Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Tawang: তাওয়াংয়ের ওপর শ্যেন দৃষ্টি চিনের! কারণ কি জানেন?

    Tawang: তাওয়াংয়ের ওপর শ্যেন দৃষ্টি চিনের! কারণ কি জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) তাওয়াংয়ের (Tawang) ওপর শ্যেন দৃষ্টি চিনের। এর প্রধান কারণ, তাওয়াং জায়গাটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর। শুধু তাই নয়, ধর্মীয় গুরুত্বের জন্যও তাওয়াংয়ের বিশেষ কদর রয়েছে চিনে (China)। সেই কারণেই দীর্ঘদিন ধরে তাওয়াংকেই পাখির চোখ করেছে ড্রাগনের দেশ।

    তাওয়াং…

    সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৭ হাজার ফুট উচ্চতায় অবস্থিত তাওয়াং। জায়গাটি ১৯৬২ সালে ভারত-চিন সংঘর্ষের সঙ্গে যুক্ত। সেই কারণে ভারত এবং চিন দুই দেশের কাছেই তাওয়াংয়ের গুরুত্ব অপরিসীম। ৬২-র যুদ্ধে তাওয়াং দখল করার পর ম্যাকমোহন লাইনের ভিতরে পড়ে যাওয়ায় চিন এটি খালি করেছিল। পরে চিন ম্যাকমোহন লাইন মানতে অস্বীকার করে। তাই ফের তাওয়াং দখল করতে চাইছে চিন। তাওয়াং নিজের কবজায় নিয়ে এসে ড্রাগনের দেশ চাইছে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার পাশাপাশি তিব্বতকে পর্যবেক্ষণ করতে। এই তাওয়াংয়ের সঙ্গে তিব্বতের ধর্মীয় নেতা বতর্মান দালাই লামার একটি বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। ১৯৫৯ সালে তিব্বত ছেড়ে যাওয়ার পর এখানে কিছু দিন কাটিয়েছিলেন দালাই।

    চিন থেকে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় ভারতের জন্য দুটি পয়েন্ট সব চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। একটি তাওয়াং (Tawang), অন্যটি চাম্বা উপত্যকা। তাওয়াং রয়েছে চিন-ভুটান সংযোগস্থলে। আর চাম্বার অবস্থান নেপাল-তিব্বত সীমান্তে। তাওয়াং দখল করতে পারলে চিন দাবি করবে, অরুণাচল প্রদেশ তাদেরই অংশ।  

    আরও পড়ুন: “কর্মীদের মধ্যে অতি-উৎসাহ তৈরি হয়েছে’’, ডিএ মামলা ছাড়লেন বিচারপতিরা! পিছল শুনানি

    এদিকে, তাওয়াংয়ে ভারত-চিন সংঘর্ষ পূর্ব পরিকল্পিত বলেই মনে করছেন কেউ কেউ। কারণ উপগ্রহ চিত্রে দেখা যাচ্ছে, তাওয়াং সীমান্তের কাছে গ্রাম তৈরি করে ফেলেছে চিন। এর পাশাপাশি একটি রাস্তাও তৈরি করেছে চিনা সেনাবাহিনী। প্রসঙ্গত, ৯ ডিসেম্বর তাওয়াংয়ের (Tawang) ইয়াঙ্গাটসে অঞ্চলে সংঘর্ষ হয় ভারত ও চিন সেনার। ওই এলাকায় থাকা ভারতীয় সেনা বাহিনীর ছাউনি সরাতে আসে প্রায় ৩০০ চিনা সেনা। তাদের হাতে ছিল কাঁটাযুক্ত লোহার লাঠি। ভারত বাধা দিলে শুরু হয় সংঘর্ষ। বেশ কিছুক্ষণ পরে পিছু হঠে চিনা সেনা। জানা গিয়েছে, পক্ষকাল ধরে এই হামলার প্রস্তুতি নিয়েছিল চিন সেনা। এ ব্যাপারে ভারত প্রথমেই সতর্ক হয়ে যাওয়ায় দ্রুত বদলে যায় পরিস্থিতি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Water Distribution: জল বণ্টন সমস্যার সমাধানে আন্তঃরাজ্য কমিটি গঠনের প্রস্তাব কেন্দ্রের

    Water Distribution: জল বণ্টন সমস্যার সমাধানে আন্তঃরাজ্য কমিটি গঠনের প্রস্তাব কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্বাঞ্চলের প্রতিবেশি রাজ্য গুলোর মধ্যে বিভিন্ন নদ নদীর জল বণ্টন (Water Distribution) সমস্যার সমাধানে আন্তঃরাজ্য কমিটি গঠন করার প্রস্তাব দিল কেন্দ্রীয় সরকার। জল বন্টনে নিজেদের মধ্যে বিরোধ রুখতে পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খন্ড ও বিহারকে নিয়ে তিনি একটি যৌথ কমিটি গঠন করার কথা বলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর পৌরহিত্যে শনিবার নবান্ন লাগোয়া সভাঘরে এ  রাজ্য সহ পূর্বের মোট চার রাজ্যকে নিয় পূর্বাঞ্চলীয় পরিষদের বৈঠক বসে। সেখানে রাজ্যগুলির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা জল বিবাদ নিয়ে আলোচনা হয়। তার পরিপ্রেক্ষিতেই কেন্দ্রের তরফে এই প্রস্তাব বলে জানা গেচে।বৈঠক নিয়ে সরকারি ভাবে কোনও তরফেই কিছু জানানো হয়নি।তবে সূত্রের খবর গঙ্গা পদ্মার ভাঙ্গন সমস্যার স্থায়ী সমাধানে দ্রুত একটি মাস্টার প্ল্যান গ্রহণের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর কাছে দাবি জানান।

    সীমান্ত এলাকার সুরক্ষা, বিএসএফ ও রাজ্য প্রশাসনের (Water Distribution) সমন্বয়ের বিষয়টিও বৈঠকে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সীমান্ত নিরাপত্তা মজবুত করতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএসএফের সঙ্গে রাজ্য পুলিশের সম্বয় বৃদ্ধির ওপর জোর দেন। প্রশাসনিক সূত্রের খবর অমিত শাহ বৈঠকে বসলেন সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব কেবল মাত্র সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নয়। দায়িত্ব নিতে হবে রাজ্য সরকারকেও। সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিভিন্ন রাজ্যের সীমান্তে ফেন্সিং ও সেক্টর অফিস তৈরি করার জন্য মাত্রাতিরিক্ত জমি চাইছে বলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠকে অভিযোগ করেন।

    আরও পড়ুন: “প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে দেশ এক থাকবে”, বিলাবল ভুট্টের মন্তব্যে পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি শশী থারুর

    শাহ বিএসএফকে বিষয়টি নিয়ে নমনীয় হওয়ার নির্দেশ দেন বলে খবর। পাশাপাশি বিভিন্ন রাজ্যে (Water Distribution) রেলের অনেক জমি জবরদখল হয়ে যাওয়ায় প্রকল্প তৈরিতে সমস্যা হচ্ছে বলে বৈঠকে উপস্থিত রেল বোর্ডের সদস্য বৃজেশ কুমার অভিযোগ জানান। রাজ্য গুলোর তরফে পাল্টা জানানো হয় উপযুক্ত পুনর্বাসন ছাড়া কাউকে উচ্ছেদ করা যাবে না।রেলের অব্যবহৃত জমি কিভাবে গঠনমূলক কাজে ব্যবহার করা যায় রাজ্যগুলিকে সেই বিষয়েও ভেবে দেখার কথা বলা হয়। বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি ও সমন্বয় বৃদ্ধির উপরে জোর দেন।শনিবার নবান্নের বৈঠকে শাহ ও মমতার পাশাপাশি ছিলেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন।

    বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদব এবং ওড়িশার নবীন পট্টনায়কের মন্ত্রিসভার প্রবীণ মুখ প্রদীপ আমাত উপস্থিত ছিলেন। শাহের সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় ভাল্লা। পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলির মধ্যে সমন্বয়, নিরাপত্তা, সমস্যা সমাধানের কৌশল ইত্যাদি বিষয় সামনে (Water Distribution) রেখে গত ৫ নভেম্বর নবান্ন সভাঘরে পূর্বাঞ্চল পরিষদের ওই বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা পিছিয়ে যায়। বৈঠকের শুরুতে আয়োজক রাজ্য হিসাবে পশ্চিমবঙ্গের তরফে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সহ অন্যান্য রাজ্য থেকে আসা অতিথিদের হাতে ডোকরার দুর্গা প্রতিমা , বাঁকুড়ার ঘোড়া, কাঁথা স্টিচের উত্তরীয় ও হলুদ গোলাপের স্তবক তুলে দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সুন্দর ব্যবস্থাপনার জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Jharkhand Crime: ঝাড়খণ্ডে যুবতীকে খুন করে ৫০ টুকরো, গ্রেফতার তাঁর স্বামী

    Jharkhand Crime: ঝাড়খণ্ডে যুবতীকে খুন করে ৫০ টুকরো, গ্রেফতার তাঁর স্বামী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে (Delhi) ৩৫ টুকরো করা হয়েছিল শ্রদ্ধা ওয়ালকারের দেহ। রাজস্থানের জয়পুরে কাকিমাকে খুন করে দেহ ১০ টুকরো করেছেন এক শিক্ষিত যুবক! এবার প্রায় সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হল ঝাড়খণ্ডে (Jharkhand)। ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জে স্ত্রীকে খুন করে ৫০ টুকরো করল জনৈক যুবক। জানা গিয়েছে, মৃত মহিলার নাম রুবিকা পাহাদিন। তাঁর স্বামী দিলদার আনসারিই তাঁকে খুন করেছে বলে অভিযোগ। দিলদারকে আটক করেছে পুলিশ।

    রুবিকা-দিলদার…

    পুলিশ সূত্রে খবর, রুবিকা দিলদারের দ্বিতীয় স্ত্রী। বছর দুয়েক ধরে তাঁরা লিভ-ইন সম্পর্কে ছিলেন। সম্প্রতি বিয়ে করেছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ সাহেবগঞ্জের সান্থালি মোমিন তোলা এলাকা থেকে এক মহিলার টুকরো টুকরো দেহাংশ উদ্ধার হয়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ মনে করেছিল, বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে ওই মহিলাকে ফাঁকা, শুনশান জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পরে খুন করা হয় তাঁকে। টুকরো টুকরো করে ফেলে দেওয়া হয় দেহ। ওই যুবতীর পরিবার থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করতে গেলে দেহাংশ উদ্ধারের কথা জানায় পুলিশ। দেহ শনাক্ত করেন মৃতের পরিবারের লোকজন।

    আরও পড়ুন: রাজস্থানে শ্রদ্ধাকাণ্ডের ছায়া! কাকিমাকে খুন করে ১০ টুকরো করলেন যুবক

    সাহেবগঞ্জের পুলিশ সুপার সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, বছর বাইশের এক যুবতীর দেহের ১২টি টুকরো পাওয়া গিয়েছে সাহেবগঞ্জ এলাকা থেকে। ওই যুবতী আদিবাসী সম্প্রদায়ের। এখনও শরীরের বেশ কিছু অংশ খুঁজে পাওয়া যায়নি। সেগুলির খোঁজে তল্লাশি চলছে। পুলিশ ওই যুবতীর স্বামী দিলদার আনসারিকে আটক করেছে। যাঁকে হত্যা করা হয়েছে, তিনি দিলদারের দ্বিতীয় স্ত্রী। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডে আরও কেউ জড়িত থাকতে পারে বলে অনুমান পুলিশের।

    ঘটনার কড়া নিন্দা করেছেন বিজেপির ঝাড়খণ্ড মুখপাত্র প্রতুল সহদেব। তিনি বলেন, হেমন্ত সরকারে আমলে কন্যা সন্তানদের ওপর নৃশংসতার ঘটনা বাড়ছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কিছু ফ্রাসট্রেটেড মানুষ এই ঘটনা ঘটিয়ে চলেছে। তার পরেও সরকার ঠুঁটো হয়ে বসে রয়েছে। কিছুই করছে না। তিনি বলেন, যদি সরকার দৃঢ় কোনও পদক্ষেপ না করে, তাহলে আমরা পথে নামব। সরকারকে যোগ্য জবাবও দেব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • PM Modi: ‘যারা উন্নয়নের বিপক্ষে, তাদের লালকার্ড দেখানো উচিত’, শিলংয়ে বললেন মোদি

    PM Modi: ‘যারা উন্নয়নের বিপক্ষে, তাদের লালকার্ড দেখানো উচিত’, শিলংয়ে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যারা উন্নয়নের পক্ষে বাধার প্রাচীর হয়ে দাঁড়াবে, তাদের লালকার্ড (Red Card) দেখানো উচিত আমাদের। পূবে তাকাও (Look East) এবং পূবে কাজ কর (Act East)-এর বদলে নয়া নীতি হল পূবে কাজ কর এবং প্রথমে কর উত্তর পূর্বে। রবিবার মেঘালয়ের শিলংয়ে (Shillong) এই কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন নর্থ-ইস্টার্ন কাউন্সিলের একটি বৈঠকে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তিনি ভাষণ দেন। সেই সময়ই তিনি উত্তর পূর্ব ভারতের দিকে বেশি করে নজর দেওয়ার ওপর জোর দেন। প্রসঙ্গত, ১৯৭২ সালে উদ্বোধন হয়েছিল নর্থ ইস্টার্ন কাউন্সিলের। এই কাউন্সিলের এবার সুবর্ণ জয়ন্তী উৎসব। সেই উৎসবে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জি কিষান রেড্ডি এবং নর্থ-ইস্টার্ন রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীরা।

    মোদি উবাচ…

    এদিন ওই অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নর্থ ইস্টার্ন কাউন্সিলের যখন সুবর্ণ জয়ন্তী চলছে, তখন দেশে চলছে আজাদি কা অমৃত মহোৎসব। নর্থ ইস্টার্ন অঞ্চলের আটটি রাজ্যকে প্রধানমন্ত্রী অষ্টলক্ষ্মী বলে উল্লেখ করেন প্রায়ই। এদিন তিনি বলেন, সরকারের উচিত এই অঞ্চলে আটটি ফাউন্ডেশন পিলার তৈরি করা। এই আটটি পিলার কী, তা নিজেই ব্যাখ্যা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, এই আটটি পিলার হল শান্তি, ক্ষমতা, পর্যটন, ৫ জি কানেক্টিভিটি, সংস্কৃতি, প্রাকৃতিক আবাদ, স্পোর্টস ও পোটেনসিয়াল।

    আরও পড়ুন: “অনার কিলিং- এর নামে প্রতিবছর এ দেশে শয়ে শয়ে মানুষ খুন হয়”, উদ্বেগ প্রকাশ প্রধান বিচারপতির

    উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলি যে তাঁর কাছে অবহেলিত নয়, এদিন তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমার সরকারের কাছে উত্তর-পূর্ব ও তার সীমান্ত এলাকা দেশের শেষ এলাকা নয়। এটা প্রতিরক্ষা ও সমৃদ্ধির গেটওয়ে। এই রাজ্যগুলি থেকে যে অন্যান্য দেশের সঙ্গে ভারতের ব্যবসা হয় এবং নিরাপত্তা বজায় থাকে, তাও এদিন মনে করিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, নর্থ-ইস্টে উন্নয়নের করিডর বানানোর ওপর জোর দিচ্ছি আমরা, সীমান্ত নিয়ে দ্বন্দ্বের জন্য নয়। মোদি বলেন, চলতি বছর উত্তর-পূর্বে পরিকাঠামো গড়ে তুলতে কেন্দ্র ৭ লক্ষ কোটি টাকা ব্যয় করছে। আট বছর আগে এর পরিমাণ ছিল ২ লক্ষ কোটি টাকারও কম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Nitin Gadkari: ২০২৪- এর মধ্যে ভারতের রাস্তা হবে যুক্তরাষ্ট্রের মতো, দাবি সড়ক পরিবহণ মন্ত্রীর

    Nitin Gadkari: ২০২৪- এর মধ্যে ভারতের রাস্তা হবে যুক্তরাষ্ট্রের মতো, দাবি সড়ক পরিবহণ মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র সরকার। পাশাপাশি, বৈদ্যুতিক যানবাহন সংক্রান্ত অগ্রগতিতেও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এমতাবস্থায়, গত শুক্রবার কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ি (Nitin Gadkari) জানান যে, ২০২৪ সাল শেষ হওয়ার আগে ভারতের সড়ক পরিকাঠামো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমান হবে।

    কী বলেন নিতিন? 

    এফআইসিসিআই- এর ৯৫ তম বার্ষিক সম্মেলনে ভাষণ দিতে গিয়ে নিতিন গড়কড়ি বলেন, “আমরা দেশে বিশ্বমানের সড়ক পরিকাঠামো তৈরি করেছি এবং প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে, ২০২৪ সাল শেষ হওয়ার আগে আমাদের সড়ক পরিকাঠামো আমেরিকার সমান মানের হবে।” পাশাপাশি, লজিস্টিকের খরচের বিষয়ে, নিতিন গড়কড়ি (Nitin Gadkari) জানান, ২০২৪ সালের শেষ নাগাদ এটি ৯ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে কেন্দ্র।” 

    কেন্দ্রীয়মন্ত্রী (Nitin Gadkari) বলেন, “আমাদের লজিস্টিক খরচ একটা বড় সমস্যা। বর্তমানে এই খরচ ১৬%। তবে আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে, ২০২৪ সালের শেষ নাগাদ আমরা সেই খরচ ৯ শতাংশে নামিয়ে আনব।” মন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা অন্যান্য বিকল্পগুলি গ্রহণ করে নির্মাণ কাজে স্টিলের ব্যবহার কমানোর চেষ্টা করছি। আমরা জানি যে নির্মাণ শিল্প কেবল পরিবেশ দূষণই ঘটায় না বরং বিশ্বের ৪০ শতাংশেরও বেশি পণ্য ও সম্পদ ব্যবহার করে।”

    আরও পড়ুন: ভারতে হামে আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার পার, মৃত্যু ৪০ জনের   

    নিতিন (Nitin Gadkari) বলেন, “আমরা সম্পদের ব্যয় কমানো এবং নির্মাণের মান উন্নত করার দিকে নজর দিচ্ছি। সিমেন্ট এবং ইস্পাত নির্মাণের প্রধান উপকরণ। তাই আমরা বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করে নির্মাণ কাজে স্টিলের ব্যবহার কমানোর চেষ্টা করছি।”  

    তিনি (Nitin Gadkari) আরও বলেন, “বর্তমানে ভারত নিজেকে শক্তি রপ্তানিকারক হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে। সবুজ হাইড্রোজেন অদূর ভবিষ্যতে শক্তির একটি প্রধান উৎস হবে। এই সবুজ হাইড্রোজেন ভবিষ্যতে বিমান চলাচল, রেলপথ, সড়ক পরিবহণ, রাসায়নিক এবং সার শিল্পে শক্তির একটি প্রধান উৎস।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

       

  • Bilkis Bano: সুপ্রিম কোর্টে খারিজ বিলকিস বানোর আর্জি

    Bilkis Bano: সুপ্রিম কোর্টে খারিজ বিলকিস বানোর আর্জি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) খারিজ হয়ে গেল বিলকিস বানোর (Bilkis Bano) আর্জি। সাজার মেয়াদ শেষের আগেই মুক্তি দেওয়া হয় বিলকিসের ধর্ষকদের। এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে দেশের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন বিলকিস। তাঁর তরফে রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি জানানো হয়। সুপ্রিম কোর্টের কাছে বিলকিসের আইনজীবী শোভার দাবি ছিল, ধর্ষণ ও খুনের মতো গুরুতর অপরাধে সাজাপ্রাপ্তদের মেয়াদ শেষের আগেই মুক্তির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হোক। আজ, শনিবার বিলকিস বানোর সেই আর্জি খারিজ করে দেয় দেশের শীর্ষ আদালত।

    বিলকিস ধর্ষণ মামলা…

    ১৫ অগাস্ট বিলকিস ধর্ষণ মামলায় ১১ জন সাজাপ্রাপ্তকে ছেড়ে দেয় গুজরাট সরকার। যাদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে, তারা প্রত্যেকেই ১৫ বছরেরও বেশি সময় জেলে ছিল। ঘটনার প্রতিবাদে সরব হন দেশের বিরোধী দলগুলির নেতারা। এরই মধ্যে দেশের শীর্ষ আদালতে রিভিউ পিটিশন দাখিল করেন বিলকিস। আর্জিতে তাঁর দাবি, শীর্ষ আদালতের নির্দেশ লঙ্ঘন করে ওই ১১ জন ধর্ষককে ছেড়ে দিয়েছে গুজরাট সরকার। যা সমাজের বিবেককে নাড়িয়ে দিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ২০২৪-লোকসভা নির্বাচনে রাজ্য থেকে অনেক বেশি আসন চান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, ২০০২ সালে গোধরাকাণ্ডের পর গুজরাটে (Gujarat) শুরু হয় হিংসা। ৩ মে দাহোড় জেলার দেবগড়ে ভয়াবহ হামলা হয়। গ্রামের বাসিন্দা পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বিলকিসকে (Bilkis Bano) গণধর্ষণ করা হয়। আছড়ে মেরে ফেলা হয় তাঁর তিন বছরের মেয়েকে। তাঁর পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্যকে হত্যা করা হয়। এই অপরাধকে বিরল থেকে বিরলতম আখ্যা দিয়ে কঠোর সাজার পক্ষে সওয়াল করেছিল সিবিআই (CBI)। ২০০৮ সালের ২১ জানুয়ারি মোট ১২ জনের বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দেয় সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত। মামলা চলাকালীন একজনের মৃত্যু হয়। মুক্তি দেওয়া হয় ১১ জনকে।

    বিলকিসের (Bilkis Bano) পিটিশনে বলা হয়েছে, দেশ যখন ৭৬তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করছিল, তখন সব সাজাপ্রাপ্তকে আগাম মুক্তি দেওয়া হয়েছে। প্রকাশ্যে তাদের মালা পরানো হয়েছিল। দেওয়া হয়েছিল সংবর্ধনা। মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছিল। তা থেকেই বর্তমান মামলাকারী (বিলকিস), পুরো দেশ ও দুনিয়া জানতে পারে যে দেশের অন্যতম জঘণ্য অপরাধে দণ্ডিতদের আগাম মুক্তি দেওয়া হয়েছে। যে ঘটনায় এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Kolar: কর্নাটকের কোলার সোনার খনি থেকে সোনা উত্তোলনের জন্যে দরপত্রের আহ্বান জানাতে চলেছে সরকার

    Kolar: কর্নাটকের কোলার সোনার খনি থেকে সোনা উত্তোলনের জন্যে দরপত্রের আহ্বান জানাতে চলেছে সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:দক্ষিণের রাজ্য কর্ণাটকে ঔপনিবেশিক যুগের খনিগুলির (Kolar) একটি ক্লাস্টারে ৫০০ লক্ষ টন প্রক্রিয়াজাত আকরিক থেকে সোনা উত্তোলনের জন্য দরপত্রের আহ্বান জানানোর পরিকল্পনা করছে সরকার। বৃহস্পতিবার এক সরকারি আধিকারিক এ কথা ঘোষণা করেন।

    কী পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার?

    বেঙ্গালুরুর প্রযুক্তি কেন্দ্রের প্রায় ৬৫ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত কোলার সোনা ক্ষেত্র দেশের প্রাচীনতম সোনার খনিগুলির (Kolar) মধ্যে অন্যতম। ২০ বছরেরও বেশি আগে বন্ধ হওয়া কোলার খনিগুলিতে প্রায় ২১০ কোটি টাকা মূল্যের সোনা রয়েছে। ভারত নতুন প্রযুক্তির সাহায্যে অতীতে প্রক্রিয়াজাত করা আকরিকের অবশিষ্টাংশ থেকেও সোনা বের করতে আগ্রহী।   

    ওই সরকারি আধিকারিক বলেন, “সোনা ছাড়াও, সরকার প্রক্রিয়াজাত আকরিক বা ডাম্প থেকে প্যালাডিয়াম নিষ্কাশনেরও পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। প্রক্রিয়াজাত আকরিকে আটকে থাকা সোনা কীভাবে নিষ্কাশন (Kolar) করা যায়, তার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।” 

    আরও পড়ুন: দিল্লিতে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে দোতলার বারান্দা থেকে নিচে ফেলে দিলেন শিক্ষিকা

    তিনি আরও বলেন, “সরকার আগামী চার থেকে ছয় মাসের মধ্যে দরপত্র আহ্বান করবে বলে আশা করা হচ্ছে। আমাদের একমাত্র সীমাবদ্ধতা হল শুধুমাত্র বিদেশি কোম্পানিগুলির প্রক্রিয়াজাত আকরিক থেকে সোনা নিস্কাশন (Kolar) করার প্রযুক্তি এবং অভিজ্ঞতা আছে। আমাদের তা নেই। তবে বিদেশি কোম্পানিগুলি স্থানীয় কোম্পানিগুলির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে পারে। এমনকি একটি কনসোর্টিয়াম গঠন করতে পারে।” 

    প্রসঙ্গত, জুলাই মাসে ভারত বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে এবং মুদ্রাস্ফীতির সমস্যা মেটাতে সোনা আমদানির উপর শুল্ক ৭.৫% থেকে বাড়িয়ে ১২.৫% করেছে। কোলার (Kolar) মুলত সোনার খনির জন্য খ্যাত। ভারতের অন্যতম প্রাচীন ও প্রধান সোনার খনি কোলারে অবস্থিত। পরাধীন ভারতে সোনার খনিকে কেন্দ্র করে কোলারে জনপদ গড়ে উঠেছিল। ২০০১ সালে খনি বন্ধ হওয়ার আগে দেড়শো বছর ধরে সোনা তোলা হয়েছিল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     

     

     

     

  • Kiren Rijiju: ফের কলেজিয়ামকে নিশানা কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রীর! কী বললেন, জানেন?

    Kiren Rijiju: ফের কলেজিয়ামকে নিশানা কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রীর! কী বললেন, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিচারপতি (Judges) নিয়োগের নয়া ব্যবস্থা তৈরি না হলে উচ্চ আদালতে (High Court) শূন্য পদের সমস্যা মিটবে না। পুরানো মামলার পাহাড়ও কমানো যাবে না। শুক্রবার রাজ্যসভায় এই কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী কিরেন রিজিজু (Kiren Rijiju)। মাসখানেক আগে দেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন ধনঞ্জয় ওয়াই চন্দ্রচূড়। তখন থেকেই কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রিজিজু বিচারপতি নিয়োগের যে কলেজিয়াম ব্যবস্থা রয়েছে, তার সমালোচনা করতে শুরু করেছেন। এদিনও কলেজিয়ামকেই ফের একবার নিশানা করেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী। এর আগে বৃহস্পতিবারও তিনি বলেছিলেন, এত মামলা যখন ঝুলে রয়েছে, তখন জামিনের আর্জি শোনা উচিত নয় সুপ্রিম কোর্টের।

    শূন্যপদের সংখ্যা…

    এদিন রাজ্যসভায় মোদি (PM Modi) সরকারের আইনমন্ত্রী বলেন, আদালতে বকেয়া মামলার সমস্যা মিটছে না। শূন্য পদ রয়েছে। কিন্তু বিচারপতি নিয়োগে কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা সীমিত। সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়ামই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। আদালতে ছুটির তালিকা যে দীর্ঘ, এদিন তারও উল্লেখ করেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী। রিজিজু বলেন, সুপ্রিম কোর্টে বছরে ১৪১ দিন, হাইকোর্টগুলিতে বছরে ১৫৫ দিন ছুটি থাকে। অনেক দিন ছুটি থাকায় মানুষের বিচার পেতে সমস্যা হচ্ছে। শুধু আইনমন্ত্রী নন, সংসদের চলতি অধিবেশনের প্রথম দিন রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিয়ে উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ও বিঁধেছিলেন বিচার বিভাগকে।

    আরও পড়ুন: নবান্নে বৈঠকে মমতা-শাহ, কারণ কি জানেন?

    সংসদে পাশ হওয়ার পরেও জাতীয় বিচারপতি নিয়োগ কমিশন আইন খারিজ করে দেওয়ার জন্য দেশের শীর্ষ আদালতের সমালোচনাও করেছিলেন তিনি। কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে মামলার সংখ্যা পাঁচ কোটির কাছাকাছি। তিনি বলেন, এর অনেক কারণ রয়েছে। তবে তার মধ্যে প্রধান কারণটি হল, বিচারপতি নিয়োগ এবং শূন্যপদ পূরণ। জানা গিয়েছে, ডিসেম্বরের ১২ তারিখ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট, ডিস্ট্রক্ট এবং লোয়ার কোর্টগুলিতে বিচারপতি ও বিচারক মিলিয়ে রয়েছেন ১৯ হাজার ১৯২ জন। যদিও পদ রয়েছে ২৫ হাজার ১১টি। ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আদালতে পিটিশন জমা পড়ে রয়েছে ৫৯.৫৬ লক্ষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • BJP: ‘এটা রাহুলের প্রপিতামহ নেহরুর ভারত নয়’, কেন একথা বললেন বিজেপি নেতা?

    BJP: ‘এটা রাহুলের প্রপিতামহ নেহরুর ভারত নয়’, কেন একথা বললেন বিজেপি নেতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এটা রাহুলের প্রপিতামহ নেহরুর (Nehru) ভারত (India) নয়, যিনি ৩৭ হাজার ২৪২ কিলোমিটার হারিয়েছিলেন চিনের (China) কাছে। এই ভাষায়ই কংগ্রেস (Congress) নেতা রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) আক্রমণ শানালেন বিজেপির (BJP) মুখপাত্র রাজ্যবর্ধন রাঠোর। তাওয়াংয়ে ভারত-চিন সংঘাত নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই কেন্দ্রকে নিশানা করেছে বিরোধী দলগুলি। এ নিয়ে কেন্দ্রকে আক্রমণ করেছেন রাহুল গান্ধীও। তাঁর দাবি, চিন যখন যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে, তখনও কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও উদ্বেগ নেই। সরকার বিষয়টিতে গুরুত্বই দিচ্ছে না। রাহুলের এহেন মন্তব্যেরই পাল্টা দিল বিজেপি।

    রাহুলকে নিশানা…

    বর্তমানে ভারত জোড় যাত্রা কর্মসূচি পালন করছেন রাহুল গান্ধী। এদিন তাঁকেই নিশানা করেন বিজেপির মুখপাত্র রাজ্যবর্ধন রাঠোর। তিনি বলেন, রাহুল গান্ধী চিনের এতটাই কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছেন যে তিনি বুঝে যাচ্ছেন, চিন এবার কী করবে। রাহুলকে মুখের মতো জবাব দিতে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর প্রসঙ্গ টানেন বিজেপির মুখপাত্র। ১৯৬২-র ভারত-চিন যুদ্ধের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ভারত জোড় যাত্রা চলাকালীন রাহুল গান্ধী দেশের নিরাপত্তা ও সীমান্ত নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য করেছেন, যাতে দেশের সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে যায়। এর পরেই তিনি বলেন, এটা রাহুলের প্রপিতামহ নেহরুর ভারত নয়, যিনি ৩৭ হাজার ২৪২ কিলোমিটার হারিয়েছিলেন চিনের কাছে। চিনের কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে কংগ্রেসের চুক্তি হয়েছে বলেও দাবি করেন রাঠোর। তিনি বলেন, সোনিয়া গান্ধীর নেতৃত্বাধীন রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশন চলে চিনের টাকায়। তার পরেই চিনা কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে কংগ্রেসের চুক্তির হয়েছে বলে মন্তব্য করেন বিজেপির (BJP) মুখপাত্র।

    আরও পড়ুন: ২০২৪-লোকসভা নির্বাচনে রাজ্য থেকে অনেক বেশি আসন চান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    রাঠোর বলেন, কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন একাধিকবার দখলদারির চেষ্টা করেছিল চিন। তিনি জানান, নরেন্দ্র মোদির আমলে সীমান্তে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে তিনগুণ। প্রসঙ্গত, অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াংয়ে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা এলাকায় হাতাহাতি হয় চিনা ফৌজের সঙ্গে ভারতীয় সেনার। এই প্রসঙ্গেই রাহুল বলেছিলেন, লাদাখের কাছে আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে চিন। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার ঘুমিয়ে রয়েছে। এর পরেই রাহুলকে একহাত নেয় বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Bilawal Bhutto Zardari: প্রধানমন্ত্রীকে ‘বেনজির’ আক্রমণ, বিলাওয়ালের কুশপুতুল পোড়াবে বিজেপি

    Bilawal Bhutto Zardari: প্রধানমন্ত্রীকে ‘বেনজির’ আক্রমণ, বিলাওয়ালের কুশপুতুল পোড়াবে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে (UNSC) বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) বেনজির ভাষায় আক্রমণ করেছিলেন বেনজির-পুত্র, পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি (Bilawal Bhutto Zardari)। পাক বিদেশমন্ত্রীর এহেন মন্তব্যের বিরুদ্ধে পথে নামছে বিজেপি। আজ, শনিবার দেশজুড়ে জানানো হবে প্রতিবাদ। পোড়ানো হবে বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির কুশপুতুলও। প্রসঙ্গত, বিলাওয়াল প্রাক্তন পাক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি ও সে দেশের নিহত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোর ছেলে।

    বিজেপির কর্মসূচি…

    এদিনের কর্মসূচি নিয়ে বিজেপির তরফে জারি করা হয়েছে প্রেস বিজ্ঞপ্তি। তাতে বলা হয়েছে, দিল্লি সহ দেশের সবকটি রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের রাজধানীতে বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে এও বলা হয়েছে, বিজেপির কার্যকর্তারা পাকিস্তান ও পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রীর কুশপুতুল দাহ করবেন। এভাবেই পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রীর মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করা হবে। শুক্রবার দিল্লিতে পাক হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা।

    আরও পড়ুন: মোদির বিরুদ্ধে তীব্র আপত্তিকর মন্তব্য বিলাওয়াল ভুট্টোর, ‘অসভ্য’ বলল ভারত

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি (Bilawal Bhutto Zardari)। সেখানেই তিনি বলেন, ওসামা বিন লাদেন নিহত হয়েছেন। কিন্তু গুজরাটের কসাই এখনও জীবিত। তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ঘটনাচক্রে এদিনই ছিল বাংলাদেশ যুদ্ধে ভারতীয় সেনার নেতৃত্বাধীন যৌথ বাহিনীর বিজয় দিবস। এমন একটি দিনে আমেরিকার মাটিতে দাঁড়িয়ে বিলাওয়ালের ওই মন্তব্যের জেরে দেশজুড়ে হয় সমালোচনা। এদিনই ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা হয় বিবৃতি। তাতে মনে করিয়ে দেওয়া হয়, বিলাওয়ালের দাদু জুলফিকর আলি ভুট্টোর প্রধানমন্ত্রিত্বের সময়ই পাকিস্তানে ধর্ষণ, হত্যালীলা চালিয়েছিল পাক সেনা।

    বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতিতে এও বলা হয়েছে, পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রীর মন্তব্যে তাঁর মানসিক দেউলিয়াপনা এবং দায়িত্বজ্ঞানহীনতা প্রকাশ পেয়েছে। পাকিস্তান এমন একটি দেশ যেটি ওসামা বিন লাদেনকে শহিদ হিসাবে মানে এবং লাখভি, হাফিজ সাইদ, মাসুদ আজহার, সাজিদ মীর এবং দাউদ ইব্রাহিমের মত সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দেয়। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রীর মন্তব্য তাদের দেশের মানের তুলনায় বেশ নিচু।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share