Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Manipur Violence: আবার নতুন করে সংঘর্ষ মণিপুরে, নাবালক-পুলিশ সহ একদিনে খুন ৪

    Manipur Violence: আবার নতুন করে সংঘর্ষ মণিপুরে, নাবালক-পুলিশ সহ একদিনে খুন ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অগ্নিগর্ভ মণিপুর (Manipur)। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হিংসা ছড়ানোর ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন চারজন। এঁদের মধ্যে রয়েছেন এক পুলিশ কমান্ডোও।  নিহতদের মধ্যে এক কিশোরও রয়েছে। এর জেরে জাতিগত হিংসায় মণিপুরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১২৭ জন। পুলিশ সূত্রের খবর, গত ২৪ ঘণ্টায় বিষ্ণুপুর এবং চূড়াচাঁদপুর জেলার সমীনা আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

    দফায় দফায় দুষ্কৃতী হামলা

    গত দু’মাস ধরে বিষ্ণুপুর এবং চূড়াচাঁদপুর এই দুই জেলার সীমানা দফায় দফায় হিংসার কারণে উত্তপ্ত হয়েছে। দুই জেলার সীমানায় সেনা এবং নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া নজরদারি সত্ত্বেও বার বার হামলার ঘটনা ঘটেছে। সেনা সূত্রে খবর, পাহাড়ি রাস্তা দিয়ে দুষ্কৃতীরা এই দুই জেলায় ঢুকছেন। তার পরই নতুন করে হিংসার ঘটনা ঘটছে। শুক্রবার রাতেও দুই জেলার সীমানার দু’ধার থেকে গোপনে দুষ্কৃতীরা ঢুকেছিলেন। তার পরই আবার নতুন করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। শুক্রবার ভোররাত দেড়টা নাগাদ এই গুলির লড়াই হয়। টানা কয়েক ঘণ্টা ধরে দুই সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ চলে। পরে খবর পেয়ে নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ওই ঘটনায় মৃত্যু হয় দু’জনের, সঙ্গে গুরুতর আহত হন তিনজন। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুুন: “মেরে ফেলবে, বুথ থেকে সরান”, সুকান্তর কাছে আর্জি রাজ্যের এক পুলিশকর্মীর

    সেনা সূত্রে খবর, দুষ্কৃতীরা বেশ কিছু বাড়িতে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু নিরাপত্তা বাহিনী পাল্টা জবাব দেওয়ায় সেই ঘটনা এড়ানো গিয়েছে। তবে কাংভাই, সোংডো এবং আওয়াং লেখাই গ্রামে গুলির লড়াই চলে। অন্য দিকে, শুক্রবার যৌথ অভিযানে নামে মণিপুর পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী। ইম্ফল পূর্ব, পশ্চিম, চূড়াচাঁদপুর, বিষ্ণুপুর, কাকচিং জেলায় অভিযান চালিয়ে দুষ্কৃতী এবং জঙ্গিদের ১৮টি বাঙ্কার গুঁড়িয়ে দিয়েছে যৌথবাহিনী। গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০টি বাঙ্কার গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। এই অভিযানে পাঁচটি স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র, ৭৪টি গুলি এবং অত্যন্ত শক্তিশালী পাঁচটি হ্যান্ডগ্রেনেড উদ্ধার হয়েছে। বহুদিন ধরে গোষ্ঠীহিংসায় জর্জরিত উত্তর-পূর্বাঞ্চলের এই রাজ্য। এর মধ্যে চূড়াচাঁদপুরের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। দু’মাস ধরে জ্বলছে মণিপুর। হিংসা থামার কোনও লক্ষণই নেই। মণিপুরের সমতলের বাসিন্দা মেইতেই সম্প্রদায়ের সঙ্গে কুকি এবং নাগা জনগোষ্ঠীর বিরোধ চলছে দীর্ঘদিন ধরে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ISI: লাস্যময়ীর প্রেমের ফাঁদে পা দিয়ে মিসাইল গবেষণার তথ্য পাচার পাকিস্তানে! গ্রেফতার বিজ্ঞানী

    ISI: লাস্যময়ীর প্রেমের ফাঁদে পা দিয়ে মিসাইল গবেষণার তথ্য পাচার পাকিস্তানে! গ্রেফতার বিজ্ঞানী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর বয়স ৬০ বছর। বিবাহিত। পাকিস্তানি এক লাস্যময়ীর পাতা ফাঁদে পা দিয়ে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইকে (ISI) প্রতিরক্ষা বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ নথি চালান করার অভিযোগে মাস তিনেক আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থার (ডিআরডিও) বিজ্ঞানী প্রদীপ কুরুলকরকে। এবার চার্জশিট পেশ হল তাঁর বিরুদ্ধে। পেশ করল মহারাষ্ট্র পুলিশের জঙ্গি দমন শাখা। চার্জশিটে বলা হয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপের পাশাপাশি ভয়েস ও ভিডিও কলের মাধ্যমে আইএসআই এজেন্টের সঙ্গে প্রদীপের যোগাযোগের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মিলেছে।

    গ্রেফতার বিজ্ঞানী

    পুণের ডিআরডিও-র সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাবরেটরির ডিরেক্টর পদে নিযুক্ত ছিলেন প্রদীপ। ৩ মে সরকারি গোপনীয় তথ্য ফাঁসের অভিযোগে অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। এটিএসের দাবি, ১৯৮৮ সাল থেকে সমাজ মাধ্যমে সুন্দরী মহিলাদের ছবি দেখিয়ে ফাঁদে ফেলেছিল আইএসআইয়ের (ISI) এজেন্ট। চার্জশিটে বলা হয়েছে, আইএসআইয়ের ওই এজেন্ট বিভিন্ন নামে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খোলে। এভাবেই প্রদীপের সঙ্গে যোগাযোগ রাখত সে।

    জারা দাশগুপ্ত কে?

    ভুয়ো অ্যাকাউন্টগুলির দুজন ব্যবহারকারীর নাম হল জারা দাশগুপ্ত ও জুহি অরোরা। সুন্দরী জারা নিজেকে ব্রিটেনবাসী সফ্টঅয়্যার ইঞ্জিনিয়র বলে পরিচয় দিয়েছিল। অশালীন টেক্সট মেসেজ ও ভিডিও করে প্রদীপের সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতিয়েছিল সে। পরে জারা প্রদীপের কাছে জানতে চায়, অগ্নি ৬ মিসাইল লঞ্চারের পরীক্ষা সফল হয়েছিল কিনা। মেজেজ পাঠিয়ে প্রদীপ নাকি তাকে বলেছিলেন, বেব, ওটা আমার ডিজাইন। সফল না হয়ে যায় না। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর ও ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে আইএসআইয়ের ওই এজেন্টের সঙ্গে কথোপকথন হয় প্রদীপের। সেই সময় মিটিওর মিসাইল, ব্রহ্মোস, রাফাল, আকাশ ও অস্ত্র মিশাইল নিয়ে তার সঙ্গে খোলাখুলি কথা বলতেন প্রদীপ।

    আরও পড়ুুন: ভোট শুরু ৭টায়, পড়ে গিয়েছে লাশ, কমিশনার দফতরে এলেন ১০টায়!

    ডিআরডিও-র ড্রোন প্রোগ্রাম নিয়েও জারার কাছে তথ্য ফাঁস করেছিলেন প্রদীপ। প্রদীপের গতিবিধিতে (ISI) সন্দেহ হওয়ায় মহারাষ্ট্র এটিএসের দ্বারস্থ হয় ডিআরডিও কর্তৃপক্ষ। মে মাসে গ্রেফতার করা হয় প্রেমের ফাঁদে পড়া ওই বিজ্ঞানীকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।    

  • Odisha Train Accident: করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার রেলের ৩ আধিকারিক

    Odisha Train Accident: করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার রেলের ৩ আধিকারিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশার বালেশ্বরে (Odisha Train Accident) করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় রেলের তিন আধিকারিককে গ্রেফতার করল সিবিআই (CBI)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ওই তিন আধিকারিকের কাজকর্মের জেরেই ঘটেছিল দুর্ঘটনা। এদিন যে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁরা হলেন সিনিয়র সেকশন ইঞ্জিনিয়র অরুণ কুমার মোহন্ত, সেকশন ইঞ্জিনিয়র মহম্মদ আমির খান ও টেকনিশিয়ান পাপ্পু কুমার। সিবিআই জানিয়েছে, ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০৪ ও ২০১ নম্বর ধারায় গ্রেফতার করা হয়েছে ওই তিনজনকে।

    করমণ্ডল দুর্ঘটনা 

    গত ২ জুন বালেশ্বরের (Odisha Train Accident) বাহানগা স্টেশনের অদূরে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে হাওড়া চেন্নাই করমণ্ডল এক্সপ্রেস। মেইন লাইনের পরিবর্তে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটারেরও বেশি গতিতে থাকা আপ করমণ্ডল এক্সপ্রেস ঢুকে পড়েছিল লুপ লাইনে। ওই লুপ লাইনে আগে থেকেই দাঁড়িয়েছিল একটি মালগাড়ি। তার পিছনে ধাক্কা মেরে লাইনচ্যুত হয়ে যায় করমণ্ডলের একাধিক কোচ। এরই কয়েকটি ছিটকে পড়ে পাশের লাইনে। সেই সময় ওই লাইনে আসছিল ডাউন এসএমভিটি বেঙ্গালুরু-হাওড়া সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস। করমণ্ডলের কোচে ধাক্কা মেরে হাওড়াগামী ট্রেনের কয়েকটি কোচও লাইনচ্যুত হয়ে যায়। দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান প্রায় ২৮৮ জন। আহত হয়েছিলেন এক হাজার জনেরও বেশি মানুষ। 

    তদন্ত শুরু রেলের

    দুর্ঘটনার (Odisha Train Accident) কারণ জানতে তদন্ত শুরু করে রেলের সেফটি কমিশন। উচ্চ পর্যায়ের তদন্তে জানা যায়, সিগন্যালের ভুলের কারণেই ঘটেছিল মর্মান্তিক ওই দুর্ঘটনা। মূলত সিগন্যালিং ও টেলিকমিউনিকেশন বিভাগের একাধিক ভুলের জন্য মেইন লাইনের বদলে লুপ লাইনে ঢুকে পড়েছিল করমণ্ডল এক্সপ্রেস। রেলওয়ে নিরাপত্তা কমিশনার এএম চৌধুরীও তাঁর রিপোর্টে দাবি করেছেন, বিভিন্ন স্তরে সিগন্যালিংয়ের ত্রুটির কারণেই ঘটেছে এই দুর্ঘটনা।

    আরও পড়ুুন: রাত পোহালেই পঞ্চায়েত নির্বাচন, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী

    রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ২০২২ সালে খড়্গপুর ডিভিশনের বাঁকড়া নয়াবাজ স্টেশনেও এই একই ধরনের ত্রুটি দেখা দিয়েছিল সিগন্যালিংয়ে। যার জেরে ভুল করে ট্র্যাকে ঢুকে পড়েছিল ট্রেন। এই রিপোর্টটি সিবিআইকে দেওয়ার কথা। কারণ এই দুর্ঘটনার (Odisha Train Accident) নেপথ্যে অপরাধমূলক কোনও ষড়যন্ত্র রয়েছে কিনা, তা জানতে তদন্ত করছে সিবিআই-ও। সিবিআই তদন্তের সুপারিশ করেছিলেন রেলমন্ত্রী স্বয়ং।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3: ১৪ জুলাই চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি ‘চন্দ্রযান ৩’-এর! ল্যান্ডিং কবে, জানিয়ে দিল ইসরো

    Chandrayaan 3: ১৪ জুলাই চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি ‘চন্দ্রযান ৩’-এর! ল্যান্ডিং কবে, জানিয়ে দিল ইসরো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সব ঠিকঠাক চললে আগামী ১৪ জুলাই মহাকাশে পাড়ি দেবে ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3)। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর (ISRO) তরফে এমনটাই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ইসরো প্রধান এস সোমনাথ জানান, ১৪ তারিখ দুপুর ২টো ৩৫ মিনিট নাগাদ ‘চন্দ্রযান ৩’-কে সঙ্গে নিয়ে চাঁদের দেশে পাড়ি দেবে ভারতের বৃহত্তম রকেট। একইসঙ্গে, চাঁদের মাটিতে কবে অবতরণ করবে ‘চন্দ্রযান ৩’, তাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে সংস্থার তরফে। 

    কাউন্টডাউন শুরু…

    আর মাত্র সাত দিনের অপেক্ষা। শুরু হয়ে গিয়েছে কাউন্টডাউন। তারপরই ফের চাঁদের মাটি ছোঁয়ার হাতছানি। সময় যত গড়াচ্ছে, ততই বাড়ছে উত্তেজনা। ততই চড়ছে আশার পারদ। ২০১৯ সালে ভারত ‘চন্দ্রযান ২’ উৎক্ষেপণ করেছিল। ল্যান্ডিংয়ের আগে, মিশন কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় চন্দ্রযানের। চাঁদের বুকে আছড়ে পড়ে ল্যান্ডার ‘বিক্রম’ ও রোভার ‘প্রজ্ঞান’। তারপর চার-চারটে বছর কেটে গিয়েছে। অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার পুরোদস্তুর প্রস্তুতি নিয়ে নামছে ইসরো। বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে সফট ল্যান্ডিংয়ের ক্ষেত্রে। এস সোমনাথ বলেন, “আমরা চাঁদে সফট ল্যান্ডিংয়ের ক্ষেত্রে সক্ষম হব।”

    লক্ষ্য সফট ল্যান্ডিং

    ইতিমধ্যেই, ‘চন্দ্রযান ৩’-কে (Chandrayaan 3) মহাকাশে বহনকারী রকেটের সাথে সংযুক্ত করেছে। গত বুধবার শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টারে পুরোদমে প্রস্তুত ‘লঞ্চ ভেহিকল মার্ক ৩’ বা সংক্ষেপে ‘এলভিএম৩’ (LVM3)। প্রসঙ্গত, গত বছর অক্টোবরে ‘জিওসিনক্রোনাস স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল মার্ক ৩’ বা ‘জিএসএলভি মার্ক ৩’ (GSLV Mark 3) রকেটের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘লঞ্চ ভেহিকল মার্ক ৩’। বুধবার, এই রকেটের মাথায় পেলোড সংযুক্ত করা হয়। এই পেলোডের মধ্যে রয়েছে ‘চন্দ্রযান ৩’ মডিউল। মূলত তিনটি জিনিস রয়েছে এই মডিউলে। একটি ল্যান্ডার, একটি রোভার ও একটি প্রোপালসন মডিউল। বিচ্ছিন্ন হওয়ার আগে এই পেলোড ফেয়ারিংয়ে ভর করে ‘চন্দ্রযান ৩’ মডিউল চাঁদের উপরে ১০০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত পৌঁছে যাবে। সেখান থেকে চাঁদের বুকে অবতরণ-পর্ব শুরু করবে ল্যান্ডার ও রোভার।

    সবচেয়ে ভারী ও উন্নত রকেট ‘এলভিএম৩’

    ‘এলভিএম৩’ হলো ভারতের সবচেয়ে ভারী ও উন্নত প্রযুক্তির রকেট। রকেটটির ওজন ৬৪০ টন। দৈর্ঘ্য ৪৩.৫ মিটার, প্রস্থ ৪ মিটার। মাথায় অবস্থিত পেলোড ফেয়ারিংটি হলো ৫ মিটার ব্যাসের। লঞ্চ যানটি পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ‘লোয়ার আর্থ অরবিট’-এ (LEO) ৮ টন পর্যন্ত পেলোড বা সরঞ্জাম বহন করতে পারে। কিন্তু যখন ‘জিওস্টেশনারি ট্রান্সফার অরবিট’ (জিটিও)-এর কথা আসে যা পৃথিবী থেকে প্রায় ৩৫ হাজার কিলোমিটার উচ্চতায় অবস্থিত, তখন অনেক কম অর্থাৎ মাত্র চার টন পেলোড বহন করতে পারে ‘এলভিএম৩’। ‘চন্দ্রযান ৩’-এর (Chandrayaan 3) মোট ওজন ৩ হাজার ৯০০ কেজি। অর্থাৎ, প্রায় ৪ টনের কাছাকাছি। এর মধ্যে, শুধু প্রোপালশান মডিউলটির ওজনই ২ হাজার ১৪৮ কেজি।

    চাঁদে ল্যান্ডিং ২৩ অথবা ২৪ অগাস্ট

    শুধু উৎক্ষেপণ নয়, একেবারে সম্ভাব্য ল্যান্ডিংয়ের দিনক্ষণও ঘোষণা করেছে ইসরো। অর্থাৎ, চাঁদের মাটি কখন ছোঁবে ‘চন্দ্রযান ৩’, তাও জানিয়ে দিয়েছে ইসরো। সংস্থার চেয়ারম্যান এস সোমনাথ জানান, ২৩ অথবা ২৪ অগাস্ট চাঁদের মাটিতে নিরাপদে চন্দ্রযানটিকে অবতরণের চেষ্টা করা হচ্ছে। ইসরো সূত্রে খবর, ‘চন্দ্রযান ২’-এ ল্যান্ডার ও রোভারের যে নাম ছিল, এবারও তাই রাখা হয়েছে। ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3) চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে অনুসন্ধান চালাবে। চাঁদের ভূতাত্বিক অনুসন্ধান করা হবে। চাঁদের কিছু বিশেষ জায়গায় থার্মোফিজিক্যাল পদার্থ অনুসন্ধান, ল্যান্ডিং সাইটের আশেপাশে চন্দ্রের ভূমিকম্প, চন্দ্র পৃষ্ঠের প্লাজমা পরিবেশ এবং মৌলিক রচনা সংক্রান্ত কিছু তথ্যের সন্ধানে চলছে এই সাম্প্রতিক অভিযান। সোমনাথ জানান, সব ঠিকঠাক চললে আমরা সফট ল্যান্ডিং করব। রোভারের ৬টি চাকা রয়েছে। আনুমানিক ১৪ দিন পর্যন্ত কাজ করবে প্রজ্ঞান।

    আশায় বুক বাঁধছেন ১৪০ কোটি ভারতবাসী 

    এর আগে চাঁদের মাটি স্পর্শ করতে সক্ষম হয়েছে বিশ্বের তিন দেশের তৈরি চন্দ্রযান। ‘চন্দ্রযান ৩’-এর (Chandrayaan 3) সফল উৎক্ষেপণ হলে সেই তালিকায় জ্বলজ্বল করবে ভারতের নাম। ভারতের কাছে বিশ্ব ইতিহাসের পাতায় নাম তোলার আরও একবার হাতছানি। আশায় বুক বাঁধছে আপামর ভারতবাসী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Global Peace Index 2023: বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ আইসল্যান্ড, জানেন কোথায় ভারত? 

    Global Peace Index 2023: বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ আইসল্যান্ড, জানেন কোথায় ভারত? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশগুলির বার্ষিক র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ করল গ্লোবাল পিস ইনডেক্স (Global Peace Index – GPI)। ১৬৩টি দেশের উপর সমীক্ষা চালিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে এই তালিকা। তালিকায় একেবারে শীর্ষে রয়েছে আইসল্যান্ডের নাম। ২০০৮ থেকে বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশের তকমা পেয়ে আসছে ইউরোপের এই দেশ। তালিকায় ভারতের স্থান ১২৬।

    উন্নতি করেছে ভারত

    ২০২৩ জিআইপি অনুসারে, আইসল্যান্ড (Iceland)  বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ। এই দেশটির পরই শীর্ষে রয়েছে ডেনমার্ক, আয়ারল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড এবং অস্ট্রিয়া ৷ অন্যদিকে সর্বাধিক অশান্ত দেশ হিসেবে অষ্টম বারের জন্য তালিকার একেবার শেষে এবারও রয়েছে আফগানিস্তান। এর ঠিক উপরে রয়েছে চারটি রাষ্ট্র। সেগুলির হল ইয়েমেন, সিরিয়া, দক্ষিণ সুদান ও গণতান্ত্রিক-প্রজাতন্ত্র কঙ্গো।

    গত বছর সামগ্রিক ভাবে দেখতে গেলে শান্তির ক্ষেত্রে ৩.৫ শতাংশ উন্নতি করেছে ভারত। যার জেরে গত বছরের তুলনায় দু’ধাপ উপরে উঠে এসেছে নয়াদিল্লি। এই প্রসঙ্গে চিন ও পাকিস্তানের সঙ্গে সীমান্ত সংঘর্ষের কথাও উল্লেখ করেছে জিপিআই। তালিকা প্রকাশকারী সংস্থার দাবি, গত বছর থেকেই দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গেই সেভাবে সীমান্ত সংঘাতে জড়ায়নি ভারত। শান্তিপূর্ণ দেশের তালিকায় ১৬৩-র মধ্যে ১২৬ তম স্থানে রয়েছে ভারত। শান্তিপূর্ণ দেশের তালিকায় ১৬৩-র মধ্যে ১২৬ তম স্থানে রয়েছে ভারত। 

    আরও পড়ুন: ‘অপহরণ করে ইসলামে ধর্মান্তকরণ’! হাইকোর্টের নির্দেশে এফআইআর সিবিআই-এর

    ১০টি শান্তিপূর্ণ দেশ

    সিডনি-ভিত্তিক ইন্সটিটিউট ফর ইকোনমিক্স অ্যান্ড পিস থিঙ্ক ট্যাঙ্ক সংঘাত, নিরাপত্তা এবং সামরিকীকরণসহ বিভিন্ন বিষয়ের উপর ভিত্তি করে বার্ষিক শান্তিপূর্ণ দেশের তালিকা প্রকাশ করে। ওই তালিকা অনুযায়ী, প্রথম দশটি দেশ হল আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, আয়ারল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রিয়া, সিঙ্গাপুর, পর্তুগাল, স্লোভেনিয়া, জাপান, সুইজারল্যান্ড

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: গুজরাট হাইকোর্টেও বহাল নিম্ন আদালতের রায়, জেলে যাচ্ছেন রাহুল গান্ধী?

    Rahul Gandhi: গুজরাট হাইকোর্টেও বহাল নিম্ন আদালতের রায়, জেলে যাচ্ছেন রাহুল গান্ধী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাংসদ পদ তো ফিরে পাচ্ছেন না-ই, তার ওপর তৈরি হয়েছে জেলে যাওয়ার আশঙ্কাও। কারণ ‘অপরাধমূলক অবমাননা’ মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় কংগ্রেস (Congress) নেতা রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) দু বছরের যে সাজা দিয়েছিল গুজরাটের সুরাট ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, তা-ই বহাল রইল গুজরাট হাইকোর্টেও। শুক্রবার রায় ঘোষণা করতে গিয়ে গুজরাট হাইকোর্টের বিচারপতি হেমন্ত প্রচ্ছক বলেন, “নিম্ন আদালত রাহুল গান্ধীর সাজার যে রায় দিয়েছে, তা সঠিক।” গুজরাট হাইকোর্টের এই রায়ের ফলে আগামী লোকসভা নির্বাচনে রাহুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন কিনা, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে সংশয়।

    ‘মোদি’ পদবি নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে কর্নাটকের কোলারে ‘মোদি’ পদবি নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। এর পরেই বিজেপি বিধায়ক ও গুজরাটের প্রাক্তন মন্ত্রী পূর্ণেশ মোদি দ্বারস্থ হন আদালতের। ২৩ মার্চ সুরাট ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক এইচএইচ বর্মা দু বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিলেন রাহুলকে। তবে জামিনের আবেদন মঞ্জুর করে রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতে আবেদনের জন্য বিচারক তাঁকে ৩০ দিন সময়ও দিয়েছিলেন।

    আদালতের দুয়ারে রাহুল 

    আদালতের এই রায়ের ভিত্তিতে ২৪ মার্চ রাহুলের সাংসদ পদ খারিজ করে দেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। এর পর রাহুল আবেদন করেন সুরাটেরই দায়রা আদালতে। সেখানেও বহাল থাকে সুরাট ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের রায়। এর পর সুরাট দায়রা আদালতের সাজা কার্যকর করার নির্দেশের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে গুজরাট হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন রাহুল (Rahul Gandhi)। বিচারপতি গীতা গোপীর বেঞ্চে শুনানির জন্য নথিভুক্ত হয়েছিল রাহুলের আবেদন। তবে আচমকাই মামলার শুনানি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন বিচারপতি গোপী।

    আরও পড়ুুন: চিনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ প্রকল্পে আপত্তি ভারতের, এসসিও-র বিবৃতিতে সই নেই নয়াদিল্লির

    মামলা যায় প্রচ্ছকের বেঞ্চে। প্রাথমিক শুনানির পরে রাহুলের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন বহাল রেখেছিলেন বিচারপতি, যদিও রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ দেননি। শুক্রবার নিম্ন আদালতের রায়ই বহাল রাখেন বিচারপতি প্রচ্ছক। আদালত আরও জানিয়েছে, “সাজা স্থগিত করার কোনও যুক্তিসঙ্গত কারণ নেই। আদেশটি সঠিক ও আইনি। অযোগ্যতা শুধুমাত্র সাংসদ ও বিধায়কদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এছাড়াও, আবেদনকারীর বিরুদ্ধে প্রায় ১০টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Falaknuma Express: হাওড়া-সেকেন্দ্রাবাদ ফলকনুমা এক্সপ্রেসে আগুন, আতঙ্কে যাত্রীরা

    Falaknuma Express: হাওড়া-সেকেন্দ্রাবাদ ফলকনুমা এক্সপ্রেসে আগুন, আতঙ্কে যাত্রীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও ট্রেন দুর্ঘটনা। আগুন লাগল হাওড়া থেকে সেকেন্দ্রাবাদগামী ফলকনুমা এক্সপ্রেসে (Falaknuma Express)। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে শর্ট সার্কিটের জেরে চলন্ত ট্রেনে আগুন লেগে যায়। তবে দ্রুততার সঙ্গে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। ফলে সমস্ত রেলযাত্রীকেই নিরাপদে ট্রেন থেকে বের করে আনা গিয়েছে। যদিও পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে ফলকনুমা এক্সপ্রেসের চারটি কামরা। আগুন ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে ট্রেনের এসি কোচগুলিতেও।

    কীভাবে দুর্ঘটনা

    শুক্রবার তেলঙ্গানায় মুম্মইপল্লি এবং পাগিড়িপল্লির মধ্যে ট্রেনটিতে আগুন লাগে। তার পরই দাঁড়িয়ে পড়ে ট্রেনটি। গলগল করে ধোঁয়া বেরোতে দেখা গিয়েছে। বালেশ্বর ট্রেন দুর্ঘটনার ভয়াবহ স্মৃতি এখনও সকলের মনে তাজা। তার মধ্যেই এই ফলকনুমা এক্সপ্রেসে (Falaknuma Express) অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ফলকনুমা এক্সপ্রেসের যাত্রীরা। ভয়ে হুড়োহুড়ি পড়ে যায় যাত্রীদের মধ্যে। চারটি (S4, S5, S6, S7) কামরা সম্পূর্ণরূপে জ্বলে গিয়েছে বলে খবর। দ্রুত খবর পৌঁছয় রেল কর্তৃপক্ষের কাছে। সঙ্গে সঙ্গে অ্যালার্ট জারি করা হয়। রেল সূত্রে খবর, তড়িঘড়ি এক্সপ্রেস থেকে যাত্রীদের নিরাপদে নামানো হয়েছে। হতাহতের কোনও খবর নেই। কী কারণে আগুন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সমস্ত যাত্রীরা সুরক্ষিত রয়েছেন। অন্য ট্রেনে করে তাঁদের হায়দরাবাদে নিয়ে যাওয়া হবে। ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন জেনারেল ম্যানেজার অরুণ কুমার জৈন।

    আরও পড়ুন: জটিলতা এড়াতে ত্রিস্তরে ৩ রঙের ব্যালট পেপার, কী কী সেই রং?

    বার বার ট্রেনে এমন বিপত্তির ঘটনায় সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে যাত্রীদের মধ্যে। উল্লেখ্য, এর আগেও ২০১৯ সালে হাওড়া-সেকেন্দ্রাবাদ ফলকনুমা এক্সপ্রেসে (Falaknuma Express) আগুন ধরে গিয়েছিল। সাঁতরাগাছি স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকার সময়েই আগুন লাগে এই এক্সপ্রেস ট্রেনে। ভস্মীভূত হয়ে যায় ট্রেনের রেক। হায়দ্রাবাদ যাওয়ার সবচেয়ে ভাল ট্রেন ফলকনুমা এক্সপ্রেস। হাওড়া স্টেশন থেকে ভোরে ছাড়ে এবং পরের দিন সকালে সেকেন্দ্রাবাদে পৌঁছে যায়। রাজ্যের একাধিক বাসিন্দা এই ট্রেনেই যান। ভরসার এই ট্রেনে হঠাৎ করে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় উদ্বেগ বেড়েছে যাত্রীদের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SCO Summit: চিনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ প্রকল্পে আপত্তি ভারতের, এসসিও-র বিবৃতিতে সই নেই নয়াদিল্লির

    SCO Summit: চিনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ প্রকল্পে আপত্তি ভারতের, এসসিও-র বিবৃতিতে সই নেই নয়াদিল্লির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সদ্য সমাপ্ত এসসিও সম্মেলনের (SCO Summit) আয়োজক দেশ ছিল ভারত (India)। ভার্চুয়াল এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেই বক্তৃতায় তিনি বলেছিলেন, এসসিও গোষ্ঠীর সনদকে মান্যতা দেওয়া উচিত সকলের। চিনের নাম না করে সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষার জন্যও সওয়াল করেন প্রধানমন্ত্রী। সম্মেলন শেষে যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে সদস্য রাষ্ট্রগুলি জানায়, যৌথভাবে তৈরি হওয়া ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ প্রকল্পকে সমর্থন করছে তারা। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছে পাকিস্তান, রাশিয়া সহ এসসিও-র প্রায় সব সদস্য দেশ। তবে উল্লেখযোগ্যভাবে তাতে সই করেনি ভারত।

    স্বাক্ষর না করার কারণ

    কী কারণে যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেনি নয়াদিল্লি? জানা (SCO Summit) গিয়েছে, ভারতের মূল আপত্তি ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ প্রকল্পের একটি নির্দিষ্ট অংশ নিয়ে। ‘চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর’ নামের এই রাস্তা চিন অধিকৃত শিনজিয়াংয়ের কাশগড়কে যুক্ত করেছে পাকিস্তানের গ্বদল বন্দরকে। যাত্রা পথে রাস্তাটির একটি অংশ গিয়েছে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের গিলগিট-বালটিস্তান এলাকার মধ্যে দিয়ে। পাক অধিকৃত কাশ্মীর যে আদতে ভারতেই অংশ, বহুবার তা দাবি করেছে ভারত। তাদের দবি, এই রাস্তা তৈরি করে ভারতের সার্বভৌমত্বে আঘাত করেছে শি জিনপিংয়ের দেশ। সেই কারণেই এসসিও-র ওই যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেনি নরেন্দ্র মোদির দেশ।

    প্রসঙ্গ সন্ত্রাসবাদ

    উদ্বোধনী ভাষণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী সুর চড়িয়েছেন সন্ত্রাসবাদের (SCO Summit) বিরুদ্ধেও। তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে সব চেয়ে বড় অন্তরায় হল সন্ত্রাসবাদ। তার বিরুদ্ধে লড়তে হবে আমাদের।” পাকিস্তানের নাম না করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কিছু দেশের নীতিই হল সীমান্তপারের সন্ত্রাসকে মদত দেওয়া। তাদের নিন্দা করার ক্ষেত্রেও কোনও দ্বিধা থাকা উচিত নয়।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘তৃণমূলকে ভোট না দিলে বঞ্চিত থাকবে এলাকাবাসী’’, হুঁশিয়ারি রাজ্যের মন্ত্রীর

    প্রসঙ্গত, ২০০১ সালে চিনের সাংহাইতে গঠিত হয় সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন। সদস্য দেশ ছিল রাশিয়া, কাজাখস্তান, কিরঘিজস্তান ও চিন নিজে। ২০০৭ সালে এসসিও সম্মেলনে (SCO Summit) আমন্ত্রিত দেশ হিসেবে উপস্থিত ছিল ভারত। এর ঠিক ১০ বছর পরে এসসিওতে যোগ দেয় ভারত। ওই একই বছর যোগ দেয় পাকিস্তানও।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NCP: মহারাষ্ট্রে জারি ‘পাওয়ার’ গেম! এনসিপি-র দুই গোষ্ঠী আজ বিধানসভায় মুখোমুখি

    NCP: মহারাষ্ট্রে জারি ‘পাওয়ার’ গেম! এনসিপি-র দুই গোষ্ঠী আজ বিধানসভায় মুখোমুখি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে জারি ‘পাওয়ার’ গেম। অজিত পাওয়ার (Ajit Pawar) শিবিরে চলে যাওয়া দুই সাংসদ ও ন’জন বিধায়ককে বৃহস্পতিবার দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তে সবুজ সঙ্কেত দিল শরদ পাওয়ারের (Sharad Pawar) নেতৃত্বাধীন এনসিপি (NCP)। দিল্লিতে শরদের নেতৃত্বে হওয়া জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে দলের বিদ্রোহী নেতাদের বিরুদ্ধে ওই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। তবে অজিত পাওয়ার গোষ্ঠী এই সিদ্ধান্ত মানতে নারাজ। অজিতের পাল্টা দাবি, যেহেতু তিনি দলের সভাপতি, তাই শরদ পওয়ারের নেতৃত্বে হওয়া দিল্লির বৈঠক গুরুত্বহীন। আজ, শুক্রবারই মহারাষ্ট্রের বিধানসভা অধিবেশনে মুখোমুখি হতে চলেছেন এনসিপির দু’শিবিরের যুযুধান নেতারা। অজিত শিবিরের দাবি, সেখানেই স্পষ্ট হয়ে যাবে, কত জন এনসিপি বিধায়ক তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন।

    শক্তি পরীক্ষায় সক্রিয় দুই শিবির

    ইতিমধ্যেই  রাজ্যস্তরে  নিজেদের শক্তি পরীক্ষায় নেমেছিল অজিত বনাম শরদ শিবির। এরপরই  স্পষ্ট হয়ে যায় মহারাষ্ট্রে এনসিপির ৫৩ জন বিধায়কের মধ্যে অন্তত ২৯ জনের সমর্থন অজিতের পক্ষে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দিল্লিতে জাতীয় কর্মসিমিতির বৈঠক ডাকেন শরদ। দাবি করা হয়, আঠাশটি রাজ্য শাখার নেতৃত্ব শরদের পাশে রয়েছেন। সংসদের দু’কক্ষের ৯ সাংসদের মধ্যে সাত জনই সমর্থন জানিয়েছেন শরদকে। এদিন দিল্লিতে শরদ পাওযারের সঙ্গে দেখা করেন রাহুল গান্ধী। 

    আরও পড়ুন: “নন্দীগ্রামে আর একটা ১৪ মার্চ ঘটাতে চায় মমতা ব্যানার্জি”, আশঙ্কা শুভেন্দুর

    ভাঙা দলকে গোছানোর লক্ষ্য নিয়ে শরদ জানিয়ে দেন, তিনি এখনও দলের সভাপতি। শরদের কথায়, ‘‘যে যা বলুক, আমিই দলের সভাপতি।’’ দলের প্রকৃত নেতা কে, এ নিয়ে যে বিতর্কের মীমাংসার ভার নির্বাচন কমিশনের হাতে ছেড়ে দিয়েছেন শরদ। তিনি বলেন, ‘‘এর পরে যা বলার, তা নির্বাচন কমিশনেই বলব আমরা। আমাদের পক্ষ থেকে দলের নাম ও নিশানের জন্য কমিশনের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’’ গত কাল ৮২ বছরের শরদকে বাণপ্রস্থে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন অজিত। জবাবে তিনি বলেন, ‘‘৮২ হোক বা ৯২— প্রয়োজনে আবার দলকে গড়ে তুলব আমি।’’ 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kanwar Yatra 2023 : কাঁধের বাঁকের একদিকে মা, অন্যদিকে গঙ্গাজল! কানওয়ার যাত্রায় বিরল দৃশ্য

    Kanwar Yatra 2023 : কাঁধের বাঁকের একদিকে মা, অন্যদিকে গঙ্গাজল! কানওয়ার যাত্রায় বিরল দৃশ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঁকের একদিকে বসে আছেন মা। অন্যদিকে তিন কলসী গঙ্গার জল। দুই দিকেই রয়েছে ভারসাম্য। আর এভাবেই ব্যস্ত রাস্তা দিয়ে দীর্ঘপথ এগিয়ে যাচ্ছেন শিবভক্ত এক যুবক। কানওয়ার যাত্রার এই ছবি সকলের চোখে জল এনে দিয়েছে। ছেলের বাঁকে তীর্থযাত্রায় চলেছেন মা। ছেলের কাছে শিবের ভক্তি আর মায়ের ভালবাসা দুইই সমান। দৃষ্টিশক্তিহীন বাবা-মাকে কাঁধে করে তীর্থযাত্রায় নিয়ে গিয়েছিলেন শ্রবণ। কানওয়ার যাত্রায় (Kanwar Yatra 2023) হরিদ্বারের এই ছবি সেই ‘শ্রবণের পিতৃভক্তি নাটক’-এর কথা মনে পড়িয়ে দিল।

    চলছে কানওয়ার যাত্রা

    জুলাইয়ের ৪ তারিখ থেকে শুরু হয়েছে কানওয়ার যাত্রা (Kanwar Yatra 2023)। ১৫ জুলাই পর্যন্ত তা চলবে। ধর্মীয় এই সমাবেশে এ বছর আনুমানিক ২০ লক্ষ শিবভক্ত যোগ দেবেন। বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্তরা কানওয়ারা যাত্রায় যোগ দিচ্ছেন। কানওয়ার যাত্রার বিভিন্ন ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ধরা পড়ছে। সেরকমই এক ভিডিও ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেখানে দেখা যাচ্ছে, হরিদ্বার থেকে বাঁকের এক দিকে মা-কে এবং অন্যদিকে পরিত্র গঙ্গা জল নিয়ে হেঁটে চলেছেন এক ভক্ত। অন্য ভক্তদের সঙ্গেই হেঁটে চলেছেন ওই তীর্থযাত্রী। এখনও পর্যন্ত ওই ভিডিও ৪২ হাজারের বেশি মানুষ দেখেছেন। লাইক পড়েছে ১৮০০-র বেশি।

    আরও পড়ুুন: “যারা চোর-ডাকাত, তাদের টিকিট দিয়েছে দল”, বিস্ফোরক রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী

    প্রশংসা নেটিজেনদের

    বছরের এই সময়ে লাখ লাখ হিন্দু পুন্যার্থী গঙ্গা নদীর পবিত্র জল আনার জন্য উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বার, গৌমুখ, গঙ্গোত্রী এবং বিহারের সুলতানগঞ্জে তীর্থযাত্রা করেন। কাতারে-কাতারে শিবভক্ত বাঁকে জল নিয়ে রাস্তায় হেঁটে চলেন। সম্প্রতি সেই কানওয়ার যাত্রায় (Kanwar Yatra 2023) দেখা মিলল সম্পূর্ণ অন্য এক ছবি মাকে বাঁকে করে তীর্থে নিয়ে যাওয়ার ভিডিয়ো মন জয় করে নিয়েছে সকলের। কেউ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, ‘হর হর মহাদেব’। আবার কেউ লিখেছেন, ‘জয় হো’। আবার জোড় হাতের ইমোজি দিয়ে যুবকের এই মহৎ কাজকে সম্মান জানিয়েছেন নেটিজেনদের একাংশ। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।   

LinkedIn
Share