Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Chandrayaan 3: চাঁদের দেশে কেমন আছে প্রজ্ঞান ও বিক্রম? জানতে অপেক্ষা আরও ৯ দিনের

    Chandrayaan 3: চাঁদের দেশে কেমন আছে প্রজ্ঞান ও বিক্রম? জানতে অপেক্ষা আরও ৯ দিনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সূর্য অস্ত গিয়েছে বেশ কয়েকদিন আগেই। ইসরোর বিজ্ঞানীরা বলছেন, আগামী ২২ সেপ্টেম্বর নাগাদ আবার দক্ষিণ মেরুতে সূর্য উঠবে। বর্তমানে সেখানে কনকনে ঠান্ডা। এমন অবস্থায় ল্যান্ডার বিক্রম অথবা রোভার প্রজ্ঞান ঠিক কেমন আছে? আদৌ কি কার্যক্ষমতা বজায় রয়েছে চন্দ্রযান ৩ (Chandrayaan 3) এর? বিজ্ঞানীরা বলছেন, এখন নয় এর উত্তর মিলবে আরও ৯ দিন পরেই। তবে তাঁরা এও জানাচ্ছেন, বিক্রমের প্রযুক্তি স্বাভাবিক থাকার সম্ভাবনা খুবই কম। পৃথিবীর রাত্রি ও চাঁদের রাত্রির পার্থক্য তাপমাত্রার দিক থেকে অনেকটাই বেশি। চাঁদে সূর্য ডুবলে তাপমাত্রা নেমে যায় ২৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর নিচে। এই প্রবল ঠান্ডায় চন্দ্রযানের (Chandrayaan 3) প্রযুক্তি ঠিক কাজ করবে কিনা তা স্পষ্ট বলা যাচ্ছে না, কিন্তু এতেও আশা ছাড়ছে না ইসরোর বিজ্ঞানীরা।

    স্লিপ মোডে রয়েছে বিক্রম ও প্রজ্ঞান

    ল্যান্ডার বিক্রম ও রোভারকে স্লিপ মোডে পাঠানো হয়েছে। তথ্য সংগ্রহ হবে যেখান থেকে সেই যন্ত্রাংশগুলি এখনও  চালু রয়েছে। প্রসঙ্গত, গত ২৩ অগাস্ট চাঁদের মাটিতে সফট ল্যান্ডিং করে ল্যান্ডার বিক্রম (Chandrayaan 3)। তারপর পেটের ভিতর থেকে গুটিগুটি পায়ে বেরিয়ে আসে রোভার প্রজ্ঞান। সেসময় দক্ষিণ মেরুতে সূর্যের আলো ছিল। এই সময়ে চাঁদের বায়ুমন্ডলের গঠন সমেত চন্দ্রপৃষ্ঠের রাসায়নিক উপাদান এসব কিছুরই অনুসন্ধান চালায় রোভার প্রজ্ঞান। ল্যান্ডার বিক্রমের একাধিক ছবিও তোলে প্রজ্ঞান।

    চন্দ্রপৃষ্ঠে ১০০ মিটারেরও বেশি হেঁটেছে প্রজ্ঞান

    ইসরো নিজেদের এক্স (সাবেক ট্যুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করে সেসব ছবি। ছয় চাকার প্রজ্ঞান চাঁদে ১০০ মিটারেরও বেশি পথ অতিক্রম করেছে বলে জানিয়েছে ইসরো। পরবর্তীকালে চাঁদে রাত নামার আগে হফ পরীক্ষাও করা হয়, অর্থাৎ ল্যান্ডার বিক্রম (Chandrayaan 3) মাটি থেকে ৪০ সেন্টিমিটার লাফ দেয়। এই হফ পরীক্ষা পরবর্তীকালে চন্দ্রপৃষ্ঠে মানব অভিযানে সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানী মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: দিল্লিতে বৈঠকে বসছে ‘ইন্ডি’ জোট, পাল্টা আয়োজন বিজেপিরও, থাকছেন প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং

    BJP: দিল্লিতে বৈঠকে বসছে ‘ইন্ডি’ জোট, পাল্টা আয়োজন বিজেপিরও, থাকছেন প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার বৈঠকে বসছে ‘ইন্ডি’ জোটের সমন্বয় কমিটি। ১৩ সেপ্টেম্বর খোদ নয়া দিল্লিতে হবে বৈঠক। লোকসভা নির্বাচনের রণকৌশল স্থির করা এবং আসন রফা নিয়েই মূলত আলোচনা হবে ওই বৈঠকে। ‘ইন্ডি’ জোটের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলতে ওই দিনই বৈঠকে বসার কথা ঘোষণা করেছে বিজেপিও (BJP)। এদিন বৈঠকে বসবেন পদ্মশিবিরের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির সদস্যরা। চলতি বছর বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে পাঁচ রাজ্যে। এই বিধানসভা নির্বাচনের পাশাপাশি লোকসভা নির্বাচন নিয়েও হবে আলোচনা। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং।

    পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন

    এ বছরই পুজোর পরে রয়েছে মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, তেলঙ্গনা, ছত্তিশগড় ও মিজোরাম বিধানসভার নির্বাচন। লোকসভা নির্বাচনের আগে যা বিজেপির (BJP) কাছে অগ্নিপরীক্ষা-স্বরূপ। সম্প্রতি বিভিন্ন রাজ্যের ৭ বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি কেন্দ্রে জয়ী হয়েছে গেরুয়া শিবির। তাই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনেও ইন্ডি জোটকে ঘায়েল করতে মরিয়া বিজেপি নেতৃত্ব। সেই কারণেই বৈঠকে বসছেন পদ্ম নেতৃত্ব।

    লোকসভা নির্বাচনের রণকৌশল নিয়েও আলোচনা

    বিজেপির এই বৈঠকে মিজোরাম সহ পাঁচ রাজ্যে সংগঠনের কী অবস্থা, ‘ইন্ডি’ জোটকে পরাস্ত করতে প্রয়োগ করা হবে কোন হাতিয়ার, লোকসভা নির্বাচনের রণকৌশল কী হবে, এসব নিয়েই মূলত হবে আলোচনা। যে পাঁচটি রাজ্যে এবছরই বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা, সেখানে প্রার্থী বাছাই নিয়েও আলোচনা হবে। এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ, বিজেপির (BJP) সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা সহ গেরুয়া শিবিরের শীর্ষ নেতারা।

    আরও পড়ুুন: ‘কনভয়ের গতিবিধির ওপর নজরদারি করছে রাজ্য’! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএকে পরাস্ত করতে জোট বেঁধেছে পদ্ম-বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল। জোটের নাম হয়েছে ‘ইন্ডি’। ‘ইন্ডি’-র প্রথম বৈঠক হয়েছে বিহারের পাটনায়। দ্বিতীয় দফার বৈঠক হয়েছে বেঙ্গালুরুতে। আরব সাগরের তীরে হয়েছিল তৃতীয় বৈঠক। এবার খাস দেশের রাজধানীর বুকে হতে চলেছে ‘ইন্ডি’-র সমন্বয় কমিটির বৈঠক। তার পরেও লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপিকে (BJP) পরাস্ত করা যাবে না বলেই ইঙ্গিত মিলেছে বিভিন্ন সমীক্ষায়।

    ইন্ডিয়ার বিজেপি-বধের যাবতীয় উদ্যোগ কি তাহলে জলেই যাবে?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shanti Swarup Bhatnagar Prize: গর্বিত বাংলা! বিজ্ঞান ক্ষেত্রে দেশের সর্বোচ্চ ভাটনগর পুরস্কার পেলেন চার বাঙালি

    Shanti Swarup Bhatnagar Prize: গর্বিত বাংলা! বিজ্ঞান ক্ষেত্রে দেশের সর্বোচ্চ ভাটনগর পুরস্কার পেলেন চার বাঙালি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তিস্বরূপ ভাটনগর পুরস্কার (Shanti Swarup Bhatnagar Prize) পেলেন আইআইসিবি-র বাঙালি চিকিৎসক-গবেষক ইমিউনোলজিস্ট দীপ্যমান গঙ্গোপাধ্যায়। বিজ্ঞান ক্ষেত্রে দেশের সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত চার বাঙালি বিজ্ঞানী। ৩৯ বছর পর কলকাতায় কাজ করে মেডিক্যাল সায়েন্সে শান্তিস্বরূপ ভাটনগর পুরস্কার পেলেন ইমিউনোলজিস্ট শান্তিস্বরূপ ভাটনগর পুরস্কারমোট ১২ জন এই সম্মান পাচ্ছেন। এর মধ্যে ৪ জন বাঙালি। 

    শান্তিস্বরূপ ভাটনগর পুরস্কার কী

    দেশে বিজ্ঞানের সবচেয়ে বড় পুরস্কার শান্তিস্বরূপ ভাটনগর পুরস্কার (Shanti Swarup Bhatnagar Prize)। কাউন্সিল অফ সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ (CSIR) এর প্রতিষ্ঠা দিবসে এই পুরস্কার দেওয়া হয়ে থাকে। সিএসআইআর-এর প্রথম ডিরেক্টর শান্তি স্বরূপ ভাটনাগরের নামানুসারে, প্রতি বছর সাতটি বৈজ্ঞানিক শাখায় এই পুরস্কার দেওয়া হয়। জীববিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত, পদার্থবিদ্যা, চিকিৎসা, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড আর্থ, বায়ুমণ্ডল, মহাসাগর এবং গ্রহ বিজ্ঞানের মতো ৭ টি বিষয়ে এই পুরস্কার দেওয়া হয়৷ ভাটনগর পুরস্কার স্বরূপ গবেষকদের ৫ লক্ষ টাকা নগদ দেওয়া হয়৷ ৪৫ বছরের কম বয়সী বিজ্ঞানীরা এই সম্মান পেয়ে থাকেন৷

    দীপ্যমানের কীর্তি 

    চিকিৎসা ক্ষেত্রে ১৯৮৪-র পর এই প্রথম কোনও বাঙালি শান্তিস্বরূপ ভাটনগর পুরস্কার (Shanti Swarup Bhatnagar Prize) পেলেন। কোভিডের উপর কাজ করে এই পুরস্কার পেয়েছেন দীপ্যমান গঙ্গোপাধ্যায়। দীর্ঘদিন ধরেই অনাক্রম্যতা (ইমিউনোলজি) বিষয়ে গবেষণা করছেন দীপ্যমান গঙ্গোপাধ্যায়। তাতে বিশেষ ভাবে ছিল অটোইমিউন ডিজিজ। সাম্প্রতিক কালে কোভিডে অনাক্রম্যতা বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কী ভাবে প্রভাব ফেলেছিল, সেটি নিয়েও গবেষণা করেন তিনি। কোভিডে প্লাজমা থেরাপির পরীক্ষামূলক গবেষণাও করেছেন। সেই সমস্ত কাজের স্বীকৃতি হিসেবেই এই পুরস্কার পেয়েছেন দীপ্যমান। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দীপ্যমান গঙ্গোপাধ্যায়কে। লিখেছেন, ‘সম্মানপ্রাপক দীপ্যমান গঙ্গোপাধ্যায়কে শুভেচ্ছা জানাই। বহু বছর পর বাংলায় স্বাস্থ্যক্ষেত্রে একজন গবেষকের হাত ধরে এই ভাটনগর সম্মান এল।’

    কেন ভিন রাজ্যে রাজ্যের মেধা?

    ৩৯ বছর পর কলকাতায় কাজ করে মেডিক্যাল সায়েন্সে শান্তিস্বরূপ ভাটনগর পুরস্কার (Shanti Swarup Bhatnagar Prize) পেলেন ইমিউনোলজিস্ট দীপ্যমান গঙ্গোপাধ্যায়। এই পুরষ্কারের ঝুলিতে রয়েছে—একটি প্রশংসাপত্র, একটি ফলক এবং নগদ ৫ লক্ষ টাকা। এই পুরষ্কার পাওয়ার পর দীপ্যমান গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘‌রাজ্য সরকারের উদ্যোগে এই রাজ্যে আর‌ও বেশি করে গবেষণার পরিকাঠামো গড়ে তোলা প্রয়োজন। কেন ভিন রাজ্যে রাজ্যের মেধা চলে যাচ্ছে?‌ সেটাও দেখতে হবে।’

    আরও পড়ুন: দুর্গাপুজোর নির্ঘণ্ট প্রকাশ বেলুড় মঠের, স্বামীজি প্রচলন করেছিলেন এই পুজো

    আর কোন কোন বাঙালি পেলেন সম্মান

    যে চার বাঙালির আলোয় এ বারের ভাটনগর পুরস্কার (Shanti Swarup Bhatnagar Prize) উজ্জ্বল, তাঁরা রসায়নে আইআইটি বম্বের দেবব্রত মাইতি, পদার্থবিদ্যায় বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সের (আইআইএসসি) অনিন্দ্য দাস ও টাটা ইনস্টিটিউট অব ফান্ডামেন্টাল রিসার্চের বাসুদেব দাশগুপ্ত এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানে কলকাতার ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব কেমিক্যাল বায়োলজির দীপ্যমান গঙ্গোপাধ্যায়। দেবব্রতের গবেষণা কার্বন এবং হাইড্রোজেন পরমাণুর পারস্পরিক রাসায়নিক বন্ধন নিয়ে। সন্ধিগত মৌলের অনুঘটন ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে জীবনদায়ী ওষুধ থেকে কীটনাশক পর্যন্ত বিভিন্ন কিছুর উদ্ভাবনে দিশা দিচ্ছে তাঁর কাজ। দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত দেবব্রতের পড়াশোনা পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকের শ্রীরামপুর গ্রামের স্থানীয় কৃষি উচ্চ বিদ্যালয়ে। পদার্থবিদ্যায় পুরস্কার প্রাপক অনিন্দ্য দাসও বেলুড় রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যামন্দিরের ছাত্র। পদার্থবিদ্যায় পুরস্কার প্রাপক আর এক বাঙালি মুম্বইয়ের টাটা ইনস্টিটিউট অব ফান্ডামেন্টাল রিসার্চের (টিআইএফআর) বাসুদেব দাশগুপ্ত। ২০০০ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিদ্যার স্নাতক স্তরের ছাত্র ছিলেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • UPI Loan: ব্যালান্স না থাকলেও করা যাবে লেনদেন! কী বলছে ইউপিআই ঋণের নতুন নিয়ম?

    UPI Loan: ব্যালান্স না থাকলেও করা যাবে লেনদেন! কী বলছে ইউপিআই ঋণের নতুন নিয়ম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  সময় যত এগিয়ে যাচ্ছে, মানুষ তত বেশি পরিমাণে আর্থিক লেনদেনের জন্য ডিজিটাল মধ্যমের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন। ব্যস্ততার যুগে অনলাইন লেনদেনের উপর আগ্রহ বাড়ছে বেশি করে। লেনদেন প্রক্রিয়াও হয়ে গিয়েছে অত্যন্ত সহজ সরল। এবার অনলাইন মাধ্যমে ইউপিআইতে (UPI Loan) অতিরিক্ত আরও সুবিধা যুক্ত হতে চলেছে। ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (RBI) জানিয়েছে, এবার থেকে অ্যাকাউন্টে ব্যালান্স না থাকলেও ইউপিআই লেনদেন করা যাবে। যাঁরা নিয়মিত ডিজিটাল পেমেন্ট করেন, তাঁদের জন্যও পরিষেবার গুণমান আরও উন্নত হচ্ছে। 

    কী বলেছে আরবিআই?

    সম্প্রতি, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তরফ থেকে জানানো হয়, ইউপিআই (UPI Loan) ডিজিটাল লেনদেনে নতুন নিয়ম চালু হয়েছে। এই নতুন নিয়মে গ্রাহকের নিজের অ্যাকাউন্টে যদি টাকা নাও থাকে, তাহলেও এবার থেকে ইউপিআই-এর মাধ্যমে টাকা পাঠাতে পারবেন। কিন্তু, কী করে তা সম্ভব? এই প্রসঙ্গে শীর্ষ ব্যাঙ্ক জানিয়েছে যে, ইউপিআই-এর সঙ্গে ‘প্রি-অ্যাপ্রুভড ক্রেডিট লাইন’ (PCL) পরিষেবাকে এখন থেকে যুক্ত করা হচ্ছে। প্রি-অ্যাপ্রুভড ক্রেডিট লাইনের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণের ক্রেডিট লাইন প্রদান করা হবে। এই ক্রেডিট লাইনের পরিমাণ নির্ধারিত হবে গ্রাহকের আর্থিক ব্যালান্স, লেনদেনের ইতিহাস এবং আরও নানান বিষয়ের উপর। গ্রাহকের আর্থিক লেনদেন কতটা পরিমাণে হয়, কতটা নিয়মিত হয়, তার উপর ভিত্তি করে ব্যাঙ্ক প্রি-অ্যাপ্রুভড ক্রেডিট লাইন দেবে বলে নির্ধারিত হয়েছে। 

    কীভাবে দেওয়া হবে সুবিধা?

    আরবিআই (RBI) জানিয়েছে, গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে টাকা না থাকলে, ইউপিআই (UPI Loan) দিয়ে প্রয়োজনীয় টাকা গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে পাঠাতে পারবেন। তবে গ্রাহকের প্রি-অ্যাপ্রুভড ক্রেডিট লাইনের মধ্যে থাকা টাকার পরিমাণ দিয়ে এই লেনদেন করা যাবে। যদিও এক্ষেত্রে বলা হয়েছে, গ্রাহককে এই ডিজিটাল লেনদেনের জন্য বিশেষ সুদ দিতে হবে। ইউপিআই-তে ক্রেডিট কার্ড লিঙ্ক বা অ্যাকাউন্টের ব্যালান্স যদি নাও থাকে, তাহলেও গ্রাহক পেমেন্ট করতে পারবেন। এই পরিষেবায় যে কোনও গ্রাহক, জরুরি ভিত্তিতে টাকার প্রয়োজন মেটাতে ভীষণ উপকৃত হবেন। সেই সঙ্গে ডিজিটাল পেমেন্টের আরও ব্যাপক প্রচার ও প্রসার হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    গ্রাহকের পরিমাণ বৃদ্ধি হবে

    আশা করা হচ্ছে, এই নতুন নিয়মের ফলে ইউপিআই (UPI Loan) ব্যবহারকারী গ্রহাকের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। যাঁরা সব সময় এই পেমেন্ট খুব একটা করেন না, তাঁরা একবার শুরু করলে পরিষেবার প্রতি আগ্রহ আরও বাড়বে। একইসঙ্গে, এই সুবিধার ফলে গ্রাহকের ঋণ নেওয়া আরও সহজলভ্য বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে। তবে একইসঙ্গে আশঙ্কাও করা হচ্ছে, এই ব্যবস্থার ফলে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের উপর বিশেষ প্রভাব পড়বে। অনেকের মতে, এতে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার কম হতে পারে। 

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • 6G Technology: দেশে আসছে আরও হাই-স্পিড ইন্টারনেট! ৬জি পরিষেবা দিতে মউ স্বাক্ষর ভারত-আমেরিকার

    6G Technology: দেশে আসছে আরও হাই-স্পিড ইন্টারনেট! ৬জি পরিষেবা দিতে মউ স্বাক্ষর ভারত-আমেরিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অতীত ৪জি পরিষেবা। ভারতে মিলছে ৫জি পরিষেবা। অচিরেই দেশে ইতিহাস হয়ে যাবে তাও। ভারতের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও মিলবে ৬জি পরিষেবা। দেশবাসীকে হাই-স্পিড ইন্টারনেট পরিষেবা দিতে আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করল ভারত (6G Technology)। শনিবার নয়াদিল্লিতে বসেছিল দু’ দিনের জি২০ শীর্ষ সম্মেলনের আসর।

    মউ স্বাক্ষর

    তার ঠিক আগের দিন মউ স্বাক্ষর হল নেক্সট জি অ্যালায়েন্স ও ভারত ৬জি অ্যালায়েন্সের মধ্যে। যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ৬জি ওয়্যারলেস প্রযুক্তি চালু ও নির্ভরযোগ্য সাপ্লাই চেইন তৈরির লক্ষ্যে কাজ করা হবে। ভারত ও আমেরিকা উভয় দেশই নির্ভরযোগ্য ও সুরক্ষিত টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি করার লক্ষ্যে কাজ করছে। দুই দেশই চায়, দ্রুত ৬জি নেটওয়ার্ক (6G Technology) পরিষেবা চালু করতে। সেই লক্ষ্যেই আমরা মিলিতভাবে কাজ করব।  

    গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ

    নেক্সট জি অ্যালায়েন্সের তরফে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন এটিআইএসের প্রেসিডেন্ট তথা সিইও সুজান মিলার ও ভারত ৬জি অ্যালায়েন্সের পক্ষে স্বাক্ষর করেন এনজি সুব্রহ্মণ্যম। তিনি বলেন, “ভারত সমাজকে শক্তিশালী করতে চায়। পরবর্তী প্রজন্মের ৬জি পরিষেবা বিশ্বে জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন করবে। সেই লক্ষ্যে নেক্সট জি অ্যালায়েন্সের সঙ্গে এই মউ স্বাক্ষর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ।”

    জি২০ সম্মেলনের ফাঁকে পার্শ্ববৈঠকে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। বৈঠক শেষে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুই রাষ্ট্রপ্রধানই আমেরিকায় রিপ অ্যান্ড রিপ্লেস প্রোগ্রামে ভারতীয় কোম্পানিগুলির অংশগ্রহণের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। প্রেসিডেন্ট বাইডেনও আমেরিকায় রিপ অ্যান্ড রিপ্লেস পাইলটে ভারতের সমর্থনকে স্বাগত জানিয়েছেন। ২০২৩ সালের জুনে মার্কিন কোম্পানি ম্যাক্রন, ল্যাম রিসার্চ এবং অ্যালায়েড মেটিরিয়ালস ভারতে লগ্নির বিষয়ে যা বলেছিল, তার অগ্রগতি নিয়েও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন দুই রাষ্ট্রপ্রধানই। বম্বে আইআইটি যে চিকাগো কোয়ান্টাম এক্সচেঞ্জের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে, তাও (6G Technology) জানানো হয়েছে ওই বিবৃতিতে।

    আরও পড়ুুন: নভেম্বরে জি২০-এর ভার্চুয়াল বৈঠক চান প্রধানমন্ত্রী, কেন জানেন?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • PM Modi: নভেম্বরে জি২০-এর ভার্চুয়াল বৈঠক চান প্রধানমন্ত্রী, কেন জানেন?

    PM Modi: নভেম্বরে জি২০-এর ভার্চুয়াল বৈঠক চান প্রধানমন্ত্রী, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়াদিল্লিতে শেষ হয়েছে দু’ দিন ব্যাপী জি২০ (G20) শীর্ষ সম্মেলন। জি২০-এর সদস্য দেশগুলির প্রতিনিধিরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আমন্ত্রিত বেশ কয়েকটি দেশের সদস্যরা। গত বছর সেপ্টেম্বরে ইন্দোনেশিয়ার বালিতে জি২০-এর ব্যাটন এসেছিল ভারতের হাতে। আগামী জি২০ সম্মেলনের আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে ব্রাজিল।

    প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা

    নয়াদিল্লি এই প্রথমবার জি২০ সম্মেলন আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছিল। সম্মেলন সফল হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ভূয়সী প্রশংসা করেছেন বিশ্বনেতারা। এই সম্মেলনে যেসব প্রস্তাব উত্থাপিত হয়েছে, সে ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা চান প্রধানমন্ত্রী। তাই নভেম্বরে ভার্চুয়াল জি২০ সম্মেলনের প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “গত দু’ দিনে আপনারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে আপনাদের মত পোষণ করেছেন, পরামর্শ দিয়েছেন এবং গুচ্ছ প্রস্তাব পেশ করেছেন। আমাদের দায়িত্ব হল এই সব প্রস্তাব এবং পরামর্শ কীভাবে বাস্তবায়িত করা যায় এবং কীভাবে সেগুলিতে গতি সঞ্চার করা যায়, তা দেখা।”

    ভারতের আয়োজনকে ‘মাইলস্টোন’ আখ্যা

    সারা বছর ধরে জি২০-এর সম্মেলন হয়েছে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে। তার প্রশংসা শোনা গিয়েছে বিশ্বনেতাদের গলায়। তাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এই ভার্চুয়াল জি২০ সম্মেলনের প্রস্তাবে সায় দিতে পারেন তাঁরা। জি২০ সম্মেলনে প্রেসিডেন্টের পরিবর্তে উপস্থিত ছিলেন রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ। তিনি বলেন, “সিদ্ধান্তগুলি বাস্তবায়িত হচ্ছে কিনা, তা দেখা দরকার।” ভারতের আয়োজনকে ‘মাইলস্টোন’ আখ্যা দেন তিনি। বলেন, “গ্লোবাল সাউথ থেকে প্রকৃতপক্ষে জি২০ সদস্যদের এক ছাতারতলায় আনতে পেরেছে ভারত।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘লেনিনের সঙ্গে যোগ নেই ভারতের’’, মূর্তি সরানোর সওয়াল সুকান্তর

    অদূর ভবিষ্যতে তামাম বিশ্বে (PM Modi) যে বাজার তৈরি হতে চলেছে, তার ওপরই নির্ভর করবে জি২০-এর ভবিষ্যৎ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই কারণেই এবার ইতালির হাতে নয়, জি২০-এর ব্যাটন তুলে দেওয়া হয়েছে ব্রাজিলের ওপর। তার পরেরবার জি২০ সম্মেলন আয়োজনের দায়িত্ব পাবে দক্ষিণ আফ্রিকা। জি২০ সম্মেলন আয়োজনের দায়িত্ব নিয়ে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা ডি সিলভা বলেন, “ঝগড়া-বিবাদের পরিবর্তে আমরা চাই শান্তি ও সহযোগিতা।” অশান্তি যে কাম্য নয়, প্রেস কনফারেন্সে তা জানিয়ে দিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাঁক্রও। তিনি বলেন, “জি২০ আরও একবার রাশিয়াকে একঘরে করে দিল। আজ, জি২০-এর সদস্য দেশগুলির সিংহভাগই ইউক্রেনে যুদ্ধের জন্য রাশিয়াকে দুষছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের বিশ্বজনীন প্রভাব নিয়েও আলোচনা হয়েছে সম্মেলনে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • G20 Summit: সন্ত্রাসবাদকে এক ইঞ্চিও জমি নয়, জানানো হল জি২০ সম্মেলনের ঘোষণাপত্রে

    G20 Summit: সন্ত্রাসবাদকে এক ইঞ্চিও জমি নয়, জানানো হল জি২০ সম্মেলনের ঘোষণাপত্রে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদের কোনও রূপকেই এক ইঞ্চিও জমি ছাড়া হবে না। নয়াদিল্লিতে আয়োজিত জি২০ সম্মেলনের (G20 Summit) ঘোষণাপত্রে দ্ব্যর্থহীনভাবে জানিয়ে দেওয়া হল একথা। শনিবার ওই সম্মেলনে সব ধরনের সন্ত্রাসবাদের নিন্দা করা হয়েছে। কোনও দেশ যাতে জঙ্গিদের নিরাপদ আশ্রয় না হয়, জঙ্গিরা যাতে কোনও দেশ থেকে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং রসদ না পায়, নতুন সদস্য নিয়োগ করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতেও আন্তর্জাতিক সমন্বয় ও সহযোগিতা বাড়ানোর ডাকও দেওয়া হয়েছে এই সম্মেলনে।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    ঘোষণাপত্রে (G20 Summit) বলা হয়েছে, সন্ত্রাসবাদের সমস্ত ধরনের কাজকর্মই ক্রিমিনাল এবং অসমর্থনযোগ্য, তাদের উদ্দেশ্য যাই হোক না কেন, যে কোনও জায়গায়ই হোক না কেন, যেই করুক না কেন। প্রসঙ্গত, জি২০ লিডার্স সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে এই সুরই বেঁধে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সন্ত্রাসবাদের নেপথ্যে থাকা আর্থিক বল-ভরসা এখন গুরুত্বপূর্ণ। এই লক্ষ্যে ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স (FATF) এর মতো আঞ্চলিক সংস্থাগুলির আরও বেশি করে সহায়তা দিতে অঙ্গীকার করেছে জি২০-এর সদস্য দেশগুলি।

    সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জি২০ 

    জি২০ নয়াদিল্লি শীর্ষ সম্মেলনের (G20 Summit) ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, আমরা যে কোনও ধরনের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে। বিদেশি আতঙ্ক, জাতিগত বিরোধ কিংবা অসহিষ্ণুতার অন্য কোনও রূপ, ধর্মীয় কিংবা ধর্ম বিশ্বাস নিয়ে যেসব সন্ত্রাসবাদী কাজকর্ম হচ্ছে, আমরা তার বিরুদ্ধে। কারণ এগুলি আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার পক্ষে হুমকি স্বরূপ, বড় বিপদগুলির মধ্যে অন্যতম।

    আরও পড়ুুন: অক্ষরধাম মন্দিরে পুজো দিলেন ‘গর্বিত হিন্দু’ ঋষি সুনক, হাঁটু মুড়ে করলেন প্রণামও

    সন্ত্রাসবাদের শিকার কাউকে সাহায্য করা এবং মানবাধিকার রক্ষা পরস্পর বিরোধী লক্ষ্য নয় বলেও স্পষ্ট করে দিয়েছে নয়াদিল্লি সম্মেলন। এরা যে একটি অন্যটির পরিপূরক এবং একটি অন্যটিকে শক্তিশালী করবে, তাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে সম্মেলনে। স্মল আর্মস ও লাইট ওয়েপনস পাচার রুখতে বিভিন্ন দেশের মধ্যে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার কথাও বলা হয়েছে জি২০ সম্মেলনে (G20 Summit)। সম্মেলনে এও জানানো হয়েছে, এফএটিএফ দুর্বৃত্তদের সম্পদের হদিশ পাচ্ছে, সেসব সম্পদ উদ্ধারও করছে। এ ব্যাপারে এফএটিএফের প্রভাব দুনিয়াজুড়ে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

  • Rishi Sunak: অক্ষরধাম মন্দিরে পুজো দিলেন ‘গর্বিত হিন্দু’ ঋষি সুনক, হাঁটু মুড়ে করলেন প্রণামও

    Rishi Sunak: অক্ষরধাম মন্দিরে পুজো দিলেন ‘গর্বিত হিন্দু’ ঋষি সুনক, হাঁটু মুড়ে করলেন প্রণামও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জি২০ (G20) শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে দু’ দিনের ভারত সফরে এসেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক। রবিবার সম্মেলনের ফাঁকে সুনক সস্ত্রীক চলে যান দিল্লির অক্ষরধাম মন্দিরে। সেখানে স্ত্রী অক্ষতা মূর্তিকে নিয়ে পুজোও দেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। আরতি শেষ করে হাঁটু মুড়ে প্রণামও করেন সুনক। প্রসঙ্গত, সম্মেলনে যোগ দিতে এসে সুনক জানিয়েছিলেন ভারতের কিছু মন্দিরে যাওয়ার সময় তিনি বের করতে পারবেন।

    অক্ষরধাম মন্দিরে সুনক

    সেই মতোই তিনি গেলেন অক্ষরধাম মন্দিরে। সরকারি সফরে এই প্রথম সুনক এলেন ভারতে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে মন্দিরে ব্যবস্থা করা হয়েছিল কড়া নিরাপত্তার। এদিন সাদা শার্টের সঙ্গে সুনক পরেছিলেন ট্রাউজার্স। সুনকের স্ত্রী, বিশিষ্ট শিল্পপতি নায়ারণ মূর্তির কন্যা অক্ষতা পরেছিলেন কুর্তা ও পালাজো। সকাল সকাল মন্দিরে পৌঁছে যান তাঁরা। মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে স্বাগত জানানো হয় তাঁদের। ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সুনককে (Rishi Sunak) স্বাগত জানান মন্দিরের স্বামীজিরা। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মন্দিরের প্রবীণ নেতাও।

    পুজো দিলেন মন্দিরে 

    এদিন স্বামীনারায়ণ অক্ষরধাম মন্দির ঘুরে দেখেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। একশো একর জায়গাজুড়ে রয়েছে মন্দির ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। প্রাচীন ভারতের নানা স্থাপত্যের নিদর্শনও রয়েছে এই মন্দির চত্বরে। আবহমানকাল ধরে আধ্যাত্মিকতায় বিশ্বাস, ত্যাগ এবং ঐক্যের যে মূল সুর বিদ্যমান হিন্দু ধর্মে, তাও তুলে ধরা হয়েছে মন্দির চত্বরে। পরে মন্দিরের গর্ভগৃহে ঢুকে শ্রদ্ধা জানান সস্ত্রীক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। প্রশংসা করেন ভারতীয় শিল্পকর্ম ও স্থাপত্যের।

    আরও পড়ুুন: মোদির সঙ্গে সেলফি তুললেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী, ‘জি২০ সম্মেলন সফল’, জানালেন আলবানিজ

    নয়াদিল্লির সম্মেলন উপলক্ষে দিল্লিতে পা দিয়েই সুনক জানিয়েছিলেন, তিনি গর্বিত হিন্দু। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি তাঁর অপরিসীম শ্রদ্ধাও রয়েছে। অক্ষরধাম মন্দির দর্শন শেষে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী চলে যান রাজঘাটে, গান্ধী স্মারকে শ্রদ্ধা জানাতে। সেখানে গিয়েছিলেন জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে আগত অন্য রাষ্ট্রপ্রধানরাও। শনিবার সম্মেলনের ফাঁকে পার্শ্ববৈঠকে বসেছিলেন মোদি ও সুনক (Rishi Sunak)। সেখানে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ কীভাবে বাড়ানো যায় মূলত তা নিয়েই হয়েছে আলোচনা। এর আগে মে মাসে জাপানের হিরোশিমায় মুখোমুখি হয়েছিলেন মোদি এবং সুনক। জি৭ বৈঠকের ফাঁকে ভারত-ব্রিটেন মুক্ত বাণিজ্য নিয়ে কথা হয়েছিল এই দুই রাষ্ট্রপ্রধানের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Allahabad High Court: সন্তানের সঙ্গী বাছাইয়ের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করতে পারেন না বাবা-মায়েরা, জানাল হাইকোর্ট

    Allahabad High Court: সন্তানের সঙ্গী বাছাইয়ের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করতে পারেন না বাবা-মায়েরা, জানাল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানরা পছন্দ মতো জীবন সঙ্গী বা সঙ্গিনী বেছে নিতে পারেন। এ ব্যাপারে কেউ মায় বাবা-মাও হস্তক্ষেপ করতে পারেন না’। শনিবার একটি মামলার রায় দিতে গিয়ে পর্যবেক্ষণে এমনই জানাল এলাহাবাদ হাইকোর্ট (Allahabad High Court)। আদালত বলছে, সংবিধানে জীবনের অধিকার এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতার যে গ্যারান্টি দেওয়া হয়েছে, তাতেই এই স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে।

    হাইকোর্টের দ্বারস্থ যুগল

    লিভ-ইন সম্পর্ক নিয়ে পরিবারের হস্তক্ষেপ বন্ধে এলাহাবাদ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় এক যুগল। পিটিশনে ওই যুবক-যুবতীর দাবি, পরিবারের হস্তক্ষেপের জেরে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে তাঁদের। পরিবার যাতে হস্তক্ষেপ না করে, তার নির্দেশ দেওয়ার জন্য আদালতের কাছে আবেদন জানায় ওই যুগল। সেই মামলার রায় দিতে গিয়েই পছন্দের সঙ্গী বা সঙ্গিনী বেছে নেওয়ার অধিকার দেয় আদালত।

    যুগলের আইনজীবীর যুক্তি

    এদিন সওয়াল জবাবে আবেদনকারী যুগলের আইনজীবী (Allahabad High Court) বলেন, “লিভ-ইনকারী যুগল প্রাপ্তবয়স্ক। তাঁরা স্বেচ্ছায় লিভ-ইন সম্পর্কে রয়েছেন। কিন্তু যুবতীর মা ও পরিবারের অন্যরা এই সম্পর্ক মেনে নিতে পারছেন না।” তিনি জানান, পরিবারের তরফে তাঁর মক্কেলকে ভয়ানক পরিণতির হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে শান্তিপূর্ণ জীবন যাপন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে আবেদনকারী যুগল। তাঁদের নিরাপত্তার জন্য যাতে পুলিশি ব্যবস্থা করা হয়, সেই আবেদনও জানান ওই যুগলের আইনজীবী।

    আরও পড়ুুন: তালিবানি ফতোয়া চিনেও! পোশাকবিধি চালু হচ্ছে ড্রাগনের দেশে?

    এর পরেই এই মামলার রায় দিতে গিয়ে এলাহাবাদ হাইকোর্টের (Allahabad High Court) বিচারপতি সুরেন্দ্র সিংহ তাঁর পর্যবেক্ষণে বলেন, “একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি তাঁদের পছন্দের একজন ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ে বা বসবাস করতে স্বাধীন। এ ক্ষেত্রে তাঁদের পিতামাতা থেকে শুরু করে কেউ বাধা দিতে পারেন না। সঙ্গী নির্বাচনের সমস্ত অধিকার তাঁদের রয়েছে। এতে আদালত হস্তক্ষেপ করতে পারে না।” বিচারপতি বলেন, “প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের সঙ্গী নির্বাচনের অধিকার নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে সংবিধানে। এটা তাঁদের মৌলিক স্বাধীনতার অধিকার।” ওই যুবতীর পরিবারকে এ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ না করার পরামর্শও দেন বিচারপতি। আবেদনকারী যুগলের শান্তিপূর্ণ জীবনযাপনের ক্ষেত্রে যদি পরিবার বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে সেক্ষেত্রে পুলিশের দ্বারস্থ হওয়ার পরামর্শও দেন বিচারপতি সিংহ।   

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • G20 Summit: মোদির সঙ্গে সেলফি তুললেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী, ‘জি২০ সম্মেলন সফল’, জানালেন আলবানিজ

    G20 Summit: মোদির সঙ্গে সেলফি তুললেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী, ‘জি২০ সম্মেলন সফল’, জানালেন আলবানিজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মে মাসেই অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেখানকার আতিথেয়তায় মুগ্ধতাও প্রকাশ করেছিলেন তিনি। ভারত-অস্ট্রেলিয়ার বন্ধুত্ব মজবুত হল বলে জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    ‘সম্মেলন সফল’

    শনিবার নয়াদিল্লিতে আয়োজিত দু’ দিনের জি২০ সম্মেলনে (G20 Summit) যোগ দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজ। মোদিতে মুগ্ধ অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তুলেছেন সেলফিও। ভারতের সম্মেলন আয়োজন যে সফল, তাও জানিয়েছেন তিনি। আলবানিজ জানান, নয়াদিল্লি সম্মেলনে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের দ্বিপাক্ষিক আলোচনাও হয়েছে। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি জানিয়েছেন, অস্ট্রেলিয়া এবং ভারতের মধ্যে কমপ্রিহেনসিভ ইকনমিক কো-অপারেশন এগ্রিমেন্ট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে (G20 Summit) যোগ দিতে শুক্রবারই ভারতে পা রেখেছেন আলবানিজ।

    ‘অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে লাভজনক’

    মে মাসে যখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়েছিলেন, তখনই আলবানিজ বলেছিলেন, “আমাদের মধ্যের এই সম্পর্ককে বিনিয়োগে রূপান্তরিত করা প্রয়োজন। ভারতের সঙ্গে আমাদের মজবুত অংশীদারিত্ব ব্যবসা-বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং স্থায়িত্ব অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে লাভজনক হবে।” আলবানিজ জানান, প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে তিনি ছ’ বার সাক্ষাৎ করেছেন। তিনি এও জানান, অস্ট্রেলিয়া খুবই ভাল জায়গা। এর নেপথ্যে রয়েছে ইন্ডিয়ান-অস্ট্রেলিয়ান সম্প্রদায়। তিনি দুই দেশের মধ্যে আরও নিবিড় সম্পর্ক দেখতে চান।

    এক্স হ্যান্ডেলে (G20 Summit) আলবানিজ জানান, ‘অস্ট্রেলিয়া এবং ভারত দুই দেশই পুনর্নবীকরণ শক্তির ব্যবহার বাড়াতে যৌথভাবে কাজ করছে’। নয়াদিল্লি সম্মেলনে ভারত আলোকপাত করেছে মূলত ইনক্লুসিভ গ্রোথ, ডিজিটাল ইননোভেশন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং ইক্যুইটেবল গ্লোবাল হেল্থ অ্যাকসেসের ওপর।

    আরও পড়ুুন: ‘‘দেশভাগ ভুল ছিল’’, জি২০-এর জাঁকজমক দেখে মন্তব্য পাকিস্তানের নাগরিকদের

    মে মাসে অস্ট্রেলিয়া সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ট্যুইট-বার্তায় লিখেছিলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি অ্যালবানিজের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা, ঐতিহাসিক কমিউনিটি প্রোগ্রামে অংশ নেওয়া, বাণিজ্য জগতের নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ, বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্ট অস্ট্রেলিয়দের সঙ্গে সাক্ষাৎ – সব মিলিয়ে এটি ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ সফর, যা ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার বন্ধুত্বকে আরও মজবুত করবে’।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
LinkedIn
Share