Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Capt Shiva Chauhan: সিয়াচেনে মোতায়েন প্রথম মহিলা জওয়ান! ইতিহাস সৃষ্টি ক্যাপ্টেন শিবা চৌহানের

    Capt Shiva Chauhan: সিয়াচেনে মোতায়েন প্রথম মহিলা জওয়ান! ইতিহাস সৃষ্টি ক্যাপ্টেন শিবা চৌহানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় সেনার প্রথম মহিলা অফিসার হিসাবে সিয়াচেনে মোতায়েন হলেন শিবা চৌহান (Capt Shiva Chauhan)। যার ফলে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হল ভারতীয় সেনাবাহিনীতে। প্রসঙ্গত, বিশ্বের সবথেকে উঁচু যুদ্ধক্ষেত্র হিসাবে সিয়াচেনের নাম সকলেরই জানা। আর সেই সিয়াচেন হিমবাহের সর্বোচ্চ যুদ্ধক্ষেত্রের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হল ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি কর্পসের ক্যাপ্টেন শিবা চৌহানের হাতে। এবার সেখানে প্রথম কোনও মহিলা অফিসারকে নিয়োগ করা হল। প্রথম মহিলা অফিসার হয়ে ইতিহাস তৈরি করলেন ক্যাপ্টেন শিবা। গোটা দেশ কুর্নিশ জানাচ্ছে বীর ভারতীয় কন্যাকে। সকলেই তাঁর যুগান্তকারী অর্জনে মুগ্ধ।

    সিয়াচেনে মোতায়েন প্রথম মহিলা জওয়ান

    এখনকার মেয়েরা শুধুমাত্র রান্নাঘরেই সীমাবদ্ধ নয়, তারই এক জ্বলজ্যান্ত উদাহরণ ক্যাপ্টেন শিবা চৌহান (Capt Shiva Chauhan)। এখনকার মেয়েরা হাতে অস্ত্র তুলে শত্রুদের সঙ্গে মোকাবিলা করতে পারে। যুদ্ধ বিমান চালানো থেকে শুরু করে সীমান্তে শত্রুদের মোকাবিলা করার জন্য হাতে বন্দুক তুলে নেওয়া, সবেতেই সিদ্ধহস্ত নারীরা। শিবা দেশের সর্বোচ্চ যুদ্ধক্ষেত্রে যোগদানকারী সেনা অফিসার হিসাবে তিনিই প্রথম নারী। তাই তিনি এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। ক্যাপ্টেন শিবার এই কৃতিত্ব নিয়ে সারা দেশে আলোচনা হচ্ছে এবং তাঁর উদাহরণ দেওয়া হচ্ছে প্রতিটা ক্ষেত্রে।

    আরও পড়ুন: মালদার পর এবার নিউ জলপাইগুড়ি! ইটবৃষ্টি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে, আতঙ্কে যাত্রীরা

    গতকাল ভারতীয় সেনাবাহিনীর ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি কর্পস তাদের অফিসিয়াল ট্যুইটার অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ক্যাপ্টেন শিবা চৌহানের (Capt Shiva Chauhan) এই সাফল্যের কথা গোটা দেশবাসীকে জানিয়েছে। সেখানে লেখা ছিল, “শিবা চৌহান বিশ্বের সর্বোচ্চ যুদ্ধক্ষেত্র সিয়াচেন হিমবাহে কুমার পোস্টে কর্মরত প্রথম মহিলা অফিসার হিসাবে নিযুক্ত হয়েছেন।” দুটি ছবিও শেয়ার করেছে ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি কর্পস। ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘ব্রেকিং দ্য গ্লাস সিলিং’। এই ছবি এই মুহুর্তে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই যোগদানের আগে এক মাস ধরে কঠোর প্রশিক্ষণের মধ্যে দিয়ে গিয়েছেন শিবা (Capt Shiva Chauhan)। ভারতীয় সেনার ‘সিয়াচেন ব্যাটেল স্কুল’-এ তাঁর প্রশিক্ষণ চলেছে। এরপর মঙ্গলবার সিয়াচেনে আনুষ্ঠানিকভাবে পদে যোগ দেন শিবা। উল্লেখ্য, সিয়াচেন ভারতের সেই জায়গা, যেখানে তাপমাত্রা সারাবছর মাইনাসের নীচে থাকে। সিয়াচেন হিমবাহ পৃথিবীর সর্বোচ্চ যুদ্ধক্ষেত্র, যেখানে ভারত ও পাকিস্তান ১৯৮৪ সাল থেকে বিরতিহীনভাবে লড়াই করেছে। 

  • Himanta Biswa Sarma: অসমের ভবিষ্যতের পক্ষে ‘সেফগার্ড’ ডিলিমিটেশনের সিদ্ধান্ত, জানালেন হিমন্ত

    Himanta Biswa Sarma: অসমের ভবিষ্যতের পক্ষে ‘সেফগার্ড’ ডিলিমিটেশনের সিদ্ধান্ত, জানালেন হিমন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসমে (Assam) ডিলিমিটেশনের (Delimitation) সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। রবিবার নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে ব্রেক-থ্রু আখ্যা দিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma)। অসমের ভবিষ্যতের পক্ষে এটি সেফগার্ড বলেও জানিয়েছেন তিনি। ডিলিমিটেশনের সিদ্ধান্তকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি বিরোধীরা।

    নির্বাচন কমিশন…

    প্রসঙ্গত, নির্বাচন কমিশন আগেই আদেশে জানিয়েছে অসমে ১ জানুয়ারি থেকে ডিলিমিটেশনের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। সেই কারণে ১ জানুয়ারি, ২০২৩ থেকে কোনও জেলা কিংবা প্রশাসনিক ইউনিটে কোনও পরিবর্তন করতে পারবে না অসম সরকার। ২৭ ডিসেম্বরের আদেশে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল অসমের লোকসভা ও বিধানসভা কেন্দ্রগুলির জন্য ২০০১ সালের সেনসাসের রিপোর্টের ভিত্তিতে ডিলিমিটেশন করা হবে।

    আরও পড়ুুন: ফের টাকার পাহাড়ের খোঁজ কলকাতায়, ৫৬ লক্ষ নগদ টাকা সহ গ্রেফতার ৯

    নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে অসম প্রদেশ কংগ্রেস ও অল ইন্ডিয়া ডেমক্রেটিক ফ্রন্ট। ডিলিমিটশনের সিদ্ধান্তকে তারা রাজ্যের শাসক দল বিজেপির রাজনৈতিক পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেছে। বিজেপি মেরুকরণের রাজনীতি করছে বলেও অভিযোগ অসমের বিরোধী দলগুলির। তাদের প্রশ্ন, ২০১১ সালের আদম সুমারির রিপোর্টের বদলে কেন মান্যতা দেওয়া হবে ২০০১ এর আদমশুমারির রিপোর্টকে। বিরোধীদের অভিযোগের কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী (Himanta Biswa Sarma)। এদিন এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, ২০২২ সালে ডিলিমিটেশনের যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা সেরা সিদ্ধান্ত। এনআরসি সফল হয়নি। অসম অ্যাকর্ডও চাহিদা পূরণ করতে পারেনি। তাই ডিলিমিটেশনই হল সেফগার্ড। অন্তত আগামী দু দশকের জন্য এটি অসমের পক্ষে সেফগার্ড হিসেবে কাজ করবে। তিনি বলেন, এর মধ্যে রাজনীতি খোঁজার কোনও অর্থ নেই। এটি সাংবিধানিক। তিনি বলেন, এটা করা হবে ডেটা অনুযায়ী।

    প্রসঙ্গত, অসমের বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, বিজেপি তাদের সুবিধার জন্য মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনগুলিকে পরিবর্তনের চেষ্টা করছে। ২০১১ সালের পরিবর্তে ২০১১ সালের আদমশুমারির তথ্য ব্যবহার করা হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। জানা গিয়েছে, ২০১১ সালের আদমশুমারিতে অসমের মুসলিম জনসংখ্যা বেড়েছে ৩.৩ শতাংশ। যা দেশের মধ্যে সব চেয়ে বেশি। বিরোধীদের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে রাজ্যের শাসক দল। তাদের অভিযোগ, বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্যই এহেন অভিযোগ করছেন বিরোধীরা।

     

      দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Rhino Poaching: কুড়ি বছরে এই প্রথম, ২০২২ সালে একটিও গন্ডার শিকার হয়নি অসমে

    Rhino Poaching: কুড়ি বছরে এই প্রথম, ২০২২ সালে একটিও গন্ডার শিকার হয়নি অসমে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিগত কুড়ি বছরে অসমে এই প্রথমবার। ২০২২ সাল জুড়ে একটিও গন্ডার শিকারের (Rhino Poaching) ঘটনা ঘটেনি এই রাজ্যে।

    মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা কী বললেন  

    রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, “বিভিন্ন টেকনোলজির সাহায্য আমরা নিয়েছি যাতে গন্ডার শিকার (Rhino Poaching) বন্ধ করা যায়। বন্য কর্মীদেরও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছিল। তার সঙ্গে বিশেষ কমান্ডো মোতায়েন করা হয়েছিল। সম্মিলিত এই চেষ্টার ফলেই লক্ষ্য পূরণ হয়েছে, যেটি গত কুড়ি বছরে প্রথম”।
    প্রসঙ্গত মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন যে এটি ২০ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে হয়তো প্রথম যেখানে বছরে একটিও গন্ডার শিকারের (Rhino Poaching) ঘটনা ঘটেনি। সরকারি রিপোর্ট বলছে, শেষবারের মতো বেআইনি গন্ডার শিকারের (Rhino Poaching) খবর পাওয়া গেছিল ২০২১ সালের ২৮ ডিসেম্বর খিলাকুন্দা নামক স্থানে, যেটি গোলাঘাট জেলায় অবস্থিত।

    গন্ডার শিকার (Rhino Poaching) রোধে টাস্ক ফোর্স গঠন
     

     

    ২০২১ সালের জুন মাসে অসম সরকার একটি টাস্ক ফোর্স নির্মাণ করে মোট ২২ জনকে নিয়ে। যার প্রধান করা হয় অসম পুলিশের ডিজিপিকে। সশস্ত্র বাহিনীও মোতায়ন করা হয় এই বেআইনি শিকার (Rhino Poaching) আটকানোর জন্য।

    এই টাস্ক ফোর্সে ১১ টি জেলার পুলিশ সুপারকে এবং  ৬ টি বনবিভাগের আধিকারিককে রাখা হয়। এই টাস্ক ফোর্স মূলত গোলাঘাট, নওগাঁ, করবি অঙ্গলং, বিশ্বনাথ, শান্তিপুর, দারং, মরিগাও, বক্সা, চিরাং, বারপেটা এবং মাজুলী জেলাগুলির উপর বিশেষ নজর রেখেছিল।

    গন্ডার শিকার (Rhino Poaching) অসমে একটা ধারাবাহিক অপরাধ হয়ে উঠেছিল ২০১৩-১৪ সাল নাগাদ। ওই সময়ের মধ্যে ২৭ টি গন্ডার শিকারের খবর সামনে আসে। ২০১৬ সালে ১৮ টির বেশি গন্ডারকে শিকার (Rhino Poaching) করা হয়, অন্তত পরিসংখ্যান তাই বলছে।

    সরকারি সূত্রে জানা গেছে, কাজিরাঙ্গা ন্যাশনাল পার্কে এখন বর্তমানে ২৬১৩ টি গন্ডার রয়েছে এবং এই সংখ্যা বেড়ে চলেছে।
    অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেছেন, যারা শিকার (Rhino Poaching) করে তাদের কাছে একটা ভুল ধারণা থাকে যে গন্ডারের শিং এর থেকে ওষুধ তৈরি হয় এবং তার একটা ব্যাপক আর্থিক মূল্য রয়েছে কিন্তু এই ধারণা একেবারেই ভুল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Air India: বিমানে বৃদ্ধার গায়ে প্রস্রাব মদ্যপ ব্যক্তির! এয়ার ইন্ডিয়ার কাছে রিপোর্ট তলব ডিজিসিএ-র

    Air India: বিমানে বৃদ্ধার গায়ে প্রস্রাব মদ্যপ ব্যক্তির! এয়ার ইন্ডিয়ার কাছে রিপোর্ট তলব ডিজিসিএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঝ আকাশে সহযাত্রীর সঙ্গে ফের অভব্য আচরণের অভিযোগ। এক মহিলা সহযাত্রীর গায়েই প্রস্রাব করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল এক পুরুষ যাত্রীর বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, ওই পুরুষ যাত্রীটি মদ খেয়ে ছিলেন বলেও অভিযোগ। নিউ ইয়র্ক থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) বিমানের বিজনেস ক্লাসে ছিলেন বছর সত্তরের এক বৃদ্ধা। সেই বৃদ্ধার গায়েই প্রস্বার করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় রিপোর্ট তলব করল ডিজিসিএ। এই ঘটনায় বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।  

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    ঘটনাটি ২৬ নভেম্বরের। সেই বৃদ্ধা দাবি করেছেন, বিমানের বিজনেস ক্লাসে আচমকাই তাঁর গায়ে প্রস্রাব করেন এক ব্যক্তি। অধিকাংশ যাত্রী ঘুমন্ত থাকার কারণে ঘটনাটি সকলের নজর এড়িয়ে যায়। বিমানের কর্মীদের এই ঘটনা জানালে তাঁরা ওই বৃদ্ধাকে পরিষ্কার জামাকাপড় পরে ঘুমিয়ে যেতে নির্দেশ দেন। এই বিষয়টি নিয়ে তিনি যেন মুখ না খোলেন, সেই কথাও বলা হয় বৃদ্ধাকে। এমনকী সেই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপও নেওয়া হয়নি। তিনি আরও বলেন, অভিযুক্ত পোশাক খুলে প্রকাশ্যেই তাঁর গায়ে প্রস্রাব করেন। প্রস্রাবের পরেও পোশাক খোলা অবস্থায় সেখানে দাঁড়িয়েছিলেন বেশ কিছুক্ষণ। আর এই অভিযোগ ঘিরেই এবারে ক্ষোভে ফুঁসছে নেটপাড়া।

    আরও পড়ুন: ১৪৩ জন প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিল করল হাইকোর্ট, বেতন বন্ধের নির্দেশ

    রিপোর্ট তলব ডিজিসিএ-র

    এই ঘটনার পর তার বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ না নেওয়ায়, টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরনকে চিঠি লিখেছেন ওই বৃদ্ধা। তিনি বলেন, “এরকম জঘন্য ঘটনা সত্ত্বেও কর্মীদের তরফে কোনও রকম উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। নিজেকেই দায়িত্ব নিয়ে সমস্ত ঘটনা সকলকে জানাতে হয়।” চিঠি পাওয়ার পর নড়েচড়ে বসেছে বিমান কর্তৃপক্ষ। সংস্থার এক আধিকারিক জানিয়েছেন, “২৬ নভেম্বরের ঘটনায় পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। এয়ার ইন্ডিয়ার তরফে একটি অভ্যন্তরীণ কমিটিও গঠন করা হয় এবং অভিযুক্ত যাত্রীকে নো ফ্লাই লিস্টের অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়। বর্তমানে সরকারি একটি কমিটি এই ঘটনার তদন্ত করছে।” এর পর বুধবার ডিজিসিএর (DGCA) তরফে জানানো হয়েছে, “আমরা ইতিমধ্যেই বিমান সংস্থার কাছে গোটা ঘটনা নিয়ে রিপোর্ট চেয়েছি। যাত্রীর প্রতি অবহেলার অভিযোগ যদি প্রমাণিত হয়, তাহলে যথাযথ পদক্ষেপ করা হবে।”

  • Sultanpuri Accident: অঞ্জলিকে ফেলে পালিয়েছিলেন! সেই বান্ধবীর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি মহিলা কমিশনের

    Sultanpuri Accident: অঞ্জলিকে ফেলে পালিয়েছিলেন! সেই বান্ধবীর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি মহিলা কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ষবরণের রাতে ২০ বছরের তরুণী অঞ্জলি সিং-এর মৃত্যুর ঘটনায় শিউরে উঠেছে দিল্লি সহ গোটা দেশ। সেদিন রাতে অঞ্জলির স্কুটিতে ধাক্কা মেরে প্রায় ১২ কিমি পথ টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়। গতকাল রাতে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। আর এবার অঞ্জলির মৃত্যু নিয়ে মুখ খুললেন তাঁর বান্ধবী নিধি।  আর এতেই একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

    জানা গিয়েছে, সেদিন রাতে অঞ্জলির সঙ্গে স্কুটিতে নিধিও ছিলেন সেখানে। কিন্তু তিনি ভয়ে, আতঙ্কে সেখান থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি দাবি করেছেন, সেদিন রাতে অঞ্জলি নেশা করেও ছিলেন। আর নিধির এই সব দাবিতে দিল্লি মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন স্বাতী মালিওয়াল জানিয়েছেন, নিধির বিরুদ্ধে তদন্ত করতে। কারণ তিনি সেদিন তাঁর বন্ধুকে না বাঁচিয়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন।

    আরও পড়ুন: মর্মান্তিক! তরুণীকে ধাক্কা মেরে ১২ কিমি পথ ‘টেনে হিঁচড়ে’ নিয়ে গেল গাড়ি! তারপর…

    এই ঘটনায় কী কী তথ্য জানা গিয়েছে?

    ১) বর্ষবরণের রাতে এই দুর্ঘটনার পর প্রথমে মনে করা হয়েছিল, অঞ্জলি সিং একাই স্কুটিতে ছিলেন। কিন্তু পরে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে পুলিশ জানতে পারে, স্কুটিতে অঞ্জলির সঙ্গে আরও এক তরুণী ছিলেন। পরে জানা যায়, তিনি অঞ্জলি সিং-এরই বান্ধবী নিধি।

    ২) নিধি গতকাল দাবি করেছেন, বর্ষবরণের রাতে অঞ্জলি নেশা করেছিলেন ও অঞ্জলি স্কুটি চালানোর জন্য জোর করেছিলেন, তাই নিধি স্কুটির পিছনে বসতে বাধ্য হয়েছিলেন। এমনকী নিধিকে হুমকিও দিয়েছিলেন যে স্কুটি চালাতে না দিলে অঞ্জলি গাড়ি থেকে লাফ দেবেন। আর স্কুটি চালানো নিয়েই তাদের মধ্যে ঝগড়াও হয়েছিল।

    ৩) এছাড়াও অঞ্জলি ও তাঁর বন্ধু নিধি যে হোটেলে গিয়েছিলেন, সেখানকার ম্যানেজার জানিয়েছেন, রাত দেড়টার দিকে হোটেল থেকে বের হওয়ার আগে নিধি ও অঞ্জলি মারামারি করছিলেন। ম্যানেজার বলেন, “তারা দুজনেই ঝগড়া করছিলেন। আমি যখন তাঁদের মারামারি করতে না বলেছিলাম, তখন তাঁরা নীচে নেমে মারামারি শুরু করেন, তারপর তাঁরা দুজনেই একটি স্কুটারে চলে যায়।”

    ৪) আবার জানা গিয়েছে, তাঁরা হোটলে কিছু ছেলেদের সঙ্গেও কথা বলেছিলেন। যাদের ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।

    ৫) অভিযুক্তরা আগে জানিয়েছিলেন যে, তাদের গাড়িতে যে অঞ্জলি আটকে ছিলেন তা জানতে পারেনি তারা। কিন্তু নিধি দাবি করেছেন, ওরা সব জেনে বুঝে এই অপরাধ করেছে। অঞ্জলি চিৎকার করছিলেন। তা সত্ত্বেও ওরা গাড়ি থামায়নি। ভয় পেয়ে তিনি কাউকে কিছু না জানিয়েই ওখান থেকে চলে আসেন।

    ৬) নিধি জানিয়েছেন, সেদিন গাড়িতে উপস্থিত ৫ জনও নেশা করেছিলেন। এর পর অঞ্জলিকে স্কুটি চালাতে দেওয়ার পরেই অভিযুক্তরা তাঁদের স্কুটিতে ধাক্কা দেয়।

    পুলিশের পক্ষ থেকে অবশ্য জানানো হয়েছে, অঞ্জলির এই বান্ধবীর বক্তব্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে দিল্লি মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন স্বাতী মালিওয়াল নিধি ও হোটেল ম্যানেজারের বক্তব্যের প্রতিবাদ করে জানিয়েছেন, যে তাঁর বান্ধবীকে বিপদে ফেলে চলে যেতে পারেন, তাঁকে বিশ্বাস করা যায় কি? তিনি আরও বলেন, “মেয়েরা যদি নেশা করে মারামারি করত তাহলে পুলিশ ডাকত, রাতে হোটেল থেকে বের করা হল কেন? নেশার প্রমাণ কি? STOP VICTIM SHAMING!”  

  • Biplab Deb: ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের বাড়িতে লুঠপাট, আগুন, কারা লাগাল জানেন?

    Biplab Deb: ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের বাড়িতে লুঠপাট, আগুন, কারা লাগাল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ত্রিপুরার (Tripura) প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির  (BJP) বিপ্লব দেবের (Biplab Deb) বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ। আগুন লাগানোর আগে লুঠপাট চালানো হয় বাড়িটিতে। করা হয় ভাঙচুর। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটে ত্রিপুরার উদয়পুরে, বিপ্লব দেবের পৈত্রিক ভিটেতে। বিজেপির অভিযোগ, ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে সিপিএম আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। সূত্রের খবর, দুষ্কৃতীরা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের।

    বিজেপির অভিযোগ…

    ত্রিপুরা বিজেপির অভিযোগ, বিপ্লব দেবের পৈত্রিক বাড়িতে মঙ্গলবার রাতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। ফি বছর বিপ্লব দেবের এই পৈত্রিক ভিটেতে তাঁর বাবা হিরুধন দেবের স্মৃতিতে একটি বিশেষ অনুষ্ঠান হয়। বুধবার সেই অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা ছিল স্বয়ং বিপ্লব দেবের। তার আগেই এই ঘটনায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। জানা গিয়েছে, দুষ্কৃতীরা যখন বিপ্লব দেবের (Biplab Deb) বাড়িতে হামলা চালায়, তখন সেখানে কেউ ছিলেন না। তাই ঘটেনি হতাহতের কোনও ঘটনা। তবে ওই সময় কয়েকজন পুরোহিত যাচ্ছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে। সেই সময় দুষ্কৃতীরা ওই পুরোহিতদের মারধর করে বলে অভিযোগ। তাঁদের যানবাহন ভেঙে দেওয়া হয়।

    তাঁদের আর্ত চিৎকারে ছুটে আসেন স্থানীয়রা। তার আগেই অবশ্য চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। যাওয়ার আগে তারা স্থানীয়দের কয়েকটি দোকানও ভাঙচুর করে। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশের বিশাল বাহিনী। পৌঁছান পুলিশের এসডিপিও নিরুপমা দেববর্মা এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেবাঞ্জন রায়। প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে বিপ্লব দেবকে (Biplab Deb) দেওয়া হয় সংগঠনের কাজ। বিজেপির তরফে তাঁকে করা হয় হরিয়ানার পর্যবেক্ষক। গত বছর মে মাসে মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন বিপ্লব দেব। তাঁর জায়গায় ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী হন মানিক সাহা। সেই বিপ্লবের বাড়িতেই এদিন তাণ্ডব চালায় দুষ্কৃতীরা।

    আরও পড়ুুন: ‘‘সিএএ তো হবেই, পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি-ও চাই’’, সুকান্তর বালুরঘাটে বললেন শুভেন্দু

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Delhi Hit and Run: ঠিক কী ঘটেছিল দ্রুত জানাক পুলিশ! দিল্লির ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনায় রিপোর্ট তলব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    Delhi Hit and Run: ঠিক কী ঘটেছিল দ্রুত জানাক পুলিশ! দিল্লির ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনায় রিপোর্ট তলব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি দুর্ঘটনা-কাণ্ডে (Delhi Hit and Run) পুলিশের কাছে রিপোর্ট চাইলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পুলিশ সূত্রে খবর, নববর্ষের রাতে স্কুটি চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন অঞ্জলি সিং নামে ২০ বছরের ওই তরুণী। গাড়ির সঙ্গে স্কুটির সংঘর্ষ ঘটে। দুর্ঘটনার জেরে তরুণীর পোশাক গাড়ির চাকায় আটকে যায়। এই অবস্থাতেই ছুটতে থাকে গাড়িটি। যার জেরে গাড়ির চাকায় আটকে যান অঞ্জলি। তাঁকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে প্রায় ১৩ কিলোমিটার নিয়ে যায় ঘাতক গাড়িটি। এই ঘটনায় দিল্লি পুলিশের স্পেশাল কমিশনার শালিনী সিংকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    কী ঘটেছিল

    গোটা ঘটনার CCTV ফুটেজ দেখে চমকে উঠছে গোটা দেশ। উঠছে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ। প্রশ্ন উঠেছে ঘণ্টা দেড়েক একই রাস্তায় ঘুরতে থাকা গাড়িটিকে কেন ধরতে পারল না পুলিশ? দিল্লির এই ঘটনা (Delhi Hit and Run) কী শুধুই দুর্ঘটনা? নাকি আরও বড় কোনও ষড়যন্ত্র রয়েছে নেপথ্যে? স্থানীয় সূত্রে খবর, কয়েক কিলোমিটার তরুণীকে টেনে নিয়ে যাওয়ার পর কাঞ্ঝাওয়ালা এলাকায় তরুণীর দেহ গাড়িটি থেকে আলাদা হয়। এদিকে ভোর ৩টে বেজে ২৪ মিনিটে পুলিশ কন্ট্রোল রুমে ফোন করে একজন জানান যে একটি গাড়ি তরুণীকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। পরে ভোর ৪টে ১১ মিনিটে আরও একটি ফোন আসে। সেই সময় বলা হয়, রাস্তায় তরুণীর নগ্ন দেহ দেখতে পাওয়া গিয়েছে। এই ঘটনার পর রবিবার দিল্লি পুলিশ ঘাতক গাড়িটি সনাক্ত করে। মৃত তরুণীর মা রেখার দাবি, তাঁর মেয়েকে যৌন হেনস্তা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ফের টাকার পাহাড়ের খোঁজ কলকাতায়, ৫৬ লক্ষ নগদ টাকা সহ গ্রেফতার ৯

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ

    পুলিশ সূত্রে খবর, ওই গাড়িতে মোট ৫জন ছিল। পরে ওই পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের তিনদিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে,গাড়ির চালক এবং আরোহীরা মদ্যপান করেছিলেন। শীতের দিল্লিতে জানলার কাচ বন্ধ করে গাড়ির ভিতরে জোরে মিউজিক সিস্টেম চালিয়েছিলেন তাঁরা। প্রায় ঘণ্টাখানেক পরে অভিযুক্তরা ‘বুঝতে পারেন’ যে গাড়ির চাকায় কিছু একটা আটকে রয়েছে। তাঁরা গাড়ি থেকে নেমে দেখেন চাকায় আটকে রয়েছেন অঞ্জলির দেহ। এর পর চাকা থেকে দেহ সরিয়ে রাস্তায় ফেলে চম্পট দেন তাঁরা। এদিকে গোটা ঘটনায় হস্তক্ষেপ করেছেন খোদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি দিল্লি পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন, দ্রুত পদক্ষেপ করুন। নির্ভয়ে কাজ করুন। নর্থব্লক সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Union Home Minister Amit Shah) নির্দেশে দিল্লির পুলিশ কমিশনারের কাছে গোটা ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। দিল্লির স্পেশাল পুলিশ কমিশনারকেও তদন্ত করে নর্থ ব্লকে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Covid 19 Guideline: কোভিড রুখতে ছয় দেশ থেকে আসা যাত্রীদের জন্যে নয়া নির্দেশিকা জারি কেন্দ্রের

    Covid 19 Guideline: কোভিড রুখতে ছয় দেশ থেকে আসা যাত্রীদের জন্যে নয়া নির্দেশিকা জারি কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণে নয়া নির্দেশিকা জারি (Covid 19 Guideline) করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এর আগে রবিবার, ১ জানুয়ারি থেকে চিন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, হংকং, দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপান থেকে আসা যাত্রীদের আরটি-পিসিআর পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করেছে কেন্দ্র। এবার এই নির্দেশিকায় কিছু পরিবর্তন আনা হল। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এদিন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শুধু কোভিড-১৯ আরটি-পিসিআর পরীক্ষা করলেই হবে না। এই ছয় দেশ থেকে আগত যাত্রীদের, ভারতে আসার আগে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সেই পরীক্ষা করাতে হবে। যাত্রার আগেই পরীক্ষার রিপোর্ট এয়ার সুবিধা অ্যাপে আপলোড করতে হবে। অন্যান্য দেশ থেকেও যারা এই ছয়টি দেশ ছুঁয়ে ভারতে আসবেন, তাঁদেরকেও এই বিধি মানতে হবে।

    কেন্দ্রের কী নির্দেশ?  

    এদিন, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব লব আগরওয়াল, অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের সচিব রাজীব বনসলকে একটি চিঠি দিয়ে নয়া নির্দেশাবলী জানিয়েছেন। চিঠিতে বলা হয়েছে, “হাই রিস্ক কান্ট্রি হিসেবে চিহ্নিত হওয়া দেশগুলিতে করোনার সংক্রমণ আরও বেড়েছে। সেই কারণে, ভারতে আসা আন্তর্জাতিক যাত্রীদের জন্য কোভিড-১৯ নিয়মে (Covid 19 Guideline) বদলের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। ভারতে আসার আগে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আরটি-পিসিআর পরীক্ষা করে, নেগেটিভ রিপোর্ট এয়ার সুবিধা অ্যাপে আপলোড করতে হবে। এছাড়া বাকি দেশ থেকে আসা আন্তর্জাতিক যাত্রীদের জন্যে যে নির্দেশ ইতিমধ্যেই চালু আছে, তাই থাকবে।” 

    প্রতিবেশী দেশ চিনে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাসের নতুন ঢেউ উদ্বেগ বাড়িয়েছে কেন্দ্রের। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা অনুমান করেছেন, জানুয়ারিতে ভারতে করোনা সংক্রমণ অনেকটাই বাড়তে পারে। সেই কারণেই করোনা মোকাবিলায় (Covid 19 Guideline) আগে থেকেই প্রস্তুত রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

    আরও পড়ুন: কোভিডের বুস্টার ডোজ অ্যান্টিবডির স্থায়ীত্ব বাড়ায়, জানাচ্ছে গবেষণা

    এত দিন নিয়ম ছিল, শুধু ৬টি দেশ থেকে আসা যাত্রীদেরই বিমানে ওঠার ৭২ ঘণ্টা আগে নেগেটিভ আরটি-পিসিআর রিপোর্ট দিতে হবে। চিনে ক্রমেই বাড়ছে কোভিড সংক্রমণ (Covid 19 Guideline)। গত মাসে একটি রিপোর্ট জানিয়েছিল, ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত চিনের ১৮ শতাংশ নাগরিক কোভিড ভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হয়েছেন। হাসপাতালেও জায়গা নেই। শেষকৃত্যের জন্য দীর্ঘ লাইন। সূত্রের খবর, সে কারণেই বিদেশফেরত যাত্রীদের জন্য বিধি আরও কড়া করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • Demonitisation: ক্ষমা চান রাহুল গান্ধী! নোটবন্দি নিয়ে সুপ্রিম রায়ের পর কংগ্রেসকে কটাক্ষ রবি শঙ্কর প্রসাদের

    Demonitisation: ক্ষমা চান রাহুল গান্ধী! নোটবন্দি নিয়ে সুপ্রিম রায়ের পর কংগ্রেসকে কটাক্ষ রবি শঙ্কর প্রসাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নোট বন্দির সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল বলে রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। দেশের সর্বোচ্চ আদালত সোমবার জানিয়েছে, কী ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে শুধু তার পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রের রায় বদলে দেওয়া যায় না। নোট বাতিলের মতো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা অবশ্যই রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার সঙ্গে ছয় মাস ধরে আলোচনার পরেই নোট বাতিলের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। তাই এটা শুধু কেন্দ্রের এক তরফা সিদ্ধান্ত তা বলা যায় না। তাই নোট বাতিলের প্রক্রিয়াও অবৈধ নয়। সুপ্রিম এই রায়ের পর বিরোধীদের একহাত নিয়েছে বিজেপি। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবি শঙ্কর প্রসাদ বলেছেন, ” নোট বন্দি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর কি রাহুল গান্ধী সরি বলবেন? গত ছয় বছর ধরে মিথ্যে প্রচার চালিয়েছে কংগ্রেস। দেশের মানুষকে ভুল বোঝানোর চেষ্টা করেছে। কিন্তু ২০১৬ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নোট বন্দির সিন্ধান্ত যে সঠিক ছিল সেটা আজ সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়ে স্পষ্ট। কারণ ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল হওয়ার ফলে জঙ্গিদের রসদে টান পড়েছে। কমেছে জঙ্গি কার্যকলাপ। সেটা সহ্য হচ্ছিলো না কংগ্রেসের। রাহুল গান্ধী ভুল বলছিলেন। শুধু দেশে নয় দেশের বাইরেও। আজকের পরে নিশ্চয়ই ভুল স্বীকার করা উচিত রাহুল গান্ধীর “

    চিদাম্বরকেও কটাক্ষ

    নোট বন্দি মামলায় পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ ভোটাভুটির মাধ্যমে রায় দিয়েছে। যেখানে চারজন বিচারপতি স্বপক্ষে রায় দিয়েছেন। একজন বিচারপতি নোট বন্দির সিদ্ধান্ত ভুল ছিল বলে জানিয়েছেন। শুধু রাহুল গান্ধী নয়, প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা পি চিদাম্বরমকেও এ প্রসঙ্গে তুলোধোনা করেছেন রবি শঙ্কর প্রসাদ। তিনি বলেছেন, ” সংখ্যাগরিষ্ঠের রায়কে উপেক্ষা করে বদনাম করার মতো বিবৃতি দিয়েছেন চিদাম্বরম। যা মেনে নেওয়া যায় না।” 

    আরও পড়ুন: ‘‘কোনও ভুল করেননি নরেন্দ্র মোদি’’, নোটবন্দির সিদ্ধান্তকে সিলমোহর সুপ্রিম কোর্টের

    এদিন সুপ্রিম কোর্টের রায়কে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি ভারতের ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’ হয়ে ওঠার বিষয়টিও স্পষ্ট করেন প্রাক্তন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, “নোটবন্দির পর ডিজিটার পেমেন্টের ক্ষেত্রে ভারত সারা বিশ্বের নেতা হতে চলেছে।” পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি জানান, কেবল গত বছরের অক্টোবরে ভারত ১২ লক্ষ কোটি টাকার বেশি ৭৩০ কোটির বেশি ডিজিটাল পেমেন্ট হয়েছে, যা কোনও দেশে হয়নি। নোটবন্দির উদ্দেশ্য যে মহৎ ছিল,  সেটা বিচারের ক্ষেত্রেও এই বিষয়টি দেখা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Demonetisation: ‘‘কোনও ভুল করেননি নরেন্দ্র মোদি’’, নোটবন্দির সিদ্ধান্তকে সিলমোহর সুপ্রিম কোর্টের

    Demonetisation: ‘‘কোনও ভুল করেননি নরেন্দ্র মোদি’’, নোটবন্দির সিদ্ধান্তকে সিলমোহর সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনও ভুল করেনি কেন্দ্র সরকার। সঠিক পথে সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার নোটবন্দি সংক্রান্ত যাবতীয় মামলা খারিজ করে দিয়ে এই অভিমত প্রকাশ করল শীর্ষ আদালত (supreme Court)। ২০১৬ সালে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের নোটবন্দির (Demonetisation) সিদ্ধান্তেই সিলমোহর দিল সুপ্রিম কোর্টের ৫ জন বিচারপতির বেঞ্চ। 

    আলোচনা করেই এই সিদ্ধান্ত

    পুরনো ১০০০ টাকা এবং ৫০০ টাকার নোট বাতিল করার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে যে মামলাগুলি হয়েছিল, সোমবার তার রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের তরফে বলা হয়, বৈধ পথেই নোটবন্দির (Demonetisation) সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সরকার। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের সঙ্গে ছ’মাস ধরে আলোচনা করেই কেন্দ্র নোটবন্দির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। বিচারপতি আবদুল নজিব, বিচারপতি বিআর গবাই, বিচারপতি এএস বোপান্না, বিচারপতি বি রামসুব্রাহ্মণ্যম এবং বিচারপতি বিবি নাগরত্নার সাংবিধানিক বেঞ্চ জানায়, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে কোনও ভুল ছিল না। আদালত সূত্রে খবর, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের পক্ষে মত দেন চার বিচারপতি, বিরুদ্ধে মত দেন এক জন।

    আরও পড়ুন: বছরের প্রথমেই রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ! জোড়া সভা বীরভূম ও আরামবাগে

    ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর আচমকাই ডিমনিটাইজেশন (Demonetisation) তথা নোটবন্দির কথা ঘোষণা করেছিল মোদি সরকার। কালো টাকা উদ্ধার করতে ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট রাতারাতি বাতিল করার এই সিদ্ধান্তকে সরকারের বৈপ্লবিক পদক্ষেপ বলে দাবি করেছিল বিজেপি। কিন্তু নোটবন্দির সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে ৫৮টি পিটিশন দায়ের করা হয়েছিল। আবেদনকারীদের যুক্তি, সরকার সঠিক পরিকল্পনা করে এই সিদ্ধান্ত নেয়নি এবং অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত বাতিল করা উচিত। সরকারের পাল্টা যুক্তি ছিল, বাস্তবে এই সিদ্ধান্তকে বাতিল করা সম্ভব নয়। নোটবন্দির সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হলে ‘সময়ের পিছনে গিয়ে’ বাতিল করতে হবে বলেও দাবি করেন কেন্দ্রের আইনজীবী।

    এই মামলায় মামলাকারীদের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী তথা কংগ্রেস নেতা ও প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম। তিনি বলেন, সরকারের চাপের কাছে আদালতের চুপ করে যাওয়া ঠিক হবে না। আদালত এখন নোটবন্দির (Demonetisation) সিদ্ধান্ত খারিজ করে দিতে পারবে না ঠিকই। কিন্তু ঠিক হয়েছিল না ভুল হয়েছিল সে ব্যাপারে স্পষ্ট মত দেওয়া আদালতের কর্তব্য। এই প্রেক্ষিতেই সোমবার সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিল সরকারের এই সিদ্ধান্তে কোনও ত্রুটি ছিল না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share