Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Lok Sabha Election: দুরমুশ ‘ইন্ডিয়া’, ক্ষমতায় ফিরছে এনডিএ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিই, বলছে সমীক্ষা  

    Lok Sabha Election: দুরমুশ ‘ইন্ডিয়া’, ক্ষমতায় ফিরছে এনডিএ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিই, বলছে সমীক্ষা  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Election)। কে আসবে ক্ষমতায় নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে এনডিএ নাকি ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডিয়া’? আপাতত এই প্রশ্নেরই চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে অহরহ। এহেন আবহে পূর্বাভাস দিতে মাঠে নেমে পড়েছে বিভিন্ন সমীক্ষক দলও। তাদের সমীক্ষায় উঠে এসেছে পূর্বাভাস।

    ক্ষমতায় ফিরবে এনডিএ

    সমীক্ষা চালিয়েছিল ‘দ্য টাইমস নাও ইটিজি’। এদের সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, এখনই নির্বাচন হলে ক্ষমতায় ফিরবে এনডিএ। সেক্ষেত্রে বিজেপি পেতে পারে ৩০০টিরও বেশি আসন। ‘ইন্ডিয়া’ পেতে পারে ১৬০ থেকে ১৯০টি আসন। রিপোর্ট অনুযায়ী, এনডিএ পেতে পারে ২৯৬-৩২৬টি আসন। প্রসঙ্গত, গত লোকসভা নির্বাচনে এনডিএ পেয়েছিল ৩৫৩টি আসন। সমীক্ষায় (Lok Sabha Election) জানা গিয়েছে, হিন্দি বলয়ে অব্যাহত থাকবে এনডিএর জয়যাত্রা। গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ এবং রাজস্থান এই তিন রাজ্য থেকে ৭০-৮০টি আসন পেতে পারে এনডিএ। এই তিন রাজ্যে শতাংশের হিসেবে সাফল্যের হার ৮০।

    জোর টক্কর এনডিএ বনাম ‘ইন্ডিয়া’ 

    দক্ষিণের তিন রাজ্য কর্নাটক, কেরালা এবং তামিলনাড়ুতে ‘ইন্ডিয়া’ ভাল ফল করতে পারে বলে প্রকাশ সমীক্ষায়। এখনই নির্বাচন হলে তামিলনাড়ুতে ‘ইন্ডিয়া’ পেতে পারে ৩০-৩৪টি আসন। এ রাজ্যে এনডিএ পেতে পারে ৪-৮টি আসন। কর্নাটকে ‘ইন্ডিয়া’ পেতে পারে ৮-১০টি আসন। এ রাজ্যে এনডিএ পেতে পারে ১৮-২০টি আসন। এই সমীক্ষা থেকেই জানা গিয়েছে, মহারাষ্ট্র ও বিহারে এনডিএকে ভালই টক্কর দেবে ‘ইন্ডিয়া’। পশ্চিমবঙ্গে ভাল ফল করবে তৃণমূল, তবে কমবে জয়ের ব্যবধান।

    আরও পড়ুুন: “২০১৪ সালের পর দেশে দুর্নীতি বন্ধ হয়েছে”, মধ্যপ্রদেশে বললেন মোদি

    গত ১৮ জুলাই থেকে ১৯ অগাস্ট পর্যন্ত একটি সমীক্ষা চালিয়েছিল এবিপি নিউজ-সি ভোটার-ও। সমীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ৭ হাজার ৬৭৯ জন। এই সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের (Lok Sabha Election) মধ্যে ৬২ শতাংশই প্রধানমন্ত্রী পদে দেখতে চেয়েছেন নরেন্দ্র মোদিকে। রাহুল গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী পদে দেখতে চেয়েছেন মাত্র ২০ শতাংশ মানুষ। এর পরেই রয়েছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাঁর পক্ষে ভোট পড়েছে ৬ শতাংশ। যোগী আদিত্যনাথকে প্রধানমন্ত্রী পদে দেখতে চেয়েছেন তিন শতাংশ মানুষ। ৯ শতাংশ মানুষ চেয়েছেন অন্যদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে। এই অন্যদের তালিকায় রয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • PM Modi: “২০১৪ সালের পর দেশে দুর্নীতি বন্ধ হয়েছে”, মধ্যপ্রদেশে বললেন মোদি

    PM Modi: “২০১৪ সালের পর দেশে দুর্নীতি বন্ধ হয়েছে”, মধ্যপ্রদেশে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “দুর্নীতি ও কেলেঙ্কারির যুগে ২০১৪ সালের আগে অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছানোর আগেই দরিদ্রদের অধিকার ও তাঁদের অর্থ লুট করা হত। আর এখন প্রতিটি পয়সা সরাসরি তাঁদের অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাচ্ছে। সিস্টেমের মধ্যে থাকা এই লিকেজ বন্ধ করে দরিদ্রদের কল্যাণে আরও অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে।” সোমবার কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    বিরোধীদের নিশানা মোদির

    এদিন মধ্যপ্রদেশের ভোপালে সিএম রাইজ গভর্নমেন্ট মহাত্মা গান্ধি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নবনিযুক্ত শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ-কাম-ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তিনি নিশানা করেন বিরোধীদের। তিনি বলেন, “অমৃতকালের প্রথম বছরেই ইতিবাচক খবর আসতে শুরু করেছে। যার ফলে সমৃদ্ধি ক্রমবর্ধমান ও দারিদ্র হ্রাস পাচ্ছে। মানুষ নিম্ন থেকে উচ্চ আয়ের গোষ্ঠীতে চলে আসছেন।” ২০১৪ সালে কেন্দ্রের ক্ষমতায় আসে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি সরকার। তার পর যে দেশের অবস্থার বিশেষ বদল হয়েছে, এদিন নীতি আয়োগের একটি রিপোর্ট তুলে ধরে তা দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী।

    ‘করের টাকা ভাল কাজে’

    তিনি বলেন, “গত পাঁচ বছরে ভারতে ১৩.৫০ কোটি মানুষ বিপিএল তালিকা থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছেন। তাঁরা এখন দারিদ্রসীমার ঊর্ধ্বে জীবনযাপন করছেন। সরকার সরাসরি অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাচ্ছে বলেই এটা সম্ভব হচ্ছে। তাছাড়া সাধারণ নাগরিকের করের টাকা ভালো কাজে ব্যবহার হচ্ছে, এটা বুঝতে পেরে আয়কর দাতার সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। নীতি আয়োগের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ন’ বছরে আয়কর রিটার্নের সংখ্যা বেড়েছে ১৩ লাখ।”

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “বিভিন্ন তথ্য বলছে নানা ক্ষেত্রে শক্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে। কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে। নাগরিকদের বিশ্বাস বেড়েছে। প্রতিটি পয়সা দেশের উন্নয়নে ব্যয় হবে এই বিশ্বাস নিয়েই সাধারণ মানুষ তাঁদের কর জমা দিচ্ছেন। সেই কারণেই দেশের অর্থনীতি ২০১৪ সালের দশম অবস্থান থেকে পৌঁছেছে বিশ্বের পঞ্চম স্থানে।” তিনি (PM Modi) বলেন, “সরকার আঞ্চলিক ভাষায় শিক্ষাদান চালু করার ওপর জোর দিচ্ছে। এতে দেশে শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে।”

    আরও পড়ুুন: রাজ্যের আর্জি খারিজ, পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই তদন্তে সায় সুপ্রিম কোর্টেরও

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarakhand Himachal Pradesh: কেন বারবার প্রকৃতির রোষে বিধ্বস্ত হচ্ছে দেবভূমি উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশ?

    Uttarakhand Himachal Pradesh: কেন বারবার প্রকৃতির রোষে বিধ্বস্ত হচ্ছে দেবভূমি উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকৃতির রোষানলে বিধ্বস্ত হিমালয়ের পাদদেশের দুই রাজ্য উত্তরাখণ্ড-হিমাচল প্রদেশ (Uttarakhand Himachal Pradesh)। মেঘভাঙা বৃষ্টি, প্রবল বর্ষণ এবং ধসের জেরে তছনছ হয়ে গিয়েছে শিল্পীর ক্যানভাসে নিপুণ হাতে আঁকা ছবির মতো সুন্দর দুই রাজ্য। কোথাও প্রবল বর্ষণের জেরে বন্যা পরিস্থিতি, কোথাও আবার মেঘভাঙা বৃষ্টিতে জল থইথই অবস্থা, আবার কোথাও ধসের কবলে ঘরবাড়ি, দোকানদানি, কলকারখানা, মন্দির। ধসের জেরে বিভিন্ন এলাকায় বাড়িতে ধরেছে ফাটল। ভয়ে ঘরছাড়া শ’ খানেক পরিবার। বৃষ্টি এবং ধসের কারণে দুই রাজ্যেই মৃতের সংখ্যা একশো ছুঁইছুঁই। উত্তরাখণ্ডের জোশী মঠ সহ বিভিন্ন ধসপ্রবণ এলাকায় আক্ষরিক অর্থেই প্রাণ হাতে করে বাস করছেন কয়েক হাজার মানুষ। জুলাইয়ের পর অগাস্ট মাসেও প্রকৃতির ধ্বংসলীলা চলায় কার্যত পথে বসেছে পাহাড়ি এই দুই রাজ্য।

    প্রকৃতির তাণ্ডব

    প্রশ্ন হল, কেন বারংবার প্রকৃতি তাণ্ডব চালাচ্ছে এই দুই রাজ্যে (Uttarakhand Himachal Pradesh)? কেন ইদানিং বিপর্যস্ত হচ্ছে দেবভূমি উত্তরাখণ্ড? বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিকল্পনাহীন নগরায়নই কাল হয়েছে এই দুই রাজ্যে। নির্বিচারে অরণ্য ধ্বংস করে বসত বাড়ি গড়ছে মানুষ। উন্নয়ন যজ্ঞে আহুতি দেওয়া হচ্ছে গাছপালা। কোথাও রাস্তা তৈরি করতে গিয়ে কাটা পড়ছে গাছ, কোথাও আবার নান্দনিক শোভা বাড়াতে পাহাড়ে চলছে খোদাইয়ের কাজ। পাথর কেটে হচ্ছে নির্মাণও। নদীতে বাঁধ দিয়ে চলছে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন। যাতে ব্যাহত হয়েছে পাহাড়ি নদীর স্বাভাবিক গতি। নদীর জমি চুরি করে গড়ে তোলা হচ্ছে বিলাসবহুল রিসর্ট, হোটেল, বাড়ি। কোথাও আবার কয়লা পুড়িয়ে চলছে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। দূষণের জেরে বিপন্ন হচ্ছে প্রকৃতি।

    প্রকৃতির প্রতিশোধ!

    নদীর জমি চুরি করার প্রতিশোধ নিচ্ছে প্রকৃতি। পাহাড়ি নদীর জল বইছে বিপদসীমার ওপর দিয়ে। যে কোনও মুহূর্তে কূল ভাসিয়ে বাসিন্দাদের আকূল পাথারে ফেলতে পারে অলকানন্দা, বিপাশার মতো নদী। পাহাড়ের স্বাভাবিক পরিবেশ বদলে উন্নয়ন করতে গিয়ে যেভাবে নির্বিচারে ধ্বংস করা হচ্ছে জঙ্গল, তারও শোধ নিচ্ছে প্রকৃতি। যার জেরে যত্রতত্র নামছে ধস। এই ধস গিলছে ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট সহ অনেক কিছুই। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২০ সালে হিমাচল প্রদেশে ধস নেমেছিল ২০ বার। আর এবার গত ১১৩ দিনে ধস নেমেছে ৫৫ বার।

    এর ওপর রয়েছে মনসুন ট্রাফের চোখ রাঙানি। ফি বর্ষায় এই দুই রাজ্যে (Uttarakhand Himachal Pradesh) তৈরি হয় নিম্নচাপ অঞ্চল। আবহাওয়াবিদদের ভাষায় এটাই হল মনসুন ট্রাফ। এর জেরেই হচ্ছে তুমুল বৃষ্টি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ত্রিফলায় বিদ্ধ হচ্ছে উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশ। যার ক্ষত সারবে না সহজে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘কাশ্মীরের মতো যাদবপুরও ঠান্ডা হবে’’, তোপ দিলীপের

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • RBI: আনক্লেইমড ডিপোজিটের হদিশ পেতে নয়া পোর্টাল রিজার্ভ ব্যাঙ্কের, কীভাবে পাবেন খোঁজ?

    RBI: আনক্লেইমড ডিপোজিটের হদিশ পেতে নয়া পোর্টাল রিজার্ভ ব্যাঙ্কের, কীভাবে পাবেন খোঁজ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার আনক্লেইমড ডিপোজিটের হদিশ পেতে নয়া পোর্টাল চালু করল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI)। ইউডিজিএএম (UDGAM) নামের এই পোর্টাল সার্চ করলেই গ্রাহক জানতে পারবেন কোথাও স্থায়ী আমানত কিংবা অন্য কোনওভাবে কোনও টাকা দীর্ঘদিন ধরে জমা রয়েছে কিনা। সেভিংস কিংবা কারেন্ট অ্যাকাউন্টে ১০ বছর ধরে কোনও টাকা পড়ে থাকলে (ওই অ্যাকাউন্টে লেনদেন না হলে) বা কোনও আমানতের মেয়াদ পেরনোর পরে ১০ বছর কেটে গেলেও, টাকা তোলা না হলে তাকে আনক্লেইমড ডিপোজিট বলে। কোন কোন ব্যাঙ্কে এই আনক্লেইমড ডিপোজিট রয়েছে, এক সঙ্গে যাতে তার সন্ধান মেলে, তার জন্যই এই পোর্টাল চালু করেছে দেশের শীর্ষ ব্যাঙ্ক। এই পোর্টালই বলে দেবে, কোন কোন ব্যাঙ্কে গ্রাহকের আনক্লেইমড ডিপোজিট রয়েছে, তার খোঁজ। এবার জেনে নেওয়া যাক কীভাবে ‘গুপ্তধনে’র খোঁজ মিলবে।

    কীভাবে সার্চ করবেন?

    প্রথমে এই পোর্টালে (https:/udgam.rbi.org.in/unclaimed-deposits/#/register) যেতে হবে। রেজিস্টার করতে হবে (RBI) ফোন নম্বর দিয়ে। দিতে হবে নাম। পাসওয়ার্ড দিয়ে ক্যাপচা দিন। চেকবক্সে টিক করে নেক্সট ক্লিক করলে আসবে ওটিপি। ওটিপি দিন। যাঁর নামে খুঁজছেন, তাঁর নাম নির্দিষ্ট জায়গায় দিন। তালিকা থেকে বেছে নিন ব্যাঙ্কের নাম। এবার দেখুন আপনাকে কয়েকটি অপশন দেওয়া হয়েছে। এখানে কোনও একটি বা একাধিক বিভাগের নির্দিষ্ট তথ্য দিতে হবে। যেমন, প্যান, ভোটার আইডি, ড্রাইভিং লাইসেন্স, পাসপোর্ট নম্বর, জন্ম তারিখ। এবার সার্চ অপশনে ক্লিক করলেই চলে আসবে দাবিহীন আমানতের (যদি থাকে) তালিকা।

    কোন কোন ব্যাঙ্কে মিলবে সুবিধা?

    তবে এখনই দেশের সব (RBI) ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত খোঁজ এই পোর্টালে মিলবে না। মিলবে কেবল স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক, সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, ধনলক্ষ্মী ব্যাঙ্ক লিমিটেড, সাউথ ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্ক লিমিটেড, ডিবিএস ব্যাঙ্ক ইন্ডিয়া লিমিটেড এবং সিটিব্যাঙ্ক। এ বাদে দেশে আর যেসব ব্যাঙ্ক বাকি রইল, সেগুলির সুবিধাও মিলবে চলতি বছরের অক্টোবরের মধ্যেই।

    আরও পড়ুুন: পুলওয়ামায় সেনার হাতে নিহত লস্কর কমান্ডার সহ ২ জঙ্গি

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • J&K Encounter: পুলওয়ামায় সেনার হাতে নিহত লস্কর কমান্ডার সহ ২ জঙ্গি

    J&K Encounter: পুলওয়ামায় সেনার হাতে নিহত লস্কর কমান্ডার সহ ২ জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাতভর সংঘর্ষ চলার পর শেষ পর্যন্ত দুই জঙ্গিকে নিকেশ করল নিরাপত্তা বাহিনী (Security Force)। জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) পুলওয়ামায় এনকাউন্টারে (Encounter) সাফল্য পেল ভারতীয় সেনা। রবিবার রাত থেকেই সেনা-জঙ্গির গুলির লড়াইয়ে উত্তপ্ত হয়েছিল উপত্যকা। রাতভর সেই সংঘর্ষ চলে। সোমবার সকালে সেনার পক্ষ থেকে জানানো হয়, লড়াই সফল। ২ জঙ্গি নিহত। সেই সঙ্গে পুলওয়ামাও আপাতত নিরাপদ হাতেই রয়েছে। 

    রাতভর লড়াই

    রবিবারই কাশ্মীর (J&K Encounter) জোন পুলিশের তরফে ট্যুইট করে জানানো হয়, পুলওয়ামা জেলার ল্যারো-পারিগাম এলাকায় এনকাউন্টার শুরু হয়েছে। গোপন সূত্রে আগেই খবর মিলেছিল, পুলওয়ামার পারিগাম গ্রামে লুকিয়ে রয়েছে কয়েকজন জঙ্গি। তাদের ধরতেই অভিযান শুরু করে নিরাপত্তা বাহিনী ও পুলিশ। জঙ্গিদের আত্মসমর্পণ করতে বলা হলেও, তারা তা শোনেনি। উল্টে নিরাপত্তা বাহিনীর উপরে গুলি চালায় জঙ্গিরা। এরপরই এনকাউন্টার শুরু হয়। এখনও পর্যন্ত এই দুই নিহত জঙ্গির পরিচয় জানা যায়নি, তবে অনুমান করা হচ্ছে নিহত ২ জঙ্গির একজন লস্কর-ই-তৈবার সদস্য। সম্ভবত, ওই জঙ্গি সংগঠনের শীর্ষ কমান্ডার পদে ছিল দুজনের কোনও একজন। ওই দুই জঙ্গির দেহ উদ্ধার করলে বিশদে জানা যাবে বলে অনুমান সেনাবাহিনীর।

    আরও পড়ুন: বালুরঘাটে বৈঠক করেই লোকসভার রণকৌশল স্থির করলেন সুকান্ত মজুমদার

    কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশের যে চেষ্টা চলছে তা ২ সপ্তাহ আগেই জেনেছিল সেনাবাহিনী। কাশ্মীর জোনের পুলিশ জানিয়েছেন, পুলওয়ামাতে যে নতুন করে ঘাঁটি গাড়ার চেষ্টা করছে জঙ্গি বাহিনী সেই খবর আগে থেকেই ছিল। সেই পরিকল্পনা মাফিক রবিবার গভীর রাতে অভিযান চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। ২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামায় বড় রকমের জঙ্গি হানা ঘটেছিল। শ্রীনগর-জম্মু জাতীয় সড়ক দিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর একটি গাড়ি যাওয়ার সময়ে আত্মঘাতী হামলা হয়। ওই জঙ্গি হানায় সিআরপিএফের চল্লিশ জওয়ানের মৃত্যু হয়েছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3: কোথায় অবতরণ? জায়গা খুঁজে চলেছে ‘ল্যান্ডার বিক্রম’, ছবি প্রকাশ ইসরোর

    Chandrayaan 3: কোথায় অবতরণ? জায়গা খুঁজে চলেছে ‘ল্যান্ডার বিক্রম’, ছবি প্রকাশ ইসরোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঝে আর মাত্র একটা দিন। ভারতের ইতিহাস গড়ার জন্য আর একটু সময় ধৈর্য্য ধরতেই হবে। চাঁদের মাটি ছোঁয়ার সময় যতই এগিয়ে আসছে, ততই চড়ছে প্রত্যাশার পারদ। ততই বাড়ছে আশা। ইসরো (ISRO) জানিয়েছে, বুধবার সন্ধেয় ৬টায় সামান্য কিছু পরেই, চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করবে ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3)। তবে, তার আগেই সম্ভাব্য ল্যান্ডিং সাইটের ছবি সোমবার পাঠালো ল্যান্ডার ‘বিক্রম’। 

    চাঁদের দক্ষিণ মেরু দেখতে কেমন? ছবি প্রকাশ ইসরোর

    চাঁদের মাটি থেকে মাত্র ২৫ কিলোমিটার দূরেই রয়েছে ‘চন্দ্রযান ৩’। চাঁদের বুকে নামার আগে শেষ প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারতের মহাকাশযান। বুধবার বিকেল ৫টা বেজে ৪৫ মিনিটে চন্দ্রপৃষ্ঠে নামার প্রক্রিয়া শুরু করবে ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3)। সন্ধেয় ৬টা ৪ মিনিট নাগাদ চাঁদের অনাবিষ্কৃত ও অদেখা দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করার কথা ‘ল্যান্ডার বিক্রম’-এর (Lander Vikram)। কেমন সেখানকার ভৌগলিক বৈচিত্র্য? কী আছে সেখানে? ল্যান্ডিংয়ের আগে, সেই ছবি ধরা পড়েছে ল্যান্ডারে লাগানো ক্যামেরায়। সোমবার সকালে তেমনই বেশ কয়েকটি ছবি ট্যুইটারে শেয়ার করা হয়েছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার হ্যান্ডেলে। 

    দক্ষিণ মেরুতে সফট-ল্যান্ডিং একটা বড়ো চ্যালেঞ্জ

    পৃথিবী থেকে চাঁদের কেবলমাত্র একটি দিকই দেখা যায়। উল্টোদিকে কী আছে, তা পৃথিবী থেকে অধরা। চাঁদের এই দিককে বলা হয়ে থাকে ‘দ্য ডার্ক অফ দ্য মুন’। বিজ্ঞানীদের আরও দাবি, চির-আঁধারে ঘেরা চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলের পরতে পরতে রহস্য। এই দক্ষিণ মেরুই সবচেয়ে এবড়ো-খেবড়ো। রয়েছে শয়ে শয়ে গহ্বর। ফলে, এই অঞ্চলে সফট-ল্যান্ডিং করা একটা বড়ো চ্যালেঞ্জ। চাঁদের যে ছবিগুলো প্রকাশ পেয়েছে এদিন, সেগুলো তোলা হয়েছে ল্যান্ডার হ্যাজার্ড ডিটেকশন অ্যান্ড অ্যাভয়ডেন্স ক্যামেরায়। ইসরো জানিয়েছে, চাঁদে অবতরণের জন্য একটি সুরক্ষিত জায়গা খুঁজতে ‘ল্যান্ডার বিক্রম’-কে (Lander Vikram) সাহায্য করছে এই ক্যামেরা। অর্থাৎ, চাঁদের দক্ষিণ মেরুর যেখানে ‘চন্দ্রযান ৩’-এর (Chandrayaan 3) ল্যান্ডার অবতরণ করবে, সেখানে কোনওরকম বোল্ডার বা গভীর কোনও গর্ত না থাকে, বা জায়গাটা যাতে অবতরণের যোগ্য হয়, তা নিশ্চিত করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে এই ক্যামেরা। অবতরণের সময় ভুল জায়গায় পা না পড়ে তাই আগেভাগেই এলাকায় চিহ্নিত করে রাখছে সে।

    আরও পড়ুন: বুধবার সন্ধেয় চাঁদে পা ‘চন্দ্রযান ৩’-এর! কখন-কোথায় সরাসরি সম্প্রচার, জেনে নিন

    অবতরণের সময় ল্যান্ডার গতি হবে ঘণ্টায় ৫ কিমি

    চাঁদে অবতরণের বিষয়ে যথেষ্ট আশাবাদী এবং একইসঙ্গে সাবধানীও বটে ইসরো। গত ৫৭ বছরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সাবেক সোভিয়েত এবং চিন ছাড়া অন্য কোনও দেশের মহাকাশযানই চাঁদে সফট ল্যান্ডিং করতে পারেনি। রবিবারই চাঁদে আছাড় খেয়ে ধ্বংস (পরিভাষায় হার্ড ল্যান্ডিং) হয় রাশিয়ার লুনা ২৫ ল্যান্ডার। যদিও, ইসরো বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত, এবার সব ঠিকঠাক হবে। যেখানে উৎক্ষেপণের সময় ‘চন্দ্রযান ৩’-এর (Chandrayaan 3) গতি ছিল ঘণ্টায় ৩৬ হাজার কিলোমিটার, সেখানে চাঁদের কক্ষপথে ঢোকার পরে তা হয় ঘণ্টায় ৬ হাজার কিলোমিটার এবং অবতরণের সময়ে হবে ঘণ্টায় মাত্র ৫ কিলোমিটার। অর্থাৎ, একেবারে পালকের মতো চাঁদের মাটি ছোঁবে ‘ল্যান্ডার বিক্রম’ (Lander Vikram)। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “বিজেপি একটি ‘বিমারু’ রাজ্যকে উন্নত রাজ্যে নিয়ে এসেছে”, মধ্যপ্রদেশে দাবি শাহের  

    Amit Shah: “বিজেপি একটি ‘বিমারু’ রাজ্যকে উন্নত রাজ্যে নিয়ে এসেছে”, মধ্যপ্রদেশে দাবি শাহের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিজেপি একটি অসুস্থ রাজ্যকে দেশের উন্নত রাজ্যের সমকক্ষে নিয়ে এসেছে।” মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের রণকৌশল স্থির করতে গোয়ালিয়রে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। সেখানেই একথা বললেন তিনি। বিজেপি সরকারের রিপোর্ট কার্ড প্রকাশ করে শাহ বলেন, “মধ্যপ্রদেশের বিমারু তকমা সরাতে সফল হয়েছে বিজেপি সরকার।”

    রাজ্যে উন্নয়নের জোয়ার

    এদিন গোয়ালিয়রে দলের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন শাহ। বৈঠক শেষে তুলে ধরেন রিপোর্ট কার্ড। তিনি বলেন, “২০ বছর আগে বিজেপি সরকার অসুস্থ রাজ্য হিসেবে মধ্যপ্রদেশকে নিয়েছিল এবং কুড়ি বছরের মধ্যে দেশের উন্নত রাজ্যগুলির সমকক্ষে নিয়ে এসেছে। আগামিদিনে প্রধানমন্ত্রী মোদিজির নেতৃত্বে কীভাবে এই রাজ্যকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে, তারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।” বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ আশিস বসু এক সময় উন্নয়নের নিরিখে বিহার, সংযুক্ত মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান ও উত্তরপ্রদেশকে ‘বিমারু’ রাজ্য বলে উল্লেখ করেছিলেন।

    কংগ্রেসকে নিশানা শাহের 

    এদিন সে প্রসঙ্গ টেনে শাহ (Amit Shah) বলেন, “কংগ্রেসের ৫৩ বছরের শাসনকালে মধ্যপ্রদেশকে বিমারু রাজ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। সেই অবস্থা থেকে বিজেপি এ রাজ্যকে উন্নত রাজ্যের স্তরে নিয়ে গিয়েছে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথকেও এদিন একহাত নেন শাহ। তিনি বলেন, “রাজ্যকে লুঠ করেছে কমলনাথের সরকার।” আসন্ন নির্বাচনে মধ্যপ্রদেশে ফের ক্ষমতায় আসবে বিজেপি, দাবি শাহের। লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের ২৯টি আসনের মধ্যে বিজেপি ২৭টি পাবে বলেও দাবি করেন শাহ। এদিনের বৈঠকে রাজ্যের সমস্ত বিধায়ক, সাংসদ, দলের জেলা সভাপতিদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন হাজার দেড়েক দলীয় নেতা-কর্মীও।  

    আরও পড়ুুন: লোকসভা নির্বাচনের আগেই এক লক্ষ গ্রামে গিয়ে ১ কোটি সদস্য সংগ্রহ করবে কিষান সংঘ

    বৈঠক শেষে শাহ (Amit Shah) বলেন, “২০০৩ সালে মধ্যপ্রদেশবাসী একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তাঁরা মিস্টার বাঁতাধরকে (প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কংগ্রেসের দিগ্বিজয় সিংহ) সরিয়ে আমাদের ক্ষমতায় নিয়ে এসেছিলেন।” কংগ্রেসকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি বলেন, “গত প্রায় পাঁচ দশক রাজ্য শাসন করেছে কংগ্রেস। রিপোর্ট কার্ড দেখাক তো!” তিনি বলেন, “মধ্যপ্রদেশের জন্ম ১৯৫৬ সালে। মাঝে পাঁচ-ছ বছর বাদ দিলে তখন থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত রাজ্যের ক্ষমতায় ছিল কংগ্রেস। তার পরেও তাদের শাসনে মধ্যপ্রদেশ ছিল বিমারু।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • RBI Report: ছক্কা বিজেপি শাসিত দুই রাজ্যের, লগ্নিতে প্রথম ইউপি, দ্বিতীয় গুজরাট, বলছে রিপোর্ট  

    RBI Report: ছক্কা বিজেপি শাসিত দুই রাজ্যের, লগ্নিতে প্রথম ইউপি, দ্বিতীয় গুজরাট, বলছে রিপোর্ট  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছক্কা হাঁকাল বিজেপি শাসিত দুই রাজ্য – গুজরাট ও উত্তরপ্রদেশ। এই দুই রাজ্যে মোট নয়া বিনিয়োগ দেশের মধ্যে ৫২.৭ শতাংশ। শুনতে অবিশ্বাস্য হলেও, এমনই তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার রিপোর্টে (RBI Report)। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে নয়া লগ্নির ক্ষেত্রে দেশের মধ্যে শীর্ষ স্থানে রয়েছে গুজরাট ও উত্তরপ্রদেশ।

    মোদি জমানায় দেশের অর্থনীতি

    রকেট গতিতে উত্থান হচ্ছে ভারতের। মোদি জমানায় দেশের অর্থনীতি হয়েছে আগের তুলনায় বেশ শক্তপোক্ত। বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ইংল্যান্ডকে সরিয়ে ভারত দখল করেছে পঞ্চম স্থান। অচিরেই ভারত তৃতীয় স্থান দখল করবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। এহেন আবহে প্রত্যাশিতভাবেই দেশের বিভিন্ন রাজ্যে বাড়ছে বিনিয়োগের পরিমাণও। এই নিরিখেই সবার ওপরে রয়েছে গুজরাট ও উত্তরপ্রদেশ। ঘটনাচক্রে দুই দেশের রাশই রয়েছে বিজেপির হাতে।

    রিজার্ভ ব্যাঙ্কের রিপোর্ট

    দেশের শীর্ষ ব্যাঙ্কের রিপোর্ট (RBI Report) থেকে জানা গিয়েছে, বিনিয়োগের পরিমাণের নিরিখে তালিকার এক নম্বরে রয়েছে যোগী আদিত্যনাথের উত্তরপ্রদেশ। সেখানে নতুন লগ্নি হয়েছে ৪৩ হাজার ১৮০ কোটি টাকা। এর পরের স্থানটিই দখল করেছে গুজরাট। সেখানে বিনিয়োগ হয়েছে ৩৭ হাজার ৩১৭ কোটি টাকার কাছাকাছি। এর পরেই রয়েছে ওড়িশা। সেখানে নতুন বিনিয়োগের পরিমাণ ১১ হাজার ৮১০ কোটি টাকা। তালিকার চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছে মহারাষ্ট্র ও কর্নাটক। লগ্নির পরিমাণ যথাক্রমে ৭ হাজার ৯০০ কোটি টাকা ও ৭ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। কর্নাটকের পরে রয়েছে তামিলনাড়ু। সেখানে লগ্নির পরিমাণ ৬ হাজার ১০০ কোটি টাকা। তার পরেই রয়েছে তেলঙ্গনা। সেখানে বিনিয়োগের পরিমাণ ৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। তার পর রয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ ও মধ্যপ্রদেশ। বিনিয়োগের পরিমাণ যথাক্রমে ৪ হাজার ৯০০ কোটি এবং ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের প্রকাশিত ওই রিপোর্টের তালিকায় প্রথম ১০ নেই তৃণমূল শাসিত পশ্চিমবঙ্গ। 

    আরও পড়ুুন: লোকসভা নির্বাচনের আগেই এক লক্ষ গ্রামে গিয়ে ১ কোটি সদস্য সংগ্রহ করবে কিষান সংঘ

    রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ওই রিপোর্টেই (RBI Report) বলা হয়েছে, লগ্নি বৃদ্ধির কারণ ব্যবসা করার অনায়াস পরিস্থিতি, বিরাট ও ক্রমবর্ধমান বাজার এবং অবস্থান। ওপরের রাজ্যগুলিতে সেগুলি থাকায় বেড়েছে বিনিয়োগ। যোগী সরকার আবার ইউপি ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট পলিসি ২০২০ ও ইউপি স্টার্টআপ পলিসি ২০২১ চালু করেছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এসব কারণেই গুজরাটকেও ছাপিয়ে গিয়েছে যোগীর রাজ্য।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Onion: পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে রফতানিতে ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ কেন্দ্রের

    Onion: পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে রফতানিতে ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টোম্যাটোর দামের আঁচে হাত পুড়েছিল দেশবাসীর। পেঁয়াজের (Onion) দামও যাতে মধ্যবিত্তের হাতে ছ্যাঁকা না লাগায়, তাই পেঁয়াজ রফতানিতে ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল কেন্দ্রীয় সরকার। এর ফলে পেঁয়াজের জোগান বৃদ্ধি পাবে। অর্থনীতির সূত্র মেনে ভারসাম্য থাকবে চাহিদা ও জোগানের। ফলে দামও চলে যাবে না ধরাছোঁয়ার বাইরে।

    পেঁয়াজের দাম

    পেঁয়াজের (Onion) দাম অবশ্য এখনও মধ্যবিত্তের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যায়নি। তবে সেপ্টেম্বরেই পেঁয়াজের দামের আঁচে ছ্যাঁকা লাগতে পারে। সেই কারণেই পেঁয়াজ রফতানিতে আরোপ করা হল ৪০ শতাংশ শুল্ক। এই বিধি জারি থাকবে চলতি বছরের শেষ দিন পর্যন্ত। জানা গিয়েছে, বর্তমানে দেশে মজুত রয়েছে তিন লক্ষ টন পেঁয়াজ। তাই রফতানি না হলে দাম খুব একটা বাড়ার কথা নয়। যদিও ১০ অগাস্ট পেঁয়াজের সর্বভারতীয় দর ছিল কেজি প্রতি ২৭.৯০ পয়সা। এ থেকেই মূল্য বৃদ্ধির ইঙ্গিত পায় কেন্দ্র। কেননা গত বছর এই সময় পেঁয়াজের সর্বভারতীয় দর ছিল ২৫.৯০ পয়সা। তার পরেই দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে উদ্যোগী হয় কেন্দ্র। চাপানো হয় শুল্ক।

    শুল্কের দাওয়াই 

    আগামী বছর দেশে সাধারণ নির্বাচন। তার আগে টোম্যাটো, পেঁয়াজের (Onion) মতো নিত্য প্রয়োজনীয় সবজির দাম বেড়ে বেড়ে যাক, তা চাইছে না কেন্দ্র। কিছুদিন আগেই টোম্যাটোর দাম পৌঁছে গিয়েছিল কেজি প্রতি দুশোর ঘরে। নেপাল থেকে টোম্যাটো আমদানি করার কথা ঘোষণা করে কেন্দ্র। ভর্তুকিও দেয়। তবে ভর্তুকিযুক্ত দামে টোম্যাটো বিক্রি হলেও, চাহিদার তুলনায় তা কম। টোম্যাটোর দামে রাশ টানতে ন্যাশনাল কো-অপারেটিভ কনজিউমার্স ফেডারেশন ও ন্যাশনাল এগ্রিকালচার কো-অপারেটিভ মার্কেটিং ফেডারেশনকে পাইকারি বাজারে টোমাট্যো ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রির নির্দেশও দিয়েছে কেন্দ্র। স্বাধীনতা দিবস থেকেই পাইকারি বাজারে টোম্যাটো বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি দরে। তার জেরে ইদানিং টোম্যাটোর দাম চলে এসেছে মধ্যবিত্তের নাগালে। ৬০-৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে এই লাল আনাজ। টোম্যাটোর পর ফের যাতে পেঁয়াজের (Onion) ঝাঁঝে চোখের জল ফেলতে না হয় মধ্যবিত্তকে, তাই শুল্কের দাওয়াই প্রয়োগ কেন্দ্রীয় সরকারের।

    আরও পড়ুুন: তদন্ত চলাকালীন পদত্যাগ ডিনের, যাদবপুরকাণ্ডে প্রতিক্রিয়া দিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • RSS: লোকসভা নির্বাচনের আগেই এক লক্ষ গ্রামে গিয়ে ১ কোটি সদস্য সংগ্রহ করবে কিষান সংঘ

    RSS: লোকসভা নির্বাচনের আগেই এক লক্ষ গ্রামে গিয়ে ১ কোটি সদস্য সংগ্রহ করবে কিষান সংঘ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচন। তার আগে পথে নামছে আরএসএস (RSS) অনুমোদিত ভারতীয় কিষান সংঘ। দেশজুড়ে সদস্য সংগ্রহ অভিযানে নামবে তারা। ভারতীয় কিষান সংঘ স্থির করেছে, সাধারণ নির্বাচনের আগে এক কোটি সদস্য সংগ্রহ করবে। এক লক্ষ গ্রামে গিয়ে সংগ্রহ করা হবে ওই পরিমাণ সদস্য।

    কৃষকদের কাছে পৌঁছনো

    কিষান সংঘের এক কর্তার অবশ্য দাবি, এর সঙ্গে লোকসভা নির্বাচনের কোনও সম্পর্ক নেই। তিনি বলেন, “সদস্য সংগ্রহ অভিযানের সঙ্গে সাধারণ নির্বাচনের কোনও সম্পর্ক নেই। আমরা আমাদের কাজ করি। আমাদের কাজই হল কৃষকদের কাছে পৌঁছনো, তাঁদের উদ্বেগের কথা জেনে সরকারের কাছে তুলে ধরা। সেটা কেন্দ্র এবং রাজ্য উভয় সরকারের কাছেই।” জানা গিয়েছে, সদস্য সংগ্রহ অভিযান শুরু হবে চলতি বছরের ডিসেম্বরে।

    লক্ষ্য লক্ষ গ্রাম

    চলবে আগামী বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত। কিষান সংঘের (RSS) তরফে দীনেশ কুলকার্নি বলেন, “সংগঠনের লক্ষ্যই হল অন্তত এক লক্ষ গ্রামে যাওয়া। এই গ্রামগুলির এক কোটিরও বেশি বাসিন্দার কাছে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এঁদের ভারতীয় কিষান সংঘের সদস্য করা হবে।” তিনি বলেন, “মোদি সরকার যেসব কল্যাণমূলক পদক্ষেপ করেছে, সেগুলি তুলে ধরা হবে তাঁদের সামনে। এর পাশাপাশি কিষান সংঘ কৃষকদের জন্য কী কী কাজ করেছে, তাও তুলে ধরা হবে।” কোভিড অতিমারির আগেও এই ধরণের অভিযান হয়েছিল বলে মনে করিয়ে দেন কুলকার্নি। তিনি বলেন, “ভারতে সাড়ে ৬ লক্ষ রেভেন্যু গ্রাম রয়েছে। আমাদের অভিযানের লক্ষ্যই হল এই গ্রামগুলির কৃষকদের সঙ্গে সংগঠনের যোগসূত্র স্থাপন করা।” তিনি বলেন, “আমরা বিশেষত পঞ্জাবের কৃষকদের কাছে পৌঁছতে চাইছি।”

    আরও পড়ুুন: তদন্ত চলাকালীন মাঝ পথে পদত্যাগ ডিনের, যাদবপুরকাণ্ডে ঘনাচ্ছে রহস্য

    আরএসএসের (RSS) এক কর্তা বলেন, “আমাদের লক্ষ্যই হল প্রত্যন্ততম গ্রামের কৃষকটির কাছেও পৌঁছে যাওয়া। কৃষক সম্প্রদায়ের সমস্যা তুলে ধরতে আমরা প্রতিবাদ করে চলেছি। স্মারকলিপিও দিয়েছি। গ্রামাঞ্চলে তাঁদের সমস্যা তুলে ধরতে আমরা তরুণ কৃষকদের কিষান সংঘের সদস্য করার চেষ্টা করছি। সদস্য সংগ্রহ অভিযানের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু করে দিয়েছে স্থানীয় ইউনিটগুলি।”

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share