Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Karnataka Assembly Elections: কর্নাটকে সংরক্ষণ কোটায় বদল, বাদ পড়লেন মুসলিমরা

    Karnataka Assembly Elections: কর্নাটকে সংরক্ষণ কোটায় বদল, বাদ পড়লেন মুসলিমরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংরক্ষণ কোটায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনল কর্নাটকের বিজেপি (BJP) সরকার। মাসখানেক পরেই কর্নাটক বিধানসভার নির্বাচন (Karnataka Assembly Elections)। তার ঠিক আগেই রাজ্যে আসন সংরক্ষণ ৫০ থেকে বাড়িয়ে করা হল ৫৭ শতাংশ। তুলে নেওয়া হল মুসলমানদের জন্য বরাদ্দ ৪ শতাংশ কোটা। রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের জেরে এবার থেকে আর অনগ্রসর শ্রেণি হিসেবে সংরক্ষণের সুবিধা নিতে পারবেন না মুসলিমরা। কর্নাটকে অনগ্রসর শ্রেণির জন্য বরাদ্দ সংরক্ষণে এতদিন অন্তর্ভুক্ত ছিলেন রাজ্যের মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষও। কিন্তু শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই মুসলিমদের জন্য বরাদ্দ সংরক্ষণ প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করেন।

    সংরক্ষণের হার…

    মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর কর্নাটকে সংরক্ষণের হার গিয়ে ঠেকল ৫৭ শতাংশে। যদিও সুপ্রিম কোর্ট তা বেঁধে দিয়েছিল ৫০ শতাংশে। কর্নাটক সরকারকে সেই মতো সংরক্ষণের (Karnataka Assembly Elections) হার কমিয়ে ৫০ শতাংশ বা তার নীচে নিয়ে আসতে বলা হয়েছিল। সেই সংক্রান্ত একটি মামলাও ঝুলছে কর্নাটক হাইকোর্টে। আদালতের সেই রায়ের জন্য অপেক্ষা না করেই সংরক্ষণের হারে রদবদল ঘটাল কর্নাটক সরকার।  

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা। মন্ত্রিসভার শাখা কমিটি সংরক্ষণের বিভাগে রদবদল ঘটানোর সুপারিশ করেছিল। তা মেনে নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণিকে আপাতত অনগ্রসর শ্রেণি ও আরও অনগ্রসর শ্রেণি এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: DA: তোলা হল অনশন, বকেয়া ডিএ-র দাবিতে চলবে আন্দোলন, সাফ জানাল মঞ্চ

    জানা গিয়েছে, রদবদলের (Karnataka Assembly Elections) পর ভোক্কালিগাদের জন্য বরাদ্দ সংরক্ষণ বাড়িয়ে ৫ থেকে ৬ শতাংশ করা হয়েছে। পঞ্চমশালী, বীরশৈব এবং লিঙ্গায়েতদের ক্ষেত্রেও ৫ থেকে সংরক্ষণের হার বেড়ে হয়েছে ৭ শতাংশ। কর্নাটক সরকার তফশিলি জাতির জন্য সংরক্ষণ ১৫ থেকে বাড়িয়ে করেছে ১৭ শতাংশে। তফশিলি উপজাতিদের সংরক্ষণ ৩ থেকে বেড়ে হয়েছে ৭ শতাংশ।

    পুরাতন মহীশূরের ভোক্কালিকা সম্প্রদায়ের বিশ্বাস, অষ্টাদশ শতকে মহীশূরের শাসক টিপু সুলতানকে ব্রিটিশ বা মারাঠিরা হত্যা করেনি। তাদের দুই নেতা উরি গৌড়া ও নানজে গৌড়ার হাতেই মৃত্যু হয় টিপুর। ভোক্কালিগাদের সেই বিশ্বাসকে সমর্থন করেছে বিজেপিও। যদিও ইতিহাসবিদদের দাবি, উরি গৌড়া ও নানজে গৌড়া বলে বাস্তবে কেউ ছিলেন না, দুটিই কাল্পনিক চরিত্র।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purnesh Modi: চা-ওয়ালা থেকে বিজেপি বিধায়ক, চিনুন রাহুলের বিরুদ্ধে মামলাকারী পূর্ণেশকে

    Purnesh Modi: চা-ওয়ালা থেকে বিজেপি বিধায়ক, চিনুন রাহুলের বিরুদ্ধে মামলাকারী পূর্ণেশকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে তাঁর মিল অনেক। দুজনেরই পদবি মোদি। দুজনেই ছিলেন চা-ওয়ালা। প্রথম জন দেশের প্রধানমন্ত্রী। আর দ্বিতীয়জন পূর্ণেশ মোদি (Purnesh Modi) তাঁরই দল বিজেপির (BJP) একনিষ্ঠ সদস্য। এই পূর্ণেশই বিপাকে ফেলেছেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi)। তাঁর করা মামলায়ই গুজরাটের সুরাট আদালত রাহুলকে দু বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে। যার জেরে রাহুলকে খোয়াতে হয়েছে সাংসদ পদ। সুরাট আদালতের রায় উচ্চ আদালতেও বহাল থাকলে আগামী আট বছর কোনও নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না রাহুল। এবার জেনে নেওয়া যাক, পূর্ণেশের পরিচয়।

    পূর্ণেশ মোদি (Purnesh Modi)…

    ১৯৬৫ সালের ২২ অক্টোবর সুরাটে জন্মগ্রহণ করেছিলেন পূর্ণেশ (Purnesh Modi)। সুরাট পশ্চিমের বিধায়ক তিনি। দারিদ্রের কারণে এক সময় তিনি চা বিক্রি করতেন। করেছেন দিন মজুরির কাজও। বিকমের পাশাপাশি এলএলবিও পাশ করেছিলেন পূর্ণেশ। পেশায় আইনজীবী এই বিধায়ক এক সময় গুজরাট সরকারের মন্ত্রী ছিলেন। ২০১৩ সালে বিজেপি বিধায়ক কিশোর ভাই মারা যান। বিজেপি টিকিট দেয় পূর্ণেশকে। জয়ী হন তিনি। ২০১৭ সালে রেকর্ড ভোটে জিতে ফের বিধানসভায় পা রাখেন তিনি।

    এক সময় পূর্ণেশ বিজেপির বুথ কনেভেনার ছিলেন। হয়েছিলেন ওয়ার্ড প্রমুখও। সুরাট মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের বিজেপি কর্পোরেটরও ছিলেন। ছিলেন বিজেপির স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান। ২০১০ সাল থেকে পর পর দুটো টার্ম বিজেপির সুরাট ইউনিটের প্রধানও ছিলেন তিনি। নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে পূর্ণেশ নিজেকে গুজরাটের প্রাক্তন মন্ত্রী বলে পরিচয় দিয়েছেন।

    আরও পড়ুুন: শুভেন্দুর তোপ, মমতার আক্ষেপ! বগটুই নিয়ে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনের আগে কর্নাটকের এক জনসভায় রাহুল বলেছিলেন, সব চোরের পদবি কেন মোদি হয়। রাহুলের বক্তব্য নিয়ে হইচই হয় বিস্তর। রাহুলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেন পূর্ণেশ (Purnesh Modi)। শুনানির পরে রাহুলকে দু বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয় সুরাট আদালত। সঙ্গে করা হয় জরিমানাও। তবে ৩০ দিনের মধ্যে উচ্চ আদালতে আবেদন করার সুযোগও দেওয়া হয় রাহুলকে।

    এদিকে, দু বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ায় খারিজ হয়ে যায় রাহুলের সাংসদ পদ। সুরাট আদালতের রায় উচ্চ আদালতেও বহাল থাকলে আগামী আট বছরের জন্য তিনি কোনও নির্বাচনে প্রার্থীও হতে পারবেন না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Indian Army: ভারতীয় সেনার সামরিক প্রশিক্ষণের সময়ে ভুলবশত তিনটি ক্ষেপণাস্ত্রে বিস্ফোরণ

    Indian Army: ভারতীয় সেনার সামরিক প্রশিক্ষণের সময়ে ভুলবশত তিনটি ক্ষেপণাস্ত্রে বিস্ফোরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামরিক প্রশিক্ষণের সময়ে ভুলবশত তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র (Missile Misfired) ছুঁড়ল ভারতীয় সেনা (Indian Army)। ঘটনাটি ঘটেছে রাজস্থানের জয়সালমীরে। শুক্রবার পোখরান ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে মহড়া চলাকালীন প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে তিনটি সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল ‘ভুলবশত’ নিক্ষেপ করা হয় বলে সেনাসূত্রে খবর। 

    যান্ত্রিক ত্রুটিই দায়ী!

    সেনা (Indian Army) সূত্রে জানা গিয়েছে, ভুলবশত উৎক্ষেপণ হওয়া ওই ক্ষেপণাস্ত্রগুলির পাল্লা ১০ থেকে ২৫ কিলোমিটারের মধ্যে। তিনটি ক্ষেপণাস্ত্রই পাল্লার বাইরে গিয়ে বিভিন্ন গ্রামের ক্ষেতে আঘাত হেনে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটায়। যদিও এই ঘটনায় কোনও হতাহত বা কারও আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। হঠাৎ মিসাইল আছড়ে পড়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন গ্রামবাসীরা। বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতিতেই পোখরানের ফায়ারিং রেঞ্জ থেকে ওই মিসাইলের টেস্ট ফায়ারিং করা হচ্ছিল, কিন্তু যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে তা ভুলবশত উৎক্ষেপণ হয়।

    আরও পড়ুন: সেনার ইস্টার্ন কমান্ডের উদ্যোগে আয়োজিত হল বায়ুসেনা এবং স্থলসেনার যৌথ মহড়া

    তদন্ত চলছে

    প্রতিরক্ষা বিভাগের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল অমিতাভ শর্মা জানান, কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, তা জানার জন্য তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই যথাযথ পদক্ষেপ করা হবে। এদিকে প্রশাসন সূত্রে জাানা গিয়েছে, ভুলবশত উৎক্ষেপণ হওয়া তিনটি মিসাইলের মধ্যে দুটি উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও, তৃতীয় মিসাইলটির হদিস মেলেনি। পুলিশ ও সেনাবাহিনী (Indian Army) মিলিতভাবে ওই ‘নিখোঁজ’ তৃতীয় মিসাইল খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন। প্রতিবেশী দেশে ভুলবশত ওই মিসাইল পড়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নাচনার ডিএসপি কৈলাশ বিষ্ণোই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আজাসার গ্রামের একটি ক্ষেতে একটি ক্ষেপণাস্ত্র পাওয়া গিয়েছে। দ্বিতীয় ক্ষেপণাস্ত্রটি পাওয়া গিয়েছে অন্য একটি ক্ষেতে। ক্ষেপণাস্ত্রের বিস্ফোরণের কারণে ক্ষেত দু’টিতে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: ভারতীয় দূতাবাসে খালিস্তানপন্থীদের হামলা, মুখ খুললেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: ভারতীয় দূতাবাসে খালিস্তানপন্থীদের হামলা, মুখ খুললেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার লন্ডনে (London) ভারতীয় দূতাবাসে হামলা চালিয়েছিল খালিস্তানপন্থীরা। দূতাবাস থেকে নামিয়ে দিয়েছিল ভারতের (India) তেরঙ্গা পতাকা। এবার সেই ইস্যুতে মুখ খুললেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তিনি বলেন, দূতাবাসের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা দেশগুলির দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে তার প্রতিফলন ধরা পড়ছে না। লন্ডনের ঘটনাকে ভারত যে হালকাভাবে নিচ্ছে না, তা ধরা পড়েছে জয়শঙ্করের কথায়ই। তিনি বলেন, এই বিষয়ে (খালিস্তানপন্থীদের হামলার বিষয়ে) আমরা ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে কথা বলেছি।

    খালিস্তানপন্থী নেতা অমৃতপাল…

    প্রসঙ্গত, রবিবার খালিস্তানপন্থী নেতা অমৃতপাল সিংহের নামে স্লোগান দিয়ে বেশ কয়েকজন হামলা চালায় লন্ডনে ভারতীয় দূতাবাসে। দূতাবাস থেকে টেনে নামিয়ে দেওয়া হয় ভারতের জাতীয় পতাকা। লন্ডনের ওই ঘটনার পরে পরেই ভারতে নিযুক্ত ব্রিটিশ দূতকে জরুরি তলব করা হয়। চাওয়া হয় ব্যাখ্যাও। ব্রিটিশ প্রশাসনের তরফেও জানানো হয়, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত পদক্ষেপ করা হবে। ঘটনার জেরে শুক্রবারই বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি বলেছিলেন, ভারত আশ্বাস চায় না, চায় উপযুক্ত পদক্ষেপ। তারপর এদিন ভারতের তরফে প্রতিক্রিয়া দিলেন বিদেশমন্ত্রীও।

    লন্ডনে ভারতীয় দূতাবাসে হামলার ঘটনার পরে পরেই যানজটের (S Jaishankar) কারণ দেখিয়ে ভারতের ব্রিটিশ দূতাবাসের সামনে থেকে ব্যারিকেড সরিয়ে নেওয়া হয়। তার পর তড়িঘড়ি আঁটসাঁট করা হয় লন্ডনে ভারতীয় দূতাবাসের সামনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কেবল লন্ডন নয়, চলতি সপ্তাহেই খালিস্তানপন্থীরা হামলা চালিয়েছিল আমেরিকার সান ফ্রন্সিসকোয় অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসেও। ওই ঘটনার জেরে শুক্রবার ভারত ও আমেরিকার তরফে শান্তি মিছিল করা হয় সান ফ্রান্সিসকোয়, ভারতীয় দূতাবাসের সামনে। বহু মানুষ যোগ দিয়েছিলেন এদিনের শান্তি মিছিলে। তাঁদের হাতে ছিল ভারতের তিরঙ্গা পতাকা।

    আরও পড়ুুন: শুভেন্দুর তোপ, মমতার আক্ষেপ! বগটুই নিয়ে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি

    প্রসঙ্গত, গত রবিবারই খালিস্তানপন্থী একদল লোক সান ফ্রান্সিসকোয় ভারতীয় দূতাবাসে হামলা চালায়। খালিস্তানের পক্ষে স্লোগানও দিতে (S Jaishankar) থাকেন তাঁরা। কল্পিত খালিস্তানের দুটি পতাকাও তাঁরা টাঙিয়ে দেন দূতাবাসের সামনে। পরে অবশ্য ওই পতাকা দ্রুত সরিয়ে দেন দূতাবাসের দুই কর্মী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: নামে রয়েছে আরও মামলা! সাংসদ পদ খুইয়েছেন, আর কী কী খোয়াতে পারেন রাহুল?

    Rahul Gandhi: নামে রয়েছে আরও মামলা! সাংসদ পদ খুইয়েছেন, আর কী কী খোয়াতে পারেন রাহুল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি (Modi) পদবি নিয়ে কটাক্ষের জেরে দোষী সাব্যস্ত করে রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) দু বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে গুজরাটের (Gujarat) সুরাটের একটি আদালত। তার জেরে খারিজ হয়ে গিয়েছে রাহুলের সাংসদ পদ। উচ্চ আদালতে আবেদন করার জন্য রাহুলকে ৩০ দিন সময়ও দিয়েছে আদালত। নিম্ন আদালতের রায় যদি উচ্চ আদালতেও বহাল থাকে তবে সরকারি বাংলো থেকেও বঞ্চিত হতে হবে এই কংগ্রেস নেতাকে। এদিকে, রাহুলের সাংসদ পদ খারিজ হয়ে যাওয়ায় তাঁর লোকসভা কেন্দ্র কেরালার ওয়েনাড আসনটি ফাঁকা হয়ে গিয়েছে। নির্বাচন কমিশন চাইলে ওই আসনে উপনির্বাচন হতে পারে। তবে আগামী আট বছরের জন্য প্রার্থী হতে পারবেন না কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি।

    রাহুলের (Rahul Gandhi) বিরুদ্ধে মামলার খতিয়ান…

    রাহুলের (Rahul Gandhi) বিরুদ্ধে এই প্রথম নয়, এর আগেও দেশের বিভিন্ন রাজ্যে দায়ের হয়েছে একাধিক মামলা। মানহানির মামলায় ২০১৯ সালে পাটনার একটি আদালত থেকে জামিন পান রাহুল। সেখানেও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, জনসভায় দাঁড়িয়ে তিনি জনতাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, মোদি পদবি হলেই সেই ব্যক্তি চোর হয়? ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে নোটবন্দির সময় আমেদাবাদের জেলা সমবায় ব্যাঙ্ক বেআইনি নোট বদলিতে যুক্ত বলে অভিযোগ করেছিলেন রাহুল। তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন ওই ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। আমেদাবাদের একটি আদালত জামিন দেয় কংগ্রেস নেতাকে।

    আরও পড়ুুন: শুভেন্দুর তোপ, মমতার আক্ষেপ! বগটুই নিয়ে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি

    সাংবাদিক গৌরী লঙ্কেশ খুনের ঘটনাকে বিজেপি-আরএসএস মতাদর্শের সঙ্গে যুক্ত করেছিলেন রাহুল। তার জেরে আরএসএসের তরফে দায়ের করা হয় মানহানির মামলা। পরে মুম্বইয়ের একটি আদালত জামিন মঞ্জুর করে রাহুলের। ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে অসমের বরপেটা সাঁতরায় ঢুকতে আরএসএস তাঁকে বাধা দিয়েছিল বলে অভিযোগ করেছিলেন রাহুল (Rahul Gandhi)। ওই ঘটনার জেরে তাঁর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করে আরএসএস। ২০১৬ সালে গুয়াহাটির একটি আদালত ওই মামলায় জামিন দেয় রাহুলকে।

    রাহুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি বলেছিলেন, মহাত্মা গান্ধীকে খুন করেছিল আরএসএস। তার জেরে দায়ের হয় মামলা। সেই মামলায় জামিন মঞ্জুর করে মহারাষ্ট্রের ভিওয়ান্ডির একটি আদালত। রাহুলকে আদালতে স্বপক্ষ প্রমাণের নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। রাহুলের বিরুদ্ধে রয়েছে ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলাও। মামলাটি করেছিলেন বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। ওই মামলায় জামিনে মুক্ত রয়েছেন রাহুল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Supreme Court: করোনা আবহে মুক্তি পাওয়া বন্দিদের আত্মসমর্পণের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: করোনা আবহে মুক্তি পাওয়া বন্দিদের আত্মসমর্পণের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা (Covid 19) সংক্রমণ ঠেকাতে শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল আসামি ও বিচারাধীন বন্দিদের একাংশকে। ১৫ দিনের মধ্যে তাঁদের আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শুক্রবার এই নির্দেশ দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। ভিড় থেকে ছড়ায় করোনা সংক্রমণ। তাই ভিড় কমাতে ও করোনা আবহে জেলগুলিকে সুরক্ষিত রাখতে দোষী সাব্যস্ত ও বিচারাধীন বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। মুক্তির নির্দেশ দিয়েছিল দেশের শীর্ষ আদালত। পরে চোখ রাঙানি কমে মারণ ভাইরাস করোনার। পরিস্থিতি বর্তমানে বেশ স্বাভাবিক।

    সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশ…

    এমতাবস্থায় বন্দিদের ফের আত্মসমর্পণ করার কথা ঘোষণা করল দেশের শীর্ষ আদালাত। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তাঁদের আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিন বিচারপতি এমআর শাহ ও সিটি রবিকুমারের বেঞ্চের নির্দেশ, যে বিচারাধীন বন্দিদের কোভিড আবহে জরুরি ভিত্তিতে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল, তাঁদের আত্মসমর্পণ করতে হবে। আত্মসমর্পণের পর তাঁরা আদালতে গিয়ে জামিনের আবেদন করতে পারবেন বলেও জানিয়েছে আদালত। প্রসঙ্গত, অতিমারি পরিস্থিতিতে যে দোষী সাব্যস্ত ও বিচারাধীন বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হয়েছিল, তাঁদের বেশিরভাগই গুরুতর কোনও অপরাধে জেলবন্দি ছিলেন না। সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশ অনুযায়ী নির্দিষ্ট কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বিভিন্ন রাজ্যের জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল ওই বন্দিদের।

    আরও পড়ুুন: আর সাংসদ নন রাহুল গান্ধী! লোকসভার সদস্যপদ খারিজ করলেন স্পিকার ওম বিড়লা

    গোটা বিশ্বের মতো ভারতেও থাবা বসিয়েছিল করোনা। করোনা সংক্রমণের জেরে অকালে প্রাণ হারান কয়েক লক্ষ মানুষ। সংক্রমণের বাড়বাড়ন্ত রুখতে মাস্ক পরা, দূরত্ব বজায় রাখা সহ একাধিক বিধিনিষেধ জারি করে কেন্দ্র। করোনা হানা দেয় সুপ্রিম কোর্টেও। দেশের শীর্ষ আদালতের বেশ কয়েকজন বিচারপতি ও প্রায় দুশো কর্মী সংক্রমিত হন করোনায়। পরে ভার্চুয়াল শুনানির ব্যবস্থা করা হয় সুপ্রিম কোর্টের তরফে। বেশ কয়েক মাস ধরে হয়েছে ভার্চুয়াল শুনানি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর চালু হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) স্বাভাবিক কাজকর্মও। দেশের করোনা পরিস্থিতি যখন ভয়ঙ্কর আকার নিয়েছিল, তখনই বিচারাধীন বন্দি ও দোষী সাব্যস্ত বন্দিদের শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল দেশের শীর্ষ আদালত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Amritpal Singh: আন্দোলনের টাকা জোগাড় করতে  সেক্স চ্যাটের ফাঁদ পেতেছিলেন অমৃতপাল?

    Amritpal Singh: আন্দোলনের টাকা জোগাড় করতে  সেক্স চ্যাটের ফাঁদ পেতেছিলেন অমৃতপাল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুণের শেষ নেই পলাতক খালিস্তানপন্থী (Khalistani) নেতা অমৃতপাল সিংহের (Amritpal Singh)! আন্দোলনের টাকা জোগাড় করতে সেক্স চ্যাটের ফাঁদ পেতেছিলেন পঞ্জাব (Punjab) ওয়ারিস দে সুপ্রিমো। অন্তত পুলিশের দাবি তেমনই। ইতিমধ্যেই স্বঘোষিত ওই শিখ ধর্মগুরুর কিছু ফোন চ্যাটিং ও ভয়েস নোটের সন্ধান পেয়েছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, সেক্স চ্যাট করতে একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতেন অমৃতপাল।

    অমৃতপাল সিংহের (Amritpal Singh) গুণপনা…

    তদন্তকারীদের কথায়, বিবাহিত কিংবা অবিবাহিত মহিলাদের সঙ্গে প্রেমের অভিনয়ে সিদ্ধহস্ত ছিলেন খালিস্তানপন্থী ওই নেতা। নতুন কোনও মহিলার সঙ্গে আলাপ হলেই, যৌন উত্তেজক কথাবার্তা শুরু করে দিতেন তিনি (Amritpal Singh)। পঞ্জাব পুলিশের এক আধিকারিক জানান, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অমৃতপালের পাতা ফাঁদে পা দিতেন মহিলারা। সেক্স চ্যাট শুরু হলেই সেগুলি রেকর্ড করা হত। পরে সেগুলি দেখিয়েই ব্ল্যাকমেইলিংয়ের মাধ্যমে টাকা আদায় করতেন তিনি। বেশি টাকা পেতে অনেক সময় অশ্লীল ভিডিও বা সুপার ইম্পোজ করা ভিডিও-ও ব্যবহার করতেন অমৃতপাল।

    পঞ্জাব পুলিশের এক শীর্ষ কর্তা বলেন, ইন্সটাগ্রামে আমরা যে ধরনের চ্যাটিং পেয়েছি, তা রীতিমতো চমকে দেওয়ার মতো। একজন মহিলাকে অমৃতপাল লিখেছে, আমাদের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক তাহলে পাকা হল? মধুচন্দ্রিমায় আমরা দুবাইতে যাব। জানা গিয়েছে, অমৃতপালের বিভিন্ন ডেরা থেকে উদ্ধার হওয়া একাধিক মোবাইল ফোনে এরকম প্রায় ১২টি ভয়েস নোটের হদিশ মিলেছে। ফোনের ইনবক্সেও মিলেছে সেক্স চ্যাটের হদিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, সেক্স চ্যাটের ক্ষেত্রে অমৃতপাল যেমন টার্গেট করতেন বিবাহিত মহিলাদের, তেমনি অবিবাহিত মহিলারাও ছিলেন তাঁর নজরে। অতিরিক্ত টাকা পেতেই এসব করা হত বলে অনুমান পুলিশ কর্তাদের।

    আরও পড়ুুন: আর সাংসদ নন রাহুল গান্ধী! লোকসভার সদস্যপদ খারিজ করলেন স্পিকার ওম বিড়লা

    পঞ্জাব পুলিশের ইনসপেক্টর জেনারেল (হেডকোয়ার্টারস) সুখচাঁইন সিংহ গিল বলেন, তাজিন্দির সিংহ গিলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং তাঁর মোবাইলে আসা বিভিন্ন মেসেজ থেকে জানা গিয়েছে অনেক কিছুই। এটাও জানা গিয়েছে, অমৃতপালরা (Amritpal Singh) দেশ-বিরোধী কাজকর্মে লিপ্ত ছিল। প্রসঙ্গত, তাজিন্দর হলেন অমৃতপালের ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী। পুলিশের ওই কর্তা বলেন, কিছু ভিডিও উদ্ধার হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, জুল্লুপুর খেরা এলাকায় অমৃতপালরা গুলি চালনা অনুশীলন করছে। অমৃতপালের ডেরা থেকে উদ্ধার হওয়া কিছু ফুটেজ ও ছবি থেকে এটাও জানা গিয়েছে, তারা আনন্দপুর খালসা ফৌজের হলোগ্রামও তৈরি করেছে। অস্ত্রশস্ত্র লোডিং-আনলোডিংয়ের ভিডিও-ও পাওয়া গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: আর সাংসদ নন রাহুল গান্ধী! লোকসভার সদস্যপদ খারিজ করলেন স্পিকার ওম বিড়লা

    Rahul Gandhi: আর সাংসদ নন রাহুল গান্ধী! লোকসভার সদস্যপদ খারিজ করলেন স্পিকার ওম বিড়লা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) সাংসদ পদ খারিজ। শুক্রবার লোকসভা সচিবালয়ের তরফে জানানো হল এ খবর। মোদি (Modi) পদবি নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের দায়ে দু বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয় রাহুলকে। তার জেরে বাতিল হল তাঁর সাংসদ পদ। রাহুলের সাংসদ পদ খারিজ করলেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা।  প্রসঙ্গত, মোদি পদবি নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের দায়ে বৃহস্পতিবারই কংগ্রেস (Congress) নেতাকে দু বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল গুজরাটের সুরাট জেলা আদালত। তার জেরে সংবিধানের ১০২(১)-ই অনুচ্ছেদ ও জনপ্রতিনিধিত্ব আইন (১৯৫১)-র ৮ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী খারিজ করা হল রাহুলের সাংসদ পদ।

    রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) বলেছিলেন…

    ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের আগে কর্নাটকের কোলারে কংগ্রেস আয়োজিত এক জনসভায় মোদি পদবি নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন রাহুল গান্ধী। তিনি বলেছিলেন, সব চোরদের পদবি মোদি কেন। তার জেরে অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি নেতা তথা গুজরাটের প্রাক্তন মন্ত্রী পূর্ণেশ মোদি। বৃহস্পতিবার রাহুলের বিরুদ্ধে দায়ের করা ফৌজদারি মানহানি মামলায় রায় দেয় সুরাট আদালত। রাহুলকে দোষী সাব্যস্ত করে দু বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি ১৫ হাজার টাকা জরিমানা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়। উচ্চ আদালতে আবেদনের জন্য তাঁকে ৩০ দিনের সময়ও দেওয়া হয়েছে। এদিকে, সাজা ঘোষণার পরপরই জামিন পেয়ে যান রাহুল। আদালতের রায়কে স্বাগত জানান সুরাটের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী দর্শনা জারদোশ। তিনি বলেন, রাহুল গান্ধীর মন্তব্যে কেবল সুরাটেই নয়, গুজরাটের পুরো ওবিসি সম্প্রদায়ের মধ্যেই ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছিল।  

    আরও পড়ুুন: বিজেপির উদ্যোগে রমজান মাসেই বেরোবে মোদির ‘মন কি বাত’-এর উর্দু সংকলন

    প্রসঙ্গত, আইন অনুযায়ী, কোনও জনপ্রতিনিধি যদি দুই বা তার অধিক বছরের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন, তবে ততক্ষণাৎ তাঁর পদ খারিজ হয়ে যাবে। সেই যুক্তিতেই খারিজ হয়ে গিয়েছে রাহুলের সাংসদ পদ। ওই আইন অনুযায়ী, আগামী ৬ বছর রাহুল কোনও ভোটেও লড়তে পারবেন না।

    রাহুলের সাংসদ পদ খারিজ হতেই খেপে গিয়েছে কংগ্রেস। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপপ্রয়োগের অভিযোগ তুলে আন্দোলনে নেমেছে সোনিয়া গান্ধীর দল। এদিনই দলের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে ১২টি বিরোধী দলের নেতার সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে বাম, জেডি (ইউ) এবং ডিএমকের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন আম আদমি পার্টির প্রতিনিধিও। বৈঠক শেষে সংসদ ভবন থেকে মিছিল করে তাঁরা যান রাষ্ট্রপতি ভবনে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mann Ki Baat: বিজেপির উদ্যোগে রমজান মাসেই বেরোবে মোদির ‘মন কি বাত’-এর উর্দু সংকলন

    Mann Ki Baat: বিজেপির উদ্যোগে রমজান মাসেই বেরোবে মোদির ‘মন কি বাত’-এর উর্দু সংকলন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিংহভাগ দেশবাসীর চোখের মণি তিনি। মুসলিম সমাজেও রয়েছে তাঁর তুঙ্গ জনপ্রিয়তা। এসব কথা মাথায় রেখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) মন কি বাত (Mann Ki Baat) রেডিও অনুষ্ঠানের ভাষণ নিয়ে উর্দু ভাষায় লেখা দেড়শো পাতার বই প্রকাশ করছে উত্তর প্রদেশের বিজেপি (BJP)। শুক্রবারই শুরু হয়েছে রমজান মাস। পবিত্র ইদ পালিত হবে এ মাসেই। সেই কারণেই বই প্রকাশের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে পবিত্র এই মাসটিকেই। বইটিতে মন কি বাত-এর বাছাই করা ১২টি ভাষণ লিপিবদ্ধ হবে। প্রতিটি ভাষণেই রয়েছে মুসলিম সমাজের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর ভাবনার কথা। নাম ‘ওয়াজির-এ-আজম জনাব নরেন্দ্র মোদি কে মন কি বাত’। উর্দু ভাষায় ওয়াজির-এ-আজম শব্দের অর্থ হল প্রধানমন্ত্রী।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মন কি বাত (Mann Ki Baat)…

    ‘বিজেপি মুসলিম বিরোধী’— কৌশলে এই তত্ত্ব প্রচার করেছেন বিরোধীরা। তার জেরে মুসলিমদের একাংশ ভুল বুঝছেন পদ্ম শিবিরকে। মুসলিমদের এই অংশের মন পেতে গেরুয়া শিবিরের নেতা-মন্ত্রীরা মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় যাতায়াত বাড়িয়ে দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীও দলকে সব ধর্মের গরিব মানুষের মধ্যে দলের প্রভাব বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সেই নির্দেশ মেনে দরিদ্রতম মুসলমানদের নিয়ে সম্মেলনও করেছে বিজেপির উত্তর প্রদেশ শাখা। দেশের মুসলমান সমাজের উন্নতিকল্পে গুচ্ছ উন্নয়ন ভাবনার কথা প্রকাশ্যে এসেছে প্রধানমন্ত্রীর মন কি বাত-এর (Mann Ki Baat) বিভিন্ন পর্বে।

    আরও পড়ুুন: মমতার পাল্টা ধর্নায় বিজেপি, পঞ্চায়েত ভোটের আগে রয়েছে গুচ্ছ কর্মসূচিও

    রেডিওয় শোনা সেই ভাষণগুলিকেই দুই মলাটের মধ্যে আনার পরিকল্পনা করেছে যোগী আদিত্যনাথের রাজ্যের বিজেপি। উত্তর প্রদেশে লোকসভার আসন রয়েছে ৮০টি। প্রতিটি লোকসভা কেন্দ্রেই বিলি করা হবে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ সম্বলিত সেই বই। রমজান মাসেই বড় করে অনুষ্ঠান করে প্রকাশ করা হবে ‘ওয়াজির-এ-আজম জনাব নরেন্দ্র মোদি কে মন কি বাত’। ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচন। চারশোরও বেশি আসনের টার্গেট নিয়েছেন বিজেপির ভোট ম্যানেজাররা। যেহেতু উত্তর প্রদেশে লোকসভার আসন সব চেয়ে বেশি, তাই এই রাজ্যকেই পাখির চোখ করেছেন বিজেপি নেতৃত্ব। সেই কারণেই সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছতে চাইছে পদ্ম শিবির। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, সেই কারণেই প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ সম্বলিত বই (Mann Ki Baat) প্রকাশের পরিকল্পনা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Death Penalty in India: মৃত্যুদণ্ড তাদেরই দেওয়া হোক, যাদের সংশোধনের সুযোগ নেই, পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের

    Death Penalty in India: মৃত্যুদণ্ড তাদেরই দেওয়া হোক, যাদের সংশোধনের সুযোগ নেই, পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মৃত্যুদণ্ড (Death Penalty in India ) কেবল সেই সব দোষীকেই দেওয়া হোক, যাদের সংশোধনের কোনও সম্ভাবনাই নেই। পর্যবেক্ষণে এমনই জানাল সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের (D Y Chandrachud) নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে সুন্দররাজন নামক এক ব্যক্তিকে দেওয়া প্রাণদণ্ডের আদেশ মকুব করে দেশের শীর্ষ আদালত। এই মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আরও পর্যবেক্ষণ, প্রয়োজনে কেন্দ্রের উচিত কম বেদনাদায়ক ও মর্যাদাপূর্ণ কোনও উপায়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা।

    মৃত্যুদণ্ড (Death Penalty in India )…

    ফাঁসি দিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করাই কি সব থেকে কম যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সেরা উপায়? বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখুক কেন্দ্র। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি অ্যাটর্নি জেনারেল বেঙ্কটরামানিকে এমনই পরামর্শ দিয়েছে শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। এই মর্মেই সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ ছিল, মৃত্যুর মধ্যে যেন মর্যাদা থাকে, যতটা সম্ভব কম বেদনাদায়ক হতে হবে মৃত্যু। প্রধান বিচারপতি জানিয়েছিলেন, কেন্দ্রীয় সরকার যদি নিজেরা পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে অপারগ হয়, তাহলে সুপ্রিম কোর্টের তরফে তাঁরা একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে দেবেন, যেখানে রাখা হতে পারে এইমসের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, জাতীয় আইন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তি ও বিজ্ঞানীদের।

    আরও পড়ুুন: ‘এই চোর পার্থ’! স্লোগানের পাশাপাশি সাসপেন্ডেড তৃণমূল নেতার ফাঁসিও চাইল জনতা

    এ প্রসঙ্গে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে প্রধান বিচারপতি বলেন, ফাঁসিতে মৃত্যুর (Death Penalty in India) প্রভাব, কতটা পরিমাণ ব্যথা হয়, মৃত্যু হতে কতক্ষণ সময় লাগে -এই সব বিষয়ে আমাদের কাছে সম্পূর্ণ তথ্য তুলে ধরুন। আজ বিজ্ঞান যেখানে দাঁড়িয়ে আছে, সেখানে ফাঁসির মাধ্যমে মৃত্যুই কি সব থেকে কম যন্ত্রণাদায়ক মৃত্যুর পন্থা না কি এর থেকে কম যন্ত্রণার মৃত্যুও সম্ভব, যেখানে পূর্ণ মাত্রায় মর্যাদা রক্ষার দিকটি সুরক্ষিত থাকবে? জানান আমাদের।

    প্রসঙ্গত, এই মামলায় দোষী সুন্দররাজন সাত বছর বয়সি এক শিশুকে অপহরণ করে খুন করেছিল। সেই মামলায় ২০০৯ সালে তাকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা শোনানো হয়। ২০১৩ সালে শীর্ষ আদালতে ফাঁসির মকুবের আর্জি জানিয়ে মামলা করেছিল সুন্দররাজন। তবে ফাঁসির আদেশ বহাল রেখেছিল উচ্চ আদালত। এর পাশাপাশি জেলে সুন্দররাজনের আচরণ সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট পেশ করতে বলেছিল আদালত। এই মর্মে কাম্মাপুরম থানার উদ্দেশে একটি নোটিশও জারি করা হয়েছিল। ২০১৮ সালে নতুন করে সুন্দররাজনের রিভিউ পিটিশন শোনে সুপ্রিম কোর্ট। সেই মামলার শুনানি শেষে সুপ্রিম কোর্ট দেখে, ২০০৯ সালের ঘটনার আগে দোষীর কোনও অপরাধমূলক (Death Penalty in India) কর্মকাণ্ডের রেকর্ড নেই। এই আবহে শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, এই দোষীর সংশোধনের সুযোগ রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ

     

LinkedIn
Share