Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • K Kavitha: সাসপেন্ড হয়েই পদত্যাগ! কবিতা-কাণ্ডে বেআইনি সম্পদের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, দাবি তেলঙ্গানা বিজেপির

    K Kavitha: সাসপেন্ড হয়েই পদত্যাগ! কবিতা-কাণ্ডে বেআইনি সম্পদের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, দাবি তেলঙ্গানা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলবিরোধী কার্যকলাপের জন্য মেয়ে কে কবিতাকে (K Kavitha) সাসপেন্ড করেছেন বিআরএস সুপ্রিমো কে চন্দ্রশেখর রাও। মঙ্গলবার ভারত রাষ্ট্র সমিতির পক্ষ থেকে সোশাল মিডিয়ায় জানিয়ে দেওয়া হয়, “দলবিরোধী কার্যকলাপের জন্য এমএলসি কবিতাকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কেসিআর। এই মুহূর্ত থেকে এই সাসপেনশন কার্যকর হবে।” এরপরই বুধবার, দলের প্রাথমিক সদস্যপদ এবং তেলঙ্গানা বিধান পরিষদের এমএলসি পদ থেকে পদত্যাগের কথা জানিয়ে দেন কে কবিতা। একইসঙ্গে তাঁর খুড়তুতো ভাই এবং প্রাক্তন মন্ত্রী টি হরিশ রাও এবং প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ জে সন্তোষ কুমারের সমালোচনা করেছেন কবিতা।

    বিআরএস-এ অন্তর্দ্বন্দ্ব

    কবিতা (K Kavitha) বুধবার হায়দ্রাবাদে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তাঁর পদত্যাগের ঘোষণা করেন এবং দলের ভিতরে তাঁর বিরুদ্ধে চলা ষড়যন্ত্রের জন্য হরিশ রাও এবং সন্তোষ কুমারকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, “আমি এমএলসি পদ এবং দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করছি। আমি আমার পদত্যাগপত্র বিধানসভার স্পিকার এবং কেসিআর-এর কাছে পাঠাচ্ছি।” কবিতা আরও অভিযোগ করেছেন যে, তাঁর ভাই এবং বিআরএস-এর কার্যকরী সভাপতি কেটি রামা রাও (কেটিআর) তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারের সময় তাঁকে সমর্থন করেননি। তিনি বলেন, “যখন আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার চালানো হয়েছিল, তখন আমার ভাই রামা রাও আমাকে সমর্থন করেননি। আমার সাসপেনশন দলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্য একটি ষড়যন্ত্রের অংশ।” তিনি তাঁর বাবা কেসিআর-কে তাঁর চারপাশে ঘটে চলা ঘটনাগুলি পর্যবেক্ষণ করার আহ্বান জানান এবং বলেন, “হরিশ রাও এবং সন্তোষ আমাদের পরিবারের কল্যাণকামী নন।”

    বিজেপি’র দাবিই সত্য!

    তেলঙ্গানা বিজেপি সভাপতি এন রামচন্দ্র রাও মঙ্গলবার অভিযোগ করেছেন, বিআরএস (BRS) এমএলসি কে কবিতার সাম্প্রতিক মন্তব্য তাঁর নিজের দলের বিরুদ্ধেই ছিল এবং তা স্পষ্টভাবে কেসিআর (KCR) পরিবারে কেলেশ্বরম প্রকল্পের “অবৈধ সম্পদের ভাগবাটোয়ারা” নিয়ে অন্তর্দ্বন্দ্বকে প্রকাশ করে। রাও আরও অভিযোগ করেন, কংগ্রেস সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে সিবিআই তদন্তে বিলম্ব করে বিআরএসকে রক্ষা করছে। প্রায় ২০ মাস ধরে তদন্ত সিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর না করে তারা প্রমাণ লোপাটের সুযোগ করে দিয়েছে।

    তিনটি ভাগে বিভক্ত বিআরএস

    রামচন্দ্র রাও বলেন, “বিজেপি প্রথম থেকেই কেলেশ্বরম দুর্নীতির তদন্ত দাবি করে এসেছে। কে কবিতার (K Kavitha) এই বিস্ফোরক মন্তব্যে বোঝাই যাচ্ছে, পরিবারেরই কেউ দুর্নীতিতে জড়িত। এটি আমাদের অভিযোগেরই প্রমাণ।” তিনি আরও বলেন, কবিতার বহিষ্কার বিআরএস-এর অভ্যন্তরীণ বিষয়, তাতে বিজেপির কিছু বলার নেই। তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী ও কংগ্রেস নেতা এ রেভন্ত রেড্ডিকে নিশানা করে রাও বলেন, “বিরোধীদলে থাকাকালীন রেভন্ত কেলেশ্বরম দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব ছিলেন। কিন্তু এখন ক্ষমতায় এসে গত ২০ মাসে একটিও পদক্ষেপ করেননি। কেলেশ্বরম প্রকল্পের জলের স্রোতের সঙ্গেই প্রমাণও বোধহয় ধুয়ে গিয়েছে।” বিজেপি সাংসদ লক্ষ্মণ বিআরএস-এর তুলনা করেছেন ধসে পড়া কেলেশ্বরম প্রকল্পের স্তম্ভের সঙ্গে। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, “যেমন কেলেশ্বরম প্রকল্প ভেঙে পড়েছে, তেমনি বিআরএস দলও এখন তিনটি ভাগে ভেঙে গিয়েছে।”

  • Supreme Court: ‘আধার কার্ড নাগরিকত্বের একমাত্র প্রমাণ হতে পারে না’, ফের জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    Supreme Court: ‘আধার কার্ড নাগরিকত্বের একমাত্র প্রমাণ হতে পারে না’, ফের জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আধার (AADHAAR) কার্ড নাগরিকত্বের একমাত্র প্রমাণ হতে পারে না। নির্বাচন কমিশনকে এ ব্যাপারে নির্দেশ দেওয়ার দাবি তুলেছিল বিহারের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। ওই দাবি খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, “আইন অনুসারে আধারের মর্যাদা নির্ধারিত হয়েছে। সেই মর্যাদা বাড়ানো সম্ভব নয়।”

    ডিভিশন বেঞ্চের বক্তব্য (Supreme Court)

    সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চ ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (এসআইআর) সংক্রান্ত মামলায় এর আগে জানিয়েছিল, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য অন্য নথির সঙ্গে আধার কার্ডকেও পরিচয়পত্র হিসেবে গণ্য করা হতে পারে। সোমবারের শুনানিতে তা আরও স্পষ্ট করে ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, যাচাইয়ের জন্য অনেক নথির মধ্যে আধারও একটি নথি হতে পারে। আধার আইনের ৯ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, আধার নম্বর বা অথেনটিকেশন ধারকের নাগরিকত্ব বা বাসস্থানের প্রমাণ হবে না। ২০১৮ সালেও সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ পুত্তস্বামী মামলায় জানিয়েছিল, “আধার নম্বর কারও নাগরিকত্বের অধিকার অধিষ্ঠিত করতে পারে না।”

    বিরোধী দলগুলির দাবি

    এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে বিহারের বিরোধী দলগুলির আইনজীবীরা একাধিকবার শুনানির সময় সওয়াল করেছিলেন এই বলে যে, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য একমাত্র আধারকেই প্রমাণ হিসেবে ধরা হোক। এ প্রসঙ্গে শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, “আধারে এত জোর দেওয়া হচ্ছে কেন নাগরিকত্বের চূড়ান্ত প্রমাণ আধার – আমরা কখনওই সেই নির্দেশ দেব না।” নির্বাচন কমিশনের তরফে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) সওয়াল করেন রাকেশ দ্বিবেদী। সওয়াল করতে গিয়ে তিনি বলেন, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য আধারকে (AADHAAR) প্রমাণ হিসেবে ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। তার কারণ বিহারের কয়েকটি জেলায় আধার কার্ড রয়েছে ১৪০ শতাংশ। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ করা হয়েছে, বহু বাংলাদেশি, রোহিঙ্গা অবৈধভাবে এ দেশে প্রবেশ করে আধার কার্ড বানিয়েছে কিছু রাজ্যে।

    ৬৫ লাখ লোকের নাম বাদ

    প্রসঙ্গত, বিহারে খসড়া ভোটার তালিকা থেকে ৬৫ লাখ লোকের নাম বাদ যাওয়া নিয়ে মামলা শুনছে শীর্ষ আদালত। এর আগে শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অভিযোগ জানাতে পারবেন ভোটাররা। তালিকায় বাদ পড়া ভোটারদের অভিযোগ জানানোর সময়সীমা বৃদ্ধি করার আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল বিহারের বিরোধী দলগুলি (Supreme Court)। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চেই শুনানি হয় সেই মামলার। বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদবের দল আরজেডির হয়ে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করেন আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ। সওয়াল করতে গিয়ে তিনি বলেন, “বিহারে খসড়া ভোটার তালিকা থেকে ৬৫ লাখ নাম বাদ গিয়েছে (AADHAAR)। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকলেও, আধারকে পরিচয়ের একমাত্র প্রমাণ হিসেবে ধরা হচ্ছে না (Supreme Court)।”

  • Amit Shah: সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে ডিটেনশন ক্যাম্প গড়ে তোলার নির্দেশ কেন্দ্রের

    Amit Shah: সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে ডিটেনশন ক্যাম্প গড়ে তোলার নির্দেশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সবকটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে ডিটেনশন ক্যাম্প (Detention Camps) গড়ে তুলতে হবে। অনুপ্রবেশকারীদের গতি-প্রকৃতি সীমিত রাখতেই এই ব্যবস্থা করতে হবে। যতক্ষণ না তাদের স্বদেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে, ততক্ষণ রাখা হবে ওই ক্যাম্পে। মঙ্গলবার এক গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে এই মর্মে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক (Amit Shah)। সম্প্রতি পাশ হওয়া অভিবাসন ও বিদেশি আইন, ২০২৫ এর প্রেক্ষিতে এই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

    কী বলা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে (Amit Shah)

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “কেন্দ্রীয় সরকার অথবা রাজ্য সরকার অথবা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল প্রশাসন বা জেলা কালেক্টর অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ জারি করে, কোনও ব্যক্তিকে আইন অনুযায়ী বিদেশি হিসেবে গণ্য করা হবে কি হবে না, সেই প্রশ্নটি কেন্দ্রীয় সরকার গঠিত বিদেশি ট্রাইবুনালে মতামতের জন্য পাঠাতে পারবে। এই বিদেশি ট্রাইবুনালে সর্বোচ্চ তিনজন আইন সম্পর্কে অভিজ্ঞ সদস্য থাকবেন, যাঁদের উপযুক্ত মনে করে নিয়োগ করবে কেন্দ্রীয় সরকার। অভিযুক্ত ব্যক্তি বিদেশি নয় বলে তার দাবির সমর্থনে কোনও প্রমাণ উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হলে এবং তার দাবির সমর্থনে জামিনের ব্যবস্থাও করতে না পারলে, সেক্ষেত্রে তাকে আটক করে হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হবে।” স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক আরও জানিয়েছে, গুরুতর অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলে বিদেশিদের ভারতে প্রবেশ বা অবস্থান করতে দেওয়া নাও হতে পারে। এছাড়াও, কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমতি ছাড়া কোনও বিদেশি ভারতের কোনও পর্বতচূড়ায় আরোহণ করতে পারবেন না বা করার চেষ্টাও করতে পারবেন না। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বেসরকারি খাতে বিদেশিদের নিয়োগের জন্য নির্দেশিকাও দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, “ভারতে কর্মসংস্থানের জন্য বৈধ ভিসা থাকা কোনও বিদেশি ব্যক্তি, দেওয়ানি কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া বিদ্যুৎ বা জল সরবরাহ অথবা পেট্রোলিয়াম খাতের সঙ্গে যুক্ত কোনও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে পারবে না। প্রতিরক্ষা, মহাকাশ প্রযুক্তি, পারমাণবিক শক্তি, মানবাধিকার অথবা এ সংক্রান্ত অন্য যে কোনও ক্ষেত্রে যুক্ত কোনও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, কেন্দ্রীয় সরকারের আগাম অনুমতি ছাড়া কোনও বিদেশিকে নিয়োগ করতে পারবে না।”

    পাসপোর্ট ও ভিসা দেখাতে হবে না!

    আর একটি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নেপাল বা ভুটানের নাগরিকদের স্থলপথে বা আকাশপথে ভারতে প্রবেশের সময় পাসপোর্ট ও ভিসা দেখাতে হবে না। তবে তাদের বৈধ পাসপোর্ট থাকলে এবং তারা নেপাল বা ভুটান ছাড়া (Detention Camps) অন্য কোনও দেশ থেকে ভারতে প্রবেশ বা ভারত থেকে বের হলে, সে ক্ষেত্রেও এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। তবে চিন, ম্যাকাও, হংকং বা পাকিস্তান থেকে প্রবেশ বা প্রস্থানের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে না। এই নিয়ম তিব্বতিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, যাঁরা ইতিমধ্যেই ভারতে বসবাস করছেন বা যাঁরা ভারতে প্রবেশ করছেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নাম নথিভুক্ত করে নথিপত্র জোগাড় করেছেন, তাঁরা যদি ১৯৫৯ সালের পর কিন্তু ২০০৩ সালের ৩০ মে-র আগে ভারতে প্রবেশ করে থাকেন (Amit Shah)।

    সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ভুক্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও ছাড় প্রযোজ্য 

    বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আফগানিস্তান, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ভুক্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও এই ছাড় প্রযোজ্য হবে। হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্শি ও খ্রিস্টানরা, যাঁরা ধর্মীয় নির্যাতনের কারণে ভারতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন এবং ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখ বা তার আগে ভারতে প্রবেশ করেছেন, তাঁদের বৈধ নথি থাকুক বা না থাকুক, তাঁদের ক্ষেত্রে এই ছাড় প্রযোজ্য হবে। বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে যাঁরা ভারতে ঢুকেছেন এবং বৈধ নথি ছাড়াই এসেছেন কিংবা বৈধ নথি নিয়ে প্রবেশ করলেও, যার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে পাসপোর্ট ও ভিসা আইন পুরোপুরি কার্যকর হবে না। তবে যাঁরা ছাড়ের আওতায় নেই, তাঁদের কঠোর নিয়ম মানতে হবে (Detention Camps)। রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির তৈরি ডিটেনশন সেন্টারে তাঁদের আটকে রাখা হবে, প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত (Amit Shah)।

    প্রসঙ্গত, গত কয়েক মাস ধরে দেশজুড়ে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ধরতে অভিযান চলছে। বিভিন্ন রাজ্য থেকে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে। আর এই অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতেই ভিনরাজ্যে বাংলাভাষীদের হেনস্থা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, বাংলাভাষায় কথা বললেই ভিনরাজ্যে বাংলাভাষীদের ধরে বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হচ্ছে। বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদেরও বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হচ্ছে (Amit Shah)।

  • India Russia Defence: আরও ‘সুদর্শন-চক্র’ কিনতে উদ্যোগী ভারত, রাশিয়ার প্রস্তাব ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ সু-৫৭

    India Russia Defence: আরও ‘সুদর্শন-চক্র’ কিনতে উদ্যোগী ভারত, রাশিয়ার প্রস্তাব ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ সু-৫৭

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনে সদ্যসমাপ্ত এসসিও সম্মেলেনর ফাঁকে নরেন্দ্র মোদি ও ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যে একান্ত আলাপচারিতার ছবি সকলেই দেখেছেন। বৈঠকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ‘প্রিয় বন্ধু’ বলে সম্বোধন করে বরাবরের মতোই হাতে-হাত মিলিয়ে চলার প্রতিজ্ঞা করেন। জবাবে মোদি বলেন, ‘‘কঠিন সময়েও ভারত ও রাশিয়া একে অপরের পাশে থেকেছে।’’ এর ঠিক দুদিন পরই দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা সম্পর্কিত বড় খবর সামনে এল। একদিকে যেমন জানা যাচ্ছে, নয়াদিল্লিকে তেলের দামে আরও ছাড় দিতে চলেছে মস্কো। তেমনই সামরিক (India Russia Defence) ক্ষেত্রেও ভারতকে আরও শক্তিশালী করতে অতিরিক্ত ‘এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ’ (S-400 Triumf) আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও ‘সু-৫৭’ (Su-57) যুদ্ধবিমান নিয়ে কথা চালাচ্ছে রাশিয়া।

    ভারতকে রাশিয়ার প্রস্তাব

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপ করা ৫০ শতাংশ শুল্কের কাছে মাথা নত না করা এবং সেই প্রবল চাপকে উপেক্ষা করে বন্ধু রাশিয়ার থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি জারি রাখার ‘লাভ’ তুলতে চলেছে ভারত! মোদি-পুতিন বৈঠকের পর আরও বৃদ্ধি পেতে চলেছে ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে সামরিক সখ্যতা (India Russia Defence)। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানি বিষয়ক এক আধিকারিককে উদ্ধৃত করে রাশিয়ার তাস সংবাদসংস্থা জানিয়েছে যে, আরও বেশি সংখ্যক এস-৪০০ সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল সিস্টেম সরবরাহ করা নিয়ে নয়াদিল্লি এবং মস্কোর মধ্যে আলোচনা চলছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাশিয়ার ‘ফেডারেল সার্ভিস ফর মিলিটারি-টেকনিক্যাল কোঅপারেশন’-এর প্রধান দিমিত্রি শুগায়েভ জানিয়েছেন, এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ (S-400 Triumf) আকাশ-প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও বেশি কেনার বিষয়ে দুদেশের মধ্যে কথাবার্তা চলছে।

    আরও ‘সুদর্শন চক্র’ কেনার উদ্যোগ

    ২০১৮ সালে ভারত ৫.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিময়ে রাশিয়ার সঙ্গে পাঁচটি এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ দূরপাল্লার এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম কেনার চুক্তি করে। এর মধ্যে প্রথম তিনটি ইউনিট পৌঁছালেও, বাকি দুই ইউনিটের ডেলিভারি একাধিকবার পিছিয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, শেষ দুটি এস-৪০০ (S-400 Triumf) ইউনিট ভারতকে সরবরাহ করবে রাশিয়া ২০২৬ এবং ২০২৭ সালে। তার মধ্যেই বাড়তি ইউনিটের জন্য মস্কোর সঙ্গে আলোচনা শুরু করে দিল ভারত, বলে দাবি রুশ সংবাদসংস্থার। এখানে উল্লেখ করা দরকার, ভারতে এস-৪০০ মিসাইল সিস্টেম পরিচিত ‘সুদর্শন চক্র’ নামে। গত মে মাসে অপারেশন সিঁদুরের সময় এই সুদর্শন চক্র দিয়ে পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করেছে ভারত।

    ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ সু-৫৭

    একদিকে রাশিয়ার থেকে অতিরিক্ত এস-৪০০ মিসাইল সিস্টেম কেনার জন্য যেমন আলোচনা চালাচ্ছে ভারত, তেমনই অন্যদিকে, নয়াদিল্লির সামনে ফের একবার ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ সু-৫৭ স্টেলথ যুদ্ধবিমানের প্রস্তাব পেড়েছে মস্কো (India Russia Defence)। সংবাদসংস্থা তাস-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাশিয়া এখন ভারতেই তাদের অত্যাধুনিক সু-৫৭ ফিফথ-জেনারেশন বা পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরি করার সম্ভাবনা যাচাই করছে। ভারতীয় বায়ুসেনার আধুনিক যুদ্ধবিমানের চাহিদা পূরণের উদ্দেশ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিরক্ষা সূত্রে জানা গিয়েছে, এই প্রস্তাবনার আওতায় কত পরিমাণ বিনিয়োগ লাগবে, তা নিয়ে রাশিয়ান কর্তৃপক্ষ বিস্তারিতভাবে গবেষণা করছে।

    একই কারখানায় সু-৩০ ও সু-৫৭!

    ভারত ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, তাদের প্রয়োজন অন্তত দুই থেকে তিন স্কোয়াড্রন (৪০-৬০) পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান। তার পর থেকেই, রাশিয়া বহুদিন ধরেই ভারতকে সি-৫৭ যুদ্ধবিমান কেনার জন্য অনুরোধ করে আসছে। রাশিয়ার পেশ করা প্রস্তাব অনুয়ায়ী, বর্তমানে ভারতের হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (HAL) ইতিমধ্যেই নাসিকের কারখানায় লাইসেন্স নিয়ে রাশিয়ার সু-৩০এমকেআই যুদ্ধবিমান উৎপাদন করছে। প্রয়োজনে সেই একই কারখানাটিকে সু-৫৭ (Su-57) যুদ্ধবিমান তৈরির জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়াও, ভারতের বিভিন্ন কারখানায় ইতিমধ্যে রাশিয়ান প্রযুক্তির সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন হয়। যেগুলিকে ব্যবহার করে সু-৫৭ তৈরি করলে খরচ অনেকটাই কমে যাবে বলে অনুমান (India Russia Defence)।

    প্রসঙ্গত, ভারত আগে রাশিয়ার ফিফথ-জেনারেশন ফাইটার এয়ারক্রাফট প্রকল্পের অংশ ছিল। কিন্তু প্রায় ৮-১০ বছর আগে কিছু কারণবশত সেই প্রকল্প থেকে সরে আসে। তবে বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি দেখে এই পুরনো প্রকল্প আবার নতুন করে শুরু হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • India-Russia Relationship: মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা, রাশিয়া থেকে তেল কিনে ভারতের মুনাফা ১২৬০ কোটি ডলার

    India-Russia Relationship: মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা, রাশিয়া থেকে তেল কিনে ভারতের মুনাফা ১২৬০ কোটি ডলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর বিশ্বজুড়ে যখন তেলের দাম চড়া, তখন ভারত এক কৌশলী সিদ্ধান্ত নিয়ে রুশ তেলের দিকে ঝুঁকে পড়ে। পশ্চিমি নিষেধাজ্ঞাকে উপেক্ষা করে রাশিয়া (India-Russia Relationship) থেকেই তেল আমদানি করে ভারত। অন্যদিকে, প্রতিকূল পরিস্থিতিতে মস্কোও ভারতকে বড়সড় ছাড়ে তেল (Russian Oil) দিতে শুরু করে। এই সিদ্ধান্তে ভারতের জ্বালানি আমদানির খরচ ৩৯ মাসে কমেছে কমপক্ষে ১৭ বিলিয়ন ডলার। তথ্য-পরিসংখ্যান থেকে স্পষ্ট গত সাড়ে তিন বছরে আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে রাশিয়ার থেকে তেল আমদানি করায় বিপুল আর্থিক সাশ্রয় হয়েছে ভারতের। সরকারি সূত্রে খবর, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে গত ৩৯ মাসে রাশিয়া থেকে অশোধিত তেল আমদানি করে অন্তত ১২৬০ কোটি ডলার (প্রায় ১ লক্ষ ১১ হাজার কোটি টাকা) মুনাফা করেছে ভারত।

    বিশ্ব-বাজারে ভারতের বড় ভূমিকা

    রাশিয়ার তেল (Russian Oil) কেনায় ভারতের উপর গোঁসা করেছে আমেরিকা। রাশিয়া থেকে তেল কেনার অভিযোগে ভারতের উপরে ৫০ শতাংশ ট্যারিফ চাপিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুধু তাই নয়, ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী পিটার নাভারোর দাবি, ইউক্রেন যুদ্ধ আসলে ‘মোদির যুদ্ধ’। তাঁর অভিযোগ, ‘রাশিয়ার কাছ থেকে সস্তায় তেল কিনে আসলে মস্কোকে সহায়তা করছে ভারত।’ পিটার নাভারোর অভিযোগ ভিত্তিহীন, বলছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের বক্তব্য, ভারতের তেল কেনার কারণেই বিশ্ববাজারে বড়সড় সঙ্কট এড়ানো গিয়েছে। যদি ভারত রাশিয়ার তেল না কিনত, তাহলে আজ অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ২০০ ডলার ছুঁয়ে যেত। বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, ভারত শুধু সরাসরি সাশ্রয়ই করেনি, বরং বিশ্ববাজারে দাম নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকা রেখেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত যদি রুশ তেল না কিনত, তাহলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে ১০-২০ ডলার বেড়ে যেতে পারত, যা ৩৯ মাসে আমদানির খরচ বাড়িয়ে দিত ৫৮ থেকে ১১৬ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত।

    রাশিয়া থেকে তেল আমদানি বেড়েছে

    ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের কথা ঘোষণা করেছিলেন পুতিন। তার পরেই আমেরিকা এবং পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলির রাশিয়ার বিরুদ্ধে আর্থিক নিষেধাজ্ঞা বলবৎ করেছিল। যদিও তাতে গুরুত্ব না দিয়ে গত সাড়ে তিন বছর ধরে নয়াদিল্লি-মস্কো বাণিজ্যিক লেনদেন চলেছে সমানতালে। গত অর্থবর্ষের (২০২৪-২৫) ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার সার্বিক বাণিজ্যের পরিমাণ বেড়ে পৌঁছেছে ৬৮০০ কোটি ডলার (প্রায় ৬ লক্ষ কোটি টাকা)। তার মধ্যে ভারত থেকে রাশিয়ায় (India-Russia Relationship) রফতানি করা হয়েছে ৪৯০ কোটি ডলারের (৪২ হাজার কোটি টাকা) পণ্য। আর রাশিয়া থেকে ভারত আমদানি করেছে ৬৩০০ কোটি ডলারের (প্রায় ৫ লক্ষ ৫০ হাজার কোটি টাকা) পণ্য। যার বড় অংশই সামরিক সরঞ্জাম এবং অশোধিত তেল। বস্তুত ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরুর অনেক আগে থেকেই রুশ অশোধিত তেলের ক্রেতা ভারত। তবে আগে রাশিয়া থেকে তারা কম তেল আমদানি করত। ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরুর পরে আমদানির পরিমাণ বেড়েছে। তেল আমদানিকারী দেশ হিসাবে সারা বিশ্বে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। এই মোট আমদানির ৩৫ শতাংশই এখন আসে রাশিয়া থেকে।

    কতটা সাশ্রয় করল ভারত

    প্রকাশিত রিপোর্ট জানাচ্ছে, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে ভারত ১৬২২ কোটি ডলারের তেল আমদানি করেছিল। রাশিয়ার তেল না কিনে অন্য দেশ থেকে কিনলে এই খরচ আরও ৪৮৭ কোটি ডলার বেশি পড়ত। ২০২৩-২৪ অর্থবর্যে রাশিয়ার তেলের দাম কিছুটা বাড়লেও আমদানি বাড়ায় সাশ্রয় দাঁড়ায় ৫৪১ কোটি ডলার। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ছাড় নেমে আসে মাত্র ২.৮ শতাংশে। এতে সাশ্রয় হয় মাত্র ১৪৫ কোটি ডলার। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ত্রৈমাসিকের শেষএ ছাড় কিছুটা বাড়ার ফলে প্রায় ৮৪ কোটি ডলার সাশ্রয় হয়েছে। প্রথম ত্রৈমাসিকের শেষপর্বে রুশ তেল আমদানি কিছুটা কমলেও অগস্ট থেকে তা বাড়তে শুরু করেছে আবার।

    রুশ তেলের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রেতা ভারত

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর আগে রাশিয়া ভারতের মোট তেল আমদানির ২%-এরও কম সরবরাহ করত। এখন সেই পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৬%, যেখানে প্রতিদিন আমদানি হয় প্রায় ১.৭৮ মিলিয়ন ব্যারেল। এশিয়ায় চিনের পর ভারত এখন রুশ তেলের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রেতা। মূলত মার্কিন ও ইউরোপীয় নিষেধাজ্ঞার কারণে রাশিয়া ভারতকে ছাড়ে তেল দেয়, আর ভারত কৌশলগতভাবে সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বিপুল সাশ্রয় করে।

    লাভ সাধারণ জনগণের

    ভারতের সরকারি (India-Russia Relationship) হিসাব ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে দেখা গিয়েছে, দেশের এই সাশ্রয় শুধুমাত্র বড় ব্যবসায়ীদের নয়, সাধারণ ভারতীয়দেরও উপকৃত করেছে— মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে থেকেছে, রুপি স্থিতিশীল থেকেছে, এবং রিফাইনিং শিল্পে কর্মসংস্থান বজায় রয়েছে। একইসঙ্গে, ভারত এই রফতানিকৃত রিফাইন্ড তেল (বিশেষত রিলায়েন্স ও নয়ারা এনার্জির মাধ্যমে) বিক্রি করে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৯৭.৪৭ বিলিয়ন, এবং ২০২৪-২৫-এ ৬৩.৩৫ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, তেলের এই কৌশলগত চুক্তি ভারতের অর্থনীতিকে এক বড় ধাক্কা থেকে রক্ষা করেছে।

    দেশের স্বার্থেই সিদ্ধান্ত

    ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে রাশিয়ার থেকে তেল (Russian Oil) কেনার ‘শাস্তি’ হিসেবে ভারতীয় পণ্যের উপর জরিমানা-সহ মোট ৫০ শতাংশ শুল্কের বোঝা চাপিয়েছে আমেরিকা। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন পদক্ষেপের পরেও ভ্লাদিমির পুতিনের দেশ থেকে থেকে তেল কেনা বন্ধ করেনি নরেন্দ্র মোদির সরকার। অদূর ভবিষ্যতে তার কোনও সম্ভাবনাও নেই বলে মনে করছেন কূটনীতি এবং বণিকমহলের অনেকেই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, এই তেল আমদানির মাধ্যমে ১.৪ বিলিয়ন ভারতীয়ের জন্য “সাশ্রয়ী জ্বালানি” নিশ্চিত হয়েছে। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানিয়েছেন, মার্কিন সমালোচনা দ্বিচারিতায় ভরপুর। ইউরোপ এখনও রাশিয়া থেকে পণ্য কিনছে। তাই ভারতকে বাধা দেওয়ার মানেই হয় না। ভারত জানিয়ে দিয়েছে — ‘যেখানে ভালো দাম, সেখানেই আমরা যাব’ — কৌশলগতভাবে নয়, অর্থনৈতিকভাবে।

  • VVIP: মাঝ-সেপ্টেম্বরে মণিপুর সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    VVIP: মাঝ-সেপ্টেম্বরে মণিপুর সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৩ বা ১৪ সেপ্টেম্বর মণিপুর সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। জাতিগত হিংসার ঘটনায় দীর্ণ উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যটি। গত কয়েকদিন ধরে প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে জল্পনা তীব্র হয়েছে। এ নিয়ে আরও জোরালো ধারণা তৈরি হয়েছে মণিপুরের সাধারণ প্রশাসন বিভাগের এক সরকারি নোট প্রকাশের পর।

    সরকারি নোট (VVIP)

    ওই নোটে বলা হয়েছে, “প্রথমেই মণিপুর সরকারের মুখ্যসচিব প্রস্তাবিত ভিভিআইপি (VVIP) সফর (সেপ্টেম্বর ২০২৫) উপলক্ষে প্রস্তুতি বৈঠকে উপস্থিত সকল সদস্য ও কর্মকর্তাকে স্বাগত জানান।” নোটে আরও বলা হয়েছে, “এই সফরকে জাঁকজমকপূর্ণভাবে আয়োজন করতে হবে। তাই সাধারণ প্রশাসন বিভাগের সচিবকে আলোচনা আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।” নোটে ইম্ফলের কাংলা ও চূড়াচাঁদপুরের পিস গ্রাউন্ডকে সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ভিভিআইপির নাম স্পষ্ট করে বলা হয়নি।

    কী বলছে প্রশাসন?

    প্রশাসনের তরফে কেউ কিছু না বললেও, রাজ্যের শাসক দলের এক বিধায়ক নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর সফর প্রায় নিশ্চিত।” প্রসঙ্গত, মেইতেই ও কুকি-জো উপজাতিদের মধ্যে জাতিগত সংঘাত এবং তৎপরবর্তী হিংসায় ২৫০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু ও প্রায় ৬০ হাজার মানুষের বাস্তুচ্যুত হওয়ার পর এটিই হবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রথম মণিপুর সফর। মাস কয়েক হল হিংসা থেমেছে। কিন্তু দু’বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও, রাজ্য জাতিগতভাবে বিভক্তই রয়ে গিয়েছে। এ রাজ্যে এখনও (PM Modi) মেইতেই ও কুকি-জো উপজাতিরা একে অন্যের এলাকায় যেতে পারেন না। রাজ্যে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের পরেও মণিপুর সফরে না যাওয়ার জন্য বহুবার প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করেছে কংগ্রেস (VVIP)।

    মণিপুর সফর সেরে প্রধানমন্ত্রী যাবেন অসমেও। সেখানে তিনি ৫১.৩৮ কিলোমিটার দীর্ঘ বাইরাবি–সাইরাং রেললাইনের উদ্বোধন করবেন। অসমে প্রধানমন্ত্রী ভারতরত্ন ভূপেন হাজারিকার শতবর্ষব্যাপী উদযাপন অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন (VVIP)।

  • PM Modi: “গালিগুলি আমার মায়ের অপমান নয়, দেশের মা, বোন ও কন্যাদের অপমান,” তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: “গালিগুলি আমার মায়ের অপমান নয়, দেশের মা, বোন ও কন্যাদের অপমান,” তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মা আমাদের পৃথিবী। মা আমাদের আত্মসম্মান। কয়েকদিন আগে সমৃদ্ধশালী ঐতিহ্যের অধিকারী এই বিহারে যা ঘটেছিল, তা আমি কল্পনাও করিনি। বিহারের মানুষও এটা কল্পনা করেননি। বিহারে আরজেডি-কংগ্রেসের মঞ্চ থেকে আমার মাকে গালি দেওয়া হয়েছিল। এই গালিগুলি আমার মায়ের (Dead Mother) অপমান নয়, এগুলি দেশের মা, বোন ও কন্যাদের অপমান।” মঙ্গলবার বিহারের এক জনসভায় টানা কথাগুলি বলে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    সমস্ত নারীর প্রতি অপমান (PM Modi)

    তিনি এই ঘটনাকে দেশের সমস্ত নারীর প্রতি অপমান বলে বর্ণনা করে বলেন, “রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে আমার প্রয়াত মাকে এভাবে গালিগালাজ করা অকল্পনীয়।” তিনি বলেন, “আমি জানি, আপনাদের সবার, বিহারের প্রতিটি মায়ের, এই ঘটনা দেখে ও শুনে কতটা খারাপ লেগেছে। আমি জানি, আমার হৃদয়ে যতটা কষ্ট আছে, বিহারের মানুষও সেই একই কষ্টে আছেন।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমার মায়ের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক ছিল না। তার পরেও কেন তাঁকে অপমান করল আরজেডি এবং কংগ্রেস?” তিনি বলেন, “যারা এ ধরনের গালাগালি দেয়, তারা এমন এক মানসিকতার পরিচয় দেয় যা নারীকে দুর্বল মনে করে। বিহারে কংগ্রেসের ‘ভোটার অধিকার যাত্রা’র সময় ঘটে যাওয়া ঘটনাটি শুধু আমাকেই নয়, দেশের প্রতিটি নারীকে অপমান করেছে (PM Modi)।”

    মহিলাদের ক্ষমতায়নকে অগ্রাধিকার

    এদিন নতুন এক সমবায় উদ্যোগের উদ্বোধনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে (এটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত গ্রামীণ মহিলাদের মধ্যে উদ্যোক্তা সৃষ্টিকে উৎসাহিত করবে) প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিহারে এনডিএ সরকার ধারাবাহিকভাবে মহিলাদের ক্ষমতায়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে এসেছে। এই নতুন সমবায় বিহারের কন্যা ও বোনদের এগিয়ে যাওয়ার জন্য একটি শক্তিশালী মঞ্চ হয়ে উঠবে।” তিনি বলেন, “আমি আমার দেশের জন্য প্রতিদিন, প্রতিটি মুহূর্তে কঠোর পরিশ্রম করেছি। আর এতে আমার মা অনেক বড় ভূমিকা পালন করেছেন। আমাকে মা ভারতীর সেবা করতে হয়েছিল। তাই আমার মা (Dead Mother), যিনি আমাকে জন্ম দিয়েছেন, তিনি আমাকে আমার দায়িত্ব থেকে মুক্ত করেছেন। সেই মায়ের আশীর্বাদেই আমি আমার যাত্রা শুরু করেছিলাম (PM Modi)।”

  • Heavy Rain: উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে অব্যাহত বন্যার তাণ্ডব, তলিয়ে গিয়েছে বহু রাস্তা, ঘরবাড়ি

    Heavy Rain: উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে অব্যাহত বন্যার তাণ্ডব, তলিয়ে গিয়েছে বহু রাস্তা, ঘরবাড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর ভারতের (North India) বিস্তীর্ণ অঞ্চলে অব্যাহত বন্যার তাণ্ডব। বিভিন্ন রাজ্যে জলের নীচে তলিয়ে গিয়েছে রাস্তা, সতর্কতা জারি হয়েছে বন্যার, কোথাও কোথাও আবার জলের (Heavy Rain) তোড়ে ভেসে গিয়েছে ঘরবাড়ি। জম্মু-কাশ্মীর এবং উত্তরাখণ্ডে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। অনেকেই নিখোঁজ রয়েছেন। গত কয়েক দিনে নাগাড়ে মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে একের পর এক আকস্মিক বন্যা দেখা দিচ্ছে।

    পাঞ্জাবে অন্তত ২৯ জনের মৃত্যু (Heavy Rain)

    একদিকে, পাঞ্জাবে অন্তত ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। একে রাজ্যের সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যা হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে। একই দৃশ্য লক্ষ্য করা গিয়েছে দিল্লি ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে (এনসিআর)। ওই সব এলাকায় বন্যার জল মানুষের ঘরে ঢুকে গিয়েছে। নিকটবর্তী ব্যারাজ থেকে ক্রমাগত জল ছাড়ায় আরও বিপদের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন প্রশাসনের লোকজন। ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (IMD) জানিয়েছে, অন্তত সাত দিন স্বস্তি মিলবে না প্রবল বর্ষণ থেকে। প্রবল বৃষ্টির জেরে জম্মু-কাশ্মীর, গুরগাঁও, উত্তরপ্রদেশ এবং চণ্ডীগড়-সহ বেশ কিছু অঞ্চলের স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে মঙ্গলবার। গুরগাঁওয়ের বেসরকারি ও কর্পোরেট অফিসগুলিকে এদিন ‘ওয়ার্ক-ফ্রম-হোম’ নীতি অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। সোমবার ভারী বর্ষণের কারণে শহর ও এনসিআরে ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছিল। দিল্লি-এনসিআরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এবং জম্মু-কাশ্মীর ও উত্তরাখণ্ডের জাতীয় সড়কগুলি প্লাবিত হয়েছে। কোথাও কোথাও রাস্তা বা ভেঙে পড়া পাহাড়ি ধ্বংসস্তূপের কারণে বন্ধ রয়েছে জাতীয় সড়ক (Heavy Rain)।

    পাঞ্জাবের ১০টিরও বেশি জেলায় বন্যা

    প্রবল বৃষ্টি ও বাঁধ থেকে জল ছাড়ায় বন্যা হয়েছে পাঞ্জাবের ১০টিরও বেশি জেলায়। অগাস্ট মাসে রাজ্যে ২৫৩.৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ৭৪ শতাংশ বেশি এবং গত ২৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান সতর্ক করে বলেন, আগামী দিনে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। গত দু’সপ্তাহে জম্মু-কাশ্মীরে প্রবল বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যার কারণে ৫০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। পরিস্থিতির কারণে জম্মু-শ্রীনগর হাইওয়ে টানা আট দিন বন্ধ রয়েছে। সোমবার প্রবল বৃষ্টির জেরে রাজৌরি ও সাম্বা জেলায় ভূমি ধসে পড়ে, যার জেরে প্রশাসন ১৯টি পরিবারকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়। ডোডা জেলায় বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় ৫০০টিরও বেশি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে (Heavy Rain)।

    উত্তরাখণ্ডে প্রবল বৃষ্টি ও মেঘভাঙা বৃষ্টির কারণে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাজ্যের ৬৯ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। অগাস্ট মাসে একের পর এক মেঘভাঙা বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধস ও আকস্মিক (North India) বন্যা দেখা দেয়। ধ্বংস হয় বহু বাড়িঘর। ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে মানুষ ও গৃহপালিত পশু। রাজ্যে রেড অ্যালার্ট জারি করেছে আবহাওয়া বিভাগ। ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উত্তর-পশ্চিম ভারতে প্রবল বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (Heavy Rain)।

  • GST: বুধবার বসছে জিএসটি কাউন্সিলের দুদিনের বৈঠক, সরলীকৃত হবে কর কাঠামো

    GST: বুধবার বসছে জিএসটি কাউন্সিলের দুদিনের বৈঠক, সরলীকৃত হবে কর কাঠামো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পণ্য ও পরিষেবা কর (GST) কাউন্সিলের বৈঠক হবে ৩-৪ সেপ্টেম্বর (Council Meeting)। দুদিনের এই বৈঠকে অংশ নেবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এবং বিভিন্ন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী কিংবা তাঁদের প্রতিনিধিরা। আলোচনার মূল বিষয় হবে ২০১৭ সালে জিএসটি চালুর পর থেকে সবচেয়ে উচ্চাকাঙ্খী কর সংস্কারের একটি পদক্ষেপ, সরলীকৃত দ্বি-স্তরবিশিষ্ট কর কাঠামো। সরকারের প্রস্তাব অনুযায়ী, নয়া ব্যবস্থায় থাকতে পারে প্রয়োজনীয় পণ্যের জন্য ০-৫ শতাংশ করের স্তর এবং অধিকাংশ অন্যান্য পণ্য ও পরিষেবার জন্য ১২-১৮ শতাংশ করের স্তর। আধিকারিকদের ধারণা, এই সংস্কার ভোক্তা ও উৎপাদক উভয়ের পক্ষেই লাভজনক হবে, চাহিদা বৃদ্ধি করবে এবং বিশ্ব অর্থনীতির মন্থর গতির মধ্যেও সরবরাহ শৃঙ্খলকে সমর্থন জোগাবে।

    আর্থিক পরিসংখ্যান (GST)

    জানা গিয়েছে, উৎসাহব্যঞ্জক আর্থিক পরিসংখ্যান কেন্দ্র ও অর্থ মন্ত্রককে সামনে এগোনোর আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে। ২০২৫ সালের অগাস্ট মাসে জিএসটি আদায় ৯.৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী ধারা বজায় রেখেছে। রিফান্ড বেড়েছে ৮.৮ শতাংশ, যা ভারতের পক্ষে আরও অনুকূল বাণিজ্য ভারসাম্যের ইঙ্গিত দিচ্ছে। সরকার চলতি অর্থবর্ষে জিএসটির প্রবৃদ্ধি হার ৭.৫ শতাংশ হবে বলে অনুমান করেছে। এদিকে, ২০২৫ সালের অগাস্ট মাসে শুধুমাত্র ইউপিআই লেনদেন ২০ বিলিয়ন অতিক্রম করেছে, যা দৃঢ় ভোক্তা কার্যকলাপকে প্রতিফলিত করছে। অর্থমন্ত্রকের এক সিনিয়র কর্তা বলেন, “এই সূচকগুলি প্রমাণ করে যে সাহসী সংস্কারের এটাই সঠিক সময়। সহজতর জিএসটি ব্যবস্থা করদাতাদের অনুগত হতে উৎসাহিত করবে এবং করের আওতা বাড়াবে।”

    দাম কমতে পারে

    এই সংস্কার (GST) নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের স্পষ্ট বার্তা, ভোক্তাদের উপকার করতে হবে। প্রস্তাবটি অনুমোদিত হলে পেন্সিল, কম্পিউটার, গাড়ি, মোবাইল ফোন এবং কিছু ওষুধের মতো পণ্যের দাম কমতে পারে। সরকারের আশা, এর ফলে একটি শৃঙ্খল প্রতিক্রিয়া তৈরি হবে, যার জেরে আরও বাড়বে ভোগ, বৃদ্ধি পাবে ব্যবসার পরিমাণ এবং আরও শক্তিশালী হবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চক্র (Council Meeting)। কেন্দ্রের এই সংস্কারে খুশি নন অনেকেই। কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী কংগ্রেসের সিদ্দারামাইয়া বলেন, “নয়া কাঠামোর ফলে রাজ্যগুলির ১৫,০০০ কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হতে পারে।” তাঁর দাবি, এজন্য কেন্দ্রকে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করতে হবে।

    এদিকে, কেন্দ্রের বিশ্বাস এই কাঠামোর (GST) বিরোধিতা করলে রাজ্যগুলিকে “জন বিরোধী” বলে মনে হতে পারে, বিশেষ করে যখন সস্তা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও ভোক্তা পণ্য মানুষের নাগালের মধ্যে আসবে। এক নীতি বিশেষজ্ঞ বলেন, “আলোচনাগুলি কঠিন, তবে এই জিএসটি সরলীকরণ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল। প্রশ্নট হল, করা হবে কি না  তা নয়, বরং কীভাবে এবং কবে করা হবে (Council Meeting)।”

  • Afghanistan Earthquake: আফগানিস্তানের বিপর্যয়ে পাশে ভারত, প্রতিবেশী হোক বা গ্লোবাল সাউথ, সবার বিপদে সর্বদা সহায়তায় দিল্লি

    Afghanistan Earthquake: আফগানিস্তানের বিপর্যয়ে পাশে ভারত, প্রতিবেশী হোক বা গ্লোবাল সাউথ, সবার বিপদে সর্বদা সহায়তায় দিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানের বিপর্যয়ে পাশে দাঁড়াল ভারত। ভয়াবহ ভূমিকম্পে তছনছ হয়ে যাওয়া আফগানিস্তানে ত্রাণ পাঠালো দিল্লি। তবে, এই প্রথম নয়। বিপদে পড়লে বিশ্বের যে কোনও দেশের পাশে ভারত সর্বদা থাকে। মানবিক সাহায্য নিয়ে ভারত প্রত্যেকবার এগিয়ে যায়। কোভিড অতিমারি হোক বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ, প্রতিবেশী দেশ থেকে গ্লোবাল সাউথের প্রতিটি দেশের সঙ্কটেই এগিয়ে এসেছে ভারত।

    আফগানিস্তানের পাশে ভারত

    বিধ্বস্ত দেশ। তাসের ঘরের মতো ধুলোয় মিশেছে ঘরবাড়ি। আফগানিস্তানের পূর্ব প্রদেশ যেন ধ্বংস্তূপ। দিকে দিকে পড়ে দেহ। এতটাই বিপর্যস্ত এলাকা, ত্রাণ পৌঁছনোও কঠিন হয়ে পড়েছে। আরও কত মৃতদেহ বের হবে কে জানে! সোমবারের হিসেবই বলছে ৮০০-র বেশি মানুষের প্রাণ গিয়েছে। আরও বহু দেহ চাপা পড়ে থাকার আশঙ্কা করছে প্রশাসন। আহতের সংখ্যা প্রায় ৩ হাজার। সারা বিশ্বের কাছে মানবিক সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে তালেবান সরকার। সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আফগানিস্তানে প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন এবং পূর্ণ মানবিক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। আফগান সরকারের সঙ্গে কথা বলেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। ভূমিকম্পের ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে ত্রাণ পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ভারত মঙ্গলবারই কাবুলে ১,০০০টি পরিবারকে তাঁবু পাঠিয়েছে। সেই সঙ্গে পাঠানো হচ্ছে ১৫ টন খাদ্য সামগ্রী। সোমবার রাতে বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, আফগানিস্তানে ত্রাণ পাঠানোর কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, চালের বস্তা, তাঁবু এবং অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী বোঝাই ট্রাক কাবুলে পৌঁছে গিয়েছে।

    ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত আফগানিস্তান

    রবিবার গভীর রাতে (ভারতীয় সময় অনুযায়ী রাত পৌনে ১টা) প্রথম কেঁপে ওঠে আফগানিস্তানের উত্তর-পূর্বে কুনার প্রদেশ। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির তথ্য অনুযায়ী রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬.৩। কম্পনের উৎসস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে আট কিলোমিটার গভীরে। এর পরেও বেশ কয়েক বার ভূকম্প পরবর্তী কম্পন (আফটারশক) অনুভূত হয়েছে আফগানিস্তানে। তার মধ্যে অন্তত দু’টি কম্পনের মাত্রা ছিল ৫-এর বেশি। এই ভূমিকম্পের রেশ তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, পাকিস্তান এবং ভারত পর্যন্ত অনুভূত হয়েছে। কম্পনের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর এবং দিল্লির আশপাশের এলাকাতেও কম্পন অনুভূত হয়।

    কবে কোথায়, কোন কোন দেশের সাহায্যে ভারত

    গত পাঁচ বছরে ভারত বিশ্বের ১৫০টিরও বেশি দেশে মানবিক সহায়তা প্রদান করেছে। এর অংশ হিসেবে বিভিন্ন দেশে মেডিকেল কন্টিনজেন্ট ও র‍্যাপিড রেসপন্স টিম পাঠানো হয়েছে। ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে “ভ্যাকসিন মৈত্রী” (Vaccine Maitri) উদ্যোগের অধীনে ভারত ৯৯টি দেশ এবং রাষ্ট্রসঙ্ঘের দুটি সংস্থার কাছে ৩০.১২ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন সরবরাহ করেছে। অতিমারির সময় এ সহায়তা উদ্যোগ বৈশ্বিক পর্যায়ে ভারতের দায়িত্বশীল ভূমিকাকে তুলে ধরেছে।

    ২০২১ সালের জুলাই মাসে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক ‘র‍্যাপিড রেসপন্স সেল’ (Rapid Response Cell) গঠন করে, যা জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (NDMA), জাতীয় দুর্যোগ প্রতিকার বাহিনী (NDRF), সশস্ত্র বাহিনী, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ে কাজ করে। কোভিড-১৯-এর সময় শুরু হওয়া এই সেল এখন নানা ধরনের মানবিক ও দুর্যোগ সহায়তায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছে। কোয়াড (QUAD)-এর মতো প্ল্যাটফর্মেও ভারত দুর্যোগ মোকাবিলায় (Humanitarian Assistance and Disaster Relief) অংশ নিয়েছে।

    ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পের পরে ভারত “অপারেশন দোস্ত” (Operation Dost) চালু করে, যার আওতায় উদ্ধারকর্মী ও চিকিৎসা সহায়তা পাঠানো হয়। মায়ানমারে সাইক্লোন মোখার প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ভারত “অপারেশন করুণা” (Operation Karuna) শুরু করে। একইভাবে হন্ডুরাসে ট্রপিক্যাল স্টর্ম ‘সারা’-র প্রভাবে বিপর্যস্ত জনগণের জন্য ভারত ২৬ টন মানবিক সহায়তা পাঠায়। এছাড়াও, ভ্যাকসিন মৈত্রী উদ্যোগের শুরুতেই ভারত তার প্রতিবেশী দেশ ভুটান, নেপাল, মালদ্বীপ, সেশেলস, মরিশাস ও বাংলাদেশে টিকা সরবরাহ শুরু করে।

     

     

LinkedIn
Share