙ্গে (Raghav Chadha Marriage)। এই মেগা বিয়েকে কেন্দ্র করে অশান্তি দেখা দিয়েছে ইন্ডি (INDI) জোটের অন্দরে। রাঘবকে কটাক্ষ করেছে কংগ্রেস। ঘটনাচক্রে এই দুই দলই রয়েছে বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ইন্ডিতে।

    অশান্তি ইন্ডি জোটে

    ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে ধরাশায়ী করতে জোট বেঁধেছে পদ্ম-বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল। জোটের নাম হয়েছে ‘ইন্ডিয়া’। এই ‘ইন্ডিয়া’র অন্দরেই নিত্য চলছে তাল ঠোকাঠুকি। জোটে থাকলেও, পঞ্জাবে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে লড়বে বলে আগেই জানিয়ে দিয়েছেন আপ নেতৃত্ব। এখানে যে কোনও আসন সমঝোতা হবে না, তাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে কেজরিওয়ালের দলের তরফে। তার জেরে আপ-কংগ্রেস দু’ পক্ষেই চলছিল আস্তিন গোটানোর কাজ।

    কটাক্ষ-বাণ কংগ্রেসের

    রাঘব-পরিণীতির বিয়েকে (Raghav Chadha Marriage) কেন্দ্র করে হাতে অস্ত্র পেয়ে যায় কংগ্রেস। তার পরেই হাত শিবিরের পক্ষ থেকে নিক্ষেপ করা হয় কটাক্ষ-বাণ। আপ সুপ্রিমো তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবত মানকে নিজের পোস্টে ট্যাগ করে কংগ্রেস বিধায়ক সুখপাল সিং খাইরারের প্রশ্ন, “এঁরা যদি আম আদমি হন, তবে খাস (ভিভিআইপি) কে?”  রাঘবের আয়কর রিটার্নের হিসাবও পোস্ট করেছেন সুখপাল। তিনি লিখেছেন, “একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে এত বিপুল খরচ করার জন্য মানুষের কাছে জবাবদিহি করা উচিত।” তবে সাত পাকে বাঁধা পড়ার জন্য রাঘব-পরিণীতিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কংগ্রেস বিধায়ক।

    প্রসঙ্গত, রবিবার রাজস্থানের উদয়পুরের লীলা প্যালেসে বসেছিল রাঘব-পরিণীতির বিয়ের (Raghav Chadha Marriage) আসর। বিলাসবহুল বোটে চেপে বরযাত্রী নিয়ে বিয়ে করতে গিয়েছিলেন রাঘব। হোটেলের যে লাক্সারি স্যুটে বর-কনে থাকছেন, রাত পিছু তার ভাড়া প্রায় ১০ লক্ষ টাকা। এছাড়াও এই বিয়েতে বিস্তর খরচ হয়েছে বলে অভিযোগ।

    আরও পড়ুুন: উপত্যকায় বড় নাশকতার ছক ফাঁস! কাশ্মীর থেকে গ্রেফতার পাঁচ লস্কর জঙ্গি

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share