Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • BJP: সংসদের বিশেষ অধিবেশনে উপস্থিত থাকতে হুইপ জারি বিজেপির

    BJP: সংসদের বিশেষ অধিবেশনে উপস্থিত থাকতে হুইপ জারি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের বিশেষ অধিবেশনে যাতে দলীয় সাংসদরা উপস্থিত থাকেন তাই হুইপ জারি করল বিজেপি (BJP)। সব মিলিয়ে তিন লাইন লেখা। তাতে বলা হয়েছে, ‘লোকসভার সব বিজেপি সদস্যকে জানানো হচ্ছে যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা ও সেগুলি সংসদে পাশ করানোর জন্য ১৮ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর বিশেষ অধিবেশন বসছে। আপনাদের অনুরোধ করা হচ্ছে যে, এই পাঁচ দিনই আপনারা ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে লোকসভায় উপস্থিত থাকবেন এবং সরকারের অবস্থান  সমর্থন করবেন।’

    বিশেষ অধিবেশনের অ্যাজেন্ডা

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারই জানানো হয়েছে বিশেষ অধিবেশনের অ্যাজেন্ডা। নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত বিল ছাড়াও (BJP) আরও যে তিনটি বিল পেশ করা হবে সেগুলি হল, অ্যাডভোকেটস (সংশোধনী) বিল, ২০২৩, দ্য প্রেস অ্যান্ড রেজিস্ট্রেশন অফ পিরিওডিক্যালস বিল, ২০২৩ এবং পোস্ট অফিস বিল, ২০২৩। অধিবেশনের প্রথম দিন লোকসভায় ৭৫ বছরের সংসদীয় যাত্রার বিষয়ে আলোচনা হবে।

    সংবিধান সভা থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত সংসদের সাফল্য, অভিজ্ঞতা, স্মৃতি ও শিক্ষা নিয়ে আলোচনা হবে। অধিবেশনের আগের দিন সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছেন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী। সেখানেও এই অ্যাজেন্ডা নিয়ে হবে আলোচনা।

    সংসদের বিশেষ অধিবেশন

    সেপ্টেম্বরের ১৮ তারিখে বসছে সংসদের বিশেষ অধিবেশন। পাঁচ দিনের এই অধিবেশন চলবে ২২ তারিখ পর্যন্ত। অধিবেশনের অ্যাজেন্ডা প্রকাশ করা হয়নি বলে দিন কয়েক আগে ইন্ডি জোটের (INDIA) তরফে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখেছিলেন কংগ্রেস নেত্রী সনিয়া গান্ধী। তার জবাবে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছিল, ঠিক সময়েই জানানো হবে অ্যাজেন্ডা। শেষমেশ বুধবার কেন্দ্রের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে লোকসভা ও রাজ্যসভায় দু’টি করে গুরুত্বপূর্ণ বিল (BJP) পেশ করা হবে। এর মধ্যে অন্যতম হল প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত বিল।

    আরও পড়ুুন: “ওরা সনাতন ধর্মকে মুছে দিতে চায়”, মধ্যপ্রদেশে প্রধানমন্ত্রীর নিশানায় ইন্ডি-জোট

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

       

     

  • Scrub Typhus: নয়া আতঙ্ক স্ক্রাব টাইফাস! ওড়িশায় মৃত ৫, হিমাচলে আক্রান্ত ৯

    Scrub Typhus: নয়া আতঙ্ক স্ক্রাব টাইফাস! ওড়িশায় মৃত ৫, হিমাচলে আক্রান্ত ৯

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আতঙ্কের নতুন নাম স্ক্রাব টাইফাস। একাধিক রাজ্য়ে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। ওড়িশায় স্ক্রাব টাইফাসে আক্রান্ত হয়ে অন্তত পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে এই খবর জানা গিয়েছে। অন্য দিকে, হিমাচল প্রদেশের শিমলায় স্ক্রাব টাইফাসে আক্রান্ত হয়ে ন’জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

    ওড়িশার বরগড় জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সাধু চরণ দাস জানান, রাজ্যে স্ক্রাব টাইফাস সংক্রমণে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তরা সকলেই বরগড় জেলার বাসিন্দা। মৃতদের মধ্যে দুইজন সোহেলা ব্লকের বাসিন্দা ও বাকি তিনজন আট্টাবিরা, ভেদেন ও বারপালির বাসিন্দা। আক্রান্তরা সকলেই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। হিমাচল প্রশাসনের তরফে জানা গিয়েছে, রাজ্যের প্রায় ২৯৫ জন বাসিন্দা স্ক্রাব টাইফাসের উপসর্গ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৯ জন স্ক্রাব টাইফাসে আক্রান্ত বলে প্রমাণ মিলেছে।

    স্ক্রাব টাইফাস কী?

    স্ক্রাব টাইফাস শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ টাইফাস থেকে যার অর্থ হল ধোঁয়াটে বা অস্পষ্ট। এঁটুলি পোকার মতো দেখতে ট্রম্বিকিউলিড মাইটস বা টিক-এর মতো পরজীবী পোকার কামড় থেকে এই রোগের জীবাণু মানবদেহে ছড়ায়। এই পোকাগুলির আকার ০.২ মিলিমিটার থেকে ০.৪ মিলিমিটার পর্যন্ত হয়। সাধারণত গ্রামের কৃষিজমিতে এই ধরনের পোকা দেখা যায়। যদিও শহুরে এলাকায় বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্টে ছোট ঝোপঝাড়, গাছপালা কিংবা পোষ্যের গায়ে এই ধরনের পোকার দেখা হামেশাই মেলে। সাধারণত বর্ষায় এই রোগের প্রকোপ বাড়ে। 

    আরও পড়ুুন: “এটা চোরেদের জোট”, ‘ইন্ডিয়া’-কে ফের নিশানা শুভেন্দুর

    স্ক্রাব টাইফাস সংক্রমণের উপসর্গ

    এই রোগের উপসর্গগুলি হল তীব্র মাথাব্যথা, অত্যধিক জ্বর, গা-হাত-পায়ে ব্যথা, সর্দি কাশি, গলা ব্যথা, পিঠে ও বুকে র‌্যাশ, পেটের সমস্যা। কোনও কোনও ক্ষেত্রে আক্রান্তের চোখ লাল হয়ে যায়। দেখা দিতে পারে গ্রাস্ট্রোইন্টেসটিনাল সমস্য়া,মেনিনজাইটিস। লিভার বেড়েও যেতে পারে। সঠিক সময়ে চিকিৎসা না হলে অঙ্গপ্রতঙ্গ কাজ বন্ধ করে দিতে পারে এবং মৃত্যুও হয়।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • RSS: জেপি নাড্ডা ও মোহন ভাগবতের উপস্থিতিতে শুরু সঙ্ঘের সমন্বয় বৈঠক

    RSS: জেপি নাড্ডা ও মোহন ভাগবতের উপস্থিতিতে শুরু সঙ্ঘের সমন্বয় বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার পুণেতে শুরু হল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সমন্বয় বৈঠক। সঙ্ঘের (RSS) ৩৬টি শাখা সংগঠনের ২৬৬ জন নেতৃত্ব স্থানীয় ব্যক্তি এই বৈঠকে যোগদান করেছেন বলে জানা গিয়েছে। বিজেপির তরফ থেকে এই বৈঠকে যোগ দিয়েছেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা এবং সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) বিএল সন্তোষ। এদিন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত এবং সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে ভারত মাতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করে বৈঠকের সূচনা করেন।

    গতকালই সাংবাদিক সম্মেলন করেন সুনীল আম্বেকর

    গতকালই এ নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সর্বভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর। সাংবাদিক সম্মেলনে সুনীল আম্বেকর জানিয়েছিলেন, মোট পাঁচটি প্রধান ইস্যুতে সমন্বয়ে বৈঠকে (RSS) আলোচনা চলবে। এগুলি হল, পরিবেশ বান্ধব জীবনযাপন, মূল্যবোধের পরিবার ব্যবস্থা, সামাজিক সম্প্রীতির ওপর জোর, স্বদেশিয়ানা এবং নাগরিক কর্তব্য। সুনীল আম্বেকর বলেন, ‘‘আমাদের অর্থনৈতিক নীতি স্বদেশিয়ানার ওপর তৈরি করা উচিত এবং জাতিভেদ প্রথা বন্ধ করতে সম্প্রীতি খুব গুরুত্বপূর্ণ।’’

    বছরে একবার সমন্বয় বৈঠক হয় 

    প্রসঙ্গত, বছরে একবার করে বসে সঙ্ঘের সমন্বয় বৈঠক। গতবছরের সমন্বয় বৈঠক হয়েছিল ছত্তিসগড়ের রায়পুরে। সমন্বয় বৈঠকে সঙ্ঘের (RSS) আলাদা আলাদা ক্ষেত্রে কাজ করা সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করে থাকেন। বর্তমানে দেশের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো নিয়ে চলতি সমন্বয় বৈঠকে আলোচনা করবেন সঙ্ঘের প্রতিনিধিরা। বৈঠক শেষ হবে ১৬ সেপ্টেম্বর। বিশ্বহিন্দু পরিষদ, এবিভিপি, বিদ্যাভারতী, বনবাসী কল্যাণ আশ্রমের নেতৃত্ব উপস্থিত রয়েছেন সমন্বয় বৈঠকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “ওরা সনাতন ধর্মকে মুছে দিতে চায়”, মধ্যপ্রদেশে প্রধানমন্ত্রীর নিশানায় ইন্ডি-জোট

    PM Modi: “ওরা সনাতন ধর্মকে মুছে দিতে চায়”, মধ্যপ্রদেশে প্রধানমন্ত্রীর নিশানায় ইন্ডি-জোট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সনাতন ধর্মের ওপর খোলাখুলি আক্রমণ করছে বিরোধীরা। এই সনাতন ধর্মকে মুছে দিতে চায় ওরা।” বৃহস্পতিবার এই ভাষায়ই বিরোধীদের জোট ‘ইন্ডি’কে নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন ভোটমুখী মধ্যপ্রদেশের সাগর জেলার বিনার এক জনসভায় ভাষণ দিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তিনি বলেন, “বিরোধী জোট সনাতন ধর্মকে ধ্বংস করতে চাইছে। এই জোট সনাতন ধর্মের জন্য বিপজ্জনক। স্বামী বিবেকানন্দ, লোকমান্য তিলকরা যে ধর্ম থেকে অনুপ্রেরণা নিয়েছিলেন, এবার সেই ধর্মকে মুছে ফেলতে চান ইন্ডি জোটের সদস্যরা।”

    “ওরা দেশের বিভাজন চায়”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিরোধী জোট এ ব্যাপারে প্রস্তাব গ্রহণ করেছে। ভারতের সংস্কৃতি, ঐতিহ্যকে ওরা শেষ করতে চায়। ওরা দেশের বিভাজন চায়।” তিনি (PM Modi) বলেন, “সম্প্রতি ওরা মুম্বইয়ে বৈঠক করেছে। আমার মনে হয়, রাজনৈতিক কৌশল ও অহঙ্কারী জোট কীভাবে চালানো হবে, তা নিয়ে আলোচনা করেছে। গোপন অ্যাজেন্ডা নিয়েও তাঁদের সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেই কৌশল হল ভারতের সংস্কৃতিকে আক্রমণ করা। তাঁরা ভারতীয়দের বিশ্বাসকে শেষ করে দিতে চায়। যে বিশ্বাস ভারতে হাজার হাজার বছর ধরে একতা দিয়েছে।”

    “সনাতন-বিরোধীদের সম্পর্কে সচেতন হতে হবে”

    সনাতন ধর্মকে যাঁরা মুছে ফেলতে চাইছেন, তাঁদের এই মনোভাব যাতে না থাকে, তার ব্যবস্থা করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। সনাতন ধর্মাবলম্বী-বিরোধীদের সম্পর্কে জনগণকে সতর্কও করে দেন প্রধানমন্ত্রী। সম্প্রতি সনাতন ধর্মকে ‘কুষ্ঠ ও এইচআইভির মতো রোগ, যা সামাজিক ব্যাধি হিসেবেও পরিচিত’ বলে উল্লেখ করেছিলেন ডিএমকে নেতা এ রাজা। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনের ছেলে ডিএমকে নেতা উদয়নিধি স্ট্যালিনও সনাতন ধর্মকে নির্মূল করার ডাক দিয়েছিলেন।

    তিনি বলেছিলেন, “কিছু জিনিসের প্রতিবাদ করা যায় না। সেগুলির অবলুপ্তি ঘটানো দরকার। আমরা ডেঙ্গি, মশা, ম্যালেরিয়া কিংবা করোনার বিরোধিতা করি না। আমরা সেটি নির্মূল করি। ঠিক সেভাবেই আমাদের সনাতন ধর্মকে অবলুপ্ত করতে হবে। সনাতন শব্দটা এসেছে সংস্কৃত থেকে। এটা সামাজিক ন্যায় ও সাম্যের বিরুদ্ধে।” ডিএমকে ইন্ডি-জোটের সদস্য। রাজনৈতিক মহলের মতে, সেই কারণেই ইন্ডি-জোটকে আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

    আরও পড়ুুন: “এটা চোরেদের জোট”, ‘ইন্ডিয়া’-কে ফের নিশানা শুভেন্দুর

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • PM Vishwakarma Yojana: শিল্পী-দরদি মোদি সরকার, স্বল্প সুদে ঢালাও ঋণ বিশ্বকর্মা যোজনায়

    PM Vishwakarma Yojana: শিল্পী-দরদি মোদি সরকার, স্বল্প সুদে ঢালাও ঋণ বিশ্বকর্মা যোজনায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ জুড়ে ৩০ লাখ শিল্পী পেতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা স্কিমের (PM Vishwakarma Yojana) সুবিধা। চলতি বছরের বিশ্বকর্মা পুজো রয়েছে ১৭ সেপ্টেম্বর। এদিনই শুরু হবে এই নয়া প্রকল্পের। যদিও আবেদন গ্রহণের কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই প্রকল্পটি চালু করবেন। মোদি সরকারের এই যোজনা অনুযায়ী দেশের চিরাচরিত শিল্পীরা প্রথম দফায় পাবেন ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ এবং তারপরে ২ লাখ টাকা ঋণ। বাজার থেকে অনেক কম সুদে মাত্র ৫ শতাংশ হারে এই ঋণ দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। প্রথম দফায় ১ লাখ টাকা ঋণের ক্ষেত্রে মেয়াদ থাকবে ১৮ মাস এবং দ্বিতীয় পর্বের ২ লাখ টাকা ঋণের ক্ষেত্রে মেয়াদ থাকবে ৩০ মাস। এর পাশাপাশি টুল কিটস কিনতে তাঁদের দেওয়া হবে ১৫ হাজার টাকাও।

    মন্ত্রিসভার বৈঠকে ১৬ অগাস্ট অনুমোদন পায় স্কিম

    গত ১৬ অগাস্ট কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদন পায় প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা স্কিম (PM Vishwakarma Yojana)। জানা গিয়েছে, স্বর্ণকার, তাঁতি ,নাপিত, চর্মকার ধোপা সহ নানা পেশার সঙ্গে যুক্ত মানুষরা এর ফলে উপকৃত হবেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে এর জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ১৩ হাজার কোটি টাকা। স্কিল ট্রেনিংও দেওয়া হবে শিল্পীদের। প্রশিক্ষণের সময় প্রতিদিন তাঁরা ভাতা বাবদ ৫০০ টাকা করে পাবেন। জানা গিয়েছে, এই ঋণের ক্ষেত্রে যাঁরা আবেদন করবেন তাঁদের সর্বনিম্ন বয়স হতে হবে ১৮ বছর এবং যে কোনও পরিবার থেকে মাত্র একজন সদস্যই এই প্রকল্পের (PM Vishwakarma Yojana) সুবিধা নিতে পারবেন। এ বিষয়ে নরেন্দ্র মোদি গতমাসেই বলেছিলেন, ‘‘যাঁরা চিরাচরিত শিল্পকর্মের সঙ্গে যুক্ত তাঁরাই পাবেন এই সুবিধা। এই বিশ্বকর্মা যোজনার মাধ্যমে প্রচুর মানুষ উপকৃত হবেন। ওবিসি সমাজেরও ব্যাপক সুবিধা হবে।’’

    একনজরে দেখে নেব কারা পাবেন এই সুবিধা

    কেন্দ্রীয় সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী দর্জি, ধোপা, মালা প্রস্তুতকারক, নাপিত, পুতুল এবং খেলনা প্রস্তুতকারক, ঝুড়ি/ মাদুর  প্রস্তুতকারক, রাজমিস্ত্রি, মুচি (চর্মকার)/ জুতোর কারিগর, ভাস্কর (মূর্তিকার, স্টোন কার্ভার), কুমোর, স্বর্ণকার, হাতুড়ি এবং টুল কিট প্রস্তুতকারক, কামার, নৌকা নির্মাতা এবং কাঠমিস্ত্রিরা পাবেন এই প্রকল্পের (PM Vishwakarma Yojana) সুবিধা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Anantnag Encounter: তেরঙায় মোড়া সন্তানদের নিথর দেহ, শোকে পাথর শহিদ জওয়ানদের পরিবার

    Anantnag Encounter: তেরঙায় মোড়া সন্তানদের নিথর দেহ, শোকে পাথর শহিদ জওয়ানদের পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেউ সকালেই ফোন করে কথা বলেছিলেন বাড়িতে। কারও বাড়িতে ফেরার কথা ছিল অক্টোবরেই। বদলে তাঁরা ফিরলেন তেরঙায় মোড়া শববাহী শকটে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সব হাসি মিলিয়ে গেল কান্নায়। অনন্তনাগে তিন বীর শহিদের বাড়িতে এখন শুধুই হাহাকার। শোকে পাথর গোটা পরিবার। 

    বুধবার, জম্মু কাশ্মীরের অনন্তনাগে জঙ্গিদমন অভিযানে (Anantnag Encounter) নেমেছিল সেনা ও পুলিশের যৌথবাহিনী। গারোল এলাকায় সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষে শহিদ হন সেনার কর্নেল মনপ্রীত সিং, মেজর আশিস ধোনচক এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ডিএসপি হিমায়ুন মুজামিল ভাট। এদিন তিন শহিদের বাড়িতে ছিল শুধুই নিস্তব্ধতা। পরিবারের লোকজন কেউই বিশ্বাস করতে পারছেন না যে, তাঁদের প্রিয়জন আর বাড়ি ফিরবেন না।

    ‘‘ব্যস্ত আছি, পরে কথা বলব’’, সেই শেষ কথা!

    ১৯ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের কমান্ডিং অফিসার ছিলেন শহিদ কর্নেল মনপ্রীত সিং। তাঁর বাড়ি পঞ্চকুলার ২৬ নম্বর সেক্টরে। সেনাবাহিনীর সঙ্গে মনপ্রীতের পরিবারের সম্পর্ক নতুন নয়। তাঁর ঠাকুরদা শীতল সিং, বাবা লক্ষ্মীর সিং (বর্তমানে প্রয়াত) ও কাকা রণজিৎ সিং সেনাবাহিনীতে কাজ করতেন৷ তাঁর স্ত্রী জগমিত গ্রেওয়াল হরিয়ানার একটি সরকারি স্কুলের শিক্ষিকা (Anantnag Encounter)। তার দুই সন্তান রয়েছে। এক ছেলের বয়স ৬ বছর আর মেয়ের বয়স দুই বছর। শহিদ কর্নেলের শ্যালক জানান, বুধবার ভোরবেলা শেষবার কথা হয়েছিল তাঁদের মধ্যে। সেই সময় মনপ্রীত জানিয়েছিল, এখন ব্যস্ত আছে, পরে কথা বলবে। সেটাই শেষ কথা..। 

    অক্টোবরেই বাড়ি আসার কথা ছিল

    হরিয়ানার পানিপথের বাসিন্দা ছিলেন শহিদ মেজর আশিস ধোনচক। বছর দুয়েক আগেই জম্মুতে বদলি হন আশিস। এ বছরই তিনি পেয়েছিলেন ‘সেনা মেডেল’ (Anantnag Encounter)। পরিবারে বাবা, মা, স্ত্রী এবং দু’বছরের সন্তান রয়েছে। মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর তাঁর কাকা জানান, দেড় মাস আগেই বাড়িতে এসেছিলেন আশিস। আবার অক্টোবরে আসার কথা ছিল বাড়ি বদল করার জন্য। কিন্তু, তার আগেই সব শেষ।

    শহিদ ডিএসপির কন্যার বয়স ২ মাস

    অন্য দিকে, জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ডিএসপি হুমায়ুন ভাটের পরিবারেও শুধু হাহাকার। ২০১৮ সালেই পুলিশে যোগ দেন হুমায়ুন। শহিদ পুলিশ অফিসারের বাবা গুলাম হাসান ভাট জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত ইন্সপেক্টর জেনারেল। মাত্র দুই মাস আগেই হুমায়ুনের কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করেছিল (Anantnag Encounter)।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kriti Verma: ২৬৩ কোটির আর্থিক কেলেঙ্কারি! ইডির নজরে ‘বিগবস’ খ্যাত অভিনেত্রী

    Kriti Verma: ২৬৩ কোটির আর্থিক কেলেঙ্কারি! ইডির নজরে ‘বিগবস’ খ্যাত অভিনেত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একসময় তিনি চাকরি করতে আয়কর দফতরে। ছিলেন আয়কর আধিকারিক। পুরানো পেশা ছেড়ে এসেছিলেন অভিনেত্রী হতে। বিগ বস থেকে রোডিসের মতো হাই ভোলটেজ রিয়্যালিটি শোয়ের প্রতিযোগী কৃতি ভর্মার নাম রয়েছে ইডির চার্জশিটে। ২৬৪ কোটি টাকা আর্থিক তছরুপের মামলায় আগেই নাম জড়িয়েছিল কৃতির। এবার টিডিএস কেলেঙ্কারিতে তাঁর বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।

    ইডির চার্জশিটে কার কার নাম

    টেলিভিশনের পরিচিত মুখ কৃতি। বেশ কয়েকমাস ধরেই ছিলেন ইডির নজরে৷ এবার টিডিএস কেলেঙ্কারিতে চার্জশিট জমা দিয়েছে ইডি৷ সেই চার্জশিটেই নাম উঠে এসেছে কৃতির। ইডির জমা দেওয়া চার্জশিটে মোট ১৪ জনের নাম রয়েছে৷ সেই অভিযুক্তদের মধ্যেই নাম রয়েছে অভিনেত্রী কৃতি ভর্মা ও তার প্রাক্তন প্রেমিক ভূষণ পাটিল, প্রাক্তন আয়কর পরিদর্শক তানাজি মন্ডল অধিকারী এবং রাজেশ শেট্টি সহ আরও অনেকেরই নাম রয়েছে৷ একের পর এক আর্থিক কেলেঙ্কারিতে নাম জড়াচ্ছে বিনোদন জগতের তরকাদের। বাঙালি অভিনেত্রী নুসরত জাহান থেকে শুরু করে দক্ষিণী ছবির প্রযোজক রবিন্দর চন্দ্রশেখরনের বিরুদ্ধে উঠেছে আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ। সেই তালিকায় নয়া সংযোজন কৃতি।

    আরও পড়ুন: নারদকাণ্ডে ফের নাড়াচাড়া! ম্যাথু স্যামুয়েলকে কলকাতায় তলব সিবিআইয়ের

    কৃতির নামে কী অভিযোগ

    প্রসঙ্গত, দিল্লি নিবাসী কৃতি ছিলেন আয়কর আধিকারিক। তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের প্রাক্তন জিএসটি-র ইন্সপেক্টরের পদে ছিলেন৷ ২০১৮-তে সেই পেশা ছেড়ে গ্ল্যামার দুনিয়ার পা রেখেছিলেন। রিয়্যালিটি শোয়ের সৌজন্যে এখন ছোট পর্দার বেশ পরিচিতও মুখ হয়ে উঠেছেন অভিনেত্রী কৃতি ভর্মা। অভিযোগ,২৬৩ কোটি টাকা তছরুপের মূল চক্রী নাকি আয়কর পরিদর্শক তানাজি। কৃতির বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি নিজের ঊর্ধ্বতনের লগইনের অধিকার অপব্যবহার করে তছরুপের টাকা পাঠান ভূষণ পাটিলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। যিনি কৃতির প্রেমিক। তছরুপের এই টাকা ব্যবহার করে গুরুগ্রামে ১.০২ কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তি কিনেছিলেন তিনি। পরে সেই সম্পত্তি তিনি ১.১৮ কোটি টাকায় বিক্রি করেন। সেই টাকা যায় কৃতির ব্যঙ্ক অ্যাকাউন্টে। অভিযোগ, এই বিপুল পরিমাণ টাকা এ দিক-ও দিক করে মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন জায়গায় ফ্ল্যাট কিনে রেখেছেন কৃতি। গোটা বিষয়টি তদন্তাধীন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Special Parliamentary Session: সংসদের বিশেষ অধিবেশনে কী নিয়ে আলোচনা হবে জানেন?

    Special Parliamentary Session: সংসদের বিশেষ অধিবেশনে কী নিয়ে আলোচনা হবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেপ্টেম্বরের ১৮ তারিখে বসছে সংসদের বিশেষ অধিবেশন (Special Parliamentary Session)। পাঁচ দিনের এই অধিবেশন চলবে ২২ তারিখ পর্যন্ত। অধিবেশনের অ্যাজেন্ডা প্রকাশ করা হয়নি বলে দিন কয়েক আগে ইন্ডি জোটের (INDIA) তরফে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখেছিলেন কংগ্রেস নেত্রী সনিয়া গান্ধী। তার জবাবে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছিল, ঠিক সময়েই জানানো হবে অ্যাজেন্ডা।

    অ্যাজেন্ডা প্রকাশ সরকারের

    শেষমেশ বুধবার কেন্দ্রের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে লোকসভা ও রাজ্যসভায় দু’টি করে গুরুত্বপূর্ণ বিল পেশ করা হবে। এর মধ্যে অন্যতম হল প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত বিল। ফি বার অধিবেশনের আগে বিরোধীদের অ্যাজেন্ডা বা আলোচ্যসূচি জানানোই সংসদীয় রীতি। কিছু দিন আগেই শেষ হয়েছে সংসদের বাদল অধিবেশন। তার আগেও প্রকাশ করা হয়েছিল অ্যাজেন্ডা। এদিন জানানো হল বিশেষ অধিবেশনের (Special Parliamentary Session) অ্যাজেন্ডা।

    পেশ হবে ৩ বিল

    নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত বিল ছাড়াও আরও যে তিনটি বিল পেশ করা হবে সেগুলি হল, অ্যাডভোকেটস (সংশোধনী) বিল, ২০২৩, দ্য প্রেস অ্যান্ড রেজিস্ট্রেশন অফ পিরিওডিক্যালস বিল, ২০২৩ এবং পোস্ট অফিস বিল, ২০২৩। অধিবেশনের প্রথম দিন লোকসভায় ৭৫ বছরের সংসদীয় যাত্রার বিষয়ে আলোচনা হবে। সংবিধান সভা থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত সংসদের সাফল্য, অভিজ্ঞতা, স্মৃতি ও শিক্ষা নিয়ে আলোচনা হবে। অধিবেশনের আগের দিন সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছেন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী। সেখানেও এই অ্যাজেন্ডা নিয়ে হবে আলোচনা।

    এই চারটি বিলের মধ্যে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত বিলটি রাজ্যসভায় পেশ করা হয়েছিল সংসদের বাদল অধিবেশনে। ১০ অগাস্ট পেশ হয়েছিল বিলটি। বাকি তিনটি বিল নিয়ে বিরোধীদের খুব একটা সমস্যা না থাকলেও, নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত বিলটির বিরোধিতা করবেন (Special Parliamentary Session) তাঁরা। এই বিলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রে যে প্যানেল তৈরি হয় তা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে।

    এতে কেন্দ্রের ক্ষমতা ও একছত্র আধিপত্যই প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আশঙ্কা বিরোধীদের। সেই কারণেই এই বিলের বিরোধিতা করবেন বিরোধীরা। প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টের তরফেও বলা হয়েছিল, কেন্দ্র চাইলে মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত বিল আনতে পারে সংসদে।

     

  • Mathew Samuel: নারদকাণ্ডে ফের নাড়াচাড়া! ম্যাথু স্যামুয়েলকে কলকাতায় তলব সিবিআইয়ের 

    Mathew Samuel: নারদকাণ্ডে ফের নাড়াচাড়া! ম্যাথু স্যামুয়েলকে কলকাতায় তলব সিবিআইয়ের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নারদ স্টিং অপারেশনের (Narada Case) নেপথ্য়ে থাকা ম্য়াথ্য়ু স্য়ামুয়েলকে (Mathew Samuel) আাগামী সোমবার সকালে নিজাম প্য়ালেসে ডেকে পাঠাল সিবিআই। ১৮ সেপ্টেম্বর,  সকাল সাড়ে ১০ টায় হাজির হওয়ার নোটিস দেওয়া হয়েছে ম্যাথুকে। সিবিআই সূত্রের খবর, নারদ মামলায় তিনি আগে যে সব তথ্য দিয়েছিলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সেই তথ্য সঠিক কি না, তা যাচাই করতেই ম্যাথু স্যামুয়েলকে তলব করা হয়েছে।

    কেন তলব ম্যাথুকে

    সাত বছর আগে ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটের প্রাক্কালে রাজ্য় রাজনীতিকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল নারদ স্টিং অপারেশনের ফুটেজগুলো। তৎকালীন প্রথম সারিতে থাকা রাজনীতিকরা ঘুষ হিসেবে নগদ টাকা নিচ্ছেন, এমন অভিযোগই সামনে এনেছিলেন ম্য়াথ্য়ু স্য়ামুয়েল। যাঁকে আগেও কয়েকবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। গত প্রায় দেড়বছরে নারদকাণ্ডে কাউকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি। তদন্তেও সেরকম কোনও নাড়াচাড়া দেখা যায়নি। সিবিআই সূত্রে দাবি, ম্য়াথ্য়ু স্য়ামুয়েল (Mathew Samuel) যে মোবাইল ফোনে স্টিং অপারেশন করেছিলেন, তার ফরেন্সিক পরীক্ষা হয়েছে। সম্প্রতি সেই রিপোর্ট দেখে গোয়েন্দারা মনে করছেন, ম্য়াথ্য়ু বেশ কিছু তথ্য় গোপন করেছেন। ম্য়াথ্য়ুর মোবাইল ফোনের ফরেন্সিক রিপোর্ট দেখে, গোয়েন্দাদের মনে বেশ কিছু প্রশ্ন উঠেছে। তাই এই বিষয়গুলি নিয়েই সিবিআই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় বলে সিবিআই সূত্রে দাবি। 

    আরও পড়ুন: কৌশিকী অমাবস্যার মাহাত্ম্য কী? কীভাবে যাবেন তীর্থধাম তারাপীঠে?

    কী জানালেন ম্যাথু 

    ম্যাথুর (Mathew Samuel) দাবি, তাঁকে যাতায়াত ও কলকাতায় থাকার খরচ দিতে হবে সিবিআই-কে। তবেই তিনি হাজিরা দেবেন। নারদ-এর (Narada Case) আগে তেহেলকা পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ম্যাথু। সেই পত্রিকাতেও একটি স্টিং অপারেশন নিয়ে মামলা হয়েছিল। সেই সময় ২০০৭ থেকে ২০২২-এর মধ্যে হাজিরা দেওয়ার জন্য সিবিআই তাঁকে ২৩ হাজার টাকা দিয়েছিল বলে জানিয়েছেন ম্যাথু। তবে নারদ মামলায় কলকাতা ও দিল্লি মিলিয়ে সিবিআই দফতরে ১০-১২ বার হাজিরা দিলেও কানাকড়ি পাননি তিনি। ম্যাথুর দাবি, এই বিষয়ে কলকাতার সিবিআই আধিকারিকদের সঙ্গে কথা হলে তাঁরা জানিয়েছেন, ট্রেনের টিকিটের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। ট্রেনে কলকাতা আসতে ও ফিরে যেতে তাঁর মোট ৬ দিন সময় লেগে যাবে। একজন সাংবাদিকে হিসেবে ওই সময় দেওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন ম্যাথু। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • C-295 Aircraft: আরও শক্তিশালী বায়ুসেনা, এবার ভারতের হাতে এল ‘সি-২৯৫’, কী এর বিশেষত্ব?

    C-295 Aircraft: আরও শক্তিশালী বায়ুসেনা, এবার ভারতের হাতে এল ‘সি-২৯৫’, কী এর বিশেষত্ব?

    আরও শক্তিশালী হল ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Air Force)। অবশেষে ভারতের হাতে এল অত্যাধুনিক সামরিক পণ্য সরবরাহকারী বিমান ‘সি-২৯৫’ এয়ারলিফটার। এই বিমানকে বলা হচ্ছে ‘মুশকিল আসান’। কিন্তু, কেন? কী আছে এই বিমানে? কী এর বিশেষত্ব? পড়ুন বিস্তারিত।

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম ‘সি-২৯৫’ মিডিয়াম ট্যাক্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্র্যাফট (C-295 Aircraft) এল ভারতের হাতে। বুধবার, স্পেনের সেভিয়া শহরে ভারতীয় বায়ুসেনা প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল ভি আর চৌধুরির হাতে এই বিমানের প্রতীকী চাবি তুলে দেন এয়ারবাসের কর্মকর্তারা। এই বিমানের উৎপাদন হয়েছে স্পেনে। তৈরি করেছে এয়ারবাস ডিফেন্স অ্যান্ড স্পেস।

    ২২ হাজার কোটি টাকার চুক্তি এয়ারবাসের সঙ্গে

    বর্তমানে ব্যবহৃত পুরনো আমলের এবং তুলনামূলক ছোট ও কম শক্তিশালী অ্যাভরো-৭৪৮ বিমানকে অবসরে পাঠিয়ে তার জায়গায় নতুন শক্তিশালী, আরও প্রযুক্তিগত উন্নত এবং সর্বোপরি অধিক সক্ষমতার একটি পণ্য সরবরাহকারী বিমানের খোঁজে ছিল ভারতীয় বায়ুসেনা। সেই মোতাবেক, ২ বছর আগে, ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে এয়ারবাসের সঙ্গে ৫৬টি ‘সি-২৯৫’  (C-295 Aircraft) বিমান কেনার চুক্তি করে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক, যার মূল্য প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা। 

    ৫৬টির মধ্যে ৪০টি বিমান তৈরি হবে ভারতেই

    চুক্তি মোতাবেক, ৫৬টি বিমানের মধ্যে প্রথম ১৬টি একেবারে ফ্লাই-অ্যাওয়ে কন্ডিশনে (সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায়) ভারতে উড়িয়ে আনা হবে। বাকি ৪০টি ভারতে তৈরি হবে প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে। চুক্তি অনুযায়ী, ভারতে বিমানগুলি তৈরি হবে গুজরাটের ভাদোদরায়, যেখানে টাটার সঙ্গে যৌথ অংশিদারীতে টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেমস-এর কারখানায়। 

    এদেশে বেসরকারি সংস্থায় তৈরি হওয়া প্রথম সামরিক বিমান

    চুক্তিতে বলা হয়েছিল, স্বাক্ষর হওয়ার দিন থেকে চার বছরের মধ্যে ১৬টি ‘সি-২৯৫’ (C-295 Aircraft) বিমান ভারতের হাতে একেবারে তৈরি অবস্থায় তুলে দেবে এয়ারবাস। এদিন চুক্তির ঠিক ২ বছরের মাথায় প্রথম বিমানটি ভারতের হাতে তুলে দিল এয়ারবাস। ২০২৫ সালের অগাস্টের মধ্যে ১৬ নম্বর বিমানটি ভারতের হাতে চলে আসবে বলে এদিন আশাপ্রকাশ করেন এয়ারবাসের কর্তারা। ২০২৬ সাল থেকে ভাদোদরায় টাটাদের সঙ্গে যৌথভাবে শুরু হবে উৎপাদন, যা শেষ হওয়ার কথা ২০৩১ সালের অগাস্ট মাস নাগাদ। তেমনটা হলে, তা হবে ভারতের মাটিতে বেসরকারি সংস্থায় তৈরি হওয়া দেশের প্রথম সামরিক বিমান।

    কেন এই বিমান নিয়ে এত মাতামাতি? কী এর বিশেষত্ব?

    জানা যাচ্ছে, ২৫ সেপ্টেম্বর ভারতে আসবে প্রথম বিমানটি। বর্তমানে, স্পেনে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন ভারতীয় বায়ুসেনার (Indian Air Force) পাইলটরা। প্রথম স্কোয়াড্রন থাকবে উত্তরপ্রদেশের হিন্ডন বায়ুসেনা ঘাঁটিতে। ‘সি-২৯৫’ বিমানগুলি প্রায় ৯ টন ওজন বহন করতে পারে। এদের গতি ঘণ্টায় ৪৮০ কিলোমিটার। মোট ৭১ জন সেনাকর্মী বা ৪৫ জন বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্যারাট্রুপারকে বইতে পারবে এই বিমান। আকাশ থেকে বাহিনী বা রসদ নামানোর জন্য রিয়ার ব়্যাম্প রয়েছে এই বিমানে।

    এই বিমানে দুটি শক্তিশালী প্র্যাট অ্যান্ড হুইটনি টার্বোপ্রপ ইঞ্জিন রয়েছে যাতে ভর করে এই বিমানটি ১৩ ঘণ্টা টানা কম জ্বালানী খরচ করে উড়তে পারে। একটি ইঞ্জিনের সাহায্য এটি সাড়ে ১৩ হাজার ফুট উচ্চতা পর্যন্ত উড়তে সক্ষম। ২টি ইঞ্জিন ব্যবহার করলে, এই বিমান ৩০ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়তে পারে। এছাড়া, এই বিমানে মিড-এয়ার রিফুয়েলিং ব্যবস্থা রয়েছে। অর্থাৎ, যুদ্ধবিমানের মতো মাঝ-আকাশেই জ্বালানি ভরতে সক্ষম ‘সি-২৯৫’ এয়ারলিফটার।

    টেক অফের জন্য এই বিমানের প্রয়োজন মাত্র ৪২০ মিটার রানওয়ে। ল্যান্ডিংয়ের জন্য প্রয়োজন এর অর্ধেক। ফলে, ছোট বা সম্পূর্ণ তৈরি না হওয়া এয়ারস্ট্রিপ থেকেও উড়ান দিতে পারবে এটি। এয়ারবাসের তরফে জানানো হয়েছে, কাঁচা, নরম এবং বালুকাময় অথবা ঘাসের এয়ারস্ট্রিপ থেকে এর অসাধারণ শর্ট টেক-অফ এবং ল্যান্ডিং (STOL) করার ক্ষমতা রয়েছে ‘সি-২৯৫’ (C-295 Aircraft) বিমানের।

    কেন একে ‘মুশকিল আসান’ বিমান বলছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক?

    বলা বাহুল্য, এই বিমান হাতে আসায় আরও শক্তিশালী হল ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Air Force)। কারণ, অনেক সময় জরুরি প্রয়োজনে সামরিক সরঞ্জাম পৌঁছে দিতে অসুবিধার মধ্যে পড়তে হয় বায়ুসেনাকে। বিশেষ করে ভারত-চিন সীমান্ত অঞ্চলে এই সমস্যা বেশি দেখা দিয়েছে। সেনা ট্রাকে করে সড়কপথে বাহিনী বা সামরিক সরঞ্জাম পৌঁছতে অনেক বিলম্ব হয়। এখন ভারতের হাতে ‘মুশকিল আসান’ বিমান (C-295 Aircraft) চলে আসায় এবার থেকে সেই সমস্যায় পড়তে হবে না বলে প্রতিরক্ষামন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে। এর ফলে লাদাখ, অরুণাচল প্রদেশ, সিকিমে মতো দুর্গম অঞ্চলে অতি সহজে এবং কম সময়ের মধ্যে অস্ত্র ও রসদ পৌঁছে দিতে পারবে বায়ুসেনা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share