Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • PM Modi: জন্মদিনের শুভেচ্ছা-বন্যায় ভাসলেন প্রধানমন্ত্রী, রাহুল, কেজরিওয়াল কে নেই তালিকায়?

    PM Modi: জন্মদিনের শুভেচ্ছা-বন্যায় ভাসলেন প্রধানমন্ত্রী, রাহুল, কেজরিওয়াল কে নেই তালিকায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ৭৩ বছর পূর্ণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানালেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী সহ ইন্ডি জোটের নেতারা। প্রধানমন্ত্রীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও।

    ট্যুইট-বার্তা খাড়গের

    এক্স হ্যান্ডেলে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা। তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।” শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাহুল গান্ধীও।

    শুভেচ্ছা নীতীশ কুমারেরও 

    ট্যুইটারে প্রধানমন্ত্রীকে (PM Modi) শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী তথা জনতা দল ইউনাইটেড নেতা নীতীশ কুমারও। এই নীতীশ কুমারই বিজেপি বিরোধী দলগুলিকে এক ছাতার তলায় নিয়ে এসেছিলেন। বিজেপি বিরোধী সেই জোটের নাম হয়েছে ‘ইন্ডিয়া’ (INDIA)।

    ট্যুইট-বার্তায় বিহারের মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা। আমি তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।”

    এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ার লিখেছেন, “নরেন্দ্র মোদিজিকে জন্মদিনের উষ্ণ শুভেচ্ছা। আপনার সুস্বাস্থ্য, সুখ এবং সমৃদ্ধি কামনা করি।”

    কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়ন, তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আপ নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল সহ ইন্ডি জোটের প্রায় সব নেতাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীকে (PM Modi)। শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিজেপির নেতারাও।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Sanatana Dharma Row: সনাতন ধর্ম সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য, ডিএমকের উদয়নিধিকে নিশানা নির্মলার

    Sanatana Dharma Row: সনাতন ধর্ম সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য, ডিএমকের উদয়নিধিকে নিশানা নির্মলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন ধর্ম সম্পর্কে বিতর্কিত (Sanatana Dharma Row) মন্তব্য করায় এবার তামিলনাডুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনের ছেলে উদয়নিধিকে নিশানা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ। শনিবার স্ট্যালিনপুত্রর উদ্দেশে নির্মলা বলেন, “রাজ্যের একজন মন্ত্রী হয়ে ডিএমকে নেতা উদয়নিধির মনে রাখা প্রয়োজন ছিল, তিনি কী বলছেন।” সনাতন ধর্ম হিংসায় বিশ্বাস করে না বলেও মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, “উদয়নিধি যদি মনে করেন সনাতন ধর্ম সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করলেও, কোনও প্রতিক্রিয়া হবে না, তাহলে তিনি ভুল করছেন।”

    কী বললেন নির্মলা?

    চেন্নাইয়ের ওই সাংবাদিক বৈঠকে নির্মলা বলেন, “সনাতন ধর্ম নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত ডিএমকে নেতা উদয়নিধির বক্তব্যকে ঘিরে। এই ডিএমকে বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ইন্ডিয়ায় রয়েছে। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ফয়দা তুলতেই তারা এমন মন্তব্য করেছে।” কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমরা বিতর্ক শুরু করিনি। আপনারাই শুরু করেছেন। প্রত্যেকেরই মত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে। কিন্তু একজন মন্ত্রী হয়ে তাঁর একথা বলা ঠিক হয়নি। তিনি যে মন্ত্রী, তা মাথায় রাখা উচিত ছিল তাঁর।”

    সেদিনের ঘটনায় এখনও ব্যথা পাই

    কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন (Sanatana Dharma Row), “যে সব মন্তব্য হিংসা ছড়াতে উৎসাহ দেয় কিংবা হিংসায় ইন্ধন জোগায়, সে সব কথা বলা ঠিক নয়।  সংবিধানেও বলা হয়েছে, যে সব কথায় অশান্তি ছড়ায়, তা বলা ঠিক নয়।” উদয়নিধি বলেছিলেন, তাঁর দল শতবর্ষ ধরে সনাতন ধর্ম নিয়ে মন্তব্য করবে। সে প্রসঙ্গ তুলে নির্মলা বলেন, “আপনি বলতেই পারেন। তবে যে সব কথা হিংসায় ইন্ধন জোগায়, তা কারওরই বলা উচিত নয়।”

    আরও পড়ুুন: বিশ্বকর্মা ও গণেশ পুজোতে বৃষ্টি! কী বলছে হাওয়া অফিস?

    কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জানান, তিনি একটি তামিল পরিবারে বেড়ে উঠেছেন। একদিন শোভাযাত্রা করার সময় রামের প্রতিকৃতিতে ছুঁড়ে দেওয়া হয়েছিল জুতোর মালা। সেদিনের সেই ঘটনায় খারাপ লেগেছিল তাঁর। সে কষ্ট আজও (Sanatana Dharma Row) ব্যথা দেয় তাঁকে। নির্মলা বলেন, “এই হল সনাতন ধর্ম। আমরা সেদিন দাঁতের বদলে দাঁত, চোখের বদলে চোখের নীতি গ্রহণ করিনি। কিন্তু এটা যদি অন্য ধর্মের ক্ষেত্রে ঘটত, তাহলে কী হত, তা বুঝতেই পারছেন। জীবন কীভাবে যাপন করতে হয়, সেই শিক্ষা দেয় সনাতন ধর্মই।”

     

         

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • PM Modi: জনপ্রিয়তার শীর্ষে মোদি! পিছনে ফেললেন কোন কোন বড় নেতাদের?

    PM Modi: জনপ্রিয়তার শীর্ষে মোদি! পিছনে ফেললেন কোন কোন বড় নেতাদের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের জনপ্রিয় রাষ্ট্রনেতার শীর্ষে জায়গা করে নিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। মার্কিন সংস্থা ‘মর্নিং কনসাল্ট’-এর একটি সমীক্ষা অনুসারে জনপ্রিয়তার নিরিখে ৭৬ % মানুষের সমর্থন রয়েছে মোদির ঝুলিতে। বিশ্বের তাবড়-তাবড় রাষ্ট্রনেতাদের পিছনে ফেলে জনপ্রিয়তার নিরিখে শীর্ষস্থান পেলেন তিনি। তাঁর ধারে-কাছে নেই জো বাইডেন, ঋষি সুনকের মতো বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্রনেতারা। এটা দেশবাসীর জীবনযাত্রার মান উন্নীত করার নিঃস্বার্থ প্রচেষ্টা ও তাঁর প্রতি জনগণের আস্থার বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি বলে ট্যুইট করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    প্রধানমন্ত্রী মোদিকে সমর্থন

    গ্লোবাল লিডার অ্যাপ্রুভাল রেটিং ট্র্যাকার-এর রিপোর্ট অনুসারে, বিশ্বের সর্বাধিক জনপ্রিয় নেতা হিসাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সমর্থন জানিয়েছেন ৭৬ শতাংশ মানুষ। তাঁর বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন ১৮ শতাংশ মানুষ। আর ৬ শতাংশ মানুষ কোনও মতামত জানাননি। জনপ্রিয় নেতা হিসাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পরে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছেন যথাক্রমে সুইজারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলাইন বারসেট এবং মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রেস ম্যানুয়েল লোপেজ ওব্রাডর। তাঁদের প্রাপ্ত ভোট যথাক্রমে ৬৪ শতাংশ ও ৬১ শতাংশ। 

    আরও পড়ুন: ৫৪০০ কোটি ব্যয়ে নির্মিত ‘যশোভূমি’, রবিবার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, কী এক বৈশিষ্ট্য?

    আর কে কোথায়

    জনপ্রিয়তার নিরিখে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ দ্য সিলভা ৪৯ শতাংশের সমর্থন পেয়ে রয়েছেন চতুর্থ স্থানে। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবেনিজ রয়েছেন পঞ্চম স্থানে। ৪৮ শতাংশের সমর্থন পেয়েছেন তিনি। ৪২ শতাংশ ভোট পেয়ে ইটালির প্রধানমন্ত্রী রয়েছেন ষষ্ঠ স্থানে। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন পেয়েছে ৪০ শতাংশের সমর্থন। তিনি আছেন সপ্তম স্থানে। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী রয়েছেন অষ্টম স্থানে। তিনি পেয়েছেন ৩৯ শতাংশের সমর্থন। ৩৮ শতাংশের সমর্থনে আয়াল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী লিও ভারাদকর নবম স্থান পেয়েছেন। দশম স্থানে রয়েছে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। পেয়েছেন ৩৭ শতাংশের সমর্থন। ঋষি সুনকের রেটিং ২৭%, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সমর্থন ২৪ শতাংশ। প্রথম দশে স্থান হয়নি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের। স্থান হয়নি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক এবং ফরাসি রাষ্ট্রপতি ম্যাক্রোঁ-র।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anantnag Encounter: বাক্সবন্দি বাবার দেহ! কর্নেল মনপ্রীত সিংকে ‘স্যালুট’ ৬ বছরের ছেলের, নকল করল বোন

    Anantnag Encounter: বাক্সবন্দি বাবার দেহ! কর্নেল মনপ্রীত সিংকে ‘স্যালুট’ ৬ বছরের ছেলের, নকল করল বোন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরনে জলপাই উর্দি। পাশে দাঁড়িয়ে ছোট বোন। দাদাকে নকলের চেষ্টা করছে। একজনের বয়স ৬, অন্যজনের ২। দাদা-বোন কারও বোঝার ক্ষমতা তেমন হয়নি। বাড়ির সামনে রাখা আছে তাদের বাবার দেহ! সবাই কাঁদছেন, কিন্তু দুই ছেলেমেয়ের চোখে কোনও জল নেই। তারা বুঝতেই পারছে না ‘বাবা নেই’! এত লোক দেখে কিছুটা ভয় চোখে মুখে ফুটে উঠেছিল তাদের। তবে থিকথিকে ভিড়ের মধ্যে ঠিক বাবার দেহের কাছে গিয়ে টানটান ‘স্যালুট’ জানাল ৬ বছরের ছেলে। জন্মু ও কাশ্মীরের অনন্তনাগে (Anantnag Encounter) সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গে গুলির তুমুল লড়াইয়ে নিরাপত্তারক্ষীদের যে  ৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদেরই একজন কর্নেল মনপ্রীত সিং (Colonel Manpreet Singh)। শুক্রবার, পঞ্জাবের মোহালি জেলার মুল্লানপুরের গ্রামের বাড়িতে কর্নেল সিংয়ের দেহ এসে পৌঁছয়। ভিড়ে ভেঙে পড়ে এলাকা। 

    ‘শান্তিপূর্ণ’ জায়গায় পোস্টিং নেননি কর্নেল

    জঙ্গি দমনে বিভিন্ন অভিযানে যেতেই পছন্দ করতেন কর্নেল সিং। তাই এককথায় ‘পিস পোস্টিং’-এর সুযোগ প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছিলেন। তাঁর একটাই কথা, সন্ত্রাসবাদীদের ধরে ধরে খতম করবেন। পদোন্নতি পেয়েও ‘শান্তিপূর্ণ’ জায়গায় পোস্টিং নিয়ে চলে যাননি কর্নেল সিং। ভারতীয় সেনার ১৯ নম্বর রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের কর্নেল ছিলেন মনপ্রীত। এই ব্যাটালিয়ন হিজবুল মুজাহিদিনের পোস্টার বয় বুরহান ওয়ানি সহ একাধিক হাই প্রোফাইল জঙ্গি নিধনের কান্ডারি। সেইসব অভিযানে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন বছর চল্লিশের কর্নেল সিং। পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন সেনা মেডেলও।

    আরও পড়ুন: এদেশেই গোপনে গড়ে উঠেছে আইসিস-এর প্রশিক্ষণ শিবির! ৩০টি জায়গায় হানা এনআইএ-র

    ছেলেকে দেখে রাখার আর্জি

    অনন্তনাগ এনকাউন্টারে জখম হয়েছিলেন ডেপুটি সুপারিন্টেডেন্ট হুমায়ুন ভাট। এরপর তিনি নিজেই স্ত্রীকে ভিডিয়ো কল করেছিলেন বলে খবর। বলেন, “মনে হচ্ছে আর বাঁচব না। যদি আমি মারা যাই আমাদের ছেলেকে তুমি দেখ…। ” এই শেষ কথা। তারপর সব শেষ। স্ত্রী ফতিমার সঙ্গে গত বছরই বিয়ে হয়েছিল হুমায়ুন ভাটের। মাত্র ২৯ দিন আগে তাঁদের পুত্র সন্তান হয়েছিল। স্ত্রী, সন্তানকে বাড়িতে রেখে তিনি এগিয়ে গিয়েছিলেন দেশ রক্ষায়। কর্তব্যের প্রতি অবিচল। গত ১০ সেপ্টেম্বর কোকেরনাগ এলাকায় একটি তল্লাশি অভিযান (Anantnag Encounter) চালানোর সময় জঙ্গিরা গ্রেনেড ছুড়েছিল মনপ্রীত সিং ও তাঁর বাহিনীর জওয়ানদের উপর। সেই অভিযানে মৃত্যু হয় কর্নেল সিং ও তাঁর সঙ্গী মেজর আশিস ধনচাকেরও। পানিপথের বিনঝোল গ্রামের বাসিন্দা আশিসের দেহও এদিন এসে পৌঁছয় তাঁর বাড়িতে। হাজার হাজার শোকার্ত মানুষের ভিড় জমেছিল মেজরের বাড়ির সামনে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NIA Raid: এদেশেই গোপনে গড়ে উঠেছে আইসিস-এর প্রশিক্ষণ শিবির! ৩০টি জায়গায় হানা এনআইএ-র

    NIA Raid: এদেশেই গোপনে গড়ে উঠেছে আইসিস-এর প্রশিক্ষণ শিবির! ৩০টি জায়গায় হানা এনআইএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সবার অলক্ষ্যে ভারতের মধ্যেই গড়ে উঠেছে ইসলামিক স্টেটের আস্তানা! সেখানে গোপন চালানো হচ্ছে প্রশিক্ষণ শিবির! নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার সকাল থেকেই বিশাল অভিযানে নামল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা বা এনআইএ। একযোগে তামিলনাড়ু ও তেলঙ্গানার প্রায় ৩০টি জায়গায় হানা দিল এনআইএ-র দল (NIA Raid)। 

    দিল্লি বিমানবন্দরে গ্রেফতার আইএস-এর বড় মাথা!

    বৃহস্পতিবার, ওঁৎ পেতে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয় আইএস জঙ্গিগোষ্ঠীর এক বড় মাথাকে। এনআইএ সূত্রের খবর, আরাফত আলি নামে ওই জঙ্গি ওইদিন বিকেলেই কেনিয়ার নাইরোবি থেকে ভারতে আসে। দিল্লি বিমানবন্দরে নামার সঙ্গে সঙ্গেই তাকে গ্রেফতার করে এনআইএ। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ভারতে জঙ্গি কার্যকলাপ চালানোর অন্যতম চক্রী আরাফত আলি। এবারেও ভারতে নাশকতা করার পরিকল্পনা করে দিল্লিতে আসে বলে অনুমান গোয়েন্দাদের।

    ৩০ জায়গায় একসঙ্গে অভিযানে এনআইএ

    এনআইএ সূত্রে খবর, আরাফত আলিকে দফায় দফায় জেরা করে প্রচুর তথ্য পান গোয়েন্দারা। এনআইএ জানতে পারে, এদেশে গোপনে চলছে আইএস জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ। আরও জানা যায়, ওই শিবিরেই যাওয়ার কথা ছিল আরাফতের। এর পর সময় নষ্ট না করে অভিযানে নেমে পড়ে এনআইএ-র একাধিক টিম (NIA Raid)। 

    আরাফতের থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রশিক্ষণ শিবিরের খোঁজে এদিন সকাল থেকে তামিলনাড়ুর চেন্নাই, কোয়েম্বত্তুরে হানা দেন এনআইএ আধিকারিকরা। এদিন তামিলনাড়ুর ২৫টি জায়গায় একযোগে হানা দেয় এনআইএ দল। এর মধ্যে কোয়েম্বত্তুরের ২১টি জায়গা, চেন্নাইয়ের ৩টি, তেনকাসির একটি জায়গা রয়েছে। এর পাশাপাশি, তেলঙ্গানা রাজ্যের অন্তর্গত হায়গরাবাদের পাঁচচি জায়গাতেও হানা দেয় এনআইএ (NIA Raid)। 

    জোড়া বিস্ফোরণে যোগসাজস

    এর আগে, কোয়েম্বত্তুর বিস্ফোরণকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে চলতি মাসের গোড়ায় চেন্নাই থেকে গ্রেফতার করা হয় সৈয়দ নাবীল নামে আরও এক ব্যক্তিকে। এনআইএ-র অনুমান, আইএস-এর ত্রিশূর মডেলের সদস্য হল এই সৈয়দ। এর আগে, গত মার্চ মাসে ভয়েস অব খোরাসান নামে ওই সংগঠনের এক মুখপত্রে আইএস-এর তরফে উল্লেখ করা হয়েছিল যে দক্ষিণ ভারতে আইএস জঙ্গির অস্তিত্ব রয়েছে। তারা এও দাবি করে, কোয়েম্বত্তুর ও মেঙ্গালুরু বিস্ফোরণে তাদের হাত রয়েছে। যে কারণে, প্রশিক্ষণ শিবিরগুলিকে খুঁজে বের করা খুবই জরুরি বলে মনে করছে এনআইএ (NIA Raid)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • RSS: নারী সশক্তিকরণে জোর সঙ্ঘের সমন্বয় বৈঠকে, দেশজুড়ে শুরু মহিলা সম্মেলন

    RSS: নারী সশক্তিকরণে জোর সঙ্ঘের সমন্বয় বৈঠকে, দেশজুড়ে শুরু মহিলা সম্মেলন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নারী সশক্তিকরণে জোর দিচ্ছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (RSS)। শনিবার পুণেতে সমন্বয় বৈঠক শেষে  সাংবাদিক সম্মেলনে একথা জানান সঙ্ঘ নেতা মনমোহন বৈদ্য। প্রসঙ্গত ১৪ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছিল সঙ্ঘের সমন্বয় বৈঠক, এদিন তা শেষ হয়। মোট ৩৬টি শাখা সংগঠনের ২৬৬ জন নেতা এই বৈঠকে হাজির ছিলেন। বিজেপির তরফে বৈঠকে যোগ দেন সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা এবং সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) বিএল সন্তোষ। শনিবার সঙ্ঘের (RSS) সাংবাদিক বৈঠকে হাজির ছিলেন আরএসএস-এর দুই সর্বভারতীয় পদাধিকারী সুনীল আম্বেকর এবং মনমোহন বৈদ্য। সাংবাদিক বৈঠকে সঙ্ঘের কাজের রিপোর্টও প্রকাশ করেন মনমোহন বৈদ্য। তিনি জানান, ফি বছর বাড়েছে সঙ্ঘের শাখা। ২০২০ সালে সারাদেশে শাখার সংখ্যা ছিল ৬২ হাজার ৪১৯ বর্তমানে তা দাঁড়িয়েছে ৬৮ হাজার ৫৫১ তে।

    নারী সশক্তিকরণে জোর

    ২০২৫ সালে সঙ্ঘ শতবর্ষে পদার্পণ করবে। সেই লক্ষ্যে সংগঠনের কাজে মহিলাদের অংশগ্রহণ বাড়াতে জোর দিচ্ছে সঙ্ঘ (RSS)। ইতিমধ্যে শাখা সংগঠনগুলিও একাজে নেমে পড়েছে বলে জানান মনমোহন বৈদ্য। জানা গিয়েছে, সমাজে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করা মহিলাদের ১১টি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। এনজিও-এর কর্ণধার, উকিল, ডাক্তার, প্রশাসনিক আধিকারিক, লেখিকা, গ্রামস্তরের রাজনীতিবিদ, জনজাতি সমাজের মধ্যে কার্যরত মহিলাদের অংশগ্রহণ বাড়ানো হবে। দেশজুড়ে এনিয়ে মহিলা সম্মেলনও শুরু করে দিয়েছে সঙ্ঘ (RSS)। অগাস্ট থেকে শুরু হওয়া সম্মেলনগুলি চলবে জানুয়ারি পর্যন্ত। দেশের নানা প্রান্তে মোট ৪১১টি মহিলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। মনমোহন বৈদ্য জানান, ইতিমধ্যে ৭৩টি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। উৎসাহ সহকারে বিভিন্ন পেশার মহিলারা তাতে অংশগ্রহণ করেছেন। সঙ্ঘের রিপোর্ট অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত ১লাখ ২৩ হাজার মহিলা এই সম্মেলগুলিতে অংশগ্রহণ করেছেন।

    আরও পড়ুুন: পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতেরই, এবার জানিয়ে দিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহিও

    আধ্যাত্মিক স্বাধীনতা ভারতেই দেখা যায়

    এদিন স্ট্যালিন পুত্র উদয়নিধির সনাতন ধর্ম বিরোধী মন্তব্য সম্পর্কে বলতে গিয়ে মনমোহন বৈদ্য বলেন, ‘‘আধ্যাত্মিক স্বাধীনতা আমাদের দেশের অন্যতম ভিত্তি। এখানে মনে করা হয় প্রতিটি মানুষের মধ্যে ঈশ্বরের বাস। সনাতন ধর্ম বিদ্বেষী মন্তব্য যাঁরা করেন, তাঁরা জানেন না ধর্ম কী? ভারতের ধর্ম পাশ্চাত্যের রিলিজিয়নের থেকে সম্পূর্ণ পৃথক। সনাতন ধর্ম তো সর্বত্র বিরাজমান। তাইতো লোকসভায় দেখা যায়, লেখা রয়েছে ‘ধর্মচক্রপ্রবর্তন’ এবং সুপ্রিম কোর্টে ‘যথা ধর্ম তথা জয়’।’’ সঙ্ঘ (RSS) নেতা আরও জানিয়েছেন দেশের যুব সমাজের মধ্যে স্বয়ংসেবক হওয়ার বিপুল আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। প্রতিবছর ১ লাখের বেশি যুবক অনলাইনে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Jammu Kashmir: বারামুল্লার উরিতে খতম ৩ জঙ্গি, এখনও চলছে অনন্তনাগের অভিযান

    Jammu Kashmir: বারামুল্লার উরিতে খতম ৩ জঙ্গি, এখনও চলছে অনন্তনাগের অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনন্তনাগে জঙ্গি হামলায় ৩ অফিসার সহ চার জওয়ানের মৃত্যুর ২ দিন পর জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) বারামুল্লায় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে খতম হল ৩ জঙ্গি (Baramulla Encounter)। 

    শনিবার সকালে উরিতে সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষ

    শনিবার সকালে বারামুল্লা জেলার উরি অঞ্চলের হাতলাঙ্গায় বাহিনী ও জঙ্গিদের মধ্যে গুলির লড়াই (Army-Militants Gunfight) শুরু হয়। জঙ্গিদমন অভিযানের নেতৃত্বে ছিল সেনা ও বারামুল্লা পুলিশকে নিয়ে গঠিত যৌথবাহিনী (Baramulla Encounter)। এদিন নিজেদের ট্যুইটার (অধুনা এক্স) হ্যান্ডলে জম্মু কাশ্মীর পুলিশ প্রথমে জানিয়েছিল, ২ জঙ্গি খতম হয়েছে। আর কোনও জঙ্গি লুকিয়ে আছে কিনা তা জানতে গোটা এলাকায় তল্লাশি চলছে। 

    ২ ঘণ্টা পর সেনার চিনার কোরের তরফে জানানো হয়, তৃতীয় জঙ্গিও খতম হয়েছে। কিন্তু, তার দেহ নিয়ন্ত্রণরেখার খুব কাছে পড়ে রয়েছে। দেহ আনতে গেলে, ভারতীয় বাহিনীর ওপর গুলি চালাতে শুরু করে পাক রেঞ্জার্স। যে কারণে, এখনও দেহ নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে, ভারতীয় বাহিনীও পাল্টা জবাব দিচ্ছে। জঙ্গির দেহ হাতে নেওয়ার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

    প্রায় ১০০-ঘণ্টা, এখনও চলছে অনন্তনাগের অভিযান

    এদিকে, প্রায় ১০০-ঘণ্টা হতে চলল, এখনও জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) অনন্তনাগ জেলার গাদোলে চলছে সেনা-জঙ্গি লড়াই (Army-Militants Gunfight)। শনিবার এই অভিযান চতুর্থ দিনে পড়ল। কোকেরনাগের ঘন জঙ্গলের মধ্যে আত্মগোপন করে রয়েছে ৩-৪ জঙ্গি। সকাল থেকে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে। সন্ত্রাসীদের খুঁজে বের করতে চালানো হচ্ছে ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি।

    বুধবার এই অভিযানে নেমে জঙ্গিদের গুলিতে শহিদ হয়েছিলেন রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের কর্নেল মনপ্রীত সিং, মেজর আশিস ধোনচাক এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ডিএসপি হুমায়ুন ভাট। বৃহস্পতিবার থেকেই জঙ্গিদের কোণঠাসা করে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছিল সেনা এবং পুলিশের যৌথবাহিনী (Anantnag Encounter)। এর মধ্যেই শুক্রবার, আরও এক সেনা জওয়ানের মৃত্যু হয়। বৃহস্পতিবার থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।

    আরও পড়ুন: তেরঙায় মোড়া সন্তানদের নিথর দেহ, শোকে পাথর শহিদ জওয়ানদের পরিবার

    ‘‘জঙ্গি খতম না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে’’

    সেনা সূত্রে খবর, লুকিয়ে থাকা সন্ত্রাসবাদীরা সকলেই লস্কর-ই-তৈবার ছায়া সংগঠন, ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’-এর সদস্য বলে মনে করা হচ্ছে। তাদের নেতৃত্বে রয়েছে উজেইর খান নামে এক জঙ্গি (Jammu Kashmir)। চিনার কোরের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাজীব ঘাই এবং ভিক্টর ফোর্সের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং মেজর জেনারেল বলবীর সিং এই অভিযানের তত্ত্বাবধান করছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, যতক্ষণ না সবকটা জঙ্গি খতম হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত অভিযান (Army-Militants Gunfight) চলবে।

  • Anurag Thakur: “সীমান্ত সন্ত্রাস বন্ধ না হলে ভারত-পাক ক্রিকেট নয়”! স্পষ্ট বার্তা অনুরাগ ঠাকুরের

    Anurag Thakur: “সীমান্ত সন্ত্রাস বন্ধ না হলে ভারত-পাক ক্রিকেট নয়”! স্পষ্ট বার্তা অনুরাগ ঠাকুরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয়দের অনুভূতির কথা মাথায় রেখে পাকিস্তানের (Pakistan) সঙ্গে খেলা বন্ধ করে দেওয়া উচিত ভারতের। অনুপ্রবেশ ও আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদ না থামলে, ক্রিকেটেও পাকিস্তানের সঙ্গে কোনও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক থাকবে না। শুক্রবার স্পষ্ট জানালেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর (Anurag Thakur)।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী

    এশিয়া কাপে দু’বার মুখোমুখি হয়েছে ভারত-পাকিস্তান। বিশ্বকাপে আবার মুখোমুখি হবে তারা। দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ আবার কবে হবে, তা নিয়ে অনেক দিন ধরেই প্রশ্ন রয়েছে দু’দলের ক্রিকেটার এবং সমর্থকদের মধ্যে। এ বিষয়ে সরকারের মতামত জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। তিনি বলেন, “বোর্ড বহু দিন আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং সীমান্তে সন্ত্রাস বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কোনও রকম দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলা হবে না। এই দেশের যে কোনও সাধারণ মানুষ এটাই চায়।” সম্প্রতি অনন্তনাগে পাকিস্তানের জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে তিন জনের। সেই সূত্র ধরে এদিন এই বার্তা দেন অনুরাগ।

    পাকিস্তানে খেলা নয়

    প্রসঙ্গত, চলতি এশিয়া কাপের সমস্ত ম্যাচই পাকিস্তানে হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু বিসিসিআইয়ের তরফে জানানো হয়, ভারত সরকারের অনুমতি না মেলায় পড়শি দেশে খেলতে যাওয়া সম্ভব নয়। পাল্টা জবাবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডও ভারতে ওডিআই বিশ্বকাপ বয়কট করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে বারংবার। এদিন অনুরাগ (Anurag Thakur) বলেন,  “পাকিস্তানের সঙ্গে খেলা বন্ধ করে দেওয়া উচিত। ভারতীয়দের অনুভূতিকে সম্মান দিয়েই পাকিস্তানের সঙ্গে ক্রীড়া জগতের যাবতীয় সম্পর্ক ছিন্ন করা উচিত।” 

    আরও পড়ুন: পুরোটাই গিমিক! লা লিগার অ্যাকাডেমি করে কি আদৌ লাভ হবে বাংলার ফুটবলের?

    কেন ফের এই জল্পনা

    এশিয়া কাপ শুরুর পর পাকিস্তানের আমন্ত্রণে সে দেশে গিয়েছিলেন বোর্ড সভাপতি রজার বিনি এবং সহ-সভাপতি রাজীব শুক্লা। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে খেলা হওয়ার কথা ভাবা হচ্ছিল। কিন্তু গত বুধবার দক্ষিণ কাশ্মীরের অনন্তনাগে জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয় ভারতীয় সেনার কর্নেল, মেজর পদাধিকারীর আধিকারিকদের। জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের ডেপুটি সুপারিনটেন্ডেন্টও জঙ্গিদের গুলিতে নিহত হন। এই তিন হত্যার দায় স্বীকার করেছে পাক মদত পুষ্ট রেসিসট্যান্ট ফ্রন্ট নামের একটি জঙ্গিগোষ্ঠী। এরপরই পরিস্থিতি ফের খারাপ হয়।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Pakistan Occupied Kashmir: পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতেরই, এবার জানিয়ে দিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহিও

    Pakistan Occupied Kashmir: পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতেরই, এবার জানিয়ে দিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একেই বোধহয় বলে বন্ধুর গালে সপাটে থাপ্পড়! পাক অধিকৃত কাশ্মীর (Pakistan Occupied Kashmir) ভারতেরই। সাফ জানালেন সংযুক্ত আরব আমিরশাহির উপ-প্রধানমন্ত্রী। ভারত, ইউরোপ এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির মধ্যে তৈরি হবে অর্থনৈতিক করিডর। এর একটা বিরাট অংশ রয়েছে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে। সেই প্রসঙ্গেই সংযুক্ত আরব আমিরশাহি জানিয়ে দিল, পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতেরই। সম্প্রতি দিল্লিতে হয়ে গেল জি২০ শীর্ষ সম্মেলন। তার পরেই সংযুক্ত আরব আমিরশাহির এই বার্তাকে নয়াদিল্লির কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবেই দেখছেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

    পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতের

    সম্প্রতি একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন সংযুক্ত আরব আমিরশাহির উপ-প্রধানমন্ত্রী সইফ বিন জাহেদ আল নাহিয়ান। সেখানে দেখা যাচ্ছে, সদ্য সমাপ্ত জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে করিডরটিকে ভারত-মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপের অর্থনৈতিক করিডর হিসেবে ঘোষণা করা হচ্ছে। এজন্য সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রশংসা করতে দেখা গিয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে।

    ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, নাহিয়ান অর্থনৈতিক করিডরের একটি মানচিত্র দেখাচ্ছেন। সেখানে পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে (Pakistan Occupied Kashmir) ভারতের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে। ভারতের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির সম্পর্কের যে উন্নতি হয়েছে এবং দুই দেশই যে আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে শক্তিশালী করতে চায়, সেই বার্তাও দেওয়া হয়েছে ভিডিওটিতে।

    কী বলেছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী?

    পাক অধিকৃত কাশ্মীর যে ভারতেরই, তা বরাবর দাবি করে আসছে নয়াদিল্লি। তার পরেও কাশ্মীরের ওই অংশ দখল করে রেখেছে ইসলামাবাদ। গত জুন মাসেও কাশ্মীরের মাটিতে দাঁড়িয়ে পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে প্রতিরক্ষমন্ত্রী রাজনাথ সিংহ জানিয়েছিলেন, ইসলামাবাদ যতই দাবি করুক না কেন, পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতের ছিল, আছে এবং থাকবে। এ ব্যাপারে সংসদে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগে সার্চ কমিটি, রাজভবন-নবান্ন সংঘাতে ইতি টানতে ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ

    প্রসঙ্গত, দিন তিনেক আগে প্রাক্তন সেনা প্রধান তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভিকে সিংহ বলেছিলেন, অচিরেই স্বেচ্ছায় ভারতের সঙ্গে মিশে যাবে পাক অধিকৃত কাশ্মীর (Pakistan Occupied Kashmir)। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির এই ঘোষণার প্রেক্ষিতে অবশ্য পাকিস্তানের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে বন্ধু দেশ সংযুক্ত আরব আমিরশাহির এহেন ঘোষণায় পাকিস্তানের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক তলানিতে ঠেকবে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Supreme Court: স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগে সার্চ কমিটি, রাজভবন-নবান্ন সংঘাতে ইতি টানতে ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ

    Supreme Court: স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগে সার্চ কমিটি, রাজভবন-নবান্ন সংঘাতে ইতি টানতে ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে সঙ্কট কাটাতে সাহায্য করতে হবে। শুক্রবার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে এমনই বলল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে সার্চ কমিটি গঠন করার নির্দেশও দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। উপাচার্য নিয়োগে প্রধান ভূমিকা নেবে এই সার্চ কমিটিই। এর পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নতির দিকে নজর দেওয়ার জন্য রাজ্য ও রাজ্যপাল দু’ পক্ষকেই উদ্যোগী হতে হবে বলেও জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

    ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ

    এদিন বিচারপতি সূর্য কান্ত ও দীপঙ্কর দত্তের বেঞ্চের নির্দেশ, রাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ করতে ২৫ সেপ্টেম্বর সার্চ কমিটি গঠন করে দেবে সুপ্রিম কোর্ট। এর আগেই শীর্ষ আদালতে জমা দিতে হবে প্যানেলের সদস্যদের নাম। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, রাজ্য সরকার পাঁচজন সদস্যের নাম জানাবে। আচার্যও জানাবেন পাঁচজন সদস্যের নাম। ইউজিসির তরফেও দিতে হবে পাঁচজনের নাম। এঁদের মধ্যে থেকেই প্রত্যেক পক্ষ থেকে সমসংখ্যক নাম বেছে নিয়ে সার্চ কমিটি গঠন করে দেবে শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। এই কমিটিই প্রস্তাব করবে স্থায়ী উপাচার্যের নাম।

    ‘রাজ্যপালকে অপমান করা হচ্ছে’

    রাজ্যপালের অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্য যে স্থগিতাদেশ চেয়েছিল, এদিন তা দেয়নি শীর্ষ আদালত। যার অর্থ, আপাতত স্বপদেই বহাল থাকছেন রাজ্যপাল মনোনীত অস্থায়ী উপাচার্যরা। এদিনের শুনানিতে রাজ্যের তরফে সওয়াল  করেন আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি। আর রাজ্যপালের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সুস্মিতা সাহা দত্ত। রাজ্যের আইনজীবী বলেন, “আদালতের নির্দেশ মোতাবেক রাজ্যের তরফে আলোচনায় ডাকা হলেও, তাতে সাড়া দেননি রাজ্যপাল।” পাল্টা রাজ্যপালের আইনজীবী বলেন, “প্রতিদিন রাজ্যপালকে প্রকাশ্যে অপমান করা হচ্ছে। তাই আলোচনার উপযুক্ত পরিবেশ নেই।”

    আরও পড়ুুন: নির্দিষ্ট সঞ্চালকদের বয়কটের সিদ্ধান্ত ইন্ডি জোটের, ‘স্বৈরাচারী দৃষ্টিভঙ্গি’র পরিচয়, কটাক্ষ বিজেপির

    দু’ পক্ষের সওয়াল শেষে আদালত জানায়, মতপার্থক্য ভুলে এগোনো উচিত রাজ্য ও রাজ্যপালের। আপনাদের ব্যক্তিগত ইগোর জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ছাত্রছাত্রীরা ভুক্তভোগী হচ্ছে। এর পাশাপাশি রাজ্যপালকেও সঙ্কট কাটাতে সহযোগিতা করার পরামর্শ দিয়েছে আদালত। প্রসঙ্গত, উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় সহ রাজ্যের বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ করেন আচার্য। এর জেরেই রাজভবন-নবান্ন বিবাদের সূত্রপাত। আচার্য তথা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) যায় রাজ্য।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     
LinkedIn
Share