Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Rajnath Singh: ‘‘এটা তো ব্যঙ্গাত্মক নয়, স্বীকারোক্তি’’! মুনিরের ‘ফেরারি’ মন্তব্যের পাল্টা কটাক্ষ রাজনাথের

    Rajnath Singh: ‘‘এটা তো ব্যঙ্গাত্মক নয়, স্বীকারোক্তি’’! মুনিরের ‘ফেরারি’ মন্তব্যের পাল্টা কটাক্ষ রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের দেশ পাকিস্তানকে ‘নুড়িবোঝাই ট্রাক’ আর ভারতকে নয়া ‘মার্সিডিজ’ গাড়ির সঙ্গে তুলনা করেছিলেন পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনির। শুক্রবার একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এবার তার পাল্টা দিলেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। জানালেন, মুনিরের কথা ব্যঙ্গ করার মতো নয়। কারণ, সেটা আসলে স্বীকারোক্তি। পাকিস্তান কতটা দুর্বল, ওই মন্তব্যের মাধ্যমে জেনে বা না-জেনে তা স্বীকার করে নিয়েছেন মুনির।

    ব্যঙ্গ নয় স্বীকারোক্তি

    সম্প্রতি আমেরিকার মাটিতে দাঁড়িয়ে ভারতকে ফেরারি গাড়ির সঙ্গে তুলনা করে ট্রাক দিয়ে পিষে ফেলার মন্তব্য করেন তিনি। যা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক শোরগোল তৈরি হয়। শুক্রবার এর জবাব দেন রাজনাথ। প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘‘ভাবতেও অবাক লাগে, সবাই নাকি বলে দুটি দেশের স্বাধীনতা একই সময়ে। কিন্তু ভারত যেখানে রাস্তায় ফেরারির মতো গাড়ি চালাচ্ছে, সেখানে পাকিস্তান হাল আমলের ট্রাকেই পড়ে আছে। যদি পাশাপাশি দু’টি দেশ একসঙ্গে স্বাধীনতা পেয়ে থাকে, একটি দেশ পরিশ্রম, সঠিক নীতি এবং দূরদৃষ্টির মাধ্যমে ঝাঁ-চকচকে গাড়ির মতো অর্থনীতি তৈরি করে থাকে এবং অপর দেশটি ব্যর্থতাতেই আটকে থাকে, তবে এটা তাদের কৃতকর্মের ফল। এটা তো ব্যঙ্গাত্মক কিছু নয়। এটাই তো স্বীকারোক্তি।’’

    আধুনিক অস্ত্রে আত্মনির্ভর ভারত

    আমেরিকা থেকে পরমাণু হামলার হুমকি দিয়ে মুনির জানিয়েছিলেন, পাকিস্তান যদি ধ্বংস হয়, তবে অর্ধেক পৃথিবীকে নিয়ে ধ্বংস হবে। সেই ক্ষমতা পাকিস্তানের আছে। এ প্রসঙ্গে রাজনাথ বলেন, ‘‘আমাদের সঙ্কল্প ইতিমধ্যে দেখিয়ে দিয়েছে ‘অপারেশন সিঁদুর’। ভারতের শক্তি নিয়ে আমরা পাকিস্তানের মনে কোনও ভ্রান্ত ধারণা গড়ে উঠতে দেব না।’’ ভারতের প্রতিরক্ষার অগ্রগতির কথা বলতে গিয়ে রাজনাথ (Rajnath Singh) তেজস যুদ্ধবিমানের প্রসঙ্গ তুলেছেন। তাঁর কথায়, ‘‘আমাদের দেশীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতার অসাধারণ একটা উদাহরণ হতে চলেছে তেজস। এ ছাড়া পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান এবং ইঞ্জিন গড়ার ক্ষেত্রেও আমরা পদক্ষেপ করেছি।’’

    মুনিরের মন্তব্য নির্বুদ্ধিতার পরিচয়

    উল্লেখ্য, একই সঙ্গে স্বাধীন হয়েছিল ভারত-পাকিস্তান। তারপর থেকে ধীরে ধীরে গণতন্ত্রকে হাতিয়ার করে এগিয়ে গিয়েছে ভারত। নিজেদের পরিশ্রম-মেধা দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে চলেছে ভারতবাসী। মোদি সরকারের চেষ্টায় আত্মনির্ভর ভারত এখন সারা বিশ্বে দাগ কাটছে। বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হতে চলেছে ভারত। সেখানে দিনে দিনে দারিদ্রে ঢাকা পড়ছে পাকিস্তান। তাই মুনিরের সাম্প্রতিক মন্তব্য নির্বুদ্ধিতার পরিচয়। গত জুলাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন পাক সেনা প্রধান অসীম মুনির। মার্কিন শিল্পপতির ডাকা নৈশভোজে উপস্থিত হয়ে মুনির বলেছিলেন, ‘‘ভারত ঝা- চকচকে মার্সিডিজ গাড়ির মতো। পাকিস্তান হল বড় নুড়িবোঝাই ট্রাক। দুইয়ের সংঘর্ষে কী পরিণতি হবে, তা সকলের জানা।’’ কিন্তু এদিন রাজনাথ সিংয়ের এই কথার মাধ্যমে স্পষ্ট যে, আদতে ভারতকে ফেরারি গাড়ির সঙ্গে তুলনা করে পাক সেনাপ্রধান অসীম মুনির নিজের দেশের ব্যর্থতাকেই স্বীকার করে নিলেন। পাকিস্তান যে এখনও পিছিয়ে রয়েছে তা মুনিরের কথাতেই স্পষ্ট।

  • PM Modi: “সরকারি কর্মীর চাকরি গেলে মুখ্যমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী পদে থাকবেন কেন?”, প্রশ্ন মোদির

    PM Modi: “সরকারি কর্মীর চাকরি গেলে মুখ্যমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী পদে থাকবেন কেন?”, প্রশ্ন মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যদি কোনও সরকারি কর্মচারী ৫০ ঘণ্টা জেলে থাকেন, তাঁর চাকরি চলে যায়। কিন্তু মন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী এমনকি প্রধানমন্ত্রীও জেল থেকে সরকার চালাতে পারেন!” শুক্রবার ভোটমুখী বিহারের গয়ায় আয়োজিত এক জনসভায় (Jailed Ministers) এমনই মন্তব্যই করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    ১৩০তম সংবিধান সংশোধনী বিল (PM Modi)

    প্রসঙ্গত, লোকসভায় ১৩০তম সংবিধান সংশোধনী বিল পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিহারের ওই জনসভা থেকে তা নিয়ে এবার মুখ খুললেন খোদ প্রধানমন্ত্রী। সরকারি কর্মচারীদের দৃষ্টান্ত দিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, “কেন জেলে থাকলে মন্ত্রিত্ব খোয়া যাবে না?” জেল থেকে সরকার চালানোর সাম্প্রতিক নজিরও তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে কারও নাম নেননি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কিছু দিন আগে আমরা দেখেছি, কীভাবে জেলে বসে ফাইলে সই করা হচ্ছিল। সরকারের নির্দেশিকা কীভাবে জেল থেকে জারি করা হচ্ছিল। নেতারাই যদি এমন আচরণ করেন, তবে আমরা কীভাবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করব?” তিনি বলেন, “এনডিএ সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইন এনেছে। এই আইনের আওতায় প্রধানমন্ত্রীও রয়েছেন।” এর পরেই তিনি বলেন, “যদি কোনও সরকারি কর্মচারী ৫০ ঘণ্টা জেলে থাকেন, তাঁর চাকরি চলে যায়। তা তিনি গাড়ির চালক হোন, কেরানি হোন কিংবা পিয়ন। কিন্তু মন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী এমনকি প্রধানমন্ত্রীও জেল থেকে সরকার চালাতে পারেন!”

    প্রধানমন্ত্রীর নিশানায় কারা

    প্রসঙ্গত, আবগারি কেলেঙ্কারি মামলায় দিল্লির তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা না দিয়ে জেলে বসেই সরকার পরিচালনা করেছিলেন তিনি। মাস ছয়েক পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে জামিন পান কেজরিওয়াল। তারপর তিনি মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দায়িত্ব তুলে দেন অতীশীর হাতে। প্রধানমন্ত্রী এদিন সেই ঘটনারই ইঙ্গিত দিয়েছেন বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদবকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা আগেও দেখেছি, কীভাবে জেল থেকে বসে সরকার চালানো হয়। একের পর এক ফাইলে সই করা হয়। নেতারাই যদি এরকম হন, তাহলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই চালানো অসম্ভব।” তিনি বলেন, “সংবিধান অনুযায়ী প্রত্যেক জনপ্রতিনিধির নৈতিক হওয়া প্রয়োজন। সেই কারণেই আমাদের সরকার এমন একটি আইন আনতে চলেছে, যার নজরদারিতে খোদ প্রধানমন্ত্রীও থাকবেন।”

    উল্লেখ্য, (PM Modi) বুধবার সংসদে ১৩০তম সংবিধান সংশোধনী বিল-সহ আরও দু’টি বিল পেশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ওই বিলে বলা হয়েছে, কোনও গুরুতর অপরাধে যদি কোনও মন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী কিংবা দেশের প্রধানমন্ত্রীকে ৩০ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত (Jailed Ministers), তাহলে ঠিক ৩১ দিনের মাথায় পদ থেকে সরে যেতে হবে ওই মন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী কিংবা প্রধানমন্ত্রীকে (PM Modi)।

  • PM Modi in Bihar: ‘‘অনুপ্রবেশকারীদের সমর্থনে গলা ফাটাচ্ছে যারা…’’, বিহার থেকেই তৃণমূলকে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি মোদির

    PM Modi in Bihar: ‘‘অনুপ্রবেশকারীদের সমর্থনে গলা ফাটাচ্ছে যারা…’’, বিহার থেকেই তৃণমূলকে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারের জনসভা থেকে অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গে বাংলার তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) সরকারকে স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ারি দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi in Bihar)। শুক্রবার বঙ্গে আসার আগে গয়ার (Gaya) এক সভা থেকেই মোদি তাঁর ভাষণে বাংলাকে ইঙ্গিত দিয়ে অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের (Infiltrators) দেশ থেকে তাড়ানোর সংকল্পের কথা জানিয়ে দেন। বিহারের মাটিতে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন, এরপর খুব শীঘ্রই জাতিগত জনসংখ্যা গণনা দিকে পা বাড়াবে কেন্দ্র।

    দেশের অন্যতম বড় সমস্যা অনুপ্রবেশ

    বিহারের জনসভা থেকে অনুপ্রবেশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi in Bihar) বলেন, ‘‘দেশের এক অন্যতম বড় সমস্যা হল অনুপ্রবেশের। বহু জায়গাতেই দ্রুত বদলে যাচ্ছে জনসংখ্যা বিন্যাস। বিশেষ করে বিহারের সীমানা জেলাগুলিতে। আমি চাই না বিহারের তরণ প্রজন্মের উপার্জনের পথ অনুপ্রবেশকারীরা বন্ধ করে দিক। তাই যে সব দল এই অনুপ্রবেশকারীদের সমর্থনে গলা ফাটাচ্ছে, তাদের চিনে রাখুন।’’ মোদির কথায়, ‘‘দেশে অবৈধ অভিবাসীদের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা উদ্বেগের বিষয়। বিহারের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে, জনসংখ্যার চিত্র দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। এনডিএ সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে অবৈধ অভিবাসীদের আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে দেওয়া হবে না। আমরা অভিবাসীদের বিহারের জনগণের জন্য নির্ধারিত চাকরি কেড়ে নিতে দেব না…।’’

    মানুষকে সজাগ থাকার বার্তা

    বিহারের মানুষকে সতর্ক করে দিয়ে মোদি (PM Modi in Bihar) বলেন, ‘‘আপনারাও সজাগ থাকবেন যাতে কোনও অনুপ্রবেশকারী আপনাদের হক ছিনিয়ে না নিতে পারে। কোন কোন দল অনুপ্রবেশকারীদের পক্ষ নিচ্ছে, তাদের চিহ্নিত করুন। ভোটব্যাঙ্ক বাড়াতে কংগ্রেস-আরজেডি সবকিছু করতে পারে। ওরা যে কোনও স্তরে নেমে যেতে পারে। বিহারকে ওদের অশুভ দৃষ্টি থেকে বাঁচাতেই হবে। রাজ্যের মানুষের কাছে এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ সময়।’’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘জনংখ্যা বিন্যাস সংক্রান্ত এই হুমকি মোকাবিলা করার জন্য, আমি একটি জনসংখ্যাতাত্ত্বিক মিশন শুরু করার প্রস্তাব করেছি। এই মিশন শীঘ্রই তার কাজ শুরু করবে। আমরা প্রতিটি অবৈধ অভিবাসীকে বহিষ্কার করব… বিহারের জনগণকে দেশের এই অভিবাসীদের সমর্থকদের সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে… কংগ্রেস এবং আরজেডি বিহারের জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে চায় এবং তুষ্টির জন্য এবং তাদের ভোট ব্যাংক বাড়ানোর জন্য অভিবাসীদের হাতে তুলে দিতে চায়।’’

    অশ্বত্থ পাতায় মোদিকে স্বাগত

    পশ্চিমবঙ্গ সফরের আগে শুক্রবার বিহারে (Bihar) জনসভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। এদিন বিহারের খ্যাতনামা স্যান্ড আর্টিস্ট মধুরেন্দ্র (Sand Artist Madhurendra) এক অভিনব পদ্ধতিতে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। বিহারের গয়া জি-তে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে স্বাগত জানাতে অশ্বত্থ পাতায় (Peepal Leaf) তাঁর ছবি খোদাই করেছেন মধুরেন্দ্র। মোদির সঙ্গে গৌতম বুদ্ধের (Gautam Buddha) প্রতিচ্ছবি এবং দুটি ট্রেনের প্রতিচ্ছবিও রয়েছে। এই অভিনব শিল্পকর্ম দিয়েই গয়ার ঐতিহ্য ও প্রধানমন্ত্রীর সফরকে একসঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করেছেন শিল্পী। সোশ্যাল মিডিয়ায় মধুরেন্দ্র তাঁর ভিডিও শেয়ার করেছেন। তাঁর কথায়, ‘‘গয়া হল শান্তি ও আধ্যাত্মিকতার ভূমি। তাই বুদ্ধমূর্তি ও উন্নয়নের ভাবনাকে একসঙ্গে মিশিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে চেয়েছি।’’

  • Japan: আগামী ১০ বছরে ভারতে ৬৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার লগ্নি করার পরিকল্পনা জাপানের, ঘোষণা কবে?

    Japan: আগামী ১০ বছরে ভারতে ৬৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার লগ্নি করার পরিকল্পনা জাপানের, ঘোষণা কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় চার নম্বরে রয়েছে ভারত। তার ঠিক আগেই রয়েছে এশিয়া মহাদেশেরই দেশ জাপান (Japan)। সেই জাপান সরকারই আগামী ১০ বছরে ভারতের বেসরকারি খাতে বিনিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা দ্বিগুণ করে ১০ ট্রিলিয়ন ইয়েন অর্থাৎ ৬৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার করার পরিকল্পনা করছে। টোকিও থেকে প্রকাশিত দ্য আসাহি শিম্বুন পত্রিকার প্রতিবেদনেই মিলেছে এই খবর। জানা গিয়েছে, জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ২৯ অগাস্ট টোকিওয় বৈঠকের সময় এই নয়া লক্ষ্যমাত্রা নিশ্চিত করবেন। এই পরিকল্পনা জাপানের বর্তমান লক্ষ্যমাত্রাকে আরও প্রসারিত করবে। ২০২২ সালের মার্চে ভারত সফরের সময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা ভারতে ৫ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের কথা ঘোষণা করেছিলেন।

    তিন দিনের জন্য জাপান সফরে মোদি (Japan)

    দুই দেশের দুই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের পর যে যৌথ বিবৃতি দেওয়া হবে, তাতে এই নয়া বিনিয়োগ লক্ষ্যমাত্রার কথা অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি ২৯ অগাস্ট থেকে তিন দিনের জন্য জাপান সফরে যাবেন। এটি হবে ২০২৩ সালের মে মাসে হিরোশিমায় অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনে অংশগ্রহণের পর তাঁর প্রথম জাপান সফর। জাপানি ব্যবসায়ীরা এরপর থেকে গড়ে প্রতি অর্থবর্ষে প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন (জাপানি মুদ্রা) ভারতে বিনিয়োগ করেছে। সরকার নয়া লক্ষ্যমাত্রা আপডেট করে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ আরও উৎসাহিত করার পরিকল্পনা করছে বলে ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। দুই দেশ যৌথভাবে একটি অর্থনৈতিক নিরাপত্তা উদ্যোগ চালু করার পরিকল্পনাও করছে। এটি হবে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার একটি নতুন কাঠামো, যা অর্থনৈতিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবে – যেমন গুরুত্বপূর্ণ উপকরণের স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং মূল পরিকাঠামোর সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

    অগ্রাধিকার যেসব ক্ষেত্রে

    এই উদ্যোগে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে মূল খাতগুলিতে, যেমন, সেমিকন্ডাক্টর, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, টেলিযোগাযোগ, জ্বালানি, ওষুধশিল্প এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সহ বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্র। ওই সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশেষভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ও স্টার্টআপ খাতে সহযোগিতা এগিয়ে নিতে একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সহযোগিতা উদ্যোগ গঠন করা হবে। এর পাশাপাশি, ডিজিটাল পার্টনারশিপ ২.০ নামে একটি প্রকল্পও চালু করা হবে, যা উৎপাদনশীলতার বাইরে অর্থনৈতিক সহযোগিতা প্রসারিত করে উদীয়মান প্রযুক্তি খাত, যেমন সেমিকন্ডাক্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও স্টার্টআপকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে (Japan)।

    জানা গিয়েছে, জাপান ও ভারত একটি যৌথ বিবৃতি জারি করবে ‘এনার্জি ডায়ালগ’ নিয়ে। এর উদ্দেশ্য হল দুই দেশের সহযোগিতা মজবুত করা, যাতে একইসঙ্গে ডিকার্বনাইজেশন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং জ্বালানি নিরাপত্তা অর্জন করা যায়। দুই দেশই যৌথ ক্রেডিটিং ব্যবস্থা চালুর ঘোষণা করতে পারে। এটি (PM Modi) একটি দ্বিপাক্ষিক কাঠামো, যার মাধ্যমে জাপান ও ভারতের মধ্যে তার গ্রিনহাউস গ্যাস হ্রাসকারী প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিয়ে অর্জিত কার্বন নিঃসরণ কমানোর কৃতিত্বকে নিজেদের নির্ধারিত লক্ষ্যপূরণের অংশ হিসেবে গণনা করতে পারবে (Japan)।

  • Assam: সেপ্টেম্বরের পর থেকে অসমে আধার কার্ড পাবেন না প্রাপ্তবয়স্করা, নেপথ্যে রয়েছে এই বিশেষ কারণ

    Assam: সেপ্টেম্বরের পর থেকে অসমে আধার কার্ড পাবেন না প্রাপ্তবয়স্করা, নেপথ্যে রয়েছে এই বিশেষ কারণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুপ্রবেশকারী রুখতে নয়া পদক্ষেপ অসম (Assam) সরকারের। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে অসমে ১৮ বছরের বেশি বয়সি কোনও ব্যক্তি নতুন আধার কার্ড পাবেন না। তবে তফশিলি জাতি, উপজাতি এবং চা-শ্রমিক সম্প্রদায়ের মানুষের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে না। ২১ অগাস্ট অসম সরকার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানান, অনুপ্রবেশকারীরা যেন বেআইনি উপায়ে আধার কার্ড (AADHAAR) সংগ্রহ করতে না পারে, তাই এই পদক্ষেপ। অন্য যে কেউ, যাদের বয়স ১৮ বছরের বেশি, নতুন আধার কার্ড করতে চাইলে তাঁদের জেলা কালেক্টরের অনুমোদন নিতে হবে।

    সুযোগ মিলবে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত (Assam)

    তিনি জানান, সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত এই সুযোগ খোলা থাকবে, অর্থাৎ যাঁরা এখনও আধার কার্ড করেননি তাঁরা আগামী মাসের মধ্যে আবেদন করতে পারবেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যাতে কোনও অনুপ্রবেশকারী অসম থেকে আধার কার্ড সংগ্রহ করতে না পারে। বর্তমানে অসমে আধার কার্ডের সংখ্যা ১০৩ শতাংশ। তাই এসসি, এসটি এবং চা-বাগান সম্প্রদায় ছাড়া অন্য কোনও প্রাপ্তবয়স্ক নতুন আবেদনকারী হলে তাঁকে অবশ্যই জেলা কালেক্টরের অনুমোদন নিতে হবে।” তিনি জানান, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে অসমে ১৮ বছরের বেশি বয়সি কোনও ব্যক্তি নতুন আধার কার্ড পাবেন না। তবে এসসি, এসটি এবং চা-শ্রমিক সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে না। যদি কেউ জেলা কালেক্টরের কাছে নতুন আধার কার্ডের জন্য আবেদন করেন, তবে জেলা কালেক্টরকে স্পেশাল ব্রাঞ্চ পুলিশের রিপোর্ট ও বিদেশি ট্রাইব্যুনালের রিপোর্ট যাচাই করে তারপর অনুমোদন দিতে হবে।

    ‘চিকেন্স নেক’ এলাকায় ষড়যন্ত্র!

    মুখ্যমন্ত্রী জানান, ভারতের বিরুদ্ধে একটি বড় ষড়যন্ত্র চলছে ‘চিকেন্স নেক’ এলাকায়। এই এলাকাটি উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে (Assam) মূল ভূখণ্ডকে যুক্ত করেছে। ২২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই চিকেন্স নেক অঞ্চলের অধিকাংশ বাসিন্দা মূলত বাংলাদেশ বা পূর্ব পাকিস্তান থেকে এসেছেন। এখন তাঁরা আইন অনুযায়ী ভারতীয় নাগরিক হলেও, তাঁদের মধ্যে সবসময়ই তাঁদের জন্মভূমির প্রতি একটা (AADHAAR) টান রয়ে গিয়েছে। এখন বাংলাদেশের কিছু কট্টরপন্থী ইসলামপন্থী সংগঠন এঁদের উস্কে দেওয়ার চেষ্টা করছে এবং “স্লিপার সেল” সক্রিয় করছে। তিনি বলেন, “আমরা আগুনের ওপর বসে আছি।” যতদিন বাংলাদেশ সঙ্গে কোনও সংঘাত নেই, ততদিন সব ঠিক আছে। কিন্তু যদি কোনও সংঘাত হয়, তবে বাংলাদেশ থেকে আসা এক বড় অংশের মানুষ (AADHAAR) আসলে কোন দিকে তাঁদের আনুগত্য দেখাবেন, সেটিই বড় প্রশ্ন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আগামী ২০ বছর অসমের (Assam) জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে এবং যে কোনও বিপদ এড়াতে খুব শক্তিশালী পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন।”

  • GST 2.0: জিএসটি-তে বড় পরিবর্তন! কেন্দ্রের প্রস্তাবে সায় মন্ত্রিগোষ্ঠীর, কমতে পারে বহু জিনিসের দাম

    GST 2.0: জিএসটি-তে বড় পরিবর্তন! কেন্দ্রের প্রস্তাবে সায় মন্ত্রিগোষ্ঠীর, কমতে পারে বহু জিনিসের দাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তির খবর। দেশে পণ্য ও পরিষেবা কর বা জিএসটি (GST) ব্যবস্থায় আসতে চলেছে বড় পরিবর্তন। বর্তমান চার-স্তরীয় কর কাঠামোর বদলে দুটি প্রধান স্তরে জিএসটি আনার যে প্রস্তাব কেন্দ্র দিয়েছিল, তা গ্রহণ করেছে রাজ্যের অর্থমন্ত্রীদের নিয়ে গঠিত মন্ত্রিগোষ্ঠী (GoM)। এই নতুন ব্যবস্থা চালু হলে দৈনন্দিন ব্যবহারের বহু জিনিসের দাম কমতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে, যা মধ্যবিত্ত এবং সাধারণ মানুষের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বিহারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত এই মন্ত্রিগোষ্ঠী কেন্দ্রের প্রস্তাবে সায় দেওয়ায় জিএসটি ২.০-এর (GST 2.0) পথ প্রশস্ত হল। এই সংস্কারের মূল উদ্দেশ্য হল কর ব্যবস্থাকে আরও সহজ, সরল এবং স্বচ্ছ করে তোলা, যাতে ব্যবসায়ী এবং সাধারণ মানুষ উভয়েরই সুবিধা হয়।

    নতুন জিএসটি কাঠামো

    জিএসটি-র এই নতুন ব্যবস্থায় মূলত দুটি করের হার থাকবে ৫% এবং ১৮%। বর্তমানে দেশে চারটি প্রধান জিএসটি হার রয়েছে: ৫%, ১২%, ১৮% এবং ২৮%। নতুন কাঠামোয় ১২% এবং ২৮% -এই দুটি স্তরকে পুরোপুরি তুলে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে করের হিসাব রাখা এবং রিটার্ন ফাইল করা অনেক সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    কোন জিনিস কোন স্তরে

    যে সমস্ত পণ্যের উপর বর্তমানে ১২% হারে জিএসটি (GST 2.0) নেওয়া হয়, তার প্রায় ৯৯% জিনিসই নতুন ব্যবস্থায় ৫% করের আওতায় চলে আসবে। এর মধ্যে ওষুধ, প্রক্রিয়াজাত খাবার, পোশাক, জুতো এবং অন্যান্য গৃহস্থালির প্রয়োজনীয় সামগ্রী থাকতে পারে। একইভাবে, যে সমস্ত পণ্যের উপর এখন ২৮% কর বসে, তার প্রায় ৯০% জিনিসপত্র ১৮%-এর স্তরে নেমে আসবে। এর ফলে বড় টেলিভিশন, ফ্রিজ, এয়ার কন্ডিশনার এবং অন্যান্য বৈদ্যুতিন সরঞ্জামের দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ক্ষতিকর ও বিলাসবহুল পণ্য

    সাধারণ মানুষের ব্যবহৃত পণ্যে করের বোঝা কমানো হলেও, ক্ষতিকর এবং অতি-বিলাসবহুল কিছু পণ্যের উপর বাড়তি কর চাপানোর প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে তামাকজাত দ্রব্য, অ্যালকোহল, বিলাসবহুল গাড়ি ইত্যাদি। এই ধরনের ‘সিন গুডস’ বা ক্ষতিকর পণ্যের উপর সর্বোচ্চ ৪০% পর্যন্ত কর বসানো হতে পারে। এর উদ্দেশ্য হল একদিকে যেমন এই সব পণ্যের ব্যবহার কমানো, তেমনই সরকারের রাজস্ব আদায়ও নিশ্চিত করা।

    সাধারণ মানুষের জীবনে কী প্রভাব

    এই প্রস্তাব আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে চলা জিএসটি (GST Reform) কাউন্সিলের বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে। সেখানে কেন্দ্র ও সব রাজ্যের মন্ত্রীরা উপস্থিত থাকবেন। এই পদক্ষেপকে স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঘোষিত “নেক্সট-জেনারেশন জিএসটি সংস্কার”-এর প্রথম বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই নতুন জিএসটি ব্যবস্থা চালু হলে সাধারণ মানুষের জীবনে বেশ কিছু ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছে অর্থনৈতিক মহল। এই হার সংস্কার বিষয়ক মন্ত্রীগোষ্ঠীতে কেরালা, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও কর্ণাটকের মন্ত্রীরা রয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গের প্রতিনিধি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, এই সংস্কার থেকে সম্ভাব্য রাজস্ব হ্রাস নিয়ে বেশ কিছু রাজ্য উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সেই কারণে, রাজ্যগুলি কেন্দ্রের কাছে ক্ষতিপূরণের নিশ্চয়তা দাবি করেছে। উত্তরপ্রদেশের অর্থমন্ত্রী সুরেশ খান্না বলেন, ১২% ও ২৮% করের স্তর তুলে দেওয়ার প্রস্তাব সাধারণ মানুষের উপকারে আসবে। তিনি জানান, ৫-৭টি পণ্যই মাত্র উচ্চ করের আওতায় থাকবে।

    মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ ও সহজ কর ব্যবস্থা

    জিএসটি-র (GST Reform) এই পরিবর্তনে দৈনন্দিন ব্যবহারের বহু জিনিসের দাম কমায় মূল্যবৃদ্ধির চাপ থেকে কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে। বিশেষত, মধ্যবিত্ত পরিবারগুলির মাসিক খরচের বোঝা কমবে। করের স্তর কমে যাওয়ায় ব্যবসায়ীদের জন্য জিএসটি রিটার্ন ফাইল করা এবং অন্যান্য নিয়মকানুন মেনে চলা আরও সহজ হবে। এর ফলে দেশে ব্যবসার পরিবেশ উন্নত হবে। দুটি মাত্র করের হার থাকায় পুরো ব্যবস্থাটি আরও স্বচ্ছ হবে এবং কর ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতাও কমবে বলে মনে করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানিয়েছেন, এই সংস্কারের ফলে সাধারণ মানুষ, কৃষক, মধ্যবিত্ত এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগপতিরা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন। এখন মন্ত্রিগোষ্ঠীর এই সুপারিশ জিএসটি কাউন্সিলের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। সেখানে সবুজ সংকেত পেলেই দেশজুড়ে চালু হবে ‘জিএসটি ২.০’, যা ভারতীয় অর্থনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।

  • Online Gaming Bill: লোকসভার পর রাজ্যসভাতেও পাশ অনলাইন গেমিং বিল

    Online Gaming Bill: লোকসভার পর রাজ্যসভাতেও পাশ অনলাইন গেমিং বিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভায় পাশ হওয়ার পর এবার রাজ্যসভাতেও পাশ হল ‘দ্য প্রোমোশন অ্যান্ড রেগুলেশন অব অনলাইন গেমিং বিল, ২০২৫’। বুধবার এই বিল লোকসভায় পাশ হয়। তার ঠিক পরদিন, অর্থাৎ বৃহস্পতিবার, এটি রাজ্যসভায় পেশ করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। বিলটি পেশ (Online Gaming Bill) হতেই বিরোধীরা হৈ হট্টগোল শুরু করে। তবে তাতে আটকানো যায়নি। অবশেষে ধ্বনি ভোটের মাধ্যমেই রাজ্যসভাতেও বিলটি পাশ হয়ে যায়।

    কী বললেন অশ্বিনী বৈষ্ণব

    বিল পাশের (Online Gaming) পর প্রতিক্রিয়ায় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন,
    “এই বিল সমাজে একটি ভারসাম্য তৈরি করবে। ইতিবাচক ও কল্যাণকর গেমিংকে উৎসাহ দেবে, আর যে গেমিং (Online Gaming Bill) যুব সমাজের জন্য ক্ষতিকর, তার থেকে রক্ষা করবে।” নতুন বিল অনুযায়ী, কোন ধরনের গেম উৎসাহিত করা হবে আর কোনটি নিষিদ্ধ— সে বিষয়ে সংসদে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন মন্ত্রী। তিনি জানান, অনলাইন গেমিংকে উৎসাহিত (Online Gaming Bill) করা হলেও, যেসব গেম অর্থের বিনিময়ে খেলা হয় বা জুয়ার সঙ্গে যুক্ত, সেগুলোকে নিষিদ্ধ করা হবে।

    অশ্বিনী বৈষ্ণব অনলাইন গেমিংকে তিন ভাগে ভাগ করেন

    ই-স্পোর্টস

    অনলাইন সোশ্যাল গেমস

    অনলাইন মানি গেমস

    মন্ত্রী জানান, ই-স্পোর্টসকে দেশের অন্যান্য খেলাধুলোর মতোই উৎসাহ দেওয়া হবে। অনলাইন সোশ্যাল গেমসকে (Online Gaming Bill) তরুণ প্রজন্মের সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তিমনস্কতার অংশ হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

    তবে নিষিদ্ধ হচ্ছে কোন গেমগুলো?

    মন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, ‘অনলাইন মানি গেমস’, অর্থাৎ যেসব গেমে আর্থিক বিনিয়োগ করতে হয় এবং যার মাধ্যমে মানুষ আসক্ত হয়ে পড়ে ও সর্বস্ব হারায়—এমন গেমগুলোই নিষিদ্ধ হবে। এই গেমগুলোর অ্যালগোরিদম এমনভাবে তৈরি, যা ব্যবহারকারীকে বারবার বিনিয়োগে বাধ্য করে, কিন্তু বিনিয়োগ করা অর্থ ফেরত পাওয়ার কোনো বাস্তব সম্ভাবনা থাকে না। এছাড়া এই প্ল্যাটফর্মগুলো থেকেই অর্থপাচার, আর্থিক প্রতারণা এবং এমনকি সন্ত্রাসে অর্থ জোগান দেওয়ার ঘটনাও ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

    গেমিং অ্যাপগুলোর মাধ্যমেই প্রতি মাসে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার লেনদেন হয় ভারতে

    কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শুধু ফ্যান্টাসি গেমিং অ্যাপগুলোর মাধ্যমেই প্রতি মাসে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার লেনদেন হয় ভারতে। ফলে এই খাতে গত কয়েক বছরে হঠাৎ করেই অনেক ছোট-বড় সংস্থা গজিয়ে উঠেছে। এখন থেকে এমন অ্যাপ পরিচালনাকারীদের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হওয়া হবে, জানিয়েছেন বৈষ্ণব। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর এই বিল আইনে পরিণত হলে, বিল ভঙ্গ করলে ১ কোটি টাকা জরিমানা ও সর্বোচ্চ তিন বছরের জেল হতে পারে। আর যারা সরাসরি জড়িত না থেকেও এই গেমিং অ্যাপের বিজ্ঞাপন করছেন, তাদের উপর ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা আরোপ করা হবে।

  • Indian Constitution: ৩০ দিন জেলে থাকলে যাবে মন্ত্রীত্ব, ১৩০তম সংবিধান সংশোধনকে কেন এত ভয় বিরোধীদের?

    Indian Constitution: ৩০ দিন জেলে থাকলে যাবে মন্ত্রীত্ব, ১৩০তম সংবিধান সংশোধনকে কেন এত ভয় বিরোধীদের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুরুতর ফৌজদারি অভিযোগে দায়ের মামলায় গ্রেফতার বা আটক হয়ে ৩০ দিন জেলবন্দি থাকলে চলে যাবে মন্ত্রিত্ব। প্রধানমন্ত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী থেকে রাজ্যের মন্ত্রী কিংবা প্রতিমন্ত্রী রেয়াত করা হবে না কাউকেই। ৫ বছরের বেশি কারাবাসের সাজা হতে পারে এমন ফৌজদারি মামলায় ৩০ দিনের বেশি জেলবন্দি থাকলেই যাবে মন্ত্রিত্ব। বুধবার লোকসভায় ১৩০তম সংবিধান সংশোধনী বিলটি (Indian Constitution) পেশ করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। আর ইতিমধ্যেই তা নিয়ে রে রে করে উঠেছে বিরোধীরা। আর সেই তাণ্ডবের পুরভাগে রয়েছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল। দুর্নীতির বিরুদ্ধে মোদি সরকারের এই বলিষ্ঠ পদক্ষেপে বিরোধীদের তাণ্ডবে প্রশ্ন উঠছে, যাঁদের চুরি, জোচ্চুরি, দুর্নীতি এবং অপরাধের মামলায় জেলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তারাই বিলের বিরোধিতায় সরব?

    অপরাধমুক্ত রাজনৈতিক পরিবেশ গড়ে তুলতেই ঐতিহাসিক পদক্ষেপ

    অপরাধমুক্ত রাজনৈতিক পরিবেশ গড়ে তুলতেই ঐতিহাসিক পদক্ষেপ করেছে মোদি সরকার। সংবিধান (Indian Constitution) সংশোধন করে অপরাধে অভিযুক্ত মন্ত্রীদের পদ থেকে সরানোর ব্যবস্থা করছে তারা। আর তাতেই সবচেয়ে বেশি জ্বালা ধরেছে সেই বিরোধীদের। যাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি অপরাধের অভিযোগ ভুরি ভুরি। ভেবে দেখুন যে কোনও সরকারি কর্মচারী যদি ২৪ ঘণ্টা জেলবন্দি থাকেন, তাহলে তাঁর পরিণতি ঠিক কী হতে পারে। আইন অনুসারে চাকরি হারাতে হয় সেই সরকারি কর্মীকে। তবে মন্ত্রীরা বাদ যাবেন কেন? নৈতিকতা কি শুধু সাধারণ নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য? ভোটে জিতলে কি নৈতিকতা পকেটে করে নিয়ে ঘোরা যায়? গ্রেফতারির ৩০ দিনের মধ্যে যদি কাউকে আদালত জামিন না দেয় তাহলে ধরে নেওয়া যেতেই পারে যে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের পক্ষে ধর্তব্যযোগ্য প্রমাণ রয়েছে।

    সংবিধান নির্মাতাদের কল্পনারও বাইরে ছিল, চুরির দায়ে মন্ত্রীরা জেলে যেতে পারেন

    এদেশের সংবিধান তৈরির (Indian Constitution) জন্য গঠিত হয়েছিল গণপরিষদ, যার সভাপতি ছিলেন ডক্টর রাজেন্দ্র প্রসাদ। খসড়া কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন বাবাসাহেব বি আর আম্বেদকর। ১৯৪৬ সালের ৯ ডিসেম্বর গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে, যার সভাপতিত্ব করেন সচ্চিদানন্দ সিনহা। এইভাবে ধাপে ধাপে চলতে থাকে সংবিধানের কাজ। ২ বছর ১১ মাস ১৮ দিন পরে সংবিধান রচনা শেষ হয়। ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর গণপরিষদের সংবিধান গৃহীত হয়। দেশে সংবিধান লাগু হয় ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি। এই এত দীর্ঘ সময় ধরে সংবিধান নির্মাতারা বসে বসে সংবিধানকে নির্মিত করেন। কিন্তু তখনও সংবিধান নির্মাতারা এটা বুঝতে পারেননি যে অত্যাচারী ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করার জন্য জেলে যেতে হত নেতাদের স্বাধীনতার আগে, আর স্বাধীনতার পরে দুর্নীতি-অপরাধের দায়ে নেতারা জেলে যাবেন, মন্ত্রীরা জেলে যাবেন, তার পরেও তারা নিজেদের পদ ছাড়বেন না।

    অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক

    খুব সাম্প্রতিক উদাহরণ দেওয়া যায়— দিল্লি আবগারি দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতারির পরেও ইস্তফা দেননি রাজধানীর তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। জেলে বসে দিনের পর দিন রাজ্য শাসন করেছেন তিনি। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গে প্রায় একই ঘটনা ঘটেছে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ক্ষেত্রে। রেশন দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতারির পরেও বনমন্ত্রীর পদে বহাল ছিলেন তিনি। গ্রেফতারির প্রায় সাড়ে তিন মাস পর মন্ত্রিসভা থেকে তাঁকে সরান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখানেই উঠছে নৈতিকতার প্রশ্ন। দুর্নীতির অভিযোগে জেলবন্দি দশাতেও কি রাজ্য শাসন করা যায়? চালানো যায় মন্ত্রক বা দফতর? তাছাড়া এই ধরণের নজিরে জনমানসে ধারণা তৈরি হতে পারে যে একবার ভোটে জিতলে জেলে গেলেও ক্ষমতার সুখ যাবে না। এই জায়গাটাতেই আঘাত হেনেছে মোদী সরকার। যে গুরুতর অপরাধ করে কোনও মন্ত্রী জেলে গেলে ৩০ দিনের মধ্যে আদালত তাঁকে জামিন না দিলে চলে যাবে তাঁর মন্ত্রী পদ। হতে পারে তিনি প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী। নতুন এই বিল অনুযায়ী, কোনও রাজ্যের রাজ্যপাল বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে লেফটেন্যান্ট গভর্নর নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রীকে পদ থেকে সরাতে পারবেন। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীকে সরানোর ক্ষমতা থাকছে রাষ্ট্রপতির হাতে। রাজ্যের মন্ত্রীদের সরাবেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে তাঁদের বিধায়ক ও সাংসদ পদ বহাল থাকবে।

    কেন বিলের বিরোধিতায় বিরোধীরা (130th Constitution Amendment Bill)

    এই বিলের যাঁরা বিরোধিতা করছে, তাঁরা কি বলতে চাইছে যে তাঁরা অপরাধ করবেন, তারপরেও তাঁরা মন্ত্রী থেকে যাবেন? তাঁরা দুর্নীতি করবেন, তারপরেও তাঁরা মন্ত্রী থেকে যাবেন? তাঁদের এই ভয় যে, অপরাধ এবং দুর্নীতির দায়ে তাদের জেল হতে পারে, এটা তাঁরা জানেন। কিন্তু কোনওভাবে তাঁরা মন্ত্রিত্ব ছাড়বেন না (Indian Constitution)। ঠিক যেমনটা অরবিন্দ কেজরিওয়াল করেছিলেন। বুধবার, সংসদে যখন বিরোধীদের হট্টগোল চরমে তাখন তাঁদের চুপ করিয়ে দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের একটি বক্তব্য। শাহ বলেন, “আমরা এতটাই নির্লজ্জ হতে পারি না যে গুরুতর অপরাধের অভিযোগ থাকার পরেও সাংবিধানিক পদ (130th Constitution Amendment Bill)
    দখল করে থাকব।”

    গর্জে উঠলেন অমিত শাহ

    এ নিয়ে আবার কংগ্রেস সাংসদ কে. সি. বেনুগোপালকে অমিত শাহের ইতিহাস টানতে দেখা যায়। অমিত শাহও গুজরাতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন জেলে গিয়েছিলেন বলে দাবি করেন তিনি। কে. সি. বেনুগোপাল বলেন, “এই বিল সংবিধানের মৌলিক নীতিগুলিকে ধ্বংস করছে। আমি কি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে একটা প্রশ্ন করতে পারি? গুজরাটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তিনি কি তখন নৈতিকতার মান রক্ষা করেছিলেন?” এরই পাল্টা হিসেবে গর্জে ওঠেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই। আমার বিরুদ্ধে ভুয়ো অভিযোগ আনা হয়েছিল। তবুও আমি নৈতিকতা ও আদর্শ মেনে চলেছি। আমি শুধু পদত্যাগই করিনি, বরং আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ আদালতে সম্পূর্ণভাবে খারিজ না হওয়া পর্যন্ত কোনও সাংবিধানিক পদ গ্রহণ করিনি। আর তাঁরা আমাদের নৈতিকতা শেখাতে চাইছেন? আমি পদত্যাগ করেছিলাম। আমি চাই নৈতিকতা দৃঢ় হোক। আমরা এতটা নির্লজ্জ হতে পারি না যে অভিযোগ থাকলেও সাংবিধানিক পদ আঁকড়ে থাকব। আমাকে গ্রেফতার করার আগেই আমি পদত্যাগ করেছিলাম।” প্রসঙ্গত, ওই মামলায় ২০১৪ সালের ডিসেম্বর মাসে অমিত শাহকে বেকসুর খালাস ঘোষণা করা হয়। কিন্তু অমিত শাহ যে নজির দেখিয়েছেন, সেই নজির কি ভারতবর্ষের অন্যান্য দলের নেতা-মন্ত্রীরা দেখানোর সাহস, হিম্মত রাখেন? সেই নজির কি দেখাতে পেরেছেন রাজ্যের রেশন কেলেঙ্কারিতে জেলে যাওয়া নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক কিংবা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল? এনারা পারেননি। বিজেপির রাজনীতিতে সর্বোপরি থেকেছে মূল্যবোধ। একাত্মমানববাদেই যার উল্লেখ রয়েছে। সেই নীতিরই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে মোদি সরকারের নয়া সংবিধান সংশোধনীতে। এতেই আপত্তি বিরোধীদের।

  • MEA: দিল্লি-কলকাতায় চলছে আওয়ামি লিগের অফিস! দাবি ইউনূস সরকারের, ‘‘ভুল জায়গা’’ কড়া জবাব ভারতের

    MEA: দিল্লি-কলকাতায় চলছে আওয়ামি লিগের অফিস! দাবি ইউনূস সরকারের, ‘‘ভুল জায়গা’’ কড়া জবাব ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালের জামাত এবং বিএনপি’র প্রত্যক্ষ মদতে দখল হয় বাংলাদেশের গণভবন। দেশ ছাড়তে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। এরপর বাংলাদেশে তৈরি হয় অন্তর্বর্তী সরকার। তারপর নিষিদ্ধ করা হয় শেখ হাসিনার আওয়ামি লিগকে (Awami League)। এই আবহে অন্তর্বর্তী সরকারের অদ্ভুত দাবি যে ভারতের মাটিতে নাকি কার্যকলাপ চালাচ্ছে আওয়ামি লিগ। শুধু তাই নয়, তারা নাকি দিল্লি এবং কলকাতায় অফিস খুলে বাংলাদেশ বিরোধী কার্যকলাপ সমানভাবে চালিয়ে যাচ্ছে। এ নিয়ে এই বিবৃতি জারি করেছে বুধবার অন্তর্বর্তী ইউনূস সরকার। যার পাল্টা হিসাবে বিবৃতি দিয়েছে নয়া দিল্লিও। বিদেশমন্ত্রকের (MEA) তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে ঢাকার এই বিবৃতি তারা ভুল জায়গায় পাঠিয়েছে।

    কী বললেন বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র?

    বাংলাদেশের তোলা দাবিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে ভারত।  বিদেশ মন্ত্রকের (MEA) মুখপাত্র রনধীর জয়সওয়াল বিবৃতিটি সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন। তাতে বলা হয়েছে, ‘‘ভারতে আওয়ামি লিগের সদস্যদের দ্বারা সংঘটিত কোনও বাংলাদেশ-বিরোধী কার্যকলাপ সম্পর্কে ভারত সরকার অবহিত নয়। ভারতের আইনের সঙ্গে সঙ্গতিবিহীন কিছুও করা হচ্ছে না। ভারতের মাটি থেকে অন্য কোনও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কার্যকলাপ ভারত সরকার অনুমোদন করে না। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার যে বিবৃতি দিয়েছে, তা ভুল জায়গায় পাঠানো হয়েছে।’’ বাংলাদেশে স্বচ্ছ নির্বাচনের আশা ব্যক্ত করে বিবৃতিতে (MEA) এর পর বলা হয়েছে, ‘‘বাংলাদেশে যত দ্রুত সম্ভব স্বাধীন, স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজনের আশা পুনর্ব্যক্ত করছে ভারত সরকার। আশা করছি, দেশটিতে জনগণের রায় প্রতিষ্ঠিত হবে।’’

    অন্তর্বর্তী সরকার তাদের ভারত বিরোধী কার্যকলাপ জারি রেখেছে

    প্রসঙ্গত ক্ষমতায় আসার পর থেকেই অন্তর্বর্তী সরকার (MEA) তাদের ভারত বিরোধী কার্যকলাপ জারি রেখেছে। কখনও তা বিবৃতির মাধ্যমে দিচ্ছে, কখনও বা চিন-পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠ হয়ে তারা কূটনৈতিকভাবে তা দিচ্ছে। আবার বাংলাদেশের মাটিকে ব্যবহার করে মৌলবাদীরা ভারত বিরোধী কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলিতে জঙ্গি কার্যকলাপ আগের চেয়ে আরও বেশি বেড়েছে — এমনটাই গোয়েন্দা তথ্য বলছে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরের সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর হামলা অনেক পরিমাণে বেড়েছে এবং ইউনূস জমানাতে বাংলাদেশের মাটিতে যে ভারত বিরোধী কার্যকলাপ চলছে — নয়াদিল্লি কোনওভাবেই বরদাস্ত করবে না। এনিয়ে নয়াদিল্লিতে একাধিকবার কড়া বিবৃতিও দিয়েছে। এই আবহে ভারতের বিরুদ্ধে এক অদ্ভুত অভিযোগ তুলেছে অন্তর্বর্তী সরকার, এবং সেখানে তারা ভারতের মাটিকে ব্যবহার করে আওয়ামি লিগ (Awami League) কাজ চালাচ্ছে।

    জাতির উদ্দেশে ভাষণ ইউনূসের

    প্রসঙ্গত, গত পাঁচ অগাস্ট জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে শোনা যায় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসকে এবং তিনি তখন জানান যে আগামী বছর রমজান মাস শুরুর আগেই, ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি জাতীয় সংসদে নির্বাচন করতে চান।অর্থাৎ তিনি বলতে চান যে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশে ভোট হবে। একাধিক রাজনৈতিক দল, যার মধ্যে রয়েছে বিএনপিও রয়েছে। ভোট দেরিতে হওয়া নিয়ে তারা প্রশ্ন তুলেছে। এই আবহে গত ১১ অগাস্ট আওয়ামি লিগের যে সামাজ মাধ্যমের পেজে একটি লম্বা পোস্ট করা হয়েছে এবং সেখানে শেখ হাসিনা দেশের পরিস্থিতি বদলের জন্য ২১ দফা পরিকল্পনার কথা বলেছেন। তাঁর বক্তব্যে মহম্মদ ইউনূসকে ফ্যাসিস্ট এবং অন্তর্বর্তী সরকারকে জনশত্রু বলা হয়েছে।

  • Agni-5: শত্রুর বুকে কাঁপুনি! অগ্নি-৫ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা ভারতের, কতটা তাৎপর্যপূর্ণ?

    Agni-5: শত্রুর বুকে কাঁপুনি! অগ্নি-৫ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা ভারতের, কতটা তাৎপর্যপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সামরিক শক্তি দেখাল ভারত। বুধবার সফলভাবে দেশের সেরা ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য ‘অগ্নি-৫’ ব্যালিস্টিক মিসাইলের পরীক্ষা চালানো হল। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র বহনে সক্ষম ‘ইন্টারমিডিয়েট রেঞ্জ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র’ অগ্নি-৫ পাঁচ হাজার কিলোমিটার দূরে থাকা লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

    ভারতের সবচেয়ে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র

    ওড়িশার চাঁদিপুরের এপিজে আবদুল কালাম দ্বীপ অবস্থিত ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট রেঞ্জ থেকে অগ্নি-৫ সফলভাবে পরীক্ষা করে ভারত। এই ক্ষেপণাস্ত্র চিনের রাজধানী বেজিং‌ঙে আঘাত হানতে পারে! আমেরিকা, চিন, রাশিয়া, ফ্রান্স ও উত্তর কোরিয়া ছাড়া আর কোনও দেশের হাতে এই পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র নেই। বর্তমানে, এটিই হল ভারতের সবচেয়ে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র। এই ক্ষেপণাস্ত্রের রেঞ্জ ৮ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে বলে দাবি করা হচ্ছে। এই মিসাইলটিকে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি করা হয়েছে। এটি তৈরি করেছে ডিআরডিও। পরীক্ষার সময় ভারত মহাসাগরে মোতায়েন যুদ্ধজাহাজ, শক্তিশালী রেডার দিয়ে ক্ষেপণাস্ত্রটির গতি, দিশা, লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত সহ রিয়েল-টাইম ফ্লাইট অ্যাসেসমেন্ট করা হয়।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, এই পরীক্ষায় সব কার্যকরী ও প্রযুক্তিগত মানদণ্ড নিশ্চিত করা হয়েছে। পরীক্ষার তত্ত্বাবধানে ছিল বাহিনীর স্ট্র্যাটেজিক ফোর্সেস কমান্ড। এই বাহিনীই ভারতের পারমাণবিক অস্ত্র বহনকারী ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য কৌশলগত অস্ত্রের দায়িত্বে থাকে। আকাশের বুক চিরে এই ক্ষেপণাস্ত্রের যাওয়ার দৃশ্য দিঘা, এমনকী বাংলাদেশ থেকেও দেখা গিয়েছে বলে দাবি। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জন্য চলতি মাসের গোড়ার দিকেই ভারত মহাসাগরে ৪,৭৯৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বিমানবাহিনীর জন্য নোটাম জারি করেছিল কেন্দ্র। অসামরিক বিমান ও সামুদ্রিক যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য লাইভ-ফায়ার পরীক্ষার সময় যেসব এলাকা এড়িয়ে চলতে হবে তা চিহ্নিত করতে নোটাম জারি করা হয়।

    অগ্নি-৫ ক্ষেপণাস্ত্রের বিশেষত্ব

    ৫০ টন ওজনের প্রায় সাড়ে ১৭ মিটার লম্বা এবং ২ মিটার চওড়া অগ্নি-৫ একটি থ্রি-স্টেজ সলিড-ফুয়েল চালিত ক্ষেপণাস্ত্র। মাল্টিপল ইন্ডিপেন্ডেন্টলি টার্গেটেবল রি-এন্ট্রি ভেহিকেল (MIRV) প্রযুক্তিতে সজ্জিত এই ক্ষেপণাস্ত্র। অর্থাৎ, একবার উৎক্ষেপণ করা হলে, এটি একই সঙ্গে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণ করতে পারে। অগ্নি-৫ এর দেড় টন পর্যন্ত পারমাণবিক অস্ত্র বহন করার ক্ষমতা রয়েছে। এখানেই শেষ নয়। রি-এন্ট্রির সময় এর গতি হয় ম্যাক ২৪। অর্থাৎ, শব্দের গতির ২৪ গুণ। ফলে, একে রোখা কার্যত অসাধ্য। এই ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা ক্যানিস্টার প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। এই কারণেই এটি সহজেই যেকোনও জায়গায় পরিবহণ করা যেতে পারে। এমনকী, রেলে করেও নিয়ে যাওয়া যায়। যে কারণে ‘অগ্নি ৫’ ক্ষেপণাস্ত্রকে ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সম্পদ বলে মনে করা হয়।

    আত্মনির্ভর ভারতের উদ্যোগ

    ভারতের এই উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ক্ষমতার ওপর জোর দেওয়া আদতে তার প্রতিরক্ষা আধুনিকীকরণ অভিযান এবং আত্মনির্ভর ভারত উদ্যোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে এ ধরনের উৎক্ষেপণ বারবার প্রমাণ করেছে যে, ভারত শুধু প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে নয়, সামরিক প্রস্তুতির ক্ষেত্রেও দ্রুত এগোচ্ছে। শুধুমাত্র চলতি বছরেই ভারত ১০টিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র বা সিস্টেম পরীক্ষা চালিয়েছে। এই তালিকার মধ্যে রয়েছে ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত নির্ভুল আঘাত হানতে সক্ষম প্রলয় কোয়াসি-ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং জুলাই মাসে আকাশ প্রাইম ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা।

LinkedIn
Share