Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Covid 19: ৩ বছর পর কোভিড নিয়ে সুখবর! ভারতের করোনাগ্রাফে রেকর্ড পতন

    Covid 19: ৩ বছর পর কোভিড নিয়ে সুখবর! ভারতের করোনাগ্রাফে রেকর্ড পতন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৩ বছর পর করোনা নিয়ে স্বস্তির খবর পাওয়া গেল। সারা বিশ্বে যখন করোনার প্রকোপ কিছুটা কমেছে, তখন চিনে এর দাপট বেড়েই চলেছে। ফলে ভারতেও কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে করোনা নিয়ে বিশেষ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তারই মধ্যে এল খুশির খবর। অবশেষে ২০২৩-এর ১৭ জানুয়ারি এখনও অবধি সবথেকে কম সংখ্যক করোনা আক্রান্ত হল এদেশে। ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় মাত্র ৮৯টি নতুন করোনাভাইরাস সংক্রমণ নথিভুক্ত হয়েছে, যা ২৭ মার্চ, ২০২০-এর পর থেকে সর্বনিম্ন। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুসারে এমনটাই বলছে দেশের করোনাগ্রাফ।

    ৩ বছর পর ভারতের করোনার গ্রাফে রেকর্ড পতন

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, এর আগে এত কম করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা হয়নি। ৭ মার্চ, ২০২০ থেকে এখনও পর্যন্ত সর্বনিম্ন বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক সূত্রে খবর, ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় মাত্র ৮৯টি নতুন করোনা সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। যা ২০২০ সালের পর থেকে সর্বনিম্ন বলেই খবর। ফলে চিনে করোনার ভ্যারিয়েন্ট বিএফ.৭-এর দাপটের মাঝেই করোনাগ্রাফে এই সর্বনিম্ন পতনে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন দেশবাসী।

    আরও পড়ুন: নাক বন্ধ? হতে পারে করোনা! নতুন কোভিড উপসর্গগুলো জানেন?

    মঙ্গলবার দেশে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমে হয়েছে ২,০৩৫। অন্যদিকে, সুস্থতার হার প্রায় ৯৮ শতাংশের আশেপাশে। এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৪ কোটি ৪১ লক্ষ ৪৮ হাজার ৪৭২ জন। সারা দেশে মোট কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা এখনও অবধি ৪.৪৬ কোটি। সারা দেশে মোট কোভিডে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৩০ হাজারের কিছু বেশি।

    ১০২৭ দিন পর দিল্লিতে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা শূন্য

    প্রায় ৩ বছর বা ১০২৭ দিন পর গতকাল, ১৬ জানুয়ারি রাজধানী দিল্লিতে করোনায় কেউ আক্রান্ত হননি। ২০২০ সালের ২৪ মার্চ দিল্লিতে শেষবারের মত কোনও কোভিড কেস দেখা যায়নি। আর আজ এমন ঘটনা ঘটল। প্রসঙ্গত, এর আগে দিল্লিতে প্রায় ২৬,৫০০-এর বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। সেখানে দেখা গিয়েছে, গতকাল নতুন করে কোনও করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দেখা যায়নি। আবার কেউ কোভিডে মারাও যাননি গতকাল। ফলে দিল্লিবাসীর জন্যও এটি একটি স্বস্তির খবর।  

  • OXFAM: ভারতের এক শতাংশ মানুষের হাতে রয়েছে ৪০ শতাংশ সম্পদ!

    OXFAM: ভারতের এক শতাংশ মানুষের হাতে রয়েছে ৪০ শতাংশ সম্পদ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (India) মোট সম্পদের ৪০ শতাংশ অধিকারে রয়েছে মাত্র ১ শতাংশ মানুষের হাতে। জনসংখ্যার নীচের অর্ধেকের অধিকারে রয়েছে মাত্র ৩ শতাংশ সম্পদ। সোমবার এক সমীক্ষায় এই তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। দাভোসে ওর্য়াল্ড ইকোনোমিক ফোরামের অ্যানুয়াল মিটিংয়ের প্রথম দিনে অক্সফ্যাম (OXFAM) ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, ভারতের ১০ জন ধনীতম ব্যক্তির সম্পদ দিয়ে এ দেশের সমস্ত শিশুকে স্কুলে ফিরিয়ে আনা যেতে পারে।

    রিপোর্ট…

    ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত এই সময়ে গৌতম আদানির কাছ থেকে এককালীন কর আদায় করলে সরকারের কোষাগারে আসতে পারত ১.৭৯ লক্ষ কোটি টাকা। এই পরিমাণ অর্থ দিয়ে এক বছরের জন্য ৫০ লক্ষের বেশি প্রাথমিক শিক্ষকের বেতন দেওয়া যেত। প্রকাশিত রিপোর্টটির শিরোনাম সার্ভাইভাল অফ দ্য রিচেস্ট। রিপোর্টে বলা হয়েছে, যদি ভারতের বিলিয়নিয়ারদের মোট সম্পদের ওপর দুই শতাংশ কর ধার্য করা হত, তাহলে তার পরিমাণ দাঁড়াত ৪০ হাজার ৪২৩ কোটি টাকা। যে টাকায় আগামী তিন বছর ধরে দেশের অপুষ্টিতে ভোগা মানুষকে পুষ্টিকর খাবার দেওয়া যেত।ওই রিপোর্ট (OXFAM) থেকেই জানা গিয়েছে, দেশের দশজন বিলিয়নিয়ারের এককালীন পাঁচ শতাংশ কর ধার্য হলে তা হত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের ২০২২-২৩ অর্থবর্ষের বরাদ্দের চেয়ে দেড় গুণ বেশি। এই অর্থবর্ষে আয়ুষ মন্ত্রকের চেয়েও তা ঢের বেশি। প্রসঙ্গত, এই অর্থবর্ষে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের বরাদ্দ ৮৬ হাজার ২০০ কোটি টাকা। আর আয়ুষের বরাদ্দ ৩ হাজার ৫০ কোটি টাকা।

    ভারতে লিঙ্গ বৈষম্য যে এখনও প্রবল, রিপোর্টে (OXFAM) উল্লেখ করা হয়েছে তাও। বলা হয়েছে, ভারতের পুরুষ কর্মীরা যেখানে এক টাকা রোজগার করেন, সেখানে মহিলাদের আয় ৬৩ পয়সা। তফশিলি জাতির কোনও কর্মীর আয় ৫৫ পয়সা। আর গ্রামীণ কোন কর্মীর আয় শহরের কর্মীদের ২০১৮-’১৯ সালের আয়ের অর্ধেক। অক্সফ্যামের ভারতের সিইও অমিতাভ বেহার বলেন, দেশের দলিত, আদিবাসী, মুসলমান, মহিলা এবং অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকরা এই সিস্টেমে ভুগতেই আছেন, যে সিস্টেমে ধনীতমদের অস্তিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছে।

     

  • BJP National Executive: বিজেপির সভাপতি পদে বহাল রইলেন নাড্ডাই, শাহি ঘোষণার কারণ জানেন?  

    BJP National Executive: বিজেপির সভাপতি পদে বহাল রইলেন নাড্ডাই, শাহি ঘোষণার কারণ জানেন?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের জেপি নাড্ডার (JP Nadda) ওপরই ভরসা রাখল গেরুয়া শিবির। মঙ্গলবার ভারতীয় জনতা পার্টির জাতীয় সভাপতি হিসেবে বাড়ানো হল নাড্ডার মেয়াদ। আগামী বছর দেশে সাধারণ নির্বাচন। এই সময় পর্যন্ত নাড্ডাই থাকছেন বিজেপির সভাপতি। বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) ঘোষণা, ভারতীয় জনতা পার্টির জাতীয় সভাপতি হিসেবে জেপি নাড্ডার মেয়াদ ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এদিন জাতীয় কর্মসমিতির (BJP National Executive) বৈঠকে শাহ বলেন, জেপি নাড্ডার নেতৃত্বে বিহারে আমাদের সর্বোচ্চ স্ট্রাইক রেট ছিল। এনডিএ মহারাষ্ট্রে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে, উত্তর প্রদেশে জিতেছে এবং পশ্চিমবঙ্গে আমাদের সংখ্যা বেড়ছে। তিনি বলেন, আমরা গুজরাটেও জয় পেয়েছি। নাড্ডার নেতৃত্বে ১২০টি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে বিজেপি জয়ী হয়েছে ৭৩টি আসনে।

    মোদিজির নেতৃত্বে…

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমি নিশ্চিত যে মোদিজির নেতৃত্বে এবং নাড্ডাজির সঙ্গে আমরা ২০২৪ সালের নির্বাচনে ২০১৯ এর তুলনায় বেশি আসনে জিতব। প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ২০ জানুয়ারি তিন বছরের জন্য সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন নাড্ডা। এর পর এদিন ফের বাড়ানো হল তাঁর কার্যকালের মেয়াদ। এদিকে, চলতি বছর ৯টি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা। এই ৯টি রাজ্যেই জিততে হবে বিজেপিকে। সোমবার বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির (BJP National Executive) বৈঠকে এই সুরই বেঁধে দিলেন বিজেপির সভাপতি জেপি নাড্ডা (BJP National Executive)। এদিনের বৈঠকে তিনি বলেন, এখন থেকেই ঝাঁপিয়ে পড়ুন বিধানসভা নির্বাচনের জন্য। ৯টি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনেই আমাদের জয়ী হতে হবে। এদিন পাশ হয়েছে রাজনৈতিক প্রস্তাব। নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিশ্ব দরবারে ভারতের মুখ উজ্জ্বল হয়েছে বলে তাতে বলা হয়েছে। যদিও বিরোধীরা সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিরন্তর আক্রমণ করে চলেছেন, তা সত্ত্বেও।

    নাড্ডার নির্দেশ, দলের সব নেতানেত্রীকে কোমর বেঁধে নামতে হবে। যাতে ৯টি রাজ্যেই জয়ী হয় বিজেপি। তাহলে চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে হ্যাটট্রিকের রাস্তা আরও মসৃণ হবে। নাড্ডা বলেন, বাইশে গুজরাটে যেভাবে বিপুল আসনে বিজেপি জয়ী হয়েছে, সেই মডেলে বাকি রাজ্যগুলিতে ভোট করাতে হবে কর্মীদের (BJP National Executive)। ঐতিহাসিক জয় চাই। প্রসঙ্গত, যে ৯টি রাজ্যে জয় চাইছেন বিজেপি নেতৃত্ব, সেই রাজ্যগুলির মধ্যে মধ্যপ্রদেশ, কর্নাটক এবং ত্রিপুরায় বিজেপির সরকারই রয়েছে। নাগাল্যান্ড ও মেঘালয়ে রয়েছে জোট সরকার।

  • TB Vaccine: ২০২৫ সালের মধ্যে বিশ্বকে যক্ষ্মামুক্ত করার লক্ষ্যে এগোচ্ছে ভারত, জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    TB Vaccine: ২০২৫ সালের মধ্যে বিশ্বকে যক্ষ্মামুক্ত করার লক্ষ্যে এগোচ্ছে ভারত, জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ২০২৫- এর মধ্যে গোটা বিশ্বকে যক্ষ্মামুক্ত (TB Vaccine) করার পরিকল্পনা করেছে। মঙ্গলবার এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য। তিনি আরও বলেন, ভারত গবেষণার জন্যে সম্পূর্নভাবে প্রস্তুত। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সভা ২০২৩-এ ‘এন্ডিং যক্ষ্মা’ বিষয়ক একটি অধিবেশনে ভাষণ দিতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, “যেমন টিকাগুলি কোভিডের বিরুদ্ধে যুদ্ধে একটি গেম-চেঞ্জার হয়ে দাঁড়িয়েছিল, ২০২৫ সালের মধ্যে একটি নতুন টিবি টিকা অনুমোদন করার আন্তর্জাতিক পরিকল্পনা রয়েছে। যক্ষ্মা আক্রান্ত দেশগুলিতে এই টিকা প্রাপ্তবয়স্ক এবং কিশোর-কিশোরীদের জন্য উপলব্ধ হবে।” তিনি আরও বলেন, “ভারত এই টিকা প্রস্তুত করার জন্যে সম্পূর্নভাবে তৈরি। আরও উন্নত টিকা তৈরি করা হবে।”

    কী বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী? 

    প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে বিশ্বজুড়ে ১৬ লক্ষ মানুষ যক্ষ্মায় (TB Vaccine)  প্রাণ হারান। করোনার আগেই এই রোগেই সবথেকে বেশি মৃত্যু হয়। মাণ্ডব্য বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারত বিশ্বব্যাপী যক্ষ্মা রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অগ্রভাগে রয়েছে।

    কেন্দ্রীয়মন্ত্রী বলেন, “‘স্টপ টিবি (TB Vaccine) পার্টনারশিপ বোর্ড’-এর চেয়ারম্যান হিসেবে বিশ্বব্যাপী টিবি ব্যবস্থাপনার চেষ্টায় আমার অতিরিক্ত দায়িত্ব রয়েছে।”

    তিনি আরও বলেন, টিবি (TB Vaccine) লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনের ক্ষতি করেছে এবং এর বিরুদ্ধে লড়াই তার হৃদয়ের কাছাকাছি। 

    তিনি আরও বলেন, “আমরা কেস ফাইন্ডিংকে আরও জোরদার করতে, প্রতিটি যক্ষ্মা (TB Vaccine) রোগীকে টেলি পরামর্শ পরিষেবা-সহ ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছি।” 

    মন্ত্রী বলেন যে, ভারত সম্প্রতি একটি নতুন এবং অনন্য প্রচারাভিযান চালু করেছে, ‘প্রধানমন্ত্রী টিবি (TB Vaccine) মুক্ত ভারত অভিযান’। এই অভিযানের লক্ষ্য টিবি রোগীদের সম্প্রদায়ের মাধ্যমে সরবরাহকৃত পুষ্টির ডায়াগনস্টিক এবং বৃত্তিমূলক সহায়তা প্রদান করা। 

    আরও পড়ুন: সাগরদিঘিতে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা কমিশনের, কবে?

    মন্ত্রী আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রী টিবি (TB Vaccine) মুক্ত ভারত অভিযান ইতিমধ্যেই ৫০,০০০ টিরও বেশি নি-ক্ষয় মিত্রদের ১৩ লক্ষেরও বেশি টিবি রোগীর দায়িত্ব নিতে দেখেছে।” মাণ্ডব্য বলেন, “আমরা গোটা বিশ্বকেই টিবি মুক্ত করতে সহযোগিতা করব। নজরদারিতে উদ্ভাবন – প্রযুক্তি সরঞ্জাম, অভিনব ডায়াগনস্টিকস এবং ওষুধ – টিবি-র বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রতিটি বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।” 

    তিনি আরও বলেন, “স্টপ টিবি (TB Vaccine) পার্টনারশিপ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য আগামী 8 বছরে ২৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন। এই প্রকল্প প্রতি ডলার বিনিয়োগের জন্য ৪০ মার্কিন ডলারের অর্থনৈতিক রিটার্ন প্রদান করবে।” 

    মন্ত্রী আরও বলেন, “বিশ্বব্যাপী এই উদ্যোগের জন্য পর্যাপ্ত তহবিল সংগ্রহ করার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। আমরা যদি এখনই যক্ষ্মার (TB Vaccine) বিনাশ করতে বিনিয়োগ না করি, তাহলে পরবর্তীতে আমাদের অনেক বেশি মূল্য দিতে হবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।
      

  • BSF: ভারতের আকাশে ফের পাক ড্রোন, গুলি করে নামাল বিএসএফ, উদ্ধার চিনের তৈরি অস্ত্র

    BSF: ভারতের আকাশে ফের পাক ড্রোন, গুলি করে নামাল বিএসএফ, উদ্ধার চিনের তৈরি অস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার পাকিস্তানি ড্রোনের সাহায্যে অস্ত্র, মাদক দ্রব্য পাচার করা হচ্ছিল ভারতে। তবে ব্যর্থ প্রচেষ্টা। বুধবার মধ্যরাতে অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে পাকিস্তানি ড্রোনের সাহায্যে পাচার করা হচ্ছিল একাধিক চিনের তৈরি অস্ত্র। কিন্তু সেই অস্ত্র পাচারের আগেই দুষ্কৃতীদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করল বিএসএফ (Border Security Force)। জওয়ানদের তৎপরতায় উদ্ধার হল একাধিক মাদকদ্রব্য ও অস্ত্র। বিএসএফ (BSF) সূত্রের খবর, চিনের তৈরি পিস্তল, একাধিক ম্যাগাজিন সহ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ৪৭ টি লাইভ রাউন্ড। ঘটনাটি ঘটেছে পাঞ্জাবের গুরদাসপুরের উনচা টাকালা গ্রামে।

    পাকিস্তানি দুষ্কৃতিদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ

    বিএসএফ সূত্রে খবর, গতকাল পাঞ্জাবের গুরদাসপুরের উনচা টাকালা গ্রামের সীমান্তবর্তী এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছিল একটি বিএসএফ দল। অন্ধকার কুয়াশাচ্ছন্ন রাতে পাকিস্তানের দিক থেকে আসা একটি ড্রোনের শব্দ শুনতে পান জওয়ানরা। তারপর তাঁরা সেই ড্রোনের দিকে গুলি চালায়। গুলি চালানোর সময়, কিছু পড়ে যাওয়ারও শব্দ পেয়েছিলেন তাঁরা।

    বিএসএফ এক বিবৃতিতে বলেছে, এলাকাটির প্রাথমিক তদন্তের সময়, টাকালা গ্রামের এক চাষজমিতে কাঠের ফ্রেম দিয়ে প্যাকেজ করা একটি সন্দেহজনক প্যাকেট উদ্ধার করেছে তাঁরা। সেই প্যাকেট থেকেই উদ্ধার করা হয় ৪টি চিনের তৈরি পিস্তল, ৮টি ম্যাগাজিন এবং ৪৭ রাউন্ড গুলি।

    বিএসএফ-এর বড় সাফল্য

    সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনীর তরফে বলা হয়েছে, পাঞ্জাবের ভারত-পাকিস্তানের সীমান্তের ৩,৩২৩ কিলোমিটার জুড়ে এখনও তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। প্রসঙ্গত, বিগত কয়েক মাস থেকে ভারত-পাক সীমান্তে পাকিস্তানি ড্রোনের উৎপাত বেড়েই চলেছে। এর আগেও গত বছরের অক্টোবরে, বিএসএফ পাঞ্জাবের গুরদাসপুর সেক্টরে আন্তর্জাতিক সীমান্ত বরাবর পাকিস্তানের দিক থেকে ভারতে প্রবেশকারী একটি ড্রোনকে দেখে গুলি চালিয়েছিল। তার আগে সেপ্টেম্বরেও, গুরদাসপুরের সীমান্তের কাছে পাকিস্তান থেকে আসা একটি ড্রোনের অনুপ্রবেশের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করেছিল। ফলে বারবার পাকিস্তানি ড্রোন এ দেশে পাঠানোর চেষ্টা করা হলেও প্রত্যেকবারই বিএসএফ-এর জওয়ানরা দুষ্কৃতিদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করতে সক্ষম হয়েছে। এবারও তাই ঘটল। ফলে এটি এক বড় সাফল্য বিএসএফ-এর।

     
  • Jammu & Kashmir: কাশ্মীরের বুদগামে গুলির লড়াই, এনকাউন্টারে খতম দুই লস্কর জঙ্গি

    Jammu & Kashmir: কাশ্মীরের বুদগামে গুলির লড়াই, এনকাউন্টারে খতম দুই লস্কর জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সাফল্য। নতুন বছরে বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল। নিরাপত্তারক্ষীর গুলিতে মৃত্যু হল ২ জঙ্গির। মঙ্গলবার ভোরে জম্মু ও কাশ্মীরের বুদগাম জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয়েছে ২ জঙ্গির। তাদের লস্কর-ই-তৈবার জঙ্গি হিসেবে চিহ্নিত করেছে কাশ্মীর পুলিশ। মৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি একে সিরিজের রাইফেল এবং একটি পিস্তল। জানা গিয়েছে, এর আগে একটি এনকাউন্টার চলাকালীন তারা পালিয়ে গিয়েছিল।

    কাশ্মীরে খতম দুই লস্কর জঙ্গি

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকালে বুদগাম জেলার আদালতের সামনে যৌথ টহল দিচ্ছিল সেনা জওয়ান ও জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের বিশেষ দল। তখন সেখানে একটি সন্দেহজনক গাড়ি দেখে এগিয়ে যান নিরাপত্তাকর্মীরা। এরপরই তারা নিরাপত্তা বাহিনীর উপরে গুলি চালাতে শুরু করে। পাল্টা গুলি চালায় সেনা বাহিনীও। সেই গুলিতেই প্রাণ হারায় দুই সন্ত্রাসবাদী। কাশ্মীর পুলিশ জানিয়েছে, দুই জঙ্গিই লস্করের সদস্য। তাদের শনাক্তও করা হয়েছে। একজনের নাম আরবাজ মীর। অন্যজন শহিদ শেখ। দু’জনই পুলওয়ামার বাসিন্দা। দুজনেই কাশ্মীরি পোশাক ‘ফেরান’ পরেছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। এর আগে একটি এনকাউন্টার থেকে তারা পালাতে সমর্থ হলেও এবার খতম হল ওই দুই জঙ্গি। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে তল্লাশি শুরু হয়েছে।

    কাশ্মীর জোনের পুলিশ ট্যুইট করে জানিয়েছে, “নির্দিষ্ট খবরের ভিত্তিতে সেনা ও পুলিশের যৌথবাহিনী একটি সন্দেহভাজন গাড়িকে থামায়। গাড়ির ভিতর থেকে জঙ্গিরা গুলি চালাতে শুরু করে। পাল্টা জবাব দেয় সেনা ও পুলিশের যৌথ দল। তাতে দুই জঙ্গির মৃত্যু হয়। উদ্ধার করা হয়েছে অস্ত্রশস্ত্র ও কার্তুজ।”

    কাশ্মীরের এডিজিপি বিজয় কুমার জানিয়েছেন, গত সপ্তাহে তল্লাশি অভিযান চলাকালীন দুই জঙ্গিই অল্পের জন্য বাহিনীর হাত এড়িয়ে পালাতে সক্ষম হয়। কিন্তু মঙ্গলবার শেষরক্ষা হল না। পুলিশ মৃতদের কাছ থেকে একটি একে সিরিজের রাইফেল এবং একটি পিস্তল উদ্ধার করেছে। পাওয়া গিয়েছে বেশ কিছু তাজা কার্তুজও।

     

  • World Economic Forum: ‘বিশ্বব্যাপী সঙ্কটের মাঝে ভারত একমাত্র উজ্জ্বল স্থান’, প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ ক্লস শোয়াব

    World Economic Forum: ‘বিশ্বব্যাপী সঙ্কটের মাঝে ভারত একমাত্র উজ্জ্বল স্থান’, প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ ক্লস শোয়াব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বব্যাপী সঙ্কটের মাঝে একমাত্র ভারতই একটি উজ্জ্বল স্থান। আর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বেই তা সম্ভব হয়েছে। এমনটাই বলতে দেখা গেল ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান ক্লস শোয়াবকে। গতকাল, বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম ২০২৩-এর বার্ষিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানেই ভারত ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ ক্লস শোয়াব।

    ভারতের ভূয়সী প্রশংসা করলেন ক্লস শোয়াব

    কোভিড মহামারীর ফলে যখন বিশ্বব্যাপী আর্থিক সঙ্কট দেখা গিয়েছে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মত একের পর এক বিপর্যয়ের মধ্যেও ভারত যেভাবে অবস্থান নিয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। ফলে ভারতের এই সকল ইতিবাচক সূচক দেখে, ভবিষ্যতে যে ভারতই সারা বিশ্বের নেতা হতে চলেছে, তা বলার আর অপেক্ষা থাকে না।

    ফোরামের পক্ষ থেকে এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান ক্লস শোয়াব এক বিশেষ বিবৃতি প্রকাশ করেছে। তিনি বলেছেন, “আমি ভারতের মন্ত্রী পর্যায়ের এক প্রতিনিধিদল এবং সেই দেশের বহু শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। জলবায়ুর ক্ষেত্রে পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি উৎপাদনের জন্য পদক্ষেপ, বিশ্ব স্বাস্থ্য পরিষেবা ক্ষেত্রে অবদান, মহিলা-নেতৃত্বাধীন উন্নয়নের জন্য একটি অর্থনৈতিক মডেল তৈরি এবং ডিজিটাল পাবলিক পরিকাঠামো তৈরিতে এই দেশের নেতৃত্ব প্রশংসনীয়। বৈশ্বিক ভূ-অর্থনৈতিক এবং ভূ-রাজনৈতিক সঙ্কটের মধ্যে ভারত একটি উজ্জ্বল স্থান হিসেবে রয়ে গিয়েছে।”

    আরও পড়ুন: নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে বিবিসির তথ্যচিত্র ভিত্তিহীন, দাবি ভারতের, সংবাদ সংস্থার সমালোচনা সুনাকেরও

    ‘এই বিশ্বে মোদির নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ’ বললেন ক্লস শোয়াব

    গতকাল ভারতের কথা বলতে গিয়ে ক্লস শোয়াব আরও বলেন, জি-২০ গোষ্ঠীর সভাপতিত্ব ভারত একেবারে সঠিক সময়ে পেয়েছে। কারণ, বর্তমান বিশ্বে প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ। ভারতের এমন প্রশংসা তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরে সেপ্টেম্বর মাসে নয়া দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে জি-২০ (G 20) সম্মেলন। ইতিমধ্যেই তার প্রস্তুতিসূচক আলোচনা চক্র শুরু হয়েছে দেশে। আগের বছরের জি-২০ শিখর বৈঠকের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিক ভাবে আগামী সভাপতি বেছে নেওয়া হয় ভারতকে। এক বছর এই দায়িত্ব পালন করবে ভারত। ভারতেই বসবে আগামী জি-২০ বৈঠক। সভাপতি হওয়ার পাশাপাশি মোদি জানিয়েছিলেন, ভারতের লক্ষ্য হবে, জি-২০ দেশগুলোর সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে শান্তির পথে এগিয়ে যাওয়া। আগামী সম্মেলনের থিম ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’ বা এক বিশ্ব, এক পরিবার, এক ভবিষ্যৎ। আর তা করতে ভারতের হাতিয়ার হবে ডিজিটাল প্রযুক্তি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Air India Pee-Gate: প্রস্রাবকাণ্ডের জের, এয়ার ইন্ডিয়াকে ৩০ লক্ষ জরিমানা, সাসপেন্ড পাইলটও

    Air India Pee-Gate: প্রস্রাবকাণ্ডের জের, এয়ার ইন্ডিয়াকে ৩০ লক্ষ জরিমানা, সাসপেন্ড পাইলটও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন আগেই মাঝ আকাশে সহযাত্রীর গায়ে প্রস্রাব (Air India Pee-Gate) করার অভিযোগ ওঠে এয়ার ইন্ডিয়ার এক যাত্রীর বিরুদ্ধে! অভিযোগ সামনে আসার পরও অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নেয়নি এয়ার ইন্ডিয়া। বিমান সংস্থাটির বিরুদ্ধে অভিযোগ, উল্টে পুরো বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে তারা। এবার সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এয়ার ইন্ডিয়াকে ৩০ লক্ষ টাকা জরিমানা করল ডিরেক্টরেট জেরানেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন। এয়ার ক্রাফ্টের ১৪১ নম্বর আইন লঙ্ঘনের অপরাধে ওই উড়ানের পাইলটের লাইসেন্সও তিন মাসের জন্যে সাসপেন্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি ওই উড়ানের বাকি কর্মীদের ডিরেক্টরকে সঠিকভাবে কাজ না করার অভিযোগে ৩ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। 

     


    অভিযোগ? 

    ২৬ নভেম্বর নিউ ইয়র্ক থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে শঙ্কর মিশ্র মত্ত অবস্থায় তাঁর সামনে যৌনাঙ্গ (Air India Pee-Gate) প্রদর্শন করেন ও তাঁর গায়ে প্রস্রাব করেন বলে অভিযোগ করেন ৭০ বছর বয়সি এক মহিলা। টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরনকে সরাসরি চিঠিও লেখেন তিনি। সেই চিঠিতেই গোটা ঘটনা বর্ণনা করেন অভিযোগকারিণী। সেই চিঠি প্রকাশ পাওয়ার পরই শুরু হয় বিতর্ক। 

    সত্তরের কোঠায় বয়স ওই মহিলার। এয়ার ইন্ডিয়ার নিউইয়র্ক (Air India Pee-Gate) থেকে দিল্লিগামী বিমানের বিজনেস ক্লাসের টিকিট কেটেছিলেন তিনি। কিন্তু এই বিলাসবহুল যাত্রাপথেও তাঁর সঙ্গে এমন ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটে গিয়েছে এখনও যেন বিশ্বাস করতে পারছেন না তিনি। বিমান সংস্থার বিরুদ্ধে ওই মহিলার অভিযোগ, এমন ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হওয়ার পর পরই তিনি বিষয়টি বিমানকর্মীদেরও জানিয়েছিলেন। কিন্তু, তাঁরা তাঁর পরনের কাপড়ের বদলে একটি পোশাক সরবরাহ করেই দায় সেরে নেন। এমনকি, সহযাত্রীর মূত্রে ভেজা আসনের উপরে একটি কাপড় বিছিয়ে সেখানেই বৃদ্ধাকে বসতে অনুরোধ করেন। বিমান সংস্থার তরফে তাঁকে জানানো হয়, তাঁকে অতিরিক্ত আসন দেওয়া পরিস্থিতি নেই গোটা বিমানে। আদালতে শঙ্করের আইনজীবী দাবি করেছিলেন, যৌন উদ্দেশ্য নিয়ে বিমানে প্যান্ট খোলেননি শঙ্কর। বরং মত্ত অবস্থায় তাঁর মক্কেলের কোনও হুঁশ ছিল না।

    আরও পড়ুন: এবার জানা যাবে জ্ঞানবাপীর ‘শিবলিঙ্গের’ বয়স? পুরাতত্ত্ববিদদের আট সপ্তাহ সময় আদালতের 

    বিজনেস ক্লাসে ভ্রমণ করেও এমন অভব্য আচরণ করেন, কে এই ব্যক্তি? ব্যক্তির পরিচয় জানলে চমকে উঠবেন। তিনি যে সে লোক নন। নাম শঙ্কর মিশ্র (Air India Pee-Gate)। তিনি একটি বহুজাতিক সংস্থার উচ্চপদে কর্মরত। ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ। তিনি মুম্বাইয়ের বাসিন্দা। এর আগে শঙ্করকে ৩০ দিনের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল বিমান যাত্রায়। পরবর্তীতে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ। এছাড়া এই ঘটনার জেরেই চাকরি খুইয়েছেন ওই ব্যক্তি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  •  Union Budget 2023: কমবে মধ্যবিত্তের বোঝা! আসন্ন বাজেটে বদল হবে কি কর-কাঠামোর?

     Union Budget 2023: কমবে মধ্যবিত্তের বোঝা! আসন্ন বাজেটে বদল হবে কি কর-কাঠামোর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করের (Tax) কাঠামোর বদল হতে পারে আসন্ন বাজেটে (Union Budget 2023)। আর্থিক বৃদ্ধির গতি ধরে রাখতে কয়েক বছর আগে কর্পোরেট সংস্থাগুলির কর কমিয়েছিল কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সরকার। আসন্ন বাজেটেও ব্যক্তিগত আয়করও কিছুটা কমতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। ২০২৪ সালে রয়েছে লোকসভা নির্বাচন। চলতি বছর হওয়ার কথা ১০ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে এবারই শেষবারের মতো পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করবে নরেন্দ্র মোদির সরকার। আগামী বছর যেহেতু দেশজুড়ে সাধারণ নির্বাচন, তাই সেবার পেশ হবে ভোট অন অ্যাকাউন্ট। তাই এবার বাড়ানো হতে পারে করমুক্ত আয়ের সীমা। বিভিন্ন ধারার অধীনে করছাড়ের মাত্রা বাড়তে পারে বলে অনেকের ধারণা। তবে এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    আয়করের হার…

    এক সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আয়করের হার কমানোর বিষয়ে ভাবছে সরকার। তবে এ ব্যাপারে শেষ কথা বলবেন প্রধানমন্ত্রী। ২০১৪ সালে প্রথমবারের জন্য কেন্দ্রের ক্ষমতায় আসে নরেন্দ্র মোদির সরকার। সেবারই শেষবারের মতো আয়করের স্ল্যাবে পরিবর্তন আনা হয়েছিল। তখনই আয়কর মকুবের সর্বোচ্চ সীমা ২ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২.৫ লক্ষ টাকা করা হয়েছিল। তাই এবার পুরানো কর কাঠামোয় (Union Budget 2023) পরিবর্তন আনা হতে পারে বলে আশায় বুক বাঁধছেন আয়করদাতারা।

    আরও পড়ুুন: বিদেশি চর! তথ্য পাচারের অভিযোগে গ্রেফতার অর্থমন্ত্রকের অস্থায়ী কর্মী

    দিন কয়েক আগে এ ব্যাপারে ইঙ্গিত মিলেছিল কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণের কথায়ও। তিনি বলেছিলেন, আমি নিজে মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্য। তাই মধ্যবিত্তের সমস্যাগুলি বুঝি। মোদি সরকার নতুন করে এই মধ্যবিত্ত শ্রেণির ওপর কোনও কর আরোপ করেনি। তিনি বলেছিলেন, এখনও ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়করে ছাড় দিয়ে রেখেছে সরকার। মধ্যবিত্তরা গণপরিবহণ সব চেয়ে বেশি ব্যবহার করে। তাই আমরা ২৭টি জায়গায় মেট্রো রেল নেটওয়ার্ক নিয়ে এসেছি। অনেক মধ্যবিত্ত মানুষ চাকরির সন্ধানে শহরে চলে যাচ্ছে। যার জন্য আমরাও স্মার্ট সিটির লক্ষ্যে ফোকাস করছি। মধ্যবিত্তের উন্নয়নে আমরা এই কাজ চালিয়ে যাব। প্রসঙ্গত, পুরানো কর কাঠামোয় কোনও পরিবর্তন করা না হলেও, ২০২০ সালে নয়া কর কাঠামো (Union Budget 2023) চালু করেছিল কেন্দ্র। তাতে বলা হয়েছিল, কোনও ব্যক্তির বার্ষিক আয় ২.৫ লক্ষ টাকার নীচে হলে তাঁকে আয়কর দিতে হবে না। ২.৫ লক্ষ টাকা থেকে ৫ লক্ষ টাকার কম পর্যন্ত আয়ে কর দিতে হয় ৫ শতাংশ। আয়কর রিটার্ন দাখিল করলে কর বাবদ নেওয়া টাকা ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Burqa: ড্রেস কোড না মেনে বোরখা পরে হিন্দু কলেজে! ঢুকতেই দিলেন না কর্তৃপক্ষ

    Burqa: ড্রেস কোড না মেনে বোরখা পরে হিন্দু কলেজে! ঢুকতেই দিলেন না কর্তৃপক্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলেজে রয়েছে ড্রেস কোড (Dress Code)। তা লঙ্ঘন করেই বোরখা (Burqa) পরে কলেজে এসেছিলেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কয়েকজন ছাত্রী। স্বাভাবিকভাবেই কলেজে ঢুকতে বাধা পান ওই পড়ুয়ারা। কলেজ গেটে থাকা নিরাপত্তারক্ষীরাই তাঁদের বাধা দেন। উত্তর প্রদেশের মোরদাবাদের (Moradabad) হিন্দু কলেজের ঘটনা। বোরখা পরিহিত ওই ছাত্রীদের অভিযোগ, বোরখা পরে আসার কারণে কলেজে ঢুকতে দেওয়া হয়নি তাঁদের। কলেজের গেটেই বোরখা খুলতে বাধ্য করা হয় তাঁদের। এনিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমাজবাদী ছাত্রসভার কর্মীদের বাদানুবাদ শুরু হয়ে যায়। কলেজ কর্তৃপক্ষ ড্রেস কোড পরে কলেজে আসার সিদ্ধান্তের ব্যাপারে অনড় থাকেন। ওই কলেজের অধ্যাপক এপি সিং বলেন, কলেজের পড়ুয়াদের জন্য ড্রেস কোড চালু হয়েছে। সেই ড্রেস কোড কেউ না মানলে তাকে কলেজে ঢুকতে দেওয়া হবে না। পরে সমাজবাদী ছাত্র সভার তরফে কলেজ কর্তৃপক্ষকে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়। তাতে বলা হয়, ড্রেস কোডের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে বোরখাকেও (Burqa)।

    হিজাব বিতর্ক…

    ২০২২ সালের জানুয়ারিতে প্রায় একই ঘটনা ঘটেছিল কর্নাটকে। উদুপির একটি সরকারি মহিলা কলেজে হিজাব (Hijab) পরে এসেছিলেন কয়েকজন ছাত্রী। তাঁদেরও ক্লাসে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। এনিয়ে শুরু হয় ব্যাপক বিক্ষোভ। যদিও সেক্ষেত্রেও হিজাব পরিহিত ছাত্রীদের কাছে নতি স্বীকার করেননি কলেজ কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনার পরে পরেই বিজয়পুরার একটি কলেজে গেরুয়া উত্তরীয় পরে আসেন কয়েকজন পড়ুয়া। একইভাবে তাঁদেরও কলেজে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। পড়ুয়াদের সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, কলেজে আসতে হবে ড্রেস কোড মেনেই। এর পরেই ওই রাজ্যের প্রি-ইউনিভার্সিটি এডুকেশন বোর্ড রীতিমতো সার্কুলার জারি করে জানিয়ে দেয়, নির্দিষ্ট ড্রেস কোড পরেই আসতে হবে স্কুল-কলেজে।

    আরও পড়ুুন: সিএএ লাগু হলে কাউকে দেশছাড়া করা হবে না, আশ্বাস সুকান্ত, মিঠুনের

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনও ধর্মীয় আচরণও করা যাবে না। বিতর্কের রেশ গড়ায় কর্নাটক হাইকোর্ট পর্যন্ত। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিজাবে নিষেধাজ্ঞার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হয় একাধিক পিটিশন। হাইকোর্ট সাফ জানিয়ে দেয়, হিজাব ইসলামে বাধ্যতামূলক নয়। হিজাব কখনও বাধ্যতামূলক নয়। কোরানে উল্লেখ থাকলেই যে সেই প্রথা জরুরি হবে এমন নয়। ইসলামিক দেশগুলিতেই হিজাব পরা নিয়ে প্রতিবাদ দেখাচ্ছেন মেয়েরা। ইরানের রাজপথে হিজাব না পরার পক্ষে সওয়াল করেছেন সেখানকার স্বাধীনচেতা মেয়েরা। সুপ্রিম কোর্টে কর্নাটক হাইকোর্টের রায়ের পক্ষে সওয়াল করে একথাই জানিয়েছিলেন আইনজীবী তুষার মেহতা। ভারতের সলিসিটর জেনারেল তথা কর্নাটক সরকারের আইনজীবী তুষার মেহতা জানিয়েছিলেন, দেশে হিজাব-বিতর্ক তৈরি করা পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার চক্রান্ত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
LinkedIn
Share