Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Indian Army: স্বামী শহিদ হন গালওয়ান সংঘর্ষে, সেনায় যোগ দিয়ে চিন সীমান্তে গেলেন স্ত্রী!

    Indian Army: স্বামী শহিদ হন গালওয়ান সংঘর্ষে, সেনায় যোগ দিয়ে চিন সীমান্তে গেলেন স্ত্রী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২০ সালে গালওয়ানে চিনা ফৌজের হামলার শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছিলেন স্বামী নায়েক দীপক সিং। শনিবার সেই শহিদ সেনার স্ত্রী রেখা সিং লেফটেন্যান্ট হিসেবে যোগ দিলেন ভারতীয় সেনায়। তিনি পোস্টিং পেলেন পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায়। জানা গিয়েছে, গত একবছর ধরে তিনি প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন চেন্নাইয়ে। শনিবার সেই প্রশিক্ষণ শেষে তিনি যোগ দিলেন ভারতীয় সেনায় (Indian Army)। প্রসঙ্গত, রেখার স্বামী দীপক ছিলেন, বিহার রেজিমেন্টের ষোড়শ ব্যাটেলিয়নে। ২০২১ সালে তাঁকে মরণোত্তর বীর চক্রে ভূষিত করা হয়। পরের বছরই রেখা মহিলা ক্যাডেট হিসেবে প্রশিক্ষণ শিবিরে যোগ দেন। অবশেষে তিনি যোগ দিলেন লেফটেন্যান্ট হিসেবে।

    ভারতীয় সেনায় যোগ দিয়ে রেখা কী বললেন সাংবাদিকদের?

    ভারতীয় সেনায় (Indian Army) যোগ দিয়ে রেখা সিং সংবাদ মাধ্যমকে তিনি বলেন, “আজ আমার প্রশিক্ষণ শেষ হল। আমি এখন থেকে লেফটেন্যান্ট পদে কাজ করব। সেনায় যোগ দিতে পেরে অত্যন্ত গর্ববোধ হচ্ছে। স্বামীর মৃত্যুর পর স্থির করেছিলাম সেনায় যোগ দেব। আজ সেই স্বপ্ন, সেই লক্ষ্যপূরণ করতে পারলাম।”

    রেখার সঙ্গে আরও ৫ জন যোগ দিলেন গোলন্দাজ বাহিনীতে 

    তবে শুধুমাত্র রেখাই নন, শনিবার একসঙ্গে পাঁচজন মহিলা আর্মি অফিসার হিসেবে গোলন্দাজ বাহিনীতে যোগ দিলেন সেনায়। তাঁরা সকলেই চেন্নাইয়ের ‘অফিসার্স ট্রেনিং অ্যাকাডেমি’তে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। পাঁচ মহিলা অফিসারের মধ্যে দু’জনকে পাক সীমান্তের কাছে পোস্টিং দেওয়া হয়েছে। বাকি তিনজন (রেখা-সহ) যোগ দিচ্ছেন লাদাখে চিনের সীমান্তের কাছে। তাঁদের সঙ্গে ১৯ জন পুরুষ অফিসারও যোগ দিলেন রেজিমেন্টে। গত জানুয়ারিতে চিফ অফ আর্মি স্টাফ জেনারেল মনোজ পান্ডে জানিয়েছিলেন মহিলা অফিসারদের গোলন্দাজ বাহিনীতে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা। পরে তাঁর প্রস্তাবে সম্মতি দেয় সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • FEMA Act: এবার বাইজুর অফিসে হানা ইডির, বাজেয়াপ্ত নথি, ডিজিটাল তথ্যও

    FEMA Act: এবার বাইজুর অফিসে হানা ইডির, বাজেয়াপ্ত নথি, ডিজিটাল তথ্যও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার অনলাইন শিক্ষা সংক্রান্ত ওয়েবসাইট বাইজুর (Byju) বেঙ্গালুরুর (Bengaluru) অফিসে হানা দিল ইডি (ED)। শনিবার দুপুরে বাইজুর ওই অফিসে যান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। এই ওয়েবসাইটের বিরুদ্ধে বিদেশি অনুদান সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠায় এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ইডি। সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে দ্য ফরেন এক্সচেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্টে (FEMA Act)।

    দ্য ফরেন এক্সচেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্টে (FEMA Act) অভিযোগ দায়ের…

    এদিন বেঙ্গালুরুর একটি বাসস্থান ও দুটি অফিসে অভিযান চালিয়েছে ইডি। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বেশ কিছু কাগজপত্র ও নথি। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বেশ কিছু ডিজিটাল তথ্যও। ইডির দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ফেমার অধীনে ২০১১ সাল থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এই সংস্থা প্রায় ২৮ হাজার কোটি টাকার বিদেশি বিনিয়োগ নিয়েছে। এর পাশাপাশি ওই সংস্থা ৯ হাজার ৭৫৪ কোটি টাকা বিদেশের বিভিন্ন জায়গায় পাঠিয়েছে। বিদেশে বিনিয়োগ করা হয়েছে বলেই এই বিপুল অঙ্কের টাকা বিদেশে পাঠানো হয়েছে। ইডি আরও জানিয়েছে, বাইজুর বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২০২০-২১ অর্থবর্ষ থেকে অর্থনৈতিক বিবৃতি তৈরি করেনি বাইজু। অ্যাকাউন্টের অডিটও করানো হয়নি। অথচ এটা বাধ্যতামূলক।

    আরও পড়ুুন: চাকরি খোয়ানো ১০ ‘অযোগ্য’ প্রাক্তন সরকারি কর্মীকে নথি সহ তলব সিবিআইয়ের

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, প্রতিবারই বাইজুর (FEMA Act) প্রতিষ্ঠাতা তথা সিইও বাইজু রবীন্দ্রন সমন এড়িয়ে গিয়েছেন। তিনি ইডির সামনে হাজিরাও দেননি। বাইজুর আইনি মুখপাত্র জানান, ইডির এই অভিযান ফেমার অধীনে নিয়মিত তদন্তের অংশ। এদিন বাইজুর তরফেও জারি করা হয়েছে বিবৃতি। তাতে বলা হয়েছে, আমরা পুরোপুরি স্বচ্ছ। কর্তৃপক্ষ আমাদের কাছে যা তথ্য চেয়েছেন, আমরা সেগুলি দিয়ে দিয়েছি। আমরা নৈতিকতা ও নিয়মানুবর্তিতার ব্যাপারে সর্বোচ্চ মান তুলে ধরতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    প্রসঙ্গত, হুরুন গ্লোবাল রিট লিস্ট ২০২৩ অনুযায়ী রবীন্দ্রন বিশ্বের শিক্ষা খাতে দ্বিতীয় ধনী উদ্যোক্তা। তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ৩.৩ বিলিয়ন ডলার। ২০১১ সালে গড়ে ওঠে সংস্থাটি (FEMA Act)। লার্নিং অ্যাপ চালু করে ২০১৫ সালে। করোনা অতিমারির সময় এদের ব্যবসা তুঙ্গে ওঠে। পরে স্কুল খুলতে শুরু করলে অ্যাপের জনপ্রিয়তা ক্রমশ কমতে থাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Operation Kaveri: ভাঙা রানওয়ে, নেই আলো! সুদান থেকে ১২১ ভারতীয়কে উদ্ধারে ‘দুর্ধর্ষ’ অভিযান বায়ুসেনার

    Operation Kaveri: ভাঙা রানওয়ে, নেই আলো! সুদান থেকে ১২১ ভারতীয়কে উদ্ধারে ‘দুর্ধর্ষ’ অভিযান বায়ুসেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গৃহযুদ্ধে বিধ্বস্ত একটা দেশ। ভেঙে পড়া বিমানবন্দর ও তার খানাখন্দে ভরা রানওয়ে। নেই কোনও নেভিগেশন ব্যবস্থা। এমনকী, নেই রানওয়ের ল্যান্ডিং-লাইটও। ভরসা বলতে একমাত্র পাইলটদের নাইট-ভিশন গগলস্। তাই দিয়েই নিরাপদে ছোট্ট এয়ারস্ট্রিপে অবতরণ করল ভারতীয় বায়ুসেনার (Indian Air Force) দৈত্যকায় বিমান। কিছুক্ষণ পর আবার একই কায়দায় ১২১ জনকে নিয়ে আকাশে উড়ল সে। ঠিক এইভাবে একেবারে হলিউড ফিল্মি কায়দায় গতকাল যুদ্ধ-বিধ্বস্ত সুদানে (Sudan) আটকে পড়া ১২১ ভারতীয়কে নিয়ে বিমান উড়িয়ে সাহসী উদ্ধারকার্য চালাল ভারতীয় বায়ুসেনা। এমন উদ্ধারকার্য যা দুর্ধর্ষ সামরিক অভিযানের চেয়ে কোনও অংশে কম নয়।

    সুদানে গৃহযুদ্ধ থামার নাম নেই। সেনা ও আধা সামরিক বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের জেরে প্রাণ হারাচ্ছেন শতাধিক মানুষ। সেই দেশে আটকে রয়েছেন বহু ভারতীয়ও। তাদের উদ্ধার করতেই “অপারেশন কাবেরী” (Operation Kaveri) শুরু করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ভারতীয় বায়ুসেনা ও নৌসেনার (Indian Navy) তরফে যৌথ উদ্যোগে সুদানে আটকে পড়া ভারতীয়দের উদ্ধার করে আনা হচ্ছে। 

    আরও পড়ুন: কলাইকুন্ডায় শেষ হল ভারত ও মার্কিন বায়ুসেনার যৌথ সামরিক মহড়া, কতটা প্রাপ্তি হল?

    গত এক সপ্তাহ ধরে একাধিক অভিযানে প্রায় আড়াই হাজার ভারতীয়কে সেদেশ থেকে উদ্ধার করে এনেছে ভারতীয় নৌ ও বায়ুসেনা। তেমনই একটি উদ্ধারাভিযান বায়ুসেনা চালায় শুক্রবার রাতে। বায়ুসেনার তরফে জানানো হয়, সি-১৩০জে হারকিউলিস ট্রান্সপোর্ট (C-130J Hercules Transport) পণ্যবাহী বিমানে উদ্ধারকাজ চালানো হয় সুদানের রাজধানী খারতুম থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত ওয়াদি সাইদনা বিমানবন্দরে। 

    বাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, সুদানের দুই বাহিনীর সংঘর্ষের জেরে বহু ভারতীয়ের পক্ষেই পোর্ট সুদানে পৌঁছনো সম্ভব হচ্ছে না। শুক্রবার আটকে পড়া ওই ভারতীয়দের উদ্ধারের জন্যই ওই ছোট্ট এয়ারস্ট্রিপে অবতরণ করানো হয় বায়ুসেনার সি-১৩০জে বিমান। সঙ্গে ছিলেন বায়ুসেনার স্পেশাল ফোর্স ইউনিটের আটজন গড়ুড় কমান্ডো। 

    বায়ুসেনার তরফে জানানো হয়েছে, ওই এয়ারস্ট্রিপে বিমান অবতরণ করা ও ভারতীয়দের উদ্ধার করে ফিরিয়ে আনার গোটা প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। কারণ, ওই এয়ারস্ট্রিপটির অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। কোনও নেভিগেশনের ব্যবস্থা যেমন নেই। তেমনই জ্বালানি ভরা বা ল্যান্ডিং লাইটটুকুও নেই। রাতের অন্ধকারে বিনা আলোয় রানওয়েতে সুরক্ষিতভাবে অবতরণের জন্য বায়ুসেনার পাইলটরা নাইট-ভিশন গগলস্ ব্যবহার করেন। বিমানে উপস্থিত ক্রু-রাও ইলেকট্রো-অপটিক্যাল বা ইনফ্রা-রেড সেন্সর ব্যবহার করেন। 

    বায়ুসেনার তরফে এই অপারেশনের বিষয়ে আরও জানানো হয়, অবতরণের পর বিমানের ইঞ্জিন বন্ধ করা হয়নি। কিছুক্ষণের মধ্যেই আটকে পড়া ১২১ জন ভারতীয়কে সুরক্ষিতভাবে বিমানে তোলেন কমান্ডোরা। তাদের সামগ্রীও বিমানে তুলে দেন। আবার নাইট-ভিশন গগলস্ ব্যবহার করেই বিমানকে টেক-অফ করিয়ে সেখান থেকে উড়ে সৌদি আরবের জেড্ডার উদ্দেশে রওনা দেয় বিমানটি। এই গোটা অপারেশনের জন্য আড়াই ঘণ্টা সময় লাগে।

    উদ্ধারের এই খবর ও ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই বায়ুসেনা পাইলটদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ সব মহল। যে অদম্য সাহস এবং দক্ষতার পরিচয় দেখিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা, তাকে কুর্নিশ।

  • Supreme Court: ঘৃণা ভাষণ নিয়ে কত মামলা দায়ের, রিপোর্ট তলব সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: ঘৃণা ভাষণ নিয়ে কত মামলা দায়ের, রিপোর্ট তলব সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘৃণা ভাষণ (Hate Speeches) নিয়ে কতগুলি মামলা দায়ের হয়েছে, সে ব্যাপারে দেশের সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠাল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শুক্রবার দেশের শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, ঘৃণা ভাষণের ঘটনা ঘটলে কোনও অভিযোগ জমা না পড়লেও, স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এফআইআর করতে হবে। যাঁরা ঘৃণা ভাষণ দেবেন, ধর্ম নির্বিশেষে তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে হবে। সংবিধান বর্ণিত ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র বজায় রাখতেই এটা করা প্রয়োজন। সুপ্রিম কোর্টের আরও নির্দেশ, ঘৃণা ভাষণ নিয়ে মামলা নথিভুক্ত করতে দেরি হলে, তা আদালত অবমাননা হিসেবে গণ্য করা হবে। দেশের ধর্মনিরপেক্ষতাকে প্রভাবিত করতে পারে ঘৃণা ভাষণ। এটি একটি গুরুতর অপরাধ বলেও উল্লেখ করেছে সুপ্রিম কোর্ট।

    সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) মন্তব্য…

    প্রসঙ্গত, গত বছর অক্টোবর মাসে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) সাফ জানিয়েছিল, ঘৃণা ছড়ানোর ঘটনায় প্রশাসন কড়া পদক্ষেপ করতে ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে আদালত অবমাননার মামলা রুজু করা হবে। ঘৃণা ভাষণ সংক্রান্ত ওই মামলায় বিচারপতিরা মন্তব্য করেছিলেন, আমরা এখন একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে রয়েছি। ধর্মের নামে কোথায় পৌঁছে গিয়েছি আমরা? এদিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি কেএম জোসেফ ও বিচারপতি বিভি নাগারত্নর বেঞ্চ তাঁদের রায়ে জানিয়েছেন, আমরা এটা পরিষ্কার করে দিতে চাই যে, এই ধরনের পদক্ষেপের সময় যেন কোন ধর্মের মানুষ এই ভাষণ দিচ্ছেন, তা দেখা না হয়। সেই সঙ্গে বেঞ্চ এও জানিয়েছে, বিচারপতিরা অরাজনৈতিক।

    আরও পড়ুুন: উদাসীন রাজ্য, জল পাচ্ছেন না গ্রামের গরিব মানুষ, কেন্দ্রকে চিঠি শুভেন্দুর

    কোনও পার্টি এ বা পার্টি বি নিয়ে তাঁরা চিন্তিত নন। একমাত্র ভারতীয় সংবিধানকেই মাথায় রাখা হয়। মার্চ মাসে বেঞ্চ জানিয়েছিল, ঘৃণাভাষণ সংক্রামক ব্যাধির মতো। যে মুহূর্তে রাজনীতি আর ধর্ম পরস্পরের ঘেরাটোপমুক্ত হবে, সেই মুহূর্তে ঘৃণা ভাষণের প্রবণতারও ইতি হবে। যে মুহূর্তে রাজনীতিবিদরা কথায় কথায় রাজনীতিতে ধর্মকে টেনে আনবেন না, সেই মুহূর্তে ঘৃণা ভাষণ বন্ধ হবে। এর আগের এক শুনানিতে বেঞ্চের (Supreme Court) মন্তব্য ছিল, ধর্ম নিরপেক্ষ দেশে ঘৃণা ভাষণের মতো ঘটনা অবিশ্বাস্য। তা আটকানোর দায়িত্ব আমাদেরই। আমরা যদি সেই দায়িত্ব পালন না করি, তা হলে কর্তব্যে গাফিলতি হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jiah Khan: জিয়া খান মামলায় দশ বছর পরে বেকসুর খালাস অভিনেতা সূরজ পাঞ্চোলি

    Jiah Khan: জিয়া খান মামলায় দশ বছর পরে বেকসুর খালাস অভিনেতা সূরজ পাঞ্চোলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার জিয়া খান (Jiah Khan) আত্মহত্যা মামলায় রায় ঘোষণা করল বিশেষ সিবিআই আদালত। প্রেমিকা জিয়াকে আত্মহত্যায় প্ররোচণা দেওয়ার অভিযোগ থেকে মুক্তি পেলেন অভিনেতা সূরজ পাঞ্চোলি। সূরজকে বেকসুর খালাস ঘোষণা করল আদালত। এদিন বিচারক এএস সৈয়দ রায় ঘোষণার সময় বলেন, ‘তোমার (সূরজ) বিরুদ্ধে যা তথ্যপ্রমাণ রয়েছে তা উপযুক্ত নয়, তাই তোমাকে রেহাই দেওয়া হল সমস্ত অভিযোগ থেকে’। প্রসঙ্গত, মাত্র ২৫ বছর বয়সে নিজের জীবন শেষ করে দিয়েছিলেন অভিনেত্রী জিয়া খান (Jiah Khan)। ২০১৩ সালের ৩ জুন জিয়ার মৃত্যুর খবর নাড়িয়ে দিয়েছিল গোটা দেশকে। অভিনেত্রীর ফ্ল্যাট থেকেই উদ্ধার হয় তাঁর ঝুলন্ত দেহ। জিয়ার (Jiah Khan) মৃত্যুর পর তাঁকে আত্মহত্যায় প্ররোচণা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল প্রেমিক সূরজ পাঞ্চোলির বিরুদ্ধে। আজকের রায়দানের পরে খুশি পাঞ্চোলি পরিবার।

    সুইসাইড নোট উদ্ধার…

    জিয়ার (Jiah Khan) আত্মহত্যার পর প্রয়াত অভিনেত্রীর সুইসাইড নোট উদ্ধার করেছিল পুলিশ। সেটাই ছিল এই মামলার মূল ভিত্তি। ওই চিঠিতে সূরজের বিরুদ্ধে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ এনেছিলেন জিয়া। এই মামলায় প্রায় ২২জন সাক্ষী আদালতে সূরজের বিরুদ্ধে বয়ান দেন। তবে শুরু থেকেই সূরজের দাবি ছিল তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। অভিনেতার কথায়, ‘আমি জিয়াকে (Jiah Khan) ভালোবেসেছি, ও আমার কাছে ভগবানের দেওয়া সেরা উপহার’। নিজের লিখিত বয়ানে জিয়ার মা রাবিয়ার দিকে অভিযোগের পালটা আঙুল তুলেছেন সূরজ। তাঁর কথায়, ‘রাবিয়া জানে উনি নিজে দোষী মেয়ের মৃত্যুর জন্য। আমার মনে হয় ওঁনার ভূমিকা খুঁজে দেখা উচিত এই মামলায়’।

    বিচারপ্রক্রিয়া…

    জিয়াকে (Jiah Khan) আত্মহত্যায় প্ররোচণা দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতারও হন সূরজ, পরে জামিনে মুক্তি পান তিনি। শুরু থেকেই জিয়ার মা রাবিয়া খানের অভিযোগ ছিল খুন করা হয়েছে তাঁর মেয়েকে, পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ এনে বম্বে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন রাবিয়া। এরপর উচ্চ আদালতের নির্দেশে জিয়ার মৃত্যুর প্রায় এক বছর পর ২০১৪ সালের ৩ জুলাই মুম্বই পুলিশের হাত থেকে সরে সিবিআইয়ের কাছে যায় এই মামলা। ২০১৬ সালে সিবিআই জানায় আত্মহত্যাই করেছেন বলি-নায়িকা। পরে ২০১৯ সালে সেশন কোর্টে এই মামলার বিচার পর্ব শুরু হয়েছিল, কিন্তু তা খুব বেশি দূর এগোয়নি। দীর্ঘ আট বছর ঝুলে থাকার পর ২০২১ সালের জুলাই মাসে জিয়ার আত্মহত্যার মামলা সেশন কোর্ট থেকে সরে যায় সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে। ২০২৩ সালে সেই মামলারই রায় এল।

    রায়দানের পরে কী বললেন জিয়া খানের (Jiah Khan) মা?

    অন্য দিকে শুক্রবার সকালে জিয়ার (Jiah Khan) মা রাবিয়া খান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘আমি শুধু এইটুকুই বলতে চাই, জিয়া আত্মহত্যা করেনি। বিগত ১০ বছর ধরে উপযুক্ত প্রমাণ নিয়ে আমরা লড়াই করছি। মহামান্য আদালতের কাছে আমি শুধু সত্যের পক্ষে রায় আশা করছি।’’ যদিও রায় তাঁর বিপক্ষেই গেল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Ganguly: বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে নিয়োগ মামলা সরানোর নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Abhijit Ganguly: বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে নিয়োগ মামলা সরানোর নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ কেলেঙ্কারি (Recruitment Scam) মামলার শুনানি কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Ganguly) বেঞ্চ থেকে সরানোর নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। বৃহস্পতিবার এই নির্দেশ দেন দেশের শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। মামলার শুনানি এখনও চলছে, এই মর্মে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিতে হবে রেজিস্ট্রার জেনারেলকে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, বিচারাধীন মামলা নিয়ে কোনও সাক্ষাৎকার দিতে পারেন না কোনও বিচারপতি। তাই সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেওয়ায় বেঞ্চ বদল করা হল নিয়োগ সংক্রান্ত যাবতীয় মামলার। কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত যাবতীয় মামলার বেঞ্চ পরিবর্তনের নির্দেশও দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।

    বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Ganguly) বিরুদ্ধে অভিযোগ…

    সোমবারই দেশের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চে অভিযোগ উঠেছিল, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় স্কুলে নিয়োগের দুর্নীতির মামলা শোনার সময় সেই মামলা নিয়ে একটি টিভি চ্যানেলকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন। যা শুনে প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় জানিয়েছিলেন, বিচারপতিরা কোনওভাবেই তাঁদের বিচারাধীন বিষয় নিয়ে টিভি চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দিতে পারেন না। উনি যদি সাক্ষাৎকার দিয়ে থাকেন, তা হলে তিনি ওই মামলা শোনার অধিকার হারিয়েছেন। সেক্ষেত্রে নতুন কোনও বিচারপতিকে দায়িত্ব দিতে হবে।

    বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Ganguly) নির্দেশে যাঁদের চাকরি গিয়েছিলেন, তাঁদের একাংশ দ্বারস্থ হয়েছেন সুপ্রিম কোর্টে। এঁদের আইনজীবী মীনাক্ষী অরোরা জানান, হাইকোর্টের বিচারপতি সেপ্টেম্বর মাসে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন। সেখানেই তিনি জানিয়ে দিয়েছিলেন, তিনি এ ব্যাপারে কী বিশ্বাস করেন। অর্থাৎ, নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে আগেই বিচার করে ফেলেছিলেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: ‘সমলিঙ্গ বিয়েতে কে বাবা, কে মা’? সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্ন তুষার মেহতার

    শুক্রবার নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার বেঞ্চ বদলের নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়। এই নির্দেশ দেওয়ার আগে সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Ganguly) পাঠানো নোটও ভালভাবে পড়েন তিনি। প্রধান বিচারপতি জানান, তিনি নোট পড়েছেন, সাক্ষাৎকারের ট্রান্সক্রিপ্টও শুনেছেন। তার পরেই এই নির্দেশ। এদিন প্রধান বিচারপতি বলেন, বিচারকরা খুব কঠিন দায়িত্ব পালন করেন। আমরা কেস পুনরায় বরাদ্দ করার জন্য জিজ্ঞাসা করছি একমাত্র কারণ হল ট্রান্সক্রিপ্ট, অন্য কোনও কারণ নেই।

    প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। কুন্তল ঘোষের চিঠি মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা, এমনই পর্যবেক্ষণ ছিল বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের। এই মামলার প্রেক্ষিতেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিষেক। সেই মামলা প্রসঙ্গেই সংবাদ মাধ্যমে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের সাক্ষাৎকারের প্রসঙ্গ তুলেছিলেন আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Same Sex Marriage: ‘‘সমলিঙ্গ বিয়েতে কে বাবা, কে মা?’’ সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্ন তুষার মেহতার

    Same Sex Marriage: ‘‘সমলিঙ্গ বিয়েতে কে বাবা, কে মা?’’ সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্ন তুষার মেহতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমলিঙ্গ (Same Sex Marriage) বিয়েতে কে বাবা হবেন, আর মা-ই বা হবেন কে। এটা পূর্বাভাসের মাধ্যমে বলা সম্ভব নয়। বিয়ের সময় বলা হয় স্ত্রীর বাসস্থান রয়েছে। তবে এখানে ঠিক করতে হবে কে স্ত্রী। উত্তরাধিকার আইনে বলা হয়, পিতা, মাতা, ভাই, বিধবা। দুজনের মধ্যে একজন মারা গেলে কাকে বিধবা বলা হবে? বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) বললেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা।

    সমলিঙ্গ (Same Sex Marriage) বিয়ে নিয়ে শুনানি…

    সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে চলছে সমলিঙ্গ বিয়ে নিয়ে শুনানি। দিন দুয়েক আগে সমলিঙ্গ বিয়েতে ইচ্ছুক এমন সন্তানদের প্রায় ৪০০ অভিভাবক এ ব্যাপারে চিঠি দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন সাংবিধানিক বেঞ্চেই চলছে এই মামলার শুনানি। বৃহস্পতিবার এই শুনানি পড়ল ষষ্ঠ দিনে। বুধবার পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট সমলিঙ্গ বিয়ে নিয়ে অন্তত ১৫টি আবেদনের শুনানি করে। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে সর্বোচ্চ আদালতের কাছে ওঠা প্রশ্নগুলি বিবেচনা করতে সংসদের ওপর ছেড়ে দেওয়ার আবেদনও করে।

    সলিসিটর জেনারেল বলেন, সর্বোচ্চ আদালত জটিল একটি বিষয় (Same Sex Marriage) নিয়ে কাজ করছে। যার গভীর সামাজিক প্রভাব রয়েছে। তিনি বলেন, আইন প্রণয়ন ও ব্যাখ্যার মধ্যে সীমানা নিয়ে আলোচনা দুটি বিষয়ের ওপর ফোকাস করার প্রবণতা রয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘বন‍্‍ধ স্বতঃস্ফূর্ত ও অত্যন্ত সফল’’! সাড়া দেওয়ায় উত্তরবঙ্গবাসীকে ধন্যবাদ সুকান্তর

    প্রসঙ্গত, কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার এর আগেই সমলিঙ্গ বিয়েকে বৈধতা দেওয়ার আবেদনের বিরোধিতা করেছে। কেন্দ্রের তরফে দাবি করা হয়েছে, ভারতীয় পরিবারের ধারনার মধ্যে এটা যায় না। কেন্দ্রের মতে, এসব শহুরে বড়লোকদের ধারণা। মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে উল্লেখ করা হয়েছিল, সমলিঙ্গের বিয়েকে বৈধতা দেওয়া হবে কিনা, সেই বিষয়টি পার্লামেন্টের ওপর ছেড়ে দেওয়া হোক। হলফনামা দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে দাবি করা হয়েছে, সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে এই মামলায় পার্টি করা হোক।

    বৃহস্পতিবার সলিসিটর জেনারেল দেশের শীর্ষ আদালতে বলেন, একটি উদাহরণের জন্য ভারতীয় দণ্ডবিধি দেখুন। ধারা (Same Sex Marriage) ১০-এ পুরুষ ও নারী সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। পুরুষ শব্দে সব পুরুষকে এবং নারী শব্দে সব মহিলাকে বোঝায়। স্পিনস্টার ও ব্যাচেলর সম্পর্কে বলতে গিয়ে তুষার মেহতা বলেন, এই সব শব্দ লিঙ্গ নিরপেক্ষ হতে পারে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sudan: জারি ‘অপারেশন কাবেরী’, সুদান থেকে উদ্ধার ১৭০০ ভারতীয়, অপেক্ষায় আরও

    Sudan: জারি ‘অপারেশন কাবেরী’, সুদান থেকে উদ্ধার ১৭০০ ভারতীয়, অপেক্ষায় আরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গৃহযুদ্ধে বিধ্বস্ত সুদান (Sudan)। সেনা ও আধাসেনার লড়াইয়ের জেরে বিপন্ন সে দেশে বসবাসকারী ভারতীয় সহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা। সুদানে আটকে থাকা ভারতীয়দের উদ্ধার করতে ‘অপারেশন কাবেরী’ (Operation Kaveri) শুরু করেছে ভারত সরকার। বৃহস্পতিবার বিকেলে সুদান থেকে মুম্বই পৌঁছল ভারতীয় নাগরিকদের দ্বিতীয় দলটি। ভারতীয় বায়ুসেনার মালবাহী বিমানে সৌদির রাজধানী জেড্ডা থেকে মুম্বই ফিরলেন ২৪৬ জন ভারতীয়। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ট্যুইট-বার্তায় বলেন, অপারেশন কাবেরীর আর একটি উড়ান মুম্বইয়ে এসে পৌঁছেছে। আরও ২৪৬ জন ভারতীয় মাতৃভূমিতে ফিরে এসেছেন।

    সুদানে (Sudan) অপারেশন কাবেরী…

    প্রসঙ্গত, বুধবার সুদান থেকে ভারতে ফেরে প্রথম দলটি। এই দলে ছিলেন ৩৬০ ভারতীয়। বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, অপারেশন কাবেরীর অধীনে এ পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি ভারতীয়কে উদ্ধার করা হয়েছে। ৭২ ঘণ্টার যুদ্ধ বিরতির মধ্যে সব ভারতীয় নাগরিককে সুদান (Sudan) থেকে উদ্ধার করতে ভারতীয় নৌবাহিনীর যুদ্ধ জাহাজ এবং সামরিক মালবাহী বিমান মোতায়েন করা হয়েছে। বিদেশ সচিব বিনয় কাওয়াত্রা বলেন, বাকিদের যাতে কোনও ক্ষতি না হয়, সে জন্য সব রকম চেষ্টা চালাচ্ছে সরকার। সুদানের ৩ হাজার ৪০০ ভারতীয়ের মধ্যে যাঁরা এখনও ওই দেশে আটকে রয়েছেন, তাঁদেরও যাতে দ্রুত সরিয়ে আনা যায়, সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

    বৃহস্পতিবার চতুর্থ দিনে পড়েছে অপারেশন কাবেরী। এদিন আরও প্রায় ২ হাজার ভারতীয়কে বিভিন্ন এলাকা থেকে সরিয়ে পোর্ট সুদান কিংবা জেড্ডায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সুদানে (Sudan) আটকে পড়া ভারতীয়দের সে দেশ থেকে সরিয়ে নিয়ে আসার বিষয়ে সৌদি আরব সাহায্য করায় সৌদি কর্তৃপক্ষকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে নয়াদিল্লি। এদিকে, শ্রীলঙ্কা সহ বেশ কয়েকটি দেশ সুদান থেকে তাদের দেশের নাগরিকদের নিরাপদ এলাকায় সরিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য চেয়েছে ভারতের।

    আরও পড়ুুন: উত্তরবঙ্গে ১২-ঘণ্টা বন্‌ধ বিজেপির! পদ্ম কর্মী-সমর্থকদের টেনে হিঁচড়ে গাড়িতে তুলল পুলিশ

    মঙ্গলবার থেকে সুদানে শুরু হয়েছে ৭২ ঘণ্টার সংঘর্ষ বিরতি। বিদেশসচিব বলেন, আমাদের লক্ষ্য একটাই, প্রত্যেক ভারতীয়কে যত দ্রুত সম্ভব ঝুঁকির পরিবেশ থেকে সরিয়ে আনা। তিনি জানান, সুদানের ছবিটা অত্যন্ত উদ্বেগজনক হয়ে রয়েছে। এখনও পর্যন্ত খার্তুমে ভারতের দূতাবাসে অনলাইন বা সরাসরি ৩ হাজার ৪০০ নাগরিক যোগাযোগ করেছেন। তাঁদের মধ্যে ইতিমধ্যেই সরিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে ১৭০০ জনকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur: মুখ্যমন্ত্রীর সভাস্থলে আগুন লাগানো ঘিরে উত্তাল মণিপুর! মিশনারিদের বিরুদ্ধে উস্কানির অভিযোগ

    Manipur: মুখ্যমন্ত্রীর সভাস্থলে আগুন লাগানো ঘিরে উত্তাল মণিপুর! মিশনারিদের বিরুদ্ধে উস্কানির অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার মণিপুরে (Manipur) মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংয়ের সভাস্থলে ভাঙচুর ও আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনাকে ঘিরে অশান্তি ছড়িয়েছে মণিপুরে। সরকারের তরফে আপাতত বড় জমায়েতের উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবাও। জানা গিয়েছে, শুক্রবার মণিপুরের (Manipur) রাজধানী ইম্ফল থেকে ৬৩ কিলোমিটার দূরে চূড়াচাঁদপুর জেলাতে মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংয়ের সভা ছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার রাতেই পূর্বনির্ধারিত ওই অনুষ্ঠানস্থলে ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ। ভাঙচুরের পর আগুনও লাগিয়ে দেওয়া হয় সভাস্থলে। এই ঘটনাকে ঘিরেই অশান্তি-উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

    অভিযোগের তীর খ্রিষ্টান মিশনারিদের বিরুদ্ধে 

    মণিপুর (Manipur) প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় একটি আদিবাসী সংগঠনের সদস্যরাই এই হামলা চালিয়েছে। সেরাজ্যে খ্রিষ্টান মিশনারিদের বিরুদ্ধে ধর্মান্তকরণের অভিযোগ আগেও উঠেছে। অর্থ ও অন্যান্য প্রলোভন দেখিয়ে আদিবাসী সমাজকে খ্রিষ্টান ধর্মে ধর্মান্তকরণ করা হচ্ছে, এই অভিযোগে বারবার সরব হয়েছে বিজেপি তথা সঙ্ঘ পরিবার। বৃহস্পতিবার রাতে সভাস্থল ভাঙচুরের ঘটনায় খ্রিষ্টান মিশনারিদের (Manipur) প্ররোচনা থাকতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। কারণ আদিবাসী সংগঠনটির পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে বলা হয়েছে রাজ্যের একাধিক চার্চকে ভেঙেছে রাজ্যের বিজেপি শাসিত সরকার। নিয়ম বহির্ভূত নির্মাণের অজুহাতে।

    আরও পড়ুন: বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের! এই শর্ত মানলেই ৪২টি বাড়তি ছুটি পাবেন সরকারি কর্মীরা

    হামলার ভিডিও ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়  

    ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে গতকালের হামলার ভিডিও। সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, বেশ কিছু যুবক মুখ্যমন্ত্রীর সভাস্থলে রাখা চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করছে। আজ, শুক্রবারই চূড়াচাঁদপুর জেলায় একটি জিমের উদ্বোধন করার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংয়ের। উদ্বোধনের আগেই বৃহস্পতিবার রাতে দুষ্কৃতীরা সেখানে ভাঙচুর করে এবং আগুন লাগিয়ে দেয়। মুখ্যমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বাতিল করে দেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনও কোনও তথ্য জানানো হয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Special Leave: বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের! এই শর্ত মানলেই ৪২টি বাড়তি ছুটি পাবেন সরকারি কর্মীরা

    Special Leave: বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের! এই শর্ত মানলেই ৪২টি বাড়তি ছুটি পাবেন সরকারি কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অঙ্গদান মহতদান’! এই প্রবাদকে স্বার্থক করতে এবার নানান উদ্যোগ নিচ্ছে কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় কর্মচারীরা এখন অঙ্গ দান করার পরে ৪২ দিনের বিশেষ সাধারণ ছুটি (Special Casual Leave) পাবেন। সরকারি কর্মচারীদের জন্য কেন্দ্র নতুন ছুটির নীতিমালা তৈরি করেছে। এর আওতায় এখন কেন্দ্রীয় কর্মীরা আগের থেকে বেশি ছুটি পাবেন। নতুন নিয়মটি ২৫ এপ্রিল, ২০২৩ থেকে কার্যকর হয়েছে।

    অঙ্গদানের জন্য বিশেষ ছুটি

    কেন্দ্রের মতে, অঙ্গ হল জাতীয় সম্পদ, একে নষ্ট করা উচিত নয়। অঙ্গদান করা হল উদারতার পরিচয় দেওয়া। অঙ্গদানের মাধ্যমে সমাজে সমানাধিকার তৈরি হয়। এটা এক অত্যন্ত নৈতিক কাজ। অঙ্গদান করে এক শেষ হতে চলা জীবনকে নতুন শুরু দেওয়া যায়। অঙ্গদানকে উৎসাহ জোগাতে জাতীয় অঙ্গদান প্রতিস্থাপন প্রকল্পের আওতায় নতুন নিয়ম, বিধি ও প্রোটোকল রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে। ডিওপিটি (DoPT)-র অফিসিয়াল মেমোরেন্ডাম (OM) এ বলা হয়েছে, যদি কোনও কর্মচারী শরীরের কোনও অংশ দান করেন তবে তাঁকে একটি বড় অস্ত্রোপচারের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। এর জন্য হাসপাতালে ভর্তির পাশাপাশি সুস্থ হতেও সময় লাগে বেশ কিছুদিন। একজন মানুষকে সাহায্য করার জন্য এই কাজ একটি মহান উদ্যোগ। কেন্দ্রীয় কর্মচারীদের মধ্যে অঙ্গদান প্রচারের উদ্দেশ্যে, এবার থেকে অঙ্গদান করার পর যে কোনও কর্মচারীকে সর্বোচ্চ ৪২ দিনের বিশেষ ছুটি (Special Casual Leave) দেওয়া হবে। এ জন্য নিয়মও নির্ধারণ করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুুন: অনুব্রত কন্যা সুকন্যাকে তিন দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ আদালতের

    ছুটির নিয়ম

    বর্তমান নিয়মে, একটি ক্যালেন্ডার বছরে ক্যাজুয়াল ছুটি হিসাবে সর্বাধিক ৩০ দিনের ছুটি মঞ্জুর করা হয়। নয়া নিয়ম সিসিএস (লিভ)-এর অধীনে সমস্ত কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য হবে না। নির্বাচিত কর্মীদের উপর এই নিয়ম কার্যকর করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে ছুটি সংক্রান্ত নতুন নিয়ম, রেলের কর্মচারী, অল ইন্ডিয়া সার্ভিসের কর্মচারীদের জন্য এখনই প্রযোজ্য নয়। সরকারের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দাতার অঙ্গ অপসারণের জন্য, অস্ত্রোপচারের জন্য এবং তার পরে ফের কর্মক্ষম হওয়ার জন্য ছুটির (Special Casual Leave) সর্বোচ্চ সীমা ৪২ দিন হবে। এর জন্য সরকার কর্তৃক নিবন্ধিত চিকিৎসকের সুপারিশের ভিত্তিতে ছুটি দেওয়া হবে। হাসপাতালে ভর্তির এক সপ্তাহ আগে থেকে এই ধরনের ছুটি নেওয়া যেতে পারে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share